Tuesday, January 6, 2015
ভয়ঙ্কর ভবিষ্যতের আলামত by জাহিদ হাসান
ভয়ঙ্কর ভবিষ্যতের আলামত by জাহিদ হাসান


বন্দুকের
নলই ক্ষমতার উৎস-উনবিংশ শতাব্দির জাতীয়তাবাদী নেতা চীনের মাও সেতুং এর এই
বিপ্লবী উক্তি বা স্লোগান মানুষের মৌলিক ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের কাছে
পরাজিত হয়ে গেছে অনেক আগেই। বিরোধী জনমত বা মানুষের মত প্রকাশের
স্বাধীনতাকে গায়ের তথা বন্দুকের গুলির জোরে স্তব্ধ বা নিয়ন্ত্রণ করে রেখে
স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ ও জনগণকে শাসন করার মানসিকতা থেকেই এই তথাকথিত
বিপ্লবী উক্তি বা স্লোগানের জন্ম হয়েছিল। জনগণই সকল ক্ষমতার একমাত্র উৎস’
বিংশ শতাব্দির গণতান্ত্রিক বিশ্বের এই সার্বজনীন বিশ্বাস বা স্লোগানই এখন
দেশে দেশে প্রতিষ্ঠিত এবং তা প্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন দেশে জনমানুষের
সংগ্রাম অব্যাহত রয়েছে। এই বিশ্বাস ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার
জন্যই বাংলাদেশে ১৯৭১ সালে জনমানুষের জনযুদ্ধ বা স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছিল।
কিন্তু স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৪ বছরে শাসক শ্রেণীর ধারাবাহিক শাসনের মাধ্যমে
বাংলাদেশে প্রকৃত গণতন্ত্র, মানুষের মৌলিক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত
ও দৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার যৌক্তিক প্রত্যাশা পূরনের পরিবর্তে তা
এখন বর্তমান শাসকদের কবলে পড়ে আবারও বিরোধী জনমত বা মানুষের মত প্রকাশের
স্বাধীনতাকে গায়ের তথা বন্দুকের গুলির জোরে স্তব্ধ বা নিয়ন্ত্রণ করে রেখে
স্বৈরাচারী কায়দায় দেশ ও জনগণকে শাসন করার মানসিকতা বা ইচ্ছায় উনবিংশ
শতাব্দির সেই মাও সেতুং এর উক্তি বন্দুকের নলই ক্ষমতার উৎস বা ক্ষমতা ধরে
রাখার একমাত্র শক্তি বলে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার বা করার ভয়ানক
প্রচেষ্টা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের
দায়িত্ব বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে থাকলেও সশস্ত্রবাহিনীর
সর্বাধিনায়ক হলেন পদাধিকার বলে বা সংবিধান মোতাবেক রাষ্ট্রপতি আব্দুল
হামিদ। কিন্তু ইদানিং দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই
সশস্ত্রবাহিনীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে গার্ড অব অনার বা সালাম
গ্রহণ, কুচকাওয়াচ পরিদর্শন, প্রশিক্ষণ বা শিক্ষা সমাপনি অনুষ্ঠানে সনদ
প্রদানসহ সশস্ত্রবাহিনীর প্রায় সকল অনুষ্ঠানেই বেশ আগ্রহ ও প্রফুল্ল চিত্তে
অংশগ্রহণ করছে।
সশস্ত্রবাহিনীর তিন শাখা সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর বিভিন্ন অনুষ্ঠান ছাড়াও বন্দুকধারী রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র শক্তির অন্যান্য সংস্থা বা সংগঠন যেমন বিজিবি, পুলিশ, র্যাব, আনসার, কোস্টগার্ডসহ আরও অন্যান্য বাহিনীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রায় প্রতিনিয়তই তিনি নিয়মিতভাবে যোগদান করছেন। পেশাগতভাবে রাষ্ট্রের এসব অরাজনৈতিক ও শৃংখলিত বাহিনীর ঐসব অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক ও প্রাসঙ্গিক ভাষণ বা বক্তৃতা দেয়ার সময় শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সরকার প্রধান বা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার অবস্থানগত দায়িত্বের কথা ভুলে গিয়ে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে আওয়ামী লীগের প্রধান হিসেবে প্রধান বিরোধীদল বিএনপি ও তথাকথিত জঙ্গিবাদের হুমকির কথা তুলে জামায়াত ও অন্যান্য ইসলামী দল বা সংগঠনের বিরুদ্ধে তার স্বভাবসূলভ বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী নির্বিধায় রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়া শুরু করেন।
রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র শক্তি বা বন্দুকধারীদের প্রতি শেখ হাসিনার এমন আগ্রহ, আকর্ষণ বা মনোযোগ ১৯৯৬ -২০০১ বা ২০০৯ - ২০১৩ সময়ে তার শাসনামলে এত প্রকটভাবে দেখা যায়নি। বরং ২০০৯-২০১৩ সাল পর্যন্ত সশস্ত্রবাহিনীকে ইংগিত করে শেখ হাসিনা প্রায়ই বলতেন কোন উর্দী পড়া অসাংবিধানিক শক্তি যাতে আর কখনও বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল তথা তার ভাষায় গণতন্ত্রের ধারাকে ব্যহত করতে না পারে সেজন্য তার সরকার সংবিধানে বিশেষ বিধান সংযোজনসহ সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং করেছেও। এমনকি জেনারেল মইনের ১/১১ এর তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করে ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পরেও তত্ত্বাবধায়কের নামে সেনাসমর্থিত সেই সরকারের দীর্ঘ ২ বছর ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সামরিক ডিক্টেটরদেরকেই পরোক্ষভাবে তিনি দায়ী করেছেন। কিন্তু বন্দুকধারী রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র শক্তি ও দলীয় সশস্ত্র মাস্তানদের শক্তিকে ব্যবহার করে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারীর বিতর্কিত নির্বাচন করতে সক্ষম হওয়ায় এবং পরবর্তিতে সরকার গঠন করার পর থেকেই শেখ হাসিনার বন্দুকধারী রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র বাহিনীগুলোর প্রতি এত গুরুত্ব ও আগ্রহ বেড়ে গেছে।
বিএনপিসহ বিরোধী দলের নির্বাচন বয়কট ও প্রতিহত করার হুমকির বিপরীতে শেখ হাসিনা ৫ই জানুয়ারী সেনাবাহিনীসহ রাষ্ট্রের সকল সশস্ত্র শক্তি ও দলীয় সশস্ত্র ক্যাডার শক্তি নিয়ে মাঠে সক্রিয় থেকেও ১০-১৫ শতাংশ ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে আনতে সক্ষম হয়নি। তারপরেও রাষ্ট্রের সকল সশস্ত্র শক্তি ও দলীয় সশস্ত্র ক্যাডার অর্থাৎ বন্দুকধারী বিশাল শক্তির জোরে ৫ই জানুয়ারী একতরফা ভোটারহীন নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করে এক বছর হল ক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছেন এবং ২০১৯ বা ২০২১ সাল পর্যন্ত পারবে বলে মনে করছেন।
এখানে উল্লেখ্য, ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার দল ও জোটের নেতা নেত্রীরা বিভিন্ন সূচকে অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশের এগিয়ে থাকা ( সাধারন জনগণের কাছে যা দৃশ্যমান নয় বা প্রাত্যহিক জনজীবনে যার কোন প্রত্যক্ষ প্রভাব বা সুফল রয়েছে বলে মনে হয়না) এবং তার সরকারের আমলে বাংলাদেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে বলে এত প্রচার ও প্রচারনা সত্তেও ২০১৩ সালে গাজীপুরসহ দেশের প্রধান ৫টা জেলা শহরের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী জোট সমর্থিত প্রার্থীদের বিরোধী বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থীদের কাছে বিপুল ভোটের ব্যবধানে শোচনীয় পরাজয় হয়েছিল। ঐ ফলাফল দেখে শেখ হাসিনা তখন প্রকাশ্যে উষ্মা, ক্ষোভ ও অভিমান প্রকাশ করে বিভিন্ন সমাবেশ ও অনুষ্ঠানে বলেছিলেন তার সরকারের এত উন্নয়ন ও ভাল কাজগুলো জনগণ চোখে দেখেনি, বিরোধী দলের ‘অপপ্রচারে’ জনগণ বিভ্রান্ত হয়েছে। আর ঠিক তখন থেকেই শেখ হাসিনার মাথায় একটা অগণতান্ত্রিক মনোভাব বা চিন্তা বাসা বেঁধেছে, যা হল ক্ষমতা ধরে রাখতে বা আবারও ক্ষমতায় যেতে হলে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করার লক্ষ্যে ক্ষমতায় বহাল থেকে তার দলীয় সরকারের অধীনেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে হবে।
বিরোধী জোট সকল দলের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য দল নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন না হওয়ায় ৫ই জানুয়ারীর ঐ নির্বাচন বর্জন ও বয়কট করলেও পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন জেলার উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয় এবং এসব নির্বাচনেও সরকারী দলের সমর্থকদের তুলনায় তারা ভাল ফলাফল করে। ৫ই জানুয়ারির দশম সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনীসহ রাষ্ট্রের সকল সশস্ত্র শক্তি ও দলীয় সশস্ত্র ক্যাডার অর্থাৎ বন্দুকধারী বিশাল শক্তি ব্যবহার করেও ভোটের দিন ভোট কেন্দ্রে ন্যূনতম প্রত্যাশিত সংখ্যক ভোটার উপস্থিত করতে না পারা এবং ঐ নির্বাচনের পর বিভিন্ন উপজেলা নির্বাচনের ফলাফল দেখে আওয়ামী জোট সরকার বিশেষ করে সরকার প্রধান শেখ হাসিনার চিন্তা চেতনায় আরও যে একটা ভয়ানক, অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী মনোভাব শক্তভাবে গেড়ে বসেছে তা হল ক্ষমতায় থাকতে বা ক্ষমতা ধরে রাখতে হলে শুধু জনগণ বা জনগণের ম্যান্ডেটের উপর নির্ভরশীল থাকার প্রয়োজন নাই বা থাকলেই চলবে না।
উল্লেখ্য, ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিরোধী জোটের একতরফা নির্বাচন প্রতিহত করার আন্দোলনের মূখে শেখ হাসিনাসহ তার দলের শীর্ষ অনেক নেতাই বলেছিল সংবিধান রক্ষা তথা সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য ৫ই জানুয়ারী নির্বাচন করার পর পরই বিরোধী জোটের সাথে সবার অংশগ্রহণের ভিত্তিতে ১১তম সংসদ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করা হবে। কিন্তু এখন যদি ঐ কথা রাখতে বা কার্যকর করতে হয় তবে হয়ত সে নিজে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় থেকে তার দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে পারবে না এবং আবারও নির্বাচনে গেলে জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন না পেলে ক্ষমতায় আসা বা ফেরা যাবে না, যে ভয় শেখ হাসিনা ২০১৩ সালের সিটি করপোরেশন এবং ৫ই জানুয়ারী পরবর্তী উপজেলা নির্বাচনের ফলাফল থেকে পেয়েছিলেন, তাই তিনি আবারও জনগণের কাছে গিয়ে ম্যান্ডেট নেয়ার ঝুঁকি নিতে চাচ্ছেননা। যে কারণে এখন ৫ই জানুয়ারী পূর্ববর্তী অঙ্গিকার বা ওয়াদা অনুযায়ী বিরোধী জোটের জোরালো দাবি ও জাতিসংঘসহ প্রভাবশালী কয়েকটা বিদেশী রাষ্ট্রের চাপ সত্তেও সবার অংশগ্রহণের ভিত্তিতে আর একটা মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিকে যেতে তিনি মোটেও চাইছেন না বা সাহস পাচ্ছেন না।
বাংলাদেশ ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে সরকার ও আওয়ামী মহল থেকে এত জোরালো দাবি করা সত্ত্বেও (হয়তো কোন কোন ক্ষেত্রে তা সত্যও হতে পারে) নিরবচ্ছিন্ন উন্নয়নের স্বার্থে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিয়ে ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন নামক কলঙ্কটা মুছে দিয়ে জনগণের প্রকৃত ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় ফিরে আসতে পারবে বলে শেখ হাসিনার সরকার মোটেও আশাবাদী নয়। অর্থাৎ ক্ষমতায় থাকা বা আসার জন্য জনমত বা জনগণের উপর সে কিছুতেই নির্ভরশীল হতে পারছে না বা চাচ্ছে না। তাই ২০১৯/২০২১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে হলে রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র শক্তি ও দলীয় সশস্ত্র মাস্তান বাহিনীর (ছাত্রলীগ/যুবলীগ/স্বেচ্ছাসেবক লীগ) উপর নির্ভরশীল হওয়া বা থাকাকেই শেখ হাসিনা এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। কারণ এই বন্দুকধারী রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র শক্তি ও দলীয় সশস্ত্র মাস্তান বাহিনীর সহায়তাতেই সে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির কথিত নির্বাচন করে গায়ের জোরে সরকার গঠন করতে পেরেছে এবং নির্বাচন পরবর্তী বিগত এক বছর বিরোধী জোট বা দলের আন্দোলনকেও এই শক্তির দ্বারা দমন করে ক্ষমতা ধরে রাখতে পারছে। যে কারণে জনগণ নয়, বন্দুকের গুলিই এখন শেখ হাসিনা সরকারের কাছে ক্ষমতা ধরে রাখার প্রধান উৎস বা হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।
তাই এটা অতি স্বাভাবিক বা প্রচলিত নিয়ম যে, যাদের সহায়তা, সহযোগিতা অর্থাৎ যাদের শক্তির উপর নির্ভর করে নিজের স্বার্থ সিদ্ধি বা রক্ষা করা হয় বিনিময়ে তাদের স্বার্থ রক্ষা বা তাদের উদ্দেশ্যের প্রতিও অনুগত হতে বা থাকতে হয় (দেয়া-নেয়ার স্বাভাবিক নিয়ম)। কিন্তু স্বার্থ রক্ষার এই স্বাভাবিক ও ভাগাভাগির প্রক্রিয়া যদি জনগণের প্রকৃত ম্যান্ডেট বা রায় ছাড়া অবৈধভাবে বা জোর করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলকারী শক্তি এবং রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র বা বন্দুকধারী শক্তির মধ্যে হয় তবে সেখানে দেশ ও জনগণের স্বার্থ, অধিকার, জানমাল ও সম্পদের উপর মারাত্মক ক্ষতি ও ভয়ানক পরিণতির আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।
শেখ হাসিনা তাই এখন ঘন ঘন সশস্ত্রবাহিনীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি ও তাদেরকে আরো শক্তিশালী করা এবং তাদের জন্য হাজার কোটি টাকার অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র কেনার ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছে। ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনকে সমর্থন বা গ্রহণ করে নেয়ার বিনিময়ে ঘুষ/উৎকোচ অর্থাৎ তাদেরকে খুশি করা বা সমর্থন অব্যাহত রাখার জন্য ইতিমধ্যে রাশিয়া ও রুশপন্থি কয়েকটা পূর্ব ইউরোপীয় দেশ এবং চীন থেকে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য হাজার হাজার কোটি টাকার অস্ত্র কেনার চুক্তি করেছে। এখানে উল্লেখ্য, স্বাধীনতার পর আওয়ামী শাসক ও মহল থেকে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষার ব্যাপারে একটা নীতি বা মতামত জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল যে ভারত যেহেতু বাংলাদেশের বন্ধু (?) বা স্বাধীনতা যুদ্ধে সহায়তাকারী মিত্র প্রতিবেশী সুতরাং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কখনও যুদ্ধ হবে না। তাই বাংলাদেশের মতো সদ্য স্বাধীন ও গরিব দেশের জন্য একটা বিশাল সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা বা এর পেছনে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ ব্যয় করার কোন প্রয়োজন নাই। শোনা যায় বা কথিত আছে, এ বিষয়টা নিয়ে টানাপড়েন বা মনকষাকষির কারণে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানীকে স্বাধীনতা পরবর্তী সরকারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী না বানিয়ে তাকে সশস্ত্র বাহিনী থেকে পৃথক রাখার জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রী বানিয়ে রাখা হয়েছিল। তাছাড়া, ঐ সময় এটাও পরিলক্ষিত হয়েছিল সশস্ত্র বাহিনীর জন্য অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি না করে স্বৈরাচারী কায়দায় দীর্ঘদিন ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার উদ্দেশ্যে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র, যানবাহন ও চকচকে জমকালো উর্দি (পোশাক) দিয়ে সাজিয়ে বিশাল রক্ষীবাহিনী গড়ে তোলা হয়েছিল। এর মাধ্যমে তখন এটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল যে আওয়ামী শাসক ও তাদের মদতদাতা কথিত বুদ্ধিজীবী মহল সশস্ত্র বাহিনীকে দুর্বল, সীমিত ও নামকা ওয়াস্তে একটা বাহিনী হিসেবে রেখে দেয়ার পক্ষেই ছিল। এব্যাপারে তখন ভারত সরকারের পরামর্শ বা চাপ থাকার কথাও আলোচিত ছিল। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতার ৪৩ বছর পর ক্ষমতা ধরে রাখার হাতিয়ার হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীকে খুশি রাখতে, আশ্বস্ত করতে তথা তার প্রতি অনুগত রাখতে ইদানীং সশস্ত্র বাহিনীর সকল অনুষ্ঠানে বক্তব্য বা ভাষণ দেয়ার সময় ডাহা মিথ্যা কথা বলে বেড়াচ্ছে যে জাতির পিতা (তার পিতা) বাংলাদেশে একটা শক্তিশালী ও অত্যাধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর স্বপ্ন দেখেছিলেন বা গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল ও প্রধান শক্তিই ছিল বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী, কিন্তু স্বাধীনতা যুদ্ধের পর সংগতকারণে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য সদ্য স্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের তেমন কিছুই করার সামর্থ্য ছিল না।
কিন্তু জীর্ণ-শীর্ণ পোশাক আর লক্কর মার্কা মান্ধাতা আমলের কিছু অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে কোনরকমে জোড়াতালি দিয়ে দাঁড় করানো স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বন্ধু/মিত্র দেশ ভারতের কাছ থেকে কি কিছু অস্ত্রশস্ত্র (যুদ্ধ করার জন্য নয়, প্রশিক্ষণের জন্য) চাওয়া যেত না বা ভারতও কি তাদের তরফ থেকে বন্ধুত্বের নিদর্শনস্বরূপ উপহার হিসেবেও দিতে পারতো না? অথচ ভারতীয় সেনাবাহিনী মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্টে পাকিস্তানি সৈন্যদের ফেলে যাওয়া হাজার হাজার কোটি টাকার অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রায় এক মাস যাবৎ তাদের শত শত ট্রাকভর্তি করে ভারতে নিয়ে গেছে। শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের সুবাদে তখন মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ১৯৬৭ সালে ইসরাইল যুদ্ধে ব্যবহৃত ১৩টা পুরাতন ট্যাংক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে উপহার দিয়েছিল। এছাড়া, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান মিত্র দেশ তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে উপহার হিসেবে এক স্কোয়াড্রন মিগ-২১ জঙ্গি বিমান দিয়েছিল (যে বিমান দিয়ে ১৯৭৩ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসীদের বাঙালি হয়ে যাওয়ার ঘোষণার প্রতিবাদে আন্দোলনরত শান্তিবাহিনী/বিদ্রোহীদের উপর বোমাবর্ষণ করা হয়েছিল)।
বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে সত্যিকার অর্থে শক্তিশালী করে তোলার কোন ইচ্ছা বা আন্তরিকতা আওয়ামী লীগের আগেও ছিল না, এখনও নাই। আসল বা অন্তর্নিহিত সত্য হলো বিগত ৫ই জানুয়ারি যে ধরনেরই হউক একটা নির্বাচন করতে পারা এবং নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে ক্ষমতায় থাকার জন্য শেখ হাসিনা ও তার সরকার জনগণ নয় বন্দুকধারী রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র শক্তি ও দলীয় সশস্ত্র মাস্তানদেরকেই একমাত্র ভরসা ও শক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পেরেছিল, তাই এখন তার রাষ্ট্রীয় কর্মকা- বা অধিকাংশ অনুষ্ঠানের মধ্যে সশস্ত্র/ বন্দুকধারী বাহিনীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানের প্রাধান্যই বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। এছাড়াও শেখ হাসিনার নিজ জেলা গোপালগঞ্জের হাজার হাজার তরুণ ও ছাত্রলীগ কর্মীকে পুলিশে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, বিরোধী দলের ওপর পুলিশি নির্যাতনের মাধ্যমে তাদের সর্বাত্মক ব্যবহার এখন চলছে। ঘোষণা দেয়া হয়েছে সহসাই এমন (দলীয় আনুগত্য অনুযায়ী) আরো ৫০ হাজার নতুন পুলিশ সদস্য নিয়োগ করা হবে। অর্থাৎ দেশকে মনে হয় পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করার ষোলকলাই শেখ হাসিনার সরকার পূর্ণ করে ছাড়বে। তবে সবচেয়ে আশংকার বিষয় হচ্ছে এসব রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র শক্তি ও দলীয় সশস্ত্র মাস্তানরা যখন মনে করবে বা বুঝতে শুরু করবে যে সরকার তাদের উপর নির্ভর করেই ক্ষমতায় আছে বা থাকতে চাচ্ছে তখন তারা একদিকে যেমন সরকারি নির্দেশ-আদেশের তোয়াক্কা না করে নিজেদের স্বার্থে চেইন অব কমান্ড ভঙ্গ করে যা ইচ্ছা তাই করতে উৎসাহিত হবে (যেমন পুলিশ ও র্যাবের বিভিন্ন সদস্য ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার বাণিজ্য, গুম, খুন ও কন্ট্রাক্ট কিলিংয়ের মতো জঘন্য অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে, দলীয় সশস্ত্র মাস্তানরা সারা দেশে বেপরোয়া সন্ত্রাস চালাচ্ছে) অপরদিকে তারা স্বভাবতই সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করবে। ইতিমধ্যেই এসব বাহিনীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যখন সরকার প্রধান শেখ হাসিনা অংশগ্রহণ করছেন তার কাছে খোলাখুলি আলোচনার সময় ঐসব বাহিনীর সদস্যরা তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া পেশ করতে ও পূরণ করার দাবি জানাতে শুরু করেছে।
সুতরাং তাদের সমর্থনে ক্ষমতায় থাকতে হলে তাদেরকে অপরাধ থেকেও দায়মুক্তি দিতে হবে আবার তাদের দাবি-দাওয়া কিছু না কিছু বা সবটুকু কোন না কোন সময় মানতেই হবে। তা না হলেই বিপদ। এখানে উল্লেখ্য, জেনারেল জিয়াউর রহমান যখন ১৯৮১ সালের মার্চে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে গিয়েছিল তখন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তার কাছে ১১-দফা দাবিনামা পেশ করা হয়েছিল, কথিত আছে জেনারেল জিয়া তাৎক্ষণিকভাবে ওইসব দাবি-দাওয়া না মেনে ক্যান্টনমেন্ট থেকে ফিরে আসার পর ওইদিন রাতেই চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অবস্থানরত সেনাবাহিনীর সদস্যদের হাতে নৃশংসভাবে নিহত হয়েছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এখন সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ে একই ধরনের খেলা শুরু করেছেন। সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মইনের দেয়া লিস্ট অনুযায়ী সেনাবাহিনী থেকে কথিত বিএনপি-জামায়াতপন্থি বা সমর্থক প্রায় ৪৪ জন সিনিয়র সেনা কর্মকর্তাকে জোরপূর্বক চাকরি থেকে সরিয়ে বর্তমান সেনাপ্রধানসহ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এখন আওয়ামী রাজনৈতিক ভাবাদর্শে বিশ্বাসী সৈনিকদের বহাল করা হয়েছে বলে শোনা যায়। অর্থাৎ ক্ষমতায় থাকার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকেও এখন দলীয়করণ করা হচ্ছে। এছাড়া তাদেরকে সন্তুষ্ট রাখতে বেতন-ভাতা বৃদ্ধিসহ তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া পূরণ ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করার ওয়াদা বা ঘোষণা দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের জন্য অত্যাধুনিক অস্ত্রসস্ত্র সংগ্রহের ঘোষণাও দেয়া হচ্ছে। কেন বা কার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়ন বা তাদের জন্য অত্যাধুনিক (সাবমেরিনসহ) অস্ত্রশস্ত্র কেনা হচ্ছে? বাংলাদেশ কি ভারতের বিরুদ্ধে কখনও যুদ্ধ করবে বা ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ক্ষমতা কি আদৌ কোনদিন বাংলাদেশের হবে? এমনকি রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর কারণে এত সমস্যা ভোগ করার পর বা সীমান্তে নাসাকা বাহিনী কর্তৃক বিজিবি সদস্যদের বিনা উস্কানি বা অজুহাতে হত্যা করার পরেও মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সামরিক ব্যবস্থা নেয়ার কোন সাহস কখনও দেখা যায়নি। তাহলে সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক ও অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত করে শক্তিশালী করার মুখরোচক ও আকর্ষণীয় বক্তব্য বা ঘোষণা উচ্চারণের উদ্দেশ্যটা তাহলে কি? বাংলাদেশের জনগণ শেখ হাসিনার এই তৎপরতার আসল উদ্দেশ্য অবশ্যই বুঝতে সক্ষম। এখানে উল্লেখ করা যায়, স্বাধীনতার ৪৩ বছর পার হয়ে গেলেও বাংলাদেশের একটা প্রতিরক্ষা নীতি আজ পর্যন্ত প্রণীত হয়নি। প্রায় চতুর্দিকে ভারত কর্তৃক বেষ্টিত ভৌগোলিক অবস্থানের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর আয়তন, শক্তি বা ক্ষমতা কেমন হওয়া উচিত, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ( সমুদ্র সীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ) রক্ষায় ভারতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সমমানের সামরিক শক্তি গড়ে তোলার প্রয়োজন বা সক্ষমতা বাংলাদেশের আছে কিনা বা উচিত হবে কিনা, নাকি বাস্তবতার আলোকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার গ্যারান্টি প্রদানের বিনিময়ে অন্য কোন পরাশক্তির সঙ্গে সামরিক চুক্তি (ইসরাইল ও তাইওয়ানের মতো) করা বা বাংলাদেশের নৌসীমানায় সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি দেয়া এসব কোন কিছু চিন্তা-ভাবনা বা বিবেচনা না করেই উদ্দেশ্যহীন ও অপরিণামদর্শীতার মতো সশস্ত্র বাহিনীর জন্য হাজার হাজার কোটি টাকার অস্ত্র কেনার উদ্দেশ্য ওই একটাই- বন্দুকের নলের জোরে ক্ষমতা ধরে রাখা। মাঝে মাঝে যুক্তি দেয়া হয় এসব অস্ত্র জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে ভাড়া দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রাও আয় করা যায়। অথচ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর জন্য কোথাও উন্নত জঙ্গি বিমান, বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র বা সাব-মেরিনের কোন প্রয়োজন পড়ে না। কারণ যেসব দেশে বিদ্রোহী বা জঙ্গি শান্তি ভঙ্গ করছে তারা জলে, স্থলে ও অন্তরীক্ষে ( আকাশে) সর্বাত্মক যুদ্ধ করে না।
স্থলভাগে হাল্কা ও মাঝাড়ি অস্ত্র নিয়ে জঙ্গি, উগ্র বা গেরিলা তৎপরতা চালায়, তাদের জন্য স্থলভাগে চলাচলকারী সামরিক সাঁজোয়া যান বা ট্যাঙ্কই যথেষ্ট। এসব খোঁড়া অজুহাত দেখিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে সশস্ত্র বাহিনীকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য অস্ত্র কেনা বেকার ও দরিদ্র জনসংখ্যায় জর্জরিত এই তথাকথিত উন্নয়নশীল দেশটার জন্য আত্মহত্যার শামিল। যেখানে এখনও জনগণের প্রত্যাশা পূরণের মতো দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন এবং অন্যান্য খাতে উন্নয়ন ও বিনিয়োগের জন্য জ্বালানী, বিদ্যুৎ ও সড়ক অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য হাজার হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন সেখানে ক্ষমতায় থাকার হাতিয়ার হিসেবে রাষ্ট্রীয় বন্দুকধারী শক্তির জন্য অস্ত্র কেনা দেশ ও জনগণের সঙ্গে প্রচণ্ড বেইমানি ও অত্যাচারের শামিল।
বাংলাদেশের জনগণ ও দেশের জন্য আরও ভয়ানক দুঃসংবাদ হলো শেখ হাসিনার সরকার ইতিমধ্যে ছোট আয়তনের এই বাংলাদেশে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য আরও ক্যান্টনমেন্ট এবং সামরিক স্থাপনা ও বাসস্থান নির্মাণের জন্য ৫০ হাজার একর জমি বা ভূখণ্ড বরাদ্দ দিয়েছে। এজন্য এখনই দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ জনগণকে উচ্ছেদের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়ে গেছে, এ নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় জনগণের বিরোধিতা ও সমালোচনাও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। এর মধ্য দিয়ে ক্ষমতার নেশায় অন্ধ শেখ হাসিনার সরকার সাধারণ জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীকে একে অপরের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে, সশস্ত্র বাহিনীর বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী তাদের পেশাগত দক্ষতা, নিরাপত্তা, গোপনীয়তা, মর্যাদা ও গাম্ভীর্যতা বজায় রাখার জন্য তাদেরকে সারা পৃথিবীতেই সাধারণ জনগণের সহজ সংস্পর্শতা থেকে মুক্ত বা পৃথক রাখার জন্য তাদের বিভিন্ন স্থাপনা ও বাসস্থান গোপন জায়গায় অর্থাৎ জনসমক্ষের বাইরে রাখা বা তৈরি করা হয়। এজন্য দুর্গম পাহাড়-পর্বত জঙ্গল অর্থাৎ পার্বত্য এলাকাকেই প্রাধান্য দেয়া হয়। রাষ্ট্রের এসব গুরুত্বপূর্ণ বাহিনীর সদস্যরা যাতে অনায়াসে সাধারণ জনগণের সংস্পর্শে এসে সাধারণ জনগণের মতো আয়াসী ও শৃঙ্খলাহীন জীবন যাপনে অভ্যস্ত, আকৃষ্ট বা আগ্রহী হয়ে না পড়ে সেজন্যই তাদের বসবাস ও স্থাপনার জন্য বিশ্বের সকল দেশে একই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এখন নতুন করে তাদেরকে ৫০ হাজার একর জায়গা দিতে হলে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের বসবাস বা চাষাবাদের জায়গা থেকেই বের করে দেয়া ছাড়া আর কোন বিকল্প নাই। অর্থাৎ বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর আর পেশাগত বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা ধরে রাখার সুযোগ মনে হয় পরিকল্পিতভাবেই ধ্বংস করে দেয়ার ব্যবস্থা শেখ হাসিনা সরকার হাতে নিয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর অবস্থান যদি সাধারণ মানুষের কাছাকাছি থাকে তবে এজন্য অনেক সময় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও জীবনও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। বিডিআর বিদ্রোহের সময় পিলখানার আশেপাশের এলাকায় ও রাস্তাঘাটে তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদুপরি সশস্ত্র বাহিনীর স্থাপনা ও বাসস্থান যদি সাধারণ মানুষের কাছাকাছি অথবা শহরের অভ্যন্তরে হয় তবে সেখানে সাধারণ মানুষের সহজ প্রবেশাধিকার ও চলাচলও নিয়ন্ত্রিত হয়ে যায়, ঢাকা ক্যান্টনমেন্টই তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। বিশাল জনসংখ্যা অধ্যুষিত মহাযানজটের ঢাকা শহরে এখন সশস্ত্র বাহিনী ও বিজিবি’র স্থাপনাসমূহ সত্যিই বিষফোঁড়ার মতো হয়ে উঠেছে। তেজগাঁয়ে বিমানবাহিনীর ঘাঁটি থাকায় এ্যালিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ের নকশাও পরিবর্তন করতে হচ্ছে। এসব দিক বিবেচনা করলে বাংলাদেশে সশস্ত্র বাহিনী যদি একটা বিশাল শক্তিতে পরিণত হয় তবে তারা যে শুধু ক্যান্টনমেন্টে বসে ও ঘুমিয়ে নীরবে দিনযাপন করবে এর কোন গ্যারান্টি নেই, তারা তখন নিজেদেরকেও রাষ্ট্রের অন্যতম নিয়ামক শক্তি হিসেবে ভাবতে শুরু করবে এবং রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ড তথা দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে অযাচিত হস্তক্ষেপও করতে দ্বিধা বোধ করবে না। যেমন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ১৯৪৭ সালের পর থেকেই যা করে আসছে, সেখানে সব রাজনৈতিক দলকেই ক্ষমতায় যেতে হলে বা থাকতে হলে সেনাবাহিনীর পরামর্শ বা ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে আমলে নিতে হয়- যা গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি ও ক্ষতিকর। ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য শেখ হাসিনাও মনে হয় বাংলাদেশকেও পাকিস্তানের মতো মিলিটারি রাষ্ট্রে পরিণত করার ভয়ঙ্কর পথে অগ্রসর হচ্ছে। বিরোধী জনমত ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জনগণ নয় বন্দুকের নলকেই এখন সে ক্ষমতা ধরে রাখার মোক্ষম হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশেও বন্দুকের নল যে কোন কোন সময় সাপের চেয়েও বিষাক্ত ও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে এ অভিজ্ঞতার কথা কি শেখ হাসিনার জানা নেই?
সশস্ত্রবাহিনীর তিন শাখা সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর বিভিন্ন অনুষ্ঠান ছাড়াও বন্দুকধারী রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র শক্তির অন্যান্য সংস্থা বা সংগঠন যেমন বিজিবি, পুলিশ, র্যাব, আনসার, কোস্টগার্ডসহ আরও অন্যান্য বাহিনীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রায় প্রতিনিয়তই তিনি নিয়মিতভাবে যোগদান করছেন। পেশাগতভাবে রাষ্ট্রের এসব অরাজনৈতিক ও শৃংখলিত বাহিনীর ঐসব অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক ও প্রাসঙ্গিক ভাষণ বা বক্তৃতা দেয়ার সময় শেখ হাসিনা বাংলাদেশের সরকার প্রধান বা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার অবস্থানগত দায়িত্বের কথা ভুলে গিয়ে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে আওয়ামী লীগের প্রধান হিসেবে প্রধান বিরোধীদল বিএনপি ও তথাকথিত জঙ্গিবাদের হুমকির কথা তুলে জামায়াত ও অন্যান্য ইসলামী দল বা সংগঠনের বিরুদ্ধে তার স্বভাবসূলভ বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী নির্বিধায় রাজনৈতিক বক্তব্য দেয়া শুরু করেন।
রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র শক্তি বা বন্দুকধারীদের প্রতি শেখ হাসিনার এমন আগ্রহ, আকর্ষণ বা মনোযোগ ১৯৯৬ -২০০১ বা ২০০৯ - ২০১৩ সময়ে তার শাসনামলে এত প্রকটভাবে দেখা যায়নি। বরং ২০০৯-২০১৩ সাল পর্যন্ত সশস্ত্রবাহিনীকে ইংগিত করে শেখ হাসিনা প্রায়ই বলতেন কোন উর্দী পড়া অসাংবিধানিক শক্তি যাতে আর কখনও বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল তথা তার ভাষায় গণতন্ত্রের ধারাকে ব্যহত করতে না পারে সেজন্য তার সরকার সংবিধানে বিশেষ বিধান সংযোজনসহ সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং করেছেও। এমনকি জেনারেল মইনের ১/১১ এর তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করে ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পরেও তত্ত্বাবধায়কের নামে সেনাসমর্থিত সেই সরকারের দীর্ঘ ২ বছর ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য সামরিক ডিক্টেটরদেরকেই পরোক্ষভাবে তিনি দায়ী করেছেন। কিন্তু বন্দুকধারী রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র শক্তি ও দলীয় সশস্ত্র মাস্তানদের শক্তিকে ব্যবহার করে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারীর বিতর্কিত নির্বাচন করতে সক্ষম হওয়ায় এবং পরবর্তিতে সরকার গঠন করার পর থেকেই শেখ হাসিনার বন্দুকধারী রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র বাহিনীগুলোর প্রতি এত গুরুত্ব ও আগ্রহ বেড়ে গেছে।
বিএনপিসহ বিরোধী দলের নির্বাচন বয়কট ও প্রতিহত করার হুমকির বিপরীতে শেখ হাসিনা ৫ই জানুয়ারী সেনাবাহিনীসহ রাষ্ট্রের সকল সশস্ত্র শক্তি ও দলীয় সশস্ত্র ক্যাডার শক্তি নিয়ে মাঠে সক্রিয় থেকেও ১০-১৫ শতাংশ ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে আনতে সক্ষম হয়নি। তারপরেও রাষ্ট্রের সকল সশস্ত্র শক্তি ও দলীয় সশস্ত্র ক্যাডার অর্থাৎ বন্দুকধারী বিশাল শক্তির জোরে ৫ই জানুয়ারী একতরফা ভোটারহীন নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠন করে এক বছর হল ক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছেন এবং ২০১৯ বা ২০২১ সাল পর্যন্ত পারবে বলে মনে করছেন।
এখানে উল্লেখ্য, ২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার দল ও জোটের নেতা নেত্রীরা বিভিন্ন সূচকে অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশের এগিয়ে থাকা ( সাধারন জনগণের কাছে যা দৃশ্যমান নয় বা প্রাত্যহিক জনজীবনে যার কোন প্রত্যক্ষ প্রভাব বা সুফল রয়েছে বলে মনে হয়না) এবং তার সরকারের আমলে বাংলাদেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে বলে এত প্রচার ও প্রচারনা সত্তেও ২০১৩ সালে গাজীপুরসহ দেশের প্রধান ৫টা জেলা শহরের সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী জোট সমর্থিত প্রার্থীদের বিরোধী বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থীদের কাছে বিপুল ভোটের ব্যবধানে শোচনীয় পরাজয় হয়েছিল। ঐ ফলাফল দেখে শেখ হাসিনা তখন প্রকাশ্যে উষ্মা, ক্ষোভ ও অভিমান প্রকাশ করে বিভিন্ন সমাবেশ ও অনুষ্ঠানে বলেছিলেন তার সরকারের এত উন্নয়ন ও ভাল কাজগুলো জনগণ চোখে দেখেনি, বিরোধী দলের ‘অপপ্রচারে’ জনগণ বিভ্রান্ত হয়েছে। আর ঠিক তখন থেকেই শেখ হাসিনার মাথায় একটা অগণতান্ত্রিক মনোভাব বা চিন্তা বাসা বেঁধেছে, যা হল ক্ষমতা ধরে রাখতে বা আবারও ক্ষমতায় যেতে হলে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করার লক্ষ্যে ক্ষমতায় বহাল থেকে তার দলীয় সরকারের অধীনেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন করতে হবে।
বিরোধী জোট সকল দলের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য দল নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন না হওয়ায় ৫ই জানুয়ারীর ঐ নির্বাচন বর্জন ও বয়কট করলেও পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন জেলার উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয় এবং এসব নির্বাচনেও সরকারী দলের সমর্থকদের তুলনায় তারা ভাল ফলাফল করে। ৫ই জানুয়ারির দশম সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনীসহ রাষ্ট্রের সকল সশস্ত্র শক্তি ও দলীয় সশস্ত্র ক্যাডার অর্থাৎ বন্দুকধারী বিশাল শক্তি ব্যবহার করেও ভোটের দিন ভোট কেন্দ্রে ন্যূনতম প্রত্যাশিত সংখ্যক ভোটার উপস্থিত করতে না পারা এবং ঐ নির্বাচনের পর বিভিন্ন উপজেলা নির্বাচনের ফলাফল দেখে আওয়ামী জোট সরকার বিশেষ করে সরকার প্রধান শেখ হাসিনার চিন্তা চেতনায় আরও যে একটা ভয়ানক, অগণতান্ত্রিক ও স্বৈরাচারী মনোভাব শক্তভাবে গেড়ে বসেছে তা হল ক্ষমতায় থাকতে বা ক্ষমতা ধরে রাখতে হলে শুধু জনগণ বা জনগণের ম্যান্ডেটের উপর নির্ভরশীল থাকার প্রয়োজন নাই বা থাকলেই চলবে না।
উল্লেখ্য, ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিরোধী জোটের একতরফা নির্বাচন প্রতিহত করার আন্দোলনের মূখে শেখ হাসিনাসহ তার দলের শীর্ষ অনেক নেতাই বলেছিল সংবিধান রক্ষা তথা সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য ৫ই জানুয়ারী নির্বাচন করার পর পরই বিরোধী জোটের সাথে সবার অংশগ্রহণের ভিত্তিতে ১১তম সংসদ নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করা হবে। কিন্তু এখন যদি ঐ কথা রাখতে বা কার্যকর করতে হয় তবে হয়ত সে নিজে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় থেকে তার দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে পারবে না এবং আবারও নির্বাচনে গেলে জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থন না পেলে ক্ষমতায় আসা বা ফেরা যাবে না, যে ভয় শেখ হাসিনা ২০১৩ সালের সিটি করপোরেশন এবং ৫ই জানুয়ারী পরবর্তী উপজেলা নির্বাচনের ফলাফল থেকে পেয়েছিলেন, তাই তিনি আবারও জনগণের কাছে গিয়ে ম্যান্ডেট নেয়ার ঝুঁকি নিতে চাচ্ছেননা। যে কারণে এখন ৫ই জানুয়ারী পূর্ববর্তী অঙ্গিকার বা ওয়াদা অনুযায়ী বিরোধী জোটের জোরালো দাবি ও জাতিসংঘসহ প্রভাবশালী কয়েকটা বিদেশী রাষ্ট্রের চাপ সত্তেও সবার অংশগ্রহণের ভিত্তিতে আর একটা মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিকে যেতে তিনি মোটেও চাইছেন না বা সাহস পাচ্ছেন না।
বাংলাদেশ ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে সরকার ও আওয়ামী মহল থেকে এত জোরালো দাবি করা সত্ত্বেও (হয়তো কোন কোন ক্ষেত্রে তা সত্যও হতে পারে) নিরবচ্ছিন্ন উন্নয়নের স্বার্থে দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিয়ে ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন নামক কলঙ্কটা মুছে দিয়ে জনগণের প্রকৃত ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় ফিরে আসতে পারবে বলে শেখ হাসিনার সরকার মোটেও আশাবাদী নয়। অর্থাৎ ক্ষমতায় থাকা বা আসার জন্য জনমত বা জনগণের উপর সে কিছুতেই নির্ভরশীল হতে পারছে না বা চাচ্ছে না। তাই ২০১৯/২০২১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে হলে রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র শক্তি ও দলীয় সশস্ত্র মাস্তান বাহিনীর (ছাত্রলীগ/যুবলীগ/স্বেচ্ছাসেবক লীগ) উপর নির্ভরশীল হওয়া বা থাকাকেই শেখ হাসিনা এখন সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। কারণ এই বন্দুকধারী রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র শক্তি ও দলীয় সশস্ত্র মাস্তান বাহিনীর সহায়তাতেই সে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির কথিত নির্বাচন করে গায়ের জোরে সরকার গঠন করতে পেরেছে এবং নির্বাচন পরবর্তী বিগত এক বছর বিরোধী জোট বা দলের আন্দোলনকেও এই শক্তির দ্বারা দমন করে ক্ষমতা ধরে রাখতে পারছে। যে কারণে জনগণ নয়, বন্দুকের গুলিই এখন শেখ হাসিনা সরকারের কাছে ক্ষমতা ধরে রাখার প্রধান উৎস বা হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।
তাই এটা অতি স্বাভাবিক বা প্রচলিত নিয়ম যে, যাদের সহায়তা, সহযোগিতা অর্থাৎ যাদের শক্তির উপর নির্ভর করে নিজের স্বার্থ সিদ্ধি বা রক্ষা করা হয় বিনিময়ে তাদের স্বার্থ রক্ষা বা তাদের উদ্দেশ্যের প্রতিও অনুগত হতে বা থাকতে হয় (দেয়া-নেয়ার স্বাভাবিক নিয়ম)। কিন্তু স্বার্থ রক্ষার এই স্বাভাবিক ও ভাগাভাগির প্রক্রিয়া যদি জনগণের প্রকৃত ম্যান্ডেট বা রায় ছাড়া অবৈধভাবে বা জোর করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলকারী শক্তি এবং রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র বা বন্দুকধারী শক্তির মধ্যে হয় তবে সেখানে দেশ ও জনগণের স্বার্থ, অধিকার, জানমাল ও সম্পদের উপর মারাত্মক ক্ষতি ও ভয়ানক পরিণতির আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়।
শেখ হাসিনা তাই এখন ঘন ঘন সশস্ত্রবাহিনীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গিয়ে তাদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি ও তাদেরকে আরো শক্তিশালী করা এবং তাদের জন্য হাজার কোটি টাকার অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র কেনার ঘোষণা দিয়ে যাচ্ছে। ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনকে সমর্থন বা গ্রহণ করে নেয়ার বিনিময়ে ঘুষ/উৎকোচ অর্থাৎ তাদেরকে খুশি করা বা সমর্থন অব্যাহত রাখার জন্য ইতিমধ্যে রাশিয়া ও রুশপন্থি কয়েকটা পূর্ব ইউরোপীয় দেশ এবং চীন থেকে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্য হাজার হাজার কোটি টাকার অস্ত্র কেনার চুক্তি করেছে। এখানে উল্লেখ্য, স্বাধীনতার পর আওয়ামী শাসক ও মহল থেকে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষার ব্যাপারে একটা নীতি বা মতামত জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল যে ভারত যেহেতু বাংলাদেশের বন্ধু (?) বা স্বাধীনতা যুদ্ধে সহায়তাকারী মিত্র প্রতিবেশী সুতরাং ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কখনও যুদ্ধ হবে না। তাই বাংলাদেশের মতো সদ্য স্বাধীন ও গরিব দেশের জন্য একটা বিশাল সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা বা এর পেছনে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ ব্যয় করার কোন প্রয়োজন নাই। শোনা যায় বা কথিত আছে, এ বিষয়টা নিয়ে টানাপড়েন বা মনকষাকষির কারণে মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানীকে স্বাধীনতা পরবর্তী সরকারে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী না বানিয়ে তাকে সশস্ত্র বাহিনী থেকে পৃথক রাখার জন্য পানিসম্পদ মন্ত্রী বানিয়ে রাখা হয়েছিল। তাছাড়া, ঐ সময় এটাও পরিলক্ষিত হয়েছিল সশস্ত্র বাহিনীর জন্য অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি না করে স্বৈরাচারী কায়দায় দীর্ঘদিন ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার উদ্দেশ্যে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র, যানবাহন ও চকচকে জমকালো উর্দি (পোশাক) দিয়ে সাজিয়ে বিশাল রক্ষীবাহিনী গড়ে তোলা হয়েছিল। এর মাধ্যমে তখন এটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল যে আওয়ামী শাসক ও তাদের মদতদাতা কথিত বুদ্ধিজীবী মহল সশস্ত্র বাহিনীকে দুর্বল, সীমিত ও নামকা ওয়াস্তে একটা বাহিনী হিসেবে রেখে দেয়ার পক্ষেই ছিল। এব্যাপারে তখন ভারত সরকারের পরামর্শ বা চাপ থাকার কথাও আলোচিত ছিল। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্বাধীনতার ৪৩ বছর পর ক্ষমতা ধরে রাখার হাতিয়ার হিসেবে সশস্ত্র বাহিনীকে খুশি রাখতে, আশ্বস্ত করতে তথা তার প্রতি অনুগত রাখতে ইদানীং সশস্ত্র বাহিনীর সকল অনুষ্ঠানে বক্তব্য বা ভাষণ দেয়ার সময় ডাহা মিথ্যা কথা বলে বেড়াচ্ছে যে জাতির পিতা (তার পিতা) বাংলাদেশে একটা শক্তিশালী ও অত্যাধুনিক সশস্ত্র বাহিনীর স্বপ্ন দেখেছিলেন বা গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল ও প্রধান শক্তিই ছিল বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী, কিন্তু স্বাধীনতা যুদ্ধের পর সংগতকারণে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য সদ্য স্বাধীন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের তেমন কিছুই করার সামর্থ্য ছিল না।
কিন্তু জীর্ণ-শীর্ণ পোশাক আর লক্কর মার্কা মান্ধাতা আমলের কিছু অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে কোনরকমে জোড়াতালি দিয়ে দাঁড় করানো স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর সশস্ত্র বাহিনীর জন্য বন্ধু/মিত্র দেশ ভারতের কাছ থেকে কি কিছু অস্ত্রশস্ত্র (যুদ্ধ করার জন্য নয়, প্রশিক্ষণের জন্য) চাওয়া যেত না বা ভারতও কি তাদের তরফ থেকে বন্ধুত্বের নিদর্শনস্বরূপ উপহার হিসেবেও দিতে পারতো না? অথচ ভারতীয় সেনাবাহিনী মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্টে পাকিস্তানি সৈন্যদের ফেলে যাওয়া হাজার হাজার কোটি টাকার অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রায় এক মাস যাবৎ তাদের শত শত ট্রাকভর্তি করে ভারতে নিয়ে গেছে। শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের সুবাদে তখন মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ১৯৬৭ সালে ইসরাইল যুদ্ধে ব্যবহৃত ১৩টা পুরাতন ট্যাংক বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে উপহার দিয়েছিল। এছাড়া, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান মিত্র দেশ তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে উপহার হিসেবে এক স্কোয়াড্রন মিগ-২১ জঙ্গি বিমান দিয়েছিল (যে বিমান দিয়ে ১৯৭৩ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিবাসীদের বাঙালি হয়ে যাওয়ার ঘোষণার প্রতিবাদে আন্দোলনরত শান্তিবাহিনী/বিদ্রোহীদের উপর বোমাবর্ষণ করা হয়েছিল)।
বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে সত্যিকার অর্থে শক্তিশালী করে তোলার কোন ইচ্ছা বা আন্তরিকতা আওয়ামী লীগের আগেও ছিল না, এখনও নাই। আসল বা অন্তর্নিহিত সত্য হলো বিগত ৫ই জানুয়ারি যে ধরনেরই হউক একটা নির্বাচন করতে পারা এবং নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে ক্ষমতায় থাকার জন্য শেখ হাসিনা ও তার সরকার জনগণ নয় বন্দুকধারী রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র শক্তি ও দলীয় সশস্ত্র মাস্তানদেরকেই একমাত্র ভরসা ও শক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে পেরেছিল, তাই এখন তার রাষ্ট্রীয় কর্মকা- বা অধিকাংশ অনুষ্ঠানের মধ্যে সশস্ত্র/ বন্দুকধারী বাহিনীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানের প্রাধান্যই বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। এছাড়াও শেখ হাসিনার নিজ জেলা গোপালগঞ্জের হাজার হাজার তরুণ ও ছাত্রলীগ কর্মীকে পুলিশে নিয়োগ দেয়া হয়েছে, বিরোধী দলের ওপর পুলিশি নির্যাতনের মাধ্যমে তাদের সর্বাত্মক ব্যবহার এখন চলছে। ঘোষণা দেয়া হয়েছে সহসাই এমন (দলীয় আনুগত্য অনুযায়ী) আরো ৫০ হাজার নতুন পুলিশ সদস্য নিয়োগ করা হবে। অর্থাৎ দেশকে মনে হয় পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করার ষোলকলাই শেখ হাসিনার সরকার পূর্ণ করে ছাড়বে। তবে সবচেয়ে আশংকার বিষয় হচ্ছে এসব রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র শক্তি ও দলীয় সশস্ত্র মাস্তানরা যখন মনে করবে বা বুঝতে শুরু করবে যে সরকার তাদের উপর নির্ভর করেই ক্ষমতায় আছে বা থাকতে চাচ্ছে তখন তারা একদিকে যেমন সরকারি নির্দেশ-আদেশের তোয়াক্কা না করে নিজেদের স্বার্থে চেইন অব কমান্ড ভঙ্গ করে যা ইচ্ছা তাই করতে উৎসাহিত হবে (যেমন পুলিশ ও র্যাবের বিভিন্ন সদস্য ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার বাণিজ্য, গুম, খুন ও কন্ট্রাক্ট কিলিংয়ের মতো জঘন্য অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে, দলীয় সশস্ত্র মাস্তানরা সারা দেশে বেপরোয়া সন্ত্রাস চালাচ্ছে) অপরদিকে তারা স্বভাবতই সরকারের কাছ থেকে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করবে। ইতিমধ্যেই এসব বাহিনীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যখন সরকার প্রধান শেখ হাসিনা অংশগ্রহণ করছেন তার কাছে খোলাখুলি আলোচনার সময় ঐসব বাহিনীর সদস্যরা তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া পেশ করতে ও পূরণ করার দাবি জানাতে শুরু করেছে।
সুতরাং তাদের সমর্থনে ক্ষমতায় থাকতে হলে তাদেরকে অপরাধ থেকেও দায়মুক্তি দিতে হবে আবার তাদের দাবি-দাওয়া কিছু না কিছু বা সবটুকু কোন না কোন সময় মানতেই হবে। তা না হলেই বিপদ। এখানে উল্লেখ্য, জেনারেল জিয়াউর রহমান যখন ১৯৮১ সালের মার্চে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে গিয়েছিল তখন সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে তার কাছে ১১-দফা দাবিনামা পেশ করা হয়েছিল, কথিত আছে জেনারেল জিয়া তাৎক্ষণিকভাবে ওইসব দাবি-দাওয়া না মেনে ক্যান্টনমেন্ট থেকে ফিরে আসার পর ওইদিন রাতেই চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে অবস্থানরত সেনাবাহিনীর সদস্যদের হাতে নৃশংসভাবে নিহত হয়েছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এখন সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ে একই ধরনের খেলা শুরু করেছেন। সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল মইনের দেয়া লিস্ট অনুযায়ী সেনাবাহিনী থেকে কথিত বিএনপি-জামায়াতপন্থি বা সমর্থক প্রায় ৪৪ জন সিনিয়র সেনা কর্মকর্তাকে জোরপূর্বক চাকরি থেকে সরিয়ে বর্তমান সেনাপ্রধানসহ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে এখন আওয়ামী রাজনৈতিক ভাবাদর্শে বিশ্বাসী সৈনিকদের বহাল করা হয়েছে বলে শোনা যায়। অর্থাৎ ক্ষমতায় থাকার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকেও এখন দলীয়করণ করা হচ্ছে। এছাড়া তাদেরকে সন্তুষ্ট রাখতে বেতন-ভাতা বৃদ্ধিসহ তাদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া পূরণ ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করার ওয়াদা বা ঘোষণা দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের জন্য অত্যাধুনিক অস্ত্রসস্ত্র সংগ্রহের ঘোষণাও দেয়া হচ্ছে। কেন বা কার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য সেনাবাহিনীকে আধুনিকায়ন বা তাদের জন্য অত্যাধুনিক (সাবমেরিনসহ) অস্ত্রশস্ত্র কেনা হচ্ছে? বাংলাদেশ কি ভারতের বিরুদ্ধে কখনও যুদ্ধ করবে বা ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ক্ষমতা কি আদৌ কোনদিন বাংলাদেশের হবে? এমনকি রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর কারণে এত সমস্যা ভোগ করার পর বা সীমান্তে নাসাকা বাহিনী কর্তৃক বিজিবি সদস্যদের বিনা উস্কানি বা অজুহাতে হত্যা করার পরেও মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বা সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সামরিক ব্যবস্থা নেয়ার কোন সাহস কখনও দেখা যায়নি। তাহলে সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক ও অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত করে শক্তিশালী করার মুখরোচক ও আকর্ষণীয় বক্তব্য বা ঘোষণা উচ্চারণের উদ্দেশ্যটা তাহলে কি? বাংলাদেশের জনগণ শেখ হাসিনার এই তৎপরতার আসল উদ্দেশ্য অবশ্যই বুঝতে সক্ষম। এখানে উল্লেখ করা যায়, স্বাধীনতার ৪৩ বছর পার হয়ে গেলেও বাংলাদেশের একটা প্রতিরক্ষা নীতি আজ পর্যন্ত প্রণীত হয়নি। প্রায় চতুর্দিকে ভারত কর্তৃক বেষ্টিত ভৌগোলিক অবস্থানের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর আয়তন, শক্তি বা ক্ষমতা কেমন হওয়া উচিত, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ( সমুদ্র সীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ) রক্ষায় ভারতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সমমানের সামরিক শক্তি গড়ে তোলার প্রয়োজন বা সক্ষমতা বাংলাদেশের আছে কিনা বা উচিত হবে কিনা, নাকি বাস্তবতার আলোকে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার গ্যারান্টি প্রদানের বিনিময়ে অন্য কোন পরাশক্তির সঙ্গে সামরিক চুক্তি (ইসরাইল ও তাইওয়ানের মতো) করা বা বাংলাদেশের নৌসীমানায় সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি দেয়া এসব কোন কিছু চিন্তা-ভাবনা বা বিবেচনা না করেই উদ্দেশ্যহীন ও অপরিণামদর্শীতার মতো সশস্ত্র বাহিনীর জন্য হাজার হাজার কোটি টাকার অস্ত্র কেনার উদ্দেশ্য ওই একটাই- বন্দুকের নলের জোরে ক্ষমতা ধরে রাখা। মাঝে মাঝে যুক্তি দেয়া হয় এসব অস্ত্র জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীতে ভাড়া দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রাও আয় করা যায়। অথচ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর জন্য কোথাও উন্নত জঙ্গি বিমান, বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র বা সাব-মেরিনের কোন প্রয়োজন পড়ে না। কারণ যেসব দেশে বিদ্রোহী বা জঙ্গি শান্তি ভঙ্গ করছে তারা জলে, স্থলে ও অন্তরীক্ষে ( আকাশে) সর্বাত্মক যুদ্ধ করে না।
স্থলভাগে হাল্কা ও মাঝাড়ি অস্ত্র নিয়ে জঙ্গি, উগ্র বা গেরিলা তৎপরতা চালায়, তাদের জন্য স্থলভাগে চলাচলকারী সামরিক সাঁজোয়া যান বা ট্যাঙ্কই যথেষ্ট। এসব খোঁড়া অজুহাত দেখিয়ে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে সশস্ত্র বাহিনীকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য অস্ত্র কেনা বেকার ও দরিদ্র জনসংখ্যায় জর্জরিত এই তথাকথিত উন্নয়নশীল দেশটার জন্য আত্মহত্যার শামিল। যেখানে এখনও জনগণের প্রত্যাশা পূরণের মতো দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন এবং অন্যান্য খাতে উন্নয়ন ও বিনিয়োগের জন্য জ্বালানী, বিদ্যুৎ ও সড়ক অবকাঠামো গড়ে তোলার জন্য হাজার হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন সেখানে ক্ষমতায় থাকার হাতিয়ার হিসেবে রাষ্ট্রীয় বন্দুকধারী শক্তির জন্য অস্ত্র কেনা দেশ ও জনগণের সঙ্গে প্রচণ্ড বেইমানি ও অত্যাচারের শামিল।
বাংলাদেশের জনগণ ও দেশের জন্য আরও ভয়ানক দুঃসংবাদ হলো শেখ হাসিনার সরকার ইতিমধ্যে ছোট আয়তনের এই বাংলাদেশে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য আরও ক্যান্টনমেন্ট এবং সামরিক স্থাপনা ও বাসস্থান নির্মাণের জন্য ৫০ হাজার একর জমি বা ভূখণ্ড বরাদ্দ দিয়েছে। এজন্য এখনই দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ জনগণকে উচ্ছেদের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনীর জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়ে গেছে, এ নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় জনগণের বিরোধিতা ও সমালোচনাও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। এর মধ্য দিয়ে ক্ষমতার নেশায় অন্ধ শেখ হাসিনার সরকার সাধারণ জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনীকে একে অপরের প্রতিপক্ষ হিসেবে দাঁড় করানোর উদ্যোগ নিয়েছে। এখানে উল্লেখ্য যে, সশস্ত্র বাহিনীর বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী তাদের পেশাগত দক্ষতা, নিরাপত্তা, গোপনীয়তা, মর্যাদা ও গাম্ভীর্যতা বজায় রাখার জন্য তাদেরকে সারা পৃথিবীতেই সাধারণ জনগণের সহজ সংস্পর্শতা থেকে মুক্ত বা পৃথক রাখার জন্য তাদের বিভিন্ন স্থাপনা ও বাসস্থান গোপন জায়গায় অর্থাৎ জনসমক্ষের বাইরে রাখা বা তৈরি করা হয়। এজন্য দুর্গম পাহাড়-পর্বত জঙ্গল অর্থাৎ পার্বত্য এলাকাকেই প্রাধান্য দেয়া হয়। রাষ্ট্রের এসব গুরুত্বপূর্ণ বাহিনীর সদস্যরা যাতে অনায়াসে সাধারণ জনগণের সংস্পর্শে এসে সাধারণ জনগণের মতো আয়াসী ও শৃঙ্খলাহীন জীবন যাপনে অভ্যস্ত, আকৃষ্ট বা আগ্রহী হয়ে না পড়ে সেজন্যই তাদের বসবাস ও স্থাপনার জন্য বিশ্বের সকল দেশে একই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এখন নতুন করে তাদেরকে ৫০ হাজার একর জায়গা দিতে হলে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের বসবাস বা চাষাবাদের জায়গা থেকেই বের করে দেয়া ছাড়া আর কোন বিকল্প নাই। অর্থাৎ বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর আর পেশাগত বৈশিষ্ট্য ও মর্যাদা ধরে রাখার সুযোগ মনে হয় পরিকল্পিতভাবেই ধ্বংস করে দেয়ার ব্যবস্থা শেখ হাসিনা সরকার হাতে নিয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর অবস্থান যদি সাধারণ মানুষের কাছাকাছি থাকে তবে এজন্য অনেক সময় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও জীবনও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে। বিডিআর বিদ্রোহের সময় পিলখানার আশেপাশের এলাকায় ও রাস্তাঘাটে তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদুপরি সশস্ত্র বাহিনীর স্থাপনা ও বাসস্থান যদি সাধারণ মানুষের কাছাকাছি অথবা শহরের অভ্যন্তরে হয় তবে সেখানে সাধারণ মানুষের সহজ প্রবেশাধিকার ও চলাচলও নিয়ন্ত্রিত হয়ে যায়, ঢাকা ক্যান্টনমেন্টই তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। বিশাল জনসংখ্যা অধ্যুষিত মহাযানজটের ঢাকা শহরে এখন সশস্ত্র বাহিনী ও বিজিবি’র স্থাপনাসমূহ সত্যিই বিষফোঁড়ার মতো হয়ে উঠেছে। তেজগাঁয়ে বিমানবাহিনীর ঘাঁটি থাকায় এ্যালিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ের নকশাও পরিবর্তন করতে হচ্ছে। এসব দিক বিবেচনা করলে বাংলাদেশে সশস্ত্র বাহিনী যদি একটা বিশাল শক্তিতে পরিণত হয় তবে তারা যে শুধু ক্যান্টনমেন্টে বসে ও ঘুমিয়ে নীরবে দিনযাপন করবে এর কোন গ্যারান্টি নেই, তারা তখন নিজেদেরকেও রাষ্ট্রের অন্যতম নিয়ামক শক্তি হিসেবে ভাবতে শুরু করবে এবং রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ড তথা দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে অযাচিত হস্তক্ষেপও করতে দ্বিধা বোধ করবে না। যেমন পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ১৯৪৭ সালের পর থেকেই যা করে আসছে, সেখানে সব রাজনৈতিক দলকেই ক্ষমতায় যেতে হলে বা থাকতে হলে সেনাবাহিনীর পরামর্শ বা ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে আমলে নিতে হয়- যা গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক হুমকি ও ক্ষতিকর। ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য শেখ হাসিনাও মনে হয় বাংলাদেশকেও পাকিস্তানের মতো মিলিটারি রাষ্ট্রে পরিণত করার ভয়ঙ্কর পথে অগ্রসর হচ্ছে। বিরোধী জনমত ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে জনগণ নয় বন্দুকের নলকেই এখন সে ক্ষমতা ধরে রাখার মোক্ষম হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশেও বন্দুকের নল যে কোন কোন সময় সাপের চেয়েও বিষাক্ত ও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে এ অভিজ্ঞতার কথা কি শেখ হাসিনার জানা নেই?

লেখক :জাহিদ হাসান রিয়াদ, সৌদি প্রবাসী
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1427)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
January
(1455)
-
▼
Jan 06
(57)
- ‘সরকারি অবরোধে’ ভোগান্তি, আজ থেকে বিরোধী জোটের লা...
- ‘গুরুতর’ অসুস্থ খালেদা, খালেদাকে রক্ষা করা হাসিনার...
- সারা দেশে নয়টি গাড়িতে আগুন
- বাংলাদেশে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে বৃটিশ পার্লাম...
- শ্যালা নদীতে আবারও নৌ চলাচলের অনুমতি
- হ্যাপীর রিট খারিজ
- ‘গ্রেপ্তারের মহোৎসবে মেতে উঠেছে সরকার’
- বের হওয়ার পরই ফখরুল গ্রেপ্তার- ফখরুলের মুক্তি দাব...
- সঙ্কট সমাধানে আলোচনার আহবান এরশাদের
- মির্জা ফখরুল গ্রেফতার, খালেদার নিন্দা
- রাজশাহীতে শিবির-পুলিশ সংঘর্ষ
- রাজধানীতে তিন গাড়িতে আগুন
- নিরাপত্তার জন্যই প্রেসক্লাবে থাকতে হয়েছে: ফখরুল, প...
- প্রেসক্লাব ‘বহিরাগত’মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান
- মত প্রকাশের স্বাধীনতা এখন রুদ্ধ: খালেদা, ইটিভি চেয়...
- অবরোধে আটকে গেছে সবজি
- বিচ্ছিন্ন সহিংসতায় বিরোধী জোটের অবরোধ, তাঁতীবাজারে...
- প্রেস ক্লাবে মির্জা ফখরুল অবরুদ্ধ, পুলিশে দেয়ার আহ...
- একুশে টেলিভিশনের চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার
- রাজধানী থেকে দূরপাল্লার বাস ছাড়ছে না
- পুলিশ কইল, ‘চল’...
- কর্তৃত্ববাদী শাসন মানুষ মেনে নেবে না by মোহাম্মদ ব...
- সফরকারী বিজেপি নেতার বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন by ড. মাহ...
- দেশের স্বার্থকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে রাখতে হবে by সৈয়দ ...
- বর্তমানকে দখল করতে গিয়ে সরকার ভবিষ্যৎকে ভয়ংকর করে ...
- চট্টগ্রামে পুলিশের গুলি, ২০ দলের সভা পণ্ড- আসলাম চ...
- সরকারের আচরণে ফ্যাসিবাদের লক্ষণ by হায়দার আকবর খান...
- প্রেসক্লাবে দিনভর উত্তেজনা- মির্জা ফখরুল ক্লাবের ভ...
- বছর শেষে সরকারের অবস্থান কেমন
- ফেনীতে ককটেল বিস্ফোরণ স্কুলছাত্র আহত
- চট্টগ্রামে কাল সকাল-সন্ধ্যা হরতাল
- বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে গণতান্ত্রিক দেশগুল...
- অটোরিকশায় ৭ ঘাট ঘুরে লক্ষ্মীপুর থেকে ঢাকায়
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পুরো ভাষণ
- চট্টগ্রামে সোনা ছিনতাই- এক কোটি টাকা নিতে চেয়েছিল ...
- দরকার হলে তৃতীয়, চতুর্থবারও জাতিসংঘে যাবো: আব্বাস
- গায়ের জোরে কেউ ক্ষমতায় থাকতে পারবে না: ড. কামাল
- চট্টগ্রামে পুলিশের গুলিতে ২০ দলের সমাবেশ পণ্ড রণক্...
- ড. ইউনূসের প্রশংসায় মোদি
- পথে পথে দুর্ভোগ
- এক মনীষী বিচারপতির বিদায়
- একুশে টেলিভিশন সম্প্রচারে বাধা
- ‘হাসিনার পতন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন’ -তারেক রহমান...
- জাতীয় প্রেস ক্লাবে আটকে আছেন ফখরুল, বের হলেই গ্রেফতার
- রাজধানীজুড়ে উৎকণ্ঠা, নেই গণপরিবহন
- হরতাল অবরোধ করেই সরকারের পতন হয় -বিবিসি’র মূল্যায়ন
- ব্ল্যাকবক্সের সন্ধানে অভিযান চলছে, আরও লাশ উদ্ধার
- টালমাটাল বাংলাদেশ
- ফের অবরুদ্ধ, গোটা দেশে সংঘাত-সংঘর্ষ
- সময় নষ্ট করল ফিলিস্তিন -আল–জাজিরার বিশ্লেষণ
- নাশকতার পথ ছেড়ে শান্তির পথে আসুন -প্রধানমন্ত্রী
- ভয়ঙ্কর ভবিষ্যতের আলামত by জাহিদ হাসান
- সোফায় বসে বিনিদ্র রাত খালেদার
- নিষেধাজ্ঞা ভেঙে রাজপথে আওয়ামী লীগ
- প্রথম আলোর ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন মঞ্জুর
- ‘গেটে তালা লাগিয়ে গুলি চালিয়ে আন্দোলন দমন করা যাবে...
- প্রেস ক্লাবে হামলা, সংঘর্ষ
-
▼
Jan 06
(57)
-
▼
January
(1455)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment