Sunday, February 1, 2015
কোকোর মৃত্যু এবং অমানবিক রাজনীতির অসৌজন্যতা by গোলাম মাওলা রনি
কোকোর মৃত্যু এবং অমানবিক রাজনীতির অসৌজন্যতা by গোলাম মাওলা রনি

কোকোর
মৃত্যুসংবাদ আমি প্রথম জানতে পারি ফেসবুকের মাধ্যমে। আর তখনই আমার মনে
হয়েছিল যে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী রাজনীতির এক মোক্ষম সুযোগ হাতছাড়া করবেন
না। বাস্তবে হলোও তা-ই- তিনি হুট করে বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে
চার দিকে হইচই ফেলে দিলেন। দেশবাসীর কারো পক্ষে জানার সুযোগ হলো না যে
বিএনপি অফিসের মূল ফটকের তালাটি কি তখন খোলা ছিল নাকি বন্ধ ছিল! দেশবাসী এ
কথাও জানল না যে, দেশের প্রধানমন্ত্রী কোনো বাড়িতে গেলে সেই বাড়ির আশপাশের
সব ভবনে নিরাপত্তা তল্লাশি চালানোর পর ভবনগুলোতে এসএসএফ অবস্থান নেয়। অন্য
দিকে যে বাড়িতে তিনি যাবেন সেই বাড়ির প্রতিটি কামরা তারা যথাসাধ্য
নিরাপত্তা তল্লাশি করার পর সব শেষে প্রশিক্ষিত কুকুর দিয়ে তল্লাশি চালায়।
বাড়ির ভেতরকার খাবারদাবার, পানীয়, ফুলদানি এমনকি টয়লেটের পাইপগুলোতেও
তল্লাশি চালানোর পর সব কিছু ঠিকঠাক পেলেই ওয়্যারলেসে গ্রিন সিগন্যাল পাঠানো
হয়। এরপর প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর নির্ধারিত গন্তব্যে রওনা করে। বিএনপির
অভিযোগ মতে- কেবল লোকদেখানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার
কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। বিএনপির অভিযোগের বিপরীতে আওয়ামী লীগের অনেক কথা
থাকতে পারে। কিন্তু তারা সেসব কথা বলেননি। তারা কেবল তাদের নেত্রীকে কেন
যথাযোগ্য সম্মান ও সৌজন্যতা প্রদর্শন করা হলো না- এই ক্ষোভে বিএনপির সবাইকে
তুলোধুনো করছেন। আমার মনে হয় প্রধানমন্ত্রী তার দলের কারো সঙ্গে পরামর্শ
না করেই একক সিদ্ধান্তে হুট করে বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের দিকে রওনা
দিয়েছিলেন। তিনি হয়তো গভীর মাতৃত্ববোধের প্রবল অনুরাগ থেকেই ওমনটি
করেছিলেন। অথবা রাজনৈতিকভাবে নিজের উদারতা, শ্রেষ্ঠত্ব কিংবা অতিমানবিকতা
প্রমাণের জন্যও যেতে পারেন। এর বাইরে কূটকৌশল, ভাঁওতাবাজি কিংবা চমক
দেখানোর জন্যও যেতে পারেন, যা, কিনা বিএনপির লোকেরা এখন জোরগলায় প্রচার
করার চেষ্টা করছেন। প্রধানমন্ত্রী যদি একটু ধীরস্থিরভাবে চিন্তা করতেন তবে
নিশ্চয়ই অনুধাবন করতে পারতেন যে বিএনপির কাপুরুষ বা কামহিলা জাতের লোকসকল
তাকে যমদূতের মতো ভয় করে। তার নাম শুনলে ওই সব কাপুরুষ এবং কামহিলার
কাপড়-চোপড় নষ্ট হয়ে যায়। অন্য দিকে বিএনপির মধ্যে এমন লোকও আছে যারা বেগম
খালেদা জিয়ার চেয়ে তাকেই বেশি পছন্দ করে। কারণ বিএনপির আমলে উপার্জিত অর্থ,
লাইসেন্স এবং ব্যবসাবাণিজ্য এখন শেখ হাসিনার সরকারের কল্যাণে ফুলে-ফেঁপে
বটবৃক্ষে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা থাকলে তাদের বড়ই ক্ষতি হয়।
অন্য দিকে দলীয় সরকার না থাকায় তাদের ঝক্কিঝামেলাও কম। সরকারি দলের বেকুব
শ্রেণীর পাণ্ডাদের নামমাত্র কমিশন বা লভ্যাংশ দিয়ে তারা হাতিয়ে নিচ্ছে
বিরাট অঙ্কের মুনাফা। এই দুই শ্রেণীর বাইরে সংখ্যায় অল্প হলেও আরেকটি
শ্রেণী রয়েছে, যারা প্রকৃতই সাহসী এবং আওয়ামী লীগ ও তার প্রধানকে মনেপ্রাণে
ঘৃণা করে। তারা মরে যাবে কিন্তু আওয়ামী-অনুগ্রহ কিংবা ভিক্ষার দান গ্রহণ
করবে না।
প্রধানমন্ত্রী ইচ্ছে করলে খালেদা জিয়া সম্পর্কেও একটু চিন্তা করতে পারতেন। পারিবারিক জীবনে খালেদা জিয়া সব সময় তার স্বামীর আদেশ-নির্দেশ মেনে চলতেন। দুই পুত্রসন্তান, পুত্রবধূ ও নাতিনদের সঙ্গে তার রয়েছে চমৎকার সম্পর্ক। এই সম্পর্ক লোকদেখানো নয়Ñ সত্যিকার অর্থেই আবহমান বাংলার চিরায়ত পারিবারিক সম্পর্ক। তিনি কাজ ও অবসর দুটোই উপভোগ করেন। নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নেয়ার পরিবর্তে দলীয় লোকজনের সঙ্গে পরামর্শ করে সব কিছু করে থাকেন। কথা বলেন কম এবং শোনেন বেশি। নিজের প্রতিশ্রুতি, সিদ্ধান্ত, নীতি বা আদর্শ থেকে বিচ্যুত হন না। একবার যা বলেন তার ওপর অটল থাকেন শেষ দিন পর্যন্ত। জাতীয় রাজনীতিতে তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের নজির নেই একটিও। অন্য দিকে, ক্ষমতাকালীন সময়ে বিরোধী দলের দুটো দাবি মেনে নেয়ার মাধ্যমে নিজের গণতান্ত্রিক মনমানসিকতার পরিচয় ফুটিয়ে তুলেছেন জাতির কাছে। প্রথমটি ছিল সংসদীয় পদ্ধতির সরকার প্রবর্তনে রাজি হওয়া আর দ্বিতীয়টি ছিল তত্ত্বাবধায়কপদ্ধতি মেনে নেয়া। আওয়ামী লীগ যদি খালেদা জিয়াকে নিয়ে আরো একটু গবেষণা করে তবে দেখতে পাবে যে, বিএনপি নেত্রী মনে-প্রাণে বিশ্বাস করেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী একজন অস্থির চিত্তের মানবী, যার কারণে তার জীবন-যৌবন শেষ হয়ে গেছে। এরশাদ আমলে তারা যুগপৎভাবে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করলেন এবং মাঝপথে হঠাৎ রণে ভঙ্গ দিয়ে এরশাদের সঙ্গে মিলে গিয়ে ১৯৮৬ সালের সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। ফলে রাজপথে বেগম জিয়া একা হয়ে গেলেন এবং সরকারের জুলুম-নির্যাতনের শিকার হলেন। খালেদা জিয়া মনে করেন যে, শেখ হাসিনার জন্যই এরশাদ অতিরিক্ত তিন-চার বছর ক্ষমতায় থাকতে পেরেছিলেন। পরবর্তীকালে ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এলে শেখ হাসিনা এরশাদকে জেলে পাঠানোর জন্য তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলেন। অন্য দিকে, এরশাদকে জেলে ঢোকানোর সঙ্গে সঙ্গে পর্দার অন্তরালে জাতীয় পার্টির সঙ্গে আঁতাত করে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবি ঘটান। খালেদা জিয়া এবং তার অন্ধ সমর্থকগণ মনে করেন যে, শেখ হাসিনার একগুঁয়েমি ও শত্রুতামূলক মনোভাবের জন্যই লগি-বৈঠা এবং তারপর ১/১১-এর উদ্ভব হয়। ১/১১-এর কুশিলবেরা প্রথমে চেষ্টা করেন বিএনপি-আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নিজেরা কিছু করার জন্য। ব্যর্থ হয়ে তারা প্রথমে আপস প্রস্তাব নিয়ে খালেদা জিয়ার কাছে যান এবং প্রত্যাখ্যাত হয়ে অন্য দিকে মুখ ফেরান। এরই ধারাবাহিকতায় যখন ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনের তোড়জোড় শুরু হয় তখন বেগম জিয়া প্রথমে বেঁকে বসেন নির্বাচনে অংশ না নেয়ার জন্য। কিন্তু দলের সুবিধাবাদী গ্রুপের প্রবল চাপে তিনি নতিস্বীকার করেন।
১/১১-এর ঘটনা জিয়াপরিবারকে তছনছ করে দেয়। তারেক রহমান ওরফে পিনু এবং আরাফাত রহমান ওরফে কোকোর ওপর এমন অমানবিক নির্যাতন করা হয় যাতে করে তাদের জীবননাশের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়। তারেক বরাবরই কিছুটা ডানপিটে স্বভাবের। অন্য দিকে কোকো সে তুলনায় অনেক নিরীহ এবং গোবেচারা প্রকৃতির ছিলেন। মা হিসেবে তাই কোকোর প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার ছিল একধরনের অতিরিক্ত মমত্ববোধ ও স্নেহের দুর্বলতা। আর তাই ১/১১-এর সময় বিশেষ আদালতের কাঠগড়ায় হুইল চেয়ারে বসা অসুস্থ কোকোকে দেখে তিনি তার আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। নিয়মকানুন ভেঙে নিজের কাঠগড়া থেকে ছুটে গিয়েছিলেন কোকোর হুইল চেয়ারের কাছে। অসুস্থ ছেলের মুখমণ্ডলে হাত বুলাতে বুলাতে চোখের পানিতে অবগাহন করেছিলেন। এরপরই হয়তো সেনাকর্মকর্তাদের চাপের কাছে আংশিক নতি স্বীকার করতে বাধ্য হন। দুই ছেলেকে বিদেশ পাঠাতে রাজি হলেও যেকোনো মূল্যে নিজে থেকে যান বাংলাদেশে। সেই সব দুঃসহ স্মৃতি, দুর্ভোগ এবং সব বঞ্চনার জন্য তিনি মনে-প্রাণে শেখ হাসিনাকেই দায়ী করেন।
নবম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি শতকরা হিসাবে উল্লেখযোগ্য হারে পপুলার ভোট পেলেও আসনসংখ্যার হিসাবে গো-হারা হারে। এটাকে খালেদা জিয়া একটি সাজানো ও পাতানো ঘটনা মনে করলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় সব কিছু মেনে নিয়ে সংসদে উপস্থিত হন। তার বিশ্বাস ছিল ১/১১-এর সময়ে জিয়াপরিবারের বিরুদ্ধে যেসব মামলা করা হয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার তা প্রত্যাহার করে নেবে। কিন্তু বাস্তবে ঘটল উল্টো। সরকার বিএনপিকে বিরোধী দল মনে না করে তাদেরকে দেশ-জাতি ও সরকারের শত্রু হিসেবে দেখতে শুরু করল। বিএনপির বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোকে সরকার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার শুরু করলে শেখ হাসিনার ওপর ক্ষণিকের তরে সৃষ্টি হওয়া বেগম খালেদা জিয়ার বিশ্বাস ও আস্থায় ফাটল ধরে গেল। তিনি সংসদে আসা বন্ধ করে দিলেন।
বিএনপি কর্তৃক সংসদ বর্জনে আওয়ামী লীগ ভারি মজা পেল। তারা মনের আনন্দে বিএনপির চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধার করে নানামুখী বক্তব্য দিতে লাগল। জিয়াপরিবারের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা রকম কুৎসাকে কিচ্ছাকাহিনী বানিয়ে সংসদে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে বক্তৃতা দিতে আরম্ভ করল। পরিস্থিতি এমন হলো যে, সরকারি দলের যে সদস্য যত বেশি মন্দ কথা বলতে পারবেন তারই মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিলো। অন্য দিকে কিছু দিন পর বিএনপি সংসদে ফিরে বঙ্গবন্ধু পরিবার সম্পর্কে নানান কুৎসা ও কিচ্ছাকাহিনী বলতে আরম্ভ করল। তখন সরকারি দল মনে-প্রাণে চাইল বিএনপি যেন সংসদে না আসে। এরই মধ্যে একদিন পুলিশ কর্তৃক বিএনপিদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবেদিন ফারুক অত্যন্ত ন্যক্কারজনকভাবে বেধড়ক পিটুনির শিকার হন। ফলে উভয় দলের সম্পর্কে মারাত্মক অবনতি দেখা দেয়। এরই মধ্যে বেগম জিয়া তার সুদীর্ঘকালের স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হন। বাড়ি থেকে উচ্ছেদের পর সরকারি টেলিভিশনে এমন সব ছবি, প্রতিবেদন ও মন্তব্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় যাতে স্পষ্টতই দেশের সম্মানিত একজন প্রধানকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়।
বিএনপি নেত্রীকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের পর তার চরিত্র, পারিবারিক জীবন ও রাজনীতিকে কলঙ্কময় করার জন্য হেন কাজ নেই যা সরকারি দলের লোকজন করেনি। ফলে শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়ার মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে বিশাল এক দূরত্বÑ হয়তো আটলান্টিক মহাসাগরের মতো দূরত্ব। সেই দূরত্ব আবার অতিক্রম করা সম্ভব নয় কারণ দু’জনের মাঝে রয়েছে বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের মতো ভয়াবহ এক রহস্যময় উপাখ্যান। শেখ হাসিনা সব সময় বেগম জিয়াকে একজন মেজরের বিধবা স্ত্রী ছাড়া বেশি কিছু মনে করেন না। তিনি যে সাবেক সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতির স্ত্রী কিংবা দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, সে কথা শেখ হাসিনা ও তার কট্টর সমর্থকবৃন্দ ভুলেও স্মরণ করতে চান না। অন্য দিকে, আওয়ামী লীগের লোকজন শেখ হাসিনাকে যতই বঙ্গবন্ধুকন্যা বা জাতির জনকের কন্যা বলে সম্মান ও মর্যাদার সর্বোচ্চ আসনে বসাতে চান না কেন, বিএনপির লোকজন কিন্তু ওমনটি মনে করেন না। তারা তাকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের এক দরিদ্র গেরস্থ ঘরের কন্যা এবং উত্তরবঙ্গের আরেক নিন্মবিত্ত গেরস্থ ঘরের পুত্রবধূ মনে করে থাকেন।
শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়ার মধ্যে এত বিভেদ-বিসম্বাদ, এত পারস্পরিক ঘৃণা, অবিশ্বাস ও অশ্রদ্ধার মাঝে কোকোর মৃত্যু এবং সেই মৃত্যুতে শোক জানানোর জন্য শেখ হাসিনা কর্তৃক বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে হুট করে উপস্থিত হওয়ার ব্যাপারে যারা সৌজন্যতা বা অসৌজন্যতার প্রশ্ন তুলছেন তাদের জ্ঞান-বুদ্ধি ও প্রজ্ঞার জন্য আমার করুণা হয়। আওয়ামী লীগের শুভার্থীদের উচিত তাদেরকে সমালোচনা করা, যারা প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে অতিমানবীয় কিছু করাতে গিয়ে একটি দলের প্রধান, জাতির জনকের কন্যা এবং দেশের প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করিয়ে আনল। সাংবাদিকেরা যদি একটু খোঁজ নিতেন তবে দেখতে পেতেন প্রধানমন্ত্রীর এপিএস শেখর এবং বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাসের সঙ্গে মোট তিনবারে কী কী কথা হয়েছে! কত মিনিটের মাথায় তারা কথা শেষ করেছেন এবং শেষমেশ কী কথার ওপর নির্ভর করে প্রধানমন্ত্রী এলেন। তিনি গাড়ি থেকে নেমে কতক্ষণ অপেক্ষা করেছিলেন? তার আগমনের আগে এসএসএফ কি বাড়ির ভেতরে গিয়েছিল নাকি এসএসএফ শুধু প্রধানমন্ত্রীর বহরের সঙ্গে এসেছিল এবং আবার সঙ্গে সঙ্গে চলে গিয়েছিল? এসব বিবেচনায় পুরো মানুষটিকে নিয়ে দেখা দিয়েছে একধরনের অমর্যাদাকর বিশ্বাসহীনতা।
বিএনপির নীতিনির্ধারণীপর্যায়ের কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে বললাম, আচ্ছা ধরে নিলাম প্রধানমন্ত্রী চমৎকার অভিনয়শৈলী ও কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়ে আপনাদের দরজায় এসে আপনাদেরকে জাতির সামনে হেয় করার এক প্রয়াস চালিয়ে গেলেন। কিন্তু আপনারাও তো তার সঙ্গে অধিকতর দক্ষতার সঙ্গে অভিনয় করতে পারতেন! তাকে অভ্যর্থনা জানিয়ে ভেতরে ঢোকাতে পারতেন। তারপর একটি রুমে ঘণ্টাখানেক ধরে তাকে বসিয়ে আপ্যায়ন ও টুকটাক কথাবার্তা বলে সময় পার করে ফেরত পাঠিয়ে দিতে পারতেন। সে ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর মনের গহিনে মারাত্মকভাবে আপনাদের ব্যবহার স্পর্শ করত এবং আপনারাও আরো অধিক পরিমাণ আনন্দ লাভ করতে পারতেন। আমি আশা করেছিলাম ভদ্রলোক আমার কথা শুনে হাসবেন কিংবা যুৎসই একটি উত্তর দেবেন। কিন্তু তিনি তা না করে একটি বড় দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেনÑ রনি ভাই! আপনিও দেখছি ক্ষমতাসীনদের মতো আমাদের শোক ও দুর্বলতা নিয়ে মশকরা করছেন। সারা দেশে প্রায় দশ হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ৭০-৮০ হাজার মামলা। বিএনপির কোনো নেতা ঘরে থাকতে পারছেন না। সবাই পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। দলের বেশির ভাগ সিনিয়র নেতা জেলে। বাকিরা পলাতক। শিমুল বিশ্বাস ও মারুফ কামাল খান নেত্রীর সঙ্গে গত প্রায় এক মাস অবরুদ্ধ। প্রতি মুহূর্তে তারা গ্রেফতার হওয়ার ঝুঁকি নিয়ে স্বেচ্ছায় বন্দী জীবন কাটাচ্ছেন প্রায় এক কাপড়ে। মূল গেটের চাবি পুলিশের কাছে। তারা সকালে তালা মারে আবার বিকেলে খোলে। বাড়ির সামনে একবার মাটির ট্রাক, আবার বালুর ট্রাক এবং মাঝে মধ্যে ময়লার ট্রাক। পুরো এলাকায় সার্কিট ক্যামেরা লাগানো। ফলে সাধারণ মানুষ ভয়ে ওদিকে পা বাড়ায় না। দলীয় নেতাকর্মীরা অফিসমুখী হলেই গ্রেফতার করা হন। বি চৌধুরীর মতো বিশিষ্টজনদের পুলিশ বাড়ির মধ্যে ঢুকতে দেয় না। পুলিশের অনুমতি ছাড়া বাড়ির ভেতর ও বাইরে যাওয়ার সাধ্য কারো নেই। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা, গুলশান থানার একজন কনস্টেবলকে বাড়ির মধ্যে ঢোকার ব্যাপারে নিষেধ করার ক্ষমতা, সাহস ও কৃতিত্ব বিএনপির কেউ রাখে না। আমাদের নাকে দড়ি বেঁধে সরকার ঘোরাচ্ছে এবং তাদের ইচ্ছেমতো সব কিছু করিয়ে নিচ্ছে। ভদ্রলোকের কথা শুনে আমি যুৎসই একটি জবাব দেয়ার কথা ভাবছিলাম। কিন্তু তার আগেই তিনি পুনরায় বলতে আরম্ভ করলেন আমাদের রাজনীতি বড়ই অমানবিক হয়ে গেছে। এ দেশের মানুষ আগে জীবন্ত মানুষের গায়ের চামড়া খুলে ডুগডুগি বাজাতে চাইত। মানুষের মৃত্যুর পর নাচগানের উৎসব করতÑ অনেকে তো ট্যাংকের ওপর দাঁড়িয়ে উল্লাসনৃত্য করেছে। অতীতের সব নিষ্ঠুরতা ম্লান হয়ে গিয়েছিল ১/১১-এর আগে যখন একদল মানুষ তাদের হাতের লাঠি দিয়ে অন্য দলকে পিটিয়ে মেরে লাশের ওপর দাঁড়িয়ে উল্লাসনৃত্য করেছে। এই লোকগুলো কারা? কোন দলের? তারা এখন কোথায় এবং কাদের সঙ্গে আছেন সেই লোকগুলো যে মৃত কোকোর লাশের সঙ্গে নৃশংসতা দেখায়নিÑ এটাই আমাদের চরম এবং পরম পাওনা। আমাকে কোনো সুযোগ না দিয়ে তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বললেন, কোকো একে তো অসুস্থ ছিলেন। তার ওপর ৭০ বছরের বৃদ্ধা মায়ের ওপর সরকারের একের পর এক নৃশংশ চাপ ও গ্রেফতারের হুমকি তিনি স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারেননি। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর সময় খালেদা জিয়ার বয়স মাত্র ৩৫ বছর আর কোকোর ১২ বছর। অসহায় বিধবা হিসেবে খালেদা জিয়া সব সময় অন্ধের যষ্টির মতো তার বালকপুত্রটিকে বুকে চেপে নিজের সব বেদনা ভুলতে চেষ্টা করেছেন। কোকোর সাথে তার বন্ধন এবং সম্পর্ক বোঝার জন্য মানুষের মতো মন থাকার দরকার। হায়েনার হিংস্রতা দিয়ে মা-ছেলের সেই বিশেষ সম্পর্ক মূল্যায়ন করা যায় না। কোকোর মৃত্যু তাই বেগম জিয়াকে সংজ্ঞাহীন কিংবা অস্থির করবে এটাই স্বাভাবিক। অন্য দিকে মৃত্যু নিয়ে যারা রাজনীতি করে তাদের বিচারের ভার বেগম জিয়া জীবনমৃত্যুর মালিকের কাছে সমর্পণ করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী ইচ্ছে করলে খালেদা জিয়া সম্পর্কেও একটু চিন্তা করতে পারতেন। পারিবারিক জীবনে খালেদা জিয়া সব সময় তার স্বামীর আদেশ-নির্দেশ মেনে চলতেন। দুই পুত্রসন্তান, পুত্রবধূ ও নাতিনদের সঙ্গে তার রয়েছে চমৎকার সম্পর্ক। এই সম্পর্ক লোকদেখানো নয়Ñ সত্যিকার অর্থেই আবহমান বাংলার চিরায়ত পারিবারিক সম্পর্ক। তিনি কাজ ও অবসর দুটোই উপভোগ করেন। নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নেয়ার পরিবর্তে দলীয় লোকজনের সঙ্গে পরামর্শ করে সব কিছু করে থাকেন। কথা বলেন কম এবং শোনেন বেশি। নিজের প্রতিশ্রুতি, সিদ্ধান্ত, নীতি বা আদর্শ থেকে বিচ্যুত হন না। একবার যা বলেন তার ওপর অটল থাকেন শেষ দিন পর্যন্ত। জাতীয় রাজনীতিতে তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের নজির নেই একটিও। অন্য দিকে, ক্ষমতাকালীন সময়ে বিরোধী দলের দুটো দাবি মেনে নেয়ার মাধ্যমে নিজের গণতান্ত্রিক মনমানসিকতার পরিচয় ফুটিয়ে তুলেছেন জাতির কাছে। প্রথমটি ছিল সংসদীয় পদ্ধতির সরকার প্রবর্তনে রাজি হওয়া আর দ্বিতীয়টি ছিল তত্ত্বাবধায়কপদ্ধতি মেনে নেয়া। আওয়ামী লীগ যদি খালেদা জিয়াকে নিয়ে আরো একটু গবেষণা করে তবে দেখতে পাবে যে, বিএনপি নেত্রী মনে-প্রাণে বিশ্বাস করেন, তার প্রতিদ্বন্দ্বী একজন অস্থির চিত্তের মানবী, যার কারণে তার জীবন-যৌবন শেষ হয়ে গেছে। এরশাদ আমলে তারা যুগপৎভাবে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করলেন এবং মাঝপথে হঠাৎ রণে ভঙ্গ দিয়ে এরশাদের সঙ্গে মিলে গিয়ে ১৯৮৬ সালের সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। ফলে রাজপথে বেগম জিয়া একা হয়ে গেলেন এবং সরকারের জুলুম-নির্যাতনের শিকার হলেন। খালেদা জিয়া মনে করেন যে, শেখ হাসিনার জন্যই এরশাদ অতিরিক্ত তিন-চার বছর ক্ষমতায় থাকতে পেরেছিলেন। পরবর্তীকালে ১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় এলে শেখ হাসিনা এরশাদকে জেলে পাঠানোর জন্য তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলেন। অন্য দিকে, এরশাদকে জেলে ঢোকানোর সঙ্গে সঙ্গে পর্দার অন্তরালে জাতীয় পার্টির সঙ্গে আঁতাত করে ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবি ঘটান। খালেদা জিয়া এবং তার অন্ধ সমর্থকগণ মনে করেন যে, শেখ হাসিনার একগুঁয়েমি ও শত্রুতামূলক মনোভাবের জন্যই লগি-বৈঠা এবং তারপর ১/১১-এর উদ্ভব হয়। ১/১১-এর কুশিলবেরা প্রথমে চেষ্টা করেন বিএনপি-আওয়ামী লীগকে বাদ দিয়ে নিজেরা কিছু করার জন্য। ব্যর্থ হয়ে তারা প্রথমে আপস প্রস্তাব নিয়ে খালেদা জিয়ার কাছে যান এবং প্রত্যাখ্যাত হয়ে অন্য দিকে মুখ ফেরান। এরই ধারাবাহিকতায় যখন ২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনের তোড়জোড় শুরু হয় তখন বেগম জিয়া প্রথমে বেঁকে বসেন নির্বাচনে অংশ না নেয়ার জন্য। কিন্তু দলের সুবিধাবাদী গ্রুপের প্রবল চাপে তিনি নতিস্বীকার করেন।
১/১১-এর ঘটনা জিয়াপরিবারকে তছনছ করে দেয়। তারেক রহমান ওরফে পিনু এবং আরাফাত রহমান ওরফে কোকোর ওপর এমন অমানবিক নির্যাতন করা হয় যাতে করে তাদের জীবননাশের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়। তারেক বরাবরই কিছুটা ডানপিটে স্বভাবের। অন্য দিকে কোকো সে তুলনায় অনেক নিরীহ এবং গোবেচারা প্রকৃতির ছিলেন। মা হিসেবে তাই কোকোর প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার ছিল একধরনের অতিরিক্ত মমত্ববোধ ও স্নেহের দুর্বলতা। আর তাই ১/১১-এর সময় বিশেষ আদালতের কাঠগড়ায় হুইল চেয়ারে বসা অসুস্থ কোকোকে দেখে তিনি তার আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। নিয়মকানুন ভেঙে নিজের কাঠগড়া থেকে ছুটে গিয়েছিলেন কোকোর হুইল চেয়ারের কাছে। অসুস্থ ছেলের মুখমণ্ডলে হাত বুলাতে বুলাতে চোখের পানিতে অবগাহন করেছিলেন। এরপরই হয়তো সেনাকর্মকর্তাদের চাপের কাছে আংশিক নতি স্বীকার করতে বাধ্য হন। দুই ছেলেকে বিদেশ পাঠাতে রাজি হলেও যেকোনো মূল্যে নিজে থেকে যান বাংলাদেশে। সেই সব দুঃসহ স্মৃতি, দুর্ভোগ এবং সব বঞ্চনার জন্য তিনি মনে-প্রাণে শেখ হাসিনাকেই দায়ী করেন।
নবম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি শতকরা হিসাবে উল্লেখযোগ্য হারে পপুলার ভোট পেলেও আসনসংখ্যার হিসাবে গো-হারা হারে। এটাকে খালেদা জিয়া একটি সাজানো ও পাতানো ঘটনা মনে করলেও পরিস্থিতি বিবেচনায় সব কিছু মেনে নিয়ে সংসদে উপস্থিত হন। তার বিশ্বাস ছিল ১/১১-এর সময়ে জিয়াপরিবারের বিরুদ্ধে যেসব মামলা করা হয়েছিল আওয়ামী লীগ সরকার তা প্রত্যাহার করে নেবে। কিন্তু বাস্তবে ঘটল উল্টো। সরকার বিএনপিকে বিরোধী দল মনে না করে তাদেরকে দেশ-জাতি ও সরকারের শত্রু হিসেবে দেখতে শুরু করল। বিএনপির বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোকে সরকার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার শুরু করলে শেখ হাসিনার ওপর ক্ষণিকের তরে সৃষ্টি হওয়া বেগম খালেদা জিয়ার বিশ্বাস ও আস্থায় ফাটল ধরে গেল। তিনি সংসদে আসা বন্ধ করে দিলেন।
বিএনপি কর্তৃক সংসদ বর্জনে আওয়ামী লীগ ভারি মজা পেল। তারা মনের আনন্দে বিএনপির চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধার করে নানামুখী বক্তব্য দিতে লাগল। জিয়াপরিবারের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা রকম কুৎসাকে কিচ্ছাকাহিনী বানিয়ে সংসদে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে বক্তৃতা দিতে আরম্ভ করল। পরিস্থিতি এমন হলো যে, সরকারি দলের যে সদস্য যত বেশি মন্দ কথা বলতে পারবেন তারই মন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিলো। অন্য দিকে কিছু দিন পর বিএনপি সংসদে ফিরে বঙ্গবন্ধু পরিবার সম্পর্কে নানান কুৎসা ও কিচ্ছাকাহিনী বলতে আরম্ভ করল। তখন সরকারি দল মনে-প্রাণে চাইল বিএনপি যেন সংসদে না আসে। এরই মধ্যে একদিন পুলিশ কর্তৃক বিএনপিদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবেদিন ফারুক অত্যন্ত ন্যক্কারজনকভাবে বেধড়ক পিটুনির শিকার হন। ফলে উভয় দলের সম্পর্কে মারাত্মক অবনতি দেখা দেয়। এরই মধ্যে বেগম জিয়া তার সুদীর্ঘকালের স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হন। বাড়ি থেকে উচ্ছেদের পর সরকারি টেলিভিশনে এমন সব ছবি, প্রতিবেদন ও মন্তব্য প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় যাতে স্পষ্টতই দেশের সম্মানিত একজন প্রধানকে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়।
বিএনপি নেত্রীকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের পর তার চরিত্র, পারিবারিক জীবন ও রাজনীতিকে কলঙ্কময় করার জন্য হেন কাজ নেই যা সরকারি দলের লোকজন করেনি। ফলে শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়ার মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে বিশাল এক দূরত্বÑ হয়তো আটলান্টিক মহাসাগরের মতো দূরত্ব। সেই দূরত্ব আবার অতিক্রম করা সম্ভব নয় কারণ দু’জনের মাঝে রয়েছে বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের মতো ভয়াবহ এক রহস্যময় উপাখ্যান। শেখ হাসিনা সব সময় বেগম জিয়াকে একজন মেজরের বিধবা স্ত্রী ছাড়া বেশি কিছু মনে করেন না। তিনি যে সাবেক সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতির স্ত্রী কিংবা দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, সে কথা শেখ হাসিনা ও তার কট্টর সমর্থকবৃন্দ ভুলেও স্মরণ করতে চান না। অন্য দিকে, আওয়ামী লীগের লোকজন শেখ হাসিনাকে যতই বঙ্গবন্ধুকন্যা বা জাতির জনকের কন্যা বলে সম্মান ও মর্যাদার সর্বোচ্চ আসনে বসাতে চান না কেন, বিএনপির লোকজন কিন্তু ওমনটি মনে করেন না। তারা তাকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের এক দরিদ্র গেরস্থ ঘরের কন্যা এবং উত্তরবঙ্গের আরেক নিন্মবিত্ত গেরস্থ ঘরের পুত্রবধূ মনে করে থাকেন।
শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়ার মধ্যে এত বিভেদ-বিসম্বাদ, এত পারস্পরিক ঘৃণা, অবিশ্বাস ও অশ্রদ্ধার মাঝে কোকোর মৃত্যু এবং সেই মৃত্যুতে শোক জানানোর জন্য শেখ হাসিনা কর্তৃক বেগম খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে হুট করে উপস্থিত হওয়ার ব্যাপারে যারা সৌজন্যতা বা অসৌজন্যতার প্রশ্ন তুলছেন তাদের জ্ঞান-বুদ্ধি ও প্রজ্ঞার জন্য আমার করুণা হয়। আওয়ামী লীগের শুভার্থীদের উচিত তাদেরকে সমালোচনা করা, যারা প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে অতিমানবীয় কিছু করাতে গিয়ে একটি দলের প্রধান, জাতির জনকের কন্যা এবং দেশের প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করিয়ে আনল। সাংবাদিকেরা যদি একটু খোঁজ নিতেন তবে দেখতে পেতেন প্রধানমন্ত্রীর এপিএস শেখর এবং বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শিমুল বিশ্বাসের সঙ্গে মোট তিনবারে কী কী কথা হয়েছে! কত মিনিটের মাথায় তারা কথা শেষ করেছেন এবং শেষমেশ কী কথার ওপর নির্ভর করে প্রধানমন্ত্রী এলেন। তিনি গাড়ি থেকে নেমে কতক্ষণ অপেক্ষা করেছিলেন? তার আগমনের আগে এসএসএফ কি বাড়ির ভেতরে গিয়েছিল নাকি এসএসএফ শুধু প্রধানমন্ত্রীর বহরের সঙ্গে এসেছিল এবং আবার সঙ্গে সঙ্গে চলে গিয়েছিল? এসব বিবেচনায় পুরো মানুষটিকে নিয়ে দেখা দিয়েছে একধরনের অমর্যাদাকর বিশ্বাসহীনতা।
বিএনপির নীতিনির্ধারণীপর্যায়ের কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা প্রসঙ্গে বললাম, আচ্ছা ধরে নিলাম প্রধানমন্ত্রী চমৎকার অভিনয়শৈলী ও কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়ে আপনাদের দরজায় এসে আপনাদেরকে জাতির সামনে হেয় করার এক প্রয়াস চালিয়ে গেলেন। কিন্তু আপনারাও তো তার সঙ্গে অধিকতর দক্ষতার সঙ্গে অভিনয় করতে পারতেন! তাকে অভ্যর্থনা জানিয়ে ভেতরে ঢোকাতে পারতেন। তারপর একটি রুমে ঘণ্টাখানেক ধরে তাকে বসিয়ে আপ্যায়ন ও টুকটাক কথাবার্তা বলে সময় পার করে ফেরত পাঠিয়ে দিতে পারতেন। সে ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর মনের গহিনে মারাত্মকভাবে আপনাদের ব্যবহার স্পর্শ করত এবং আপনারাও আরো অধিক পরিমাণ আনন্দ লাভ করতে পারতেন। আমি আশা করেছিলাম ভদ্রলোক আমার কথা শুনে হাসবেন কিংবা যুৎসই একটি উত্তর দেবেন। কিন্তু তিনি তা না করে একটি বড় দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বললেনÑ রনি ভাই! আপনিও দেখছি ক্ষমতাসীনদের মতো আমাদের শোক ও দুর্বলতা নিয়ে মশকরা করছেন। সারা দেশে প্রায় দশ হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ৭০-৮০ হাজার মামলা। বিএনপির কোনো নেতা ঘরে থাকতে পারছেন না। সবাই পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। দলের বেশির ভাগ সিনিয়র নেতা জেলে। বাকিরা পলাতক। শিমুল বিশ্বাস ও মারুফ কামাল খান নেত্রীর সঙ্গে গত প্রায় এক মাস অবরুদ্ধ। প্রতি মুহূর্তে তারা গ্রেফতার হওয়ার ঝুঁকি নিয়ে স্বেচ্ছায় বন্দী জীবন কাটাচ্ছেন প্রায় এক কাপড়ে। মূল গেটের চাবি পুলিশের কাছে। তারা সকালে তালা মারে আবার বিকেলে খোলে। বাড়ির সামনে একবার মাটির ট্রাক, আবার বালুর ট্রাক এবং মাঝে মধ্যে ময়লার ট্রাক। পুরো এলাকায় সার্কিট ক্যামেরা লাগানো। ফলে সাধারণ মানুষ ভয়ে ওদিকে পা বাড়ায় না। দলীয় নেতাকর্মীরা অফিসমুখী হলেই গ্রেফতার করা হন। বি চৌধুরীর মতো বিশিষ্টজনদের পুলিশ বাড়ির মধ্যে ঢুকতে দেয় না। পুলিশের অনুমতি ছাড়া বাড়ির ভেতর ও বাইরে যাওয়ার সাধ্য কারো নেই। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা, গুলশান থানার একজন কনস্টেবলকে বাড়ির মধ্যে ঢোকার ব্যাপারে নিষেধ করার ক্ষমতা, সাহস ও কৃতিত্ব বিএনপির কেউ রাখে না। আমাদের নাকে দড়ি বেঁধে সরকার ঘোরাচ্ছে এবং তাদের ইচ্ছেমতো সব কিছু করিয়ে নিচ্ছে। ভদ্রলোকের কথা শুনে আমি যুৎসই একটি জবাব দেয়ার কথা ভাবছিলাম। কিন্তু তার আগেই তিনি পুনরায় বলতে আরম্ভ করলেন আমাদের রাজনীতি বড়ই অমানবিক হয়ে গেছে। এ দেশের মানুষ আগে জীবন্ত মানুষের গায়ের চামড়া খুলে ডুগডুগি বাজাতে চাইত। মানুষের মৃত্যুর পর নাচগানের উৎসব করতÑ অনেকে তো ট্যাংকের ওপর দাঁড়িয়ে উল্লাসনৃত্য করেছে। অতীতের সব নিষ্ঠুরতা ম্লান হয়ে গিয়েছিল ১/১১-এর আগে যখন একদল মানুষ তাদের হাতের লাঠি দিয়ে অন্য দলকে পিটিয়ে মেরে লাশের ওপর দাঁড়িয়ে উল্লাসনৃত্য করেছে। এই লোকগুলো কারা? কোন দলের? তারা এখন কোথায় এবং কাদের সঙ্গে আছেন সেই লোকগুলো যে মৃত কোকোর লাশের সঙ্গে নৃশংসতা দেখায়নিÑ এটাই আমাদের চরম এবং পরম পাওনা। আমাকে কোনো সুযোগ না দিয়ে তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বললেন, কোকো একে তো অসুস্থ ছিলেন। তার ওপর ৭০ বছরের বৃদ্ধা মায়ের ওপর সরকারের একের পর এক নৃশংশ চাপ ও গ্রেফতারের হুমকি তিনি স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতে পারেননি। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর সময় খালেদা জিয়ার বয়স মাত্র ৩৫ বছর আর কোকোর ১২ বছর। অসহায় বিধবা হিসেবে খালেদা জিয়া সব সময় অন্ধের যষ্টির মতো তার বালকপুত্রটিকে বুকে চেপে নিজের সব বেদনা ভুলতে চেষ্টা করেছেন। কোকোর সাথে তার বন্ধন এবং সম্পর্ক বোঝার জন্য মানুষের মতো মন থাকার দরকার। হায়েনার হিংস্রতা দিয়ে মা-ছেলের সেই বিশেষ সম্পর্ক মূল্যায়ন করা যায় না। কোকোর মৃত্যু তাই বেগম জিয়াকে সংজ্ঞাহীন কিংবা অস্থির করবে এটাই স্বাভাবিক। অন্য দিকে মৃত্যু নিয়ে যারা রাজনীতি করে তাদের বিচারের ভার বেগম জিয়া জীবনমৃত্যুর মালিকের কাছে সমর্পণ করেছেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
February
(1363)
-
▼
Feb 01
(52)
- পোশাক কারখানায় দেড় শতাধিক শ্রমিক অসুস্থ, মারা গে...
- বেগম খালেদা জিয়ার মনোবল অটুট
- অমর একুশে গ্রন্থমেলা- রাজনৈতিক মেঘেও আলো ছড়াক
- ছয় বছর পর সৌদির শ্রমবাজারে বাংলাদেশ
- মোসাদ্দেক আলী ফালু আটক
- মাহফুজকে ফিরে পেতে মায়ের আকুতি
- দেশবাসীর প্রতি বিএনপির আহবান : সাফল্য নিশ্চিত, আন্...
- ‘শান্তি বজায় রাখতে চেষ্টা করে যাব’ -একুশে গ্রন্থমে...
- ইসলামি ব্যাংকিং ফ্রড : সংসদে অর্থমন্ত্রী
- বঙ্গবন্ধুর কন্যা হলে অবিলম্বে সংলাপে বসুন by প্রধা...
- সরকারের দেড়গুণ বেশি ঋণের ল্যমাত্রা- অসমঝোতা অর্থনী...
- সমস্যার রাজনৈতিক সমাধানই খুঁজতে হবে -বিশেষ সাক্ষাৎ...
- মস্কোয় লাইব্রেরিতে আগুন- পুড়ে গেছে ১০ লাখ দলিলপত্র...
- পরীক্ষার্থীদের দুশ্চিন্তায় রেখে রাজনৈতিক নেতাদের ...
- বিএনপি ক্ষমতায় গেলে কি যুদ্ধাপরাধের বিচার হবে না? ...
- যেকোনো ব্যবস্থা নিন, দায়িত্ব আমার by ড. রেজোয়ান সি...
- ১৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন খালেদা
- আগুনে নিভে গেল ১৩ প্রাণ- মিরপুরে সনি সিনেমা হলের স...
- রাজধানীতে পুলিশের গুলিতে শিবির নেতা নিহত
- কোকোর মৃত্যু এবং অমানবিক রাজনীতির অসৌজন্যতা by গোল...
- আজ শুরু হচ্ছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা
- পরিবেশ- ধানখেতে অট্টালিকা by মোহাম্মাদ মুনীর চৌধুরী
- অবরুদ্ধ গণতন্ত্র : অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ by এফ ই শরফুজ্...
- চলছে অবরোধ, বাড়ছে ক্ষতি- স্থবির ব্যবসা–বাণিজ্য by...
- ইয়েমেনে রাজনৈতিক বিপর্যয় ও সালেহ-হাউছি জোট
- কার্যালয় ছাড়বেন না
- ছোট্ট প্রতিষ্ঠার বড় স্বপ্ন
- কূটনীতি- ওবামার ভারত সফর ও ‘ব্যক্তিগত’ বিড়ম্বনা by...
- সেতু থাকা সত্ত্বেও নদীতে বাঁধ দিয়ে রাস্তা তৈরি
- কাঠ দিয়ে চলছে ইট পোড়ানো
- ৭ সেকেন্ডের জন্য ১৬৫ কোটি টাকার পুরস্কার হাতছাড়া
- ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রতিনিধিদল আসছে- মানবাধিকা...
- অভিমানে নিঃশব্দে চলে গেলেন by কাজী কাইয়ুম শিশির
- নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন- ময়লা অপসারণ বন্ধ, দুর্ভোগ
- বিদ্যুৎ, ইন্টারনেট-কেব্ল বিচ্ছিন্ন করা সমাধান নয়-...
- এক শতাংশের কাছে অর্ধেকের বেশি সম্পদ কেন? by শাহ্ আ...
- পুরান সুতায় নতুন দিন by এ এস এম আলমগীর
- সৌন্দর্যের বৃষ্টিবন by কামরুল আম্বিয়া
- রাজনীতিকদের দায়িত্বশীলতা চাই by মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান
- তামিল প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিলেন সিরিসেনা- ’৯১ স...
- শিক্ষা- ছাত্রদের বিজ্ঞান-অনীহার সমাধান কী by মুহাম...
- জলবায়ু পরিবর্তন- দায়িত্বশীল বিনিয়োগকারীদের ভূমিকা...
- নিজের পায়ে কুড়াল মারার গণতন্ত্র! by সোহরাব হাসান
- নারীর ক্ষমতায়নে আরেকটি মাইলফলক- সেনাবাহিনীতে নারী ...
- বিদ্যুৎ বন্ধে আ’লীগে মিশ্র প্রতিক্রিয়া by জাকির হো...
- বিটিআরসি’র নির্দেশেই বন্ধ করা হয় মোবাইল নেটওয়ার্ক ...
- খালেদা জিয়ার কার্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন- ট...
- বেগম খালেদা জিয়া বিচ্ছিন্ন- বিদ্যুৎহীন ১৯ ঘণ্টা, ই...
- অবরোধের সঙ্গে ৭২ ঘণ্টার হরতাল শুরু, বাসে আগুন, পেট...
- বর্তমান সঙ্কট উত্তরণে সংলাপই একমাত্র পথ- গুড গভর্ন...
- দাফনের আগে নড়ে উঠলো শিশুটি
- আগের চেয়েও বেশি শ্রদ্ধা কাপুর
-
▼
Feb 01
(52)
-
▼
February
(1363)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment