Wednesday, July 21, 2010
গণতন্ত্রের জন্য সংবাদপত্র, কোনো গোত্রের জন্য নয় by সৈয়দ আবুল মকসুদ
গণতন্ত্রের জন্য সংবাদপত্র, কোনো গোত্রের জন্য নয় by সৈয়দ আবুল মকসুদ
যাঁদের ধূমপানের নেশা আছে, তাঁরা সকালে ঘুম থেকে উঠেই হুক্কা বা সিগারেটে টান না দিলে অস্বস্তি বোধ করেন। ধূমপান না করলে অনেকের কোষ্ঠ পরিষ্কার হয় না। সিগারেট ধরিয়ে পায়খানায় ঢোকেন। এমন অনেক পাঠকও আছেন, যাঁরা সকালে খবরের কাগজে চোখ না বোলালে অস্বস্তি বোধ করেন। যাঁদের কোষ্ঠবদ্ধতা আছে, তাঁরা কেউ খবরের কাগজ হাতে নিয়ে নজরুল ইসলামের মতো লম্বা সময়ের জন্য বাথরুমে গিয়ে বসে থাকেন।
খবরের কাগজটি কীভাবে তৈরি হয়? কারা, কোথায় বসে লেখাগুলো লেখেন? সারা রাত কোথায় ছাপা হয়? সেসব বিষয় খুব অল্প পাঠকই জানেন, বা তাঁদের জানার প্রয়োজন আছে। ভোরবেলা পাঠক তাঁর হাতে কাগজটি পান অনেকটা অলৌকিকভাবে। রাস্তার পাঠক পত্রিকা কেনেন হকারের কাছ থেকে অথবা পত্রপত্রিকার স্ট্যান্ড থেকে। গ্রাহকদের যাঁরা একতলার বাড়িতে থাকেন, তাঁরা সকালে কাগজ পান জানালার নিচে। যাঁরা বহুতল ভবনে থাকেন, তাঁদের কাগজ আসে দরজার তলা দিয়ে। একালের অনেক আধুনিক পাঠক কাগজ স্পর্শ না করে নাশতার টেবিলে বসেন না। কারও থাকে এক হাতে চায়ের ধূমায়িত কাপ, আরেক হাতে খবরের কাগজ। আধুনিক জীবন ও খবরের কাগজ অবিচ্ছিন্ন। সংবাদপত্র ছাড়া আধুনিক রাজনীতিও অচল। গণতন্ত্রের জন্য সংবাদপত্র চাই-ই।
অনুমান করি, পৃথিবীতে এসে প্রথম চোখ মেলেই দেখে থাকব খবরের কাগজ। নিশ্চয়ই আমার আঁতুড়ঘরের বেড়ায় খবরের কাগজ সাঁটানো ছিল। কার্তিকের বিষণ্ন রাতে পদ্মার ঠান্ডা হাওয়া বেড়ার ফাঁকফোকর দিয়ে আঁতুড়ঘরে না ঢুকতে পারে, সে জন্য পুরোনো খবরের কাগজ ব্যবহূত হয়ে থাকবে। আমার বাল্যশিক্ষা পড়া আর খবরের কাগজের শিরোনাম বানান করে পড়া একই সময় শুরু হয়। আমার বাবা ছিলেন খবরের কাগজের পোকা। পত্রিকা একটা হলেই হলো। আজাদ বা আনন্দবাজার পত্রিকা, মর্নিং নিউজ বা স্টেটসম্যান। সেকালে কাগজ সহজলভ্য ছিল না, গ্রামের পাঠক বা গ্রাহকদের জন্য তো নয়ই। গ্রামে কাগজ সকালবেলায় জানালার নিচে বা দরজার তলায় পাওয়া যেত না। কলকাতা ও ঢাকার কাগজ গ্রামে যেত তিন দিন পর। মঙ্গলবারের কাগজ পাওয়া যেত শুক্রবার সন্ধ্যায়। পোস্টাপিসের ডাকপিয়ন এসে দিয়ে যেতেন।
আমার অতি শৈশবে তিনটি ভাষার কাগজ আমি বাড়িতে দেখেছি। আমার মা বাংলা বলতে পারতেন না, বাংলা অক্ষরও চিনতেন না। তিনি পড়তেন উর্দু সাপ্তাহিক রোজানা-ই-হিন্দ্ বা কলকাতার অন্য কোনো কাগজ। খুব নিয়মিতও নয়। কাগজে লেখা হয় দুনিয়ার কোথায় কী ঘটছে। কে কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী, কে চিয়াং কাই-শেক, কে মাও সেতুং, কে দেশের রেলমন্ত্রী, চালের বাজারে আগুন লাগল কি না, আলু ও এলাচের দাম হঠাৎ কেন বাড়ল, কোন বেশরম মেয়েটি তার প্রাইভেট শিক্ষককে ভালোবেসে তার সঙ্গে পালিয়ে গেছে—এসব জানার আগ্রহ সব পাঠকের থাকে না।
শৈশবে যখন গ্রামে ছিলাম, বিশেষ করে আইয়ুব খান ক্ষমতা দখলের আগে, ভরসা ছিল আজাদ ও ইত্তেফাক। তাও কয়েক দিনের বাসি কাগজ। সেটাই টাটকা মনে হতো। মাঝেমধ্যে কলকাতা থেকে আসত দৈনিক যুগান্তর। সেটার ছাপা ও লেখা আরও উন্নত। স্বাধীনতার পর প্রথম ১০ বছর, মোটের ওপর স্বাভাবিক সম্পর্ক ছিল, আইয়ুব ক্ষমতায় আসার পর পাকিস্তান-ভারত সম্পর্কের মাঝখানে বিরাট প্রাচীর উঠে যায়। কলকাতার কাগজ আসা বন্ধ হয়ে যায়। মাঝেমধ্যে আমার ছোট চাচা, যিনি গ্রহণ করেছিলেন ভারতের নাগরিকত্ব, লোকের হাতে কলকাতার দৈনিক-সাপ্তাহিকের বান্ডিল পাঠাতেন।
সব মানুষের মতোই আমিও একদিন ছিলাম পাঠক, তারপর হয়ে গেলাম সংবাদপত্রের লেখক। তারপর পেশাদার সাংবাদিক। স্বাধীনতার আগে অনিয়মিতভাবে লিখলেও স্বাধীনতার পর দেশের প্রধান তিনটি কাগজ—ইত্তেফাক, সংবাদ ও দৈনিক বাংলার সাহিত্য সাময়িকীর প্রধান লেখকদের আমি ছিলাম একজন। বছরের পর বছর দৈনিক বাংলায় কবি আহসান হাবীব, ইত্তেফাক-এ রোকনুজ্জামান খান (দাদা ভাই) এবং সংবাদ-এ আবুল হাসনাত আমার লেখাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে প্রধান রচনা করেছেন। তাঁদের কাছে আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।
তারপর শুরু হয় উপসম্পাদকীয় নিবন্ধ রচনা। ইংরেজি-বাংলা সব কাগজেই লিখতাম। নিয়মিত লেখা শুরু হয় আজকের কাগজ থেকে। তারপর ভোরের কাগজ, প্রথম পর্যায়ের বাংলাবাজার পত্রিকা, প্রথম আলো, যুগান্তর, সমকাল প্রভৃতি। ডেইলি স্টার পত্রিকায়ও বহুদিন লিখেছি। প্রধান কাগজের সম্পাদকদের অকৃপণ ভালোবাসা ও প্রীতি বর্ষিত হয়েছে আমার ওপর। মালিক-সম্পাদকদের মধ্যে সংবাদ-এর আহমদুল কবির, ইত্তেফাক-এর মইনুল হোসেন এবং আজকের কাগজ-এর কাজী শাহেদ আহমেদ আমাকে স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের যে সুযোগ দিয়েছেন, এর জন্য তাঁদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। যত দিন শামসুর রাহমান দৈনিক বাংলার সম্পাদক ছিলেন, তত দিন ওই কাগজ ছিল আমাদের নিজস্ব।
নব্বইয়ের দশক এবং এই শতকের প্রথম দশকে কয়েকজন সম্পাদক বাংলাদেশের সংবাদপত্রে নতুন যুগের সূচনা করেন। তোয়াব খানের নেতৃত্বে জনকণ্ঠ, মতিউর রহমানের ভোরের কাগজ ও প্রথম আলো, মতিউর রহমান চৌধুরীর প্রথমে বাংলাবাজার পত্রিকা এবং পরে মানবজমিন, গোলাম সারওয়ারের যুগান্তর ও সমকাল এবং আবেদ খানের সমকাল এবং এখন কালের কণ্ঠ বাংলাদেশের সংবাদপত্রের দিগন্তকে প্রসারিত করেছে। ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার-এর সম্পাদক মাহফুজ আনাম নতুন এক বলিষ্ঠ ধারার সৃষ্টি করেছেন। এসব দক্ষ সম্পাদকের দ্বারা যে আধুনিক সাংবাদিকতার সূচনা হয়েছে, তার জন্য তাঁদের সহযোগী একদল যোগ্য তরুণ সাংবাদিকের অবদানও বিরাট। তাঁরা নতুন যুগের সাংবাদিক। তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ভাষা নতুন ও আধুনিক। তৈরি হয়েছে গত পনেরো বছরে একদল দক্ষ ফটোসাংবাদিক। অর্থাৎ একটি উঁচু জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে আজ আমাদের সংবাদপত্র।
আমার চিন্তা প্রকাশে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজী শাহেদ আহমেদ, মাহফুজ আনাম, মতিউর রহমান, গোলাম সারওয়ার, মতিউর রহমান চৌধুরী, আবেদ খান যে স্বাধীনতা দিয়েছেন, নিশ্চয়ই অন্য লেখকেরাও তেমনটি ভোগ করেছেন। পত্রিকায় সম্পাদকের পাতায় রচনা লিখলেও আমি তো একজন পাঠকও বটে। শৈশবে একটি কাগজের জন্য পোস্টাপিসের পিয়নের দিকে তাকিয়ে থাকতাম। আজ সম্পাদক-প্রকাশকদের দয়ায় দরজার তলা ভরে যায় কাগজে। সবচেয়ে পুরোনো সৌজন্য কপিটি ইত্তেফাক। ৪১ বছর ধরে পাচ্ছি। সিরাজুদ্দীন হোসেন দিয়ে গিয়েছিলেন, আর বন্ধ হয়নি। ১০-১৫টি কাগজে প্রতিদিন চোখ বোলানোর সৌভাগ্য হয়। সংবাদপত্র পাঠ করে আজ সব সময় ভালো লাগে না। ভালো না লাগার কারণ অনেক রকম।
কয়েক দিন আগে ঢাকার বাইরে থেকে ফিরছিলাম। হাইওয়ের পাশে গাড়ি দাঁড় করিয়ে ড্রাইভার অদূরে ঝোপের আড়ালে গেল। আমি গাড়ি থেকে নেমে একটু হাঁটাহাঁটি করছিলাম। রাস্তার পাশের এক সবজির খেতে এক ভদ্রলোক কী যেন করছিলেন; তিনি উঠে এলেন সড়কের ওপর। কোনোভাবে তিনি আমাকে চিনলেন। ঝাড়া দিয়ে লুঙ্গির মাটি ফেলে তিনি ক্ষোভের সুরে বললেন, ‘কাগজে আপনারা সরকারের, বিরোধী দলের, প্রধানমন্ত্রীর, বিরোধীদলীয় নেত্রীর, মন্ত্রীদের দোষ, দুর্নীতি ও দুর্বলতার জন্য লেখালেখি করেন। পত্রিকার ভুলভ্রান্তি ও দোষের সমালোচনা করার উপায় কী?’
আমি তাঁকে বললাম, ‘সে সমালোচনা আপনারা করবেন। আপনাদের মতামতের মূল্য খুব বেশি।’ তখন তিনি কয়েকটি সংবাদের উল্লেখ করলেন উদাহরণ হিসেবে। তিনি জানতে চাইলেন, এসব সংবাদের উদ্দেশ্য কী, এসব সংবাদের ভিত্তি কী, এতে দেশের কোনো উপকার হবে কি না, এসব সংবাদে আদৌ কোনো সত্যতা আছে কি না।
ভদ্রলোকের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার আমি কেউ নই। যেসব কাগজে ওই সব প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, সেসব কাগজের সম্পাদক এবং যিনি বা যাঁরা ওই প্রতিবেদন তৈরি করেছেন, তাঁরাই সঠিক উত্তর দিতে পারতেন। ওই ভদ্রলোকই প্রথম নন, তাঁর মতো প্রশ্ন আরও অনেকেই করেন। জবাব দিতে পারি না। ৩৫ বছরের বেশি আমি প্রত্যক্ষভাবে সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত ছিলাম। সহকারী সম্পাদক থেকে সম্পাদক পর্যন্ত হয়েছিলাম। পত্রপত্রিকার দোষ-গুণ আমার অজানা নয়। সমস্যাও আমার অজ্ঞাত নয়। বাঙালির গণতান্ত্রিক সংগ্রামে আমাদের সংবাদপত্র পাকিস্তানি আমলে এবং স্বাধীন বাংলাদেশে অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু তার পরও বলব, সব সময় কাগজের ভূমিকা ইতিবাচক ও নির্মল ছিল না। অনেক সময় সত্য ও ন্যায় থেকে বিচ্যুতি ঘটেছে এবং তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গোটা জাতি। সেই ক্ষতির মাশুল গুনতে হয়েছে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে।
১৯৪৮ সালে এক ব্যক্তিগত চিরকুটে প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে ক্ষুব্ধ হয়ে লিখেছিলেন, ‘কী করছে আনন্দবাজার পত্রিকা, যুগান্তর, অমৃতবাজার পত্রিকা আর হিন্দুস্তান স্ট্যান্ডার্ড এবং ওদিকে আজাদ পত্রিকা। এরা চাইছে, দাঙ্গা ভালোমতো লাগুক। যাচ্ছেতাই মিথ্যাচার করছে এই কাগজগুলো। এপার থেকে মুসলমানরা ওপার চলে যাক, আর পূর্ববাংলা থেকে হিন্দুরা ভয়ে বাড়িঘর ফেলে এদিকে চলে আসুক। এদের থামাতে পারো কি না দ্যাখো।’
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে কেউ কিছু করলে কে তাকে রুধিবে দিয়ে বালির বাঁধ। কোটি কোটি মানুষের সর্বনাশ হয়েছে, লাভবান হয়েছে কয়েকজন। পত্রিকা শুধু ঘটে যাওয়া খবর দেয় না, জনমত গঠন করে, বিশেষ পরিস্থিতির জন্য মানুষের মন তৈরি করে। তা ছাড়া একটি রাষ্ট্রে সরকার ছাড়াও বিভিন্ন কায়েমি স্বার্থবাদী গোষ্ঠী থাকে। তারাও সংবাদপত্রকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে।
স্বাধীন সংবাদপত্র ছাড়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আবার গণতন্ত্রকে হত্যা করতেও একশ্রেণীর সংবাদপত্র খুব বড় ভূমিকা রাখে। হিটলার দানব হয়ে ওঠার আগে সংবাদপত্র ছিল তাঁর প্রধান সহায়। তাঁর কাজকে অনেক দিন অন্ধভাবে সমর্থন দিয়ে গেছে সংবাদপত্র। তাঁর নীলনকশাকে দিয়েছে সমর্থন। তা ছাড়া বিভিন্ন দেশ আক্রমণের আগে ওই সব দেশের সরকারগুলোও হিটলারের নিন্দা করেনি। সুতরাং সেখানকার কাগজগুলোও করেনি। বহুকাল স্পেনের কাগজগুলো রিপাবলিকপন্থীদের নয়, স্বৈরাচারী ফ্রানসিসকো ফ্রাঙ্কোকেই সমর্থন দিয়েছে। পর্তুগালে একনায়ক আন্তনিও সালাজারকে টিকিয়ে রাখে সংবাদপত্র। ফিলিপাইনে ফার্দিনান্দ মার্কোসের স্বৈরশাসনকে পাকাপোক্ত করতে সংবাদপত্রই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। পরিহাসের মতো মনে হয়, তাদের পতনের পরে হিটলার, ফ্রাঙ্কো, সালাজার, মার্কোসকে ওই সব কাগজই বেশি নিন্দা করেছে। ইঙ্গো-মার্কিনপন্থী ইরানের শাহকে পত্রিকাগুলো প্রশংসায় সিক্ত করেছে বহু বছর। তারপর যেদিন আয়াতুল্লাহ খোমেনি তাঁকে এক কাপড়ে দেশ থেকে বিতাড়ন করেন, বিমানবন্দর পর্যন্ত জনগণ তাঁকে তাড়া করে, সেদিন ঘুরে যায় কাগজের সুর। লেখা হতে থাকে শাহ কত খারাপ শাসক ছিলেন। পঁচাত্তরের আগে এবং পরে আমরা তা দেখেছি।
সরকারের বিভিন্ন বিভাগ থেকে, বিশেষ করে গোয়েন্দা বিভাগ থেকে খবর সংগ্রহ করা সাংবাদিকদের প্রচলিত রীতি। চিরকাল সব দেশেই তা করা হয়। নানা কারণে সূত্রের নাম গোপন রাখা হয়। ১২-১৩ বছর ধরে দেখছি, গোয়েন্দা বিভাগই আগ বাড়িয়ে সাংবাদিকদের দিয়ে সংবাদ করাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে সরবরাহ করা তথ্য নিজে যাচাই না করে সাংবাদিক প্রকাশ করতে পারেন না। আমাদের তা করা হচ্ছে।
তিনোদ্দীনের বিশেষ সরকারের সময় থেকে শুরু হয়েছে আরেক ধারা: অপরাধী বা রাজনৈতিক নেতাদের আটক করে রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে। তারপর সম্পূর্ণ অনৈতিকভাবে একতরফা বলা হচ্ছে: ওই ব্যক্তি এই বলেছেন, ওই করেছেন এবং তাঁর অমুক অমুক নাশকতামূলক কাজ করার পরিকল্পনা ছিল। সব কাগজে নয়, কোনো কোনো কাগজে সেসব বানোয়াট কাহিনি বিশাল শিরোনাম দিয়ে প্রকাশ করা হচ্ছে। রিমান্ডের গোপন ঘরে ভয়-ভীতির মধ্যে কে কী বলল, তা সংবাদ নয়। সাংবাদিকদের কাছে অপরাধী কী বলল, তাই সংবাদ। কয়েক দিন বাদ দিয়েই সম্ভাব্য নাশকতার সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। আজ কতভাবে বাংলাদেশের ক্ষতি করা হচ্ছে, তার কিছু কিছু হিসাব জনগণ ঠিকই রাখে। কয়েক মাস আগে আমি কলকাতায় যাব। টিকিট করার জন্য বিমান অফিসে গেছি। ঢুকছি, দেখি দলবেঁধে অনেক লোক বেরোচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে বিদেশি আছেন দুজন। ওই দিন একটি বা একাধিক কাগজে ‘ভারতের একটি গোয়েন্দা সংস্থার বরাত’ দিয়ে প্রতিবেদন করা হয়েছে ইসলামি জঙ্গিরা বাংলাদেশ বিমানে হামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ খবর জানার পর কে চড়বে বিমানে? বিমান অফিস থেকে লোকগুলো দৌড়ে চলে গেলেন অন্য এয়ারলাইনসের অফিসে। তাঁদের পিছে পিছে আমিও দিলাম দৌড়। অন্য এয়ারলাইনসের টিকিট কিনলাম। এক খবরেই আমার বন্ধু জি এম কাদেরের কয়েক কোটি টাকা লোকসান হয়ে গেল।
ঢাকার বিদেশি দূতাবাসে হামলার সংবাদ হামেশাই হচ্ছে। এ জাতীয় সংবাদ প্রকাশের সুবিধা অনেক রকম। যদি সত্যি কখনো হামলা হয়, তাহলে যে কাগজে রিপোর্ট হয়েছে, তাঁরা লাফিয়ে উঠবেন। বলবেন: এ তো আমরা জানতাম, তাই আগেই সাবধান করে দিয়েছিলাম। অন্যদিকে এই ভুয়া বা বায়বীয় সংবাদ প্রকাশের পর যখন কিছুই ঘটবে না, তখন ওই সাংবাদিক বলবেন: আমরা লিখেছিলাম বলেই হামলাটি হয়নি। তা না হলে বিমানের সব উড়োজাহাজ জঙ্গিরা উড়িয়ে দিত। গুঁড়িয়ে দিত দূতাবাস।
এ জাতীয় সংবাদে অট্টহাসি হাসে দুই পক্ষ: এক পক্ষ, যাদের সম্পর্কে ইঙ্গিত করা হয়েছে। তারা হাসতে হাসতে বলে: কত বড় বেকুব দেখো। কিছুই জানে না। আর হাসে সেই পক্ষ, যারা সত্যি সত্যি অপরাধ ঘটাবে। কখন ঘটাবে, তা শুধু তারাই জানে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে বর্বরতার পর গত সপ্তাহে চ্যানেল আইয়ের এক আলোচনায় মাহমুদুর রহমান মান্না, রিজভী আহমেদ ও আমি ছিলাম। আলোচনার মধ্যে উপস্থাপক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর একটি প্রধান দৈনিকের একটি রিপোর্ট আমাদের দেখালেন। তাতে রিপোর্টার একটি গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে লিখেছেন: ছাত্রলীগের বর্তমান যে কমিটি, এটি হাওয়া ভবন থেকে মনোনীত হয়ে আসে ইত্যাদি ইত্যাদি। রিপোর্টটি পড়ে আমার মনে হলো, রিপোর্টার বলতে চান, হাওয়া ভবনের সাবেক সর্বাধিনায়ক তারেক রহমান কয়েক বছর আগেই জানতে পারেন, আগামী ২০০৮-এর নির্বাচনে তাঁর আম্মা জিততে পারবেন না। সরকার গঠন করবেন শেখ হাসিনা। তখন সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য প্রয়োজন হবে ছাত্রলীগের। সুতরাং আগেভাগে ছাত্রলীগে এমন নেতৃত্ব বসিয়ে যাবেন, যাঁরা চাপাতি ও রামদার সদ্ব্যবহারে সুদক্ষ এবং সহপাঠীদের খড়কুটোর মতো তিনতলা থেকে মাটিতে ছুড়ে ফেলবেন। মান্না ও রিজভী উভয়েই রিপোর্টটিকে বাজে ও রাবিশ বলে উড়িয়ে দিলেন। আমি বলেছিলাম, এ খবরটি গোয়েন্দারা সাত-আট বছর গোপন রাখলেন কেন? জাহাঙ্গীরনগরের ঘটনার আগের দিন তথ্যটি প্রধানমন্ত্রীর অফিসে পৌঁছে দেননি কেন? অর্থাৎ এ খবরটি কোনো গোয়েন্দা সূত্র দেয়নি, রিপোর্টারের মাথা দিয়েছে।
আমি যা বলতে চাই তা হলো সংবাদপত্রের কাছে মানুষের প্রত্যাশা প্রচুর। সেই প্রত্যাশা নষ্ট হয়ে গেলে পাঠক হতাশায় ভোগে। আমার এ লেখার দীর্ঘ ভূমিকায় আমি যা বলেছি, তার অর্থ হলো সংবাদপত্রের সঙ্গে আমার সম্পর্ক সারা জীবনের। সাংবাদিকতা ও লেখালেখি ছিল আমার জীবিকার একমাত্র উপায়। সংবাদপত্রকে যখন কেউ সমালোচনা করে এবং সংগত কারণেই করে, তখন আমার গায়ে লাগে। আমি আহত হই।
পৃথিবীতে মন্দ গণতন্ত্র যেমন আছে, তেমনই অপসাংবাদিকতাও আছে। ভালো গণতন্ত্রের জন্য ভালো সংবাদপত্র অপরিহার্য। ব্যক্তিস্বার্থের কারণে রাজনীতিকদের কেউ খারাপ হতে পারেন, নীতি বিসর্জন দিতে পারেন, কিন্তু সাংবাদিকের নীতিভ্রষ্ট হওয়ার উপায় নেই। কোনো গোষ্ঠীর বা শাসকের লাঠিয়াল হওয়া সাংবাদিকের কাজ নয়। দেশ, জাতি ও জনগণের স্বার্থ রক্ষাই তাঁর ব্রত। সত্যের পক্ষে অনড় থেকেই সেই ব্রত পালন করা সম্ভব। সত্য থেকে বিচ্যুত হওয়া তাঁর জন্য আত্মহত্যার শামিল।
সৈয়দ আবুল মকসুুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
খবরের কাগজটি কীভাবে তৈরি হয়? কারা, কোথায় বসে লেখাগুলো লেখেন? সারা রাত কোথায় ছাপা হয়? সেসব বিষয় খুব অল্প পাঠকই জানেন, বা তাঁদের জানার প্রয়োজন আছে। ভোরবেলা পাঠক তাঁর হাতে কাগজটি পান অনেকটা অলৌকিকভাবে। রাস্তার পাঠক পত্রিকা কেনেন হকারের কাছ থেকে অথবা পত্রপত্রিকার স্ট্যান্ড থেকে। গ্রাহকদের যাঁরা একতলার বাড়িতে থাকেন, তাঁরা সকালে কাগজ পান জানালার নিচে। যাঁরা বহুতল ভবনে থাকেন, তাঁদের কাগজ আসে দরজার তলা দিয়ে। একালের অনেক আধুনিক পাঠক কাগজ স্পর্শ না করে নাশতার টেবিলে বসেন না। কারও থাকে এক হাতে চায়ের ধূমায়িত কাপ, আরেক হাতে খবরের কাগজ। আধুনিক জীবন ও খবরের কাগজ অবিচ্ছিন্ন। সংবাদপত্র ছাড়া আধুনিক রাজনীতিও অচল। গণতন্ত্রের জন্য সংবাদপত্র চাই-ই।
অনুমান করি, পৃথিবীতে এসে প্রথম চোখ মেলেই দেখে থাকব খবরের কাগজ। নিশ্চয়ই আমার আঁতুড়ঘরের বেড়ায় খবরের কাগজ সাঁটানো ছিল। কার্তিকের বিষণ্ন রাতে পদ্মার ঠান্ডা হাওয়া বেড়ার ফাঁকফোকর দিয়ে আঁতুড়ঘরে না ঢুকতে পারে, সে জন্য পুরোনো খবরের কাগজ ব্যবহূত হয়ে থাকবে। আমার বাল্যশিক্ষা পড়া আর খবরের কাগজের শিরোনাম বানান করে পড়া একই সময় শুরু হয়। আমার বাবা ছিলেন খবরের কাগজের পোকা। পত্রিকা একটা হলেই হলো। আজাদ বা আনন্দবাজার পত্রিকা, মর্নিং নিউজ বা স্টেটসম্যান। সেকালে কাগজ সহজলভ্য ছিল না, গ্রামের পাঠক বা গ্রাহকদের জন্য তো নয়ই। গ্রামে কাগজ সকালবেলায় জানালার নিচে বা দরজার তলায় পাওয়া যেত না। কলকাতা ও ঢাকার কাগজ গ্রামে যেত তিন দিন পর। মঙ্গলবারের কাগজ পাওয়া যেত শুক্রবার সন্ধ্যায়। পোস্টাপিসের ডাকপিয়ন এসে দিয়ে যেতেন।
আমার অতি শৈশবে তিনটি ভাষার কাগজ আমি বাড়িতে দেখেছি। আমার মা বাংলা বলতে পারতেন না, বাংলা অক্ষরও চিনতেন না। তিনি পড়তেন উর্দু সাপ্তাহিক রোজানা-ই-হিন্দ্ বা কলকাতার অন্য কোনো কাগজ। খুব নিয়মিতও নয়। কাগজে লেখা হয় দুনিয়ার কোথায় কী ঘটছে। কে কোন দেশের প্রধানমন্ত্রী, কে চিয়াং কাই-শেক, কে মাও সেতুং, কে দেশের রেলমন্ত্রী, চালের বাজারে আগুন লাগল কি না, আলু ও এলাচের দাম হঠাৎ কেন বাড়ল, কোন বেশরম মেয়েটি তার প্রাইভেট শিক্ষককে ভালোবেসে তার সঙ্গে পালিয়ে গেছে—এসব জানার আগ্রহ সব পাঠকের থাকে না।
শৈশবে যখন গ্রামে ছিলাম, বিশেষ করে আইয়ুব খান ক্ষমতা দখলের আগে, ভরসা ছিল আজাদ ও ইত্তেফাক। তাও কয়েক দিনের বাসি কাগজ। সেটাই টাটকা মনে হতো। মাঝেমধ্যে কলকাতা থেকে আসত দৈনিক যুগান্তর। সেটার ছাপা ও লেখা আরও উন্নত। স্বাধীনতার পর প্রথম ১০ বছর, মোটের ওপর স্বাভাবিক সম্পর্ক ছিল, আইয়ুব ক্ষমতায় আসার পর পাকিস্তান-ভারত সম্পর্কের মাঝখানে বিরাট প্রাচীর উঠে যায়। কলকাতার কাগজ আসা বন্ধ হয়ে যায়। মাঝেমধ্যে আমার ছোট চাচা, যিনি গ্রহণ করেছিলেন ভারতের নাগরিকত্ব, লোকের হাতে কলকাতার দৈনিক-সাপ্তাহিকের বান্ডিল পাঠাতেন।
সব মানুষের মতোই আমিও একদিন ছিলাম পাঠক, তারপর হয়ে গেলাম সংবাদপত্রের লেখক। তারপর পেশাদার সাংবাদিক। স্বাধীনতার আগে অনিয়মিতভাবে লিখলেও স্বাধীনতার পর দেশের প্রধান তিনটি কাগজ—ইত্তেফাক, সংবাদ ও দৈনিক বাংলার সাহিত্য সাময়িকীর প্রধান লেখকদের আমি ছিলাম একজন। বছরের পর বছর দৈনিক বাংলায় কবি আহসান হাবীব, ইত্তেফাক-এ রোকনুজ্জামান খান (দাদা ভাই) এবং সংবাদ-এ আবুল হাসনাত আমার লেখাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে প্রধান রচনা করেছেন। তাঁদের কাছে আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।
তারপর শুরু হয় উপসম্পাদকীয় নিবন্ধ রচনা। ইংরেজি-বাংলা সব কাগজেই লিখতাম। নিয়মিত লেখা শুরু হয় আজকের কাগজ থেকে। তারপর ভোরের কাগজ, প্রথম পর্যায়ের বাংলাবাজার পত্রিকা, প্রথম আলো, যুগান্তর, সমকাল প্রভৃতি। ডেইলি স্টার পত্রিকায়ও বহুদিন লিখেছি। প্রধান কাগজের সম্পাদকদের অকৃপণ ভালোবাসা ও প্রীতি বর্ষিত হয়েছে আমার ওপর। মালিক-সম্পাদকদের মধ্যে সংবাদ-এর আহমদুল কবির, ইত্তেফাক-এর মইনুল হোসেন এবং আজকের কাগজ-এর কাজী শাহেদ আহমেদ আমাকে স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের যে সুযোগ দিয়েছেন, এর জন্য তাঁদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। যত দিন শামসুর রাহমান দৈনিক বাংলার সম্পাদক ছিলেন, তত দিন ওই কাগজ ছিল আমাদের নিজস্ব।
নব্বইয়ের দশক এবং এই শতকের প্রথম দশকে কয়েকজন সম্পাদক বাংলাদেশের সংবাদপত্রে নতুন যুগের সূচনা করেন। তোয়াব খানের নেতৃত্বে জনকণ্ঠ, মতিউর রহমানের ভোরের কাগজ ও প্রথম আলো, মতিউর রহমান চৌধুরীর প্রথমে বাংলাবাজার পত্রিকা এবং পরে মানবজমিন, গোলাম সারওয়ারের যুগান্তর ও সমকাল এবং আবেদ খানের সমকাল এবং এখন কালের কণ্ঠ বাংলাদেশের সংবাদপত্রের দিগন্তকে প্রসারিত করেছে। ইংরেজি দৈনিক ডেইলি স্টার-এর সম্পাদক মাহফুজ আনাম নতুন এক বলিষ্ঠ ধারার সৃষ্টি করেছেন। এসব দক্ষ সম্পাদকের দ্বারা যে আধুনিক সাংবাদিকতার সূচনা হয়েছে, তার জন্য তাঁদের সহযোগী একদল যোগ্য তরুণ সাংবাদিকের অবদানও বিরাট। তাঁরা নতুন যুগের সাংবাদিক। তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গি ও ভাষা নতুন ও আধুনিক। তৈরি হয়েছে গত পনেরো বছরে একদল দক্ষ ফটোসাংবাদিক। অর্থাৎ একটি উঁচু জায়গায় এসে দাঁড়িয়েছে আজ আমাদের সংবাদপত্র।
আমার চিন্তা প্রকাশে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজী শাহেদ আহমেদ, মাহফুজ আনাম, মতিউর রহমান, গোলাম সারওয়ার, মতিউর রহমান চৌধুরী, আবেদ খান যে স্বাধীনতা দিয়েছেন, নিশ্চয়ই অন্য লেখকেরাও তেমনটি ভোগ করেছেন। পত্রিকায় সম্পাদকের পাতায় রচনা লিখলেও আমি তো একজন পাঠকও বটে। শৈশবে একটি কাগজের জন্য পোস্টাপিসের পিয়নের দিকে তাকিয়ে থাকতাম। আজ সম্পাদক-প্রকাশকদের দয়ায় দরজার তলা ভরে যায় কাগজে। সবচেয়ে পুরোনো সৌজন্য কপিটি ইত্তেফাক। ৪১ বছর ধরে পাচ্ছি। সিরাজুদ্দীন হোসেন দিয়ে গিয়েছিলেন, আর বন্ধ হয়নি। ১০-১৫টি কাগজে প্রতিদিন চোখ বোলানোর সৌভাগ্য হয়। সংবাদপত্র পাঠ করে আজ সব সময় ভালো লাগে না। ভালো না লাগার কারণ অনেক রকম।
কয়েক দিন আগে ঢাকার বাইরে থেকে ফিরছিলাম। হাইওয়ের পাশে গাড়ি দাঁড় করিয়ে ড্রাইভার অদূরে ঝোপের আড়ালে গেল। আমি গাড়ি থেকে নেমে একটু হাঁটাহাঁটি করছিলাম। রাস্তার পাশের এক সবজির খেতে এক ভদ্রলোক কী যেন করছিলেন; তিনি উঠে এলেন সড়কের ওপর। কোনোভাবে তিনি আমাকে চিনলেন। ঝাড়া দিয়ে লুঙ্গির মাটি ফেলে তিনি ক্ষোভের সুরে বললেন, ‘কাগজে আপনারা সরকারের, বিরোধী দলের, প্রধানমন্ত্রীর, বিরোধীদলীয় নেত্রীর, মন্ত্রীদের দোষ, দুর্নীতি ও দুর্বলতার জন্য লেখালেখি করেন। পত্রিকার ভুলভ্রান্তি ও দোষের সমালোচনা করার উপায় কী?’
আমি তাঁকে বললাম, ‘সে সমালোচনা আপনারা করবেন। আপনাদের মতামতের মূল্য খুব বেশি।’ তখন তিনি কয়েকটি সংবাদের উল্লেখ করলেন উদাহরণ হিসেবে। তিনি জানতে চাইলেন, এসব সংবাদের উদ্দেশ্য কী, এসব সংবাদের ভিত্তি কী, এতে দেশের কোনো উপকার হবে কি না, এসব সংবাদে আদৌ কোনো সত্যতা আছে কি না।
ভদ্রলোকের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার আমি কেউ নই। যেসব কাগজে ওই সব প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, সেসব কাগজের সম্পাদক এবং যিনি বা যাঁরা ওই প্রতিবেদন তৈরি করেছেন, তাঁরাই সঠিক উত্তর দিতে পারতেন। ওই ভদ্রলোকই প্রথম নন, তাঁর মতো প্রশ্ন আরও অনেকেই করেন। জবাব দিতে পারি না। ৩৫ বছরের বেশি আমি প্রত্যক্ষভাবে সাংবাদিকতার সঙ্গে জড়িত ছিলাম। সহকারী সম্পাদক থেকে সম্পাদক পর্যন্ত হয়েছিলাম। পত্রপত্রিকার দোষ-গুণ আমার অজানা নয়। সমস্যাও আমার অজ্ঞাত নয়। বাঙালির গণতান্ত্রিক সংগ্রামে আমাদের সংবাদপত্র পাকিস্তানি আমলে এবং স্বাধীন বাংলাদেশে অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু তার পরও বলব, সব সময় কাগজের ভূমিকা ইতিবাচক ও নির্মল ছিল না। অনেক সময় সত্য ও ন্যায় থেকে বিচ্যুতি ঘটেছে এবং তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গোটা জাতি। সেই ক্ষতির মাশুল গুনতে হয়েছে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে।
১৯৪৮ সালে এক ব্যক্তিগত চিরকুটে প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে ক্ষুব্ধ হয়ে লিখেছিলেন, ‘কী করছে আনন্দবাজার পত্রিকা, যুগান্তর, অমৃতবাজার পত্রিকা আর হিন্দুস্তান স্ট্যান্ডার্ড এবং ওদিকে আজাদ পত্রিকা। এরা চাইছে, দাঙ্গা ভালোমতো লাগুক। যাচ্ছেতাই মিথ্যাচার করছে এই কাগজগুলো। এপার থেকে মুসলমানরা ওপার চলে যাক, আর পূর্ববাংলা থেকে হিন্দুরা ভয়ে বাড়িঘর ফেলে এদিকে চলে আসুক। এদের থামাতে পারো কি না দ্যাখো।’
উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে কেউ কিছু করলে কে তাকে রুধিবে দিয়ে বালির বাঁধ। কোটি কোটি মানুষের সর্বনাশ হয়েছে, লাভবান হয়েছে কয়েকজন। পত্রিকা শুধু ঘটে যাওয়া খবর দেয় না, জনমত গঠন করে, বিশেষ পরিস্থিতির জন্য মানুষের মন তৈরি করে। তা ছাড়া একটি রাষ্ট্রে সরকার ছাড়াও বিভিন্ন কায়েমি স্বার্থবাদী গোষ্ঠী থাকে। তারাও সংবাদপত্রকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে।
স্বাধীন সংবাদপত্র ছাড়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আবার গণতন্ত্রকে হত্যা করতেও একশ্রেণীর সংবাদপত্র খুব বড় ভূমিকা রাখে। হিটলার দানব হয়ে ওঠার আগে সংবাদপত্র ছিল তাঁর প্রধান সহায়। তাঁর কাজকে অনেক দিন অন্ধভাবে সমর্থন দিয়ে গেছে সংবাদপত্র। তাঁর নীলনকশাকে দিয়েছে সমর্থন। তা ছাড়া বিভিন্ন দেশ আক্রমণের আগে ওই সব দেশের সরকারগুলোও হিটলারের নিন্দা করেনি। সুতরাং সেখানকার কাগজগুলোও করেনি। বহুকাল স্পেনের কাগজগুলো রিপাবলিকপন্থীদের নয়, স্বৈরাচারী ফ্রানসিসকো ফ্রাঙ্কোকেই সমর্থন দিয়েছে। পর্তুগালে একনায়ক আন্তনিও সালাজারকে টিকিয়ে রাখে সংবাদপত্র। ফিলিপাইনে ফার্দিনান্দ মার্কোসের স্বৈরশাসনকে পাকাপোক্ত করতে সংবাদপত্রই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে। পরিহাসের মতো মনে হয়, তাদের পতনের পরে হিটলার, ফ্রাঙ্কো, সালাজার, মার্কোসকে ওই সব কাগজই বেশি নিন্দা করেছে। ইঙ্গো-মার্কিনপন্থী ইরানের শাহকে পত্রিকাগুলো প্রশংসায় সিক্ত করেছে বহু বছর। তারপর যেদিন আয়াতুল্লাহ খোমেনি তাঁকে এক কাপড়ে দেশ থেকে বিতাড়ন করেন, বিমানবন্দর পর্যন্ত জনগণ তাঁকে তাড়া করে, সেদিন ঘুরে যায় কাগজের সুর। লেখা হতে থাকে শাহ কত খারাপ শাসক ছিলেন। পঁচাত্তরের আগে এবং পরে আমরা তা দেখেছি।
সরকারের বিভিন্ন বিভাগ থেকে, বিশেষ করে গোয়েন্দা বিভাগ থেকে খবর সংগ্রহ করা সাংবাদিকদের প্রচলিত রীতি। চিরকাল সব দেশেই তা করা হয়। নানা কারণে সূত্রের নাম গোপন রাখা হয়। ১২-১৩ বছর ধরে দেখছি, গোয়েন্দা বিভাগই আগ বাড়িয়ে সাংবাদিকদের দিয়ে সংবাদ করাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে সরবরাহ করা তথ্য নিজে যাচাই না করে সাংবাদিক প্রকাশ করতে পারেন না। আমাদের তা করা হচ্ছে।
তিনোদ্দীনের বিশেষ সরকারের সময় থেকে শুরু হয়েছে আরেক ধারা: অপরাধী বা রাজনৈতিক নেতাদের আটক করে রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে। তারপর সম্পূর্ণ অনৈতিকভাবে একতরফা বলা হচ্ছে: ওই ব্যক্তি এই বলেছেন, ওই করেছেন এবং তাঁর অমুক অমুক নাশকতামূলক কাজ করার পরিকল্পনা ছিল। সব কাগজে নয়, কোনো কোনো কাগজে সেসব বানোয়াট কাহিনি বিশাল শিরোনাম দিয়ে প্রকাশ করা হচ্ছে। রিমান্ডের গোপন ঘরে ভয়-ভীতির মধ্যে কে কী বলল, তা সংবাদ নয়। সাংবাদিকদের কাছে অপরাধী কী বলল, তাই সংবাদ। কয়েক দিন বাদ দিয়েই সম্ভাব্য নাশকতার সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। আজ কতভাবে বাংলাদেশের ক্ষতি করা হচ্ছে, তার কিছু কিছু হিসাব জনগণ ঠিকই রাখে। কয়েক মাস আগে আমি কলকাতায় যাব। টিকিট করার জন্য বিমান অফিসে গেছি। ঢুকছি, দেখি দলবেঁধে অনেক লোক বেরোচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে বিদেশি আছেন দুজন। ওই দিন একটি বা একাধিক কাগজে ‘ভারতের একটি গোয়েন্দা সংস্থার বরাত’ দিয়ে প্রতিবেদন করা হয়েছে ইসলামি জঙ্গিরা বাংলাদেশ বিমানে হামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ খবর জানার পর কে চড়বে বিমানে? বিমান অফিস থেকে লোকগুলো দৌড়ে চলে গেলেন অন্য এয়ারলাইনসের অফিসে। তাঁদের পিছে পিছে আমিও দিলাম দৌড়। অন্য এয়ারলাইনসের টিকিট কিনলাম। এক খবরেই আমার বন্ধু জি এম কাদেরের কয়েক কোটি টাকা লোকসান হয়ে গেল।
ঢাকার বিদেশি দূতাবাসে হামলার সংবাদ হামেশাই হচ্ছে। এ জাতীয় সংবাদ প্রকাশের সুবিধা অনেক রকম। যদি সত্যি কখনো হামলা হয়, তাহলে যে কাগজে রিপোর্ট হয়েছে, তাঁরা লাফিয়ে উঠবেন। বলবেন: এ তো আমরা জানতাম, তাই আগেই সাবধান করে দিয়েছিলাম। অন্যদিকে এই ভুয়া বা বায়বীয় সংবাদ প্রকাশের পর যখন কিছুই ঘটবে না, তখন ওই সাংবাদিক বলবেন: আমরা লিখেছিলাম বলেই হামলাটি হয়নি। তা না হলে বিমানের সব উড়োজাহাজ জঙ্গিরা উড়িয়ে দিত। গুঁড়িয়ে দিত দূতাবাস।
এ জাতীয় সংবাদে অট্টহাসি হাসে দুই পক্ষ: এক পক্ষ, যাদের সম্পর্কে ইঙ্গিত করা হয়েছে। তারা হাসতে হাসতে বলে: কত বড় বেকুব দেখো। কিছুই জানে না। আর হাসে সেই পক্ষ, যারা সত্যি সত্যি অপরাধ ঘটাবে। কখন ঘটাবে, তা শুধু তারাই জানে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে বর্বরতার পর গত সপ্তাহে চ্যানেল আইয়ের এক আলোচনায় মাহমুদুর রহমান মান্না, রিজভী আহমেদ ও আমি ছিলাম। আলোচনার মধ্যে উপস্থাপক মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর একটি প্রধান দৈনিকের একটি রিপোর্ট আমাদের দেখালেন। তাতে রিপোর্টার একটি গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে লিখেছেন: ছাত্রলীগের বর্তমান যে কমিটি, এটি হাওয়া ভবন থেকে মনোনীত হয়ে আসে ইত্যাদি ইত্যাদি। রিপোর্টটি পড়ে আমার মনে হলো, রিপোর্টার বলতে চান, হাওয়া ভবনের সাবেক সর্বাধিনায়ক তারেক রহমান কয়েক বছর আগেই জানতে পারেন, আগামী ২০০৮-এর নির্বাচনে তাঁর আম্মা জিততে পারবেন না। সরকার গঠন করবেন শেখ হাসিনা। তখন সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য প্রয়োজন হবে ছাত্রলীগের। সুতরাং আগেভাগে ছাত্রলীগে এমন নেতৃত্ব বসিয়ে যাবেন, যাঁরা চাপাতি ও রামদার সদ্ব্যবহারে সুদক্ষ এবং সহপাঠীদের খড়কুটোর মতো তিনতলা থেকে মাটিতে ছুড়ে ফেলবেন। মান্না ও রিজভী উভয়েই রিপোর্টটিকে বাজে ও রাবিশ বলে উড়িয়ে দিলেন। আমি বলেছিলাম, এ খবরটি গোয়েন্দারা সাত-আট বছর গোপন রাখলেন কেন? জাহাঙ্গীরনগরের ঘটনার আগের দিন তথ্যটি প্রধানমন্ত্রীর অফিসে পৌঁছে দেননি কেন? অর্থাৎ এ খবরটি কোনো গোয়েন্দা সূত্র দেয়নি, রিপোর্টারের মাথা দিয়েছে।
আমি যা বলতে চাই তা হলো সংবাদপত্রের কাছে মানুষের প্রত্যাশা প্রচুর। সেই প্রত্যাশা নষ্ট হয়ে গেলে পাঠক হতাশায় ভোগে। আমার এ লেখার দীর্ঘ ভূমিকায় আমি যা বলেছি, তার অর্থ হলো সংবাদপত্রের সঙ্গে আমার সম্পর্ক সারা জীবনের। সাংবাদিকতা ও লেখালেখি ছিল আমার জীবিকার একমাত্র উপায়। সংবাদপত্রকে যখন কেউ সমালোচনা করে এবং সংগত কারণেই করে, তখন আমার গায়ে লাগে। আমি আহত হই।
পৃথিবীতে মন্দ গণতন্ত্র যেমন আছে, তেমনই অপসাংবাদিকতাও আছে। ভালো গণতন্ত্রের জন্য ভালো সংবাদপত্র অপরিহার্য। ব্যক্তিস্বার্থের কারণে রাজনীতিকদের কেউ খারাপ হতে পারেন, নীতি বিসর্জন দিতে পারেন, কিন্তু সাংবাদিকের নীতিভ্রষ্ট হওয়ার উপায় নেই। কোনো গোষ্ঠীর বা শাসকের লাঠিয়াল হওয়া সাংবাদিকের কাজ নয়। দেশ, জাতি ও জনগণের স্বার্থ রক্ষাই তাঁর ব্রত। সত্যের পক্ষে অনড় থেকেই সেই ব্রত পালন করা সম্ভব। সত্য থেকে বিচ্যুত হওয়া তাঁর জন্য আত্মহত্যার শামিল।
সৈয়দ আবুল মকসুুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1348)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
July
(862)
-
▼
Jul 21
(29)
- ঘোড়ার গাড়ির কথা by কিঙ্কর আহ্সান
- ছাত্রলীগ নেতা কি ‘সম্মানিত’ ব্যক্তি নন by এ কে এম ...
- সারমেয় সমাচার by শাহাদুজ্জামান
- একদা একটা শহর ছিল ঢাকা নামে by আনিসুল হক
- গণতন্ত্রের জন্য সংবাদপত্র, কোনো গোত্রের জন্য নয় by...
- বিএম কলেজে শিক্ষক প্রহার - আর কত ঘটবে, সরকারের টনক...
- সচিবদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক -সিদ্ধান্ত বাস্ত...
- সীমান্ত বাঁধ খুলে দ. কোরিয়ায় পানি ছাড়ছে উ. কোরিয়া
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ট্যাংক ও টর্পেডো কিনছে তাইওয়ান
- চীন আরও একটি পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করবে
- আক্রান্তদের প্রাথমিক পর্যায়েই চিকিৎসা দেওয়ার পরামর্শ
- মেগরাহির মুক্তির সিদ্ধান্ত ভুল ছিল: ক্যামেরন
- আফগান সরকারকে সহায়তাকারীদের হত্যা বা বন্দীর নির্দেশ
- আফগানিস্তানে শান্তি ও উন্নয়নের রূপরেখা নির্ধারণ প্...
- ইচ্ছার বিরুদ্ধে বন্ধ্যা করার অভিযোগ উজবেক নারীর
- আল-কায়েদার সাময়িকী ইন্সপায়ারের প্রধান লেখক একজন মা...
- শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এমটিবি বুথ খুলেছে
- নীতিনির্ধারণী গবেষণা-সহায়তার জন্য দেশের দুটি সংস্থ...
- রমজান মাসে বাজারে চাই সত্যিকারের তদারকি
- ডন সিকিউরিটিজের কার্যক্রম স্থগিত
- আর্সেনালে ফিরতে চান অঁরি
- ঘুরে দাঁড়ানোর আশা পাকিস্তানের
- খ্যাপা রুনি থেকে সাবধান
- আছেন মুরালির রক্ষাকর্তাও
- টুকরো খবর
- আদালতে ঊষা
- ক্যাপেলো দুঃখিত
- শ্যাম না কুল রাখবেন ফ্যাব্রিগাস
- চাপ নিতেই রিয়ালে মরিনহো
-
▼
Jul 21
(29)
-
▼
July
(862)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
জোহরান মামদানি
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment