Thursday, June 22, 2017
সিরিয়া ইস্যুতে ইরানি-রুশ অক্ষের সঙ্গে এরদোগানের আপোষের রহস্য
সিরিয়া ইস্যুতে ইরানি-রুশ অক্ষের সঙ্গে এরদোগানের আপোষের রহস্য

রেডিও তেহরান: জনাব মোহাম্মাদ মুনির হোসেন খান সাম্প্রতিক সময়ে সিরিয়ার পরিস্থিতিতে একটি বড় পরিবর্তন দেখা গেছে। আর এরই প্রমাণ হল তুরস্কের এরদোগান সরকার সিরিয়ায় ইরান ও রাশিয়ার প্রস্তাবিত ডিএস্কেলেশন জোন তথা উত্তেজনা-মুক্ত বা যুদ্ধ-মুক্ত অঞ্চল গঠনের প্রস্তাবটি মেনে নিয়েছে। প্রশ্ন হল তুর্কি সরকার ইরান ও রাশিয়ার এই প্রস্তাবে কেন সম্মত হলো? আর পাশ্চাত্য ও তার আঞ্চলিক মিত্র আর সেবাদাস সরকারগুলো কেনোইবা আসাদের বিরোধিতায় আদাজল খেয়ে লেগেছিল? সিরিয়ার নিকট-অতীত ও সাম্প্রতিক পরিস্থিতির পটভূমিসহ এসব বিষয়ে আপনার মতামত ও ব্যাখ্যা জানতে চাই।
মোহাম্মাদ মুনির হোসেন খান: আপনার প্রশ্নের প্রথম অংশের জবাব স্পষ্টভাবে দেয়ার জন্যই আগে আমাদের জানা দরকার সিরিয়া সংকটের নিয়ামক বা ফ্যাক্টরগুলো সম্পর্কে। এই ফ্যাক্টরগুলোর অন্যতম হচ্ছে তুরস্কের এরদোগান সরকার। শুধু অন্যতমই নয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টরও বটে এই তুরস্ক। তুরস্ক যদি এ সংকট সৃষ্টির ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা পালন না করত তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,ব্রিটেন, ইসরাইল, সৌদি আরব, কাতার, আমিরাত, জর্দান প্রভৃতির পক্ষে সিরিয়ায় গোলযোগ, ফিতনা ও সংকট তৈরি করা আদৌ সম্ভব হতো কিনা সন্দেহ। সিরিয়ায় গোলযোগ সৃষ্টিকারী অধিকাংশ দেশি-বিদেশি জঙ্গি সন্ত্রাসীর সামরিক প্রশিক্ষণ এবং তাদের জন্য বেশিরভাগ অস্ত্র-গোলাবারুদ ও রসদপত্র সরবরাহ আর লজিস্টিক সাপোর্টসহ নানা ধরনের সহায়তা দান তুর্কী-সিরিয়া সীমান্ত দিয়ে তুরস্কের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। অবশ্য ইহুদিবাদী ইসরাইলও এ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান ও ভূমিকা রেখেছে এবং বর্তমানেও রাখছে। আর জর্দান ছোট দেশ এবং সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল হওয়ার কারণে জর্দানের পক্ষ থেকে সিরিয়ায় গোলযোগ সৃষ্টিকারীদের প্রতি লজিস্টিক সুযোগ-সুবিধা দেয়া স্বাভাবিকভাবে যে কম হবে তা স্পষ্ট।
তাছাড়া তুরস্ক ও ইরাকের সাথে রয়েছে সিরিয়ার সবচেয়ে বেশি দীর্ঘ সীমান্ত। তুরস্ক জর্দানের চেয়ে সামরিক, অর্থনৈতিক ওজন আর শক্তির দিক থেকে বহুগুণ শক্তিশালী একটি শিল্পোন্নত দেশ এবং ন্যাটোর এক অন্যতম শক্তিশালী সক্রিয় সদস্য। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর ন্যাটো-জোটভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় সামরিক বাহিনী রয়েছে তুরস্কের। তুরস্ক শিল্পোন্নত ও অর্থনৈতিকভাবে প্রাগ্রসর ২০ জাতি জোটেরও অন্তর্ভুক্ত। আবার বিশ্বের বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলো থেকে রিক্রুটকৃত বহু জঙ্গি জিহাদিকে ইসরাইলে এনে সামরিক ট্রেনিং এবং ইসরাইল-সিরিয়া সীমান্ত দিয়ে সিরিয়ায় পাঠাতে গেলে তাদের অনেকেই হয়তো তাতে রাজী হতো না। কিন্তু তুরস্ক এক্ষেত্রে সীমান্তের দেশ ও সহযোগী হওয়াতে এই সমস্যায় পড়তে হয়নি মার্কিন, সৌদি, কাতারি ও আমিরাত সরকারকে। তাই, তুরস্কে এদেরকে অনায়াসে চালান দেয়া সম্ভব হয়েছে।
উল্লেখ্য, যখন এরদোগান-আব্দুল্লাহ গুলের এ.কে পার্টি (জাস্টিস পার্টি) বিংশ শতাব্দীর ৯০ দশকের শেষের দিকে তুরস্কে ক্ষমতা লাভ করে তখন সিরিয়ার বাশার আল আসাদ সরকারের সাথে আব্দুল্লাহ-এরদোগান প্রশাসনের বেশ উষ্ণ সম্পর্ক ছিল। এরদোগান তো বাশার আল আসাদকে ভাই পর্যন্ত বলেছিল। তুরস্ক-সিরিয়া উষ্ণ সম্পর্কের বদৌলতে সিরিয়ায় আশ্রয়গ্রহণকারী তুরস্কের বামপন্থী বিদ্রোহী কুর্দি নেতা আব্দুল্লাহ ওজালানকে তুরস্কে এনে পরবর্তীতে তার সাথে শান্তি ও যুদ্ধবিরতি চুক্তি করে দক্ষিণ তুরস্কের কুর্দিস্তানে দীর্ঘ তিন দশক স্থায়ী কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী পিকেকে’র বিদ্রোহের আপাততঃ নিষ্পত্তি হয়। ২০১১ সাল পর্যন্ত এ সম্পর্ক ভালোই ছিল।
কিন্তু ২০১১ সালের জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি মাসে তিউনিসিয়া, মিসর, লিবিয়া, বাহরাইন, ইয়েমেনের জনগণ মার্কিন ও পাশ্চাত্য সমর্থিত স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণ অভ্যুত্থান করলে একের পর এক তিউনিসিয়া ও মিসরের স্বৈরাচারী শাসক বেন আলী ও হুসনি মুবারক সরকারের পতন ঘটে এবং লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধের সূচনা হয় এবং কয়েক মাস গৃহযুদ্ধ চলার পর লিবিয়ায় গাদ্দাফি সরকারের পতন হয় এবং ঐ বছরই স্বৈরতান্ত্রিক একনায়ক গাদ্দাফি নিহত হয়।
ঠিক একইভাবে ইয়েমেনের মার্কিন-সৌদি সমর্থিত একনায়ক আলী আব্দুল্লাহ সালেহ সরকারেরও পতন ঘটে। কিন্তু মার্কিন সরকারের নির্দেশে সৌদি সরকার সামরিক বাহিনী পাঠিয়ে ২০১১ সালে বাহরাইনের ক্ষমতাসীন রাজবংশ আল-খলিফাকে বাহরাইনি জনগণের ন্যায্য গণতান্ত্রিক ও নাগরিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনের হাত থেকে রক্ষা করে। নিতান্ত পরিহাসের বিষয় হচ্ছে এই যে,পাশ্চাত্য ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাহরাইনের জনগণের জন্য গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার গুরুত্বপূর্ণ নয় এবং সেদেশে স্বৈরাচারী জালেম শাসকের মধ্যযুগীয় রাজতন্ত্র থাকলেও তাতে আপত্তি ও অসুবিধা নেই!
কিন্তু পাশ্চাত্য ও মার্কিন সরকারের দৃষ্টিতে সিরিয়ায় তথাকথিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা অত্যাবশ্যক তথা ফরজ! এর কারণ হচ্ছে বাহরাইনে গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত হলে মার্কিন ও পাশ্চাত্যের অবৈধ স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হয় এবং সিরিয়ায় তথাকথিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে পাশ্চাত্যের সেইসব অবৈধ স্বার্থ অটুট থাকে! অর্থাৎ সিরিয়ায় আসাদকে ক্ষমতা থেকে সরাতে পারলে ইসরাইলের নিরাপত্তা, অস্তিত্ব ও গোটা মধ্যপ্রাচ্যের উপর এর অবৈধ আধিপত্য, কর্তৃত্ব ও একচেটিয়া দাপট প্রতিষ্ঠার নিশ্চয়তা বিধান করা সম্ভব যা ইতোমধ্যে হুমকির সম্মুখীন ও সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছিল ৩৩ দিনের ইসরাইল-হিজবুল্লাহ যুদ্ধে এবং ২২দিন ও ৮ দিনের দু-দু’টো ইসরাইল গাজা যুদ্ধে।
এটা স্পষ্ট মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের আধিপত্য, কর্তৃত্ব ও একক দাপট আসলে পাশ্চাত্য, বিশেষকরে ইঙ্গ-মার্কিন আধিপত্য,কর্তৃত্ব ও শ্রেষ্ঠত্বেরই নামান্তর এবং এ যুদ্ধগুলোয় ইসরাইলের ভরাডুবি ও ব্যর্থতায় সিরিয়ার বাশার আল আসাদ সরকারের অবদান ও ভূমিকা ছিল সত্যিই অনস্বীকার্য যা ইসরাইল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। তাই আরব বিশ্বে পাশ্চাত্য সমর্থিত স্বৈরাচারী শাসকদের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থান চলাকালে মধ্যপ্রাচ্যের এ অবস্থা ও সুযোগের সদ্ব্যবহার করে সিআইএ, এমআই-সিক্স (ব্রিটেন), মোসাদ(ইসরাইল) এবং সৌদি-কাতারি-তুর্কি শাসকচক্রের নীলনকশা, সার্বিক সহায়তা ও মদদে সিরিয়ায় এক কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাশার আল আসাদ সরকারের পতন ঘটানোর উদ্যোগ নেয়া হয় খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে।
সিরিয়া বিরোধী ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলী পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রে আরব প্রতিক্রিয়াশীল চক্রের (সৌদি আরব, কাতার,প্রভৃতি)সহযোগিতা নিতান্ত স্বাভাবিক কিন্তু তুরস্ক কেন এর সহযোগী হয়েছে? এরদোগান ইসরাইল আরোপিত ২০০৮ সালে গাজা অবরোধ ভাঙ্গার জন্য ত্রাণ সামগ্রী এবং গাজা অবরোধের বিরুদ্ধে সোচ্চার মানবাধিকার কর্মীদের বহনকারী তুর্কী জাহাজে ইসরাইলী হেলিকপ্টারের আক্রমণে কিছু তুর্কী ও বিদেশী নাগরিক নিহত হওয়া এবং ইসরাইলী নৌবাহিনী কর্তৃক উক্ত জাহাজ আটক করার প্রতিবাদে ইসরাইল থেকে তুর্কী রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করে তুর্কী-ইসরাইল কূটনৈতিক সম্পর্ক স্মরণাতীতকালে সর্বনিম্ন পর্যায় নামিয়ে এনেছিল।
আর ২০০৯ সালের ডিসেম্বর -২০১০ সালের জানুয়ারির ২২ দিনের প্রথম ইসরাইল-গাজা যুদ্ধে সহস্রাধিক বেসামরিক নারী-পুরুষ ও শিশু নৃশংস ইসরাইলী বিমান হামলায় নিহত হওয়ার প্রতিবাদ হিসেবে ইসরাইলি প্রেসিডেন্ট শিমোন পেরেজকে শিশু হত্যাকারী ও যুদ্ধাপরাধী বলে আখ্যায়িত করে সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স কক্ষ সবার সামনে ত্যাগ করেছিল এরদোগান। অথচ সেই এরদোগানই আবার শরীক হয়েছে অশুভ অপবিত্র শয়তানি খবিস ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলী-আরব জোটে সিরিয়ার বিরুদ্ধে ২০১১ সালে।
এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বিরাট পরিবর্তন ও মহাডিগবাজি তথা এরপর অল্প কয়েক বছরের মধ্যেই এই এরদোগান সরকার রাষ্ট্রদূত পর্যায় তুর্কী-ইসরাইল কূটনৈতিক সম্পর্ককে আবার সম্পূর্ণ স্বাভাবিক করেছে। অথচ এই সময়ের মধ্যে ইসরাইল গাজার সাথে আরও দু-দু’টি যুদ্ধ করে (৮দিনের যুদ্ধ ও ২০১৪ সালের জুন-জুলাইয়ের (রমযান-শাওয়াল) প্রায় ৫৪ দিনের যুদ্ধ) নির্বিচারে বোমাবর্ষণ ও বিমান হামলা চালিয়ে গাজায় হাজার হাজার বেসামরিক ফিলিস্তিনি নর-নারী ও শিশু হত্যা করে। এ দুই যুদ্ধে ইসরাইল অবরুদ্ধ গাজায় হাজার হাজার নিরীহ নর-নারী ও শিশু হত্যা করা সত্ত্বেও এরদোগানের দৃষ্টিতে নেতানিয়াহু (ইসরাইলী প্রধান মন্ত্রী),ইহুদ বারাক ও শিমোন পেরেজ আর শিশু হত্যাকারী বলে গণ্য হয় নি! এর কারণ কি?..
কারণ, এ দুটো (ইসরাইল-গাজা) যুদ্ধ হয়েছিল সিরিয়ায় ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলি-সৌদি-কাতারি-তুর্কি সরকারের চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধ ও গোলযোগ চলাকালীন সময়। তাই এরদোগান কিভাবে সিরিয়ায় অশান্তি, সংকট ও গোলযোগ সৃষ্টির পরিকল্পনা ও প্রক্রিয়ায় নিজ শরীককে (ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী) শিশু-হত্যাকারী বলে অভিহিত করতে পারে?
এখন আমরা উত্থাপিত প্রশ্নের প্রথম অংশের জবাব দেয়ার চেষ্টা করব। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিলুপ্ত ওসমানী (অটোম্যান) সাম্রাজ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার স্বপ্নে বিভোর উচ্চাভিলাষী এরদোগানকে সিরিয়ায় মার্কিন-ইসরাইল-সৌদি-কাতারি-তুর্কি আধিপত্য স্থাপনে শরীক হওয়ার টোপ দিয়ে সেদেশে এই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিতে টেনে নিয়ে আসে। আর এভাবে সৌদি-কাতারি অর্থায়নের পাশাপাশি তুরস্কের সার্বিক ও সর্বাত্মক লজিস্টিক সহায়তা এবং ফিল্ড সাপোর্টে নোংরা-অশুভ-কুচক্রী ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলি অক্ষটি (The unholy evil vicious Anglo-U.S-Israeli AXIS) সিরিয়ায় নিজেদের নীল-নক্সা বাস্তবায়নে সচেষ্ট হয়। এ নীল নক্সার স্বরূপটা আরও কিছু পরে ব্যাখ্যা করব।
আর ওসমানী সাম্রাজ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার স্বপ্নে বিভোর উচ্চাভিলাষী এরদোগান সিরিয়ায় আধিপত্য স্থাপনের আশায় অথবা অন্ততপক্ষে সিরিয়ার তুর্কি সীমান্তবর্তী উত্তরাঞ্চল যার কিছু অধিবাসী তুর্কী ভাষাভাষী তুর্কমেন এবং তেলসমৃদ্ধ হওয়ায় তা তুরস্কের অন্তর্ভুক্ত করার লোভে ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলি এ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় জড়িত হয়।
তুরস্কের এ ধরণের উচ্চাভিলাষ ইরাককে নিয়েও রয়েছে। ইরাকের তেলসমৃদ্ধ কির্কুক ও মসুল প্রদেশের প্রতিও তুরস্কের লোলুপ দৃষ্টি রয়েছে। কারণ এ অঞ্চলের অধিবাসীদের একটা অংশ তুর্কী ভাষাভাষী তুর্কমেন। তাই দায়েশ (আইএস) জঙ্গি গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ইরাকী সেনাবাহিনী ও জনপ্রিয় গণবাহিনী আল-হাশদুশশাবী সফল অভিযান শুরু করলে সুপ্রতিবেশীসুলভ মনোবৃত্তি পরিহার করে তুর্কী বাহিনী সীমান্ত অতিক্রম করে মসুল প্রদেশের উত্তরে ইরাকী ভূখণ্ডের কয়েক কিলোমিটার ভিতরে দখলদার বাহিনীর মতো অবস্থান নেয়। ইরাক সরকার এর তীব্র প্রতিবাদ করে আসছে। ঠিক এ ধরণের কাজ তুরস্ক উত্তর সিরিয়ার সীমান্তবর্তী অঞ্চলেও করে আসছে। সিরিয়া সরকারের সেনাবাহিনীর হাতে বিপর্যস্ত পলায়নপর জঙ্গি সন্ত্রাসীরা যাতে করে সীমান্ত অতিক্রম করে তুরস্কের ভেতরে অনুপ্রবেশ করতে না পারে সেই অজুহাতে তুর্কি সরকার সিরিয়ার এইসব সীমান্তে সেনা পাঠায়। অথচ এসব পলায়নপর জঙ্গি সন্ত্রাসীদের সিংহভাগই বিগত বছরগুলোয় তুরস্কে সামরিক ট্রেনিং নিয়ে তুর্কী-সিরিয় সীমান্ত দিয়ে সিরিয়ায় প্রবেশ করেছে।এদের কাছেই তুরস্ক হতে অস্ত্র, গোলাবারুদ, খাদ্য ও রসদপত্র সরবরাহ করা হত এবং বর্তমানেও তা করা হচ্ছে যা শুনতে সত্যি খুব অবাকই লাগে।
উল্লেখ্য ইরাক ও সিরিয়ার দায়েশ (আইএস) অধিকৃত অঞ্চলের তেলখনির তেল (পেট্রোলিয়াম) এ জঙ্গি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটি তুরস্ক এবং ইউরোপীয় ফরাসী-সুইডিশ আন্তর্জাতিক সিমেন্ট ও নির্মাণ সামগ্রী নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লা ফার্জ হোলসিম কোম্পানির মাধ্যমে জ্বালানী তেল ও পেট্রোলিয়ামের কালো বাজারে বিক্রি করে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার কামিয়েছে। আর দায়েশ-তুর্কী তেল-চোরাচালানে স্বয়ং এরদোগানের ছেলে ও জামাতাও জড়িত বলে জানা যায় এবং এরদোগানের ছেলে এ কারণেই দায়েশের তেলমন্ত্রী বলে খ্যাতি অর্জন করেছে। ইরাক সিরিয়া থেকে লুণ্ঠিত এ তেল তুরস্ক হয়ে চলে যেত ইসরাইলে এবং সেখান থেকে ইসরাইলের যেটুকু প্রয়োজন তা রেখে বাকি তেল সাপ্লাই দেয়া হতো বিশ্ব বাজারে। আর এভাবে সিরিয়া সংকটের বদৌলতে গড়ে উঠেছে ইরাক-সিরিয়ার তেল-সম্পদ লুণ্ঠন করে বিশ্ব তেলের কালো বাজারে তুর্কী-ইসরাইলি-পশ্চিমা বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর রমরমা ব্যবসা।
এ ছাড়া সিরিয়া সংকটের সুবাদে সেদেশে ঢুকে তুর্কী সীমান্তবর্তী সিরিয়ার কুর্দি অধ্যুষিত অঞ্চল কব্জা করতে পারলে তুরস্ক নিয়ন্ত্রিত কুর্দি প্রদেশগুলোর পিকেকে এবং অন্যান্য কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী দলগুলোর ভবিষ্যৎ বিদ্রোহ ও গোলযোগ দমন করাও তুরস্কের জন্য হয়তো বহুলাংশে সম্ভব হবে। আর সিরিয়ায় গোলযোগ ও সংকটে বাশার আল আসাদ সরকারের পতনে নোংরা-অশুভ-কুচক্রী ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলী-সৌদি-কাতারি অক্ষের সাথে সহযোগিতার সুবাদে সিরিয়ার বেশ কিছু অঞ্চল মালে গনিমত হিসেবে পাওয়া গেলে ভবিষ্যতে ইরাকেও এ ধরণের মালে গনিমত পেতে পারে তুরস্ক। তা ছাড়া এ প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা ও সম্প্রসারণে এই অশুভ অক্ষের সাথে থেকে যদি ইয়েমেনসহ মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা এমনকি ইরানেও ভবিষ্যতে মালে গনিমত পাওয়া যায় তাহলে মন্দ কি! ইরানে মালে গনিমত পাওয়ার অর্থ: সিরিয়া আর ইরাকে নোংরা-অশুভ-কুচক্রী ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইল-সৌদি-কাতারি অক্ষের ফিতনা, গোলযোগ, যুদ্ধ ও সংকট সৃষ্টির এক অন্যতম বৃহৎ বরং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ হচ্ছে ভবিষ্যতে ফিতনা, গোলযোগ, দ্বন্দ্ব, যুদ্ধ ও সংকট বাধিয়ে ইরানকে ধরাশায়ী করা যা করতে পারলে ইসরাইলের চূড়ান্ত নিরাপত্তা বিধান সম্ভব হবে এবং সেইসাথে ইরানকে টুকরো টুকরো করে এর তেল-গ্যাস ও অন্যান্য খনিজসম্পদ সমৃদ্ধ অঞ্চলগুলোর উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই অক্ষ ও তার সহযোগী দেশগুলো তখন ইরানে তাদের মালে গনিমত লাভ করতে পারবে। কি মহাভয়ানক এ পরিকল্পনা যা সমেত জাহান্নামে যাক্ এই অপবিত্র-অশুভ-খবিস শয়তানি অক্ষ।
অপবিত্র-অশুভ-শয়তানি-খবিস মূল ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলী অক্ষটি সৌদি আরব, কাতার, আমিরাত ও তুরস্কের শাসকচক্রকে বুঝিয়েছে ইসরাইল, আরব রাজন্যবর্গ ও তুরস্কের যৌথ স্বার্থ সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজন সিরিয়া, ইরাক ও ইরানকে টুকরো টুকরো করা। আবার সেই সাথে হয়তো অশুভ অপবিত্র শয়তানি খবিস ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলী অক্ষটি এরদোগানের কানে কানে বলে থাকতে পারে যে সিরিয়া সংকটে সহযোগিতা করলে এর নগদ আরেকটি পুরস্কার তুরস্কের জন্য অপেক্ষা করবে আর তা হচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নে তুরস্কের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিতকরণ যা হচ্ছে এক কালের ‘সিক ম্যান অব ইউরোপ’ বলে খ্যাত তুরস্কের বহুযুগের লালিত স্বপ্ন এবং যা বহু বছর যাবত পাশ্চাত্য তুরস্কের সামনে মূলোর মত ঝুলিয়ে রেখে কেবল ফায়দাই লুটছে! আর এ থেকে পাশ্চাত্যের সর্বশেষ ফায়দা হচ্ছে এই যে বিশেষ প্রাণীর মুখের সামনে মুলো ঝুলিয়ে তাকে যেমন যেদিকে ইচ্ছা সেদিকে চালনা করা যায় ঠিক তেমনি তুর্কী প্রধানমন্ত্রী এরদোগানের সামনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মূলো ঝুলিয়ে তাকে সিরিয়ায় গোলযোগ ও সংকট সৃষ্টির পরিকল্পনায় শরিক করেছে পাশ্চাত্য! আসলে মূল অশুভ-অপবিত্র-খবিস-শয়তানি ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলী অক্ষের আসল লক্ষ্য ও মহাপরিকল্পনা হচ্ছে শুধু সিরিয়া, ইরাক ও ইরানকেই নয় বরং সৌদি আরব, ইয়েমেন, তুরস্ক, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, মিসর, লিবিয়া (বর্তমানে তা বিজাতীয় ষড়যন্ত্রে তিন টুকরায় বিভক্ত হয়ে আছে),আলজেরিয়া, সুদান,তিউনিসিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া, চাদ, ইন্দোনেশিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর ও পশ্চিম আফ্রিকাসহ গোটা মুসলিম বিশ্বকে খণ্ড বিখণ্ড করে নতুন মধ্যপ্রাচ্য বা গ্রেটার মিডল ইস্ট (মরক্কো থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত প্রসারিত বৃহৎ মধ্যপ্রাচ্য) গঠন করা।
প্রখ্যাত ব্রিটিশ রাজনীতিজ্ঞ জর্জ গ্যালোওয়ের মতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ অটোম্যান সাম্রাজ্যকে ভেঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে ২২টি দুর্বল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছিল ১০০ বছর আগে। আর বর্তমানে পাশ্চাত্য (নয়া ইঙ্গ-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ) চাচ্ছে এই ২২টি দুর্বল রাষ্ট্রকে ভেঙ্গে আরও ৩০০টি অতি ক্ষুদ্র ও মহাদুর্বল রাষ্ট্র (রাজ্য বলাই শ্রেয়) প্রতিষ্ঠা করতে। তাহলে যেমন অতি সহজে ইসরাইলের অস্তিত্ব, নিরাপত্তা ও হেজেমোনি সুনিশ্চিত করা যাবে ঠিক তেমনি আরও অতি সহজে অত্র অঞ্চলের সমুদয় সম্পদ লুণ্ঠন এবং সব ধরণের সুযোগ সুবিধা ভোগ করা সম্ভব হবে। পাশ্চাত্য অর্থাৎ নয়া ইঙ্গ-মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের এটা হচ্ছে এশিয়া, আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকা জুড়ে দেশ ভাঙ্গা-গড়ার যে গোপন মহাপরিকল্পনা ও নীল নক্সা আছে সেটার প্রথম পর্যায় বা ধাপ।
এর পরবর্তী ধাপে রয়েছে ভারত ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়াসহ ইউরেশিয়ার দেশগুলো বিশেষ করে রাশিয়া ও চীনের ভাঙ্গা-গড়ার প্রক্রিয়া। দেশ ভাঙ্গা-গড়ার প্রক্রিয়ায় লাতিন ও মধ্য আমেরিকার ঐ সব দেশ ও রাষ্ট্রগুলো সংযোজিত হতে পারে যেগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পটেনশিয়াল থ্রেট বা হুমকি স্বরূপ।
এ ভাঙ্গা-গড়ার সর্বশেষ ধাপ বা পর্যায়ে থাকতে পারে মধ্য ও পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলো যেমন: জার্মানি, স্পেন,ফ্রান্স,বেলজিয়াম, ইতালি ইত্যাদি। স্পেনের বাস্ক ও ক্যাটালোনিয়ায় বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন সক্রিয় এবং বেলজিয়ামে উত্তরাঞ্চলীয় ধনী ডাচ(ফ্লেমিং ফ্লেমিশ)জনগোষ্ঠীর সাথে দক্ষিণাঞ্চলীয় দরিদ্র ফরাসী ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব রয়েছে। এ ছাড়াও উত্তরের ধনী ডাচ জনগোষ্ঠী বেলজিয়াম থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চায়। আর ব্রেক্সিটের পর খোদ গ্রেট ব্রিটেন থেকে স্কটল্যান্ডের বের হয়ে যাওয়ার আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। আর ব্রেক্সিটই প্রমাণ করে যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার ব্যাপারে ইঙ্গ-মার্কিন অক্ষ তেমন একটা আগ্রহী নয়।
ব্রেক্সিট যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের মৃত্যু-ঘণ্টা তাতে সন্দেহ নেই। যা হোক এ ব্যাপারে আরও চিন্তা-ভাবনা,গবেষণা ও অধ্যয়নের দরকার আছে। পূর্ব ইউরোপকে উল্লেখ করা হয়নি এ কারণে যে, সেখানে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি দেশে এ ভাঙ্গা-গড়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে যার সর্বশেষ উদাহরণ হচ্ছে ইউক্রেন।
রেডিও তেহরান: কিন্তু জনাব মোহাম্মাদ মুনির হোসেন খান ইউক্রেনের ভাঙ্গনের জন্য রাশিয়াই কি দায়ী নয়?
মোহাম্মাদ মুনির হোসেন খান: অনেকে হয়তো বলতে পারে যে, ইউক্রেন থেকে ক্রিমিয়াকে রাশিয়া ছিনিয়ে নিয়েছে এবং ইউক্রেনের রুশ-ভাষাভাষী অঞ্চলটি রাশিয়ার উস্কানিতে কিয়েভের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চাচ্ছে। তাদের উদ্দেশ্য বলতে হয় পাশ্চাত্য বিশেষকরে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো জোট অত্র অঞ্চলে রুশ প্রভাব খর্ব করার উদ্দেশ্যে ইউক্রেনের নির্বাচিত রুশপন্থী সরকারের বিরুদ্ধে কৃত্রিম গোলযোগ,সংকট ও ফিতনা সৃষ্টি করে এই সরকারের পতন ঘটিয়ে সেখানে পাশ্চাত্যের একটি ধামাধরা সরকারকে ক্ষমতায় বসানোর কারণেই ইউক্রেনের বর্তমান অবস্থার উদ্ভব হয়েছে। দেশটিতে আজ ইউক্রাইনী ও রুশ ভাষাভাষীদের মধ্যে যে জাতিগত দ্বন্দ্ব হচ্ছে তার আসল উদগাতাই হচ্ছে পাশ্চাত্যের এ উস্কানিমূলক পদক্ষেপ। অত্র অঞ্চলসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে রুশ প্রভাব খর্ব করার পাশাপাশি খোদ রাশিয়াকেও বিশেষ করে দেশটির অর্থনৈতিক শক্তিকে দুর্বল করা এবং আভ্যন্তরীণ গোলযোগ ও অশান্তির শিকার করে রুশ জাতির জাগরণের প্রতীক ভ্লাদিমির পুতিনের ভাবমূর্তি ও রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকেও নষ্ট করার লক্ষ্যে রাশিয়াকে ইউক্রেইন সংকটের মূল হোতা বলে প্রচারের চেষ্টা করছে পাশ্চাত্য তথা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আর এই অজুহাত দেখিয়েই রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ওয়াশিংটন। আর সম্ভবত: এটাই হচ্ছে ইউক্রেইন সংকটের নেপথ্য কারণ। আর কই পাশ্চাত্য কর্তৃক এই গোলযোগ সৃষ্টি এবং ইউক্রেনের ঘরোয়া বিষয়ে পাশ্চাত্যের অযাচিত হস্তক্ষেপের আগে তো দেশটি কখনও এ ধরণের ভাঙ্গা-গড়া প্রক্রিয়ার শিকার হয়নি।
রেডিও তেহরান: আমাদের সেই মূল প্রশ্নটি তথা সিরিয়া ইস্যুতে তুর্কি ভূমিকায় পরিবর্তনের পটভূমির কথা মাথায় রেখে দেশগুলোর ভাঙ্গা-গড়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে আপনি কি আরও ব্যাখ্যা দেবেন?
মোহাম্মাদ মুনির হোসেন খান: যে কোন দেশ উল্লেখিত ভাঙ্গা-গড়া প্রক্রিয়ার শিকার হবে কি হবে না তা নির্ভর করে কতকগুলো কারণ বা ফ্যাক্টরের উপর যেগুলোর কিছু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ (internal) অর্থাৎ দেশীয় এবং কিছু হচ্ছে বাইরের বা বিদেশীদের সৃষ্ট (external) কারণ। আবার দেশীয় বা বিদেশী উভয় ধরণের ফ্যাক্টর বা কারণের কিছু হতে পারে সুপ্ত (dormant) অর্থাৎ সম্ভাবনাময় তথা বর্তমানে অনুদ্ভুত বা বর্তমানে বিরাজমান ও বিদ্যমান নয় তবে ভবিষ্যতে তার উদ্ভব হবে এবং কিছু হতে পারে বর্তমানে বিরাজমান ও বিদ্যমান। যদি কোন দেশ এসব কারণ মোকাবেলায় যথেষ্ট শক্তিশালী ও পর্যাপ্ত ক্ষমতার অধিকারী হয় তাহলে সে দেশ উক্ত ভাঙ্গা-গড়া প্রক্রিয়ার শিকার হবে না এবং নিজ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে সক্ষম হবে। আর এর অন্যথা হলে সেদেশের অস্তিত্ব সত্যি সত্যি বিপন্ন হবে। প্রতিটি দেশই- তা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মত মহাশক্তিধর পরাশক্তি হোক না কেন- এ ধরণের ভাঙ্গা-গড়া প্রক্রিয়ার যাবতীয় ফ্যাক্টরের সম্মুখীন হতে পারে যে কোন যুগ সন্ধিক্ষণে। আর এটাই হচ্ছে চরম ঐতিহাসিক সত্য ও ইতিহাসের অমোঘ নিয়ম যার পুনরাবৃত্তি যুগে যুগে হয়েছে, হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে।
সিরিয়ার ওপর দীর্ঘ ৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে সংকট চাপিয়ে দেয়ার পরও দেশটির পরিস্থিতি অপবিত্র-অশুভ-শয়তানি-খবিস অক্ষটির অন্তর্ভুক্ত কোন একটি দেশের পক্ষে যায়নি। অর্থাৎ বাশার আল আসাদ সরকারের পতন ঘটেনি বরং এই সরকার টিকে রয়েছে। আর রণাঙ্গনগুলোতে বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও দলগুলোর বিরুদ্ধে সিরিয় সরকারের উত্তরোত্তর বিজয় ও সাফল্য অব্যাহত রয়েছে। সিরিয় সরকার বিরোধী সকল গ্রুপের মধ্যে ঐক্যও দেখা যাচ্ছে না। বরং তাদের অন্তর্দ্বন্দ্ব ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ক্রমেই বাড়ছে। বিভিন্ন সময় সিরিয়ায় বিভিন্ন অঞ্চল দখল ও পুনর্দখলকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন বিদ্রোহী তাকফিরি সালাফি ওয়াহাবি জঙ্গি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, দল, গ্রুপ ও মোর্চাগুলোর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংঘর্ষ ও যুদ্ধ হচ্ছে। এ পর্যন্ত বিদ্রোহী শিবিরের নানা গোষ্ঠী একে অপরের হাজার হাজার সমর্থক ও যোদ্ধাকে হত্যা করেছে। সম্প্রতি (১৬-৫-২০১৭) বার্তা সংস্থাগুলোর খবরে জানা গেছে, সিরিয়ায় জঙ্গি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জাবহাতুন নুসরা এবং অপর একটি জঙ্গি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী জাইশুল ইসলামের মধ্যকার সংঘর্ষে উভয় পক্ষেরই বহু যোদ্ধা ও সমর্থক হতাহত হয়েছে।
যে তুর্কি সরকার সিরিয়ার আসাদ সরকারের পতন ঘটানোর জন্য নানা বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে মদদ দিয়েছে সেই তুর্কি সরকারই এখন সেইসব মদদের ফলে সৃষ্ট মারাত্মক নানা পরিণতির শিকার হচ্ছে। যেমন, সিরিয়ায় পরাজিত বিভিন্ন জঙ্গি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর পলায়নপর সমর্থক, কর্মী ও যোদ্ধারা বিশেষ করে দায়েশের সন্ত্রাসীরা সীমান্ত পেরিয়ে তুরস্কে ঢুকছে এবং তুরস্কের বিভিন্ন শহরে বিগত এক থেকে দেড় বছরে এসব জঙ্গিদের সন্ত্রাসী হামলায় ৩০০রও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। ফলে তুরস্কের অভ্যন্তরীণ জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হয়েছে।
সিরিয়ার গোলযোগে তুর্কি সরকার ও সেদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর জড়িত থাকার সুযোগে হাজার হাজার তুর্কি যুবক সিরিয়ায় গিয়ে জঙ্গি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর তত্ত্বাবধানে অস্ত্র ও বোমা হামলা এবং সন্ত্রাসী কর্মতৎপরতার ট্রেনিং নিয়ে তুরস্কে ফিরে এসেছে। সিরিয়ায় কুবানিসহ কুর্দি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ মদদ ও সহযোগিতায় সশস্ত্র সিরিয় কুর্দি গ্রুপ ও দলগুলো কর্তৃক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সুযোগে তুরস্কের কুর্দিস্তানে যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাতিল ঘোষণা দিয়ে ‘পিকেকে’সহ বিভিন্ন কুর্দি বিচ্ছন্নতাবাদী গ্রুপ তুর্কি সরকার ও সেনাবাহিনীর উপর সশস্ত্র হামলা শুরু করেছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ কর্তৃক প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ সংঘাতময় ১০ দেশের তালিকায় তুরস্ক রয়েছে সপ্তম স্থানে। (দৈনিক যুগান্তর ১৩-৫-২০১৭ দ্রঃ)
২০১৫ সালের একদম শেষের দিকে তুরস্ক-সিরিয়া সীমান্তে তুর্কী বিমান বাহিনী কর্তৃক একটি রুশ জঙ্গি বিমান ভূপাতিত হলে তুরস্ক ও রাশিয়ার মধ্যে রাজনৈতিক টানাপড়েন দেখা দেয়। ফলে রাশিয়া তুরস্কে সব রুশ পণ্য রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপকরে এবং রুশ পর্যটকদের তুরস্ক ভ্রমণ স্থগিত হয়।
এদিকে ২০১৬ সালের জুলাই মাসে এরদোগান সরকারের বিরুদ্ধে ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত ফাতহুল্লাহ গুলেন ও তার সংগঠনের জড়িত থাকাকে কেন্দ্র করে এরদোগান সরকার ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য সন্দেহ ও আস্থাহীনতা বেড়ে যায়। পার্লামেন্টারি পদ্ধতি থেকে প্রেসিডেন্সিয়াল ব্যবস্থায় সরকার পরিচালনা পদ্ধতিতে অনুমোদন দানকারী গণভোটের আয়োজনকে কেন্দ্র করে পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলোর সাথে এরদোগান সরকারের সম্পর্কে তীব্র অবনতি ঘটে। এরফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নে তুরস্কের অন্তর্ভুক্তি একরকম অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। আর এর আগে ২০১৩সালের জুন মাসে মিশরের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা নিয়ে সৌদি আরব ও কাতারের কামড়াকামড়ির জের ধরে সৌদি সমর্থিত জেনারেল সিসির সামরিক অভ্যুত্থানে তুরস্ক-কাতার সমর্থিত মুরসি সরকারের পতন ঘটে। আর এসবই ছিল এরদোগান সরকারের জন্য এক একটি বড় ধাক্কা বা আঘাত।
সিরিয়ায় বাশার আল আসাদ সরকারের পতন হলে দেশটিকে যে টুকরো টুকরো করে দেয়া হবে এবং আরব এই দেশ ভাঙ্গা-গড়া প্রক্রিয়ার পরবর্তী টার্গেট যে ইরান নয় বরং তুরস্ক -যার আলামতও ইতোমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে- তাতে এরদোগান সরকারের মনেও এখন কোন সন্দেহ নেই। রাশিয়া আরোপিত রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা ও তুরস্কে রুশ পর্যটকদের আগমন স্থগিত হওয়ার কারণে দেশটি অর্থনৈতিকভাবে অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর রুশ বোমারু বিমান ভূপাতিত করার কারণে রাশিয়া কর্তৃক প্রতিশোধ গ্রহণের আশংকায় হয়তো সিরিয়ায় অপবিত্র অশুভ শয়তানি খবিস ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলী-প্রতিক্রিয়াশীল আরব অক্ষের সাথে জয়েন্ট অ্যাডভেনচারিজম বা সম্মিলিত হঠকারী অভিযানে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানের মোহ ভঙ্গ হয়ে থাকতে পারে!
এ ছাড়াও ইউরোপীয় ইউনিয়নে তুরস্কের অন্তর্ভুক্তি বর্তমানে এক রকম অসম্ভব হয়ে পড়ায় ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময় চীন-রাশিয়ার প্রাধান্যের সাংহাই জোট এবং ব্রাজিল-রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা নিয়ে সদ্য-গঠিত জোট ব্রিক্সে তুরস্কের অন্তর্ভুক্তি যাতে সহজ হয় সেজন্য হয়তো রাশিয়ার প্রস্তাবিত ও দামেস্ক-তেহরান সমর্থিত সিরিয়ায় ডিএস্কেলেশন বা উত্তেজনা-প্রশমণ জোন গঠন প্রক্রিয়ায় তুরস্ক সম্মত হয়ে থাকতে পারে। তবে শয়তানি খবিস ইঙ্গ-মার্কিন-ইসরাইলী-আরব প্রতিক্রিয়াশীল অক্ষের কোন লোভনীয় টোপে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগান যে আবারও ডিগবাজী খাবেন না তা গ্যারান্টি দিয়ে বলার উপায় নেই!
রেডিও তেহরান: সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রস্থানীয় মুসলিম দেশগুলোসহ যে কোন বড় মুসলিম দেশকে কেন খণ্ড বিখণ্ড করতে চায়?
মোহাম্মাদ মুনীর হোসেন খান: এ প্রশ্নের জবাবে বলতে হয়: মিত্র দেশগুলো যে ভবিষ্যতে শত্রুদেশে পরিণত হবে না এমন নিশ্চয়তা কি দেয়া সম্ভব? রাজতান্ত্রিক যুগে ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিল এবং ইরানের শাহ-সরকারকে পারস্যোপসাগরীয় অঞ্চল ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ-সংরক্ষণকারী পুলিশ বলা হত। এ ছাড়াও শাহ-শাসিত ইরান এককালে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দান সহ আরব-ইসরাইল যুদ্ধগুলোতে ইসরাইলের পক্ষাবলম্বন করেছিল এবং শাহ সরকার ইসরাইলে নিয়মিত তেল ( পেট্রোলিয়াম )রপ্তানি করত। অথচ সেই ইরান ১৯৭৯ সালে ইমাম খোমেনীর (র) নেতৃত্বে ইসলামী বিপ্লবের বিজয়ের পরে মার্কিন বলয় থেকে বের হয়ে এসে ৩৮ বছর ধরে পাশ্চাত্য বিশেষ করে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং ইসরাইল বিরোধী প্রতিরোধ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে। তাই ইরান সেই থেকে আজ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে পাশ্চাত্য ও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের অবৈধ স্বার্থ ও হেজিমোনি বা একাধিপত্যের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ হুমকিস্বরূপ।
ইসলামী বিপ্লবের কল্যাণে ইরান আজ শক্তিশালী দেশ এবং আঞ্চলিক পরাশক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,পাশ্চাত্য ও ইসরাইলের কাছে মোটেও কাম্য নয়। তাই ভবিষ্যতে এ ধরণের ঘটনার আর যেন পুনরাবৃত্তি না হয় সেজন্য পাশ্চাত্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরাইল অর্থাৎ সেই অপবিত্র-অশুভ-খবিস-শয়তানি অক্ষ তাই আর রিস্ক নিতে চায় না এবং সেজন্য প্রথম পর্যায়ে শত্রু-মিত্র নির্বিশেষে মধ্যপ্রাচ্যের সব মুসলিম দেশ বিশেষকরে যেসব দেশ বড় ও শক্তিশালী সেগুলোকে ভাঙ্গা-গড়া প্রক্রিয়ার শিকার করে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেশ ও জাতিতে বিভক্ত করে দিতে চাচ্ছে।
সুদান, লিবিয়া, ইয়েমেন, আফগানিস্তান, ইরাক ও সিরিয়াকে এ প্রক্রিয়ার মধ্যে ফেলে দেয়া হয়েছে। যদিও ইরান ইয়েমেন, আফগানিস্তান, ইরাক ও সিরিয়াকে এধরণের ধ্বংসাত্মক প্রক্রিয়া থেকে মুক্ত করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং এ ক্ষেত্রে অনেক সাফল্যও অর্জন করেছে এবং আশা করা যায় যে এ জাতীয় সাফল্যার্জন অব্যাহত থাকবে এবং অশুভ অপবিত্র খবিস শয়তানি অক্ষের সকল অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্র নস্যাৎ ও ভণ্ডুল হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানকেও হাঁটি-হাঁটি পা পা করে খণ্ড-বিখণ্ড করার দিকে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আর ন্যাটো জোটভুক্ত শক্তিশালী দেশ তুরস্ককেও দেশ ভাঙ্গা-গড়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে প্রবেশ করানো হয়েছে যার আলামত প্রকাশিত হয়েছে তুরস্কের অন্তর্ভুক্ত কুর্দিস্তানে বিচ্ছিন্নতাবাদী পিকেকে।
Parstoday.com
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
BNM Special
BNM Archive
- ► 2026 (1548)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
-
▼
2017
(8870)
-
▼
June
(1181)
-
▼
Jun 22
(66)
- ‘স্বেচ্ছায় মৃত্যুদণ্ড’ চান রাজীব গান্ধী হত্যা মাম...
- ঈদ: তারিখ জানতে বিজ্ঞানের দ্বারস্থ হতে সমস্যা কোথা...
- ঈদের কেনাকাটায় ভারতের বাজারে কেন ছুটছে বাংলাদেশীর...
- যেকোনো মুহূর্তে গ্রহাণুর হামলা, ধ্বংস হয়ে যাবে বিখ...
- দাবির তালিকা পায়নি কাতার
- নতুন সরকারের প্রস্তাব তুলে ধরলেন রানি
- কে এই মোহাম্মদ বিন সালমান?
- ইরাকে ৫০ লাখ শিশুর জরুরি মানবিক সহায়তা প্রয়োজন
- গুঁড়িয়ে দেয়া হলো বিখ্যাত আল-নূরি মসজিদ
- পলাশী যুদ্ধের কালপঞ্জি
- মহা খরার কবলে পড়তে চলছে মধ্যপ্রাচ্য : বিজ্ঞানীদের ...
- সিরিয়া ইস্যুতে ইরানি-রুশ অক্ষের সঙ্গে এরদোগানের আপ...
- ইরাকি নেতা সাদ্দাম হোসেনের ফাঁসির সময়ে কেঁদেছিলেন...
- 'উ.কোরিয়ার ওপর চাপ প্রয়োগ চীনের কূটনৈতিক দায়িত্ব'
- সিরিয়ায় আবারো অস্ট্রেলিয়ার বিমান হামলা শুরু
- দুনিয়ার কোথাও নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয় নেই : নাসিম
- উবারসহ মোবাইল অ্যাপ নির্ভর পরিবহন সেবা উন্মুক্ত কর...
- 'ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র সাজিয়ে রাখার জন্য তৈরি হয়নি'
- কাশ্মিরে তিন স্বাধীনতাকামী নিহত
- মেক্সিকোয় হত্যাকাণ্ডের সর্বোচ্চ রেকর্ড
- গুঁড়িয়ে দেয়া হলো বিখ্যাত আল-নূরি মসজিদ
- মসুল মসজিদ ধ্বংসের অর্থ আইএসের পরাজয় মেনে নেয়া : ই...
- যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হ্যাকিংয়ের চেষ্টা করেছিল ...
- বিয়ের পোশাকের মূল্য সাত মিলিয়ন ডলার
- আমেরিকার পরিবর্তে চীন
- আইভরিকোস্টে প্রবল বৃষ্টিতে ১৫ জনের মৃত্যু
- অসাবধানতায় উন্মুক্ত ২০ কোটি মার্কিনীর গোপন তথ্য
- কক্সবাজারে ১৯ আগ্নেয়াস্ত্রসহ শ্রমিক লীগ নেতা গ্রেফতার
- রংপুর জেলা জাতীয় পার্টির কমিটি বিলুপ্ত
- মুন্সীগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে জাতীয়তাবা...
- মিরসরাইয়ে পাহাড়ে ঝুঁকিতে বসবাস ২০ হাজার মানুষের
- মরন ব্যাধি থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত দু’ ভাই বাচঁ...
- চান্দিনায় ১৩ হাজার ইয়াবাসহ আটক ২
- শার্শায় বাসের সাথে জীপের সংঘর্ষ : চালক নিহত
- ২১ সাল নাগাদ বিদ্যুৎ বিতরণ ও সঞ্চালন ক্ষমতা দ্বিগু...
- গণমাধ্যমে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিতে সরকার কাজ কর...
- ৯৫৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে চাল সিন্ডিকেট
- ঈদের কেনাকাটায় ভারতের বাজারে কেন ছুটছে বাংলাদেশীরা?
- এএসপি মিজানুরের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন
- আদালতে খালেদা জিয়া
- অর্ধশত বছরের পুরনো ফিটনেসবিহীন লঞ্চ চলছে
- ছাত্রের সঙ্গে শিক্ষিকা নাজমার অনৈতিক সম্পর্ক
- মহিমান্বিত লাইলাতুল কদর
- বাংলাদেশ হবে আঞ্চলিক অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু : প্র...
- ট্রেন ও বিমান পরিবহনে বিপর্যয়
- ভারতীয় বাসের ধাক্কায় নিহত ১, বেনাপোল পরিচালকসহ আহত ২
- সৌদি যুবরাজ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি তথ্য
- মসুলে আল-নুরি মসজিদ উড়িয়ে দিয়েছে আইএস!
- মার্কিন নির্বাচনে হ্যাকিং-এর চেষ্টা করেছিল রাশিয়া
- ৩০ বছরের মধ্যে চাঁদ কিংবা মঙ্গলে সভ্যতা!
- রাষ্ট্রপতির গাড়ি ‘থামিয়ে’ অ্যাম্বুলেন্স পার করায় প...
- আদালতের পথে খালেদা জিয়া
- ছিনতাইকারীর গাড়ির ধাক্কায় ব্যবসায়ী নিহত
- পথে পথে যাত্রী ভোগান্তি
- ঈদের শপিংয়ে গিয়ে বাস চাপায় মেয়েসহ কনস্টেবল নিহত
- বিতর্কিত ৫৭ ধারা বহাল থাকছে?
- সুশাসন ও গণতন্ত্র দুটিই প্রশ্নবিদ্ধ
- বস্তুর বর্জ্য সরাচ্ছেন মেয়রদ্বয় চিন্তার ময়লা ফেলব ...
- হ্যাপির নয়া জীবন
- শিশুর বুদ্ধি বিকাশে যা করবেন
- তীব্র যানজটে দুর্ভোগে ঘরমুখো মানুষ
- সুন্দরগঞ্জে ঈদের পোশাক দেয়ার কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণ
- শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষে পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত
- তিন প্রস্তাব নিয়ে খালেদা জিয়ার রুদ্ধদ্বার বৈঠক
- আজ আদালতে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া
- পিছু হটছে সরকার
-
▼
Jun 22
(66)
-
▼
June
(1181)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ফুটবল খেলা
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
মুসলিম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সাক্ষাৎকার
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
তুরস্ক
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
দুর্ঘটনা
অপহরণ
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
স্বাস্থ্য
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
জ্যোতির্বিজ্ঞান
সড়ক দুর্ঘটনা
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
লেবানন
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
যশোর
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
Exclusive
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
ইয়েমেন
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
তুহিন ওয়াদুদ
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
প্রযুক্তি
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
লাতিন আমেরিকা
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
আরব আমিরাত বা দুবাই
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
জোহরান মামদানি
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
ইহুদি
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
স্পেন
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কলম্বিয়া
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
চিঠিপত্র
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কুয়েত
চুক্তি
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শেরপুর
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
রাজবাড়ী
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment