Sunday, May 3, 2015
বাংলাদেশের ডিএনএতে গণতন্ত্র আছে -সাক্ষাৎকারে : মার্শা বার্নিকাট by কামাল আহমেদ
বাংলাদেশের ডিএনএতে গণতন্ত্র আছে -সাক্ষাৎকারে : মার্শা বার্নিকাট by কামাল আহমেদ
ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট ২১ এপ্রিল প্রথম আলো কার্যালয়ে এলে তাঁর এই সাক্ষাৎকারটি নেওয়া হয়। বাংলাদেশের কোনো সংবাদমাধ্যমে এটিই তাঁর প্রথম সাক্ষাৎকার
প্রথম আলো : গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব সংলাপের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যেকার সম্পর্ককে আপনি কীভাবে বর্ণনা করবেন?
মার্শা বার্নিকাট : গত অক্টোবরের তুলনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আপনি যদি বিভিন্ন কার্যক্রমের দিকে তাকান তাহলে আপনি দেখবেন সকল পর্যায়ে অনেকগুলো সফর সম্পন্ন হয়েছে। এ সময়ে আমরা পাঁচজন সহকারী মন্ত্রীর সফর দেখেছি, যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রায় নজিরবিহীন। আমরা পদস্থ সামরিক কর্তাদেরও সফর করতে দেখেছি। যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর উপ-অধিনায়ক জেনারেল বিলটন গত সপ্তাহেই ঢাকা ঘুরে গেছেন। এগুলো কয়েকটি দৃষ্টান্ত মাত্র।
আমাদের মধ্যে কয়েকটি সফর বিনিময়ও হয়েছে। আমার মনে হয় গত অক্টোবরের পর থেকে আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার এবং গভীর হয়েছে।
প্রথম আলো : কিন্তু একটা ধারণা চালু আছে যে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে একটা যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছিল, গত অক্টোবরের দ্বিপক্ষীয় সংলাপের পর তা চাপা দেওয়া হয়েছে। আপনি এসব সফরের কারণে সম্পর্ক অনেক জোরদার হওয়ার কথা বলেছেন। তাহলে কি পর্দার আড়ালে রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনা চলছে , নাকি তা উভয় পক্ষই পুরোপুরি ভুলে গেছে?
মার্শা বার্নিকাট : নির্বাচন নিয়ে আমাদের অবস্থান খুবই স্পষ্ট এবং তা জানিয়েছি। এখন আমি যে বিষয়ে দৃষ্টি দিতে চাই তা হচ্ছে ভবিষ্যতের দিকে। ভবিষ্যৎ নিয়ে সংলাপ চালিয়ে যেতে হবে।
প্রথম আলো : বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা কাঠামোর চুক্তি, টিকফা সম্পর্কে এ দেশে একটা ধারণা তৈরি হয়েছিল যে চুক্তিটি হলে রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বা জিএসপি সুবিধা ফিরে পাওয়া যাবে। কিন্তু তা হয়নি। বিষয়টি যে এ দেশে বড় হতাশার কারণ হয়েছে, সেটা কি ওয়াশিংটন অনুভব করে?
মার্শা বার্নিকাট : জিএসপি নিয়ে হতাশা এবং ক্ষোভ তা ওয়াশিংটনের ভুলের কারণে নয়। টিকফা এবং জিএসপি একটি অন্যটির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। জিএসপি স্থগিতের বিষয়টি ছিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তার বিষয়ে আমাদের উদ্বেগের কারণে। অবশ্য, গত দুই বছরে বাংলাদেশের সরকার এবং শিল্প খাত এ ক্ষেত্রে অনেক উন্নতি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এ ক্ষেত্রে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আমি অবশ্য এটা বলতে পছন্দ করি যে বিশ্বের আর কোথাও এমন নজির নেই যেখানে স্বাগতিক সরকার ও তার অংশীদারেরা—শিল্পমালিক, শ্রমিক ইউনিয়ন এবং ক্রেতারা একজোট হয়েছেন। রানা প্লাজা ধসের ঘটনা যে কারণে হয়েছিল তেমনটি যাতে আর না হয়, সে জন্য সমস্যাটি মোকাবিলায় এরা সবাই একজোট হয়ে কাজ করছে। জিএসপি পুনরুজ্জীবনের বিষয়টি আসলে এসব উদ্বেগ নিরসনের সঙ্গে সম্পর্কিত। আর, টিকফা হচ্ছে আরও বৃহত্তর পরিসর—বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কের উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনার জায়গা। কীভাবে বাণিজ্য বাড়ানো যায়, কীভাবে বাণিজ্যের বাধাগুলো দূর করা যায়, সেগুলোর দিকে নজর দেওয়া। বিনিয়োগও এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জিএসপি পুনরুজ্জীবনের বিষয়টি নির্দিষ্ট খাতে কতটুকু অগ্রগতি হয়েছে, তার ওপর নির্ভরশীল। অর্জিত অগ্রগতিতে আমরা আনন্দিত, কিন্তু শ্রমিকদের অধিকারের বিষয়ে কিছু ইস্যুতে এখনো ব্যবস্থা নেওয়া বাকি। ইউনিয়নকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া, একটি ভালো স্বচ্ছ ওয়েবসাইট, শ্রম মন্ত্রণালয়ে শ্রম অধিকারের বিষয়ে সহায়তা দেওয়ার জন্য উপযুক্ত কাঠামো তৈরি এবং বিরোধ নিষ্পত্তি—বিশেষ করে মধ্যস্থতার ব্যবস্থা।
প্রথম আলো : বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে কোন অভিযোগটি সবচেয়ে বেশি আপনি শুনেছেন?
মার্শা বার্নিকাট : আমি ৩৪ বছর ধরে চাকরি করছি, কিন্তু এর আগে এমন কোনো দেশে আমি কাজ করিনি, যেখানে এতটা প্রাণবন্ত বাণিজ্যিক স্বার্থ রয়েছে। আমি ভারতে কাজ করেছি, যখন মনমোহন সিং অর্থমন্ত্রী হিসেবে সংস্কারের প্রক্রিয়া কেবল শুরু করেছেন, যেগুলো না হলে সেখানকার পরিস্থিতি অন্য রকম থাকত। আমি বিনিয়োগকারী অনেকগুলো কোম্পানির সঙ্গে কথা বলেছি। আমি এখানে দায়িত্ব নেওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রে দুই দফা কথা বলেছি। আমি জানতে চেয়েছি যে বাংলাদেশের পরিবেশ সবচেয়ে প্রতিকূল কারও মনে হয়েছে কি না? কেউ হাত তোলেনি। এটা আমার কাছে খুবই উৎসাহজনক মনে হয়েছে। তবে, তারা পরপরই বলেছে যে বাংলাদেশে তারা যে সমস্যার মুখোমুখি হয় তা হচ্ছে সুশাসনের সমস্যা।
এগুলো হচ্ছে আইনকানুনের সমস্যা, বিরোধ মীমাংসার সুযোগ পাওয়ার সমস্যা। পুরো স্বচ্ছতার প্রশ্ন। বড় ধরনের অবকাঠামোগত প্রশ্ন —বিশেষ করে জ্বালানি এবং পরিবহনব্যবস্থায়। সরকার এগুলো সমাধানের চেষ্টা করছে। তবে আমার ধারণা, সব দেশেই এসব সমস্যা কোনো না কোনো মাত্রায় আছে। গত মাসেই আমি যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ করতে শুনেছি যে তাদের সে দেশেও আমলাতন্ত্র এবং আইনের বাধাগুলো অতিক্রম করতে হয়।
প্রথম আলো : অনেক পর্যবেক্ষকই বলে থাকেন যে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিষয়ে সহযোগিতা যতটা গভীর অন্যান্য বিষয়ে ততটা নয়। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের এটা কি যথাযথ বর্ণনা?
মার্শা বার্নিকাট : মোটেও না। এ কথা ঠিক যে আমাদের নিরাপত্তাজনিত সহযোগিতা খুবই সচল এবং দৃশ্যমান। আমাদের মহড়া হয়, প্রশিক্ষণ চলছে—যেগুলো দৃশ্যমান। কিন্তু আমি এমন কোনো ক্ষেত্রের কথা ভেবে পাচ্ছি না, যেখানে আমরা কাজ করছি না। হয়তোবা মহাকাশ গবেষণা ছাড়া। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রও (নাসা) বাংলাদেশকে বনাঞ্চল এবং বন উজাড়ীকরণের নির্ভুল মানচিত্র তৈরিতে সহায়তা করছে। আমি যখন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কথা বলি, তখন আমি সেটিকে অংশীদারত্ব বলতে পছন্দ করি, সেটা হোক সামরিক বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা, ইউএসএআইডির সঙ্গে আলোচনা কিংবা বিচার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা। অবশ্যই এসব ক্ষেত্রে যাঁরা কাজ করেন, তাঁরা শুধু যে একটু ভালো জায়গায় কাজ করছেন, সে কথাই বলেন তা নয়, তাঁরা সহযোগিতার মান এবং একে অন্যের সঙ্গে মিলে কাজ করায় আনন্দের কথা বলেন। এই সহযোগিতার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে কী পেয়েছে, সেটি নিয়েও যে তাঁরা কতটা আলোচনা করেন, তা আমি বলে বোঝাতে পারব না। একটা পুরোনো উদাহরণ হচ্ছে, খাওয়ার স্যালাইন যেটি একজন বাংলাদেশি উদ্ভাবন করেছেন ইউএসএআইডির একটি প্রকল্পে এবং যেটি সারা বিশ্বে জীবন রক্ষা করছে। এটি বাংলাদেশ বিশ্বকে দিয়েছে এবং তা সম্ভব হয়েছে সহযোগিতার কারণে। সাম্প্রতিক আরেকটি উদাহরণ হলো ওরেগনের পোর্টল্যান্ড শহরের পুলিশ। ওরেগনের ন্যাশনাল গার্ডের সঙ্গে সহযোগিতার আওতায় সেখানকার পুলিশ সদস্যরা বাংলাদেশে এসে পুলিশকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। কিন্তু সে সময়ে তারা এখান থেকে ইসলাম এবং সংখ্যালঘুদের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয় অনেক কিছু জানতে পেরেছে, যেটা তাদের রাজ্যে কাজে লাগছে।
প্রথম আলো : যুক্তরাষ্ট্র সরকার র্যাবের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং নির্যাতনের অভিযোগের কারণে বাহিনীটিকে সরকারি সহায়তা বন্ধ রেখেছে। অথচ বাহিনীটির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন যে পাশ্চাত্যের সরকারগুলো, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য এটি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছে। সম্ভবত তাদের নির্দেশনায় ভুল ছিল।
মার্শা বার্নিকাট : দেখুন, আমি আপনাকে দুটো কথা বলতে চাই। প্রথমত, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের ধারণাটিই হচ্ছে একটি বিশেষ ধারণা— সন্ত্রাসবাদ ও আন্তদেশীয় অপরাধ, যেগুলো খুব জঘন্য প্রকৃতির এবং সার্বভৌম সরকারের জন্য মোকাবিলা করা কঠিন, সেগুলোর জন্য প্রতিষ্ঠিত। আমরা এখনো র্যাবের সঙ্গে কাজ করছি, তবে খুব সুনির্দিষ্টভাবে। আমরা র্যাবের একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত সেল গঠনে সাহায্য করছে। যেকোনো সরকারি সংস্থা যদি নাগরিকদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করে, তাহলে তা শেষ পর্যন্ত তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ বলেই গণ্য হয়। উদাহরণ হিসেবে বলি যে আমরা যদি একই দেশের নাগরিক হয়ে সব সময় ভয়ে থাকি যে কখন না জানি পুলিশ আমার দরজায় হাজির হয়, শঙ্কিত হই যে আমাকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হতে পারে কিংবা রাতের বেলায় নিয়ে যাওয়া হতে পারে, আমার ওপর চেতনানাশক অস্ত্র ব্যবহার করা হবে বা আমাকে হত্যা করা হবে, তাহলে ওই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যর্থ বলে গণ্য হবে। র্যাবের জন্যও এটা প্রযোজ্য।র্যাব কী করছে, কীভাবে করছে এবং তার কোনো সদস্য যদি ভুল করে তাহলে তার প্রতিকার কী? যুক্তরাষ্ট্রে যখনই কোনো পুলিশ অফিসার কিংবা আইন প্রয়োগকারী অথবা এফবিআই শক্তি প্রয়োগ করে, তখন তাদের জন্য শক্তি প্রয়োগের আইন আছে। তারা সেটা প্রয়োগ করলে ব্যাখ্যা করতে কেন তা করা হলো। এরপর তা তদন্ত করা হয় এবং যদি মনে হয় যে শক্তি প্রয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম মানা হয়নি তাহলে তার জন্য তাদের জবাবদিহি করতে হয়। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আমরা সেটিই আলোচনা করছি। নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় যে তদন্ত হচ্ছে, সেই খবরকে আমরা স্বাগত জানাই।
প্রথম আলো : দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এ রকম একটিঅস্বস্তিকরবিষয়ের কথা যদি জানতে চাই তাহলে কী বলবেন?
মার্শা বার্নিকাট : এটা একটা চতুর প্রশ্ন। কোনো অস্বস্তিকর বিষয় কি আছে? অবশ্যই আছে। তবে, এমন নয় যে তা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আমাদের সম্পর্ক যে কত সুদৃঢ় এটা তার একটি লক্ষণ। আমাদের সম্পর্কের ভিত্তিটা অনেক দৃঢ়। আমাদের অভিন্ন মূল্যবোধ রয়েছে। গণতন্ত্র যেমন বাংলাদেশের ডিএনএতে রয়েছে, তেমনি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিএনএতে। মানুষ যখন কোনো একটা কিছু পছন্দ করে না তখন প্রতিবাদ করে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আমাদের যেখানে চ্যালেঞ্জ রয়েছে সেটা হলো মানবাধিকার, গুম এবং বিচারবহির্ভূত খুনের মতো বিষয়গুলো নিয়ে শক্ত আলোচনা। তবে বাংলাদেশ কখনো বলে না যে আমরা এগুলো নিয়ে কথা বলব না, কাজ করব না। এ ধরনের আলোচনা আমরা আমাদের অন্য বন্ধুদের সঙ্গেও করে থাকি। এটিকে বিঘ্নসৃষ্টিকারী বা উত্তেজক বিষয় তখনই বলা যেত, যখন আলোচনা বন্ধ হয়ে যেত।
প্রথম আলো : ফেব্রুয়ারি মাসে আমরা শুনেছিলাম পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেরি ঢাকা সফরে আসবেন। সফরটি কি হচ্ছে?
মার্শা বার্নিকাট : আমি যতদূর জানি, এখনই নয়। আপনি যদি আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দিকে খেয়াল করে থাকেন তাহলে দেখে থাকবেন তিনি খুবই সক্রিয় কূটনীতিক। তিনি অনেকগুলো উদ্যোগ নিয়েছেন—মধ্যপ্রাচ্যে, বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে কাজ করছেন। কিন্তু আমি যতদূর জানি তাঁর ঠাসা সফরসূচি রয়েছে।
প্রথম আলো : বিএনপির প্রধান খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর আপনি এবং আরও কয়েকজন কূটনীতিক তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। এরপর উত্তেজনা কিছুটা কমল এবং সিটি নির্বাচন ঘোষিত হওয়ায় সবাই তাতে অংশ নিচ্ছে। অনেকের বিশ্বাস, এর পেছনে কোনো ধরনের সংলাপ হয়েছে।
মার্শা বার্নিকাট : না, আমি কোনো সংলাপের কথা জানি না। আমরা উদারমনা কয়েকজন বাংলাদেশের বন্ধু সহিংসতা এবং প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বিগ্ন ছিলাম এবং সে কারণে উভয় নেত্রীর কাছে গিয়েছি এবং বিস্তারিত আলোচনা করেছি। উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং মৃত্যুর হার বাড়তে থাকা প্রতিটি নাগরিক এবং বাংলাদেশের জন্য ছিল একটা গুরুতর বিষয়। আপনি এ ধরনের অস্থিরতার বিপদ সম্পর্কে জানেন। আমরা উভয়ের কাছে আমাদের উদ্বেগ তুলে ধরে উত্তেজনা প্রশমন এবং রাজনৈতিক মতপার্থক্য আলোচনার মাধ্যমে দূর করা ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বজায় রাখার উপায় সন্ধানের জন্য তাঁদের বলেছি। উভয় পক্ষের কাছে আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরার কাজটিই আমরা করেছি। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা ওই সব আলোচনা করতে পারার জন্য আনন্দিত এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় আমরা উৎসাহবোধ করছি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আবার গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে।
প্রথম আলো : আপনি যখন আপনার মেয়াদ শেষ করবেন, তখন এই দুই দেশের সম্পর্ককে কোথায় দেখতে চান?
মার্শা বার্নিকাট : আমি এর উত্তরে যেটা বলতে চাই, প্রথমত, অংশীদার এবং সমর্থনকারী হিসেবে বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা যাতে অর্জন করতে পারে, সে জন্য আমাদের একটা জোরালো ভূমিকা। এবং বাংলাদেশ জানে যে এটি সাহায্যের মাধ্যমে হবে না, যদিও সাহায্য গুরুত্বপূর্ণ। এটা হবে বাণিজ্য ও শিল্পের মাধ্যমে। বাণিজ্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে, সেটা বলতে পারলে আমি খুশি হব। যদিও আমি কোনো সংখ্যা এখন বলব না। দুই দিকেই বিনিয়োগ বাড়বে। আমরা এখনই বাংলাদেশের রপ্তানির এক নম্বর ভোক্তা এবং তার জন্য আমরা গর্ববোধ করি। তবে, আমি বলতে চাই যে রপ্তানি দুই দিকেই আরও বাড়বে। আমি আমার মেয়াদ শেষে বলতে চাই যে বাংলাদেশেও যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি বেড়েছে। আমরা অন্যান্য ইস্যুতেও সহযোগিতা বাড়িয়েছি। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার বিষয়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে বিশ্ব শিক্ষা নিচ্ছে। আমি বাংলাদেশের নারীদের অবস্থার অব্যাহত উন্নয়নও দেখতে চাই।
প্রথম আলো : আমাদের সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
মার্শা বার্নিকাট : আপনাকেও ধন্যবাদ।
প্রথম আলো : গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব সংলাপের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যেকার সম্পর্ককে আপনি কীভাবে বর্ণনা করবেন?
মার্শা বার্নিকাট : গত অক্টোবরের তুলনায় দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আপনি যদি বিভিন্ন কার্যক্রমের দিকে তাকান তাহলে আপনি দেখবেন সকল পর্যায়ে অনেকগুলো সফর সম্পন্ন হয়েছে। এ সময়ে আমরা পাঁচজন সহকারী মন্ত্রীর সফর দেখেছি, যা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্রায় নজিরবিহীন। আমরা পদস্থ সামরিক কর্তাদেরও সফর করতে দেখেছি। যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর উপ-অধিনায়ক জেনারেল বিলটন গত সপ্তাহেই ঢাকা ঘুরে গেছেন। এগুলো কয়েকটি দৃষ্টান্ত মাত্র।
আমাদের মধ্যে কয়েকটি সফর বিনিময়ও হয়েছে। আমার মনে হয় গত অক্টোবরের পর থেকে আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার এবং গভীর হয়েছে।
প্রথম আলো : কিন্তু একটা ধারণা চালু আছে যে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে একটা যে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছিল, গত অক্টোবরের দ্বিপক্ষীয় সংলাপের পর তা চাপা দেওয়া হয়েছে। আপনি এসব সফরের কারণে সম্পর্ক অনেক জোরদার হওয়ার কথা বলেছেন। তাহলে কি পর্দার আড়ালে রাজনৈতিক বিষয়ে আলোচনা চলছে , নাকি তা উভয় পক্ষই পুরোপুরি ভুলে গেছে?
মার্শা বার্নিকাট : নির্বাচন নিয়ে আমাদের অবস্থান খুবই স্পষ্ট এবং তা জানিয়েছি। এখন আমি যে বিষয়ে দৃষ্টি দিতে চাই তা হচ্ছে ভবিষ্যতের দিকে। ভবিষ্যৎ নিয়ে সংলাপ চালিয়ে যেতে হবে।
প্রথম আলো : বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা কাঠামোর চুক্তি, টিকফা সম্পর্কে এ দেশে একটা ধারণা তৈরি হয়েছিল যে চুক্তিটি হলে রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বা জিএসপি সুবিধা ফিরে পাওয়া যাবে। কিন্তু তা হয়নি। বিষয়টি যে এ দেশে বড় হতাশার কারণ হয়েছে, সেটা কি ওয়াশিংটন অনুভব করে?
মার্শা বার্নিকাট : জিএসপি নিয়ে হতাশা এবং ক্ষোভ তা ওয়াশিংটনের ভুলের কারণে নয়। টিকফা এবং জিএসপি একটি অন্যটির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। জিএসপি স্থগিতের বিষয়টি ছিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তার বিষয়ে আমাদের উদ্বেগের কারণে। অবশ্য, গত দুই বছরে বাংলাদেশের সরকার এবং শিল্প খাত এ ক্ষেত্রে অনেক উন্নতি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এ ক্ষেত্রে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। আমি অবশ্য এটা বলতে পছন্দ করি যে বিশ্বের আর কোথাও এমন নজির নেই যেখানে স্বাগতিক সরকার ও তার অংশীদারেরা—শিল্পমালিক, শ্রমিক ইউনিয়ন এবং ক্রেতারা একজোট হয়েছেন। রানা প্লাজা ধসের ঘটনা যে কারণে হয়েছিল তেমনটি যাতে আর না হয়, সে জন্য সমস্যাটি মোকাবিলায় এরা সবাই একজোট হয়ে কাজ করছে। জিএসপি পুনরুজ্জীবনের বিষয়টি আসলে এসব উদ্বেগ নিরসনের সঙ্গে সম্পর্কিত। আর, টিকফা হচ্ছে আরও বৃহত্তর পরিসর—বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্কের উন্নয়নের বিষয়ে আলোচনার জায়গা। কীভাবে বাণিজ্য বাড়ানো যায়, কীভাবে বাণিজ্যের বাধাগুলো দূর করা যায়, সেগুলোর দিকে নজর দেওয়া। বিনিয়োগও এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জিএসপি পুনরুজ্জীবনের বিষয়টি নির্দিষ্ট খাতে কতটুকু অগ্রগতি হয়েছে, তার ওপর নির্ভরশীল। অর্জিত অগ্রগতিতে আমরা আনন্দিত, কিন্তু শ্রমিকদের অধিকারের বিষয়ে কিছু ইস্যুতে এখনো ব্যবস্থা নেওয়া বাকি। ইউনিয়নকে রেজিস্ট্রেশন দেওয়া, একটি ভালো স্বচ্ছ ওয়েবসাইট, শ্রম মন্ত্রণালয়ে শ্রম অধিকারের বিষয়ে সহায়তা দেওয়ার জন্য উপযুক্ত কাঠামো তৈরি এবং বিরোধ নিষ্পত্তি—বিশেষ করে মধ্যস্থতার ব্যবস্থা।
প্রথম আলো : বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে কোন অভিযোগটি সবচেয়ে বেশি আপনি শুনেছেন?
মার্শা বার্নিকাট : আমি ৩৪ বছর ধরে চাকরি করছি, কিন্তু এর আগে এমন কোনো দেশে আমি কাজ করিনি, যেখানে এতটা প্রাণবন্ত বাণিজ্যিক স্বার্থ রয়েছে। আমি ভারতে কাজ করেছি, যখন মনমোহন সিং অর্থমন্ত্রী হিসেবে সংস্কারের প্রক্রিয়া কেবল শুরু করেছেন, যেগুলো না হলে সেখানকার পরিস্থিতি অন্য রকম থাকত। আমি বিনিয়োগকারী অনেকগুলো কোম্পানির সঙ্গে কথা বলেছি। আমি এখানে দায়িত্ব নেওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রে দুই দফা কথা বলেছি। আমি জানতে চেয়েছি যে বাংলাদেশের পরিবেশ সবচেয়ে প্রতিকূল কারও মনে হয়েছে কি না? কেউ হাত তোলেনি। এটা আমার কাছে খুবই উৎসাহজনক মনে হয়েছে। তবে, তারা পরপরই বলেছে যে বাংলাদেশে তারা যে সমস্যার মুখোমুখি হয় তা হচ্ছে সুশাসনের সমস্যা।
এগুলো হচ্ছে আইনকানুনের সমস্যা, বিরোধ মীমাংসার সুযোগ পাওয়ার সমস্যা। পুরো স্বচ্ছতার প্রশ্ন। বড় ধরনের অবকাঠামোগত প্রশ্ন —বিশেষ করে জ্বালানি এবং পরিবহনব্যবস্থায়। সরকার এগুলো সমাধানের চেষ্টা করছে। তবে আমার ধারণা, সব দেশেই এসব সমস্যা কোনো না কোনো মাত্রায় আছে। গত মাসেই আমি যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের অভিযোগ করতে শুনেছি যে তাদের সে দেশেও আমলাতন্ত্র এবং আইনের বাধাগুলো অতিক্রম করতে হয়।
প্রথম আলো : অনেক পর্যবেক্ষকই বলে থাকেন যে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বিষয়ে সহযোগিতা যতটা গভীর অন্যান্য বিষয়ে ততটা নয়। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের এটা কি যথাযথ বর্ণনা?
মার্শা বার্নিকাট : মোটেও না। এ কথা ঠিক যে আমাদের নিরাপত্তাজনিত সহযোগিতা খুবই সচল এবং দৃশ্যমান। আমাদের মহড়া হয়, প্রশিক্ষণ চলছে—যেগুলো দৃশ্যমান। কিন্তু আমি এমন কোনো ক্ষেত্রের কথা ভেবে পাচ্ছি না, যেখানে আমরা কাজ করছি না। হয়তোবা মহাকাশ গবেষণা ছাড়া। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রও (নাসা) বাংলাদেশকে বনাঞ্চল এবং বন উজাড়ীকরণের নির্ভুল মানচিত্র তৈরিতে সহায়তা করছে। আমি যখন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের কথা বলি, তখন আমি সেটিকে অংশীদারত্ব বলতে পছন্দ করি, সেটা হোক সামরিক বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা, ইউএসএআইডির সঙ্গে আলোচনা কিংবা বিচার মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা। অবশ্যই এসব ক্ষেত্রে যাঁরা কাজ করেন, তাঁরা শুধু যে একটু ভালো জায়গায় কাজ করছেন, সে কথাই বলেন তা নয়, তাঁরা সহযোগিতার মান এবং একে অন্যের সঙ্গে মিলে কাজ করায় আনন্দের কথা বলেন। এই সহযোগিতার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে কী পেয়েছে, সেটি নিয়েও যে তাঁরা কতটা আলোচনা করেন, তা আমি বলে বোঝাতে পারব না। একটা পুরোনো উদাহরণ হচ্ছে, খাওয়ার স্যালাইন যেটি একজন বাংলাদেশি উদ্ভাবন করেছেন ইউএসএআইডির একটি প্রকল্পে এবং যেটি সারা বিশ্বে জীবন রক্ষা করছে। এটি বাংলাদেশ বিশ্বকে দিয়েছে এবং তা সম্ভব হয়েছে সহযোগিতার কারণে। সাম্প্রতিক আরেকটি উদাহরণ হলো ওরেগনের পোর্টল্যান্ড শহরের পুলিশ। ওরেগনের ন্যাশনাল গার্ডের সঙ্গে সহযোগিতার আওতায় সেখানকার পুলিশ সদস্যরা বাংলাদেশে এসে পুলিশকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে। কিন্তু সে সময়ে তারা এখান থেকে ইসলাম এবং সংখ্যালঘুদের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয় অনেক কিছু জানতে পেরেছে, যেটা তাদের রাজ্যে কাজে লাগছে।
প্রথম আলো : যুক্তরাষ্ট্র সরকার র্যাবের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং নির্যাতনের অভিযোগের কারণে বাহিনীটিকে সরকারি সহায়তা বন্ধ রেখেছে। অথচ বাহিনীটির বিরুদ্ধে এসব অভিযোগের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন যে পাশ্চাত্যের সরকারগুলো, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য এটি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করেছে। সম্ভবত তাদের নির্দেশনায় ভুল ছিল।
মার্শা বার্নিকাট : দেখুন, আমি আপনাকে দুটো কথা বলতে চাই। প্রথমত, র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের ধারণাটিই হচ্ছে একটি বিশেষ ধারণা— সন্ত্রাসবাদ ও আন্তদেশীয় অপরাধ, যেগুলো খুব জঘন্য প্রকৃতির এবং সার্বভৌম সরকারের জন্য মোকাবিলা করা কঠিন, সেগুলোর জন্য প্রতিষ্ঠিত। আমরা এখনো র্যাবের সঙ্গে কাজ করছি, তবে খুব সুনির্দিষ্টভাবে। আমরা র্যাবের একটি অভ্যন্তরীণ তদন্ত সেল গঠনে সাহায্য করছে। যেকোনো সরকারি সংস্থা যদি নাগরিকদের মধ্যে ভীতি সৃষ্টি করে, তাহলে তা শেষ পর্যন্ত তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ বলেই গণ্য হয়। উদাহরণ হিসেবে বলি যে আমরা যদি একই দেশের নাগরিক হয়ে সব সময় ভয়ে থাকি যে কখন না জানি পুলিশ আমার দরজায় হাজির হয়, শঙ্কিত হই যে আমাকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হতে পারে কিংবা রাতের বেলায় নিয়ে যাওয়া হতে পারে, আমার ওপর চেতনানাশক অস্ত্র ব্যবহার করা হবে বা আমাকে হত্যা করা হবে, তাহলে ওই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যর্থ বলে গণ্য হবে। র্যাবের জন্যও এটা প্রযোজ্য।র্যাব কী করছে, কীভাবে করছে এবং তার কোনো সদস্য যদি ভুল করে তাহলে তার প্রতিকার কী? যুক্তরাষ্ট্রে যখনই কোনো পুলিশ অফিসার কিংবা আইন প্রয়োগকারী অথবা এফবিআই শক্তি প্রয়োগ করে, তখন তাদের জন্য শক্তি প্রয়োগের আইন আছে। তারা সেটা প্রয়োগ করলে ব্যাখ্যা করতে কেন তা করা হলো। এরপর তা তদন্ত করা হয় এবং যদি মনে হয় যে শক্তি প্রয়োগের ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম মানা হয়নি তাহলে তার জন্য তাদের জবাবদিহি করতে হয়। বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আমরা সেটিই আলোচনা করছি। নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় যে তদন্ত হচ্ছে, সেই খবরকে আমরা স্বাগত জানাই।
প্রথম আলো : দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করছে এ রকম একটিঅস্বস্তিকরবিষয়ের কথা যদি জানতে চাই তাহলে কী বলবেন?
মার্শা বার্নিকাট : এটা একটা চতুর প্রশ্ন। কোনো অস্বস্তিকর বিষয় কি আছে? অবশ্যই আছে। তবে, এমন নয় যে তা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আমাদের সম্পর্ক যে কত সুদৃঢ় এটা তার একটি লক্ষণ। আমাদের সম্পর্কের ভিত্তিটা অনেক দৃঢ়। আমাদের অভিন্ন মূল্যবোধ রয়েছে। গণতন্ত্র যেমন বাংলাদেশের ডিএনএতে রয়েছে, তেমনি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিএনএতে। মানুষ যখন কোনো একটা কিছু পছন্দ করে না তখন প্রতিবাদ করে। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আমাদের যেখানে চ্যালেঞ্জ রয়েছে সেটা হলো মানবাধিকার, গুম এবং বিচারবহির্ভূত খুনের মতো বিষয়গুলো নিয়ে শক্ত আলোচনা। তবে বাংলাদেশ কখনো বলে না যে আমরা এগুলো নিয়ে কথা বলব না, কাজ করব না। এ ধরনের আলোচনা আমরা আমাদের অন্য বন্ধুদের সঙ্গেও করে থাকি। এটিকে বিঘ্নসৃষ্টিকারী বা উত্তেজক বিষয় তখনই বলা যেত, যখন আলোচনা বন্ধ হয়ে যেত।
প্রথম আলো : ফেব্রুয়ারি মাসে আমরা শুনেছিলাম পররাষ্ট্রমন্ত্রী কেরি ঢাকা সফরে আসবেন। সফরটি কি হচ্ছে?
মার্শা বার্নিকাট : আমি যতদূর জানি, এখনই নয়। আপনি যদি আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দিকে খেয়াল করে থাকেন তাহলে দেখে থাকবেন তিনি খুবই সক্রিয় কূটনীতিক। তিনি অনেকগুলো উদ্যোগ নিয়েছেন—মধ্যপ্রাচ্যে, বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে কাজ করছেন। কিন্তু আমি যতদূর জানি তাঁর ঠাসা সফরসূচি রয়েছে।
প্রথম আলো : বিএনপির প্রধান খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর আপনি এবং আরও কয়েকজন কূটনীতিক তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। এরপর উত্তেজনা কিছুটা কমল এবং সিটি নির্বাচন ঘোষিত হওয়ায় সবাই তাতে অংশ নিচ্ছে। অনেকের বিশ্বাস, এর পেছনে কোনো ধরনের সংলাপ হয়েছে।
মার্শা বার্নিকাট : না, আমি কোনো সংলাপের কথা জানি না। আমরা উদারমনা কয়েকজন বাংলাদেশের বন্ধু সহিংসতা এবং প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বিগ্ন ছিলাম এবং সে কারণে উভয় নেত্রীর কাছে গিয়েছি এবং বিস্তারিত আলোচনা করেছি। উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং মৃত্যুর হার বাড়তে থাকা প্রতিটি নাগরিক এবং বাংলাদেশের জন্য ছিল একটা গুরুতর বিষয়। আপনি এ ধরনের অস্থিরতার বিপদ সম্পর্কে জানেন। আমরা উভয়ের কাছে আমাদের উদ্বেগ তুলে ধরে উত্তেজনা প্রশমন এবং রাজনৈতিক মতপার্থক্য আলোচনার মাধ্যমে দূর করা ও গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বজায় রাখার উপায় সন্ধানের জন্য তাঁদের বলেছি। উভয় পক্ষের কাছে আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরার কাজটিই আমরা করেছি। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা ওই সব আলোচনা করতে পারার জন্য আনন্দিত এবং সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় আমরা উৎসাহবোধ করছি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া আবার গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে।
প্রথম আলো : আপনি যখন আপনার মেয়াদ শেষ করবেন, তখন এই দুই দেশের সম্পর্ককে কোথায় দেখতে চান?
মার্শা বার্নিকাট : আমি এর উত্তরে যেটা বলতে চাই, প্রথমত, অংশীদার এবং সমর্থনকারী হিসেবে বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা যাতে অর্জন করতে পারে, সে জন্য আমাদের একটা জোরালো ভূমিকা। এবং বাংলাদেশ জানে যে এটি সাহায্যের মাধ্যমে হবে না, যদিও সাহায্য গুরুত্বপূর্ণ। এটা হবে বাণিজ্য ও শিল্পের মাধ্যমে। বাণিজ্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়েছে, সেটা বলতে পারলে আমি খুশি হব। যদিও আমি কোনো সংখ্যা এখন বলব না। দুই দিকেই বিনিয়োগ বাড়বে। আমরা এখনই বাংলাদেশের রপ্তানির এক নম্বর ভোক্তা এবং তার জন্য আমরা গর্ববোধ করি। তবে, আমি বলতে চাই যে রপ্তানি দুই দিকেই আরও বাড়বে। আমি আমার মেয়াদ শেষে বলতে চাই যে বাংলাদেশেও যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি বেড়েছে। আমরা অন্যান্য ইস্যুতেও সহযোগিতা বাড়িয়েছি। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার বিষয়ে বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা থেকে বিশ্ব শিক্ষা নিচ্ছে। আমি বাংলাদেশের নারীদের অবস্থার অব্যাহত উন্নয়নও দেখতে চাই।
প্রথম আলো : আমাদের সময় দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।
মার্শা বার্নিকাট : আপনাকেও ধন্যবাদ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
May
(1015)
-
▼
May 03
(32)
- তুমি আবার এসো বুদ্ধ by প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু
- ওরা ইন্টারনেটে যা দেখে -ডয়চে ভেলে
- থাইল্যান্ডের জঙ্গলে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের গণকবর!
- স্বামীকে খুন করে গোয়ালঘরে পুঁতে রাখে স্ত্রী!
- রুনা লায়লাকে নিয়ে পালাতেন নচিকেতা! by আহমেদ মুনির
- ব্যাংক ডাকাতেরা আনসারুল্লাহর সদস্য
- থাইল্যান্ডের জঙ্গলে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের গণকবর!
- এরশাদ বললেন, হয়তো বিএনপি জিততেও পারত
- বন বাঁচাবে মিলি আপার চুলা by এস এম হানিফ
- বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে গেছে by সেলিম জাহিদ
- স্যাটেলাইটের ছবিতে নেপালের ভূমিকম্প- ৬০০০ বর্গকিমি...
- নেপালে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল সাত হাজার
- পিন্টুর চিকিৎসা করতে দেয়নি কারাকর্তৃপক্ষ : চিকিৎসক
- সাংবাদিক নির্যাতনে এগিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্র-ক্ষমতাসীন দ...
- ‘জাতীয় পার্টি সরকারের সকল অপকর্মের দোসর’ -গোলাম কাদের
- সতর্ক বিএনপি by হাবিবুর রহমান খান ও নজরুল ইসলাম
- মার্কিন কংগ্রেসে আলোচনা
- সিটি নির্বাচনের অনিয়ম স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্ত করতে হ...
- বাংলাদেশের ডিএনএতে গণতন্ত্র আছে -সাক্ষাৎকারে : মার...
- অজ্ঞতা ও কারচুপিতেই রেকর্ড ভোট বাতিল
- শাড়ি-চুড়ির জয় হোক by উম্মে মুসলিমা
- দাতাদের অর্থ পায়নি নেপাল
- আওয়ামী লীগ সমর্থকরা কি ভোট দিয়েছেন? by মাহমুদ মানজুর
- মা-সন্তানের স্বর্গরাজ্য ‘শিশু-আলয়’ by মানসুরা হোসাইন
- নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কথা বলার অধিকার নেই
- মুঠোফোনে পরিচয় প্রেম ও বিয়ে অতঃপর দগ্ধ অন্তঃসত্ত্ব...
- জন্মদিনে মাকে খোলা চিঠি by আশফিয়া বিনতে আউয়াল
- তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ
- সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের অস্থিত্ব থাকবে না...
- নির্বাচন কমিশন ১৪ দলে যোগ দিয়েছে -আ স ম আবদুর রব
- জাতিসংঘের ব্রিফিংয়ে মুন-হাসিনা ফোনালাপ প্রসঙ্গ
- গৌরবের ড্র খুলনায় by নাইর ইকবাল
-
▼
May 03
(32)
-
▼
May
(1015)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment