Saturday, May 19, 2012
বিএনপির বাজেট ভাবনা
বিএনপির বাজেট ভাবনা
বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া গতকাল বুধবার রূপসী বাংলা হোটেলের উইন্টার গার্ডেনে আগামী অর্থবছরের বাজেটকে সামনে রেখে একটি প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন। এখানে প্রস্তাবনার মূল প্রতিপাদ্য তুলে ধরা হলো
৭ জুন ২০১০ সালে চলতি অর্থবছরের বাজেট সম্পর্কে আমাদের কিছু চিন্তা-ভাবনা ও বাজেট প্রস্তাবনা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছিলাম।
৭ জুন ২০১০ সালে চলতি অর্থবছরের বাজেট সম্পর্কে আমাদের কিছু চিন্তা-ভাবনা ও বাজেট প্রস্তাবনা আপনাদের সামনে উপস্থাপন করেছিলাম।
আমাদের এই বাজেট প্রস্তাবনা উত্থাপনের পেছনে উদ্দেশ্য ছিল জাতির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমাদের ধ্যান-ধারণা তুলে ধরা। একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে জাতির সামনে একটি দিকদর্শন তুলে ধরা আমরা দায়িত্ব মনে করি। সেই চিন্তা থেকেই আমরা গত বছর বাজেট প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সরকার আমাদের ধারণাগুলোকে কোনো গুরুত্বই দেয়নি। যার ফলে আজ সামষ্টিক অর্থনীতির সকল সূচক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এক কথায় দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে। বিগত দুই দশকেও একই অর্থবছরে সামষ্টিক অর্থনীতির সূচকগুলো এমন বিপর্যয়ে পড়েনি। যা-ই হোক, বিদায়ী অর্থছরের মতো আমরা এবারও একই আঙ্গিকে দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে আগামী অর্থবছরের ওপর বাজেট প্রস্তাবনা উত্থাপন করছি। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, আমরা এমন এক প্রেক্ষাপটে এই প্রস্তাবনা উত্থাপন করছি যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আদালতের রায়ের অজুহাতে বাতিলের ঘোষণা দিয়ে সুষ্ঠু বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথ রুদ্ধ করে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে স্তব্ধ করে দেওয়ার পাঁয়তারা চলছে। আমরা একদিকে যেমন রাজপথের সংগ্রামে রয়েছি, তেমনি তার পাশাপাশি আমাদের জাতির জন্য গঠনমূলক কর্মকা সকল প্রতিকূলতার মধ্যেও অব্যাহত রাখতে চাই।
সুধীমণ্ডলী,
আমরা বিশ্বাস করি, বাজেট হবে মানুষের জন্য, উন্নয়নের জন্য, উৎপাদনের জন্য। আর বাজেট বরাদ্দের নীতি হবে সামাজিক উৎপাদনশীলতার নিরিখে সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা। বর্তমান বাস্তব অবস্থার নিরিখে বরাদ্দের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার নির্ণয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, শিক্ষা খাত, স্বাস্থ্য খাত এবং ভৌত-অবকাঠামো খাত বিশেষ গুরুত্বের দাবিদার।
বিদায়ী অর্থবছরের বাজেটের ওপর আমরা বেশ কিছু প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছিলাম। আমাদের দিকদর্শন এবং প্রস্তাবনা এ বছরেও পুরনো হয়ে যায়নি। এ কারণে বিদায়ী অর্থবছরের প্রস্তাবনাগুলোও সংক্ষিপ্ত রূপে আপনাদের নজরে আনা হলো।
বিএনপির অর্থনৈতিক দর্শন : বিএনপি চায় এমন একটি আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থা, যে ব্যবস্থা কোনো গোষ্ঠীকে এড়িয়ে যাবে না, প্রতিটি মানুষ মানুষের মর্যাদা পাবে। প্রতিটি মানুষের স্বাধীনতা এবং বাছাই ও পছন্দের অধিকার (ঈযড়রপব) নিশ্চিত হবে। সম্পূর্ণ অবসান ঘটবে ধর্মীয় ও জাতিগত ভেদ বৈষম্যের। বাংলাদেশের মাটিতে এবং এর উন্মুক্ত আকাশের নিচে প্রতিটি মানুষ হবে একে অপরের স্বজন। উন্নত জীবনবোধের নৈতিকতায় প্রত্যেক নাগরিক হবে মানুষের মতো মানুষ। সকল প্রকার বৈষম্য, শোষণ বঞ্চনা এবং অবহেলার বিরুদ্ধেই বিএনপির রাষ্ট্রীয় নীতি পরিচালিত হবে।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সরকারের ব্যর্থতা : বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত নাজুক। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে জমি ইজারা নেওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক যে মন্তব্য করেছে, তাতে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তারা বলেছে, 'বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ মূলত কয়েকটি পণ্য রফতানি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো আয়ের ওপর নির্ভরশীল। এর মধ্যে রয়েছে খুবই স্বল্প পরিমাণে বৈদেশিক সাহায্য ও ঋণ।'
সারের দাম বৃদ্ধি : যেখানে উৎপাদনের উপকরণ সাশ্রয়ী মূল্যে সরবরাহ করে কৃষককে উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য প্রণোদনা দেওয়ার কথা, সেখানে ইউরিয়া সারের দাম কেজিপ্রতি ১২ টাকা থেকে ২০ টাকায় বৃদ্ধি করা হয়েছে_ অর্থাৎ দাম বাড়ানো হয়েছে ৬৭ শতাংশ।
মূল্যস্ফীতির হার বৃদ্ধি : চলতি অর্থবছরে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৬ শতাংশে স্থিতিশীল রেখে তা ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতির ধারে-কাছে নেই মূল্যস্ফীতির বর্তমান হার। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ এপ্রিল মাসে ভোক্তা মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১০.৬৭ শতাংশ, মার্চ ২০১১তে এ হার ছিল ১০.৪৫ শতাংশ। অন্যদিকে চলমান গড় হিসাবে ২০১১-এর এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতির হার ৮.৫৪ শতাংশ। দরিদ্র দেশগুলোর জনগণের আয়ের বড় অংশই ব্যয় হয় খাদ্য ক্রয়ে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) মনে করে, মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়াই বিপজ্জনক। সন্দেহাতীতভাবে বাংলাদেশ সেই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পড়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বিএনপির শাসনামলে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ৪৯ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশে নেমে এসেছিল।
বৈদেশিক সাহায্যপ্রবাহ :বর্তমান অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি মেটানোর জন্য ২০ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা বৈদেশিক সাহায্যপ্রাপ্তির আশা করা হয়েছিল। কিন্তু অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে এই খাতে পাওয়া গেছে মাত্র ৪,৬২৭ কোটি টাকা। বিগত অর্থবছরে প্রাপ্ত সাহায্যের পরিমাণ ছিল ৯,১৪৪ কোটি টাকা। বৈদেশিক ঋণের প্রবাহের পরিমাণ কমেছে ৩৮ শতাংশ।
স্পেশাল ইকোনমিক জোন : ভারতীয় বাণিজ্য সংস্থার পক্ষ থেকে সিলেটের ছাতকে শুধুমাত্র ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি 'স্পেশাল ইকোনমিক জোন' স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমান সরকার বিষয়টি বিবেচনা করে দেখছে। ভারতীয় ব্যবসায়ী মহলের প্রস্তাব গ্রহণ করা হলে বাংলাদেশি শিল্পপতিদের আশা-আকাঙ্ক্ষা ধূলিসাৎ হয়ে যাবে। আমার মনে করি, এ ধরনের প্রস্তাব অনুমোদনের পূর্বে বাংলাদেশি শিল্পপতিদের স্বার্থ সরকারকে অবশ্যই বিশেষ বিবেচনায় নিতে হবে।
ভারতের সঙ্গে ১ বিলিয়ন ডলারের কঠিন শর্তযুক্ত ঋণচুক্তি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় ভারত থেকে ১ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নেওয়ার একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। এই ঋণচুক্তির অধীনে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে তার লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারতের করিডোর সুবিধা ব্যবহার সহজতর করা। এই ঋণের জন্য ১.৭৫% হারে সুদ দিতে হবে। অথচ বিশ্ব ব্যাংক এ ধরনের ঋণ দেয় ০.৭৫% সুদে। অথচ বর্তমান সরকারের সমর্থক অর্থনীতিবিদরা ইতিপূর্বে দাবি করেছিলেন, ভারতকে ট্রানজিট দিলে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর হয়ে যাবে। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আরও নিঃস্ব হয়ে পড়বে।
এডিপি বাস্তবায়ন : রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে এখন চলছে নৈরাজ্যকর অবস্থা। মন্ত্রিপরিষদ ও উপদেষ্টামণ্ডলীর দ্বৈতশাসনের ফলে সিদ্ধান্তহীনতা, স্থবিরতা এবং সরকারের অভ্যন্তরে চিন্তার ঐক্যের অভাব প্রশাসনকে এমন স্তরে নিয়ে গেছে যে, এর দ্বারা জনগণের কোনো মঙ্গল আশা করা যায় না। বর্তমানে এডিপি বাস্তবায়নে অদক্ষতা সরকারের ব্যর্থতারই একটি নজির।
এদিকে গত দুই অর্থবছর ধরে বাজেটে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারীর (পিপিপি) আওতায় বিনিয়োগের ব্যাপক আশাবাদ প্রকাশ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি নেই। গত বছর আড়াই হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও নীতিনির্ধারণী কাঠামো প্রণয়নে ব্যর্থতার কারণে একটি টাকাও খরচ করা সম্ভব হয়নি। শোনা যাচ্ছে আগামী অর্থবছরেও ৩ হাজার কোটি টাকা এই খাতে বরাদ্দ দেওয়া হবে। এমনকি পিপিপির দফতর গঠনের ঘোষণা দেওয়া হলেও তাও করতে পারেনি সরকার।
বাজেটের আকার ও বাজেট ঘাটতি : বাজেটের আকার বর্তমানে দিন দিন বাড়ছে বিপুলভাবে। কিন্তু সেই অনুপাতে বাড়ছে না এডিপি ব্যয়। এডিপি ব্যয় আশানুরূপভাবে বৃদ্ধি না পেলেও বাজেট ঘাটতি বাড়ছে আশঙ্কাজনকভাবে। অসহনীয় মূল্যস্ফীতি সরকারের প্রায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।
পরিবহন-রেলওয়ে : অব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের অযাচিত হস্তক্ষেপ ও দুর্নীতির কারণে রেলওয়ের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন করুণ অবস্থার মধ্যে আছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ উন্নয়ন প্রকল্পে গত চার বছরে ব্যয় হয়েছে বরাদ্দের ২ ভাগেরও কম।
সড়ক খাতের উন্নয়ন অগ্রগতি এতই অসন্তোষজনক যে, যোগাযোগমন্ত্রী সংসদে তার নিজ দলের সদস্যদেরই সমালোচনার মুখে পড়েন।
দারিদ্র্য বিমোচন : গত বছর সরকার বলেছিল যে, দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী লোকের সংখ্যা ৩৭.৫ শতাংশে নেমে এসেছে। এক বছর পরে সরকার বলছে, তা ৩১.৫ শতাংশে নেমে এসেছে। অথচ বিশ্ব ব্যাংক এক সমীক্ষায় বলেছে যে, মূল্যস্ফীতির কারণে ২০১০ সালের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদেই নতুনভাবে ১.৫৯ শতাংশ লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে প্রবেশ করেছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি : অপরিকল্পিতভাবে তরল জ্বালানিনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনায় তরল জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে জাতীয় বাজেটে ভর্তুকির পরিমাণ আরও বেড়ে যাবে, যা দেশের অর্থনীতিতে বিপর্যয় ডেকে আনবে।
ওঈঞ (ইনল্যান্ড কনটেইনার টার্মিনাল) : সংবাদপত্র সূত্রে জানা গেছে, আমাদের সময় গৃহীত নারায়ণগঞ্জের খানপুর ও ঢাকার পানগাঁওয়ে নির্মীয়মাণ অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনাল দুটি বিদেশি কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রবন্দর বাদ দিয়ে কেবল আমাদের নৌবন্দর দিয়েই বিদেশিরা তাদের স্বার্থ উদ্ধার করতে পারবে এবং আমরা মারাত্মক অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তাজনিত সমস্যায় নিপতিত হবো।
মানবসম্পদ রফতানি : বিএমইটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিএনপি সরকারের সময় মানবসম্পদ রফতানি গড়ে বছরে শতকরা ১৭ ভাগ বৃদ্ধি পায়, অপরদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তা নেমে দাঁড়ায় শতকরা ১০ ভাগেরও নিচে। অর্থাৎ বিদেশে বাংলাদেশিদের চাকরির সুযোগ সংকুচিত হয়ে পড়েছে এবং রেমিটেন্স যে সামান্য পরিমাণ বেড়েছে তা পুরনো প্রবাসীদের দীর্ঘদিন চাকরিকালে বেতন বৃদ্ধির ফলশ্রুতি মাত্র। নতুন চাকরি যোগ হওয়ার ফসল নয়।
শেয়ার মার্কেট বিপর্যয় : আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে, তখনই শেয়ার মার্কেটে ধস নামে। শেয়ার মার্কেটের দুর্যোগের প্রতিবাদ করতে গিয়ে প্রতিবাদীরা হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। আমাদের সরকার ক্ষমতায় এসে শেয়ার মার্কেটে সুস্থ ধারা ফিরিয়ে আনে আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে তা নস্যাৎ করে দেয়।
ক্রনি ক্যাপিটালিজম : এ সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই নিজ দলীয় ক্যাডার, নেতাকর্মী ও ব্যবসায়ীদের চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও অবৈধ উপায়ে ব্যবসায় পাইয়ে দিয়ে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ভয়ঙ্কর ও ভয়াবহ নৈরাজ্যকর অবস্থার সৃষ্টি করেছে।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা মোদাচ্ছের আলী তো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কর্মীদের ছাড়া কাউকে চাকরি দেওয়া যাবে না বলে প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছেন। বিডিআরকে আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র এবং যোগাযোগ সরঞ্জামে সুসজ্জিত করা হোক। সীমান্ত ফাঁড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি ও মজবুত করা হোক।
বর্তমান বাজেট সম্পর্কে আমাদের কিছু প্রস্তাবনা
কৃষিতে উল্লম্ব সমবায় ব্যবস্থা গঠন : বিআরডিবি সমবায় প্রথার মাধ্যমে সেচসুবিধা সৃষ্টি করে কৃষিতে উফশী জাতের শস্যের আবাদ বৃদ্ধি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। মূল্য শৃঙ্খলের প্রতিটি স্তরে অংশগ্রহণের মাধ্যমে কৃষক সমবায়ভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে।
আইলা দুর্যোগকবলিতদের পুনর্বাসন : আইলাবিধ্বস্ত এলাকায় পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জনগণ যাতে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে যেতে পারে তার জন্য বহুমুখী প্রকল্প গ্রহণে একশত পঞ্চাশ (১৫০) কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করছি।
উপকূলীয় এলাকায় ভূমি উদ্ধার : বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রের পানির স্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বিশাল এলাকা সমুদ্রগর্ভে তলিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে উপকূলীয় এলাকার বিশাল জনগোষ্ঠী তাদের জীবন-জীবিকা হারিয়ে পরিবেশ উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে। আমরা এ ধরনের একটি প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক এবং অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব করছি।
অনানুষ্ঠানিক খাত : বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অনানুষ্ঠানিক খাত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত। জাতীয় আয় নির্ধারণে এদের অবদান অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উপেক্ষিত থেকে যায়। নিয়োজিত কর্মজীবীর সংখ্যা মোট কর্মজীবীর ৭০ শতাংশ। বিচিত্র ধরনের বৃত্তি ও পেশায় যেমন :নির্মাণ শ্রমিক, হকার, ফেরিওয়ালা, রিকশাচালক, ভ্যানগাড়ি চালক, যানবাহনের হেলপার, কুলি-মজুর ইত্যাদি।
প্রবাসে কর্মসংস্থানে সহায়তা : প্রবাসে কর্মরত শ্রমিকদের প্রেরিত রেমিটেন্স বাংলাদেশের অর্থনীতিকে প্রভূতভাবে সমৃদ্ধ করছে। বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য গমনকারী শ্রমিকদের কষ্ট লাঘবের জন্য আমরা বিনা সুদে 'বিদেশে কর্মসংস্থান ঋণ' দেওয়ার প্রস্তাব করছি।
সঞ্চয়পত্র : ২০১০-১১ বাজেটে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র ও পেনশন সঞ্চয়পত্র বাদে অন্যান্য সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর শতকরা ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর কর্তনের এবং সুদ হ্রাসের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ফলে বিনিয়োগকারীরা সঞ্চয়পত্র থেকে বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। আমরা তাই প্রস্তাব করছি সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর উৎসে কর কর্তন রহিত করা হোক। পেনশনভোগীদের জীবনযাত্রাকে কিছুটা মসৃণ করার জন্য মূল্যস্টম্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে পেনশন সঞ্চয়পত্রের সুদ এবং অন্যান্য সঞ্চয়পত্রের সুদ যৌত্তিকভাবে ধার্য করার প্রস্তাব করছি।
আয়করের নিম্নতম সীমা : বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রাজস্বের উৎস হিসেবে আয়করের গুরুত্ব ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাবে। কারণ বাণিজ্য উদারীকরণের ফলে আমদানি শুল্কের গুরুত্ব হ্রাস পাচ্ছে। সমাজে আয় বণ্টনে সুসাম্য প্রতিষ্ঠায় এই কর বিশেষ ভূমিকা পালন করে। চলতি অর্থবছরে কর আয়করমুক্ত আয়ের সীমা ছিল বার্ষিক ১,৬৫,০০০ টাকা, কিন্তু ব্যাপক মূল্যস্টম্ফীতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সীমা পরিবর্তন করে ঊর্ধ্বমুখী করা প্রয়োজন। মূল্যস্টম্ফীতি ও বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের নিরিখে করমুক্ত আয়ের সীমা বার্ষিক ৩০০,০০০ টাকা নির্ধারণ করা সমীচীন বলে আমরা মনে করছি।
মূল্য সংযোজন কর : মূল্যসংযোজন কর বাংলাদেশের করব্যবস্থায় সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বহন করে। আমরা ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যসংযোজন কর সংগ্রহ সহজিকরণ, বিজ্ঞানসম্মতকরণ, যৌক্তিকিকরণ ও নিশ্চিতকরণের প্রস্তাব রাখছি। বর্তমান মূল্যস্টম্ফীতির পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে থোক হিসেবে ভ্যাট আদায়ের পরিমাণ শতকরা ২৫ ভাগ কমানো এবং এরই সঙ্গে জনজীবনে দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে পরবর্তী অর্থবছরে ভ্যাটের আওতা আর সম্প্রসারণ না করারও প্রস্তাব করছি। অধিকন্তু আমরা ডাক্তারের ফি, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি, বাড়ি ভাড়া/স্থাপনা ও যাত্রী ভাড়ার ওপর মূল্যসংযোজন কর প্রত্যাহারের দাবি করছি।
বয়স্ক নিবাস নির্মাণ : বাংলাদেশে জনসংখ্যা বিন্যাসে পরিবর্তন এসেছে। বয়স্ক লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৃদ্ধি পাচ্ছে পরমায়ু। ফলে সমাজে বেঁচে থাকা বয়স্ক লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সামাজিক পরিবর্তনের ফলে একান্নবর্তী পরিবার ব্যবস্থাও বিলুপ্ত হওয়ার পথে। অনেক পিতা-মাতার সন্তান রুজি-রোজগারের প্রয়োজনে পিতা-মাতার আবাসস্থল থেকে অনেক দূরে এমনকি দেশের বাইরেও অবস্থান করছে। ফলে বয়োবৃদ্ধ লোকদের দেখভাল করা কিংবা সেবাযত্ন করার জন্য আপন কোনো লোক কাছে থাকছে না। এ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও কল্যাণের কথা চিন্তা করে আমরা প্রতি উপজেলায় প্রাথমিকভাবে একশ' শয্যা বিশিষ্ট একটি করে বয়স্ক নিবাস নির্মাণের প্রস্তাব করছি।
ডে-কেয়ার সেন্টার : বাংলাদেশে নারীদের গৃহস্থালির বাইরে কর্মসংস্থান ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। কিন্তু এদের অনেকেরই শিশু সন্তান আছে। তাদের দেখভালের ব্যাপারে এরা যদি কর্মস্থলে যাওয়ার সময় তাদের নিরাপদ কোনো আশ্রয়স্থলে রেখে যেতে পারে তাহলে এদের দুশ্চিন্তা লাঘব হতো। বর্তমানে কিছু সংখ্যক বড় প্রতিষ্ঠানে ডে-কেয়ার সেন্টার আছে। প্রয়োজনের তুলনায় এটি খুবই অপ্রতুল। আমরা মনে করি নারীকর্মীর সংখ্যা বিবেচনা করে সারাদেশের জন্য ডে-কেয়ার ব্যবস্থা গড়ে তোলা আবশ্যক। ফলে নারীর ক্ষমতায়ন জোরদার হবে। নারীদের পক্ষে গৃহস্থালির বাইরে কর্মসংস্থানের সুযোগ গ্রহণে সহায়ক হবে।
বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প : বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির তুলনায় অবকাঠামোগত স্বল্পতা সর্বজনবিদিত। প্রবৃদ্ধির চাকাকে সচল রাখতে হলে এবং আগামী দিনে উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হলে বৃহৎ অবকাঠামো গঠনের কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে এখন থেকেই সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রকল্প প্রণয়ন ও সম্পদ সংগ্রহের কাজে হাত দিতে হবে। আমরা যে সব প্রকল্পের কথা ভাবছি তার মধ্যে রয়েছে, রাজধানী ঢাকার সঙ্গে সব বিভাগীয় শহরের হাইস্পিড (ঘণ্টায় ২৫০ কিঃমিঃ - ৩০০ কিঃমিঃ গতিসম্পন্ন) ট্রেন চালু করা, ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে ছয় লেন সড়ক নির্মাণ, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ এবং রেল যোগাযোগসহ দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ।
দ্বিতীয় যমুনা সেতু : বিদ্যমান যমুনা সেতু পরিবহনের প্রবল চাপের মধ্যে আছে। এ সেতুতে রেল চলাচলের যে ব্যবস্থা আছে তাতে ট্রেন খুব ধীরগতিতে চলে। তবে এরকম আরও একটি সেতু যে অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতার বিচারে অত্যন্ত কার্যকর তা বিদ্যমান যমুনা সেতু প্রমাণ করেছে। আমরা রেল যোগাযোগসহ দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভব করছি।
বস্ত্রশিল্প : বাংলাদেশি স্পিনিং মিলগুলো এক সংকটকাল অতিক্রম করছে। হাজার হাজার টন সুতা অবিক্রীত অবস্থায় মিলগুলোর গোডাউনে পড়ে আছে। যারা স্পিনিং মিলগুলো থেকে সুতা কিনে রফতানির কাজে ব্যবহার করে তারা ইতিমধ্যে ভারত থেকে কম মূল্যে সুতা আমদানি করে গুদামজাত করছে। ভারত বস্ত্র ও স্পিনিং সেক্টরে বিশেষ সুবিধা দিয়ে চলেছে। ফলে বাংলাদেশি স্পিনিং মিলগুলো ভারতের সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতায় নিক্ষিপ্ত হয়েছে। দেশীয় স্পিনাররা উৎপাদন খরচের চেয়েও কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আমাদের দেশের স্পিনিং, উইভিং, ড্রায়িং ও ফিনিশিং খাতের অধিকাংশ শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। বর্তমানে দেশের ৩৪১টি স্পিনিং মিলের মধ্যে ৩৪টিই বন্ধ হয়ে গেছে। সংকট অব্যাহত থাকলে মিল উদ্যোক্তারা ঋণখেলাপি হয়ে যাবে এবং শ্রমিকরা হয়ে পড়বে বেকার। মিলগুলোকে ঋণদানকারী ব্যাংকগুলোও সংকটে পড়বে।
জাতীয় স্বার্থে স্পিনিং ও টেক্সটাইল সেক্টর এবং তৈরি পোশাক রফতানিকারকদের স্বার্থ সমন্বয় করে দেশীয় শিল্পের উৎপাদন এবং কর্মসংস্থান সুরক্ষিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে আমাদের প্রস্তাব হলো :
ক) ভারত স্পিনিং ও বস্ত্রখাতে ডাম্পিং করছে কি-না তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিষয়টি যথাযথ আন্তর্জাতিক সংস্থায় উত্থাপনের পরামর্শ দিচ্ছি।
খ) বস্ত্রখাতে নগদ সহায়তা ৫% এর পরিবর্তে ৮% করতে হবে।
গ) টেক্সটাইল পুনর্বাসন ফান্ড গঠন করতে হবে।
ঘ) টেক্সটাইল ও স্পিনিং সেক্টরের জন্য সুদের হার কমাতে হবে।
ঙ) তাঁত শিল্পের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ অর্থ প্রণোদন প্রদান করতে হবে।
সংকট ঘনীভূত হচ্ছে : চলতি অর্থবছরে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যে চিত্র আমরা দেখতে পাই তা নৈরাশ্য ছাড়া কোনো আশার আলো দেখায় না। সরকারি মহল দাবি করছে, চলতি অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার হবে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ। অথচ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রাক্কলন অনুযায়ী এ প্রবৃদ্ধির হার ৬ দশমিক ৩ শতাংশের বেশি নয়। দেশীয় একটি থিংকট্যাঙ্ক ও বিশ্বব্যাংকও প্রায় একই ধরনের প্রাক্কলন করেছে। দেশে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের ফলে এবং প্রশাসনের ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপের ফলে বিনিয়োগের পরিবেশ দারুণভাবে বিঘি্নত। নতুন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ প্রদান বন্ধ রাখা হয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। ফলে রিয়েল এস্টেট সেক্টরের মতো খাতও দারুণ সংকটে নিপতিত।
রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৪১ শতাংশ, একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৫১ শতাংশ। বিদেশ থেকে প্রেরিত অর্থেও (রেমিটেন্স) নামমাত্র প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ হতাশাব্যঞ্জক। সরকারি বিনিয়োগ কমে আসায় সামগ্রিক বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় আরও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
সরকার খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দাবি করছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো_ বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানি করা হচ্ছে। সারাবিশ্বে যেখানে মার্কিন ডলারের মূল্যমান কমছে, সেখানে বাংলাদেশে টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্যমান বাড়ছে। শেয়ারবাজারের বিপর্যয় থেকে ফায়দা লুটকারীগোষ্ঠী কর্তৃক ডলার পাচার, ওভার ইনভয়েসিং, আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে ডলার পাচার মূলত ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্যমান কমার অন্যতম কারণ।
কী রকম বাংলাদেশ দেখতে চাই : সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে উঠে আসা তরুণ যোদ্ধা ও সৈনিকরা দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু স্বাধীনতার পরপর তাদের স্বপ্ন ভেঙে গিয়েছিল।
আমাদের ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ও লক্ষ্য হচ্ছে, পরিবর্তিত বিশ্ব ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং পরিবেশ বিপর্যয় মোকাবেলায় সক্ষম এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে ক্ষুধা, অপুষ্টি, অশিক্ষা, সামাজিক অবিচার, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং শোষণ, বঞ্চনা ও কোনো ধরনের বৈষম্য থাকবে না। আমরা আগামী দশকের মধ্যে বাংলাদেশকে বিশ্বসভায় সম্মান ও মর্যাদার আসনে আসীন দেখতে চাই। সে লক্ষ্য ও স্বপ্ন বাস্তবায়নকল্পে_ বিশ্বাসযোগ্য এবং পক্ষপাতহীন নির্বাচন অনুষ্ঠানের নিশ্চয়তা; কার্যকর এবং জবাবদিহিতামূলক সংসদের নিশ্চয়তা; একটি স্বাধীন, দক্ষ, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বিবর্জিত এবং দুর্নীতিমুক্ত বিচার ব্যবস্থা; মানবাধিকার সংরক্ষণ এবং আইনের শাসনের নিশ্চয়তা; দক্ষ, দুর্নীতিমুক্ত এবং দল-নিরপেক্ষ গণ এবং পুলিশ প্রশাসন গড়ে তোলা।
প্রশাসনিক : আমরা একটি দক্ষ, গতিশীল, যুগ-উপযোগী ও গণমুখী প্রশাসন গড়ে তুলতে চাই। সেই লক্ষ্যে :স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিতামূলক নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়া চালু করা; স্বচ্ছ এবং দলীয় প্রভাবমুক্ত সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা; সকল পর্যায়ে ব-মড়াবৎহধহপব চালু; স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশনকে সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা।
অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা : আমরা এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও নীতি কাঠামো গড়ে তুলতে চাই যার মাধ্যমে ২০১৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ দ্রুত দারিদ্র্যমুক্ত একটি মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পথে এগিয়ে যাবে। সেই লক্ষ্যে :কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, বাণিজ্যিকীকরণ এবং বহুমুখীকরণ; শিল্পখাতে অধিকতর প্রবৃদ্ধি অর্জন; সেবা খাতকে দরিদ্র মানুষের নিছক টিকে থাকার আশ্রয়স্থল থেকে সর্বাত্মক সমৃদ্ধির বাহনে রূপান্তরিত করা; রফতানি খাতের বহুমুখীকরণ; বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের চাহিদার নিরিখে বিশ্বায়নের বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দেশীয় বাজারমুখী শিল্পায়ন।
বৈদেশিক শ্রমবাজার : আমরা এমন একটি মানবসম্পদ উন্নয়ন নীতি চাই যার মাধ্যমে সম্ভব হবে :বিদেশে রফতানিযোগ্য শ্রমিকদের দক্ষ শ্রমিকরূপে গড়ে তোলা; বিদেশের শ্রমবাজারে দক্ষ নার্সদের বিরাট চাহিদার সুযোগ গ্রহণের জন্য দেশে প্রতিটি বিভাগীয় শহরে উচ্চ মানের নার্সিং ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা। এক কথায় বিদেশে প্রেরণযোগ্য শ্রমশক্তির কারিগরি ও প্রযুক্তিগত মান উন্নয়ন।
স্বাস্থ্যবান জাতি : আমরা একটি স্বাস্থ্যবান জাতি গঠনকল্পে জনগণের স্বাস্থ্যসেবা ও সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে একটি বাস্তবসম্মত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণনীতি প্রণয়ন করতে চাই। যার লক্ষ্যে হবে :আগামী দশকের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার আরও উলেল্গখযোগ্য পর্যায়ে নামিয়ে আনার জন্য প্রণোদনা ও বস্তুগত সহায়তা প্রদান; গরিব ও বঞ্চিত শ্রেণীর মানুষদের অগ্রাধিকার দিয়ে নাগরিকদের জন্য নিবারণ ও নিরাময়মূলক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ, আওতা ও পরিধি এবং মান উন্নত করা। শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার আরও নামিয়ে আনতে এবং তাদের অপুষ্টি থেকে বাঁচাতে শিশু ও মাতৃসেবার উন্নয়ন।
সুধীমণ্ডলী,
আমরা বিশ্বাস করি, বাজেট হবে মানুষের জন্য, উন্নয়নের জন্য, উৎপাদনের জন্য। আর বাজেট বরাদ্দের নীতি হবে সামাজিক উৎপাদনশীলতার নিরিখে সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা। বর্তমান বাস্তব অবস্থার নিরিখে বরাদ্দের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার নির্ণয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, শিক্ষা খাত, স্বাস্থ্য খাত এবং ভৌত-অবকাঠামো খাত বিশেষ গুরুত্বের দাবিদার।
বিদায়ী অর্থবছরের বাজেটের ওপর আমরা বেশ কিছু প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছিলাম। আমাদের দিকদর্শন এবং প্রস্তাবনা এ বছরেও পুরনো হয়ে যায়নি। এ কারণে বিদায়ী অর্থবছরের প্রস্তাবনাগুলোও সংক্ষিপ্ত রূপে আপনাদের নজরে আনা হলো।
বিএনপির অর্থনৈতিক দর্শন : বিএনপি চায় এমন একটি আর্থ-সামাজিক ব্যবস্থা, যে ব্যবস্থা কোনো গোষ্ঠীকে এড়িয়ে যাবে না, প্রতিটি মানুষ মানুষের মর্যাদা পাবে। প্রতিটি মানুষের স্বাধীনতা এবং বাছাই ও পছন্দের অধিকার (ঈযড়রপব) নিশ্চিত হবে। সম্পূর্ণ অবসান ঘটবে ধর্মীয় ও জাতিগত ভেদ বৈষম্যের। বাংলাদেশের মাটিতে এবং এর উন্মুক্ত আকাশের নিচে প্রতিটি মানুষ হবে একে অপরের স্বজন। উন্নত জীবনবোধের নৈতিকতায় প্রত্যেক নাগরিক হবে মানুষের মতো মানুষ। সকল প্রকার বৈষম্য, শোষণ বঞ্চনা এবং অবহেলার বিরুদ্ধেই বিএনপির রাষ্ট্রীয় নীতি পরিচালিত হবে।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সরকারের ব্যর্থতা : বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত নাজুক। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে জমি ইজারা নেওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক যে মন্তব্য করেছে, তাতে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তারা বলেছে, 'বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ মূলত কয়েকটি পণ্য রফতানি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো আয়ের ওপর নির্ভরশীল। এর মধ্যে রয়েছে খুবই স্বল্প পরিমাণে বৈদেশিক সাহায্য ও ঋণ।'
সারের দাম বৃদ্ধি : যেখানে উৎপাদনের উপকরণ সাশ্রয়ী মূল্যে সরবরাহ করে কৃষককে উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য প্রণোদনা দেওয়ার কথা, সেখানে ইউরিয়া সারের দাম কেজিপ্রতি ১২ টাকা থেকে ২০ টাকায় বৃদ্ধি করা হয়েছে_ অর্থাৎ দাম বাড়ানো হয়েছে ৬৭ শতাংশ।
মূল্যস্ফীতির হার বৃদ্ধি : চলতি অর্থবছরে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৬ শতাংশে স্থিতিশীল রেখে তা ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সেই প্রতিশ্রুতির ধারে-কাছে নেই মূল্যস্ফীতির বর্তমান হার। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ এপ্রিল মাসে ভোক্তা মূল্যস্ফীতির হার ছিল ১০.৬৭ শতাংশ, মার্চ ২০১১তে এ হার ছিল ১০.৪৫ শতাংশ। অন্যদিকে চলমান গড় হিসাবে ২০১১-এর এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতির হার ৮.৫৪ শতাংশ। দরিদ্র দেশগুলোর জনগণের আয়ের বড় অংশই ব্যয় হয় খাদ্য ক্রয়ে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) মনে করে, মূল্যস্ফীতি ৮ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়াই বিপজ্জনক। সন্দেহাতীতভাবে বাংলাদেশ সেই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পড়েছে।
উল্লেখ্য, ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বিএনপির শাসনামলে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ৪৯ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশে নেমে এসেছিল।
বৈদেশিক সাহায্যপ্রবাহ :বর্তমান অর্থবছরে বাজেট ঘাটতি মেটানোর জন্য ২০ হাজার ৭৭৭ কোটি টাকা বৈদেশিক সাহায্যপ্রাপ্তির আশা করা হয়েছিল। কিন্তু অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে এই খাতে পাওয়া গেছে মাত্র ৪,৬২৭ কোটি টাকা। বিগত অর্থবছরে প্রাপ্ত সাহায্যের পরিমাণ ছিল ৯,১৪৪ কোটি টাকা। বৈদেশিক ঋণের প্রবাহের পরিমাণ কমেছে ৩৮ শতাংশ।
স্পেশাল ইকোনমিক জোন : ভারতীয় বাণিজ্য সংস্থার পক্ষ থেকে সিলেটের ছাতকে শুধুমাত্র ভারতীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি 'স্পেশাল ইকোনমিক জোন' স্থাপনের প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমান সরকার বিষয়টি বিবেচনা করে দেখছে। ভারতীয় ব্যবসায়ী মহলের প্রস্তাব গ্রহণ করা হলে বাংলাদেশি শিল্পপতিদের আশা-আকাঙ্ক্ষা ধূলিসাৎ হয়ে যাবে। আমার মনে করি, এ ধরনের প্রস্তাব অনুমোদনের পূর্বে বাংলাদেশি শিল্পপতিদের স্বার্থ সরকারকে অবশ্যই বিশেষ বিবেচনায় নিতে হবে।
ভারতের সঙ্গে ১ বিলিয়ন ডলারের কঠিন শর্তযুক্ত ঋণচুক্তি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় ভারত থেকে ১ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নেওয়ার একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। এই ঋণচুক্তির অধীনে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে তার লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে ভারতের করিডোর সুবিধা ব্যবহার সহজতর করা। এই ঋণের জন্য ১.৭৫% হারে সুদ দিতে হবে। অথচ বিশ্ব ব্যাংক এ ধরনের ঋণ দেয় ০.৭৫% সুদে। অথচ বর্তমান সরকারের সমর্থক অর্থনীতিবিদরা ইতিপূর্বে দাবি করেছিলেন, ভারতকে ট্রানজিট দিলে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর হয়ে যাবে। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আরও নিঃস্ব হয়ে পড়বে।
এডিপি বাস্তবায়ন : রাষ্ট্রীয় প্রশাসনে এখন চলছে নৈরাজ্যকর অবস্থা। মন্ত্রিপরিষদ ও উপদেষ্টামণ্ডলীর দ্বৈতশাসনের ফলে সিদ্ধান্তহীনতা, স্থবিরতা এবং সরকারের অভ্যন্তরে চিন্তার ঐক্যের অভাব প্রশাসনকে এমন স্তরে নিয়ে গেছে যে, এর দ্বারা জনগণের কোনো মঙ্গল আশা করা যায় না। বর্তমানে এডিপি বাস্তবায়নে অদক্ষতা সরকারের ব্যর্থতারই একটি নজির।
এদিকে গত দুই অর্থবছর ধরে বাজেটে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারীর (পিপিপি) আওতায় বিনিয়োগের ব্যাপক আশাবাদ প্রকাশ করা হলেও এখন পর্যন্ত কোনো অগ্রগতি নেই। গত বছর আড়াই হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও নীতিনির্ধারণী কাঠামো প্রণয়নে ব্যর্থতার কারণে একটি টাকাও খরচ করা সম্ভব হয়নি। শোনা যাচ্ছে আগামী অর্থবছরেও ৩ হাজার কোটি টাকা এই খাতে বরাদ্দ দেওয়া হবে। এমনকি পিপিপির দফতর গঠনের ঘোষণা দেওয়া হলেও তাও করতে পারেনি সরকার।
বাজেটের আকার ও বাজেট ঘাটতি : বাজেটের আকার বর্তমানে দিন দিন বাড়ছে বিপুলভাবে। কিন্তু সেই অনুপাতে বাড়ছে না এডিপি ব্যয়। এডিপি ব্যয় আশানুরূপভাবে বৃদ্ধি না পেলেও বাজেট ঘাটতি বাড়ছে আশঙ্কাজনকভাবে। অসহনীয় মূল্যস্ফীতি সরকারের প্রায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।
পরিবহন-রেলওয়ে : অব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের অযাচিত হস্তক্ষেপ ও দুর্নীতির কারণে রেলওয়ের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন করুণ অবস্থার মধ্যে আছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথ উন্নয়ন প্রকল্পে গত চার বছরে ব্যয় হয়েছে বরাদ্দের ২ ভাগেরও কম।
সড়ক খাতের উন্নয়ন অগ্রগতি এতই অসন্তোষজনক যে, যোগাযোগমন্ত্রী সংসদে তার নিজ দলের সদস্যদেরই সমালোচনার মুখে পড়েন।
দারিদ্র্য বিমোচন : গত বছর সরকার বলেছিল যে, দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী লোকের সংখ্যা ৩৭.৫ শতাংশে নেমে এসেছে। এক বছর পরে সরকার বলছে, তা ৩১.৫ শতাংশে নেমে এসেছে। অথচ বিশ্ব ব্যাংক এক সমীক্ষায় বলেছে যে, মূল্যস্ফীতির কারণে ২০১০ সালের জুলাই-ডিসেম্বর মেয়াদেই নতুনভাবে ১.৫৯ শতাংশ লোক দারিদ্র্যসীমার নিচে প্রবেশ করেছে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি : অপরিকল্পিতভাবে তরল জ্বালানিনির্ভর বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনায় তরল জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে জাতীয় বাজেটে ভর্তুকির পরিমাণ আরও বেড়ে যাবে, যা দেশের অর্থনীতিতে বিপর্যয় ডেকে আনবে।
ওঈঞ (ইনল্যান্ড কনটেইনার টার্মিনাল) : সংবাদপত্র সূত্রে জানা গেছে, আমাদের সময় গৃহীত নারায়ণগঞ্জের খানপুর ও ঢাকার পানগাঁওয়ে নির্মীয়মাণ অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনাল দুটি বিদেশি কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রবন্দর বাদ দিয়ে কেবল আমাদের নৌবন্দর দিয়েই বিদেশিরা তাদের স্বার্থ উদ্ধার করতে পারবে এবং আমরা মারাত্মক অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তাজনিত সমস্যায় নিপতিত হবো।
মানবসম্পদ রফতানি : বিএমইটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিএনপি সরকারের সময় মানবসম্পদ রফতানি গড়ে বছরে শতকরা ১৭ ভাগ বৃদ্ধি পায়, অপরদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তা নেমে দাঁড়ায় শতকরা ১০ ভাগেরও নিচে। অর্থাৎ বিদেশে বাংলাদেশিদের চাকরির সুযোগ সংকুচিত হয়ে পড়েছে এবং রেমিটেন্স যে সামান্য পরিমাণ বেড়েছে তা পুরনো প্রবাসীদের দীর্ঘদিন চাকরিকালে বেতন বৃদ্ধির ফলশ্রুতি মাত্র। নতুন চাকরি যোগ হওয়ার ফসল নয়।
শেয়ার মার্কেট বিপর্যয় : আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে, তখনই শেয়ার মার্কেটে ধস নামে। শেয়ার মার্কেটের দুর্যোগের প্রতিবাদ করতে গিয়ে প্রতিবাদীরা হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। আমাদের সরকার ক্ষমতায় এসে শেয়ার মার্কেটে সুস্থ ধারা ফিরিয়ে আনে আর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে তা নস্যাৎ করে দেয়।
ক্রনি ক্যাপিটালিজম : এ সরকার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকেই নিজ দলীয় ক্যাডার, নেতাকর্মী ও ব্যবসায়ীদের চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও অবৈধ উপায়ে ব্যবসায় পাইয়ে দিয়ে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এক ভয়ঙ্কর ও ভয়াবহ নৈরাজ্যকর অবস্থার সৃষ্টি করেছে।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টা মোদাচ্ছের আলী তো বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কর্মীদের ছাড়া কাউকে চাকরি দেওয়া যাবে না বলে প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়েছেন। বিডিআরকে আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র এবং যোগাযোগ সরঞ্জামে সুসজ্জিত করা হোক। সীমান্ত ফাঁড়ির সংখ্যা বৃদ্ধি ও মজবুত করা হোক।
বর্তমান বাজেট সম্পর্কে আমাদের কিছু প্রস্তাবনা
কৃষিতে উল্লম্ব সমবায় ব্যবস্থা গঠন : বিআরডিবি সমবায় প্রথার মাধ্যমে সেচসুবিধা সৃষ্টি করে কৃষিতে উফশী জাতের শস্যের আবাদ বৃদ্ধি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। মূল্য শৃঙ্খলের প্রতিটি স্তরে অংশগ্রহণের মাধ্যমে কৃষক সমবায়ভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে।
আইলা দুর্যোগকবলিতদের পুনর্বাসন : আইলাবিধ্বস্ত এলাকায় পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার জনগণ যাতে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে যেতে পারে তার জন্য বহুমুখী প্রকল্প গ্রহণে একশত পঞ্চাশ (১৫০) কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করছি।
উপকূলীয় এলাকায় ভূমি উদ্ধার : বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে সমুদ্রের পানির স্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বিশাল এলাকা সমুদ্রগর্ভে তলিয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে উপকূলীয় এলাকার বিশাল জনগোষ্ঠী তাদের জীবন-জীবিকা হারিয়ে পরিবেশ উদ্বাস্তুতে পরিণত হবে। আমরা এ ধরনের একটি প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক এবং অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব করছি।
অনানুষ্ঠানিক খাত : বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অনানুষ্ঠানিক খাত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত। জাতীয় আয় নির্ধারণে এদের অবদান অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উপেক্ষিত থেকে যায়। নিয়োজিত কর্মজীবীর সংখ্যা মোট কর্মজীবীর ৭০ শতাংশ। বিচিত্র ধরনের বৃত্তি ও পেশায় যেমন :নির্মাণ শ্রমিক, হকার, ফেরিওয়ালা, রিকশাচালক, ভ্যানগাড়ি চালক, যানবাহনের হেলপার, কুলি-মজুর ইত্যাদি।
প্রবাসে কর্মসংস্থানে সহায়তা : প্রবাসে কর্মরত শ্রমিকদের প্রেরিত রেমিটেন্স বাংলাদেশের অর্থনীতিকে প্রভূতভাবে সমৃদ্ধ করছে। বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য গমনকারী শ্রমিকদের কষ্ট লাঘবের জন্য আমরা বিনা সুদে 'বিদেশে কর্মসংস্থান ঋণ' দেওয়ার প্রস্তাব করছি।
সঞ্চয়পত্র : ২০১০-১১ বাজেটে পারিবারিক সঞ্চয়পত্র ও পেনশন সঞ্চয়পত্র বাদে অন্যান্য সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর শতকরা ১০ শতাংশ হারে উৎসে কর কর্তনের এবং সুদ হ্রাসের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ফলে বিনিয়োগকারীরা সঞ্চয়পত্র থেকে বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে। আমরা তাই প্রস্তাব করছি সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার ওপর উৎসে কর কর্তন রহিত করা হোক। পেনশনভোগীদের জীবনযাত্রাকে কিছুটা মসৃণ করার জন্য মূল্যস্টম্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে পেনশন সঞ্চয়পত্রের সুদ এবং অন্যান্য সঞ্চয়পত্রের সুদ যৌত্তিকভাবে ধার্য করার প্রস্তাব করছি।
আয়করের নিম্নতম সীমা : বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রাজস্বের উৎস হিসেবে আয়করের গুরুত্ব ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাবে। কারণ বাণিজ্য উদারীকরণের ফলে আমদানি শুল্কের গুরুত্ব হ্রাস পাচ্ছে। সমাজে আয় বণ্টনে সুসাম্য প্রতিষ্ঠায় এই কর বিশেষ ভূমিকা পালন করে। চলতি অর্থবছরে কর আয়করমুক্ত আয়ের সীমা ছিল বার্ষিক ১,৬৫,০০০ টাকা, কিন্তু ব্যাপক মূল্যস্টম্ফীতির পরিপ্রেক্ষিতে এ সীমা পরিবর্তন করে ঊর্ধ্বমুখী করা প্রয়োজন। মূল্যস্টম্ফীতি ও বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের নিরিখে করমুক্ত আয়ের সীমা বার্ষিক ৩০০,০০০ টাকা নির্ধারণ করা সমীচীন বলে আমরা মনে করছি।
মূল্য সংযোজন কর : মূল্যসংযোজন কর বাংলাদেশের করব্যবস্থায় সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বহন করে। আমরা ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যসংযোজন কর সংগ্রহ সহজিকরণ, বিজ্ঞানসম্মতকরণ, যৌক্তিকিকরণ ও নিশ্চিতকরণের প্রস্তাব রাখছি। বর্তমান মূল্যস্টম্ফীতির পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে থোক হিসেবে ভ্যাট আদায়ের পরিমাণ শতকরা ২৫ ভাগ কমানো এবং এরই সঙ্গে জনজীবনে দুর্ভোগ লাঘবের লক্ষ্যে পরবর্তী অর্থবছরে ভ্যাটের আওতা আর সম্প্রসারণ না করারও প্রস্তাব করছি। অধিকন্তু আমরা ডাক্তারের ফি, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ফি, বাড়ি ভাড়া/স্থাপনা ও যাত্রী ভাড়ার ওপর মূল্যসংযোজন কর প্রত্যাহারের দাবি করছি।
বয়স্ক নিবাস নির্মাণ : বাংলাদেশে জনসংখ্যা বিন্যাসে পরিবর্তন এসেছে। বয়স্ক লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বৃদ্ধি পাচ্ছে পরমায়ু। ফলে সমাজে বেঁচে থাকা বয়স্ক লোকের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সামাজিক পরিবর্তনের ফলে একান্নবর্তী পরিবার ব্যবস্থাও বিলুপ্ত হওয়ার পথে। অনেক পিতা-মাতার সন্তান রুজি-রোজগারের প্রয়োজনে পিতা-মাতার আবাসস্থল থেকে অনেক দূরে এমনকি দেশের বাইরেও অবস্থান করছে। ফলে বয়োবৃদ্ধ লোকদের দেখভাল করা কিংবা সেবাযত্ন করার জন্য আপন কোনো লোক কাছে থাকছে না। এ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও কল্যাণের কথা চিন্তা করে আমরা প্রতি উপজেলায় প্রাথমিকভাবে একশ' শয্যা বিশিষ্ট একটি করে বয়স্ক নিবাস নির্মাণের প্রস্তাব করছি।
ডে-কেয়ার সেন্টার : বাংলাদেশে নারীদের গৃহস্থালির বাইরে কর্মসংস্থান ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। কিন্তু এদের অনেকেরই শিশু সন্তান আছে। তাদের দেখভালের ব্যাপারে এরা যদি কর্মস্থলে যাওয়ার সময় তাদের নিরাপদ কোনো আশ্রয়স্থলে রেখে যেতে পারে তাহলে এদের দুশ্চিন্তা লাঘব হতো। বর্তমানে কিছু সংখ্যক বড় প্রতিষ্ঠানে ডে-কেয়ার সেন্টার আছে। প্রয়োজনের তুলনায় এটি খুবই অপ্রতুল। আমরা মনে করি নারীকর্মীর সংখ্যা বিবেচনা করে সারাদেশের জন্য ডে-কেয়ার ব্যবস্থা গড়ে তোলা আবশ্যক। ফলে নারীর ক্ষমতায়ন জোরদার হবে। নারীদের পক্ষে গৃহস্থালির বাইরে কর্মসংস্থানের সুযোগ গ্রহণে সহায়ক হবে।
বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প : বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির তুলনায় অবকাঠামোগত স্বল্পতা সর্বজনবিদিত। প্রবৃদ্ধির চাকাকে সচল রাখতে হলে এবং আগামী দিনে উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে হলে বৃহৎ অবকাঠামো গঠনের কোনো বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে এখন থেকেই সম্ভাব্যতা যাচাই, প্রকল্প প্রণয়ন ও সম্পদ সংগ্রহের কাজে হাত দিতে হবে। আমরা যে সব প্রকল্পের কথা ভাবছি তার মধ্যে রয়েছে, রাজধানী ঢাকার সঙ্গে সব বিভাগীয় শহরের হাইস্পিড (ঘণ্টায় ২৫০ কিঃমিঃ - ৩০০ কিঃমিঃ গতিসম্পন্ন) ট্রেন চালু করা, ঢাকা-চট্টগ্রামের মধ্যে ছয় লেন সড়ক নির্মাণ, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ এবং রেল যোগাযোগসহ দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণ।
দ্বিতীয় যমুনা সেতু : বিদ্যমান যমুনা সেতু পরিবহনের প্রবল চাপের মধ্যে আছে। এ সেতুতে রেল চলাচলের যে ব্যবস্থা আছে তাতে ট্রেন খুব ধীরগতিতে চলে। তবে এরকম আরও একটি সেতু যে অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতার বিচারে অত্যন্ত কার্যকর তা বিদ্যমান যমুনা সেতু প্রমাণ করেছে। আমরা রেল যোগাযোগসহ দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভব করছি।
বস্ত্রশিল্প : বাংলাদেশি স্পিনিং মিলগুলো এক সংকটকাল অতিক্রম করছে। হাজার হাজার টন সুতা অবিক্রীত অবস্থায় মিলগুলোর গোডাউনে পড়ে আছে। যারা স্পিনিং মিলগুলো থেকে সুতা কিনে রফতানির কাজে ব্যবহার করে তারা ইতিমধ্যে ভারত থেকে কম মূল্যে সুতা আমদানি করে গুদামজাত করছে। ভারত বস্ত্র ও স্পিনিং সেক্টরে বিশেষ সুবিধা দিয়ে চলেছে। ফলে বাংলাদেশি স্পিনিং মিলগুলো ভারতের সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতায় নিক্ষিপ্ত হয়েছে। দেশীয় স্পিনাররা উৎপাদন খরচের চেয়েও কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে আমাদের দেশের স্পিনিং, উইভিং, ড্রায়িং ও ফিনিশিং খাতের অধিকাংশ শিল্প কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। বর্তমানে দেশের ৩৪১টি স্পিনিং মিলের মধ্যে ৩৪টিই বন্ধ হয়ে গেছে। সংকট অব্যাহত থাকলে মিল উদ্যোক্তারা ঋণখেলাপি হয়ে যাবে এবং শ্রমিকরা হয়ে পড়বে বেকার। মিলগুলোকে ঋণদানকারী ব্যাংকগুলোও সংকটে পড়বে।
জাতীয় স্বার্থে স্পিনিং ও টেক্সটাইল সেক্টর এবং তৈরি পোশাক রফতানিকারকদের স্বার্থ সমন্বয় করে দেশীয় শিল্পের উৎপাদন এবং কর্মসংস্থান সুরক্ষিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে আমাদের প্রস্তাব হলো :
ক) ভারত স্পিনিং ও বস্ত্রখাতে ডাম্পিং করছে কি-না তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিষয়টি যথাযথ আন্তর্জাতিক সংস্থায় উত্থাপনের পরামর্শ দিচ্ছি।
খ) বস্ত্রখাতে নগদ সহায়তা ৫% এর পরিবর্তে ৮% করতে হবে।
গ) টেক্সটাইল পুনর্বাসন ফান্ড গঠন করতে হবে।
ঘ) টেক্সটাইল ও স্পিনিং সেক্টরের জন্য সুদের হার কমাতে হবে।
ঙ) তাঁত শিল্পের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ অর্থ প্রণোদন প্রদান করতে হবে।
সংকট ঘনীভূত হচ্ছে : চলতি অর্থবছরে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যে চিত্র আমরা দেখতে পাই তা নৈরাশ্য ছাড়া কোনো আশার আলো দেখায় না। সরকারি মহল দাবি করছে, চলতি অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার হবে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ। অথচ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রাক্কলন অনুযায়ী এ প্রবৃদ্ধির হার ৬ দশমিক ৩ শতাংশের বেশি নয়। দেশীয় একটি থিংকট্যাঙ্ক ও বিশ্বব্যাংকও প্রায় একই ধরনের প্রাক্কলন করেছে। দেশে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের ফলে এবং প্রশাসনের ওপর অযাচিত হস্তক্ষেপের ফলে বিনিয়োগের পরিবেশ দারুণভাবে বিঘি্নত। নতুন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ প্রদান বন্ধ রাখা হয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। ফলে রিয়েল এস্টেট সেক্টরের মতো খাতও দারুণ সংকটে নিপতিত।
রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৪১ শতাংশ, একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে ৫১ শতাংশ। বিদেশ থেকে প্রেরিত অর্থেও (রেমিটেন্স) নামমাত্র প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।
দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ হতাশাব্যঞ্জক। সরকারি বিনিয়োগ কমে আসায় সামগ্রিক বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় আরও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
সরকার খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দাবি করছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো_ বিদেশ থেকে খাদ্য আমদানি করা হচ্ছে। সারাবিশ্বে যেখানে মার্কিন ডলারের মূল্যমান কমছে, সেখানে বাংলাদেশে টাকার বিপরীতে ডলারের মূল্যমান বাড়ছে। শেয়ারবাজারের বিপর্যয় থেকে ফায়দা লুটকারীগোষ্ঠী কর্তৃক ডলার পাচার, ওভার ইনভয়েসিং, আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে ডলার পাচার মূলত ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্যমান কমার অন্যতম কারণ।
কী রকম বাংলাদেশ দেখতে চাই : সাধারণ মানুষের মধ্য থেকে উঠে আসা তরুণ যোদ্ধা ও সৈনিকরা দলমত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু স্বাধীনতার পরপর তাদের স্বপ্ন ভেঙে গিয়েছিল।
আমাদের ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ও লক্ষ্য হচ্ছে, পরিবর্তিত বিশ্ব ব্যবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং পরিবেশ বিপর্যয় মোকাবেলায় সক্ষম এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে ক্ষুধা, অপুষ্টি, অশিক্ষা, সামাজিক অবিচার, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং শোষণ, বঞ্চনা ও কোনো ধরনের বৈষম্য থাকবে না। আমরা আগামী দশকের মধ্যে বাংলাদেশকে বিশ্বসভায় সম্মান ও মর্যাদার আসনে আসীন দেখতে চাই। সে লক্ষ্য ও স্বপ্ন বাস্তবায়নকল্পে_ বিশ্বাসযোগ্য এবং পক্ষপাতহীন নির্বাচন অনুষ্ঠানের নিশ্চয়তা; কার্যকর এবং জবাবদিহিতামূলক সংসদের নিশ্চয়তা; একটি স্বাধীন, দক্ষ, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বিবর্জিত এবং দুর্নীতিমুক্ত বিচার ব্যবস্থা; মানবাধিকার সংরক্ষণ এবং আইনের শাসনের নিশ্চয়তা; দক্ষ, দুর্নীতিমুক্ত এবং দল-নিরপেক্ষ গণ এবং পুলিশ প্রশাসন গড়ে তোলা।
প্রশাসনিক : আমরা একটি দক্ষ, গতিশীল, যুগ-উপযোগী ও গণমুখী প্রশাসন গড়ে তুলতে চাই। সেই লক্ষ্যে :স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিতামূলক নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়া চালু করা; স্বচ্ছ এবং দলীয় প্রভাবমুক্ত সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা; সকল পর্যায়ে ব-মড়াবৎহধহপব চালু; স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশনকে সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা।
অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা : আমরা এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা ও নীতি কাঠামো গড়ে তুলতে চাই যার মাধ্যমে ২০১৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ দ্রুত দারিদ্র্যমুক্ত একটি মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পথে এগিয়ে যাবে। সেই লক্ষ্যে :কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, বাণিজ্যিকীকরণ এবং বহুমুখীকরণ; শিল্পখাতে অধিকতর প্রবৃদ্ধি অর্জন; সেবা খাতকে দরিদ্র মানুষের নিছক টিকে থাকার আশ্রয়স্থল থেকে সর্বাত্মক সমৃদ্ধির বাহনে রূপান্তরিত করা; রফতানি খাতের বহুমুখীকরণ; বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের চাহিদার নিরিখে বিশ্বায়নের বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দেশীয় বাজারমুখী শিল্পায়ন।
বৈদেশিক শ্রমবাজার : আমরা এমন একটি মানবসম্পদ উন্নয়ন নীতি চাই যার মাধ্যমে সম্ভব হবে :বিদেশে রফতানিযোগ্য শ্রমিকদের দক্ষ শ্রমিকরূপে গড়ে তোলা; বিদেশের শ্রমবাজারে দক্ষ নার্সদের বিরাট চাহিদার সুযোগ গ্রহণের জন্য দেশে প্রতিটি বিভাগীয় শহরে উচ্চ মানের নার্সিং ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা। এক কথায় বিদেশে প্রেরণযোগ্য শ্রমশক্তির কারিগরি ও প্রযুক্তিগত মান উন্নয়ন।
স্বাস্থ্যবান জাতি : আমরা একটি স্বাস্থ্যবান জাতি গঠনকল্পে জনগণের স্বাস্থ্যসেবা ও সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে একটি বাস্তবসম্মত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণনীতি প্রণয়ন করতে চাই। যার লক্ষ্যে হবে :আগামী দশকের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার আরও উলেল্গখযোগ্য পর্যায়ে নামিয়ে আনার জন্য প্রণোদনা ও বস্তুগত সহায়তা প্রদান; গরিব ও বঞ্চিত শ্রেণীর মানুষদের অগ্রাধিকার দিয়ে নাগরিকদের জন্য নিবারণ ও নিরাময়মূলক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ, আওতা ও পরিধি এবং মান উন্নত করা। শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার আরও নামিয়ে আনতে এবং তাদের অপুষ্টি থেকে বাঁচাতে শিশু ও মাতৃসেবার উন্নয়ন।
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
- ► 2026 (1771)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
-
▼
2012
(33842)
-
▼
May
(3361)
-
▼
May 19
(24)
- শেয়ারবাজারে আশার আলো
- পবিত্র কোরআনের আলো-তোমরা সবাই মিলে আল্লাহর রজ্জুকে...
- শেয়ারবাজার : যেসব দিকে দৃষ্টি দিতে হবে by সৈয়দ মাহ...
- আরেকটি যুদ্ধ কি অনিবার্য? by ড. তারেক শামসুর রেহমান
- চরাচর-সোনারঙের যমজ মঠ by আলম শাইন
- কাইয়ুম চৌধুরী বড় মাপের শিল্পী by বোরহানউদ্দিন খান...
- ইতি-নেতি-তিনি বিজয়িনী, যিনি অন্যকে পুরস্কৃত করেন b...
- পাকিস্তান-আইএসআই কেন মিথ্যা বলছে? by হামিদ হারুন
- বিএনপির বাজেট ভাবনা
- মুণ্ডা বিদ্রোহের মহানায়ক by মানিক সরেন
- শিক্ষা-সৃজনশীল পদ্ধতি বনাম নোটবই by মাহফুজুর রহমান...
- সমসময়-মোহাম্মদ কিবরিয়া_ কালোই যাঁর জন্য সেরা by আত...
- পণ্যভর্তি ট্রাক ছিনতাই-নিরাপদ মহাসড়ক কি অসম্ভব?
- বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক-ইতিবাচক অগ্রগতির প্রত্যাশা
- সনদসর্বস্ব কারিগরি শিক্ষার দায় কার? by পাপন বড়ুয়া ...
- দক্ষিণের হাওয়া বদল by জেডএ মামুন ও ইমাদুল হক প্রিন্স
- শিক্ষকদের পদমর্যাদা বৃদ্ধি বনাম শিক্ষার মান by মোঃ...
- নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন by ইকবাল...
- আমাদের ক্ষমা করবেন না, স্যার by মাহফুজুর রহমান মানিক
- স্মরণ-শহীদ মুক্তিযোদ্ধা এ কে শামসুদ্দিন by সৈয়দ মা...
- কালের আয়নায়-সরকার হার্ডলাইনে গিয়ে লাভবান হবে কি? b...
- আশুগঞ্জের স্মৃতিসৌধ-দক্ষতা ও দূরদর্শিতা কাম্য
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়-নতুন উপাচার্যের কাছে প্...
- সময়ের প্রতিধ্বনি-অনেক 'ফ্রন্ট' খুলে ফেলেছে সরকার b...
-
▼
May 19
(24)
-
▼
May
(3361)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
যুক্তরাষ্ট্র
দেশে দেশে
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ইসরায়েল
ফুটবল খেলা
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
ফিলিস্তিন
Lead
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
কালবেলা
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
মুসলিম
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সাক্ষাৎকার
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ইউরোপ
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
সৌদি আরব
অমানবিক
পশ্চিমবঙ্গ
আলোকিত চট্টগ্রাম
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
আফ্রিকা
মাদক
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
সংখ্যালঘু
প্রবাস
ছুটির দিনে
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
সৈয়দ আবুল মকসুদ
তুরস্ক
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
আফগানিস্তান
গোল্লাছুট
বইপত্র
অন্য আলো
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
দুর্ঘটনা
অপহরণ
ইউক্রেন
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
হিন্দু
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
স্বাস্থ্য
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
নেপাল
আসিফ নজরুল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
জ্যোতির্বিজ্ঞান
সড়ক দুর্ঘটনা
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
কক্সবাজার
এ এম এম শওকত আলী
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
জাপান
রঙের মেলা
লেবানন
ঐতিহ্য
শিল্প
কুমিল্লা
জীবনযাপন
মুক্তমত
মাহমুদুর রহমান
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
যশোর
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
Exclusive
আবুল মোমেন
চিকিৎসা
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
কলকাতা
মেহেদী হাসান
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
তথ্য প্রযুক্তি
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
ব্রাজিল
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
ইয়েমেন
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
তুহিন ওয়াদুদ
উত্তর কোরিয়া
জলবায়ু ও পরিবেশ
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
কালি ও কলম
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
কুষ্টিয়া
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
জাতীয় নাগরিক পার্টি
নিবন্ধ
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
উচ্চশিক্ষা
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
জনস্বাস্থ্য
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
প্রযুক্তি
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
কাতার
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
ঝড় ও দুর্যোগ
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
শিশির মোড়ল
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
লাতিন আমেরিকা
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আরব আমিরাত বা দুবাই
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
লিবিয়া
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
আসজাদুল কিবরিয়া
ছিনতাই
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
ইসলাম
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
Fantastic
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
জোহরান মামদানি
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
যৌন অপরাধ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জলবায়ু পরিবর্তন
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
কিশোর আলো
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইহুদি
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
স্পেন
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
গণমাধ্যম
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কলম্বিয়া
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
চিঠিপত্র
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
সোমালিয়া
স্মৃতি
হংকং
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কুয়েত
চুক্তি
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
ওমান
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শেরপুর
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
রাজবাড়ী
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
পোল্যান্ড
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment