Tuesday, February 10, 2015
পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে পোলট্রিশিল্প
পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে পোলট্রিশিল্প
গত
২৮ জানুয়ারি ২০১৫ প্রথমআলোর আয়োজনে ‘পুষ্টিচাহিদা পূরণ ও অর্থনৈতিক
উন্নয়নে পোলট্রিশিল্প’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে
উপস্থিত আলোচকদের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত আকারে এই ক্রোড়পত্রে ছাপা হলো...
আলোচনায় সুপারিশ
. পোলট্রিশিল্পের ২০২০ সালের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার ও বেসরকারি উদ্যোক্তা সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে
. ট্যানারি মালিকদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বাধ্য করতে হবে
. কৃষি মন্ত্রণালয়ের মতো মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের লোকবল, বিনিয়োগসহ সব ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত করতে হবে
. কোনো খামার নিবন্ধন ছাড়া থাকতে পারবে না
. মাত্র ৫–১০ শতাংশ ব্যাড নিউজের প্রচার যেন পুেরা শিল্পকে হুমকির মুখে ফেলে না দেয়, গণমাধ্যমকে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে
. মুরগি ও ডিম অনেক সহজলভ্য করতে হবে
. ক্ষুদ্র পোলট্রিশিল্পের ওপর অবশ্যই তদারক ও নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে
আলোচনা
আব্দুল কাইয়ুম: সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রাণিজ আমিষ একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিন্তু দেশে এ আমিষের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। এ ক্ষেত্রে পোলট্রিশিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পোলট্রিশিল্পের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমাদের দৈনিক খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পূরণ হয় পোলট্রিশিল্প থেকে। এ শিল্প দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
অন্যদিকে সামাজিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে পোলট্রিশিল্পের ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এ শিল্প সম্পর্কে মানুষের মধ্যে কিছু বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। আমরা আশা করি, এ শিল্প সম্পর্কে বিভ্রান্তি দূর হোক। পোলট্রিশিল্পের আরও উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে কাজ করার বৃহত্তর ক্ষেত্র তৈরি হোক।
মসিউর রহমান: পোলট্রিশিল্প শুরুতে একটি আমদািননির্ভর শিল্প ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে পোলট্রির মুরগি ও ডিমের চাহিদা ব্যাপক হারে বাড়তে থাকে। ধীরে ধীরে শিল্পটি স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে ওঠে। আশির দশকে এ শিল্পে বিনিয়োগ ছিল ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। বর্তমানে এর বিনিয়োগ ২৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশে খামার ও খাদ্য ব্যবস্থাপনায় বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। বর্তমানে মোট উৎপাদিত পোলট্রি খাদ্যের প্রায় ৯৫ শতাংশই আধুনিক ফিডমিলগুলোতে উৎপন্ন হচ্ছে। পোলট্রির খাদ্যে ব্যবহৃত ভুট্টার প্রায় ৪০ শতাংশ দেশে উৎপাদিত হচ্ছে। এ শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত আছেন প্রায় ৭০–৮০ লাখ মানুষ। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশই নারী। গ্রামীণ অর্থনীতিতে, নারীর ক্ষমতায়নে কৃষির পরই সবচেয়ে বড় অবদান রাখছে বাংলাদেশের পোলট্রিশিল্প।আমরা নিরাপদ পোলট্রিশিল্প–খাদ্য নিশ্চিত করেছি। বাইরের কাউকে খামারে প্রবেশ করতে হলে কয়েক ধাপে জীবাণুমুক্ত হয়ে, গোসল করে ও নির্দিষ্ট কাপড় পরে প্রবেশ করতে হয়। বাংলাদেশের পোলট্রিশিল্প এখন প্রযুক্তিনির্ভর।
আধুনিক হ্যাচারিগুলোতে যান্ত্রিক উপায়ে সপ্তাহে এক কোটি ১০ লাখেরও বেশি ডিম ফোটানো হয়। মুরগি পালনের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে। খাবার ও পানি সরবরাহ, ডিম সংগ্রহ—সবকিছু স্বয়ংক্রিয় উপায়ে করা হয়। ফলে ভোক্তা স্বাস্থ্যকর-জীবাণুমুক্ত ডিম ও মুরগির মাংস পেয়ে থাকে।
প্রায় প্রতিটি বড় ফিড মিলের নিজস্ব গবেষণাগার আছে। খাদ্য তৈরিতে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ভুট্টা, ওষুধ ও কাঁচামালের পরিমাণ—সবকিছুর সঠিক মান নিশ্চিত করা হয়। উদ্দেশ্য একটাই, নিরাপদ-স্বাস্থ্যকর ডিম ও মাংস সরবরাহ। পোলট্রিশিল্পের বর্জ্য থেকে তৈরি হয় বায়োগ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার। বাংলাদেশে সর্বাধুনিক পদ্ধতিতে মুরগির মাংস প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এ মাংস এখন হোটেল সোনারগাঁও, রেডিসনসহ বড় বড় শপিং মলে পাওয়া যাচ্ছে। এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই, আমাদের মাংস ও ডিম গুণগত মানসম্পন্ন।
সরকারের সহযোগিতা পেলে ২০২০ সাল নাগাদ বিনিয়োগ হবে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। প্রায় কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে। দেশীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পোলট্রিশিল্পের ২০২০ সালের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার ও বেসরকারি উদ্যোক্তা, সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
মো. রফিকুল হক: ডিম একটি আদর্শ প্রোটিন হিসেবে বিবেচিত। দেশে ডিমের পর্যাপ্ত চাহিদা রয়েছে। একটি প্রবাদ আছে, ‘হেলদি ফুড হেলদি নেশন’। আমরা নিরাপদ খাদ্যের বিষয়টিকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিই। নিরাপদ ডিমের বিষয়ে আপস করি না। ডিম উৎপাদনের জন্য বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে লেয়ার ফার্ম তৈরি করতে হয়। সেখানে রোগ প্রতিরোধের প্রয়োজনীয় জৈব নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। মুরগিকে সুষম, জীবাণুমুক্ত খাবার এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা দিলেই কেবল এ থেকে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় ডিম উৎপাদন করা সম্ভব হয়। খাবার কীভাবে দূষিত হয়? খাবারে ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে। টক্সিন-মাইক্রোটক্সিন থাকতে পারে। আমরা দেখেশুনে গুণগত মান বজায় আছে এমন খাবার কিনি। এর পরও ৭০ থেকে ৮০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় খাবারকে প্রক্রিয়া করি। তা ছাড়া খাদ্যে কোনো টক্সিন থাকলে এটা মুক্ত করার জন্য টক্সিন বাইন্ডার ব্যবহার করা হয়। খাদ্যের মান বৃদ্ধির জন্য খাদ্যে বিভিন্ন ধরনের এনজাইম ব্যবহার করা হয়। এর ফলে মুরগি খাদ্য থেকে সম্পূর্ণ পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে।
আগে মুরগির অসুখ হলে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হতো। এখন আমরা রোগ প্রতিরোধকে বেশি গুরুত্ব দিই। রোগ যাতে না আসতে পারে, সেটিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা এমন ব্যবস্থা নিই, যাতে রোগ না হয়। খামারিদের স্বার্থেই খামারিরা মানসম্মত খাবার ব্যবহার করেন। তাই মুরগি থেকে যে ডিম পাইন সেটা আদর্শ, নিরাপদ ও প্রোটিনসমৃদ্ধ। কোনো রকম দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই সবাই ফার্মের প্রোটিনসমৃদ্ধ ডিম ও মাংস খেতে পারেন।
নাজমা শাহীন: পোলট্রি ফার্মগুলোর বিভিন্ন প্রক্রিয়া প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলে মানুষের কোনো প্রকার ভুল ধারণা থাকবে না। বাংলাদেশের পুষ্টির অবস্থা সবাইকে ভাবতে হবে। তাহলে পোলট্রিশিল্পের গুরুত্ব বোঝা যাবে। দেশে পাঁচ বছরের শিশুদের বয়সের তুলনায় উচ্চতা কম। মেডিকেলের ভাষায় একে স্টানটিং বলা হয়। দেশের ৩৬ শতাংশ শিশুর ওজন কম। প্রজননক্ষম নারীর ২৫ শতাংশ ক্রনিক এনার্জি ঘাটতিতে ভুগছেন। এ কারণে জন্মের সময় বাচ্চাদের ওজন কম হচ্ছে। আমাদের অনেক অর্জন সত্ত্বেও পুষ্টিতে বেশ পিছিয়ে আছি। খাদ্য ও কৃষি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী আমাদের শক্তির ৬০ শতাংশ আসার কথা শস্যজাতীয় পণ্য থেকে। ১০-১৫ শতাংশ আসার কথা আমিষ থেকে। এই আমিষের ২০ শতাংশ হবে প্রাণিজ আমিষ।
বাংলাদেশে গড়ে প্রতিদিন একজন ৭ গ্রাম ডিম, ১৪ গ্রাম মুরগির মাংস খায়। এর থেকে আমিষ আসে যথাক্রমে এক ও তিন গ্রাম। মুরগি ও ডিম থেকে দৈনিক চার গ্রাম আমিষ। প্রতিদিনের খাদ্যে ৩৩-৬৬ শতাংশ আমিষ থাকার কথা। এর মধ্যে প্রাণিজ আমিষ থাকবে কমপক্ষে ১৫ গ্রাম। কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট শরীরে জমা থাকে। কিন্তু আমিষ জমা থাকে না। প্রতিদিনের খাদ্য থেকে এটা গ্রহণ করতে হয়।
অমিষের অভাব হলে শিশু খর্বাকৃতির হবে। কিছু প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল প্রাণিজ আমিষ থেকে আসে। আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, ট্যানারি বর্জ্য গ্রহণের ফলে কিছু মুরগির মধ্যে সামান্য পরিমাণ ক্রোমিয়াম পাওয়া গেছে। ক্রোমিয়াম শরীরের জন্য ক্ষতিকর। পোলট্রি থেকে যথেষ্ট প্রাণিজ আমিষ আসছে। কিন্তু ছোট খামারিরা যাতে কোনোভাবে ট্যানারি বর্জ্য খাওয়ানোর সুযোগ না পান, সে ব্যবস্থা করতে হবে।ট্যানারির মালিকদের যেকোনোভাবে তাঁদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বাধ্য করতে হবে। প্রাণিজ আমিষ যদি নিরাপদ না হয় তাহলে সেটা আমাদের কোনো কাজে আসবে না।
গোলাম রহমান, অধ্যাপক : আমাদের দেশে পোলট্রিশিল্প অনেক বড় হচ্ছে। যেকোনো শিল্প বড় হওয়ার সময় কিছু বাধা আসে। এসব ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে এমনভাবে সংবাদ পরিবেশন করতে হবে, যাতে শিল্পের বিকাশ বাধাগ্রস্ত না হয়। উপস্থাপনায় যে ভিডিওচিত্র দেখা গেল, সেটি একটি আদর্শ মানসম্মত ফার্ম। কিন্তু কত শতাংশ ফার্ম মানসম্মত, কত শতাংশ মানসম্মত না, সেটা আমরা জানি না। ফলে কোন ধরনের ফার্মের ডিম ও মাংস খাচ্ছি সেটাও জানি না। এসব বিষয় পরিষ্কার করতে হবে। তা না হলে মানুষের মধ্যে সন্দেহ থেকে যাবে। সংবাদের ভাষায় একটা কথা আছে, ‘ব্যাড নিউজ ইজ গুড নিউজ’। কিন্তু এই ‘ব্যাড নিউজ’ হয়তো মোট বিষয়ের খুব কম অংশ। ব্যাড নিউজের প্রচার যেন পুেরা শিল্পকে হুমিকর মুখে ফেলে না দেয়, গণমাধ্যমকে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তারা ঝুঁকি নিয়েও অনেক সংবাদ প্রকাশ করে।
কিছুদিন আগে পত্রপত্রিকায় খদ্যের মান নিয়ে কয়েকটি পর্ব প্রচার করে। এতে মানুষ কিছুটা শঙ্কার মধ্যে পড়ে যায়। তারা কোন খাবার খাবে, কোনটা খাবে না। পত্রিকাগুলো আবার সংশয় দূর করারও উদ্যোগ নিয়েছে। কোনো একটি গবেষণার ফলাফল নিশ্চিত না হয়ে গণমাধ্যমে প্রচার করা একেবারেই ঠিক না। এসব ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে
এম এ রশিদ: পোলট্রিশিল্প বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। একজন চিকিৎসক হিসেবে বলতে পারি, সুস্থ জীবনের জন্য ভারসাম্য খাবার খুব প্রয়োজন। ভারসাম্য খাবারের মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, মিনারেলস, ভিটামিনস, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট ইত্যাদি। খাবার কতটুকু গ্রহণ করলাম সেটা বড় কথা না, ভারসাম্য খাবার কি না, সেটি প্রধান বিষয়। প্রোটিন বা প্রাণিজ আমিষ ভারসাম্য খাবারের একটি অন্যতম উপাদান। আমিষ শিশুদের বৃদ্ধি ও শরীর গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। প্রাণিজ আমিষের একটি বড় অংশ আসে মুরগির মাংস ও ডিম থেকে। তাই পোলট্রিশিল্প প্রাণিজ আমিষের ঘাটতি পূরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। রোগের পর শরীরে শক্তি ফিরে আসার জন্য আমিষের প্রয়োজন রয়েছে। বিভিন্ন উৎস থেকে আমিষ পাওয়া যায়। তবে প্রাণিজ আমিষ হলো শরীরের প্রধান ও উন্নত আমিষ। দেশের পোলট্রিশিল্প প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করছে। তবে শহরের বস্তির মানুষ ও গ্রামের দরিদ্র মানুষ যেন পোলট্রিশিল্পের এ সুবিধা পায়, খামারমালিকদের সেটা ভাবতে হবে।
এম নজরুল ইসলাম: প্রতি দুই বছর পর ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ ব্রাঞ্চের পক্ষ থেকে তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনী ও আলোচনা অনুষ্ঠান করি। এবারের মূল বিষয় হলো ‘সেফ ফুড হেলদি নেশন’। আমরা দেশের মানুষকে কেবল ডিম ও মাংস দিচ্ছি তা না, এ শিল্পের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ২০২০ সালে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ৩০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান। ডিম ও মাংস গ্রাম-শহর সব মানুষের হাতের কাছে ও ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে। সাদা মাংস শরীরের জন্য বেশি উপকারী। নব্বইয়ের দশক থেকে দেশে এর ব্যাপক বিস্তার হতে থাকে। ২০০৭ সালের একটি রোগে এ খাত মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে। সরকার ও অন্যদের সহযোগিতায় আমরা সে অবস্থা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হই। ‘ব্যাড নিউজ ইজ গুড নিউজ’–এর কবলে পড়ে পোলট্রিশিল্প যাতে ধ্বংস না হয়, ২০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান যেন বিপর্যয়ের মধ্যে না পড়ে, এ ব্যাপারে সবার সহযোগিতা চাই।
তৌফিকুল ইসলাম খান: ব্যবসা বৃৃদ্ধি করতে হলে গ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে এটি সহজলভ্য করতে হবে। এখনো গ্রাম ও শহরের মানুষের মধ্যে আমিষ গ্রহণের অনেক পার্থক্য রয়েছে। তবে গত এক দশকে এ পার্থক্য বেশ কিছুটা কমে এসেছে। এ পার্থক্য কমার প্রধান কারণ হচ্ছে ব্রয়লার মুরগির মাংস। ডিম নয়। গ্রামের মানুষ এখনো ডিম সেভাবে গ্রহণ করে না। গ্রামাঞ্চলের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা এ মুরগির জোগানদাতা। তাঁরা আবার স্থানীয়ভাবে মুরগির খাবার সংগ্রহ করেন। ফলে মুরগির খাবারের মান কতটা ঠিক থাকে, সেটা দেখার বিষয়। আমরা নিরাপদ খাদ্যের কথা বলি। ছোট খামারিদের নিরাপদ খাদ্যের তালিকার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। যাচাই-বাছাই করার তদারক সংস্থা থাকতে হবে। এদের সনদ প্রদানের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যম, সরকার ও ফার্মের মালিক—সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সরকারের কৃষিব্যবস্থার ব্লক সুপারভাইজারদের পোলট্রিশিল্পের ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে হবে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা হয়তো না জেনেই অনেক ভুল করছেন। আবার বেশি লাভের জন্য জেনেও অন্যায় করছেন। এসব ব্যাপারে তাঁদের একটা নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
মো. হেলাল উদ্দিন: সত্তরের দশকে হাটের দিন ছাড়া কোথাও কোনো মুরগি বা ডিম পাওয়া যেত না। আশির দশকে দেশে ফার্মের মুরিগ আসে। তখন থেকে এ অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। ডিম এখন একটি অন্যতম প্রধান খাবার। নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত সবাই ডিম খায়। প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ডিম উৎপাদন হয়, যা আমাদের চাহিদার কাছাকাছি। ফার্মের মালিকেরা ভালোভাবে এ কাজটি করছেন বলেই এটি সম্ভব হয়েছে। তবে ডিম ও মুরিগ এখনো সবার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আছে কি না, সেটি ভাবার অবকাশ রয়েছে। মাত্র কয়েকটি ফার্মের মালিক বাচ্চা উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত।মুরগি ও ডিম অনেক সহজলভ্য করতে হবে।
ডিম ও মাংসের নিরাপত্তার বিষয়টি খুব জোরালোভাবে এসেছে। এ ক্ষেত্রে তথ্যের অসম্পূর্ণতার কথাও নাজমা শাহীন বলেছেন। ফরমালিন নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমিও বিপাকে পড়ি। মানুষের শরীর কতটুকু ফরমালিন গ্রহণ করতে পারে, কী কী ফল নিজে ফরমালিন জেনারেট করে, তার মাত্রা কী? এসব কোনো তথ্যই পাচ্ছিলাম না। আরেকটা সমস্যা হলো, যাঁরা গবেষণা করেন তাঁরা গবেষণার ফলাফল নিয়ে বসে থাকেন। মানুষকে জানান না। আবার এমন মানুষও আছেন, যাঁরা মানুষের জন্য কাজ করেন।
পরে জানলাম, আম, লিচু, কলায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফরমালিন তৈরি হয়। মুরগি বাজারে নেওয়ার সাত দিন আগে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো বন্ধ করতে হবে। দেশে হাজার হাজার ছোট খামারি আছেন, তাঁরা হয়তো এটা পুেরাপুরিভাবে অনুসরণ করেন না। তঁাদের অবশ্যই এটা মেনে চলতে হবে। নিরাপদ ডিম-মাংসের ক্ষেত্রে এসব নিয়ন্ত্রণ করা খুব জরুরি।
আবু লুৎফে ফজলে রহিম খান: ২০২০ সালে উৎপাদন দ্বিগুণ করতে চাই। তাহলে আমাদের মাংস রপ্তানির কথাও ভাবতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে হালাল মাংস রপ্তানি আমাদের জন্য একটি বিশাল বাজার হতে পারে। বিশ্বে পোলট্রিশিল্পের নেতা হচ্ছে ব্রাজিল ও থাইল্যান্ড। এরা মুরগি পালনের জন্য বিভিন্ন এলাকা ভাগ করেছে। যেসব এলাকায় মুরগির রোগ হয় না, মুরগি নিরাপদ থাকে, সেসব এলাকা থেকে মুরগি রপ্তানি করে। আমাদেরও এসব বিষয় ভাবতে হবে। এখন বিশ্বে ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল খাদ্য রপ্তানি হচ্ছে। ২০১৮ সালে হবে ১ দশমিক ১৬ ট্রিলিয়ন ডলার।
বিশ্বে প্রতিবছর মাছ, মাংস ও পোলট্রি রপ্তানির পারিমাণ প্রায় ৭৪০ বিলিয়ন ডলার। গত বছর শুধু পোলট্রি রপ্তানি হয়েছে ১১০ মিলিয়ন টন। মালয়েশিয়া সরকার হালাল মাংস রপ্তানির জন্য ইনসেনটিভ দিচ্ছে। পোলট্রি থেকে তারা ৪ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধি করতে চায়। আমাদের দেশের অনেক ফার্ম আন্তর্জাতিকমানের। অন্যান্য দেশ পারলে আমরাও পারব। আমাদের পোলট্রিশিল্প দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। প্রতিনিয়ত আমাদের সক্ষমতা বাড়ছে। সরকারের তদারক ও সহযোগিতা থাকলে মূল্যের মধ্যে ভারসাম্য আসবে এবং পোলট্রিশিল্পের আরও সম্প্রসারণ হবে।
সাইদুর রহমান বাবু: বাংলাদেশে প্রতি সপ্তাহে ১ কোটি ১০ লাখ বাচ্চা উৎপাদন হচ্ছে। মুরগির জন্য ছয় হাজার মেট্রিক টন খাবার প্রয়োজন। খাসি, গরু, মাছ ও সবজির সঙ্গে তুলনা করলে মুরগি ও ডিমের চেয়ে সস্তা আমিষ বাংলাদেশে আর নেই। দেশের মানুষকে সস্তা প্রোটিন দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করছি। কিন্তু আজ আমাদের ব্যাংক থেকে ১৬ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে হয়। কৃষি খাতে ঋণের সুদ ৫ শতাংশ। মুরগির ফার্ম একটি কৃষিশিল্প। তার পরও আমাদের চড়া সুদে ঋণ নিয়ে ফার্ম করতে হয়। সরকারকে বিষয়টি অতি দ্রুত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য অনুরোধ করছি। বিদেশিরা ৩ শতাংশ সুদে মূলধন পাচ্ছে। আমাদের সুদ ১৬ শতাংশ। শুরুতেই তঁারা আমাদের থেকে ১৩ শতাংশ বেশি লাভ পাচ্ছে। এ অবস্থায় কীভাবে প্রতিযোগিতায় টিকব? সরকারকে এ বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভাবতে হবে।
এখন প্রতিদিন মাংস উৎপাদনের পরিমাণ ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন। ২০২০ সালে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা হলো ৩ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন। দেশের জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধিতে এ খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান থাকবে। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে দেশে পুষ্টি, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি বিপ্লব ঘটবে। এ জন্য সরকার, গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমাদের সহযোগিতা করতে হবে।
কুতুব উদ্দিন আহমেদ: আমরা বেঙ্গল মিটের সঙ্গে যুক্ত থেকে এক কনটেইনার মাংস সৌদি আরবে পাঠাই। কিন্তু আমাদের দেশের ওয়েবসাইটে রোগমুক্ত নিরাপদ মাংসের তথ্য না থাকায় দেশে ফিরিয়ে আনতে হয়। মাংস স্পর্শকাতর একটা পণ্য। রপ্তানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক সচেতনতা প্রয়োজন আছে। মাংসের ক্ষেত্রে অনেক বেশি নিয়মকানুন মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে প্রক্রিয়াজাত মাংসের নিয়মকানুনে কিছুটা ছাড় থাকলেও কাঁচা মাংসের ক্ষেত্রে নিয়মকানুন কড়াকড়ি। এখন প্রক্রিয়াজাত মাংসের একটা শিল্প তৈরি করা প্রয়োজন বলে মনে করি। মধ্যপ্রাচ্যে যে বাংলাদেশি আছে, সেটা একটা বিশাল বাজার।বিদেশে আমাদের মাংসের ক্রেতা শুধু বাংলাদেশিরাই। মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৬০ লাখ বাংলাদেশি আছে। আমরা এ বাজার ধরতে পারি। বেঙ্গল মিট দুবাই ও কুয়েতে প্রচুর মাংস পাঠায়। এ জন্যই প্রতিষ্ঠানটি টিকে গেছে। ব্যাংককে একবার বার্ড ফ্লুতে মুরিগ ধ্বংস হলো। আবার যখন শুরু হলো, মানুষ ভয়ে মুরিগ খেত না। তখন ব্যাংককের প্রধানমন্ত্রী মুরিগর ওপর প্রদর্শনী করলেন। সেখানে তিনি ও তাঁর মন্ত্রীরা মুরিগর মাংস খেলেন। এ ধরনের উদ্যোগ যেকোনো সময় যেকোনো দেশে প্রয়োজন হতে পারে। মাংসের থেকে প্রক্রিয়াজাত মাংস বেশি সুফল দেয়, এ বিষয়টি আমরা ভাবতে পারি। বড় এনজিওগুলো এ ক্ষেত্রে কাজ করতে পারে।
গোলাম রহমান: আপনারা ২০২০ সালে বিনিয়োগ, উৎপাদন সবকিছু দ্বিগুণ করতে চান। এসব সম্ভব তখনই হবে যখন অর্থনীতির চাকা ঠিক থাকবে। তা না হলে এসব হয়তো কেবল আশাবাদই থেকে যাবে। দেশের ১৬ কোটি মানুষ ভোক্তা। কিন্তু ভোক্তাদের অনেক দুর্ভাবনা রয়েছে। ট্যানারি বর্জ্য, অ্যান্টিবায়োটিক, হরমোনসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় আসছে। এসব বিষয়ে ভোক্তাদের মধ্যে প্রশ্ন থাকবে।
এ সম্পর্কে ভোক্তাদের নিশ্চিত করতে হবে যে পোলট্রির মাংস নিরাপদ। ভোক্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে এ শিল্পের সম্প্রসারণ হবে না। দেশে হয়তো ৭০-৮০ হাজার পোলট্রিশিল্প আছে। উপস্থাপনায় যে শিল্প দেখানো হলো, এ মানের শিল্প সংখ্যায় অনেক কম। অধিকাংশ ক্ষুদ্রশিল্প। এরা জেনে না–জেনে নিম্নমানের খাবার দিচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিক দিচ্ছে। ক্ষুদ্র পোলট্রিশিল্পের ওপর অবশ্যই তদারক ও নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে।
তা না হলে পোলট্রি মাংসের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় থেকে যাবে। এ জন্য হয়তো বড় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই নিয়ন্ত্রণহীন ক্ষুদ্রশিল্পের এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। প্রতিটি বড় ফার্ম অনেকগুলো ছোট ফার্মের মান নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব নিতে পারে। তাদের সনদ প্রদানের ব্যবস্থা থাকতে পারে। তাহলে শিল্পের বিকাশ হবে। ভোক্তারাও নিরাপদ থাকবে।
আবদুস সাত্তার মণ্ডল: ২০০-৩০০ মুরগিআছে, দেশে এমন ফার্মও আছে। খাদ্য ও জৈবনিরাপত্তা দুটোতেই এদের অব্যবস্থাপনা। বিজ্ঞান ছোট ফার্ম ও বড় ফর্মের জন্য আলাদা না। অ্যান্টিবায়োটিক ও অনিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা ছোট-বড় সব ফার্মকে একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এটি একটি স্পর্শকাতর শিল্প। সবার এ শিল্প করতে হবে, সেটি আমি মনে করি না। বাথরুমের পাশে বাঁশঝাড়ের নিচে ২০০-৩০০ মুরগি নিয়ে ফার্ম হবে, সেটা হয় না। আর এটি যে হয় না, এর প্রমাণ আমরা পেয়েছি ২০১০ সালে যখন এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জায় মুরগি আক্রান্ত হয়ে অনেক ফার্ম বিলুপ্ত হয়েছে।
পোলট্রি ফার্মের সংখ্যা ছিল দেড় লাখ। এখন এ সংখ্যা ৭০-৮০ হাজারে নেমে এসেছে। ২০০৮ সলে পোলট্রিশিল্পের নীতিমালা হয়েছে। এ নীতিমালায় জৈব ও খাদ্যনিরাপত্তার বিষয় বলা আছে। প্রতিটি ফার্মকেই এ নীতিমালা শক্তভাবে মেনে চলতে হবে। তবে নীতিমালার এখন সংশোধন প্রয়োজন। বড় কাজ হবে ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ, গণমাধ্যম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর—সবাই মিলে পোলট্রি নীতিমালার প্রয়োজনীয় সংশোধনী তৈরি করা। প্রান্তিক চাষিরা বলেছেন, একটা ডিমের উৎপাদন খরচ সাত টাকা পড়ে যায়। ফার্মের ৬৫ শতাংশ খরচ হলো খাদ্যের। খাদ্যের প্রধান উপাদান ভুট্টা। ভুট্টা উৎপাদন খরচ কমাতে পারলে ডিম ও মাংসের দাম কমে আসবে। কীভাবে ভুট্টার দাম কমানো যায়, সেটি সবাইকে ভাবতে হবে। পোলট্রিশিল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিরাপদ খাদ্য (ডিম ও মাংস)। এ শিল্পের নিরাপদ খাদ্যের বিষয়টি একটি বিজ্ঞান। অর্থাৎ এর কিছু নিয়মকানুন আছে। এর সঠিক বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিতে হবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের মতো মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের লোকবল, বিনিয়োগসহ সব ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত করতে হবে। পোলট্রিশিল্পের জৈবনিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা জরুরি।
অজয় কুমার রায়: আমাদের প্রধান লক্ষ্যনিরাপদ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন। কর্মসংস্থান সৃষ্টি। দারিদ্র্য বিমোচন। সত্তরের দশকে দরিদ্র মানুষের সহযোগিতার জন্য সেবার মানোভাব থেকে মুরগির ফার্ম তৈরি হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ফার্মগুলো শিল্প হিসেবে গড়ে ওঠে। এটি এমন একটি শিল্প, যা খুব অল্প সময়ে, কম খরচে ভালো প্রাণিজ প্রোটিন দিতে পারে। পোলট্রিশিল্পের ভোক্তা আমরা সবাই। এশিয়ার মধ্যে জাপান সবচেয়ে বেশি প্রাণিজ প্রোটিন গ্রহণ করে।
আমরা এগিয়েছি কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় অনেক পেছনে আছি। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পোলট্রিশিল্পের বিশাল বাজার রয়েেছ। সারা পৃথিবীতে মানসম্মত আমিষের ঘাটতি রয়েছে। মানসম্মত আমিষ নির্ভর করে এর প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিডের ওপর। মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় কম–বেশি আটটি অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন সি ছাড়া কম–বেশি সব ভিটামিন, মিনারেল ডিমে আছে। তাই ডিম একটি উচ্চমানসম্পন্ন খাবার। প্রশ্ন এসেছে, ডিম ও মাংসের নিরাপত্তা নিয়ে। উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তার টেবিলে আসা পর্যন্ত যত ধাপ আছে, সব ধাপে নিরাপত্তার বিষয়টি জরুরি। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পোলট্রিশিল্পের নীতিমালা আছে। নীতিমালার আলোকে অ্যাক্ট আছে। নীতিমালায় নিবন্ধনের বিষয় আছে।
কোনো খামার নিবন্ধন ছাড়া থাকতে পারবে না। নিবন্ধন করতে হলে কিছু শর্ত মানতে হবে। পুরোনোদের একটা ব্যবস্থার মধ্যে আনা হয়েছে। কিন্তু নতুন যারা আসছে, তাদের সব ধরনের নিরাপত্তার বিষয়টি মেনেই আসতে হবে। এর সঙ্গে সচেতনতার বিষয়টি সব সময় চালিয়ে যেতে হবে। আমাদের খাদ্য অ্যাক্ট ও বিধিমালা আছে। এটা নিয়েই আমাদের যত চিন্তা।
খাদ্য বিধিমালায় স্টেরয়েড, হরমোন, অ্যান্টিবায়োটিক, টক্সিন ইত্যাদি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এগুলো কোনোভাবে প্রয়োগের সুযোগ নেই। কিন্তু সব কৌশলেরই অপকৌশল আছে। আমাদের বিভাগ থেকে উপজেলা পর্যন্ত খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ কমিটি আছে। এসব কমিটি খাদ্যের মান নিশ্চিতকরণের জন্য কাজ করে থাকে। ভবিষ্যতে এ শিল্পের আরও সম্প্রসারণের জন্য আমরা কাজ করব।
আব্দুল কাইয়ুম: আমাদের প্রাণিজ আমিষের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। এ চহিদা পূরণে পোলট্রিশিল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। কিন্তু দেশের অসংখ্য ক্ষুদ্র পোলট্রি ফার্ম নিরাপদ ডিম, মাংস সরবরাহ করছে কি না, সে প্রশ্ন সামনে এসেছে। ফার্মগুলো নিয়মনীতি মানছে কি না সে বিষয়ও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে। প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সবাইকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
যাঁরা অংশ নিলেন
অজয় কুমার রায় : মহাপরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর
আবদুস সাত্তার মণ্ডল : সাবেক ভিসি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
গোলাম রহমান : সভাপতি, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ
মসিউর রহমান : সভাপতি, ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ
গোলাম রহমান : অধ্যাপক, সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
নাজমা শাহীন : অধ্যাপক, খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কুতুব উদ্দিন আহমেদ : চেয়ারম্যান, এনভয় টেক্সটাইল গ্রুপ
মো. হেলাল উদ্দিন : সহসভাপতি, এফবিসিসিআই
এম এ রশিদ : ভাইস প্রিন্সিপাল, অধ্যাপক, ফিজিক্যাল মেডিসিন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
তৌফিকুল ইসলাম খান : রিসার্চ ফেলো, সিপিডি
আবু লুৎফে ফজলে রহিম খান : সহসভাপতি, ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ
সাইদুর রহমান বাবু : সহসভাপতি, ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ
মো. রফিকুল হক : সম্পাদক, ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ
এম নজরুল ইসলাম : কোষাধ্যক্ষ, ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম : সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
আলোচনায় সুপারিশ
. পোলট্রিশিল্পের ২০২০ সালের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার ও বেসরকারি উদ্যোক্তা সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে
. ট্যানারি মালিকদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বাধ্য করতে হবে
. কৃষি মন্ত্রণালয়ের মতো মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের লোকবল, বিনিয়োগসহ সব ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত করতে হবে
. কোনো খামার নিবন্ধন ছাড়া থাকতে পারবে না
. মাত্র ৫–১০ শতাংশ ব্যাড নিউজের প্রচার যেন পুেরা শিল্পকে হুমকির মুখে ফেলে না দেয়, গণমাধ্যমকে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে
. মুরগি ও ডিম অনেক সহজলভ্য করতে হবে
. ক্ষুদ্র পোলট্রিশিল্পের ওপর অবশ্যই তদারক ও নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে
আলোচনা
আব্দুল কাইয়ুম: সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রাণিজ আমিষ একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কিন্তু দেশে এ আমিষের যথেষ্ট অভাব রয়েছে। এ ক্ষেত্রে পোলট্রিশিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পোলট্রিশিল্পের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমাদের দৈনিক খাদ্যতালিকায় প্রোটিনের চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ পূরণ হয় পোলট্রিশিল্প থেকে। এ শিল্প দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
অন্যদিকে সামাজিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে পোলট্রিশিল্পের ভূমিকা অপরিসীম। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এ শিল্প সম্পর্কে মানুষের মধ্যে কিছু বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। আমরা আশা করি, এ শিল্প সম্পর্কে বিভ্রান্তি দূর হোক। পোলট্রিশিল্পের আরও উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে কাজ করার বৃহত্তর ক্ষেত্র তৈরি হোক।
মসিউর রহমান: পোলট্রিশিল্প শুরুতে একটি আমদািননির্ভর শিল্প ছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে পোলট্রির মুরগি ও ডিমের চাহিদা ব্যাপক হারে বাড়তে থাকে। ধীরে ধীরে শিল্পটি স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে ওঠে। আশির দশকে এ শিল্পে বিনিয়োগ ছিল ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। বর্তমানে এর বিনিয়োগ ২৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশে খামার ও খাদ্য ব্যবস্থাপনায় বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। বর্তমানে মোট উৎপাদিত পোলট্রি খাদ্যের প্রায় ৯৫ শতাংশই আধুনিক ফিডমিলগুলোতে উৎপন্ন হচ্ছে। পোলট্রির খাদ্যে ব্যবহৃত ভুট্টার প্রায় ৪০ শতাংশ দেশে উৎপাদিত হচ্ছে। এ শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত আছেন প্রায় ৭০–৮০ লাখ মানুষ। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশই নারী। গ্রামীণ অর্থনীতিতে, নারীর ক্ষমতায়নে কৃষির পরই সবচেয়ে বড় অবদান রাখছে বাংলাদেশের পোলট্রিশিল্প।আমরা নিরাপদ পোলট্রিশিল্প–খাদ্য নিশ্চিত করেছি। বাইরের কাউকে খামারে প্রবেশ করতে হলে কয়েক ধাপে জীবাণুমুক্ত হয়ে, গোসল করে ও নির্দিষ্ট কাপড় পরে প্রবেশ করতে হয়। বাংলাদেশের পোলট্রিশিল্প এখন প্রযুক্তিনির্ভর।
আধুনিক হ্যাচারিগুলোতে যান্ত্রিক উপায়ে সপ্তাহে এক কোটি ১০ লাখেরও বেশি ডিম ফোটানো হয়। মুরগি পালনের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী পরিবর্তন এসেছে। খাবার ও পানি সরবরাহ, ডিম সংগ্রহ—সবকিছু স্বয়ংক্রিয় উপায়ে করা হয়। ফলে ভোক্তা স্বাস্থ্যকর-জীবাণুমুক্ত ডিম ও মুরগির মাংস পেয়ে থাকে।
প্রায় প্রতিটি বড় ফিড মিলের নিজস্ব গবেষণাগার আছে। খাদ্য তৈরিতে বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। ভুট্টা, ওষুধ ও কাঁচামালের পরিমাণ—সবকিছুর সঠিক মান নিশ্চিত করা হয়। উদ্দেশ্য একটাই, নিরাপদ-স্বাস্থ্যকর ডিম ও মাংস সরবরাহ। পোলট্রিশিল্পের বর্জ্য থেকে তৈরি হয় বায়োগ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার। বাংলাদেশে সর্বাধুনিক পদ্ধতিতে মুরগির মাংস প্রক্রিয়াজাত করা হয়। এ মাংস এখন হোটেল সোনারগাঁও, রেডিসনসহ বড় বড় শপিং মলে পাওয়া যাচ্ছে। এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই, আমাদের মাংস ও ডিম গুণগত মানসম্পন্ন।
সরকারের সহযোগিতা পেলে ২০২০ সাল নাগাদ বিনিয়োগ হবে প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। প্রায় কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে। দেশীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পোলট্রিশিল্পের ২০২০ সালের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার ও বেসরকারি উদ্যোক্তা, সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
মো. রফিকুল হক: ডিম একটি আদর্শ প্রোটিন হিসেবে বিবেচিত। দেশে ডিমের পর্যাপ্ত চাহিদা রয়েছে। একটি প্রবাদ আছে, ‘হেলদি ফুড হেলদি নেশন’। আমরা নিরাপদ খাদ্যের বিষয়টিকে সবচেয়ে গুরুত্ব দিই। নিরাপদ ডিমের বিষয়ে আপস করি না। ডিম উৎপাদনের জন্য বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে লেয়ার ফার্ম তৈরি করতে হয়। সেখানে রোগ প্রতিরোধের প্রয়োজনীয় জৈব নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। মুরগিকে সুষম, জীবাণুমুক্ত খাবার এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা দিলেই কেবল এ থেকে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় ডিম উৎপাদন করা সম্ভব হয়। খাবার কীভাবে দূষিত হয়? খাবারে ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে। টক্সিন-মাইক্রোটক্সিন থাকতে পারে। আমরা দেখেশুনে গুণগত মান বজায় আছে এমন খাবার কিনি। এর পরও ৭০ থেকে ৮০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় খাবারকে প্রক্রিয়া করি। তা ছাড়া খাদ্যে কোনো টক্সিন থাকলে এটা মুক্ত করার জন্য টক্সিন বাইন্ডার ব্যবহার করা হয়। খাদ্যের মান বৃদ্ধির জন্য খাদ্যে বিভিন্ন ধরনের এনজাইম ব্যবহার করা হয়। এর ফলে মুরগি খাদ্য থেকে সম্পূর্ণ পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে।
আগে মুরগির অসুখ হলে অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হতো। এখন আমরা রোগ প্রতিরোধকে বেশি গুরুত্ব দিই। রোগ যাতে না আসতে পারে, সেটিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমরা এমন ব্যবস্থা নিই, যাতে রোগ না হয়। খামারিদের স্বার্থেই খামারিরা মানসম্মত খাবার ব্যবহার করেন। তাই মুরগি থেকে যে ডিম পাইন সেটা আদর্শ, নিরাপদ ও প্রোটিনসমৃদ্ধ। কোনো রকম দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই সবাই ফার্মের প্রোটিনসমৃদ্ধ ডিম ও মাংস খেতে পারেন।
নাজমা শাহীন: পোলট্রি ফার্মগুলোর বিভিন্ন প্রক্রিয়া প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলে মানুষের কোনো প্রকার ভুল ধারণা থাকবে না। বাংলাদেশের পুষ্টির অবস্থা সবাইকে ভাবতে হবে। তাহলে পোলট্রিশিল্পের গুরুত্ব বোঝা যাবে। দেশে পাঁচ বছরের শিশুদের বয়সের তুলনায় উচ্চতা কম। মেডিকেলের ভাষায় একে স্টানটিং বলা হয়। দেশের ৩৬ শতাংশ শিশুর ওজন কম। প্রজননক্ষম নারীর ২৫ শতাংশ ক্রনিক এনার্জি ঘাটতিতে ভুগছেন। এ কারণে জন্মের সময় বাচ্চাদের ওজন কম হচ্ছে। আমাদের অনেক অর্জন সত্ত্বেও পুষ্টিতে বেশ পিছিয়ে আছি। খাদ্য ও কৃষি এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন অনুযায়ী আমাদের শক্তির ৬০ শতাংশ আসার কথা শস্যজাতীয় পণ্য থেকে। ১০-১৫ শতাংশ আসার কথা আমিষ থেকে। এই আমিষের ২০ শতাংশ হবে প্রাণিজ আমিষ।
বাংলাদেশে গড়ে প্রতিদিন একজন ৭ গ্রাম ডিম, ১৪ গ্রাম মুরগির মাংস খায়। এর থেকে আমিষ আসে যথাক্রমে এক ও তিন গ্রাম। মুরগি ও ডিম থেকে দৈনিক চার গ্রাম আমিষ। প্রতিদিনের খাদ্যে ৩৩-৬৬ শতাংশ আমিষ থাকার কথা। এর মধ্যে প্রাণিজ আমিষ থাকবে কমপক্ষে ১৫ গ্রাম। কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট শরীরে জমা থাকে। কিন্তু আমিষ জমা থাকে না। প্রতিদিনের খাদ্য থেকে এটা গ্রহণ করতে হয়।
অমিষের অভাব হলে শিশু খর্বাকৃতির হবে। কিছু প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেল প্রাণিজ আমিষ থেকে আসে। আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, ট্যানারি বর্জ্য গ্রহণের ফলে কিছু মুরগির মধ্যে সামান্য পরিমাণ ক্রোমিয়াম পাওয়া গেছে। ক্রোমিয়াম শরীরের জন্য ক্ষতিকর। পোলট্রি থেকে যথেষ্ট প্রাণিজ আমিষ আসছে। কিন্তু ছোট খামারিরা যাতে কোনোভাবে ট্যানারি বর্জ্য খাওয়ানোর সুযোগ না পান, সে ব্যবস্থা করতে হবে।ট্যানারির মালিকদের যেকোনোভাবে তাঁদের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য বাধ্য করতে হবে। প্রাণিজ আমিষ যদি নিরাপদ না হয় তাহলে সেটা আমাদের কোনো কাজে আসবে না।
গোলাম রহমান, অধ্যাপক : আমাদের দেশে পোলট্রিশিল্প অনেক বড় হচ্ছে। যেকোনো শিল্প বড় হওয়ার সময় কিছু বাধা আসে। এসব ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে এমনভাবে সংবাদ পরিবেশন করতে হবে, যাতে শিল্পের বিকাশ বাধাগ্রস্ত না হয়। উপস্থাপনায় যে ভিডিওচিত্র দেখা গেল, সেটি একটি আদর্শ মানসম্মত ফার্ম। কিন্তু কত শতাংশ ফার্ম মানসম্মত, কত শতাংশ মানসম্মত না, সেটা আমরা জানি না। ফলে কোন ধরনের ফার্মের ডিম ও মাংস খাচ্ছি সেটাও জানি না। এসব বিষয় পরিষ্কার করতে হবে। তা না হলে মানুষের মধ্যে সন্দেহ থেকে যাবে। সংবাদের ভাষায় একটা কথা আছে, ‘ব্যাড নিউজ ইজ গুড নিউজ’। কিন্তু এই ‘ব্যাড নিউজ’ হয়তো মোট বিষয়ের খুব কম অংশ। ব্যাড নিউজের প্রচার যেন পুেরা শিল্পকে হুমিকর মুখে ফেলে না দেয়, গণমাধ্যমকে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। তারা ঝুঁকি নিয়েও অনেক সংবাদ প্রকাশ করে।
কিছুদিন আগে পত্রপত্রিকায় খদ্যের মান নিয়ে কয়েকটি পর্ব প্রচার করে। এতে মানুষ কিছুটা শঙ্কার মধ্যে পড়ে যায়। তারা কোন খাবার খাবে, কোনটা খাবে না। পত্রিকাগুলো আবার সংশয় দূর করারও উদ্যোগ নিয়েছে। কোনো একটি গবেষণার ফলাফল নিশ্চিত না হয়ে গণমাধ্যমে প্রচার করা একেবারেই ঠিক না। এসব ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে
এম এ রশিদ: পোলট্রিশিল্প বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। একজন চিকিৎসক হিসেবে বলতে পারি, সুস্থ জীবনের জন্য ভারসাম্য খাবার খুব প্রয়োজন। ভারসাম্য খাবারের মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, মিনারেলস, ভিটামিনস, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট ইত্যাদি। খাবার কতটুকু গ্রহণ করলাম সেটা বড় কথা না, ভারসাম্য খাবার কি না, সেটি প্রধান বিষয়। প্রোটিন বা প্রাণিজ আমিষ ভারসাম্য খাবারের একটি অন্যতম উপাদান। আমিষ শিশুদের বৃদ্ধি ও শরীর গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। প্রাণিজ আমিষের একটি বড় অংশ আসে মুরগির মাংস ও ডিম থেকে। তাই পোলট্রিশিল্প প্রাণিজ আমিষের ঘাটতি পূরণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে। রোগের পর শরীরে শক্তি ফিরে আসার জন্য আমিষের প্রয়োজন রয়েছে। বিভিন্ন উৎস থেকে আমিষ পাওয়া যায়। তবে প্রাণিজ আমিষ হলো শরীরের প্রধান ও উন্নত আমিষ। দেশের পোলট্রিশিল্প প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করছে। তবে শহরের বস্তির মানুষ ও গ্রামের দরিদ্র মানুষ যেন পোলট্রিশিল্পের এ সুবিধা পায়, খামারমালিকদের সেটা ভাবতে হবে।
এম নজরুল ইসলাম: প্রতি দুই বছর পর ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ ব্রাঞ্চের পক্ষ থেকে তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনী ও আলোচনা অনুষ্ঠান করি। এবারের মূল বিষয় হলো ‘সেফ ফুড হেলদি নেশন’। আমরা দেশের মানুষকে কেবল ডিম ও মাংস দিচ্ছি তা না, এ শিল্পের মাধ্যমে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ২০২০ সালে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা ৩০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান। ডিম ও মাংস গ্রাম-শহর সব মানুষের হাতের কাছে ও ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে। সাদা মাংস শরীরের জন্য বেশি উপকারী। নব্বইয়ের দশক থেকে দেশে এর ব্যাপক বিস্তার হতে থাকে। ২০০৭ সালের একটি রোগে এ খাত মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ে। সরকার ও অন্যদের সহযোগিতায় আমরা সে অবস্থা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হই। ‘ব্যাড নিউজ ইজ গুড নিউজ’–এর কবলে পড়ে পোলট্রিশিল্প যাতে ধ্বংস না হয়, ২০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান যেন বিপর্যয়ের মধ্যে না পড়ে, এ ব্যাপারে সবার সহযোগিতা চাই।
তৌফিকুল ইসলাম খান: ব্যবসা বৃৃদ্ধি করতে হলে গ্রামের সাধারণ মানুষের কাছে এটি সহজলভ্য করতে হবে। এখনো গ্রাম ও শহরের মানুষের মধ্যে আমিষ গ্রহণের অনেক পার্থক্য রয়েছে। তবে গত এক দশকে এ পার্থক্য বেশ কিছুটা কমে এসেছে। এ পার্থক্য কমার প্রধান কারণ হচ্ছে ব্রয়লার মুরগির মাংস। ডিম নয়। গ্রামের মানুষ এখনো ডিম সেভাবে গ্রহণ করে না। গ্রামাঞ্চলের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা এ মুরগির জোগানদাতা। তাঁরা আবার স্থানীয়ভাবে মুরগির খাবার সংগ্রহ করেন। ফলে মুরগির খাবারের মান কতটা ঠিক থাকে, সেটা দেখার বিষয়। আমরা নিরাপদ খাদ্যের কথা বলি। ছোট খামারিদের নিরাপদ খাদ্যের তালিকার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। যাচাই-বাছাই করার তদারক সংস্থা থাকতে হবে। এদের সনদ প্রদানের ব্যবস্থা থাকতে হবে।
এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যম, সরকার ও ফার্মের মালিক—সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সরকারের কৃষিব্যবস্থার ব্লক সুপারভাইজারদের পোলট্রিশিল্পের ক্ষেত্রে কাজে লাগাতে হবে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা হয়তো না জেনেই অনেক ভুল করছেন। আবার বেশি লাভের জন্য জেনেও অন্যায় করছেন। এসব ব্যাপারে তাঁদের একটা নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
মো. হেলাল উদ্দিন: সত্তরের দশকে হাটের দিন ছাড়া কোথাও কোনো মুরগি বা ডিম পাওয়া যেত না। আশির দশকে দেশে ফার্মের মুরিগ আসে। তখন থেকে এ অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। ডিম এখন একটি অন্যতম প্রধান খাবার। নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত সবাই ডিম খায়। প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ডিম উৎপাদন হয়, যা আমাদের চাহিদার কাছাকাছি। ফার্মের মালিকেরা ভালোভাবে এ কাজটি করছেন বলেই এটি সম্ভব হয়েছে। তবে ডিম ও মুরিগ এখনো সবার ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আছে কি না, সেটি ভাবার অবকাশ রয়েছে। মাত্র কয়েকটি ফার্মের মালিক বাচ্চা উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত।মুরগি ও ডিম অনেক সহজলভ্য করতে হবে।
ডিম ও মাংসের নিরাপত্তার বিষয়টি খুব জোরালোভাবে এসেছে। এ ক্ষেত্রে তথ্যের অসম্পূর্ণতার কথাও নাজমা শাহীন বলেছেন। ফরমালিন নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমিও বিপাকে পড়ি। মানুষের শরীর কতটুকু ফরমালিন গ্রহণ করতে পারে, কী কী ফল নিজে ফরমালিন জেনারেট করে, তার মাত্রা কী? এসব কোনো তথ্যই পাচ্ছিলাম না। আরেকটা সমস্যা হলো, যাঁরা গবেষণা করেন তাঁরা গবেষণার ফলাফল নিয়ে বসে থাকেন। মানুষকে জানান না। আবার এমন মানুষও আছেন, যাঁরা মানুষের জন্য কাজ করেন।
পরে জানলাম, আম, লিচু, কলায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফরমালিন তৈরি হয়। মুরগি বাজারে নেওয়ার সাত দিন আগে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো বন্ধ করতে হবে। দেশে হাজার হাজার ছোট খামারি আছেন, তাঁরা হয়তো এটা পুেরাপুরিভাবে অনুসরণ করেন না। তঁাদের অবশ্যই এটা মেনে চলতে হবে। নিরাপদ ডিম-মাংসের ক্ষেত্রে এসব নিয়ন্ত্রণ করা খুব জরুরি।
আবু লুৎফে ফজলে রহিম খান: ২০২০ সালে উৎপাদন দ্বিগুণ করতে চাই। তাহলে আমাদের মাংস রপ্তানির কথাও ভাবতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে হালাল মাংস রপ্তানি আমাদের জন্য একটি বিশাল বাজার হতে পারে। বিশ্বে পোলট্রিশিল্পের নেতা হচ্ছে ব্রাজিল ও থাইল্যান্ড। এরা মুরগি পালনের জন্য বিভিন্ন এলাকা ভাগ করেছে। যেসব এলাকায় মুরগির রোগ হয় না, মুরগি নিরাপদ থাকে, সেসব এলাকা থেকে মুরগি রপ্তানি করে। আমাদেরও এসব বিষয় ভাবতে হবে। এখন বিশ্বে ১ দশমিক ১ ট্রিলিয়ন ডলারের হালাল খাদ্য রপ্তানি হচ্ছে। ২০১৮ সালে হবে ১ দশমিক ১৬ ট্রিলিয়ন ডলার।
বিশ্বে প্রতিবছর মাছ, মাংস ও পোলট্রি রপ্তানির পারিমাণ প্রায় ৭৪০ বিলিয়ন ডলার। গত বছর শুধু পোলট্রি রপ্তানি হয়েছে ১১০ মিলিয়ন টন। মালয়েশিয়া সরকার হালাল মাংস রপ্তানির জন্য ইনসেনটিভ দিচ্ছে। পোলট্রি থেকে তারা ৪ শতাংশ জিডিপি বৃদ্ধি করতে চায়। আমাদের দেশের অনেক ফার্ম আন্তর্জাতিকমানের। অন্যান্য দেশ পারলে আমরাও পারব। আমাদের পোলট্রিশিল্প দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। প্রতিনিয়ত আমাদের সক্ষমতা বাড়ছে। সরকারের তদারক ও সহযোগিতা থাকলে মূল্যের মধ্যে ভারসাম্য আসবে এবং পোলট্রিশিল্পের আরও সম্প্রসারণ হবে।
সাইদুর রহমান বাবু: বাংলাদেশে প্রতি সপ্তাহে ১ কোটি ১০ লাখ বাচ্চা উৎপাদন হচ্ছে। মুরগির জন্য ছয় হাজার মেট্রিক টন খাবার প্রয়োজন। খাসি, গরু, মাছ ও সবজির সঙ্গে তুলনা করলে মুরগি ও ডিমের চেয়ে সস্তা আমিষ বাংলাদেশে আর নেই। দেশের মানুষকে সস্তা প্রোটিন দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করছি। কিন্তু আজ আমাদের ব্যাংক থেকে ১৬ শতাংশ সুদে ঋণ নিতে হয়। কৃষি খাতে ঋণের সুদ ৫ শতাংশ। মুরগির ফার্ম একটি কৃষিশিল্প। তার পরও আমাদের চড়া সুদে ঋণ নিয়ে ফার্ম করতে হয়। সরকারকে বিষয়টি অতি দ্রুত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য অনুরোধ করছি। বিদেশিরা ৩ শতাংশ সুদে মূলধন পাচ্ছে। আমাদের সুদ ১৬ শতাংশ। শুরুতেই তঁারা আমাদের থেকে ১৩ শতাংশ বেশি লাভ পাচ্ছে। এ অবস্থায় কীভাবে প্রতিযোগিতায় টিকব? সরকারকে এ বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভাবতে হবে।
এখন প্রতিদিন মাংস উৎপাদনের পরিমাণ ১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন। ২০২০ সালে আমাদের লক্ষ্যমাত্রা হলো ৩ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন। দেশের জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধিতে এ খাতের উল্লেখযোগ্য অবদান থাকবে। এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে দেশে পুষ্টি, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে একটি বিপ্লব ঘটবে। এ জন্য সরকার, গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমাদের সহযোগিতা করতে হবে।
কুতুব উদ্দিন আহমেদ: আমরা বেঙ্গল মিটের সঙ্গে যুক্ত থেকে এক কনটেইনার মাংস সৌদি আরবে পাঠাই। কিন্তু আমাদের দেশের ওয়েবসাইটে রোগমুক্ত নিরাপদ মাংসের তথ্য না থাকায় দেশে ফিরিয়ে আনতে হয়। মাংস স্পর্শকাতর একটা পণ্য। রপ্তানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনেক সচেতনতা প্রয়োজন আছে। মাংসের ক্ষেত্রে অনেক বেশি নিয়মকানুন মেনে চলার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে প্রক্রিয়াজাত মাংসের নিয়মকানুনে কিছুটা ছাড় থাকলেও কাঁচা মাংসের ক্ষেত্রে নিয়মকানুন কড়াকড়ি। এখন প্রক্রিয়াজাত মাংসের একটা শিল্প তৈরি করা প্রয়োজন বলে মনে করি। মধ্যপ্রাচ্যে যে বাংলাদেশি আছে, সেটা একটা বিশাল বাজার।বিদেশে আমাদের মাংসের ক্রেতা শুধু বাংলাদেশিরাই। মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৬০ লাখ বাংলাদেশি আছে। আমরা এ বাজার ধরতে পারি। বেঙ্গল মিট দুবাই ও কুয়েতে প্রচুর মাংস পাঠায়। এ জন্যই প্রতিষ্ঠানটি টিকে গেছে। ব্যাংককে একবার বার্ড ফ্লুতে মুরিগ ধ্বংস হলো। আবার যখন শুরু হলো, মানুষ ভয়ে মুরিগ খেত না। তখন ব্যাংককের প্রধানমন্ত্রী মুরিগর ওপর প্রদর্শনী করলেন। সেখানে তিনি ও তাঁর মন্ত্রীরা মুরিগর মাংস খেলেন। এ ধরনের উদ্যোগ যেকোনো সময় যেকোনো দেশে প্রয়োজন হতে পারে। মাংসের থেকে প্রক্রিয়াজাত মাংস বেশি সুফল দেয়, এ বিষয়টি আমরা ভাবতে পারি। বড় এনজিওগুলো এ ক্ষেত্রে কাজ করতে পারে।
গোলাম রহমান: আপনারা ২০২০ সালে বিনিয়োগ, উৎপাদন সবকিছু দ্বিগুণ করতে চান। এসব সম্ভব তখনই হবে যখন অর্থনীতির চাকা ঠিক থাকবে। তা না হলে এসব হয়তো কেবল আশাবাদই থেকে যাবে। দেশের ১৬ কোটি মানুষ ভোক্তা। কিন্তু ভোক্তাদের অনেক দুর্ভাবনা রয়েছে। ট্যানারি বর্জ্য, অ্যান্টিবায়োটিক, হরমোনসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনায় আসছে। এসব বিষয়ে ভোক্তাদের মধ্যে প্রশ্ন থাকবে।
এ সম্পর্কে ভোক্তাদের নিশ্চিত করতে হবে যে পোলট্রির মাংস নিরাপদ। ভোক্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারলে এ শিল্পের সম্প্রসারণ হবে না। দেশে হয়তো ৭০-৮০ হাজার পোলট্রিশিল্প আছে। উপস্থাপনায় যে শিল্প দেখানো হলো, এ মানের শিল্প সংখ্যায় অনেক কম। অধিকাংশ ক্ষুদ্রশিল্প। এরা জেনে না–জেনে নিম্নমানের খাবার দিচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিক দিচ্ছে। ক্ষুদ্র পোলট্রিশিল্পের ওপর অবশ্যই তদারক ও নিয়ন্ত্রণ আনতে হবে।
তা না হলে পোলট্রি মাংসের নিরাপত্তা নিয়ে সংশয় থেকে যাবে। এ জন্য হয়তো বড় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাই নিয়ন্ত্রণহীন ক্ষুদ্রশিল্পের এ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। প্রতিটি বড় ফার্ম অনেকগুলো ছোট ফার্মের মান নিশ্চিতকরণের দায়িত্ব নিতে পারে। তাদের সনদ প্রদানের ব্যবস্থা থাকতে পারে। তাহলে শিল্পের বিকাশ হবে। ভোক্তারাও নিরাপদ থাকবে।
আবদুস সাত্তার মণ্ডল: ২০০-৩০০ মুরগিআছে, দেশে এমন ফার্মও আছে। খাদ্য ও জৈবনিরাপত্তা দুটোতেই এদের অব্যবস্থাপনা। বিজ্ঞান ছোট ফার্ম ও বড় ফর্মের জন্য আলাদা না। অ্যান্টিবায়োটিক ও অনিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনা ছোট-বড় সব ফার্মকে একইভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এটি একটি স্পর্শকাতর শিল্প। সবার এ শিল্প করতে হবে, সেটি আমি মনে করি না। বাথরুমের পাশে বাঁশঝাড়ের নিচে ২০০-৩০০ মুরগি নিয়ে ফার্ম হবে, সেটা হয় না। আর এটি যে হয় না, এর প্রমাণ আমরা পেয়েছি ২০১০ সালে যখন এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জায় মুরগি আক্রান্ত হয়ে অনেক ফার্ম বিলুপ্ত হয়েছে।
পোলট্রি ফার্মের সংখ্যা ছিল দেড় লাখ। এখন এ সংখ্যা ৭০-৮০ হাজারে নেমে এসেছে। ২০০৮ সলে পোলট্রিশিল্পের নীতিমালা হয়েছে। এ নীতিমালায় জৈব ও খাদ্যনিরাপত্তার বিষয় বলা আছে। প্রতিটি ফার্মকেই এ নীতিমালা শক্তভাবে মেনে চলতে হবে। তবে নীতিমালার এখন সংশোধন প্রয়োজন। বড় কাজ হবে ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ, গণমাধ্যম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর—সবাই মিলে পোলট্রি নীতিমালার প্রয়োজনীয় সংশোধনী তৈরি করা। প্রান্তিক চাষিরা বলেছেন, একটা ডিমের উৎপাদন খরচ সাত টাকা পড়ে যায়। ফার্মের ৬৫ শতাংশ খরচ হলো খাদ্যের। খাদ্যের প্রধান উপাদান ভুট্টা। ভুট্টা উৎপাদন খরচ কমাতে পারলে ডিম ও মাংসের দাম কমে আসবে। কীভাবে ভুট্টার দাম কমানো যায়, সেটি সবাইকে ভাবতে হবে। পোলট্রিশিল্পের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিরাপদ খাদ্য (ডিম ও মাংস)। এ শিল্পের নিরাপদ খাদ্যের বিষয়টি একটি বিজ্ঞান। অর্থাৎ এর কিছু নিয়মকানুন আছে। এর সঠিক বাস্তবায়নে গুরুত্ব দিতে হবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের মতো মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের লোকবল, বিনিয়োগসহ সব ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত করতে হবে। পোলট্রিশিল্পের জৈবনিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা জরুরি।
অজয় কুমার রায়: আমাদের প্রধান লক্ষ্যনিরাপদ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন। কর্মসংস্থান সৃষ্টি। দারিদ্র্য বিমোচন। সত্তরের দশকে দরিদ্র মানুষের সহযোগিতার জন্য সেবার মানোভাব থেকে মুরগির ফার্ম তৈরি হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ফার্মগুলো শিল্প হিসেবে গড়ে ওঠে। এটি এমন একটি শিল্প, যা খুব অল্প সময়ে, কম খরচে ভালো প্রাণিজ প্রোটিন দিতে পারে। পোলট্রিশিল্পের ভোক্তা আমরা সবাই। এশিয়ার মধ্যে জাপান সবচেয়ে বেশি প্রাণিজ প্রোটিন গ্রহণ করে।
আমরা এগিয়েছি কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় অনেক পেছনে আছি। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পোলট্রিশিল্পের বিশাল বাজার রয়েেছ। সারা পৃথিবীতে মানসম্মত আমিষের ঘাটতি রয়েছে। মানসম্মত আমিষ নির্ভর করে এর প্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিডের ওপর। মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় কম–বেশি আটটি অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন সি ছাড়া কম–বেশি সব ভিটামিন, মিনারেল ডিমে আছে। তাই ডিম একটি উচ্চমানসম্পন্ন খাবার। প্রশ্ন এসেছে, ডিম ও মাংসের নিরাপত্তা নিয়ে। উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তার টেবিলে আসা পর্যন্ত যত ধাপ আছে, সব ধাপে নিরাপত্তার বিষয়টি জরুরি। প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে পোলট্রিশিল্পের নীতিমালা আছে। নীতিমালার আলোকে অ্যাক্ট আছে। নীতিমালায় নিবন্ধনের বিষয় আছে।
কোনো খামার নিবন্ধন ছাড়া থাকতে পারবে না। নিবন্ধন করতে হলে কিছু শর্ত মানতে হবে। পুরোনোদের একটা ব্যবস্থার মধ্যে আনা হয়েছে। কিন্তু নতুন যারা আসছে, তাদের সব ধরনের নিরাপত্তার বিষয়টি মেনেই আসতে হবে। এর সঙ্গে সচেতনতার বিষয়টি সব সময় চালিয়ে যেতে হবে। আমাদের খাদ্য অ্যাক্ট ও বিধিমালা আছে। এটা নিয়েই আমাদের যত চিন্তা।
খাদ্য বিধিমালায় স্টেরয়েড, হরমোন, অ্যান্টিবায়োটিক, টক্সিন ইত্যাদি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এগুলো কোনোভাবে প্রয়োগের সুযোগ নেই। কিন্তু সব কৌশলেরই অপকৌশল আছে। আমাদের বিভাগ থেকে উপজেলা পর্যন্ত খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ কমিটি আছে। এসব কমিটি খাদ্যের মান নিশ্চিতকরণের জন্য কাজ করে থাকে। ভবিষ্যতে এ শিল্পের আরও সম্প্রসারণের জন্য আমরা কাজ করব।
আব্দুল কাইয়ুম: আমাদের প্রাণিজ আমিষের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। এ চহিদা পূরণে পোলট্রিশিল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। কিন্তু দেশের অসংখ্য ক্ষুদ্র পোলট্রি ফার্ম নিরাপদ ডিম, মাংস সরবরাহ করছে কি না, সে প্রশ্ন সামনে এসেছে। ফার্মগুলো নিয়মনীতি মানছে কি না সে বিষয়ও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা দরকার। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এ ক্ষেত্রে এগিয়ে আসতে হবে। প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সবাইকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
যাঁরা অংশ নিলেন
অজয় কুমার রায় : মহাপরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর
আবদুস সাত্তার মণ্ডল : সাবেক ভিসি, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
গোলাম রহমান : সভাপতি, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ
মসিউর রহমান : সভাপতি, ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ
গোলাম রহমান : অধ্যাপক, সাংবাদিকতা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
নাজমা শাহীন : অধ্যাপক, খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
কুতুব উদ্দিন আহমেদ : চেয়ারম্যান, এনভয় টেক্সটাইল গ্রুপ
মো. হেলাল উদ্দিন : সহসভাপতি, এফবিসিসিআই
এম এ রশিদ : ভাইস প্রিন্সিপাল, অধ্যাপক, ফিজিক্যাল মেডিসিন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
তৌফিকুল ইসলাম খান : রিসার্চ ফেলো, সিপিডি
আবু লুৎফে ফজলে রহিম খান : সহসভাপতি, ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ
সাইদুর রহমান বাবু : সহসভাপতি, ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ
মো. রফিকুল হক : সম্পাদক, ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ
এম নজরুল ইসলাম : কোষাধ্যক্ষ, ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম : সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1375)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
February
(1363)
-
▼
Feb 10
(50)
- গণভবনের গেট থেকে ফিরে গেলেন কাদের সিদ্দিকীর স্ত্রী
- ১৭ দিন ধরে মর্গে পড়ে আছে দগ্ধ শিশুর লাশ by শহিদুল ...
- শুক্রবার সকাল পর্যন্ত হরতাল : চুড়ান্ত পরিণতির দিকে...
- সত্য ও ন্যায়ের জয় হয়েছে : কেজরিওয়াল
- 'আসুন সাগর-রুনিকে ভুলে যাই' by সাহাদাত হোসেন পরশ
- নবজাতকসহ ১০ শিশুর মৃত্যু, অভিযোগ ‘অবহেলা রোগের’, ত...
- ভারতের বিপক্ষে জ্বলে উঠতে আত্মবিশ্বাসী আফ্রিদি
- ভাইকে খুঁজতে গিয়ে নিখোঁজ ভাই, বাড়ি থেকে আটক বাবা
- আইনমন্ত্রীর বক্তব্য আদালত অবমাননার সামিল : খন্দকার...
- ইউক্রেনকে অস্ত্র দেয়ার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র
- শিশুদের আতঙ্কের ভবিষ্যৎ- সহিংসতায় নিহত মোট ১০ শিশ...
- বার্ন ইউনিটে এ কেমন ফটোসেশন?
- আখেরে দু’জনই হারতে পারেন
- রহস্যঘেরা এক স্তম্ভ
- নৃশংসতার রাজনীতি শেষ করে দেবে বাংলাদেশকে -ডয়চে ভেলে
- ঋণের কিস্তি রেখেই পরপারে
- প্রকাশ্যে কোন পক্ষের সমর্থন বা বিরোধিতা করতে চাইছে...
- নাইজেরীয় ছাত্রীদের মুক্ত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নিন:...
- চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন- নগর ভবনে যান না মেয়র, বা...
- এক যুগে বাঙালিসমগ্র জাদুঘর by তারিক রহমান সৌরভ
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উভয় দিকেই ত্রুটি দেখছে
- রাতে মহাসড়কে বাস চালানো বন্ধ করল সরকার
- বাংলাদেশে অচলাবস্থা by তাহমিমা আনাম
- গুলশান, বারিধারায় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বার্নিকাটের ...
- কষ্টে আছেন নির্বাচনের আগে পেট্রলবোমায় নিহতদের স্ব...
- সৌদি কিশোরীরা ধূমপায়ী!
- জিম্মি ছাত্রীদের মুক্তির আহ্বান মালালার
- শান্তি আলোচনায় বিশ্ব সুন্দরীকে চায় ফার্ক গেরিলারা
- আত্মবিশ্বাসের সন্ধানে সাকিব
- চলচ্চিত্রে সময় দিচ্ছেন হাবিব
- জাতীয় সরকার গঠন ও করণীয় by ইকতেদার আহমেদ
- ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা- অবরোধ–হ...
- মানুষ বাঁচলেই আদর্শ বাঁচবে by অনিমেষ দিপু
- সৌদি আরবে পরিবর্তন by আবদেল আজিজ আবু আলুয়াইশেগ
- খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ করে রাখার হুমকি- কার্যালয়ে...
- পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে পোলট্রিশ...
- লেখ্য–সংস্কৃতি, অস্তপ্রায় হস্তলিপি by উম্মে মুসলিমা
- আমিন জুট মিল- খাল দখল করে ঘরবাড়ি নির্মাণ
- পায়ে ভর করে পাঠ! by উজ্জ্বল মেহেদী
- বর্তমান প্রজন্ম কি লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে by কাজী খল...
- দিল্লি দূর অস্ত... by আসিফ আহমেদ
- ‘অসামঞ্জস্যপূর্ণ’ প্রস্তাবে অসন্তুষ্ট বিচারকেরা- প...
- যাত্রাবাড়ীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবক নিহত : কালশীতে গু...
- আমার সন্তানের অপরাধ কি? by আল আমিন
- দগ্ধদের নিয়ে বাণিজ্য! by মেহেদী হাসান
- সংলাপ নিয়ে মন্ত্রিসভায় সরব আলোচনা by দীন ইসলাম
- স্মরণ : অ্যাডভোকেট বদিউল আলম by মীযানুল করীম
- সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি- মানবতা জেগে উঠুক
- বাংলাদেশী দরিদ্র শিশুদের শিক্ষা তহবিল গড়তে ৭ মহাদে...
- রাজনৈতিক ও সামাজিক চুক্তি জরুরি by ইমতিয়াজ আহমেদ
-
▼
Feb 10
(50)
-
▼
February
(1363)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment