Thursday, August 19, 2010
রাজনৈতিক সরকার কী গণতান্ত্রিক সরকার by সৈয়দ আবুল মকসুদ
রাজনৈতিক সরকার কী গণতান্ত্রিক সরকার by সৈয়দ আবুল মকসুদ
কয়েক মাস পরেই বাংলাদেশের বয়স চল্লিশে পড়বে। স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে অভ্যুদয়ের পর থেকে এক দীর্ঘ সময় পার হয়েছে। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর হতে পারত জাতীয় জীবনের একটি উজ্জ্বল অধ্যায়ের আরম্ভ। বাহাত্তর হতে পারত ‘বিচিত্র জীবনচর্চার বেগে চঞ্চল’ একটি বছর। প্রথম নির্বাচনের বছর তিয়াত্তর হওয়া উচিত ছিল ‘জাগ্রত চিত্তবৃত্তির তাড়নায় এক নতুন অধ্যায়’ রচনার বছর।
শেষ বাক্য দুটির ঊর্ধ্ব-কমার ভেতরের কথাগুলো রবীন্দ্রনাথের। কথাগুলো তিনি বাংলাদেশকে উদ্দেশ করে বলেননি। তাঁর মৃত্যুর পুরো ৩০ বছর পরে বাংলাদেশ যে একটি রাষ্ট্র হবে, তা ছিল তাঁর কল্পনার অতীত এবং সেই রাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত অগ্রিম তাঁকেই রচনা করে যেতে হবে—তাও তিনি ঘুণাক্ষরেও জানতেন না। বিধাতা জানতেন। কবির ধ্যানের বাংলা ছিল ‘সোনার বাংলা’। বাস্তবে এ বাংলা সোনারও নয়, পিতলেরও নয়—সবুজ শস্যের। যে শস্য ফলায় পাঁজরের ও চোয়ালের হাড় বের হওয়া কৃষক, ধবধবে পায়জামা-পাঞ্জাবি পরা পলিটিশিয়ান ও ভদ্রলোকেরা নন। অথবা আরও বাহারি লেবাস পরা ধর্মীয় নেতারাও নন।
কানা-খোঁড়া যা হোক, এক ধরনের গণতন্ত্র কাগজেপত্রে আছে বলেই আমাদের রাজনীতিবিদেরা পলিটিকস করার সুযোগ পাচ্ছেন। কোনো রকমে এই অবস্থাটা টিকিয়ে রাখা তাঁদের এবং তাঁদের বিদেশি মাস্টারদের স্বার্থেই প্রয়োজন। গণতন্ত্রটা বেশি কার্যকর হয়ে উঠলে পলিটিকসটা জমবে না, রাজনীতির চরিত্র যাবে পাল্টে। তাতে রাজনীতিতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ অর্থবহ হয়ে উঠবে, অল্পসংখ্যক রাজনীতিকের পলিটিকস করা কঠিন হয়ে যাবে। রাষ্ট্রের স্থায়ী কর্তা আমলাদেরও তাতে মুশকিল। এখন যে রাজনীতি, তা রাজনীতিক-আমলা-ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। এই গণতন্ত্রে জনগণ গৌণ—সিন্ডিকেটের সদস্যরাই আসল। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল আসল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য, সিন্ডিকেটের গণতন্ত্র নয়।
স্বাধীনতার আগে আইয়ুব-মোনায়েমের আমলে সামরিক-বেসামরিক আমলাতান্ত্রিক সরকার আমরা দেখেছি। জনগণের জন্য তা ছিল অভিশাপ। সরকার ছিল জনগণের মাথার ওপর একটি পাথরের মতো। আমরা সেই পাথর সরাতে চেয়েছিলাম এবং আমাদের পছন্দমতো মানুষের সরকার গঠন করতে চেয়েছিলাম। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছি। গণতন্ত্রের সংগ্রাম দরখাস্ত চালাচালির সংগ্রাম নয়, চায়ের কাপ ও স্যান্ডউইচ খেতে খেতে আলাপ-আলোচনার ব্যাপার নয়। গণতন্ত্রের জন্য জনগণকে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে। জনগণের মূল্য দেওয়া মানে পাঁচ কেজি ধান দেওয়া নয়। রক্ত দেওয়া। সে রক্তও প্যাথলজির ডিসপোজেবল সিরিঞ্জে দেওয়া দুই চামচ রক্ত নয়। গণতন্ত্রের জন্য ঘড়ায় ঘড়ায় বা কলসে কলসে রক্ত দিতে হয়েছে।
সত্তরের নির্বাচনের পর থেকেই আমরা প্রত্যাশা করেছি, জনগণ একটি গণতান্ত্রিক সরকার পেতে যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে আমাদের সেই প্রত্যাশা আরও সুদৃঢ় হয়। মানুষের সেদিন সামান্য দাবি ছিল, একটি গণতান্ত্রিক সরকার—অর্থাৎ রাজনৈতিক সরকার, আমলাতান্ত্রিক সরকার আর নয়, সামরিক সরকার তো মোটেই নয়। জনগণের দুর্ভাগ্য, স্বাধীনতার পরে একটি অসামরিক রাজনৈতিক সরকারই পাওয়া গেল বটে, কিন্তু তাতে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হলো না। গণতান্ত্রিক সরকারের মধ্যে যে গতিশীলতা থাকে, আমাদের সরকারে সেই গতিশীলতা ছিল না।
স্বাধীনতার পরে একটি সামন্তবাদী রাজনৈতিক ধারা আমরা উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছিলাম। ওই ধারার রাজনীতিতে দলের সব নেতার সমমর্যাদার ভিত্তিতে বসে আলোচনার সুযোগ নেই। দলের শীর্ষ নেতা যিনি আছেন, তাঁকে হুজুর হুজুর করার একটা রেওয়াজ অনেক কাল থেকেই। তিনি বেঠিক বললেও তাঁর সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করা চলবে না। নেতার কথা হাসিমুখে অথবা মাথা নত করে মেনে নিতে হবে। দলের ভেতরে কয়েকজনে মিলে আরেকটি নতুন মত তৈরির সুযোগ নেই। নতুন মত তৈরি মানে নেতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বা ষড়যন্ত্র করা নয়। নতুন মত নিয়ে বিতর্কে দলের সবাই যোগ দেবেন। যুক্তির পাল্লা যেদিকে ভারী, সেই পক্ষ বিজয়ী হবে। সেটাই গণতান্ত্রিক রীতি।
আমাদের রাজনীতিতে তেমনটি কল্পনাও করা যায় না। নেতার সঙ্গে দ্বিমত করা দেশদ্রোহিতার শামিল। তারপর তাঁর দলে থাকাই কঠিন এবং থাকলেও কোণঠাসা হয়ে থাকতে হয়। তা ছাড়া নেতাও জানেন, তাঁর কথা মেনে নেওয়া হবেই। ফলে তাঁর বিরোধিতার মুখোমুখি হওয়ার ভয় নেই। তাঁর একটি অন্যায় আবদার বা স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত দলের সিদ্ধান্ত হিসেবেই চালানো হয়। যেমন—কোনো ভবন, প্রতিষ্ঠান বা ব্রিজের নামকরণ হবে—সেখানে সবার মত নেওয়ার প্রয়োজন নেই। সংসদে আলোচনারও প্রয়োজন নেই। দলের সভায় বা মন্ত্রিসভার বৈঠকে একজন স্তাবক তাঁর নিজের স্বার্থের কথা চিন্তা করে ধা করে একটা প্রস্তাব করলেন। ব্যস। তৎক্ষণাৎ সিদ্ধান্ত হয়ে গেল। পাঁচ-দশটা নাম থেকে একটি নাম বেছে নেওয়াই তো গণতান্ত্রিক রীতি।
ভালো ও কার্যকর গণতন্ত্রের রাস্তাটা একেবারেই সোজা নয়। গণতান্ত্রিক শাসনের জন্য মানুষের মন তৈরি করতে হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হয়। যে জনগণ দীর্ঘকাল সামন্তবাদী শাসন-শোষণের মধ্যে ছিল, তাকে বোঝাতে হবে গণতন্ত্র কী। তা বোঝানোর দায়িত্ব রাজনীতিকদের ও উচ্চশিক্ষিত সমাজের মানুষদের, যাঁদের আমরা বুদ্ধিজীবী বলে ডাকি। মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে আমার ও আমার বয়সী আরও কারও কারও একটি ধারণা হয়েছিল যে স্বাধীনতার পরে রাষ্ট্রে নতুন চিন্তার সূচনা হবে। সব শ্রেণীর মানুষ যখন স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশ নিয়েছে, উদার গণতন্ত্রী যেমন আছেন, তেমনি কট্টর বামও আছেন—সুতরাং সব মানুষের গ্রহণযোগ্য একটি মধ্যপন্থার চিন্তাধারার উন্মেষ ঘটবে। কিন্তু চরমভাবে হতাশ হলাম। স্বাধীন দেশে নতুন চিন্তা তো দূরের কথা, দেশ ও সমাজ নিয়ে, জাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করাটাই বন্ধ হয়ে গেল। যেসব অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পাকিস্তান আমলে পূর্ব বাংলা নিয়ে ভেবেছেন, তাঁরা একেবারে চুপ হয়ে গেলেন। কেউ সরকারকে তোয়াজ করতে লাগলেন, কেউ ঘরের ভেতরে বসে সরকারের বিরুদ্ধে গুজগুজ করতে থাকলেন। তরুণদের ভেতর থেকেও তীক্ষ সৎ ও নিবেদিত তেমন কেউ বের হলেন না। অবশ্য তরুণেরা বেঁচে থাকার সংগ্রামে এতটা গলদঘর্ম হতে থাকলেন যে চিন্তা করার জন্য যে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও নিরুপদ্রব অবকাশ প্রয়োজন, তা তাঁদের ছিল না। ফলে একটি নতুন রাষ্ট্র শুধু হাত-পা ও শরীরটা নিয়ে যাত্রা শুরু করল, তার মাথা ও মগজটা থাকল না।
পশ্চিমের উন্নত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নাগরিক সমাজ ও বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা খুব বড়। রাষ্ট্রের সমস্যা সমাধানে রাজনীতিকেরাই যথেষ্ট নন। সব সমস্যা তাঁদের চোখে পড়েও না। সেই সমস্যা তাঁদের চোখে ধরিয়ে দেন নাগরিক সমাজের নেতারা। যেসব দেশে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও থিংক ট্যাংক থেকে ব্যাপক গবেষণা হয়, সেসব গবেষণা সরকারি আনুকূল্যেও হয়, তবে বেসরকারি পর্যায়েই হয় বেশি। সুতরাং স্বাধীন মতামত প্রকাশের সুযোগ বেশি। সমাজ ও রাষ্ট্রের পক্ষপাতহীন বিচার-বিশ্লেষণ হলে, সরকারের ভুল নীতি নিয়ে গবেষণা হলে অনেক সমস্যার জট খুলে যায়।
গত ৩৫ বছরে আমাদের দেশে ব্যাপক ‘উন্নয়ন’ হয়েছে। আমরা নিজের অর্থে এই উন্নয়ন করতে পারিনি। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি ও দাতা দেশগুলোর সহায়তায় আমরা রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা প্রভৃতি করেছি, সরকারি কর্মকর্তাদের অফিস কক্ষ সাজিয়েছি, সড়ক যোগাযোগের উন্নতি করতে গিয়ে রেলকে ধ্বংস করেছি। গ্রামীণ দারিদ্র্য দূর করতে গিয়ে এনজিও কর্মকাণ্ডের এমন প্রসার ঘটেছে যে মহানগরগুলোর বাইরে গোটা দেশে সরকারের ভূমিকা আজ গৌণ। গ্রামীণ অর্থনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করছে এনজিওরা। ব্র্যাক, গ্রামীণ ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠান বহুজাতিক বীজ ও ফোন কোম্পানির সহযোগী হয়ে উঠেছে। দরিদ্র ও নিম্নমধ্য শ্রেণীর কষ্টার্জিত অর্থ আজ বিদেশে চলে যাচ্ছে। একটি স্বাধীন দেশ তার নিজের তেল, গ্যাস, কয়লা নিজে খুঁড়ে বের করতে পারে না। রাজনীতিকেরা অতি আনন্দের সঙ্গে তা বিদেশিদের হাতে তুলে দেন। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে অথবা দয়াপরবশ হয়ে কি তুলে দেন? বিদেশিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করলে আগামী পাঁচ পুরুষ আর তাদের কোনো রোজগার করার প্রয়োজন হবে না।
আমাদের দেশ আছে, দেশের মাটি আছে কিন্তু ক্রমাগত আমাদের রাষ্ট্র—আমাদের সরকার অনুপস্থিত হয়ে পড়ছে। অন্তত জনগণ সরকারের অস্তিত্ব অনুভব করতে পারছে না। যেদিকে তাকায়, সেদিকেই তারা দেখে দয়াময় এনজিও। শুধু ঋণ বিতরণের এনজিও নয়, বুদ্ধি বিতরণের এনজিও আজ অগণিত। বৈদেশিক টাকায় গজিয়ে উঠেছে অসংখ্য কনসালটেন্সি ফার্ম, থিংক ট্যাংক ও নানা নামে নানা রকম প্রতিষ্ঠান। শিক্ষাবিদ, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক-বেসামরিক আমলা, কূটনীতিক, সাংবাদিকেরা এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। তাঁরা বাংলাদেশকে বিশ্ব পুঁজিবাদী-ব্যবস্থার সঙ্গে কাঁটায় কাঁটায় মিলিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর ও অঙ্গীকারবদ্ধ। তাঁদের প্রধান সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষক রাজনীতিকেরা।
কিছুকাল ধরে বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলোয় প্রবল টক শোর প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। দেশে স্বাধীন ও সৃষ্টিশীল চিন্তার বিস্তার ঘটলে টক শোর নামে এসব আবোল-তাবোল প্রলাপের আসর বসার সুযোগ থাকত না। টক শোগুলোয় কোনো চিন্তামূলক বা সৃষ্টিশীল বিতর্ক হয় না। সারা দিন কনসালটেন্সি আর সূর্যটি ডুবলেই অসহনীয় যানজটের মধ্যেও কারা ছুটছেন উত্তাল গতিতে এই চ্যানেল থেকে সেই চ্যানেলে? যে আমলা সারা জীবন জনগণের জন্য এক ছটাক কাজ করেননি, তিনি মালকোঁচা মেরে টক শোতে যাচ্ছেন যেন সরকার অথবা কোনো বিদেশি সেনাবাহিনীর সঙ্গে কুস্তি লড়বেন। মধ্যরাতে গর্জে উঠছে টেলিভিশনের পর্দা। দর্শকের চোখ কপালে। লোকটির সাহস কী রে বাবা! এ নৈরাজ্যের শেষ কবে?
গণতন্ত্রে নাগরিক সমাজের নেতাদের কথার মূল্য খুব বেশি। সব দেশেই বুদ্ধিমান শাসকেরা তাঁদের কথার মূল্য দেন। ক্ষমতা থেকে দূরে থেকেও তাঁরা ক্ষমতাসীনদের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু আমাদের দেশের অবস্থা আলাদা। আমাদের নাগরিক সমাজের নেতারা রাজনৈতিক ক্ষমতার স্বাদ পেতে চান। কিন্তু ব্যয়বহুল নির্বাচন করার মতো অত টাকা তাঁদের নেই। তাই রাজনীতির সদর দরজাটা তাঁদের জন্য বন্ধ। তাঁরা খিড়কির দরজার খোঁজে থাকেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি ভালো খিড়কির দরজা। সেই দরজার কাছে যাওয়ার আগে সরকার ও জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য টক শো, গোলটেবিল, সেমিনার, ওয়ার্কশপে অংশ নেওয়া অপরিহার্য। সুষ্ঠু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় এসব উপসর্গ অনুকূল নয়।
শক্ত স্থানীয় সরকার ও প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অপরিহার্য অংশ। আইয়ুব খান ছিলেন সামরিক একনায়ক। দেশের কোথাও তাঁর রাজনৈতিক ভিত্তি ছিল না। ক্ষমতায় টিকে থাকার প্রয়োজনে তিনি একটি পোষা স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি বাহিনী তৈরি করেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য, স্বাধীনতার পরে রাজনৈতিক সরকারও স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের শাসক দলের লেজুড়বৃত্তিতে বাধ্য করে। সেখানেই গণতন্ত্রের অর্ধেক শেষ হয়ে গেল। শীর্ষ পর্যায়ে রাজনীতিক ও আমলাদের মিতালি ছিল; টেস্ট রিলিফের গম প্রভৃতির কারণে তৃণমূল পর্যায়েও স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও দলীয় মাস্তানদের এক ক্রীড়াচক্র গড়ে ওঠে।
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় স্বাধীন ট্রেড ইউনিয়ন ও পেশাজীবী সংগঠনের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটা গণতন্ত্রের অংশ। স্বাধীনতার পরে শিল্পশ্রমিক ও কর্মজীবী মানুষের ইউনিয়নের নেতাদের শাসক দলের চামচা বানানো হয়। ট্রেড ইউনিয়ন এখন সম্পূর্ণ ধ্বংস। অথচ ৩৯ বছরে শ্রমিকনেতাদের অনেকের অবস্থা একজন মাঝারি শিল্পপতির চেয়ে ভালো। সাধারণ শ্রমিকদের মধ্যে চাঁদাবাজি তো আছেই, তার ওপর মালিক ও সরকার পক্ষের এনাম ও সুবিধাদি তাঁরা যা পাচ্ছেন, তার পরিমাণ আমাদের ধারণার বাইরে। স্বাধীন ট্রেড ইউনিয়ন ছাড়া গণতন্ত্র অচল। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সরকার ট্রেড ইউনিয়ন ও পেশাজীবী সংগঠনকে সহ্য করতে পারে না।
বাহাত্তরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অনন্য সুযোগটি হাতছাড়া করেছিল রাজনৈতিক সরকার। বিরোধী দলকে মাথা তুলতে দেয়নি। মূল্য তাকেই দিতে হয়েছে। ১৯৭৫ থেকে ’৯৫ পর্যন্ত ১৫ বছর ছিল সামরিক ও আধাসামরিক সরকার এবং পাঁচ বছর ছিল খালেদা জিয়ার নির্বাচিত মুসলিম জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক সরকার। তাকে গণতান্ত্রিক সরকার বলা যাবে না। মোশতাক সরকার, জিয়া সরকার, সাত্তার সরকার, এরশাদ সরকার ও খালেদা সরকারের মধ্যে নীতিগত পার্থক্য বিশেষ ছিল না। তাঁরা সবাই ছিলেন সাম্প্রদায়িক ও পাকিস্তানি ভাবাদর্শের অনুসারী। এর মধ্যে উত্থান ঘটে জামায়াত প্রভৃতি মৌলবাদী শক্তির। তারা সরকারের পূর্ণ পৃষ্ঠপোষকতা ও আনুকূল্য পায়। দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতির সঙ্গে মৌলবাদী রাজনীতি যোগ হয়ে যা দাঁড়ায় তা হলো, দেশে রাজনীতিটাই থাকল, কিন্তু গণতন্ত্রটা গেল নষ্ট হয়ে। অসাম্প্রদায়িক আওয়ামী লীগ ’৯৬ সালে ক্ষমতা পেল, কিন্তু তাঁরা মৌলবাদীদের সঙ্গে সহাবস্থানের নীতিই গ্রহণ করেন। তা ছাড়া বিরোধী দলকে তাঁরা সহ্যই করতে পারতেন না। সুতরাং নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার পেলাম, গণতান্ত্রিক সরকার পাওয়া গেল না।
অত্যাচার ও শোষণ করে বলেই আমরা পাকিস্তানিদের তাড়িয়ে ছিলাম। অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি ছিল আমাদের লক্ষ্য। কিন্তু স্বাধীনতার পরে আমাদের রাজনৈতিক সরকার স্বাধীনতার আগের প্রতিষ্ঠিত শিল্পকারখানাও ধ্বংস করতে থাকে। নতুন প্রতিষ্ঠার তো প্রশ্নই নেই। চোরাচালান বাড়ে এবং পাট ও বস্ত্রশিল্প ধ্বংস হতে থাকে। বাঙালি শ্রমিকদের মতো দুর্দশাগ্রস্ত শ্রমিক পৃথিবীর আর কোনো দেশে আছে বলে আমার জানা নেই। আশির দশক থেকে নতুন খাত পোশাকশিল্প দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু গত দুই নির্বাচনের ফলাফল দেখে মনে হচ্ছে, মালিকেরা শিল্পপতি হয়েছেন জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখার জন্য নয়, রাজনীতিতে অংশ নিতে। সংসদের ৩০০ আসনের প্রায় ২০০ সদস্য শিল্পপতি-ব্যবসায়ী। অর্থাৎ অর্থনীতির জন্য রাজনীতি, গণতন্ত্রের জন্য রাজনীতি নয়। কৃষকের দুর্দশা সম্পর্কে কিছু না বলাই ভালো।
রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে জনগণ চেয়েছিল গণতান্ত্রিক সরকার। তাঁরা আমাদের উপহার দিয়েছেন রাজনৈতিক সরকার। টেকসই গণতন্ত্রের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হয়। আমাদের রাজনৈতিক সরকার সব প্রতিষ্ঠানকে চূর্ণবিচূর্ণ করে ফেলেছে গত দুই দশকে। শিক্ষাব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষমতাসীন দলের ছাতার ছায়ায় তৈরি করছে দক্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ বাহিনী। ভালো ছাত্ররা আজ অসহায়। তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। তাতে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎও অন্ধকার। আমাদের অপরাধপ্রবণ সমাজে রাজনৈতিক সরকারের কারণে পুরোনো অপরাধের সঙ্গে যোগ হয়েছে নতুন অপরাধ: টেন্ডারবাজি, ভর্তি-বাণিজ্য, হল দখল ও আরও নানা রকমের বাজি ও বাণিজ্য।
গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় বিরোধী দলকে স্বাগত জানায়। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সরকার বিরোধী দলকে নির্মূল করতে চায়। গণতন্ত্রে বিরোধী দলকে নির্মূল করা মানে গণতন্ত্রের একটি ঠ্যাং কেটে ফেলা। এক পা নিয়ে সরকার কিছুদূর যেতে পারবে, কিন্তু একপর্যায়ে মুখ থুবড়ে পড়বে।
গণতন্ত্র কোনো নিয়ন্ত্রণের বস্তু নয়। গণতন্ত্রকে বনগরুর মতো স্বাধীনভাবে বিচরণ করতে বা চলতে দেওয়া ভালো। তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে আথালে বা গোয়ালে আটকে রাখলে সে যেমন আরাম পায় না, গেরস্তেরও গুঁতা খাওয়ার আশঙ্কা থাকে। পঞ্চাশের দশক থেকে বহু রাষ্ট্রনায়ক গণতন্ত্রের গলায় দড়ি দিয়ে বাঁধতে গিয়ে তার গুঁতা খেয়ে জীবন পর্যন্ত দিয়েছেন। আমরা শুধু নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার চাই না, গণতান্ত্রিক সরকার চাই। বাহাত্তরের মতো ২০০৯-এ একটি সুযোগ এসেছে। এবারের সুযোগ হারালে দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।
সৈয়দ আবুল মকসুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক
শেষ বাক্য দুটির ঊর্ধ্ব-কমার ভেতরের কথাগুলো রবীন্দ্রনাথের। কথাগুলো তিনি বাংলাদেশকে উদ্দেশ করে বলেননি। তাঁর মৃত্যুর পুরো ৩০ বছর পরে বাংলাদেশ যে একটি রাষ্ট্র হবে, তা ছিল তাঁর কল্পনার অতীত এবং সেই রাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত অগ্রিম তাঁকেই রচনা করে যেতে হবে—তাও তিনি ঘুণাক্ষরেও জানতেন না। বিধাতা জানতেন। কবির ধ্যানের বাংলা ছিল ‘সোনার বাংলা’। বাস্তবে এ বাংলা সোনারও নয়, পিতলেরও নয়—সবুজ শস্যের। যে শস্য ফলায় পাঁজরের ও চোয়ালের হাড় বের হওয়া কৃষক, ধবধবে পায়জামা-পাঞ্জাবি পরা পলিটিশিয়ান ও ভদ্রলোকেরা নন। অথবা আরও বাহারি লেবাস পরা ধর্মীয় নেতারাও নন।
কানা-খোঁড়া যা হোক, এক ধরনের গণতন্ত্র কাগজেপত্রে আছে বলেই আমাদের রাজনীতিবিদেরা পলিটিকস করার সুযোগ পাচ্ছেন। কোনো রকমে এই অবস্থাটা টিকিয়ে রাখা তাঁদের এবং তাঁদের বিদেশি মাস্টারদের স্বার্থেই প্রয়োজন। গণতন্ত্রটা বেশি কার্যকর হয়ে উঠলে পলিটিকসটা জমবে না, রাজনীতির চরিত্র যাবে পাল্টে। তাতে রাজনীতিতে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ অর্থবহ হয়ে উঠবে, অল্পসংখ্যক রাজনীতিকের পলিটিকস করা কঠিন হয়ে যাবে। রাষ্ট্রের স্থায়ী কর্তা আমলাদেরও তাতে মুশকিল। এখন যে রাজনীতি, তা রাজনীতিক-আমলা-ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। এই গণতন্ত্রে জনগণ গৌণ—সিন্ডিকেটের সদস্যরাই আসল। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল আসল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য, সিন্ডিকেটের গণতন্ত্র নয়।
স্বাধীনতার আগে আইয়ুব-মোনায়েমের আমলে সামরিক-বেসামরিক আমলাতান্ত্রিক সরকার আমরা দেখেছি। জনগণের জন্য তা ছিল অভিশাপ। সরকার ছিল জনগণের মাথার ওপর একটি পাথরের মতো। আমরা সেই পাথর সরাতে চেয়েছিলাম এবং আমাদের পছন্দমতো মানুষের সরকার গঠন করতে চেয়েছিলাম। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছি। গণতন্ত্রের সংগ্রাম দরখাস্ত চালাচালির সংগ্রাম নয়, চায়ের কাপ ও স্যান্ডউইচ খেতে খেতে আলাপ-আলোচনার ব্যাপার নয়। গণতন্ত্রের জন্য জনগণকে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে। জনগণের মূল্য দেওয়া মানে পাঁচ কেজি ধান দেওয়া নয়। রক্ত দেওয়া। সে রক্তও প্যাথলজির ডিসপোজেবল সিরিঞ্জে দেওয়া দুই চামচ রক্ত নয়। গণতন্ত্রের জন্য ঘড়ায় ঘড়ায় বা কলসে কলসে রক্ত দিতে হয়েছে।
সত্তরের নির্বাচনের পর থেকেই আমরা প্রত্যাশা করেছি, জনগণ একটি গণতান্ত্রিক সরকার পেতে যাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে আমাদের সেই প্রত্যাশা আরও সুদৃঢ় হয়। মানুষের সেদিন সামান্য দাবি ছিল, একটি গণতান্ত্রিক সরকার—অর্থাৎ রাজনৈতিক সরকার, আমলাতান্ত্রিক সরকার আর নয়, সামরিক সরকার তো মোটেই নয়। জনগণের দুর্ভাগ্য, স্বাধীনতার পরে একটি অসামরিক রাজনৈতিক সরকারই পাওয়া গেল বটে, কিন্তু তাতে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হলো না। গণতান্ত্রিক সরকারের মধ্যে যে গতিশীলতা থাকে, আমাদের সরকারে সেই গতিশীলতা ছিল না।
স্বাধীনতার পরে একটি সামন্তবাদী রাজনৈতিক ধারা আমরা উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছিলাম। ওই ধারার রাজনীতিতে দলের সব নেতার সমমর্যাদার ভিত্তিতে বসে আলোচনার সুযোগ নেই। দলের শীর্ষ নেতা যিনি আছেন, তাঁকে হুজুর হুজুর করার একটা রেওয়াজ অনেক কাল থেকেই। তিনি বেঠিক বললেও তাঁর সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করা চলবে না। নেতার কথা হাসিমুখে অথবা মাথা নত করে মেনে নিতে হবে। দলের ভেতরে কয়েকজনে মিলে আরেকটি নতুন মত তৈরির সুযোগ নেই। নতুন মত তৈরি মানে নেতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ বা ষড়যন্ত্র করা নয়। নতুন মত নিয়ে বিতর্কে দলের সবাই যোগ দেবেন। যুক্তির পাল্লা যেদিকে ভারী, সেই পক্ষ বিজয়ী হবে। সেটাই গণতান্ত্রিক রীতি।
আমাদের রাজনীতিতে তেমনটি কল্পনাও করা যায় না। নেতার সঙ্গে দ্বিমত করা দেশদ্রোহিতার শামিল। তারপর তাঁর দলে থাকাই কঠিন এবং থাকলেও কোণঠাসা হয়ে থাকতে হয়। তা ছাড়া নেতাও জানেন, তাঁর কথা মেনে নেওয়া হবেই। ফলে তাঁর বিরোধিতার মুখোমুখি হওয়ার ভয় নেই। তাঁর একটি অন্যায় আবদার বা স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত দলের সিদ্ধান্ত হিসেবেই চালানো হয়। যেমন—কোনো ভবন, প্রতিষ্ঠান বা ব্রিজের নামকরণ হবে—সেখানে সবার মত নেওয়ার প্রয়োজন নেই। সংসদে আলোচনারও প্রয়োজন নেই। দলের সভায় বা মন্ত্রিসভার বৈঠকে একজন স্তাবক তাঁর নিজের স্বার্থের কথা চিন্তা করে ধা করে একটা প্রস্তাব করলেন। ব্যস। তৎক্ষণাৎ সিদ্ধান্ত হয়ে গেল। পাঁচ-দশটা নাম থেকে একটি নাম বেছে নেওয়াই তো গণতান্ত্রিক রীতি।
ভালো ও কার্যকর গণতন্ত্রের রাস্তাটা একেবারেই সোজা নয়। গণতান্ত্রিক শাসনের জন্য মানুষের মন তৈরি করতে হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হয়। যে জনগণ দীর্ঘকাল সামন্তবাদী শাসন-শোষণের মধ্যে ছিল, তাকে বোঝাতে হবে গণতন্ত্র কী। তা বোঝানোর দায়িত্ব রাজনীতিকদের ও উচ্চশিক্ষিত সমাজের মানুষদের, যাঁদের আমরা বুদ্ধিজীবী বলে ডাকি। মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে আমার ও আমার বয়সী আরও কারও কারও একটি ধারণা হয়েছিল যে স্বাধীনতার পরে রাষ্ট্রে নতুন চিন্তার সূচনা হবে। সব শ্রেণীর মানুষ যখন স্বাধীনতাযুদ্ধে অংশ নিয়েছে, উদার গণতন্ত্রী যেমন আছেন, তেমনি কট্টর বামও আছেন—সুতরাং সব মানুষের গ্রহণযোগ্য একটি মধ্যপন্থার চিন্তাধারার উন্মেষ ঘটবে। কিন্তু চরমভাবে হতাশ হলাম। স্বাধীন দেশে নতুন চিন্তা তো দূরের কথা, দেশ ও সমাজ নিয়ে, জাতির ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করাটাই বন্ধ হয়ে গেল। যেসব অর্থনীতিবিদ, রাজনীতিক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পাকিস্তান আমলে পূর্ব বাংলা নিয়ে ভেবেছেন, তাঁরা একেবারে চুপ হয়ে গেলেন। কেউ সরকারকে তোয়াজ করতে লাগলেন, কেউ ঘরের ভেতরে বসে সরকারের বিরুদ্ধে গুজগুজ করতে থাকলেন। তরুণদের ভেতর থেকেও তীক্ষ সৎ ও নিবেদিত তেমন কেউ বের হলেন না। অবশ্য তরুণেরা বেঁচে থাকার সংগ্রামে এতটা গলদঘর্ম হতে থাকলেন যে চিন্তা করার জন্য যে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও নিরুপদ্রব অবকাশ প্রয়োজন, তা তাঁদের ছিল না। ফলে একটি নতুন রাষ্ট্র শুধু হাত-পা ও শরীরটা নিয়ে যাত্রা শুরু করল, তার মাথা ও মগজটা থাকল না।
পশ্চিমের উন্নত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নাগরিক সমাজ ও বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা খুব বড়। রাষ্ট্রের সমস্যা সমাধানে রাজনীতিকেরাই যথেষ্ট নন। সব সমস্যা তাঁদের চোখে পড়েও না। সেই সমস্যা তাঁদের চোখে ধরিয়ে দেন নাগরিক সমাজের নেতারা। যেসব দেশে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও থিংক ট্যাংক থেকে ব্যাপক গবেষণা হয়, সেসব গবেষণা সরকারি আনুকূল্যেও হয়, তবে বেসরকারি পর্যায়েই হয় বেশি। সুতরাং স্বাধীন মতামত প্রকাশের সুযোগ বেশি। সমাজ ও রাষ্ট্রের পক্ষপাতহীন বিচার-বিশ্লেষণ হলে, সরকারের ভুল নীতি নিয়ে গবেষণা হলে অনেক সমস্যার জট খুলে যায়।
গত ৩৫ বছরে আমাদের দেশে ব্যাপক ‘উন্নয়ন’ হয়েছে। আমরা নিজের অর্থে এই উন্নয়ন করতে পারিনি। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি ও দাতা দেশগুলোর সহায়তায় আমরা রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা প্রভৃতি করেছি, সরকারি কর্মকর্তাদের অফিস কক্ষ সাজিয়েছি, সড়ক যোগাযোগের উন্নতি করতে গিয়ে রেলকে ধ্বংস করেছি। গ্রামীণ দারিদ্র্য দূর করতে গিয়ে এনজিও কর্মকাণ্ডের এমন প্রসার ঘটেছে যে মহানগরগুলোর বাইরে গোটা দেশে সরকারের ভূমিকা আজ গৌণ। গ্রামীণ অর্থনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করছে এনজিওরা। ব্র্যাক, গ্রামীণ ব্যাংকের মতো প্রতিষ্ঠান বহুজাতিক বীজ ও ফোন কোম্পানির সহযোগী হয়ে উঠেছে। দরিদ্র ও নিম্নমধ্য শ্রেণীর কষ্টার্জিত অর্থ আজ বিদেশে চলে যাচ্ছে। একটি স্বাধীন দেশ তার নিজের তেল, গ্যাস, কয়লা নিজে খুঁড়ে বের করতে পারে না। রাজনীতিকেরা অতি আনন্দের সঙ্গে তা বিদেশিদের হাতে তুলে দেন। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে অথবা দয়াপরবশ হয়ে কি তুলে দেন? বিদেশিদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করলে আগামী পাঁচ পুরুষ আর তাদের কোনো রোজগার করার প্রয়োজন হবে না।
আমাদের দেশ আছে, দেশের মাটি আছে কিন্তু ক্রমাগত আমাদের রাষ্ট্র—আমাদের সরকার অনুপস্থিত হয়ে পড়ছে। অন্তত জনগণ সরকারের অস্তিত্ব অনুভব করতে পারছে না। যেদিকে তাকায়, সেদিকেই তারা দেখে দয়াময় এনজিও। শুধু ঋণ বিতরণের এনজিও নয়, বুদ্ধি বিতরণের এনজিও আজ অগণিত। বৈদেশিক টাকায় গজিয়ে উঠেছে অসংখ্য কনসালটেন্সি ফার্ম, থিংক ট্যাংক ও নানা নামে নানা রকম প্রতিষ্ঠান। শিক্ষাবিদ, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক-বেসামরিক আমলা, কূটনীতিক, সাংবাদিকেরা এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত। তাঁরা বাংলাদেশকে বিশ্ব পুঁজিবাদী-ব্যবস্থার সঙ্গে কাঁটায় কাঁটায় মিলিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর ও অঙ্গীকারবদ্ধ। তাঁদের প্রধান সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষক রাজনীতিকেরা।
কিছুকাল ধরে বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলোয় প্রবল টক শোর প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। দেশে স্বাধীন ও সৃষ্টিশীল চিন্তার বিস্তার ঘটলে টক শোর নামে এসব আবোল-তাবোল প্রলাপের আসর বসার সুযোগ থাকত না। টক শোগুলোয় কোনো চিন্তামূলক বা সৃষ্টিশীল বিতর্ক হয় না। সারা দিন কনসালটেন্সি আর সূর্যটি ডুবলেই অসহনীয় যানজটের মধ্যেও কারা ছুটছেন উত্তাল গতিতে এই চ্যানেল থেকে সেই চ্যানেলে? যে আমলা সারা জীবন জনগণের জন্য এক ছটাক কাজ করেননি, তিনি মালকোঁচা মেরে টক শোতে যাচ্ছেন যেন সরকার অথবা কোনো বিদেশি সেনাবাহিনীর সঙ্গে কুস্তি লড়বেন। মধ্যরাতে গর্জে উঠছে টেলিভিশনের পর্দা। দর্শকের চোখ কপালে। লোকটির সাহস কী রে বাবা! এ নৈরাজ্যের শেষ কবে?
গণতন্ত্রে নাগরিক সমাজের নেতাদের কথার মূল্য খুব বেশি। সব দেশেই বুদ্ধিমান শাসকেরা তাঁদের কথার মূল্য দেন। ক্ষমতা থেকে দূরে থেকেও তাঁরা ক্ষমতাসীনদের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। কিন্তু আমাদের দেশের অবস্থা আলাদা। আমাদের নাগরিক সমাজের নেতারা রাজনৈতিক ক্ষমতার স্বাদ পেতে চান। কিন্তু ব্যয়বহুল নির্বাচন করার মতো অত টাকা তাঁদের নেই। তাই রাজনীতির সদর দরজাটা তাঁদের জন্য বন্ধ। তাঁরা খিড়কির দরজার খোঁজে থাকেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি ভালো খিড়কির দরজা। সেই দরজার কাছে যাওয়ার আগে সরকার ও জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য টক শো, গোলটেবিল, সেমিনার, ওয়ার্কশপে অংশ নেওয়া অপরিহার্য। সুষ্ঠু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় এসব উপসর্গ অনুকূল নয়।
শক্ত স্থানীয় সরকার ও প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অপরিহার্য অংশ। আইয়ুব খান ছিলেন সামরিক একনায়ক। দেশের কোথাও তাঁর রাজনৈতিক ভিত্তি ছিল না। ক্ষমতায় টিকে থাকার প্রয়োজনে তিনি একটি পোষা স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি বাহিনী তৈরি করেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য, স্বাধীনতার পরে রাজনৈতিক সরকারও স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের শাসক দলের লেজুড়বৃত্তিতে বাধ্য করে। সেখানেই গণতন্ত্রের অর্ধেক শেষ হয়ে গেল। শীর্ষ পর্যায়ে রাজনীতিক ও আমলাদের মিতালি ছিল; টেস্ট রিলিফের গম প্রভৃতির কারণে তৃণমূল পর্যায়েও স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি, দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা ও দলীয় মাস্তানদের এক ক্রীড়াচক্র গড়ে ওঠে।
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় স্বাধীন ট্রেড ইউনিয়ন ও পেশাজীবী সংগঠনের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেটা গণতন্ত্রের অংশ। স্বাধীনতার পরে শিল্পশ্রমিক ও কর্মজীবী মানুষের ইউনিয়নের নেতাদের শাসক দলের চামচা বানানো হয়। ট্রেড ইউনিয়ন এখন সম্পূর্ণ ধ্বংস। অথচ ৩৯ বছরে শ্রমিকনেতাদের অনেকের অবস্থা একজন মাঝারি শিল্পপতির চেয়ে ভালো। সাধারণ শ্রমিকদের মধ্যে চাঁদাবাজি তো আছেই, তার ওপর মালিক ও সরকার পক্ষের এনাম ও সুবিধাদি তাঁরা যা পাচ্ছেন, তার পরিমাণ আমাদের ধারণার বাইরে। স্বাধীন ট্রেড ইউনিয়ন ছাড়া গণতন্ত্র অচল। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সরকার ট্রেড ইউনিয়ন ও পেশাজীবী সংগঠনকে সহ্য করতে পারে না।
বাহাত্তরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অনন্য সুযোগটি হাতছাড়া করেছিল রাজনৈতিক সরকার। বিরোধী দলকে মাথা তুলতে দেয়নি। মূল্য তাকেই দিতে হয়েছে। ১৯৭৫ থেকে ’৯৫ পর্যন্ত ১৫ বছর ছিল সামরিক ও আধাসামরিক সরকার এবং পাঁচ বছর ছিল খালেদা জিয়ার নির্বাচিত মুসলিম জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক সরকার। তাকে গণতান্ত্রিক সরকার বলা যাবে না। মোশতাক সরকার, জিয়া সরকার, সাত্তার সরকার, এরশাদ সরকার ও খালেদা সরকারের মধ্যে নীতিগত পার্থক্য বিশেষ ছিল না। তাঁরা সবাই ছিলেন সাম্প্রদায়িক ও পাকিস্তানি ভাবাদর্শের অনুসারী। এর মধ্যে উত্থান ঘটে জামায়াত প্রভৃতি মৌলবাদী শক্তির। তারা সরকারের পূর্ণ পৃষ্ঠপোষকতা ও আনুকূল্য পায়। দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতির সঙ্গে মৌলবাদী রাজনীতি যোগ হয়ে যা দাঁড়ায় তা হলো, দেশে রাজনীতিটাই থাকল, কিন্তু গণতন্ত্রটা গেল নষ্ট হয়ে। অসাম্প্রদায়িক আওয়ামী লীগ ’৯৬ সালে ক্ষমতা পেল, কিন্তু তাঁরা মৌলবাদীদের সঙ্গে সহাবস্থানের নীতিই গ্রহণ করেন। তা ছাড়া বিরোধী দলকে তাঁরা সহ্যই করতে পারতেন না। সুতরাং নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার পেলাম, গণতান্ত্রিক সরকার পাওয়া গেল না।
অত্যাচার ও শোষণ করে বলেই আমরা পাকিস্তানিদের তাড়িয়ে ছিলাম। অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি ছিল আমাদের লক্ষ্য। কিন্তু স্বাধীনতার পরে আমাদের রাজনৈতিক সরকার স্বাধীনতার আগের প্রতিষ্ঠিত শিল্পকারখানাও ধ্বংস করতে থাকে। নতুন প্রতিষ্ঠার তো প্রশ্নই নেই। চোরাচালান বাড়ে এবং পাট ও বস্ত্রশিল্প ধ্বংস হতে থাকে। বাঙালি শ্রমিকদের মতো দুর্দশাগ্রস্ত শ্রমিক পৃথিবীর আর কোনো দেশে আছে বলে আমার জানা নেই। আশির দশক থেকে নতুন খাত পোশাকশিল্প দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু গত দুই নির্বাচনের ফলাফল দেখে মনে হচ্ছে, মালিকেরা শিল্পপতি হয়েছেন জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখার জন্য নয়, রাজনীতিতে অংশ নিতে। সংসদের ৩০০ আসনের প্রায় ২০০ সদস্য শিল্পপতি-ব্যবসায়ী। অর্থাৎ অর্থনীতির জন্য রাজনীতি, গণতন্ত্রের জন্য রাজনীতি নয়। কৃষকের দুর্দশা সম্পর্কে কিছু না বলাই ভালো।
রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে জনগণ চেয়েছিল গণতান্ত্রিক সরকার। তাঁরা আমাদের উপহার দিয়েছেন রাজনৈতিক সরকার। টেকসই গণতন্ত্রের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হয়। আমাদের রাজনৈতিক সরকার সব প্রতিষ্ঠানকে চূর্ণবিচূর্ণ করে ফেলেছে গত দুই দশকে। শিক্ষাব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষমতাসীন দলের ছাতার ছায়ায় তৈরি করছে দক্ষ সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ বাহিনী। ভালো ছাত্ররা আজ অসহায়। তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। তাতে গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎও অন্ধকার। আমাদের অপরাধপ্রবণ সমাজে রাজনৈতিক সরকারের কারণে পুরোনো অপরাধের সঙ্গে যোগ হয়েছে নতুন অপরাধ: টেন্ডারবাজি, ভর্তি-বাণিজ্য, হল দখল ও আরও নানা রকমের বাজি ও বাণিজ্য।
গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্র পরিচালনায় বিরোধী দলকে স্বাগত জানায়। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সরকার বিরোধী দলকে নির্মূল করতে চায়। গণতন্ত্রে বিরোধী দলকে নির্মূল করা মানে গণতন্ত্রের একটি ঠ্যাং কেটে ফেলা। এক পা নিয়ে সরকার কিছুদূর যেতে পারবে, কিন্তু একপর্যায়ে মুখ থুবড়ে পড়বে।
গণতন্ত্র কোনো নিয়ন্ত্রণের বস্তু নয়। গণতন্ত্রকে বনগরুর মতো স্বাধীনভাবে বিচরণ করতে বা চলতে দেওয়া ভালো। তাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে আথালে বা গোয়ালে আটকে রাখলে সে যেমন আরাম পায় না, গেরস্তেরও গুঁতা খাওয়ার আশঙ্কা থাকে। পঞ্চাশের দশক থেকে বহু রাষ্ট্রনায়ক গণতন্ত্রের গলায় দড়ি দিয়ে বাঁধতে গিয়ে তার গুঁতা খেয়ে জীবন পর্যন্ত দিয়েছেন। আমরা শুধু নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকার চাই না, গণতান্ত্রিক সরকার চাই। বাহাত্তরের মতো ২০০৯-এ একটি সুযোগ এসেছে। এবারের সুযোগ হারালে দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকার।
সৈয়দ আবুল মকসুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
August
(731)
-
▼
Aug 19
(40)
- পরম নামে ডাকি -নির্লিপ্ত নয়ন
- মাহে রমজানে কোরআন তিলাওয়াত -সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম ...
- মন্ত্রী বনাম সংসদীয় কমিটি -বিমানকে রাহুমুক্ত করতে হবে
- ‘কার্লোস দ্য জ্যাকল’কে ভেনেজুয়েলায় ফিরিয়ে আনার দাবি
- আর্থিক সহায়তার নেপথ্যে কারা, খতিয়ে দেখছে কানাডা
- সরাসরি আলোচনায় পূর্বশর্ত মানব না: নেতানিয়াহু
- পাকিস্তানে বিদেশি দূতাবাসে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা
- ভারত-সীমান্তে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করেছে চীন
- রাশিয়ায় রুমানিয়ার কূটনীতিক আটক
- বাগদাদে সেনা নিয়োগ কেন্দ্রে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ৬০
- গ্রাউন্ড জিরোর কাছে মসজিদ নির্মাণের বিরোধিতায় রিড
- মধুচন্দ্রিমার দিন শেষ, সামনে বড় চ্যালেঞ্জ
- ভেনিজুয়েলায় সংবাদপত্রে সহিংস ছবি প্রকাশ নিষিদ্ধ ঘোষণা
- ভারতীয় ঋণের টাকায় ড্রেজার কেনা হচ্ছে
- শান্তি আলোচনায় ভারতের মাওবাদীদের নতুন শর্ত
- লেনদেনে চাঙা ভাব, সাধারণ সূচক দাঁড়িয়েছে ৬৭১৯ পয়...
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের উদ্যোগে আমদানি-রপ...
- বিএমডব্লিউর ৫,৩০৮টি গাড়ি তুলে নেবে চীন
- হিটেই বাদ মাহফিজরা
- মোহামেডানে এসব কী হচ্ছে
- বুড়োরাই জ্বললেন ফার্গুসনের হয়ে
- ভারোত্তোলকদের আপাতত ঠাঁই জিমনেসিয়ামে
- এভার্টের জন্য সম্মাননা
- মাহে রমজানে নামাজের ফজিলত -সিয়াম সাধনার মাস ধর্ম b...
- রাজনৈতিক সরকার কী গণতান্ত্রিক সরকার by সৈয়দ আবুল ম...
- দায়িত্বহীন জাহাজভাঙা শিল্প -ক্রমাগত আইন অমান্য ছাড়...
- কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধে চারজন নিহত
- সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তই কাম্য
- ইন্দোনেশিয়ায় ধর্মীয় সহনশীলতা বজায় রাখার আহ্বান
- নামিবিয়ায় দ. আফ্রিকার দেশগুলোর বার্ষিক সম্মেলন শুরু
- জাতিগত সহিংসতায় কিরগিজদের সহায়তা করেছে সেনারা
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গে সাংবাদিকদের জন্য পেনশন ঘোষণা
- ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সরাসরি আলোচনার বিষয়ে অগ্রগতি
- ইরানের তৃতীয় পরমাণু প্রকল্পের কাজ শুরু আগামী বছর
- থাইল্যান্ডে আরও তিনটি প্রদেশ থেকে জরুরি অবস্থা প্র...
- যুক্তরাষ্ট্র ও দ. কোরিয়ার ফের যৌথ সামরিক মহড়া শুরু
- পরমাণু স্থাপনা পরিদর্শনে ইসরায়েলের ওপর চাপ বাড়ান
- এবার প্রেমিক জুটিকে পাথর ছুড়ে হত্যা করল তালেবান
- ভারতে ৩০০ টন বিস্ফোরকবোঝাই ট্রাক উধাও
- অলৌকিকভাবে বেঁচে গেলেন তাঁরা
-
▼
Aug 19
(40)
-
▼
August
(731)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment