Monday, October 29, 2018
তামাশার নির্বাচনে বামজোট অংশ নেবে না by কাজল ঘোষ
তামাশার নির্বাচনে বামজোট অংশ নেবে না by কাজল ঘোষ

বাম
জোটের সমন্বয়কারী সাইফুল হক। বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির
সাধারণ সম্পাদক। আপাদমস্তক একজন রাজনৈতিক সচেতন মানুষ। ভাবেন দেশ নিয়ে।
দেশের মানুষকে নিয়ে। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি কীভাবে দেখছেন তিনি?
বলেন, ৫ই জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচন হজম করার পরিস্থিতি বা বাস্তবতা
দেশের মানুষের নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তামাশার নির্বাচনকে বৈধতা দিতে
বামজোট নির্বাচনে অংশ নেবে না। সাইফুল হক বলেন, একটি তদারকি সরকারই পারে
দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন দিতে।
প্রয়োজনে তদারকি সরকারের কেউ নির্বাচনে অংশ নেবেন না। পরবর্তীতে নির্বাচিত সরকারের কাছে তাদের জবাবদিহিতা থাকতে পারে।
বাম জোটের এ সমন্বয়ক বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন ও ক্রান্তিকাল সময় আমরা এখন অতিক্রম করছি। সাতচল্লিশ বছরেও আমরা নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতা বদলের কোনো গ্রহণযোগ্য উপায় কার্যকর করতে পারিনি। সরকার পরিবর্তনের বিধিবদ্ধ কোনো ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত গড়ে ওঠেনি। কীভাবে নির্বাচন হবে? ক্ষমতা হস্তান্তরে শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ার কোনো সমাধান হয়নি। সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য যে আইন থাকা দরকার তাও আমাদের এখানে হয়নি।
নির্বাচন কমিশন গঠন হচ্ছে এডহক ভিত্তিতে। কখনও প্রেসিডেন্ট সার্চ কমিটি গঠন করছেন, কখনও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে নাম চেয়ে চূড়ান্ত করা হচ্ছে। শাসক শ্রেণির অভ্যন্তরীণ যে অবস্থান, আমাদের এখানে যে লুণ্ঠনকেন্দ্রিক, দলীয়কেন্দ্রিক, একচ্ছত্র শাসনকেন্দ্রিক প্রক্রিয়া চলমান নির্বাচন নিয়ে সংকট তারই বহিঃপ্রকাশ। এখানে রাজনৈতিক ক্ষমতার সঙ্গে লুণ্ঠন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুত বিত্তশালী হওয়ার একটি প্রতিযোগিতা অব্যাহত আছে। ফলে বিত্তশালী হওয়ার জন্য দুর্বৃত্তরা রাজনীতিকে তাদের প্রধান অবলম্বন করে নিয়েছে। আগে বড় ব্যবসায়ীরা রাজনৈতিক দলগুলোকে সমর্থন করতেন, চাঁদা দিতেন।
এখন ব্যবসায়ীদের বড় একটি অংশ নিজেরাই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাছাড়া গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ গড়ে না ওঠায় গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিও গড়ে ওঠেনি। লক্ষ্য করার বিষয়, আওয়ামী লীগ একসময় মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য রাজনীতি করত। সেই আওয়ামী লীগেরও এখন মৌলিক চরিত্র বদলেছে। আওয়ামী লীগ কার্যত এখন লুণ্ঠনকেন্দ্রিক সুবিধাভোগীদের দল। মুক্তিযুদ্ধের সময় যে সাম্যের স্বপ্ন মানুষ দেখেছিল তা থেকে রাষ্ট্র এখন অনেক দূরে। রাষ্ট্র এখন অনেক বেশি বর্বর, অনেক বেশি সহিংস, অনেক বেশি স্বৈরতান্ত্রিক। বৃটিশ-পাকিস্তানি আমলে রাষ্ট্রের যে বর্বর চেহারা দেখা যায়নি এখন আমরা তাই দেখছি।
বিচারবহির্ভূত হত্যা, সরকারি জিম্মায় মানুষকে যেভাবে হত্যা, গুম করা হচ্ছে এবং রিমান্ডের নামে যে নির্যাতন করা হচ্ছে এই চরিত্র সে আমলেও দেখা যায়নি। এখন এগুলো সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। মানুষ এখন চূড়ান্ত নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছে। রাষ্ট্রের সঙ্গে মানুষের বিচ্ছেদ তৈরি করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের আগে বিএনপিও একই ধারায় ছিল। তারা মনে করেছেন তাদের ভোটে যাওয়া দরকার তাকে একটা বৈধ রূপ দেয়ার জন্য। এটা মুক্তিযুদ্ধের উল্টোদিকে যাত্রা। আমরা এরকম রাষ্ট্র, এরকম আমলাতন্ত্র চাইনি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে একটি লুণ্ঠনকেন্দ্রিক গোষ্ঠী। সে কারণে এখানে কেউ নির্বাচনে পরাজিত হতে চায় না। এটা করতে তারা যে ধরনের অপরাধ সংগঠিত করেন, আতঙ্কে থাকেন যে বিরোধী শিবিরে বসলে তাদের মামলা, হয়রানির স্বীকার হতে হবে। ফলে শাসক পক্ষ বিরোধী দলে গেলে নিজেরা টিকতে পারবে এমন কোনো সুযোগ রাখে না। বর্তমান শাসকদল আওয়ামী লীগকে বিরোধী দলে বসতে হতে পারে এমন কোনো চিন্তা তাদের কথাবার্তায় বা বডি ল্যাঙ্গুয়েজেও নেই। যদি সেটা থাকতো তাহলে বিরোধী দলে থাকলে সরকারের কাছ থেকে যে ধরনের আচরণ প্রত্যাশা তারা করে। এখন সরকারে বসে সে ধরনের আচরণ করত আওয়ামী লীগ।
- এবারের নির্বাচন নিয়ে কি ধরনের সংকট হতে পারে?
একটি হচ্ছে রাজনৈতিক সংকট। অন্যটি হচ্ছে শাসনতান্ত্রিক। প্রধানমন্ত্রীর হাতে সকল নির্বাহী ক্ষমতাকেন্দ্রিভূত। ফলে যখন যে দলই ক্ষমতায় থাকুক দেখা গেছে এককেন্দ্রিক একটি ক্ষমতা কাঠামো গড়ে উঠেছে স্বৈরতান্ত্রিকভাবে। কিছু ঐতিহাসিক ঘটনাও আমাদের রাজনৈতিক বিভাজনের পেছনে দায়ী। পঁচাত্তরের মর্মান্তিক হত্যার পরবর্তী পর্যায়ে ঘটে যাওয়া ঘটনা রাজনীতির মধ্যে কিছু ঐতিহাসিক বিভাজন, বিরোধ ও বৈরিতার জন্ম দিয়েছে। মনস্তাত্বিক বিরোধ অব্যাহত আছে।
রাজনীতির ভিতরে কিছু ঘৃৃণা, কিছু বিদ্বেষ এবং প্রতিহিংসারও জন্ম দিয়েছে। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যাগুলোর কোনো সুরাহা হয়নি। যেমন, আওয়ামী লীগ যখন জিয়াউর রহমান বা এ ধরনের ব্যক্তিদের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী হিসেবে আখ্যায়িত করে তখন বিএনপির বাইরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও একটি গভীর নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার জন্ম হয়। আবার বিএনপি যখন জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে দাবি করে (তিনি বঙ্গবন্ধুর পক্ষে একজন ঘোষক) তখন সত্যের অপলাপ হয়ে থাকে।
অন্যদিকে পনেরই আগস্ট বেগম জিয়ার জন্মদিন হয়ে থাকলেও সেদিন ঘটা করে জন্মদিন করা একটা সাধারণ রীতিনীতি বা সৌজন্যের মধ্যেও পরে না। এ ছাড়া ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলার মতো ঘটনা আমাদের রাজনীতিতে চলমান সংকটের পাশাপাশি একটি গভীর মনস্তাত্বিক বিরোধের জন্ম দেয়। সংঘাত সংঘর্ষের জায়গাটিকে উস্কে দেয়। এসব প্রশ্নে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতারা কোনো দূরদর্শিতার পরিচয় দেননি। বিরোধ বৈরিতা আমাদের সমাজে এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে একেবারে নিচু পর্যায়ে একধরনের গৃহযুদ্ধের যে আলামত তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এখন বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চল, প্রতিটি গ্রাম, প্রতিটি পাড়া, প্রতিটি রাস্তার লেন বিভক্ত। গত দশ বছরে বিএনপির ওপর যে পরিমাণ দমনপীড়ন চালানো হয়েছে বা এর আগে যখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিল তখন আওয়ামী লীগ এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যে পরিমাণ দমনপীড়ন চলেছে এটা এক ধরনের প্রতিশোধাত্মক জায়গা থেকে করা হয়েছে। এই প্রতিহিংসা বিরোধ বৈরিতাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে একজনের বিনাশের ওপর আরেকজনের অস্তিত্ব নির্ভরশীল। সম্প্রতি ক্ষমতাসীন দলের এক নেতা বলেছেন, বাংলার মাটি থেকে যদি বিএনপিকে ধ্বংস করা না যায় তাহলে দেশ গড়া যাবে না। চিন্তা করুন আগামী ডিসেম্বরে নির্বাচন, সেখানে একটি বড় দলকে যারা প্রধান বিরোধীদল তাদের একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর সমর্থন রয়েছে। তাদের সহাবস্থানের কোনো প্রশ্ন নেই, তাকে গণতান্ত্রিক ধারায় আনার কোনো প্রস্তাবনা নেই। অথচ সরাসরি প্রস্তাবনা হচ্ছে এদের উচ্ছেদ করা, ধ্বংস করা। এটা ন্যূনতম কোনো গণতান্ত্রিক চিন্তা চেতনার কথা নয়।
এর মাধ্যমে সংঘাতকেই আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে; বিরোধকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে; একটা মল্লযুদ্ধকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। বিষয়টি এমন যে, শক্তি পরীক্ষায় আছি পারলে আমাকে ঠেকাও। বর্তমান পরিস্থিতিতে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে যদি একটি যৌক্তিক পরিণতির দিকে আমরা না যেতে পারি তাহলে সমাধান আসবে না। যেমন- কীভাবে আমাদের ভোটাধিকার রক্ষা পাবে, কীভাবে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে, মানুষ কীভাবে তার ভোট নিরাপদে দিতে পারবে, নির্বাচন কীভাবে সকলের অংশগ্রহণমূলক হবে? আমরা এমন একটি দেশে বাস করি যেখানে মানুষ প্রয়োজনে দুবেলা ভাত না খেয়ে থাকতে রাজি আছে কিন্তু ভোটের অধিকার ছাড়তে রাজি নয়। ভোট দিতে না পারার যে যন্ত্রণা, রক্তক্ষরণ, অপমানবোধ এটা এখানকার মানুষ মানতে রাজি নয়। সুতরাং এগুলোর সমাধান না হলে লো ইনটেনসিটি সিভিল ওয়ারের যে লক্ষণ তা দেখা যাচ্ছে। ক্ষমতাকেন্দ্রিক শাসক শ্রেণির দলগুলো যেভাবে পরস্পরের মধ্যে প্রতিহিংসা আর এক দল আরেক দলকে ধ্বংস করার মরিয়া তাতে সংঘাত কমবে না আরো বাড়বে। এরকম পরিস্থিতিতে আমার দীর্ঘমেয়াদি সংকটে বলা যায় জ্ঞানত বা অজ্ঞানত একটি গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছি। এতে দেশে গভীর নৈরাজ্যের জন্ম হবে।
এ ধরনের সংকটময় মুহূর্তগুলো পৃথিবীর বহুদেশে কাজে লাগিয়েছেন বিপ্লবী শক্তি। শাসক শ্রেণি যখন ব্যর্থ হয়, তারা যখন দ্বন্দ্ব-সংঘাতে লিপ্ত থাকে তখন মানুষের কাছে বিকল্প প্রস্তাবনা নিয়ে বৈষম্যহীন মানবিক সমাজের জন্য এরকম পরিস্থিতিকে বিপ্লবী বামপন্থিরা কাজে লাগিয়েছেন। বাংলাদেশে এ পরিস্থিতিকে বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে কাজে লাগাতে না পারলে জঙ্গিবাদী বা চরমপন্থার উত্থান ঘটবে। সমাজের অভ্যন্তরে চিন্তা-মতাদর্শের দিক থেকে এবং দক্ষিণপন্থি মতাদর্শের যে বাড়ন্ত লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সমাজের অভ্যন্তরে দক্ষিণপন্থি মতাদর্শের শর্তগুলো আরো শক্তিশালী হবে। এটা দেশের শাসকশ্রেণির কোনো অংশের জন্য যেমন ভালো নয়, তেমনি গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার জন্য হবে আত্মঘাতী। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে আগামী নির্বাচনের আগে বিদ্যমান এই সমস্যাগুলো সুরাহা সম্ভব বলে মনে করি।
সাইফুল হক বলেন, জনগণের বড় অংশ বিশ্বাস করে বর্তমান সরকারকে রেখে কোনো অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তাহলে সমাধান কোথায়? ছিয়ানব্বই সালে আওয়ামী লীগ যে কারণে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন করেছে সে তুলনায় এখন অবিশ্বাস অনাস্থা আরো বহুগুণ বেশি। ফলে তখন যে কারণে দলীয় সরকারের অধীনে আমরা নির্বাচনে অংশ নিইনি, এখন তা না করার যুক্তি অনেক অনেক বেশি। অনাস্থা, বিরোধ, বৈরিতা, সন্দেহ, অবিশ্বাস এখন আগের চেয়েও মারাত্মক পর্যায়ে। সে জায়গা থেকেই বলতে চাই এখানে সরকারকে সুষ্ঠু নির্বাচনে আয়োজনে রাজনৈতিক দলগুলোকে আস্থায় নিয়ে আলাপ আলোচনা করে, নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য তদারকি সরকার কায়েম করা জরুরি। সেই তদারকি সরকারে আওয়ামী লীগও থাকতে পারে পাশাপাশি প্রধান বিরোধীদলসহ সকল রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরাও থাকতে পারে। সকলে একমত হলে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের স্বার্থে সেই সরকারে যারা থাকবেন তারা প্রয়োজনে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে প্রত্যক্ষ নির্বাচনে অংশ নেবেন না।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে অনেকে প্রশ্ন করেন? আমাদের দলীয় অবস্থান হচ্ছে, তদারকি সরকার গঠিত হলে তারা পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবেন। এ ধরনের নিয়ম থাকলে এই তিন মাসে তারা যা খুশি করতে পারবে না। তা ছাড়া বিনা ভোটের নির্বাচনে গঠিত বর্তমান সংসদের কোনো ম্যান্ডেট নেই। ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের পর কথা ছিল একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের। অথচ তা করা হয়নি। পাঁচ বছর কাটিয়ে দিলো সরকার। যদি সংসদ থাকে তাহলে এই সংসদের যারা আছেন তাদের সঙ্গেতো প্রতিদ্বন্দ্বী দল বা প্রার্থীদের কোনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হলো না। প্রশ্নহীন নির্বাচন চাইলে সরকারকে সংসদ বাতিলের ঘোষণা দিতে হবে। নির্বাচনে সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিতের জন্য লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির জন্য সরকারিদলকে ঘোষণা দিতে হবে।
বর্তমানে যে পরিস্থিতি তা অব্যাহত থাকলে আপনাদের জোট নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা?
বর্তমান পরিস্থিতি চলতে থাকলে নির্বাচনে অংশ নেয়া অসম্ভব। কারণ, নির্বাচনকালীন যে সরকারের কথা আলোচনায় আছে সে সরকার আর এ সরকারের মধ্যে মৌলিক কোনো পার্থক্য হবে না। আগেই বলেছি, সকল নির্বাহী ক্ষমতা সরকার প্রধানের হাতে। সুতরাং নির্বাচনকালীন যে সরকার গঠিত হবে সংবিধান অনুযায়ী সেই সরকারের প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর হাতেই সকল ক্ষমতা থাকবে। তিনি ক্ষমতা কতটুকু ব্যবহার করবেন সেটি ভিন্ন প্রশ্ন। কিন্তু সকল ক্ষমতা তো ওনার হাতেই। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব ও মর্যাদা চূড়ান্তভাবে ভূলুণ্ঠিত করেছে। সরকার এবং নির্বাচন কমিশন মিলে যা করেছে এতে পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে মানুষের মধ্যে একটি গণঅনাস্থা সৃষ্টি হয়েছে। আরপিওর অগণতান্ত্রিক ধারাগুলো বাতিল করা, কীভাবে নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও নিরপেক্ষ করা যায়, কালো টাকার দৌরাত্ম্য কিভাবে বন্ধ করা যায় এ বিষয়ে সংলাপের সময় দেয়া প্রস্তাবনাগুলোর কোনো একটি বিষয়ও কমিশন আমলে নেয়নি। বরং সরকারি দলকে বাড়তি সুবিধা দিতে তারা ইভিএম চালুর চিন্তা করছে। যদিও মানুষের মনোভাব বুঝতে পেরে তারা কিছুটা পিছু হটেছে। নির্বাচন কমিশন প্রমাণ করেছে তারা মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারেনি। যে নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলোর অধিকাংশই গ্রহণযোগ্য করতে পারেনি সেখানে এরকম একটি কমিশন দিয়ে একটি প্রশ্নহীন জাতীয় নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করা যাবে মানুষ এটা বিশ্বাস করে না।
সকল পরিস্থিতি বিবেচনায় বল সরকারের কোর্টে। রাজনৈতিক দলগুলোর অনেক দাবি। কিন্তু সরকারকেও তো সেই জায়গাটি তৈরি করতে হবে। মানুষকে বুঝতে হবে, তার নিজের ভোট সে নিরাপদে দিতে পারবে, তার ভোট কাউন্ট হবে। ভোট দেয়ার পর সে নিরাপদ থাকবে। রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীদের আশ্বস্ত করতে হবে যে, আমরা এবার একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাই, মানুষ যাকে সমর্থন করবে তারাই নির্বাচনে বিজয়ী হবে। সরকারের সদিচ্ছা ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অসম্ভব। শেষমুহূর্তে বামজোট আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা তা নির্ভর করছে সে সময়ের পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর, রাজনৈতিক দল এবং জোটগুলোর যে অবস্থান সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্বাচন বয়কটও করতে পারি আবার আন্দোলনের অংশ হিসাবে নির্বাচনে অংশও নিতে পারি। ফলে আমরা বর্তমানে নির্বাচন প্রস্তুতির পাশাপাশি রাজপথে আন্দোলনে আছি। তবে একটি কথা খোলাসা করে বলতে চাই, অংশগ্রহণমূলক না হলে তামাশার নির্বাচন বৈধতা দেয়ার জন্য বামজোট অংশ নেবে না।
- জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়েছে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে। তারা ইতিমধ্যেই সাত দফা দাবি আদায়ে মাঠে নেমেছেন। আপনারাও একটি জোট গঠন করেছেন? সামনের দিনে আপনারা তাদের সঙ্গে যোগ দেবেন কিনা?
- জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে স্বাগত জানাই। স্বাগত এজন্য যে, অনেক বিলম্বে হলেও তারাও একই কথা বলছেন। বর্তমান পরিস্থিতি অনুধাবন করে তারা অবস্থান গ্রহণ করেছেন। এগিয়ে এসেছেন। এটি যথেষ্ট ইতিবাচক। আমরা দেখতে চাই রাজপথে তারা ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারকে এ দাবিগুলো মানাতে সরব হবেন। কারণ রাজপথের আন্দোলন ছাড়া সরকারকে এই দাবি মানানোর অন্য কোনো বিকল্প নেই।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট যা বলছে আমরা এই কথাগুলো বলছি অনেক আগ থেকেই। তাদের দেয়া দফা ও লক্ষ্যসমূহের অধিকাংশই আমরা বছর খানেক আগ থেকে রাজপথে বলে এসেছি। তাদের ঘোষিত অনেকগুলো দাবি মেনে নিতে সরকারের প্রতি চাপ দিতে আমরা ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করে যাচ্ছি। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, একটি অবাধ নির্বাচনের জন্য তারা যে দাবি উত্থাপন করেছেন তার জন্য মাঠে জোরালো আন্দোলন গড়ে ওঠলে মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হবে, আস্থার জায়গা তৈরি হবে। মানুষের মধ্যে জাগরণ তৈরি করা, সে জাগরণ গণঅভ্যুত্থান হবে কিনা তা এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে, একটি গণজাগরণ তৈরি করা সম্ভব। মানুষের গণজাগরণের মধ্য দিয়ে সরকারকে যদি পিছু হটানো না যায় তাহলে ভিন্ন কৌশলে হলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাংলাদেশের মানুষকে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচন প্রত্যক্ষ করতে হবে। বাস্তবতা হচ্ছে, ৫ই জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচন হজম করার মতো শক্তি বাংলাদেশের মানুষের নেই। এই পরিস্থিতিতে সমাজের মধ্যে বিভাজন আরো প্রকট হবে, সহিংসতার জন্ম দেবে, আরো নানা ধরনের অপ্রত্যাশিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্ম দেবে। আবার যদি তারা ২০১৪ সালের মতো একই কায়দায় ক্ষমতায় আসতে চায় তাহলে সে সরকারের তো কোনো ম্যান্ডেট থাকবে না। সুতরাং পরবর্তী পাঁচ বছর তারা একইভাবে চালিয়ে যেতে পারবেন সেটা প্রায় দুরাশার শামিল। সেসময় পুরো রাষ্ট্রের জন্যই একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হবে। যা সুস্থ বিবেকসম্পন্ন কোনো মানুষ চাইবে না।
-সমাধানটা কোথায়?
শেষ পর্যন্ত যারা আমরা সমমনা বা একই রকম দাবি নিয়ে মাঠে আছি তারা আন্দোলনের মাধ্যমে; আলাপ আলোচনার মাধ্যমে বিষয়গুলোর যদি একটি যৌক্তিক পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে না পারি- বিশেষ করে কীভাবে মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা পাবে ও নির্বাচন কীভাবে সুষ্ঠু ও অবাধ হবে; মানুষ কীভাবে তার ভোট নিরাপদে দিতে পারবে; নির্বাচন কীভাবে সকলের অংশগ্রহণমূলক হবে? আমাদের বৃহৎ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষগুলো তারা যেভাবে পরস্পর পরস্পরকে ধ্বংসের চিন্তা করছেন এবং কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তাতে সংঘাত বাড়বে। এ রকম একটি পরিস্থিতিতে সংকট যেভাবে ঘনীভূত হচ্ছে তাতে জ্ঞাত বা অজ্ঞাত দেশকে একটি গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। এতে দেশের গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হবে এবং নৈরাজ্যে পরিস্থিতি জন্ম দেবে। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে জঙ্গিবাদী বা মৌলবাদী গোষ্ঠীর জন্ম হবে এবং ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত বাড়তে থাকবে। অন্যদিকে সমাজের ভেতর থেকেই দক্ষিণপন্থার একটি উত্থানের সম্ভাবনা বাড়বে। এটা শাসক গোষ্ঠীর জন্য যেমন ভালো নয় তেমনি দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার জন্য আত্মঘাতী হবে।
সকল পরিস্থিতি বিবেচনায় মনে হয়, সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা দেখানোর সুযোগ এখনও আছে। দেশের মানুষ বিশ্বাস করে না বর্তমান সরকারকে রেখে অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব। তাহলে সমাধানটা কোথায়? ’৯৬ সালে যে প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলন করেছে এখন সে প্রেক্ষিত অনেক অনেক গুণ বেশি। এখনকার অনাস্থা-অবিশ্বাস আগের চেয়ে আরো অনেকগুণ বেশি। তখন যে কারণে দলীয় সরকারের অধীনে আমরা নির্বাচন করিনি বর্তমানেও তার যুক্তি অনেক অনেকগুণ বেশি। অনাস্থা বিরোধ সন্দেহ-অবিশ্বাস এখন আগের চেয়েও মারাত্মক পর্যায়ে।
এ পরিস্থিতিতে সরকারকে বলতে চাই, সদিচ্ছা দেখাতে। আমরা ইতিমধ্যেই প্রস্তাব করেছি নির্বাচনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দলগুলোকে নিয়ে নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা একটি তদারকি সরকার গঠন করা। সেই সরকারে আওয়ামী লীগসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ দলগুলোর প্রতিনিধি থাকতে পারে। যারা সরকারে অংশ নেবে তারা হতে পারে নির্বাচনে অংশ নেবে না। আমাদের প্রস্তাব হচ্ছে এই তদারকি সরকার খেয়াল খুশিমতো যা খুশি না করতে পারেন সেজন্য পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের কাছে তাদের জবাবদিহি করতে হবে।
প্রয়োজনে তদারকি সরকারের কেউ নির্বাচনে অংশ নেবেন না। পরবর্তীতে নির্বাচিত সরকারের কাছে তাদের জবাবদিহিতা থাকতে পারে।
বাম জোটের এ সমন্বয়ক বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন ও ক্রান্তিকাল সময় আমরা এখন অতিক্রম করছি। সাতচল্লিশ বছরেও আমরা নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতা বদলের কোনো গ্রহণযোগ্য উপায় কার্যকর করতে পারিনি। সরকার পরিবর্তনের বিধিবদ্ধ কোনো ব্যবস্থা এখন পর্যন্ত গড়ে ওঠেনি। কীভাবে নির্বাচন হবে? ক্ষমতা হস্তান্তরে শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ার কোনো সমাধান হয়নি। সাংবিধানিকভাবে নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য যে আইন থাকা দরকার তাও আমাদের এখানে হয়নি।
নির্বাচন কমিশন গঠন হচ্ছে এডহক ভিত্তিতে। কখনও প্রেসিডেন্ট সার্চ কমিটি গঠন করছেন, কখনও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে নাম চেয়ে চূড়ান্ত করা হচ্ছে। শাসক শ্রেণির অভ্যন্তরীণ যে অবস্থান, আমাদের এখানে যে লুণ্ঠনকেন্দ্রিক, দলীয়কেন্দ্রিক, একচ্ছত্র শাসনকেন্দ্রিক প্রক্রিয়া চলমান নির্বাচন নিয়ে সংকট তারই বহিঃপ্রকাশ। এখানে রাজনৈতিক ক্ষমতার সঙ্গে লুণ্ঠন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দ্রুত বিত্তশালী হওয়ার একটি প্রতিযোগিতা অব্যাহত আছে। ফলে বিত্তশালী হওয়ার জন্য দুর্বৃত্তরা রাজনীতিকে তাদের প্রধান অবলম্বন করে নিয়েছে। আগে বড় ব্যবসায়ীরা রাজনৈতিক দলগুলোকে সমর্থন করতেন, চাঁদা দিতেন।
এখন ব্যবসায়ীদের বড় একটি অংশ নিজেরাই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাছাড়া গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ গড়ে না ওঠায় গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিও গড়ে ওঠেনি। লক্ষ্য করার বিষয়, আওয়ামী লীগ একসময় মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য রাজনীতি করত। সেই আওয়ামী লীগেরও এখন মৌলিক চরিত্র বদলেছে। আওয়ামী লীগ কার্যত এখন লুণ্ঠনকেন্দ্রিক সুবিধাভোগীদের দল। মুক্তিযুদ্ধের সময় যে সাম্যের স্বপ্ন মানুষ দেখেছিল তা থেকে রাষ্ট্র এখন অনেক দূরে। রাষ্ট্র এখন অনেক বেশি বর্বর, অনেক বেশি সহিংস, অনেক বেশি স্বৈরতান্ত্রিক। বৃটিশ-পাকিস্তানি আমলে রাষ্ট্রের যে বর্বর চেহারা দেখা যায়নি এখন আমরা তাই দেখছি।
বিচারবহির্ভূত হত্যা, সরকারি জিম্মায় মানুষকে যেভাবে হত্যা, গুম করা হচ্ছে এবং রিমান্ডের নামে যে নির্যাতন করা হচ্ছে এই চরিত্র সে আমলেও দেখা যায়নি। এখন এগুলো সাধারণ বিষয়ে পরিণত হয়েছে। মানুষ এখন চূড়ান্ত নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছে। রাষ্ট্রের সঙ্গে মানুষের বিচ্ছেদ তৈরি করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের আগে বিএনপিও একই ধারায় ছিল। তারা মনে করেছেন তাদের ভোটে যাওয়া দরকার তাকে একটা বৈধ রূপ দেয়ার জন্য। এটা মুক্তিযুদ্ধের উল্টোদিকে যাত্রা। আমরা এরকম রাষ্ট্র, এরকম আমলাতন্ত্র চাইনি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে একটি লুণ্ঠনকেন্দ্রিক গোষ্ঠী। সে কারণে এখানে কেউ নির্বাচনে পরাজিত হতে চায় না। এটা করতে তারা যে ধরনের অপরাধ সংগঠিত করেন, আতঙ্কে থাকেন যে বিরোধী শিবিরে বসলে তাদের মামলা, হয়রানির স্বীকার হতে হবে। ফলে শাসক পক্ষ বিরোধী দলে গেলে নিজেরা টিকতে পারবে এমন কোনো সুযোগ রাখে না। বর্তমান শাসকদল আওয়ামী লীগকে বিরোধী দলে বসতে হতে পারে এমন কোনো চিন্তা তাদের কথাবার্তায় বা বডি ল্যাঙ্গুয়েজেও নেই। যদি সেটা থাকতো তাহলে বিরোধী দলে থাকলে সরকারের কাছ থেকে যে ধরনের আচরণ প্রত্যাশা তারা করে। এখন সরকারে বসে সে ধরনের আচরণ করত আওয়ামী লীগ।
- এবারের নির্বাচন নিয়ে কি ধরনের সংকট হতে পারে?
একটি হচ্ছে রাজনৈতিক সংকট। অন্যটি হচ্ছে শাসনতান্ত্রিক। প্রধানমন্ত্রীর হাতে সকল নির্বাহী ক্ষমতাকেন্দ্রিভূত। ফলে যখন যে দলই ক্ষমতায় থাকুক দেখা গেছে এককেন্দ্রিক একটি ক্ষমতা কাঠামো গড়ে উঠেছে স্বৈরতান্ত্রিকভাবে। কিছু ঐতিহাসিক ঘটনাও আমাদের রাজনৈতিক বিভাজনের পেছনে দায়ী। পঁচাত্তরের মর্মান্তিক হত্যার পরবর্তী পর্যায়ে ঘটে যাওয়া ঘটনা রাজনীতির মধ্যে কিছু ঐতিহাসিক বিভাজন, বিরোধ ও বৈরিতার জন্ম দিয়েছে। মনস্তাত্বিক বিরোধ অব্যাহত আছে।
রাজনীতির ভিতরে কিছু ঘৃৃণা, কিছু বিদ্বেষ এবং প্রতিহিংসারও জন্ম দিয়েছে। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যাগুলোর কোনো সুরাহা হয়নি। যেমন, আওয়ামী লীগ যখন জিয়াউর রহমান বা এ ধরনের ব্যক্তিদের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী হিসেবে আখ্যায়িত করে তখন বিএনপির বাইরে সাধারণ মানুষের মধ্যেও একটি গভীর নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার জন্ম হয়। আবার বিএনপি যখন জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলে দাবি করে (তিনি বঙ্গবন্ধুর পক্ষে একজন ঘোষক) তখন সত্যের অপলাপ হয়ে থাকে।
অন্যদিকে পনেরই আগস্ট বেগম জিয়ার জন্মদিন হয়ে থাকলেও সেদিন ঘটা করে জন্মদিন করা একটা সাধারণ রীতিনীতি বা সৌজন্যের মধ্যেও পরে না। এ ছাড়া ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলার মতো ঘটনা আমাদের রাজনীতিতে চলমান সংকটের পাশাপাশি একটি গভীর মনস্তাত্বিক বিরোধের জন্ম দেয়। সংঘাত সংঘর্ষের জায়গাটিকে উস্কে দেয়। এসব প্রশ্নে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতারা কোনো দূরদর্শিতার পরিচয় দেননি। বিরোধ বৈরিতা আমাদের সমাজে এমন একটি পর্যায়ে পৌঁছেছে একেবারে নিচু পর্যায়ে একধরনের গৃহযুদ্ধের যে আলামত তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এখন বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চল, প্রতিটি গ্রাম, প্রতিটি পাড়া, প্রতিটি রাস্তার লেন বিভক্ত। গত দশ বছরে বিএনপির ওপর যে পরিমাণ দমনপীড়ন চালানো হয়েছে বা এর আগে যখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিল তখন আওয়ামী লীগ এবং ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যে পরিমাণ দমনপীড়ন চলেছে এটা এক ধরনের প্রতিশোধাত্মক জায়গা থেকে করা হয়েছে। এই প্রতিহিংসা বিরোধ বৈরিতাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে একজনের বিনাশের ওপর আরেকজনের অস্তিত্ব নির্ভরশীল। সম্প্রতি ক্ষমতাসীন দলের এক নেতা বলেছেন, বাংলার মাটি থেকে যদি বিএনপিকে ধ্বংস করা না যায় তাহলে দেশ গড়া যাবে না। চিন্তা করুন আগামী ডিসেম্বরে নির্বাচন, সেখানে একটি বড় দলকে যারা প্রধান বিরোধীদল তাদের একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর সমর্থন রয়েছে। তাদের সহাবস্থানের কোনো প্রশ্ন নেই, তাকে গণতান্ত্রিক ধারায় আনার কোনো প্রস্তাবনা নেই। অথচ সরাসরি প্রস্তাবনা হচ্ছে এদের উচ্ছেদ করা, ধ্বংস করা। এটা ন্যূনতম কোনো গণতান্ত্রিক চিন্তা চেতনার কথা নয়।
এর মাধ্যমে সংঘাতকেই আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে; বিরোধকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে; একটা মল্লযুদ্ধকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। বিষয়টি এমন যে, শক্তি পরীক্ষায় আছি পারলে আমাকে ঠেকাও। বর্তমান পরিস্থিতিতে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে যদি একটি যৌক্তিক পরিণতির দিকে আমরা না যেতে পারি তাহলে সমাধান আসবে না। যেমন- কীভাবে আমাদের ভোটাধিকার রক্ষা পাবে, কীভাবে অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে, মানুষ কীভাবে তার ভোট নিরাপদে দিতে পারবে, নির্বাচন কীভাবে সকলের অংশগ্রহণমূলক হবে? আমরা এমন একটি দেশে বাস করি যেখানে মানুষ প্রয়োজনে দুবেলা ভাত না খেয়ে থাকতে রাজি আছে কিন্তু ভোটের অধিকার ছাড়তে রাজি নয়। ভোট দিতে না পারার যে যন্ত্রণা, রক্তক্ষরণ, অপমানবোধ এটা এখানকার মানুষ মানতে রাজি নয়। সুতরাং এগুলোর সমাধান না হলে লো ইনটেনসিটি সিভিল ওয়ারের যে লক্ষণ তা দেখা যাচ্ছে। ক্ষমতাকেন্দ্রিক শাসক শ্রেণির দলগুলো যেভাবে পরস্পরের মধ্যে প্রতিহিংসা আর এক দল আরেক দলকে ধ্বংস করার মরিয়া তাতে সংঘাত কমবে না আরো বাড়বে। এরকম পরিস্থিতিতে আমার দীর্ঘমেয়াদি সংকটে বলা যায় জ্ঞানত বা অজ্ঞানত একটি গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছি। এতে দেশে গভীর নৈরাজ্যের জন্ম হবে।
এ ধরনের সংকটময় মুহূর্তগুলো পৃথিবীর বহুদেশে কাজে লাগিয়েছেন বিপ্লবী শক্তি। শাসক শ্রেণি যখন ব্যর্থ হয়, তারা যখন দ্বন্দ্ব-সংঘাতে লিপ্ত থাকে তখন মানুষের কাছে বিকল্প প্রস্তাবনা নিয়ে বৈষম্যহীন মানবিক সমাজের জন্য এরকম পরিস্থিতিকে বিপ্লবী বামপন্থিরা কাজে লাগিয়েছেন। বাংলাদেশে এ পরিস্থিতিকে বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে কাজে লাগাতে না পারলে জঙ্গিবাদী বা চরমপন্থার উত্থান ঘটবে। সমাজের অভ্যন্তরে চিন্তা-মতাদর্শের দিক থেকে এবং দক্ষিণপন্থি মতাদর্শের যে বাড়ন্ত লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি না হলে সমাজের অভ্যন্তরে দক্ষিণপন্থি মতাদর্শের শর্তগুলো আরো শক্তিশালী হবে। এটা দেশের শাসকশ্রেণির কোনো অংশের জন্য যেমন ভালো নয়, তেমনি গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার জন্য হবে আত্মঘাতী। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে আগামী নির্বাচনের আগে বিদ্যমান এই সমস্যাগুলো সুরাহা সম্ভব বলে মনে করি।
সাইফুল হক বলেন, জনগণের বড় অংশ বিশ্বাস করে বর্তমান সরকারকে রেখে কোনো অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তাহলে সমাধান কোথায়? ছিয়ানব্বই সালে আওয়ামী লীগ যে কারণে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন করেছে সে তুলনায় এখন অবিশ্বাস অনাস্থা আরো বহুগুণ বেশি। ফলে তখন যে কারণে দলীয় সরকারের অধীনে আমরা নির্বাচনে অংশ নিইনি, এখন তা না করার যুক্তি অনেক অনেক বেশি। অনাস্থা, বিরোধ, বৈরিতা, সন্দেহ, অবিশ্বাস এখন আগের চেয়েও মারাত্মক পর্যায়ে। সে জায়গা থেকেই বলতে চাই এখানে সরকারকে সুষ্ঠু নির্বাচনে আয়োজনে রাজনৈতিক দলগুলোকে আস্থায় নিয়ে আলাপ আলোচনা করে, নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য তদারকি সরকার কায়েম করা জরুরি। সেই তদারকি সরকারে আওয়ামী লীগও থাকতে পারে পাশাপাশি প্রধান বিরোধীদলসহ সকল রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরাও থাকতে পারে। সকলে একমত হলে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের স্বার্থে সেই সরকারে যারা থাকবেন তারা প্রয়োজনে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে প্রত্যক্ষ নির্বাচনে অংশ নেবেন না।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে অনেকে প্রশ্ন করেন? আমাদের দলীয় অবস্থান হচ্ছে, তদারকি সরকার গঠিত হলে তারা পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবেন। এ ধরনের নিয়ম থাকলে এই তিন মাসে তারা যা খুশি করতে পারবে না। তা ছাড়া বিনা ভোটের নির্বাচনে গঠিত বর্তমান সংসদের কোনো ম্যান্ডেট নেই। ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনের পর কথা ছিল একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের। অথচ তা করা হয়নি। পাঁচ বছর কাটিয়ে দিলো সরকার। যদি সংসদ থাকে তাহলে এই সংসদের যারা আছেন তাদের সঙ্গেতো প্রতিদ্বন্দ্বী দল বা প্রার্থীদের কোনো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হলো না। প্রশ্নহীন নির্বাচন চাইলে সরকারকে সংসদ বাতিলের ঘোষণা দিতে হবে। নির্বাচনে সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিতের জন্য লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির জন্য সরকারিদলকে ঘোষণা দিতে হবে।
বর্তমানে যে পরিস্থিতি তা অব্যাহত থাকলে আপনাদের জোট নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা?
বর্তমান পরিস্থিতি চলতে থাকলে নির্বাচনে অংশ নেয়া অসম্ভব। কারণ, নির্বাচনকালীন যে সরকারের কথা আলোচনায় আছে সে সরকার আর এ সরকারের মধ্যে মৌলিক কোনো পার্থক্য হবে না। আগেই বলেছি, সকল নির্বাহী ক্ষমতা সরকার প্রধানের হাতে। সুতরাং নির্বাচনকালীন যে সরকার গঠিত হবে সংবিধান অনুযায়ী সেই সরকারের প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর হাতেই সকল ক্ষমতা থাকবে। তিনি ক্ষমতা কতটুকু ব্যবহার করবেন সেটি ভিন্ন প্রশ্ন। কিন্তু সকল ক্ষমতা তো ওনার হাতেই। অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব ও মর্যাদা চূড়ান্তভাবে ভূলুণ্ঠিত করেছে। সরকার এবং নির্বাচন কমিশন মিলে যা করেছে এতে পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে মানুষের মধ্যে একটি গণঅনাস্থা সৃষ্টি হয়েছে। আরপিওর অগণতান্ত্রিক ধারাগুলো বাতিল করা, কীভাবে নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক, অবাধ ও নিরপেক্ষ করা যায়, কালো টাকার দৌরাত্ম্য কিভাবে বন্ধ করা যায় এ বিষয়ে সংলাপের সময় দেয়া প্রস্তাবনাগুলোর কোনো একটি বিষয়ও কমিশন আমলে নেয়নি। বরং সরকারি দলকে বাড়তি সুবিধা দিতে তারা ইভিএম চালুর চিন্তা করছে। যদিও মানুষের মনোভাব বুঝতে পেরে তারা কিছুটা পিছু হটেছে। নির্বাচন কমিশন প্রমাণ করেছে তারা মানুষের আস্থা অর্জন করতে পারেনি। যে নির্বাচন কমিশন স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলোর অধিকাংশই গ্রহণযোগ্য করতে পারেনি সেখানে এরকম একটি কমিশন দিয়ে একটি প্রশ্নহীন জাতীয় নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করা যাবে মানুষ এটা বিশ্বাস করে না।
সকল পরিস্থিতি বিবেচনায় বল সরকারের কোর্টে। রাজনৈতিক দলগুলোর অনেক দাবি। কিন্তু সরকারকেও তো সেই জায়গাটি তৈরি করতে হবে। মানুষকে বুঝতে হবে, তার নিজের ভোট সে নিরাপদে দিতে পারবে, তার ভোট কাউন্ট হবে। ভোট দেয়ার পর সে নিরাপদ থাকবে। রাজনৈতিক দল এবং প্রার্থীদের আশ্বস্ত করতে হবে যে, আমরা এবার একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাই, মানুষ যাকে সমর্থন করবে তারাই নির্বাচনে বিজয়ী হবে। সরকারের সদিচ্ছা ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অসম্ভব। শেষমুহূর্তে বামজোট আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা তা নির্ভর করছে সে সময়ের পরিস্থিতি ও রাজনৈতিক সমীকরণের ওপর, রাজনৈতিক দল এবং জোটগুলোর যে অবস্থান সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নির্বাচন বয়কটও করতে পারি আবার আন্দোলনের অংশ হিসাবে নির্বাচনে অংশও নিতে পারি। ফলে আমরা বর্তমানে নির্বাচন প্রস্তুতির পাশাপাশি রাজপথে আন্দোলনে আছি। তবে একটি কথা খোলাসা করে বলতে চাই, অংশগ্রহণমূলক না হলে তামাশার নির্বাচন বৈধতা দেয়ার জন্য বামজোট অংশ নেবে না।
- জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়েছে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে। তারা ইতিমধ্যেই সাত দফা দাবি আদায়ে মাঠে নেমেছেন। আপনারাও একটি জোট গঠন করেছেন? সামনের দিনে আপনারা তাদের সঙ্গে যোগ দেবেন কিনা?
- জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে স্বাগত জানাই। স্বাগত এজন্য যে, অনেক বিলম্বে হলেও তারাও একই কথা বলছেন। বর্তমান পরিস্থিতি অনুধাবন করে তারা অবস্থান গ্রহণ করেছেন। এগিয়ে এসেছেন। এটি যথেষ্ট ইতিবাচক। আমরা দেখতে চাই রাজপথে তারা ধারাবাহিক কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারকে এ দাবিগুলো মানাতে সরব হবেন। কারণ রাজপথের আন্দোলন ছাড়া সরকারকে এই দাবি মানানোর অন্য কোনো বিকল্প নেই।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট যা বলছে আমরা এই কথাগুলো বলছি অনেক আগ থেকেই। তাদের দেয়া দফা ও লক্ষ্যসমূহের অধিকাংশই আমরা বছর খানেক আগ থেকে রাজপথে বলে এসেছি। তাদের ঘোষিত অনেকগুলো দাবি মেনে নিতে সরকারের প্রতি চাপ দিতে আমরা ধারাবাহিকভাবে আন্দোলন করে যাচ্ছি। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, একটি অবাধ নির্বাচনের জন্য তারা যে দাবি উত্থাপন করেছেন তার জন্য মাঠে জোরালো আন্দোলন গড়ে ওঠলে মানুষের মধ্যে আশার সঞ্চার হবে, আস্থার জায়গা তৈরি হবে। মানুষের মধ্যে জাগরণ তৈরি করা, সে জাগরণ গণঅভ্যুত্থান হবে কিনা তা এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে, একটি গণজাগরণ তৈরি করা সম্ভব। মানুষের গণজাগরণের মধ্য দিয়ে সরকারকে যদি পিছু হটানো না যায় তাহলে ভিন্ন কৌশলে হলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাংলাদেশের মানুষকে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচন প্রত্যক্ষ করতে হবে। বাস্তবতা হচ্ছে, ৫ই জানুয়ারির মতো আরেকটি নির্বাচন হজম করার মতো শক্তি বাংলাদেশের মানুষের নেই। এই পরিস্থিতিতে সমাজের মধ্যে বিভাজন আরো প্রকট হবে, সহিংসতার জন্ম দেবে, আরো নানা ধরনের অপ্রত্যাশিত অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্ম দেবে। আবার যদি তারা ২০১৪ সালের মতো একই কায়দায় ক্ষমতায় আসতে চায় তাহলে সে সরকারের তো কোনো ম্যান্ডেট থাকবে না। সুতরাং পরবর্তী পাঁচ বছর তারা একইভাবে চালিয়ে যেতে পারবেন সেটা প্রায় দুরাশার শামিল। সেসময় পুরো রাষ্ট্রের জন্যই একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তৈরি হবে। যা সুস্থ বিবেকসম্পন্ন কোনো মানুষ চাইবে না।
-সমাধানটা কোথায়?
শেষ পর্যন্ত যারা আমরা সমমনা বা একই রকম দাবি নিয়ে মাঠে আছি তারা আন্দোলনের মাধ্যমে; আলাপ আলোচনার মাধ্যমে বিষয়গুলোর যদি একটি যৌক্তিক পরিণতির দিকে নিয়ে যেতে না পারি- বিশেষ করে কীভাবে মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা পাবে ও নির্বাচন কীভাবে সুষ্ঠু ও অবাধ হবে; মানুষ কীভাবে তার ভোট নিরাপদে দিতে পারবে; নির্বাচন কীভাবে সকলের অংশগ্রহণমূলক হবে? আমাদের বৃহৎ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষগুলো তারা যেভাবে পরস্পর পরস্পরকে ধ্বংসের চিন্তা করছেন এবং কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তাতে সংঘাত বাড়বে। এ রকম একটি পরিস্থিতিতে সংকট যেভাবে ঘনীভূত হচ্ছে তাতে জ্ঞাত বা অজ্ঞাত দেশকে একটি গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। এতে দেশের গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হবে এবং নৈরাজ্যে পরিস্থিতি জন্ম দেবে। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে জঙ্গিবাদী বা মৌলবাদী গোষ্ঠীর জন্ম হবে এবং ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত বাড়তে থাকবে। অন্যদিকে সমাজের ভেতর থেকেই দক্ষিণপন্থার একটি উত্থানের সম্ভাবনা বাড়বে। এটা শাসক গোষ্ঠীর জন্য যেমন ভালো নয় তেমনি দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার জন্য আত্মঘাতী হবে।
সকল পরিস্থিতি বিবেচনায় মনে হয়, সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা দেখানোর সুযোগ এখনও আছে। দেশের মানুষ বিশ্বাস করে না বর্তমান সরকারকে রেখে অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব। তাহলে সমাধানটা কোথায়? ’৯৬ সালে যে প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আন্দোলন করেছে এখন সে প্রেক্ষিত অনেক অনেক গুণ বেশি। এখনকার অনাস্থা-অবিশ্বাস আগের চেয়ে আরো অনেকগুণ বেশি। তখন যে কারণে দলীয় সরকারের অধীনে আমরা নির্বাচন করিনি বর্তমানেও তার যুক্তি অনেক অনেকগুণ বেশি। অনাস্থা বিরোধ সন্দেহ-অবিশ্বাস এখন আগের চেয়েও মারাত্মক পর্যায়ে।
এ পরিস্থিতিতে সরকারকে বলতে চাই, সদিচ্ছা দেখাতে। আমরা ইতিমধ্যেই প্রস্তাব করেছি নির্বাচনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দলগুলোকে নিয়ে নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন পরিচালনা একটি তদারকি সরকার গঠন করা। সেই সরকারে আওয়ামী লীগসহ সকল গুরুত্বপূর্ণ দলগুলোর প্রতিনিধি থাকতে পারে। যারা সরকারে অংশ নেবে তারা হতে পারে নির্বাচনে অংশ নেবে না। আমাদের প্রস্তাব হচ্ছে এই তদারকি সরকার খেয়াল খুশিমতো যা খুশি না করতে পারেন সেজন্য পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের কাছে তাদের জবাবদিহি করতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
October
(200)
-
▼
Oct 29
(12)
- যৌনকর্মী বলে আক্রমণ!
- সংকট সহিংস রক্তপাতে রূপ নিতে পারে: শ্রীলঙ্কার স্পি...
- ডলার সংকটের নেপথ্যে-
- ফিলিস্তিনি যুবকের ছবি যেন দেলাক্রোয়ার পেইন্টিং
- তামাশার নির্বাচনে বামজোট অংশ নেবে না by কাজল ঘোষ
- নতুন আইনে মাদকের জন্য কী সাজা
- নারায়ণগঞ্জে কলেজছাত্রীদের গায়ে কালি মেখে দিলো শ্রম...
- সাংবিধানিক সংকটে শ্রীলঙ্কা: বিক্রমাসিংহেকে সমর্থন ...
- ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্যরা যাচ্ছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে...
- মন্ত্রীর সংগঠনের ধর্মঘটে জিম্মি দেশ
- ধর্মঘটের নেপথ্যে কারা by শাহেদ শফিক
- অন্তর্জালে উন্মুক্ত হলো জলির ‘ফোন এক্স’
-
▼
Oct 29
(12)
-
▼
October
(200)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment