Saturday, May 19, 2012
কালের আয়নায়-সরকার হার্ডলাইনে গিয়ে লাভবান হবে কি? by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
কালের আয়নায়-সরকার হার্ডলাইনে গিয়ে লাভবান হবে কি? by আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
বিরোধী দলের বিরুদ্ধে হার্ডলাইনে গিয়ে সরকার নিজেদের জনবিচ্ছিন্নতা বাড়ানো ছাড়া আর কোনো লাভেরই অধিকারী হবে না। সবচেয়ে বড় কথা, কোনো গণতান্ত্রিক সরকার যখন রাজনৈতিক শক্তি দ্বারা বিরোধী পক্ষকে মোকাবেলা করার বদলে ক্ষমতার লাঠি দ্বারা তাদের দমন করতে চায়, তখনই বুঝতে হবে তারা দুর্বল হয়ে পড়েছেন।
তারা এখন একটি উইক গভর্নমেন্ট, মোটেই স্ট্রং গভর্নমেন্ট নয়। অতীতে বিএনপি সরকার এ ধরনের হার্ডলাইন ও দমননীতি দ্বারা ক্ষমতায়
থাকতে পারেনি
বাংলাদেশের রাজনীতি আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকার ও বিরোধী দল আবার রাজপথে মুখোমুখি। হরতালের প্রতি জনসমর্থন নেই, তবু সেই হরতালকে হাতিয়ার করে বিএনপি জোট আবার মাঠে নেমেছে। সরকারও হার্ডলাইনে গেছে। বিএনপি জোটের বিশালসংখ্যক নেতা রাজপথে অরাজকতা সৃষ্টি, ভাংচুরের দায়ে পুলিশি মামলায় জেলে বন্দি। তাতে বিরোধী দলের মিটিং, মিছিল, হরতাল করার জোর কমেছে। কিন্তু জনজীবনে দুর্ভোগ কিছুমাত্র কমেনি, বরং বেড়েছে। ১৭ মে বৃহস্পতিবারের হরতালেও তা প্রমাণ হয়েছে। দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক তেমন সফল হয়নি; কিন্তু ভাংচুর, গাড়িতে অগি্নসংযোগ হয়েছে সমানভাবেই।
বিরোধী দল আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দিচ্ছে। অন্যদিকে সরকারও যে হার্ডলাইনে গেছে, ব্যাপক ধরপাকড় থেকে তা বোঝা যাচ্ছে। রাজায় রাজায় যুদ্ধ হচ্ছে, প্রাণ যাচ্ছে উলুখড়ের। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, ভারতের অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি এবং জাপানের উপ-প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ঢাকা সফর তাদের নিজ নিজ দেশের স্বার্থপ্রণোদিত হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের প্রধান দু'দলকে তারা সংলাপে বসার পরামর্শ দিয়ে যাওয়ায় এবং দু'দলই সংলাপে আগ্রহ প্রকাশ করায় ঢাকায় মিডিয়াগুলো আশা প্রকাশ করছিল যে, দেশের রাজনীতিতে সংলাপ ও সমঝোতার হাওয়া বইছে। এ আশা যে কত ঠুনকো তা দু'দিন না যেতেই দেখা যাচ্ছে।
বিরোধী দল বিএনপি এবং তার জোটভুক্ত দলগুলো, বিশেষ করে জামায়াত সরকারের সঙ্গে ফলপ্রসূ কোনো সংলাপে আগ্রহী তা দেশের কাউকে সম্ভবত বিশ্বাস করানো যাবে না। তাদের এজেন্ডা আলাদা। এই এজেন্ডা হলো, দেশময় অরাজকতা সৃষ্টি দ্বারা '৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করা। জামায়াত লোক দেখানোভাবে এবং বহির্বিশ্বকে বোকা বানানোর জন্য সংলাপে বসার কথা বলছে বটে, কিন্তু তাদের আসল উদ্দেশ্য বিএনপিকে আওয়ামী লীগ ও সরকারের সঙ্গে বিপজ্জনক সংঘাতে জড়িয়ে রেখে দেশময় সন্ত্রাস সৃষ্টি এবং '৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নস্যাৎ করে দেওয়া। বিএনপি ও তার জোটভুক্ত অন্য দলগুলো জামায়াতের দ্বারা তাদের চক্রান্তে ব্যবহৃত হচ্ছে।
সরকারের এ কথা জানা থাকায় তাদের উচিত ছিল, দেশের অপশক্তির চক্রান্ত থেকে দেশকে মুক্ত করার চেষ্টার অংশ হিসেবে সংলাপে বসার ব্যবস্থা সম্পন্ন করা এবং তার পরিবেশ সৃষ্টির জন্য তিন দেশের নেতার ঢাকা সফরের পর হার্ডলাইন থেকে আপাতত সরে আসা। ইলিয়াস আলী অপহরণ ইস্যুতে কিছুদিন আগের হরতালগুলোতে দাঙ্গা-হাঙ্গামার জন্য অভিযুক্ত বিএনপি নেতাদের পুলিশি মামলায় একেবারে জেলে না পাঠিয়ে জামিনে মুক্ত থাকায় এবং সংলাপে বসার সুযোগ দেওয়া।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনার জন্য সরকার বলছে, বিরোধী দল পার্লামেন্টে আসুক। বিরোধী দল বলছে, সংসদে সরকারের বিরাট সংখ্যাগরিষ্ঠতা। সেখানে গিয়ে আলোচনায় বসে লাভ নেই। সংসদের বাইরে সংলাপ অনুষ্ঠিত হোক। আমার ধারণা, দেশকে সংঘাত থেকে বাঁচানোর বৃহত্তর স্বার্থে সরকার এ দাবি মেনে নিলে সুবিবেচনার পরিচয় দিত। সংসদের বাইরের আলোচনায় একটা ঐকমত্য তৈরি হলে মীমাংসায় প্রস্তাবগুলো যুক্তভাবে সংসদে উত্থাপন করা যেত।
এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের কোনো কোনো নেতার সঙ্গে আলাপ করে জেনেছি, দু'দলের সংলাপ দ্বারা বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে সমঝোতা হোক বিএনপি তা চায় এটা তারা বিশ্বাস করেন না। তারা মনে করেন, বিএনপি দাতা দেশগুলোর নেতাদের এবং দেশের মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য সংলাপে বসার বাহ্যিক আগ্রহ দেখাচ্ছে। কিন্তু '৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, তারেক রহমান ও অন্যান্য বিরোধীদলীয় নেতার বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতি, সন্ত্রাসের মামলা এবং অন্যান্য কিছু জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তারা সরকারকে ছাড় দিয়ে সংলাপ সফল করবে আওয়ামী লীগ হাইকমান্ড তা বিশ্বাস করছে না।
তাদের বিশ্বাস, কোনো না কোনো ছুতো তুলে তারা সংলাপ ব্যর্থ করবে এবং আওয়ামী লীগের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দেশময় অরাজকতা সৃষ্টি করে অগণতান্ত্রিকভাবে সরকারের পতন ঘটানোর জন্য ইস্যুর পর ইস্যু তৈরি করবে। যেমন ব্রিটিশ আমলে অবিভক্ত ভারতের রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের জন্য কংগ্রেম-লীগ তথা গান্ধী-জিন্নাহ বারবার বৈঠক হয়েছে। কিন্তু কোনোটাই সফল হয়নি। কংগ্রেস দোষ চাপিয়েছে মুসলিম লীগের ওপর। মুসলিম লীগ সেই দোষ কংগ্রেসের ওপর চাপিয়েছে। শেষ পর্যন্ত তৃতীয় পক্ষ র্যাডক্লিফের ছুরিতে ভারত ভাগ করে লর্ড মাউন্ট ব্যাটেনের মাধ্যমে দুই দলের ও দুই নেতার ওপর যে মীমাংসা চাপিয়ে দেয়, তারা তা মেনে নিতে বাধ্য হন।
এ কথা সত্য, আমরা তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়া নিজেরা নিজেদের কোনো সমস্যারই সমাধান করতে পারি না। তাতে অনেক সময় আমাদের জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হয়। বিদেশিরা এসে আমাদের ওপর মাতব্বরি করে। উপদেশ দেয়। এ কথা আমাদের জাতীয় নেতারা হয়তো উপলব্ধি করেন না। দ্বিপক্ষীয় সংলাপে না বসার ব্যাপারে আওয়ামী লীগের নেতাদের যুক্তি সঠিক নয়, তা আমি মনে করি না। তথাপি আমার কথা, এখনই হার্ডলাইনে না গিয়ে সরকার বিএনপির শর্ত মেনে সংলাপে বসার আয়োজন করলে ভালো করত। গান্ধী-জিন্নাহ বৈঠকের মতো হাসিনা-খালেদা বৈঠকও সম্ভবত ব্যর্থ হতো। কিন্তু দেশের মানুষ জানতে পারত এই সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার জন্য কাদের জেদ এবং অবাস্তব দাবি দায়ী। তারা কী উদ্দেশ্যে দেশে অরাজকতা জিইয়ে রাখতে চায়।
সরকার বলছে, বিরোধী দল অশুভ উদ্দেশ্যে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়। বিরোধী দল বলছে, সরকারি দলের জোর-জুলুম, ইলিয়াস আলীর মতো তাদের নেতাদের গুম, খুন ইত্যাদি করার জন্যই দেশের মানুষ হরতাল চায় না জেনেও তারা হরতালে নামতে বাধ্য হচ্ছেন। তাতে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি হচ্ছে। বিএনপির সকল নেতা না চাইলেও জামায়াত যে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায় এ কথা সত্য। কিন্তু বিএনপির কাঁধে চেপে দেশময় অরাজকতা সৃষ্টিতে জামায়াতগোষ্ঠীর এই সুযোগ লাভের পেছনে আওয়ামী লীগ সরকারের দেশ শাসনে ব্যর্থতাও কি দায়ী নয়?
বিএনপির প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতা ইলিয়াস আলী (তিনি নিজে যাই হোন) রাজধানী ঢাকা থেকে অপহৃত হওয়ার পর মাসাধিককাল ধরে নিখোজ; পুলিশ, র্যাব, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কেউ কোনো খোঁজ করতে পারছে না; এটা কি কাজের কথা? সাগর-রুনি সাংবাদিক দম্পতির হত্যাকাণ্ড আজ পর্যন্ত রহস্যের জালে ঢাকা। এটা কি কোনো সরকারের জন্য গৌরবের কথা? তার ওপর আবার প্রধানমন্ত্রী নিজে বলেন, 'কারও বেডরুমে গিয়ে পাহারা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব নয়।' এই উক্তি শুনে দেশের মানুষ হতবাক হয়েছে। বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি তার সুযোগ নেবে না?
কোনো কোনো আওয়ামী মন্ত্রী যুক্তি দেখান, বিএনপি-জামায়াতের শাসনামলে আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতাসহ অসংখ্য সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত তদন্ত পর্যন্ত বিএনপি সরকার করেনি। দোষীদের শাস্তি দেওয়া দূরের কথা আওয়ামী নেতাদের এই যুক্তি কি ধোপে টেকে? বিএনপি সরকার দেশ শাসনে অযোগ্য, অক্ষম এবং ব্যর্থ প্রমাণিত হওয়াতেই ২০০৮ সালের নির্বাচনে জনগণ এত বিরাট নির্বাচন-সাফল্য উপহার দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। তারা এই সরকার বিএনপির মতো ব্যর্থ হবে, দেশকে অপশাসন উপহার দেবে এটা দেখতে চায় না। এখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় বসে যদি সাবেক বিএনপি সরকারের মতো দেশ শাসনে অযোগ্যতা ও ব্যর্থতাকেই অনুসরণ করে, তাহলে কোন মুখে তারা অতীতের সরকারের নিন্দা করবেন? কতদিন আর পুরনো গাজির গীত গেয়ে দেশবাসীর মন ভোলানো যাবে?
সাবেক রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এক এপিএসের গাড়িতে কয়েক লাখ টাকা পেতেই এবং সুরঞ্জিত বাবু তার সঙ্গে জড়িত তা প্রমাণ হওয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী ধমক দিয়ে বলেছেন, মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। মন্ত্রী আজ্ঞা পালন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী এটা যদি করতে পারেন, তাহলে এই কথিত দুর্নীতির চেয়েও গুরুতর বিরোধী দলের এক নেতার গুম হওয়া, সাংবাদিক দম্পতির নৃশংস হত্যা, দেশময় অপহরণ, হত্যার সংখ্যা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে চলা সত্ত্বেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত কথাটা কেন বলতে পারছেন না? অথবা তাকে আবুল হোসেনের মতো অন্য মন্ত্রকে সরিয়ে দিয়ে এই পদে একজন যোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে পারছেন না? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন একজন অত্যন্ত ভালো মানুষ। আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত নেত্রী। অন্য কোনো মন্ত্রকের দায়িত্ব পেলে তিনি হয়তো দক্ষতা ও যোগ্যতার পরিচয় দেবেন। কিন্তু একজন টাফ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার ব্যাপারে তার মধ্যে যে দক্ষতা ও ব্যক্তিত্বের অভাব রয়েছে, প্রধানমন্ত্রী কি গত তিন বছরেও তা বুঝতে পারেননি?
সরকার যদি অনেক ভালো কাজের মধ্যে দুটি মন্দ কাজও করে, জনজীবনের প্রাত্যহিক দুর্ভোগ কমাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সমুদ্র জয় করেও জনগণের মন জয় করা যাবে না। সরকারের ছোট-বড় সকল ব্যর্থতারই সুযোগ নেবে বিরোধী দল। ইলিয়াস আলীর গুম হওয়া, সাগর-রুনির শয়নকক্ষে বসে নির্মম খুনের শিকার হওয়া ইত্যাদি ঘটনার ব্যাপারে সরকার যদি সামান্য সাফল্যেরও প্রমাণ দিতে পারত, তাহলে বিএনপি এগুলোকে ইস্যু করার এবং এ ইস্যু নিয়ে হরতালে নামার সুযোগ পেত না। দেশের মানুষ হরতাল পছন্দ করে না। কিন্তু বিএনপির ডাকা সাম্প্রতিক হরতালগুলো পছন্দ না করলেও তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়নি। দাতা দেশগুলোর সরকারি নেতারা, দেশের ব্যবসায়ীরা হরতালের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, দুই নেত্রীর মধ্যে সংলাপ-সমঝোতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। কিন্তু এ ব্যাপারে 'পায়াস উইশ' ব্যক্ত করা ছাড়া আর কিছু করেননি। হিলারি ও প্রণব দু'জনেই ঢাকা এসেছিলেন বাংলাদেশের ওপর চাপ দিয়ে তাদের কিছু স্বার্থ আদায়ের জন্য। এ দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা তাদের স্বার্থ পূরণের সহায়ক। এ কথা তারা জানেন। এই রাজনৈতিক অস্থিরতা দূর করার ব্যাপারে তাই তারা কোনো সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেন না।
যদি তারা তা করেন, তাহলে তাকে আমাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ বলে কেউ কেউ অভিযোগ করতে পারতেন। কিন্তু এই হস্তক্ষেপ শুভ ফলপ্রসূ হতো। ১৯৪৭ সালে কংগ্রেস-মুসলিম লীগের বিরোধ মেটানোর ব্যাপারেও ব্রিটিশ সালিশি ও হস্তক্ষেপ কি মেনে নেওয়া হয়নি? বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় এমন কোনো পর্যায় নেই, যেখানে বিদেশি হস্তক্ষেপ ও ডমিনেন্স দেখা যাবে না। তাতে আমাদের আপত্তি নেই। যত আপত্তি, দেশের বিপজ্জনক রাজনৈতিক অস্থিরতা দূর করার ব্যাপারে আন্তরিকভাবে ইচ্ছুক কোনো মিত্র বিদেশি রাষ্ট্র মধ্যস্থতা করতে এলে।
১৯৬৫ সালে যখন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ হয়, তখন যুদ্ধ থামানোর জন্য হস্তক্ষেপ করেছিল সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন। দু'দেশের নেতাদের তাসখন্দে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে বৈঠকের ব্যবস্থা করা হয়েছিল এবং তাসখন্দ শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তি উপমহাদেশে শান্তি ফিরিয়ে এনেছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নের এই উদ্যোগকে তখন কেউ উপমহাদেশে সোভিয়েত ইউনিয়নের হস্তক্ষেপ আখ্যা দেয়নি। এমনকি পাকিস্তানের মুরবি্ব দেশ এবং বিভিন্ন সামরিক চুক্তির পার্টনার আমেরিকাও মস্কোর এই উদ্যোগে বাধা দেয়নি, বরং স্বাগত জানিয়েছে।
বাংলাদেশে এখন শক্তিশালী এলিট ক্লাস আছে। তাদের একটি সুশীল সমাজ আছে, পশ্চিমা দাতা দেশগুলোর সঙ্গে যাদের সম্পর্ক প্রকাশ্য পিরিতির। তাদের শক্তিশালী ইংরেজি, বাংলা মিডিয়া আছে। তারা কেন নিরপেক্ষতার ভান করে আওয়ামী লীগ-বিরোধিতায় তাদের সকল ভূমিকা সীমাবদ্ধ করে না রেখে প্রকৃত নিরপেক্ষ ভূমিকা গ্রহণ এবং জনমত সংগঠিত করে দুই দলের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি দ্বারা তাদের সংলাপে ও সমঝোতায় বসতে বাধ্য করেন না তা আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধির অগম্য।
আমাদের নোবেল লরিয়েট ড. ইউনূস, ব্রিটিশ নাইট খেতাবধারী আবেদ সাহেবের আর্থ-সামাজিক স্ট্যান্ডিংও দেশে বিরাট। তারা কেন তাদের এই প্রভাব ও প্রতিপত্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে দুই নেত্রীকে সংলাপে বসতে চাপ না দিয়ে বিদেশিদের কাছে গিয়ে আত্মসম্মান বিকিয়ে ধর্ণা দেন? বিএনপি যাতে আর হরতাল, ধর্মঘট দ্বারা দেশময় অরাজকতা সৃষ্টিতে না এগোয় এবং আওয়ামী লীগ সরকারও তাদের জনসমর্থন ও রাজনৈতিক শক্তির অনুপস্থিতিতে প্রশাসনের দমননীতির সাহায্যে বিরোধী দলকে মোকাবেলার জন্য হার্ডলাইনে না যায়, সে জন্য অন্যান্য গণতান্ত্রিক দল, বিভিন্ন পেশার নেতৃস্থানীয় মানুষ, মিডিয়া, পেশাজীবী সমিতি, প্রভাবশালী সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দুটি প্রধান দলের ওপরই এমন চাপ সৃষ্টি করুন, যাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ সকল অমীমাংসিত সমস্যা মীমাংসার জন্য দুই নেত্রী, দুই দল অবিলম্বে সংলাপে বসতে বাধ্য হয়। শুধু সংলাপে নয়, একটি সমঝোতায় পেঁৗছতে বাধ্য হয়। এই সংলাপকে একটি সর্বদলীয় রূপ দেওয়ার জন্য একটি শক্তিশালী নাগরিক কমিটি দ্বারা অনতিবিলম্বে দেশে একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করলে কেমন হয়?
বিএনপিকে বুঝতে হবে, বর্তমান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে আন্দোলনের আরও কঠোর কর্মসূচি দিয়ে কোনো লাভ হবে না। এসব কর্মসূচি দ্বারা জনগণের জীবনে দুর্ভোগ বাড়ানো যাবে, সরকারের পতন ঘটানো যাবে না। তাদের আন্দোলনের পেছনে জনসমর্থনও আদৌ শক্তিশালী নয়। সাধারণ মানুষ বর্তমান সরকারের ওপর ক্ষুব্ধ ও বিরক্ত। কিন্তু বিএনপির সদ্য অতীতের দুঃশাসনের তিক্ত অভিজ্ঞতা এখনও তারা ভোলেনি। সরকার হটাও আন্দোলনে তাদের সায় নেই।
অন্যদিকে বিরোধী দলের বিরুদ্ধে হার্ডলাইনে গিয়ে সরকার নিজেদের জনবিচ্ছিন্নতা বাড়ানো ছাড়া আর কোনো লাভেরই অধিকারী হবে না। সবচেয়ে বড় কথা, কোনো গণতান্ত্রিক সরকার যখন রাজনৈতিক শক্তি দ্বারা বিরোধী পক্ষকে মোকাবেলা করার বদলে ক্ষমতার লাঠি দ্বারা তাদের দমন করতে চায়, তখনই বুঝতে হবে তারা দুর্বল হয়ে পড়েছেন। তারা এখন একটি উইক গভর্নমেন্ট, মোটেই স্ট্রং গভর্নমেন্ট নয়। অতীতে বিএনপি সরকার এ ধরনের হার্ডলাইন ও দমননীতি দ্বারা ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। বরং তাদের পতন ত্বরান্বিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার যেন তাদের নীতি অনুসরণ করে একই পরিণতির দিকে দ্রুত ধাবমান না হয়।
লন্ডন, শুক্রবার ১৮ মে, ২০১২
থাকতে পারেনি
বাংলাদেশের রাজনীতি আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকার ও বিরোধী দল আবার রাজপথে মুখোমুখি। হরতালের প্রতি জনসমর্থন নেই, তবু সেই হরতালকে হাতিয়ার করে বিএনপি জোট আবার মাঠে নেমেছে। সরকারও হার্ডলাইনে গেছে। বিএনপি জোটের বিশালসংখ্যক নেতা রাজপথে অরাজকতা সৃষ্টি, ভাংচুরের দায়ে পুলিশি মামলায় জেলে বন্দি। তাতে বিরোধী দলের মিটিং, মিছিল, হরতাল করার জোর কমেছে। কিন্তু জনজীবনে দুর্ভোগ কিছুমাত্র কমেনি, বরং বেড়েছে। ১৭ মে বৃহস্পতিবারের হরতালেও তা প্রমাণ হয়েছে। দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক তেমন সফল হয়নি; কিন্তু ভাংচুর, গাড়িতে অগি্নসংযোগ হয়েছে সমানভাবেই।
বিরোধী দল আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দিচ্ছে। অন্যদিকে সরকারও যে হার্ডলাইনে গেছে, ব্যাপক ধরপাকড় থেকে তা বোঝা যাচ্ছে। রাজায় রাজায় যুদ্ধ হচ্ছে, প্রাণ যাচ্ছে উলুখড়ের। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, ভারতের অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি এবং জাপানের উপ-প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ঢাকা সফর তাদের নিজ নিজ দেশের স্বার্থপ্রণোদিত হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের প্রধান দু'দলকে তারা সংলাপে বসার পরামর্শ দিয়ে যাওয়ায় এবং দু'দলই সংলাপে আগ্রহ প্রকাশ করায় ঢাকায় মিডিয়াগুলো আশা প্রকাশ করছিল যে, দেশের রাজনীতিতে সংলাপ ও সমঝোতার হাওয়া বইছে। এ আশা যে কত ঠুনকো তা দু'দিন না যেতেই দেখা যাচ্ছে।
বিরোধী দল বিএনপি এবং তার জোটভুক্ত দলগুলো, বিশেষ করে জামায়াত সরকারের সঙ্গে ফলপ্রসূ কোনো সংলাপে আগ্রহী তা দেশের কাউকে সম্ভবত বিশ্বাস করানো যাবে না। তাদের এজেন্ডা আলাদা। এই এজেন্ডা হলো, দেশময় অরাজকতা সৃষ্টি দ্বারা '৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করা। জামায়াত লোক দেখানোভাবে এবং বহির্বিশ্বকে বোকা বানানোর জন্য সংলাপে বসার কথা বলছে বটে, কিন্তু তাদের আসল উদ্দেশ্য বিএনপিকে আওয়ামী লীগ ও সরকারের সঙ্গে বিপজ্জনক সংঘাতে জড়িয়ে রেখে দেশময় সন্ত্রাস সৃষ্টি এবং '৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নস্যাৎ করে দেওয়া। বিএনপি ও তার জোটভুক্ত অন্য দলগুলো জামায়াতের দ্বারা তাদের চক্রান্তে ব্যবহৃত হচ্ছে।
সরকারের এ কথা জানা থাকায় তাদের উচিত ছিল, দেশের অপশক্তির চক্রান্ত থেকে দেশকে মুক্ত করার চেষ্টার অংশ হিসেবে সংলাপে বসার ব্যবস্থা সম্পন্ন করা এবং তার পরিবেশ সৃষ্টির জন্য তিন দেশের নেতার ঢাকা সফরের পর হার্ডলাইন থেকে আপাতত সরে আসা। ইলিয়াস আলী অপহরণ ইস্যুতে কিছুদিন আগের হরতালগুলোতে দাঙ্গা-হাঙ্গামার জন্য অভিযুক্ত বিএনপি নেতাদের পুলিশি মামলায় একেবারে জেলে না পাঠিয়ে জামিনে মুক্ত থাকায় এবং সংলাপে বসার সুযোগ দেওয়া।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনার জন্য সরকার বলছে, বিরোধী দল পার্লামেন্টে আসুক। বিরোধী দল বলছে, সংসদে সরকারের বিরাট সংখ্যাগরিষ্ঠতা। সেখানে গিয়ে আলোচনায় বসে লাভ নেই। সংসদের বাইরে সংলাপ অনুষ্ঠিত হোক। আমার ধারণা, দেশকে সংঘাত থেকে বাঁচানোর বৃহত্তর স্বার্থে সরকার এ দাবি মেনে নিলে সুবিবেচনার পরিচয় দিত। সংসদের বাইরের আলোচনায় একটা ঐকমত্য তৈরি হলে মীমাংসায় প্রস্তাবগুলো যুক্তভাবে সংসদে উত্থাপন করা যেত।
এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের কোনো কোনো নেতার সঙ্গে আলাপ করে জেনেছি, দু'দলের সংলাপ দ্বারা বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে সমঝোতা হোক বিএনপি তা চায় এটা তারা বিশ্বাস করেন না। তারা মনে করেন, বিএনপি দাতা দেশগুলোর নেতাদের এবং দেশের মানুষকে ধোঁকা দেওয়ার জন্য সংলাপে বসার বাহ্যিক আগ্রহ দেখাচ্ছে। কিন্তু '৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, তারেক রহমান ও অন্যান্য বিরোধীদলীয় নেতার বিরুদ্ধে আনীত দুর্নীতি, সন্ত্রাসের মামলা এবং অন্যান্য কিছু জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তারা সরকারকে ছাড় দিয়ে সংলাপ সফল করবে আওয়ামী লীগ হাইকমান্ড তা বিশ্বাস করছে না।
তাদের বিশ্বাস, কোনো না কোনো ছুতো তুলে তারা সংলাপ ব্যর্থ করবে এবং আওয়ামী লীগের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দেশময় অরাজকতা সৃষ্টি করে অগণতান্ত্রিকভাবে সরকারের পতন ঘটানোর জন্য ইস্যুর পর ইস্যু তৈরি করবে। যেমন ব্রিটিশ আমলে অবিভক্ত ভারতের রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের জন্য কংগ্রেম-লীগ তথা গান্ধী-জিন্নাহ বারবার বৈঠক হয়েছে। কিন্তু কোনোটাই সফল হয়নি। কংগ্রেস দোষ চাপিয়েছে মুসলিম লীগের ওপর। মুসলিম লীগ সেই দোষ কংগ্রেসের ওপর চাপিয়েছে। শেষ পর্যন্ত তৃতীয় পক্ষ র্যাডক্লিফের ছুরিতে ভারত ভাগ করে লর্ড মাউন্ট ব্যাটেনের মাধ্যমে দুই দলের ও দুই নেতার ওপর যে মীমাংসা চাপিয়ে দেয়, তারা তা মেনে নিতে বাধ্য হন।
এ কথা সত্য, আমরা তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়া নিজেরা নিজেদের কোনো সমস্যারই সমাধান করতে পারি না। তাতে অনেক সময় আমাদের জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হয়। বিদেশিরা এসে আমাদের ওপর মাতব্বরি করে। উপদেশ দেয়। এ কথা আমাদের জাতীয় নেতারা হয়তো উপলব্ধি করেন না। দ্বিপক্ষীয় সংলাপে না বসার ব্যাপারে আওয়ামী লীগের নেতাদের যুক্তি সঠিক নয়, তা আমি মনে করি না। তথাপি আমার কথা, এখনই হার্ডলাইনে না গিয়ে সরকার বিএনপির শর্ত মেনে সংলাপে বসার আয়োজন করলে ভালো করত। গান্ধী-জিন্নাহ বৈঠকের মতো হাসিনা-খালেদা বৈঠকও সম্ভবত ব্যর্থ হতো। কিন্তু দেশের মানুষ জানতে পারত এই সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার জন্য কাদের জেদ এবং অবাস্তব দাবি দায়ী। তারা কী উদ্দেশ্যে দেশে অরাজকতা জিইয়ে রাখতে চায়।
সরকার বলছে, বিরোধী দল অশুভ উদ্দেশ্যে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায়। বিরোধী দল বলছে, সরকারি দলের জোর-জুলুম, ইলিয়াস আলীর মতো তাদের নেতাদের গুম, খুন ইত্যাদি করার জন্যই দেশের মানুষ হরতাল চায় না জেনেও তারা হরতালে নামতে বাধ্য হচ্ছেন। তাতে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি হচ্ছে। বিএনপির সকল নেতা না চাইলেও জামায়াত যে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে চায় এ কথা সত্য। কিন্তু বিএনপির কাঁধে চেপে দেশময় অরাজকতা সৃষ্টিতে জামায়াতগোষ্ঠীর এই সুযোগ লাভের পেছনে আওয়ামী লীগ সরকারের দেশ শাসনে ব্যর্থতাও কি দায়ী নয়?
বিএনপির প্রভাবশালী কেন্দ্রীয় নেতা ইলিয়াস আলী (তিনি নিজে যাই হোন) রাজধানী ঢাকা থেকে অপহৃত হওয়ার পর মাসাধিককাল ধরে নিখোজ; পুলিশ, র্যাব, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো কেউ কোনো খোঁজ করতে পারছে না; এটা কি কাজের কথা? সাগর-রুনি সাংবাদিক দম্পতির হত্যাকাণ্ড আজ পর্যন্ত রহস্যের জালে ঢাকা। এটা কি কোনো সরকারের জন্য গৌরবের কথা? তার ওপর আবার প্রধানমন্ত্রী নিজে বলেন, 'কারও বেডরুমে গিয়ে পাহারা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব নয়।' এই উক্তি শুনে দেশের মানুষ হতবাক হয়েছে। বিরোধী দল হিসেবে বিএনপি তার সুযোগ নেবে না?
কোনো কোনো আওয়ামী মন্ত্রী যুক্তি দেখান, বিএনপি-জামায়াতের শাসনামলে আওয়ামী লীগের বড় বড় নেতাসহ অসংখ্য সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত তদন্ত পর্যন্ত বিএনপি সরকার করেনি। দোষীদের শাস্তি দেওয়া দূরের কথা আওয়ামী নেতাদের এই যুক্তি কি ধোপে টেকে? বিএনপি সরকার দেশ শাসনে অযোগ্য, অক্ষম এবং ব্যর্থ প্রমাণিত হওয়াতেই ২০০৮ সালের নির্বাচনে জনগণ এত বিরাট নির্বাচন-সাফল্য উপহার দিয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় বসিয়েছে। তারা এই সরকার বিএনপির মতো ব্যর্থ হবে, দেশকে অপশাসন উপহার দেবে এটা দেখতে চায় না। এখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় বসে যদি সাবেক বিএনপি সরকারের মতো দেশ শাসনে অযোগ্যতা ও ব্যর্থতাকেই অনুসরণ করে, তাহলে কোন মুখে তারা অতীতের সরকারের নিন্দা করবেন? কতদিন আর পুরনো গাজির গীত গেয়ে দেশবাসীর মন ভোলানো যাবে?
সাবেক রেলমন্ত্রী সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের এক এপিএসের গাড়িতে কয়েক লাখ টাকা পেতেই এবং সুরঞ্জিত বাবু তার সঙ্গে জড়িত তা প্রমাণ হওয়ার আগেই প্রধানমন্ত্রী ধমক দিয়ে বলেছেন, মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। মন্ত্রী আজ্ঞা পালন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী এটা যদি করতে পারেন, তাহলে এই কথিত দুর্নীতির চেয়েও গুরুতর বিরোধী দলের এক নেতার গুম হওয়া, সাংবাদিক দম্পতির নৃশংস হত্যা, দেশময় অপহরণ, হত্যার সংখ্যা বিপজ্জনকভাবে বেড়ে চলা সত্ত্বেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত কথাটা কেন বলতে পারছেন না? অথবা তাকে আবুল হোসেনের মতো অন্য মন্ত্রকে সরিয়ে দিয়ে এই পদে একজন যোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে পারছেন না? স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন একজন অত্যন্ত ভালো মানুষ। আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত নেত্রী। অন্য কোনো মন্ত্রকের দায়িত্ব পেলে তিনি হয়তো দক্ষতা ও যোগ্যতার পরিচয় দেবেন। কিন্তু একজন টাফ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার ব্যাপারে তার মধ্যে যে দক্ষতা ও ব্যক্তিত্বের অভাব রয়েছে, প্রধানমন্ত্রী কি গত তিন বছরেও তা বুঝতে পারেননি?
সরকার যদি অনেক ভালো কাজের মধ্যে দুটি মন্দ কাজও করে, জনজীবনের প্রাত্যহিক দুর্ভোগ কমাতে ব্যর্থ হয়, তাহলে সমুদ্র জয় করেও জনগণের মন জয় করা যাবে না। সরকারের ছোট-বড় সকল ব্যর্থতারই সুযোগ নেবে বিরোধী দল। ইলিয়াস আলীর গুম হওয়া, সাগর-রুনির শয়নকক্ষে বসে নির্মম খুনের শিকার হওয়া ইত্যাদি ঘটনার ব্যাপারে সরকার যদি সামান্য সাফল্যেরও প্রমাণ দিতে পারত, তাহলে বিএনপি এগুলোকে ইস্যু করার এবং এ ইস্যু নিয়ে হরতালে নামার সুযোগ পেত না। দেশের মানুষ হরতাল পছন্দ করে না। কিন্তু বিএনপির ডাকা সাম্প্রতিক হরতালগুলো পছন্দ না করলেও তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়নি। দাতা দেশগুলোর সরকারি নেতারা, দেশের ব্যবসায়ীরা হরতালের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, দুই নেত্রীর মধ্যে সংলাপ-সমঝোতার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। কিন্তু এ ব্যাপারে 'পায়াস উইশ' ব্যক্ত করা ছাড়া আর কিছু করেননি। হিলারি ও প্রণব দু'জনেই ঢাকা এসেছিলেন বাংলাদেশের ওপর চাপ দিয়ে তাদের কিছু স্বার্থ আদায়ের জন্য। এ দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা তাদের স্বার্থ পূরণের সহায়ক। এ কথা তারা জানেন। এই রাজনৈতিক অস্থিরতা দূর করার ব্যাপারে তাই তারা কোনো সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করেন না।
যদি তারা তা করেন, তাহলে তাকে আমাদের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ বলে কেউ কেউ অভিযোগ করতে পারতেন। কিন্তু এই হস্তক্ষেপ শুভ ফলপ্রসূ হতো। ১৯৪৭ সালে কংগ্রেস-মুসলিম লীগের বিরোধ মেটানোর ব্যাপারেও ব্রিটিশ সালিশি ও হস্তক্ষেপ কি মেনে নেওয়া হয়নি? বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় এমন কোনো পর্যায় নেই, যেখানে বিদেশি হস্তক্ষেপ ও ডমিনেন্স দেখা যাবে না। তাতে আমাদের আপত্তি নেই। যত আপত্তি, দেশের বিপজ্জনক রাজনৈতিক অস্থিরতা দূর করার ব্যাপারে আন্তরিকভাবে ইচ্ছুক কোনো মিত্র বিদেশি রাষ্ট্র মধ্যস্থতা করতে এলে।
১৯৬৫ সালে যখন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যুদ্ধ হয়, তখন যুদ্ধ থামানোর জন্য হস্তক্ষেপ করেছিল সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন। দু'দেশের নেতাদের তাসখন্দে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে বৈঠকের ব্যবস্থা করা হয়েছিল এবং তাসখন্দ শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এই চুক্তি উপমহাদেশে শান্তি ফিরিয়ে এনেছিল। সোভিয়েত ইউনিয়নের এই উদ্যোগকে তখন কেউ উপমহাদেশে সোভিয়েত ইউনিয়নের হস্তক্ষেপ আখ্যা দেয়নি। এমনকি পাকিস্তানের মুরবি্ব দেশ এবং বিভিন্ন সামরিক চুক্তির পার্টনার আমেরিকাও মস্কোর এই উদ্যোগে বাধা দেয়নি, বরং স্বাগত জানিয়েছে।
বাংলাদেশে এখন শক্তিশালী এলিট ক্লাস আছে। তাদের একটি সুশীল সমাজ আছে, পশ্চিমা দাতা দেশগুলোর সঙ্গে যাদের সম্পর্ক প্রকাশ্য পিরিতির। তাদের শক্তিশালী ইংরেজি, বাংলা মিডিয়া আছে। তারা কেন নিরপেক্ষতার ভান করে আওয়ামী লীগ-বিরোধিতায় তাদের সকল ভূমিকা সীমাবদ্ধ করে না রেখে প্রকৃত নিরপেক্ষ ভূমিকা গ্রহণ এবং জনমত সংগঠিত করে দুই দলের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি দ্বারা তাদের সংলাপে ও সমঝোতায় বসতে বাধ্য করেন না তা আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধির অগম্য।
আমাদের নোবেল লরিয়েট ড. ইউনূস, ব্রিটিশ নাইট খেতাবধারী আবেদ সাহেবের আর্থ-সামাজিক স্ট্যান্ডিংও দেশে বিরাট। তারা কেন তাদের এই প্রভাব ও প্রতিপত্তিকে কাজে লাগিয়ে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে দুই নেত্রীকে সংলাপে বসতে চাপ না দিয়ে বিদেশিদের কাছে গিয়ে আত্মসম্মান বিকিয়ে ধর্ণা দেন? বিএনপি যাতে আর হরতাল, ধর্মঘট দ্বারা দেশময় অরাজকতা সৃষ্টিতে না এগোয় এবং আওয়ামী লীগ সরকারও তাদের জনসমর্থন ও রাজনৈতিক শক্তির অনুপস্থিতিতে প্রশাসনের দমননীতির সাহায্যে বিরোধী দলকে মোকাবেলার জন্য হার্ডলাইনে না যায়, সে জন্য অন্যান্য গণতান্ত্রিক দল, বিভিন্ন পেশার নেতৃস্থানীয় মানুষ, মিডিয়া, পেশাজীবী সমিতি, প্রভাবশালী সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দুটি প্রধান দলের ওপরই এমন চাপ সৃষ্টি করুন, যাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারসহ সকল অমীমাংসিত সমস্যা মীমাংসার জন্য দুই নেত্রী, দুই দল অবিলম্বে সংলাপে বসতে বাধ্য হয়। শুধু সংলাপে নয়, একটি সমঝোতায় পেঁৗছতে বাধ্য হয়। এই সংলাপকে একটি সর্বদলীয় রূপ দেওয়ার জন্য একটি শক্তিশালী নাগরিক কমিটি দ্বারা অনতিবিলম্বে দেশে একটি গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করলে কেমন হয়?
বিএনপিকে বুঝতে হবে, বর্তমান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে আন্দোলনের আরও কঠোর কর্মসূচি দিয়ে কোনো লাভ হবে না। এসব কর্মসূচি দ্বারা জনগণের জীবনে দুর্ভোগ বাড়ানো যাবে, সরকারের পতন ঘটানো যাবে না। তাদের আন্দোলনের পেছনে জনসমর্থনও আদৌ শক্তিশালী নয়। সাধারণ মানুষ বর্তমান সরকারের ওপর ক্ষুব্ধ ও বিরক্ত। কিন্তু বিএনপির সদ্য অতীতের দুঃশাসনের তিক্ত অভিজ্ঞতা এখনও তারা ভোলেনি। সরকার হটাও আন্দোলনে তাদের সায় নেই।
অন্যদিকে বিরোধী দলের বিরুদ্ধে হার্ডলাইনে গিয়ে সরকার নিজেদের জনবিচ্ছিন্নতা বাড়ানো ছাড়া আর কোনো লাভেরই অধিকারী হবে না। সবচেয়ে বড় কথা, কোনো গণতান্ত্রিক সরকার যখন রাজনৈতিক শক্তি দ্বারা বিরোধী পক্ষকে মোকাবেলা করার বদলে ক্ষমতার লাঠি দ্বারা তাদের দমন করতে চায়, তখনই বুঝতে হবে তারা দুর্বল হয়ে পড়েছেন। তারা এখন একটি উইক গভর্নমেন্ট, মোটেই স্ট্রং গভর্নমেন্ট নয়। অতীতে বিএনপি সরকার এ ধরনের হার্ডলাইন ও দমননীতি দ্বারা ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। বরং তাদের পতন ত্বরান্বিত হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার যেন তাদের নীতি অনুসরণ করে একই পরিণতির দিকে দ্রুত ধাবমান না হয়।
লন্ডন, শুক্রবার ১৮ মে, ২০১২
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1447)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
May
(3361)
-
▼
May 19
(24)
- শেয়ারবাজারে আশার আলো
- পবিত্র কোরআনের আলো-তোমরা সবাই মিলে আল্লাহর রজ্জুকে...
- শেয়ারবাজার : যেসব দিকে দৃষ্টি দিতে হবে by সৈয়দ মাহ...
- আরেকটি যুদ্ধ কি অনিবার্য? by ড. তারেক শামসুর রেহমান
- চরাচর-সোনারঙের যমজ মঠ by আলম শাইন
- কাইয়ুম চৌধুরী বড় মাপের শিল্পী by বোরহানউদ্দিন খান...
- ইতি-নেতি-তিনি বিজয়িনী, যিনি অন্যকে পুরস্কৃত করেন b...
- পাকিস্তান-আইএসআই কেন মিথ্যা বলছে? by হামিদ হারুন
- বিএনপির বাজেট ভাবনা
- মুণ্ডা বিদ্রোহের মহানায়ক by মানিক সরেন
- শিক্ষা-সৃজনশীল পদ্ধতি বনাম নোটবই by মাহফুজুর রহমান...
- সমসময়-মোহাম্মদ কিবরিয়া_ কালোই যাঁর জন্য সেরা by আত...
- পণ্যভর্তি ট্রাক ছিনতাই-নিরাপদ মহাসড়ক কি অসম্ভব?
- বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক-ইতিবাচক অগ্রগতির প্রত্যাশা
- সনদসর্বস্ব কারিগরি শিক্ষার দায় কার? by পাপন বড়ুয়া ...
- দক্ষিণের হাওয়া বদল by জেডএ মামুন ও ইমাদুল হক প্রিন্স
- শিক্ষকদের পদমর্যাদা বৃদ্ধি বনাম শিক্ষার মান by মোঃ...
- নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন by ইকবাল...
- আমাদের ক্ষমা করবেন না, স্যার by মাহফুজুর রহমান মানিক
- স্মরণ-শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এ কে শামসুদ্দিন by সৈয়দ মা...
- কালের আয়নায়-সরকার হার্ডলাইনে গিয়ে লাভবান হবে কি? b...
- আশুগঞ্জের স্মৃতিসৌধ-দক্ষতা ও দূরদর্শিতা কাম্য
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়-নতুন উপাচার্যের কাছে প্...
- সময়ের প্রতিধ্বনি-অনেক 'ফ্রন্ট' খুলে ফেলেছে সরকার b...
-
▼
May 19
(24)
-
▼
May
(3361)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
মুসলিম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment