Friday, July 20, 2012
আত্মজা ও একটি করবী গাছ: ফিরে দেখা by হাসান ফেরদৌস
আত্মজা ও একটি করবী গাছ: ফিরে দেখা by হাসান ফেরদৌস
তখন সতেরো কি আঠারো বছর হবে, যখন প্রথম হাসান আজিজুল হকের ‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ’ গল্পটি পড়ি। একই নামকের শীর্ণকায় একটি গ্রন্থের নাম-গল্প। সেটি এমন এক বয়স, যখন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রতি, বিশেষত রবীন্দ্রনাথের প্রতি, আমাদের প্রবল উপেক্ষা। সদ্য চিনেছি কাফকা, কামু ও জিদকে। হাতে নিয়ে ঘুরি বেকেট।
সাহিত্যে কাহিনির চেয়ে আইডিয়া অধিক গুরুত্বপূর্ণ, এমন অদ্ভুত তত্ত্বে আমাদের আস্থা আমুণ্ডু। এমনকি এ কথাও আমরা ভাবতে শিখেছিলাম যে সাহিত্য ও টেক্সট সমার্থবোধক, সাহিত্যের আসল তাৎপর্য কেবল সেই টেক্সটের পাঠপ্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে প্রকাশিত হয়।
সেই না-অতি তরুণ বয়সে গল্পটি পড়ে প্রচণ্ড হোঁচট খেয়েছিলাম। সাহিত্যের আসল লক্ষ্য মানুষ—তার বেদনা ও অব্যাহত ক্ষরণ এবং সেই ক্ষরণের সঙ্গে নিরন্তর সংহতি, এমন একটি ধারণার প্রতি কেউ একজন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন। ‘এমপ্যাথি’ শব্দটির সঙ্গে পরিচয় আরও পরে, তবে লেখকের মূল অর্জন মানবিক সংহতির ভেতর দিয়ে প্রকাশিত হয়, এই গল্পটি এবং গল্পগ্রন্থের অন্যান্য গল্প পাঠের মাধ্যমে এই সত্যের সঙ্গে ভাসা ভাসা হলেও পরিচিত হয়েছিলাম। কামু-কাফকার কাছ থেকে শিখেছিলাম মানুষ একটি দ্বীপমাত্র অথবা কোনো দ্বীপে জেগে থাকা একা একটি বৃক্ষ। ‘আত্মজা’ পড়ে মনে হলো, মানুষ হয়তো একটি বৃক্ষ, কিন্তু তার চারপাশে আরও অসংখ্য বৃক্ষ নিয়ে জেগে থাকে অরণ্য। দেখতে একা মনে হয়, কিন্তু কোনো বৃক্ষই বিচ্ছিন্ন নয়। শিকড়ে শিকড়ে তার সম্পৃক্তি অরণ্যজুড়ে। সেই অরণ্যের নাম মানবসমাজ—এর কোনো চিহ্নিত সীমানা নেই, তার কোনো মেয়াদ-বাঁধা সময়সীমা নেই, কোনো জাতপাত নেই। যেমন ভেদচিহ্ন নেই, জাতপাত নেই ভালোবাসার, বেদনার, পরাজয়ের ও একাকিত্বের।
আরও একটা জিনিস শিখেছিলাম। সাহিত্যের আসল শক্তি হলো ভাষা। আমাদের চেনা-জানা শব্দ দিয়ে ভাষার নির্মিতি, অথচ সেই বহু ব্যবহূত, চিরচেনা শব্দ দিয়েই একটি নতুন জগৎ গড়ে ওঠে, যে জগতে মানুষ, পশু ও প্রকৃতি পাশাপাশি বাস করে। তাদের ভিন্ন ভিন্ন অস্তিত্ব, আপাত সম্পর্কবিহীন। লেখক ভাষার তুলি দিয়ে তাদের আন্তসম্পর্ক গড়ে তোলেন, আবার প্রত্যেকের জন্য নির্মাণ করেন স্বতন্ত্রব্যক্তিত্ব। সেই গল্পের শুরুতেই এমন একটি আশ্চর্য বাক্য পড়েছিলাম, যা আমার চোখে এখনো ছবির মতো ভাসে, ‘এখন নির্দয় শীতকাল, ঠান্ডা নামছে হিম, চাঁদ ফুটে আছে নারকেলগাছের মাথায়। অল্প বাতাসে একটা বড় কলার পাতা একবার বুক দেখায় একবার পিঠ দেখায়।’
প্রায় ৪০ বছর পর সেই একই গল্প পড়লাম। আশ্চর্য, সেই একই অভিজ্ঞতা।
২.
কোনো কোনো লেখককে শুধু একটি বই, এমনকি একটি গল্প দিয়ে চিহ্নিত করা সম্ভব। যেমন কাফকার মেটামরফসিস অথবা জয়েসের দি ডেড। হাসান আজিজের বেলায় যদি সে চেষ্টা হয়, তাহলে কোন গল্পটি নির্বাচন করা যাবে?
হাসান আজিজ বরাবরই তাঁর গল্পের প্রবল অথচ নিরাসক্ত কঠিন-কঠোর-আপসহীন বাস্তবতার জন্য পরিচিত। ‘সাহিত্যের বাস্তব’ এই নামের একটি প্রবন্ধে হাসান আজিজ নিজেই সে বাস্তবতার ভেতর-রূপ, তার চেহারা-চরিত্র চিহ্নিত করতে গিয়ে বলেছেন, সাহিত্যে একমাত্র তখনই সাদামাটা বাস্তবের পাশাপাশি দেখা দেয় আন্তর বাস্তবতা, যখন লেখক বহিরঙ্গ-সাদৃশ্য ভেদ করে চলে যান বাস্তবের তীব্রতর, তীক্ষতর চেহারা ফুটিয়ে তুলতে, বাস্তবের সচরাচর দৃশ্যগোচর রূপ ভেঙে দিয়ে তাকে দলে-মুচড়ে তছনছ করেন। আর এভাবে শতপথে সূচিতীক্ষ আলো এসে পড়ে, লেখকের মনন-মেধা-প্রজ্ঞা মিশে যায় তার সঙ্গে।
বাস্তব যখন এত নিকট ও প্রবল, তখন শুধু কল্পনার সাহায্য নিয়ে সে বাস্তবের পুনর্নির্মাণ সম্ভব নয়। লেখককে হয় সে জীবনের ভেতর দিয়ে যেতে হয়, অথবা কোনো না-কোনোভাবে সে জীবনের অংশীদার হতে হয়। হাসান আজিজের অতি-সাম্প্রতিক কিছু নাগরিক গল্প বাদ দিলে প্রায় সব গল্পই যাপিত-জীবননির্ভর। ফলে গল্পকার হিসেবে তিনি বিভূতিভূষণ ও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোত্রভুক্ত। পশ্চিমে এবং দ্বিতীয় যুদ্ধোত্তর লাতিন সাহিত্যে পরাবাস্তব কল্পনার ব্যবহার আমাদের সুপরিচিত। কিন্তু হাতে গোনা কয়েকজনের লেখা বাদ দিলে এই রচনাধারা যতটা ফ্যাশনদুরস্ত, সাহিত্য হিসেবে ততটা মানোত্তীর্ণ নয়। মার্কিন লেখক জেমস সালটারের একটি মন্তব্য এখানে প্রাসঙ্গিক হবে বলে উল্লেখ করছি। পশ্চিমে ফিকশন ও নন-ফিকশনের মধ্যে ফারাক করার একটি প্রচলন দীর্ঘদিনের। সালটার আপত্তি করে বলেছেন, ফিকশন মানে কি এই যে লেখক যা লেখেন তার উৎস শুধু সে লেখকের নিজস্ব মস্তিষ্ক? ‘বস্তুত, সফল গল্প বা উপন্যাস যা কিছু আমরা পড়েছি, তার কোনোটাই লেখকের নিজস্ব আবিষ্কার নয়। এসব লেখার পেছনে থাকে পরিষ্কার ধারণা ও নিকট অবলোকন। যেসব লেখক বলেন, সবকিছুই তাঁদের কল্পনাসঞ্জাত, আমি সেসব লেখকের ব্যাপারে মোটেই আগ্রহী নই; বরং আমি এমন একজন লোকের সাথে এক কক্ষে থাকতে আগ্রহী, যে আমাকে তার নিজের জীবনের গল্প বলবে। সে গল্পে হয়তো অতিরঞ্জন থাকবে, মিথ্যা কথনও হয়তো থাকবে, কিন্তু সে গল্পের হাড়-মাংস, তার সারার্থ হবে জীবন থেকে নেওয়া সত্য গল্প।’
কম-বেশি এমন কথা হয়তো হাসান আজিজও কোথাও না কোথাও বলেছেন। তাঁর নিজের গল্প সম্বন্ধে এ কথা টায় টায় সত্য, বিশেষভাবে ষাটের দশকে লেখা গল্পগুলোর বেলায়। গ্রামীণ জীবন নিয়ে খুব কাছ থেকে দেখা, শুধু দেখা নয়, নিজের যাপিত জীবনের অভিজ্ঞতা-ঋদ্ধ এই গল্পগুলো, একজন সমালোচকের ভাষায়, ‘বাস্তবের বীভৎসতা ও ভেতরের উদ্ভট অনৈতিকতার নির্মোহ ব্যবচ্ছেদ।’ একাত্তরের পর প্রথম এক-দেড় দশকে সে কঠোর-কঠিন-আপসহীন বাস্তবতা থেকে তিনি সরে আসেননি বটে, কিন্তু তার সঙ্গে যুক্ত হয় এক প্রবল পরিহাস। এই সময়ের লেখা প্রতিটি গল্প হয়ে ওঠে তাঁর সময়ের নির্দয় কমেন্টারি। কিন্তু গল্পগুলো যদি তাঁর সময়ের স্যাটায়ার হিসেবেও না পড়া হয়, প্রতিবেদিত অভিজ্ঞতার ‘আইরনি’টুকু অনুদ্ঘাটিত থেকে যায়, তাহলে পাঠক শুধু লেখকের একটি মনোভাবের সঙ্গে পরিচিত হবেন—তার বিবমিষার। সে বিবমিষার পেছনে যে গভীর বঞ্চনা রয়েছে, রয়েছে আশাভঙ্গের বেদনা, তার কোনো পরিচয়ই তিনি পাবেন না। এই সময়ের কোনো কোনো গল্প একটি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক পরিকাঠামোয় অনুসৃত হওয়ায় তা কিঞ্চিত কম উপভোগ্য ও তার স্থায়িত্ব কিছুটা প্রশ্নবিদ্ধ। এ অবশ্য আমার ব্যক্তিগত মতামত। পরবর্তী সময়ে হাসান আজিজের গল্পে মোড় ফেরার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, তার স্বর অনেক কোমল হয়ে এসেছে, এমনকি শুদ্ধ নীতি উপদেশমূলক গল্পও তার কাছ থেকে আমরা পেয়েছি।
অর্ধ শতকের এই দীর্ঘ প্রবজ্যায় হাসান আজিজুল হককে যদি শুধু একটি গল্প দিয়ে চিহ্নিত করতে হয়, তাহলে কেউ কেউ ‘শকুন’-এর কথা বলবেন অথবা উদাহরণ দেবেন ‘কেউ আসেনি’র। আমার চোখে সে রকম একটি গল্প ‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ।’ এ গল্প হয়তো ‘শকুন’-এর মতো নিষ্ঠুর, তিক্ত ও সম্পূর্ণ আভরণহীন বাস্তবতার চালচিত্র নয়। অথবা ‘কেউ আসেনি’র মতো প্রবল রকম রাজনৈতিকও নয়, যদিও দেশভাগের রাজনীতি মানুষকে কেমন ছিন্নভিন্ন করে দেয়, কীভাবে তাকে ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর করে ফেলে, তার কান্নাভেজা দীর্ঘশ্বাস এই গল্পেও ঠিকই মেলে। সেই অর্থে ‘আত্মজা’ প্রবল রকম রাজনৈতিক বৈকি। তবে সবচেয়ে যা লক্ষণীয় তা হলো আত্মজায় এক ধরনের আত্মপ্রবঞ্চনার আড়াল আছে, যা গল্পটিকে একটি কমিক্যাল চরিত্র দেয়, এমনকি বিবৃত ভাষাতেও সেই কমিকের আভরণ রয়েছে, আমার বিবেচনায় যা মুখ্যত গল্পের নগ্ন, রিক্ত, নির্দয় বাস্তবতাকে কিছুটা প্রতিক্ষেপক দূরত্ব প্রদান করে। বিপরীত-নৈতিকতা—রিবার্স মরালিটির একটি প্রায় নিঃশব্দ উচ্চারণও এখানে শুনি, যা হাসান আজিজের এই গল্পটিকে একটি বহুমাত্রিক নিজস্বতা প্রদান করে। এখানে আরও লক্ষণীয় আখ্যান-আঙ্গিকের (ন্যারেটিভ ফর্ম) ও বিষয়গত জটিলতার (থিমেটিক কল্পলেক্সিটি) আন্তসম্পর্ক। ব্যর্থ, অসম্পূর্ণ ও অসহায় কয়েকজন মানুষ, যাদের জোড়া লাগালে একটা সময় ও তার সমাজের চালচিত্র জেগে ওঠে, তাদের কথা এমন আশ্চর্য নৈর্ব্যক্তিকতায় বিবৃত হয় যে মনে হয় লেখক এখানে বড়জোর একজন নিস্পৃহ দর্শক মাত্র। অথচ গল্পটি পড়া শেষে একটি সপাং চাবুক এসে লাগে, যার আঘাত এড়ানো পাঠকের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে। লেখক নিস্পৃহ হলে তাকে ওই অদৃশ্য চাবুক হাঁকানোর প্রয়োজন পড়ত না।
সামান্য কয়েক পাতার গল্প, কাহিনি ভেঙে দেখতে চেষ্টা করলে দেখা যাবে সে অর্থে কোনো গল্পও নেই। এক সন্ধ্যার কয়েক ঘণ্টার অভিজ্ঞতা, এক মফস্বল শহরে—অথবা গ্রামে তিন অকালকুষ্মাণ্ড যুবকের সস্তায় ফুর্তি খোঁজার বিবরণ। ইনাম বেকার, ফেকু ছিঁচকে চোর আর সুহাস নাপিত। এক নির্দয় শীতের সন্ধ্যায় তারা চলেছে অজ্ঞাতনামা এক বৃদ্ধের বাড়িতে, তার কিশোরী কন্যাটির সাথে নিভৃতে সময় কাটাতে। মেয়েটি কেমন, তার বয়স কত, কিছুই আমরা জানি না, তবে যুবকদের একজনের নির্লজ্জ বর্ণনায় জানতে পারি, ‘এট্টু এট্টু সর হইছে এমন ডাবের মতো লাগে মেয়েডারে।’ জনপ্রতি এক টাকা, বড় ভাইয়ের পকেট হাতড়ে এনেছে একজন, আরেকজনের পকেট শূন্য, কাতরভাবে সে টাকা ধার চায় বন্ধুর কাছে, কিন্তু মেলে না। সামান্য সে অর্থ তুলে দিতে হবে শীর্ণকায়, পাণ্ডুর, প্রায় মৃত্যুমুখী সেই বৃদ্ধের হাতে। দেশভাগের পর সব খুইয়ে সপরিবারে তারা আশ্রয় পেয়েছে আলোহীন-আশাহীন এই গ্রামে। মাথা গোঁজার একটা ঠাঁই আছে বটে, কিন্তু দিনাতিপাতের কোনো অবলম্বন নেই। দেশভাগের আগে যে পেশা তার ছিল, এই গ্রামে তার কোনো ব্যবহার নেই। এক ধরনের মেকি অহংকারও আছে, কৃষিকাজ তার জানা নেই, বলে, ‘বাড়ির বাগান থেকে অন্ন জোটানো আমার কম্ম—হ্যাঃ। আমরা শুকনো দেশের লোক, বুইলে না?’ কোথায় যাবে সে, কার কাছে হাত পাতবে? অবশেষে ভর করতে হয় কিশোরী কন্যার ওপর। লজ্জা, ভীতি, ঘৃণা তার চেহারায়, গলার স্বরে। কিন্তু ক্ষুধার চেয়ে বড় শত্রু আর নেই—সে কোনো আব্রু মানে না, শিক্ষা মানে না, বয়স বা পদবির ওজন তার কাছে গ্রাহ্য হয় না। শুধু গ্রাসাচ্ছাদনের জন্য নিজের কিশোরী কন্যাকে পণ্য করবে, তাই বা কীভাবে মেনে নেয় সে? বৃদ্ধ নিজেকে মিথ্যা আশ্বাস দেয় এই বলে, যুবকেরা মেয়েটির সঙ্গে গল্প করবে, আর কিছু নয়। ‘যাও তোমরা, কথা বলে এসো। উই পাশের ঘরে।’ হাত পেতে যে টাকাটা নেয়, তা কোনো পণ্যের বিনিময়ে পাওয়া নয়, ধার, নিজেকে প্রবোধ দেওয়ার মতো বলে। ‘আর কত যে ধার নিতে হবে তোমাদের কাছে! কবেই বা শুধতে পারব এইসব টাকা?’ বন্ধকি বিবেক, নিরুপায় পিতা। একমাত্র উদ্ধার মৃত্যুতে। বৃদ্ধ জানায়, সে একটি করবী গাছ লাগিয়েছে, ফুলের জন্য নয়, বিচির জন্য। ‘চমৎকার ফুল হয় করবী ফুলের বিচিতে।’ কথা বলে আর চোখের জলে সে ভাসে। ইনাম, টাকা নেই বলে ফুর্তি থেকে বঞ্চিত যুবকটি, তেতো গলায় বলে, ‘এ্যাহন তুমি কাঁদতিছ? এ্যাহন তুমি কাঁদতিছ?’
গল্পটি এইখানে শেষ, কিন্তু সত্যিই কি তা শেষ হয়?
গল্পে হাসান আজিজ একটি বাস্তব ও দৈনন্দিক সংকটের সঙ্গে আমাদের পরিচয় ঘটান, পাশাপাশি থাকে একটি নৈতিক নির্বাচনের জটিলতা। তীব্র অভাব ও ক্ষুধার মুখে সব সামাজিক বা ধর্মীয় অনুশাসন ফুৎকারে উড়ে যায়, কিন্তু চেতনার গভীরে যে দ্বন্দ্ব, কঠোরতম বাস্তবতার মুখেও তা কাঁটার মতো খচ খচ বিঁধে থাকে। সব প্রথাবদ্ধ সমাজে নৈতিকতার চরিত্রটি মুখ্যত বহির্মুখী—তার চেহারা ও চরিত্র নির্মিত হয় সামাজিক অনুশাসনের ছত্রচ্ছায়ায়। তা পালনও করা হয় সামাজিক অভিভাবকদের মন জুগিয়ে চলতে। এই অভিভাবকত্ব অর্জন অবশ্য এই শর্ত দ্বারা নির্ধারিত যে সামাজিক অভিভাবকেরাও তাঁদের নিয়ন্ত্রিত গোষ্ঠীর মানব সদস্যদের ন্যূনতম প্রয়োজন মেটাতে কোনো না কোনো রকম ভূমিকা পালন করবেন। নৈতিকতার এই সামাজিক বহির্বরণটি ভেঙে পড়ে যখন অভিভাবকেরা তাঁদের সে ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হন। লক্ষণীয় হলো, নৈতিকতার সামাজিক বহির্বরণ ভেঙে পড়লেও ব্যক্তিগত নীতিবোধ, যা সমাজ থেকে আহরিত কিন্তু সমাজনির্ভর নয়, অক্ষুণ্ন থাকে। অর্থাৎ সমাজ তার সম্মিলিত নৈতিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলেও ব্যক্তির নৈতিকতা, অন্তত নৈতিকতার কৃত্রিম অহংকার রয়ে যায়। এই গল্পের বৃদ্ধ সারা পৃথিবীর চোখে পরাস্ত হলেও নিজের কাছে পরাজয় মানতে পুরোপুরি প্রস্তুত নয়, ব্যক্তিগত অহংকার ও নীতিবোধ সে জাগিয়ে রাখে এক মিথ্যার আবরণে। সে যে মৃত্যুর কথা ভাবে, তার কারণ জীবন ও বিশ্বকে বুড়ো আঙুল দেখানোর সেটাই তার শেষ অস্ত্র।
এই ‘ডিনাইয়াল’ ব্যক্তিগত তা ঠিক, তবে তার একটি সামাজিক চরিত্রও আছে। গল্পের সময়গত, তথা ঐতিহাসিক পরিপ্রেক্ষিতটি বিবেচনা করলে তা স্পষ্ট হবে। ‘আত্মজা’ দেশভাগের পরবর্তী কোনো একসময়ের ঘটনা। নিজের স্থাবর-অস্থাবর সব সহায়-সম্পদ ছেড়ে দেশ ছেড়ে আসতে হয়েছে যেসব অগুনতি মানুষকে, এই গল্পের বৃদ্ধ ও তার পরিবার তাদেরই অন্তর্গত। দেশভাগে তার কোনো হাত ছিল না, কিন্তু সে বিভক্তিতে এই অলিখিত আশ্বাস ছিল, ভিটেমাটি ছেড়ে এলেও নতুন ঠিকানায় তাদের নিরাপদ ও সম্মানজনক আশ্রয় মিলবে। মেলেনি, ফলে গভীর এক অন্ধকূপে পড়ে যায় অগুনতি মানুষ। প্রতিশ্রুতি পালনে এই ব্যর্থতার একটি সম্মিলিত চরিত্র অবশ্যই আছে। কিন্তু সে দায়িত্ব আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই স্বীকার করি না। এই অস্বীকৃতির প্রক্রিয়াটি হলো যে এই বৃদ্ধ ও তার মতো আরও অগুনতি উদ্বাস্তু পরিবারের অস্তিত্ব অগ্রাহ্য করা। পরাজিত, প্রায়-মৃত মানুষের মতো জীবনযাপনরত এসব মানুষকে আমরা মনে রাখি না, কারণ মনে রাখার অর্থই হলো সে ব্যর্থতার দায়ভার স্বীকার করে নেওয়া।
সবাই ভুলে গেলেও ভোলেন না লেখক। তাঁর চোখ দিয়ে নতুন করে পরাস্ত সে জীবন আমাদের সামনে গুটিসুটি এসে দাঁড়ায়। সরকারি হিসাবে, পত্রিকার প্রতিবেদনে অথবা সমাজবিজ্ঞানীর গবেষণাপত্রে এসব উদ্বাস্তু বড়জোর এক একটি পরিসংখ্যান। কিন্তু লেখকের কাছে তারা প্রত্যেকে রক্তমাংসের মানুষ। তিনি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেন, এরা কেউ পিতা, কেউ কন্যা, কেউ স্বজন। আত্মসম্মান নিয়ে, মানবিক মর্যাদা নিয়ে জীবন ধারণের অধিকার তাদের প্রত্যেকের ছিল। সে জীবন ধারণ যে সম্ভব হয়নি এ কেবল তাদের ব্যর্থতা নয়, আমাদেরও। সে দায়ভার মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য জেগে থাকেন লেখক, জেগে থাকেন কবি। এই হলো সাহিত্যের নৈতিকতা। এভাবে একটি ছোটগল্প পরিশেষে পরিণত হয় একটি সক্রিয় সংলাপে।
‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ’ গল্পটিতে হাসান আজিজ আমাদের সামাজিক দায়িত্ববোধ ও তা পালনে ব্যর্থতার কোনো কথাই বলেন না। বস্তুত, তার গল্পে কোনো নীতিকথা নেই, কোনো ইতিহাস পাঠও নেই। অনুক্ত সে সব কথা আমরা যে যার মতো করে আবিষ্কার করে নিই গল্পপাঠের মধ্য দিয়ে। এখানে লেখক একটি মানবিক ট্র্যাজেডির নিস্পৃহ দর্শকমাত্র, তাঁর কোনো পক্ষপাত নেই, ঠিক-বেঠিক নিয়ে তাঁর কোনো পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্তও নেই। তৃতীয় বাচ্যে প্রকাশিত হওয়ায় লেখকের এই নিরাসক্তি গোড়া থেকেই স্পষ্ট। কাহিনিকথনে তিনি মোটামুটি একরৈখিক, লিনিয়ার-অনুক্রম রক্ষা করে চলেন, যদিও সে অনুক্রম প্রায়ই বিঘ্নিত হয়, মুখ্যত গল্পটির বর্ণনা-প্রসঙ্গ বিস্তারে। এই গল্পে রয়েছে দুটি সংযুক্ত আখ্যান বা ন্যারেটিভ। প্রথমটি যুবক তিনটিকে নিয়ে, দ্বিতীয়টির কেন্দ্রে উদ্বাস্তু বৃদ্ধ। প্রথম আখ্যানে নির্মিত হয় এই গল্পের বহিরঙ্গ, তার আউটার টোন। দ্বিতীয় আখ্যানটি গল্পের প্রায় শেষ পর্যায়ে, কিন্তু সেটিই এ গল্পের অন্তর্জগৎ, তার শাঁস। এই অন্তর্জগতে প্রবেশের জন্যই প্রয়োজন প্রথম ন্যারেটিভটির। প্রথমটির বেলায় লেখক নির্ভর করেন বিক্ষিপ্ত কথোপকথন, কিন্তু দ্বিতীয় ন্যারেটিভে লেখকের প্রধান হাতিয়ার ‘আত্মগত সংলাপ’।
অসংলগ্ন ও বিক্ষিপ্ত কথোপকথনের মাধ্যমে অতি সামান্য পরিসরেও লেখক প্রতিটি চরিত্রকে নিজস্ব ব্যক্তিত্ব প্রদানে সক্ষম হন। আমরা উপলব্ধি করি, যে তিনটি যুবক নৈশ অভিসারে সহযাত্রী, তাদের মধ্যে গোপন বৈরিতা রয়েছে, রয়েছে এক ধরনের উদ্বেগ, রয়েছে এমনকি অপরাধবোধও। বৃদ্ধ ও তার পরিবারের নিরুপায় অবস্থার সুযোগ তারা নিচ্ছে, এমন কথাও তাদের আলাপচারিতায় স্পষ্ট হয়।
ছোট মামার বিয়ের গল্প করছে সুহাস। ‘ইনামের মনে হোল সুহাস গতকাল থেকে গল্পটা বলছে আর আগামিকাল পর্যন্ত বলবে। নাপিত বিটা কমিয়ে কতি পারে না।
‘ভাঙ্গা দরজার ফাঁক দিয়ে ঘুম-জড়ানো গোঙ্গানি ভেসে আসে। সব ঘুমায়ে পড়িছে—সুহাস বলে। ফেকু সায় দেয় ঘ্যোঁত করে। আজ না আসলিই হতো—সুহাস অভিযোগ করতে থাকে, ভয় করতিছে আমার।
‘বুড়োর মুখ এখন বহুরূপী। সুহাস ভাবছে, বুড়োটা খুন করবেন মনে হতিছে আমার। আজ ক্যানো যে আলাম।’
অন্যদিকে বৃদ্ধের অসহায়ত্ব প্রকাশে লেখক কখনো পরিহাসপ্রবণ, কখনো বা সহানুভূতিশীল।
‘তারপর কি খবর? অ্যাঁ? সব ভালো ত? ঘড় ঘড় করে একটানা কথা আরম্ভ হয়। আক্ষেপ বিলাপ, মরে গেলেই তো হয় এখন, কি বলো তোমরা? টক করে মরে গেলাম ধরো। তারপরে? আমার আর কি—ড্যাং ড্যাড্যাং ড্যাং, চলে গেলাম, বুঝে মরগে তুই বুড়ি—ছানাপোনা নিয়ে বুঝে মরগে।
‘এই তোমরা একটু আধটু আসো, যখন তখন এসে খোঁজখবর নাও। সময় অসময় নেই বাবা তোমাদের। তোমরাই ভরসা, আমার পরিবার তোমাদের কথা বলতে অজ্ঞান।’
গল্পের শেষে করবী বিচির উল্লেখে আত্মহননের একটি ইংগিত আছে। মৃত্যু এই বৃদ্ধের জীবনযুদ্ধে পরাজয়ের চূড়ান্ত স্বীকারোক্তি, সমাজকে ছুড়ে দেওয়া তার শেষ তিরস্কার। বৃদ্ধ যদি ভেবে থাকে মৃত্যুকে গ্রহণের মাধ্যমে নৈতিকতার পরীক্ষায় সে পার পেয়ে যাবে, গল্পের শেষ বাক্য থেকে মনে হয় না লেখক সে ব্যাপারে একমত। করবী ফুলে চমৎকার বিচি হয়, এই কথা বলে বৃদ্ধ যখন ‘পানিতে ডুবে যেতে যেতে, ভেসে যেতে থাকে বুড়োর মুখ,’ ইনাম তখন তেতো গলায় প্রশ্ন রাখে, ‘এহন তুমি কাঁদতিছ?’ পুনঃ পুনঃ উচ্চারিত সে প্রশ্ন থেকে স্পষ্ট, ইনাম বুড়োর শ্লেষ্মা জড়ানো সে কান্নার প্রতি মোটেই সহানুভূতিশীল নয়। বরং এক ধরনের পরিহাসই যেন তাতে প্রচ্ছন্ন, ইনাম যেন বলছে, ‘এহন কান্দো ক্যা, আগে ভাইবে কাজ করলি তো আর কানতি হতো না!’
৩.
ফিকশন ও গানের মধ্যে কোনো ঐক্য আছে কি না, এমন একটি প্রশ্ন তুলে ফরস্টার মন্তব্য করেছেন, বিটোফেনের ফিফথ সিম্ফনি শুনতে শুনতে একসময় তা শেষ হয়ে যায়, কিন্তু তার পরেও আমাদের মাথার মধ্যে এক বিস্ময়কর নতুন সিম্ফনির সম্মোহন জেগে থাকে। অর্কেস্ট্রা থেমে গেছে, কিন্তু গান থামেনি। যে সুর কেউ বাজায়নি, আমাদের চেতনায় এক নিজস্ব দ্যোতনায় তা বেজে চলে। ফিকশনের বেলাতেও ঠিক একই রকম ব্যাপার ঘটে। ফরেস্টারের ভাষায়, এ হলো সাহিত্যের ‘এক্সপানশন’—তার বিস্তৃতি। অনেক ক্ষেত্রেই যে বই বা গল্প আমরা পড়ি, তা শেষ হওয়া মাত্রই তার সমাপ্তি হলো, এমন নয়। বরং সে বই বা গল্প পড়া শেষ হওয়ার পরও আমাদের মাথায়, আমাদের বুকের ভেতর একটা অজ্ঞাত শিরশির অনুভূতি জেগে থাকে। ফরস্টার ওয়্যার অ্যান্ড পিস উপন্যাসের উদাহরণে এ কথা বলেছেন। গ্রন্থটি তাঁর চোখে কিঞ্চিত ‘অগোছালো’—‘আন-টাইডি’। অথচ তার পরও এক নতুন সুর আমাদের অনুসরণ করে, যা এই কাহিনিকে বিস্তৃততর করে, তার সব চরিত্র ও ঘটনাপুঞ্জকে সম্প্রসারিত করে। ছোটগল্প প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠিক একই কথা বলেছিলেন—শেষ হইয়াও হইল না শেষ।
‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ’ পাঠশেষে আমাদের দুই ধরনের সম্প্রসারণ বা এক্সপানশনের অভিজ্ঞতা হয়। এক. দেশভাগের ফলে যে দুর্যোগ ও ব্যক্তিগত সংকটমুহূর্ত তৈরি হয়, তার একটি মানবিক মানচিত্রের সঙ্গে আমাদের পরিচিতি। এই গল্পে দেশভাগ কেবল একটি নীরব বহিরাবরণ, কিন্তু গল্পপাঠ শেষে সেই নীরব বহিরাবরণটি একটি বড় রকমের প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের মনের মধ্যে এই প্রশ্ন ঘুরপাক খায়, যে রাজনৈতিক ট্র্যাজেডিতে তাদের কোনো ভূমিকা ছিল না, তার ফলভোগ কেন করতে হয় সাধারণ মানুষকে? বিগতকাল বর্তমানেরই ক্রিয়াকলাপ। যাদের রাজনৈতিক উচ্চাশা, দুরভিসন্ধি এবং ছলচাতুরী সে দুর্ভাগ্যের কারণ, তা যত বিগত কালেরই হোক না কেন, এ অপরাধের জন্য তারা কেন পার পেয়ে যায়? আমার বিবেচনায়, অন্য কেউ না করুক, একজন লেখক—যেমন এই গল্পের লেখক—অলক্ষ্যে বিগত সময় ও তার খলনায়কদের কাঠগড়ায় বসাতে সক্ষম।
দ্বিতীয় সম্প্রসারণটি সংবেদনির্ভর। অন্য পাঠকের কথা জানি না, এই গল্পপাঠের সময় আমি সেই অভাগা কিশোরীর কথা ভেবেছি। লেখক একবার মাত্র তার নাম উল্লেখ করেন, রুকু, একবার মাত্র তার ‘হু হু করে কেঁদে ওঠার’ কথা বলেন, একবার শুধু বলেন চুড়ির শব্দ, এলোমেলো শাড়ির শব্দ, সুহাসের হি হি হাসির শব্দ। এই প্রতিটি শব্দ লেখার সময় এখনো আমার হাত কাঁপে, বুকের ভেতর আচমকা টান লাগে, নিজেকে অপরাধী মনে হয়। আমি এমন কথাও ভাবি, এই গল্পের বৃদ্ধ যে করবী বিচির অপেক্ষায়, সে কার জন্য—নিজের, না তার আত্মজার হননে ব্যবহারের জন্য? আমার সন্দেহ জাগে, গল্পের নামকরণে তার একটি ইংগিত রেখে গেছেন লেখক। এই বিষ সেই বৃদ্ধ নিজের জন্য নয়, তার আত্মজার জন্য চাষ করেছে, অপেক্ষায় আছে তার পূর্ণ স্ফোটনে। অক্ষম পুরুষ নিজের স্ত্রী, আত্মজা অথবা ভগ্নিকে রক্ষায় ব্যর্থ হয়ে পরিঘাতের চেষ্টা করে, এ ঘটনা আমাদের অভিজ্ঞতার বহির্গত নয়। মনে পড়ছে, গোবিন্দ নিহালিনি পরিচালিত হিন্দি চলচ্চিত্র আক্রোশ-এ নিম্নবর্গীয় এক যুবক ধর্ষণের হাত থেকে অনুজাকে রক্ষায় তাকে হত্যা করে। আক্রোশ তার অত্যাচারী জোতদারের প্রতি, কিন্তু ক্ষমতার কাছে নতজানু পুরুষ সে পথই অনুসরণ করে যা তার আয়ত্তাধীন। ক্লীবের, পরাজিতের এই মূর্খ-প্রতিশোধ, তা যেমন গভীর বেদনার, তেমনি অবোধ্য ক্রোধের।
সাহিত্য ও নৈতিকতার যদি কোনো সংযুক্তি থাকে তা শুধু এখানে যে একজন সৎ, নির্ভীক ও চিন্তাশীল লেখক মানব অভিজ্ঞতার জটিল গ্রন্থিসমূহ উন্মোচনের মাধ্যমে আমাদের, তার পাঠকদের, সে অভিজ্ঞতা বিষয়ে অধিক সচেতন ও সংবেদনশীল করেন। মানুষ একাকী ও বিচ্ছিন্ন বৃক্ষ নয়, এক বৃহৎ মানব গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে সে তার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যে লেখক আমাকে এই মানবিক সংহতি অর্জনে সাহায্য করেন, আমার চোখে তিনি কেবল সফল নন, নৈতিকও বটে।
চল্লিশ বছর পরে, ‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ’ নতুন করে পাঠের পরেও হাসান আজিজুল হক সম্বন্ধে আমার এই সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত রয়ে যায়।
সেই না-অতি তরুণ বয়সে গল্পটি পড়ে প্রচণ্ড হোঁচট খেয়েছিলাম। সাহিত্যের আসল লক্ষ্য মানুষ—তার বেদনা ও অব্যাহত ক্ষরণ এবং সেই ক্ষরণের সঙ্গে নিরন্তর সংহতি, এমন একটি ধারণার প্রতি কেউ একজন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন। ‘এমপ্যাথি’ শব্দটির সঙ্গে পরিচয় আরও পরে, তবে লেখকের মূল অর্জন মানবিক সংহতির ভেতর দিয়ে প্রকাশিত হয়, এই গল্পটি এবং গল্পগ্রন্থের অন্যান্য গল্প পাঠের মাধ্যমে এই সত্যের সঙ্গে ভাসা ভাসা হলেও পরিচিত হয়েছিলাম। কামু-কাফকার কাছ থেকে শিখেছিলাম মানুষ একটি দ্বীপমাত্র অথবা কোনো দ্বীপে জেগে থাকা একা একটি বৃক্ষ। ‘আত্মজা’ পড়ে মনে হলো, মানুষ হয়তো একটি বৃক্ষ, কিন্তু তার চারপাশে আরও অসংখ্য বৃক্ষ নিয়ে জেগে থাকে অরণ্য। দেখতে একা মনে হয়, কিন্তু কোনো বৃক্ষই বিচ্ছিন্ন নয়। শিকড়ে শিকড়ে তার সম্পৃক্তি অরণ্যজুড়ে। সেই অরণ্যের নাম মানবসমাজ—এর কোনো চিহ্নিত সীমানা নেই, তার কোনো মেয়াদ-বাঁধা সময়সীমা নেই, কোনো জাতপাত নেই। যেমন ভেদচিহ্ন নেই, জাতপাত নেই ভালোবাসার, বেদনার, পরাজয়ের ও একাকিত্বের।
আরও একটা জিনিস শিখেছিলাম। সাহিত্যের আসল শক্তি হলো ভাষা। আমাদের চেনা-জানা শব্দ দিয়ে ভাষার নির্মিতি, অথচ সেই বহু ব্যবহূত, চিরচেনা শব্দ দিয়েই একটি নতুন জগৎ গড়ে ওঠে, যে জগতে মানুষ, পশু ও প্রকৃতি পাশাপাশি বাস করে। তাদের ভিন্ন ভিন্ন অস্তিত্ব, আপাত সম্পর্কবিহীন। লেখক ভাষার তুলি দিয়ে তাদের আন্তসম্পর্ক গড়ে তোলেন, আবার প্রত্যেকের জন্য নির্মাণ করেন স্বতন্ত্রব্যক্তিত্ব। সেই গল্পের শুরুতেই এমন একটি আশ্চর্য বাক্য পড়েছিলাম, যা আমার চোখে এখনো ছবির মতো ভাসে, ‘এখন নির্দয় শীতকাল, ঠান্ডা নামছে হিম, চাঁদ ফুটে আছে নারকেলগাছের মাথায়। অল্প বাতাসে একটা বড় কলার পাতা একবার বুক দেখায় একবার পিঠ দেখায়।’
প্রায় ৪০ বছর পর সেই একই গল্প পড়লাম। আশ্চর্য, সেই একই অভিজ্ঞতা।
২.
কোনো কোনো লেখককে শুধু একটি বই, এমনকি একটি গল্প দিয়ে চিহ্নিত করা সম্ভব। যেমন কাফকার মেটামরফসিস অথবা জয়েসের দি ডেড। হাসান আজিজের বেলায় যদি সে চেষ্টা হয়, তাহলে কোন গল্পটি নির্বাচন করা যাবে?
হাসান আজিজ বরাবরই তাঁর গল্পের প্রবল অথচ নিরাসক্ত কঠিন-কঠোর-আপসহীন বাস্তবতার জন্য পরিচিত। ‘সাহিত্যের বাস্তব’ এই নামের একটি প্রবন্ধে হাসান আজিজ নিজেই সে বাস্তবতার ভেতর-রূপ, তার চেহারা-চরিত্র চিহ্নিত করতে গিয়ে বলেছেন, সাহিত্যে একমাত্র তখনই সাদামাটা বাস্তবের পাশাপাশি দেখা দেয় আন্তর বাস্তবতা, যখন লেখক বহিরঙ্গ-সাদৃশ্য ভেদ করে চলে যান বাস্তবের তীব্রতর, তীক্ষতর চেহারা ফুটিয়ে তুলতে, বাস্তবের সচরাচর দৃশ্যগোচর রূপ ভেঙে দিয়ে তাকে দলে-মুচড়ে তছনছ করেন। আর এভাবে শতপথে সূচিতীক্ষ আলো এসে পড়ে, লেখকের মনন-মেধা-প্রজ্ঞা মিশে যায় তার সঙ্গে।
বাস্তব যখন এত নিকট ও প্রবল, তখন শুধু কল্পনার সাহায্য নিয়ে সে বাস্তবের পুনর্নির্মাণ সম্ভব নয়। লেখককে হয় সে জীবনের ভেতর দিয়ে যেতে হয়, অথবা কোনো না-কোনোভাবে সে জীবনের অংশীদার হতে হয়। হাসান আজিজের অতি-সাম্প্রতিক কিছু নাগরিক গল্প বাদ দিলে প্রায় সব গল্পই যাপিত-জীবননির্ভর। ফলে গল্পকার হিসেবে তিনি বিভূতিভূষণ ও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোত্রভুক্ত। পশ্চিমে এবং দ্বিতীয় যুদ্ধোত্তর লাতিন সাহিত্যে পরাবাস্তব কল্পনার ব্যবহার আমাদের সুপরিচিত। কিন্তু হাতে গোনা কয়েকজনের লেখা বাদ দিলে এই রচনাধারা যতটা ফ্যাশনদুরস্ত, সাহিত্য হিসেবে ততটা মানোত্তীর্ণ নয়। মার্কিন লেখক জেমস সালটারের একটি মন্তব্য এখানে প্রাসঙ্গিক হবে বলে উল্লেখ করছি। পশ্চিমে ফিকশন ও নন-ফিকশনের মধ্যে ফারাক করার একটি প্রচলন দীর্ঘদিনের। সালটার আপত্তি করে বলেছেন, ফিকশন মানে কি এই যে লেখক যা লেখেন তার উৎস শুধু সে লেখকের নিজস্ব মস্তিষ্ক? ‘বস্তুত, সফল গল্প বা উপন্যাস যা কিছু আমরা পড়েছি, তার কোনোটাই লেখকের নিজস্ব আবিষ্কার নয়। এসব লেখার পেছনে থাকে পরিষ্কার ধারণা ও নিকট অবলোকন। যেসব লেখক বলেন, সবকিছুই তাঁদের কল্পনাসঞ্জাত, আমি সেসব লেখকের ব্যাপারে মোটেই আগ্রহী নই; বরং আমি এমন একজন লোকের সাথে এক কক্ষে থাকতে আগ্রহী, যে আমাকে তার নিজের জীবনের গল্প বলবে। সে গল্পে হয়তো অতিরঞ্জন থাকবে, মিথ্যা কথনও হয়তো থাকবে, কিন্তু সে গল্পের হাড়-মাংস, তার সারার্থ হবে জীবন থেকে নেওয়া সত্য গল্প।’
কম-বেশি এমন কথা হয়তো হাসান আজিজও কোথাও না কোথাও বলেছেন। তাঁর নিজের গল্প সম্বন্ধে এ কথা টায় টায় সত্য, বিশেষভাবে ষাটের দশকে লেখা গল্পগুলোর বেলায়। গ্রামীণ জীবন নিয়ে খুব কাছ থেকে দেখা, শুধু দেখা নয়, নিজের যাপিত জীবনের অভিজ্ঞতা-ঋদ্ধ এই গল্পগুলো, একজন সমালোচকের ভাষায়, ‘বাস্তবের বীভৎসতা ও ভেতরের উদ্ভট অনৈতিকতার নির্মোহ ব্যবচ্ছেদ।’ একাত্তরের পর প্রথম এক-দেড় দশকে সে কঠোর-কঠিন-আপসহীন বাস্তবতা থেকে তিনি সরে আসেননি বটে, কিন্তু তার সঙ্গে যুক্ত হয় এক প্রবল পরিহাস। এই সময়ের লেখা প্রতিটি গল্প হয়ে ওঠে তাঁর সময়ের নির্দয় কমেন্টারি। কিন্তু গল্পগুলো যদি তাঁর সময়ের স্যাটায়ার হিসেবেও না পড়া হয়, প্রতিবেদিত অভিজ্ঞতার ‘আইরনি’টুকু অনুদ্ঘাটিত থেকে যায়, তাহলে পাঠক শুধু লেখকের একটি মনোভাবের সঙ্গে পরিচিত হবেন—তার বিবমিষার। সে বিবমিষার পেছনে যে গভীর বঞ্চনা রয়েছে, রয়েছে আশাভঙ্গের বেদনা, তার কোনো পরিচয়ই তিনি পাবেন না। এই সময়ের কোনো কোনো গল্প একটি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক ও ভৌগোলিক পরিকাঠামোয় অনুসৃত হওয়ায় তা কিঞ্চিত কম উপভোগ্য ও তার স্থায়িত্ব কিছুটা প্রশ্নবিদ্ধ। এ অবশ্য আমার ব্যক্তিগত মতামত। পরবর্তী সময়ে হাসান আজিজের গল্পে মোড় ফেরার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, তার স্বর অনেক কোমল হয়ে এসেছে, এমনকি শুদ্ধ নীতি উপদেশমূলক গল্পও তার কাছ থেকে আমরা পেয়েছি।
অর্ধ শতকের এই দীর্ঘ প্রবজ্যায় হাসান আজিজুল হককে যদি শুধু একটি গল্প দিয়ে চিহ্নিত করতে হয়, তাহলে কেউ কেউ ‘শকুন’-এর কথা বলবেন অথবা উদাহরণ দেবেন ‘কেউ আসেনি’র। আমার চোখে সে রকম একটি গল্প ‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ।’ এ গল্প হয়তো ‘শকুন’-এর মতো নিষ্ঠুর, তিক্ত ও সম্পূর্ণ আভরণহীন বাস্তবতার চালচিত্র নয়। অথবা ‘কেউ আসেনি’র মতো প্রবল রকম রাজনৈতিকও নয়, যদিও দেশভাগের রাজনীতি মানুষকে কেমন ছিন্নভিন্ন করে দেয়, কীভাবে তাকে ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর করে ফেলে, তার কান্নাভেজা দীর্ঘশ্বাস এই গল্পেও ঠিকই মেলে। সেই অর্থে ‘আত্মজা’ প্রবল রকম রাজনৈতিক বৈকি। তবে সবচেয়ে যা লক্ষণীয় তা হলো আত্মজায় এক ধরনের আত্মপ্রবঞ্চনার আড়াল আছে, যা গল্পটিকে একটি কমিক্যাল চরিত্র দেয়, এমনকি বিবৃত ভাষাতেও সেই কমিকের আভরণ রয়েছে, আমার বিবেচনায় যা মুখ্যত গল্পের নগ্ন, রিক্ত, নির্দয় বাস্তবতাকে কিছুটা প্রতিক্ষেপক দূরত্ব প্রদান করে। বিপরীত-নৈতিকতা—রিবার্স মরালিটির একটি প্রায় নিঃশব্দ উচ্চারণও এখানে শুনি, যা হাসান আজিজের এই গল্পটিকে একটি বহুমাত্রিক নিজস্বতা প্রদান করে। এখানে আরও লক্ষণীয় আখ্যান-আঙ্গিকের (ন্যারেটিভ ফর্ম) ও বিষয়গত জটিলতার (থিমেটিক কল্পলেক্সিটি) আন্তসম্পর্ক। ব্যর্থ, অসম্পূর্ণ ও অসহায় কয়েকজন মানুষ, যাদের জোড়া লাগালে একটা সময় ও তার সমাজের চালচিত্র জেগে ওঠে, তাদের কথা এমন আশ্চর্য নৈর্ব্যক্তিকতায় বিবৃত হয় যে মনে হয় লেখক এখানে বড়জোর একজন নিস্পৃহ দর্শক মাত্র। অথচ গল্পটি পড়া শেষে একটি সপাং চাবুক এসে লাগে, যার আঘাত এড়ানো পাঠকের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়ে। লেখক নিস্পৃহ হলে তাকে ওই অদৃশ্য চাবুক হাঁকানোর প্রয়োজন পড়ত না।
সামান্য কয়েক পাতার গল্প, কাহিনি ভেঙে দেখতে চেষ্টা করলে দেখা যাবে সে অর্থে কোনো গল্পও নেই। এক সন্ধ্যার কয়েক ঘণ্টার অভিজ্ঞতা, এক মফস্বল শহরে—অথবা গ্রামে তিন অকালকুষ্মাণ্ড যুবকের সস্তায় ফুর্তি খোঁজার বিবরণ। ইনাম বেকার, ফেকু ছিঁচকে চোর আর সুহাস নাপিত। এক নির্দয় শীতের সন্ধ্যায় তারা চলেছে অজ্ঞাতনামা এক বৃদ্ধের বাড়িতে, তার কিশোরী কন্যাটির সাথে নিভৃতে সময় কাটাতে। মেয়েটি কেমন, তার বয়স কত, কিছুই আমরা জানি না, তবে যুবকদের একজনের নির্লজ্জ বর্ণনায় জানতে পারি, ‘এট্টু এট্টু সর হইছে এমন ডাবের মতো লাগে মেয়েডারে।’ জনপ্রতি এক টাকা, বড় ভাইয়ের পকেট হাতড়ে এনেছে একজন, আরেকজনের পকেট শূন্য, কাতরভাবে সে টাকা ধার চায় বন্ধুর কাছে, কিন্তু মেলে না। সামান্য সে অর্থ তুলে দিতে হবে শীর্ণকায়, পাণ্ডুর, প্রায় মৃত্যুমুখী সেই বৃদ্ধের হাতে। দেশভাগের পর সব খুইয়ে সপরিবারে তারা আশ্রয় পেয়েছে আলোহীন-আশাহীন এই গ্রামে। মাথা গোঁজার একটা ঠাঁই আছে বটে, কিন্তু দিনাতিপাতের কোনো অবলম্বন নেই। দেশভাগের আগে যে পেশা তার ছিল, এই গ্রামে তার কোনো ব্যবহার নেই। এক ধরনের মেকি অহংকারও আছে, কৃষিকাজ তার জানা নেই, বলে, ‘বাড়ির বাগান থেকে অন্ন জোটানো আমার কম্ম—হ্যাঃ। আমরা শুকনো দেশের লোক, বুইলে না?’ কোথায় যাবে সে, কার কাছে হাত পাতবে? অবশেষে ভর করতে হয় কিশোরী কন্যার ওপর। লজ্জা, ভীতি, ঘৃণা তার চেহারায়, গলার স্বরে। কিন্তু ক্ষুধার চেয়ে বড় শত্রু আর নেই—সে কোনো আব্রু মানে না, শিক্ষা মানে না, বয়স বা পদবির ওজন তার কাছে গ্রাহ্য হয় না। শুধু গ্রাসাচ্ছাদনের জন্য নিজের কিশোরী কন্যাকে পণ্য করবে, তাই বা কীভাবে মেনে নেয় সে? বৃদ্ধ নিজেকে মিথ্যা আশ্বাস দেয় এই বলে, যুবকেরা মেয়েটির সঙ্গে গল্প করবে, আর কিছু নয়। ‘যাও তোমরা, কথা বলে এসো। উই পাশের ঘরে।’ হাত পেতে যে টাকাটা নেয়, তা কোনো পণ্যের বিনিময়ে পাওয়া নয়, ধার, নিজেকে প্রবোধ দেওয়ার মতো বলে। ‘আর কত যে ধার নিতে হবে তোমাদের কাছে! কবেই বা শুধতে পারব এইসব টাকা?’ বন্ধকি বিবেক, নিরুপায় পিতা। একমাত্র উদ্ধার মৃত্যুতে। বৃদ্ধ জানায়, সে একটি করবী গাছ লাগিয়েছে, ফুলের জন্য নয়, বিচির জন্য। ‘চমৎকার ফুল হয় করবী ফুলের বিচিতে।’ কথা বলে আর চোখের জলে সে ভাসে। ইনাম, টাকা নেই বলে ফুর্তি থেকে বঞ্চিত যুবকটি, তেতো গলায় বলে, ‘এ্যাহন তুমি কাঁদতিছ? এ্যাহন তুমি কাঁদতিছ?’
গল্পটি এইখানে শেষ, কিন্তু সত্যিই কি তা শেষ হয়?
গল্পে হাসান আজিজ একটি বাস্তব ও দৈনন্দিক সংকটের সঙ্গে আমাদের পরিচয় ঘটান, পাশাপাশি থাকে একটি নৈতিক নির্বাচনের জটিলতা। তীব্র অভাব ও ক্ষুধার মুখে সব সামাজিক বা ধর্মীয় অনুশাসন ফুৎকারে উড়ে যায়, কিন্তু চেতনার গভীরে যে দ্বন্দ্ব, কঠোরতম বাস্তবতার মুখেও তা কাঁটার মতো খচ খচ বিঁধে থাকে। সব প্রথাবদ্ধ সমাজে নৈতিকতার চরিত্রটি মুখ্যত বহির্মুখী—তার চেহারা ও চরিত্র নির্মিত হয় সামাজিক অনুশাসনের ছত্রচ্ছায়ায়। তা পালনও করা হয় সামাজিক অভিভাবকদের মন জুগিয়ে চলতে। এই অভিভাবকত্ব অর্জন অবশ্য এই শর্ত দ্বারা নির্ধারিত যে সামাজিক অভিভাবকেরাও তাঁদের নিয়ন্ত্রিত গোষ্ঠীর মানব সদস্যদের ন্যূনতম প্রয়োজন মেটাতে কোনো না কোনো রকম ভূমিকা পালন করবেন। নৈতিকতার এই সামাজিক বহির্বরণটি ভেঙে পড়ে যখন অভিভাবকেরা তাঁদের সে ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হন। লক্ষণীয় হলো, নৈতিকতার সামাজিক বহির্বরণ ভেঙে পড়লেও ব্যক্তিগত নীতিবোধ, যা সমাজ থেকে আহরিত কিন্তু সমাজনির্ভর নয়, অক্ষুণ্ন থাকে। অর্থাৎ সমাজ তার সম্মিলিত নৈতিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলেও ব্যক্তির নৈতিকতা, অন্তত নৈতিকতার কৃত্রিম অহংকার রয়ে যায়। এই গল্পের বৃদ্ধ সারা পৃথিবীর চোখে পরাস্ত হলেও নিজের কাছে পরাজয় মানতে পুরোপুরি প্রস্তুত নয়, ব্যক্তিগত অহংকার ও নীতিবোধ সে জাগিয়ে রাখে এক মিথ্যার আবরণে। সে যে মৃত্যুর কথা ভাবে, তার কারণ জীবন ও বিশ্বকে বুড়ো আঙুল দেখানোর সেটাই তার শেষ অস্ত্র।
এই ‘ডিনাইয়াল’ ব্যক্তিগত তা ঠিক, তবে তার একটি সামাজিক চরিত্রও আছে। গল্পের সময়গত, তথা ঐতিহাসিক পরিপ্রেক্ষিতটি বিবেচনা করলে তা স্পষ্ট হবে। ‘আত্মজা’ দেশভাগের পরবর্তী কোনো একসময়ের ঘটনা। নিজের স্থাবর-অস্থাবর সব সহায়-সম্পদ ছেড়ে দেশ ছেড়ে আসতে হয়েছে যেসব অগুনতি মানুষকে, এই গল্পের বৃদ্ধ ও তার পরিবার তাদেরই অন্তর্গত। দেশভাগে তার কোনো হাত ছিল না, কিন্তু সে বিভক্তিতে এই অলিখিত আশ্বাস ছিল, ভিটেমাটি ছেড়ে এলেও নতুন ঠিকানায় তাদের নিরাপদ ও সম্মানজনক আশ্রয় মিলবে। মেলেনি, ফলে গভীর এক অন্ধকূপে পড়ে যায় অগুনতি মানুষ। প্রতিশ্রুতি পালনে এই ব্যর্থতার একটি সম্মিলিত চরিত্র অবশ্যই আছে। কিন্তু সে দায়িত্ব আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই স্বীকার করি না। এই অস্বীকৃতির প্রক্রিয়াটি হলো যে এই বৃদ্ধ ও তার মতো আরও অগুনতি উদ্বাস্তু পরিবারের অস্তিত্ব অগ্রাহ্য করা। পরাজিত, প্রায়-মৃত মানুষের মতো জীবনযাপনরত এসব মানুষকে আমরা মনে রাখি না, কারণ মনে রাখার অর্থই হলো সে ব্যর্থতার দায়ভার স্বীকার করে নেওয়া।
সবাই ভুলে গেলেও ভোলেন না লেখক। তাঁর চোখ দিয়ে নতুন করে পরাস্ত সে জীবন আমাদের সামনে গুটিসুটি এসে দাঁড়ায়। সরকারি হিসাবে, পত্রিকার প্রতিবেদনে অথবা সমাজবিজ্ঞানীর গবেষণাপত্রে এসব উদ্বাস্তু বড়জোর এক একটি পরিসংখ্যান। কিন্তু লেখকের কাছে তারা প্রত্যেকে রক্তমাংসের মানুষ। তিনি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেন, এরা কেউ পিতা, কেউ কন্যা, কেউ স্বজন। আত্মসম্মান নিয়ে, মানবিক মর্যাদা নিয়ে জীবন ধারণের অধিকার তাদের প্রত্যেকের ছিল। সে জীবন ধারণ যে সম্ভব হয়নি এ কেবল তাদের ব্যর্থতা নয়, আমাদেরও। সে দায়ভার মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য জেগে থাকেন লেখক, জেগে থাকেন কবি। এই হলো সাহিত্যের নৈতিকতা। এভাবে একটি ছোটগল্প পরিশেষে পরিণত হয় একটি সক্রিয় সংলাপে।
‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ’ গল্পটিতে হাসান আজিজ আমাদের সামাজিক দায়িত্ববোধ ও তা পালনে ব্যর্থতার কোনো কথাই বলেন না। বস্তুত, তার গল্পে কোনো নীতিকথা নেই, কোনো ইতিহাস পাঠও নেই। অনুক্ত সে সব কথা আমরা যে যার মতো করে আবিষ্কার করে নিই গল্পপাঠের মধ্য দিয়ে। এখানে লেখক একটি মানবিক ট্র্যাজেডির নিস্পৃহ দর্শকমাত্র, তাঁর কোনো পক্ষপাত নেই, ঠিক-বেঠিক নিয়ে তাঁর কোনো পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্তও নেই। তৃতীয় বাচ্যে প্রকাশিত হওয়ায় লেখকের এই নিরাসক্তি গোড়া থেকেই স্পষ্ট। কাহিনিকথনে তিনি মোটামুটি একরৈখিক, লিনিয়ার-অনুক্রম রক্ষা করে চলেন, যদিও সে অনুক্রম প্রায়ই বিঘ্নিত হয়, মুখ্যত গল্পটির বর্ণনা-প্রসঙ্গ বিস্তারে। এই গল্পে রয়েছে দুটি সংযুক্ত আখ্যান বা ন্যারেটিভ। প্রথমটি যুবক তিনটিকে নিয়ে, দ্বিতীয়টির কেন্দ্রে উদ্বাস্তু বৃদ্ধ। প্রথম আখ্যানে নির্মিত হয় এই গল্পের বহিরঙ্গ, তার আউটার টোন। দ্বিতীয় আখ্যানটি গল্পের প্রায় শেষ পর্যায়ে, কিন্তু সেটিই এ গল্পের অন্তর্জগৎ, তার শাঁস। এই অন্তর্জগতে প্রবেশের জন্যই প্রয়োজন প্রথম ন্যারেটিভটির। প্রথমটির বেলায় লেখক নির্ভর করেন বিক্ষিপ্ত কথোপকথন, কিন্তু দ্বিতীয় ন্যারেটিভে লেখকের প্রধান হাতিয়ার ‘আত্মগত সংলাপ’।
অসংলগ্ন ও বিক্ষিপ্ত কথোপকথনের মাধ্যমে অতি সামান্য পরিসরেও লেখক প্রতিটি চরিত্রকে নিজস্ব ব্যক্তিত্ব প্রদানে সক্ষম হন। আমরা উপলব্ধি করি, যে তিনটি যুবক নৈশ অভিসারে সহযাত্রী, তাদের মধ্যে গোপন বৈরিতা রয়েছে, রয়েছে এক ধরনের উদ্বেগ, রয়েছে এমনকি অপরাধবোধও। বৃদ্ধ ও তার পরিবারের নিরুপায় অবস্থার সুযোগ তারা নিচ্ছে, এমন কথাও তাদের আলাপচারিতায় স্পষ্ট হয়।
ছোট মামার বিয়ের গল্প করছে সুহাস। ‘ইনামের মনে হোল সুহাস গতকাল থেকে গল্পটা বলছে আর আগামিকাল পর্যন্ত বলবে। নাপিত বিটা কমিয়ে কতি পারে না।
‘ভাঙ্গা দরজার ফাঁক দিয়ে ঘুম-জড়ানো গোঙ্গানি ভেসে আসে। সব ঘুমায়ে পড়িছে—সুহাস বলে। ফেকু সায় দেয় ঘ্যোঁত করে। আজ না আসলিই হতো—সুহাস অভিযোগ করতে থাকে, ভয় করতিছে আমার।
‘বুড়োর মুখ এখন বহুরূপী। সুহাস ভাবছে, বুড়োটা খুন করবেন মনে হতিছে আমার। আজ ক্যানো যে আলাম।’
অন্যদিকে বৃদ্ধের অসহায়ত্ব প্রকাশে লেখক কখনো পরিহাসপ্রবণ, কখনো বা সহানুভূতিশীল।
‘তারপর কি খবর? অ্যাঁ? সব ভালো ত? ঘড় ঘড় করে একটানা কথা আরম্ভ হয়। আক্ষেপ বিলাপ, মরে গেলেই তো হয় এখন, কি বলো তোমরা? টক করে মরে গেলাম ধরো। তারপরে? আমার আর কি—ড্যাং ড্যাড্যাং ড্যাং, চলে গেলাম, বুঝে মরগে তুই বুড়ি—ছানাপোনা নিয়ে বুঝে মরগে।
‘এই তোমরা একটু আধটু আসো, যখন তখন এসে খোঁজখবর নাও। সময় অসময় নেই বাবা তোমাদের। তোমরাই ভরসা, আমার পরিবার তোমাদের কথা বলতে অজ্ঞান।’
গল্পের শেষে করবী বিচির উল্লেখে আত্মহননের একটি ইংগিত আছে। মৃত্যু এই বৃদ্ধের জীবনযুদ্ধে পরাজয়ের চূড়ান্ত স্বীকারোক্তি, সমাজকে ছুড়ে দেওয়া তার শেষ তিরস্কার। বৃদ্ধ যদি ভেবে থাকে মৃত্যুকে গ্রহণের মাধ্যমে নৈতিকতার পরীক্ষায় সে পার পেয়ে যাবে, গল্পের শেষ বাক্য থেকে মনে হয় না লেখক সে ব্যাপারে একমত। করবী ফুলে চমৎকার বিচি হয়, এই কথা বলে বৃদ্ধ যখন ‘পানিতে ডুবে যেতে যেতে, ভেসে যেতে থাকে বুড়োর মুখ,’ ইনাম তখন তেতো গলায় প্রশ্ন রাখে, ‘এহন তুমি কাঁদতিছ?’ পুনঃ পুনঃ উচ্চারিত সে প্রশ্ন থেকে স্পষ্ট, ইনাম বুড়োর শ্লেষ্মা জড়ানো সে কান্নার প্রতি মোটেই সহানুভূতিশীল নয়। বরং এক ধরনের পরিহাসই যেন তাতে প্রচ্ছন্ন, ইনাম যেন বলছে, ‘এহন কান্দো ক্যা, আগে ভাইবে কাজ করলি তো আর কানতি হতো না!’
৩.
ফিকশন ও গানের মধ্যে কোনো ঐক্য আছে কি না, এমন একটি প্রশ্ন তুলে ফরস্টার মন্তব্য করেছেন, বিটোফেনের ফিফথ সিম্ফনি শুনতে শুনতে একসময় তা শেষ হয়ে যায়, কিন্তু তার পরেও আমাদের মাথার মধ্যে এক বিস্ময়কর নতুন সিম্ফনির সম্মোহন জেগে থাকে। অর্কেস্ট্রা থেমে গেছে, কিন্তু গান থামেনি। যে সুর কেউ বাজায়নি, আমাদের চেতনায় এক নিজস্ব দ্যোতনায় তা বেজে চলে। ফিকশনের বেলাতেও ঠিক একই রকম ব্যাপার ঘটে। ফরেস্টারের ভাষায়, এ হলো সাহিত্যের ‘এক্সপানশন’—তার বিস্তৃতি। অনেক ক্ষেত্রেই যে বই বা গল্প আমরা পড়ি, তা শেষ হওয়া মাত্রই তার সমাপ্তি হলো, এমন নয়। বরং সে বই বা গল্প পড়া শেষ হওয়ার পরও আমাদের মাথায়, আমাদের বুকের ভেতর একটা অজ্ঞাত শিরশির অনুভূতি জেগে থাকে। ফরস্টার ওয়্যার অ্যান্ড পিস উপন্যাসের উদাহরণে এ কথা বলেছেন। গ্রন্থটি তাঁর চোখে কিঞ্চিত ‘অগোছালো’—‘আন-টাইডি’। অথচ তার পরও এক নতুন সুর আমাদের অনুসরণ করে, যা এই কাহিনিকে বিস্তৃততর করে, তার সব চরিত্র ও ঘটনাপুঞ্জকে সম্প্রসারিত করে। ছোটগল্প প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ ঠিক একই কথা বলেছিলেন—শেষ হইয়াও হইল না শেষ।
‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ’ পাঠশেষে আমাদের দুই ধরনের সম্প্রসারণ বা এক্সপানশনের অভিজ্ঞতা হয়। এক. দেশভাগের ফলে যে দুর্যোগ ও ব্যক্তিগত সংকটমুহূর্ত তৈরি হয়, তার একটি মানবিক মানচিত্রের সঙ্গে আমাদের পরিচিতি। এই গল্পে দেশভাগ কেবল একটি নীরব বহিরাবরণ, কিন্তু গল্পপাঠ শেষে সেই নীরব বহিরাবরণটি একটি বড় রকমের প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের মনের মধ্যে এই প্রশ্ন ঘুরপাক খায়, যে রাজনৈতিক ট্র্যাজেডিতে তাদের কোনো ভূমিকা ছিল না, তার ফলভোগ কেন করতে হয় সাধারণ মানুষকে? বিগতকাল বর্তমানেরই ক্রিয়াকলাপ। যাদের রাজনৈতিক উচ্চাশা, দুরভিসন্ধি এবং ছলচাতুরী সে দুর্ভাগ্যের কারণ, তা যত বিগত কালেরই হোক না কেন, এ অপরাধের জন্য তারা কেন পার পেয়ে যায়? আমার বিবেচনায়, অন্য কেউ না করুক, একজন লেখক—যেমন এই গল্পের লেখক—অলক্ষ্যে বিগত সময় ও তার খলনায়কদের কাঠগড়ায় বসাতে সক্ষম।
দ্বিতীয় সম্প্রসারণটি সংবেদনির্ভর। অন্য পাঠকের কথা জানি না, এই গল্পপাঠের সময় আমি সেই অভাগা কিশোরীর কথা ভেবেছি। লেখক একবার মাত্র তার নাম উল্লেখ করেন, রুকু, একবার মাত্র তার ‘হু হু করে কেঁদে ওঠার’ কথা বলেন, একবার শুধু বলেন চুড়ির শব্দ, এলোমেলো শাড়ির শব্দ, সুহাসের হি হি হাসির শব্দ। এই প্রতিটি শব্দ লেখার সময় এখনো আমার হাত কাঁপে, বুকের ভেতর আচমকা টান লাগে, নিজেকে অপরাধী মনে হয়। আমি এমন কথাও ভাবি, এই গল্পের বৃদ্ধ যে করবী বিচির অপেক্ষায়, সে কার জন্য—নিজের, না তার আত্মজার হননে ব্যবহারের জন্য? আমার সন্দেহ জাগে, গল্পের নামকরণে তার একটি ইংগিত রেখে গেছেন লেখক। এই বিষ সেই বৃদ্ধ নিজের জন্য নয়, তার আত্মজার জন্য চাষ করেছে, অপেক্ষায় আছে তার পূর্ণ স্ফোটনে। অক্ষম পুরুষ নিজের স্ত্রী, আত্মজা অথবা ভগ্নিকে রক্ষায় ব্যর্থ হয়ে পরিঘাতের চেষ্টা করে, এ ঘটনা আমাদের অভিজ্ঞতার বহির্গত নয়। মনে পড়ছে, গোবিন্দ নিহালিনি পরিচালিত হিন্দি চলচ্চিত্র আক্রোশ-এ নিম্নবর্গীয় এক যুবক ধর্ষণের হাত থেকে অনুজাকে রক্ষায় তাকে হত্যা করে। আক্রোশ তার অত্যাচারী জোতদারের প্রতি, কিন্তু ক্ষমতার কাছে নতজানু পুরুষ সে পথই অনুসরণ করে যা তার আয়ত্তাধীন। ক্লীবের, পরাজিতের এই মূর্খ-প্রতিশোধ, তা যেমন গভীর বেদনার, তেমনি অবোধ্য ক্রোধের।
সাহিত্য ও নৈতিকতার যদি কোনো সংযুক্তি থাকে তা শুধু এখানে যে একজন সৎ, নির্ভীক ও চিন্তাশীল লেখক মানব অভিজ্ঞতার জটিল গ্রন্থিসমূহ উন্মোচনের মাধ্যমে আমাদের, তার পাঠকদের, সে অভিজ্ঞতা বিষয়ে অধিক সচেতন ও সংবেদনশীল করেন। মানুষ একাকী ও বিচ্ছিন্ন বৃক্ষ নয়, এক বৃহৎ মানব গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে সে তার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যে লেখক আমাকে এই মানবিক সংহতি অর্জনে সাহায্য করেন, আমার চোখে তিনি কেবল সফল নন, নৈতিকও বটে।
চল্লিশ বছর পরে, ‘আত্মজা ও একটি করবী গাছ’ নতুন করে পাঠের পরেও হাসান আজিজুল হক সম্বন্ধে আমার এই সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত রয়ে যায়।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
July
(2459)
-
▼
Jul 20
(64)
- ধর্ম-পবিত্র মাহে রমজানের প্রস্তুতি by মুহাম্মদ আবদ...
- শিক্ষাঙ্গন-ছাত্ররাজনীতির নির্মমতা by কুদরাত-ই-খুদা
- শিক্ষাঙ্গনে যৌন নিপীড়ন-নারীর ক্ষমতায়নে বড় বাধা by ...
- বিদেশি উপদ্রব আর স্বদেশি আপদ থেকে ইলিশ বাঁচান-হায় ...
- ভালো কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়াতে হবে-উচ্চমা...
- স্মরণ-হেনা দাসের জন্য ভালোবাসা by সুচিত্রা সরকার
- ব্যাংকিং খাত-ঋণ শ্রেণীকরণের নতুন নীতিমালা by ফারুক...
- ওয়েবসাইটে কম্পিউটার বিজ্ঞানের পড়াশোনা by নুরুন্নবী...
- উদ্ভাবনী আসরে by পল্লব মোহাইমেন
- বাজারে নতুন
- যা নিয়ে আছি-রবীন্দ্রনাথের ‘গোরা
- নেলসন ম্যান্ডেলা তনয়ারা
- কৌতুক
- বিষ্টির ছড়া by আবেদীন
- মাকে নিয়ে দুষ্টু একটা ছেলের নালিশ by লুৎফর রহমান রিটন
- গোলটেবিল বৈঠক-শিশু সুরক্ষায় করণীয়
- দুষু্ব ছাতি by দীপংকর চন্দ
- ফুড়ুৎকার by নাহার মনিকা
- অলিয়ঁস ফ্রঁসেজের লা গ্যালারি-ছায়া ও আলো by মোবাশ্ব...
- প্রদর্শনী-হেভি মেটাল by জাফরিন গুলশান
- আত্মজা ও একটি করবী গাছ: ফিরে দেখা by হাসান ফেরদৌস
- বীর মুক্তিযোদ্ধা-তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- পানামার গোলাপ রনডেলেশিয়া by মোকারম হোসেন
- বুয়েট সংকট কাটেনি-আমাকে বিব্রত করার জন্যই আন্দোলন ...
- রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য-হত্যা, গণহত্যাসহ মানবত...
- কাঁদছে হুমায়ূনের কুতুবপুর গ্রাম
- অন্য ভুবনে হুমায়ূন আহমেদ
- উনি আসলে মহাপুরুষ by এজাজুল ইসলাম
- চাঁদহীন রাতে কেন চলে যাবেন, হুমায়ূন আহমেদ by আনিসু...
- হুমায়ূনের মরদেহ ঢাকায় পৌঁছাতে পারে রোববার
- না নিষাদ by বেলাল চৌধুরী
- ঘুম কেড়ে নেওয়া রাত
- হুমায়ূন-স্মরণ
- ক্যান্সারের সঙ্গে ১০ মাসের লড়াই
- অশরীরী সুর by হুমায়ূন আহমেদ
- চলে গেলেন সাহিত্যের রাজপুত্র by আজিজুল পারভেজ ও নও...
- ইয়েমেনে ড্রোন হামলা-আওলাকির মৃত্যুতে প্যানেটাসহ চা...
- জার্মানিতে শরণার্থী ভাতা বাড়ানোর নির্দেশ
- সিরিয়ায় নতুন করে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে-* নিরাপত্তা পর...
- বেন আলীর যাবজ্জীবন
- 'শিক্ষার উদ্দেশ্যে রুশ শিশুদের ব্রিটেনে পাঠানোর আগ...
- তানজানিয়ায় ফেরিডুবি নিহত ৩৮
- মোস্ট ওয়ান্টেড নাৎসি যুদ্ধাপরাধী হাঙ্গেরিতে গ্রেপ্...
- স্বাস্থ্যবীমার ফায়দা নিতে সুস্থ নারীদের জরায়ুচ্ছেদ!
- গুনাহমুক্ত জীবনের অঙ্গীকার by আবদুল্লাহ মুকাররম
- শুধু উপবাস থাকা নয় by কাজী আবুল কালাম সিদ্দীক
- এক মহিমান্বিত মাস by আলী হাসান তৈয়ব
- রমজানে সবার কথা ভাবুন by মুফতি এনায়েতুল্লাহ
- বাড়তি-কমতির নিয়ম by ফসিহ বণিক
- লবণাক্ততা-উপকূলীয় অঞ্চলে অশনিসংকেত by এম জি নিয়োগী
- হৃদয়নন্দন বনে-হৃদয়নন্দন বন উদ্বেলিত আজ by আলী যাকের
- অবৈধ সমুদ্রযাত্রা-রোহিঙ্গাদের নতুন কৌশল!
- উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা-অনন্য সাফল্যে অভিনন্দন
- বুলগেরিয়ায় বাসে হামলা ৬ ইসরায়েলিসহ নিহত ৮-ইরান ও হ...
- অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল-উপেক্ষিত হচ্ছে গ্রাহকসেবা
- নব ঘোষিত মুদ্রানীতি-মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কতটা সহায়ক
- চরাচর-বয়াতির হাট by স্বপন কুমার দাস
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৮৫)-স্বাধীনতার আর বেশি দ...
- বৈদেশিক অর্থ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রবাসীর সঞ্চয় by মেজর ...
- 'হুল দিছে কো-নে...' by মোফাজ্জল করিম
- ট্যাকা চাইনি, তোমরা আমার স্বামীডারে ফিরি দাও
- হুমায়ূন আহমেদ: বাংলা সাহিত্যের এক মহাজীবনের অবসান
- ১০০০ বছর বাঁচার সাধ ছিল
- হুমায়ূন আহমেদ- কুতুবপুর থেকে নিউইয়র্কঃ জনপ্রিয় লেখ...
-
▼
Jul 20
(64)
-
▼
July
(2459)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment