Thursday, September 20, 2012
সংসদে ও সচিবদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ॥ সংসদ ভেঙ্গে নির্বাচন- ০ সকলের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত- ০ মন্ত্রিসভার আকার ও প্রকার নিয়ে রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত নেবেন- ০ বাংলাদেশে দ্বিতীয় ওয়ান ইলেভেন হতে দেয়া হবে না
সংসদে ও সচিবদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ॥ সংসদ ভেঙ্গে নির্বাচন- ০ সকলের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত- ০ মন্ত্রিসভার আকার ও প্রকার নিয়ে রাষ্ট্রপতি সিদ্ধান্ত নেবেন- ০ বাংলাদেশে দ্বিতীয় ওয়ান ইলেভেন হতে দেয়া হবে না
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা চলতি সংসদ বহাল রেখে আগামী নির্বাচন হচ্ছে না এমন ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে সরকারপ্রধান রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়ে নির্বাচনের ব্যাপারে প্রস্তাব দেন, রাষ্ট্রপতি সেই অনুযায়ী নির্বাচনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। তবে সংসদ বহাল রেখে তো আর নির্বাচন হবে না।
আমার যখন সময় আসবে আমি রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচনের জন্য প্রস্তাব দেব। তখন বর্তমান মন্ত্রিসভা থাকবে, নাকি ছোট আকারের মন্ত্রিসভা হবে, সংসদ ভেঙ্গে দেবেন কি না, সবই রাষ্ট্রপতির এখতিয়ার। নির্বাচনকালীন সরকারের আকার রাষ্ট্রপতিই ঠিক করবেন। এছাড়া সচিবদের সঙ্গে এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে দ্বিতীয় ওয়ান ইলেভেন হতে দেয়া হবে না। সকলের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হবে।
দলীয় সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, আরেকটি ওয়ান ইলেভেনের মতো সরকার আসলে তারা যে নির্বাচন দেবে তার গ্যারান্টি কোথায়? বিশ্বের কোন গণতান্ত্রিক দেশে অনির্বাচিত ব্যক্তিদের দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু নেই। বর্তমান আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের অধীনে যে কোন ধরনের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করার মতো গণতান্ত্রিক পরিবেশ দেশে ফিরে এসেছে, তাই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার কোন প্রয়োজন নেই। আমরা জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারে বিশ্বাসী। আমরা জনগণের ভোট চুরির রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। জনগণ চাইলে আছি, নইলে নেই। কারণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে না।
স্পীকার এ্যাডভোকেট আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে বুধবার জাতীয় সংসদের সমাপনী দিনে প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশ মিনিটের নির্ধারিত প্রশ্নোত্তরে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এমাজউদ্দিন প্রামাণিকের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আর ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচন পরিচালনায় ও দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার যে দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে, সে অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জনগণের মনে শঙ্কা সৃষ্টি করেছে। আবার যদি এ ব্যবস্থা আসে, আর যদি ক্ষমতা না ছাড়ে তাহলে জনগণ গণতান্ত্রিক অধিকার হারাবে। আবার যদি ওয়ান ইলেভেনের একটি অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসে তবে সংবিধান কার্যকর থাকবে না। ফখরুদ্দিন-মইনউদ্দিন-ইয়াজউদ্দিনের মতো আরেকটি সরকার ক্ষমতায় এসে যদি থেকে যায়, নির্বাচন যে দেবে তার গ্যারান্টি কোথায়?
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দলসহ যারা বিভিন্ন টকশোতে তত্ত্বাবধায়কের দাবিতে টেলিভিশন ফাটিয়ে ফেলছেন, তারা কী ওয়ান ইলেভেনের পরবর্তী ভয়াবহ অবস্থার কথা ভুলে গেছেন? ওই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সঙ্গে যারা হাত মিলিয়ে ছিল, তাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল- তারা ছাড়া দেশের এমন কোন শ্রেণী-পেশার মানুষ নেই যে তারা নির্যাতনের শিকার হননি। এ কারণেই ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর সারাদেশেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের প্রবল দাবি ওঠে।
জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নুর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে যিনি সরকারপ্রধান থাকেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে নির্বাচনের প্রস্তাব দেন। প্রস্তাব পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনের নির্দেশ দেন। আর নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করতে ২০০৫ সালে আমরা ২৩ দফা সুপারিশ করেছিলাম। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন এখন যথেষ্ট শক্তিশালী।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষ অবলম্বনকারীদের উদ্দেশ্যে করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ পর্যন্ত প্রায় ৬ হাজার বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ’৭৫-পরবর্তী কোন দলীয় সরকারের অধীনে এমন অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন কখনও হয়নি। দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করেছে। সরকার কোথাও কোন হস্তক্ষেপ করেনি। কোথাও ফল পাল্টিয়ে আমরা নিজেদের প্রার্থীকে বিজয়ী করিনি। কারণ আমরা জনগণের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকারে বিশ্বাস করি। ৬ হাজার নির্বাচনের একটিতেও কেউ কোন অভিযোগ আনতে পারেনি। এতেই প্রমাণিত হয় বর্তমান নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীন ও শক্তিশালী অবস্থানে থেকে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করে যাচ্ছে।
তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার প্রয়োজন নেই
মূল প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের জানামতে বিশ্বের কোন গণতান্ত্রিক দেশে অনির্বাচিত ব্যক্তিদের দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু নেই। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সকল সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনার বিধান রয়েছে বিধায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু নেই। সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সরকার পরিচালনায় জনগণের অংশগ্রহণের বিধান নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার একটি বিতর্কিত নির্বাচন করে। যে নির্বাচন সকল রাজনৈতিক দল ও দেশের মানুষ বর্জন করেছিল। সারাদেশে সেনা মোতায়েন করে নির্বাচনের নামে প্রহসন করা হয়। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬ সুপ্রীমকোর্ট ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলার রায়ে অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষিত হয়েছে। জাতীয় সংসদে সর্বদলীয় বিশেষ কমিটির সুপারিশ মোতাবেক গত বছরের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বিভক্তি ভোটে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে বিধায় এ ব্যবস্থা চালু নেই। সংবিধান সংশোধন করে সংসদীয় গণতন্ত্র এবং ১৯৭২ সালের সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে পঞ্চদশ সংশোধনীতে।
সংসদ নেতা শেখ হাসিনা এ প্রসঙ্গে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা চালু থাকা অবস্থায় ১৯৯৬ সালে নির্বাচনের পূর্বে ২০ মে সেনা অভ্যুত্থান হয়েছিল, যা সফল হয়নি বলে গণতন্ত্র রক্ষা পায়। ২০০১ সালে লতিফুর রহমানের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার প্রথম দিনই ১৩ সচিবকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করে এবং প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন করে। বিএনপি ও জামায়াতের সন্ত্রাসীরা সারাদেশে হত্যা খুন ও নির্যাতন চালায়। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়।
তিনি বলেন, ২০০৬ সালে ইয়াজউদ্দিন রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায়ই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পদ গ্রহণ করে বিতর্ক সৃষ্টি করেন। এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার ভোটার লিস্টে থাকা অবস্থায় নির্বাচনের প্রচেষ্টা নেন। ফলে সরকারের উপদেষ্টারা পদত্যাগ করেন। আবার তিনি নতুন উপদেষ্টা নিয়োগ দেন। কয়েক দফা এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এ পরিস্থিতিতে ১/১১-এর ঘটনা ঘটে। রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গবর্নর ফখরুদ্দীন আহমেদ প্রধান উপদেষ্টার পদ গ্রহণ করেন।
তিনি বলেন, সেনা সমর্থনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়ে তিন মাস অর্থাৎ ৯০ দিনের স্থলে প্রায় দু’বছর ক্ষমতায় থেকে যায়। সকল শ্রেণী পেশার মানুষের ওপর নির্যাতন চালাতে থাকে। ছাত্র, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ সকল স্তরের মানুষ গোয়েন্দা সংস্থা দ্বারা হয়রানির শিকার হয়। দেশব্যাপী যুদ্ধাবস্থা না থাকা সত্ত্বেও দু’বছর ধরে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকে। দল ভাঙ্গা ও নতুন দল গড়ার খেলাও শুরু হয়। এ অবস্থায় জনগণ দেশে ও বিদেশে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। দেশের ভেতর ও আন্তর্জাতিক চাপে ফখরুদ্দীন সরকার নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, মহাজোট সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সংসদের উপ-নির্বাচন, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জনগণ তাদের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে পেরেছে যা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পরিচায়ক। কাজেই মহাজোট সরকারের অধীনে যে কোন ধরনের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করার মতো গণতান্ত্রিক পরিবেশ দেশে ফিরে এসেছে বিধায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার কোন প্রয়োজন নেই।
পদ্মা সেতু নির্মাণ
হবেই
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফজলুল আজিমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু আমরা নির্মাণ করবই। এক ব্যক্তি বিশেষের ষড়যন্ত্রের কারণে দেশের মানুষের এই সর্বনাশ হয়েছে। ড. মোহাম্মদ ইউনূসকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যে ব্যক্তির (ড. ইউনূস) প্রতি দরদ দেখাতে ফজলুল আজিম সংসদ থেকে ওয়াক আউট করেছিলেন, তাঁর কারণে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
পদ্মা সেতুর নির্মাণে সরকারের হাতে দু’ধরনের ডিজাইন রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দাতাগোষ্ঠী এগিয়ে আসলে নিচে রেল আর ওপরে সেতু অর্থাৎ ডবল ডেকার পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে। আর না আসলে সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে অপেক্ষাকৃত কম খরচের শুধু সড়ক সেতু নির্মাণ করা হবে। নিজস্ব অর্থায়নে কোন সারচার্জ বসাতে হবে না। দেশ-বিদেশ থেকে নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ যেভাবে এগিয়ে এসেছে, আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস নিজস্ব অর্থায়নে আমরা পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে পারব। সরকারের প্রায় ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রিজার্ভ রয়েছে। সেখান থেকে এক বিলিয়ন ডলার খরচ করা কোন ব্যাপারই নয়। যেহেতু পদ্মা নদী খরস্রোতা। তাই বন্যার সময় কাজ শুরু সম্ভব নয়, শীতকালে অবশ্যই নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
২১ আগস্ট গ্রেনেড
হামলার বিচার
এ্যাডভোকেট সানজিদা খানমের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে প্রকাশ্য দিবালোকে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের জনসভায় উপর্যুপরি গ্রেনেড হামলা করা হয়। আমি কোনভাবে বেঁচে গেলেও আমরা হারিয়েছি আমাদের নেত্রী আইভি রহমানসহ অনেক নেতা-কর্মীকে। শত শত নেতা-কর্মী এখনও শরীরে গ্রেনেডের স্পিøন্টার নিয়ে যনন্ত্রণাকাতর দুর্বিষহ জীবন-যাপন করছে।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার এ দেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার মানসেই জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসবাদের উত্থান ঘটিয়েছে। দেশটাকে একটি জঙ্গী ও সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়েই এ ধরনের সন্ত্রাসী উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। তিনি আরও বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বে যারা বিশ্বাস করে না তাদের পক্ষেই এসব জঘন্য কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিলীন করার উদ্দেশ্যেই গ্রেনেড হামলা করেছিল। তারপর তারা ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশে একযোগে বোমা হামলা করেছিল। দেশের বিভিন্ন জেলায় গ্রেনেড হামলাসহ যে সকল হামলা সংঘটিত হয়েছে সে সকল ঘটনায় দায়ের করা মামলার মধ্যে কিছু মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট মামলার বিচার কাজ অব্যাহত আছে।
সচিবদের সঙ্গে
প্রধানমন্ত্রী
ৎসচিবদের সঙ্গে এক বৈঠকে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে দ্বিতীয় ‘ওয়ান ইলেভেন’ সৃষ্টি হতে দেয়া হবে না। প্রয়োজনে সকলের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে। বুধবার সচিবালয়ে সচিব কমিটির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। বৈঠকে সচিবরা ৩ বছরের বেশি সময় ধরে সচিবের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সিনিয়র সচিব করা, সিনিয়র সচিবদের গাড়িতে পতাকা ব্যবহারের অনুমতি প্রদান, ভারপ্রাপ্ত সচিবদের সচিব পদে পদোন্নতি প্রদান, বঞ্চিতদের পদোন্নতি প্রদান, দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতনভাতা বাড়ানোসহ বেশ কিছু দাবি তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের দাবি পর্যালোচনার আশ্বাস দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বৈঠকে সচিবদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো আমাদের দেশেও নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। কোন অবস্থায় মানুষের ভোটের আমানত নষ্ট হতে দেয়া হবে না। সকলে যাতে সুন্দর ও শান্তিুপূর্ণভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোন অবস্থায় দেশে দ্বিতীয় ওয়ান ইলেভেন সৃষ্টি হতে দেয়া হবে না। প্রয়োজনে সকলের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, জনগণ সকল ক্ষমতার মালিক কথাটি শুধু সংবিধানে সীমাবদ্ধ না রেখে সকল ক্ষেত্রে তার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। আর এ লক্ষ্যে আপনাদের সেবামূলক মনোভাব নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বাচন কমিশন সচিব ড. মোহাম্মদ সাদিক তাঁর নির্বাচনী অভিজ্ঞতার বর্ণনা প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
নির্বাচন কমিশন সচিব বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি সাড়ে ৬ হাজার নির্বাচন পরিচালনা করেছেন। এর মধ্যে জাতীয় সংসদের উপনির্বাচন রয়েছে ১২টি। তিনি বলেন, এবার সারাদেশে মোট সাড়ে ৭ শতাংশ ভোটার বাড়ছে। পুরনো ভোটারদের মধ্যে কমেছে মোট ৪ লাখ।
সোয়া চার ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত সচিব কমিটির বৈঠকে মোট ২৮ সচিব বক্তব্য রাখেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইঞা বৈঠকটি পরিচালনা করেন এবং স্বাগত বক্তব্য দেন। একের পর এক সচিবদের বক্তব্য শুনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা তো সুন্দর বক্তব্য দেন। কিন্তু যে রিপোর্ট প্রদান করেন তা মনে হয় পড়েও দেখেন না।
বৈঠকে সচিবরা তাঁদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এর মধ্যে তাঁরা বলেন, কিছু সচিবকে সিনিয়র সচিব করা হয়েছে। এতে সচিবদের এবং সিনিয়র সচিবদের ভিন্ন বলে মনে হয়। তাঁরা অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আরও কিছু সিনিয়র সচিব করার দাবি তোলেন। এ সময়ে অপর এক সচিব ৩ বছর যাবত যাঁরা সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁদের সিনিয়র সচিব পদে উন্নীত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে সিনিয়র সচিবের মর্যাদার কারণে এবং চিহ্নিত করতে তাঁদের গাড়িতে পতাকা ব্যবহারের অনুমতি প্রদানের দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া পর্যায়ক্রমে সচিবরা তাঁদের দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে ভারপ্রাপ্ত সচিবরা বলেন, স্যার-আমরা একদিকে বসেছি। আমরা সকলে ভারপ্রাপ্ত সচিব। তাঁরা সচিব পদে পদোন্নতির দাবি জানান। একই সঙ্গে বঞ্চিতদের পদোন্নতির দাবিও জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের দাবি পর্যালোচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন। আলোচনার এক পর্যায়ে দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতনভাতা বাড়ানোর দাবি জানানো হয়।
সচিবরা মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নতুন নতুন কর্মকর্তার পদায়নের কারণে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়ে সৃষ্ট ‘স্থান সঙ্কট’ নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। নির্বাচনের আর এক বছর বাকি থাকতে বুধবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের নিয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠকে তিনি প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন এবং সচিবরা নানা সমস্যার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। সচিবালয়ের ‘স্থান সঙ্কট’ নিরসনে সচিবরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে শেখ হাসিনা এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন।
উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে এক নির্দেশনায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর বর্ষায় অর্থবছর শুরু হয় বলে ওই সময় অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজগুলো করা সম্ভব হয় না। তবে প্রকল্পের নথিপত্রের কাজগুলো ওই সময়ের মধ্যে শেষ করে ফেলার জন্য সচিবদের নির্দেশ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাগজপত্রের কাজ শেষে শুকনো মৌসুমে অবকাঠামোগত কাজগুলো করতে হবে। এতে অর্থের অপচয় বন্ধ এবং জনগণের উপকার হবে।
সচিবরা অভিযোগ করে বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন খাতের অর্থ মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে চলে যায়। এতে সরকারের উন্নয়ন কর্মকা- বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁরা বলেন, দাতারা প্রজেক্ট প্রোফাইল তৈরি করে দেয়। এতে অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে অন্য প্রোফাইলের কপি করতে। একটি প্রোফাইলে বিহারের নাম উল্লেখ ছিল। সে ক্ষেত্রে বাংলায় প্রোফাইল করলে আর কপি করার সুযোগ থাকে না।
সচিবদের প্রতি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার জন্য সচিবদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দেশে সর্বক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। এ ব্যাপারে আপনাদের বড় ভূমিকা রাখতে হবে। জনগণ সকল ক্ষমতার মালিকÑ কথাটি শুধু সংবিধানে নয়, বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। সে লক্ষ্যে আপনাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সচিব কমিটির বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করবেন। বিভাগীয় মামলা এবং অডিট আপত্তি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। সরকারী কর্মকা-ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে আমরা তথ্য অধিকার কমিশন গঠন করেছি। কমিশনকে সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি তথ্য অধিকার আইনের আওতায় জনগণকে প্রদত্ত অধিকার সম্পর্কে তাঁদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতেও আপনারা ভূমিকা রাখবেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের অনেক সাফল্য রয়েছে। কিন্তু এই সাফল্য যথাযথভাবে প্রচার পাচ্ছে না। মিডিয়ার মাধ্যমে এই সাফল্য প্রচার করতে হবে। তাতে আমাদের ভাল কাজ জনগণ জানতে পারবে।
জনপ্রশাসনে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে সরকার ই-গবর্ন্যান্স কাজ করছে। প্রাথমিকভাবে কয়েকটি সরকারী অফিসে ডিজিটাল নথি ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু হয়েছে। সকল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চালু হয়েছে ই-সেবা কার্যক্রম। এ কার্যক্রমকে দ্রুত এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে আপনারা বিশেষ ভূমিকা পালন করবেন বলে প্রত্যাশা করি।
তিনি বলেন, একুশ শতকের উপযোগী একটি দক্ষ জনপ্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যাপক সংস্কারমূলক কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং সরকারী কাজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারীদের অবসর গ্রহণের বয়স ৫৭ থেকে ৫৯-এ উন্নীত করা হয়েছে। প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারী সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম এবং গাড়িসেবা নগদায়ন নীতিমালা সংশোধন করা হয়েছে। বিগত অর্থ বছর পর্যন্ত ১২৪ কর্মকর্তাকে গাড়িসেবা নগদায়ন সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে এলেও জনসংখ্যাকে এখন পর্যন্ত স্থিতিশীল করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া আবাসন, শিল্প ও বাণিজ্যের কাজে ভূমি ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিবছর আবাদী জমির পরিমাণ শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করে কমে আসছে। তাই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহারকে গুরুত্ব দিতে হবে। ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে ভূমির স্বল্পতা ও এর সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
ভূমি ব্যবস্থাপনাকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করার জন্য অনলাইনে ভূমি রেকর্ড সংরক্ষণ হাল নাগাদকরণ, ডিজিটাল জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা, ডিজিটাল নকশা ও খতিয়ান প্রণয়ন এবং প্রচলিত রেকর্ডের (খতিয়ান) পরিবর্তে ভূমি মালিকানা সনদ প্রবর্তন করার লক্ষ্যে সার্বিক ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রবর্তন করতে হবে।
দলীয় সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রেখে বলেন, আরেকটি ওয়ান ইলেভেনের মতো সরকার আসলে তারা যে নির্বাচন দেবে তার গ্যারান্টি কোথায়? বিশ্বের কোন গণতান্ত্রিক দেশে অনির্বাচিত ব্যক্তিদের দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু নেই। বর্তমান আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের অধীনে যে কোন ধরনের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করার মতো গণতান্ত্রিক পরিবেশ দেশে ফিরে এসেছে, তাই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার কোন প্রয়োজন নেই। আমরা জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারে বিশ্বাসী। আমরা জনগণের ভোট চুরির রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। জনগণ চাইলে আছি, নইলে নেই। কারণ অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন ছাড়া গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে না।
স্পীকার এ্যাডভোকেট আবদুল হামিদের সভাপতিত্বে বুধবার জাতীয় সংসদের সমাপনী দিনে প্রধানমন্ত্রীর ত্রিশ মিনিটের নির্ধারিত প্রশ্নোত্তরে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য এমাজউদ্দিন প্রামাণিকের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আর ফিরে আসার সম্ভাবনা নেই উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাচন পরিচালনায় ও দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার যে দৃষ্টান্ত দেখিয়েছে, সে অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জনগণের মনে শঙ্কা সৃষ্টি করেছে। আবার যদি এ ব্যবস্থা আসে, আর যদি ক্ষমতা না ছাড়ে তাহলে জনগণ গণতান্ত্রিক অধিকার হারাবে। আবার যদি ওয়ান ইলেভেনের একটি অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসে তবে সংবিধান কার্যকর থাকবে না। ফখরুদ্দিন-মইনউদ্দিন-ইয়াজউদ্দিনের মতো আরেকটি সরকার ক্ষমতায় এসে যদি থেকে যায়, নির্বাচন যে দেবে তার গ্যারান্টি কোথায়?
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিরোধী দলসহ যারা বিভিন্ন টকশোতে তত্ত্বাবধায়কের দাবিতে টেলিভিশন ফাটিয়ে ফেলছেন, তারা কী ওয়ান ইলেভেনের পরবর্তী ভয়াবহ অবস্থার কথা ভুলে গেছেন? ওই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সঙ্গে যারা হাত মিলিয়ে ছিল, তাদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল- তারা ছাড়া দেশের এমন কোন শ্রেণী-পেশার মানুষ নেই যে তারা নির্যাতনের শিকার হননি। এ কারণেই ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর সারাদেশেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের প্রবল দাবি ওঠে।
জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক চুন্নুর এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে যিনি সরকারপ্রধান থাকেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে নির্বাচনের প্রস্তাব দেন। প্রস্তাব পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনের নির্দেশ দেন। আর নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও শক্তিশালী করতে ২০০৫ সালে আমরা ২৩ দফা সুপারিশ করেছিলাম। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন এখন যথেষ্ট শক্তিশালী।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষ অবলম্বনকারীদের উদ্দেশ্যে করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর এ পর্যন্ত প্রায় ৬ হাজার বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ’৭৫-পরবর্তী কোন দলীয় সরকারের অধীনে এমন অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন কখনও হয়নি। দেশের মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করেছে। সরকার কোথাও কোন হস্তক্ষেপ করেনি। কোথাও ফল পাল্টিয়ে আমরা নিজেদের প্রার্থীকে বিজয়ী করিনি। কারণ আমরা জনগণের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকারে বিশ্বাস করি। ৬ হাজার নির্বাচনের একটিতেও কেউ কোন অভিযোগ আনতে পারেনি। এতেই প্রমাণিত হয় বর্তমান নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীন ও শক্তিশালী অবস্থানে থেকে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করে যাচ্ছে।
তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার প্রয়োজন নেই
মূল প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের জানামতে বিশ্বের কোন গণতান্ত্রিক দেশে অনির্বাচিত ব্যক্তিদের দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু নেই। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সকল সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনার বিধান রয়েছে বিধায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু নেই। সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সরকার পরিচালনায় জনগণের অংশগ্রহণের বিধান নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি সরকার একটি বিতর্কিত নির্বাচন করে। যে নির্বাচন সকল রাজনৈতিক দল ও দেশের মানুষ বর্জন করেছিল। সারাদেশে সেনা মোতায়েন করে নির্বাচনের নামে প্রহসন করা হয়। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ায় সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬ সুপ্রীমকোর্ট ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলার রায়ে অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষিত হয়েছে। জাতীয় সংসদে সর্বদলীয় বিশেষ কমিটির সুপারিশ মোতাবেক গত বছরের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বিভক্তি ভোটে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে বিধায় এ ব্যবস্থা চালু নেই। সংবিধান সংশোধন করে সংসদীয় গণতন্ত্র এবং ১৯৭২ সালের সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে পঞ্চদশ সংশোধনীতে।
সংসদ নেতা শেখ হাসিনা এ প্রসঙ্গে বলেন, তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা চালু থাকা অবস্থায় ১৯৯৬ সালে নির্বাচনের পূর্বে ২০ মে সেনা অভ্যুত্থান হয়েছিল, যা সফল হয়নি বলে গণতন্ত্র রক্ষা পায়। ২০০১ সালে লতিফুর রহমানের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার প্রথম দিনই ১৩ সচিবকে অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত করে এবং প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থায় ব্যাপক পরিবর্তন করে। বিএনপি ও জামায়াতের সন্ত্রাসীরা সারাদেশে হত্যা খুন ও নির্যাতন চালায়। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়।
তিনি বলেন, ২০০৬ সালে ইয়াজউদ্দিন রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায়ই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার পদ গ্রহণ করে বিতর্ক সৃষ্টি করেন। এক কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার ভোটার লিস্টে থাকা অবস্থায় নির্বাচনের প্রচেষ্টা নেন। ফলে সরকারের উপদেষ্টারা পদত্যাগ করেন। আবার তিনি নতুন উপদেষ্টা নিয়োগ দেন। কয়েক দফা এ ধরনের ঘটনা ঘটে। এ পরিস্থিতিতে ১/১১-এর ঘটনা ঘটে। রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গবর্নর ফখরুদ্দীন আহমেদ প্রধান উপদেষ্টার পদ গ্রহণ করেন।
তিনি বলেন, সেনা সমর্থনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়ে তিন মাস অর্থাৎ ৯০ দিনের স্থলে প্রায় দু’বছর ক্ষমতায় থেকে যায়। সকল শ্রেণী পেশার মানুষের ওপর নির্যাতন চালাতে থাকে। ছাত্র, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতা-কর্মীসহ সকল স্তরের মানুষ গোয়েন্দা সংস্থা দ্বারা হয়রানির শিকার হয়। দেশব্যাপী যুদ্ধাবস্থা না থাকা সত্ত্বেও দু’বছর ধরে সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকে। দল ভাঙ্গা ও নতুন দল গড়ার খেলাও শুরু হয়। এ অবস্থায় জনগণ দেশে ও বিদেশে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। দেশের ভেতর ও আন্তর্জাতিক চাপে ফখরুদ্দীন সরকার নির্বাচন দিতে বাধ্য হয়।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, মহাজোট সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সংসদের উপ-নির্বাচন, সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে। জনগণ তাদের পছন্দমতো প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে পেরেছে যা গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পরিচায়ক। কাজেই মহাজোট সরকারের অধীনে যে কোন ধরনের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করার মতো গণতান্ত্রিক পরিবেশ দেশে ফিরে এসেছে বিধায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার কোন প্রয়োজন নেই।
পদ্মা সেতু নির্মাণ
হবেই
স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফজলুল আজিমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু আমরা নির্মাণ করবই। এক ব্যক্তি বিশেষের ষড়যন্ত্রের কারণে দেশের মানুষের এই সর্বনাশ হয়েছে। ড. মোহাম্মদ ইউনূসকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যে ব্যক্তির (ড. ইউনূস) প্রতি দরদ দেখাতে ফজলুল আজিম সংসদ থেকে ওয়াক আউট করেছিলেন, তাঁর কারণে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন বন্ধ হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
পদ্মা সেতুর নির্মাণে সরকারের হাতে দু’ধরনের ডিজাইন রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দাতাগোষ্ঠী এগিয়ে আসলে নিচে রেল আর ওপরে সেতু অর্থাৎ ডবল ডেকার পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে। আর না আসলে সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে অপেক্ষাকৃত কম খরচের শুধু সড়ক সেতু নির্মাণ করা হবে। নিজস্ব অর্থায়নে কোন সারচার্জ বসাতে হবে না। দেশ-বিদেশ থেকে নানা শ্রেণী-পেশার মানুষ যেভাবে এগিয়ে এসেছে, আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস নিজস্ব অর্থায়নে আমরা পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে পারব। সরকারের প্রায় ১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রিজার্ভ রয়েছে। সেখান থেকে এক বিলিয়ন ডলার খরচ করা কোন ব্যাপারই নয়। যেহেতু পদ্মা নদী খরস্রোতা। তাই বন্যার সময় কাজ শুরু সম্ভব নয়, শীতকালে অবশ্যই নির্মাণ কাজ শুরু হবে।
২১ আগস্ট গ্রেনেড
হামলার বিচার
এ্যাডভোকেট সানজিদা খানমের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জানান, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে প্রকাশ্য দিবালোকে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের জনসভায় উপর্যুপরি গ্রেনেড হামলা করা হয়। আমি কোনভাবে বেঁচে গেলেও আমরা হারিয়েছি আমাদের নেত্রী আইভি রহমানসহ অনেক নেতা-কর্মীকে। শত শত নেতা-কর্মী এখনও শরীরে গ্রেনেডের স্পিøন্টার নিয়ে যনন্ত্রণাকাতর দুর্বিষহ জীবন-যাপন করছে।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার এ দেশকে একটি অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার মানসেই জঙ্গীবাদ ও সন্ত্রাসবাদের উত্থান ঘটিয়েছে। দেশটাকে একটি জঙ্গী ও সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়েই এ ধরনের সন্ত্রাসী উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। তিনি আরও বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্বে যারা বিশ্বাস করে না তাদের পক্ষেই এসব জঘন্য কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার স্বাধীন বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিলীন করার উদ্দেশ্যেই গ্রেনেড হামলা করেছিল। তারপর তারা ২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট সারাদেশে একযোগে বোমা হামলা করেছিল। দেশের বিভিন্ন জেলায় গ্রেনেড হামলাসহ যে সকল হামলা সংঘটিত হয়েছে সে সকল ঘটনায় দায়ের করা মামলার মধ্যে কিছু মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। অবশিষ্ট মামলার বিচার কাজ অব্যাহত আছে।
সচিবদের সঙ্গে
প্রধানমন্ত্রী
ৎসচিবদের সঙ্গে এক বৈঠকে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে দ্বিতীয় ‘ওয়ান ইলেভেন’ সৃষ্টি হতে দেয়া হবে না। প্রয়োজনে সকলের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে। বুধবার সচিবালয়ে সচিব কমিটির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। বৈঠকে সচিবরা ৩ বছরের বেশি সময় ধরে সচিবের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের সিনিয়র সচিব করা, সিনিয়র সচিবদের গাড়িতে পতাকা ব্যবহারের অনুমতি প্রদান, ভারপ্রাপ্ত সচিবদের সচিব পদে পদোন্নতি প্রদান, বঞ্চিতদের পদোন্নতি প্রদান, দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতনভাতা বাড়ানোসহ বেশ কিছু দাবি তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের দাবি পর্যালোচনার আশ্বাস দিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বৈঠকে সচিবদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে গণতন্ত্রের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো আমাদের দেশেও নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। কোন অবস্থায় মানুষের ভোটের আমানত নষ্ট হতে দেয়া হবে না। সকলে যাতে সুন্দর ও শান্তিুপূর্ণভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কোন অবস্থায় দেশে দ্বিতীয় ওয়ান ইলেভেন সৃষ্টি হতে দেয়া হবে না। প্রয়োজনে সকলের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, জনগণ সকল ক্ষমতার মালিক কথাটি শুধু সংবিধানে সীমাবদ্ধ না রেখে সকল ক্ষেত্রে তার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। আর এ লক্ষ্যে আপনাদের সেবামূলক মনোভাব নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বাচন কমিশন সচিব ড. মোহাম্মদ সাদিক তাঁর নির্বাচনী অভিজ্ঞতার বর্ণনা প্রদানকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
নির্বাচন কমিশন সচিব বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি সাড়ে ৬ হাজার নির্বাচন পরিচালনা করেছেন। এর মধ্যে জাতীয় সংসদের উপনির্বাচন রয়েছে ১২টি। তিনি বলেন, এবার সারাদেশে মোট সাড়ে ৭ শতাংশ ভোটার বাড়ছে। পুরনো ভোটারদের মধ্যে কমেছে মোট ৪ লাখ।
সোয়া চার ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত সচিব কমিটির বৈঠকে মোট ২৮ সচিব বক্তব্য রাখেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররফ হোসেন ভূঁইঞা বৈঠকটি পরিচালনা করেন এবং স্বাগত বক্তব্য দেন। একের পর এক সচিবদের বক্তব্য শুনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা তো সুন্দর বক্তব্য দেন। কিন্তু যে রিপোর্ট প্রদান করেন তা মনে হয় পড়েও দেখেন না।
বৈঠকে সচিবরা তাঁদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এর মধ্যে তাঁরা বলেন, কিছু সচিবকে সিনিয়র সচিব করা হয়েছে। এতে সচিবদের এবং সিনিয়র সচিবদের ভিন্ন বলে মনে হয়। তাঁরা অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে আরও কিছু সিনিয়র সচিব করার দাবি তোলেন। এ সময়ে অপর এক সচিব ৩ বছর যাবত যাঁরা সচিবের দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁদের সিনিয়র সচিব পদে উন্নীত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে সিনিয়র সচিবের মর্যাদার কারণে এবং চিহ্নিত করতে তাঁদের গাড়িতে পতাকা ব্যবহারের অনুমতি প্রদানের দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া পর্যায়ক্রমে সচিবরা তাঁদের দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে ভারপ্রাপ্ত সচিবরা বলেন, স্যার-আমরা একদিকে বসেছি। আমরা সকলে ভারপ্রাপ্ত সচিব। তাঁরা সচিব পদে পদোন্নতির দাবি জানান। একই সঙ্গে বঞ্চিতদের পদোন্নতির দাবিও জানানো হয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের দাবি পর্যালোচনা করার আশ্বাস দিয়েছেন। আলোচনার এক পর্যায়ে দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেতনভাতা বাড়ানোর দাবি জানানো হয়।
সচিবরা মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং নতুন নতুন কর্মকর্তার পদায়নের কারণে প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়ে সৃষ্ট ‘স্থান সঙ্কট’ নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। নির্বাচনের আর এক বছর বাকি থাকতে বুধবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের নিয়ে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠকে তিনি প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন এবং সচিবরা নানা সমস্যার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। সচিবালয়ের ‘স্থান সঙ্কট’ নিরসনে সচিবরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে শেখ হাসিনা এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন।
উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে এক নির্দেশনায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর বর্ষায় অর্থবছর শুরু হয় বলে ওই সময় অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজগুলো করা সম্ভব হয় না। তবে প্রকল্পের নথিপত্রের কাজগুলো ওই সময়ের মধ্যে শেষ করে ফেলার জন্য সচিবদের নির্দেশ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাগজপত্রের কাজ শেষে শুকনো মৌসুমে অবকাঠামোগত কাজগুলো করতে হবে। এতে অর্থের অপচয় বন্ধ এবং জনগণের উপকার হবে।
সচিবরা অভিযোগ করে বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন খাতের অর্থ মধ্যস্বত্বভোগীদের পকেটে চলে যায়। এতে সরকারের উন্নয়ন কর্মকা- বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁরা বলেন, দাতারা প্রজেক্ট প্রোফাইল তৈরি করে দেয়। এতে অনেক ক্ষেত্রে দেখা গেছে অন্য প্রোফাইলের কপি করতে। একটি প্রোফাইলে বিহারের নাম উল্লেখ ছিল। সে ক্ষেত্রে বাংলায় প্রোফাইল করলে আর কপি করার সুযোগ থাকে না।
সচিবদের প্রতি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার জন্য সচিবদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দেশে সর্বক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। এ ব্যাপারে আপনাদের বড় ভূমিকা রাখতে হবে। জনগণ সকল ক্ষমতার মালিকÑ কথাটি শুধু সংবিধানে নয়, বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটাতে হবে। সে লক্ষ্যে আপনাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সচিব কমিটির বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করবেন। বিভাগীয় মামলা এবং অডিট আপত্তি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে। সরকারী কর্মকা-ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে আমরা তথ্য অধিকার কমিশন গঠন করেছি। কমিশনকে সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি তথ্য অধিকার আইনের আওতায় জনগণকে প্রদত্ত অধিকার সম্পর্কে তাঁদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টিতেও আপনারা ভূমিকা রাখবেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের অনেক সাফল্য রয়েছে। কিন্তু এই সাফল্য যথাযথভাবে প্রচার পাচ্ছে না। মিডিয়ার মাধ্যমে এই সাফল্য প্রচার করতে হবে। তাতে আমাদের ভাল কাজ জনগণ জানতে পারবে।
জনপ্রশাসনে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে সরকার ই-গবর্ন্যান্স কাজ করছে। প্রাথমিকভাবে কয়েকটি সরকারী অফিসে ডিজিটাল নথি ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু হয়েছে। সকল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে চালু হয়েছে ই-সেবা কার্যক্রম। এ কার্যক্রমকে দ্রুত এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে আপনারা বিশেষ ভূমিকা পালন করবেন বলে প্রত্যাশা করি।
তিনি বলেন, একুশ শতকের উপযোগী একটি দক্ষ জনপ্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যাপক সংস্কারমূলক কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। এ অঞ্চলের অন্যান্য দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবং সরকারী কাজের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারীদের অবসর গ্রহণের বয়স ৫৭ থেকে ৫৯-এ উন্নীত করা হয়েছে। প্রাধিকারপ্রাপ্ত সরকারী সুদমুক্ত বিশেষ অগ্রিম এবং গাড়িসেবা নগদায়ন নীতিমালা সংশোধন করা হয়েছে। বিগত অর্থ বছর পর্যন্ত ১২৪ কর্মকর্তাকে গাড়িসেবা নগদায়ন সুবিধা প্রদান করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কমে এলেও জনসংখ্যাকে এখন পর্যন্ত স্থিতিশীল করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া আবাসন, শিল্প ও বাণিজ্যের কাজে ভূমি ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিবছর আবাদী জমির পরিমাণ শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ করে কমে আসছে। তাই জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহারকে গুরুত্ব দিতে হবে। ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে ভূমির স্বল্পতা ও এর সর্বোত্তম ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
ভূমি ব্যবস্থাপনাকে স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতামূলক করার জন্য অনলাইনে ভূমি রেকর্ড সংরক্ষণ হাল নাগাদকরণ, ডিজিটাল জরিপ কার্যক্রম পরিচালনা, ডিজিটাল নকশা ও খতিয়ান প্রণয়ন এবং প্রচলিত রেকর্ডের (খতিয়ান) পরিবর্তে ভূমি মালিকানা সনদ প্রবর্তন করার লক্ষ্যে সার্বিক ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রবর্তন করতে হবে।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
September
(2308)
-
▼
Sep 20
(45)
- পাক ক্রিকেটারদের বীনা মালিকের নসিহত
- সচিবদের দাবি-দাওয়া শুনে প্রধানমন্ত্রী বললেন প্রশাস...
- বিচারপ্রার্থীরা হয়রান-পুলিশ ও আদালত কর্মচারীদের গা...
- নতুন প্যাপিরাসে যিশুর 'বিয়ে বিতর্ক'
- বন্যায় পাকিস্তানে ৩০ লাখ লোক ক্ষতিগ্রস্ত
- সুন্দরবন রক্ষায়... by মোঃ মেছের আলী
- জাতীয় নির্বাচন ও বর্তমান রাজনীতি by শামশাদ আহম্মেদ
- নারী যখন বাসযাত্রী by ঈহিতা জলিল
- হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার সংস্কৃতি ও খেলাধুলা by ...
- দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পাঁচ কোটি মানুষের ট্র্যাজেডি ...
- ক্যান্সার সারবে সাপের বিষে
- রাশিয়ায় ইউএসএআইডির কার্যক্রম বন্ধ
- মনমোহন ও মমতা নিজ নিজ অবস্থানে অনড়
- উদীচী ঢাকা মহানগর সম্মেলন কাল শুরু- সংস্কৃতি সংবাদ
- হত্যা গণহত্যা ঘটনার পত্রিকার কাটিং নিয়ে জবানবন্দী ...
- বিচারবহির্ভূত হত্যা বন্ধ না হলে ভাবমূর্তি উজ্জ্বল ...
- বিদেশীদের বছরে ৫৫ হাজার গ্রীনকার্ড দিতে বিল- যুক্ত...
- চিঠির কদর নেই এখন প্রিয়জন অপেক্ষা করে মোবাইল, ই-মে...
- এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্য চীন নয় ...
- মমতা আবারও বললেন আপস নয়-কংগ্রেসের প্রতি সত্য বিকৃত...
- অবাস্তব পরিকল্পনা-জনগণের অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহারই...
- ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ ২০ জেলা প্রশাসক পরিবর্তন
- রাজশাহীতে ২১ শিবির কর্মী আটক, তিন জেএমবি সদস্য গ্র...
- কর্মঘণ্টার বিধিনিষেধ থেকে অব্যাহতি চান গার্মেন্টস ...
- মালয়েশিয়াতে সরকারী পর্যায়ে লোক পাঠালে আন্দোলনে নাম...
- পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন ॥ সুখবর আজ?- আভ...
- সংসদে ও সচিবদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী ॥ সংসদ ভেঙ্গে ...
- কনটেইনারে বিলাসবহুল গাড়ি-শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চ...
- শিক্ষকদের কথা ভাবুন by মো. রবিউল ইসলাম
- ভর্তি ফরম ও শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ by মিঠুন গোস্বামী
- হলমার্ক কেলেঙ্কারির বিচার হবে না? by রাকিবুল হাসান
- হুমকির মুখে ক্যাম্পাস সাংবাদিকতা by মাসুদ ফরহান অভি
- অভিনন্দন খুরশিদা by মাহবুবা নাসরীন
- মমতা ও তার বুমেরাং by টি কে অরুণ
- আন্তর্জাতিক-দ্বীপ নিয়ে দুর্ভাবনা by মো. মোতাহের হোসেন
- আরেক আলোকে-অতঃপর উপদেষ্টা সমাচার by ইনাম আহমেদ চৌ...
- নগরে পরিবেশ দূষণ-শিশুরাই বেশি ভুক্তভোগী
- যাত্রী পরিসেবা-বিপর্যস্ত বিমান
- পবিত্র কোরআনের আলো-উপাসনা কেবলার উদ্দেশে নয়; বরং এ...
- প্রাণভিক্ষা না চেয়ে গুপ্তচর ধরায় উদ্যোগী হোন by আন...
- সব কিছুতেই এক ধরনের ধূম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে by মির্জ...
- চরাচর-বেকার হোস্টেলে বঙ্গবন্ধু স্মৃতিকক্ষ by ফখরে আলম
- অসময়ের গান by আজিজুস সামাদ আজাদ
- এমএলএম নাকি হলমার্ক? by প্রভাষ আমিন
- চৈতন্যের মুক্ত বাতায়ন-সংস্কৃতিই লক্ষ্য, রাজনীতি সে...
-
▼
Sep 20
(45)
-
▼
September
(2308)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment