Wednesday, February 4, 2015
সংলাপ-সমঝোতার জন্য আকুতি
সংলাপ-সমঝোতার জন্য আকুতি

এ
এক দুঃসহ-অসহায় সময়। অবরোধ-হরতাল। ভাঙচুর, আগুন, পেট্রলবোমা, ক্রসফায়ার।
মারা যাচ্ছে মানুষ। কেউ বোমায়, কেউ গুলিতে। বার্ন ইউনিটে আর্তনাদ। আহাজারি
ক্রসফায়ারে নিহতদের স্বজনদেরও। অবরুদ্ধ অর্থনীতির চাকা। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত
কৃষক আর শ্রমজীবী মানুষ। রাজনীতিবিদরা যথারীতি অনড়। কিন্তু জনগণ যাবে
কোথায়? রাজনীতির সবচেয়ে বড় শিকার তারা। যদিও রাজনীতিবিদরা সবই করেন জনগণের
নামে। দমবন্ধ পরিস্থিতিতে কি ভাবছেন মানুষ। কি চান তারা? মানবজমিন
রিপোর্টাররা কথা বলেছেন, নানা শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে। সবাই একবাক্যে
বলছেন, তারা চলমান অচলাবস্থা থেকে মুক্তি চান, তারা বাঁচতে চান, তারা
স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিএনপি
জোটনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি আকুতি জানিয়েছেন তারা। তাদের চাওয়া, দুই
নেত্রী যেন সংলাপে বসেন এবং সমঝেতায় পৌঁছান। আমাদের রিপোর্টার
রোকনুজ্জামান পিয়াস, হামিদ বিশ্বাস, সিরাজুস সালেকিন ও ফররুখ মাহমুদ তুলে
এনেছেন সাধারণ মানুষের কথা।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সোহেলের বাড়ি কুমিল্লা, থাকেন ঢাকার কমলাপুরে। তিনি জানান, ব্যবসার অবস্থা ভাল না। আমরা চাই খালেদা জিয়া অবরোধ প্রত্যাহার করুক এবং শেখ হাসিনা আলোচনায় বসুক। মতিঝিলের চা দোকানি জাকির হোসেনের বাড়ি নোয়াখালী। তিনি বলেন, দেশের এ অবস্থায় আমাদের মতো গরিব-দুঃখী, দিনমজুর যারা আছি তাদের খুবই সমস্য হচ্ছে। যারা মন্ত্রী-মিনিস্টার তাদের তো কোন সমস্যা হচ্ছে না। আমি একটা চা দোকান করি, আমার ওপর নির্ভর করে সংসার চলে। কিন্তু এখন যে কিভাবে চলতেছি? তিনি বলেন, আমরা চাই তারা দু’জন বসে এর সমধান করুক। মো. বিল্লাল হোসেন, বাড়ি সাতক্ষীরা, থাকেন গোলাপবাগ রেলগেট। পেশায় জেনারেটর অপারেটর। তিনি বলেন, তারা রেষারেষি করতেছে। কেউ কাউকে ছাড় দেয়ার পাত্র না। অবস্থাটা ভাল মনে হচ্ছে না। এ অবস্থায় যারা ক্ষমতায় আছে বা যারা ক্ষমতায় যাবে তাদের যে কোন একজনকে ছাড় দেয়া লাগবো। উভয়দলের যারা নেতানেত্রী আছে তারা যদি চিন্তাভাবনা করে- আমাদের কারণে মানুষ মারা যাচ্ছেÑ এ চিন্তা করে যদি আলোচনায় বসে তবে দেশের জন্য ভাল হবে। বরিশালের গৌরনদীর স্থায়ী বাসিন্দা সেনাকল্যাণ সংস্থার স্টাফ মো. হানিফ থাকেন মতিঝিলেই। ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বলেন, দেশের বর্তমান অবস্থা আমি কারো কাছে বলবো না, আর বলতেও চাই না। দেশে সরকার আছে, কি করবে না করবে তারাই জানে। সরকারি চাকরিজীবী মো. ইউনূচের বাড়ি চিটাগাং, থাকেন ফকিরাপুল। তিনি বলেন, আসলে মন্তব্য যে কি করি? মাঝখানে আমরা জনগণ বেকায়দায় পড়ে গেছি। আমার মনে হয় দু’জন বসে একটা সমঝোতায় আসা উচিত। শাসনতো তারাই করবে। আজকে যে করতেছে, আগামীদিন আরেকজন করবে। ঘুরেফিরে তো এরাই করবে। তাই বসে আলোচনা করা উচিত, জনগণ যেন একটু শান্তিতে থাকতে পারে। পাবনার মতিন থাকেন মুগদা। পেশায় রিকশাচালক। তিনি বলেন, দেশের অবস্থা তো দেখতেছেন। দেশটা খাইলো তো দুইজন। আগে দেখা যেত রাতের বেলা রিকশা চালিয়ে ভাড়া দিয়েও ৩০০ টাকা থাকতো। আর এখন সারাদিন ভাড়া মেরেও ১০০ টাকা থাকে না। এখন দুইজনকে বসে আলাপ আলোচনা করে দেশটাকে ভাল করা লাগবো। আলাপ-আলোচনা করে যেটা ভাল হয় সেইটাই করা লাগবো।
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের গ্রাহক অমল সাহা জানান, তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। রাজধানীর ইসলামপুরে তার থান কাপড়ের দোকান রয়েছে। ছোট আকারের দু’টি দোকানে কর্মচারীদের বেতন, দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎসহ যাবতীয় খরচ আছে দেড় লাখ টাকা। প্রায় এক মাস ধরে চলা অবরোধে বিক্রি শূন্যের কোঠায় নেমেছে। তাই দেড় লাখ টাকা খরচই এখন লোকসান হয়ে ঘাড়ে চেপে বসেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, দুনিয়ার কোথাও থেকে এ দেশ শিক্ষা নেয় না। এখানে চর্চা হয় পারস্পরিক গোঁয়ার্তুমি। সরকার ও বিরোধী দলের কর্মকা-ে মনে হয় না তারা সাধারণ মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করেন। যদিও উভয় দল দাবি করে আসছে- তাদের দু’কোণায় অনড় দাঁড়িয়ে থাকার লক্ষ্য শুধুই জনগণ। অমল সাহা তাদের এ দাবিকে ডাহা মিথ্যা বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সংলাপ, আলোচনা ও সমঝোতা কিছই বুঝিনা; মুক্তি চাই-বাঁচতে চাই।
মতিঝিল এলাকায় কথা হয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এসএম শাহজাহান এর সঙ্গে, তিনি বলেন, এ দেশের মানুষ, নেতা কেউ ভাল না। উভয় দলকে বসা উচিত। কিন্তু বসেও কি সুফল আসবে, সংশয় তার। তিনি বলেন, একমাস আগে দেশে আসি। এসেই দেখি দেশ অচল। যুক্তরাষ্ট্রফেরত এ প্রবাসী ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই চলে যাচ্ছি।
বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী আলী আকবর জানান, নির্বাচন হোক আর না হোক আসুন, বসুন, কথা বলুন। দেশে-বিদেশে সবাই বলছে সংলাপে বসতে। সংলাপে বসতে তাদের সমস্যা কোথায়? আবদুর রহমান শিবলু। ছাত্র। যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুলে নবম শ্রেণীতে পড়ে। গ্রাম ছেড়ে শহরে এসেছে উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন বুকে নিয়ে। কিন্তু এখানে এসে দেখে হরতাল আর অবরোধ। সাধারণত হরতালে রাজধানীর স্কুলগুলোতে ক্লাস হয় না। আবদুর রহমানের দাবি, অবরোধে ক্লাস হলেও গত কয়েক দিনের হরতালে তার ৫ দিন ক্লাস হয়নি। সে বন্দিজীবন থেকে মুক্তি পেতে চায়। ইডেন ও সিটি কলেজের দু’শিক্ষার্থী মুক্তা ও সারা। তারা বলেন, নিরাপত্তা চাই। দয়া নয়, নাগরিক হিসেবে আমাদের নিরাপত্তা দেয়া রাষ্ট্রের কর্র্তব্য। পোল্ট্রি মুরগি ব্যবসায়ী মো. সেলিম উদ্দিন জানান, যদি তাদের রাজনীতি জনগণের জন্য হয়ে থাকে তবে তাদের সংলাপে বসা উচিত। তিনি বলেন, সব জায়গায় তাদের স্বার্থ তাহলে জনগণ কোথায়? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নাগরিক জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লিমিটেড কিন্তু জনগণ আনলিমিটেড। তিনি সতর্ক করে বলেন, সাধারণ মানুষকে যেন আর ক্ষেপানো না হয়। একটি গলি পথের দোকানি তাপস বলেন, ক্ষমতাসীন সরকারের আচরণ স্বৈরতন্ত্রের মতো মনে হচ্ছে। তিনি স্বৈরতন্ত্র থেকে মুক্তির আহ্বান জানান।
আবদুল কাদের ফুটপাতে ব্যবসা করেন। তিনি বলেন, সরকার অথবা দল কিছুই বুঝি না। আমরা চাই বাঁচতে। সুখে-শান্তিতে ব্যবসা করতে। তিনি বলেন, ধীরে ধীরে বাঁচার সবটুকু অধিকার কেড়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমানুল্লাহ সরকার বলেন, বেঁচে থাকার গ্যারান্টি চাই। বর্তমানে একজন নাগরিকের জীবনের কোন মূল্য নেই। মতের মিল না থাকলে তাকে ধরে নিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে এনকাউন্টার হিসেবে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে। মাইনুল হাসান হীরা বলেন, ঘাত-প্রতিঘাত-অপঘাত ও নির্যাতন থেকে দেশের মানুষ মুক্তি চায়। মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন বলেন, গ্রহণযোগ্য সংলাপ চাই। যেনতেন সংলাপ বহু দেখেছি। কাজে আসেনি।
মো. মাসুদ মিয়া বলেন, দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য নেই। দেশ শূন্যের উপর ভাসছে। একদিন ধপাস্ করে নিচের দিকে পড়ে যাবে। আমরা অতিষ্ঠ, চরম অতিষ্ঠ। তিনি বলেন, এ অবরোধে কোন মন্ত্রী, এমপি, নেতা মারা যায়নি। মরছে সাধারণ মানুষ। জনগণের দোহাই দিয়ে তারা রাজনীতি করলেও তাদের রাজনীতির সহিংসতার শিকার সে জনগণই। পথচারী খোরশেদ আলম বলেন, অত্যাচার-নির্যাতন থেকে বাঁচতে চাই। ব্যবসা-বাণিজ্যের সুষ্ঠু পরিবেশ চাই। রিপন। ভোলা থেকে ঢাকার শ্যামলীতে বেড়াতে এসেছেন। তিনি এলাকার মুদি দোকানি। তড়িঘড়ি করে গাড়িতে উঠে যাওয়ার সময় তিনি বলে যান, শান্তি চাই। আলম সংক্ষেপেই বললেন, হরতাল-অবরোধ এগুলোর বিপক্ষে।
সুরুজ মোল্লা। পেশায় সিএনজি চালক। মতিঝিলে রাস্তার এক পাশে মাথায় হাত দিয়ে সিএনজি’র সঙ্গে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সারা দিনে পেয়েছেন ৭০০ টাকা। মালিকের কাছে জমা দিতে হবে ১০৫০ ও গ্যাস বাবদ ২৫০। এতো পুরো লোকসান! জবাবে সুরুজ বলেন, এভাবে কাটছে অবরোধের দিনগুলো। বিএসএফআইসি’র ডিজিএম ছানোয়ার হোসেন বলেন, অনতিবিলম্বে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাই। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) একজন অফিসার বলেন, সংলাপ চাই। তবে তা হতে হবে যুক্তিসঙ্গত ও গ্রহণযোগ্য।
কামরুল হাসান শিপন। ফুটপাতের দোকানি। তিনি বলেন, দুই নেত্রীর বাড়াবাড়িতে ব্যবসা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এমন অনেক দিন যাচ্ছে। যে দিনে একটি শার্টও বিক্রি হচ্ছে না। চলমান জট খোলার জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোন বিকল্প নেই বলে জানান তিনি। পথচারী সুমি আক্তার বলেন, আতঙ্কে আছি। অবরোধে ঘর থেকে বের হতে পারি না। এর একটা সমাধান হওয়া উচিত।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোবারক জানান, স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক ১২০০ টাকা বিক্রি হতো। বর্তমানে হচ্ছে মাত্র ৫০০ টাকা। কষ্টে আছি। সমাধান চাই। গেঞ্জির দোকানি মো. আবদুল হাই বলেন, ধার-কর্জ করে চলছি। ভবিষ্যৎ অন্ধকার। কেবলই ঋণের নিচে তলিয়ে যাচ্ছি। মাসুদ মিয়া। পেশায় রিকশাচালক। কণ্ঠ শুকিয়ে গেছে। কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে। তিনি বলেন, সারা দিনে ৩০০ টাকা আয় হয়। কি করবো বুঝতে পারছি না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বাবু বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে যে কোন সময় বড় ধরনের বিপর্যয় আসতে পারে। রাজনীতিবিদদের ব্যর্থতার কারণে অতীতেও এমন সমস্যা তৈরি হয়েছিল। সামরিক শাসন জারি হয়েছিল। দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে। এখন দুই দলের উচিত অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে উদ্ভূত সমস্যার সমাধান করা। আরেক শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম বলেন, দেশ গৃহযুদ্ধর দিকে এগুচ্ছে।
ধর্মীয় সংঘাত, শ্রেণীগত দ্বন্দ্ব এবং এলাকাগত বৈষম্য আজ স্পষ্ট। মানুষের বাক স্বাধীনতা নেই। সমাবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, সঙ্কট উত্তরণে রাষ্ট্র ও রাজনীতিকে আলাদা করে দেখতে হবে। সাংবিধানিক পদগুলোতে রাজনৈতিক কোন প্রভাব থাকা চলবে না।
শাহনূর শাকিল বলেন, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে দেশে এক অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পারস্পরিক সহনশীলতা, অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র এবং জনমতের সুষ্ঠু প্রতিফলনই এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র উপায়। সাঈদ মিজান বলেন, আলোচনার মাধ্যমে দেশের প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে সমস্যার সমাধান করতে হবে। ব্যর্থ হলে দেশ আরও গভীর সঙ্কটে পড়ে যাবে। মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী ইমন বলেন, গণতন্ত্র হত্যা এবং গণতন্ত্র রক্ষার নামে পেট্রলবোমা মেরে যে মানুষ হত্যা করছে সে ধরনের গণতন্ত্র আমরা চাই না। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী কামরুল বলেন, দেশ সঙ্কটে পড়ছে। আমরা এই সঙ্কটের সমাধান চাই। বিরোধী দলকে দমন-পীড়নের মাধ্যমে নয়, সঠিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের নুরুল্লাহ বলেন, বর্তমান এই পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকলে সাধারণ মানুষ কোন দলকে নয়, বরং দেশ রক্ষার আন্দোলনে রাস্তায় নেমে পড়বে। এই রকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আগেই সরকারের উচিত গঠণমূলক সংলাপের আয়োজন করা। ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী শাহেদ বলেন, বর্তমান সরকারের ১৫৪ জন অনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি রয়েছেন। তাতে মানুষের অধিকারকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। এতে গণতন্ত্রের সঠিক মূল্যায়ন করা হয়নি। তাই সমস্যা সমাধানে সব দলকে সঙ্গে নিয়ে সংলাপের আয়োজন করা জরুরি। শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার বলেন, দেশে বর্তমান সঙ্কটের জন্য বিএনপি দায়ী। তারা সঠিক সময়ে নির্বাচনে না এসে এখন দেশকে অস্থিতিশীল অবস্থার দিকে ঠেলে দিয়েছে। বায়জীদ খান বলেন, রাজনৈতিক সমস্যা রাজনৈতিকভাবে সমাধান করতে হবে। আমরা এখন কোন রাজনৈতিক দলের অধীনে যেতে চাই না।
পলাশী বাজারের মুদি দোকানদার মো. বাবুল বলেন, শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। ঘর থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। ব্যবসার অবস্থা খারাপ। সরকার হয়তো সঙ্কট উত্তরণের জন্য চেষ্টা করছে। তবে তাদের বিএনপি’র সঙ্গে সংলাপ করেই সমস্যার সমাধান করতে হবে। ফার্মেসি দোকানদার বিশ্বজিৎ বলেন, সবসময় আতঙ্কের মধ্যে থাকি। দুই পক্ষই অনড় অবস্থানে রয়েছে। এ পর্যায়ে জনগণকে সচেতন হতে হবে। তাদের অধিকার আদায়ে আরও সোচ্চার হতে হবে। নাশকতাকারীকে দমন করতে হবে। মুদি দোকানদার আবদুল ওয়াদুদ বলেন, দ্রব্যমূল্য অনেক বেড়ে গেছে। ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে পারছি না। নিজেরাও ভয়ে থাকি। সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে। অভিভাবক নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, আমার ছেলে উদয়ন স্কুলে পড়ে। রাস্তায় আতঙ্ক নিয়ে চলাফেরা করতে হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের স্বার্থে সবসময় সাধারণ মানুষদের ব্যবহার করে। সঙ্কটের সমাধান চাই। রিকশাচালক খালেক বলেন, সরকারের অযৌক্তিক জেদের কাছে আমরা জিম্মি। চালের দাম বেড়ে গেছে। রাস্তায় নামতে পারি না। ককটেল ও পেট্রলবোমা আতঙ্ক কাজ করে। সরকারের উচিত অনড় অবস্থান থেকে সরে আসা। ব্যবসায়ী জামাল আহমেদ বলেন, দুই দলের রেষারেষিতে আমরা সাধারণ মানুষ বিপদে পড়েছি। অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গেছে। সরকার নমনীয় হলে সমস্যার সমাধান হবে। অভিভাবক সুলতানা জামাল বলেন, শুধু বিরোধী দলকে দমন-পীড়ন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। আর হরতাল-অবরোধ দিলেও হবে না। দুই পক্ষকে এক টেবিলে বসতে হবে। না হলে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে দুই পক্ষকেই দেশ ছাড়া করবে। সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানের দোকানদার জাহাঙ্গীর বলেন, একতরফা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে। বিএনপি’র এমন আন্দোলনের জন্য সরকারই দায়ী। সঙ্কট নিরসনে সরকারকেই এগিয়ে আসতে হবে। রিকশাচালক কাদের বলেন, কোন রাজনীতি করি না। তারপরও রাজনীতির স্বার্থের বলি আমরা। পেটের দায়ে রিকশা চালাই। দেশের বর্তমান অবস্থায় ভয়ে থাকি কখন কি ঘটে। তিনি বলেন, সরকার পুলিশ দিয়ে মানুষ মেরে সংলাপের পথ বন্ধ করে দিচ্ছে।
অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা রশিদুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব বেশি। তার জবাবদিহিও বেশি। কোন ক্ষেত্রেই বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়। তার উচিত ছাড় দেয়া। সরকারি বাঙলা কলেজের ছাত্র মামুনুর রশীদ বলেন, গাড়ি পুড়িয়ে কি লাভ? চোখের নিমিষে লাখ লাখ টাকা পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে। সরকার তো একচুলও নড়ছে না। একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ দাবি করেন নাশকতার সঙ্গে সরকার জড়িত। তিনি বলেন, পুলিশ পাহারার মধ্যে যেভাবে গাড়ি পোড়ানো হচ্ছে তাতে আমি বাজি ধরতে পারি সরকারের মদত ছাড়া এ ধরনের কাজ দুর্বৃত্তদের পক্ষে করা সম্ভব না। এ রকম চলতে থাকলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। শ্যামলী এলাকার গৃহিণী আসমা বেগম বলেন, রাস্তায় বের হতেই ভয় পাই। আতঙ্কে থাকি কখন গায়ে আগুন লেগে যায়। মাথার ওপর ককটেল পড়ে। জরুরি কাজ ছাড়া বাসা থেকে বের হই না। ব্যাংক কর্মকর্তা মাসুম আলী বলেন, দুই নেত্রীর কেউ থামছেন না। আমরা যাবো কোথায়। সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ আপনারা মানুষের আকুতি তুলে ধরেন। তাদের থামতে বলেন। তারা না থামলে দেশের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে যাবে। বাচ্চাদের স্কুলে দিতে ভয় হয়। সামনে এসএসসি পরীক্ষা। বাচ্চার পরীক্ষা অনিশ্চিত। স্কুল শিক্ষক আলতাফ হোসেন বলেন, দুই নেত্রীর কাউকে না কাউকে ছাড় দিতে হবে। নাহলে সমাধান সম্ভব না। যার দায়িত্ব বেশি তাকে আগে ছাড় দিতে হবে। কাপড় ব্যবসায়ী নাজমুল মিয়া বলেন, ব্যবসায়ীদের পথে বসার মতো অবস্থা। হরতাল-অবরোধের কারণে মাল ঢাকার বাইরে পাঠাতে পারছি না। গাড়ি ভাড়াও বেড়ে গেছে অনেক। দুইজনের জেদের বলি তো আমরা হতে পারি না। মনে হয় না এরা কেউ হার মানবে। তৃতীয় কেউ সুযোগ নিতে চাইলে আমাদের উচিত তাকেই সুযোগ করে দেয়া। মোহাম্মদপুরের ট্রাকচালক সুমন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাজনীতি যারা করে সবাই দুর্নীতিবাজ। তাদের তো চিন্তা নাই। তাদের কামাই তো বন্ধ হয় নাই। ঘরে বইসা থাকলে না খেয়ে মরা লাগবে। আর বাইরে আসলে আগুনে পুড়ে মরা লাগবে। ঋণের বোঝা আর টানতে পারতেছি না। গ্রীন রোড এলাকার ব্যবসায়ী মন্টু শেখ হতাশা প্রকাশ করে বলেন, মনে হয় না আর দ্ইু নেত্রী একসঙ্গে বসতে পারবেন। সবাই ক্ষমতার জন্য পাগল। দেশের মানুষের কথা আসলে তারা চিন্তা করে না। চিন্তা করলে তারা মিলেমিশে কাজ করত। গরিবের কথা মনে পড়ে শুধু ভোটের দিন। ভোট শেষ হলে তাদের মারতেও কষ্ট লাগে না। হাতিরপুল এলাকার মাছ ব্যবসায়ী মঞ্জু বলেন, আওয়ামী লীগ-বিএনপি কাউরে দিয়া দেশের উন্নতি হইবো না। একটা বছর দ্যাশ শান্তিতে আছিলো। আবার জ্বালাও-পোড়াও শুরু করছে। তারা কেউ চায় না আমরা শান্তিতে থাকি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রোমানা বলেন, দেশ দুইভাগে ভাগ করে এক ভাগ খালেদাকে, আরেকভাগ হাসিনাকে দেয়া উচিত। আমাদের উচিত দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া দেশের কোন ভবিষ্যৎ দেখছি না। আসাদ গেটের চা বিক্রেতা আনিস বলেন, একজন গুলি করে মানুষ মারে, আরেকজন আগুন দিয়ে মারে। এক ইঞ্চি জমির জন্য ভাই ভাইরে খুন করে। দুই নেত্রীর কাছে আর কি আশা করি। আল্লাহ্ তাদের সুমতি দিক।
ফ্যাট নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, আতঙ্কে আছি। বেশির ভাগ সময় ডিউটি থাকে ঢাকাসহ আশপাশের জেলাগুলোতে। যেতে ভীষণ কষ্ট হয়। এরই মধ্যে একদিন পেট্রলবোমার মুখোমুখি হই। অল্পের জন্য বেঁচে যাই। গুলশানের অফিস থেকে বের হতেই দেখি একটি বোমা দ্রুত ছুঁড়ে মারে দুর্বৃত্তরা। ভাগ্যিস, আমার গাড়ির সামনের গাড়িতে বোমাটি পড়ে। মুহূর্তেই দিগি¦দিক ছোটাছুটি করে সবাই। ভয়ে সে দিন ডিউটিতে যেতে পারিনি। এ পর্যন্ত সাইটে যেতে পেরেছি মাত্র ৬ দিন। তাও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। এভাবে চলছে অবরোধের দিনগুলো। তিনি বলেন, দ্রুত মধ্যবর্তী নির্বাচন চাই। বেসরকারি মোবাইল অপারেটর কোম্পানি রবির অপারেশন বিভাগের কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সারাক্ষণ এক ধরনের আতঙ্কে থাকি। বর্তমানে অফিসের গাড়ি বন্ধ। যেতে হয় অন্য গাড়িতে চড়ে। ডিউটি ঢাকা বিভাগ। ফলে যেতে হয় প্রচুর জায়গায়। তিনি বলেন, দায়িত্বের কারণে বিভিন্ন স্থানে যেতে হয়; পরিবারের লোকজন সব সময় টেনশনে থাকে। তিনি বলেন, আর কোন সংঘাত নয়, সমঝোতা চাই। প্যানাসনিক ডিজিটাল সাইন অ্যান্ড টেলিকমের মার্কেটিং অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, যে করে হোক সমঝোতা চাই। ব্যবসায়ী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, উভয় দলকে বসে সমঝোতার মাধ্যমে একটি সমাধানে আসতে হবে। মেহেদী হাসান ফুয়াদ বলেন, সংলাপের জন্য অনেক ডাকা হয়েছে। আসেনি। ২০১৯ সালের আগে কোন সংলাপ নয়। একটি ভবনের ম্যানেজার মো. আবদুস সালাম পাটোয়ারী জানান, দুই নেত্রীকে সংলাপে এসে সর্বদলীয় কমিটি গঠন করে একটি সমাধানে আসা উচিত। একই ভবনের সিকিউরিটি গার্ড আবদুল জব্বার বলেন, সমঝোতা চাই। চা দোকানের ছোট্ট কর্মচারী ইকবাল হোসেন রিপন। সে গ-গোল নয়, সংলাপ চায়। পত্রিকা স্টলের মালিক রফিকুল ইসলাম ও আওলাদ হোসেন মন্টু জানান, ভয়াবহ অবস্থা। আগের অবস্থায় ফিরে যেতে চাই। সংলাপ, আলোচনা, সমঝোতা যে কোন উপায়ে শান্তি চাই। সৌদি প্রবাসী হারুন অর রশিদ জানান, ৬ মাসের ছুটি সংক্ষিপ্ত করে চলে যাবো। এভাবে কোন দেশ চলতে পারে না। মুচি বাবু বলেন, অনেক কষ্টে আছি। সমাধান চাই। পান-সিগারেটের দোকানি বাবর আলী বলেন, আর চলতে পারছি না। ধার-কর্জে জর্জরিত। শিপের চাকুরে মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতে মনে হচ্ছে দুই দল দিয়ে আর হবে না। তৃতীয় শক্তির দরকার। গার্মেন্ট ব্যবসায়ী আলা উদ্দিন বলেন, বিক্রি শূন্য। চারদিকে ক্ষোভ আর আতঙ্ক। এরা দেশের ভাল চায় না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী যায়েদ বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থির জন্য রাজনৈতিক দলগুলোই দায়ী। সরকারের অনড় অবস্থান সঙ্কট আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধান করতে হবে এবং সংলাপের উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। মনোবিজ্ঞান বিভাগের আবিদা সুলতানা বলেন, রাজনীতির বলি সবসময় সাধারণ মানুষই হয়। কিন্তু তারা এটা বোঝে না। যার কারণে রাজনীতিবিদরা সুযোগ নেয়। ভূগোল বিভাগের উৎপল সাহা বলেন, ক্ষমতার দ্বন্দ্বে সবাই অন্ধ। বর্তমান পরিস্থিতি মারাত্মক। এভাবে কোন দেশে মানুষ বাস করতে পারে না। জীবন হাতে নিয়ে বাসা থেকে বের হতে হয়। দুই দলের উচিত আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় আসা। রিকশাচালক রহিম বলেন, পেটের দায়ে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় গাড়ি বের করেছি। এভাবে চললে মারা যাবো। চাল, ডালের দাম বেড়ে গেছে। আরেক রিকশাচালক ফারুক বলেন, খ্যাপ নাই। ভয়ে মানুষ রাস্তায় বের হয় না। ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজটের সমস্যা রয়েছে। হরতাল-অবরোধে তা আরও প্রকট হয়েছে। দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এভাবে চলতে দেয়া যায় না। ঢাকা কলেজের বেলায়েত বলেন, বিএনপি যেভাবে আন্দোলন করছে তা গণতন্ত্রের ভাষা নয়। মানুষ মেরে, ককটেল মেরে গণতন্ত্র রক্ষা করা যায় না। তারা নির্বাচনে না গিয়ে এখন আন্দোলন করছে কেন। ইডেন কলেজের শিক্ষার্থী শাহনাজ বলেন, রাজনীতি বুঝি না। দেশে শান্তি থাকুকÑ সেটাই চাই। আরেক শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, দুই দলই আমাদের বোকা ভেবেছে। সাধারণ মানুষকে নিয়ে তারা তাদের রাজনীতির খেলা খেলছে। সাধারণ মানুষের উচিত এখন জেগে উঠা। নীলক্ষেতের মুদি দোকানদার মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশে যে অচল অবস্থা চলছে তাতে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাজার ভাল যাচ্ছে না। ভবিষ্যতে এর ফল ভাল হবে না। বইয়ের দোকানদার হানিফ মুন্সী বলেন, সরকারের একগুয়েমির কাছে সাধারণ মানুষের দাবি উপেক্ষিত হচ্ছে। আমরা গরিবরা খেতে পারছি না। ক্ষমতার মসনদে বসে তারা এসব সমস্যার কথা টের পান না। সরকারের উচিত সমঝোতায় বসা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদ্দাম বলেন, বাংলাদেশ যেহেতু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র সেহেতু গণতান্ত্রিক উপায়ে সবার ভোটাধিকার প্রয়োগের অধিকার রয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার যেহেতু অনির্বাচিত সেহেতু দেশের পরিস্থিতির জন্য এই সরকারই দায়ী। সঙ্কট নিরসনের জন্য সকল দলকে নিয়ে গঠনমূলক সংলাপের মাধ্যমে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। যে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের অধিকার ফিরে পাবে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী রাব্বী বলেন, অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে আমরা উদ্বিগ্ন। সরকারের উচিত সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সংলাপ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে সঙ্কটের সমাধান করতে হবে। এর উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সোহেলের বাড়ি কুমিল্লা, থাকেন ঢাকার কমলাপুরে। তিনি জানান, ব্যবসার অবস্থা ভাল না। আমরা চাই খালেদা জিয়া অবরোধ প্রত্যাহার করুক এবং শেখ হাসিনা আলোচনায় বসুক। মতিঝিলের চা দোকানি জাকির হোসেনের বাড়ি নোয়াখালী। তিনি বলেন, দেশের এ অবস্থায় আমাদের মতো গরিব-দুঃখী, দিনমজুর যারা আছি তাদের খুবই সমস্য হচ্ছে। যারা মন্ত্রী-মিনিস্টার তাদের তো কোন সমস্যা হচ্ছে না। আমি একটা চা দোকান করি, আমার ওপর নির্ভর করে সংসার চলে। কিন্তু এখন যে কিভাবে চলতেছি? তিনি বলেন, আমরা চাই তারা দু’জন বসে এর সমধান করুক। মো. বিল্লাল হোসেন, বাড়ি সাতক্ষীরা, থাকেন গোলাপবাগ রেলগেট। পেশায় জেনারেটর অপারেটর। তিনি বলেন, তারা রেষারেষি করতেছে। কেউ কাউকে ছাড় দেয়ার পাত্র না। অবস্থাটা ভাল মনে হচ্ছে না। এ অবস্থায় যারা ক্ষমতায় আছে বা যারা ক্ষমতায় যাবে তাদের যে কোন একজনকে ছাড় দেয়া লাগবো। উভয়দলের যারা নেতানেত্রী আছে তারা যদি চিন্তাভাবনা করে- আমাদের কারণে মানুষ মারা যাচ্ছেÑ এ চিন্তা করে যদি আলোচনায় বসে তবে দেশের জন্য ভাল হবে। বরিশালের গৌরনদীর স্থায়ী বাসিন্দা সেনাকল্যাণ সংস্থার স্টাফ মো. হানিফ থাকেন মতিঝিলেই। ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বলেন, দেশের বর্তমান অবস্থা আমি কারো কাছে বলবো না, আর বলতেও চাই না। দেশে সরকার আছে, কি করবে না করবে তারাই জানে। সরকারি চাকরিজীবী মো. ইউনূচের বাড়ি চিটাগাং, থাকেন ফকিরাপুল। তিনি বলেন, আসলে মন্তব্য যে কি করি? মাঝখানে আমরা জনগণ বেকায়দায় পড়ে গেছি। আমার মনে হয় দু’জন বসে একটা সমঝোতায় আসা উচিত। শাসনতো তারাই করবে। আজকে যে করতেছে, আগামীদিন আরেকজন করবে। ঘুরেফিরে তো এরাই করবে। তাই বসে আলোচনা করা উচিত, জনগণ যেন একটু শান্তিতে থাকতে পারে। পাবনার মতিন থাকেন মুগদা। পেশায় রিকশাচালক। তিনি বলেন, দেশের অবস্থা তো দেখতেছেন। দেশটা খাইলো তো দুইজন। আগে দেখা যেত রাতের বেলা রিকশা চালিয়ে ভাড়া দিয়েও ৩০০ টাকা থাকতো। আর এখন সারাদিন ভাড়া মেরেও ১০০ টাকা থাকে না। এখন দুইজনকে বসে আলাপ আলোচনা করে দেশটাকে ভাল করা লাগবো। আলাপ-আলোচনা করে যেটা ভাল হয় সেইটাই করা লাগবো।
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের গ্রাহক অমল সাহা জানান, তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। রাজধানীর ইসলামপুরে তার থান কাপড়ের দোকান রয়েছে। ছোট আকারের দু’টি দোকানে কর্মচারীদের বেতন, দোকান ভাড়া, বিদ্যুৎসহ যাবতীয় খরচ আছে দেড় লাখ টাকা। প্রায় এক মাস ধরে চলা অবরোধে বিক্রি শূন্যের কোঠায় নেমেছে। তাই দেড় লাখ টাকা খরচই এখন লোকসান হয়ে ঘাড়ে চেপে বসেছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, দুনিয়ার কোথাও থেকে এ দেশ শিক্ষা নেয় না। এখানে চর্চা হয় পারস্পরিক গোঁয়ার্তুমি। সরকার ও বিরোধী দলের কর্মকা-ে মনে হয় না তারা সাধারণ মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করেন। যদিও উভয় দল দাবি করে আসছে- তাদের দু’কোণায় অনড় দাঁড়িয়ে থাকার লক্ষ্য শুধুই জনগণ। অমল সাহা তাদের এ দাবিকে ডাহা মিথ্যা বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সংলাপ, আলোচনা ও সমঝোতা কিছই বুঝিনা; মুক্তি চাই-বাঁচতে চাই।
মতিঝিল এলাকায় কথা হয় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এসএম শাহজাহান এর সঙ্গে, তিনি বলেন, এ দেশের মানুষ, নেতা কেউ ভাল না। উভয় দলকে বসা উচিত। কিন্তু বসেও কি সুফল আসবে, সংশয় তার। তিনি বলেন, একমাস আগে দেশে আসি। এসেই দেখি দেশ অচল। যুক্তরাষ্ট্রফেরত এ প্রবাসী ত্যক্ত-বিরক্ত হয়ে বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই চলে যাচ্ছি।
বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবী আলী আকবর জানান, নির্বাচন হোক আর না হোক আসুন, বসুন, কথা বলুন। দেশে-বিদেশে সবাই বলছে সংলাপে বসতে। সংলাপে বসতে তাদের সমস্যা কোথায়? আবদুর রহমান শিবলু। ছাত্র। যাত্রাবাড়ী আইডিয়াল স্কুলে নবম শ্রেণীতে পড়ে। গ্রাম ছেড়ে শহরে এসেছে উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন বুকে নিয়ে। কিন্তু এখানে এসে দেখে হরতাল আর অবরোধ। সাধারণত হরতালে রাজধানীর স্কুলগুলোতে ক্লাস হয় না। আবদুর রহমানের দাবি, অবরোধে ক্লাস হলেও গত কয়েক দিনের হরতালে তার ৫ দিন ক্লাস হয়নি। সে বন্দিজীবন থেকে মুক্তি পেতে চায়। ইডেন ও সিটি কলেজের দু’শিক্ষার্থী মুক্তা ও সারা। তারা বলেন, নিরাপত্তা চাই। দয়া নয়, নাগরিক হিসেবে আমাদের নিরাপত্তা দেয়া রাষ্ট্রের কর্র্তব্য। পোল্ট্রি মুরগি ব্যবসায়ী মো. সেলিম উদ্দিন জানান, যদি তাদের রাজনীতি জনগণের জন্য হয়ে থাকে তবে তাদের সংলাপে বসা উচিত। তিনি বলেন, সব জায়গায় তাদের স্বার্থ তাহলে জনগণ কোথায়? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নাগরিক জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লিমিটেড কিন্তু জনগণ আনলিমিটেড। তিনি সতর্ক করে বলেন, সাধারণ মানুষকে যেন আর ক্ষেপানো না হয়। একটি গলি পথের দোকানি তাপস বলেন, ক্ষমতাসীন সরকারের আচরণ স্বৈরতন্ত্রের মতো মনে হচ্ছে। তিনি স্বৈরতন্ত্র থেকে মুক্তির আহ্বান জানান।
আবদুল কাদের ফুটপাতে ব্যবসা করেন। তিনি বলেন, সরকার অথবা দল কিছুই বুঝি না। আমরা চাই বাঁচতে। সুখে-শান্তিতে ব্যবসা করতে। তিনি বলেন, ধীরে ধীরে বাঁচার সবটুকু অধিকার কেড়ে নিয়ে যাচ্ছে। আমানুল্লাহ সরকার বলেন, বেঁচে থাকার গ্যারান্টি চাই। বর্তমানে একজন নাগরিকের জীবনের কোন মূল্য নেই। মতের মিল না থাকলে তাকে ধরে নিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে এনকাউন্টার হিসেবে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে। মাইনুল হাসান হীরা বলেন, ঘাত-প্রতিঘাত-অপঘাত ও নির্যাতন থেকে দেশের মানুষ মুক্তি চায়। মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন বলেন, গ্রহণযোগ্য সংলাপ চাই। যেনতেন সংলাপ বহু দেখেছি। কাজে আসেনি।
মো. মাসুদ মিয়া বলেন, দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য নেই। দেশ শূন্যের উপর ভাসছে। একদিন ধপাস্ করে নিচের দিকে পড়ে যাবে। আমরা অতিষ্ঠ, চরম অতিষ্ঠ। তিনি বলেন, এ অবরোধে কোন মন্ত্রী, এমপি, নেতা মারা যায়নি। মরছে সাধারণ মানুষ। জনগণের দোহাই দিয়ে তারা রাজনীতি করলেও তাদের রাজনীতির সহিংসতার শিকার সে জনগণই। পথচারী খোরশেদ আলম বলেন, অত্যাচার-নির্যাতন থেকে বাঁচতে চাই। ব্যবসা-বাণিজ্যের সুষ্ঠু পরিবেশ চাই। রিপন। ভোলা থেকে ঢাকার শ্যামলীতে বেড়াতে এসেছেন। তিনি এলাকার মুদি দোকানি। তড়িঘড়ি করে গাড়িতে উঠে যাওয়ার সময় তিনি বলে যান, শান্তি চাই। আলম সংক্ষেপেই বললেন, হরতাল-অবরোধ এগুলোর বিপক্ষে।
সুরুজ মোল্লা। পেশায় সিএনজি চালক। মতিঝিলে রাস্তার এক পাশে মাথায় হাত দিয়ে সিএনজি’র সঙ্গে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সারা দিনে পেয়েছেন ৭০০ টাকা। মালিকের কাছে জমা দিতে হবে ১০৫০ ও গ্যাস বাবদ ২৫০। এতো পুরো লোকসান! জবাবে সুরুজ বলেন, এভাবে কাটছে অবরোধের দিনগুলো। বিএসএফআইসি’র ডিজিএম ছানোয়ার হোসেন বলেন, অনতিবিলম্বে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন চাই। তিনি বলেন, গণতন্ত্রের গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) একজন অফিসার বলেন, সংলাপ চাই। তবে তা হতে হবে যুক্তিসঙ্গত ও গ্রহণযোগ্য।
কামরুল হাসান শিপন। ফুটপাতের দোকানি। তিনি বলেন, দুই নেত্রীর বাড়াবাড়িতে ব্যবসা ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এমন অনেক দিন যাচ্ছে। যে দিনে একটি শার্টও বিক্রি হচ্ছে না। চলমান জট খোলার জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোন বিকল্প নেই বলে জানান তিনি। পথচারী সুমি আক্তার বলেন, আতঙ্কে আছি। অবরোধে ঘর থেকে বের হতে পারি না। এর একটা সমাধান হওয়া উচিত।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোবারক জানান, স্বাভাবিক সময়ে দৈনিক ১২০০ টাকা বিক্রি হতো। বর্তমানে হচ্ছে মাত্র ৫০০ টাকা। কষ্টে আছি। সমাধান চাই। গেঞ্জির দোকানি মো. আবদুল হাই বলেন, ধার-কর্জ করে চলছি। ভবিষ্যৎ অন্ধকার। কেবলই ঋণের নিচে তলিয়ে যাচ্ছি। মাসুদ মিয়া। পেশায় রিকশাচালক। কণ্ঠ শুকিয়ে গেছে। কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে। তিনি বলেন, সারা দিনে ৩০০ টাকা আয় হয়। কি করবো বুঝতে পারছি না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বাবু বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে যে কোন সময় বড় ধরনের বিপর্যয় আসতে পারে। রাজনীতিবিদদের ব্যর্থতার কারণে অতীতেও এমন সমস্যা তৈরি হয়েছিল। সামরিক শাসন জারি হয়েছিল। দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে। এখন দুই দলের উচিত অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে উদ্ভূত সমস্যার সমাধান করা। আরেক শিক্ষার্থী সাইফুল ইসলাম বলেন, দেশ গৃহযুদ্ধর দিকে এগুচ্ছে।
ধর্মীয় সংঘাত, শ্রেণীগত দ্বন্দ্ব এবং এলাকাগত বৈষম্য আজ স্পষ্ট। মানুষের বাক স্বাধীনতা নেই। সমাবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। তিনি বলেন, সঙ্কট উত্তরণে রাষ্ট্র ও রাজনীতিকে আলাদা করে দেখতে হবে। সাংবিধানিক পদগুলোতে রাজনৈতিক কোন প্রভাব থাকা চলবে না।
শাহনূর শাকিল বলেন, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে দেশে এক অস্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পারস্পরিক সহনশীলতা, অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র এবং জনমতের সুষ্ঠু প্রতিফলনই এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র উপায়। সাঈদ মিজান বলেন, আলোচনার মাধ্যমে দেশের প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপিকে সমস্যার সমাধান করতে হবে। ব্যর্থ হলে দেশ আরও গভীর সঙ্কটে পড়ে যাবে। মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী ইমন বলেন, গণতন্ত্র হত্যা এবং গণতন্ত্র রক্ষার নামে পেট্রলবোমা মেরে যে মানুষ হত্যা করছে সে ধরনের গণতন্ত্র আমরা চাই না। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী কামরুল বলেন, দেশ সঙ্কটে পড়ছে। আমরা এই সঙ্কটের সমাধান চাই। বিরোধী দলকে দমন-পীড়নের মাধ্যমে নয়, সঠিক আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের নুরুল্লাহ বলেন, বর্তমান এই পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকলে সাধারণ মানুষ কোন দলকে নয়, বরং দেশ রক্ষার আন্দোলনে রাস্তায় নেমে পড়বে। এই রকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আগেই সরকারের উচিত গঠণমূলক সংলাপের আয়োজন করা। ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী শাহেদ বলেন, বর্তমান সরকারের ১৫৪ জন অনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি রয়েছেন। তাতে মানুষের অধিকারকে সঠিকভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। এতে গণতন্ত্রের সঠিক মূল্যায়ন করা হয়নি। তাই সমস্যা সমাধানে সব দলকে সঙ্গে নিয়ে সংলাপের আয়োজন করা জরুরি। শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার বলেন, দেশে বর্তমান সঙ্কটের জন্য বিএনপি দায়ী। তারা সঠিক সময়ে নির্বাচনে না এসে এখন দেশকে অস্থিতিশীল অবস্থার দিকে ঠেলে দিয়েছে। বায়জীদ খান বলেন, রাজনৈতিক সমস্যা রাজনৈতিকভাবে সমাধান করতে হবে। আমরা এখন কোন রাজনৈতিক দলের অধীনে যেতে চাই না।
পলাশী বাজারের মুদি দোকানদার মো. বাবুল বলেন, শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছি। ঘর থেকে বের হওয়া যাচ্ছে না। ব্যবসার অবস্থা খারাপ। সরকার হয়তো সঙ্কট উত্তরণের জন্য চেষ্টা করছে। তবে তাদের বিএনপি’র সঙ্গে সংলাপ করেই সমস্যার সমাধান করতে হবে। ফার্মেসি দোকানদার বিশ্বজিৎ বলেন, সবসময় আতঙ্কের মধ্যে থাকি। দুই পক্ষই অনড় অবস্থানে রয়েছে। এ পর্যায়ে জনগণকে সচেতন হতে হবে। তাদের অধিকার আদায়ে আরও সোচ্চার হতে হবে। নাশকতাকারীকে দমন করতে হবে। মুদি দোকানদার আবদুল ওয়াদুদ বলেন, দ্রব্যমূল্য অনেক বেড়ে গেছে। ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠাতে পারছি না। নিজেরাও ভয়ে থাকি। সংলাপের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে। অভিভাবক নিলুফার ইয়াসমিন বলেন, আমার ছেলে উদয়ন স্কুলে পড়ে। রাস্তায় আতঙ্ক নিয়ে চলাফেরা করতে হচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের স্বার্থে সবসময় সাধারণ মানুষদের ব্যবহার করে। সঙ্কটের সমাধান চাই। রিকশাচালক খালেক বলেন, সরকারের অযৌক্তিক জেদের কাছে আমরা জিম্মি। চালের দাম বেড়ে গেছে। রাস্তায় নামতে পারি না। ককটেল ও পেট্রলবোমা আতঙ্ক কাজ করে। সরকারের উচিত অনড় অবস্থান থেকে সরে আসা। ব্যবসায়ী জামাল আহমেদ বলেন, দুই দলের রেষারেষিতে আমরা সাধারণ মানুষ বিপদে পড়েছি। অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে গেছে। সরকার নমনীয় হলে সমস্যার সমাধান হবে। অভিভাবক সুলতানা জামাল বলেন, শুধু বিরোধী দলকে দমন-পীড়ন করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। আর হরতাল-অবরোধ দিলেও হবে না। দুই পক্ষকে এক টেবিলে বসতে হবে। না হলে সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে দুই পক্ষকেই দেশ ছাড়া করবে। সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যানের দোকানদার জাহাঙ্গীর বলেন, একতরফা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে। বিএনপি’র এমন আন্দোলনের জন্য সরকারই দায়ী। সঙ্কট নিরসনে সরকারকেই এগিয়ে আসতে হবে। রিকশাচালক কাদের বলেন, কোন রাজনীতি করি না। তারপরও রাজনীতির স্বার্থের বলি আমরা। পেটের দায়ে রিকশা চালাই। দেশের বর্তমান অবস্থায় ভয়ে থাকি কখন কি ঘটে। তিনি বলেন, সরকার পুলিশ দিয়ে মানুষ মেরে সংলাপের পথ বন্ধ করে দিচ্ছে।
অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা রশিদুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব বেশি। তার জবাবদিহিও বেশি। কোন ক্ষেত্রেই বাড়াবাড়ি করা উচিত নয়। তার উচিত ছাড় দেয়া। সরকারি বাঙলা কলেজের ছাত্র মামুনুর রশীদ বলেন, গাড়ি পুড়িয়ে কি লাভ? চোখের নিমিষে লাখ লাখ টাকা পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছে। সরকার তো একচুলও নড়ছে না। একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ দাবি করেন নাশকতার সঙ্গে সরকার জড়িত। তিনি বলেন, পুলিশ পাহারার মধ্যে যেভাবে গাড়ি পোড়ানো হচ্ছে তাতে আমি বাজি ধরতে পারি সরকারের মদত ছাড়া এ ধরনের কাজ দুর্বৃত্তদের পক্ষে করা সম্ভব না। এ রকম চলতে থাকলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে। শ্যামলী এলাকার গৃহিণী আসমা বেগম বলেন, রাস্তায় বের হতেই ভয় পাই। আতঙ্কে থাকি কখন গায়ে আগুন লেগে যায়। মাথার ওপর ককটেল পড়ে। জরুরি কাজ ছাড়া বাসা থেকে বের হই না। ব্যাংক কর্মকর্তা মাসুম আলী বলেন, দুই নেত্রীর কেউ থামছেন না। আমরা যাবো কোথায়। সাংবাদিকদের কাছে অনুরোধ আপনারা মানুষের আকুতি তুলে ধরেন। তাদের থামতে বলেন। তারা না থামলে দেশের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে যাবে। বাচ্চাদের স্কুলে দিতে ভয় হয়। সামনে এসএসসি পরীক্ষা। বাচ্চার পরীক্ষা অনিশ্চিত। স্কুল শিক্ষক আলতাফ হোসেন বলেন, দুই নেত্রীর কাউকে না কাউকে ছাড় দিতে হবে। নাহলে সমাধান সম্ভব না। যার দায়িত্ব বেশি তাকে আগে ছাড় দিতে হবে। কাপড় ব্যবসায়ী নাজমুল মিয়া বলেন, ব্যবসায়ীদের পথে বসার মতো অবস্থা। হরতাল-অবরোধের কারণে মাল ঢাকার বাইরে পাঠাতে পারছি না। গাড়ি ভাড়াও বেড়ে গেছে অনেক। দুইজনের জেদের বলি তো আমরা হতে পারি না। মনে হয় না এরা কেউ হার মানবে। তৃতীয় কেউ সুযোগ নিতে চাইলে আমাদের উচিত তাকেই সুযোগ করে দেয়া। মোহাম্মদপুরের ট্রাকচালক সুমন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাজনীতি যারা করে সবাই দুর্নীতিবাজ। তাদের তো চিন্তা নাই। তাদের কামাই তো বন্ধ হয় নাই। ঘরে বইসা থাকলে না খেয়ে মরা লাগবে। আর বাইরে আসলে আগুনে পুড়ে মরা লাগবে। ঋণের বোঝা আর টানতে পারতেছি না। গ্রীন রোড এলাকার ব্যবসায়ী মন্টু শেখ হতাশা প্রকাশ করে বলেন, মনে হয় না আর দ্ইু নেত্রী একসঙ্গে বসতে পারবেন। সবাই ক্ষমতার জন্য পাগল। দেশের মানুষের কথা আসলে তারা চিন্তা করে না। চিন্তা করলে তারা মিলেমিশে কাজ করত। গরিবের কথা মনে পড়ে শুধু ভোটের দিন। ভোট শেষ হলে তাদের মারতেও কষ্ট লাগে না। হাতিরপুল এলাকার মাছ ব্যবসায়ী মঞ্জু বলেন, আওয়ামী লীগ-বিএনপি কাউরে দিয়া দেশের উন্নতি হইবো না। একটা বছর দ্যাশ শান্তিতে আছিলো। আবার জ্বালাও-পোড়াও শুরু করছে। তারা কেউ চায় না আমরা শান্তিতে থাকি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রোমানা বলেন, দেশ দুইভাগে ভাগ করে এক ভাগ খালেদাকে, আরেকভাগ হাসিনাকে দেয়া উচিত। আমাদের উচিত দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া দেশের কোন ভবিষ্যৎ দেখছি না। আসাদ গেটের চা বিক্রেতা আনিস বলেন, একজন গুলি করে মানুষ মারে, আরেকজন আগুন দিয়ে মারে। এক ইঞ্চি জমির জন্য ভাই ভাইরে খুন করে। দুই নেত্রীর কাছে আর কি আশা করি। আল্লাহ্ তাদের সুমতি দিক।
ফ্যাট নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাইট ইঞ্জিনিয়ার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, আতঙ্কে আছি। বেশির ভাগ সময় ডিউটি থাকে ঢাকাসহ আশপাশের জেলাগুলোতে। যেতে ভীষণ কষ্ট হয়। এরই মধ্যে একদিন পেট্রলবোমার মুখোমুখি হই। অল্পের জন্য বেঁচে যাই। গুলশানের অফিস থেকে বের হতেই দেখি একটি বোমা দ্রুত ছুঁড়ে মারে দুর্বৃত্তরা। ভাগ্যিস, আমার গাড়ির সামনের গাড়িতে বোমাটি পড়ে। মুহূর্তেই দিগি¦দিক ছোটাছুটি করে সবাই। ভয়ে সে দিন ডিউটিতে যেতে পারিনি। এ পর্যন্ত সাইটে যেতে পেরেছি মাত্র ৬ দিন। তাও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে। এভাবে চলছে অবরোধের দিনগুলো। তিনি বলেন, দ্রুত মধ্যবর্তী নির্বাচন চাই। বেসরকারি মোবাইল অপারেটর কোম্পানি রবির অপারেশন বিভাগের কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সারাক্ষণ এক ধরনের আতঙ্কে থাকি। বর্তমানে অফিসের গাড়ি বন্ধ। যেতে হয় অন্য গাড়িতে চড়ে। ডিউটি ঢাকা বিভাগ। ফলে যেতে হয় প্রচুর জায়গায়। তিনি বলেন, দায়িত্বের কারণে বিভিন্ন স্থানে যেতে হয়; পরিবারের লোকজন সব সময় টেনশনে থাকে। তিনি বলেন, আর কোন সংঘাত নয়, সমঝোতা চাই। প্যানাসনিক ডিজিটাল সাইন অ্যান্ড টেলিকমের মার্কেটিং অফিসার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, যে করে হোক সমঝোতা চাই। ব্যবসায়ী মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, উভয় দলকে বসে সমঝোতার মাধ্যমে একটি সমাধানে আসতে হবে। মেহেদী হাসান ফুয়াদ বলেন, সংলাপের জন্য অনেক ডাকা হয়েছে। আসেনি। ২০১৯ সালের আগে কোন সংলাপ নয়। একটি ভবনের ম্যানেজার মো. আবদুস সালাম পাটোয়ারী জানান, দুই নেত্রীকে সংলাপে এসে সর্বদলীয় কমিটি গঠন করে একটি সমাধানে আসা উচিত। একই ভবনের সিকিউরিটি গার্ড আবদুল জব্বার বলেন, সমঝোতা চাই। চা দোকানের ছোট্ট কর্মচারী ইকবাল হোসেন রিপন। সে গ-গোল নয়, সংলাপ চায়। পত্রিকা স্টলের মালিক রফিকুল ইসলাম ও আওলাদ হোসেন মন্টু জানান, ভয়াবহ অবস্থা। আগের অবস্থায় ফিরে যেতে চাই। সংলাপ, আলোচনা, সমঝোতা যে কোন উপায়ে শান্তি চাই। সৌদি প্রবাসী হারুন অর রশিদ জানান, ৬ মাসের ছুটি সংক্ষিপ্ত করে চলে যাবো। এভাবে কোন দেশ চলতে পারে না। মুচি বাবু বলেন, অনেক কষ্টে আছি। সমাধান চাই। পান-সিগারেটের দোকানি বাবর আলী বলেন, আর চলতে পারছি না। ধার-কর্জে জর্জরিত। শিপের চাকুরে মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান পরিস্থিতে মনে হচ্ছে দুই দল দিয়ে আর হবে না। তৃতীয় শক্তির দরকার। গার্মেন্ট ব্যবসায়ী আলা উদ্দিন বলেন, বিক্রি শূন্য। চারদিকে ক্ষোভ আর আতঙ্ক। এরা দেশের ভাল চায় না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী যায়েদ বলেন, দেশের বর্তমান পরিস্থির জন্য রাজনৈতিক দলগুলোই দায়ী। সরকারের অনড় অবস্থান সঙ্কট আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধান করতে হবে এবং সংলাপের উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে। মনোবিজ্ঞান বিভাগের আবিদা সুলতানা বলেন, রাজনীতির বলি সবসময় সাধারণ মানুষই হয়। কিন্তু তারা এটা বোঝে না। যার কারণে রাজনীতিবিদরা সুযোগ নেয়। ভূগোল বিভাগের উৎপল সাহা বলেন, ক্ষমতার দ্বন্দ্বে সবাই অন্ধ। বর্তমান পরিস্থিতি মারাত্মক। এভাবে কোন দেশে মানুষ বাস করতে পারে না। জীবন হাতে নিয়ে বাসা থেকে বের হতে হয়। দুই দলের উচিত আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতায় আসা। রিকশাচালক রহিম বলেন, পেটের দায়ে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তায় গাড়ি বের করেছি। এভাবে চললে মারা যাবো। চাল, ডালের দাম বেড়ে গেছে। আরেক রিকশাচালক ফারুক বলেন, খ্যাপ নাই। ভয়ে মানুষ রাস্তায় বের হয় না। ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী সাব্বির বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশনজটের সমস্যা রয়েছে। হরতাল-অবরোধে তা আরও প্রকট হয়েছে। দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। এভাবে চলতে দেয়া যায় না। ঢাকা কলেজের বেলায়েত বলেন, বিএনপি যেভাবে আন্দোলন করছে তা গণতন্ত্রের ভাষা নয়। মানুষ মেরে, ককটেল মেরে গণতন্ত্র রক্ষা করা যায় না। তারা নির্বাচনে না গিয়ে এখন আন্দোলন করছে কেন। ইডেন কলেজের শিক্ষার্থী শাহনাজ বলেন, রাজনীতি বুঝি না। দেশে শান্তি থাকুকÑ সেটাই চাই। আরেক শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, দুই দলই আমাদের বোকা ভেবেছে। সাধারণ মানুষকে নিয়ে তারা তাদের রাজনীতির খেলা খেলছে। সাধারণ মানুষের উচিত এখন জেগে উঠা। নীলক্ষেতের মুদি দোকানদার মোশাররফ হোসেন বলেন, দেশে যে অচল অবস্থা চলছে তাতে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাজার ভাল যাচ্ছে না। ভবিষ্যতে এর ফল ভাল হবে না। বইয়ের দোকানদার হানিফ মুন্সী বলেন, সরকারের একগুয়েমির কাছে সাধারণ মানুষের দাবি উপেক্ষিত হচ্ছে। আমরা গরিবরা খেতে পারছি না। ক্ষমতার মসনদে বসে তারা এসব সমস্যার কথা টের পান না। সরকারের উচিত সমঝোতায় বসা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদ্দাম বলেন, বাংলাদেশ যেহেতু গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র সেহেতু গণতান্ত্রিক উপায়ে সবার ভোটাধিকার প্রয়োগের অধিকার রয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার যেহেতু অনির্বাচিত সেহেতু দেশের পরিস্থিতির জন্য এই সরকারই দায়ী। সঙ্কট নিরসনের জন্য সকল দলকে নিয়ে গঠনমূলক সংলাপের মাধ্যমে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা। যে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের অধিকার ফিরে পাবে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী রাব্বী বলেন, অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে আমরা উদ্বিগ্ন। সরকারের উচিত সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সংলাপ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে সঙ্কটের সমাধান করতে হবে। এর উদ্যোগ সরকারকেই নিতে হবে।
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1353)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
February
(1363)
-
▼
Feb 04
(36)
- অবহেলিত জীবনের কিছু কথা by তৌহিদুল ইসলাম
- নিউ ইয়র্কে ট্রেন-জিপ সংঘর্ষ: নিহত ৭, আহত ১২
- তাইওয়ানে বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ১২
- এখনো জরুরি অবস্থার পরিস্থিতি হয়নি : সংসদে প্রধানমন...
- বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা বিস্তৃত by ড...
- মিয়ানমারে এক টুকরো বাংলাদেশ by সোহরাব হাসান
- মোদি-ওবামার ফ্যাশন কূটনীতি by গৌতম লাহিড়ী
- সৌদি নেতৃত্বের নতুন বার্তা by মাসুম খলিলী
- সুড়ঙ্গ মহলে ইঁদুর জীবন
- শেষ চারে থাইল্যান্ডকে পেল বাংলাদেশ
- ভারত সফরে বাংলাদেশ নিয়ে ওবামা-মোদির আলোচনা
- সব সময় ভয় ভয় লাগে
- মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বাস্তবতা by গোলাম মোহাম্মদ...
- জেদাজেদির রাজনীতিতে রসাতলে যাচ্ছে দেশ by মইনুল ইসলাম
- আর কত মৃত্যু, আর কত পোড়া মুখ- পেট্রলবোমায় পুড়ে অ...
- পুড়ছে মানুষ জ্বলছে দেশ by আব্দুল কাইয়ুম
- ধর্ম, দেশ, সমাজ ও সংস্কৃতি by তানজীনা ইয়াসমিন চৌধুরী
- মার্কিন-ভারত আঁতাত ও ভারত-চীন সম্পর্ক by বদরুদ্দীন...
- সংবিধান ও রাজনীতি- খায়রুল হকের আশঙ্কা শতভাগ সত্য প...
- যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন খালেদা জিয়া
- একটি মৃত্যু- অসংখ্য মানুষের মর্মবেদনা by মিলি যাকা...
- পুলিশের হয়রানি- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে বস...
- ইকোনমিস্টের ভবিষ্যদ্বাণী
- দগ্ধতার অন্য সমীকরণ by পাভেল পার্থ
- সেনাবাহিনী ছাড়া দেশে জরুরি অবস্থার দাবি সংসদে
- অবরোধে অচল বাংলাদেশ
- ক্যান্সার প্রতিরোধে সচেতনতা by মো. আবদুর রশিদ
- ডু অর ডাই নীতিতে বিএনপি by কাফি কামাল
- নৈশকোচে পেট্রলবোমায় সাত জনের মৃত্যু, যশোর, পটুয়াখা...
- পেট্রলবোমায় ওদের স্বপ্ন পুড়ে ছাই by রুদ্র মিজান
- টানা অবরোধ-হরতাল, সহিংসতা বন্ধ করতেই হবে
- ‘বীরকে সম্মান না দিলে সেই দেশে বীরের জন্ম হয় না’ -...
- একদিকে পুলিশ, অন্যদিকে বোমাবাজ, সিলেটে আতঙ্ক by ওয়...
- সংলাপ-সমঝোতার জন্য আকুতি
- সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী- প্রসূতি দুস্থ রেখে সুস্...
- পেট বাঁচাতে ওরা ঘুরে গ্রামে গ্রামে by ইমাদ উদ দীন
-
▼
Feb 04
(36)
-
▼
February
(1363)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
Exclusive
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment