Tuesday, June 4, 2013
আওয়ামী বুদ্ধিজীবীর মহাবিপর্যয়ভীতি ও মিথ্যাচার by ফিরোজ মাহবুব কামাল
আওয়ামী বুদ্ধিজীবীর মহাবিপর্যয়ভীতি ও মিথ্যাচার by ফিরোজ মাহবুব কামাল
রাজনৈতিকভাবে নির্মূল হওয়ার ভীতি আওয়ামী
লীগ ও তার মিত্রদের মনে যে কতটা প্রকট, সেটিরই উত্কট প্রকাশ ঘটেছে গত
১৮/০৫/১৩ তারিখে ঢাকা থেকে প্রকাশিত ‘সাপ্তাহিকে’ দেয়া ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আবুল বারকাতের একটি সাক্ষাত্কারে।
প্রশ্ন, কে এই আবুল বারকাত? ইসলামের বিরুদ্ধে তার দুশমনি ও প্রতিহিংসার
দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ইসলামের শত্রুপক্ষের তিনি একজন প্রথম সারির সৈনিক। তার
লড়াই বুদ্ধিবৃত্তির ময়দানে। তার কাছে শাহবাগের নাস্তিক ব্লগার ও আয়োজকরা
হলো তার নিজের ভাষার আলোকিত সৈনিক। ফলে তারা যে তার খুব কাছের লোক, সেটি
তিনি গোপন রাখেননি। তার মেয়েও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। ইসলামের
বিরুদ্ধে তার মতো তার মেয়ের আক্রোশও অধিক। সম্প্রতি তার মেয়ে সে আক্রোশের
প্রকাশ ঘটিয়েছিলেন সপ্তাহের আর সব দিন বাদ দিয়ে জুমার নামাজের সময় ছাত্রদের
পরীক্ষার আয়োজন করে। অবশেষে ছাত্রদের প্রতিবাদের মুখে তার সে ষড়যন্ত্র
বানচাল হয়। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের বাংলাদেশকে তারা যে কোন দিকে নিতে
চান—সেটি কি এর পরও গোপন থাকে?
আবুল বারকাত লেখাপড়া করেছেন সোভিয়েত রাশিয়ায়। ভারতীয় লবির অতি কাছের লোক তিনি। ঢাকায় অবস্থানরত পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী মহলের সঙ্গেও তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। ইসলামের বিরুদ্ধে আজ বিশ্বব্যাপী যে কোয়ালিশন, তার প্রায় সবার সঙ্গেই তার গভীর সম্পর্ক। চাকরি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হলেও তার আসল কাজটি অন্যত্র। গবেষণা ও ইভলিউশনের নামে তার একটি এনজিও আছে। সে এনজিও’র সূত্র ধরে তিনি প্রচুর অর্থ পান পশ্চিমা দাতা সংস্থাগুলো থেকে। সেই সঙ্গে আওয়ামী শাসনামলের অতিসুবিধাভোগী ব্যক্তিও। জনতা ব্যাংকের তিনি একজন কর্ণধার। আবুল বারকাতের মূল কাজটি হলো, বাংলাদেশে ইসলামপন্থীদের নির্মূলে অন্যদের উসকানি দেয়া। তার গবেষণা ও লেখালেখির বিষয় মূলত দুটি—এক. কী করে বাংলাদেশের মাটিতে হিন্দু ও হিন্দুস্থানের স্বার্থকে বৃদ্ধি করা যায়; দুই. কী করে বাংলাদেশের ইসলামপন্থীদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মেরুদণ্ডকে ভেঙে দেয়া যায়। মুজিব আমলে বাংলাদেশের হাজার হাজার কোটি টাকা ভারত লুটে নিয়ে গেল, তা নিয়ে কিন্তু তিনি কোনো সময়ই মুখ খোলেননি। সে লুটের মধ্যে ছিল পাকিস্তান আর্মির অব্যবহৃত হাজার হাজার কোটি টাকার যুদ্ধাস্ত্র। ভারত বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তান আর্মির কোনো ট্যাংক, কোনো দূরপাল্লার কামান ও গোলাবারুদ রেখে যায়নি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে ঢাকার রাস্তায় যে কয়েকটি ট্যাংক নামানো হয়েছিল, সেগুলো এসেছিল মিসর থেকে। এসেছিল তত্কালীন মিসরীয় প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাতের খয়রাত হিসেবে। অথচ পাকিস্তান আর্মির ফেলে যাওয়া যুদ্ধাস্ত্র তখন বাংলাদেশের মাটিতে থাকলে এরূপ খয়রাতের কি প্রয়োজন হতো?
আবুল বারকাতের ইসলামভীতি ও ইসলামবিরোধিতা
এ আবুল বারকাত কিছুকাল আগে এক বইয়ে দেখিয়েছিলেন, ইসলামী ব্যাংক কীভাবে বাংলাদেশে ইসলামপন্থীদের অর্থনীতির বিশাল ভিত গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশের সর্ববৃহত্ বেসরকারি এ ব্যাংকটিকে তিনি দেখিয়েছেন বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য বিপজ্জনক প্রতিষ্ঠানরূপে। উসকানি দিয়েছেন, এ ব্যাংককে ইসলামপন্থীদের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সরকারি নিয়ন্ত্রণে নেয়ার। লক্ষ্য, এ ব্যাংকটিও পরিণত হোক সোনালী ও জনতা ব্যাংকের মতো আওয়ামী বাকশালিদের লুটপাটের অবাধ ও উর্বর ক্ষেত্ররূপে। ইসলামী ব্যাংকের অর্থে বাংলাদেশে যে কয়েক হাজার শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, গড়ে উঠেছে বহু হাসপাতাল, বহু পশুপালন ও মত্স্যপালন প্রতিষ্ঠান এবং রাস্তায় নেমেছে যেরূপ হাজার হাজার যানবাহন, সেটি তার নজরে পড়েনি। সম্প্রতি দেশের নানা স্থানে ইসলামী ব্যাংকের নানা শাখার ওপর যে হামলা হয়েছে, তার পেছনে আবুল বারকাতের মতো ব্যক্তিদের উসকানি যে সক্রিয় ছিল, তা নিয়ে কি সামান্যতম সন্দেহ আছে?
সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের উপর্যুপরি হরতালের সফলতা দেখে আবুল বারকাতের মতো ব্যক্তিদের ভয় গভীরতর হয়েছে। সে ভয় আরও তুঙ্গে উঠেছে ৬ এপ্রিল হেফাজতে ইসলামের প্রায় তিরিশ লাখ লোকের লংমার্চ দেখে। এ ভয়ই তাদের মরণের ভয়। আবুল বারকাতের ভয়, বাংলাদেশ শিগগিরই তালেবান রাষ্ট্র হতে যাচ্ছে। তার নিজের উক্তি, ‘এখনই সমাধানে পৌঁছতে না পারলে বাংলাদেশ তালেবান রাষ্ট্র হতেই পারে। কারণ একটি বিপ্লব বা পটপরিবর্তনের জন্য কোটি কোটি লোকের প্রয়োজন পড়ে না। শতকরা দুই বা পাঁচ ভাগ কর্মী থাকলেই অনেক কিছু সম্ভব। জামায়াত-শিবিরের তো পাঁচ ভাগ সক্রিয় সমর্থক আছেই। এর সঙ্গে সেনাবাহিনীর একাংশ যোগ হতেই পারে। না হওয়ার কোনো কারণ আছে বলে আমি মনে করি না। কারণ জামায়াত রাষ্ট্রের মধ্যে রাষ্ট্র তৈরি করেছে। আপনি আইনজীবীদের নির্বাচনগুলো দেখুন, ওরা কত শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।’ তবে ‘সাপ্তাহিক’-এর সঙ্গে সাক্ষাত্কারে আবুল বারকাত যা বলেছেন, সেটি বস্তুত তার একার বক্তব্য নয়, বরং সেটি গোটা সেক্যুলার পক্ষের। মুখপাত্ররূপে তিনি তাদের কথাগুলোই তুলে ধরেছেন মাত্র।
যে অসুস্থতা বিবেকের
বেশি ভয়ে মানুষ পাগলের প্রলাপ বকে। এমন ভীতু মানুষের সামনে ছোটখাটো মানুষও ভয়ঙ্কর দৈত্য মনে হয়। এমন ভয়ে আক্রান্ত আবুল বারকাত। তার মুখে তাই প্রলাপও অনেক। জামায়াতে ইসলামীর মতো একটি সংগঠন তাই তার কাছে সাধারণ সংগঠন মনে হয়নি; মনে হয়েছে বাংলাদেশের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী একটি পৃথক রাষ্ট্র! তার নিজের কথা—‘তারা সৃষ্টি করেছে মূল ধারার রাষ্ট্রের মধ্যে আরেকটি রাষ্ট্র, মূল ধারার সরকারের মধ্যে আরেকটি সরকার, মূল ধারার অর্থনীতির মধ্যে আরেকটি অর্থনীতি।’ প্রশ্ন হলো, একটি রাষ্ট্র বলতে কী বোঝায়, সে জ্ঞান কি আবুল বারকাতের আছে? রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পৃষ্ঠায় রাষ্ট্রের সংজ্ঞা কী—সেটি কি কখনওই তিনি একবার পড়ে দেখেছেন? রাষ্ট্র মানবসমাজের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রের যেমন নিজস্ব মানচিত্র থাকে, তেমনি সরকার, বিশাল প্রশাসন ও বিশাল বিশাল বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানও থাকে। থাকে বিচারকার্য নির্বাহের জন্য আইন-কানুন ও আদালত। থাকে বেতনভোগী বিশাল সশস্ত্র সেনা বাহিনী ও পুলিশ বাহিনী। কিন্তু জামায়াতের হাতে এর কোনটি আছে? তাদের অফিসগুলো তো দীর্ঘকাল তালাবদ্ধ। তাদের কর্মীরা তো রাজপথে নামে খালি হাতে। তাদের রাষ্ট্রের সুনির্দিষ্ট মানচিত্র বা সীমানাটি কোথায়? কোথায় সে রাষ্ট্রের প্রহরায় সশস্ত্র সেনাবাহিনী? কোথায় তাদের সে রাষ্ট্রীয় প্রশাসন? একটি ব্যাংক, কয়েকটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার অর্থ কি পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা? ভারতে রামকৃষ্ণ মিশনের হাতে এর চেয়ে বেশি প্রতিষ্ঠান আছে। জামায়াত যদি আলাদা রাষ্ট্র হয়েই থাকে, তবে সে রাষ্ট্রের প্রধান বছরের পর বছর শত্রুপক্ষের জেলে থাকলে সে রাষ্ট্র বেঁচে থাকে কী করে? আবুল বারকাতের কাছে এসব প্রশ্নের উত্তর আছে কি? অথচ এরাই আওয়ামী লীগের প্রথম শ্রেণীর বুদ্ধিজীবী! এককালে বাংলাদেশের নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান। সে পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানের প্রাদেশিক গভর্নর ছিল এবং তার একটি প্রশাসনও ছিল। কিন্তু ১৯৭১ সালে ভারতীয় বাহিনীর দখলদারির কারণে সে প্রাদেশিক সরকারের সবাই কারারুদ্ধ হয়। তখন পাকিস্তানি রাষ্ট্রও এ প্রদেশটিতে আর বাঁচেনি। এতে জামায়াত যদি রাষ্ট্রই হয়ে থাকে, তবে দলটির প্রধান ও তার কেন্দ্রীয় নেতারা কারারুদ্ধ হলে সে রাষ্ট্র বাঁচে কী করে? এসব প্রশ্ন কি আবুল বারকাতের মনে একবারও উদয় হয়েছে?
বহু মানুষ শুধু মানসিক বিকলঙ্গতা নিয়ে জন্মায় না। জন্মের পর, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ডিগ্রি নিয়েও বহু মানুষ পাগল হয়। আওয়ামী লীগে এমন অপ্রকৃতস্থ পাগলের সংখ্যা কি কম; বরং এ আওয়ামী পাগলদের পাগলামিটা ভিন্ন মাত্রার। কোনো বদ্ধপাগলও কি কখনও বলবে, কিছু মানুষের ঝাঁকুনিতে একটি নয়তলা বিশাল বিল্ডিং ধসে পড়বে? অথচ যিনি বলেছেন, তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী এবং পিএইচডি ডিগ্রিধারী। আর তার নাম মহীউদ্দীন খান আলমগীর। ফলে আওয়ামী লীগে এমন পাগল শুধু আবুল বারকাত একা নন। ডাকাত দলে একজনও সুস্থ মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না, তেমনি পাওয়া যাবে না আওয়ামী লীগেও। কারণ সুস্থ মানুষের সুস্থতার সবচেয়ে বড় গুণটি হলো ডাকাতিকে ঘৃণা করা। তাই ডাকাত দল গড়ে ওঠে শতভাগ অসুস্থ ও চরিত্রহীন মানুষ দিয়ে। এ অসুস্থতা দৈহিক নয়, বরং নৈতিক। তেমনি কোনো স্বৈরাচারী শাসকের দলেও কোনো সুস্থ ও চরিত্রবান মানুষ পাওয়া যায় না। মূর্তিপূজারি কাফেরদের মন্দিরে ঈমানদার খুঁজে পাওয়ার মতো সেটিও এক অচিন্তনীয় ব্যাপার। কারণ সুস্থ ও চরিত্রবান মানুষ দিয়ে তো আর ফ্যাসিবাদী দল গড়া যায় না এবং তাদের দিয়ে বাকশালি স্বৈরাচার ও হাজার হাজার মানুষ হত্যার নীতিকে সমর্থন করিয়ে নেয়া যায় না।
মিথ্যা বলা যেখানে স্ট্র্যাটেজি
ইসলামের বিরুদ্ধে একটি দীর্ঘকালীন গণহত্যার যুদ্ধকে ন্যায়সঙ্গত করার স্বার্থে আল কায়েদাকে একটি দানবীয় শক্তিরূপে চিত্রিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন জনগণকে আল কায়েদার ভয় না দেখালে সরকারের পক্ষে কি সম্ভব হতো তাদের পকেট থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার লুট করা? সম্ভব হতো কি আফগানিস্তান ও ইরাকে প্রায় তিন ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয়ের বিশাল যুদ্ধকে গ্রহণযোগ্য করা? বাংলাদেশেও তেমনি ইসলামপন্থীদের সহিংসতা নির্মূলের লক্ষ্যে ইসলামি দলগুলোকে দানবীয় শক্তিরূপে চিত্রিত করার সর্বপ্রকার প্রচেষ্টা হচ্ছে। হেফাজতে ইসলামের হাজার হাজার কর্মীকে নির্মমভাবে হতাহত করাকে জায়েজ করতে তারা প্রচার করছে হেফাজতের মুসল্লিরা বায়তুল মোকাররমের সামনে বইয়ের দোকানে পবিত্র কোরআন শরিফ পুড়িয়েছে। বলা হচ্ছে, তারা রাস্তার গাছ নষ্ট করেছে। শত শত মানুষ হত্যাকারী এ খুনিরা এখন গাছপ্রেমিক হয়েছে? বলা হচ্ছে, তারা নাকি ব্যাংকগুলোতে আগুন দেয়ার পরিকল্পনা করেছিল। এক্ষেত্রে আবুল বারকাতের নিজের মিথ্যাচারটিও দেখবার মতো। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে এখন প্রতি তিনজন ছাত্রের একজন মাদরাসার ছাত্র (যার মোট সংখ্যা হবে ৮০ লাখ)। দেশে মোট মাদরাসার সংখ্যা হবে ৫৫ হাজারের বেশি, যার মধ্যে ৭৩ শতাংশ কওমি মাদরাসা। এসব মাদরাসা পরিচালনে বছরে ব্যয় হয় আনুমানিক ১,৪০০ কোটি টাকা আর মাদরাসা পাসদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৭৫ শতাংশ।’ বোঝা যাচ্ছে, যেখানেই তিনি নজর দেন, সেখানেই তিনি মাদরাসার ছাত্র দেখতে পান। সে সংখ্যাও প্রতি তিনজনে একজন! ফলে সর্বত্র দেখতে পান বিপুলসংখ্যক ইসলামের ঝান্ডাবাহীদের। এটি তার মহাদুশ্চিন্তা। তার ভাষায় মহাবিপর্যয়। প্রশ্ন হলো, এমন মহাবিপর্যয়ের এত দুশ্চিন্তা নিয়ে তিনি ঘুমান কী করে? অথচ তার মনে সামান্য ঈমান থাকলে বিষয়টি ভিন্নতর হতো। কারণ যেখানেই ইসলাম, যেখানে মাদরাসার ছাত্র—তা দেখে তো একজন ঈমানদার খুশি হন। কারণ তারা তো ইসলামের সেবক। তাদের দেখে মৃত্যুর ভয় পাবে তো ইসলামের শত্রুরা। কিন্তু সেটিই হয়েছে আবুল বারকাতের ক্ষেত্রে। ইসলাম ও মাদরাসার ছাত্র দেখে তিনি ভয়ে জর্জরিত। তিনি ভয় পাচ্ছেন, ইসলামপন্থীরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অচিরেই দখল করে নেবে! তার ভয়, ইসলামি যুবকদের আত্মদানে। তারা কেন শহীদ হয় এবং শহীদি জজবা নিয়ে বোমায় পরিণত হয়, তা নিয়ে তার প্রচুর বিস্ময়।
আরও প্রশ্ন হলো, এসব আজগুবি তথ্য আবুল বারকাত পেলেন কোত্থেকে? বাংলাদেশের প্রতি তিনজন ছাত্রের মধ্যে একজন মাদরাসা ছাত্র এবং তাদের সংখ্যা ৮০ লাখ—এসব কি বিশ্বাসযোগ্য? মাদরাসার পেছনে ১৪শ’ কোটি টাকা ব্যয় হয়—এমন নিখুঁত হিসাবইবা কোত্থেকে বের করলেন? মিথ্যা আবিষ্কারে তাদের মগজ যে কত উর্বর, এ হলো তার নমুনা। হার্ভার্ডে বসে হাসিনাতনয় জয়ও এমন মিথ্যা আবিষ্কার করেছিলেন। সে বলেছিলেন, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর বিপুলসংখ্যক অফিসার হলো মাদরাসার ছাত্র। আওয়ামী নেতাকর্মী ও বুদ্ধিজীবীদের ঘরে ঘরে এভাবেই মিথ্যা উত্পাদনের ফ্যাক্টরি।
নিন্দিত হচ্ছে জিহাদ ও ইসলামি রাষ্ট্র
ইসলামের শত্রুদের কাছে ইসলামি রাষ্ট্র যেমন নিন্দিত, তেমনি অপরাধ হলো সে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জিহাদ। আবুল বারকাত সে জিহাদকে চিত্রিত করেছেন জঙ্গিবাদরূপে। তার মতো লোকদের কাছে জঘন্য ভাষায় নিন্দিত হচ্ছে ইসলামপন্থীদের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হাতে নেয়ার চেষ্টা। ইসলামি রাষ্ট্র তাদের কাছে ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র। ইসলামের বিরুদ্ধে এমন এক বিষাক্ত ঘৃণা নিয়েই তো নাস্তিক ব্লগাররা মহান আল্লাহ তায়ালা, তাঁর প্রিয় রাসুল (সা.) ও রাসুল (সা.)-এর বিবিদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করে যাচ্ছে। হেফাজতে ইসলামের উত্থানের পর থেকে ইসলামের শত্রুপক্ষের মনে ইসলামভীতি এখন তুমুলে। তাদের বিরুদ্ধে আবুল বারকাতের অভিযোগ, ‘সুসংগঠিত জঙ্গি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে উদ্যত।’ বলেছেন, ‘তারা ধর্মকে বর্ম হিসেবে ব্যবহার করছে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে।’ অভিযোগ তুলেছেন, ‘ধর্মভিত্তিক এ রাজনৈতিক মতাদর্শ ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়।’
প্রশ্ন হলো, ইসলামের প্রতিষ্ঠায় জিহাদ করা এবং সে জিহাদে প্রাণ দেয়া এবং ধর্মকে নিজ স্বার্থে ব্যবহার করা কি এক কথা? মুসলমান হওয়ার দায়বদ্ধতা হলো, ইসলামি বিধান প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে নেয়া। রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে না নিলে রাষ্ট্রের বুকে ইসলামের শরিয়তি বিধানের প্রতিষ্ঠা কীরূপে সম্ভব? ইসলাম তাই মসজিদ, মাদরাসা, খানকাহ বা মাজারে বন্দি থাকার বিষয় নয়। নবীজী তাই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হাতে নিয়েছিলেন, সাহাবারাও নিয়েছিলেন। ইসলামের শত্রুপক্ষের অধিকৃতি হটিয়ে দখলে নেয়ার কাজটি হলো জিহাদ। এমন জিহাদে প্রাণদান হলো শাহাদত। ইসলামে তো এটি সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্মকর্ম। অথচ আবুল বারকাত এর মধ্যে দোষ খুঁজছেন। তার কথা, ইসলাম যতদিন মসজিদ-মাদরাসা, সুফিদের মাজারে বা খানকায় আবদ্ধ থাকবে, ততদিনই সেটি প্রকৃত ধর্ম। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হাতে নেয়ার চেষ্টা হলেই সেটি উগ্র জঙ্গিবাদ। রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে নিয়েছেন খোদ নবীজি (সা.) ও খোলাফায়ে রাশেদিনরা। প্রশ্ন হলো, তাদের তিনি কী বলবেন? আবুল বারকাতের কাছে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলো রাষ্ট্রীয় ফ্যাসিবাদ। অথচ মুজিব যেভাবে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করলেন, ছিনিয়ে নিলেন জনগণের মৌলিক মানবিক অধিকার এবং হত্যা করলেন ৩০-৪০ হাজার মানুষ, তাকে তিনি কী বলবেন? মুজিবের মতো গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রমাণিত শত্রুকে তিনি বঙ্গবন্ধু বলতে পাগল! তিনি মুজিবকে এতটা মাথায় তুলেছেন তার নিজের অবস্থান গণতন্ত্র, মানবতা ও ইসলামের বিপক্ষে হওয়ার কারণে। মানবতা ও ইসলামের বিরুদ্ধে এমন একটি বিপক্ষীয় অবস্থান থেকে তিনি ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের বিরুদ্ধে গালাগাল করবেন এবং শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের নাস্তিকদের ইসলামপন্থী রাজনীতি নিষিদ্ধ ও ইসলামি নেতাদের ফাঁসির আন্দোলনকে ‘তরুণ প্রজন্মের আলোকিত আন্দোলন’ বলবেন, সেটিই কি স্বাভাবিক নয়?
পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠা কি বিপর্যয়?
যেখানেই ইসলাম ও মুসলিম স্বার্থের প্রতি অঙ্গীকার, সেখানেই আবুল বারকাতের মতো ব্যক্তি পশ্চাত্পদতা ও সাম্প্রদায়িকতা দেখেন; দেখেন বিপর্যয় এবং মুসলমানদের গলাকাটার মধ্যে দেখেন প্রগতি। তাই প্রচণ্ড প্রগতি দেখেছেন মতিঝিলে হাজার হাজার মুসল্লি হত্যার মধ্যে। অথচ ভারতে মুসলিম নিধন ও মুসলমান নারীদের ধর্ষণের মাঝে তিনি কোনো পশ্চাত্পদতা দেখেন না। তাই তার বিরুদ্ধে নিন্দাবাদও জানান না। বহু ভারতীয় হিন্দুও ভারতে এরূপ মুসলিম হত্যার প্রবল নিন্দা জানিয়েছেন। অরুন্ধতি রায়ের মতো ব্যক্তিরা আন্দোলনেও নেমেছেন। কিন্তু আবুল বারকাতরা কি একটিবারের জন্যও নিন্দা বা প্রতিবাদ জানিয়েছেন? পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার মাঝে যৌক্তিকতা দেখেছেন, এমনকি অনেক অমুসলমানও। আবুল বারকাতরা যে ভারতীয় হিন্দুদের চেয়েও বেশি মুসলিমবিদ্বেষী, সেটি কি এরপরও বুঝতে বাকি থাকে? এমন একটি মুসলিমবিদ্বেষ নিয়েই তিনি ১৯৪৭ সালের উপমহাদেশের মুসলমানদের পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা আন্দোলনকে বলেছেন পশ্চাত্মুখী। তার কথায় ‘পূর্ব বাংলায় ইসলাম ধর্মের ইতিহাসে প্রথম বড় মাপের পশ্চাত্মুখী রূপান্তর (বিপর্যয়) ঘটেছে গত শতাব্দীতে—যখন ব্রিটিশ উপনিবেশবিরোধী আন্দোলনের একপর্যায়ে ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গ এলো।’ যেখানেই মুসলমানের জাগরণ ও স্বার্থ রক্ষণের বিষয়, সেটিই আবুল বারকাতের কাছে মনে হয়েছে পশ্চাত্পদতা। সে ধারণা নিয়েই তিনি ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাকে বলছেন সাম্প্রদায়িকতা। কথা হলো, ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টি না হলে আজকের বাংলাদেশ কোত্থেকে আসত? সে হুশ কি তার আছে? তার আফসোস, ‘ধর্মভিত্তিক দেশ বিভাজনে ইসলাম ধর্মের উদারনৈতিক-মানবিক ধারার সুফি-ওলামারা বাধা দিতে পারলেন না।’ অথচ মহম্মদ ঘোরির হাতে দিল্লি বিজয়েরে পর দক্ষিণ এশিয়ার বুকে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠা ছিল দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবজনক ঘটনা। মুসলমানের বিজয় ও গৌরব নিয়ে যাদের মনঃকষ্ট একমাত্র তারাই ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের সৃষ্টিতে কষ্ট পেতে পারে। সে কষ্ট যেমন ভারতীয় হিন্দুরা পায়, তেমনি বাংলাদেশের বুকে তাদের প্রতিপালিত এজেন্টরাও পায়।
বাংলাদেশে আজও ইসলামপন্থীদের কেন ফাঁসিতে ঝোলানো যায়নি, তা নিয়ে আবুল বারকাতদের বড়ই আফসোস। সে কাজ সে হাসিনা শুরু করেছেন। তাতেই তার আনন্দ। তবে তার ভয় বেড়েছে ইসলামের পক্ষে গণজাগরণ দেখে। সে জাগরণের মাঝে তিনি বিপন্নতা দেখছেন। বলেছেন, ‘উগ্র জঙ্গিবাদ যে ‘আত্মঘাতী বোমা সংস্কৃতি’ চালু করেছে, তাতে জাতি-ধর্ম-বর্ণ-ধনী-নির্ধন নির্বিশেষে দেশের সব মানুষের জীবন বিপন্নপ্রায়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া যতই ত্বরান্বিত হচ্ছে, এ বিপন্নতা ততই বাড়ছে।’ অথচ আবুল বারকাত দেখেও দেখেন না যে, দেশে আজ প্রচণ্ড ফ্যাসিবাদী শাসন। দেশের শত শত মানুষ মারা যাচ্ছে ইসলামপন্থীদের হাতে নয়, বরং আওয়ামী দুর্বৃত্তদের হাতে। দেশ বিপন্ন তো হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের কারণে। দেশের স্বাধীনচেতা মানুষের পিঠ আজ দেয়ালে ঠেকে গেছে। ৩০-৪০ হাজার মানুষ আজ জেলে। ৫ মে ও ৬ মে বহু হাজার মুসল্লিকে এ ফ্যাসিস্ট সরকার নির্মমভাবে নিহত ও আহত করল। তার আগে নিহত করেছে প্রায় দুইশ’ জামায়াত শিবিরকর্মী ও সাধারণ মানুষকে। সরকারবিরোধী গণমাধ্যমগুলো একের পর এক বন্ধ করা হচ্ছে। মানুষ গুম হচ্ছে। ‘আমার দেশ’ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করে নির্যাতন করা হচ্ছে। নির্মম নির্যাতন করা হচ্ছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের। এরূপ ফ্যাসিবাদী নির্মমতার বিরুদ্ধে বহু বিবেকবান মানুষই প্রতিবাদ করছেন। প্রতিবাদে সাধারণ জনগণও জেগে উঠেছে। জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হওয়া প্রতিটি মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। যখনই কোনো স্বৈরশাসক জনগণের ওপর এরূপ আঘাত হানে, তখনই জনগণ এভাবে জেগেছে। সেটি যেমন মুজিব আমলে জেগে উঠেছিল, তেমনি আজও জেগে উঠছে। এটিই একটি জীবিত জনগণের স্বাভাবিক রূপ। কিন্তু বিবেকের সে সুস্থতা কি আবুল বারকাতের মতো আওয়ামী ঘরানার বুদ্ধিজীবীদের আছে? থাকলে এ নৃশংসতার বিরুদ্ধে তা মুখে প্রতিবাদ কই? জনগণের জেগে ওঠার বিরুদ্ধে তারা এত শঙ্কিত কেন?
ফ্যাসিবাদের নাশকতা
রোগ-জীবাণুর আক্রমণে দেহের মৃত্যু ঘটে। আর ফ্যাসিবাদের আক্রমণে হাজার হাজার মানুষের দৈহিক মৃত্যুর সঙ্গে মৃত্যু ঘটে অসংখ্য মানুষের বিবেকেরও। বিপুল হারে উত্পাদিত হয় দাস চরিত্রের মানুষ। বাংলাদেশের বুকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের হাতে এখানেই ঘটেছে সবচেয়ে বড় নাশকতা। তারা বহু হাজার মানুষকেই শুধু হত্যা করনি, হত্যা করেছে লাখ লাখ মানুষের বিবেকও। অন্ধ করে দিয়েছে তাদের মনও। সেটি যেমন মুজিব আমলে ঘটেছিল, তেমনি আজও ঘটছে। এতে আওয়ামী লীগ ও তার পক্ষের হাজার হাজার নেতাকর্মী আজ বিবেকশূন্য। হাসিনা সরকারের হাতে নির্মম নৃশংসভাবে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু যেমন তাদের নজরে পড়ে না, তেমনি নজরে পড়ে না শেখ মুজিবের বাকশালি স্বৈরাচারের নিষ্ঠুরতাও। সরকারি প্রচারযন্ত্র ব্যস্ত মুজিবের সে নিষ্ঠুরতা ভুলিয়ে তাকে ফেরেশতাতুল্য হিসেবে জাহির করার কাজে। সে কাজে নেমেছেন আবুল বারকাতের মতো শত শত ব্যক্তি। সে মুজিবি নিষ্ঠুরতা যে কত নির্মম ছিল, তার বিবরণ বহু। উদাহরণ দেয়া যাক কমিউনিস্ট নেতা (সিপিবি নয়) শান্তি সেনের স্ত্রী অরুণা সেনের বিবৃতি থেকে। অরুণা সেন ও তার পুত্রবধূ রিনা সেন ও হনুফা বেগমকে রক্ষীবাহিনী কী বর্বর নির্যাতনই না করেছিল! শারীরিক নির্যাতন, যৌন নির্যাতন, পুকুরে চোবানো, চাবুক দিয়ে পেটানো, নগ্ন অসুস্থ অবস্থায় কম্বলচাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে রাখা (কথামালার রাজনীতি ১৯৭২-’৭৯/ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী, তৃতীয় সংস্করণ, পৃ.৫৫)। মুজিব আমলে বাজিতপুরের ইকোটিয়া গ্রামের কৃষক আবদুল আলীর ছেলে রশিদের খুনের ঘটনাটি কত নৃশংসাভাবে ঘটেছিল, সে বিবরণ দিয়েছেন আবদুল আলী এক সাক্ষাত্কারে। সেটি এরূপ : ‘আমার সামনে ছেলেকে গুলি করে হত্যা করল। আমার হাতে কুঠার দিয়ে বলল, ‘মাথা কেটে দে, ফুটবল খেলব।’ আমি কি তা পারি? আমি যে বাপ। কিন্তু অত্যাচার কতক্ষণ আর সহ্য করা যায়। সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত নিজের হাতে ছেলের মাথা কেটে দিয়েছি।’ (বাংলাদেশে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, ইতিহাসের কাঠগড়ায় আওয়ামী লীগ, আহমেদ মুসা, পৃ. ৬৭-৬৮)। এরূপ নির্যাতন ও এরূপ নৃশংসতা শুধু অরুণা সেন, রিনা সেন কিংবা কৃষক আবদুল আলীর ছেলে রশিদের ক্ষেত্রেই ঘটেনি; ঘটেছে আরও হাজার হাজার মানুষের ক্ষেত্রে। ইদানীং একই নৃশংসতা ঘটে গেল শাপলা চত্বরে। আজও ঘটছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও শত শত জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে।
ঘরের শত্রু ও বিপর্যয়ের পথে দেশ
আবুল বারকাতের দৃষ্টিতে এ নৃশংস মুজিবই বাংলার ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি এবং তার দল আওয়ামী লীগই বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সংগঠন। তিনি তার বয়ানে আওয়ামী লীগকে স্বাধীনতা সংগ্রামী সংগঠনরূপে ভূষিত করেছেন। অন্য কোনো দলের প্রশংসায় তিনি একটি কথাও বলেননি। কথা হলো, আবুল বারকাত কি স্বাধীনতার অর্থ বোঝেন? স্বাধীনতার অর্থ একটি মানচিত্র লাভ। বাংলার মানচিত্র কি আগেও কেউ গিলে খেয়েছিল? স্বাধীনতার অর্থ তো সাধারণ জনগণের মতামত প্রকাশ, সংগঠন গড়া, রাজনীতি করা ও দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলন করার পূর্ণ স্বাধীনতা, সেটি স্রেফ কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বাধীনতা নয়। শেখ মুজিব ও তার দল আওয়ামী লীগ কি সে স্বাধীনতা জনগণকে কোনোকালেও দিয়েছে; আজও কি দিচ্ছে? বরং জনগণের সে স্বাধীনতা নির্মমভাবে কেড়ে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। সেটি যেমন একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে, তেমনি মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করে। বরং আওয়ামী লীগের অপরাধ তো আরও জঘন্য। শুধু কথা বলা, দল গড়া বা রাজনীতির অধিকারই তারা হরণ করেনি; বরং কেড়ে নিয়েছে হাজার হাজার মানুষের জীবনে বেঁচে থাকার অধিকারও। মুজিব তার শাসনামলে হত্যা করেছেন ৩০-৪০ হাজার বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীকে। ৫ মে ও ৬ মে মাত্র এ দুটি দিনে মুজিবকন্যা নিহত ও আহত করেছেন হেফাজতে ইসলামের হাজার হাজার মুসল্লিকে। বাংলার বুকে মুসলমানের এত বড় ক্ষতি কোনো মনুষ্যজীবের হাতে কি কোনোকালেও হয়েছে? জনগণের জানমাল ও স্বাধীনতার এত বড় শত্রুকে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বললে স্বাধীনতার শত্রু কে?
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিব ও তার পরিবারের অনেকেই নিহত হয়েছেন। কিন্তু মুজিব পরিবারের সব সদস্য তার পারিবারিক ঐতিহ্য নিয়ে ডাইনোসরের মতো নির্মূল হয়ে যাননি। বাংলার মানুষ তাই ডাইনোসরকে না চিনলেও মুজিব ও তার পরিবারকে চেনে। মাঝে মধ্যে ভুলে গেলেও আবার স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য মুজিব পরিবারের সদস্যরা এখনও বেঁচে আছেন। রাজনীতিতে বেঁচে আছেন মুজিবি নৃশংসতা নিয়ে। বাংলাদেশে জনগণের বুকে বারবার ছোবল মারছে মুজিবি বাকশাল। আওয়ামী লীগের ইতিহাস জানার জন্য কি ইতিহাসের বই পাঠের প্রয়োজন পড়ে? আবুল বারকাতদের বয়ান শোনারও কি প্রয়োজন হয়? তবে তার বয়ানে যেটি প্রকাশ পেয়েছে, সেটি তার নিরেট মিথ্যাচার ও চাটুকারী চরিত্র। সেই সঙ্গে ইসলামের বিরুদ্ধে সহিংস আক্রোশ। বাংলাদেশের মুসলমানের বিরুদ্ধে এরাই ঘরের শত্রু। জানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু গোখরা শাপগুলোক চিনলে চলে না, ভালোভাবে চিনতে হয় ঘরের শত্রুদেরও; চিনতে হয় বিদেশি শত্রুদেরও। বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় বড় ডিগ্রির চেয়েও এ জ্ঞানের গুরুত্ব অনেক বেশি। ইসলামের শুরুতে কোনো কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না, কিন্তু মসজিদের পবিত্র মেঝেতে এ জ্ঞানলাভটি সঠিকভাবে হয়েছিল। ফলে ঘরের গোখরা শাপগুলো চিনতে ও নির্মূলে তারা ভুল করেননি। কিন্তু বাংলাদেশে সে কাজটাই যথার্থভাবে হয়নি। এ কারণে নিশ্চিত হয়নি দেশের শান্তি, নিরাপত্তা ও গৌরব। মানুষ তাই হাজারে হাজার লাশ হচ্ছে, গুম হচ্ছে, ধর্ষিতাও হচ্ছে এবং দেশ ধেয়ে চলেছে মহাবিপর্যয়ের দিকে।
আবুল বারকাত লেখাপড়া করেছেন সোভিয়েত রাশিয়ায়। ভারতীয় লবির অতি কাছের লোক তিনি। ঢাকায় অবস্থানরত পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী মহলের সঙ্গেও তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। ইসলামের বিরুদ্ধে আজ বিশ্বব্যাপী যে কোয়ালিশন, তার প্রায় সবার সঙ্গেই তার গভীর সম্পর্ক। চাকরি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হলেও তার আসল কাজটি অন্যত্র। গবেষণা ও ইভলিউশনের নামে তার একটি এনজিও আছে। সে এনজিও’র সূত্র ধরে তিনি প্রচুর অর্থ পান পশ্চিমা দাতা সংস্থাগুলো থেকে। সেই সঙ্গে আওয়ামী শাসনামলের অতিসুবিধাভোগী ব্যক্তিও। জনতা ব্যাংকের তিনি একজন কর্ণধার। আবুল বারকাতের মূল কাজটি হলো, বাংলাদেশে ইসলামপন্থীদের নির্মূলে অন্যদের উসকানি দেয়া। তার গবেষণা ও লেখালেখির বিষয় মূলত দুটি—এক. কী করে বাংলাদেশের মাটিতে হিন্দু ও হিন্দুস্থানের স্বার্থকে বৃদ্ধি করা যায়; দুই. কী করে বাংলাদেশের ইসলামপন্থীদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মেরুদণ্ডকে ভেঙে দেয়া যায়। মুজিব আমলে বাংলাদেশের হাজার হাজার কোটি টাকা ভারত লুটে নিয়ে গেল, তা নিয়ে কিন্তু তিনি কোনো সময়ই মুখ খোলেননি। সে লুটের মধ্যে ছিল পাকিস্তান আর্মির অব্যবহৃত হাজার হাজার কোটি টাকার যুদ্ধাস্ত্র। ভারত বাংলাদেশের মাটিতে পাকিস্তান আর্মির কোনো ট্যাংক, কোনো দূরপাল্লার কামান ও গোলাবারুদ রেখে যায়নি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে ঢাকার রাস্তায় যে কয়েকটি ট্যাংক নামানো হয়েছিল, সেগুলো এসেছিল মিসর থেকে। এসেছিল তত্কালীন মিসরীয় প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাতের খয়রাত হিসেবে। অথচ পাকিস্তান আর্মির ফেলে যাওয়া যুদ্ধাস্ত্র তখন বাংলাদেশের মাটিতে থাকলে এরূপ খয়রাতের কি প্রয়োজন হতো?
আবুল বারকাতের ইসলামভীতি ও ইসলামবিরোধিতা
এ আবুল বারকাত কিছুকাল আগে এক বইয়ে দেখিয়েছিলেন, ইসলামী ব্যাংক কীভাবে বাংলাদেশে ইসলামপন্থীদের অর্থনীতির বিশাল ভিত গড়ে তুলেছে। বাংলাদেশের সর্ববৃহত্ বেসরকারি এ ব্যাংকটিকে তিনি দেখিয়েছেন বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য বিপজ্জনক প্রতিষ্ঠানরূপে। উসকানি দিয়েছেন, এ ব্যাংককে ইসলামপন্থীদের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে সরকারি নিয়ন্ত্রণে নেয়ার। লক্ষ্য, এ ব্যাংকটিও পরিণত হোক সোনালী ও জনতা ব্যাংকের মতো আওয়ামী বাকশালিদের লুটপাটের অবাধ ও উর্বর ক্ষেত্ররূপে। ইসলামী ব্যাংকের অর্থে বাংলাদেশে যে কয়েক হাজার শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, গড়ে উঠেছে বহু হাসপাতাল, বহু পশুপালন ও মত্স্যপালন প্রতিষ্ঠান এবং রাস্তায় নেমেছে যেরূপ হাজার হাজার যানবাহন, সেটি তার নজরে পড়েনি। সম্প্রতি দেশের নানা স্থানে ইসলামী ব্যাংকের নানা শাখার ওপর যে হামলা হয়েছে, তার পেছনে আবুল বারকাতের মতো ব্যক্তিদের উসকানি যে সক্রিয় ছিল, তা নিয়ে কি সামান্যতম সন্দেহ আছে?
সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের উপর্যুপরি হরতালের সফলতা দেখে আবুল বারকাতের মতো ব্যক্তিদের ভয় গভীরতর হয়েছে। সে ভয় আরও তুঙ্গে উঠেছে ৬ এপ্রিল হেফাজতে ইসলামের প্রায় তিরিশ লাখ লোকের লংমার্চ দেখে। এ ভয়ই তাদের মরণের ভয়। আবুল বারকাতের ভয়, বাংলাদেশ শিগগিরই তালেবান রাষ্ট্র হতে যাচ্ছে। তার নিজের উক্তি, ‘এখনই সমাধানে পৌঁছতে না পারলে বাংলাদেশ তালেবান রাষ্ট্র হতেই পারে। কারণ একটি বিপ্লব বা পটপরিবর্তনের জন্য কোটি কোটি লোকের প্রয়োজন পড়ে না। শতকরা দুই বা পাঁচ ভাগ কর্মী থাকলেই অনেক কিছু সম্ভব। জামায়াত-শিবিরের তো পাঁচ ভাগ সক্রিয় সমর্থক আছেই। এর সঙ্গে সেনাবাহিনীর একাংশ যোগ হতেই পারে। না হওয়ার কোনো কারণ আছে বলে আমি মনে করি না। কারণ জামায়াত রাষ্ট্রের মধ্যে রাষ্ট্র তৈরি করেছে। আপনি আইনজীবীদের নির্বাচনগুলো দেখুন, ওরা কত শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।’ তবে ‘সাপ্তাহিক’-এর সঙ্গে সাক্ষাত্কারে আবুল বারকাত যা বলেছেন, সেটি বস্তুত তার একার বক্তব্য নয়, বরং সেটি গোটা সেক্যুলার পক্ষের। মুখপাত্ররূপে তিনি তাদের কথাগুলোই তুলে ধরেছেন মাত্র।
যে অসুস্থতা বিবেকের
বেশি ভয়ে মানুষ পাগলের প্রলাপ বকে। এমন ভীতু মানুষের সামনে ছোটখাটো মানুষও ভয়ঙ্কর দৈত্য মনে হয়। এমন ভয়ে আক্রান্ত আবুল বারকাত। তার মুখে তাই প্রলাপও অনেক। জামায়াতে ইসলামীর মতো একটি সংগঠন তাই তার কাছে সাধারণ সংগঠন মনে হয়নি; মনে হয়েছে বাংলাদেশের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী একটি পৃথক রাষ্ট্র! তার নিজের কথা—‘তারা সৃষ্টি করেছে মূল ধারার রাষ্ট্রের মধ্যে আরেকটি রাষ্ট্র, মূল ধারার সরকারের মধ্যে আরেকটি সরকার, মূল ধারার অর্থনীতির মধ্যে আরেকটি অর্থনীতি।’ প্রশ্ন হলো, একটি রাষ্ট্র বলতে কী বোঝায়, সে জ্ঞান কি আবুল বারকাতের আছে? রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পৃষ্ঠায় রাষ্ট্রের সংজ্ঞা কী—সেটি কি কখনওই তিনি একবার পড়ে দেখেছেন? রাষ্ট্র মানবসমাজের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান। রাষ্ট্রের যেমন নিজস্ব মানচিত্র থাকে, তেমনি সরকার, বিশাল প্রশাসন ও বিশাল বিশাল বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানও থাকে। থাকে বিচারকার্য নির্বাহের জন্য আইন-কানুন ও আদালত। থাকে বেতনভোগী বিশাল সশস্ত্র সেনা বাহিনী ও পুলিশ বাহিনী। কিন্তু জামায়াতের হাতে এর কোনটি আছে? তাদের অফিসগুলো তো দীর্ঘকাল তালাবদ্ধ। তাদের কর্মীরা তো রাজপথে নামে খালি হাতে। তাদের রাষ্ট্রের সুনির্দিষ্ট মানচিত্র বা সীমানাটি কোথায়? কোথায় সে রাষ্ট্রের প্রহরায় সশস্ত্র সেনাবাহিনী? কোথায় তাদের সে রাষ্ট্রীয় প্রশাসন? একটি ব্যাংক, কয়েকটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার অর্থ কি পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা? ভারতে রামকৃষ্ণ মিশনের হাতে এর চেয়ে বেশি প্রতিষ্ঠান আছে। জামায়াত যদি আলাদা রাষ্ট্র হয়েই থাকে, তবে সে রাষ্ট্রের প্রধান বছরের পর বছর শত্রুপক্ষের জেলে থাকলে সে রাষ্ট্র বেঁচে থাকে কী করে? আবুল বারকাতের কাছে এসব প্রশ্নের উত্তর আছে কি? অথচ এরাই আওয়ামী লীগের প্রথম শ্রেণীর বুদ্ধিজীবী! এককালে বাংলাদেশের নাম ছিল পূর্ব পাকিস্তান। সে পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানের প্রাদেশিক গভর্নর ছিল এবং তার একটি প্রশাসনও ছিল। কিন্তু ১৯৭১ সালে ভারতীয় বাহিনীর দখলদারির কারণে সে প্রাদেশিক সরকারের সবাই কারারুদ্ধ হয়। তখন পাকিস্তানি রাষ্ট্রও এ প্রদেশটিতে আর বাঁচেনি। এতে জামায়াত যদি রাষ্ট্রই হয়ে থাকে, তবে দলটির প্রধান ও তার কেন্দ্রীয় নেতারা কারারুদ্ধ হলে সে রাষ্ট্র বাঁচে কী করে? এসব প্রশ্ন কি আবুল বারকাতের মনে একবারও উদয় হয়েছে?
বহু মানুষ শুধু মানসিক বিকলঙ্গতা নিয়ে জন্মায় না। জন্মের পর, এমনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ডিগ্রি নিয়েও বহু মানুষ পাগল হয়। আওয়ামী লীগে এমন অপ্রকৃতস্থ পাগলের সংখ্যা কি কম; বরং এ আওয়ামী পাগলদের পাগলামিটা ভিন্ন মাত্রার। কোনো বদ্ধপাগলও কি কখনও বলবে, কিছু মানুষের ঝাঁকুনিতে একটি নয়তলা বিশাল বিল্ডিং ধসে পড়বে? অথচ যিনি বলেছেন, তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী এবং পিএইচডি ডিগ্রিধারী। আর তার নাম মহীউদ্দীন খান আলমগীর। ফলে আওয়ামী লীগে এমন পাগল শুধু আবুল বারকাত একা নন। ডাকাত দলে একজনও সুস্থ মানুষ খুঁজে পাওয়া যায় না, তেমনি পাওয়া যাবে না আওয়ামী লীগেও। কারণ সুস্থ মানুষের সুস্থতার সবচেয়ে বড় গুণটি হলো ডাকাতিকে ঘৃণা করা। তাই ডাকাত দল গড়ে ওঠে শতভাগ অসুস্থ ও চরিত্রহীন মানুষ দিয়ে। এ অসুস্থতা দৈহিক নয়, বরং নৈতিক। তেমনি কোনো স্বৈরাচারী শাসকের দলেও কোনো সুস্থ ও চরিত্রবান মানুষ পাওয়া যায় না। মূর্তিপূজারি কাফেরদের মন্দিরে ঈমানদার খুঁজে পাওয়ার মতো সেটিও এক অচিন্তনীয় ব্যাপার। কারণ সুস্থ ও চরিত্রবান মানুষ দিয়ে তো আর ফ্যাসিবাদী দল গড়া যায় না এবং তাদের দিয়ে বাকশালি স্বৈরাচার ও হাজার হাজার মানুষ হত্যার নীতিকে সমর্থন করিয়ে নেয়া যায় না।
মিথ্যা বলা যেখানে স্ট্র্যাটেজি
ইসলামের বিরুদ্ধে একটি দীর্ঘকালীন গণহত্যার যুদ্ধকে ন্যায়সঙ্গত করার স্বার্থে আল কায়েদাকে একটি দানবীয় শক্তিরূপে চিত্রিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন জনগণকে আল কায়েদার ভয় না দেখালে সরকারের পক্ষে কি সম্ভব হতো তাদের পকেট থেকে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার লুট করা? সম্ভব হতো কি আফগানিস্তান ও ইরাকে প্রায় তিন ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয়ের বিশাল যুদ্ধকে গ্রহণযোগ্য করা? বাংলাদেশেও তেমনি ইসলামপন্থীদের সহিংসতা নির্মূলের লক্ষ্যে ইসলামি দলগুলোকে দানবীয় শক্তিরূপে চিত্রিত করার সর্বপ্রকার প্রচেষ্টা হচ্ছে। হেফাজতে ইসলামের হাজার হাজার কর্মীকে নির্মমভাবে হতাহত করাকে জায়েজ করতে তারা প্রচার করছে হেফাজতের মুসল্লিরা বায়তুল মোকাররমের সামনে বইয়ের দোকানে পবিত্র কোরআন শরিফ পুড়িয়েছে। বলা হচ্ছে, তারা রাস্তার গাছ নষ্ট করেছে। শত শত মানুষ হত্যাকারী এ খুনিরা এখন গাছপ্রেমিক হয়েছে? বলা হচ্ছে, তারা নাকি ব্যাংকগুলোতে আগুন দেয়ার পরিকল্পনা করেছিল। এক্ষেত্রে আবুল বারকাতের নিজের মিথ্যাচারটিও দেখবার মতো। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে এখন প্রতি তিনজন ছাত্রের একজন মাদরাসার ছাত্র (যার মোট সংখ্যা হবে ৮০ লাখ)। দেশে মোট মাদরাসার সংখ্যা হবে ৫৫ হাজারের বেশি, যার মধ্যে ৭৩ শতাংশ কওমি মাদরাসা। এসব মাদরাসা পরিচালনে বছরে ব্যয় হয় আনুমানিক ১,৪০০ কোটি টাকা আর মাদরাসা পাসদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৭৫ শতাংশ।’ বোঝা যাচ্ছে, যেখানেই তিনি নজর দেন, সেখানেই তিনি মাদরাসার ছাত্র দেখতে পান। সে সংখ্যাও প্রতি তিনজনে একজন! ফলে সর্বত্র দেখতে পান বিপুলসংখ্যক ইসলামের ঝান্ডাবাহীদের। এটি তার মহাদুশ্চিন্তা। তার ভাষায় মহাবিপর্যয়। প্রশ্ন হলো, এমন মহাবিপর্যয়ের এত দুশ্চিন্তা নিয়ে তিনি ঘুমান কী করে? অথচ তার মনে সামান্য ঈমান থাকলে বিষয়টি ভিন্নতর হতো। কারণ যেখানেই ইসলাম, যেখানে মাদরাসার ছাত্র—তা দেখে তো একজন ঈমানদার খুশি হন। কারণ তারা তো ইসলামের সেবক। তাদের দেখে মৃত্যুর ভয় পাবে তো ইসলামের শত্রুরা। কিন্তু সেটিই হয়েছে আবুল বারকাতের ক্ষেত্রে। ইসলাম ও মাদরাসার ছাত্র দেখে তিনি ভয়ে জর্জরিত। তিনি ভয় পাচ্ছেন, ইসলামপন্থীরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অচিরেই দখল করে নেবে! তার ভয়, ইসলামি যুবকদের আত্মদানে। তারা কেন শহীদ হয় এবং শহীদি জজবা নিয়ে বোমায় পরিণত হয়, তা নিয়ে তার প্রচুর বিস্ময়।
আরও প্রশ্ন হলো, এসব আজগুবি তথ্য আবুল বারকাত পেলেন কোত্থেকে? বাংলাদেশের প্রতি তিনজন ছাত্রের মধ্যে একজন মাদরাসা ছাত্র এবং তাদের সংখ্যা ৮০ লাখ—এসব কি বিশ্বাসযোগ্য? মাদরাসার পেছনে ১৪শ’ কোটি টাকা ব্যয় হয়—এমন নিখুঁত হিসাবইবা কোত্থেকে বের করলেন? মিথ্যা আবিষ্কারে তাদের মগজ যে কত উর্বর, এ হলো তার নমুনা। হার্ভার্ডে বসে হাসিনাতনয় জয়ও এমন মিথ্যা আবিষ্কার করেছিলেন। সে বলেছিলেন, বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর বিপুলসংখ্যক অফিসার হলো মাদরাসার ছাত্র। আওয়ামী নেতাকর্মী ও বুদ্ধিজীবীদের ঘরে ঘরে এভাবেই মিথ্যা উত্পাদনের ফ্যাক্টরি।
নিন্দিত হচ্ছে জিহাদ ও ইসলামি রাষ্ট্র
ইসলামের শত্রুদের কাছে ইসলামি রাষ্ট্র যেমন নিন্দিত, তেমনি অপরাধ হলো সে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জিহাদ। আবুল বারকাত সে জিহাদকে চিত্রিত করেছেন জঙ্গিবাদরূপে। তার মতো লোকদের কাছে জঘন্য ভাষায় নিন্দিত হচ্ছে ইসলামপন্থীদের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হাতে নেয়ার চেষ্টা। ইসলামি রাষ্ট্র তাদের কাছে ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র। ইসলামের বিরুদ্ধে এমন এক বিষাক্ত ঘৃণা নিয়েই তো নাস্তিক ব্লগাররা মহান আল্লাহ তায়ালা, তাঁর প্রিয় রাসুল (সা.) ও রাসুল (সা.)-এর বিবিদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করে যাচ্ছে। হেফাজতে ইসলামের উত্থানের পর থেকে ইসলামের শত্রুপক্ষের মনে ইসলামভীতি এখন তুমুলে। তাদের বিরুদ্ধে আবুল বারকাতের অভিযোগ, ‘সুসংগঠিত জঙ্গি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে উদ্যত।’ বলেছেন, ‘তারা ধর্মকে বর্ম হিসেবে ব্যবহার করছে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে।’ অভিযোগ তুলেছেন, ‘ধর্মভিত্তিক এ রাজনৈতিক মতাদর্শ ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায়।’
প্রশ্ন হলো, ইসলামের প্রতিষ্ঠায় জিহাদ করা এবং সে জিহাদে প্রাণ দেয়া এবং ধর্মকে নিজ স্বার্থে ব্যবহার করা কি এক কথা? মুসলমান হওয়ার দায়বদ্ধতা হলো, ইসলামি বিধান প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে নেয়া। রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে না নিলে রাষ্ট্রের বুকে ইসলামের শরিয়তি বিধানের প্রতিষ্ঠা কীরূপে সম্ভব? ইসলাম তাই মসজিদ, মাদরাসা, খানকাহ বা মাজারে বন্দি থাকার বিষয় নয়। নবীজী তাই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হাতে নিয়েছিলেন, সাহাবারাও নিয়েছিলেন। ইসলামের শত্রুপক্ষের অধিকৃতি হটিয়ে দখলে নেয়ার কাজটি হলো জিহাদ। এমন জিহাদে প্রাণদান হলো শাহাদত। ইসলামে তো এটি সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্মকর্ম। অথচ আবুল বারকাত এর মধ্যে দোষ খুঁজছেন। তার কথা, ইসলাম যতদিন মসজিদ-মাদরাসা, সুফিদের মাজারে বা খানকায় আবদ্ধ থাকবে, ততদিনই সেটি প্রকৃত ধর্ম। সেখান থেকে বেরিয়ে এসে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হাতে নেয়ার চেষ্টা হলেই সেটি উগ্র জঙ্গিবাদ। রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে নিয়েছেন খোদ নবীজি (সা.) ও খোলাফায়ে রাশেদিনরা। প্রশ্ন হলো, তাদের তিনি কী বলবেন? আবুল বারকাতের কাছে ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলো রাষ্ট্রীয় ফ্যাসিবাদ। অথচ মুজিব যেভাবে একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করলেন, ছিনিয়ে নিলেন জনগণের মৌলিক মানবিক অধিকার এবং হত্যা করলেন ৩০-৪০ হাজার মানুষ, তাকে তিনি কী বলবেন? মুজিবের মতো গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রমাণিত শত্রুকে তিনি বঙ্গবন্ধু বলতে পাগল! তিনি মুজিবকে এতটা মাথায় তুলেছেন তার নিজের অবস্থান গণতন্ত্র, মানবতা ও ইসলামের বিপক্ষে হওয়ার কারণে। মানবতা ও ইসলামের বিরুদ্ধে এমন একটি বিপক্ষীয় অবস্থান থেকে তিনি ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের বিরুদ্ধে গালাগাল করবেন এবং শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের নাস্তিকদের ইসলামপন্থী রাজনীতি নিষিদ্ধ ও ইসলামি নেতাদের ফাঁসির আন্দোলনকে ‘তরুণ প্রজন্মের আলোকিত আন্দোলন’ বলবেন, সেটিই কি স্বাভাবিক নয়?
পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠা কি বিপর্যয়?
যেখানেই ইসলাম ও মুসলিম স্বার্থের প্রতি অঙ্গীকার, সেখানেই আবুল বারকাতের মতো ব্যক্তি পশ্চাত্পদতা ও সাম্প্রদায়িকতা দেখেন; দেখেন বিপর্যয় এবং মুসলমানদের গলাকাটার মধ্যে দেখেন প্রগতি। তাই প্রচণ্ড প্রগতি দেখেছেন মতিঝিলে হাজার হাজার মুসল্লি হত্যার মধ্যে। অথচ ভারতে মুসলিম নিধন ও মুসলমান নারীদের ধর্ষণের মাঝে তিনি কোনো পশ্চাত্পদতা দেখেন না। তাই তার বিরুদ্ধে নিন্দাবাদও জানান না। বহু ভারতীয় হিন্দুও ভারতে এরূপ মুসলিম হত্যার প্রবল নিন্দা জানিয়েছেন। অরুন্ধতি রায়ের মতো ব্যক্তিরা আন্দোলনেও নেমেছেন। কিন্তু আবুল বারকাতরা কি একটিবারের জন্যও নিন্দা বা প্রতিবাদ জানিয়েছেন? পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার মাঝে যৌক্তিকতা দেখেছেন, এমনকি অনেক অমুসলমানও। আবুল বারকাতরা যে ভারতীয় হিন্দুদের চেয়েও বেশি মুসলিমবিদ্বেষী, সেটি কি এরপরও বুঝতে বাকি থাকে? এমন একটি মুসলিমবিদ্বেষ নিয়েই তিনি ১৯৪৭ সালের উপমহাদেশের মুসলমানদের পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা আন্দোলনকে বলেছেন পশ্চাত্মুখী। তার কথায় ‘পূর্ব বাংলায় ইসলাম ধর্মের ইতিহাসে প্রথম বড় মাপের পশ্চাত্মুখী রূপান্তর (বিপর্যয়) ঘটেছে গত শতাব্দীতে—যখন ব্রিটিশ উপনিবেশবিরোধী আন্দোলনের একপর্যায়ে ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গ এলো।’ যেখানেই মুসলমানের জাগরণ ও স্বার্থ রক্ষণের বিষয়, সেটিই আবুল বারকাতের কাছে মনে হয়েছে পশ্চাত্পদতা। সে ধারণা নিয়েই তিনি ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাকে বলছেন সাম্প্রদায়িকতা। কথা হলো, ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টি না হলে আজকের বাংলাদেশ কোত্থেকে আসত? সে হুশ কি তার আছে? তার আফসোস, ‘ধর্মভিত্তিক দেশ বিভাজনে ইসলাম ধর্মের উদারনৈতিক-মানবিক ধারার সুফি-ওলামারা বাধা দিতে পারলেন না।’ অথচ মহম্মদ ঘোরির হাতে দিল্লি বিজয়েরে পর দক্ষিণ এশিয়ার বুকে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠা ছিল দক্ষিণ এশিয়ার মুসলিম ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরবজনক ঘটনা। মুসলমানের বিজয় ও গৌরব নিয়ে যাদের মনঃকষ্ট একমাত্র তারাই ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের সৃষ্টিতে কষ্ট পেতে পারে। সে কষ্ট যেমন ভারতীয় হিন্দুরা পায়, তেমনি বাংলাদেশের বুকে তাদের প্রতিপালিত এজেন্টরাও পায়।
বাংলাদেশে আজও ইসলামপন্থীদের কেন ফাঁসিতে ঝোলানো যায়নি, তা নিয়ে আবুল বারকাতদের বড়ই আফসোস। সে কাজ সে হাসিনা শুরু করেছেন। তাতেই তার আনন্দ। তবে তার ভয় বেড়েছে ইসলামের পক্ষে গণজাগরণ দেখে। সে জাগরণের মাঝে তিনি বিপন্নতা দেখছেন। বলেছেন, ‘উগ্র জঙ্গিবাদ যে ‘আত্মঘাতী বোমা সংস্কৃতি’ চালু করেছে, তাতে জাতি-ধর্ম-বর্ণ-ধনী-নির্ধন নির্বিশেষে দেশের সব মানুষের জীবন বিপন্নপ্রায়। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া যতই ত্বরান্বিত হচ্ছে, এ বিপন্নতা ততই বাড়ছে।’ অথচ আবুল বারকাত দেখেও দেখেন না যে, দেশে আজ প্রচণ্ড ফ্যাসিবাদী শাসন। দেশের শত শত মানুষ মারা যাচ্ছে ইসলামপন্থীদের হাতে নয়, বরং আওয়ামী দুর্বৃত্তদের হাতে। দেশ বিপন্ন তো হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের কারণে। দেশের স্বাধীনচেতা মানুষের পিঠ আজ দেয়ালে ঠেকে গেছে। ৩০-৪০ হাজার মানুষ আজ জেলে। ৫ মে ও ৬ মে বহু হাজার মুসল্লিকে এ ফ্যাসিস্ট সরকার নির্মমভাবে নিহত ও আহত করল। তার আগে নিহত করেছে প্রায় দুইশ’ জামায়াত শিবিরকর্মী ও সাধারণ মানুষকে। সরকারবিরোধী গণমাধ্যমগুলো একের পর এক বন্ধ করা হচ্ছে। মানুষ গুম হচ্ছে। ‘আমার দেশ’ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করে নির্যাতন করা হচ্ছে। নির্মম নির্যাতন করা হচ্ছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের। এরূপ ফ্যাসিবাদী নির্মমতার বিরুদ্ধে বহু বিবেকবান মানুষই প্রতিবাদ করছেন। প্রতিবাদে সাধারণ জনগণও জেগে উঠেছে। জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হওয়া প্রতিটি মুসলমানের ঈমানি দায়িত্ব। যখনই কোনো স্বৈরশাসক জনগণের ওপর এরূপ আঘাত হানে, তখনই জনগণ এভাবে জেগেছে। সেটি যেমন মুজিব আমলে জেগে উঠেছিল, তেমনি আজও জেগে উঠছে। এটিই একটি জীবিত জনগণের স্বাভাবিক রূপ। কিন্তু বিবেকের সে সুস্থতা কি আবুল বারকাতের মতো আওয়ামী ঘরানার বুদ্ধিজীবীদের আছে? থাকলে এ নৃশংসতার বিরুদ্ধে তা মুখে প্রতিবাদ কই? জনগণের জেগে ওঠার বিরুদ্ধে তারা এত শঙ্কিত কেন?
ফ্যাসিবাদের নাশকতা
রোগ-জীবাণুর আক্রমণে দেহের মৃত্যু ঘটে। আর ফ্যাসিবাদের আক্রমণে হাজার হাজার মানুষের দৈহিক মৃত্যুর সঙ্গে মৃত্যু ঘটে অসংখ্য মানুষের বিবেকেরও। বিপুল হারে উত্পাদিত হয় দাস চরিত্রের মানুষ। বাংলাদেশের বুকে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের হাতে এখানেই ঘটেছে সবচেয়ে বড় নাশকতা। তারা বহু হাজার মানুষকেই শুধু হত্যা করনি, হত্যা করেছে লাখ লাখ মানুষের বিবেকও। অন্ধ করে দিয়েছে তাদের মনও। সেটি যেমন মুজিব আমলে ঘটেছিল, তেমনি আজও ঘটছে। এতে আওয়ামী লীগ ও তার পক্ষের হাজার হাজার নেতাকর্মী আজ বিবেকশূন্য। হাসিনা সরকারের হাতে নির্মম নৃশংসভাবে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু যেমন তাদের নজরে পড়ে না, তেমনি নজরে পড়ে না শেখ মুজিবের বাকশালি স্বৈরাচারের নিষ্ঠুরতাও। সরকারি প্রচারযন্ত্র ব্যস্ত মুজিবের সে নিষ্ঠুরতা ভুলিয়ে তাকে ফেরেশতাতুল্য হিসেবে জাহির করার কাজে। সে কাজে নেমেছেন আবুল বারকাতের মতো শত শত ব্যক্তি। সে মুজিবি নিষ্ঠুরতা যে কত নির্মম ছিল, তার বিবরণ বহু। উদাহরণ দেয়া যাক কমিউনিস্ট নেতা (সিপিবি নয়) শান্তি সেনের স্ত্রী অরুণা সেনের বিবৃতি থেকে। অরুণা সেন ও তার পুত্রবধূ রিনা সেন ও হনুফা বেগমকে রক্ষীবাহিনী কী বর্বর নির্যাতনই না করেছিল! শারীরিক নির্যাতন, যৌন নির্যাতন, পুকুরে চোবানো, চাবুক দিয়ে পেটানো, নগ্ন অসুস্থ অবস্থায় কম্বলচাপা দিয়ে শ্বাসরোধ করে রাখা (কথামালার রাজনীতি ১৯৭২-’৭৯/ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী, তৃতীয় সংস্করণ, পৃ.৫৫)। মুজিব আমলে বাজিতপুরের ইকোটিয়া গ্রামের কৃষক আবদুল আলীর ছেলে রশিদের খুনের ঘটনাটি কত নৃশংসাভাবে ঘটেছিল, সে বিবরণ দিয়েছেন আবদুল আলী এক সাক্ষাত্কারে। সেটি এরূপ : ‘আমার সামনে ছেলেকে গুলি করে হত্যা করল। আমার হাতে কুঠার দিয়ে বলল, ‘মাথা কেটে দে, ফুটবল খেলব।’ আমি কি তা পারি? আমি যে বাপ। কিন্তু অত্যাচার কতক্ষণ আর সহ্য করা যায়। সহ্য করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত নিজের হাতে ছেলের মাথা কেটে দিয়েছি।’ (বাংলাদেশে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, ইতিহাসের কাঠগড়ায় আওয়ামী লীগ, আহমেদ মুসা, পৃ. ৬৭-৬৮)। এরূপ নির্যাতন ও এরূপ নৃশংসতা শুধু অরুণা সেন, রিনা সেন কিংবা কৃষক আবদুল আলীর ছেলে রশিদের ক্ষেত্রেই ঘটেনি; ঘটেছে আরও হাজার হাজার মানুষের ক্ষেত্রে। ইদানীং একই নৃশংসতা ঘটে গেল শাপলা চত্বরে। আজও ঘটছে ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও শত শত জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে।
ঘরের শত্রু ও বিপর্যয়ের পথে দেশ
আবুল বারকাতের দৃষ্টিতে এ নৃশংস মুজিবই বাংলার ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি এবং তার দল আওয়ামী লীগই বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ সংগঠন। তিনি তার বয়ানে আওয়ামী লীগকে স্বাধীনতা সংগ্রামী সংগঠনরূপে ভূষিত করেছেন। অন্য কোনো দলের প্রশংসায় তিনি একটি কথাও বলেননি। কথা হলো, আবুল বারকাত কি স্বাধীনতার অর্থ বোঝেন? স্বাধীনতার অর্থ একটি মানচিত্র লাভ। বাংলার মানচিত্র কি আগেও কেউ গিলে খেয়েছিল? স্বাধীনতার অর্থ তো সাধারণ জনগণের মতামত প্রকাশ, সংগঠন গড়া, রাজনীতি করা ও দাবি-দাওয়া নিয়ে আন্দোলন করার পূর্ণ স্বাধীনতা, সেটি স্রেফ কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বাধীনতা নয়। শেখ মুজিব ও তার দল আওয়ামী লীগ কি সে স্বাধীনতা জনগণকে কোনোকালেও দিয়েছে; আজও কি দিচ্ছে? বরং জনগণের সে স্বাধীনতা নির্মমভাবে কেড়ে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। সেটি যেমন একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে, তেমনি মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করে। বরং আওয়ামী লীগের অপরাধ তো আরও জঘন্য। শুধু কথা বলা, দল গড়া বা রাজনীতির অধিকারই তারা হরণ করেনি; বরং কেড়ে নিয়েছে হাজার হাজার মানুষের জীবনে বেঁচে থাকার অধিকারও। মুজিব তার শাসনামলে হত্যা করেছেন ৩০-৪০ হাজার বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীকে। ৫ মে ও ৬ মে মাত্র এ দুটি দিনে মুজিবকন্যা নিহত ও আহত করেছেন হেফাজতে ইসলামের হাজার হাজার মুসল্লিকে। বাংলার বুকে মুসলমানের এত বড় ক্ষতি কোনো মনুষ্যজীবের হাতে কি কোনোকালেও হয়েছে? জনগণের জানমাল ও স্বাধীনতার এত বড় শত্রুকে স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বললে স্বাধীনতার শত্রু কে?
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিব ও তার পরিবারের অনেকেই নিহত হয়েছেন। কিন্তু মুজিব পরিবারের সব সদস্য তার পারিবারিক ঐতিহ্য নিয়ে ডাইনোসরের মতো নির্মূল হয়ে যাননি। বাংলার মানুষ তাই ডাইনোসরকে না চিনলেও মুজিব ও তার পরিবারকে চেনে। মাঝে মধ্যে ভুলে গেলেও আবার স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য মুজিব পরিবারের সদস্যরা এখনও বেঁচে আছেন। রাজনীতিতে বেঁচে আছেন মুজিবি নৃশংসতা নিয়ে। বাংলাদেশে জনগণের বুকে বারবার ছোবল মারছে মুজিবি বাকশাল। আওয়ামী লীগের ইতিহাস জানার জন্য কি ইতিহাসের বই পাঠের প্রয়োজন পড়ে? আবুল বারকাতদের বয়ান শোনারও কি প্রয়োজন হয়? তবে তার বয়ানে যেটি প্রকাশ পেয়েছে, সেটি তার নিরেট মিথ্যাচার ও চাটুকারী চরিত্র। সেই সঙ্গে ইসলামের বিরুদ্ধে সহিংস আক্রোশ। বাংলাদেশের মুসলমানের বিরুদ্ধে এরাই ঘরের শত্রু। জানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু গোখরা শাপগুলোক চিনলে চলে না, ভালোভাবে চিনতে হয় ঘরের শত্রুদেরও; চিনতে হয় বিদেশি শত্রুদেরও। বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় বড় ডিগ্রির চেয়েও এ জ্ঞানের গুরুত্ব অনেক বেশি। ইসলামের শুরুতে কোনো কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না, কিন্তু মসজিদের পবিত্র মেঝেতে এ জ্ঞানলাভটি সঠিকভাবে হয়েছিল। ফলে ঘরের গোখরা শাপগুলো চিনতে ও নির্মূলে তারা ভুল করেননি। কিন্তু বাংলাদেশে সে কাজটাই যথার্থভাবে হয়নি। এ কারণে নিশ্চিত হয়নি দেশের শান্তি, নিরাপত্তা ও গৌরব। মানুষ তাই হাজারে হাজার লাশ হচ্ছে, গুম হচ্ছে, ধর্ষিতাও হচ্ছে এবং দেশ ধেয়ে চলেছে মহাবিপর্যয়ের দিকে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
June
(1507)
-
▼
Jun 04
(66)
- নব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে মুসলিম নারীদের অসম্মান by...
- রিমান্ডে নির্যাতন ও মানবাধিকার বেপারিদের নীরবতা by...
- আওয়ামী বুদ্ধিজীবীর মহাবিপর্যয়ভীতি ও মিথ্যাচার by ফ...
- বাজেটে নতুন স্বপ্ন দেখানোর চেষ্টাঃ নির্বাচনের বছরে...
- বিনিয়োগ নেই তবু প্রবৃদ্ধির গালগল্পঃ মারাত্মক ঝুঁকি...
- বিনিয়োগ নেই তবু প্রবৃদ্ধির গালগল্পঃ মারাত্মক ঝুঁকি...
- বাজেটে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি বড় চ্যালেঞ্জ: ড. আশিক...
- পারমাণবিক অস্ত্র বাড়িয়েছে তিন দেশ
- চীনে কারখানায় আগুন ১১৯ জনের মৃত্যু
- নতুন ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রী হামাদাল্লাহ উদারপন্থী
- সাদিকের আঘাতে রক্তাক্ত ইমরান!
- মধ্য ইউরোপে প্রবল বন্যায় চারজনের মৃত্যু
- বাড়ির আঙিনায় কুমির!
- প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী দেবে পিপলস পার্টি
- জনগণই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে রক্ষা করতে পারে
- তুরস্কে বিক্ষোভ চলছেই, প্রধানমন্ত্রীর শান্তির আহ্বান
- আত্মহত্যার চেষ্টা
- অ্যাসাঞ্জকে নিয়ে সংলাপের সম্ভাবনা
- সঙ্কটে পাটকল, সহায়তা চান মালিকরা by আহমেদ রাজু
- ব্লগারদের প্রতিবাদ
- নিমতলী ট্র্যাজেডি- কেমন আছেন প্রধানমন্ত্রীর কন্যারা
- বন্দি তানভীরের ফোনালাপ by লায়েকুজ্জামান
- দুই ভরি স্বর্ণের জন্য
- নির্বাচন স্বচ্ছ না হলে মাশুল দিতে হবে অর্থনীতিকেঃ ...
- ছদ্মবেশী খুনি ওরা
- ‘সবজি ভরা বাজার, তবুও দাম চড়া’ by ইমরান আলী
- কারণ সনাক্ত, সমাধান নেই
- দুই ঘণ্টা বক্তব্য দিয়ে চলে যাবেন নাঃ সুরঞ্জিত
- পরিবেশ দূষণের শিকার শিশু স্বাস্থ্য by মো: আলমগীর
- সেই ছবি- সংসদের শীর্ষ তিন আসনে তিন নারী...
- বার্মার রোহিঙ্গাদের দুর্দশার কাহিনী by রুশনারা আলী
- অবাধ ও সুষ্ঠু হোক সিটি নির্বাচন
- যুবক, ছুঁয়ে যাও মানবিক হৃদয়... by রিফাত মুনীর ইতি
- শিক্ষাঙ্গন-বাজেট ও শিক্ষা by তারেক শামসুর রেহমান
- কার স্বার্থে রাজনীতি
- অনলাইনে কেনাকাটা by একরামুল হক শামীম
- স্তন ক্যান্সার-আমার চিকিৎসা আমার সিদ্ধান্ত by অ্যা...
- সমকালীন প্রসঙ্গ-ভোট দিয়ে জনগণ জাতীয় সংসদে প্রতিনিধ...
- পেশাজীবীদের দায় আগে সেবা পরে রাজনীতি
- আর্থ-সামাজিক লক্ষ্য অর্জন আন্তর্জাতিক সহায়তা বাড়াত...
- সাদিকের আঘাতে রক্তাক্ত ইমরান!
- অ্যাসাঞ্জকে নিয়ে সংলাপের সম্ভাবনা
- পারমাণবিক অস্ত্র বাড়িয়েছে তিন দেশ
- বাড়ির আঙিনায় কুমির!
- জনগণই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে রক্ষা করতে পারে
- বানিয়ারচর হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত দাবি
- ৬ তলার ওপর হেলে পড়েছে ৩ তলা দুটি ভবনই ভেঙে ফেলার ন...
- ২৪১ কোটি টাকায় দুটি উড়োজাহাজ কিনল নৌবাহিনী
- বরিশাল সিটি নির্বাচন সমন্বয় ছাড়া কাজ করছে তিন দপ্ত...
- প্রতিবাদের মুখে সড়কের কাজ বন্ধ
- গাইবান্ধায় ধান-চাল কেনায় অনিয়মের অভিযোগ
- নদীর তিন কিলোমিটারে আটটি বাঁধ দিয়ে রাস্তা by উজ্জ্...
- সদ্য নির্মিত সেতুর নিচ থেকে চলছে মাটি কাটা
- বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় পরিচর্যামূলক নজরদারি দ...
- অন্যান্য অপরাধ দমনেও চাই সক্রিয়তা সন্ত্রাসবাদ দমনে...
- টর্ট আইন ক্ষতিপূরণের ফাঁপা আশ্বাস by এম এম খালেকুজ...
- দেখা থেকে লেখা কেমন আছে বার্ন ইউনিট by মশিউল আলম
- ছিপছিপে শরীর শুষ্ক ত্বক! by সিদ্ধার্থ মজুমদার
- রঙিন সময় by তাওহিদা জাহান
- গরমে খাটো প্যান্ট by ইমাম হাসান
- বৃষ্টিতে জর্জেট শাড়ি by রয়া মুনতাসীর
- সাভারে ভবনধস: ৪১ দিনেও জ্ঞান ফেরেনি মনোয়ারের মায়ের...
- অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সিপিডির পর্যালোচনা অর্থনী...
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিয়ে সংসদে আলোচনা প্রস্তাব ...
- তানভীর হত্যা মামলা: ওসমান পরিবারের কাউকে জিজ্ঞাসাব...
- গ্যাস-সংযোগের উদ্বোধন বৃহস্পতিবার পর্যায়ক্রমে সবাই...
-
▼
Jun 04
(66)
-
▼
June
(1507)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment