Wednesday, January 16, 2013
একান্ত সাক্ষাতকারে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত
একান্ত সাক্ষাতকারে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ৬ জানুয়ারি সরকারের সঙ্গে সঙ্গে অর্থমন্ত্রী হিসাবে তাঁরও এক বছর মেয়াদ পূর্ণ করেছেন। দেশের এই কৃতী সনত্মান, প্রথিতযশা অর্থনীতিবিদ, বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও লেখকের জন্ম ১৯৩৪ সালে।
এক সময়কার অভিজ্ঞ আমলা এবং এদেশের পরিবেশ আন্দোলনের পুরোধা এখন মহাজোট সরকারের অর্থমন্ত্রী হিসাবে নতুন জীবনের স্বাদ গ্রহণ করছেন। ইতোপূর্বে ১৯৮২-৮৩ সালে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করলেও একটি গণতান্ত্রিক সরকারের মন্ত্রিসভায় নীতিনির্ধারক হিসাবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা একেবারেই নতুন এবং ভিন্নতর। সেই দায়িত্ব পালন করতে গিয়েই গত ২৫ জানুয়ারি তাঁর ৭৬তম জন্মবার্ষিকী অতিক্রম করলেন। সেই জন্মদিনেই দৈনিক জনকণ্ঠ মুখোমুখি হয় বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের। প্রায় দুই ঘণ্টার সাাতকারে তিনি তাঁর এই নতুন জীবনের অভিজ্ঞতা, সরকারের এক বছরের কর্মকা-ের মূল্যায়ন, অর্থনৈতিক অগ্রগতির পথে বাধাসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন। তাঁর সেই ব্যতিক্রমধর্মী সাাতকার গ্রহণ করেছেন দৈনিক জনকণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক স্বদেশ রায়, বিশেষ প্রতিনিধি কাওসার রহমান এবং স্টাফ রিপোর্টার মিজান চৌধুরী। ছবি তুলেছেন আমাদের আলোকচিত্রী শেখ মামুন। নিচে অর্থমন্ত্রীর সাাতকারের পুরো বিবরণ দেয়া হলো-স্বদেশ রায় : আজ আপনার জন্মদিন। আপনার জন্মদিনে মহাজোট সরকারেরও এক বছর পূর্ণ হয়েছে। জন্মদিনে বছরটি নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?
এএমএ মুহিত : ২০০৯ সাল ছিল আমার জন্য নতুন জীবন। আমি তো সরকার ছেড়েছি বহুদিন আগে। আমি সরকার ছেড়েছি ১৯৮৪ সালে। চুরাশি থেকে দুই হাজার আট পর্যনত্ম আমি সরকারের কোন কাজ কোন দিন করিনি। আমি আনত্মর্জাতিক কনসালটেন্সি করতাম। মাত্র ২টি কনসালটেন্সি দেশে করেছি আমার এই অবসর জীবনে। এর পর এভাবে সরকারের একটি গুরম্নদায়িত্ব পাওয়া ছিল অসাধারণ ব্যাপার। অসাধারণ সুযোগও বটে। আমি তখনই ঠিক করেছি, ভাগ্যে এমন সুযোগটা যখন পেয়েছি তার আমি সদ্ব্যবহার করবই। গত এক বছরে সেই সুযোগই কাজে লাগিয়েছি।
স্বদেশ রায় : কোন্ কোন্ েেত্র আপনি এই সুযোগটা বেশি কাজে লাগিয়েছেন?
এএমএ মুহিত : আমার দায়িত্ব ছিল অর্থ মন্ত্রণালয়ের। এটার সঙ্গে আমার কিছুটা পরিচয় ছিল। কিন্তু যে অর্থনীতিটাকে আমি চিনতাম আগে, এটা এই বর্তমান অর্থনীতি নয়। তখন সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার বাজেট ছিল। এসে দেখলাম এক লাখ কোটি টাকার বাজেট। তখন ব্যক্তিমালিকানা খাত বলতে কিছুই ছিল না। এখন ব্যক্তিমালিকানা খাত অত্যনত্ম গতিশীল এবং শক্তিশালী। ব্যক্তিমালিকানা খাতের সূচনা হয় বস্তুত ১৯৮২ সালে। আমি যখন সরকার ছাড়ি তখন ব্যক্তিমালিকানা খাতে ব্যাংক হয়েছে কিছু। সরকার ছাড়ার আগে মাত্র ২০ শতাংশ ব্যবসা তাদের হাতে ছিল। এখন ৬০ শতাংশ তাদের হাতে। যদিও বড় বড় ব্যাংক এখনও সরকারের হাতে। এখন সিদ্ধানত্ম গ্রহণের সংস্কৃতিও বদলে গেছে। এখন 'স্টেকহোল্ডার' অনেক বেশি। ব্যবসায়ী সমিতি, এ্যাসোসিয়েশন এত বেশি যে, বাজেট দেয়া পর্যনত্ম ছয় মাস সময় ছিল আমার জন্য তাদের সঙ্গে পরিচিতির পর্ব। ঐ সময়টি ছিল আমার জন্য প্র্রশিণের। আমি তখন অনেক শিখেছি। বাজেট দেয়ার পর এবং বাজেটটা যখন চূড়ানত্মভাবে তৈরি করছি তখন মনে হয়েছে, আমি এখন অর্থনীতিটাকে বুঝতে পারছি।
কাওসার রহমান : আপনি একাধিক দায়িত্ব পালনের কথা বলছেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের বাইরে আপনি আর কোন্ কোন্ দায়িত্ব পালন করছেন?
এএমএ মুহিত : অর্থ মন্ত্রণালয় ছাড়াও বিভিন্ন কাজের সঙ্গে আমাকে সম্পৃক্ত থাকতে হচ্ছে। সেটা অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে। অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব দিলেন ঠিকই, সেই সঙ্গে অন্যান্য বিষয়ও ঢুকিয়ে দিলেন। এই মুহূর্তে আমি সাউথ এশিয়া গেমস নিয়ে ব্যসত্ম। এটাও ওনার জন্যই হয়েছে। আমি খেলাধুলার অঙ্গনে ছিলাম, সেটা সত্তরের দশকে শেষ হয়ে গিয়েছিল। পঞ্চাশ ও ষাট দশক ছিল আমার খেলাধুলার যুগ। সেটা প্রধানমন্ত্রী বোধ হয় জানতেন। সেজন্য খেলাধুলার মধ্যেও আমাকে লাগিয়ে দিয়েছেন। আমি পরিবেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। আমার আইটিতে আগ্রহ তাঁর জানা। সেগুলোর সঙ্গেও আমাকে যুক্ত করলেন। এই সব মিলিয়ে আমার কাজের চাপ খুব বেশি। এটার কারণে বোধ হয় শারীরিক অসুবিধা হচ্ছে। আমি আগে রম্নটিন মেনে স্বাস্থ্যসেবার চেষ্টা করতাম। সাঁতার কাটতাম। ব্যায়াম করতাম। এটা করতাম, সেটা করতাম। এগুলো এখন প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ওজন বেড়ে গেছে। ওজন বাড়লে কর্মশক্তি কমে যায়, মনে হয় বয়স বেড়ে গিয়েছে । আর একটি সমস্যা হচ্ছে আমার বাসস্থান। আমি যেখানে থাকি সেটি অফিসপাড়া থেকে অনেক দূরে। বাড়ি একটা বরাদ্দ হয়ে রয়েছে। কিন্তু যেতে পারছি না, সময় দিতে পারছি না। আশা করছি এ মাসে চলে যাব। জীবনে একটা শৃঙ্খলার অভাব পরিলৰিত হচ্ছে। সব কাজ শৃঙ্খলার মধ্যে আনলে মনে হয় চাপ নিয়ন্ত্রণে আসবে; সব ঠিক হয়ে যাবে।
কাওসার রহমান : এই দায়িত্বগুলো আপনি কেমন উপভোগ করছেন?
এএমএ মুহিত : চাপের মধ্যে থাকলেও আমি আমার কাজগুলো খুব উপভোগ করছি। গত এক বছরে আমরা অনেক সিদ্ধানত্ম নিয়েছি। সৌভাগ্যবশত সিদ্ধানত্মগুলো কাজ করেছে। প্রতিটি েেত্রই কাজ হয়েছে। যেখানে অসুবিধা হয়েছে সেখানে সিদ্ধানত্ম পরিবর্তন করেছি। তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ হচ্ছে সময় নির্ধারণ। আমরা ঘড়ির কাঁটা এগিয়ে নিয়ে এসে সেটা অব্যাহত রাখছিলাম। কিনত্মু দেখলাম মানুষ সেটা পছন্দ করছে না। ফলে আমরা সময় পরিবর্তন করলাম। এতে আমাদের বিশ্বাস আরও দৃঢ় হলো, যে কোন কাজে জনগণের সম্পৃক্ততা থাকলে সেই জিনিস ভাল হয়। মানুষকে আস্থায় নিলে, আলোচনা করলে পদপেটা ভাল হয়। এর আর একটা উদাহরণ হলো- কালো টাকা। কালো টাকার ব্যাপারে আমাদের সিদ্ধানত্মের প্রতিক্রিয়া হলো বাজারে। আমরা সেটা গ্রহণ করলাম। সিদ্ধানত্ম নিয়েছিলাম, তিন বছরের জন্য সুযোগ দেব। সেটা পরিবর্তন করে এক বছরের জন্য করেছি। পদপেটি সঠিকই হয়েছে এবং সঠিক হওয়ার কারণ ওই আলোচনা। আমরা ভবিষ্যতের সিদ্ধানত্মগুলো সুবিধাভোগীদের ও জনগণের সঙ্গে আলোচনা করেই গ্রহণ করব। আগামী দিনের বাজেট প্রণয়নের জন্য আমরা এই আলোচনা অব্যাহত রাখব। এখন অভিজ্ঞতা হয়েছে। আশা করছি আগামী বাজেট দ্রম্নত গতিতে করা সম্ভব হবে।
আমাদের সফলতার পেছনে আর একটি কারণ হচ্ছে আলস্নাহর মেহেরবানি। আবহাওয়া আমাদের সাহায্য করেছে। খরা একটি সমস্যা ছিল। কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী সেটা দৰতার সঙ্গে মোকাবেলা করেছেন। পরিবেশ যে অনেকটা সহায়ক ছিল তাও স্বীকার করতে হবে। বছর শেষে ভাল লাগছে। আমাদের পদপেগুলো সঠিক হয়েছে। প্রত্যেক েেত্র যথেষ্ট সাফল্য লাভ হয়েছে।
মিজান চৌধুরী : এবারের বাজেট উচ্চাভিলাষী বলে অভিযোগ ছিল। সেটা বাসত্মবায়নের অগ্রগতি কতটুকু?
এএমএ মুহিত : উচ্চাভিলাষী বাজেট নিয়ে অনেক কথাবার্তা হয়েছে। রাজস্ব আদায় নিয়ে অনেকে সংশয় প্রকাশ করেছেন। আমি বলতে পারি, রাজস্ব আদায়ের যে ল্যমাত্রা ধরা হয়েছে তা অর্জিত হবেই। আমার ধারণা যতটা টার্গেট আছে তার চেয়ে বেশি আদায় হতে পারে ।
স্বদেশ রায় : গ্রামে এখন অনেক সম্পদ প্রবাহ আছে। আপনারা কি গ্রাম থেকে রাজস্ব আহরণের খাত বাড়াবেন?
এএমএ মুহিত : না, রাজস্ব আহরণের খাত বাড়াব না। রাজস্ব আহরণের সূত্রগুলো অভিন্ন থাকবে। এগুলোকে বিসত্মৃত করতে হবে। বলতে গেলে গ্রামে কোন আয়কর নেই। গ্রাম পর্যায়কে আয়করের আওতায় আনতে হবে। কী কৌশলে আনা হবে সেটা হলো কৌশলের ব্যাপার। কৃষিকর চালু করা যায় কিনা ভেবে দেখতে হবে। আমার মনে হয়, স্থানীয় সরকার ভবিষ্যতে বড় একটি বিষয় হবে। স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করতে পারলে রাজস্ব আদায়ও বেশি হবে। আমাদের দেশে 'খানা ট্যাক্স' যাচ্ছেতাই। মিউনিসিপ্যাল ট্যাক্স আশঙ্কাজনকভাবে কম। পাঁচ হাজার বর্গফুটের বাড়ি যার ঢাকায় আছে, তিনি কত ট্যাক্স দেন? মফস্বলে আরও খারাপ। আমার সিলেটে অবস্থা আরও খারাপ। ১৫-২০ বছর ধরে ট্যাক্স বাড়ানো হয় না। এগুলো বাড়ানো যাবে। স্থানীয় সরকার যদি শক্তিশালী হয়। জনগণ যদি স্থানীয় সরকারের কাজকর্মগুলো সরাসরি দেখতে পারে ও তার উপকার পেতে পারে, তখন কর দিতে তত অনীহা দেখাবে না। যদি বুঝতে পারে তার সনত্মানের শিা হচ্ছে জেলা বা উপজেলার খরচে, তখন জনগণ কর দিতে আগ্রহী হবে। শিার সমসত্ম ব্যবস্থা এখন ঢাকা থেকে হয়। সকল সিদ্ধানত্ম ঢাকা থেকে দেয়া হয়। এটা যদি স্থানীয় সরকারের কাছে চলে যায় তাহলে শিা ব্যবস্থায় অনেক পরিবর্তন আসবে। শিক নিয়োগ, স্বাস্থ্য কৃষি সব কার্যক্রমই উপজেলায় নিতে হবে। আমি মনে করে স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার প্রাথমিক পর্যায়ে তাদের হাতে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আদায়ের দায়িত্ব ছেড়ে দেয়া যায়। রম্নলস রেগুলেশন মনিটরিং ঢাকা থেকে করা হবে। স্থানীয় সরকার শুধু ভ্যাট আদায় করবে। এভাবে সেবার সকল দায়িত্ব স্থানীয় সরকারের হাতে ছেড়ে দেয়া যায়।
স্বদেশ রায় : আপনার সরকার কি স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করবে? বিশেষ করে এমপিরা কি তা মেনে নেবেন?
এএমএ মুহিত : উপজেলাকে নিয়ে 'পলিটিক্স' করতে চাচ্ছেন অনেকে। তাঁদের অভিযোগ হলো এমপি সাহেবরা পরামর্শক হয়ে বসে আছেন এবং ওনাদের পরামর্শ শুনতেই হবে। এটাতেই আপত্তি। আমার মনে হয়, উপজেলা চেয়ারম্যানদের আপত্তি থাকত না, এমপি সাহেবরা যদি পরামর্শকই থাকতেন। পরামর্শকের কথা শতভাগ শুনতে হবে সেটাতেই তাঁদের যত আপত্তি। এটা একটা সংঘাতের ব্যাপার। সময় লাগবে তবে। একটা সমঝোতায় আসতে হবে এমপি সাহেবদের। তাঁরা তো আর সব কিছু করতে পারবেন না। আমি তো নিজে দেখছি। আমার সৌভাগ্য যে আমার মেয়র এবং উপজেলা চেয়ারম্যানরা সকলেই আমার দলের। আমি তাদের ওপর দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে স্থানীয় কাজের বিষয়ে প্রায় নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছি। এলাকার প্রতিনিধি আমার দলের না হলেও তাঁর সঙ্গে একটা সমঝোতায় আসতে হতো যে, কিভাবে কী করা যায়। এটা সময়ে ঠিক হয়ে যাবে। ওই যে ১১টি দায়িত্ব আছে উপজেলা সরকারের; সেটা তাদের হাতে ছেড়ে দিচ্ছি। এটা তাঁদের হাতে গেলে তাঁদের মতা অনেক বাড়বে। তাঁরা অনেক কিছু করতে পারবেন। তখন ওই পরামর্শক সমস্যাটাও ঠিক হয়ে যাবে। যদি আগামী বছরের মধ্যে তা নাও হয়, আমাদের মেয়াদ শেষের আগেই এটা ঠিক হয়ে যাবে। এমপিরাও সংযত ও সহনশীল হচ্ছেন এখন। আমাদের নেত্রী বলেছেন যে, জেলায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকার গঠন করতে হবে।
কাওসার রহমান : বৈশ্বিক মন্দা কেটে যাচ্ছে। বিনিয়োগ এবং আমদানি-রফতানি খাত ছাড়া অর্থনীতির সব সূচকই উর্ধমুখী। আসলে অর্থনীতি এখন কোন্ অবস্থায় আছে?
এএমএ মুহিত : বিশ্বমন্দা চলে যাচ্ছে। আবারও মন্দা আসতে পারে, সেটা ভিন্ন কথা। এই মুহূর্তে মন্দা কেটে যাওয়ায় বিশ্বে শিল্প পণ্যের চাহিদা বাড়ছে, যেটাতে আমাদের বেশি আগ্রহ আছে। কারণ এতে আমাদের আয় বাড়বে। আমাদের প্রধান শিল্প হচ্ছে গার্মেন্টস। প্রধান রফতানি পণ্যও হচ্ছে তৈরি পোশাক। গার্মেন্টস শিল্প ২০০৭ ও ২০০৮ সালে অনেক সম্প্রসারণ করেছে। আমার মনে হয়, নিট ও ওভেন পোশাকের যে সম্প্রসারণ হয়েছে তা ২০ থেকে ৩০ শতাংশ। আমি মনে করি, আমরা এটা ক্যাশ এখন করতে পারব। আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি, এ বছর আমাদের প্রবৃদ্ধি ছয় শতাংশের বেশি হবে। রফতানি খাতে আমাদের প্রবৃদ্ধি কমেছে। আশা করছি আগামী পাঁচ মাসে শিল্পের অলস মতা ব্যবহার করে আমাদের সরবরাহ বাড়াতে পারব। এই মন্দার মাঝেও আমাদের নিট পোশাকের মার্কেট শেয়ার বেড়েছে। এর সুবিধা আমরা পাব। অন্যান্য পণ্য খাতেও লোকসান কমে যাবে। বাড়বে প্রবৃদ্ধি।
জনশক্তি রফতানির েেত্র আমরা খুব একটা লোকসান করিনি। ২০০৬ সালে আড়াই লাখ লোক বিদেশে গেছে। ২০০৭ সালে পাঁচ লাখ এবং ২০০৮ সালে আট লাখ লোক বিদেশে গেছে। ২০০৬ সাল ছিল আমাদের আদর্শ বছর। তার সঙ্গে তুলনা করলে ২০০৯ সালে আমাদের জনশক্তি রফতানির প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। এবছর প্রায় সাড়ে তিন লাখের মতো শ্রমিক বিদেশে গেছে। বিশ্বমন্দায় আমরা যে ধাক্কা খেলাম, তার জন্য নতুন শ্রম বাজার সৃষ্টির চেষ্টা করছি। কিছু কিছু পাচ্ছিও। গ্রীস, সাইপ্রাস, ইরাক, পূর্ব ইউরোপ প্রভৃতি দেশে শ্রমিক যাচ্ছে। ইরাক যদিও ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু আমাদের ছেলেরা ঝুঁকি নিতে পছন্দ করে। ফলে চলতি বছরও আমাদের জনশক্তি রফতানি বাড়বে।
কাওসার রহমান : বৈশ্বিক মন্দা সত্ত্বেও রেমিটেন্স প্রবাহে একটা চাঙ্গাভাব দেখা যাচ্ছে। এ ধারাকে অব্যাহত রাখার ব্যাপারে আপনার প্রস্তুতি কতটুকু?
এএমএ মুহিত : রেমিটেন্স বাড়ানোর জন্য আমরা ডেলিভারি ব্যবস্থাকে সহজ করেছি। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এখন রেমিটেন্স পাঠানো হচ্ছে। রেমিটেন্স প্রেরণের জন্য প্রযুক্তির বিকাশ হয়েছে। এতে প্রকৃত অর্থে হুন্ডি ব্যবসা কমেছে, কমেছে অবৈধভাবে টাকা পাঠানোর প্রবণতা। প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ সঠিক পথে আসায় রেমিটেন্স বেড়েছে। এ ধারাকে আমরা অব্যাহত রাখতে বিভিন্ন দেশে এক্সচেঞ্জ হাউজ বা রেমিটেন্স প্রেরণ বুথ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছি। যাতে বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী প্রবাসীরা নিজ নিজ এলাকা থেকেই দেশে দ্রম্নত সহজে অর্থ প্রেরণ করতে পারে। আবার বৈধপথে রেমিটেন্স প্রেরণকে উৎসাহিত করার জন্য দ্রম্নত তার পরিবারের কাছে অর্থ পেঁৗছে দেয়ার ব্যবস্থা নিয়েছি।
কাওসার রহমান : কর্মসংস্থানের জন্য বিনিয়োগ খুবই জরম্নরী। বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য আপনারা কি কি পদপে নিচ্ছেন?
এএমএ মুহিত : আমাদের প্রধান ল্য হচ্ছে শিল্প খাতের মাধ্যমে প্রবৃদ্ধি অর্জন করা। সেই সঙ্গে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এ জন্য পণ্য উৎপাদন বিকেন্দ্রীকরণ করতে হবে। সাবকনট্রাক্টিংয়ের মাধ্যমে উন্ন্নত গ্রামে নানা প্রসেসিং প্রক্রিয়া স্থাপন করতে হবে । শুধু তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভর করে বসে থাকলে চলবে না। খেলনা, ফার্নিচারের মতো সম্ভাবনাময় শিল্প স্থাপন করতে হবে। আমাদের উদ্যোক্তারা কঠোর পরিশ্রমী। তাদের খেলনা ও ফার্নিচার শিল্প স্থাপনে উৎসাহিত করতে বন্ডেড সুবিধার মাধ্যমে কাঁচামাল আমদানির ব্যবস্থা করা হবে। আমাদের সুবিধা হচ্ছে- এখানে শ্রমমূল্য খুব কম। খেলনা, ফার্নিচার ছাড়াও পস্নাস্টিক ও ওষুধ শিল্পের সম্ভাবনা রয়েছে। পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপির) মাধ্যমে এসব করা যাবে। দেশে আখ থেকে চিনি উৎপাদন বৃদ্ধি করা যাচ্ছে না। কিন্তু 'র' সুগার এনে রিফাইন করে ফিনিশড চিনি করা হচ্ছে। অপরিশোধিত ভোজ্যতেল এনে রিফাইনারিতে তাকে শোধন করা হচ্ছে। ব্যাপক কর্মসংস্থানের জন্য আমাদের 'ওয়েজ এমপস্নয়মেন্টে' যেতে হবে।
মিজান চৌধুরী : শিল্পায়নের জন্য অবকাঠামো উন্নয়ন খুবই জরম্নরী। কিন্তু সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর বাসত্মবায়ন আশানুরূপ নয়। এই চ্যালেঞ্জ কিভাবে মোকাবেলা করবেন?
এএমএ মুহিত : যেভাবেই হোক প্রবৃদ্ধির জন্য রাজস্ব বাজেট ও উন্নয়ন বাজেট বাসত্মবায়নে দৰতা বাড়াতে হবে। আমি মনে করি আমাদের মেয়াদে সরকারী ব্যয় জিডিপির ২০ শতাংশ হওয়া উচিত। বর্তমান এটা ১৬ শতাংশ। এই ব্যয় বৃদ্ধি করা অত্যনত্ম জরম্নরী। শিায় হচ্ছে পাবলিক খরচ, স্বাস্থ্য পাবলিক খরচের এলাকার মধ্যে পড়বে। এসব খাতে খরচ বাড়াতে হবে। আরও নতুন কিছু যোগ করা হবে। তবে রাজস্ব আদায়ও বাড়াতে হবে। আমার এক বছরের অভিজ্ঞতায় রাজস্ব আদায়ের হার ভাল। তবে আমাদের পরিসংখ্যান অত্যনত্ম ভুল। পরিসংখ্যানে গরমিলের কারণে সঠিক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। এটা রাতারাতি ঠিক করা যাবে না। তাই পরিসংখ্যান বু্যরোকে শক্তিশালী করার চেষ্টা চলছে।
কাওসার রহমান : বিনিয়োগে এক ধরনের খরা চলছে। অথচ ব্যাংকগুলোতে রেকর্ড পরিমাণ তারল্য মজুদ রয়েছে। তাহলে কেন বিনিয়োগের সমস্যা হচ্ছে?
এএমএ মুহিত : আমরা যখন মতায় আসি তখন একটি ভীতির পরিবেশ বিরাজ করছিল। ভয় ছিল যে, বিনিয়োগ করলে সমস্যা হবে। এই ভীতিটা দুর্ভাগ্যবশত তত্ত্বাবধায়ক সরকার সৃষ্টি করে। 'সৈনিকদের রাজনীতিতে আসা উচিত নয়' বলে জেনারেল মইন উ আহমেদ যে মনত্মব্য করেছেন তা আমার ভাল লেগেছে। দীর্ঘ ২৭ মাস তাঁরা মতা পরিচালনা করেছেন। আমি তখন বার বার বলছিলাম যে, এদেশে বিরাজনীতিকরণের চেষ্টা কাজ করবে না। আমরা মতায় এসে ওই ২৭ মাসের ভীতিকর পরিবেশ পাই। বিনিয়োগকারীরাও ভয়ে ছিল, এরা (মহাজোট সরকার) মতায় এসে কী করে? ওই অবস্থা আমরা অতিক্রম করতে পেরেছি। বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আমাদের ওপর একটা বিশ্বাস এসেছে, আস্থা এসেছে। ওই আস্থা তৈরি হতে না হতেই শুরম্ন হয় বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা। বিনিয়োগকারীরা বোঝার চেষ্টা করে বাজার কোন্ দিকে যাচ্ছে। পণ্য উৎপাদনের পর বেচবে কোথায়? দ্বিতীয় সমস্যা হচ্ছে- দেশের অভ্যনত্মরে বিদু্যত, গ্যাস সমস্যা ও দুর্বল পরিবহন ব্যবস্থা। একজন উদ্যোক্তার পণ্য উৎপাদন করে নড়াচড়া করার কোন সুযোগ নেই। দেশের উন্নয়নের জন্য পরিবহন ব্যবস্থা হচ্ছে অত্যনত্ম গুরম্নত্বপূর্ণ। দেশে নদীনালা নেই। একমাত্র রেল আছে তাও পর্যাপ্ত নয়। ওয়াগন ব্যবস্থা ভাল না। চট্টগ্রাম থেকে সিলেটের রম্নটে ট্যাঙ্কার ওয়াগন দিয়ে তেল আনা হয়। রেলের ইঞ্জিনের মতা এত কম যে ট্যাঙ্কার ওয়াগন নিয়ে রেলগাড়ি ব্রিজে উঠতে পারে না। সিলেটে বড় বিমান যেতে পারে, কিন্তু সেখান থেকে সরাসরি ফাইট বিদেশে যেতে পারে না। কারণ সেখানে এভিয়েশন ফুয়েল সরবরাহ করা যায় না। এেেত্র অতীতের সরকারের চরম খামখেয়ালিপনা রয়েছে। এটা কি ধরনের খামখেয়ালিপনা তা চিনত্মা করা যায় না। এ সমস্যা আমরা কাটিয়ে উঠব আশা করছি। তবে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ব্যাপারে বাজেটে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এটা বিনিয়োগের ব্যাপারে খুব সহায়ক হিসাবে কাজ করবে।
কাওসার রহমান : অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পিপিপি'র দায়িত্ব সরিয়ে বিনিয়োগ বোর্ডের কাছে দেয়া হয়েছে, এটা কিভাবে দেখছেন?
এএমএ মুহিত : এটা কোন সমস্যা নয়। কে করছে সেটা বড় বিষয় নয়। এখানে কিভাবে প্রশাসনিক অবকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে সেটা আসল বিষয়। বিনিয়োগ গাইড লাইন তৈরি হবে সবচেয়ে বড় বিষয়। যে গাইড লাইনের মাধ্যমে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কাজ করবে। আগে যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং বিদু্যত পিপিপি'তে অনত্মর্ভুক্ত ছিল। সেখানে এখন শিা ও স্বাস্থ্য খাতকে নিচ্ছি। তবে পিপিপি'র পুরো প্রক্রিয়াটি কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। এ বছর যে রকম হওয়ার কথা ছিল সেটা হবে না। ঢাকা চট্টগ্রাম চার লেনের সড়ক, ঢাকায় উড়াল সড়ক, হয়ত পাতাল রেল পিপিপির আওতায় চলতি অর্থবছরে প্রক্রিয়াজাত করা যাবে; প্রস্তুতি শুরম্ন হয়েছে। শিা ও স্বাস্থ্য খাতের কিছু প্রকল্পের কাজ হতে পারে। আগামী বছর থেকে এর কাজ পুরোপুরি জোরদার হবে।
স্বদেশ রায় : আপনি বললেন পিপিপির কাজ বিলম্ব হচ্ছে। বাইরে একটি কথা আছে বর্তমান সরকার সবকিছুতে দেরি করছে, আসলে কি তাই?
এএমএ মুহিত : আমি একটু ব্যাখ্যা করে বলব। বর্তমানে প্রশাসনিক দৰতা অতি নিম্নমানের। সরকারী প্রতিষ্ঠানে সেবা প্রদানের কালচারদুষ্ট। দেশে সেবার গতি ও মান ফিরিয়ে আনতে হচ্ছে। এজন্য সময় লাগছে। প্রশাসন গতিশীল হলে সব কিছু দ্রম্নত কাজ করবে।
স্বদেশ রায় : বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য, সরকারী কর্মকর্তাদের দতা ও যোগ্যতা নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলছে?
এএমএ মুহিত : এসব প্রশ্ন অস্বাভাবিক নয়, অদৰতা এখানে সেখানে কিছু থাকবে বটে। সব তো আর সমান হয় না। কিছুটা দেরি হচ্ছে আমাদের নিজেদের কারণে, কিছুটা হচ্ছে প্রশাসনের দুর্বলতার কারণে। যে কাজটি জুনের মধ্যে শেষ করার ল্য নির্ধারণ করা হয়। দেখা গেছে, ওই কাজটি শেষ হচ্ছে সেপ্টেম্বরে।
মিজান চৌধুরী : পিপিপির দায়িত্ব বিনিয়োগ বোর্ডের কাছে দেয়া হয়েছে, সত্যিকার অর্থে বিনিয়োগ বোর্ডের এটা বাসত্মবায়নের সমতা আছে?
এএমএ মুহিত : এজন্য বিনিয়োগ বোর্ড সংস্কার করে শক্তিশালী করা হচ্ছে। বেসরকারী খাত থেকেও লোকবল নেয়ার ব্যবস্থা হচ্ছে।
স্বদেশ রায় : তত্ত্ব্বাবধায়ক সরকারের ২৭ মাসের ওপর আপনার লেখা বইতে লিখেছেন প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় আলাদা হওয়া ঠিক না, এটা যদি অবলুপ্ত করা হয় তাহলে আপনি কি মনে করেন কাজের ধীর গতি কমবে?
এএমএ মুহিত : প্রথম কথা হলো যে আমার বইয়ের সব অভিমত আমার দলের বা পরবর্তীকালে আমাদের দলীয় ইশতেহারের নয়। অনেক বিষয়ে ব্যক্তিগত ধারণা রয়েছে। আমি একনিষ্ঠভাবে ৰমতার বা সরকারের বিকেন্দ্রায়ন বা প্রতিসংক্রম চাই। প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয় থাকার কারণে অনেক কিছু কেন্দ্রীয়ভাবে সাধিত হয়। কেন্দ্রীয়ভাবে বেশি কাজকর্ম হলে স্বাভাবিক বিলম্ব হয়। সকলে প্রধানমন্ত্রীর ওপর নির্ভর করে থাকলে তো কাজের গতি কমবে। প্রধানমন্ত্রী কত সময় দিতে পারেন তা একটি বিষয় বটে। নানাকাজে তাঁকে দৃষ্টি দিতে হয়_ এ জন্য কিছুটা বিলম্ব হয়ে যেতে পারে। তার রাজনৈতিক দায়িত্বে অন্য কারও পৰে ভাগ নেয়া অসম্ভব। সেই দায়িত্ব পালনে তার বিসত্মর সময়ের প্রয়োজন। এছাড়া যে কোন কেন্দ্রায়িত পরিস্থিতিতে সমন্বয় দুর্বল হয়ে যায়। সকলের একটি মনোভাব থাকে যে, প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সিদ্ধানত্মটি নিয়ে আসি। তাতে সমন্বয়ের বিষয়টি জটিল ও দীর্ঘায়িত হয়ে যেতে পারে।
মিজান চৌধুরী : ব্যবসায়ীরা বলছে বিনিয়োগের প্রধান বাধা গ্যাস, বিদু্যত সঙ্কট_ এ ব্যাপারে আপনার মতামত কি?
এএমএ মুহিত : হঁ্যা, গ্যাস-বিদু্যতের সঙ্কট আছে। এই সঙ্কট কাটানোর জন্য আমরা চেষ্টা করছি। দশ বছর পর মতায় এসে নয় মাসে আমরা অনেক দেয়ার চেষ্টা করছি। আমরা গ্যাস সরবরাহ প্রায় আড়াই/ ৩শ' এমএমসিএফটি বাড়িয়েছি। তবুও ঘাটতি অনেক, চাহিদা বেশি। এ কারণে আমাদের রেশনিং করতে হচ্ছে। একটা কথা উঠেছে- দেশে গ্যাসের মজুদ নেই। গ্যাস আছে কি না তা বুঝতে হলে উৎকলন কর্মকা- বাড়াতে হবে। নতুন কূপ খনন করলে জানা যায় গ্যাস আছে কি না। বিশ্বের যেসব দেশে গ্যাস আছে তার মধ্যে নেদারল্যান্ডস ৫০ বছরের বেশি সময় পর্যাপ্ত চাহিদা মিটিয়েও রফতানি করছে অথচ ১৯৫৫ সালে সেখানে প্রশ্ন উঠে যে গ্যাস রফতানি সঠিক কি না। বলিভিয়া পাইপলাইনে ব্রাজিলসহ অন্যান্য দেশে গ্যাস রফতানি করছে। এক সময় তাদেরও গ্যাস নেই বলা হয়েছিল। এখন তাদের গ্যাস মজুদ বাড়ছে। এসব দেশে মজুদ বাড়ার কারণ সেখানে প্রচুর গ্যাসকূপ খনন করা হচ্ছে। বাংলাদেশে গত সাত বছরে তেমন গ্যাসকূপ খনন করা হয়নি। আমাদের পাশর্্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের প্রশাসন দুর্বল হলেও সেখানে বছরে ১০ থেকে ১২টি গ্যাসের কূপ খনন করা হচ্ছে। বিগত সাত বছরে মাত্র ৫টি উন্নয়ন বা ওয়ার্কঅভার কূপ খনন করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের এই এক বছরে পাঁচটি কূপ খনন করা হচ্ছে। অনেক কূপে সাফল্য আসে না তবে চেষ্টা তো করতে হবে এবং তা'ই করা হচ্ছে। কারণ গ্যাস উত্তোলনের জন্য একটাতে 'হিট' করলে হয়, আবার অন্যটাতে হয় না। দেশে গ্যাসের জন্য উন্নয়ন বা ওয়ার্কঅভার কূপ নয় উৎকলন কূপও খনন করতে হবে। আগামী তিন বছরের মধ্যে গ্যাস শেষ হয়ে যাবে এই ভয় আমার মনে হয় কূপ খননে জোর আসলে কেটে যাবে। আমার ধারণা আমরা কূপ খননে জোর দিলেই গ্যাস পাবই। এজন্য চেষ্টা করে যেতে হবে। কয়লার ব্যাপারে কিছু করা দরকার। দেশের কয়লা উত্তোলন করতে হবে।
আবার আমাদের এত বেশি ও ভাল কয়লা আছে। আমরা উত্তোলন করব না কেন? জানি, পরিবেশ নিয়ে সমস্যা আছে। কিন্তু কয়লা উত্তোলন পরিবেশবান্ধব না হলেও, অধুনা পরিবেশ সহায়ক প্রযুক্তি আছে। বাংলাদেশের কয়লার কয়েকটি গুণাবলী আছে। সালফারের পরিমাণ কম। এটার তাপ সৃষ্টির শক্তি বেশি। ফলে কয়লা 'ডাস্ট' কম হবে। এটা অবশ্য ঠিক যে পরিবেশগত সমস্যা হবে। কিন্তু এখনও তো ভারত, চীন, আমেরিকার মতো বড় বড় দেশ কলয়ার ওপর বেশি নির্ভর করে আছে। আমাদের এখানেও কয়লাভিত্তিক বিদু্যতকেন্দ্র স্থাপন করার টেন্ডার আহ্বান করা হচ্ছে। এগুলো হতে চার পাঁচ বছর লেগে যাবে।
কাওসার রহমান : কয়লার উত্তোলনের কয়লা নীতি করার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু ওই নীতি প্রণয়নে বিলম্ব হচ্ছে কেন?
এএমএ মুহিত : সরকার দুটি কয়লাভিত্তিক বিদু্যতকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। কয়লা নীতি তার আগেই প্রণয়ন করা হবে। তবে উৎকলনের বিষয়ে নীতিমালা করা তত দ্রম্নত না করলেও চলে। কারণ কয়লাভিত্তিক বিদু্যত পস্নান্ট করতে ৪ থেকে ৫ বছর প্রয়োজন হবে। কয়লা আমদানি করতে হলে পরিবহন সমস্যা দেখা দেবে। কয়লা আমদানির মতো পরিবহন সমতা আমাদের বর্তমানে নেই। অভ্যনত্মরীণ উৎপাদনের পলিসিও এখনও হয়নি। এইসব পলিসি ও ব্যবস্থা চূড়ানত্ম করার আগেই কিন্তু কয়লা বিদু্যতের দরপত্র আহ্বান করা উচিত। এটার কাজ শুরম্ন হতে হতে আমরা অভ্যনত্মরীণ কয়লা পলিসি তৈরি করে ফেলতে পারব। অভ্যনত্মরীণ পলিসি প্রণয়ন করতে ছয় মাস লাগতে পারে। অভ্যনত্মরীণ পলিসি হয়ে গেলে আমি জানি অভ্যনত্মরীণভাবে কয়লা সরবরাহ দেয়া যাবে। ওপেন পিট করতে পারলে অভ্যনত্মরীণ সরবরাহ অনেক বেড়ে যাবে। আমদানিরও প্রয়োজন হবে না।
স্বদেশ রায় : ওপেন পিট পদ্ধতিতে গেলে আমাদের অনেক লোক উদ্ধাস্তু হবে এ বিষয়টি কি ভেবেছেন?
এএমএ মুহিত : ওপেন পিটে গেলে মানুষ উদ্ধাস্তু হবে ঠিক। ফুলবাড়িয়া উপজেলায় কেউ থাকতে পারবে না। তবে আমাদের বিবেচনা করতে হবে কোনটা পুরো জাতির জন্য ভাল হবে। আমার কথা হলো, আমাদের একটি মূল্যবান সম্পদ রয়েছে। এ সম্পদের ব্যবহারের জন্য আমাদের পরিকল্পনা করতে হবে। পরিকল্পনায় যেয়ে সব পদ্ধতি বিবেচনা করা হবে। এটা করা আমাদের জন্য কঠিন কিছু হবে না। আমরা স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করি। আমরা সেখানকার মানুষদের বুঝাব। মাটির নিচে এই সম্পদ আছে। আপনার ব্যবহার করবেন নাকি মাটির নিচে রেখে দেবেন। ব্যবহার করতে হলে এই সমস্যা হবে। এরপর সিদ্ধানত্ম নেয়া হবে। ভুক্তভোগীদের সঙ্গে আলোচনা করেই আমরা সিদ্ধানত্ম নেব।
কাওসার রহমান : আপনাদের নির্বাচনী ইশতেহারে প্রত্যেক ঘরে একজন করে চাকরি দেয়ার প্রতিশ্রম্নতি দিয়েছেন। এটা বাসত্মবায়ন করবেন কিভাবে?
এএমএ মুহিত : সঠিক কথা হলো যে প্রত্যেক ঘরে একজনের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। সে চাকরিও করতে পারে, বিনিয়োগ করে স্বনিয়োজনেরও ব্যবস্থা হতে পারে। এবং প্রত্যেক পরিবারে অনত্মত একজনের জন্য কর্মসংস্থান করা হবে ২০২১ সালের মধ্যে, ২০১৪ সালের মধ্যে নয়। চালাকি করে অনেকে বলছেন যে এটা ২০১৪ সালের মধ্যে করা হবে। ২০২১ সালে দারিদ্র্যের হার যদি ১৫ শতাংশে নামাতে হয়, তাহলে আমাদের তা করতেই হবে এবং এটা করা সম্ভব। তবে এটাও মনে রাখতে হবে, অনেক পরিবারে তিন জনও চাকরি করবে, আবার কোন পরিবারে চাকরি করবে একজন। এরকম না হলে দারিদ্র্যের হার ১৫ শতাংশে নামানো যাবে না।
স্বদেশ রায় : এটা কি এখন থেকেই নিয়মিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হচ্ছে, না কি ২০১৫ সাল থেকে শুরম্ন হবে?
এএমএ মুহিত : হঁ্যা, এটা এখন থেকেই করা হচ্ছে। এজন্য আমরা বিভিন্ন পদপে নিচ্ছি। কর্মসংস্থানের প্র্রক্রিয়া একটা নয়। আমরা এক শ' দিনের কর্মসংস্থান প্রকল্প নিয়েছি, আমাদের ন্যাশনাল সার্ভিস আছে, প্রবাসে পাঠানোর জন্য প্রশিণের ব্যবস্থা আছে, ৰুদ্র ঋণ প্রকল্প সরকারী ও বেসরকারী খাতে আছে। পাঁচ থেকে ছয় ধরনের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সবকিছুর উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রত্যেক পরিবার থেকে একজন আয়ের লোক তৈরি করা।
মিজান চৌধুরী : আপনার সরকারের সময় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে, এতে আপনার অনুভূতি কি?
এএমএ মুহিত : আমাদের প্রবাসীরা টাকা পাঠাচ্ছেন। প্রবাসনে যেতে অনেক অসুবিধা থাকা সত্ত্বেও আলস্নাহর মেহেরবানি আছে। আমরাও চেষ্টা করছি যাতে রেমিটেন্স দ্রম্নত প্রাপকের হাতে পেঁৗছে। তবে আমরা একটা বিষয় নিশ্চিত করছি যে, আমরা মুখে যা বলছি তা করার চেষ্টা করছি। মানুষের ভালবাসা পাচ্ছি। মানুষকে সামনে রাখছি। মানুষের সমালোচনা শুনছি। এ কারণেই সাফল্য আসছে।
স্বদেশ রায় : আমাদের দেশে বারবার রাজৈনৈতিক অস্থিতিশীলতা আসে, প্রত্যেকটা অস্থিতিশীলতার পিছনে অর্থনীতি কাজ করে, বর্তমানে রৰণশীল ও জঙ্গীবাদের হাতে বেশি পুঁজি চলে গেছে। এ বিষয়ে আপনাদের চিনত্মাভাবনা কি?
এএমএ মুহিত : এটা এক ধরনের বিপদ সঙ্কেত। তাদের টাকা আছে, তারা বিনিয়োগ করছে। আমরা যেটা করতে পারি তা হচ্ছে কোন অসৎ পথে বিনিয়োগ হচ্ছে কিনা, জঙ্গীবাদ উত্থানে কোন টাকা ব্যবহার হচ্ছে কিনা, এই বিনিয়োগ থেকে জাতি সুবিধা পাচ্ছে কিনা, ট্যাক্স ফাঁকি দেয়া হচ্ছে কিনা তা দেখা। সেটা আমরা দেখছি ও করছি।
স্বদেশ রায় : উদার গণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্য জাতীয়ভাবে অর্থনীতিতে কোন পুঁজি গড়ার পরিকল্পনা আছে আপনাদের?
এএমএ মুহিত : নিশ্চয় আছে। আমরা আমাদের উদাহরণ দিয়ে করতে চাচ্ছি সেটা। সংসদের বৈঠকেও আমরা বলেছি। দুইটি বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। এক. দুর্নীতি, দুই. দুঃশাসন। দুঃশাসন আর দুর্নীতি থাকলে দেশের উন্নতি হবে না। দুঃশাসন আর দুর্নীতি অবলম্বন করলে দেশে কোন পরিবর্তন হবে না। দেশের মানুষের কাজের ব্যবস্থা করতে হবে। আর ওটা করতে গিয়ে সতর্ক থাকতে হবে যাতে দুর্নীতি ও দুঃশাসন না আসে। যদিও এটা নিশ্চিত করা খুবই কষ্টকর হবে।
স্বদেশ রায় : আপনাদের নির্বাচনী অঙ্গীকারে ঢাকার যানজট নিরসনের কথা বলা আছে। সরকারের ভেতর আপনি স্থানীয় সরকার নিয়ে বেশি সোচ্চার। যানজট কমানোর জন্য বিকেন্দ্রীকরণ একটি গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। যেমন একটা উদাহরণ, আমরা দেখছি ভারতের শেয়ারবাজার দিলস্নীতে না হয়ে রয়েছে বোম্বেতে, আমাদেরটা কেন ঢাকায়?
এএমএ মুহিত : এটা একটা বড় প্রশ্ন। আমাদের সবকিছু ঢাকায়। বর্তমানে প্রযুক্তির বিকাশ ঘটছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল থাকলে সকাল আটটায় টাঙ্গাইল থেকে এসে অফিস করা সম্ভব। আমার অর্থ মন্ত্রণালয়ের কথা বলি। এ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বর্তমানে ৬৭টি জেলায় সরকারী আয়-ব্যয়ের হিসাব রৰা করা হয়। আমি যে কোন সময় কম্পিউটার খুলে আয়-ব্যয় দেখতে পারি। এ জন্য আমাকে ঢাকায় থাকার প্রয়োজন নেই। যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেটে হিসাবের নানা বিষয় দেখতে পারি। তাই সব কিছু ঢাকায় হতে হবে_ তার দরকার নেই। প্রযুক্তিই আমাদের বিকেন্দ্রীকরণের দিকে নিয়ে যাবে।
স্বদেশ রায় : আপনার অর্থনৈতিক কর্মকা- পরিচালনার জন্য সকল ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় কি ঢাকায় থাকবে?
এএমএ মুহিত : তার কোন প্রয়োজন হবে না। কম্পিউটারাইজ করা হলে যে কোন স্থান থেকেই ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে। এটা আমেরিকায় প্রায়ই হচ্ছে। একটি প্রতিষ্ঠান আজ এখানে আছে, কয়েকদিন পরই ওই প্রতিষ্ঠানের অবস্থান অন্যখানে চলে যাচ্ছে। আমাদেরও হবে। আর এই হওয়ার মাধ্যমেই হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপানত্মর।
কাওসার রহমান : দেখা যাচ্ছে কিছু কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য অস্বাভাবিক বেশি। এ জন্য মূল্যস্ফীতিতে একটা চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। মূল্যস্ফীতি সহনীয় রাখতে আপনি কী পদপে নিচ্ছেন?
এএমএ মুহিত : বর্তমানে মোটা চালের দাম বেশি। কিন্তু তা একেবারে অহেতুক। বাজারে চালের সরবরাহ পর্যাপ্ত; দেশে উৎপাদনও ভাল হয়েছে; উৎপাদন সম্ভাবনাও ভাল; মজুদও ভাল; সরকারী বিতরণও চলছে। মনে হয়, বর্তমানে বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে কিছু বিত্তশালী লোভী ব্যবসায়ী। আমরা ভেবেছিলাম, আমরা বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারব। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে পারছি না। আমি চিনির বিষয়টি বলি। চিনির বাজার সহনশীল রাখতে আমি যেদিন আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করি, একই সময়ে বাণিজ্যমন্ত্রী কয়েক রিফাইনারির সঙ্গে কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী তাদের বলেন যে, আমি চিনি থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করব, আপনারা কী করবেন? পরে ফোন করে আমাকে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান যে, আপনি শুল্ক বাবদ যত টাকা হ্রাস করবেন রিফাইনারি মালিকরা টনপ্রতি ওই টাকা কমাবে। আমরা পদপে নিলাম, শু�
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
January
(6492)
-
▼
Jan 16
(146)
- ঠাকুরগাঁওয়ে নতুন ৩৯সহ ৫১ জনের বিরম্নদ্ধে চার্জ গঠন...
- লারা ক্রফট হচ্ছেন এষা গুপ্তা
- ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সব ব্যাংকের শাখায় অটোমেশন পদ্ধতি
- না'গঞ্জে মাটিবোঝাই ট্রলারডুবিতে ৩ শ্রমিকের মৃতু, ন...
- মেজর জসিমউদ্দিনের সদস্য পদ শূন্য ঘোষণা
- স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক চুমো-ক্ষোভে আত্মহত্যা
- এবার সানা খান
- পুতুল নাচ উৎসব আজ শুরু শিল্পকলায়- সংস্কৃতি সংবাদ
- সীমান্ত হাট সপ্তাহে তিন দিন বসবে, উপকৃত হবেন স্থান...
- ঢাকা শহরের ৫০ হতদরিদ্র পরিবারের তালিকা হচ্ছে
- নূর চৌধুরীকে কানাডায় কারা কিভাবে 'সেই' পাসপোর্ট প...
- পুঁজিবাজার খাদের কিনারায় শেয়ার সঙ্কট তীব্র-= রাজু ...
- ভারতের সঙ্গে কী গোপন চুক্তি করেছি তা প্রকাশ করম্নন...
- ভারতের সঙ্গে কী গোপন চুক্তি করেছি তা প্রকাশ করম্নন...
- মহাকালের স্মৃতি ঐশ্বর্যের দীপ- বাংলাদেশের মর্যাদা-...
- Less than 10 per cent of child sex offences result...
- লাভ কি সরকারের?
- মুক্তিযুদ্ধ এবং তারপর...
- প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হতে রাজি রাহুল
- ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধতা জরুরী, বিভেদ নয়
- শুধু নিরাপত্তা নয়, চাই মানসিকতায় বদল
- ফিরে দেখা ২০১২
- বিদায় ২০১২
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
- সংখ্যাগত পরিসংখ্যান ও জরিপের সঙ্গে বাস্তবতার বিস্ত...
- চারটি জরিপ কিছু প্রশ্ন
- একান্ত সাক্ষাতকারে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত
- খবর শুধু খবর নয় by নিয়ামত হোসেন
- এখন প্রয়োজন দ্রুত ২১ আগস্ট ষড়যন্ত্রের বিচার- স্বদে...
- সুরের ভূবনে বারী সিদ্দিকী
- রিহানা এখন একা
- সুখের সংসারে আজিজুল হাকিম। এক নামেই যার বহুমুখী প্...
- সাফল্যের সেরেনা_ সেরেনার সাফল্য
- বেসামাল পাকিসত্মানের ক্রিকেট!
- উড়ল পতাকা, জিতলেন হামিদুল by মনিজা রহমান
- উড়ল পতাকা, জিতলেন হামিদুল by মনিজা রহমান
- সম্পাদক সমীপে- বিদু্যতের জন্য
- তারপরও প্রত্যাশা
- নারীর জন্য নিরাপদ সমাজ
- ঢাকা শহরের যানজট প্রয়োজন মহাপরিকল্পনা- সুভাষ সিংহ রায়
- একুশের বইমেলা এবং প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনী ভাষণ সম্...
- অবৈধ ৬ শাসক
- ৫ম সংশোধনী বাতিলের ভেতর দিয়ে বাংলা ভাষা আবার সাংবি...
- বাংলাদেশের সংবিধান স্বয়ম্ভু
- এই রায় বন্দুকের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রণোদনা by মু...
- কামরাঙ্গীরচর এলাকা ৩ ঘণ্টা রণৰেত্র আহত ১০
- বাবর পিন্টুর সহায়তায় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালায় ...
- সাদামাটা আয়োজনে শেষ হলো জাতীয় কবিতা উসব- সংস্কৃতি ...
- চূড়ানত্ম এমপিওভুক্তির নীতিমালা, চার মানদ
- পলাতক খুনীদের দ্রম্নত ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করা হ...
- জাতীয় উদ্যানের ভেতর দিয়ে পাইপলাইন স্থাপন স্থগিতের ...
- শ্বতপাথরের ঘূর্ণায়মান রঙ্গমঞ্চ, নান্দনিক যুগল মন্দ...
- আইন মন্ত্রণালয়ের বেআইনী কাজে ৰোভ, কর্মবিরতি
- সংসদ গ্যালারি থেকে
- বৃহস্পতিবার সংসদে যোগ দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি
- বাবর এবার কিবরিয়া হত্যা মামলায় আসামি
- পাঠক দর্শনার্থীরা ঘুরছেন, বইও কিনছেন
- নবরূপে ম্যাডোনা!
- আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো
- 'সামরিক শাসনের পথ রম্নদ্ধ হলো'
- পঞ্চম সংশোধনী বাতিল বহাল থাকায় সংসদে সনত্মোষ
- প্রয়োজনে আইন কমিশনের মতামত নেয়া হবে শফিক
- নিহত জঙ্গী রশিদুল পুলিশের ওপর হামলায় নেতৃত্ব দেয়
- শেখ হাসিনা সর্দি জ্বরে আক্রানত্ম, তবে আজকের কর্মসূ...
- প্রতিমাসে ২০ কেজি চাল পাবে ঢাকার ৪ লাখ দরিদ্র মানু...
- রত্নার নেতৃত্বে দুই স্বর্ণ এলো শূটিংয়ে
- ছাত্রলীগের অনত্মর্কোন্দলে এফ রহমান হলে সংঘর্ষ আহত ২৫
- এবার বাহাত্তরের সংবিধান _ _______________________...
- ফারজানা হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
- জনসংলাপে তথ্যমন্ত্রী- মুক্ত ইন্টারনেট চর্চা সাংবিধ...
- নারী নির্যাতন মামলার প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ
- আদালত চত্বরে পুলিশি নিষ্ঠুরতা- তরুণীর শ্লীলতাহানির...
- কক্সবাজারে নেটওয়ার্কিংয়ের আন্তর্জাতিক সম্মেলন
- সুনামগঞ্জে ডিজিটাল ক্লাসরুমের
- ফায়ারফক্সচালিত স্মার্টফোন
- উপস্থাপক হতে চাই না
- ফিল্মফেয়ারে ‘বারফি’ এগিয়ে
- নতুন আয়োজনে প্রমিথিউসের গান
- বিয়ে নিয়ে দারুণ ব্যস্ত কোয়েল
- ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার
- বিএনপির সমর্থন- আজ আধা বেলা হরতাল ডেকেছে বাম দলগুলো
- গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ
- বিয়েতে আপত্তির জের- কাজি অফিসে ইডেন কলেজের ছাত্রী ...
- বিরোধী দলের মানবপ্রাচীর- ব্যবসায়ী ও সুশীল সমাজের স...
- ক্রেমলিনে শেখ হাসিনা-পুতিন বৈঠক- ১২ হাজার কোটি টাক...
- চিরসবুজ দাতে-ক্রুম
- চোট পেয়েও দুর্বার সেরেনা
- ‘মাঠের বাইরে আমি সাধারণ একজন’
- আফতাবের আক্ষেপ, আফতাবের উপলব্ধি
- পাকিস্তানিদের ছাড়াই বিপিএল?
- দক্ষিণ এশিয়া ॥ পারিবারিক শাসন ও দারিদ্র্য
- চীনের নয়া নেতৃত্বের সামনে অগ্নিপরীক্ষা
- মার্কিন কংগ্রেস ও হোয়াইট হাউসের মধ্যে শেষ মুহূর্তে...
- আমেরিকা ॥ আর্থিক বিপর্যয় এড়াতে by এনামুল হক
- ‘লীগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হতে চাই’ by সুজা উদ্দিন
- স্টার প্রোফাইল- বড় তারকা ওয়ামব্যাচ
- ‘এবার মেসির চাই বিশ্বকাপ’ by জাহিদুল আলম জয়
- দেশের ফুটবলে বিদেশী কোচ উপাখ্যান
- বিপিএলের নতুন আকর্ষণ by মোঃ মামুন রশীদ
- ওরা ‘গোল্ডেন বয়’ by শাকিব আল হাসান
- স্বপ্ন, শঙ্কা আর আশার মাঝে মাঠে গড়াচ্ছে বিপিএল by ...
- প্রবাসে এই মৃত্যু
- অনুমোদনহীন বই
- অতিনিরপেক্ষতা জনস্বার্থবিরোধী by মুনতাসীর মামুন
- অতিনিরপেক্ষতা জনস্বার্থবিরোধী by মুনতাসীর মামুন
- আমরা ধারাবাহিক রাজনৈতিক শাসন চাই by বোরহানউদ্দিন ...
- মিসরে ত্রিশক্তির টাগ অব ওয়ার- আল আহরাম উইকলি থেকে ...
- ডা. মেসবাহুল হক বাচ্চু by ডা. মেসবাহুল হক বাচ্চু
- দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার ভিতে ভয়াবহ ধস ন...
- চলে গেলেন কথাসাহিত্যিক by আবদুশ শাকুর
- নারায়ণগঞ্জে এক পরিবারের ৬ জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড...
- সরকার গঠন করলে হলমার্কের টাকা উদ্ধার করব ॥ রংপুরে ...
- জলকামানের মুখে এবার ফুটপাথে অবস্থান নেবেন শিক্ষকরা...
- দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখুন, সংসদে এসে কথা বলুন- সংবাদ...
- বিহারী, আলবদর ও শান্তি কমিটি বাগচরে ঢুকে অনেককে হত...
- ক্ষার অভাব, খাদ্য সঙ্কট বিনোদন আর চিকিসা সুবিধাও ন...
- পদ্মা সেতু ॥ পদ্মা সেতু বাস্তবায়নে সরকার এখন আশাবা...
- খন্দকার মোশতাক ফোনে বলেন মোসলেহউদ্দিনসহ ওদের কাজ ক...
- খালেদার বিরুদ্ধে চার্জশীট গৃহীত, হারিছকে গ্রেফতারে...
- রাশিয়ার সঙ্গে পরমাণু বিদ্যুত কেন্দ্র ও সমরাস্ত্র ক...
- মানবপ্রাচীর কর্মসূচী পালিত- খালেদা জিয়ার পরিদর্শন
- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে ॥ গ্রেফতারের আদেশ- ঘুষ...
- লাল চাল ও আটার মহত্ম- স্বাস্থ্য কথা
- কাঁধের ব্যথার কারণ ও প্রতিকার
- এ্যাজমা ও শিশুর খেলাধুলা by ডা: এটিএম রফিক উজ্জ্বল
- ক্যান্সারও প্রতিরোধ করা যায় by অধ্যাপক আহমেদ সাইদ
- একুশের মাস আমরা বরকতের ভাই, আমরা সালামের ভাই by ন...
- জাতির পাপমোচন by বাহাউদ্দীন চৌধুরী
-
▼
Jan 16
(146)
-
▼
January
(6492)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment