Thursday, January 5, 2012
জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাঃ সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে অনেক সময় জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বিরোধীরা
জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাঃ সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে অনেক সময় জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বিরোধীরা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভিযোগ করে বলেছেন, দেশ পরিচালনায় গত তিন বছরে তাঁরা বিরোধীদলের কোনো ধরণের সহায়তা পাননি। বরং সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে অনেক সময় দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বিরোধীরা। বর্তমান মহাজোট সরকারের তিন বছর পূর্তি উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ অভিযোগ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর দীর্ঘ ভাষণে মহাজোট সরকারের বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরেন। বিরোধী দল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কোনো কারণ ছাড়াই তারা মাসের পর মাস সংসদ বর্জন করছেন। বিরোধীদলীয় নেত্রী মাত্র ৬ দিন সংসদে উপস্থিত ছিলেন। বাধাহীনভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বক্তব্য দিয়েছেন। তারপরেও কেন এই সংসদ বর্জন?’

সরকারের তৃতীয় বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া ভাষণের পূর্ণ বিবরণ নিচে প্রকাশ করা হল।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
প্রিয় দেশবাসী,
আসসালামু আলাইকুম।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচাইতে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে আপনাদের দেয়া বিশাল ম্যান্ডেট নিয়ে তিন বছর আগে ৬ জানুয়ারি আমরা সরকার গঠন করেছিলাম।
এই দিনে আমি আবারও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি সেইসব ভোটারদের বিশেষ করে নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণীসহ সকল ভোটারদের যাদের অকুণ্ঠ সমর্থন আমাদের বিজয়কে নিশ্চিত করেছিল।
অনেক বাধা-বিপত্তি মোকাবেলা করে আপনাদের কাছে দেওয়া ওয়াদা পূরণে আমরা নিরলসভাবে চেষ্টা করছি। সর্বক্ষেত্রে শতভাগ সফলতার দাবী আমরা করব না। তবে একথা বলতে পারি যে, আপনাদের সরকার অর্পিত দায়িত্ব পালনে কখনই গাফিলতি করেনি। ভবিষ্যতেও করবে না, ইনশাআল্লাহ।
সম্মানিত দেশবাসী,
আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যাঁর নেতৃত্বে চল্লিশ বছর আগে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় হয়েছিল।
গভীর বেদনার সাথে স্মরণ করছি ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট ইতিহাসের নির্মমতম হত্যাকাণ্ডের শিকার সকল শহীদকে।
স্মরণ করছি ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নির্মমভাবে নিহত জাতীয় চারনেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এম মনসুর আলী এবং এইচ এম কামরুজ্জামানকে।
স্মরণ করছি শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি, মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীসহ সকল জাতীয় নেতাকে।
৩০ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগ ও দু লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি স্বাধীনতা। তাদের আত্মত্যাগকে আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা।
স্মরণ করছি ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বর্বর গ্রেনেড হামলায় শহীদ আইভি রহমানসহ ২২ জন নেতা-কর্মীকে।
স্মরণ করছি শাহ এএমএস কিবরিয়া ও আহসানউল্লাহ মাস্টারসহ বিএনপি-জামাতের দুঃশাসনে নিহত ২১ হাজার আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ও নিরীহ মানুষকে ।
জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে যাঁরা জীবন দিয়েছিলেন তাঁদেরকে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।
সচেতন দেশবাসী,
এক অন্ধকারময় সময়ে আমরা দায়িত্ব নিয়ে আলোর পথে যাত্রা শুরু করেছিলাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতির চরম সঙ্কট, বিশ্বমন্দা, সারাবিশ্বে খাদ্যপণ্যের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি আমাদের অতিক্রম করতে হচ্ছে পূর্ববর্তী দুটি সরকারের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যার পর্বতপ্রমাণ বোঝা।
সাহস, সততা ও আন্তরিকতার সাথে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
গণতন্ত্র এবং উন্নয়ন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। জনগণ ভোট দিয়ে পছন্দ মত সরকার গঠন করবে। যারা দায়িত্ব নিবে তারা পূর্বের সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিয়ে যাবে। যারা বিরোধী দলে থাকবেন তারা সরকারকে এ কাজে সহায়তা করবেন। আমাদের দল ও আদর্শ ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু দেশ ও মানুষের স্বার্থকে সকল দল-মতের উর্ধ্বে স্থান দিতে হবে।
কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে, দেশ পরিচালনায় গত তিন বছরে আমরা বিরোধীদলের কোন ধরণের সহায়তা পাইনি। বরং তারা সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে অনেক সময় দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
কোন কারণ ছাড়াই তারা মাসের পর মাস সংসদ বর্জন করছেন। বিরোধীদলীয় নেত্রী মাত্র ৬ দিন সংসদে উপস্থিত ছিলেন। বাধাহীনভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বক্তব্য দিয়েছেন। তারপরেও কেন এই সংসদ বর্জন?
আমরা জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী পাশ করে স্বাধীনতার চেতনা ও মূল্যবোধ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছি।
মহামান্য রাষ্ট্রপতি একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য সকল রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা করছেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতির এই উদ্যোগকে আমি জনগণের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাই।
সচেতন দেশবাসী,
আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, মানুষ হত্যা করেছিল, নারী ও শিশু নির্যাতন করেছিল তাদের বিচার হবে - এটা ছিল আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার। দেশের মানুষ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ভোটাররা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে গণরায় দিয়েছে। আমরা যখন মানবতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচার কাজ শুরু করেছি, তখন বিরোধীদলীয় নেত্রী যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার চেষ্টা করছেন। জ্বালাও-পোড়াও, হরতাল ও মানুষ হত্যার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছেন।
তার প্রতি অনুরোধ, জ্বালাও-পোড়াও করে এই মানবতাবিরোধী রাজাকার-আলবদরদের রক্ষার চেষ্টা করবেন না।
আমি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই, যত বাধাই আসুক না কেন বাংলার মাটিতে এদের বিচার আমরা করবই। বঙ্গবন্ধুুর হত্যাকারীদের বিচার বন্ধ করতে অনেকেই চেষ্টা করেছিল, পারেনি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও কেউ বন্ধ করতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।
প্রিয় দেশবাসী,
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে আমরা দেশ ও মানুষের কল্যাণকে প্রধান্য দিয়েছিলাম। সরকার গঠনের প্রথম দিন থেকেই আমরা এ লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।
দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার ভিতরে নিয়ে আসা ছিল আমাদের জন্য একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। আমরা যেদিন সরকার গঠন করি সেদিন চালের দাম ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি। আন্তর্জাতিক বাজারে অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও আমরা তা কমিয়ে এনেছি। পাশাপাশি জনগণের আয় ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছি। গ্রামীণ জনগোষ্ঠী আত্মকর্মসংস্থানের পথ খুঁজে পেয়েছে। মাথাপিছু আয় ৬৬০ ডলার থেকে ৮২৮ ডলারে উন্নীত হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন বাড়িয়েছি। চাকুরির বয়সসীমা ৫৭ থেকে ৫৯ বছর করা হয়েছে। গার্মেন্টস শ্রমিকদের নুন্যতম বেতন ১৬০০ থেকে তিন হাজার টাকায় উন্নীত করেছি। গ্রামের ক্ষেতমজুররা যেখানে ১০০ টাকা দৈনিক মজুরি পেত তা আজ ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা। চাল কিনতে পারতো আড়াই থেকে তিন কেজি। এখন কিনতে পারে ১০ থেকে ১২ কেজি। দারিদ্র্যের হার ৪০ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশে নেমে এসেছে।
বিশ্বমন্দা সত্ত্বেও আমরা অর্থনীতিকে একটি সুদৃঢ় ভিত্তির উপর দাঁড় করাতে সক্ষম হয়েছি। দেশে বিনিয়োগ বেড়েছে। উত্পাদন বেড়েছে। রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৭৫০ কোটি ডলার। জনশক্তি রপ্তানি বেড়েছে। আমরা সরকার গঠনের সময়ে রেমিটেন্স আয় ছিল ৯.২ বিলিয়ন ডলার যা বৃদ্ধি পেয়ে ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ব্যাপক কর্মসংস্থান হয়েছে। শুধু সরকারি খাতেই সাড়ে চার লক্ষাধিক নারী-পুরুষ চাকুরি পেয়েছেন। গত অর্থবছরে ৬.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এবছর ৭ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে।
প্রিয় দেশবাসী,
আপনারা জানেন, আমরা যেদিন সরকার গঠন করি সেদিন বিদ্যুত্ পরিস্থিতি কি ভয়াবহ পর্যায়ে ছিল। বিএনপি-জামাত সরকারের ৫ বছর ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছরে এক মেগাওয়াট উত্পাদন তারা বাড়াতে পারেনি। ২০০১ সালে আমাদের সরকার ৪৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন রেখে এসেছিলাম সাত বছরে তা কমে দাঁড়ায় ৩২৬৮ মেগাওয়াটে।
৩ বছরে আমরা অতিরিক্ত ২৯০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন করেছি।
আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই ৪৯টি বিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু করি। এরমধ্যে ২৪টি বিদ্যুত্ কেন্দ্র উত্পাদন শুরু করেছে। বাকী কেন্দ্রগুলোর নির্মাণ কাজ খুব দ্রুত শেষ হবে এবং বিদ্যুত চলে আসবে। এছাড়া আরও ৫ হাজার ৮৫৭ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩৩টি বিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণের কার্যাদেশ প্রদান প্রক্রিয়াধীন আছে।
গ্যাস ও কয়লা-ভিত্তিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বেসরকারি খাতে ৩টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। রূপপুরে ২০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন পারমাণবিক বিদ্যুত্ নির্মাণকেন্দ্র স্থাপনে রাশিয়ার সাথে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ভারত, মিয়ানমার ও ভুটান থেকে বিদ্যুত্ আমদানির প্রক্রিয়া চলছে।
সাড়ে চার লক্ষ নতুন গ্রাহক সংযোগ পেয়েছেন।
গ্যাস উত্পাদন ও বিতরণ খাতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ফলে, দৈনিক ৩৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্পাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।
সুন্দলপুর, সেমুতাং, সালদানদী ও ফেঞ্চুগঞ্জ গ্যাস ক্ষেত্রে কূপ খনন সম্পন্ন হয়েছে। এগুলো থেকে দৈনিক ৮৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্পাদন শুরু হবে।
বাংলাদেশ গ্যাস আইন ২০১০ প্রণীত হয়েছে। বাপেক্সকে শক্তিশালী করা হয়েছে। নতুন আধুনিক ড্রিলিং রিগ ও একটি ওয়ার্কওভার রিগ ক্রয় করে বাপেক্সের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে।
বৃহত্তর চট্টগ্রাম ভিত্তিক কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড এবং দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ করতে সুন্দরবন গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেছি।
সম্মানিত দেশবাসী,
আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম অঙ্গীকার ছিল খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কৃষি উত্পাদন বৃদ্ধি করা। সরকার তিনবছরে এই অঙ্গীকার পূরণে অনেকটাই সফল হয়েছে।
খাদ্য গুদামগুলোতে রেকর্ড ১৪ লক্ষ ৭৬ হাজার ১১৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে। উত্তরাঞ্চলে ১ লক্ষ ১০ হাজার টন ধারণ ক্ষমতার ১৪০টি খাদ্য গুদামসহ সারা দেশে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতার নতুন খাদ্য গুদাম নির্মাণ করা হয়েছে।
ওএমএস, ভিজিডি, ভিজিএফ, জিআর, কাজের বিনিময়ে খাদ্য ইত্যাদি কর্মসূচীর পরিধি ও বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। উপকারভোগীর সংখ্যা ৩ কোটি থেকে ৪ কোটি ১৭ লক্ষে উন্নীত হয়েছে।
স্বল্প ও সীমিত আয়ের জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ১২ লক্ষ ফেয়ার প্রাইস কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গার জনপদ উত্তরবঙ্গে আজ মানুষ দু’বেলা পেটভরে খেতে পাচ্ছে।
ইনশাআল্লাহ ২০১৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উদ্বৃত্ত খাদ্যের দেশে পরিণত হবে।
আমি বিশ্বাস করি, কৃষি ও কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। সে বিশ্বাস থেকে সরকার কৃষি উন্নয়নে সর্বাত্নক পদক্ষেপ নিয়েছে।
দেশে প্রথমবারের মত ১ কোটি ৪০ লাখ কৃষককে কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মত কৃষক ১০ টাকায় ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুযোগ পেয়েছেন এবং ইতোমধ্যে ৯৩ লাখ ৫০ হাজার কৃষক তাদের একাউন্ট খুলেছেন। আমরাই প্রথম বর্গাচাষীদের বিনা জামানতে কৃষি ঋণ বিতরণ শুরু করেছি।
সার্কভুক্ত দেশগুলোতে মানসম্মত বীজের প্রাপ্যতা নিশ্চিতের জন্য ‘সার্ক সীড ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চুক্তি করা হয়েছে।
নন ইউরিয়া সারের দাম তিন দফা কমানো হয়েছে। ৮০ টাকা কেজি টিএসপি’র বর্তমান মূল্য ২২ টাকা। এমওপি’র দাম ছিল ৭০ টাকা, এখন ১৫ টাকা। ডিএপি’র কেজি ৯০ টাকা থেকে কমিয়ে ২৭ টাকা করা হয়েছে।
কৃষকের কাছে সময় মত সুলভ মূল্যে সারের প্রাপ্তি নিশ্চিত করা হয়েছে। ১৪ লক্ষ কৃষককে বিনামূল্যে সার দেওয়া হয়েছে। তিন বছরে সার, বিদ্যুত্ ও ডিজেলে ১৬ হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে।
আমাদের গৃহীত পদক্ষেপগুলোর সুফল কৃষক পেয়েছে। যে কারণে ২০১০-১১ অর্থবছরে চাল উত্পাদন ৩ কোটি ৩৫ লাখ ৪১ হাজার টনে উন্নীত হয়েছে। সেচ মওসুমে বিদ্যুত্ সরবরাহ বৃদ্ধি করায় চলতি আমন মওসুমে বাম্পার ফলন হয়েছে।
কৃষি তথ্যকেন্দ্র, ভিডিও কনফারেন্স ও এসএমএসের মাধ্যমে কৃষক তার সমস্যার সমাধান পাচ্ছেন। জৈবপ্রযুক্তি প্রয়োগ করে পাটের জীবন রহস্য আবিস্কার করায় উন্নত পাটের জাত উদ্ভাবনে অগ্রগতি হয়েছে।
মত্স উত্পাদন বেড়েছে ২০ শতাংশ। জাটকা নিধন বন্ধ করায় ইলিশ উত্পাদন বেড়েছে ১৭ শতাংশ। পোলট্রি, হ্যাচারি ও গো-খামার স্থাপনে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় মানুষের আমিষ গ্রহণের পরিমাণ বেড়েছে।
প্রিয় দেশবাসী,
আমাদের সরকার নিঃস্ব ও হতদরিদ্র মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়। উন্নত দেশগুলো যখন সামাজিক নিরাপত্তা সংকুচিত করছে তখন সীমিত সম্পদ নিয়েও আমরা সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা বৃদ্ধি করছি।
১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর আমরাই প্রথম বয়স্কভাতা, দুঃস্থ নারী ভাতা, মুক্তিযোদ্ধাভাতাসহ সামজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু করি। এবার সরকার গঠনের পর সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিধি ও উপকারভোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যহারে বাড়ানো হয়েছে।
অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ভোগীর সংখ্যা ১ লক্ষ থেকে দেড় লক্ষে উন্নীত করা হয়েছে।
মাতৃকালীন ভাতাভোগীর সংখ্যা ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ৬০ হাজার থেকে ২০১১-১২ অর্থবছরে ১ লক্ষ ১২০০ জনে উন্নীত করা হয়েছে।
বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা সাড়ে ২২ লক্ষ থেকে ২৪ লক্ষ ৭৫ হাজারে উন্নীত করা হয়েছে।
ভিজিডি কর্মসূচির আওতায় সাড়ে সাত লক্ষ নারীকে মাসিক ৩০ কেজি করে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
ভিজিএফ কার্ড সংখ্যা ৭০ লক্ষ ৬৭ হাজার থেকে থেকে ১ কোটি ৭৬ হাজারে উন্নীত হয়েছে।
ছিন্নমূল মানুষের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে গৃহীত ‘ঘরে ফেরা’ কর্মসূচি বিএনপি-জামাত জোট সরকার বন্ধ করে দিয়েছিল। আবারো এই কর্মসূচি চালু করেছি।
একটি বাড়ী একটি খামার কর্মসূচির আওতায় ১০ লক্ষ ৪৩ হাজার পরিবার সরাসরি সুফলভোগী হয়েছে।
১৯৯৭ সালে গৃহীত ‘আশ্রয়ণ প্রকল্প’ এর মাধ্যমে দুই দফায় মোট ১ লক্ষ ৯ হাজার পরিবার পুনর্বাসিত হয়েছে।
উপকূলীয় অঞ্চলে গৃহহীন মানুষের জন্য পাকা ঘর নির্মাণ করে প্রায় ৯ হাজার পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।
প্রিয় দেশবাসী,
আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল ২০১৪ সালের মধ্যে দেশকে নিরক্ষরতামুক্ত করা। শিক্ষার মানোন্নয়নের মাধ্যমে একটি শিক্ষিত ভবিষ্যত প্রজন্ম গড়ে তোলা।
ইতোমধ্যে ৯৯.৬৪ শতাংশ শিশুর বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত হয়েছে। ৩১ হাজার ২০৮টি সরকারি, রেজিস্টার্ড ও কম্যুনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করেছি। ঝরে পড়া শিশুর সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।
সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য প্রায় ৬৩ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বছরে ৭৮ লক্ষ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে।
মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত সকল ছাত্র-ছাত্রীকে বছরের প্রথম দিনেই বিনামূল্যে ২২ কোটি ১৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৩৮৩ টি পাঠ্যপুস্তক দেওয়া হয়েছে।
রেজিস্টার্ড ও কমিউনিটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন ভাতা স্কেলের প্রারম্ভিক ১০০ শতাংশ প্রদান করা হচ্ছে।
প্রায় সাড়ে চার হাজার সরকারি ও রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ ও পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে।
৫০৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়াসহ ল্যাপটপ সরবরাহ করা হয়েছে।
পাঠ্যপুস্তকে জাতির পিতা, মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও জাতীয় বীরদের সঠিক ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ণ করা হয়েছে।
ভর্তি সংকট সমাধানে ঢাকায় ১১টি মাধ্যমিক স্কুল ও ৬টি কলেজ নির্মাণের কাজ চলছে।
১০০টি মাদ্রাসায় ভোকেশনাল শিক্ষা কোর্স ও ৩১টি মাদ্রাসায় ৪টি করে অনার্স কোর্স চালু হয়েছে।
ঢাকায় ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুরে ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় ও শিলাইদহে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছি।
উপজেলা সেবাকেন্দ্র, বিশ্ববিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় ও বিদ্যালয় পর্যায়ে ৩,০৪৭টি আইসিটি ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
শিক্ষা সহায়তা দিতে ১ হাজার কোটি টাকার শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছি।
সম্মানিত দেশবাসী,
আমাদের নির্বাচনী ওয়াদা ছিল সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ১৩ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক পুনরায় চালু করা হয়েছে যা বিএনপি-জামাত জোট সরকার বন্ধ করে দিয়েছিল।
১৩৬টি ইউনিয়নে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে। ২০০টি নির্মাণের কাজ চলছে।
৩০১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। ১০৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যায় এবং তিনটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার কাজ চলছে।
নতুন ১২টি উপজেলায় ৩১ শয্যাবিশিষ্ট নতুন হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে যেগুলোকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে।
জেলা পর্যায়ের তিনটি হাসপাতাল ৫০ থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। ১৮টি জেলা হাসপাতালকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সমপ্রসারণ ও আধুনিকায়ন ও বার্ন ইউনিটে আইসিইউ চালু করা হয়েছে।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইএনটি এবং হেড-নেক ক্যান্সার হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্টার অব এক্সিলেন্স এ পরিণত করছি।
গোপালগঞ্জে শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল করেজ ও হাসপাতাল এবং শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়েছে।
খুলনায় বিএনপি-জামাত আমলে বন্ধ হয়ে যাওয়া শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল চালু করেছি।
নবজাতক মৃত্যুর হার হ্রাস পেয়ে এখন প্রতি হাজারে ৩৭ জন। পাঁচ বছর পর্যন্ত শিশু মৃত্যুর হার কমে এখন প্রতি হাজারে ৬৫ জন।
গড় আয়ু বেড়ে ৬৭ বছর হয়েছে। নারীর ক্ষেত্রে তা ৬৮.৩ শতাংশ।
জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ও কুষ্ঠ উচ্ছেদ কর্মসূচিতে আমাদের সাফল্য প্রায় শতভাগ।
৫টি ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি নির্মাণ করা হয়েছে। আরো ১০টি ইনস্টিটিউট নির্মাণের পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে।
চট্টগ্রামে নাসিং কলেজ স্থাপিত হয়েছে। মানিকগঞ্জে একটি নার্সিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট নির্মাণাধীন। আরও ৬টি নতুন নাসির্ং কলেজ ও ১৫টি নার্সিং ইনস্টিটিউটকে নার্সিং কলেজে উন্নীত করার পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে।
এপর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার চিকিত্সক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
২০১০ এ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে জাতীয় পর্যায়ে শিশু মৃত্যুর হ্রাস সংক্রান্ত এমডিজি-৪ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ জাতিসংঘ এমডিজি পুরস্কার লাভ করেছে।
স্বাস্থ্যখাতের গুণগত উন্নয়নে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার স্বীকৃতি হিসাবে আমাকে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন, সাউথ-সাউথ নিউজ ও জাতিসংঘের আফ্রিকা সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কমিশন ‘সাউথ সাউথ এ্যাওয়ার্ড ২০১১’ প্রদান করে।
প্রিয় দেশবাসী,
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে যথেষ্ট অগ্রগতি অর্জন করেছি।
তিন বছরে এগারটি বৃহত্ সেতু নির্মাণ করা হয়েছে । এর মধ্যে আছে, দপদপিয়ায় আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সেতু, ঢাকার বসিলায় শহীদ বুদ্ধিজীবী সেতু, টঙ্গীতে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার উড়াল সেতু, শীতলক্ষ্যার ওপর সুলতানা কামাল সেতু, কর্ণফুলী নদীর ওপর শাহ আমানত সেতু, হালুয়াঘাটে ভোগাই সেতু, মাদারীপুরে শেখপাড়া সেতু, পিরোজপুরে নাজিরপুর সেতু, গৌরনদীতে পয়সারহাট সেতু, জামালপুরে ব্রহ্মপুত্র সেতু ও পাইকগাছা-কয়রা সড়কে কয়রা সেতু।
রংপুর-কুড়িগ্রাম তিস্তা সেতু নির্মাণ কাজ চলছে।
মাদারীপুরে আড়িয়াল খাঁ নদীর ওপর ৭ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর নির্মাণ কাজ শীঘ্রই শুরু হবে।
পদ্মা সেতু প্রকল্পের মূল সেতু, নদীশাসন, সেতুর উভয় প্রান্তের সংযোগ সড়ক এবং বিস্তারিত ডিজাইন চূড়ান্ত হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।
পাটুরিয়া-গোয়ালন্দ অবস্থানে প্রায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ২য় পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রতিনিয়ত রাজধানীর যানজট মানুষের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। সে কারণেই যানজট নিরসনের পদক্ষেপ নিয়েছি। ।
রাজধানীর যানজট নিরসনে বিমানবন্দর থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত ২৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ চলছে।
মিরপুর, বনানী, কুড়িলসহ বিভিন্ন ফ্লাইওভারের কাজ এগিয়ে চলেছে।
এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় বাংলাদেশের তিনটি রুট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, ঢাকা-ময়মনসিংহ, রংপুর বিভাগীয় সড়ক, চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়ক, নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও নবীনগর-চন্দ্রা সড়ক চার-লেনে উন্নীত করার কাজ দ্রুত এগিযে চলছে।
যানজট নিরসনে ৫৩০টি নতুন বাস আমদানি করা হয়েছে। রাজধানীতে ১৪টি স্কুল বাস ও মহিলা বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে।
সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ১৮ হাজার পেশাদার গাড়ী চালককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
রেলওয়েকে আধুনিকায়ন করার উপর আমরা বিশেষভাবে জোর দিয়েছি।
85 কিলোমিটার রেলপথ মিটার গেজ থেকে ডুয়েল গেজে রূপান্তর করা হয়েছে। ১৫০টি রেল ব্রিজ নির্মাণ ও পুনঃনির্মাণ সমাপ্ত হয়েছে। ৩৬টি রেলওয়ে স্টেশন পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে। ৯টি লোকোমেটিভ ও ৫৫টি ওয়াগন সংগ্রহ এবং ৪৫টি লোকোমোটিভ ও ২২০টি ওয়াগন সংস্কার করা হয়েছে।
ঢাকা-রংপুর, ঢাকা-চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন লাইনে ৮ জোড়া নতুন ট্রেন চালু করেছি।
দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে।
ফেরি, পন্টুন, ওয়াটার বাস ও জাহাজ নির্মাণের মাধ্যমে নৌ-পরিবহন ব্যবস্থায় ব্যাপক উন্নতি হয়েছে।
নৌ-পথের নাব্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯টি ড্রেজার সংগ্রহ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬৩ লক্ষ ঘনমিটার ড্রেজিং সম্পন্ন হয়েছে।
৪টি অভ্যন্তরীণ নদী বন্দর স্থাপন ও ২টি আধুনিকায়ন করা হয়েছে। ২টি কন্টেইনার নৌ-বন্দর স্থাপিত হয়েছে। কাঁচপুর, সন্দ্বীপ ও কুমিরায় নৌ-যানের ল্যান্ডিং সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা শহরের চারিদিকে ৭০ কিলোমিটার নৌ-পথ সৃজন ও ঢাকার আশপাশের নদী-তীরের অবৈধ দখল রোধে ২১ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে।
ঢাকার বৃত্তাকার নৌপথ চালানোর জন্য সদরঘাট-গাবতলী রুটে ২টি ওয়াটার বাস সংযোজিত হয়েছে।
ঢাকা-ব্যাংকক, ঢাকা-দিল্লী ও চট্টগ্রাম-ব্যাংকক রুট এবং সিলেট-লন্ডন রুটে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট চালু করা হয়েছে।
বিমানের জন্য দুইটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ উড়োজাহাজ সংযোজন এবং একটি ৩১০-৩০০ ও দুইটি ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ সংগ্রহ করা হয়েছে। আরও ২টি উড়োজাহাজ সংগ্রহের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশে জাতীয় পর্যটন নীতিমালা প্রণীত হয়েছে। কক্সবাজার, কুয়াকাটা, বান্দরবন, জাফলংসহ পর্যটনকেন্দ্রগুলোর অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে।
প্রিয় দেশবাসী,
শিল্প ও বাণিজ্যের উন্নয়নে আমাদের সরকার সবধরণের সহায়তা করে যাচ্ছে। বিশ্বমন্দার প্রভাব মোকাবেলার জন্য ৩,৪২৪ কোটি টাকার প্রথম প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়িত হয়েছে। দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন অব্যাহত আছে।
সরকারি ও বেসরকারি খাতের শিল্প স্থাপনকে উত্সাহিত করার লক্ষ্যে শিল্প নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বিকাশে ৫৫ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
বার্ষিক ৫ লক্ষ ৮০ হাজার টন ইউরিয়া সার উত্পাদন ক্ষমতা সম্পন্ন শাহজালাল ফার্টিলাইজার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে চীনের সাথে চুক্তি সই করেছি। আরও ৩টি ইউরিয়া সার কারখানা নির্মাণের লক্ষ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিসিকের উদ্যোগে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প খাতে ৭ হাজার ৪৯৬ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।
ঔষুধ শিল্পের কাঁচামাল উত্পাদনের জন্য মুন্সীগঞ্জের গজারিয়াতে শিল্প পার্ক স্থাপনের কাজ চলছে।
সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা ও মিরেশ্বরাই এ নতুন শিল্প পার্ক নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলেছে।
বিএনপি-জামাত আমলে বন্ধ করে দেওয়া খুলনার পিপলস জুট মিলস এবং সিরাজগঞ্জের কওমী জুট মিলস চালু করেছি। বিজেএমসি’র ২৭টি পাটকলের মধ্যে ২৩টি চালু হয়েছে। অচিরেই আরও তিনটি চালু হবে।
বিটিএমসি’র ১৮টি বন্ধ মিলের মধ্যে ৮টি চালু করেছি।
বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পেয়েছে ৪১ শতাংশ। ২০১১-১২ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে প্রায় ১৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ হয়েছে।
তিন বছরে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ ২৬৬ কোটি ডলার। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের ৫ বছরে ছিল ২৬০ কোটি ডলার।
প্রিয় দেশবাসী,
তথপ্রাপ্তি জনগণের অধিকার। আমরাই প্রথম তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন ও তথ্য কমিশন গঠন করেছি।
রেডিও-টেলিভিশন ও সংবাদপত্র যেকোন সময়ের তুলনায় পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করছে।
আমরা স্থানীয় সরকার কাঠামোকে শক্তিশালী করার পদক্ষেপ নিয়েছি।
ইউনিয়ন পরিষদগুলোকে দক্ষ ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ৪৯৪ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশেষ কার্যক্রম চলছে।
জেলা পরিষদগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অচিরেই জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন গঠন করা হয়েছে।
আরো চারটি পৌরসভা গঠন করা হয়েছে।
৭৪২ টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ৭৭১টি গ্রোথ সেন্টার, প্রায় ৬৯ কিলোমিটার ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ এবং ১১,৬৩৭ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ, ১৮ হাজার কিলোমিটার সড়ক এবং ৫১ কিলোমিটার ব্রিজ ও কালভার্ট পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে।
৮৭ হাজার ৩৪৬টি ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে ৪১ হাজার একর কৃষি খাস জমি প্রদান করা হয়েছে।
প্রায় ৬ লক্ষ বেকার যুবককে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ন্যাশন্যাল সার্ভিস কর্মসূচীর আওতায় কুড়িগ্রাম, বরগুনা ও গোপালগঞ্জ জেলার ৫৫ হাজার ২৫৪ জন যুবকের অস্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
কর্মসংস্থান ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে ১ লক্ষ টাকা ঋণ সুবিধা যুবকদের দেওয়া হচ্ছে।
প্রিয় দেশবাসী,
দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশী নারী যারা অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক শোষণ ও বঞ্চনার শিকার।
গত নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক নারী ভোটার আমাদেরকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছিলনে।
আমরা সরকার গঠনের পর নারীর ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার এজেন্ডা হিসাবে গ্রহণ করেছি।
একটি যুগোপযোগী নারী উন্নয়ন নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে।
নারীর দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা, শ্রমবাজারে ব্যাপক অংশগ্রহণ ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
মাতৃত্বকালীন ছুটি ৪ মাস থেকে ৬ মাসে উন্নীত করেছি।
নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে ‘পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন, ২০১০’ প্রণয়ন করা হয়েছে।
বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও আইন সভাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই নারীর অবস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে। সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা ৫০ এ উন্নীত করা হয়েছে।
প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদেতিনজন করে নারী সদস্য নির্বাচিত।
ইভটিজিংসহ নারীর প্রতি সামাজিক অপরাধ রোধে পদক্ষেপ নিয়েছি।
জাতীয় শিশুনীতি ২০১১ প্রণয়ন করা হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবেলায় ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হয়েছে। নিজস্ব ফান্ড থেকে প্রতিবছর ৭০০ কোটি টাকা করে তিন বছরে ২১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ও ৬২টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।
উন্নয়ন সহযোগীদের অংশগ্রহণে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার লক্ষ্যে ১১ কোটি ৩৫ লক্ষ ডলারের বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন সক্ষমতা তহবিল গঠিত হয়েছে। ট্রাস্ট ফান্ড আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।
পরিবেশ আদালত আইন, ২০১০ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০১০ প্রণয়ন করা হয়েছে।
প্রিয় দেশবাসী,
সরকারের প্রধান দায়িত্ব জনগণের জানমালের হেফাজত করা। আমরা আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছি।
বাংলাদেশে এখন একই সময়ে ৫০০ স্থানে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে না। বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট আমলের মত বিরোধীদলের এমপিদের নিহত হওয়ার মত ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে না। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মত পৈশাচিক ঘটনার সৃষ্টি হয় না।
২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ চলছে। এজন্য নতুন আইন তৈরি করা হয়েছে।
পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শিল্প এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ ইউনিট গঠন করা হয়েছে।।
পুলিশের ৫২টি মডেল থানা, ১০টি নতুন তদন্ত কেন্দ্র ও ৩টি নতুন থানা স্থাপন করা হয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ, মেরিন পুলিশ, পৃথক তদন্ত, ইউনিট, জঙ্গীদমনে ন্যাশনাল পুলিশ ব্যুরো অব কাউন্টার টেরোরিজমসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ সংখ্যক শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ।
আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর ২০ হাজার ৭২৩ জন সদস্য জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করছেন। ফলে, বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হচ্ছে।
সশস্ত্রবাহিনীর আধুনিকায়নে সরকার সম্ভাব্য সবকিছুই করছে। সেনাবাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় যুদ্ধসরঞ্জাম কেনার কাজ অব্যাহত আছে।
বিমানবাহিনীর জন্য বেশকিছু যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার কেনা হয়েছে। বিমানবাহিনীতে ‘ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র’ অন্ত্মর্ভুক্তি এবং ‘বঙ্গবন্ধু এ্যারোনটিক্যাল সেন্টার’ স্থাপন করা হয়েছে।
নৌবাহিনীকে একটি ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসাবে তৈরির কাজ চলছে।
দক্ষ সামরিক প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য ভাটিয়ারীতে বিএমএ বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়েছে।
ভূমিহীন ও অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য ২ হাজার ৯১৫ ইউনিট আবাসন নির্মাণের প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা সত্মম্ভ নির্মাণকাজ বিএনপি-জামাত বন্ধ করে দিয়েছিল। তা আবার শুরু হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট নাগরিক ও সংগঠনকে সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির অবাস্তবায়িত বিষয়গুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটি করা হয়েছে। সেখানে ভূমি কমিশন কাজ করে যাচ্ছে।
পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন বিভাগ জেলা পরিষদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
সম্মানিত দেশবাসী,
নির্বাচনের আগে কথা দিয়েছিলাম, সরকার গঠনের সুযোগ দিলে আমরা তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণ করব যা হবে তরুণ প্রজন্মের জন্য আমাদের উপহার।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ৪ হাজার ৫০১টি ইউনিয়নে তথ্য ও সেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। প্রতি মাসে ৪০ লক্ষ মানুষ এসব সেবাকেন্দ্র থেকে সেবা পাচ্ছে। গ্রামে গ্রামে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। উদ্যোক্তাদের মাসিক আয় গড়ে দুই কোটি টাকা।
সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে সরকারী উদ্যোগে দোয়েল ল্যাপটপ উত্পাদন শুরু হয়েছে।
গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ব্যাংকিং সুবিধা নিশ্চিতে মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতি চালু হয়েছে।
ডাক বিভাগ কর্তৃক ইলেকট্রনিক মানিঅর্ডার চালু হয়েছে।
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও জমাদানের ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছি।
উপজেলা ও জেলা হাসপাতালগুলোতে অনলাইন ও মোবাইল স্বাস্থ্যসেবা চালু হয়েছে।
এখন বিদ্যুত্, পানি, গ্যাসসহ বিভিন্ন সেবার বিল অনলাইন ও মোবাইল ফোনে দেওয়া যায়।
সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গতি বৃদ্ধির জন্য ই-টেন্ডার চালু করেছি।
মাঠ প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাথে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক অফিসের ভিডিও কনফারেন্সিং ও ই-সার্ভিস চালু করা হয়েছে।
সকল জেলায় জেলা ই-সেবা কেন্দ্র চালু হয়েছে।
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল বই ই-বুকে রূপান্তর করা হচ্ছে।
পরীক্ষার ফল ও নিয়োগ পরীক্ষার ফল ওয়েবসাইট, এসএমএস ও ই-মেইলে দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন অনলাইনে সম্পাদন হচ্ছে।
তথ্য প্রযুক্তির বিকাশে আইসিটি আইন ও আইসিটি নীতি প্রণয়ন করেছি।
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি হাই-টেক পার্ক স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।
মাধ্যমিক পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
দেশের ৯৯ শতাংশ জনগণ ও ৯৫ শতাংশ এলাকা টেলিকম সার্ভিস ও নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হয়েছে।
আইপি ফোনের জন্য ৩৯টি লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে।
তরুন প্রজন্মের ক্রীড়ানৈপূণ্য বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আন্ত্মঃস্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১১ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও খুলনাসহ বিভিন্ন স্টেডিয়ামগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন করা হয়েছে।
ঢাকা শহরের ক্রীড়া অবকাঠামোগুলোর সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হয়েছে।
ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, জিমনাষ্টিকস, এ্যাথলেটিক, টেনিস, কাবাডিসহ বিভিন্ন ক্রীড়ায় আমাদের খেলোয়াড়রা দেশের জন্য সাফল্য নিয়ে আসছেন।
আমাদের মেয়েরা ক্রিকেটে ওয়ান-ডে স্ট্যাটাস অর্জন করেছে। আমি তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি।
আমাদের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ছেলে-মেয়েরা এথেন্সে অনুষ্ঠিত বিশ্ব স্পেশাল অলিম্পিকস ২০১১ এ অংশ নিয়ে ২৯টি স্বর্ণ, ১২টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ ৪৪টি পদক জয় করেছে। তাদেরকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।
আশা করি, ভবিষ্যতে আমাদের খেলোয়াড়রা আরো সাফল্য নিয়ে আসবে।
ভাই ও বোনেরা আমার,
আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল মন্ত্রই হচ্ছে, ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব কারও সাথে বৈরিতা নয়’।
এই নীতির আলোকে সকল রাষ্ট্রের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বে শান্তি ও সমপ্রীতি রক্ষায় বাংলাদেশের অবস্থান ও ভূমিকা জাতিসংঘ সহ সর্বত্র প্রশংসিত হয়েছে।
জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির দেশ হিসেবে, মানবাধিকার রক্ষাকারী দেশ হিসবে বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেছে। নেতিবাচক পরিচয় ঘুচিয়ে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান, গণতান্ত্রিক, অসামপ্রদায়িক ও মানবাধিকার রক্ষাকারী দেশ হিসেবে পরিচিত।
সেপ্টেম্বর ২০১১ এ অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের ৬৬তম অধিবেশনে আমি বিশ্বের জন্য একটি ‘শান্ত্মির মডেল’ উপস্থাপন করি যার মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে “জনগণের ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন”। জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন এই মডেলকে রেজুলুশন হিসাবে গ্রহণ করেছে।
আমরা প্রতিবেশী দেশসমূহের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করেছি।
তিনবিঘা করিডোর ২৪ ঘন্টা খোলা রাখার ব্যবস্থা করেছি। ভারতের সাথে সীমানা চিহ্নিতকরণ, বাংলাদেশী পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারসহ অমীমাংসিত সমস্যাসমূহের সমাধান করেছি।
চীনের সাথে অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতার চুক্তি স্বাক্ষর, কাজিরটেক সেতু নির্মাণে পত্র বিনিময় এবং তেল ও গ্যাস সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।
আমার মিয়ানমার সফরকালে বাংলাদেশে অবস্থানরত অনথিভুক্ত শরণার্থীদের তাদের দেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি ও ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে মিয়ানমার সরকার সম্মতি দিয়েছে। বাংলাদেশী পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিয়েছে।
সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত সহ মধ্যপ্রাচ্যের ভ্রাতৃপ্রতিম মুসলিম দেশগুলোর সাথে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভারত ও মিয়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের লক্ষ্যে সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালতে স্থায়ী সালিস ট্রাইব্যুনালে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের মামলা দাখিল করা হয়েছে।
জাতিসংঘের ৩২টি সংস্থায় বাংলাদেশ নির্বাচিত হয়ে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।
তিন বছরে জনশক্তি রফতানি হয়েছে ১৪ লক্ষ ৩৩ হাজার জন।
বিশ্ব মন্দা সত্ত্বেও তিন বছরে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের পাঁচ বছরের থেকে বেশী জনশক্তি রফতানি ও বেশি রেমিটেন্স অর্জন হয়েছে।
নতুন শ্রম বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর ফলে পোল্যান্ড, পাপুয়া নিউগিনি, আলজেরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, এ্যাঙ্গোলা ও কঙ্গোয় জনশক্তি প্রেরণ শুরু হয়েছে।
বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্তকরণে অগ্রগতি হয়েছে। সেদেশে অবৈধভাবে বসবাসরত প্রায় ৩ লক্ষ বাংলাদেশীকে বৈধকরণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পথে।
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
হজ্জ ব্যবস্থাপনায় উন্নয়ন, অনলাইনে আবেদনের সুযোগ ও যুগোপযোগী হজ্জ নীতির কারণে ২০১১ সালে সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ৫ হাজার ৬১৭ জন হজ্জ পালন করেছেন। আর্থিক সচ্ছলতা বাড়ায় হজ্বযাত্রীর সংখ্যা ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
গণতন্ত্রকামী দেশবাসী,
জাতীয় সংসদকে আমরা দেশ পরিচালনার মূলকেন্দ্র হিসাবে গ্রহণ করেছি।
নবম জাতীয় সংসদে ১৫৩ টি আইন পাশ হয়েছে।
সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই সবগুলো সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠিত হয়। কমিটির সভাপতি হিসেবে সরকারী দলের পাশাপাশি প্রধান বিরোধী দল থেকে দুই জন এবং মহাজোটের শরীকসহ অন্যান্য দলের ৫ জনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
‘সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন’ চালু করা হয়েছে।
প্রিয় দেশবাসী,
স্বাধীনতা পর আমরা চল্লিশ বছর অতিক্রম করেছি। বিজয়ের সাড়ে তিন বছরের মাথায় আমরা হারিয়েছি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে। তারপর একুশ বছর চলেছে স্বৈরশাসন। জনসেবা নয় দুর্নীতিই ছিল ক্ষমতাসীনদের একমাত্র নীতি। তারপর ১৯৯৬ সালে দেশে আবার ফিরে আসে শান্তি, গণতন্ত্র উন্নয়নের সুবাতাস।
২০০১ সালে দেশ আবারও চলে যায় এক অন্ধকার সময়ে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা, দমন-পীড়ন, নির্যাতন, জঙ্গীবাদের উত্থান, বোমা-গ্রেনেড হামলা আর লাগামহীন দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে তার মর্যাদা হারায়।
বাংলাদেশকে আমরা আবার ফিরিয়ে এনেছি শান্তি, উন্নয়ন আর প্রগতির ধারায়। দারিদ্র বিমোচন, পল্লী উন্নয়ন, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে একটি অনুকরণীয় মডেল যা জাতিসংঘের মহাসচিবসহ বিশ্ব নেতারা স্বীকার করেছেন।
২০২১ সাল-আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। সুবর্ণজয়ন্তীতে আমরা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য এমন একটি দেশ গড়ে তুলতে চাই যে দেশ হবে ক্ষুধা, দারিদ্র ও নিরক্ষরতামুক্ত সোনার বাংলা। যে দেশ হবে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক দেশ - ডিজিটাল বাংলাদেশ।
বিরোধীদলের প্রতি আমার অনুরোধ, সংঘাতের রাজনীতির পথ পরিহার করুন। আসুন, দেশ ও জনগণের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি।
আমি বিশ্বাস করি, যে জাতি রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা আনতে পারে, সে জাতির উন্নয়ন কেউ রুখতে পারবে না।
ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামে আমাদের বিজয় হবেই, ইনশাআল্লাহ। সবাইকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং দেশবাসী আপনাদের কাছে আমি দোওয়া চাচ্ছি, আপনারা সবাই ভাল থাকুন।
খোদা হাফেজ।
জয়বাংলা। জয়বঙ্গবন্ধু।
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

সরকারের তৃতীয় বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া ভাষণের পূর্ণ বিবরণ নিচে প্রকাশ করা হল।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
প্রিয় দেশবাসী,
আসসালামু আলাইকুম।
২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচাইতে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে আপনাদের দেয়া বিশাল ম্যান্ডেট নিয়ে তিন বছর আগে ৬ জানুয়ারি আমরা সরকার গঠন করেছিলাম।
এই দিনে আমি আবারও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি সেইসব ভোটারদের বিশেষ করে নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণীসহ সকল ভোটারদের যাদের অকুণ্ঠ সমর্থন আমাদের বিজয়কে নিশ্চিত করেছিল।
অনেক বাধা-বিপত্তি মোকাবেলা করে আপনাদের কাছে দেওয়া ওয়াদা পূরণে আমরা নিরলসভাবে চেষ্টা করছি। সর্বক্ষেত্রে শতভাগ সফলতার দাবী আমরা করব না। তবে একথা বলতে পারি যে, আপনাদের সরকার অর্পিত দায়িত্ব পালনে কখনই গাফিলতি করেনি। ভবিষ্যতেও করবে না, ইনশাআল্লাহ।
সম্মানিত দেশবাসী,
আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে যাঁর নেতৃত্বে চল্লিশ বছর আগে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় হয়েছিল।
গভীর বেদনার সাথে স্মরণ করছি ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট ইতিহাসের নির্মমতম হত্যাকাণ্ডের শিকার সকল শহীদকে।
স্মরণ করছি ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নির্মমভাবে নিহত জাতীয় চারনেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, এম মনসুর আলী এবং এইচ এম কামরুজ্জামানকে।
স্মরণ করছি শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দি, মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীসহ সকল জাতীয় নেতাকে।
৩০ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগ ও দু লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা অর্জন করেছি স্বাধীনতা। তাদের আত্মত্যাগকে আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের জানাচ্ছি গভীর শ্রদ্ধা।
স্মরণ করছি ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বর্বর গ্রেনেড হামলায় শহীদ আইভি রহমানসহ ২২ জন নেতা-কর্মীকে।
স্মরণ করছি শাহ এএমএস কিবরিয়া ও আহসানউল্লাহ মাস্টারসহ বিএনপি-জামাতের দুঃশাসনে নিহত ২১ হাজার আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ও নিরীহ মানুষকে ।
জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে যাঁরা জীবন দিয়েছিলেন তাঁদেরকে বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।
সচেতন দেশবাসী,
এক অন্ধকারময় সময়ে আমরা দায়িত্ব নিয়ে আলোর পথে যাত্রা শুরু করেছিলাম। আন্তর্জাতিক অর্থনীতির চরম সঙ্কট, বিশ্বমন্দা, সারাবিশ্বে খাদ্যপণ্যের ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি আমাদের অতিক্রম করতে হচ্ছে পূর্ববর্তী দুটি সরকারের কাছ থেকে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যার পর্বতপ্রমাণ বোঝা।
সাহস, সততা ও আন্তরিকতার সাথে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
গণতন্ত্র এবং উন্নয়ন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। জনগণ ভোট দিয়ে পছন্দ মত সরকার গঠন করবে। যারা দায়িত্ব নিবে তারা পূর্বের সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিয়ে যাবে। যারা বিরোধী দলে থাকবেন তারা সরকারকে এ কাজে সহায়তা করবেন। আমাদের দল ও আদর্শ ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু দেশ ও মানুষের স্বার্থকে সকল দল-মতের উর্ধ্বে স্থান দিতে হবে।
কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে, দেশ পরিচালনায় গত তিন বছরে আমরা বিরোধীদলের কোন ধরণের সহায়তা পাইনি। বরং তারা সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে অনেক সময় দেশ ও জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।
কোন কারণ ছাড়াই তারা মাসের পর মাস সংসদ বর্জন করছেন। বিরোধীদলীয় নেত্রী মাত্র ৬ দিন সংসদে উপস্থিত ছিলেন। বাধাহীনভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বক্তব্য দিয়েছেন। তারপরেও কেন এই সংসদ বর্জন?
আমরা জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী পাশ করে স্বাধীনতার চেতনা ও মূল্যবোধ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছি।
মহামান্য রাষ্ট্রপতি একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য সকল রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা করছেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতির এই উদ্যোগকে আমি জনগণের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাই।
সচেতন দেশবাসী,
আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, মানুষ হত্যা করেছিল, নারী ও শিশু নির্যাতন করেছিল তাদের বিচার হবে - এটা ছিল আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার। দেশের মানুষ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ভোটাররা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে গণরায় দিয়েছে। আমরা যখন মানবতা বিরোধী যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচার কাজ শুরু করেছি, তখন বিরোধীদলীয় নেত্রী যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার চেষ্টা করছেন। জ্বালাও-পোড়াও, হরতাল ও মানুষ হত্যার মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছেন।
তার প্রতি অনুরোধ, জ্বালাও-পোড়াও করে এই মানবতাবিরোধী রাজাকার-আলবদরদের রক্ষার চেষ্টা করবেন না।
আমি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই, যত বাধাই আসুক না কেন বাংলার মাটিতে এদের বিচার আমরা করবই। বঙ্গবন্ধুুর হত্যাকারীদের বিচার বন্ধ করতে অনেকেই চেষ্টা করেছিল, পারেনি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও কেউ বন্ধ করতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।
প্রিয় দেশবাসী,
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে আমরা দেশ ও মানুষের কল্যাণকে প্রধান্য দিয়েছিলাম। সরকার গঠনের প্রথম দিন থেকেই আমরা এ লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।
দ্রব্যমূল্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার ভিতরে নিয়ে আসা ছিল আমাদের জন্য একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। আমরা যেদিন সরকার গঠন করি সেদিন চালের দাম ছিল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি। আন্তর্জাতিক বাজারে অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও আমরা তা কমিয়ে এনেছি। পাশাপাশি জনগণের আয় ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছি। গ্রামীণ জনগোষ্ঠী আত্মকর্মসংস্থানের পথ খুঁজে পেয়েছে। মাথাপিছু আয় ৬৬০ ডলার থেকে ৮২৮ ডলারে উন্নীত হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেতন বাড়িয়েছি। চাকুরির বয়সসীমা ৫৭ থেকে ৫৯ বছর করা হয়েছে। গার্মেন্টস শ্রমিকদের নুন্যতম বেতন ১৬০০ থেকে তিন হাজার টাকায় উন্নীত করেছি। গ্রামের ক্ষেতমজুররা যেখানে ১০০ টাকা দৈনিক মজুরি পেত তা আজ ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা। চাল কিনতে পারতো আড়াই থেকে তিন কেজি। এখন কিনতে পারে ১০ থেকে ১২ কেজি। দারিদ্র্যের হার ৪০ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশে নেমে এসেছে।
বিশ্বমন্দা সত্ত্বেও আমরা অর্থনীতিকে একটি সুদৃঢ় ভিত্তির উপর দাঁড় করাতে সক্ষম হয়েছি। দেশে বিনিয়োগ বেড়েছে। উত্পাদন বেড়েছে। রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ৭৫০ কোটি ডলার। জনশক্তি রপ্তানি বেড়েছে। আমরা সরকার গঠনের সময়ে রেমিটেন্স আয় ছিল ৯.২ বিলিয়ন ডলার যা বৃদ্ধি পেয়ে ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। ব্যাপক কর্মসংস্থান হয়েছে। শুধু সরকারি খাতেই সাড়ে চার লক্ষাধিক নারী-পুরুষ চাকুরি পেয়েছেন। গত অর্থবছরে ৬.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এবছর ৭ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে।
প্রিয় দেশবাসী,
আপনারা জানেন, আমরা যেদিন সরকার গঠন করি সেদিন বিদ্যুত্ পরিস্থিতি কি ভয়াবহ পর্যায়ে ছিল। বিএনপি-জামাত সরকারের ৫ বছর ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছরে এক মেগাওয়াট উত্পাদন তারা বাড়াতে পারেনি। ২০০১ সালে আমাদের সরকার ৪৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন রেখে এসেছিলাম সাত বছরে তা কমে দাঁড়ায় ৩২৬৮ মেগাওয়াটে।
৩ বছরে আমরা অতিরিক্ত ২৯০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন করেছি।
আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই ৪৯টি বিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু করি। এরমধ্যে ২৪টি বিদ্যুত্ কেন্দ্র উত্পাদন শুরু করেছে। বাকী কেন্দ্রগুলোর নির্মাণ কাজ খুব দ্রুত শেষ হবে এবং বিদ্যুত চলে আসবে। এছাড়া আরও ৫ হাজার ৮৫৭ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৩৩টি বিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণের কার্যাদেশ প্রদান প্রক্রিয়াধীন আছে।
গ্যাস ও কয়লা-ভিত্তিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বেসরকারি খাতে ৩টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণের লক্ষ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। রূপপুরে ২০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন পারমাণবিক বিদ্যুত্ নির্মাণকেন্দ্র স্থাপনে রাশিয়ার সাথে সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ভারত, মিয়ানমার ও ভুটান থেকে বিদ্যুত্ আমদানির প্রক্রিয়া চলছে।
সাড়ে চার লক্ষ নতুন গ্রাহক সংযোগ পেয়েছেন।
গ্যাস উত্পাদন ও বিতরণ খাতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ফলে, দৈনিক ৩৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্পাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।
সুন্দলপুর, সেমুতাং, সালদানদী ও ফেঞ্চুগঞ্জ গ্যাস ক্ষেত্রে কূপ খনন সম্পন্ন হয়েছে। এগুলো থেকে দৈনিক ৮৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্পাদন শুরু হবে।
বাংলাদেশ গ্যাস আইন ২০১০ প্রণীত হয়েছে। বাপেক্সকে শক্তিশালী করা হয়েছে। নতুন আধুনিক ড্রিলিং রিগ ও একটি ওয়ার্কওভার রিগ ক্রয় করে বাপেক্সের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে।
বৃহত্তর চট্টগ্রাম ভিত্তিক কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেড এবং দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে গ্যাস সরবরাহ করতে সুন্দরবন গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেছি।
সম্মানিত দেশবাসী,
আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম অঙ্গীকার ছিল খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কৃষি উত্পাদন বৃদ্ধি করা। সরকার তিনবছরে এই অঙ্গীকার পূরণে অনেকটাই সফল হয়েছে।
খাদ্য গুদামগুলোতে রেকর্ড ১৪ লক্ষ ৭৬ হাজার ১১৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ রয়েছে। উত্তরাঞ্চলে ১ লক্ষ ১০ হাজার টন ধারণ ক্ষমতার ১৪০টি খাদ্য গুদামসহ সারা দেশে ১ লক্ষ ৩৫ হাজার মেট্রিক টন ধারণ ক্ষমতার নতুন খাদ্য গুদাম নির্মাণ করা হয়েছে।
ওএমএস, ভিজিডি, ভিজিএফ, জিআর, কাজের বিনিময়ে খাদ্য ইত্যাদি কর্মসূচীর পরিধি ও বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে। উপকারভোগীর সংখ্যা ৩ কোটি থেকে ৪ কোটি ১৭ লক্ষে উন্নীত হয়েছে।
স্বল্প ও সীমিত আয়ের জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ১২ লক্ষ ফেয়ার প্রাইস কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গার জনপদ উত্তরবঙ্গে আজ মানুষ দু’বেলা পেটভরে খেতে পাচ্ছে।
ইনশাআল্লাহ ২০১৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উদ্বৃত্ত খাদ্যের দেশে পরিণত হবে।
আমি বিশ্বাস করি, কৃষি ও কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। সে বিশ্বাস থেকে সরকার কৃষি উন্নয়নে সর্বাত্নক পদক্ষেপ নিয়েছে।
দেশে প্রথমবারের মত ১ কোটি ৪০ লাখ কৃষককে কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মত কৃষক ১০ টাকায় ব্যাংক একাউন্ট খোলার সুযোগ পেয়েছেন এবং ইতোমধ্যে ৯৩ লাখ ৫০ হাজার কৃষক তাদের একাউন্ট খুলেছেন। আমরাই প্রথম বর্গাচাষীদের বিনা জামানতে কৃষি ঋণ বিতরণ শুরু করেছি।
সার্কভুক্ত দেশগুলোতে মানসম্মত বীজের প্রাপ্যতা নিশ্চিতের জন্য ‘সার্ক সীড ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চুক্তি করা হয়েছে।
নন ইউরিয়া সারের দাম তিন দফা কমানো হয়েছে। ৮০ টাকা কেজি টিএসপি’র বর্তমান মূল্য ২২ টাকা। এমওপি’র দাম ছিল ৭০ টাকা, এখন ১৫ টাকা। ডিএপি’র কেজি ৯০ টাকা থেকে কমিয়ে ২৭ টাকা করা হয়েছে।
কৃষকের কাছে সময় মত সুলভ মূল্যে সারের প্রাপ্তি নিশ্চিত করা হয়েছে। ১৪ লক্ষ কৃষককে বিনামূল্যে সার দেওয়া হয়েছে। তিন বছরে সার, বিদ্যুত্ ও ডিজেলে ১৬ হাজার ৩৭৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে।
আমাদের গৃহীত পদক্ষেপগুলোর সুফল কৃষক পেয়েছে। যে কারণে ২০১০-১১ অর্থবছরে চাল উত্পাদন ৩ কোটি ৩৫ লাখ ৪১ হাজার টনে উন্নীত হয়েছে। সেচ মওসুমে বিদ্যুত্ সরবরাহ বৃদ্ধি করায় চলতি আমন মওসুমে বাম্পার ফলন হয়েছে।
কৃষি তথ্যকেন্দ্র, ভিডিও কনফারেন্স ও এসএমএসের মাধ্যমে কৃষক তার সমস্যার সমাধান পাচ্ছেন। জৈবপ্রযুক্তি প্রয়োগ করে পাটের জীবন রহস্য আবিস্কার করায় উন্নত পাটের জাত উদ্ভাবনে অগ্রগতি হয়েছে।
মত্স উত্পাদন বেড়েছে ২০ শতাংশ। জাটকা নিধন বন্ধ করায় ইলিশ উত্পাদন বেড়েছে ১৭ শতাংশ। পোলট্রি, হ্যাচারি ও গো-খামার স্থাপনে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় মানুষের আমিষ গ্রহণের পরিমাণ বেড়েছে।
প্রিয় দেশবাসী,
আমাদের সরকার নিঃস্ব ও হতদরিদ্র মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়। উন্নত দেশগুলো যখন সামাজিক নিরাপত্তা সংকুচিত করছে তখন সীমিত সম্পদ নিয়েও আমরা সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতা বৃদ্ধি করছি।
১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর আমরাই প্রথম বয়স্কভাতা, দুঃস্থ নারী ভাতা, মুক্তিযোদ্ধাভাতাসহ সামজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি চালু করি। এবার সরকার গঠনের পর সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিধি ও উপকারভোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যহারে বাড়ানো হয়েছে।
অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ভাতা ভোগীর সংখ্যা ১ লক্ষ থেকে দেড় লক্ষে উন্নীত করা হয়েছে।
মাতৃকালীন ভাতাভোগীর সংখ্যা ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ৬০ হাজার থেকে ২০১১-১২ অর্থবছরে ১ লক্ষ ১২০০ জনে উন্নীত করা হয়েছে।
বয়স্ক ভাতাভোগীর সংখ্যা সাড়ে ২২ লক্ষ থেকে ২৪ লক্ষ ৭৫ হাজারে উন্নীত করা হয়েছে।
ভিজিডি কর্মসূচির আওতায় সাড়ে সাত লক্ষ নারীকে মাসিক ৩০ কেজি করে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
ভিজিএফ কার্ড সংখ্যা ৭০ লক্ষ ৬৭ হাজার থেকে থেকে ১ কোটি ৭৬ হাজারে উন্নীত হয়েছে।
ছিন্নমূল মানুষের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে গৃহীত ‘ঘরে ফেরা’ কর্মসূচি বিএনপি-জামাত জোট সরকার বন্ধ করে দিয়েছিল। আবারো এই কর্মসূচি চালু করেছি।
একটি বাড়ী একটি খামার কর্মসূচির আওতায় ১০ লক্ষ ৪৩ হাজার পরিবার সরাসরি সুফলভোগী হয়েছে।
১৯৯৭ সালে গৃহীত ‘আশ্রয়ণ প্রকল্প’ এর মাধ্যমে দুই দফায় মোট ১ লক্ষ ৯ হাজার পরিবার পুনর্বাসিত হয়েছে।
উপকূলীয় অঞ্চলে গৃহহীন মানুষের জন্য পাকা ঘর নির্মাণ করে প্রায় ৯ হাজার পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে।
প্রিয় দেশবাসী,
আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল ২০১৪ সালের মধ্যে দেশকে নিরক্ষরতামুক্ত করা। শিক্ষার মানোন্নয়নের মাধ্যমে একটি শিক্ষিত ভবিষ্যত প্রজন্ম গড়ে তোলা।
ইতোমধ্যে ৯৯.৬৪ শতাংশ শিশুর বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত হয়েছে। ৩১ হাজার ২০৮টি সরকারি, রেজিস্টার্ড ও কম্যুনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের জন্য প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করেছি। ঝরে পড়া শিশুর সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে।
সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জন্য প্রায় ৬৩ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
বছরে ৭৮ লক্ষ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে।
মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত সকল ছাত্র-ছাত্রীকে বছরের প্রথম দিনেই বিনামূল্যে ২২ কোটি ১৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৩৮৩ টি পাঠ্যপুস্তক দেওয়া হয়েছে।
রেজিস্টার্ড ও কমিউনিটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতন ভাতা স্কেলের প্রারম্ভিক ১০০ শতাংশ প্রদান করা হচ্ছে।
প্রায় সাড়ে চার হাজার সরকারি ও রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ ও পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে।
৫০৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাল্টিমিডিয়াসহ ল্যাপটপ সরবরাহ করা হয়েছে।
পাঠ্যপুস্তকে জাতির পিতা, মহান মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও জাতীয় বীরদের সঠিক ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ণ করা হয়েছে।
ভর্তি সংকট সমাধানে ঢাকায় ১১টি মাধ্যমিক স্কুল ও ৬টি কলেজ নির্মাণের কাজ চলছে।
১০০টি মাদ্রাসায় ভোকেশনাল শিক্ষা কোর্স ও ৩১টি মাদ্রাসায় ৪টি করে অনার্স কোর্স চালু হয়েছে।
ঢাকায় ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস, রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুরে ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় ও শিলাইদহে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছি।
উপজেলা সেবাকেন্দ্র, বিশ্ববিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয় ও বিদ্যালয় পর্যায়ে ৩,০৪৭টি আইসিটি ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
শিক্ষা সহায়তা দিতে ১ হাজার কোটি টাকার শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছি।
সম্মানিত দেশবাসী,
আমাদের নির্বাচনী ওয়াদা ছিল সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ১৩ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক পুনরায় চালু করা হয়েছে যা বিএনপি-জামাত জোট সরকার বন্ধ করে দিয়েছিল।
১৩৬টি ইউনিয়নে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র নির্মিত হয়েছে। ২০০টি নির্মাণের কাজ চলছে।
৩০১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৩১ থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। ১০৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যায় এবং তিনটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার কাজ চলছে।
নতুন ১২টি উপজেলায় ৩১ শয্যাবিশিষ্ট নতুন হাসপাতাল নির্মাণ করা হয়েছে যেগুলোকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হবে।
জেলা পর্যায়ের তিনটি হাসপাতাল ৫০ থেকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। ১৮টি জেলা হাসপাতালকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সমপ্রসারণ ও আধুনিকায়ন ও বার্ন ইউনিটে আইসিইউ চালু করা হয়েছে।
ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ইএনটি এবং হেড-নেক ক্যান্সার হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্টার অব এক্সিলেন্স এ পরিণত করছি।
গোপালগঞ্জে শেখ সায়েরা খাতুন মেডিকেল করেজ ও হাসপাতাল এবং শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা হয়েছে।
খুলনায় বিএনপি-জামাত আমলে বন্ধ হয়ে যাওয়া শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতাল চালু করেছি।
নবজাতক মৃত্যুর হার হ্রাস পেয়ে এখন প্রতি হাজারে ৩৭ জন। পাঁচ বছর পর্যন্ত শিশু মৃত্যুর হার কমে এখন প্রতি হাজারে ৬৫ জন।
গড় আয়ু বেড়ে ৬৭ বছর হয়েছে। নারীর ক্ষেত্রে তা ৬৮.৩ শতাংশ।
জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ ও কুষ্ঠ উচ্ছেদ কর্মসূচিতে আমাদের সাফল্য প্রায় শতভাগ।
৫টি ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি নির্মাণ করা হয়েছে। আরো ১০টি ইনস্টিটিউট নির্মাণের পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে।
চট্টগ্রামে নাসিং কলেজ স্থাপিত হয়েছে। মানিকগঞ্জে একটি নার্সিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউট নির্মাণাধীন। আরও ৬টি নতুন নাসির্ং কলেজ ও ১৫টি নার্সিং ইনস্টিটিউটকে নার্সিং কলেজে উন্নীত করার পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে।
এপর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার চিকিত্সক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
২০১০ এ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে জাতীয় পর্যায়ে শিশু মৃত্যুর হ্রাস সংক্রান্ত এমডিজি-৪ অর্জনের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ জাতিসংঘ এমডিজি পুরস্কার লাভ করেছে।
স্বাস্থ্যখাতের গুণগত উন্নয়নে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার স্বীকৃতি হিসাবে আমাকে আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন, সাউথ-সাউথ নিউজ ও জাতিসংঘের আফ্রিকা সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কমিশন ‘সাউথ সাউথ এ্যাওয়ার্ড ২০১১’ প্রদান করে।
প্রিয় দেশবাসী,
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে যথেষ্ট অগ্রগতি অর্জন করেছি।
তিন বছরে এগারটি বৃহত্ সেতু নির্মাণ করা হয়েছে । এর মধ্যে আছে, দপদপিয়ায় আব্দুর রব সেরনিয়াবাত সেতু, ঢাকার বসিলায় শহীদ বুদ্ধিজীবী সেতু, টঙ্গীতে শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার উড়াল সেতু, শীতলক্ষ্যার ওপর সুলতানা কামাল সেতু, কর্ণফুলী নদীর ওপর শাহ আমানত সেতু, হালুয়াঘাটে ভোগাই সেতু, মাদারীপুরে শেখপাড়া সেতু, পিরোজপুরে নাজিরপুর সেতু, গৌরনদীতে পয়সারহাট সেতু, জামালপুরে ব্রহ্মপুত্র সেতু ও পাইকগাছা-কয়রা সড়কে কয়রা সেতু।
রংপুর-কুড়িগ্রাম তিস্তা সেতু নির্মাণ কাজ চলছে।
মাদারীপুরে আড়িয়াল খাঁ নদীর ওপর ৭ম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুর নির্মাণ কাজ শীঘ্রই শুরু হবে।
পদ্মা সেতু প্রকল্পের মূল সেতু, নদীশাসন, সেতুর উভয় প্রান্তের সংযোগ সড়ক এবং বিস্তারিত ডিজাইন চূড়ান্ত হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান প্রায় সম্পন্ন হয়েছে।
পাটুরিয়া-গোয়ালন্দ অবস্থানে প্রায় ৬ কিলোমিটার দীর্ঘ ২য় পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রতিনিয়ত রাজধানীর যানজট মানুষের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। সে কারণেই যানজট নিরসনের পদক্ষেপ নিয়েছি। ।
রাজধানীর যানজট নিরসনে বিমানবন্দর থেকে যাত্রাবাড়ী পর্যন্ত ২৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণ কাজ চলছে।
মিরপুর, বনানী, কুড়িলসহ বিভিন্ন ফ্লাইওভারের কাজ এগিয়ে চলেছে।
এশিয়ান হাইওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় বাংলাদেশের তিনটি রুট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, ঢাকা-ময়মনসিংহ, রংপুর বিভাগীয় সড়ক, চট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়ক, নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও নবীনগর-চন্দ্রা সড়ক চার-লেনে উন্নীত করার কাজ দ্রুত এগিযে চলছে।
যানজট নিরসনে ৫৩০টি নতুন বাস আমদানি করা হয়েছে। রাজধানীতে ১৪টি স্কুল বাস ও মহিলা বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে।
সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ১৮ হাজার পেশাদার গাড়ী চালককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
রেলওয়েকে আধুনিকায়ন করার উপর আমরা বিশেষভাবে জোর দিয়েছি।
85 কিলোমিটার রেলপথ মিটার গেজ থেকে ডুয়েল গেজে রূপান্তর করা হয়েছে। ১৫০টি রেল ব্রিজ নির্মাণ ও পুনঃনির্মাণ সমাপ্ত হয়েছে। ৩৬টি রেলওয়ে স্টেশন পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে। ৯টি লোকোমেটিভ ও ৫৫টি ওয়াগন সংগ্রহ এবং ৪৫টি লোকোমোটিভ ও ২২০টি ওয়াগন সংস্কার করা হয়েছে।
ঢাকা-রংপুর, ঢাকা-চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন লাইনে ৮ জোড়া নতুন ট্রেন চালু করেছি।
দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে।
ফেরি, পন্টুন, ওয়াটার বাস ও জাহাজ নির্মাণের মাধ্যমে নৌ-পরিবহন ব্যবস্থায় ব্যাপক উন্নতি হয়েছে।
নৌ-পথের নাব্যতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯টি ড্রেজার সংগ্রহ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬৩ লক্ষ ঘনমিটার ড্রেজিং সম্পন্ন হয়েছে।
৪টি অভ্যন্তরীণ নদী বন্দর স্থাপন ও ২টি আধুনিকায়ন করা হয়েছে। ২টি কন্টেইনার নৌ-বন্দর স্থাপিত হয়েছে। কাঁচপুর, সন্দ্বীপ ও কুমিরায় নৌ-যানের ল্যান্ডিং সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা শহরের চারিদিকে ৭০ কিলোমিটার নৌ-পথ সৃজন ও ঢাকার আশপাশের নদী-তীরের অবৈধ দখল রোধে ২১ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে।
ঢাকার বৃত্তাকার নৌপথ চালানোর জন্য সদরঘাট-গাবতলী রুটে ২টি ওয়াটার বাস সংযোজিত হয়েছে।
ঢাকা-ব্যাংকক, ঢাকা-দিল্লী ও চট্টগ্রাম-ব্যাংকক রুট এবং সিলেট-লন্ডন রুটে সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট চালু করা হয়েছে।
বিমানের জন্য দুইটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ উড়োজাহাজ সংযোজন এবং একটি ৩১০-৩০০ ও দুইটি ৭৩৭-৮০০ উড়োজাহাজ সংগ্রহ করা হয়েছে। আরও ২টি উড়োজাহাজ সংগ্রহের প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
পর্যটন শিল্পের উন্নয়ন ও বিকাশে জাতীয় পর্যটন নীতিমালা প্রণীত হয়েছে। কক্সবাজার, কুয়াকাটা, বান্দরবন, জাফলংসহ পর্যটনকেন্দ্রগুলোর অবকাঠামো ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হচ্ছে।
প্রিয় দেশবাসী,
শিল্প ও বাণিজ্যের উন্নয়নে আমাদের সরকার সবধরণের সহায়তা করে যাচ্ছে। বিশ্বমন্দার প্রভাব মোকাবেলার জন্য ৩,৪২৪ কোটি টাকার প্রথম প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়িত হয়েছে। দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন অব্যাহত আছে।
সরকারি ও বেসরকারি খাতের শিল্প স্থাপনকে উত্সাহিত করার লক্ষ্যে শিল্প নীতি ঘোষণা করা হয়েছে।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বিকাশে ৫৫ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
বার্ষিক ৫ লক্ষ ৮০ হাজার টন ইউরিয়া সার উত্পাদন ক্ষমতা সম্পন্ন শাহজালাল ফার্টিলাইজার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে চীনের সাথে চুক্তি সই করেছি। আরও ৩টি ইউরিয়া সার কারখানা নির্মাণের লক্ষ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিসিকের উদ্যোগে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প খাতে ৭ হাজার ৪৯৬ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে।
ঔষুধ শিল্পের কাঁচামাল উত্পাদনের জন্য মুন্সীগঞ্জের গজারিয়াতে শিল্প পার্ক স্থাপনের কাজ চলছে।
সিরাজগঞ্জ, কুষ্টিয়া, কুমিল্লা ও মিরেশ্বরাই এ নতুন শিল্প পার্ক নির্মাণ কাজ এগিয়ে চলেছে।
বিএনপি-জামাত আমলে বন্ধ করে দেওয়া খুলনার পিপলস জুট মিলস এবং সিরাজগঞ্জের কওমী জুট মিলস চালু করেছি। বিজেএমসি’র ২৭টি পাটকলের মধ্যে ২৩টি চালু হয়েছে। অচিরেই আরও তিনটি চালু হবে।
বিটিএমসি’র ১৮টি বন্ধ মিলের মধ্যে ৮টি চালু করেছি।
বিনিয়োগ প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পেয়েছে ৪১ শতাংশ। ২০১১-১২ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে প্রায় ১৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ হয়েছে।
তিন বছরে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ ২৬৬ কোটি ডলার। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের ৫ বছরে ছিল ২৬০ কোটি ডলার।
প্রিয় দেশবাসী,
তথপ্রাপ্তি জনগণের অধিকার। আমরাই প্রথম তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন ও তথ্য কমিশন গঠন করেছি।
রেডিও-টেলিভিশন ও সংবাদপত্র যেকোন সময়ের তুলনায় পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করছে।
আমরা স্থানীয় সরকার কাঠামোকে শক্তিশালী করার পদক্ষেপ নিয়েছি।
ইউনিয়ন পরিষদগুলোকে দক্ষ ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ৪৯৪ কোটি টাকা ব্যয়ে বিশেষ কার্যক্রম চলছে।
জেলা পরিষদগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অচিরেই জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন গঠন করা হয়েছে।
আরো চারটি পৌরসভা গঠন করা হয়েছে।
৭৪২ টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ৭৭১টি গ্রোথ সেন্টার, প্রায় ৬৯ কিলোমিটার ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ এবং ১১,৬৩৭ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ, ১৮ হাজার কিলোমিটার সড়ক এবং ৫১ কিলোমিটার ব্রিজ ও কালভার্ট পুনঃনির্মাণ করা হয়েছে।
৮৭ হাজার ৩৪৬টি ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে ৪১ হাজার একর কৃষি খাস জমি প্রদান করা হয়েছে।
প্রায় ৬ লক্ষ বেকার যুবককে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ন্যাশন্যাল সার্ভিস কর্মসূচীর আওতায় কুড়িগ্রাম, বরগুনা ও গোপালগঞ্জ জেলার ৫৫ হাজার ২৫৪ জন যুবকের অস্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।
কর্মসংস্থান ব্যাংক থেকে বিনা জামানতে ১ লক্ষ টাকা ঋণ সুবিধা যুবকদের দেওয়া হচ্ছে।
প্রিয় দেশবাসী,
দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশী নারী যারা অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক শোষণ ও বঞ্চনার শিকার।
গত নির্বাচনে বিপুল সংখ্যক নারী ভোটার আমাদেরকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছিলনে।
আমরা সরকার গঠনের পর নারীর ক্ষমতায়নকে অগ্রাধিকার এজেন্ডা হিসাবে গ্রহণ করেছি।
একটি যুগোপযোগী নারী উন্নয়ন নীতি প্রণয়ন করা হয়েছে।
নারীর দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা, শ্রমবাজারে ব্যাপক অংশগ্রহণ ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
মাতৃত্বকালীন ছুটি ৪ মাস থেকে ৬ মাসে উন্নীত করেছি।
নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে ‘পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন, ২০১০’ প্রণয়ন করা হয়েছে।
বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ ও আইন সভাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই নারীর অবস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে। সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা ৫০ এ উন্নীত করা হয়েছে।
প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদেতিনজন করে নারী সদস্য নির্বাচিত।
ইভটিজিংসহ নারীর প্রতি সামাজিক অপরাধ রোধে পদক্ষেপ নিয়েছি।
জাতীয় শিশুনীতি ২০১১ প্রণয়ন করা হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবেলায় ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হয়েছে। নিজস্ব ফান্ড থেকে প্রতিবছর ৭০০ কোটি টাকা করে তিন বছরে ২১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ও ৬২টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।
উন্নয়ন সহযোগীদের অংশগ্রহণে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার লক্ষ্যে ১১ কোটি ৩৫ লক্ষ ডলারের বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন সক্ষমতা তহবিল গঠিত হয়েছে। ট্রাস্ট ফান্ড আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।
পরিবেশ আদালত আইন, ২০১০ এবং পরিবেশ সংরক্ষণ (সংশোধন) আইন, ২০১০ প্রণয়ন করা হয়েছে।
প্রিয় দেশবাসী,
সরকারের প্রধান দায়িত্ব জনগণের জানমালের হেফাজত করা। আমরা আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছি।
বাংলাদেশে এখন একই সময়ে ৫০০ স্থানে বোমা হামলার ঘটনা ঘটে না। বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট আমলের মত বিরোধীদলের এমপিদের নিহত হওয়ার মত ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটে না। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মত পৈশাচিক ঘটনার সৃষ্টি হয় না।
২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ চলছে। এজন্য নতুন আইন তৈরি করা হয়েছে।
পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শিল্প এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ ইউনিট গঠন করা হয়েছে।।
পুলিশের ৫২টি মডেল থানা, ১০টি নতুন তদন্ত কেন্দ্র ও ৩টি নতুন থানা স্থাপন করা হয়েছে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ, মেরিন পুলিশ, পৃথক তদন্ত, ইউনিট, জঙ্গীদমনে ন্যাশনাল পুলিশ ব্যুরো অব কাউন্টার টেরোরিজমসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ সংখ্যক শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ।
আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর ২০ হাজার ৭২৩ জন সদস্য জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করছেন। ফলে, বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হচ্ছে।
সশস্ত্রবাহিনীর আধুনিকায়নে সরকার সম্ভাব্য সবকিছুই করছে। সেনাবাহিনীর জন্য প্রয়োজনীয় যুদ্ধসরঞ্জাম কেনার কাজ অব্যাহত আছে।
বিমানবাহিনীর জন্য বেশকিছু যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার কেনা হয়েছে। বিমানবাহিনীতে ‘ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র’ অন্ত্মর্ভুক্তি এবং ‘বঙ্গবন্ধু এ্যারোনটিক্যাল সেন্টার’ স্থাপন করা হয়েছে।
নৌবাহিনীকে একটি ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসাবে তৈরির কাজ চলছে।
দক্ষ সামরিক প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য ভাটিয়ারীতে বিএমএ বঙ্গবন্ধু কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়েছে।
ভূমিহীন ও অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের জন্য ২ হাজার ৯১৫ ইউনিট আবাসন নির্মাণের প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা সত্মম্ভ নির্মাণকাজ বিএনপি-জামাত বন্ধ করে দিয়েছিল। তা আবার শুরু হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর নির্মাণ করা হচ্ছে।
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন দেশের বিশিষ্ট নাগরিক ও সংগঠনকে সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির অবাস্তবায়িত বিষয়গুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চুক্তি বাস্তবায়ন কমিটি করা হয়েছে। সেখানে ভূমি কমিশন কাজ করে যাচ্ছে।
পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন বিভাগ জেলা পরিষদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
সম্মানিত দেশবাসী,
নির্বাচনের আগে কথা দিয়েছিলাম, সরকার গঠনের সুযোগ দিলে আমরা তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণ করব যা হবে তরুণ প্রজন্মের জন্য আমাদের উপহার।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ৪ হাজার ৫০১টি ইউনিয়নে তথ্য ও সেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। প্রতি মাসে ৪০ লক্ষ মানুষ এসব সেবাকেন্দ্র থেকে সেবা পাচ্ছে। গ্রামে গ্রামে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। উদ্যোক্তাদের মাসিক আয় গড়ে দুই কোটি টাকা।
সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে সরকারী উদ্যোগে দোয়েল ল্যাপটপ উত্পাদন শুরু হয়েছে।
গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ব্যাংকিং সুবিধা নিশ্চিতে মোবাইল ব্যাংকিং পদ্ধতি চালু হয়েছে।
ডাক বিভাগ কর্তৃক ইলেকট্রনিক মানিঅর্ডার চালু হয়েছে।
অনলাইনে আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও জমাদানের ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছি।
উপজেলা ও জেলা হাসপাতালগুলোতে অনলাইন ও মোবাইল স্বাস্থ্যসেবা চালু হয়েছে।
এখন বিদ্যুত্, পানি, গ্যাসসহ বিভিন্ন সেবার বিল অনলাইন ও মোবাইল ফোনে দেওয়া যায়।
সরকারি ক্রয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গতি বৃদ্ধির জন্য ই-টেন্ডার চালু করেছি।
মাঠ প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাথে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসক অফিসের ভিডিও কনফারেন্সিং ও ই-সার্ভিস চালু করা হয়েছে।
সকল জেলায় জেলা ই-সেবা কেন্দ্র চালু হয়েছে।
প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল বই ই-বুকে রূপান্তর করা হচ্ছে।
পরীক্ষার ফল ও নিয়োগ পরীক্ষার ফল ওয়েবসাইট, এসএমএস ও ই-মেইলে দেওয়া হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত রেজিস্ট্রেশন অনলাইনে সম্পাদন হচ্ছে।
তথ্য প্রযুক্তির বিকাশে আইসিটি আইন ও আইসিটি নীতি প্রণয়ন করেছি।
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি হাই-টেক পার্ক স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।
মাধ্যমিক পর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
দেশের ৯৯ শতাংশ জনগণ ও ৯৫ শতাংশ এলাকা টেলিকম সার্ভিস ও নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হয়েছে।
আইপি ফোনের জন্য ৩৯টি লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে।
তরুন প্রজন্মের ক্রীড়ানৈপূণ্য বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আন্ত্মঃস্কুল ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে।
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১১ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও খুলনাসহ বিভিন্ন স্টেডিয়ামগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন করা হয়েছে।
ঢাকা শহরের ক্রীড়া অবকাঠামোগুলোর সংস্কার ও আধুনিকায়ন করা হয়েছে।
ক্রিকেট, ফুটবল, হকি, জিমনাষ্টিকস, এ্যাথলেটিক, টেনিস, কাবাডিসহ বিভিন্ন ক্রীড়ায় আমাদের খেলোয়াড়রা দেশের জন্য সাফল্য নিয়ে আসছেন।
আমাদের মেয়েরা ক্রিকেটে ওয়ান-ডে স্ট্যাটাস অর্জন করেছে। আমি তাদের অভিনন্দন জানাচ্ছি।
আমাদের বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ছেলে-মেয়েরা এথেন্সে অনুষ্ঠিত বিশ্ব স্পেশাল অলিম্পিকস ২০১১ এ অংশ নিয়ে ২৯টি স্বর্ণ, ১২টি রৌপ্য ও ৩টি ব্রোঞ্জসহ ৪৪টি পদক জয় করেছে। তাদেরকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।
আশা করি, ভবিষ্যতে আমাদের খেলোয়াড়রা আরো সাফল্য নিয়ে আসবে।
ভাই ও বোনেরা আমার,
আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূল মন্ত্রই হচ্ছে, ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব কারও সাথে বৈরিতা নয়’।
এই নীতির আলোকে সকল রাষ্ট্রের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়াসহ বিশ্বে শান্তি ও সমপ্রীতি রক্ষায় বাংলাদেশের অবস্থান ও ভূমিকা জাতিসংঘ সহ সর্বত্র প্রশংসিত হয়েছে।
জঙ্গীবাদ, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির দেশ হিসেবে, মানবাধিকার রক্ষাকারী দেশ হিসবে বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেছে। নেতিবাচক পরিচয় ঘুচিয়ে বাংলাদেশ আজ অগ্রসরমান, গণতান্ত্রিক, অসামপ্রদায়িক ও মানবাধিকার রক্ষাকারী দেশ হিসেবে পরিচিত।
সেপ্টেম্বর ২০১১ এ অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের ৬৬তম অধিবেশনে আমি বিশ্বের জন্য একটি ‘শান্ত্মির মডেল’ উপস্থাপন করি যার মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে “জনগণের ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন”। জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশন এই মডেলকে রেজুলুশন হিসাবে গ্রহণ করেছে।
আমরা প্রতিবেশী দেশসমূহের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করেছি।
তিনবিঘা করিডোর ২৪ ঘন্টা খোলা রাখার ব্যবস্থা করেছি। ভারতের সাথে সীমানা চিহ্নিতকরণ, বাংলাদেশী পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারসহ অমীমাংসিত সমস্যাসমূহের সমাধান করেছি।
চীনের সাথে অর্থনৈতিক ও কারিগরি সহযোগিতার চুক্তি স্বাক্ষর, কাজিরটেক সেতু নির্মাণে পত্র বিনিময় এবং তেল ও গ্যাস সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।
আমার মিয়ানমার সফরকালে বাংলাদেশে অবস্থানরত অনথিভুক্ত শরণার্থীদের তাদের দেশের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি ও ফিরিয়ে নেয়ার বিষয়ে মিয়ানমার সরকার সম্মতি দিয়েছে। বাংলাদেশী পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিয়েছে।
সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত সহ মধ্যপ্রাচ্যের ভ্রাতৃপ্রতিম মুসলিম দেশগুলোর সাথে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে জনশক্তি রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
ভারত ও মিয়ানমারের সাথে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের লক্ষ্যে সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালতে স্থায়ী সালিস ট্রাইব্যুনালে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের মামলা দাখিল করা হয়েছে।
জাতিসংঘের ৩২টি সংস্থায় বাংলাদেশ নির্বাচিত হয়ে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।
তিন বছরে জনশক্তি রফতানি হয়েছে ১৪ লক্ষ ৩৩ হাজার জন।
বিশ্ব মন্দা সত্ত্বেও তিন বছরে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের পাঁচ বছরের থেকে বেশী জনশক্তি রফতানি ও বেশি রেমিটেন্স অর্জন হয়েছে।
নতুন শ্রম বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর ফলে পোল্যান্ড, পাপুয়া নিউগিনি, আলজেরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, এ্যাঙ্গোলা ও কঙ্গোয় জনশক্তি প্রেরণ শুরু হয়েছে।
বন্ধ থাকা মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার উন্মুক্তকরণে অগ্রগতি হয়েছে। সেদেশে অবৈধভাবে বসবাসরত প্রায় ৩ লক্ষ বাংলাদেশীকে বৈধকরণ প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পথে।
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
হজ্জ ব্যবস্থাপনায় উন্নয়ন, অনলাইনে আবেদনের সুযোগ ও যুগোপযোগী হজ্জ নীতির কারণে ২০১১ সালে সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ৫ হাজার ৬১৭ জন হজ্জ পালন করেছেন। আর্থিক সচ্ছলতা বাড়ায় হজ্বযাত্রীর সংখ্যা ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
গণতন্ত্রকামী দেশবাসী,
জাতীয় সংসদকে আমরা দেশ পরিচালনার মূলকেন্দ্র হিসাবে গ্রহণ করেছি।
নবম জাতীয় সংসদে ১৫৩ টি আইন পাশ হয়েছে।
সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংসদের প্রথম অধিবেশনেই সবগুলো সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠিত হয়। কমিটির সভাপতি হিসেবে সরকারী দলের পাশাপাশি প্রধান বিরোধী দল থেকে দুই জন এবং মহাজোটের শরীকসহ অন্যান্য দলের ৫ জনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
‘সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন’ চালু করা হয়েছে।
প্রিয় দেশবাসী,
স্বাধীনতা পর আমরা চল্লিশ বছর অতিক্রম করেছি। বিজয়ের সাড়ে তিন বছরের মাথায় আমরা হারিয়েছি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে। তারপর একুশ বছর চলেছে স্বৈরশাসন। জনসেবা নয় দুর্নীতিই ছিল ক্ষমতাসীনদের একমাত্র নীতি। তারপর ১৯৯৬ সালে দেশে আবার ফিরে আসে শান্তি, গণতন্ত্র উন্নয়নের সুবাতাস।
২০০১ সালে দেশ আবারও চলে যায় এক অন্ধকার সময়ে। রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করা, দমন-পীড়ন, নির্যাতন, জঙ্গীবাদের উত্থান, বোমা-গ্রেনেড হামলা আর লাগামহীন দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে তার মর্যাদা হারায়।
বাংলাদেশকে আমরা আবার ফিরিয়ে এনেছি শান্তি, উন্নয়ন আর প্রগতির ধারায়। দারিদ্র বিমোচন, পল্লী উন্নয়ন, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে একটি অনুকরণীয় মডেল যা জাতিসংঘের মহাসচিবসহ বিশ্ব নেতারা স্বীকার করেছেন।
২০২১ সাল-আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। সুবর্ণজয়ন্তীতে আমরা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য এমন একটি দেশ গড়ে তুলতে চাই যে দেশ হবে ক্ষুধা, দারিদ্র ও নিরক্ষরতামুক্ত সোনার বাংলা। যে দেশ হবে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক দেশ - ডিজিটাল বাংলাদেশ।
বিরোধীদলের প্রতি আমার অনুরোধ, সংঘাতের রাজনীতির পথ পরিহার করুন। আসুন, দেশ ও জনগণের স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি।
আমি বিশ্বাস করি, যে জাতি রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা আনতে পারে, সে জাতির উন্নয়ন কেউ রুখতে পারবে না।
ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামে আমাদের বিজয় হবেই, ইনশাআল্লাহ। সবাইকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং দেশবাসী আপনাদের কাছে আমি দোওয়া চাচ্ছি, আপনারা সবাই ভাল থাকুন।
খোদা হাফেজ।
জয়বাংলা। জয়বঙ্গবন্ধু।
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1390)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
January
(4234)
-
▼
Jan 05
(159)
- ইচ্ছা পূরণের প্রস্তুতি by শাহ আহমদ রেজা
- মন্ত্রীদের আলগা কথা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেঃ অনিশ্চয়তা ...
- ভয়াবহ আকার নিচ্ছে গ্যাস সঙ্কটঃ বিকল্প না খুঁজে কূপ...
- পিছিয়ে নেই সিএনজিচালিত বাসও-নির্ধারিত হার না মেনে ...
- মজার প্রাণী শজারু by শরীফ খান
- পরিসংখ্যান ব্যুরো সংস্কার-বিলম্বিত উদ্যোগও স্বাগত
- উপজেলা পরিষদ-বাড়তি কর্তৃত্বের প্রতিশ্রুতি
- মুর্শিদাবাদ নিছকই একটি শহর by মোহাম্মদ সাদউদ্দিন
- দক্ষিণ এশিয়ার যৌথ সমৃদ্ধি অঞ্চল-আঞ্চলিক সহযোগিতা ...
- সে আগুন ছড়িয়ে গেল by মাহবুব মোর্শেদ
- বাংলাদেশের ইতিহাসের হৃদয়ে -শিখা চিরন্তন ও জাতীয় স্...
- বিষোদ্গার ও পশ্চাদ্মুখী রাজনীতি-সমকালীন প্রসঙ্গ by...
- মনের অজান্তে মাকে মেরেছি
- বক্ষব্যাধি হাসপাতাল-অনিয়ম ও অব্যবস্থা কাম্য নয়
- নকল টাকা-অপরাধী চক্র নির্মূল হোক
- প্রাণের ফকির লালন by সিরাজ প্রামাণিক
- নতুন মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং এসএসবির ভাগ্য-প্রশাসন b...
- বাংলার দ্রোহী আবুল হুসেন by শামস শামীম
- জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাঃ সরকারের বি...
- ভাত না থাকে তো পোলাও খাও-বিশ্ব খাদ্য দিবস by উমর ফ...
- 'ক্ষুধার্থ ও নির্বোধ থাক'-সমসময় by অজয় দাশগুপ্ত
- সেন্সরবোর্ডে জমা পড়ল ‘ঘেঁটুপুত্র কমলা’ by প্রীতি ও...
- বলিউড ২০১২-অনেক ছবি এবং সানাই বাজার অপেক্ষা by ফয়...
- পর্দায় আসার আগেই মাহী ৫ ছবিতে
- হাসিনের নতুন দুই
- শেষ পর্যন্ত কি রানা’র গলাতেই!
- বাপ-ছেলের নায়িকা সারিকা
- ব্যাডমিন্টনে যৌন হয়রানির তদন্ত শুরু
- ভাগ্যগুণে বেঁচে গেল ব্রাদার্স রহমতগঞ্জ ও ফরাশগঞ্জে...
- নাফিজার স্বপ্নের চরিত্র by মীর সামী
- বিপিএলে খেলবেন আফ্রিদী ও রাজ্জাক
- দু’দিন না যেতেই বিপরীত চিত্র
- প্রথম দিনে অস্ট্রেলিয়াই এগিয়ে
- আশরাফুলের সঙ্গে বাকযুদ্ধ এক ম্যাচ নিষিদ্ধ তামিম
- ১২৯ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ
- শচীনের ৫ বছরের রেকর্ড ব্যাহত
- অপ্রতিদ্বন্দ্বী ধর্মদাসা
- পাকিস্তানকে নিয়ে ভাবনাহীন স্ট্রস
- ম্যাচের বিশেষ
- সিলেটে বিসিএস ডিজিটাল এক্সপো শুরু
- ডিএসই’তে ৪৫ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন
- বিশেষ কমিটির বৈঠক আগামীকাল
- ডেপুটি গভর্নর নিয়োগে সাক্ষাৎকার সম্পন্ন
- মে মাসে তৃতীয় ইন্দো-বাংলা বাণিজ্যমেলা
- ইলিয়াস আলীসহ ৬৬ বিএনপি নেতাকর্মীর জামিন
- স্কুলে শিক্ষার্থী ভর্তিতে অরাজকতা
- গত বছর পুঁজিবাজারে নতুন কোম্পানি এসেছে ১৩টি
- জিএসপি ফাইন্যান্সের আবেদন ৮ই জানুয়ারি
- সায়হাম টেক্সটাইলের রাইট ইস্যু ফেব্রুয়ারিতে
- নেপালের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী- বাংলাদেশ চা...
- এ মাসেই রাজশাহীতে গ্যাস সংযোগ
- সমবায় অধিদপ্তরের ৪৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিদায়ী সংব...
- নারী উন্নয়ন বিষয়ক মার্কিন প্রতিনিধিরা আসছেন আজ
- বিদ্যাকে চায় রজনী
- পাঠ্যপুস্তক পরিবহন খরচ ৪০০ টাকায় সীমাবদ্ধ না রাখার...
- টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের প্রতিবাদে মৌলভীবাজারে মানব...
- মিরসরাইয়ে ডাকাতের গুলিতে নিহত ১
- গৌরনদীতে বিএনপি নেতার ওপর হামলা
- খুন
- ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে শিশুর লাশ উদ্ধার
- পিরোজপুরে কলেজ অধ্যক্ষ আটক
- সাভারে সড়ক দুর্ঘটনায় ছাত্রের মৃত্যু
- শৈলকুপায় উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে তালা
- সুখের রহস্য by শারমীনা ইসলাম
- নবীগঞ্জে যুবদলের মিছিল ও সমাবেশ
- একজন বন্যা by জনি হক
- কুয়েটে শিক্ষক সমিতির সভাপতিসহ ৪০ প্রতিবাদী ছাত্রের...
- জেনারেল মাহবুব হাসপাতালে
- শাবি উত্তপ্ত, ভিসি’র সরে যাওয়ার ঘোষণায় তোলপাড়
- আকাশভরা সূর্য তারা by ওয়ালিউল মুক্তা
- কুমিল্লায় ‘হাইটেক’ নির্বাচন
- মানবজমিন কার্যালয়ে কাজী ফিরোজ রশিদ
- দুর্নীতির কারণে বন্ধ রাখা অর্থ ছাড় করতে যাচ্ছে এডিবি
- রোড মার্চে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে বিএনপি
- কাতারে অফিস খুলবে তালেবান !
- পন্টিং ক্লার্কের সেঞ্চুরিতে অসিদের সিডনি নিয়ন্ত্রণ
- এ ই দি নে-চোর হলেও ছিলেন কবি
- প্রস্তুতি শেষ কুসিক নির্বাচনের
- সাতক্ষীরায় জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের ধর্ষণের ...
- বিদ্যুৎ খাতে ৩০ কোটি ডলার ঋণ দেবে এডিবি
- সব সূচকে ভালো অবস্থায় রয়েছে এসআইবিএল
- বেচাকেনা বাড়ছে
- ক্যালিসের ডাবল সেঞ্চুরি
- চ্যাম্পিয়নের মতোই শুরু আবাহনীর
- জিতেই চলেছে ভিক্টোরিয়া
- জারদারিকে জুডিসিয়াল কমিশনে তলব
- ওবামার চারগুণ বেতন পান সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি
- ২০০৮-এর চেয়েও বেশি আশাবাদী ওবামা
- উপসাগরেই থাকবে মার্কিন রণতরী :ওয়াশিংটন
- ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য আয়োজন
- রিপাবলিকান রমনির শুভ সূচনা
- আড়াই বছরেও চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচন নেই by সজল জাহিদ
- সাংসদ কামাল মজুমদারের বিরুদ্ধে থানায় জিডি-তদন্ত দা...
- অনিয়ম-নিয়োগ বাণিজ্যে অনেক সাফল্য ম্লান by বদরুদ্দো...
- প্রথমবারের মতো সব কেন্দ্রে ইভিএম ব্যবহার-কুমিল্লায়...
- মেরিল স্ট্রিপের হাতে ‘গোল্ডেন বিয়ার’
- কালো বিড়ালের থাবায় রেলের জমি by সোহেল মামুন
- জরিপ বিশ্লেষণ-দেয়াল লিখন পড়ূন by দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
- বিএনপিকেও বদলে যেতে হবে
- এখনও আস্থা শেখ হাসিনা
- তীর থেকে দূরে প্রত্যাশার তরী
- মানসম্মত চ্যানেল ও কাজের প্রত্যাশা-কাজের মানের প্র...
- কুমিল্লা নির্বাচন-গণতন্ত্রের জয় হোক
- থানায় হয়রানির শিকার মানুষ-পুলিশের সেবার মান বাড়াতে...
- মহাজোট সরকারের ৩ বছর-শেয়ার মার্কেট চিত্র by সৈয়দ ম...
- বামন বৃক্ষ আদৃত মানব নয় by আলম শাইন
- যোগাযোগ-রেল নিয়ে বিভ্রান্তির অবসান হোক by সৈয়দ মাহ...
- ভারত-না ঘরকা না ঘাটকা লোকপাল বিল by পার্থ চট্টোপাধ...
- শিক্ষা-দারিদ্র্য যেন দেয়াল না হয়
- পুলিশের সেবা হ্রাস-পেশাদারিত্ব গড়ে উঠবে কবে?
- মহাজোট সরকারের ৩ বছর-শেয়ার মার্কেট চিত্র by সৈয়দ ম...
- চালচিত্র-সম্ভাব্য দু'টি ঝড়ের চোখ গুপ্তহত্যা ও তত্ত...
- চরাচর-মানুষের সঞ্চয় প্রবণতা by সাইফুল ইসলাম
- নতুন বছরে দরিদ্রদের পরিবর্তন যদি হয় by লুৎফর রহমান...
- মহাজোট সরকারের ৩ বছর-মিথ্যা প্রচারণা বন্ধ হোক by ড...
- সাদাকালো : মহাজোট সরকারের ৩ বছর-ভালোমন্দে কেটে গেল...
- হাঙ্গামার শঙ্কা, গ্রেপ্তার ৮
- সর্বোচ্চ সীমা প্রত্যাহার-ব্যাংকগুলোই এখন থেকে সুদে...
- আপনারা যদি মনঃক্ষুণ্ন হন তাহলে ক্ষমা চাইছি’-কামাল ...
- নেইমারকে ধরে রাখতে...
- বিদেশিদের দিনে উজ্জ্বল ইমরুল
- ‘ক্লান্ত’ সিটিই ধসিয়ে দিল রেডদের
- ক্যালিসের পর ডি ভিলিয়ার্স
- ক্লার্ক-পন্টিংয়ের দিন
- শেয়ারবাজারে লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমছে
- লেনদেন আরও বেড়েছে
- সংবাদ সম্মেলনে দিলীপ বড়ুয়া-গ্যাস-বিদ্যুতের অভাবে চ...
- ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে ‘ইতিবাচক’ বৈঠক
-
▼
Jan 05
(159)
-
▼
January
(4234)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment