Tuesday, December 2, 2014
ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে অর্থনীতি
ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে অর্থনীতি
উচ্চ সুদ ও বেপরোয়া সার্ভিস চার্জ আঘাত
করছে বিনিয়োগে। দীর্ঘ সময় ধরে দেশে বিনিয়োগ হচ্ছে না, ঋণ সরবরাহ কমে গেছে,
রফতানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, রেমিটেন্স প্রবাহ কমে গেছে, বাজারে
কমেছে ডলারের সরবরাহ। সার্বিক অর্থনীতিতে পড়তে শুরু করেছে এসবের দুষ্ট
প্রভাব। এই অবস্থা দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকলে দেশের অর্থনীতি ধ্বংসের
দ্বারপ্রান্তে গিয়ে দাঁড়াবে বলে আশংকা করেছেন উদ্যোক্তারা। সরকারের পক্ষ
থেকে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য নানা উদ্যোগ নেয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে কোনো
কিছুই করা হচ্ছে না। সরকারের নীতিনির্ধারকদের কথা কাগজে-কলমেই থেকে যাচ্ছে।
তা আলোর মুখ দেখছে না। ফলে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডেও গতি আসছে না।
উদ্যোক্তারা বলেছেন, অর্থনীতিকে গতিশীল করতে হলে সবার আগে বিনিয়োগ বাড়াতে
হবে। বিনিয়োগ অর্থনীতিতে ‘রক্ত সঞ্চালনের’ ভূমিকা পালন করে। বিনিয়োগ বাড়ানো
না গেলে অর্থনীতিতে গতি আসবে না। এর জন্য ঋণের খরচ কমাতে হবে। ঋণের সুদের
হার কমাতে হবে। ব্যাংকগুলোর মাত্রাতিরিক্তি সার্ভিস চার্জের লাগাম টেনে
ধরতে হবে। অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধান ও এগুলোর ফি কমাতে হবে। এসব ব্যাপারে
শিল্পবান্ধব পদক্ষেপ নেয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে তার কিছুই হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এর নেপথ্যে রয়েছে দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে গভীর যড়যন্ত্র। কেননা ঋণের সুদের হার ও সার্ভিস চার্জ কমলে দেশে বিনিয়োগ বাড়বে, শিল্প স্থাপন হবে। কর্মসংস্থান বাড়বে। দেশের উন্নতি হবে। কিন্তু একটি চক্র চায় না দেশের উন্নয়ন হোক। এ কারণে তারা চায় ব্যাংকের উচ্চ সুদের হার, সার্ভিস চার্জ না কমুক। যারা সরকারকে এসব বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছে তারা কেউ শিল্পপতি নয়। ফলে তারা শিল্প খাতের সমস্যাগুলো সম্পর্কে জানে না বা জেনেও না বোঝার ভান করে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের অর্থনীতি।
উদ্যোক্তারা বলেছেন, সরকারের উপদেষ্টারা বাস্তব অর্থনীতি সম্পর্কে অবহিত নন। তারা নিজেদের বুদ্ধিমান দাবি করেন। কিন্তু বাস্তব অর্থনীতির জ্ঞান তাদের নেই। এছাড়া তাদের অনেকে ভিন্ন দেশের স্বার্থ সংরক্ষণে তৎপর। এ কারণে দেশের অর্থনীতির অগ্রগতির পথে বাধাকে আরও জোরদার করতে তৎপর থাকে। তাদের মতে, ঋণ নিয়ে ব্যাংকের ভেতরে-বাইরে ব্যাপক দুর্নীতি হয়। এই দুর্নীতির কারণে ব্যাংকের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। ফলে প্রকৃত উদ্যোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাবে।
চাহিদা অনুযায়ী টাকার সরবরাহ কম : বাজারে টাকার চাহিদা আছে কিন্তু সরবরাহ নেই। অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও যেসব উদ্যোক্তা চলমান প্রকল্পের জন্য ঋণ নিতে চান তাদের চাহিদা অনুযায়ী ঋণের জোগান দেয়া হচ্ছে না। ফলে সেসব উদ্যোক্তাও নতুন করে টাকার সংকটে ভুগছেন। এতে শিল্পের বিকাশ যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি অর্থনৈতিক অগ্রগতিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঋণের প্রবাহ বেড়েছে মাত্র ২ দশমিক ৯ শতাংশ। আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩ শতাংশের বেশি। গত অর্থবছরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ বেড়েছিল প্রায় সাড়ে ১২ শতাংশ।
একদিকে বিনিয়োগ না হওয়ায় বাজারে ঋণের চাহিদা বাড়ছে না। অন্যদিকে যারা ঋণ নিতে চাচ্ছেন তারা চেয়েও পাচ্ছেন না। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকিং খাতে ঘটে যাওয়া জালজালিয়াতির কারণে ব্যাংকাররা এখন ঋণ দিতে অনেক সতর্ক। যে কারণে এখন অনেক ভালো উদ্যোক্তাও ঋণ পাচ্ছেন না। ব্যাংক কর্মকর্তাদের সহায়তায় ঘটা জালজালিয়াতির দায় পড়ছে ভালো উদ্যোক্তাদের ঘাড়ে। ভালো গ্রাহক হিসেবে পরিচিত উদ্যোক্তারাও ঋণ নিতে গেলে ব্যাংকগুলো বিমাতাসুলভ আচরণ করছে।
এলসি নিচ্ছে না ব্যাংক : ব্যাংকগুলোতে ফান্ডেড ঋণ বিতরণে নানা বিধিনিষেধ আরোপিত থাকলেও নন-ফান্ডেড ঋণে বিধিনিষেধ অনেক শিথিল। ব্যাংকের মূলধনের ২০ শতাংশ নন-ফান্ডেড বা এলসিতে বিনিয়োগ করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু তারপরও ব্যাংকগুলো বর্তমানে এলসি খোলার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে। গত অর্থবছরে আমদানি খাতে ব্যয় বেড়েছিল প্রায় ১৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবরে এলসি খোলা বেড়েছে ১২ শতাংশ এবং আমদানি ব্যয় বেড়েছে ১১ শতাংশ। সাম্প্রতিক সময়ে এটির প্রবৃদ্ধি আরও কমেছে। গত আগস্টে এলসি খোলা বেড়েছিল ২৭ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে তা কমে দাঁড়ায় প্রায় ১৮ শতাংশ। অক্টোবরের হিসাবে এই হার আরও কম হতে পারে। একই সময়ে এলসির দেনা পরিশোধের পরিমাণও কমেছে। গত আগস্টে এলসির দেনা পরিশোধ বেড়েছিল সাড়ে ৩৮ শতাংশ। গত সেপ্টেম্বরে এসে তা কমে দাঁড়ায় মাত্র ৯ শতাংশে। আমদানি খাতে এলসি খোলার পরিমাণ কমে যাওয়ায় সামনের দিনগুলোতে আমদানির পরিমাণও কমে যাবে। এর মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছে শিল্পের যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল। এসব পণ্যের আমদানি কমলে শিল্প খাতে নেতিবাচক প্রভাব আরও প্রকট হবে।
বিনিয়োগ হচ্ছে না : ব্যাংকের উচ্চ সুদসহ ১১ কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বিনিয়োগ। আশানুরূপ হারে বাড়ছে না দেশী বিনিয়োগ। মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে বিদেশী বিনিয়োগকারীরাও। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পলিসি পর্যায় থেকে বড় ধরনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। অন্যদিকে বিনিয়োগ না থাকায় দেশে কর্মসংস্থানের পথ রুদ্ধ হচ্ছে।
বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ছে বলে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, বিদেশে টাকা পাচারের সব পথ বন্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি ধারণা করছেন, টাকা পাচারের কারণেই বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ কমছে।
সূত্র জানায়, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ না থাকা, ঋণের অপ্রাপ্যতা, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদের হার, অবকাঠামো নির্মাণের অনুমতি না পাওয়া, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, কর প্রদান, বিদেশে টাকা পাচার, বৈদেশিক বাণিজ্য ও সম্পত্তি নিবন্ধন জটিলতা, অসচ্ছলতা ও চুক্তির বাস্তবায়ন জটিলতা বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে।
বিনিয়োগের অন্যতম সূচক হচ্ছে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ। বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা (আইএফসি) তাদের গবেষণা রিপোর্টে বলেছে, বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অবস্থান হচ্ছে বাংলাদেশের। বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে বিশ্বের অন্য কোনো দেশে এত হয়রানি ও বিলম্ব হয় না। পাশাপাশি বিনিয়োগের জন্য ব্যাংক ঋণ প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে অবনতি হয়েছে। উদ্যোক্তারা প্রত্যাশা অনুযায়ী ঋণ পাচ্ছে না। ব্যাংক ঋণ পেতে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ব্যাংক ঋণ না দেয়ার প্রমাণ পাওয়া যায় ঋণের প্রবৃদ্ধি থেকে। ব্যাংক ঋণের অপ্রাপ্যতার সঙ্গে যোগ হয়েছে ঋণের উচ্চ সুদ। এই অতিমাত্রার সুদের হার বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় অন্তরায় হিসেবে কাজ করছে। এই উচ্চ সুদ নিয়ে বিনিয়োগ করে উদ্যোক্তারা লাভবান হচ্ছেন না। ফলে নতুন করে ব্যাংক ঋণ নিয়ে বিনিয়োগে যাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা।
বিনিয়োগের আরেক বড় বাধা হচ্ছে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা। গত বছর রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণেও বিনিয়োগ কমেছে।
বিদেশে টাকা পাচারের পথ তৈরি হওয়ায় বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কমছে এমন আভাস দিয়েছে খোদ অর্থমন্ত্রী। সরকার মনে করছে, বিশ্বের অনেক দেশে টাকা চলে যাওয়ায় বিনিয়োগ বাড়ছে না। গ্লোবাল ফিনান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি (জিএফআই) তথ্য মতে, ২০১১ সালে ১১৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার, ২০১০ সালে ২১৯ কোটি ১০ লাখ ডলার ও ২০০৯ সালে ১০৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে। এছাড়া ২০০৮ সালে ১৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার, ২০০৭ সালে ২৫৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, ২০০৬ সালে ২৬৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার ও ২০০৫ সালে ৬৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার সমপরিমাণের অর্থ দেশ থেকে পাচার হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, এই টাকা পাচারের কারণে সম্প্রতি বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কমেছে।
এদিকে ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত যে কোনো চুক্তি বাস্তবায়ন করতে বাংলাদেশে গড়ে ৪১টি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয় এবং এক হাজার ৪৪২ দিন পর্যন্ত লেগে যায়। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এ ক্ষেত্রে তলানিতে। এটি একটি বড় প্রতিবন্ধকতা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে। এছাড়া দেশে কোনো উদ্যোক্তা যদি সম্পত্তি নিবন্ধন করতে চান, সেখানে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়। দক্ষিণ এশিয়ার অন্য কোনো দেশে এ ধরনের ভোগান্তি নেই। একজন উদ্যোক্তার সম্পত্তি নিবন্ধন করতে আটটি ধাপ সম্পন্ন করতে হয়। এতে সময় লাগে ১৪৪ দিন।
সুদ ও সার্ভিস চার্জ কমছে না : সরকারের কথা ও কাজে মিল নেই। উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যাংক ঋণের সুদের হার ১০ শতাংশের নিচে অর্থাৎ সিঙ্গেল ডিজিটে নামানোর সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। ওই বৈঠকে অর্থমন্ত্রী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তারা সুদের হার কমানোর ব্যাপারে একমত পোষণ করেন। কিন্তু বাস্তবে এখনও সুদের হার কমছে না। সরকারি ব্যাংকগুলো খুবই সামান্য কমালেও বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে সুদের উচ্চ হার বিরাজ করছে। পাশাপাশি মাত্রাতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ আদায় করা হচ্ছে।
স্থায়ী কমিটির বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছিলেন, ‘আমানতের সুদের হার অনেক বেশি। এটা কমানো উচিত। মূল্যস্ফীতির সঙ্গে এর সমন্বয় থাকা একান্ত প্রয়োজন। দেশে একটি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক রেট অবশ্যই প্রতিষ্ঠা করা দরকার। কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হলেও সার্বিক বিবেচনায় বর্তমান ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনা ভালো। তবে ব্যাংকিং কার্যক্রম যাতে আরও একটু ভালো করা যায় সেজন্য দক্ষতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা নেয়া দরকার।’
এদিকে সংসদীয় কমিটি মনে করছে, বিনিয়োগ ও উন্নয়নের সবচেয়ে বড় অন্তরায় ঋণের উচ্চ সুদের হার। এই বাস্তবতা অনুভব করে অর্থমন্ত্রীও মনে করেন, দেশে একটি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ঋণের সুদ প্রতিষ্ঠা করা দরকার। বৈঠকের কার্যবিবরণীর সিদ্ধান্তে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, দেশের উন্নয়নের স্বার্থে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য বিদ্যমান ব্যাংক ঋণের সুদের হার ১০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনতে হবে। অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এগুলো এখনও শুধু কথার মধ্যে রয়েছে। কাজে প্রমাণ নেই। এই বিলম্বের কারণে উচ্চ সুদের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি হুমকির মুখে পড়ছে। মুখ থুবড়ে পড়েছে শিল্প খাতে বিনিয়োগ। অস্বাভাবিক চড়া সুদে বিনিয়োগকারীরা ঋণ নিতে মুখ ফিরিয়ে নেয়ায় ব্যাংকিং খাতও অচলপ্রায়। ব্যবসা-বাণিজ্যের এই বন্ধ্যত্বে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারত্ব দূর করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্র“তিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এদিকে ব্যাংকগুলো ঋণের উচ্চ সুদের নামে মহাজনী ব্যবসায় লিপ্ত রয়েছে। একদিকে চড়া সুদ, অন্যদিকে ৩ মাস পরপর ঋণের সঙ্গে সুদ যোগ করে মূল ঋণের পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে। ফলে বেড়ে যাচ্ছে ঋণের অংক। ঋণের বিপরীতে আবার নেয়া হচ্ছে নানা নামে সার্ভিস চার্জ ও কমিশন। এসব কিছু ঋণের সুদের হার আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে ব্যাংকগুলোর ঘোষিত সুদের হার ১৪ থেকে ১৭ শতাংশ বেড়ে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে ২২ থেকে ২৪ শতাংশে। এদিকে ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদের আগ্রাসী থাবায় আক্রান্ত দেশের সার্বিক অর্থনীতি। এর নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় অর্থনীতির বহুমুখী ক্ষতি হচ্ছে। উচ্চ সুদের কারণে, শিল্পায়ন ব্যাহত হলে তা ভবিষ্যৎ অর্থনীতির জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন। এছাড়া মাত্রাতিরিক্ত সুদের কারণে পণ্যের উৎপাদন খরচও বেড়ে যায়। যার প্রভাবে বেড়ে যায় পণ্যমূল্য। আর এই সুযোগে নিুমানের ও কম মূল্যের পণ্য আমদানি করে দেশের বাজারে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। মার খাচ্ছে উঁচু মানের দেশীয় পণ্য।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সরকারি গবেষণা সংস্থা বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প তিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক এমকে মুজেরি যুগান্তরকে বলেন, ব্যাংক ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিট হলে বিনিয়োগ উৎসাহিত হবে। বিনিয়োগের পথে কয়েকটি বাধার মধ্যে ব্যাংক ঋণের সুদ একটি বাধা। বাংলাদেশ রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের (ইএবি) প্রেসিডেন্ট আবদুস সালাম মুর্শেদী এ বিষয়ে রোববার যুগান্তরকে বলেন, বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে হলে টার্ম লোনের পরে সুদের ওপর ক্যাপিং করে দিতে হবে। সুদের হারের ওপর এই ক্যাপিং করে দিলে বিনিয়োগের খরা কেটে যাবে। এখন ট্যাক্স হলিডে আছে, সঙ্গে ঋণের সুদের হার কমলে বিনিয়োগে অনেকে উৎসাহিত হবে। কর্মসংস্থান বাড়বে। আমি মনে করি, মেয়াদি ঋণের পর সুদের হারের ওপর একটি ক্যাপিং করার উপযুক্ত সময় এখন। ইতিপূর্বে এ ধরনের পদক্ষেপে ইতিবাচক ফল দেখা গেছে।
পোশাক খাতের অর্ডার কমছে : রফতানি আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক শিল্পে বিপর্যয় শুরু হয়েছে। চলতি বছরে ৪৫০ গার্মেন্ট বন্ধ হয়েছে। এর মধ্যে গার্মেন্ট মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত ২৮০টি এবং এর বাইরে ১৭০টি। এর মধ্যে প্রায় ৫ শতাংশই ভালো মানের কারখানা। প্রতিদিনই প্রায়ই দু-একটি করে কারখানা বন্ধ হচ্ছে। এতে বেকার হয়ে পড়েছে দুই লাখ শ্রমিক। নতুন কারখানা চালুর হারও কমছে। বিজিএমইএ সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, কাজ না থাকায় খরচ পোষাতে না পেরে এসব কারখানা বন্ধ হচ্ছে। আরও কারখানা বন্ধ হতে পারে বলে আশংকা তাদের। ফলে রফতানি আদেশও কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বড় গার্মেন্ট মালিকরাও। সেপ্টেম্বরে পোশাক রফতানি ৯ দশমিক ৩ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ফলে শিল্প কঠিন চাপের মুখে পড়েছে এ শিল্প।
জানা গেছে, আগে বড় কারখানাগুলো বেশি করে পোশাকের অর্ডার নিয়ে অন্য কারখানায় সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করাত। তাদের নামে রফতানি হতো। কিন্তু বর্তমানে বড় কোম্পানিতেই অর্ডার নেই। ফলে একের পর এক গার্মেন্ট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে বিজিএমইএ সহসভাপতি শহিদুল্লাহ আজিম বলেন, কারখানা বন্ধ হওয়ার অনেকগুলো কারণ আছে। এক নম্বর কারণ হচ্ছে কমপ্লায়েন্স ইস্যু। পাশাপাশি ব্যাংকের সুদসহ ব্যাংকের সার্ভিস চার্জে মালিকদের খরচ বেড়ে গেছে। এছাড়া ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির কারণে মালিকরা কারখানা চালাতে না পেরে কারখানা বন্ধ করে দিচ্ছে। বিজিএমইএ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কারখানার সংখ্যা ৫ হাজার ৭৫১টি। চলতি বছরে ২৮০ গার্মেন্ট বন্ধ হওয়ায় তথ্য বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আর তাদের বাইরে ১৭০টির মতো কারখানা বন্ধ হয়েছে। ফলে তারা ধারণা করছেন ২ লক্ষাধিক শ্রমিক বেকার হয়েছে। আর বন্ধ হওয়া কারখানার মধ্যে ২০ শতাংশ হচ্ছে শিফট হওয়া এবং ৪০ শতাংশ শেয়ার্ড বিল্ডিং কারখানা। বাকিগুলো সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করা কারখানা। পাশাপাশি নতুন কারখানা চালুর হার কমে আসছে। ২০১৪ সালে নতুন কারখানা হয়েছে ৮০টি। ২০১৩ সালে যা ১৪০টি এবং ২০১২ সালে ২০০টি। অর্থাৎ নতুন করে বিনিয়োগ হচ্ছে না।
সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, এর নেপথ্যে রয়েছে দেশ ও সরকারের বিরুদ্ধে গভীর যড়যন্ত্র। কেননা ঋণের সুদের হার ও সার্ভিস চার্জ কমলে দেশে বিনিয়োগ বাড়বে, শিল্প স্থাপন হবে। কর্মসংস্থান বাড়বে। দেশের উন্নতি হবে। কিন্তু একটি চক্র চায় না দেশের উন্নয়ন হোক। এ কারণে তারা চায় ব্যাংকের উচ্চ সুদের হার, সার্ভিস চার্জ না কমুক। যারা সরকারকে এসব বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছে তারা কেউ শিল্পপতি নয়। ফলে তারা শিল্প খাতের সমস্যাগুলো সম্পর্কে জানে না বা জেনেও না বোঝার ভান করে। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশের অর্থনীতি।
উদ্যোক্তারা বলেছেন, সরকারের উপদেষ্টারা বাস্তব অর্থনীতি সম্পর্কে অবহিত নন। তারা নিজেদের বুদ্ধিমান দাবি করেন। কিন্তু বাস্তব অর্থনীতির জ্ঞান তাদের নেই। এছাড়া তাদের অনেকে ভিন্ন দেশের স্বার্থ সংরক্ষণে তৎপর। এ কারণে দেশের অর্থনীতির অগ্রগতির পথে বাধাকে আরও জোরদার করতে তৎপর থাকে। তাদের মতে, ঋণ নিয়ে ব্যাংকের ভেতরে-বাইরে ব্যাপক দুর্নীতি হয়। এই দুর্নীতির কারণে ব্যাংকের খরচ বেড়ে যাচ্ছে। ফলে প্রকৃত উদ্যোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাবে।
চাহিদা অনুযায়ী টাকার সরবরাহ কম : বাজারে টাকার চাহিদা আছে কিন্তু সরবরাহ নেই। অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেও যেসব উদ্যোক্তা চলমান প্রকল্পের জন্য ঋণ নিতে চান তাদের চাহিদা অনুযায়ী ঋণের জোগান দেয়া হচ্ছে না। ফলে সেসব উদ্যোক্তাও নতুন করে টাকার সংকটে ভুগছেন। এতে শিল্পের বিকাশ যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি অর্থনৈতিক অগ্রগতিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঋণের প্রবাহ বেড়েছে মাত্র ২ দশমিক ৯ শতাংশ। আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩ শতাংশের বেশি। গত অর্থবছরে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ বেড়েছিল প্রায় সাড়ে ১২ শতাংশ।
একদিকে বিনিয়োগ না হওয়ায় বাজারে ঋণের চাহিদা বাড়ছে না। অন্যদিকে যারা ঋণ নিতে চাচ্ছেন তারা চেয়েও পাচ্ছেন না। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকিং খাতে ঘটে যাওয়া জালজালিয়াতির কারণে ব্যাংকাররা এখন ঋণ দিতে অনেক সতর্ক। যে কারণে এখন অনেক ভালো উদ্যোক্তাও ঋণ পাচ্ছেন না। ব্যাংক কর্মকর্তাদের সহায়তায় ঘটা জালজালিয়াতির দায় পড়ছে ভালো উদ্যোক্তাদের ঘাড়ে। ভালো গ্রাহক হিসেবে পরিচিত উদ্যোক্তারাও ঋণ নিতে গেলে ব্যাংকগুলো বিমাতাসুলভ আচরণ করছে।
এলসি নিচ্ছে না ব্যাংক : ব্যাংকগুলোতে ফান্ডেড ঋণ বিতরণে নানা বিধিনিষেধ আরোপিত থাকলেও নন-ফান্ডেড ঋণে বিধিনিষেধ অনেক শিথিল। ব্যাংকের মূলধনের ২০ শতাংশ নন-ফান্ডেড বা এলসিতে বিনিয়োগ করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু তারপরও ব্যাংকগুলো বর্তমানে এলসি খোলার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে। গত অর্থবছরে আমদানি খাতে ব্যয় বেড়েছিল প্রায় ১৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবরে এলসি খোলা বেড়েছে ১২ শতাংশ এবং আমদানি ব্যয় বেড়েছে ১১ শতাংশ। সাম্প্রতিক সময়ে এটির প্রবৃদ্ধি আরও কমেছে। গত আগস্টে এলসি খোলা বেড়েছিল ২৭ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে তা কমে দাঁড়ায় প্রায় ১৮ শতাংশ। অক্টোবরের হিসাবে এই হার আরও কম হতে পারে। একই সময়ে এলসির দেনা পরিশোধের পরিমাণও কমেছে। গত আগস্টে এলসির দেনা পরিশোধ বেড়েছিল সাড়ে ৩৮ শতাংশ। গত সেপ্টেম্বরে এসে তা কমে দাঁড়ায় মাত্র ৯ শতাংশে। আমদানি খাতে এলসি খোলার পরিমাণ কমে যাওয়ায় সামনের দিনগুলোতে আমদানির পরিমাণও কমে যাবে। এর মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছে শিল্পের যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল। এসব পণ্যের আমদানি কমলে শিল্প খাতে নেতিবাচক প্রভাব আরও প্রকট হবে।
বিনিয়োগ হচ্ছে না : ব্যাংকের উচ্চ সুদসহ ১১ কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বিনিয়োগ। আশানুরূপ হারে বাড়ছে না দেশী বিনিয়োগ। মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে বিদেশী বিনিয়োগকারীরাও। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করতে পলিসি পর্যায় থেকে বড় ধরনের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে না। অন্যদিকে বিনিয়োগ না থাকায় দেশে কর্মসংস্থানের পথ রুদ্ধ হচ্ছে।
বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়ছে বলে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, বিদেশে টাকা পাচারের সব পথ বন্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি ধারণা করছেন, টাকা পাচারের কারণেই বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ কমছে।
সূত্র জানায়, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ না থাকা, ঋণের অপ্রাপ্যতা, ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদের হার, অবকাঠামো নির্মাণের অনুমতি না পাওয়া, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, কর প্রদান, বিদেশে টাকা পাচার, বৈদেশিক বাণিজ্য ও সম্পত্তি নিবন্ধন জটিলতা, অসচ্ছলতা ও চুক্তির বাস্তবায়ন জটিলতা বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে।
বিনিয়োগের অন্যতম সূচক হচ্ছে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ। বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা (আইএফসি) তাদের গবেষণা রিপোর্টে বলেছে, বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে বিশ্বের সবচেয়ে খারাপ অবস্থান হচ্ছে বাংলাদেশের। বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে বিশ্বের অন্য কোনো দেশে এত হয়রানি ও বিলম্ব হয় না। পাশাপাশি বিনিয়োগের জন্য ব্যাংক ঋণ প্রাপ্যতার ক্ষেত্রে অবনতি হয়েছে। উদ্যোক্তারা প্রত্যাশা অনুযায়ী ঋণ পাচ্ছে না। ব্যাংক ঋণ পেতে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ব্যাংক ঋণ না দেয়ার প্রমাণ পাওয়া যায় ঋণের প্রবৃদ্ধি থেকে। ব্যাংক ঋণের অপ্রাপ্যতার সঙ্গে যোগ হয়েছে ঋণের উচ্চ সুদ। এই অতিমাত্রার সুদের হার বিনিয়োগের সবচেয়ে বড় অন্তরায় হিসেবে কাজ করছে। এই উচ্চ সুদ নিয়ে বিনিয়োগ করে উদ্যোক্তারা লাভবান হচ্ছেন না। ফলে নতুন করে ব্যাংক ঋণ নিয়ে বিনিয়োগে যাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা।
বিনিয়োগের আরেক বড় বাধা হচ্ছে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা। গত বছর রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণেও বিনিয়োগ কমেছে।
বিদেশে টাকা পাচারের পথ তৈরি হওয়ায় বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কমছে এমন আভাস দিয়েছে খোদ অর্থমন্ত্রী। সরকার মনে করছে, বিশ্বের অনেক দেশে টাকা চলে যাওয়ায় বিনিয়োগ বাড়ছে না। গ্লোবাল ফিনান্সিয়াল ইন্টিগ্রিটি (জিএফআই) তথ্য মতে, ২০১১ সালে ১১৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার, ২০১০ সালে ২১৯ কোটি ১০ লাখ ডলার ও ২০০৯ সালে ১০৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে। এছাড়া ২০০৮ সালে ১৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার, ২০০৭ সালে ২৫৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা, ২০০৬ সালে ২৬৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার ও ২০০৫ সালে ৬৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার সমপরিমাণের অর্থ দেশ থেকে পাচার হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, এই টাকা পাচারের কারণে সম্প্রতি বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কমেছে।
এদিকে ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত যে কোনো চুক্তি বাস্তবায়ন করতে বাংলাদেশে গড়ে ৪১টি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয় এবং এক হাজার ৪৪২ দিন পর্যন্ত লেগে যায়। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এ ক্ষেত্রে তলানিতে। এটি একটি বড় প্রতিবন্ধকতা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে। এছাড়া দেশে কোনো উদ্যোক্তা যদি সম্পত্তি নিবন্ধন করতে চান, সেখানে নানা ভোগান্তি পোহাতে হয়। দক্ষিণ এশিয়ার অন্য কোনো দেশে এ ধরনের ভোগান্তি নেই। একজন উদ্যোক্তার সম্পত্তি নিবন্ধন করতে আটটি ধাপ সম্পন্ন করতে হয়। এতে সময় লাগে ১৪৪ দিন।
সুদ ও সার্ভিস চার্জ কমছে না : সরকারের কথা ও কাজে মিল নেই। উন্নয়ন ও বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যাংক ঋণের সুদের হার ১০ শতাংশের নিচে অর্থাৎ সিঙ্গেল ডিজিটে নামানোর সুপারিশ করেছে অর্থ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। ওই বৈঠকে অর্থমন্ত্রী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তারা সুদের হার কমানোর ব্যাপারে একমত পোষণ করেন। কিন্তু বাস্তবে এখনও সুদের হার কমছে না। সরকারি ব্যাংকগুলো খুবই সামান্য কমালেও বেসরকারি ব্যাংকগুলোতে সুদের উচ্চ হার বিরাজ করছে। পাশাপাশি মাত্রাতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ আদায় করা হচ্ছে।
স্থায়ী কমিটির বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছিলেন, ‘আমানতের সুদের হার অনেক বেশি। এটা কমানো উচিত। মূল্যস্ফীতির সঙ্গে এর সমন্বয় থাকা একান্ত প্রয়োজন। দেশে একটি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক রেট অবশ্যই প্রতিষ্ঠা করা দরকার। কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা হলেও সার্বিক বিবেচনায় বর্তমান ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনা ভালো। তবে ব্যাংকিং কার্যক্রম যাতে আরও একটু ভালো করা যায় সেজন্য দক্ষতা বৃদ্ধির প্রচেষ্টা নেয়া দরকার।’
এদিকে সংসদীয় কমিটি মনে করছে, বিনিয়োগ ও উন্নয়নের সবচেয়ে বড় অন্তরায় ঋণের উচ্চ সুদের হার। এই বাস্তবতা অনুভব করে অর্থমন্ত্রীও মনে করেন, দেশে একটি স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ঋণের সুদ প্রতিষ্ঠা করা দরকার। বৈঠকের কার্যবিবরণীর সিদ্ধান্তে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়, দেশের উন্নয়নের স্বার্থে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য বিদ্যমান ব্যাংক ঋণের সুদের হার ১০ শতাংশের নিচে নামিয়ে আনতে হবে। অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এগুলো এখনও শুধু কথার মধ্যে রয়েছে। কাজে প্রমাণ নেই। এই বিলম্বের কারণে উচ্চ সুদের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি হুমকির মুখে পড়ছে। মুখ থুবড়ে পড়েছে শিল্প খাতে বিনিয়োগ। অস্বাভাবিক চড়া সুদে বিনিয়োগকারীরা ঋণ নিতে মুখ ফিরিয়ে নেয়ায় ব্যাংকিং খাতও অচলপ্রায়। ব্যবসা-বাণিজ্যের এই বন্ধ্যত্বে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বেকারত্ব দূর করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্র“তিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
এদিকে ব্যাংকগুলো ঋণের উচ্চ সুদের নামে মহাজনী ব্যবসায় লিপ্ত রয়েছে। একদিকে চড়া সুদ, অন্যদিকে ৩ মাস পরপর ঋণের সঙ্গে সুদ যোগ করে মূল ঋণের পরিমাণ বাড়ানো হচ্ছে। ফলে বেড়ে যাচ্ছে ঋণের অংক। ঋণের বিপরীতে আবার নেয়া হচ্ছে নানা নামে সার্ভিস চার্জ ও কমিশন। এসব কিছু ঋণের সুদের হার আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে ব্যাংকগুলোর ঘোষিত সুদের হার ১৪ থেকে ১৭ শতাংশ বেড়ে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে ২২ থেকে ২৪ শতাংশে। এদিকে ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদের আগ্রাসী থাবায় আক্রান্ত দেশের সার্বিক অর্থনীতি। এর নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় অর্থনীতির বহুমুখী ক্ষতি হচ্ছে। উচ্চ সুদের কারণে, শিল্পায়ন ব্যাহত হলে তা ভবিষ্যৎ অর্থনীতির জন্য ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন। এছাড়া মাত্রাতিরিক্ত সুদের কারণে পণ্যের উৎপাদন খরচও বেড়ে যায়। যার প্রভাবে বেড়ে যায় পণ্যমূল্য। আর এই সুযোগে নিুমানের ও কম মূল্যের পণ্য আমদানি করে দেশের বাজারে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। মার খাচ্ছে উঁচু মানের দেশীয় পণ্য।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সরকারি গবেষণা সংস্থা বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প তিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক এমকে মুজেরি যুগান্তরকে বলেন, ব্যাংক ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিট হলে বিনিয়োগ উৎসাহিত হবে। বিনিয়োগের পথে কয়েকটি বাধার মধ্যে ব্যাংক ঋণের সুদ একটি বাধা। বাংলাদেশ রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের (ইএবি) প্রেসিডেন্ট আবদুস সালাম মুর্শেদী এ বিষয়ে রোববার যুগান্তরকে বলেন, বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে হলে টার্ম লোনের পরে সুদের ওপর ক্যাপিং করে দিতে হবে। সুদের হারের ওপর এই ক্যাপিং করে দিলে বিনিয়োগের খরা কেটে যাবে। এখন ট্যাক্স হলিডে আছে, সঙ্গে ঋণের সুদের হার কমলে বিনিয়োগে অনেকে উৎসাহিত হবে। কর্মসংস্থান বাড়বে। আমি মনে করি, মেয়াদি ঋণের পর সুদের হারের ওপর একটি ক্যাপিং করার উপযুক্ত সময় এখন। ইতিপূর্বে এ ধরনের পদক্ষেপে ইতিবাচক ফল দেখা গেছে।
পোশাক খাতের অর্ডার কমছে : রফতানি আয়ের প্রধান উৎস তৈরি পোশাক শিল্পে বিপর্যয় শুরু হয়েছে। চলতি বছরে ৪৫০ গার্মেন্ট বন্ধ হয়েছে। এর মধ্যে গার্মেন্ট মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ সদস্যভুক্ত ২৮০টি এবং এর বাইরে ১৭০টি। এর মধ্যে প্রায় ৫ শতাংশই ভালো মানের কারখানা। প্রতিদিনই প্রায়ই দু-একটি করে কারখানা বন্ধ হচ্ছে। এতে বেকার হয়ে পড়েছে দুই লাখ শ্রমিক। নতুন কারখানা চালুর হারও কমছে। বিজিএমইএ সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, কাজ না থাকায় খরচ পোষাতে না পেরে এসব কারখানা বন্ধ হচ্ছে। আরও কারখানা বন্ধ হতে পারে বলে আশংকা তাদের। ফলে রফতানি আদেশও কমে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন বড় গার্মেন্ট মালিকরাও। সেপ্টেম্বরে পোশাক রফতানি ৯ দশমিক ৩ শতাংশ নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ফলে শিল্প কঠিন চাপের মুখে পড়েছে এ শিল্প।
জানা গেছে, আগে বড় কারখানাগুলো বেশি করে পোশাকের অর্ডার নিয়ে অন্য কারখানায় সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করাত। তাদের নামে রফতানি হতো। কিন্তু বর্তমানে বড় কোম্পানিতেই অর্ডার নেই। ফলে একের পর এক গার্মেন্ট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে বিজিএমইএ সহসভাপতি শহিদুল্লাহ আজিম বলেন, কারখানা বন্ধ হওয়ার অনেকগুলো কারণ আছে। এক নম্বর কারণ হচ্ছে কমপ্লায়েন্স ইস্যু। পাশাপাশি ব্যাংকের সুদসহ ব্যাংকের সার্ভিস চার্জে মালিকদের খরচ বেড়ে গেছে। এছাড়া ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির কারণে মালিকরা কারখানা চালাতে না পেরে কারখানা বন্ধ করে দিচ্ছে। বিজিএমইএ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, কারখানার সংখ্যা ৫ হাজার ৭৫১টি। চলতি বছরে ২৮০ গার্মেন্ট বন্ধ হওয়ায় তথ্য বিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। আর তাদের বাইরে ১৭০টির মতো কারখানা বন্ধ হয়েছে। ফলে তারা ধারণা করছেন ২ লক্ষাধিক শ্রমিক বেকার হয়েছে। আর বন্ধ হওয়া কারখানার মধ্যে ২০ শতাংশ হচ্ছে শিফট হওয়া এবং ৪০ শতাংশ শেয়ার্ড বিল্ডিং কারখানা। বাকিগুলো সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করা কারখানা। পাশাপাশি নতুন কারখানা চালুর হার কমে আসছে। ২০১৪ সালে নতুন কারখানা হয়েছে ৮০টি। ২০১৩ সালে যা ১৪০টি এবং ২০১২ সালে ২০০টি। অর্থাৎ নতুন করে বিনিয়োগ হচ্ছে না।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1381)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
December
(1878)
-
▼
Dec 02
(58)
- বিচার বিভাগে দুর্নীতির স্থান নেই: প্রধান বিচারপতি
- ‘চ্যানেল সিক্সটিন’ বন্ধের নির্দেশ
- পরনে শর্ট স্কার্ট: অভিনেত্রী গওহর খানকে যুবকের চড়
- অধ্যাপক শফিউল হত্যাকাণ্ড: ফের রিমান্ডে ৫ আসামি
- বাবা সারা জীবন কোরআনের ফুল বাগানের মালীর কাজ করেছে...
- সমাজ ভাবনা- জমি নিয়ে ‘ডিজিটাল’ জমিদারি by মুজাহিদু...
- তাঁর হাতে স্নাইপার গান ছিল কেন?
- ‘প্রধানমন্ত্রীও তাইজুলের মতো হ্যাটট্রিক করবেন’
- বার্গম্যানের ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৭ দিনের...
- সাগর-রুনি হত্যা মামলা: তানভীরের জামিন
- সিপিডির সমালোচনায় তোফায়েল
- শ্রীনগরে চার বছরের শিশু ধর্ষিত
- চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে সাঈদী
- দেশের বাইরের লীগ খেলতে পারবেন সাকিব
- ‘গায়ের জোরে ক্ষমতায় থাকতে চাইলে পতনও গায়ের জোরে’ b...
- শান্তিচুক্তির ১৭ বছর: কেমন আছে পাহাড়ি জীবন by নাজম...
- যে কারণে নিকৃষ্টতম উ. কোরিয়া
- ইরাকে ৫০ হাজার ভুয়া সেনা
- অপহৃত জেনারেলকে মুক্তি দিল ফার্ক
- চেনা ভারতের অজানা এগারো
- আন্তর্জাতিক তহবিল
- সিলেটে অস্ত্রের ভাণ্ডার সন্ত্রাসীরা অধরা
- গাছে ধরবে বিদ্যুৎ
- প্রধানমন্ত্রী আজ মালয়েশিয়া যাচ্ছেন
- আওয়ামী লীগের অসাম্প্রদায়িক চেতনা নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির
- পিরোজপুরের আওয়ামী লীগ আসলে আউয়াল লীগ!
- তদন্তে সংসদীয় কমিটি
- বর্ধমান বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে তিন রোহিঙ্গা গ্রেফতার
- মাঠ ভাঙাগড়ায় নষ্ট ৯শ কোটি টাকা
- বিজয়ের মাসে ৫-০ তে জয়
- ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ আদালতের
- ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে অর্থনীতি
- মেসি-নেইমারের নাটক!
- কর্ণফুলীতে ১০০ টন গম নিয়ে ভাসছে লাইটারেজ by মহিউদ্...
- এটা দলীয় চেষ্টার সুফল
- নারায়ণগঞ্জে সাত খুন: আরও ৩ র্যাব সদস্য গ্রেপ্তার
- ওবামার আলোকিত আফ্রিকা অন্ধকারে
- বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বহুমাত্রিকতা প্রত্যাশিত by...
- নিজেই এত দূরে চলে গেলেন কী করে? by রফি হক
- চকিত স্মৃতি by আবুল মনসুর
- ফার্গুসনের সেই শ্বেতাঙ্গ পুলিশের পদত্যাগ
- কিংবদন্তি শিল্পী কাইয়ুম চৌধুরী by সমরজিৎ রায় চৌধুরী
- আগাম মুক্তি পেতে পারেন হোসনি মোবারক
- যুক্তরাজ্যে চাকরিতে বৈষম্যের শিকার মুসলিমরা
- সড়ক দুর্ঘটনার ভয়াবহতার উপশম আছে বৈকি by মনজু আরা বেগম
- এটা দুর্ঘটনা নয়, হত্যা by ড. মাহবুব উল্লাহ্
- সেই হাসপাতাল বন্ধ ঘটনাস্থলে তদন্ত দল
- বিভক্ত ডিসিসি’র সেবা কার্যক্রম ভেঙে পড়েছে by আহমেদ...
- দ্রুত সীমান্ত চুক্তির তাগিদ লোকসভা পার্লামেন্টারি ...
- মাহজাবিন হত্যা মামলা সিআইডিতে
- আরিফের নাম প্রত্যাহারে সিলেটে সিরিজ কর্মসূচি by ওয়...
- থমথমে ইবি শিক্ষার্থীদের হলত্যাগ by দেলোয়ার মানিক
- এনজিও কার্যক্রম মনিটরিংয়ে নতুন আইন
- সিন্ডিকেটের কব্জায় ভোজ্যতেলের বাজার by হামিদ বিশ্বাস
- তাইজুলের বিশ্ব রেকর্ড by ইশতিয়াক পারভেজ
- ডিসেম্বরের পর আন্দোলনের ঘোষণা খালেদার
- অন্তিম শয়ানে দুই মহীরুহ
- হোয়াইটওয়াশ by তালহা বিন নজরুল
-
▼
Dec 02
(58)
-
▼
December
(1878)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বিশ্বকাপ ফুটবল
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment