Thursday, May 23, 2019
ধানের দামে কৃষকের কান্না by এম এম মাসুদ ঢাকা ও আশরাফুল ইসলাম
ধানের দামে কৃষকের কান্না by এম এম মাসুদ ঢাকা ও আশরাফুল ইসলাম

ক্ষেত
ভরা পাকা ধান। কেউ কেউ তা কেটে তুলছেন গোলায়। আবার শ্রমিকের অভাবে কেউ কেউ
আছেন কেটে তোলার অপেক্ষায়। কিন্তু কারও মুখে হাসি নেই। বরং চাপা কান্নায়
বুক ভারী কৃষকের। কারণ ধানের দাম নেই। জমি চাষ করতে যে খরচ হয়েছে পুরো ফলন
বিক্রি করেও তা উঠবে না। তাহলে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে জমি চাষ করে কী লাভ?
কষ্টের পুঁজি খাটানোরই বা দরকার কী? এমন প্রশ্নের কোন উত্তর পাচ্ছে না
দেশের মেরুদণ্ড খ্যাত কোটি কৃষক। কৃষি অর্থনীতি সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কৃষক
পরিস্থিতির শিকার। সরকারি নীতিও কৃষকের এমন দুরবস্থার জন্য দায়ী। এমন
অবস্থা অব্যাহত থাকলে সামনে ধান চাষই ছেড়ে দিতে পারেন অনেকে।
বোরো ধানের মণ বাজারে প্রকার ভেদে ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা। ধান কাটা শ্রমিকের মজুরি গুনতে হচ্ছে পাঁচশ থেকে নয়শ টাকা পর্যন্ত। অবস্থা এতোটাই ভয়াবহ যে, ক্ষোভে দুঃখে অভিনব এক প্রতিবাদ করেছেন টাঙ্গাইলের কৃষক আবদুল মালেক সিকদার। গত রোববার নিজের পাকা ধানের ক্ষেতে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের কৃষকদের এ দুর্দশা পুরো দেশের অর্থনীতির জন্য এক অশনিসংকেত বলে মনে করে সংশ্লিষ্টরা।
ধানের দাম না পাওয়ার কারণ হিসেবে কৃষি ও কৃষকদের নিয়ে কাজ করা গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ বলেন, সরকার ধানের দাম নির্ধারণ করতে দেরি করে। যেটা করা দরকার ছিল মৌসুমের সঙ্গে সঙ্গে। দামটা নির্ধারণ করে বাজারে দেয়া হলে ফড়িয়ারা কৃষকের সঙ্গে কারসাজি করতে পারতো না। দাম নির্ধারণে দেরি করায় ফড়িয়ারা সুযোগ নেয়। এটা একটা বড় সমস্যা। তিনি বলেন, সরকার যে পরিমাণ ধান ক্রয় করে তা খবুই সীমিত। আবার যা ক্রয় করে তা সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে নেয় না। ক্রয় করে চাতাল মলিক বা ধান ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। এটাও একটা অন্যতম বড় সমস্যা। সরকার যে পরিমাণ ধান ক্রয় করে তা কোনোভাবেই বাজারে প্রভাব ফেলে না বলে মনে করেন তিনি।
শাইখ সিরাজ বলেন, সরকারের নিজস্ব গুদামে ধান বা চালের ধারণ ক্ষমতা যদি ২০ লাখ টনের কাছাকাছি হয়। তা হলে এই পরিমাণ ধান-চাল দিয়ে বছরে ৩ কোটি টনের বাজারে ফড়িয়াদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টেকা সরকারের জন্য মুশকিল। সরকারের কাছে যদি ৫০ লাখ টন খাদ্য মজুদ থাকতো তা হলে প্রতিযোগিতায় ঠিকতে পারতো। এতো স্বল্প পরিমাণ চাল নিয়ে সরকারের পক্ষে বাজার নিয়ন্ত্রয় অসম্ভব। তিনি বলেন, কৃষককে সবাই ঠকায়। কৃষকের কাছে কম দামে ধান কিনে বেশি দামে চাল বিক্রি করা হচ্ছে। ঠকছে কৃষক। কৃষক দাম পাচ্ছে না। কম দামে ধান বিক্রি করে ভোক্তা যদি কম দামে চাল কিনতে পারতো তা হলে কৃষক লাভবান হতো। যেমন; কৃষক ২০ টাকায় ধান বিক্রি করলো। এরপর ভোক্তা যদি চাল ৩০ টাকায় কিনতে পারতো তা হলে কৃষক লাভবান হতো। কিন্তু সেটা হচ্ছে না। ৪০ টাকার নিচে কোনো চাল বাজারে পাওয়া যায় না। তিনি বলেন, এর ফল দাঁড়াবে এক সময় কৃষক ধান চাষ বন্ধ করে দেবে। ইতিমধ্যেই অনেকেই চাষ বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানান তিনি।
বিভিন্ন কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশের বেশিরভাগ এলাকায় ধান পেকে গেছে। অনেক জায়গায় রাতদিন পরিশ্রম করে ধানকাটা হচ্ছে। আবার কোথাও শ্রমিক সঙ্কটের কারণে থেমে আছে। কয়েক দিন আগের ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে কৃষিতে ক্ষতি হয়েছে। ফণীর প্রভাবে সারাদেশেই বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়ার কারণে অনেক এলাকায় ধান পড়ে গেছে জমিতে। এই পড়ে যাওয়া ধান দ্রুত কাটার হিড়িক পড়েছে। পড়ে যাওয়া সোনার ফসল কৃষক ঘরে উঠাতে ব্যস্ত থাকলেও শ্রমিক সঙ্কট একটি বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই সঙ্গে শ্রমিকের মজুরিও। এক মণ ধান বিক্রি করেও একজন শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করা যাচ্ছে না। শুধু তাই নয় এক মণ ধান বিক্রি করে কৃষক বাজার থেকে এক কেজি গরুর মাংসও কিনতে পারছেন না। কেননা বাজারে এক কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা করে।
এদিকে কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত সারাদেশে ৪৯ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে। ধান কাটায় এগিয়ে রয়েছে হাওর অঞ্চলের জেলাগুলো। হাওরের সাত জেলায় প্রায় শতভাগ জমির ধান ঘরে তোলা হয়েছে। এছাড়া দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে। তবে পিছিয়ে রয়েছে উত্তরাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলা এবং রাজধানীর আশপাশ, বিশেষ করে ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা অঞ্চল। তথ্যমতে, এবার বোরো আবাদের জন্য জমির পরিমাণ ধরা হয়েছে ৪৮ লাখ ৪২ হাজার হেক্টর। তবে নির্ধারিত লক্ষ্যের চেয়ে বেশি জমিতে প্রায় ৪৯ লাখ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে বোরো ধান।
খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বোরো মৌসুমে ১২ লাখ ৫০ হাজার টন চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ১০ লাখ টন সেদ্ধ ও দেড় লাখ টন আতপ চাল। এছাড়া ধান সংগ্রহ করা হবে দেড় লাখ টন (এক লাখ টন চালের সমপরিমাণ)। প্রতিকেজি ধানের সংগ্রহমূল্য ধরা হয়েছে ২৬ টাকা। কেজিপ্রতি সেদ্ধ চাল ৩৬ ও আতপ চালের সংগ্রহমূল্য ৩৫ টাকা ধরা হয়েছে। গত ২৫শে এপ্রিল শুরু হওয়া ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান চলবে আগামী ৩১শে আগস্ট পর্যন্ত। অথচ এখন পর্যন্ত কোনো ধানও ওঠেনি খাদ্য বিভাগের গুদামে। কারণ ক্রয়ের খাতা শূন্য।
এদিকে উৎপাদন খরচের চেয়ে দাম কম হওয়ায় প্রতিমণ ধানে দুই/তিন শ’ টাকা লোকসান হচ্ছে কৃষকের। প্রতিমণ ধান উৎপাদনে কৃষকের খরচ হাজার টাকা ছাড়ালেও বিক্রি করতে হচ্ছে ৬৫০-৭০০ টাকায়। ধানের মোকামগুলোয় ক্রেতা না থাকায় ধানের দাম এখনও নিম্নমুখী। ব্যবসায়ীদের কাছে আমদানি চালের সরবরাহ থাকায় তারা বাজার থেকে ধান কেনায় কম গুরুত্ব দিচ্ছে। জানা গেছে, সরকার প্রতিমণ ধানের মূল্য নির্ধারণ করছে ১ হাজার ৪০ টাকা। এর কোন প্রভাব নেই বাজারে, মাঠের চিত্র ভিন্ন।
আবার সরকারিভাবে ধান কেনায় এখনও গতি আসেনি। ফলে কৃষক ভাল দামে ধান বিক্রি করতে পারছেন না। একাধিক কর্মকর্তা বলেন, যদি ধান-চালের দাম বাড়ে, তাহলে নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কষ্ট হয়। আবার ধানের দাম কমে গেলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কাজেই দুইয়ের মধ্যে একটা ভারসাম্য থাকা দরকার।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, আমাদের কৃষকদের ভর্তুকি যদি একটু বাড়ানো যায় অর্থাৎ সার, বীজ, সেচের ক্ষেত্রে ভর্তুকি বাড়াতে পারলে উৎপাদন খরচ কমে আসবে।
হাওর এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখন ভেজা ধান প্রতিমণ বিক্রি হচ্ছে ৪৫০-৫৫০ টাকা। শুকনো ধান ৬০০-৬৫০ টাকা। মাস দুয়েক পর ধানের দাম কিছুটা বাড়তে পারে। তাই যাদের সামর্থ্য আছে, তারা এমন পানির দরে ধান বিক্রি করছেন না।
বগুড়ায় বোরো ধান কাটার ভরা মৌসুম চলছে। এক সপ্তাহ আগে থেকে ধান কাটা শুরু করে কৃষকরা। বগুড়া, জয়পুরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জ মিলে এই কৃষি অঞ্চলের এখন পর্যন্ত ৩৯ ভাগ ধান কেটে ঘরে তুলতে পেরেছে কৃষক। ফলনও ভাল হয়েছে তবে কৃষকদের মুখে হাসি নেই। ধান কেটে ঘরে তোলার পর বিক্রির সময় দাম না পাওয়ায় কৃষকদের মুখে হতাশার রেখা ফুটে উঠেছে। অনেকে ধানের বাজারদর শুনে ধান উৎপাদন খরচ তুলতে পারবেন কি না এমন দুশ্চিন্তা মাথায় নিয়ে মাঠে ধান কাটছেন।
বর্তমানে এই অঞ্চলে ধান মাত্র ৫০০-৫৩০ টাকা মন। এই দামে ধান বিক্রি করে প্রতিবিঘা জমিতে মোটা অংকের লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষকদের। গত ২ সপ্তাহ ধরে ধান কাটা শুরু হয়েছে। প্রথম দিকে ধানের দাম ৭০০ টাকা ছিল।
এদিকে ধানের বাজার কমের কারণ হিসেবে কৃষক এবং ব্যবসায়ীরা বলছেন, ধান চাল মজুদ থাকায় মিল মালিকরা ধান নিতে অনীহা প্রকাশ করছেন। এছাড়া সরকারি ভাবে এখনো কৃষকদের থেকে ধান ক্রয় শুরু করেনি। এরপর বাজারে ভারতীয় চালের আমদানি পর্যাপ্ত থাকায় ভরা মৌসুমে কৃষকদের মাথায় হাত পড়েছে। ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা কৃষকদের কাছ থেকে মণ প্রতি ৫০০-৫৩০ টাকা দরে ধান কিনছেন। এতে কৃষকদের লোকসান গুণতে হচ্ছে।
বগুড়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৮১ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও কৃষক ১ লাখ ৮৮ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে ধান রোপন করেছিল। জেলায় এবার ধানের ফলন ভাল হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি উৎপাদনও হবে। এখন পর্যন্ত ৩% জমির ধান কাটা হয়েছে। বগুড়া জেলায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৭ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৩ টন। এখন পর্যন্ত ২১ হাজার ৪৬৭ টন জমির ধান ঘরে তোলা হয়েছে।
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার গোহাইল ইউনিয়নের শালিকা গ্রামের কৃষক লুৎফর, আব্দুর রহিম জানালেন, লাভের আশায় ধান চাষ করে এবার তাদের লোকসান গুনতে হবে। তাদের কেউ ১০ বিঘা, কেউ ১৭ বিঘা আবার কেউ ১৩ বিঘা জমিতে ধান রোপন করেছিলেন। সপ্তাহের শুরুতে ধানের দাম একটু থাকলেও ধীরে ধীরে বাজার কমতে শুরু করে। এখন বাজারে ধানের দাম মণ প্রতি ৬৭০ টাকা। ১ বিঘা জমিতে ধান রোপন থেকে শুরু করে কাটা মাড়াই পর্যন্ত কৃষকের খরচ পড়ে প্রায় ১২ হাজার টাকা। এক বিঘা জমিতে কৃষক ধান পায় ২০ থেকে ২২ মণ। সে তুলনায় কৃষক এবার বিঘা প্রতি পাবে সাড়ে ১৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা। বিভিন্ন এনজিও এবং দাদন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে লোন নিয়ে জমিতে বিনিয়োগ করে এবং হাড়ভাঙা পরিশ্রমে এত স্বল্প পরিমাণ টাকা শঙ্কিত এবং দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করে তুলেছে তাদের।
নন্দীগ্রাম উপজেলার ক্ষুদ্র ধান ব্যবসায়ী শাহ আলম জানালেন, তিনি কৃষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ধান ক্রয় করে মহাজনদের দেন।
বগুড়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নিখিল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, যে কোন মুহুর্তে ঝড় বৃষ্টি হতে পারে। তাই আমাদের পক্ষ থেকে পাকা ধান কেটে ঘরে তুলতে মাইকিং করা হয়েছিল এবং কৃষকদের নিয়ে গ্রুপ মিটিং করা হয়েছিল।
হাওরে দশ বছর ধরে লোকসানে কৃষক
ধান উৎপাদনে ব্যয় বাড়লেও, মিলছে না ন্যায্য দাম। কৃষকের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় গত দশ বছর ধরে তারা বোরো আবাদে লোকসান দিয়ে যাচ্ছেন। এবার ভাল ফলন হলে সে ধকল কিছুটা কাটিয়ে ওঠার আশা করেছিলেন তারা। কিন্তু তাদের সে আশায় গুড়েবালি। ঘটেছে ব্রিধান-২৮ এর ফলন বিপর্যয়। এছাড়া ন্যায্য দাম না পাওয়ার কারণে এবারও লোকসান গুণতে হচ্ছে তাদের। কেবল ন্যায্য দাম নয়, একের পর এক সংকটে কাবু হাওরের কৃষক। দ্বিগুণ-তিনগুণ পারিশ্রমিক দিয়েও মিলেনি ধান কাটা শ্রমিক। তাই এবারের ধান কাটা পর্ব ছিল একেবারেই ছন্দহীন। ব্যাপক দরপতন ও ফলন বিপর্যয়ের কারণে হাসি নেই কৃষকের মুখে।
দেশের অন্যতম প্রধান বোরো উৎপাদনকারী জেলা কিশোরগঞ্জ। কৃষি বিভাগ জানায়, এ বছর জেলায় প্রায় পৌনে ২ লাখ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। এর মধ্যে হাওর অধ্যুষিত ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম ও নিকলী-এ চারটি উপজেলায় আবাদ হয়েছিল প্রায় এক লাখ হেক্টর।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, হাওরের ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষক মূলত ধার দেনা ও মহাজনের কাছ থেকে সুদের ওপর ঋণ নিয়ে জমি চাষ করেন। ধান তোলার সাথে সাথেই তাদের ঋণের টাকা পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু ধানের কম দাম তাদের ভাবিয়ে তুলেছে। এই কারণে তারা মহাজনের ঋণ শোধ করা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। কৃষকেরা জানান, সারের চড়ামূল্য, সেচ খরচ, শ্রমিকের চড়া মজুরীতে তাদের নাভিশ্বাস অবস্থা। কিন্তু ফসলের ন্যায্য দাম নেই। মূল্য কম-বেশি যাই হোক, মহাজনের ঋণ পরিশোধ করতেই হয়।
সরজমিন হাওরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, জেলার হাওরের অনেক কৃষক অন্যের জমি পত্তন নিয়ে বোরো আবাদ করেছেন। আবার অনেকে বিত্তশালীদের জমি বর্গা চাষ করেছেন। কৃষকেরা শ্রমিকের মজুরি আর মহাজনের ঋণ শোধ করতে গিয়ে ধান কাটা শুরু হওয়ার পর থেকেই নতুন ধান বিক্রি করছেন। প্রতি মণ ধানের সর্বোচ্চ মূল্য ৫৫০ টাকা। ১০০% ভাগ শুকনো ধানের দাম সর্বোচ্চ ৬০০ টাকা। অথচ উৎপাদন ব্যয় পড়েছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা। তাই বর্তমান বাজারে সর্বোচ্চ দামেও তাদের উৎপাদন ব্যয় উঠবে না বলে জানান কৃষক।
কৃষকেরা জানান, প্রতিটি কৃষক পরিবারের যেসব সদস্য চাষাবাদে শ্রম দেন, তারা নিজেদের মজুরিটা কখনোই টাকার মুল্যে হিসাব করতে শেখেননি। কেবল নগদ যে টাকাগুলো চাষাবাদে খরচ করেন, কেবল সেটাই হিসাবের মধ্যে ধরেন। তারপরও মৌসুমের শুরুর দিকে প্রতি মণ ধানে কম করে হলেও তাদের দু’শ টাকা ক্ষতি হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কৃষকরা বোরো আবাদ করতে গিয়ে স্থানীয় মহাজনদের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করেন, ব্যাংক থেকে ঋণ নেন, এনজিও থেকেও ঋণ নেন। আবার উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন চাতাল মালিক কৃষকদের মধ্যে আগাম লগ্নি করেন। ধানের প্রকৃত মূল্যের চেয়ে অনেক কম মূল্য নির্ধারণ করে এসব লগ্নির টাকা কৃষকদের হাতে তুলে দেন। আর নতুন ধান ওঠার সঙ্গে সঙ্গে এসব চাতাল মালিকের লোকদের হাতে কৃষকদের পরিশ্রমের ধান তুলে দিতে হয়।
এই সময় হাজার হাজার মণ ধান বড় বড় নৌকা বা কার্গোতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় হাওরাঞ্চলের ‘প্রবেশদ্বার’ বলে খ্যাত করিমগঞ্জের চামড়া নৌবন্দরে। সেখান থেকে ট্রাক এবং ট্রাক্টরে ভরে নিয়ে যাওয়া হয় উত্তরবঙ্গসহ বিভিন্ন অঞ্চলের চাতালে। আবার ধান কাটার মৌসুমে চামড়া নৌবন্দরে অস্থায়ী আড়ত খুলে বসেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। তারা দালালের মাধ্যমে হাওরের কৃষকদের কাছ থেকে সস্তায় ধান কিনে আড়তে গুদামজাত করেন। এখান থেকে সরবরাহ করেন বিভিন্ন বড় বড় চালকল বা চাতালে। চামড়া বন্দরের আড়তদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা এখন সর্বোচ্চ ৫৫০ টাকা মণ দরে ধান কিনছেন। নিকলী উপজেলার ভাটিবরাটিয়া গ্রামের কৃষক আবদুল মান্নান এবার ৯ একর জমিতে বোরো আবাদ করেছিলেন। এর মধ্যে ব্রিধান ২৮ রোপন করেছিলেন ৭ একর জমিতে। এ ৭ একর জমিতে স্বাভাবিক ফলনে ধান হওয়ার কথা ৪০০ মণ। ফলন বিপর্যয়ের কারণে ধান হয়েছে ২২০ মণ। বাকি ২ একর জমিতে ব্রিধান ২৯ রোপণ করে স্বাভাবিক ফলন পেলেও ঋণগ্রস্থ এই কৃষক এখন চোখে অন্ধকার দেখছেন। আবদুল মান্নান মানবজমিনকে বলেন, ‘একদিকে ধানের উৎপাদন কম হয়েছে, অন্যদিকে ধানের দাম কম থাকায় এবার আমি বড় ধরণের ধরা খেয়েছি। পাওনাদারদের তাগাদার কারণে সস্তায় সব ধান বিক্রি করে দিয়েছি। ঘরে এক ছটাক ধানও রাখিনি। সামনের দিনগুলোতে কী খেয়ে বাঁচবো এই চিন্তায় আছি।’
গতকাল মঙ্গলবার সকালে করিমগঞ্জ উপজেলার বড় হাওরে সরেজমিন কথা হয় উপজেলার গুনধর গ্রামের কৃষক মো: আল আমিনের সঙ্গে। তিনি জানান, এবার সব মিলিয়ে ৭ একর জমিতে বোরো ধান করেছিলেন তিনি। এর মধ্যে ব্রিধান ২৮ করেছিলেন ৪ একর জমিতে। ব্রি ধান ২৯ করেছিলেন ৩ একর জমিতে। সব মিলিয়ে ধান পেয়েছেন ৩২০ মন। আল আমিন জানান, স্বাভাবিক ফলনে তার জমিতে ধান হওয়ার কথা কমপক্ষে ৪০০ মণ। ৭ একর জমিতে ধান উৎপাদনে তার খরচ হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ৩২০ মণ ধান ৫৫০ টাকা করে বিক্রি করে তিনি পেয়েছেন মাত্র ১ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। প্রায় ছয় মাস রোদে পুড়ে কষ্ট করে বোরো ধান করে তাকে ১ লাখ ৫২ হাজার টাকা লোকসান গুণতে হয়েছে।
মিঠামইনের কাটখাল গ্রামের ষাটোর্ধ কৃষক হারিছ মিয়া এবার ১০ একর জমিতে ব্রিধান ২৯ আবাদ করেছিলেন। ফলন মোটামুটি হয়েছে। তারপরও স্বস্তি নেই তার মনে। মহাজনের ঋণের বোঝা তার মাথার উপর ঝুলছে। ধানের কম দাম তার ফসল তোলার আনন্দকে ম্লান করে দিয়েছে। ‘মহাজনের ঋণ শোধ করে যে সারাটা বছর কিভাবে চলবো তা একমাত্র আল্লাহই জানে!’ বলতে গিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন হারিছ মিয়া। মিঠামইন উপজেলার ঢাকী গ্রামের কৃষক কামাল মিয়া জানান, তিনি ৮ একর জমিতে বোরো আবাদ করেছিলেন। ধানের দাম কম হলেও তাকে ঋণ পরিশোধ করতে খলাতে রেখেই ধান বিক্রি করতে হয়েছে। কৃষক মরম আলী জানান, প্রতি মণ ধান ফলাতে কৃষকের খরচ পড়েছে সাড়ে ৭শ’ থেকে ৮শ’ টাকা। অথচ বর্তমানে এর কাছাকাছি দামও পাওয়া যাচ্ছে না।
এতে তাদের মণপ্রতি বড় অঙ্কের লোকসান গুণতে হচ্ছে। ইটনা সদরের কৃষক মোহাম্মদ আলী জানান, কৃষিকাজ না করে কৃষক বসে থাকতে পারে না। তাই লাভ-লোকসানের হিসাব না করে প্রতি বছরই তারা বোরো আবাদ করেন। তিনি বলেন, দিন দিন কৃষি উপকরণের দাম বেড়ে চলেছে। তাই হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে কৃষিকাজ করলেও তারা লাভবান হতে পারেন না। তার দাবি, কৃষকদের লোকসানের হাত থেকে বাঁচাতে সরকারিভাবে সরাসরি কৃষকদের হাত থেকে মৌসুমের শুরু থেকেই ধান ক্রয় করতে হবে। মৃগা গ্রামের কৃষক শামীম মিয়া জানান, একটি মাত্র বোরো ফসলই হাওরের জীবন-জীবিকা। কৃষকের হাতে নগদ টাকা না থাকায় শ্রমিক খরচসহ নানা খরচের যোগান দিতে বাধ্য হয়ে কম মূল্যে তাদের ধান বিক্রি করতে হয়। এই কারণে ধানের ফলনে তারা কমবেশি খুশি হলেও দামে ধরা খাচ্ছেন। করনশী গ্রামের কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, ধান কাটার জন্য তাদেরকে অতিরিক্ত টাকা গুণতে হয়েছে। ঘরে যে পরিমাণ ধান তারা তুলতে পারবেন বলে আশা করেছিলেন, তার এক চতুর্থাংশও তুলতে পারেননি।
এর উপর ধানের দাম কম হওয়ায় তারা দিশেহারা। তিনি বলেন, প্রতি বছর ভালো দাম পাওয়ার আশা করলেও আমরা বার বারই নিরাশ হচ্ছি। তবুও বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হিসেবে আমাদের বাধ্য হয়ে ধান চাষ করতে হচ্ছে। একই গ্রামের কৃষক আবুল কাশেম জানান, উৎপাদিত ধানের বেশির ভাগই ধান কাটা ও মাড়াইয়ের মজুরি মেটাতে চলে যায়। এছাড়া মৌসুমজুড়ে হালচাষ, আবাদ, সার ও কীটনাশকসহ উৎপাদন সংশ্লিষ্ট নানা খরচ গুণতে হয়েছে। কিন্তু ধানের দাম কৃষকদেরকে চরমভাবে হতাশ করেছে। একই রকম কথা জানালেন মিঠামইনের মহিষারকান্দি গ্রামের কৃষক সাহিদ মিয়া, কালু মিয়া ও বাছির মিয়া, ঢাকী গ্রামের শফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর মিয়া ও জিল্লুর রহমান, অষ্টগ্রামের সাপান্ত গ্রামের কৃষক বিষ্টু লাল দাস, চৌদন্ত বড়হাটির কৃষক আনন্দ দাস ও সুখময় দাস এবং ইটনার ধনপুর গ্রামের কৃষক ভজন দাস, সদরের আজাদ হোসেন ও আবদুর রউফসহ অনেকেই। তারা জানান, হাওরে এখন অধিকাংশ কৃষকের একই দশা। ধানের দাম না থাকায় তাদের মাথায় হাত পড়েছে। তারা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, যখন কৃষকের হাতে ধান থাকে তখন দাম থাকে না। ধান কৃষকের হাত থেকে চলে গেলে দাম বাড়ে।
বোরো ধানের মণ বাজারে প্রকার ভেদে ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকা। ধান কাটা শ্রমিকের মজুরি গুনতে হচ্ছে পাঁচশ থেকে নয়শ টাকা পর্যন্ত। অবস্থা এতোটাই ভয়াবহ যে, ক্ষোভে দুঃখে অভিনব এক প্রতিবাদ করেছেন টাঙ্গাইলের কৃষক আবদুল মালেক সিকদার। গত রোববার নিজের পাকা ধানের ক্ষেতে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি। কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের কৃষকদের এ দুর্দশা পুরো দেশের অর্থনীতির জন্য এক অশনিসংকেত বলে মনে করে সংশ্লিষ্টরা।
ধানের দাম না পাওয়ার কারণ হিসেবে কৃষি ও কৃষকদের নিয়ে কাজ করা গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ বলেন, সরকার ধানের দাম নির্ধারণ করতে দেরি করে। যেটা করা দরকার ছিল মৌসুমের সঙ্গে সঙ্গে। দামটা নির্ধারণ করে বাজারে দেয়া হলে ফড়িয়ারা কৃষকের সঙ্গে কারসাজি করতে পারতো না। দাম নির্ধারণে দেরি করায় ফড়িয়ারা সুযোগ নেয়। এটা একটা বড় সমস্যা। তিনি বলেন, সরকার যে পরিমাণ ধান ক্রয় করে তা খবুই সীমিত। আবার যা ক্রয় করে তা সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে নেয় না। ক্রয় করে চাতাল মলিক বা ধান ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। এটাও একটা অন্যতম বড় সমস্যা। সরকার যে পরিমাণ ধান ক্রয় করে তা কোনোভাবেই বাজারে প্রভাব ফেলে না বলে মনে করেন তিনি।
শাইখ সিরাজ বলেন, সরকারের নিজস্ব গুদামে ধান বা চালের ধারণ ক্ষমতা যদি ২০ লাখ টনের কাছাকাছি হয়। তা হলে এই পরিমাণ ধান-চাল দিয়ে বছরে ৩ কোটি টনের বাজারে ফড়িয়াদের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টেকা সরকারের জন্য মুশকিল। সরকারের কাছে যদি ৫০ লাখ টন খাদ্য মজুদ থাকতো তা হলে প্রতিযোগিতায় ঠিকতে পারতো। এতো স্বল্প পরিমাণ চাল নিয়ে সরকারের পক্ষে বাজার নিয়ন্ত্রয় অসম্ভব। তিনি বলেন, কৃষককে সবাই ঠকায়। কৃষকের কাছে কম দামে ধান কিনে বেশি দামে চাল বিক্রি করা হচ্ছে। ঠকছে কৃষক। কৃষক দাম পাচ্ছে না। কম দামে ধান বিক্রি করে ভোক্তা যদি কম দামে চাল কিনতে পারতো তা হলে কৃষক লাভবান হতো। যেমন; কৃষক ২০ টাকায় ধান বিক্রি করলো। এরপর ভোক্তা যদি চাল ৩০ টাকায় কিনতে পারতো তা হলে কৃষক লাভবান হতো। কিন্তু সেটা হচ্ছে না। ৪০ টাকার নিচে কোনো চাল বাজারে পাওয়া যায় না। তিনি বলেন, এর ফল দাঁড়াবে এক সময় কৃষক ধান চাষ বন্ধ করে দেবে। ইতিমধ্যেই অনেকেই চাষ বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানান তিনি।
বিভিন্ন কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশের বেশিরভাগ এলাকায় ধান পেকে গেছে। অনেক জায়গায় রাতদিন পরিশ্রম করে ধানকাটা হচ্ছে। আবার কোথাও শ্রমিক সঙ্কটের কারণে থেমে আছে। কয়েক দিন আগের ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে কৃষিতে ক্ষতি হয়েছে। ফণীর প্রভাবে সারাদেশেই বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়ার কারণে অনেক এলাকায় ধান পড়ে গেছে জমিতে। এই পড়ে যাওয়া ধান দ্রুত কাটার হিড়িক পড়েছে। পড়ে যাওয়া সোনার ফসল কৃষক ঘরে উঠাতে ব্যস্ত থাকলেও শ্রমিক সঙ্কট একটি বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেই সঙ্গে শ্রমিকের মজুরিও। এক মণ ধান বিক্রি করেও একজন শ্রমিকের মজুরি পরিশোধ করা যাচ্ছে না। শুধু তাই নয় এক মণ ধান বিক্রি করে কৃষক বাজার থেকে এক কেজি গরুর মাংসও কিনতে পারছেন না। কেননা বাজারে এক কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা করে।
এদিকে কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত সারাদেশে ৪৯ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে। ধান কাটায় এগিয়ে রয়েছে হাওর অঞ্চলের জেলাগুলো। হাওরের সাত জেলায় প্রায় শতভাগ জমির ধান ঘরে তোলা হয়েছে। এছাড়া দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ জমির ধান কাটা হয়েছে। তবে পিছিয়ে রয়েছে উত্তরাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলা এবং রাজধানীর আশপাশ, বিশেষ করে ময়মনসিংহ ও কুমিল্লা অঞ্চল। তথ্যমতে, এবার বোরো আবাদের জন্য জমির পরিমাণ ধরা হয়েছে ৪৮ লাখ ৪২ হাজার হেক্টর। তবে নির্ধারিত লক্ষ্যের চেয়ে বেশি জমিতে প্রায় ৪৯ লাখ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে বোরো ধান।
খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বোরো মৌসুমে ১২ লাখ ৫০ হাজার টন চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ১০ লাখ টন সেদ্ধ ও দেড় লাখ টন আতপ চাল। এছাড়া ধান সংগ্রহ করা হবে দেড় লাখ টন (এক লাখ টন চালের সমপরিমাণ)। প্রতিকেজি ধানের সংগ্রহমূল্য ধরা হয়েছে ২৬ টাকা। কেজিপ্রতি সেদ্ধ চাল ৩৬ ও আতপ চালের সংগ্রহমূল্য ৩৫ টাকা ধরা হয়েছে। গত ২৫শে এপ্রিল শুরু হওয়া ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান চলবে আগামী ৩১শে আগস্ট পর্যন্ত। অথচ এখন পর্যন্ত কোনো ধানও ওঠেনি খাদ্য বিভাগের গুদামে। কারণ ক্রয়ের খাতা শূন্য।
এদিকে উৎপাদন খরচের চেয়ে দাম কম হওয়ায় প্রতিমণ ধানে দুই/তিন শ’ টাকা লোকসান হচ্ছে কৃষকের। প্রতিমণ ধান উৎপাদনে কৃষকের খরচ হাজার টাকা ছাড়ালেও বিক্রি করতে হচ্ছে ৬৫০-৭০০ টাকায়। ধানের মোকামগুলোয় ক্রেতা না থাকায় ধানের দাম এখনও নিম্নমুখী। ব্যবসায়ীদের কাছে আমদানি চালের সরবরাহ থাকায় তারা বাজার থেকে ধান কেনায় কম গুরুত্ব দিচ্ছে। জানা গেছে, সরকার প্রতিমণ ধানের মূল্য নির্ধারণ করছে ১ হাজার ৪০ টাকা। এর কোন প্রভাব নেই বাজারে, মাঠের চিত্র ভিন্ন।
আবার সরকারিভাবে ধান কেনায় এখনও গতি আসেনি। ফলে কৃষক ভাল দামে ধান বিক্রি করতে পারছেন না। একাধিক কর্মকর্তা বলেন, যদি ধান-চালের দাম বাড়ে, তাহলে নিম্ন ও মধ্যবিত্তদের কষ্ট হয়। আবার ধানের দাম কমে গেলে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কাজেই দুইয়ের মধ্যে একটা ভারসাম্য থাকা দরকার।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, আমাদের কৃষকদের ভর্তুকি যদি একটু বাড়ানো যায় অর্থাৎ সার, বীজ, সেচের ক্ষেত্রে ভর্তুকি বাড়াতে পারলে উৎপাদন খরচ কমে আসবে।
হাওর এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখন ভেজা ধান প্রতিমণ বিক্রি হচ্ছে ৪৫০-৫৫০ টাকা। শুকনো ধান ৬০০-৬৫০ টাকা। মাস দুয়েক পর ধানের দাম কিছুটা বাড়তে পারে। তাই যাদের সামর্থ্য আছে, তারা এমন পানির দরে ধান বিক্রি করছেন না।
বগুড়ায় বোরো ধান কাটার ভরা মৌসুম চলছে। এক সপ্তাহ আগে থেকে ধান কাটা শুরু করে কৃষকরা। বগুড়া, জয়পুরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জ মিলে এই কৃষি অঞ্চলের এখন পর্যন্ত ৩৯ ভাগ ধান কেটে ঘরে তুলতে পেরেছে কৃষক। ফলনও ভাল হয়েছে তবে কৃষকদের মুখে হাসি নেই। ধান কেটে ঘরে তোলার পর বিক্রির সময় দাম না পাওয়ায় কৃষকদের মুখে হতাশার রেখা ফুটে উঠেছে। অনেকে ধানের বাজারদর শুনে ধান উৎপাদন খরচ তুলতে পারবেন কি না এমন দুশ্চিন্তা মাথায় নিয়ে মাঠে ধান কাটছেন।
বর্তমানে এই অঞ্চলে ধান মাত্র ৫০০-৫৩০ টাকা মন। এই দামে ধান বিক্রি করে প্রতিবিঘা জমিতে মোটা অংকের লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষকদের। গত ২ সপ্তাহ ধরে ধান কাটা শুরু হয়েছে। প্রথম দিকে ধানের দাম ৭০০ টাকা ছিল।
এদিকে ধানের বাজার কমের কারণ হিসেবে কৃষক এবং ব্যবসায়ীরা বলছেন, ধান চাল মজুদ থাকায় মিল মালিকরা ধান নিতে অনীহা প্রকাশ করছেন। এছাড়া সরকারি ভাবে এখনো কৃষকদের থেকে ধান ক্রয় শুরু করেনি। এরপর বাজারে ভারতীয় চালের আমদানি পর্যাপ্ত থাকায় ভরা মৌসুমে কৃষকদের মাথায় হাত পড়েছে। ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা কৃষকদের কাছ থেকে মণ প্রতি ৫০০-৫৩০ টাকা দরে ধান কিনছেন। এতে কৃষকদের লোকসান গুণতে হচ্ছে।
বগুড়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৮১ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও কৃষক ১ লাখ ৮৮ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে ধান রোপন করেছিল। জেলায় এবার ধানের ফলন ভাল হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি উৎপাদনও হবে। এখন পর্যন্ত ৩% জমির ধান কাটা হয়েছে। বগুড়া জেলায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৭ লাখ ১৬ হাজার ৬৬৩ টন। এখন পর্যন্ত ২১ হাজার ৪৬৭ টন জমির ধান ঘরে তোলা হয়েছে।
বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার গোহাইল ইউনিয়নের শালিকা গ্রামের কৃষক লুৎফর, আব্দুর রহিম জানালেন, লাভের আশায় ধান চাষ করে এবার তাদের লোকসান গুনতে হবে। তাদের কেউ ১০ বিঘা, কেউ ১৭ বিঘা আবার কেউ ১৩ বিঘা জমিতে ধান রোপন করেছিলেন। সপ্তাহের শুরুতে ধানের দাম একটু থাকলেও ধীরে ধীরে বাজার কমতে শুরু করে। এখন বাজারে ধানের দাম মণ প্রতি ৬৭০ টাকা। ১ বিঘা জমিতে ধান রোপন থেকে শুরু করে কাটা মাড়াই পর্যন্ত কৃষকের খরচ পড়ে প্রায় ১২ হাজার টাকা। এক বিঘা জমিতে কৃষক ধান পায় ২০ থেকে ২২ মণ। সে তুলনায় কৃষক এবার বিঘা প্রতি পাবে সাড়ে ১৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা। বিভিন্ন এনজিও এবং দাদন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে লোন নিয়ে জমিতে বিনিয়োগ করে এবং হাড়ভাঙা পরিশ্রমে এত স্বল্প পরিমাণ টাকা শঙ্কিত এবং দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করে তুলেছে তাদের।
নন্দীগ্রাম উপজেলার ক্ষুদ্র ধান ব্যবসায়ী শাহ আলম জানালেন, তিনি কৃষকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ধান ক্রয় করে মহাজনদের দেন।
বগুড়া জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নিখিল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, যে কোন মুহুর্তে ঝড় বৃষ্টি হতে পারে। তাই আমাদের পক্ষ থেকে পাকা ধান কেটে ঘরে তুলতে মাইকিং করা হয়েছিল এবং কৃষকদের নিয়ে গ্রুপ মিটিং করা হয়েছিল।
হাওরে দশ বছর ধরে লোকসানে কৃষক
ধান উৎপাদনে ব্যয় বাড়লেও, মিলছে না ন্যায্য দাম। কৃষকের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়ায় গত দশ বছর ধরে তারা বোরো আবাদে লোকসান দিয়ে যাচ্ছেন। এবার ভাল ফলন হলে সে ধকল কিছুটা কাটিয়ে ওঠার আশা করেছিলেন তারা। কিন্তু তাদের সে আশায় গুড়েবালি। ঘটেছে ব্রিধান-২৮ এর ফলন বিপর্যয়। এছাড়া ন্যায্য দাম না পাওয়ার কারণে এবারও লোকসান গুণতে হচ্ছে তাদের। কেবল ন্যায্য দাম নয়, একের পর এক সংকটে কাবু হাওরের কৃষক। দ্বিগুণ-তিনগুণ পারিশ্রমিক দিয়েও মিলেনি ধান কাটা শ্রমিক। তাই এবারের ধান কাটা পর্ব ছিল একেবারেই ছন্দহীন। ব্যাপক দরপতন ও ফলন বিপর্যয়ের কারণে হাসি নেই কৃষকের মুখে।
দেশের অন্যতম প্রধান বোরো উৎপাদনকারী জেলা কিশোরগঞ্জ। কৃষি বিভাগ জানায়, এ বছর জেলায় প্রায় পৌনে ২ লাখ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। এর মধ্যে হাওর অধ্যুষিত ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম ও নিকলী-এ চারটি উপজেলায় আবাদ হয়েছিল প্রায় এক লাখ হেক্টর।
স্থানীয় কৃষকরা জানান, হাওরের ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষক মূলত ধার দেনা ও মহাজনের কাছ থেকে সুদের ওপর ঋণ নিয়ে জমি চাষ করেন। ধান তোলার সাথে সাথেই তাদের ঋণের টাকা পরিশোধ করতে হয়। কিন্তু ধানের কম দাম তাদের ভাবিয়ে তুলেছে। এই কারণে তারা মহাজনের ঋণ শোধ করা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। কৃষকেরা জানান, সারের চড়ামূল্য, সেচ খরচ, শ্রমিকের চড়া মজুরীতে তাদের নাভিশ্বাস অবস্থা। কিন্তু ফসলের ন্যায্য দাম নেই। মূল্য কম-বেশি যাই হোক, মহাজনের ঋণ পরিশোধ করতেই হয়।
সরজমিন হাওরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা গেছে, জেলার হাওরের অনেক কৃষক অন্যের জমি পত্তন নিয়ে বোরো আবাদ করেছেন। আবার অনেকে বিত্তশালীদের জমি বর্গা চাষ করেছেন। কৃষকেরা শ্রমিকের মজুরি আর মহাজনের ঋণ শোধ করতে গিয়ে ধান কাটা শুরু হওয়ার পর থেকেই নতুন ধান বিক্রি করছেন। প্রতি মণ ধানের সর্বোচ্চ মূল্য ৫৫০ টাকা। ১০০% ভাগ শুকনো ধানের দাম সর্বোচ্চ ৬০০ টাকা। অথচ উৎপাদন ব্যয় পড়েছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা। তাই বর্তমান বাজারে সর্বোচ্চ দামেও তাদের উৎপাদন ব্যয় উঠবে না বলে জানান কৃষক।
কৃষকেরা জানান, প্রতিটি কৃষক পরিবারের যেসব সদস্য চাষাবাদে শ্রম দেন, তারা নিজেদের মজুরিটা কখনোই টাকার মুল্যে হিসাব করতে শেখেননি। কেবল নগদ যে টাকাগুলো চাষাবাদে খরচ করেন, কেবল সেটাই হিসাবের মধ্যে ধরেন। তারপরও মৌসুমের শুরুর দিকে প্রতি মণ ধানে কম করে হলেও তাদের দু’শ টাকা ক্ষতি হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কৃষকরা বোরো আবাদ করতে গিয়ে স্থানীয় মহাজনদের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করেন, ব্যাংক থেকে ঋণ নেন, এনজিও থেকেও ঋণ নেন। আবার উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন চাতাল মালিক কৃষকদের মধ্যে আগাম লগ্নি করেন। ধানের প্রকৃত মূল্যের চেয়ে অনেক কম মূল্য নির্ধারণ করে এসব লগ্নির টাকা কৃষকদের হাতে তুলে দেন। আর নতুন ধান ওঠার সঙ্গে সঙ্গে এসব চাতাল মালিকের লোকদের হাতে কৃষকদের পরিশ্রমের ধান তুলে দিতে হয়।
এই সময় হাজার হাজার মণ ধান বড় বড় নৌকা বা কার্গোতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় হাওরাঞ্চলের ‘প্রবেশদ্বার’ বলে খ্যাত করিমগঞ্জের চামড়া নৌবন্দরে। সেখান থেকে ট্রাক এবং ট্রাক্টরে ভরে নিয়ে যাওয়া হয় উত্তরবঙ্গসহ বিভিন্ন অঞ্চলের চাতালে। আবার ধান কাটার মৌসুমে চামড়া নৌবন্দরে অস্থায়ী আড়ত খুলে বসেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। তারা দালালের মাধ্যমে হাওরের কৃষকদের কাছ থেকে সস্তায় ধান কিনে আড়তে গুদামজাত করেন। এখান থেকে সরবরাহ করেন বিভিন্ন বড় বড় চালকল বা চাতালে। চামড়া বন্দরের আড়তদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা এখন সর্বোচ্চ ৫৫০ টাকা মণ দরে ধান কিনছেন। নিকলী উপজেলার ভাটিবরাটিয়া গ্রামের কৃষক আবদুল মান্নান এবার ৯ একর জমিতে বোরো আবাদ করেছিলেন। এর মধ্যে ব্রিধান ২৮ রোপন করেছিলেন ৭ একর জমিতে। এ ৭ একর জমিতে স্বাভাবিক ফলনে ধান হওয়ার কথা ৪০০ মণ। ফলন বিপর্যয়ের কারণে ধান হয়েছে ২২০ মণ। বাকি ২ একর জমিতে ব্রিধান ২৯ রোপণ করে স্বাভাবিক ফলন পেলেও ঋণগ্রস্থ এই কৃষক এখন চোখে অন্ধকার দেখছেন। আবদুল মান্নান মানবজমিনকে বলেন, ‘একদিকে ধানের উৎপাদন কম হয়েছে, অন্যদিকে ধানের দাম কম থাকায় এবার আমি বড় ধরণের ধরা খেয়েছি। পাওনাদারদের তাগাদার কারণে সস্তায় সব ধান বিক্রি করে দিয়েছি। ঘরে এক ছটাক ধানও রাখিনি। সামনের দিনগুলোতে কী খেয়ে বাঁচবো এই চিন্তায় আছি।’
গতকাল মঙ্গলবার সকালে করিমগঞ্জ উপজেলার বড় হাওরে সরেজমিন কথা হয় উপজেলার গুনধর গ্রামের কৃষক মো: আল আমিনের সঙ্গে। তিনি জানান, এবার সব মিলিয়ে ৭ একর জমিতে বোরো ধান করেছিলেন তিনি। এর মধ্যে ব্রিধান ২৮ করেছিলেন ৪ একর জমিতে। ব্রি ধান ২৯ করেছিলেন ৩ একর জমিতে। সব মিলিয়ে ধান পেয়েছেন ৩২০ মন। আল আমিন জানান, স্বাভাবিক ফলনে তার জমিতে ধান হওয়ার কথা কমপক্ষে ৪০০ মণ। ৭ একর জমিতে ধান উৎপাদনে তার খরচ হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। ৩২০ মণ ধান ৫৫০ টাকা করে বিক্রি করে তিনি পেয়েছেন মাত্র ১ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। প্রায় ছয় মাস রোদে পুড়ে কষ্ট করে বোরো ধান করে তাকে ১ লাখ ৫২ হাজার টাকা লোকসান গুণতে হয়েছে।
মিঠামইনের কাটখাল গ্রামের ষাটোর্ধ কৃষক হারিছ মিয়া এবার ১০ একর জমিতে ব্রিধান ২৯ আবাদ করেছিলেন। ফলন মোটামুটি হয়েছে। তারপরও স্বস্তি নেই তার মনে। মহাজনের ঋণের বোঝা তার মাথার উপর ঝুলছে। ধানের কম দাম তার ফসল তোলার আনন্দকে ম্লান করে দিয়েছে। ‘মহাজনের ঋণ শোধ করে যে সারাটা বছর কিভাবে চলবো তা একমাত্র আল্লাহই জানে!’ বলতে গিয়ে দীর্ঘশ্বাস ছাড়েন হারিছ মিয়া। মিঠামইন উপজেলার ঢাকী গ্রামের কৃষক কামাল মিয়া জানান, তিনি ৮ একর জমিতে বোরো আবাদ করেছিলেন। ধানের দাম কম হলেও তাকে ঋণ পরিশোধ করতে খলাতে রেখেই ধান বিক্রি করতে হয়েছে। কৃষক মরম আলী জানান, প্রতি মণ ধান ফলাতে কৃষকের খরচ পড়েছে সাড়ে ৭শ’ থেকে ৮শ’ টাকা। অথচ বর্তমানে এর কাছাকাছি দামও পাওয়া যাচ্ছে না।
এতে তাদের মণপ্রতি বড় অঙ্কের লোকসান গুণতে হচ্ছে। ইটনা সদরের কৃষক মোহাম্মদ আলী জানান, কৃষিকাজ না করে কৃষক বসে থাকতে পারে না। তাই লাভ-লোকসানের হিসাব না করে প্রতি বছরই তারা বোরো আবাদ করেন। তিনি বলেন, দিন দিন কৃষি উপকরণের দাম বেড়ে চলেছে। তাই হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে কৃষিকাজ করলেও তারা লাভবান হতে পারেন না। তার দাবি, কৃষকদের লোকসানের হাত থেকে বাঁচাতে সরকারিভাবে সরাসরি কৃষকদের হাত থেকে মৌসুমের শুরু থেকেই ধান ক্রয় করতে হবে। মৃগা গ্রামের কৃষক শামীম মিয়া জানান, একটি মাত্র বোরো ফসলই হাওরের জীবন-জীবিকা। কৃষকের হাতে নগদ টাকা না থাকায় শ্রমিক খরচসহ নানা খরচের যোগান দিতে বাধ্য হয়ে কম মূল্যে তাদের ধান বিক্রি করতে হয়। এই কারণে ধানের ফলনে তারা কমবেশি খুশি হলেও দামে ধরা খাচ্ছেন। করনশী গ্রামের কৃষক হাবিবুর রহমান বলেন, ধান কাটার জন্য তাদেরকে অতিরিক্ত টাকা গুণতে হয়েছে। ঘরে যে পরিমাণ ধান তারা তুলতে পারবেন বলে আশা করেছিলেন, তার এক চতুর্থাংশও তুলতে পারেননি।
এর উপর ধানের দাম কম হওয়ায় তারা দিশেহারা। তিনি বলেন, প্রতি বছর ভালো দাম পাওয়ার আশা করলেও আমরা বার বারই নিরাশ হচ্ছি। তবুও বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন হিসেবে আমাদের বাধ্য হয়ে ধান চাষ করতে হচ্ছে। একই গ্রামের কৃষক আবুল কাশেম জানান, উৎপাদিত ধানের বেশির ভাগই ধান কাটা ও মাড়াইয়ের মজুরি মেটাতে চলে যায়। এছাড়া মৌসুমজুড়ে হালচাষ, আবাদ, সার ও কীটনাশকসহ উৎপাদন সংশ্লিষ্ট নানা খরচ গুণতে হয়েছে। কিন্তু ধানের দাম কৃষকদেরকে চরমভাবে হতাশ করেছে। একই রকম কথা জানালেন মিঠামইনের মহিষারকান্দি গ্রামের কৃষক সাহিদ মিয়া, কালু মিয়া ও বাছির মিয়া, ঢাকী গ্রামের শফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর মিয়া ও জিল্লুর রহমান, অষ্টগ্রামের সাপান্ত গ্রামের কৃষক বিষ্টু লাল দাস, চৌদন্ত বড়হাটির কৃষক আনন্দ দাস ও সুখময় দাস এবং ইটনার ধনপুর গ্রামের কৃষক ভজন দাস, সদরের আজাদ হোসেন ও আবদুর রউফসহ অনেকেই। তারা জানান, হাওরে এখন অধিকাংশ কৃষকের একই দশা। ধানের দাম না থাকায় তাদের মাথায় হাত পড়েছে। তারা ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, যখন কৃষকের হাতে ধান থাকে তখন দাম থাকে না। ধান কৃষকের হাত থেকে চলে গেলে দাম বাড়ে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1407)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
May
(416)
-
▼
May 23
(18)
- মায়ের আশা চন্দন একদিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হবেন
- ভূমধ্যসাগর ট্র্যাজেডি: দ্বিতীয় জীবন পাওয়ার বর্ণনা ...
- ধানের বাজার দরঃ না পেট ভরে না পিঠ ঘুরে by ইমাদ উদ দীন
- ধানের দামে কৃষকের কান্না by এম এম মাসুদ ঢাকা ও আশর...
- রাজনীতির ভবিষ্যৎ অচলাবস্থা!
- অসন্তোষ কমিয়ে রফতানি মূল্যবৃদ্ধিই পোশাক খাতের প্রধ...
- ওয়াসার লাইনে বিষ: পাতালের পানিই ভরসা জুরাইনে by শা...
- আমের মাস শুরু
- বান্ধবীর বাসায় আশিকের মৃত্যু নানা রহস্য by পিয়াস স...
- বিমান ছিনতাই চেষ্টা মামলা: সিমলায় আটকে আছে তদন্ত! ...
- মাদক ও জঙ্গির খোঁজে যা হচ্ছে চট্টগ্রামে by ইব্রাহি...
- অজ্ঞান পার্টিতে ‘কিশোর চক্র’
- নিঃসঙ্গ এরশাদ দিন কাটছে যেভাবে by শফিকুল ইসলাম সোহাগ
- কৃষকের ১০ টাকার ব্যাংক হিসাব বোঝা হিসেবে দেখছে ব্য...
- আমেরিকা আয়োজিত বাহরাইন সম্মেলনে যোগ দেবে না ফিলিস্তিন
- জাতিসংঘে ইরানের সংলাপ প্রস্তাব: বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ...
- রাজধানীতে ভয়ঙ্কর ‘গাড়ি পার্টি’ by শাহনেওয়াজ বাবলু
- ধানের মূল্য না পেয়ে দিশাহারা কৃষক
-
▼
May 23
(18)
-
▼
May
(416)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment