Sunday, November 4, 2012
বিশ্বাস খুনি by নাসরীন জাহান
বিশ্বাস খুনি by নাসরীন জাহান
চারপাশে শীতালু ঘুটঘুটে আঁধার। দূরে কোথাও গলা ছেড়ে কাঁদছে কুকুর। আর কান্নার শব্দে এমনই যন্ত্রণাকর ঠাণ্ডা, হাড়মাংস এক হয়ে যায়, ইন্দ্রিয়ের মধ্যে কী জানি কী হতে থাকে, মনে হয় মহাকাশ থেকে ভেসে আসছে শিঙ্গার শব্দ, এক্ষুনি কেয়ামত হবে। ওসমান বালিশ খামচে ধরে।
এত পাতলা ওয়ার, নখ গেঁথে যায় গাদা গাদা তুলোর মধ্যে। ওসমান উঠে বসে। দলের সবাই ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে ঘুমাচ্ছে। ক'রাত ধরে কারো চোখে ঘুম নেই। তোফায়েল সারা বিকেল চক্কর খেয়ে জানাল আপাতত এই এলাকাটা নিরাপদ। কাল নতুন অপারেশনের কথা চিন্তা করা যাবে।
কিন্তু কুকুর কাঁদছে কেন?
তোফায়েল নিঃসাড় হয়ে ওসমানের পায়ের ওপরে। সেই হাত সন্তর্পণে সরিয়ে ওসমান বাইরে আসে।
ঠা ঠা শীতের ঝাপটায় প্রাণ ওষ্ঠাগত। শিশিরে ভিজে যাচ্ছে মাথা। স্তব্ধ গ্রামের দিকে তাকিয়ে ওসমান তোফায়েলের কথা ভাবে। মিলিটারিগুলো ধুপধাপ ওদের বাড়ি ঘেরাও করে ফেলেছে। ওকে ধরে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করতে করতে মুখে ফেনা তুলে জলের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল।
এখানে যারা আছে তাদের সবারই অভিজ্ঞতার মধ্যে কমবেশি বিষ মেশানো। কিন্তু তোফায়েলই আলাদা। ওর অদ্ভুত গভীর চোখ, পাগলাটে চুল, শিশুর মতো হাসি, এমনই মুখ ওর, যেন মাথায় বোমা পড়লেও সেখানে বিষণ্নতা গ্রাস করবে না।
সে এই দলের একমাত্র নির্মল আনন্দ।
মাঝে মাঝে সেই আনন্দ ভয়ানক বিরক্তিতে রূপান্তরিত হয়। একদিন গানবোট নিয়ে মিলিটারিরা গ্রামে এসে নামে। এ খবর পেয়ে ওসমানের লিডার আলতাফ ভাই যখন গভীর আলোচনায় ব্যস্ত, তখন কোত্থেকে একটি প্রজাপতি ধরে এনে তোফায়েল সবার মাথার ওপর উড়িয়ে দিল। আলতাফ ভাই সটান দাঁড়িয়ে ওর গালে কষে একটা চড় বসালে আলোচনার হাওয়াই যায় পড়ে।
ধীর পায়ে হেঁটে তোফায়েল নিঃশব্দে দূরের মাটির টিলার ওপর গিয়ে বসেছিল। আলতাফ ভাই তীব্র রোষে ওসমানকে বলে, কোত্থেকে তুমি একে ধরে এনেছ? ঠিকমতো ট্রেনিং পর্যন্ত নিতে পারেনি, খামখেয়ালিপনার জন্য। এভাবে হবে না, ওকে বিদায় করে দাও।
একটি ছেলে দেশকে ভালোবাসে, মিনমিন করে ওসমানের কণ্ঠ, দেশের জন্য যুদ্ধ করতে চায়, তাকে নিরাশ করি কী করে? ওর তো ভয়ডর কিছু নেই। তথ্য দিয়ে আমাদেরকে সাহায্য তো করছে।
এভাবে একদিন ও মরবে।
আলতাফ ভাইয়ের কথা শুনে ওসমান হাসে, আমরা কি বাঁচার কথা চিন্তা করে যুদ্ধ করছি?
কুকুরের ডাকে অমঙ্গল অনন্ত সেই রাতে এই তথ্য ভুল প্রমাণিত হয়। কিছু দূরেই পাহাড়। সকালের ঝকঝকে আলোয় প্রাণবন্ত পাহাড়টি ওসমানের অবসাদগ্রস্ত চোখকে টান করে তোলে। কুয়াশা গিলে রোদ হয়ে উঠেছে আশ্চর্য রূপসী।
সেই প্রখর আলোয় উল্টেপাল্টে ওসমান নিজের স্মৃতিকে একের পর এক ঝলসে নিয়ে থাকে। রক্তের মধ্যে কী জানি কী হয়, চোয়ালের হাড় খাড়া হয়ে ওঠে। ওদের উঠোনের সামনে সার বেঁধে দাঁড় করানো হয়েছিল সবাইকে। রেহেলে কোরআন ভাঁজ করে রেখে বৃদ্ধা মা এসে দাঁড়িয়েছিল সেই সারির সমান্তরালে। খাকি কুত্তামুখো লোকগুলোর হাসির তোড়ে ওদের দিকে তাকানো যাচ্ছিল না। ওসমান কঠিন হাতে মাকে ধরে ঘাড় ঘুরিয়ে একবার দেখেছিল মায়ের মুখ। কী প্রগাঢ় চাউনি সম্মুখ দিকে, যেন আগ্নেয়াস্ত্র নয়, সম্মুখে ক্যামেরা ফিট করা, ওদের ছবি তোলা হবে।
ঝটকায় একজন পাকিস্তানি আর্মি ওসমানকে টেনে আনল নিজের দিকে, ওসমান একটু বেশিই লম্বা, সুশৃঙ্খল সারির মধ্যে একে বেখাপ্পা ঠেকছে। এই ছিল ওদের বক্তব্য। এইবার সারিটাকে উল্টোদিক থেকে দেখা। একদম ঢেউয়ের মতো, দূরবর্তী পাহাড়ের মতো, লম্বা হয়ে শিশুদের দিকে ঢালু হয়ে নেমে এসেছে। এদের হাসি দেখে শিশুরাও হাসছিল, কী রকম চাপা বিস্ময়ে, কিছু বুঝে উঠতে না পেরে, যেখানে হাসি শিশুরা সেখানে বিপদের কিছু কী করে দেখবে? এরপরেই গর্জে উঠল অস্ত্র।
খাকি লোকগুলোর সপক্ষে দাঁড়িয়ে একটি সমান্তরাল লাইনের ভূপাতিত হওয়ার দৃশ্য দেখার পর থেকেই মূলত ওসমানের যুদ্ধের শুরু। পশুর পক্ষে হত্যাকে এত শিল্পমণ্ডিত আর জমকালো করে তোলা সম্ভব নয়। তাকে যখন পাকিস্তানিরা বাঘের খাঁচায় ফেলে দিয়ে আহত অবস্থায় আবার তারা তুলে আনল, তার তৃষ্ণার্ত জিভে ঢুকিয়ে দিল শিশ্ন, খা পানি খা, কী বিষাক্ত গন্ধময় জল, সেসব ভাবতে ভাবতে অর্ধমৃত মানুষদের মাঝখানে শুয়ে মহান পশুদের কুর্নিশ করেছে। সৃষ্টিকর্তা এদেরকে বোধবুদ্ধি দেয়নি বলে এই সরল প্রজাতিকে মানুষ কতই না ঘৃণা করে রেখেছে। ওসমান বিশ্বাস করত, হত্যাকারী, মাতাল, পরধন লুটকারী সশস্ত্র মানুষের মধ্যে একটা পর্যায় পর্যন্ত তার কিছু মূল্যবোধ থাকে, যা মানবিক, যা সুন্দর, মানুষ তার মানবিকতার শেষ অংশ খুইয়ে নিঃস্ব হতে যেতে চায় না। নাৎসি সৈনিকরা ঠিক কতটা বর্বর ছিল? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে হতবাক ওসমানের চোখে ম্লান হয়ে আসছে নাৎসির চেহারা। অবশ্যই ওরা সূক্ষ্মবুদ্ধিসম্পন্ন বর্বর ছিল না, খাকিমুখো লোকগুলোর পারদর্শিতার কাছে ওদের আরো অনেক কিছু শেখার ছিল।
এরপর ওসমান সেই লাশের স্তূপ থেকে ল্যাংচাতে ল্যাংচাতে পালিয়েছে। জঙ্গলে, পাহাড়ের গুহায়, ক্ষুধার যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে একসময় হাসপাতালে।
সুস্থ হওয়ার পর তার পৃথিবীটাই যায় পাল্টে। সেই পৃথিবীর মধ্যে হিলহিলে ঘৃণা, বিষ, আউলা বিক্ষিপ্ত যন্ত্রণাকর অতীত আর কিছু নেই। সে স্থানীয় ক্যাম্পে ট্রেনিং নিয়ে মেজর ইশতিয়াকের অধীনে একটি অপারেশনে সফল হয়। এরপর ঢেউ খেতে খেতে এখানে। আলতাফ ভাই ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অফিসার। কিন্তু ওসমানের সঙ্গে তিনি সাধারণ শ্রমিকের মতোই মেশেন। প্রাণখোলা, নির্ভীক, যখন কাজ, তখন এত সিরিয়াস, তার মুখের দিকে তাকানো যায় না। অন্য সময় প্রাণখোলা, সবার দিকে সমান সতর্ক দৃষ্টি।
তালপাতার বাঁশি...
যেন পাহাড় থেকে রোদ্দুর ভেঙে কচলে এক করে দিয়ে ভেসে আসছে, ফরফর ওড়ে ওসমানের কুণ্ডলী পাকানো ধোঁয়া, বিড়ির সেই ধোঁয়া ফুঁড়ে উঠে যা, নিষ্পলক ঠাণ্ডা চোখ, বেড়ার এপাশে দাঁড়িয়ে হাটফেরত মানুষের দিকে চেয়ে একা একাই কথা বলত, এইটুকুন তেল দিয়া কয়জনের রান্দা অইবো? তাও দেহো না লইয়া যাইতাছে, বউ পোলাপান হয়তো পথ চাইয়া বইয়া রইচে, হেয় যাইবো, রান্না অইবো, মায়ের ভাবনা ছিল চিরকালই শব্দময়। একটি ছোট পিঁপড়ের জন্য তার কত আশা। বাবার মৃত্যুর পর রাতে বিছানায় শুয়ে শুয়ে তার আত্মার সঙ্গে একা একাই কথা বলত।
কে বাজাচ্ছে বাঁশি? ওসমান ঘাড় তোলে, কোমর ভাঙা কাঁঠালগাছটার ওপর বসে তোফায়েল যেন তার বাঁশির মধ্যে সব কান্না ঢেলে দিচ্ছে।
ওসমানের ঝাঁজালো চোখ ছায়া হয়ে আসে। তার মধ্য থেকে ঘাই দিয়ে ওঠে এক নারী_কত দীর্ঘ বছরের প্রতীক্ষায় তাকে শুধু এক সন্ধ্যায় নিজের করে পেয়েছিল সে। সেই পাওয়ার মধ্যে ছিল, 'এই রাত তোমার আমার, ওই চাঁদ তোমার আমার'_এর মতো অপরিসীম বেদনা, মানুষের শ্রান্তির মধ্যে যে এত বেদনা থাকতে পারে তা সেই অভূতপূর্ব গান এবং সন্ধ্যার মিলনের মধ্যে অনুভব করেছিল সে। তারপর যুদ্ধ।
কে কোথায় ছিটকে গেল। সেই নারী তার মৃত আত্মায় লুকিয়ে যেতে থাকা রক্তকণা এখন।
ওসমান!
ডাক শুনে পেছনে ফেরে।
বিচলিত দেখায় আলতাফ ভাইকে। ওসমানকে ভেতরে নিয়ে সবার উদ্দেশে বলে, শুনেছি ওরা গ্রাম ছেড়ে যায়নি, তোফায়েল ভুলোমনা ছেলে, ওর ওপর ভরসা করা আমাদের ঠিক হচ্ছে না। ও ঠিক খবর জোগাড় করতে পারেনি। ওরা পাহাড়ের ওপাশটার কোনো এক স্থানে ক্যাম্প গেড়েছে।
ওসমান অস্থির বোধ করে, কী বলছেন এসব? তাহলে কাল রাতে আমাদের মহাসর্বনাশ হতে পারত। কে আপনাকে দিয়েছে এই তথ্য?
আলতাফ ভাই স্থিরকণ্ঠে বলে, দেখ, এটুকু সচেতন আমাকে থাকতে হয়। দুপুর নাগাদ আমি নিশ্চিত সংবাদ পেয়ে যাচ্ছি, তা যদি সত্যি হয়, তবে আজ রাতেই ওদের ওপর আক্রমণ চালাতে হবে। ওরা এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। শুনেছি আরেকটা ট্রাক সন্ধ্যা নাগাদ এসে থামবে, ওদের প্রস্তুত হওয়ার সুযোগ দেয়া যাবে না, আপাতত ভুল তথ্য দেয়ার জন্য তোফায়েলকে শাস্তি দেয়া যাক। ওসমানের মুখ বিবর্ণ হয়ে ওঠে। আলতাফ ভাইয়ের ক্রোধ সে চেনে। এই শিশুর মতো ছেলেটাকে নিয়ে ওসমান কী করবে? এখনো দিব্যি পাতার বাঁশি বাজিয়ে চলেছে।
ওসমান ম্লানকণ্ঠে বলে, ও সচেতনভাবে কিছু করেনি, কেউ হয়তো ওকে ভুল তথ্য দিয়েছে।
ওসমান! গর্জে ওঠে আলতাফ ভাই, এটা আবেগ বা ভাবের জায়গা না। ওর অসচেতনতার কারণে কত বড় ক্ষতি হতে পারত আন্দাজ করতে পারছ? ওর ম্যাড়ম্যাড়ানি ভাবটা যাতে কাটে সেজন্যই ওকে একটা শিক্ষা দেয়া দরকার।
এরপর সেই কুঁজো কাঁঠালগাছটার মধ্যেই পায়ে রশি বেঁধে অস্ত দুপুর তোফায়েলকে ঝুলিয়ে রাখা হলো।
যখন ওকে নামানো হয় ওর মুখের দিকে তাকানো যাচ্ছিল না। ফরসা সুন্দর মুখটায় জড়ো হয়েছে রাজ্যির ছাই, ঢোক গিলে কান্না সামলে সে শুধু এইটুকু উচ্চারণ করল, আমি আমার শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে প্রমাণ করব এই কাজে আমার অনীহা ছিল না। পাহাড়ের কাছে বাস করা যে কৃষকের ওপর আমি নির্ভর করেছিলাম, সে আমাকে বিভ্রান্ত করেছে।
এরপর বিকেল থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না।
রেডিওর নব ঘুরিয়ে ভারত ধরলে নানা রকম যন্ত্রণায় ভেতরটা গুঁড়িয়ে যায়। কোথায় কিভাবে পাকবাহিনী জেট বিমান হামলা চালাচ্ছে, বিল্ডিং, মসজিদ, হাসপাতাল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে_নানাবিধ সংবাদে মন হয়ে ওঠে বিক্ষিপ্ত। এর মধ্যে যখন রাত্তিরের মিশনের জন্য মস্ত প্রস্তুতি পাকা, তখন তোফায়েলের অন্তর্ধান ওসমানকে বিষণ্ন করে তোলে।
ও একটা আস্ত হাবা, আলতাফ ভাই বিরক্তি চাপতে পারে না, একজন সাবালক পাকবাহিনী যার ওপর এত অত্যাচার করেছে, কোথায় তার ভেতর প্রতিশোধের আগুন জ্বলবে, তা না, তালপাতার বাঁশি বাজায়, তুমি কি ভাবছ, ও মনের দুঃখে আত্মহত্যা করতে গেছে? মোটেও না, ওর কাছে এসব শাস্তি-ফাস্তি কিছু না, বেরিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগেই দেখলাম কী একটা বিষয় মনে পড়ায় ফিকফিক করে হাসছে। যদি জেগে থাকে ভালোই হয়েছে। এটা ঘরবাড়ি না ওসমান, এখানে এসব মায়ামমতা করেছ তো নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল দিয়েছ। তুমি বুঝতে পারছ না, যেকোনো কারণেই হোক ও সুস্থ নয়। হয়তো অত্যাচারের কারণেই মাথায় কোথাও গোলমাল হয়েছে।
কেমন শিশুর মতো আচরণ করে। ওসমান, তৈরি হও, ওকে নিয়ে সময় নষ্ট করার মতো অবস্থা এখন আমাদের নেই।
তবুও ওসমানের ভেতর থেকে বেদনা যায় না। অন্য মুক্তিযোদ্ধারা যখন এক হয়ে শত্রু শিবিরে আক্রমণের সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে একীভূত, যখন ওসমানের বিচলিত কান বারবার সতর্ক হয়ে ওঠে, এই বুঝি তোফায়েল এলো। ওর মুখের মধ্যে কী জানি কী আছে_ওসমান তার মা-বাবা, সেই সন্ধ্যায় যারা সশস্ত্র বুভুক্ষু নিয়ে এই মুখের ওপর ভর করেছিল। সে অনুভব করে, তার ভেতর থেকে কিছু সরেনি, কিছু লুকায়নি, কেবল ঘাস উঠেছিল বলে তলার ভেজা আঁটিটা দেখা যাচ্ছিল না।
ক্রম ঘনায়মান রাত্তির।
এই বিরান প্রান্তরে কোত্থেকে যে কুকুর ডাকে।
এর আগের অপারেশনে ওসমানদের সঙ্গে মিত্রবাহিনী ছিল। এবারের পুরো প্রোগ্রামটিই আলতাফ ভাইয়ের দ্রুত সিদ্ধান্তের ওপর তৈরি। ফলে দলের সবার মধ্যে একটি বাড়তি চাপ তৈরি হয়, যা কেউ আবার কাউকে বুঝতে দিতে চায় না।
সন্ধ্যার পর পরই ওরা বেরিয়ে পড়ে। ঠা ঠা শীত। কাঁটা, ঝোপ, মাঠ, জঙ্গল পেরিয়ে ওরা যখন শত্রু অবস্থানের একদম কাছাকাছি, তখন আলতাফ ভাইয়ের নির্দেশের অপেক্ষায়, তখন অকস্মাৎ ওসমানের মনে এই প্রশ্ন জাগে ওরা আগেই এই পাহাড়ের কাছে আছে তো? অন্ধকার পেত্নীর মতো কালো দাঁত কিড়কিড় করছে। মানুষ বাস করবে অথচ সন্ধ্যার পর একফোঁটা বাতি কোথাও জ্বলবে না? আঁধারের মধ্যে তাঁবুর মতো কিছু একটা দেখা যাচ্ছে, কিন্তু স্পষ্ট হচ্ছে না।
তারা যেরকম দক্ষতার সঙ্গে এ পর্যন্ত এসেছে, শত্রুর যদি চারপাশে দশ চোখ দশ কান থাকে তবুও কোনোভাবে বোঝার কথা না, এই সন্দেহের কথাটাই সে বলতে চায় আলতাফ ভাইকে। কিন্তু সে বেশ কিছুটা দূরে, আচমকা ওসমানের কী হয়, তার ভেতর আর সেই ক্যামেরার দিকে চেয়ে থাকা চোখ দুটো মিটমিট করে ওঠে সেই দৃশ্যের শব্দ তীব্র এক আকুতি নিয়ে তার করোটির মধ্যে ঝনঝন শব্দ তোলে।
উত্তেজনায়, ঘৃণায় ভেতর থেকে তীব্র শীত অন্তর্হিত হয়ে যায়। ওসমানের ভেতর কেউ যেন একটি অগি্নপিণ্ড ঢুকিয়ে দিয়েছে। মনে হচ্ছে সেই অদৃশ্য তাঁবুর মধ্যে বসে এসব জীব মরা হাড্ডি চিবোচ্ছে, চারপাশের ঘুটঘুটে গাছপালা মুহূর্তে টলে ওঠে। যেন কারো নির্দেশ ছাড়াই এই মুহূর্তে ওসমানের অবচেতন হাত ট্রিগারে চাপ দেবে।
এই যখন অবস্থা।
সবাইকে বিমূঢ় হতবাক করে মুহূর্তে পাল্টা আক্রমণ শুরু হয়ে যায়। সেই অন্ধকার অবস্থান থেকে সারি সারি অস্ত্র গর্জে উঠেছে, ও মাই গড। এটুকু বলে আলতাফ ভাই মুহূর্তে উবু হয়ে ওই অবস্থান পাল্টে নেয়।
অন্য সবার সঙ্গে ওসমানের অসাড় দেহ শীত ঘাসের স্তূপের মধ্যে ঢলে পড়ে। ওসমান শুধু এইটুকু স্মরণ করতে পারে, আস্ত আকাশটা এক আজব কারিশমায় ক্ষুদ্র এক নক্ষত্রে পরিণত হয়েছিল।
এরপর ঘোরের মধ্যে ছিন্নবিচ্ছিন্ন স্বপ্ন, সে তোফায়েলের লাশ কাঁধে করে পাহাড়, নদী অতিক্রম করছে, সেই সন্ধ্যার নারী তাকে দেখে বলছে, তোমাকে এখন নেকড়ের মতো দেখাচ্ছে কেন? হাসপাতালে অর্ধমৃত মানুষদের মাঝখানে নিজেকে জীবিত আবিষ্কারের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে অন্য এক প্রশ্ন, সেদিন ঠিক কী হয়েছিল?
এরপর কুয়াশা, এরপর রাত্তির, ক্ষতস্থান ফুঁড়ে প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে একটিই প্রশ্ন, কী হয়েছিল?
কী অপরিসীম ক্রন্দন!
কোত্থেকে ভেসে আসছে গো? নাকি মায়ের কোরআন তেলাওয়াত_এমনই ক্রন্দনময় ছিল সেই কণ্ঠ। চোখ প্রসারিত করে। কোনো মানুষের সম্পূর্ণ রূপ নেই এখানে, গজ, ব্যান্ডেজ, প্লাস্টারে সব ঢাকা পড়ে গেছে। জ্ঞান ছিল না, সেই এক ভালো ছিল, মগজ কচলে এক করে দিয়েছে নানা রকম কৌতূহল, ডাক্তার ইনজেকশন দিয়ে যায়।
কী শান্তি! মৃত্যু কি এর চেয়ে বেশি শান্তি দিতে পারে? সেও তো এক ধরনের অনন্ত ঘুম, যার বোঁটা ছিঁড়ে ঝপাত করে সে এই স্বর্গবাসীদের মাঝখানে এসে পড়েছে, সব ছায়া হয়ে আসার সময় অস্ফুট ঠোঁট নড়ে ওঠে, লাঙল নিয়ে কে যাচ্ছে গো?
আমি।
কোনে গো?
পাহাড় চাষ করতে।
পাহাড়, শীত রাত্তির, আলতাফ ভাইয়ের ও মাই গড, এরপর ঘুম।
যেন চোখের সামনে আতশি কাচ, ঝলক দিয়ে ওঠে, তার মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধীর মুখ, তার সঙ্গে ও কে? ইয়া বড় গোঁফ? ঘুম ভাঙার পরও ওসমানের ঘোর কাটে না, কর্নেল ওসমানী? কী বলছে ওরা? বেদনার্ত কান উন্মুখ হয়, ওরা বলছে, মেঘের মতো, বৃষ্টির মতো সেই শব্দ_এই মাসের মধ্যেই আমরা স্বাধীনতা পাব।
এটা কোন মাস?
পরের উনি্নদ্র রাত উল্টেপাল্টে যেতে থাকে মাসের হিসাব গুনতে গিয়ে। তোফায়েল, ওই তালপাতার বাঁশিটা আবার বাজা, এই দেখ দেখে আমি তলিয়ে যাচ্ছি...। ওসমান কার হাত চেপে ধরে।
কে?
আমি সাইফুল।
সাইফুল কে?
আমাকে চিনছেন না? একসঙ্গে এতদিন যুদ্ধ করলাম, এরপর যেন বাতাসের মতো কিছু শব্দ আছড়ে পড়ে ওসমানের কানের কাছে, জানেন ওসমান ভাই, বীরের মতো সম্মুখযুদ্ধ করতে করতে মারা গেছেন আলতাফ ভাই? গুট্টু, বাবলু ওরাও নেই। তোফায়েল ছিল ওদের চর, এখান থেকে সব সংবাদ নিয়ে ওদের দিত।
স্টপ! স্টপ! চেঁচাতে গিয়ে ওসমানের পুনরায় সমস্ত দেহ শিথিল হয়ে আসে।
এরপর চোখের সামনে সাদা ছাদ ছাড়া কিছু নেই।
সমস্ত যন্ত্রণা, বীভৎস খিঁচুনি জমা হয়ে কণ্ঠে, ওসমান আর্তনাদের মতো করে বলে ও আল্লা? এত জঘন্য আলো ঢুকছে কোত্থেকে! আমাকে কঠিন দোজখে নিক্ষেপ কর তোমরা, আমিই ওকে বিশ্বাস করেছিলাম, আমিই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছি।
কিন্তু কুকুর কাঁদছে কেন?
তোফায়েল নিঃসাড় হয়ে ওসমানের পায়ের ওপরে। সেই হাত সন্তর্পণে সরিয়ে ওসমান বাইরে আসে।
ঠা ঠা শীতের ঝাপটায় প্রাণ ওষ্ঠাগত। শিশিরে ভিজে যাচ্ছে মাথা। স্তব্ধ গ্রামের দিকে তাকিয়ে ওসমান তোফায়েলের কথা ভাবে। মিলিটারিগুলো ধুপধাপ ওদের বাড়ি ঘেরাও করে ফেলেছে। ওকে ধরে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করতে করতে মুখে ফেনা তুলে জলের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল।
এখানে যারা আছে তাদের সবারই অভিজ্ঞতার মধ্যে কমবেশি বিষ মেশানো। কিন্তু তোফায়েলই আলাদা। ওর অদ্ভুত গভীর চোখ, পাগলাটে চুল, শিশুর মতো হাসি, এমনই মুখ ওর, যেন মাথায় বোমা পড়লেও সেখানে বিষণ্নতা গ্রাস করবে না।
সে এই দলের একমাত্র নির্মল আনন্দ।
মাঝে মাঝে সেই আনন্দ ভয়ানক বিরক্তিতে রূপান্তরিত হয়। একদিন গানবোট নিয়ে মিলিটারিরা গ্রামে এসে নামে। এ খবর পেয়ে ওসমানের লিডার আলতাফ ভাই যখন গভীর আলোচনায় ব্যস্ত, তখন কোত্থেকে একটি প্রজাপতি ধরে এনে তোফায়েল সবার মাথার ওপর উড়িয়ে দিল। আলতাফ ভাই সটান দাঁড়িয়ে ওর গালে কষে একটা চড় বসালে আলোচনার হাওয়াই যায় পড়ে।
ধীর পায়ে হেঁটে তোফায়েল নিঃশব্দে দূরের মাটির টিলার ওপর গিয়ে বসেছিল। আলতাফ ভাই তীব্র রোষে ওসমানকে বলে, কোত্থেকে তুমি একে ধরে এনেছ? ঠিকমতো ট্রেনিং পর্যন্ত নিতে পারেনি, খামখেয়ালিপনার জন্য। এভাবে হবে না, ওকে বিদায় করে দাও।
একটি ছেলে দেশকে ভালোবাসে, মিনমিন করে ওসমানের কণ্ঠ, দেশের জন্য যুদ্ধ করতে চায়, তাকে নিরাশ করি কী করে? ওর তো ভয়ডর কিছু নেই। তথ্য দিয়ে আমাদেরকে সাহায্য তো করছে।
এভাবে একদিন ও মরবে।
আলতাফ ভাইয়ের কথা শুনে ওসমান হাসে, আমরা কি বাঁচার কথা চিন্তা করে যুদ্ধ করছি?
কুকুরের ডাকে অমঙ্গল অনন্ত সেই রাতে এই তথ্য ভুল প্রমাণিত হয়। কিছু দূরেই পাহাড়। সকালের ঝকঝকে আলোয় প্রাণবন্ত পাহাড়টি ওসমানের অবসাদগ্রস্ত চোখকে টান করে তোলে। কুয়াশা গিলে রোদ হয়ে উঠেছে আশ্চর্য রূপসী।
সেই প্রখর আলোয় উল্টেপাল্টে ওসমান নিজের স্মৃতিকে একের পর এক ঝলসে নিয়ে থাকে। রক্তের মধ্যে কী জানি কী হয়, চোয়ালের হাড় খাড়া হয়ে ওঠে। ওদের উঠোনের সামনে সার বেঁধে দাঁড় করানো হয়েছিল সবাইকে। রেহেলে কোরআন ভাঁজ করে রেখে বৃদ্ধা মা এসে দাঁড়িয়েছিল সেই সারির সমান্তরালে। খাকি কুত্তামুখো লোকগুলোর হাসির তোড়ে ওদের দিকে তাকানো যাচ্ছিল না। ওসমান কঠিন হাতে মাকে ধরে ঘাড় ঘুরিয়ে একবার দেখেছিল মায়ের মুখ। কী প্রগাঢ় চাউনি সম্মুখ দিকে, যেন আগ্নেয়াস্ত্র নয়, সম্মুখে ক্যামেরা ফিট করা, ওদের ছবি তোলা হবে।
ঝটকায় একজন পাকিস্তানি আর্মি ওসমানকে টেনে আনল নিজের দিকে, ওসমান একটু বেশিই লম্বা, সুশৃঙ্খল সারির মধ্যে একে বেখাপ্পা ঠেকছে। এই ছিল ওদের বক্তব্য। এইবার সারিটাকে উল্টোদিক থেকে দেখা। একদম ঢেউয়ের মতো, দূরবর্তী পাহাড়ের মতো, লম্বা হয়ে শিশুদের দিকে ঢালু হয়ে নেমে এসেছে। এদের হাসি দেখে শিশুরাও হাসছিল, কী রকম চাপা বিস্ময়ে, কিছু বুঝে উঠতে না পেরে, যেখানে হাসি শিশুরা সেখানে বিপদের কিছু কী করে দেখবে? এরপরেই গর্জে উঠল অস্ত্র।
খাকি লোকগুলোর সপক্ষে দাঁড়িয়ে একটি সমান্তরাল লাইনের ভূপাতিত হওয়ার দৃশ্য দেখার পর থেকেই মূলত ওসমানের যুদ্ধের শুরু। পশুর পক্ষে হত্যাকে এত শিল্পমণ্ডিত আর জমকালো করে তোলা সম্ভব নয়। তাকে যখন পাকিস্তানিরা বাঘের খাঁচায় ফেলে দিয়ে আহত অবস্থায় আবার তারা তুলে আনল, তার তৃষ্ণার্ত জিভে ঢুকিয়ে দিল শিশ্ন, খা পানি খা, কী বিষাক্ত গন্ধময় জল, সেসব ভাবতে ভাবতে অর্ধমৃত মানুষদের মাঝখানে শুয়ে মহান পশুদের কুর্নিশ করেছে। সৃষ্টিকর্তা এদেরকে বোধবুদ্ধি দেয়নি বলে এই সরল প্রজাতিকে মানুষ কতই না ঘৃণা করে রেখেছে। ওসমান বিশ্বাস করত, হত্যাকারী, মাতাল, পরধন লুটকারী সশস্ত্র মানুষের মধ্যে একটা পর্যায় পর্যন্ত তার কিছু মূল্যবোধ থাকে, যা মানবিক, যা সুন্দর, মানুষ তার মানবিকতার শেষ অংশ খুইয়ে নিঃস্ব হতে যেতে চায় না। নাৎসি সৈনিকরা ঠিক কতটা বর্বর ছিল? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে হতবাক ওসমানের চোখে ম্লান হয়ে আসছে নাৎসির চেহারা। অবশ্যই ওরা সূক্ষ্মবুদ্ধিসম্পন্ন বর্বর ছিল না, খাকিমুখো লোকগুলোর পারদর্শিতার কাছে ওদের আরো অনেক কিছু শেখার ছিল।
এরপর ওসমান সেই লাশের স্তূপ থেকে ল্যাংচাতে ল্যাংচাতে পালিয়েছে। জঙ্গলে, পাহাড়ের গুহায়, ক্ষুধার যন্ত্রণায় অস্থির হয়ে একসময় হাসপাতালে।
সুস্থ হওয়ার পর তার পৃথিবীটাই যায় পাল্টে। সেই পৃথিবীর মধ্যে হিলহিলে ঘৃণা, বিষ, আউলা বিক্ষিপ্ত যন্ত্রণাকর অতীত আর কিছু নেই। সে স্থানীয় ক্যাম্পে ট্রেনিং নিয়ে মেজর ইশতিয়াকের অধীনে একটি অপারেশনে সফল হয়। এরপর ঢেউ খেতে খেতে এখানে। আলতাফ ভাই ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অফিসার। কিন্তু ওসমানের সঙ্গে তিনি সাধারণ শ্রমিকের মতোই মেশেন। প্রাণখোলা, নির্ভীক, যখন কাজ, তখন এত সিরিয়াস, তার মুখের দিকে তাকানো যায় না। অন্য সময় প্রাণখোলা, সবার দিকে সমান সতর্ক দৃষ্টি।
তালপাতার বাঁশি...
যেন পাহাড় থেকে রোদ্দুর ভেঙে কচলে এক করে দিয়ে ভেসে আসছে, ফরফর ওড়ে ওসমানের কুণ্ডলী পাকানো ধোঁয়া, বিড়ির সেই ধোঁয়া ফুঁড়ে উঠে যা, নিষ্পলক ঠাণ্ডা চোখ, বেড়ার এপাশে দাঁড়িয়ে হাটফেরত মানুষের দিকে চেয়ে একা একাই কথা বলত, এইটুকুন তেল দিয়া কয়জনের রান্দা অইবো? তাও দেহো না লইয়া যাইতাছে, বউ পোলাপান হয়তো পথ চাইয়া বইয়া রইচে, হেয় যাইবো, রান্না অইবো, মায়ের ভাবনা ছিল চিরকালই শব্দময়। একটি ছোট পিঁপড়ের জন্য তার কত আশা। বাবার মৃত্যুর পর রাতে বিছানায় শুয়ে শুয়ে তার আত্মার সঙ্গে একা একাই কথা বলত।
কে বাজাচ্ছে বাঁশি? ওসমান ঘাড় তোলে, কোমর ভাঙা কাঁঠালগাছটার ওপর বসে তোফায়েল যেন তার বাঁশির মধ্যে সব কান্না ঢেলে দিচ্ছে।
ওসমানের ঝাঁজালো চোখ ছায়া হয়ে আসে। তার মধ্য থেকে ঘাই দিয়ে ওঠে এক নারী_কত দীর্ঘ বছরের প্রতীক্ষায় তাকে শুধু এক সন্ধ্যায় নিজের করে পেয়েছিল সে। সেই পাওয়ার মধ্যে ছিল, 'এই রাত তোমার আমার, ওই চাঁদ তোমার আমার'_এর মতো অপরিসীম বেদনা, মানুষের শ্রান্তির মধ্যে যে এত বেদনা থাকতে পারে তা সেই অভূতপূর্ব গান এবং সন্ধ্যার মিলনের মধ্যে অনুভব করেছিল সে। তারপর যুদ্ধ।
কে কোথায় ছিটকে গেল। সেই নারী তার মৃত আত্মায় লুকিয়ে যেতে থাকা রক্তকণা এখন।
ওসমান!
ডাক শুনে পেছনে ফেরে।
বিচলিত দেখায় আলতাফ ভাইকে। ওসমানকে ভেতরে নিয়ে সবার উদ্দেশে বলে, শুনেছি ওরা গ্রাম ছেড়ে যায়নি, তোফায়েল ভুলোমনা ছেলে, ওর ওপর ভরসা করা আমাদের ঠিক হচ্ছে না। ও ঠিক খবর জোগাড় করতে পারেনি। ওরা পাহাড়ের ওপাশটার কোনো এক স্থানে ক্যাম্প গেড়েছে।
ওসমান অস্থির বোধ করে, কী বলছেন এসব? তাহলে কাল রাতে আমাদের মহাসর্বনাশ হতে পারত। কে আপনাকে দিয়েছে এই তথ্য?
আলতাফ ভাই স্থিরকণ্ঠে বলে, দেখ, এটুকু সচেতন আমাকে থাকতে হয়। দুপুর নাগাদ আমি নিশ্চিত সংবাদ পেয়ে যাচ্ছি, তা যদি সত্যি হয়, তবে আজ রাতেই ওদের ওপর আক্রমণ চালাতে হবে। ওরা এখনো পুরোপুরি প্রস্তুত নয়। শুনেছি আরেকটা ট্রাক সন্ধ্যা নাগাদ এসে থামবে, ওদের প্রস্তুত হওয়ার সুযোগ দেয়া যাবে না, আপাতত ভুল তথ্য দেয়ার জন্য তোফায়েলকে শাস্তি দেয়া যাক। ওসমানের মুখ বিবর্ণ হয়ে ওঠে। আলতাফ ভাইয়ের ক্রোধ সে চেনে। এই শিশুর মতো ছেলেটাকে নিয়ে ওসমান কী করবে? এখনো দিব্যি পাতার বাঁশি বাজিয়ে চলেছে।
ওসমান ম্লানকণ্ঠে বলে, ও সচেতনভাবে কিছু করেনি, কেউ হয়তো ওকে ভুল তথ্য দিয়েছে।
ওসমান! গর্জে ওঠে আলতাফ ভাই, এটা আবেগ বা ভাবের জায়গা না। ওর অসচেতনতার কারণে কত বড় ক্ষতি হতে পারত আন্দাজ করতে পারছ? ওর ম্যাড়ম্যাড়ানি ভাবটা যাতে কাটে সেজন্যই ওকে একটা শিক্ষা দেয়া দরকার।
এরপর সেই কুঁজো কাঁঠালগাছটার মধ্যেই পায়ে রশি বেঁধে অস্ত দুপুর তোফায়েলকে ঝুলিয়ে রাখা হলো।
যখন ওকে নামানো হয় ওর মুখের দিকে তাকানো যাচ্ছিল না। ফরসা সুন্দর মুখটায় জড়ো হয়েছে রাজ্যির ছাই, ঢোক গিলে কান্না সামলে সে শুধু এইটুকু উচ্চারণ করল, আমি আমার শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে প্রমাণ করব এই কাজে আমার অনীহা ছিল না। পাহাড়ের কাছে বাস করা যে কৃষকের ওপর আমি নির্ভর করেছিলাম, সে আমাকে বিভ্রান্ত করেছে।
এরপর বিকেল থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না।
রেডিওর নব ঘুরিয়ে ভারত ধরলে নানা রকম যন্ত্রণায় ভেতরটা গুঁড়িয়ে যায়। কোথায় কিভাবে পাকবাহিনী জেট বিমান হামলা চালাচ্ছে, বিল্ডিং, মসজিদ, হাসপাতাল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে_নানাবিধ সংবাদে মন হয়ে ওঠে বিক্ষিপ্ত। এর মধ্যে যখন রাত্তিরের মিশনের জন্য মস্ত প্রস্তুতি পাকা, তখন তোফায়েলের অন্তর্ধান ওসমানকে বিষণ্ন করে তোলে।
ও একটা আস্ত হাবা, আলতাফ ভাই বিরক্তি চাপতে পারে না, একজন সাবালক পাকবাহিনী যার ওপর এত অত্যাচার করেছে, কোথায় তার ভেতর প্রতিশোধের আগুন জ্বলবে, তা না, তালপাতার বাঁশি বাজায়, তুমি কি ভাবছ, ও মনের দুঃখে আত্মহত্যা করতে গেছে? মোটেও না, ওর কাছে এসব শাস্তি-ফাস্তি কিছু না, বেরিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগেই দেখলাম কী একটা বিষয় মনে পড়ায় ফিকফিক করে হাসছে। যদি জেগে থাকে ভালোই হয়েছে। এটা ঘরবাড়ি না ওসমান, এখানে এসব মায়ামমতা করেছ তো নিজের পায়ে নিজেই কুড়াল দিয়েছ। তুমি বুঝতে পারছ না, যেকোনো কারণেই হোক ও সুস্থ নয়। হয়তো অত্যাচারের কারণেই মাথায় কোথাও গোলমাল হয়েছে।
কেমন শিশুর মতো আচরণ করে। ওসমান, তৈরি হও, ওকে নিয়ে সময় নষ্ট করার মতো অবস্থা এখন আমাদের নেই।
তবুও ওসমানের ভেতর থেকে বেদনা যায় না। অন্য মুক্তিযোদ্ধারা যখন এক হয়ে শত্রু শিবিরে আক্রমণের সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে একীভূত, যখন ওসমানের বিচলিত কান বারবার সতর্ক হয়ে ওঠে, এই বুঝি তোফায়েল এলো। ওর মুখের মধ্যে কী জানি কী আছে_ওসমান তার মা-বাবা, সেই সন্ধ্যায় যারা সশস্ত্র বুভুক্ষু নিয়ে এই মুখের ওপর ভর করেছিল। সে অনুভব করে, তার ভেতর থেকে কিছু সরেনি, কিছু লুকায়নি, কেবল ঘাস উঠেছিল বলে তলার ভেজা আঁটিটা দেখা যাচ্ছিল না।
ক্রম ঘনায়মান রাত্তির।
এই বিরান প্রান্তরে কোত্থেকে যে কুকুর ডাকে।
এর আগের অপারেশনে ওসমানদের সঙ্গে মিত্রবাহিনী ছিল। এবারের পুরো প্রোগ্রামটিই আলতাফ ভাইয়ের দ্রুত সিদ্ধান্তের ওপর তৈরি। ফলে দলের সবার মধ্যে একটি বাড়তি চাপ তৈরি হয়, যা কেউ আবার কাউকে বুঝতে দিতে চায় না।
সন্ধ্যার পর পরই ওরা বেরিয়ে পড়ে। ঠা ঠা শীত। কাঁটা, ঝোপ, মাঠ, জঙ্গল পেরিয়ে ওরা যখন শত্রু অবস্থানের একদম কাছাকাছি, তখন আলতাফ ভাইয়ের নির্দেশের অপেক্ষায়, তখন অকস্মাৎ ওসমানের মনে এই প্রশ্ন জাগে ওরা আগেই এই পাহাড়ের কাছে আছে তো? অন্ধকার পেত্নীর মতো কালো দাঁত কিড়কিড় করছে। মানুষ বাস করবে অথচ সন্ধ্যার পর একফোঁটা বাতি কোথাও জ্বলবে না? আঁধারের মধ্যে তাঁবুর মতো কিছু একটা দেখা যাচ্ছে, কিন্তু স্পষ্ট হচ্ছে না।
তারা যেরকম দক্ষতার সঙ্গে এ পর্যন্ত এসেছে, শত্রুর যদি চারপাশে দশ চোখ দশ কান থাকে তবুও কোনোভাবে বোঝার কথা না, এই সন্দেহের কথাটাই সে বলতে চায় আলতাফ ভাইকে। কিন্তু সে বেশ কিছুটা দূরে, আচমকা ওসমানের কী হয়, তার ভেতর আর সেই ক্যামেরার দিকে চেয়ে থাকা চোখ দুটো মিটমিট করে ওঠে সেই দৃশ্যের শব্দ তীব্র এক আকুতি নিয়ে তার করোটির মধ্যে ঝনঝন শব্দ তোলে।
উত্তেজনায়, ঘৃণায় ভেতর থেকে তীব্র শীত অন্তর্হিত হয়ে যায়। ওসমানের ভেতর কেউ যেন একটি অগি্নপিণ্ড ঢুকিয়ে দিয়েছে। মনে হচ্ছে সেই অদৃশ্য তাঁবুর মধ্যে বসে এসব জীব মরা হাড্ডি চিবোচ্ছে, চারপাশের ঘুটঘুটে গাছপালা মুহূর্তে টলে ওঠে। যেন কারো নির্দেশ ছাড়াই এই মুহূর্তে ওসমানের অবচেতন হাত ট্রিগারে চাপ দেবে।
এই যখন অবস্থা।
সবাইকে বিমূঢ় হতবাক করে মুহূর্তে পাল্টা আক্রমণ শুরু হয়ে যায়। সেই অন্ধকার অবস্থান থেকে সারি সারি অস্ত্র গর্জে উঠেছে, ও মাই গড। এটুকু বলে আলতাফ ভাই মুহূর্তে উবু হয়ে ওই অবস্থান পাল্টে নেয়।
অন্য সবার সঙ্গে ওসমানের অসাড় দেহ শীত ঘাসের স্তূপের মধ্যে ঢলে পড়ে। ওসমান শুধু এইটুকু স্মরণ করতে পারে, আস্ত আকাশটা এক আজব কারিশমায় ক্ষুদ্র এক নক্ষত্রে পরিণত হয়েছিল।
এরপর ঘোরের মধ্যে ছিন্নবিচ্ছিন্ন স্বপ্ন, সে তোফায়েলের লাশ কাঁধে করে পাহাড়, নদী অতিক্রম করছে, সেই সন্ধ্যার নারী তাকে দেখে বলছে, তোমাকে এখন নেকড়ের মতো দেখাচ্ছে কেন? হাসপাতালে অর্ধমৃত মানুষদের মাঝখানে নিজেকে জীবিত আবিষ্কারের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে অন্য এক প্রশ্ন, সেদিন ঠিক কী হয়েছিল?
এরপর কুয়াশা, এরপর রাত্তির, ক্ষতস্থান ফুঁড়ে প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে একটিই প্রশ্ন, কী হয়েছিল?
কী অপরিসীম ক্রন্দন!
কোত্থেকে ভেসে আসছে গো? নাকি মায়ের কোরআন তেলাওয়াত_এমনই ক্রন্দনময় ছিল সেই কণ্ঠ। চোখ প্রসারিত করে। কোনো মানুষের সম্পূর্ণ রূপ নেই এখানে, গজ, ব্যান্ডেজ, প্লাস্টারে সব ঢাকা পড়ে গেছে। জ্ঞান ছিল না, সেই এক ভালো ছিল, মগজ কচলে এক করে দিয়েছে নানা রকম কৌতূহল, ডাক্তার ইনজেকশন দিয়ে যায়।
কী শান্তি! মৃত্যু কি এর চেয়ে বেশি শান্তি দিতে পারে? সেও তো এক ধরনের অনন্ত ঘুম, যার বোঁটা ছিঁড়ে ঝপাত করে সে এই স্বর্গবাসীদের মাঝখানে এসে পড়েছে, সব ছায়া হয়ে আসার সময় অস্ফুট ঠোঁট নড়ে ওঠে, লাঙল নিয়ে কে যাচ্ছে গো?
আমি।
কোনে গো?
পাহাড় চাষ করতে।
পাহাড়, শীত রাত্তির, আলতাফ ভাইয়ের ও মাই গড, এরপর ঘুম।
যেন চোখের সামনে আতশি কাচ, ঝলক দিয়ে ওঠে, তার মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধীর মুখ, তার সঙ্গে ও কে? ইয়া বড় গোঁফ? ঘুম ভাঙার পরও ওসমানের ঘোর কাটে না, কর্নেল ওসমানী? কী বলছে ওরা? বেদনার্ত কান উন্মুখ হয়, ওরা বলছে, মেঘের মতো, বৃষ্টির মতো সেই শব্দ_এই মাসের মধ্যেই আমরা স্বাধীনতা পাব।
এটা কোন মাস?
পরের উনি্নদ্র রাত উল্টেপাল্টে যেতে থাকে মাসের হিসাব গুনতে গিয়ে। তোফায়েল, ওই তালপাতার বাঁশিটা আবার বাজা, এই দেখ দেখে আমি তলিয়ে যাচ্ছি...। ওসমান কার হাত চেপে ধরে।
কে?
আমি সাইফুল।
সাইফুল কে?
আমাকে চিনছেন না? একসঙ্গে এতদিন যুদ্ধ করলাম, এরপর যেন বাতাসের মতো কিছু শব্দ আছড়ে পড়ে ওসমানের কানের কাছে, জানেন ওসমান ভাই, বীরের মতো সম্মুখযুদ্ধ করতে করতে মারা গেছেন আলতাফ ভাই? গুট্টু, বাবলু ওরাও নেই। তোফায়েল ছিল ওদের চর, এখান থেকে সব সংবাদ নিয়ে ওদের দিত।
স্টপ! স্টপ! চেঁচাতে গিয়ে ওসমানের পুনরায় সমস্ত দেহ শিথিল হয়ে আসে।
এরপর চোখের সামনে সাদা ছাদ ছাড়া কিছু নেই।
সমস্ত যন্ত্রণা, বীভৎস খিঁচুনি জমা হয়ে কণ্ঠে, ওসমান আর্তনাদের মতো করে বলে ও আল্লা? এত জঘন্য আলো ঢুকছে কোত্থেকে! আমাকে কঠিন দোজখে নিক্ষেপ কর তোমরা, আমিই ওকে বিশ্বাস করেছিলাম, আমিই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
November
(2002)
-
▼
Nov 04
(50)
- রামলীলায় বিজেপির ওপর চড়াও সোনিয়া
- রান আউটে মৌসুমী নাগ by কামরুজ্জামান মিলু
- সরকারি আপত্তিতে বন্ধ ‘তিন কন্যা’র প্রদর্শন
- মুক্ত সারিকাঃ হিল্লোল ও নওশীনের বয়কটাদেশ বহাল
- আসছে পুনম পান্ডের ‘নেশা’
- বিশ্লেষণঃ র্যাব দপ্তরে কেন মেঘ? by জাকিয়া আহমেদ
- সাইবার ক্রাইম এবং নারীর অসহায়ত্ব
- মশিউর সস্পর্কে বিকালে জানাবে ইআরডিঃ অর্থমন্ত্রী
- সরকারকে বিব্রতকারী অপ্রয়োজনীয়দের বাদ দিতে হবেঃ নাসিম
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্ববৃহৎ প্যাগোডায় হাসিনা by শ...
- ‘জিয়া-এরশাদের পথে হাঁটছে মহাজোট’
- শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার হার কমছেঃ জেএসসি কেন্দ্র পরিদর...
- পদে পদে বন্ধুত্বের ফাঁদ! সাইবার অপরাধের জালে কিশোর...
- ‘ছুটি শেষ ভাবতেই কষ্ট লাগছে!’
- অনেক কিছু করতে রাজি থাকলেও...
- ঢাকায় আসছেন ক্যাটরিনা
- সাতঘরিয়া by প্রফুল্ল রায়
- বিশ্বাস খুনি by নাসরীন জাহান
- বন-জ্যোৎস্না by নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
- রস by নরেন্দ্রনাথ মিত্র
- উদ্বাস্তু by দেবেশ রায়
- বেদেনী by তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
- বীর মুক্তিযোদ্ধা- তোমাদের এ ঋণ শোধ হবে না
- মার্কিন অ্যাটর্নির মত- রেজওয়ানুলের জন্য দ্রুত আইনজ...
- ফুলবাড়ী কয়লাখনি উন্নয়নে এশিয়া এনার্জির নতুন প্রস্ত...
- প্রাথমিক শিক্ষার টাকা লুটপাট-আন্তমন্ত্রণালয় কমিটির...
- প্রধানমন্ত্রীর ভিয়েতনাম ও লাওস সফর-পূর্ব এশিয়ার সঙ...
- পবিত্র কোরআনের আলো-সব মানুষ একই উম্মতের অন্তর্ভুক্...
- রাজনৈতিক বিবেচনায় অপরাধের দায়মুক্তি ন্যায়বিচারের হ...
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: জনমত জরিপ- এই অপেক্ষ...
- খালেদা জিয়ার ভারত সফর- নীতি পরিবর্তন নিয়ে বিএনপিতে...
- খালেদা জিয়ার ভারত সফর- ভারতবিরোধিতা ভুল ছিল, বুঝেছ...
- শুভেচ্ছা ও অভিবাদন by মতিউর রহমান
- মসিউর আজ দুদকে যাচ্ছেন- প্রধানমন্ত্রী ফিরলে ছুটির ...
- খালেদা জিয়ার ভারত সফরে প্রাপ্তি by তারেক শামসুর রে...
- চরাচর-সংবিধান দিবস by সুস্মিতা সাহা
- রঙ্গব্যঙ্গ-হায় পুলিশ! by মোস্তফা কামাল
- সুতরাং-নদ-নদীর মৃত্যুরোধ ও অভিন্ন নদীর সমস্যা সমাধ...
- মনের কোণে হীরে-মুক্তো-দুর্বৃত্তায়নের কেন্দ্রবিন্দু...
- লালন ফকিরের গান by ইলিনা সেন
- প্রমিত বাংলা বানান-মাতৃভাষার দুর্গতি দূর করতে হলে ...
- নেতিবাচকতা by একরামুল হক শামীম
- মার্কিন নির্বাচন-রমনির পালে মন্থর হাওয়া by চার্লস ...
- হৃদয়নন্দন বনে-সঠিক পথের দিশা by আলী যাকের
- ইবিতে অচলাবস্থা-শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করুন
- ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন-দুঃসহ স্মৃতি মুছে ফেলে ঘুরে ...
- ‘শত্রু’কে বন্ধুর মতো বরণ নয়াদিল্লির by হিরন্ময় কার...
- বাবা নির্বাক, প্রতীক্ষায় মা by ইমরান আলী
- দেশে ফিরলেন খালেদা, সফর সফল দাবি
- এক নাচে এক কোটি রুপি
-
▼
Nov 04
(50)
-
▼
November
(2002)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment