অন্তর্বর্তী সরকারের রূপরেখা নিয়ে সংসদে আসুন

ওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার এলে আবারও দেশের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হবে না, তার গ্যারান্টি কোথায়? তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নাম শুনলে এখনো মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়ে।' বিরোধী দলের উদ্দেশে তিনি বলেন, 'অন্তর্বর্তী সরকারের রূপরেখা কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা করার জন্য সংসদে আসুন।'


গতকাল শুক্রবার রাজধানীর ফটোজার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে 'যুদ্ধাপরাধী জঙ্গিবাদের উত্থান : জিয়া-খালেদার ভূমিকা' শীর্ষক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন নাসিম। বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের ঢাকা জেলা শাখা এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
নাসিম বলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়েছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের অধীনেই হবে। হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাফ্ফর হোসেন পল্টু, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতি জোটের সহসভাপতি চিত্রনায়ক ফারুক, নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার সেনাবাহিনীর সহায়তা নিয়ে একটি সুষুম ভোটার তালিকা তৈরি করে সুষ্ঠু নির্বাচন ছাড়া জাতিকে কিছুই দিতে পারেনি। তিন মাসের ক্ষমতা নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দুই বছর দেশের মধ্যে জরুরি অবস্থা জারি করে রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের হয়রানি করেছে। যে কারণে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নাম শুনলে মানুষের মাঝে আজও আতঙ্ক বিরাজ করে। খালেদা যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে বেইমানি করেছেন :
নাসিম বলেন, 'আমরা বিশ্বাস করি, বিএনপিতে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রয়েছেন। বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সরাসরি যুদ্ধাপরাধীর পক্ষে অবস্থান নিয়ে দলের এবং মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের সঙ্গে চরম বেইমানি করেছেন।'