Sunday, May 3, 2015
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ
![]() |
| সূত্র: ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধিত ২০১৩) |
গত ১৮ এপ্রিল ২০১৫, প্রথম আলো ও বেসরকারি গবেষণা সংস্থা প্রজ্ঞার আয়োজনে ‘তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত আলোচকদের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত আকারে এই ক্রোড়পত্রে প্রকাশিত হলো।
আলোচনা
আলোচনা
আব্দুল কাইয়ুম: তামাক ও ধূমপান বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য
ও অর্থনীতির জন্য মারাত্মক হুমকি। ধূমপানকারী ব্যক্তি বিভিন্নভাবে শারীরিক
ও মানসিক ক্ষতির সম্মুখীন হন। চিকিৎসকদের এক হিসাবে দেখা গেছে, প্রতিদিন
ধূমপানের জন্য ১৪ মিনিট করে আয়ু কমতে থাকে। তামাকের ভয়াবহতা হ্রাসে
বাংলাদেশ সরকার ২০০৩ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উদ্যোগে গৃহীত
আন্তর্জাতিক চুক্তি এফসিটিসিতে (ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন টোব্যাকো
কন্ট্রোল) স্বাক্ষর করে।
চুক্তির বিধানসমূহ প্রতিপালনে সরকার পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে। কিন্তু কিছু দুর্বলতার কারণে আইনটি ততটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। তাই ২০১৩ সালের মে মাসে আইনটি সংশোধিত আকারে পাস হয়। সর্বশেষ গত ১২ মার্চ পাস হয় সংশোধিত আইনের আলোকে তামাক নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০১৫। সংশোধিত আইন ২০১৩ ও বিধিমালা ২০১৫-তে নারী-শিশুসহ সব অধূমপায়ীকে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার থেকে রক্ষায় কঠোর বিধান রাখা হয়েছে।
এ লক্ষ্যে ‘পাবলিক প্লেস’ ও ‘পাবলিক পরিবহনে’ ধূমপান সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিধিমালা পাস হওয়ার সঙ্গে আইন বাস্তবায়নের পথ সুগম করতে এ বিষয়ে সর্বস্তরের জনসাধারণের সচেতন হওয়া একান্ত জরুরি। আলোচনায় এসব বিষয় আসবে। এখন সূচনা বক্তব্য দেবেন মতিউর রহমান।
চুক্তির বিধানসমূহ প্রতিপালনে সরকার পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়ন করে। কিন্তু কিছু দুর্বলতার কারণে আইনটি ততটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। তাই ২০১৩ সালের মে মাসে আইনটি সংশোধিত আকারে পাস হয়। সর্বশেষ গত ১২ মার্চ পাস হয় সংশোধিত আইনের আলোকে তামাক নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০১৫। সংশোধিত আইন ২০১৩ ও বিধিমালা ২০১৫-তে নারী-শিশুসহ সব অধূমপায়ীকে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার থেকে রক্ষায় কঠোর বিধান রাখা হয়েছে।
এ লক্ষ্যে ‘পাবলিক প্লেস’ ও ‘পাবলিক পরিবহনে’ ধূমপান সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিধিমালা পাস হওয়ার সঙ্গে আইন বাস্তবায়নের পথ সুগম করতে এ বিষয়ে সর্বস্তরের জনসাধারণের সচেতন হওয়া একান্ত জরুরি। আলোচনায় এসব বিষয় আসবে। এখন সূচনা বক্তব্য দেবেন মতিউর রহমান।
মতিউর রহমানআমার পরিবারের কেউ ধূমপান করত না।
প্রায় ৩০ বছর যেসব বন্ধুর সঙ্গে ছিলাম, তারা ধূমপান করত। আমি ধূমপান থেকে
বেঁচে গিয়েছিলাম। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অন্যান্য
ক্ষেত্রের মানুষ বিভিন্নভাবে ধূমপানে প্রভাবিত হয়।
অনেকেই গণমাধ্যমের ভূমিকার কথা বলেছেন। আমরা সব সময় সামাজিক সমস্যার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। কিন্তু পত্রিকা বের হওয়ার পর অনেক সময় নিজেরাও খুব একটা স্বস্তি পাই না। কারণ রাজনীতি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি এত জায়গা নিয়ে নেয় যে নারী-শিশু, তামাক, মাদক ইত্যাদি ক্ষেত্রে যেভাবে বিষয়টি তুলে আনতে চাই, সেভাবে অনেক সময় পারি না। তবে এসব ক্ষেত্রে আমরা সব সময় সহযোগিতা করতে চাই।
এ ধরনের গোলটেবিলে প্রস্তাব দিয়ে রেখেছি নারী, শিশু, তামাক, মাদক ইত্যাদি ক্ষেত্রে সরকারের যদি কোনো প্রচারের বিষয় থাকে, সেটা বিনা খরচে প্রচার করব। ২০১১-১২-১৩ সালে নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনেক বিজ্ঞাপন প্রচার করেছি। আমরা নিজেরাও সামাজিক উদ্যোগ নিয়ে কাজ করি। প্রায় পাঁচ বছর যাবৎ মাদক পরামর্শ সহায়তা নামে একটি অনুষ্ঠান করছি। এ অনুষ্ঠান থেকে মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা উপকৃত হচ্ছেন।
একটা স্থিতিশীল রাষ্ট্র পেলে হয়তো আরও অনেক কিছু করতে পারতাম। এর মধ্যেও দেশ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এগিয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে আমরা বেশি এগিয়ে আছি। সবার প্রচেষ্টায় নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে আমাদের দেশ আরও এগিয়ে যাবে।
আসাদুজ্জামান খান কামালঅনেকেই গণমাধ্যমের ভূমিকার কথা বলেছেন। আমরা সব সময় সামাজিক সমস্যার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে থাকি। কিন্তু পত্রিকা বের হওয়ার পর অনেক সময় নিজেরাও খুব একটা স্বস্তি পাই না। কারণ রাজনীতি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি এত জায়গা নিয়ে নেয় যে নারী-শিশু, তামাক, মাদক ইত্যাদি ক্ষেত্রে যেভাবে বিষয়টি তুলে আনতে চাই, সেভাবে অনেক সময় পারি না। তবে এসব ক্ষেত্রে আমরা সব সময় সহযোগিতা করতে চাই।
এ ধরনের গোলটেবিলে প্রস্তাব দিয়ে রেখেছি নারী, শিশু, তামাক, মাদক ইত্যাদি ক্ষেত্রে সরকারের যদি কোনো প্রচারের বিষয় থাকে, সেটা বিনা খরচে প্রচার করব। ২০১১-১২-১৩ সালে নারী ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনেক বিজ্ঞাপন প্রচার করেছি। আমরা নিজেরাও সামাজিক উদ্যোগ নিয়ে কাজ করি। প্রায় পাঁচ বছর যাবৎ মাদক পরামর্শ সহায়তা নামে একটি অনুষ্ঠান করছি। এ অনুষ্ঠান থেকে মাদকাসক্ত ব্যক্তিরা উপকৃত হচ্ছেন।
একটা স্থিতিশীল রাষ্ট্র পেলে হয়তো আরও অনেক কিছু করতে পারতাম। এর মধ্যেও দেশ শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে এগিয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে আমরা বেশি এগিয়ে আছি। সবার প্রচেষ্টায় নিশ্চয়ই ভবিষ্যতে আমাদের দেশ আরও এগিয়ে যাবে।
বিশ্ব
স্বাস্থ্য সংস্থার ২০০৪ সালের এক হিসাবমতে, বাংলাদেশে প্রতিবছর তামাকজনিত
রোগে মারা যায় ৫৭ হাজার মানুষ। পঙ্গুত্ববরণ করে প্রায় চার লাখ মানুষ।
ধূমপানের ক্ষতি ছাড়া কোনো ধরনের উপকার নেই। দেশে কয়েকটি সংস্থা এ
ক্ষেত্রে কাজ করছে। তাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সচেতনতার কাজে অংশ নিয়েছি।
সরকার থেকেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও বিধিমালা
জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে ধূমপান আগের চেয়ে অনেক কমে
আসছে।
এখন আর পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে খুব একটা ধূমপান দেখা যায় না। দরিদ্র শিশু-কিশোরেরা সিসাসহ কিছু মাদকদ্রব্য গ্রহণ করছে। যেকোনোভাবে এটা আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তা না হলে এদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হবে। দেশে অনেক তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। উত্তরাঞ্চলসহ বিভিন্ন জায়গায় ধান-পাট বাদ দিয়ে তামাকের চাষ হচ্ছে।
তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান তামাক চাষের জন্য অগ্রিম টাকা দিচ্ছে। তামাক চাষের কারণে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। জামিতে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে। তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলোর এ প্রক্রিয়া বন্ধ করার জন্য আমাদের সবার ফলপ্রসূ উদ্যোগ নিতে হবে।
আপনারা এসব বিষয়ে ভালো ধারণা রাখেন। বিভিন্ন দিক নিয়ে আপনারা আলোচনা করবেন। আলোচনা থেকে অনেক পরামর্শ আসবে। আমাদের দিক থেকে যা যা করণীয়, সেসব ক্ষেত্রে আমরা উদ্যোগ নেব। ভবিষ্যতে তামাক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আমরা আরও সামনের দিকে এগোতে পারব বলে আশা করি।
মেখলা সরকারএখন আর পাবলিক প্লেস ও গণপরিবহনে খুব একটা ধূমপান দেখা যায় না। দরিদ্র শিশু-কিশোরেরা সিসাসহ কিছু মাদকদ্রব্য গ্রহণ করছে। যেকোনোভাবে এটা আমাদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। তা না হলে এদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস হবে। দেশে অনেক তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। উত্তরাঞ্চলসহ বিভিন্ন জায়গায় ধান-পাট বাদ দিয়ে তামাকের চাষ হচ্ছে।
তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান তামাক চাষের জন্য অগ্রিম টাকা দিচ্ছে। তামাক চাষের কারণে পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। জামিতে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে। তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলোর এ প্রক্রিয়া বন্ধ করার জন্য আমাদের সবার ফলপ্রসূ উদ্যোগ নিতে হবে।
আপনারা এসব বিষয়ে ভালো ধারণা রাখেন। বিভিন্ন দিক নিয়ে আপনারা আলোচনা করবেন। আলোচনা থেকে অনেক পরামর্শ আসবে। আমাদের দিক থেকে যা যা করণীয়, সেসব ক্ষেত্রে আমরা উদ্যোগ নেব। ভবিষ্যতে তামাক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আমরা আরও সামনের দিকে এগোতে পারব বলে আশা করি।
ধূমপানে
শারীরিক ব্যাপক ক্ষতি সম্পর্কে আমরা জানি। এটা ধীরে ধীরে মানুষের জীবনকে
ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায়। ধূমপান এমন একটি ক্ষতিকর বিষয়, যা একজন মানুষের সব
অঙ্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এক হিসাবে দেখা গেছে, সাধারণ মানুষের চেয়ে
ধূমপানকারীদের ফুসফুসের ক্যানসারের হার অনেক বেশি। ধূমপানের কারণে স্ত্রী,
সন্তানসহ তাঁর সংস্পর্শে থাকা অন্যদেরও বিভিন্ন প্রকার ক্ষতি হয়। একজন
ধূমপানকারীর অনাগত সন্তান বিকলাঙ্গসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
ধূমপানের ফলে শ্বাসযন্ত্র ক্ষতি হয়। ধূমপানে কিশোর-কিশোরীরা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ে। যেমন তাদের শরীরের চামড়া এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় যে নিজেদের বয়সের তুলনায় বেশি বয়সী মনে হয়। অধিকাংশ মুখের ক্যানসারই ধূমপানের জন্য হয়। ধূমপানের ফলে মানুষের পাকস্থলীর ক্ষতি হয়।
ধূমপান থেকে ধূমপায়ীরা অন্যান্য মাদকের দিকে যায়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁরা ধূমপান করেন, তাঁরা সাধারণত প্রথম দিকে গাঁজা ও অ্যালকোহলে আক্রান্ত হন। পরে অন্যান্য মাদক গ্রহণ করেন। এটি ধূমপানের একটি ভয়ংকর দিক। তামাক এমন একটি উপকরণ, যাতে মানুষের ন্যূনতম উপকার নেই। ধূমপানের ভয়াবহতা থেকে তাই মানুষকে বাঁচাতেই হবে।
ইকবাল মাসুদধূমপানের ফলে শ্বাসযন্ত্র ক্ষতি হয়। ধূমপানে কিশোর-কিশোরীরা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ে। যেমন তাদের শরীরের চামড়া এমনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় যে নিজেদের বয়সের তুলনায় বেশি বয়সী মনে হয়। অধিকাংশ মুখের ক্যানসারই ধূমপানের জন্য হয়। ধূমপানের ফলে মানুষের পাকস্থলীর ক্ষতি হয়।
ধূমপান থেকে ধূমপায়ীরা অন্যান্য মাদকের দিকে যায়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, যাঁরা ধূমপান করেন, তাঁরা সাধারণত প্রথম দিকে গাঁজা ও অ্যালকোহলে আক্রান্ত হন। পরে অন্যান্য মাদক গ্রহণ করেন। এটি ধূমপানের একটি ভয়ংকর দিক। তামাক এমন একটি উপকরণ, যাতে মানুষের ন্যূনতম উপকার নেই। ধূমপানের ভয়াবহতা থেকে তাই মানুষকে বাঁচাতেই হবে।
দীর্ঘদিন
যাবৎ ধূমপানবিরোধী কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। ২০০৫ ও ২০১৩ সালের
ধূমপানবিরোধী আইনের বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। ধূমপান বাংলাদেশের
মানুষকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিচ্ছে। সমাজ
থেকে ধূমপান দূর করতে হলে দুটি বিষয় জরুরি। এক. আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাকে
কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। দুই. চাহিদা হ্রাসকরণ কার্যক্রম জোরদার করতে
হবে।
চাহিদা হ্রাসকরণ প্রক্রিয়া একটি চলমান ব্যবস্থা। বহু বছর আগে থেকেই এ কার্যক্রম চলে আসছে। আমাদের ফাউন্ডেশনে ৭০ বছরের পুরোনো একটি বই আছে। সেখানে আমরা দেখি যে সেই ব্রিটিশ আমলে বহরামপুরে ধূমপানবিরোধী সভা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়া আজও থেমে নেই। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে স্পষ্ট বলা আছে কারা এ কাজ করবেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে তিনটি বিভাগ আছে। বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসন, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের নির্দিষ্ট কাজ আছে। পুলিশ প্রশাসন অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে বেশি জড়িত। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কাজ করার কথা।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি সার্কুলার জারি করা প্রয়োজন। তাহলে সব বিভাগ আরও গুরুত্বের সঙ্গে মাদক নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বিবেচনা করবে। ২০১৩ সালে আইন পাস হয়। কিন্তু বিধিমালা করতে দুই বছর লাগার পেছনে তামাক উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর ষড়যন্ত্র ছিল। তার পরও সরকারের ইতিবাচক মনোভাবের জন্য এ আইন ও বিধিমালা আমরা পেলাম।
এখন এ ক্ষেত্রে কাজ করার একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি হয়েছে। কিন্তু কোম্পানিগুলো প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এর বিরোধিতা করছে। ধূমপান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়গুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
আমিন উল আহসানচাহিদা হ্রাসকরণ প্রক্রিয়া একটি চলমান ব্যবস্থা। বহু বছর আগে থেকেই এ কার্যক্রম চলে আসছে। আমাদের ফাউন্ডেশনে ৭০ বছরের পুরোনো একটি বই আছে। সেখানে আমরা দেখি যে সেই ব্রিটিশ আমলে বহরামপুরে ধূমপানবিরোধী সভা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়া আজও থেমে নেই। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে স্পষ্ট বলা আছে কারা এ কাজ করবেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে তিনটি বিভাগ আছে। বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসন, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের নির্দিষ্ট কাজ আছে। পুলিশ প্রশাসন অন্যান্য অপরাধের সঙ্গে বেশি জড়িত। মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদক নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কাজ করার কথা।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি সার্কুলার জারি করা প্রয়োজন। তাহলে সব বিভাগ আরও গুরুত্বের সঙ্গে মাদক নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বিবেচনা করবে। ২০১৩ সালে আইন পাস হয়। কিন্তু বিধিমালা করতে দুই বছর লাগার পেছনে তামাক উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর ষড়যন্ত্র ছিল। তার পরও সরকারের ইতিবাচক মনোভাবের জন্য এ আইন ও বিধিমালা আমরা পেলাম।
এখন এ ক্ষেত্রে কাজ করার একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি হয়েছে। কিন্তু কোম্পানিগুলো প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এর বিরোধিতা করছে। ধূমপান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়গুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
ধূমপান
আইনের ক্ষেত্রে অধূমপায়ীদের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে।
বিশেষ করে কর্মস্থলে ৬৩ শতাংশ অধূমপায়ী পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন। বিশ্বে
১০ শতাংশ মানুষের মৃত্যু হয় পরোক্ষ ধূমপানের জন্য। দেশের ৪৩ শতাংশ মানুষ
তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করে। চার কোটির বেশি মানুষ ধূমপান করে। এত
বিপুলসংখ্যক মানুষকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে
না। তাই মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করতে হবে। এখনকার তামাক
নিয়ন্ত্রণ আইনটি খুব ভালো একটি আইন। ব্যক্তির পরিবর্তে এখন প্রতিষ্ঠানকে
দায়ী করা হয়েছে। একটি জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল আছে। এটি স্বাস্থ্য
মন্ত্রণালয়ের অধীন। এ সেলের কাজ হলো দেশে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রয়োগ
করা। জাতীয় পর্যায়ে একটা টাস্কফোর্স কমিটি আছে। প্রতি জেলায় টাস্কফোর্স
কমিটি আছে। প্রতি তিন মাস পর পর তাদের সভা করার কথা। এ কমিটিগুলোকে
কার্যকর করার উদ্যোগ নিতে হবে।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে এ কমিটি কার্যকর করার উদ্যোগ নিতে হবে। পুলিশ নিজেও জানে না তার দায়িত্ব কী। তার পাশে একজন ধূমপান করছেন। পুলিশ নির্বিকার দাঁড়িয়ে দেখছে। কারণ, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সম্পর্কে তার ধারণা নেই। কাজেই আইনের কার্যকারিতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানো জরুরি।
শাহনাজ মুন্নীসংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে এ কমিটি কার্যকর করার উদ্যোগ নিতে হবে। পুলিশ নিজেও জানে না তার দায়িত্ব কী। তার পাশে একজন ধূমপান করছেন। পুলিশ নির্বিকার দাঁড়িয়ে দেখছে। কারণ, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন সম্পর্কে তার ধারণা নেই। কাজেই আইনের কার্যকারিতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানো জরুরি।
তামাক
নিয়ন্ত্রণ আইনটি পাস হওয়ায় আমরা খুশি। একটু দেরিতে হলেও বিধিমালা হয়েছে।
এসবই তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের অগ্রগতি। কিন্তু বড় শঙ্কার জায়গা হলো
প্রয়োগ। দেশে আইন প্রয়োগের দুর্বলতা রয়েছে। আইনটি কী? আইনের বিধি কী? এ
বিষয়ে আইনের লোক ও জনসাধারণ—কারোরই তেমন কোনো ধারণা নেই।
আরেকটি বড় বিষয় হলো জবাবদিহি। জবাবদিহি নেই বললেই চলে। এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতে হবে।
সচেতনতার ক্ষেত্রে গণমাধ্যই বড় ভূমিকা রাখতে পারে। আমার মনে হয়, গণমাধ্যম সে কাজটি করছেও। সাড়ে তিন শ সাংবাদিক নিয়ে প্রজ্ঞা একটি অ্যান্টি টোব্যাকো অ্যালায়েন্স (ধূমপানবিরোধী সংগঠন) করেছিল। আমিও এর সদস্য। আমাদের সাংবাদিকেরা বিগত দিনে এ বিষয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকিসহ ধূমপানের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনেক প্রতিবেদন করেছে। এখন আবার গণমাধ্যম আইন ও বিধি জানানোর কাজটি করতে পারে।
এ ক্ষেত্রে নাটক, চলচ্চিত্র নির্মাতারাও কিছুটা সতর্ক থাকতে পারেন। নাটক, চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য যেন না দেখানো হয়। নায়কের হাতে সিগারেট দেখলে তরুণেরা এ থেকে প্রভাবিত হতে পারেন। ধূমপানমুক্ত পরিবেশের কথা বারবার আসে। ধূমপানমুক্ত পরিবেশ প্রায় নেই বললেই চলে। এ জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় নারী-শিশুদের। অফিসে কোনো সহকর্মীর সঙ্গে কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলছি, তিনি একটি সিগারেট ধরিয়ে কথা বলতে শুরু করলেন।
এ ক্ষেত্রে কিছুই বলার থাকে না। শিশুদের কথা চিন্তা না করেই হয়তো কেউ তাদের পাশে ধূমপান করছেন। শিশুরা এখানে অসহায়। এভাবে প্রতিনিয়ত নারী-শিশুরা পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছে।
কোনগুলো ধূমপানমুক্ত পরিবেশ, অনেকে সেটা জানেই না। বিদেশে সইনবোর্ড থাকে। আমাদের দেশে এ ব্যবস্থা করা জরুরি। অনেক রেস্টুরেন্টে লেখা থাকে ধূমপান নিষেধ। তার পরও টেবিলে বসে অনেকে ধূমপান করছেন। তাই টেবিলেও যদি ধূমপান নিষিদ্ধের সাইনবোর্ড থাকে, তাহলে ভালো হয়। এসব ক্ষেত্রে তদারকটা খুব জরুরি। সঠিক তদারক না থাকলে কোনো অর্জনই আসলে হবে না।
বাইরের দেশে সিগারেটের প্যাকেটে ভয়ংকর সব ছবি থাকে। অন্তত নতুন যারা ধূমপান করতে চায়, এটা দেখে তারা সতর্ক হয়। আমাদের দেশে এক বছর পর এ ধরনের ছবি থাকার কথা। এ ধরনের ছবি সিগারেটের প্যাকেটে থাকছে কি না, সেটা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি।
তামাকের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তামাক কোম্পানিগুলো। তারা তামাক চাষের জন্য মানুষকে অর্থ দেয়। এরা বিশাল কায়েমি স্বার্থবাদী সংঘ। মানুষের জীবনের বিনিময়ে মুনাফা করে। এদের নিয়ন্ত্রণের জন্য আইনে বিধিবিধান আছে। এগুলো যেন শক্তভাবে প্রয়োগ করা হয়।
রিয়াজ আহমেদআরেকটি বড় বিষয় হলো জবাবদিহি। জবাবদিহি নেই বললেই চলে। এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্ব দিতে হবে।
সচেতনতার ক্ষেত্রে গণমাধ্যই বড় ভূমিকা রাখতে পারে। আমার মনে হয়, গণমাধ্যম সে কাজটি করছেও। সাড়ে তিন শ সাংবাদিক নিয়ে প্রজ্ঞা একটি অ্যান্টি টোব্যাকো অ্যালায়েন্স (ধূমপানবিরোধী সংগঠন) করেছিল। আমিও এর সদস্য। আমাদের সাংবাদিকেরা বিগত দিনে এ বিষয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকিসহ ধূমপানের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনেক প্রতিবেদন করেছে। এখন আবার গণমাধ্যম আইন ও বিধি জানানোর কাজটি করতে পারে।
এ ক্ষেত্রে নাটক, চলচ্চিত্র নির্মাতারাও কিছুটা সতর্ক থাকতে পারেন। নাটক, চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য যেন না দেখানো হয়। নায়কের হাতে সিগারেট দেখলে তরুণেরা এ থেকে প্রভাবিত হতে পারেন। ধূমপানমুক্ত পরিবেশের কথা বারবার আসে। ধূমপানমুক্ত পরিবেশ প্রায় নেই বললেই চলে। এ জন্য সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় নারী-শিশুদের। অফিসে কোনো সহকর্মীর সঙ্গে কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলছি, তিনি একটি সিগারেট ধরিয়ে কথা বলতে শুরু করলেন।
এ ক্ষেত্রে কিছুই বলার থাকে না। শিশুদের কথা চিন্তা না করেই হয়তো কেউ তাদের পাশে ধূমপান করছেন। শিশুরা এখানে অসহায়। এভাবে প্রতিনিয়ত নারী-শিশুরা পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হচ্ছে।
কোনগুলো ধূমপানমুক্ত পরিবেশ, অনেকে সেটা জানেই না। বিদেশে সইনবোর্ড থাকে। আমাদের দেশে এ ব্যবস্থা করা জরুরি। অনেক রেস্টুরেন্টে লেখা থাকে ধূমপান নিষেধ। তার পরও টেবিলে বসে অনেকে ধূমপান করছেন। তাই টেবিলেও যদি ধূমপান নিষিদ্ধের সাইনবোর্ড থাকে, তাহলে ভালো হয়। এসব ক্ষেত্রে তদারকটা খুব জরুরি। সঠিক তদারক না থাকলে কোনো অর্জনই আসলে হবে না।
বাইরের দেশে সিগারেটের প্যাকেটে ভয়ংকর সব ছবি থাকে। অন্তত নতুন যারা ধূমপান করতে চায়, এটা দেখে তারা সতর্ক হয়। আমাদের দেশে এক বছর পর এ ধরনের ছবি থাকার কথা। এ ধরনের ছবি সিগারেটের প্যাকেটে থাকছে কি না, সেটা নিশ্চিত করা খুবই জরুরি।
তামাকের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তামাক কোম্পানিগুলো। তারা তামাক চাষের জন্য মানুষকে অর্থ দেয়। এরা বিশাল কায়েমি স্বার্থবাদী সংঘ। মানুষের জীবনের বিনিময়ে মুনাফা করে। এদের নিয়ন্ত্রণের জন্য আইনে বিধিবিধান আছে। এগুলো যেন শক্তভাবে প্রয়োগ করা হয়।
ছাত্রজীবনে
ধূমপান করতাম। আমার স্ত্রীসহ ভালো কিছু বন্ধু ধূমপান থেকে বিরত থাকতে
সহায়তা করেছে। সমাজে এখন ধূমপানবিরোধী প্রচারণা কাজ করছে। কারণ,
মধ্যবয়সীদের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা অনেক কমে গেছে। একসময়ে আমাদের অফিসে
ধূমপানকারীর সংখ্যা ছিল বেশি। এখন ধূমপান করে না এমন সংখ্যা বেশি। আমাদের
অফিসের অল্প কিছু সদস্য ধূমপান করেন।
কিন্তু তরুণদের মধ্যে ধূমপান আগের মতোই আছে। কারণ, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ধূমপানের প্রবণতা কমেনি। কিছু তামাক কোম্পানি এ ক্ষেত্রে তাঁদের উৎসাহিত করছে বলে মনে হয়। তারা বিজ্ঞাপন দিচ্ছে না কিন্তু এমন সব কাজের সহযোগী থাকে, যাতে শিক্ষার্থীরা ধূমপানে উৎসাহিত হয়। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের কনসার্ট, বিতর্ক, কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদিতে খুব কৌশলে তাদের কোম্পানির প্রচার করা হয়।
এসব বিষয়ে সতর্ক থাকা খুবই প্রয়োজন। প্রজ্ঞাসহ কিছু সংস্থা এ ক্ষেত্রে কাজ করছে। কিন্তু এখানে সরকারের ভূমিকা প্রবলভাবে থাকতে হবে। ধূমপান একা আসে না। ধূমপান হলো অন্যান্য মাদকের প্রবেশদ্বার। অর্থাৎ ধূমপান যাঁরা করেন, তাঁদের প্রায় অনেকেই মদ, গাঁজাসহ অন্যান্য মাদক নেন। আবার অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গেও ধূমপান আসে। যেমন অনেকে ধূমপান করেন না। তামাক গ্রহণের কারণে যে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়, সেটা মোকাবিলা করতে সরকারের বিশাল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়। এই ব্যয়ের তুলনায় খুব সামান্য পরিমাণ কর তামাক কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে সরকার পায়।
আমাদের দেশেও এভাবে আইনের কড়াকড়ি প্রয়োগ করতে হবে, যাতে সবাই ধূমপান থেকে বিরত থাকে।
আহমেদ হেলালকিন্তু তরুণদের মধ্যে ধূমপান আগের মতোই আছে। কারণ, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ধূমপানের প্রবণতা কমেনি। কিছু তামাক কোম্পানি এ ক্ষেত্রে তাঁদের উৎসাহিত করছে বলে মনে হয়। তারা বিজ্ঞাপন দিচ্ছে না কিন্তু এমন সব কাজের সহযোগী থাকে, যাতে শিক্ষার্থীরা ধূমপানে উৎসাহিত হয়। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের কনসার্ট, বিতর্ক, কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদিতে খুব কৌশলে তাদের কোম্পানির প্রচার করা হয়।
এসব বিষয়ে সতর্ক থাকা খুবই প্রয়োজন। প্রজ্ঞাসহ কিছু সংস্থা এ ক্ষেত্রে কাজ করছে। কিন্তু এখানে সরকারের ভূমিকা প্রবলভাবে থাকতে হবে। ধূমপান একা আসে না। ধূমপান হলো অন্যান্য মাদকের প্রবেশদ্বার। অর্থাৎ ধূমপান যাঁরা করেন, তাঁদের প্রায় অনেকেই মদ, গাঁজাসহ অন্যান্য মাদক নেন। আবার অন্যান্য বিষয়ের সঙ্গেও ধূমপান আসে। যেমন অনেকে ধূমপান করেন না। তামাক গ্রহণের কারণে যে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়, সেটা মোকাবিলা করতে সরকারের বিশাল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়। এই ব্যয়ের তুলনায় খুব সামান্য পরিমাণ কর তামাক কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে সরকার পায়।
আমাদের দেশেও এভাবে আইনের কড়াকড়ি প্রয়োগ করতে হবে, যাতে সবাই ধূমপান থেকে বিরত থাকে।
ধূমপান
ছাড়া সহজ। কেউ নিজ থেকে ইচ্ছে করলে সহেজই ধূমপানমুক্ত হতে পারেন। তবে এর
জন্য সহযোগিতার প্রয়োজন। এ সহযোগিতা পরিবার, চিকিৎসক ও বন্ধুবান্ধবের
কাছ থেকে আসতে পারে। তিনি একা ইচ্ছে করলে ধূমপান ছেড়ে দিতে পারেন। কিন্তু
এসব ক্ষেত্রে অল্প দিনের মধ্যেই হয়তো আবার ধূমপান করতে পারেন। কারও
তত্ত্বাবধানে থকলে তিনি স্থায়ীভাবে ধূমপানমুক্ত হতে পারবেন।
এ আইনটি হচ্ছে অধূমপায়ীদের স্বার্থরক্ষার আইন। ২০১১ সালের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব শিশু পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়, তাদের আচরণের পরিবর্তন হয়। দীর্ঘ ছয় বছরের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, যারা ধূমপান করেন, তাঁদের অন্য নেশায় আসক্ত হওয়ার আশঙ্কা ৭ থেকে ১৬ গুণ বেশি।
১৯৯৫ সালে ২০টি উন্নত রাষ্ট্রের ওপর গবেষণা করা হয়েছিল। সে গবেষণায় বলা হয়েছে, যাঁরা ধূমপান করেন, তাঁদের ৪৪ শতাংশ কোনো না কোনো মানসিক রোগে আক্রান্ত। এটা সাধারণ উদ্বিগ্নতা, সিজোফ্রেনিয়া ইত্যাদি হতে পারে। অধূমপায়ীদের বাঁচানোর জন্য এ আইন। অধূমপায়ীদের যেকোনোভাবে ধূমপানের ক্ষতিকর দিক থেকে রক্ষা করতেই হবে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের ক্ষেত্রে আমার একটি অভিজ্ঞতা আছে।
২০০৫ সালে ধূমপান আইন পাস হয়। আমি তখন মুন্সিগঞ্জে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ছিলাম। জেলা প্রশাসক ম্যাজিস্ট্রেটসহ আমাদের বললেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন পেলাম, আপনারা জোরেশোরে কাজ শুরু করেন। আমরা কাজ শুরু করলাম। আইনটি প্রয়োগের সময় দেখলাম, একটা শ্রেণি এত প্রান্তিক যে তাদের কাছ থেকে ৫০ বা ১০০ টাকা আদায় করা খুবই কষ্টকর। আরেকটা শ্রেণির এত টাকা আছে যে তারা পারলে টাকাটা ছুড়ে দিয়ে আরেকটা সিগারেট ধরায়।
এ রকম বিভিন্ন সমস্যার জন্য হয়তো নতুন আরেকটি আইন পেলাম। তাই মনে হয়, শুধু আইন দিয়ে হবে না। আইনের পাশাপাশি ধূমপানের ব্যাপক ক্ষতিকর দিক নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির কাজটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।
আনিসুল হকএ আইনটি হচ্ছে অধূমপায়ীদের স্বার্থরক্ষার আইন। ২০১১ সালের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব শিশু পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়, তাদের আচরণের পরিবর্তন হয়। দীর্ঘ ছয় বছরের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, যারা ধূমপান করেন, তাঁদের অন্য নেশায় আসক্ত হওয়ার আশঙ্কা ৭ থেকে ১৬ গুণ বেশি।
১৯৯৫ সালে ২০টি উন্নত রাষ্ট্রের ওপর গবেষণা করা হয়েছিল। সে গবেষণায় বলা হয়েছে, যাঁরা ধূমপান করেন, তাঁদের ৪৪ শতাংশ কোনো না কোনো মানসিক রোগে আক্রান্ত। এটা সাধারণ উদ্বিগ্নতা, সিজোফ্রেনিয়া ইত্যাদি হতে পারে। অধূমপায়ীদের বাঁচানোর জন্য এ আইন। অধূমপায়ীদের যেকোনোভাবে ধূমপানের ক্ষতিকর দিক থেকে রক্ষা করতেই হবে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের ক্ষেত্রে আমার একটি অভিজ্ঞতা আছে।
২০০৫ সালে ধূমপান আইন পাস হয়। আমি তখন মুন্সিগঞ্জে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ছিলাম। জেলা প্রশাসক ম্যাজিস্ট্রেটসহ আমাদের বললেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন পেলাম, আপনারা জোরেশোরে কাজ শুরু করেন। আমরা কাজ শুরু করলাম। আইনটি প্রয়োগের সময় দেখলাম, একটা শ্রেণি এত প্রান্তিক যে তাদের কাছ থেকে ৫০ বা ১০০ টাকা আদায় করা খুবই কষ্টকর। আরেকটা শ্রেণির এত টাকা আছে যে তারা পারলে টাকাটা ছুড়ে দিয়ে আরেকটা সিগারেট ধরায়।
এ রকম বিভিন্ন সমস্যার জন্য হয়তো নতুন আরেকটি আইন পেলাম। তাই মনে হয়, শুধু আইন দিয়ে হবে না। আইনের পাশাপাশি ধূমপানের ব্যাপক ক্ষতিকর দিক নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির কাজটি খুব গুরুত্বপূর্ণ।
অনেক
আগে নাটক-চলচ্চিত্রের চরিত্রদের মধ্যে ধূমপানের প্রবণতা ছিল। এখন সারা
পৃথিবীতে নাটক-চলচ্চিত্রে ধূমপানকে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। আমরা যারা নাটক
লিখি, তারাও ধূমপানকে নিরুৎসাহিত করছি। তার পরও কিছু স্যাটেলাইট চ্যানেলের
নাটক-সিনেমায় ধূমপানের দৃশ্য দেখা যায়। এগুলোও বন্ধ হবে বলে আমার বিশ্বাস।
ধূমপানের দৃশ্য ছাড়াই ভালো নাটক-সিনেমা হতে পারে। তাই এখান থেকে একটা প্রস্তাব করতে পারি, আমরা যারা নাটক-সিনেমা বানাই, তারা স্ক্রিনে ধূমপানের দৃশ্য রাখব না। এ কাজটি করা খুবই সম্ভব। আমার শিল্প-সাহিত্যে ধূমপানের বিষয়গুলো থাকবে না বলে কথা দিতে পারি। তবে গত দুই দশক থেকে ধূমপানের ক্ষেত্রে মানুষের সচেতনতা অনেক বেড়েছে। মানুষ ধূমপানের ক্ষতিগুলো বুঝতে শিখেছে। একসময় বিড়ির ওপর কর বসানোর জন্য প্রতিবাদ হিসেবে সম্পাদকীয় লেখা হতো। যুক্তি ছিল, বিড়ি গরিবের বিনোদন। বাংলাদেশে সে অবস্থা এখন আর নেই।
আমার বন্ধুরা যারা অস্ট্রেলিয়া থেকে এসেছে, তারা বলছে ওখানে ধূমপান খুব কঠিন। একটা সিগারেটের পেছনে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা খরচ পড়ে। তা ছাড়া ধূমপান করার জায়গা খুঁজে পাওয়া যায় না। আগে বিমানে ধূমপানের জায়গা ছিল, এখন নেই। ১৫ থেকে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিমানে কেউ ধূমপান করছেন না। তার পরও তরুণ-তরুণীদের মধ্যে কিছুটা বেড়েছে বলেই মনে হয়।
হাত বাড়ালেই বিড়ি, সিগারেট কিনতে পারি। তরুণ-তরুণীদের মধ্যে ধূমপানের এটাও একটা কারণ। তবে আইনের প্রয়োগ করতেই হবে। দু-তিনবার জরিমানা করলে অবশ্যই ধূমপানের প্রবণতা কমে আসবে। মানুষের প্রবণতাই এমন, যখনই সে আইনের মধ্যে থাকবে, তখন আইন মানবে। একটু সুযোগ পেলেই আইন মানবে না। তাই আইনের প্রয়োগ করতেই হবে। আমাদের গণমাধ্যম, নাটক, সিনেমা, সংগীত, চলচ্চিত্র—সব মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ধূমপান না করার প্রচার চালাতে হবে।
তাহলে মানুষের মধ্যে সচেতনতা আসবে। মানুষ ধূমপান করবে না। সারা বিশ্বেই ধূমপানকে ‘না’ বলা হচ্ছে। আমাদের দেশেও এখন আর ধূমপানকে সহজভাবে নিচ্ছে না। ফলে আমরা যারা ধূমপান করি, তারা এ থেকে বেরিয়ে আসতে পারব বলে বিশ্বাস করি।
বেগম ফজিলাতুন নেসাধূমপানের দৃশ্য ছাড়াই ভালো নাটক-সিনেমা হতে পারে। তাই এখান থেকে একটা প্রস্তাব করতে পারি, আমরা যারা নাটক-সিনেমা বানাই, তারা স্ক্রিনে ধূমপানের দৃশ্য রাখব না। এ কাজটি করা খুবই সম্ভব। আমার শিল্প-সাহিত্যে ধূমপানের বিষয়গুলো থাকবে না বলে কথা দিতে পারি। তবে গত দুই দশক থেকে ধূমপানের ক্ষেত্রে মানুষের সচেতনতা অনেক বেড়েছে। মানুষ ধূমপানের ক্ষতিগুলো বুঝতে শিখেছে। একসময় বিড়ির ওপর কর বসানোর জন্য প্রতিবাদ হিসেবে সম্পাদকীয় লেখা হতো। যুক্তি ছিল, বিড়ি গরিবের বিনোদন। বাংলাদেশে সে অবস্থা এখন আর নেই।
আমার বন্ধুরা যারা অস্ট্রেলিয়া থেকে এসেছে, তারা বলছে ওখানে ধূমপান খুব কঠিন। একটা সিগারেটের পেছনে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা খরচ পড়ে। তা ছাড়া ধূমপান করার জায়গা খুঁজে পাওয়া যায় না। আগে বিমানে ধূমপানের জায়গা ছিল, এখন নেই। ১৫ থেকে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিমানে কেউ ধূমপান করছেন না। তার পরও তরুণ-তরুণীদের মধ্যে কিছুটা বেড়েছে বলেই মনে হয়।
হাত বাড়ালেই বিড়ি, সিগারেট কিনতে পারি। তরুণ-তরুণীদের মধ্যে ধূমপানের এটাও একটা কারণ। তবে আইনের প্রয়োগ করতেই হবে। দু-তিনবার জরিমানা করলে অবশ্যই ধূমপানের প্রবণতা কমে আসবে। মানুষের প্রবণতাই এমন, যখনই সে আইনের মধ্যে থাকবে, তখন আইন মানবে। একটু সুযোগ পেলেই আইন মানবে না। তাই আইনের প্রয়োগ করতেই হবে। আমাদের গণমাধ্যম, নাটক, সিনেমা, সংগীত, চলচ্চিত্র—সব মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ধূমপান না করার প্রচার চালাতে হবে।
তাহলে মানুষের মধ্যে সচেতনতা আসবে। মানুষ ধূমপান করবে না। সারা বিশ্বেই ধূমপানকে ‘না’ বলা হচ্ছে। আমাদের দেশেও এখন আর ধূমপানকে সহজভাবে নিচ্ছে না। ফলে আমরা যারা ধূমপান করি, তারা এ থেকে বেরিয়ে আসতে পারব বলে বিশ্বাস করি।
যত
দিন না পর্যন্ত একটি ধূমপানমুক্ত রাষ্ট্র হচ্ছে, তত দিন এ আন্দোলন চলবে। এ
বছর মার্চ মাসের ১২ তারিখ ছিল আমাদের জন্য একটি আনন্দের দিন। মহান জাতীয়
সংসদে এই দিন তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের বিধিমালাটি পাস হয়।
২০০৫ সালে আইনটি প্রথম পাস হয়। ২০১৩ সালে এটি সংশোধিত হয়। ২০১৫ সালে আমরা এ আইনের বিধিমালা পাই। পর্যায়ক্রমে কাজগুলো নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। তামাক নিয়ন্ত্রণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ যথেষ্ট কি না, বিষয়টি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন।
২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলো একটি প্রতিবেদন করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, কক্সবাজারের রামুর ডাক্তার কাটা গ্রামে তামাক চাষে শিশুদের ব্যবহার করা হচ্ছে। কারণ, শিশুদের খুব কম পয়সা দিয়ে কাজ করানো যায়। প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জমিতে তামাক চাষের কারণে এখন আর পাখি আসে না। এক গবেষণা থেকে জানা যায়, ৫৮ শতাংশ পুরুষ ও ২৮ দশমিক ৭ শতাংশ নারী প্রতিবছর তামাক ব্যবহারে আক্রান্ত হচ্ছে। তামাকজাত পণ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজে নারীদের ব্যবহার করা হচ্ছে।
এ কাজ করার সময় একজন গর্ভবতী নারীর কী ক্ষতি হতে পারে, তা একজন চিকিৎসক ভালো বলতে পারবেন। তবে সাধারণভাবে বলা যায়, এসব নারীর সন্তান বিকলাঙ্গ ও অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা অনেক। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, তিনি যেন একটি বিশেষ সেল গঠন করে তামাকের ক্ষতিকর বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদারক করেন ।
প্রতিবছর তামাক গ্রহণের ফলে স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় হয় ১১ হাজার কোটি টাকা। বিশ্বে মারা যায় ৬০ লাখ মানুষ। তামাকের পরোক্ষ ক্ষতিতে মারা যায় ছয় লাখ মানুষ। কেবল কর্মক্ষেত্রে ১ কোটি ১৫ লাখ মানুষ পরোক্ষ ধূমপানে আক্রান্ত হন। পাবলিক প্লেস ধরলে এ সংখ্যা হবে ভয়াবহ। প্রতিদিন বিড়ি-সিগারেটে ব্যয় হচ্ছে ৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। বছরে ব্যয় হয় ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। এই বিশাল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে মানুষ মৃত্যু অথবা পঙ্গুত্ব কিনছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০০৪ সালের এক জরিপ থেকে জানতে পারি, তামাক গ্রহণের কারণে বাংলাদেশে প্রতিবছর ৫৭ হাজার মানুষ মারা যায়। পঙ্গু হয় ৩ লাখ ৮২ হাজার মানুষ। আর এখন এ সংখ্যা কোথায় দাঁড়িয়েছে, আমরা কেউ বলতে পারি না।
বৃহত্তর রংপুরে সাতটি জেলা, কুষ্টিয়া অঞ্চলের চারটি জেলা ছাড়াও পার্বত্য অঞ্চল, নড়াইল, ফরিদপুর, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন জায়গায় তামাক কোম্পানিগুলো তামাক চাষে প্রলুব্ধ করছে। এরা কত কৌশলে তরুণদের তামাকে প্রভাবিত করে, তার একটি উদাহরণ দিই। তামাক কোম্পানির পক্ষে একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের হেল্প ও ইনফরমেশন ডেস্ক একটি বিখ্যাত সিগারেট কোম্পানির ছবি দিয়ে সাজিয়ে দিয়েছে। এর অর্থ, যাতে শিক্ষার্থীরা ওই কোম্পানির সিগারেটের প্রতি প্রভাবিত হয়।
২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দ্য ডেইলি স্টার-এর এক প্রতিবেদনে দেখলাম, ২০১২-১৩ অর্থবছরে ৭০ হাজার হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এটা ১ লাখ ৮ হাজার হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। তামাক কোম্পানির এই আগ্রাসন ঠেকানোর জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
মো. মোস্তাফিজুর রহমান২০০৫ সালে আইনটি প্রথম পাস হয়। ২০১৩ সালে এটি সংশোধিত হয়। ২০১৫ সালে আমরা এ আইনের বিধিমালা পাই। পর্যায়ক্রমে কাজগুলো নির্দিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। তামাক নিয়ন্ত্রণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ যথেষ্ট কি না, বিষয়টি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন।
২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি প্রথম আলো একটি প্রতিবেদন করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, কক্সবাজারের রামুর ডাক্তার কাটা গ্রামে তামাক চাষে শিশুদের ব্যবহার করা হচ্ছে। কারণ, শিশুদের খুব কম পয়সা দিয়ে কাজ করানো যায়। প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জমিতে তামাক চাষের কারণে এখন আর পাখি আসে না। এক গবেষণা থেকে জানা যায়, ৫৮ শতাংশ পুরুষ ও ২৮ দশমিক ৭ শতাংশ নারী প্রতিবছর তামাক ব্যবহারে আক্রান্ত হচ্ছে। তামাকজাত পণ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজে নারীদের ব্যবহার করা হচ্ছে।
এ কাজ করার সময় একজন গর্ভবতী নারীর কী ক্ষতি হতে পারে, তা একজন চিকিৎসক ভালো বলতে পারবেন। তবে সাধারণভাবে বলা যায়, এসব নারীর সন্তান বিকলাঙ্গ ও অসুস্থ হওয়ার আশঙ্কা অনেক। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে অনুরোধ করব, তিনি যেন একটি বিশেষ সেল গঠন করে তামাকের ক্ষতিকর বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদারক করেন ।
প্রতিবছর তামাক গ্রহণের ফলে স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় হয় ১১ হাজার কোটি টাকা। বিশ্বে মারা যায় ৬০ লাখ মানুষ। তামাকের পরোক্ষ ক্ষতিতে মারা যায় ছয় লাখ মানুষ। কেবল কর্মক্ষেত্রে ১ কোটি ১৫ লাখ মানুষ পরোক্ষ ধূমপানে আক্রান্ত হন। পাবলিক প্লেস ধরলে এ সংখ্যা হবে ভয়াবহ। প্রতিদিন বিড়ি-সিগারেটে ব্যয় হচ্ছে ৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। বছরে ব্যয় হয় ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। এই বিশাল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে মানুষ মৃত্যু অথবা পঙ্গুত্ব কিনছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০০৪ সালের এক জরিপ থেকে জানতে পারি, তামাক গ্রহণের কারণে বাংলাদেশে প্রতিবছর ৫৭ হাজার মানুষ মারা যায়। পঙ্গু হয় ৩ লাখ ৮২ হাজার মানুষ। আর এখন এ সংখ্যা কোথায় দাঁড়িয়েছে, আমরা কেউ বলতে পারি না।
বৃহত্তর রংপুরে সাতটি জেলা, কুষ্টিয়া অঞ্চলের চারটি জেলা ছাড়াও পার্বত্য অঞ্চল, নড়াইল, ফরিদপুর, টাঙ্গাইলসহ বিভিন্ন জায়গায় তামাক কোম্পানিগুলো তামাক চাষে প্রলুব্ধ করছে। এরা কত কৌশলে তরুণদের তামাকে প্রভাবিত করে, তার একটি উদাহরণ দিই। তামাক কোম্পানির পক্ষে একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের হেল্প ও ইনফরমেশন ডেস্ক একটি বিখ্যাত সিগারেট কোম্পানির ছবি দিয়ে সাজিয়ে দিয়েছে। এর অর্থ, যাতে শিক্ষার্থীরা ওই কোম্পানির সিগারেটের প্রতি প্রভাবিত হয়।
২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দ্য ডেইলি স্টার-এর এক প্রতিবেদনে দেখলাম, ২০১২-১৩ অর্থবছরে ৭০ হাজার হেক্টর জমিতে তামাক চাষ হয়েছে। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে এটা ১ লাখ ৮ হাজার হেক্টরে দাঁড়িয়েছে। তামাক কোম্পানির এই আগ্রাসন ঠেকানোর জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
আজকের
আলোচ্য বিষয়ে দুটি দিক গুরুত্বপূর্ণ। একটি হলো আইনের প্রয়োগ, অন্যটি
সচেতনতা। একটি প্রাচীনতম নেশার উপকরণ তামাক। ১৯১৯ সালে তামাক নিয়ন্ত্রণের
জন্য যুভেনাইল আইন হয়েছিল। তামাকের ক্ষতি থেকে মানুষকে রক্ষার জন্য ১০০ বছর
আগে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আমাদের ডায়রিয়ার প্রচারণা ও পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থার প্রচারণা দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে চলে গেছে। মনে হয়, দেশে খুব কম মানুষই পাওয়া যাবে, যিনি ‘এক চিমটি লবণ, এক মুঠো গুড়, তারপর দিলাম ঘুটা’ ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণের এই প্রচারটার কথা জানেন না। তামাকের ক্ষেত্রেও সচেতনতাকে এই পর্যায়ে নিতে হবে। তাহলে এ ক্ষেত্রে ব্যাপক সফলতা অর্জন করতে পারব।
গ্রামাঞ্চলে পারিবারিকভাবে তামাক গ্রহণের প্রবণতা রয়েছে। যেমন: গুল, জর্দা, সাদাপাতা—এ–জাতীয় তামাক সবাই মিলে বসে উৎসবের মতো করে ব্যবহার করে। অথচ তামাক গ্রহণের কুফল ছাড়া একটি সুফলও নেই। এ ক্ষেত্রে ডায়রিয়ার ওই বিজ্ঞাপনের মতো এমন একটি প্রচার সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
বাংলাদেশে অনেক এনজিও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে। যে যে কাজই করুক না কেন, সে তার কাজের সঙ্গে ধূমপানের বিষয়টি যুক্ত করবে। ধূমপানের জন্য স্বাস্থ্য খাতে সরকারের ব্যয় হয় ১১ হাজার কোটি টাকা। কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে রাজস্ব আসে হয়তো দুই বা তিন হাজার কোটি টাকা। এ ক্ষেত্রে সরকারের নিট ব্যয় আট হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ সমাজে ধূমপান না থাকলে সরকারের আট হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হতো। বাংলাদেশে সরকারের লাখো-কোটি টাকা বাজেটের সামনে দুই হাজার কোটি টাকা রাজস্ব কোনো অর্থই হতে পারে না। যেখানে এর বিনিময়ে জীবন ধ্বংস হয়, সেখানে আইনের প্রয়োগ করতেই হবে। পাশাপাশি গণমাধ্যম, সরকার, এনজিও—সবাই মিলে এমনভাবে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।
আমাদের ডায়রিয়ার প্রচারণা ও পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থার প্রচারণা দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে চলে গেছে। মনে হয়, দেশে খুব কম মানুষই পাওয়া যাবে, যিনি ‘এক চিমটি লবণ, এক মুঠো গুড়, তারপর দিলাম ঘুটা’ ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণের এই প্রচারটার কথা জানেন না। তামাকের ক্ষেত্রেও সচেতনতাকে এই পর্যায়ে নিতে হবে। তাহলে এ ক্ষেত্রে ব্যাপক সফলতা অর্জন করতে পারব।
গ্রামাঞ্চলে পারিবারিকভাবে তামাক গ্রহণের প্রবণতা রয়েছে। যেমন: গুল, জর্দা, সাদাপাতা—এ–জাতীয় তামাক সবাই মিলে বসে উৎসবের মতো করে ব্যবহার করে। অথচ তামাক গ্রহণের কুফল ছাড়া একটি সুফলও নেই। এ ক্ষেত্রে ডায়রিয়ার ওই বিজ্ঞাপনের মতো এমন একটি প্রচার সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই।
বাংলাদেশে অনেক এনজিও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে। যে যে কাজই করুক না কেন, সে তার কাজের সঙ্গে ধূমপানের বিষয়টি যুক্ত করবে। ধূমপানের জন্য স্বাস্থ্য খাতে সরকারের ব্যয় হয় ১১ হাজার কোটি টাকা। কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে রাজস্ব আসে হয়তো দুই বা তিন হাজার কোটি টাকা। এ ক্ষেত্রে সরকারের নিট ব্যয় আট হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ সমাজে ধূমপান না থাকলে সরকারের আট হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হতো। বাংলাদেশে সরকারের লাখো-কোটি টাকা বাজেটের সামনে দুই হাজার কোটি টাকা রাজস্ব কোনো অর্থই হতে পারে না। যেখানে এর বিনিময়ে জীবন ধ্বংস হয়, সেখানে আইনের প্রয়োগ করতেই হবে। পাশাপাশি গণমাধ্যম, সরকার, এনজিও—সবাই মিলে এমনভাবে সচেতনতা তৈরি করতে হবে।
আসাদুজ্জামান খান কামাল: দুইভাবে তামাক গ্রহণ করা হয়।
ধোঁয়ার মাধ্যমে ও গুল, জর্দা, সাদাপাতা হিসেবে। তামাকের কুফল সম্পর্কে
আপনারা বিশদ আলোচনা করেছেন। আমি মনে করি, শুধু আইন দিয়ে সবকিছু হবে না।
আমাদের ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করতে হবে। আজকের আলোচনায়ও সচেতনতার ওপর
গুরুত্বের কথা এসেছে।
আগের থেকে মানুষ অনেক বেশি সচেতন হয়েছে। এখন প্রকাশ্যে ধূমপান করতে প্রায় দেখাই যায় না। আবার কেউ প্রকাশ্যে ধূমপান করলে তার পাশের জন প্রতিবাদ করে। মানুষ সচেতন হয়েছে বলেই প্রকাশ্যে ধূমপান কমে আসছে। এ ক্ষেত্রে প্রজ্ঞা, আহ্ছানিয়া মিশনসহ অন্যান্য সংস্থার ভূমিকা রয়েছে। কারণ, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ ধূমপানের বিরুদ্ধে কাজ করছে।
তামাক চাষ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটা আমাদের আতঙ্কের বিষয়। প্রথমে মানিকগঞ্জ থেকে শুরু হয়েছিল। এখন রংপুর, পার্বত্য অঞ্চলসহ বিভিন্ন জেলায় তামাকের চাষ হচ্ছে। ভবিষ্যতে চাষিরাই এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। কারণ, দু-একবার তামাকের চাষ করলে সে জমির উর্বরতা শক্তি অনেক কমে যায়। ফলে চাষিরা অন্য ফসল উৎপাদনে আর লাভবান হবেন না। তবে এসব ক্ষেত্রে গণমাধ্যম অনেক কিছু করতে পারে।
অনেক সময় লক্ষ করেছি, সমাজের কোনো একটি বিষয় নিয়ে আমরা ভাবছি। ভাবতে ভাবতেই দেখেছি, প্রথম আলোয় সে বিষয় লেখা হয়েছে। তামাকের ফলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে। কৃষিজমির ক্ষতি হচ্ছে। পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।
তামাক কোম্পানিগুলো যেন বিভিন্ন কৌশলে প্রচার-প্রসার করতে না পারে, সে ব্যাপারে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। ভবিষ্যতে আমরা তামাকের ব্যবহার কমাতে পারব বলে আশা করি।
আব্দুল কাইয়ুম: আলোচনায় সবাই একমত যে ধূমপানে কুফল ছাড়া একটিও সুফল নেই। আমাদের জন্য আতঙ্ক হলো তামাক চাষের জমি যেমন বাড়ছে, তেমন নারী ও শিশু এ কাজের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। আলোচনায় এসেছে, প্রতিবছর ১১ হাজার কোটি টাকা ধূমপানজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ব্যয় হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ আলোচনায় উপস্থিত আছেন। তিনি এ ব্যাপারে খুবই সচেতন।
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন, গণমাধ্যম, সরকার, এনজিওসহ সংশ্লিষ্ট সবাই যদি এ ক্ষেত্রে প্রতিরোধ গড়ে তুলি, তাহলে ভবিষ্যতে আমরা প্রায় একটি ধূমপানমুক্ত সমাজ পাব বলে আশা করি। প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সবাইকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
আলোচনায় সুপারিশ
: তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড বন্ধ করার জন্য আমাদের সবার ফলপ্রসূ উদ্যোগ নিতে হবে
: ধূমপানের ভয়াবহতা থেকে মানুষকে বাঁচাতেই হবে
: ধূমপান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়গুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে
: মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করতে হবে
: চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য যেন না দেখানো হয়
: স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যেন একটি বিশেষ সেল গঠন করে তামাকের ক্ষতিকর বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদারক করেন
আগের থেকে মানুষ অনেক বেশি সচেতন হয়েছে। এখন প্রকাশ্যে ধূমপান করতে প্রায় দেখাই যায় না। আবার কেউ প্রকাশ্যে ধূমপান করলে তার পাশের জন প্রতিবাদ করে। মানুষ সচেতন হয়েছে বলেই প্রকাশ্যে ধূমপান কমে আসছে। এ ক্ষেত্রে প্রজ্ঞা, আহ্ছানিয়া মিশনসহ অন্যান্য সংস্থার ভূমিকা রয়েছে। কারণ, তারা দীর্ঘদিন যাবৎ ধূমপানের বিরুদ্ধে কাজ করছে।
তামাক চাষ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এটা আমাদের আতঙ্কের বিষয়। প্রথমে মানিকগঞ্জ থেকে শুরু হয়েছিল। এখন রংপুর, পার্বত্য অঞ্চলসহ বিভিন্ন জেলায় তামাকের চাষ হচ্ছে। ভবিষ্যতে চাষিরাই এতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। কারণ, দু-একবার তামাকের চাষ করলে সে জমির উর্বরতা শক্তি অনেক কমে যায়। ফলে চাষিরা অন্য ফসল উৎপাদনে আর লাভবান হবেন না। তবে এসব ক্ষেত্রে গণমাধ্যম অনেক কিছু করতে পারে।
অনেক সময় লক্ষ করেছি, সমাজের কোনো একটি বিষয় নিয়ে আমরা ভাবছি। ভাবতে ভাবতেই দেখেছি, প্রথম আলোয় সে বিষয় লেখা হয়েছে। তামাকের ফলে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে। কৃষিজমির ক্ষতি হচ্ছে। পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।
তামাক কোম্পানিগুলো যেন বিভিন্ন কৌশলে প্রচার-প্রসার করতে না পারে, সে ব্যাপারে আমাদের সবাইকে কাজ করতে হবে। ভবিষ্যতে আমরা তামাকের ব্যবহার কমাতে পারব বলে আশা করি।
আব্দুল কাইয়ুম: আলোচনায় সবাই একমত যে ধূমপানে কুফল ছাড়া একটিও সুফল নেই। আমাদের জন্য আতঙ্ক হলো তামাক চাষের জমি যেমন বাড়ছে, তেমন নারী ও শিশু এ কাজের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে। আলোচনায় এসেছে, প্রতিবছর ১১ হাজার কোটি টাকা ধূমপানজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ব্যয় হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ আলোচনায় উপস্থিত আছেন। তিনি এ ব্যাপারে খুবই সচেতন।
তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন, গণমাধ্যম, সরকার, এনজিওসহ সংশ্লিষ্ট সবাই যদি এ ক্ষেত্রে প্রতিরোধ গড়ে তুলি, তাহলে ভবিষ্যতে আমরা প্রায় একটি ধূমপানমুক্ত সমাজ পাব বলে আশা করি। প্রথম আলোর পক্ষ থেকে সবাইকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
আলোচনায় সুপারিশ
: তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষতিকর কর্মকাণ্ড বন্ধ করার জন্য আমাদের সবার ফলপ্রসূ উদ্যোগ নিতে হবে
: ধূমপানের ভয়াবহতা থেকে মানুষকে বাঁচাতেই হবে
: ধূমপান নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়গুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে
: মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করতে হবে
: চলচ্চিত্রে ধূমপানের দৃশ্য যেন না দেখানো হয়
: স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী যেন একটি বিশেষ সেল গঠন করে তামাকের ক্ষতিকর বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তদারক করেন
যাঁরা অংশ নিলেন
আসাদুজ্জামান খান কামাল : প্রতিমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
বেগম ফজিলাতুন নেসা : সাংসদ, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ
মো. মোস্তাফিজুর রহমান : যুগ্ম সচিব, ল অ্যান্ড জাস্টিস ডিভিশন
আমিন উল আহসান : সমন্বয়ক, ন্যাশনাল টোব্যাকো কন্ট্রোল সেল, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়
আহমেদ হেলাল : সহকারী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
মেখলা সরকার : সহকারী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
শাহনাজ মুন্নী : বার্তা সম্পাদক, এটিএন বাংলা
রিয়াজ আহমেদ : অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর, দ্য ডেইলি স্টার
ইকবাল মাসুদ : পরিচালক, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন
আনিসুল হক : সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
মতিউর রহমান : সম্পাদক, প্রথম আলো
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম : সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
আসাদুজ্জামান খান কামাল : প্রতিমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
বেগম ফজিলাতুন নেসা : সাংসদ, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ
মো. মোস্তাফিজুর রহমান : যুগ্ম সচিব, ল অ্যান্ড জাস্টিস ডিভিশন
আমিন উল আহসান : সমন্বয়ক, ন্যাশনাল টোব্যাকো কন্ট্রোল সেল, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়
আহমেদ হেলাল : সহকারী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
মেখলা সরকার : সহকারী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট
শাহনাজ মুন্নী : বার্তা সম্পাদক, এটিএন বাংলা
রিয়াজ আহমেদ : অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর, দ্য ডেইলি স্টার
ইকবাল মাসুদ : পরিচালক, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন
আনিসুল হক : সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
মতিউর রহমান : সম্পাদক, প্রথম আলো
সঞ্চালক
আব্দুল কাইয়ুম : সহযোগী সম্পাদক, প্রথম আলো
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
May
(1015)
-
▼
May 03
(32)
- তুমি আবার এসো বুদ্ধ by প্রজ্ঞানন্দ ভিক্ষু
- ওরা ইন্টারনেটে যা দেখে -ডয়চে ভেলে
- থাইল্যান্ডের জঙ্গলে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের গণকবর!
- স্বামীকে খুন করে গোয়ালঘরে পুঁতে রাখে স্ত্রী!
- রুনা লায়লাকে নিয়ে পালাতেন নচিকেতা! by আহমেদ মুনির
- ব্যাংক ডাকাতেরা আনসারুল্লাহর সদস্য
- থাইল্যান্ডের জঙ্গলে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের গণকবর!
- এরশাদ বললেন, হয়তো বিএনপি জিততেও পারত
- বন বাঁচাবে মিলি আপার চুলা by এস এম হানিফ
- বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো ভেঙে গেছে by সেলিম জাহিদ
- স্যাটেলাইটের ছবিতে নেপালের ভূমিকম্প- ৬০০০ বর্গকিমি...
- নেপালে মৃতের সংখ্যা ছাড়াল সাত হাজার
- পিন্টুর চিকিৎসা করতে দেয়নি কারাকর্তৃপক্ষ : চিকিৎসক
- সাংবাদিক নির্যাতনে এগিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্র-ক্ষমতাসীন দ...
- ‘জাতীয় পার্টি সরকারের সকল অপকর্মের দোসর’ -গোলাম কাদের
- সতর্ক বিএনপি by হাবিবুর রহমান খান ও নজরুল ইসলাম
- মার্কিন কংগ্রেসে আলোচনা
- সিটি নির্বাচনের অনিয়ম স্বচ্ছতার সঙ্গে তদন্ত করতে হ...
- বাংলাদেশের ডিএনএতে গণতন্ত্র আছে -সাক্ষাৎকারে : মার...
- অজ্ঞতা ও কারচুপিতেই রেকর্ড ভোট বাতিল
- শাড়ি-চুড়ির জয় হোক by উম্মে মুসলিমা
- দাতাদের অর্থ পায়নি নেপাল
- আওয়ামী লীগ সমর্থকরা কি ভোট দিয়েছেন? by মাহমুদ মানজুর
- মা-সন্তানের স্বর্গরাজ্য ‘শিশু-আলয়’ by মানসুরা হোসাইন
- নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কথা বলার অধিকার নেই
- মুঠোফোনে পরিচয় প্রেম ও বিয়ে অতঃপর দগ্ধ অন্তঃসত্ত্ব...
- জন্মদিনে মাকে খোলা চিঠি by আশফিয়া বিনতে আউয়াল
- তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও ধূমপানমুক্ত পরিবেশ
- সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের অস্থিত্ব থাকবে না...
- নির্বাচন কমিশন ১৪ দলে যোগ দিয়েছে -আ স ম আবদুর রব
- জাতিসংঘের ব্রিফিংয়ে মুন-হাসিনা ফোনালাপ প্রসঙ্গ
- গৌরবের ড্র খুলনায় by নাইর ইকবাল
-
▼
May 03
(32)
-
▼
May
(1015)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment