রাজধানীতে বাস ভাংচুর-আগুন

রাজধানীতে আবারও তাণ্ডবের চেষ্টা চালিয়েছে শিবির। আজ সকাল সোয়া ১০ থেকে মতিঝিল, পল্টন ও দৈনিক বাংলার মোড়সহ আশেপাশের এলাকায় অতর্কিতে বের হয়ে গাড়িতে আগুন দেয় এবং ভাংচুর করে।
পুলিশি প্রতিরোধের মুখে পালিয়ে গেলেও দৈনিক বাংলার মোড় এলাকায় প্রথমে একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয় তারা। একই সময় মতিঝিলেও একটি বাস ভাংচুর করা হয়। শিবির কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারশেল ছুড়ছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, নাশকতা চালানোর আশঙ্কায় তারা সর্বত্র সতর্ক রয়েছে। ভোর থেকেই পল্টন, বায়তুল মোকাররম, ফকিরেরপুল, আরামবাগ, মতিঝিল ও কাওরান বাজার এলাকা নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দেয়া হয়। এসব এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক পুলিশ-ৠাব, ডিবি পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। সাদা পোশাকেও গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যরা কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে। পুলিশ জানায়, আজ ভোর থেকেই তারা নাশকতার চেষ্টা চালাচ্ছিল। তাদের ঠেকাতে পুলিশ-ৠাব, ডিবি পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ধাওয়া দেয়। এ সময় শত শত রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। এর মধ্যে কাকরাইল থেকে শান্তিনগর মোড় পর্যন্ত এলাকায় ১৭ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়। পুলিশের গুলি ও বিভিন্ন ভাবে অন্তত ৩০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশের ধাওয়ায় পালিয়ে গিয়ে মতিঝিল, পল্টন, দৈনিক বাংলার মোড়, ফকিরেরপুল ও আরামবাগের বিভিন্ন অলিতে-গলিতে আশ্রয় নেয় শিবির কর্মীরা। সকাল সোয়া ১০টার দিকে ফের বের হয়ে মিছিল সহকারে দৈনিক বাংলার মোড় এলাকায় তাণ্ডব শুরু করে তারা। এ সময় অতর্কিতে স্টার পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয়া হয়। প্রায় একই সময়ে মতিঝিলেও একটি বাস ভাংচুর করা হয়। এমুর্হূর্তে পুলিশ টিয়ারশেল ছুড়ে শিবির কর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দিলেও ফের সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন তারা। বর্তমানে পল্টন-মতিঝিল এলাকায় যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। বিরাজ করছে ভীতিকর অবস্থা।