Wednesday, November 4, 2009
মানহানিকর বিজ্ঞাপন ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট -সরল গরল by মিজানুর রহমান খান
মানহানিকর বিজ্ঞাপন ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট -সরল গরল by মিজানুর রহমান খান
সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন অর্থের বিনিময়ে প্রকাশ করা হয়। তাই বলে তা একেবারে সাংবাদিকতার নীতিমালার বাইরের বিষয় নয়। একজন দায়িত্বশীল সম্পাদক কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে রিপোর্ট বা সম্পাদকীয় প্রকাশে সতর্কতার পরিচয় দেন। কিন্তু বিজ্ঞাপন বলেই তিনি অসতর্ক হতে পারেন না।
বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ৩৯ বছরে সাংবাদিকতাবিষয়ক প্রশিক্ষণ, লেখালেখি, গ্রন্থ রচনা বিরল নয়। কিন্তু বিজ্ঞাপনের বিশাল জায়গাটি রয়ে গেছে অচেনা, অনাবিষ্কৃত ও অনালোচিত। বিজ্ঞাপন ছাপার সীমারেখা নিয়ে একটি তর্ক-বিতর্কের সূচনা ঘটানোর তাড়না থেকেই এ লেখা। আর তা লিখতে গিয়ে সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপনবিষয়ক জগিট আমার কাছে যেভাবে উন্মোচিত হলো, তা চমকপ্রদ।
১৯৮৪ সালে পেঙ্গুইন প্রকাশ করেছে মিডিয়া ল। এর দুই লেখক জিওফ্রে রবার্টসন ও অ্যান্ড্রু নিকোল। দুজনই আইনজীবী, কুইন্স কাউন্সেল। ওই বইটির চতুর্থ সংস্করণের (২০০২) ৭১০ পৃষ্ঠায় দেখি একটি উপশিরোনাম, ‘দ্য অ্যাডভার্টাইজিং স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি’ (বিজ্ঞাপন মান কর্তৃপক্ষ) এএসএ। তারাই ব্রিটেনের বিজ্ঞাপন শাসনকর্তা। তাদের অভিজ্ঞতা একটু বিশদ বলি। কারণ ব্রিটিশ বিজ্ঞাপন কোডই বিশ্বজুড়ে অনুসরণীয়। প্রতিবেশী ভারতেও তা সমাদৃত।
ব্রিটেনের বিজ্ঞাপনশিল্প ১৯৬২ সালে চাপের মুখে পড়েছিল। কারণ এ সময়টিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণসংক্রান্ত মলোনি কমিটি (Moloney Committee) গঠিত হয়। তারা বিধিবদ্ধ নিয়মকানুন চালুসহ নানা কড়াকড়ি আরোপ করে। বিজ্ঞাপনজগত্ নড়েচড়ে বসে। তাঁরা বুঝতে পারেন, নিয়মনীতি ছাড়া বিজ্ঞাপন ছাপানোর দিন শেষ। সরকারের মুখাপেক্ষী হননি তাঁরা। নিজেরাই বিজ্ঞাপনবিষয়ক কার্য ও নীতি নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগী হন। গঠিত হয় ওই এএসএ। এর মূলমন্ত্র ঠিক হলো, বিজ্ঞাপন হবে ‘আইনানুগ, সুন্দর, সত্ ও সত্য।’ গত ৫০ বছরে এএসএ ব্রিটেনে সবচেয়ে কার্যকর ও শ্রদ্ধেয় জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। সে তুলনায় ব্রিটিশ প্রেস কাউন্সিল দুর্বল।
স্বেচ্ছাসেবী ও বিজ্ঞাপনদাতাদের একান্ত নিজস্ব প্রতিষ্ঠান হিসেবে এএসএর মর্যাদা ও প্রভাব-প্রতিপত্তি সরকারি সংস্থার চেয়ে কম নয়। তাদের প্রণীত বিজ্ঞাপন কোড বা বিজ্ঞাপনবিধি সবাই মানে। তাদের সীমাবদ্ধতা হলো, মিথ্যা বিজ্ঞাপনদাতা বা আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীদের তারা সরাসরি শাস্তি দিতে অপারগ। তবে বিজ্ঞাপনদাতার কাছে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কৈফিয়ত তলব করতে পারে।
ব্রিটেনে যারা বিজ্ঞাপন কোড লঙ্ঘন করেন, তাদের শাস্তি জোটে সরকারি ‘অফিস অব ফেয়ার ট্রেডিং’ বা ওএফটির মহাপরিচালকের মাধ্যমে। রবার্টসন ও নিকোল লিখেছেন, ‘কেউ মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া ফেয়ার ট্রেডিং সংস্থার সংবিধিবদ্ধ দায়িত্ব।’
এএসএর কাউন্সিল খণ্ডকালীন ১২ সদস্য নিয়ে গঠিত। এর সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজ্ঞাপনজগতের বাইরের লোক। তাদের এখতিয়ারও ব্যাপক। পত্রিকা ছাড়াও সিনেমা, ভিডিও, ই-মেইল, ফ্যাক্স এমনকি রাস্তার ধারের হোর্ডিংগুলোতে সাঁটানো পোস্টার বিজ্ঞাপন পর্যন্ত। ব্রিটিশ প্রেসে বছরে প্রায় তিন কোটি বিজ্ঞাপন ছাপা হয়। হোর্ডিংগুলোতে পোস্টার পড়ে এক লাখ। আর এ থেকে গড়ে ১২ হাজার অভিযোগ আসে। বাংলাদেশের বিজ্ঞাপনবিষয়ক এ রকম কোনো তথ্য জানা যায় না।
বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ব্যক্তির চরিত্র হনন বা তাকে কোনোভাবেই হেয়প্রতিপন্ন করার বিষয়ে ব্রিটিশ কোড অত্যন্ত সংবেদনশীল। কোড বলেছে, ‘বিজ্ঞাপনদাতাদের উচিত নয় কোনো লোককে নেতিবাচক বা আক্রমণাত্মকভাবে উপস্থাপন করা।’ ব্যক্তি ছাড়াও অন্যের ব্যবসায় বা তাদের পণ্য সম্পর্কে কোড বলেছে, বিজ্ঞাপনদাতাদের উচিত নয়, অন্যের ব্যবসায় বা পণ্যের বিরুদ্ধে অশালীন আক্রমণ করা বা তাকে খাটো করা।
আধাবিচারিক সরকারি সংস্থা ওএফটি এবং বেসরকারি এএসএর কার্যক্রমের ওপর রয়েছে ব্রিটিশ আদালতের পূর্ণ এখতিয়ার। এএসএ যখন কোনো আপত্তিকর বিজ্ঞাপন প্রত্যাহার করার আদেশ দেয়, তখন অধিকাংশ বিজ্ঞাপনী সংস্থা তা দ্রুত তামিল করে। ১৩ সদস্যের কাউন্সিলের বর্তমান চেয়ারম্যান সাবেক সংস্কৃতি ও গণমাধ্যমমন্ত্রী ক্রিস স্মিথ।
মিথ্যা বিজ্ঞাপন প্রকাশের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ সরকার বিশেষ মনোযোগ দেয় দুই দশক আগেই। রবিনসন ও নিকোল বলেন, ‘১৯৮৮ সালে ফেয়ার ট্রেডিংয়ের মহাপরিচালককে নির্দিষ্টভাবে মিথ্যা বিজ্ঞাপনদাতাদের শায়েস্তা করতে সংবিধিবদ্ধ ক্ষমতা দেওয়া হয়।’ (প্রাগুক্ত। পৃ. ৭১৮)। দ্য কন্ট্রোল অব মিসলিডিং অ্যাডভার্টাইজমেন্টস রেগুলেশনস, ১৯৮৮-এর মূল কথা হলো, বিজ্ঞাপনে মিথ্যা তথ্য দেওয়া যাবে না।’ এএসএ কখনো ব্যর্থ হলে সরকারি ফেয়ার ট্রেডিংয়ের মহাপরিচালক উদ্যোগ নেন। এটাই সর্বশেষ হাতিয়ার। ব্রিটিশদের রয়েছে অন্ধ স্লিম-প্রীতি। বছরে ৬০০ কোটি পাউন্ডের ব্যবসা। সানডে স্পোর্ট পত্রিকায় স্লিম হওয়া নিয়ে একটি আপত্তিকর বিজ্ঞাপন ছাপা হচ্ছিল। এএসএর সিদ্ধান্তও পত্রিকাটি উপেক্ষা করে। আপত্তিকর বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা তাদের নেই। তাই তারা বিষয়টি পাঠায় ফেয়ার ট্রেডিংয়ের কাছে। এএসএর চিঠি পেয়ে ফেয়ার ট্রেডিং দেরি করেনি। সঙ্গে সঙ্গে ওই বিজ্ঞাপন বা একই ধরনের বক্তব্যসংবলিত বিজ্ঞাপন প্রকাশ নিষিদ্ধ করতে আদালতের মাধ্যমে ইনজাংশন জারির পদক্ষেপ নেয়। বাক ও ব্যক্তিস্বাধীনতার স্বর্গভূমিতেও বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণের নজির কিন্তু আমরা পেলাম।
বাংলাদেশের বহুল প্রচারিত পত্রপত্রিকাও অনেক সময় বিজ্ঞাপনকে পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদনের চেহারা দিয়ে ছাপানোর চেষ্টা চালায়। উদ্দেশ্য হলো পাঠককে বিভ্রান্ত করা। তাদের বোঝানো যে এটি বিজ্ঞাপন নয়, পত্রিকার প্রতিবেদন বা নিবন্ধ। ব্রিটিশ কোডে এ ধরনের তত্পরতা নিষিদ্ধ।
রবিনসন ও কলিন তাঁদের বইয়ের ৭২০ পৃষ্ঠায় লিখেছেন, ‘সংবাদপত্রগুলো বিজ্ঞাপনদাতাদের পণ্য বা তাদের লোকজন সম্পর্কে সমালোচনামূলক সম্পাদকীয় প্রকাশ ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করতে গিয়ে সময়ে সময়ে বিজ্ঞাপনদাতাদের প্রতিশোধের শিকার হয়।’ বাংলাদেশে এ ধরনের প্রতিশোধপরায়ণতার বহিঃপ্রকাশ ‘যেকোনো পন্থায়’ ঘটানো সম্ভব হতে পারে। সভ্য ব্রিটেনের বিজ্ঞাপনদাতারাও প্রতিশোধ নেন। তবে তা নেওয়ার উপায়টা হলো, কোনো সংবাদপত্রকে ভবিষ্যত্ বিজ্ঞাপন দেওয়া থেকে বঞ্চিত করে। বিজ্ঞাপনবিষয়ক চুক্তি বাতিল করে। আবার এ কাজ একটি বেসরকারি সংস্থার পক্ষে যতটা সহজ, সরকারি সংস্থার পক্ষে তত সহজ নয়। মিডিয়া সম্রাট রুপার্ট মারডকের সাময়িকী টাইমস এডুকেশন সাপ্লিমেন্ট-এ শিক্ষাবিষয়ক নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিত লেবার-দলীয় নেতা নিয়ন্ত্রিত ‘ডারবিশায়ার কাউন্টি কাউন্সিল’। কিন্তু মারডকের মালিকানাধীন দৈনিক সানডে টাইমস যখন লেবার নিয়ন্ত্রিত ওই কাউন্সিল ও তার নেতা ডেভিড বুকবাইন্ডারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ শুরু করে, তখন তারা প্রতিশোধ নেয়। এডুকেশন সাপ্লিমেন্টের বিজ্ঞাপন বন্ধ করে দিলে তারা মামলা করে। কাউন্সিল আদালতে হেরে যায়। আদালত বলেন, বিজ্ঞাপন বাতিলের সিদ্ধান্ত জনস্বার্থে হয়নি। এটা প্রতিশোধ, তাই তা অবৈধ।
ব্রিটিশ বিজ্ঞাপন কোড অনুসরণ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ব্রিটেন ইইউর বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। শুধু ইইউভুক্ত নয়, যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশও এর সদস্য হয়েছে। সেখানে রয়েছে মিসলিডিং অ্যাডভার্টাইজমেন্টস (সংশোধন) রেগুলেশন ২০০০। কমনওয়েলথের বহু দেশ ওই কোডের আদলে স্বতন্ত্র বিজ্ঞাপন কোড করেছে। আন্তর্জাতিক চেম্বার অব কমার্স আইসিসির ওয়েবসাইটেও একটি বিজ্ঞাপন কোড রয়েছে। সবগুলোরই বিষয়বস্তু মোটামুটি অভিন্ন। ডাহা মিথ্যা রিপোর্ট যে সংবাদপত্রে ছাপা যায় না, তা কে না জানে। কিন্তু টাকার বিনিময়ে জেনে-শুনে ডাহা মিথ্যা কথা বিজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করে দায়মোচনের কোনো পথ কোথাও খোলা আছে কি না, তা কিছুটা খতিয়ে দেখলাম। কোথাও দৃষ্টান্ত পেলাম না।
ভারতের দি অ্যাডভার্টাইজিং স্ট্যান্ডার্ডস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া (এএসসিআই) একটি অমুনাফাভোগী প্রতিষ্ঠান। ভারতীয় কোম্পানি আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী গঠিত মুম্বইভিত্তিক এএসসিআই একটি শক্তিশালী ও কার্যকর বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা। ভারতের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের সব বিভাগ ও সংস্থায় বিজ্ঞাপনসংক্রান্ত যেকোনো কমিটি বা আলোচনায় তাদের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। এএসসিআই প্রণীত বিজ্ঞাপনবিধির প্রথম পরিচ্ছেদের প্রথম দফার প্রথম বাক্যটি হলো, বিজ্ঞাপন অবশ্যই ট্রুথফুল বা সত্যনিষ্ঠ হবে। তিন দফা বলেছে, বিজ্ঞাপনে যদি কোনো ব্যক্তির সুনামও করা হয়, তাহলে সে জন্য তার অনুমতি থাকতে হবে। আর বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সমাজে হেয়প্রতিপন্ন করা যাবে না। বিজ্ঞাপন দিয়ে তথ্যের বিকৃতি ঘটানো যাবে না। এএসসিআই বছরে ১২০ থেকে ১৪০টি বিজ্ঞাপনবিষয়ক অভিযোগ পেয়ে থাকে।
ব্রিটেনে মানহানির মামলায় পরাস্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে মিলিয়ন মিলিয়ন পাউন্ড গুনতে হয়। বাক্স্বাধীনতার দেশ আমেরিকায় অবশ্য মানহানি মামলায় জেতা সহজ নয়। কিন্তু যদি প্রমাণ করা যায় যে মিডিয়া সত্যিই মিথ্যা ও মানহানিকর খবর বা বিজ্ঞাপন ছেপেছে, তাহলে তার নিস্তার নেই। ২০০৬ সালে লুজিয়ানার এক নারী ফ্লোরিডার এক নারীর বিরুদ্ধে ইন্টারনেট ব্লগ বা মেসেজ বোর্ডে মানহানিকর কথা লিখেছিলেন। তিনি তাঁকে বলেছিলেন, ‘ক্রুক ও ফ্রড’। ফ্লোরিডার ব্রওয়ার্ড কাউন্টির একজন জুরি এ কারণে অভিযুক্তকে ১১ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ প্রদানের রায় দেন। ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাপানো দণ্ডনীয় বলে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ১৯০৯ সালেই রায় দিয়েছিলেন। পেক বনাম ট্রিবিউন শীর্ষক ওই মামলায় মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এ কথাও বলে দেন, বিজ্ঞাপনে দেওয়া ভুল তথ্য তৃতীয় কোনো ব্যক্তির জন্য মানহানিকর হলে তাও দণ্ডনীয়।
বাংলাদেশের পত্রপত্রিকায় তেমন কোনো ঝুঁকি ছাড়াই মানহানিকর খবর ও বিজ্ঞাপন ছাপা হয়। প্রতিকারের জন্য আইনি ও বিচার পরিমণ্ডল থেকে প্রতিকার লাভ পরিচ্ছন্ন নয়। ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৫০০, ৫০১, ৫০২-এর যেসব বিধান রয়েছে, তার কার্যকর প্রয়োগ ঢিলেঢালা। মানহানির মামলা দায়ের করা ও তার খবর ফলাও করে প্রচারের মাধ্যমেই সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা প্রায়ই সান্ত্বনা খোঁজেন। ওই সব বিধান অজামিনযোগ্য। তাই মামলা দায়েরকারীরা সর্বাগ্রে একটি মামলা ঠুকে ওয়ারেন্ট জারি করানোর প্রবণতা দেখান। পত্রিকার সম্পাদকেরা তাই দাবি জানিয়ে আসছিলেন, যাতে এই বিধান না থাকে। জরুরি অবস্থায় ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিষয়টি আইন কমিশনে পাঠিয়েছিলেন। বিচারপতি মোস্তাফা কামালের নেতৃত্বাধীন তত্কালীন আইন কমিশন এই বিধান রহিত করতে রাজি হয়নি। তারা যুক্তি দেখায়, ব্যক্তির সম্মান ও মর্যাদা সবচেয়ে দামি। এ জন্য ফৌজদারি কার্যবিধিতে ওই বিধান থাকতে হবে।
বিজ্ঞাপনের এক বিশাল বাজার তৈরি হয়েছে আজ বাংলাদেশে। গড়ে উঠেছে অনেক বিজ্ঞাপনী সংস্থা। তাদের একটি সংগঠনও রয়েছে বলে জানালেন প্রথম আলোর বিজ্ঞাপন বিভাগের প্রধান রশিদুর রহমান সবুর। তিনি নিশ্চিত করেন, ‘বাংলাদেশে বিজ্ঞাপনবিধি প্রবর্তন নিয়ে তেমন আলাপ-আলোচনা কখনো হয়নি। পত্রিকাগুলো অলিখিত কিছু নিয়মকানুন মেনে চলে। প্রথম আলো নানা ধরনের হেকমত, স্বপ্নবিষয়ক বুজরুকি, ধরিয়ে দিন ইত্যাদি ধরনের বিজ্ঞাপন ছাপে না।’ আসলে এসব মুদ্রণ প্রচলিত আইনে নিষিদ্ধ। কিন্তু সংবাদপত্র এক ধরনের অঘোষিত অন্যায্য দায়মুক্তি ভোগ করে চলেছে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ মামলা করার ঝামেলায় যেতে চায় না। বিশ্বের ও ভারতের অভিজ্ঞতা আমরা কাজে লাগাতে পারি। ভারতীয় বিজ্ঞাপনবিধির চতুর্থ পরিচ্ছেদের চতুর্থ দফা বলেছে, বিজ্ঞাপন প্রচলিত কোনো আইনের লঙ্ঘন ঘটাবে না কিংবা আইনের শর্ত পূরণ করা থেকে বিচ্যুত হবে না। এ ধরনের একটি বিধান আমাদের থাকা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। মনে রাখা ভালো, আমরা বিশ্বায়নের যুগে বাস করছি। জাতীয় আইনি পরিমণ্ডলে শূন্যতা বজায় রেখে নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে রেখে অনন্তকাল ধরে নিরাপদ ভাবা বোকামি। আমেরিকার বিখ্যাত ব্যবসা সাময়িকী ফর্বস। তাদের এক লেখায় ক্ষুব্ধ হলেন রুশ ব্যবসায়ী বরিস ব্রেজোভস্কি। তিনি আমেরিকা কিংবা রাশিয়ায় নয়, মানহানির মামলা ঠুকলেন ব্রিটেনে। ওই সাময়িকীর অনলাইন সংস্করণ যেহেতু ইন্টারনেটে ব্রিটেনবাসী দেখতে পায় এবং ব্রিটেনে ব্রেজোভস্কির ব্যবসাগত স্বার্থ ও যোগসূত্র রয়েছে, তাই তিনি ব্রিটেনের টর্ট আইনে প্রতিকার চাইলেন। বিচারপতি পপলওয়েল ১৯৯৭ সালের ২২ অক্টোবর এর ওপর দাঁড়িয়ে রায় দেন, মামলা দায়েরের অধিকার তাঁর রয়েছে। কিন্তু ব্রিটেনে তাঁর স্বার্থ খুবই নগণ্য। তাই তাঁর উচিত রুশ কোর্টে মামলা করা। ব্রেজেভস্কি দমবার পাত্র নন। ১৯৯৮ সালের ১৯ নভেম্বর ইংল্যান্ডের কোর্ট অব আপিল তাঁর আপিল গ্রহণ করেন। তাঁরা বলেন, এই মানহানি মামলার বিচার অবশ্যই ব্রিটেনে হতে পারে। সুতরাং দেশে যাঁরা আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী রয়েছেন, তাঁরা বিদেশি জুরিসডিকশন বা অধিকারক্ষেত্রের দিকে চোখ রাখতে পারেন। কোনো কোনো সম্পাদক ভাবতে পারেন, অনলাইনে পাওয়া জিনিস বর্জ্য কি না, তা পরখ করার দরকার নেই। কিন্তু তা ভুল। ইন্টারনেট-সংক্রান্ত মানহানি আইন ও তার ব্যাপকতা অনেকটা ধেয়ে আসছে। কোনো ওয়েবসাইটের গালগল্প ছেপে ঘুমিয়ে পড়লে চলবে না।
আমাদের পত্রপত্রিকাগুলো অনলাইনে গিয়ে কার্যত নিজেদের অজান্তেই আন্তর্জাতিক আইনি পরিমণ্ডলে প্রবেশ করছে। যেকোনো মিথ্যা ও কুত্সাপূর্ণ বিজ্ঞাপন এখন অনলাইনের কল্যাণে আর কেবলই অভ্যন্তরীণ থাকছে না; এর আন্তসীমান্ত প্রভাব অনিবার্য হচ্ছে। এফবিসিসিআইয়ের মতো সংগঠনগুলো তাই বাংলাদেশে বিজ্ঞাপনবিধি না থাকার বিষয়ে নীরব দর্শক হতে পারে না। ব্রিটেন ও ইউরোপে যাদের যথেষ্ট বাণিজ্য স্বার্থ রয়েছে, আন্তর্জাতিক চেম্বার অব কমার্স—আইসিসির সঙ্গে যাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, বিদেশি অধিকারক্ষেত্রেও তাদের প্রতিকারের উপায় আছে কি না, তা হয়তো খতিয়ে দেখার সময় এসেছে। ব্রাসেলসভিত্তিক ইউরোপীয় অ্যাডভার্টাইজিং স্টান্ড্যার্ডস অ্যালায়েন্স প্রণীত ব্লু বুক বাংলাদেশ সরকারের ওপরও সমানভাবে প্রযোজ্য। সুতরাং ব্রিটেন বা ইউরোপের সঙ্গে বিরাট ব্যবসায় স্বার্থ রয়েছে, এমন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে মিথ্যা বিজ্ঞাপন আগ্রাসনের শিকার হলে বা আগ্রাসী ভূমিকায় নেমে পড়লে সরকার বাহাদুরও হয়তো নিরপেক্ষ বা ‘চেয়ে চেয়ে দেখলাম’ অবস্থান নিতে পারে না।
বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের বিধিবিধান একটি বিরাট রক্ষাকবচ। কিন্তু তা মানা হচ্ছে না। প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করতে নতুন করে চিন্তাভাবনা করতে হবে। গণমাধ্যমের ওপর এর প্রভাব ন্যূনতম। ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্টের আওতায় ১৯৯৩ সালে একটি আচরণবিধি প্রণীত হয়। এতে বলা আছে, ‘মানহানিকর ও জনস্বার্থবিরোধী না হলে উপযুক্ত ব্যক্তির সই করা যেকোনো বিজ্ঞাপন ছাপানোর অধিকার সম্পাদকের রয়েছে। তবে কেউ যদি কোনো বিজ্ঞাপনের প্রতিবাদ করেন তাহলে তখন তাঁকে তা বিনামূল্যে ছাপতে হবে।’ অনেক ক্ষেত্রে সংবাদপত্রের সম্পাদকেরা এই আচারণবিধি লঙ্ঘন করে চলেছেন। একটি সাম্প্রতিক দৃষ্টান্ত দিই।
নারায়ণগঞ্জের দৈনিক খবরের পাতায় ২০০৬ সালের ২১ নভেম্বর একটি মানহানিকর প্রতিবেদন বিজ্ঞাপন আকারে ছাপা হয়। এতে নারায়ণগঞ্জের তত্কালীন নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতের বিচারকের বিরুদ্ধে মামলার এক পক্ষ উেকাচের বিনিময়ে তার প্রতিপক্ষকে জামিন দান ও মামলা খালাসের জন্য বিচারককে ৫০ হাজার টাকা প্রদানের মতো অভিযোগ আনে। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছিল। বিচারক পত্রিকার সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মাসুমের বিরুদ্ধে প্রেস কাউন্সিলে মামলা (নং ৫/২০০৭) করেন। প্রেস কাউন্সিলের পাঁচ সদস্যের জুডিশিয়াল কমিটি (বিচারপতি আবু সাঈদ আহাম্মদ, প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহ, আলমগীর মহিউদ্দিন, ফজলুল করিম ও আব্বাস উদ্দিন আফসারীকে নিয়ে গঠিত) ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর পত্রিকার সম্পাদককে দোষী সাব্যস্ত করেন। কমিটির রায়, ‘খবরের পাতা পত্রিকার সম্পাদককে মিথ্যা ও কুরুচিপূর্ণ সংবাদ প্রচারের কারণে তিরস্কার, ভর্ত্সনা ও সতর্ক করা হলো।’ এই রায় হুবহু সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় ছাপানোর নির্দেশ ছিল। এবং তা তামিল হয়েছিল বলে পত্রিকাটির সম্পাদক আমাকে টেলিফোনে নিশ্চিত করেন।
বাংলাদেশের একটি বিজ্ঞাপনবিধি দরকার। দরকার এ বিষয়ে একটি স্বনিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান। বিজ্ঞাপনশিল্প-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশু বিবেচনায় নিতে পারেন যে নিজেরা নিজেদের তদারক না করলে তাঁরা অন্যের নিয়ন্ত্রণের কবলে পড়তে পারেন।
মিজানুর রহমান খান: সাংবাদিক।
বাংলাদেশের সাংবাদিকতার ৩৯ বছরে সাংবাদিকতাবিষয়ক প্রশিক্ষণ, লেখালেখি, গ্রন্থ রচনা বিরল নয়। কিন্তু বিজ্ঞাপনের বিশাল জায়গাটি রয়ে গেছে অচেনা, অনাবিষ্কৃত ও অনালোচিত। বিজ্ঞাপন ছাপার সীমারেখা নিয়ে একটি তর্ক-বিতর্কের সূচনা ঘটানোর তাড়না থেকেই এ লেখা। আর তা লিখতে গিয়ে সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপনবিষয়ক জগিট আমার কাছে যেভাবে উন্মোচিত হলো, তা চমকপ্রদ।
১৯৮৪ সালে পেঙ্গুইন প্রকাশ করেছে মিডিয়া ল। এর দুই লেখক জিওফ্রে রবার্টসন ও অ্যান্ড্রু নিকোল। দুজনই আইনজীবী, কুইন্স কাউন্সেল। ওই বইটির চতুর্থ সংস্করণের (২০০২) ৭১০ পৃষ্ঠায় দেখি একটি উপশিরোনাম, ‘দ্য অ্যাডভার্টাইজিং স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি’ (বিজ্ঞাপন মান কর্তৃপক্ষ) এএসএ। তারাই ব্রিটেনের বিজ্ঞাপন শাসনকর্তা। তাদের অভিজ্ঞতা একটু বিশদ বলি। কারণ ব্রিটিশ বিজ্ঞাপন কোডই বিশ্বজুড়ে অনুসরণীয়। প্রতিবেশী ভারতেও তা সমাদৃত।
ব্রিটেনের বিজ্ঞাপনশিল্প ১৯৬২ সালে চাপের মুখে পড়েছিল। কারণ এ সময়টিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণসংক্রান্ত মলোনি কমিটি (Moloney Committee) গঠিত হয়। তারা বিধিবদ্ধ নিয়মকানুন চালুসহ নানা কড়াকড়ি আরোপ করে। বিজ্ঞাপনজগত্ নড়েচড়ে বসে। তাঁরা বুঝতে পারেন, নিয়মনীতি ছাড়া বিজ্ঞাপন ছাপানোর দিন শেষ। সরকারের মুখাপেক্ষী হননি তাঁরা। নিজেরাই বিজ্ঞাপনবিষয়ক কার্য ও নীতি নিয়ন্ত্রণে উদ্যোগী হন। গঠিত হয় ওই এএসএ। এর মূলমন্ত্র ঠিক হলো, বিজ্ঞাপন হবে ‘আইনানুগ, সুন্দর, সত্ ও সত্য।’ গত ৫০ বছরে এএসএ ব্রিটেনে সবচেয়ে কার্যকর ও শ্রদ্ধেয় জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। সে তুলনায় ব্রিটিশ প্রেস কাউন্সিল দুর্বল।
স্বেচ্ছাসেবী ও বিজ্ঞাপনদাতাদের একান্ত নিজস্ব প্রতিষ্ঠান হিসেবে এএসএর মর্যাদা ও প্রভাব-প্রতিপত্তি সরকারি সংস্থার চেয়ে কম নয়। তাদের প্রণীত বিজ্ঞাপন কোড বা বিজ্ঞাপনবিধি সবাই মানে। তাদের সীমাবদ্ধতা হলো, মিথ্যা বিজ্ঞাপনদাতা বা আচরণবিধি লঙ্ঘনকারীদের তারা সরাসরি শাস্তি দিতে অপারগ। তবে বিজ্ঞাপনদাতার কাছে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কৈফিয়ত তলব করতে পারে।
ব্রিটেনে যারা বিজ্ঞাপন কোড লঙ্ঘন করেন, তাদের শাস্তি জোটে সরকারি ‘অফিস অব ফেয়ার ট্রেডিং’ বা ওএফটির মহাপরিচালকের মাধ্যমে। রবার্টসন ও নিকোল লিখেছেন, ‘কেউ মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিলে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া ফেয়ার ট্রেডিং সংস্থার সংবিধিবদ্ধ দায়িত্ব।’
এএসএর কাউন্সিল খণ্ডকালীন ১২ সদস্য নিয়ে গঠিত। এর সংখ্যাগরিষ্ঠ বিজ্ঞাপনজগতের বাইরের লোক। তাদের এখতিয়ারও ব্যাপক। পত্রিকা ছাড়াও সিনেমা, ভিডিও, ই-মেইল, ফ্যাক্স এমনকি রাস্তার ধারের হোর্ডিংগুলোতে সাঁটানো পোস্টার বিজ্ঞাপন পর্যন্ত। ব্রিটিশ প্রেসে বছরে প্রায় তিন কোটি বিজ্ঞাপন ছাপা হয়। হোর্ডিংগুলোতে পোস্টার পড়ে এক লাখ। আর এ থেকে গড়ে ১২ হাজার অভিযোগ আসে। বাংলাদেশের বিজ্ঞাপনবিষয়ক এ রকম কোনো তথ্য জানা যায় না।
বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ব্যক্তির চরিত্র হনন বা তাকে কোনোভাবেই হেয়প্রতিপন্ন করার বিষয়ে ব্রিটিশ কোড অত্যন্ত সংবেদনশীল। কোড বলেছে, ‘বিজ্ঞাপনদাতাদের উচিত নয় কোনো লোককে নেতিবাচক বা আক্রমণাত্মকভাবে উপস্থাপন করা।’ ব্যক্তি ছাড়াও অন্যের ব্যবসায় বা তাদের পণ্য সম্পর্কে কোড বলেছে, বিজ্ঞাপনদাতাদের উচিত নয়, অন্যের ব্যবসায় বা পণ্যের বিরুদ্ধে অশালীন আক্রমণ করা বা তাকে খাটো করা।
আধাবিচারিক সরকারি সংস্থা ওএফটি এবং বেসরকারি এএসএর কার্যক্রমের ওপর রয়েছে ব্রিটিশ আদালতের পূর্ণ এখতিয়ার। এএসএ যখন কোনো আপত্তিকর বিজ্ঞাপন প্রত্যাহার করার আদেশ দেয়, তখন অধিকাংশ বিজ্ঞাপনী সংস্থা তা দ্রুত তামিল করে। ১৩ সদস্যের কাউন্সিলের বর্তমান চেয়ারম্যান সাবেক সংস্কৃতি ও গণমাধ্যমমন্ত্রী ক্রিস স্মিথ।
মিথ্যা বিজ্ঞাপন প্রকাশের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ সরকার বিশেষ মনোযোগ দেয় দুই দশক আগেই। রবিনসন ও নিকোল বলেন, ‘১৯৮৮ সালে ফেয়ার ট্রেডিংয়ের মহাপরিচালককে নির্দিষ্টভাবে মিথ্যা বিজ্ঞাপনদাতাদের শায়েস্তা করতে সংবিধিবদ্ধ ক্ষমতা দেওয়া হয়।’ (প্রাগুক্ত। পৃ. ৭১৮)। দ্য কন্ট্রোল অব মিসলিডিং অ্যাডভার্টাইজমেন্টস রেগুলেশনস, ১৯৮৮-এর মূল কথা হলো, বিজ্ঞাপনে মিথ্যা তথ্য দেওয়া যাবে না।’ এএসএ কখনো ব্যর্থ হলে সরকারি ফেয়ার ট্রেডিংয়ের মহাপরিচালক উদ্যোগ নেন। এটাই সর্বশেষ হাতিয়ার। ব্রিটিশদের রয়েছে অন্ধ স্লিম-প্রীতি। বছরে ৬০০ কোটি পাউন্ডের ব্যবসা। সানডে স্পোর্ট পত্রিকায় স্লিম হওয়া নিয়ে একটি আপত্তিকর বিজ্ঞাপন ছাপা হচ্ছিল। এএসএর সিদ্ধান্তও পত্রিকাটি উপেক্ষা করে। আপত্তিকর বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ করার ক্ষমতা তাদের নেই। তাই তারা বিষয়টি পাঠায় ফেয়ার ট্রেডিংয়ের কাছে। এএসএর চিঠি পেয়ে ফেয়ার ট্রেডিং দেরি করেনি। সঙ্গে সঙ্গে ওই বিজ্ঞাপন বা একই ধরনের বক্তব্যসংবলিত বিজ্ঞাপন প্রকাশ নিষিদ্ধ করতে আদালতের মাধ্যমে ইনজাংশন জারির পদক্ষেপ নেয়। বাক ও ব্যক্তিস্বাধীনতার স্বর্গভূমিতেও বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণের নজির কিন্তু আমরা পেলাম।
বাংলাদেশের বহুল প্রচারিত পত্রপত্রিকাও অনেক সময় বিজ্ঞাপনকে পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদনের চেহারা দিয়ে ছাপানোর চেষ্টা চালায়। উদ্দেশ্য হলো পাঠককে বিভ্রান্ত করা। তাদের বোঝানো যে এটি বিজ্ঞাপন নয়, পত্রিকার প্রতিবেদন বা নিবন্ধ। ব্রিটিশ কোডে এ ধরনের তত্পরতা নিষিদ্ধ।
রবিনসন ও কলিন তাঁদের বইয়ের ৭২০ পৃষ্ঠায় লিখেছেন, ‘সংবাদপত্রগুলো বিজ্ঞাপনদাতাদের পণ্য বা তাদের লোকজন সম্পর্কে সমালোচনামূলক সম্পাদকীয় প্রকাশ ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা করতে গিয়ে সময়ে সময়ে বিজ্ঞাপনদাতাদের প্রতিশোধের শিকার হয়।’ বাংলাদেশে এ ধরনের প্রতিশোধপরায়ণতার বহিঃপ্রকাশ ‘যেকোনো পন্থায়’ ঘটানো সম্ভব হতে পারে। সভ্য ব্রিটেনের বিজ্ঞাপনদাতারাও প্রতিশোধ নেন। তবে তা নেওয়ার উপায়টা হলো, কোনো সংবাদপত্রকে ভবিষ্যত্ বিজ্ঞাপন দেওয়া থেকে বঞ্চিত করে। বিজ্ঞাপনবিষয়ক চুক্তি বাতিল করে। আবার এ কাজ একটি বেসরকারি সংস্থার পক্ষে যতটা সহজ, সরকারি সংস্থার পক্ষে তত সহজ নয়। মিডিয়া সম্রাট রুপার্ট মারডকের সাময়িকী টাইমস এডুকেশন সাপ্লিমেন্ট-এ শিক্ষাবিষয়ক নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিত লেবার-দলীয় নেতা নিয়ন্ত্রিত ‘ডারবিশায়ার কাউন্টি কাউন্সিল’। কিন্তু মারডকের মালিকানাধীন দৈনিক সানডে টাইমস যখন লেবার নিয়ন্ত্রিত ওই কাউন্সিল ও তার নেতা ডেভিড বুকবাইন্ডারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ শুরু করে, তখন তারা প্রতিশোধ নেয়। এডুকেশন সাপ্লিমেন্টের বিজ্ঞাপন বন্ধ করে দিলে তারা মামলা করে। কাউন্সিল আদালতে হেরে যায়। আদালত বলেন, বিজ্ঞাপন বাতিলের সিদ্ধান্ত জনস্বার্থে হয়নি। এটা প্রতিশোধ, তাই তা অবৈধ।
ব্রিটিশ বিজ্ঞাপন কোড অনুসরণ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ব্রিটেন ইইউর বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। শুধু ইইউভুক্ত নয়, যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশও এর সদস্য হয়েছে। সেখানে রয়েছে মিসলিডিং অ্যাডভার্টাইজমেন্টস (সংশোধন) রেগুলেশন ২০০০। কমনওয়েলথের বহু দেশ ওই কোডের আদলে স্বতন্ত্র বিজ্ঞাপন কোড করেছে। আন্তর্জাতিক চেম্বার অব কমার্স আইসিসির ওয়েবসাইটেও একটি বিজ্ঞাপন কোড রয়েছে। সবগুলোরই বিষয়বস্তু মোটামুটি অভিন্ন। ডাহা মিথ্যা রিপোর্ট যে সংবাদপত্রে ছাপা যায় না, তা কে না জানে। কিন্তু টাকার বিনিময়ে জেনে-শুনে ডাহা মিথ্যা কথা বিজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করে দায়মোচনের কোনো পথ কোথাও খোলা আছে কি না, তা কিছুটা খতিয়ে দেখলাম। কোথাও দৃষ্টান্ত পেলাম না।
ভারতের দি অ্যাডভার্টাইজিং স্ট্যান্ডার্ডস কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া (এএসসিআই) একটি অমুনাফাভোগী প্রতিষ্ঠান। ভারতীয় কোম্পানি আইনের ২৫ ধারা অনুযায়ী গঠিত মুম্বইভিত্তিক এএসসিআই একটি শক্তিশালী ও কার্যকর বিজ্ঞাপন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা। ভারতের কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের সব বিভাগ ও সংস্থায় বিজ্ঞাপনসংক্রান্ত যেকোনো কমিটি বা আলোচনায় তাদের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে। এএসসিআই প্রণীত বিজ্ঞাপনবিধির প্রথম পরিচ্ছেদের প্রথম দফার প্রথম বাক্যটি হলো, বিজ্ঞাপন অবশ্যই ট্রুথফুল বা সত্যনিষ্ঠ হবে। তিন দফা বলেছে, বিজ্ঞাপনে যদি কোনো ব্যক্তির সুনামও করা হয়, তাহলে সে জন্য তার অনুমতি থাকতে হবে। আর বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে সমাজে হেয়প্রতিপন্ন করা যাবে না। বিজ্ঞাপন দিয়ে তথ্যের বিকৃতি ঘটানো যাবে না। এএসসিআই বছরে ১২০ থেকে ১৪০টি বিজ্ঞাপনবিষয়ক অভিযোগ পেয়ে থাকে।
ব্রিটেনে মানহানির মামলায় পরাস্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে মিলিয়ন মিলিয়ন পাউন্ড গুনতে হয়। বাক্স্বাধীনতার দেশ আমেরিকায় অবশ্য মানহানি মামলায় জেতা সহজ নয়। কিন্তু যদি প্রমাণ করা যায় যে মিডিয়া সত্যিই মিথ্যা ও মানহানিকর খবর বা বিজ্ঞাপন ছেপেছে, তাহলে তার নিস্তার নেই। ২০০৬ সালে লুজিয়ানার এক নারী ফ্লোরিডার এক নারীর বিরুদ্ধে ইন্টারনেট ব্লগ বা মেসেজ বোর্ডে মানহানিকর কথা লিখেছিলেন। তিনি তাঁকে বলেছিলেন, ‘ক্রুক ও ফ্রড’। ফ্লোরিডার ব্রওয়ার্ড কাউন্টির একজন জুরি এ কারণে অভিযুক্তকে ১১ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ প্রদানের রায় দেন। ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিদ্বেষপূর্ণ বিজ্ঞাপন ছাপানো দণ্ডনীয় বলে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ১৯০৯ সালেই রায় দিয়েছিলেন। পেক বনাম ট্রিবিউন শীর্ষক ওই মামলায় মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট এ কথাও বলে দেন, বিজ্ঞাপনে দেওয়া ভুল তথ্য তৃতীয় কোনো ব্যক্তির জন্য মানহানিকর হলে তাও দণ্ডনীয়।
বাংলাদেশের পত্রপত্রিকায় তেমন কোনো ঝুঁকি ছাড়াই মানহানিকর খবর ও বিজ্ঞাপন ছাপা হয়। প্রতিকারের জন্য আইনি ও বিচার পরিমণ্ডল থেকে প্রতিকার লাভ পরিচ্ছন্ন নয়। ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৫০০, ৫০১, ৫০২-এর যেসব বিধান রয়েছে, তার কার্যকর প্রয়োগ ঢিলেঢালা। মানহানির মামলা দায়ের করা ও তার খবর ফলাও করে প্রচারের মাধ্যমেই সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা প্রায়ই সান্ত্বনা খোঁজেন। ওই সব বিধান অজামিনযোগ্য। তাই মামলা দায়েরকারীরা সর্বাগ্রে একটি মামলা ঠুকে ওয়ারেন্ট জারি করানোর প্রবণতা দেখান। পত্রিকার সম্পাদকেরা তাই দাবি জানিয়ে আসছিলেন, যাতে এই বিধান না থাকে। জরুরি অবস্থায় ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিষয়টি আইন কমিশনে পাঠিয়েছিলেন। বিচারপতি মোস্তাফা কামালের নেতৃত্বাধীন তত্কালীন আইন কমিশন এই বিধান রহিত করতে রাজি হয়নি। তারা যুক্তি দেখায়, ব্যক্তির সম্মান ও মর্যাদা সবচেয়ে দামি। এ জন্য ফৌজদারি কার্যবিধিতে ওই বিধান থাকতে হবে।
বিজ্ঞাপনের এক বিশাল বাজার তৈরি হয়েছে আজ বাংলাদেশে। গড়ে উঠেছে অনেক বিজ্ঞাপনী সংস্থা। তাদের একটি সংগঠনও রয়েছে বলে জানালেন প্রথম আলোর বিজ্ঞাপন বিভাগের প্রধান রশিদুর রহমান সবুর। তিনি নিশ্চিত করেন, ‘বাংলাদেশে বিজ্ঞাপনবিধি প্রবর্তন নিয়ে তেমন আলাপ-আলোচনা কখনো হয়নি। পত্রিকাগুলো অলিখিত কিছু নিয়মকানুন মেনে চলে। প্রথম আলো নানা ধরনের হেকমত, স্বপ্নবিষয়ক বুজরুকি, ধরিয়ে দিন ইত্যাদি ধরনের বিজ্ঞাপন ছাপে না।’ আসলে এসব মুদ্রণ প্রচলিত আইনে নিষিদ্ধ। কিন্তু সংবাদপত্র এক ধরনের অঘোষিত অন্যায্য দায়মুক্তি ভোগ করে চলেছে। তাদের বিরুদ্ধে কেউ মামলা করার ঝামেলায় যেতে চায় না। বিশ্বের ও ভারতের অভিজ্ঞতা আমরা কাজে লাগাতে পারি। ভারতীয় বিজ্ঞাপনবিধির চতুর্থ পরিচ্ছেদের চতুর্থ দফা বলেছে, বিজ্ঞাপন প্রচলিত কোনো আইনের লঙ্ঘন ঘটাবে না কিংবা আইনের শর্ত পূরণ করা থেকে বিচ্যুত হবে না। এ ধরনের একটি বিধান আমাদের থাকা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। মনে রাখা ভালো, আমরা বিশ্বায়নের যুগে বাস করছি। জাতীয় আইনি পরিমণ্ডলে শূন্যতা বজায় রেখে নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে রেখে অনন্তকাল ধরে নিরাপদ ভাবা বোকামি। আমেরিকার বিখ্যাত ব্যবসা সাময়িকী ফর্বস। তাদের এক লেখায় ক্ষুব্ধ হলেন রুশ ব্যবসায়ী বরিস ব্রেজোভস্কি। তিনি আমেরিকা কিংবা রাশিয়ায় নয়, মানহানির মামলা ঠুকলেন ব্রিটেনে। ওই সাময়িকীর অনলাইন সংস্করণ যেহেতু ইন্টারনেটে ব্রিটেনবাসী দেখতে পায় এবং ব্রিটেনে ব্রেজোভস্কির ব্যবসাগত স্বার্থ ও যোগসূত্র রয়েছে, তাই তিনি ব্রিটেনের টর্ট আইনে প্রতিকার চাইলেন। বিচারপতি পপলওয়েল ১৯৯৭ সালের ২২ অক্টোবর এর ওপর দাঁড়িয়ে রায় দেন, মামলা দায়েরের অধিকার তাঁর রয়েছে। কিন্তু ব্রিটেনে তাঁর স্বার্থ খুবই নগণ্য। তাই তাঁর উচিত রুশ কোর্টে মামলা করা। ব্রেজেভস্কি দমবার পাত্র নন। ১৯৯৮ সালের ১৯ নভেম্বর ইংল্যান্ডের কোর্ট অব আপিল তাঁর আপিল গ্রহণ করেন। তাঁরা বলেন, এই মানহানি মামলার বিচার অবশ্যই ব্রিটেনে হতে পারে। সুতরাং দেশে যাঁরা আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী রয়েছেন, তাঁরা বিদেশি জুরিসডিকশন বা অধিকারক্ষেত্রের দিকে চোখ রাখতে পারেন। কোনো কোনো সম্পাদক ভাবতে পারেন, অনলাইনে পাওয়া জিনিস বর্জ্য কি না, তা পরখ করার দরকার নেই। কিন্তু তা ভুল। ইন্টারনেট-সংক্রান্ত মানহানি আইন ও তার ব্যাপকতা অনেকটা ধেয়ে আসছে। কোনো ওয়েবসাইটের গালগল্প ছেপে ঘুমিয়ে পড়লে চলবে না।
আমাদের পত্রপত্রিকাগুলো অনলাইনে গিয়ে কার্যত নিজেদের অজান্তেই আন্তর্জাতিক আইনি পরিমণ্ডলে প্রবেশ করছে। যেকোনো মিথ্যা ও কুত্সাপূর্ণ বিজ্ঞাপন এখন অনলাইনের কল্যাণে আর কেবলই অভ্যন্তরীণ থাকছে না; এর আন্তসীমান্ত প্রভাব অনিবার্য হচ্ছে। এফবিসিসিআইয়ের মতো সংগঠনগুলো তাই বাংলাদেশে বিজ্ঞাপনবিধি না থাকার বিষয়ে নীরব দর্শক হতে পারে না। ব্রিটেন ও ইউরোপে যাদের যথেষ্ট বাণিজ্য স্বার্থ রয়েছে, আন্তর্জাতিক চেম্বার অব কমার্স—আইসিসির সঙ্গে যাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, বিদেশি অধিকারক্ষেত্রেও তাদের প্রতিকারের উপায় আছে কি না, তা হয়তো খতিয়ে দেখার সময় এসেছে। ব্রাসেলসভিত্তিক ইউরোপীয় অ্যাডভার্টাইজিং স্টান্ড্যার্ডস অ্যালায়েন্স প্রণীত ব্লু বুক বাংলাদেশ সরকারের ওপরও সমানভাবে প্রযোজ্য। সুতরাং ব্রিটেন বা ইউরোপের সঙ্গে বিরাট ব্যবসায় স্বার্থ রয়েছে, এমন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে মিথ্যা বিজ্ঞাপন আগ্রাসনের শিকার হলে বা আগ্রাসী ভূমিকায় নেমে পড়লে সরকার বাহাদুরও হয়তো নিরপেক্ষ বা ‘চেয়ে চেয়ে দেখলাম’ অবস্থান নিতে পারে না।
বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের বিধিবিধান একটি বিরাট রক্ষাকবচ। কিন্তু তা মানা হচ্ছে না। প্রেস কাউন্সিলকে শক্তিশালী করতে নতুন করে চিন্তাভাবনা করতে হবে। গণমাধ্যমের ওপর এর প্রভাব ন্যূনতম। ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্টের আওতায় ১৯৯৩ সালে একটি আচরণবিধি প্রণীত হয়। এতে বলা আছে, ‘মানহানিকর ও জনস্বার্থবিরোধী না হলে উপযুক্ত ব্যক্তির সই করা যেকোনো বিজ্ঞাপন ছাপানোর অধিকার সম্পাদকের রয়েছে। তবে কেউ যদি কোনো বিজ্ঞাপনের প্রতিবাদ করেন তাহলে তখন তাঁকে তা বিনামূল্যে ছাপতে হবে।’ অনেক ক্ষেত্রে সংবাদপত্রের সম্পাদকেরা এই আচারণবিধি লঙ্ঘন করে চলেছেন। একটি সাম্প্রতিক দৃষ্টান্ত দিই।
নারায়ণগঞ্জের দৈনিক খবরের পাতায় ২০০৬ সালের ২১ নভেম্বর একটি মানহানিকর প্রতিবেদন বিজ্ঞাপন আকারে ছাপা হয়। এতে নারায়ণগঞ্জের তত্কালীন নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতের বিচারকের বিরুদ্ধে মামলার এক পক্ষ উেকাচের বিনিময়ে তার প্রতিপক্ষকে জামিন দান ও মামলা খালাসের জন্য বিচারককে ৫০ হাজার টাকা প্রদানের মতো অভিযোগ আনে। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছিল। বিচারক পত্রিকার সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মাসুমের বিরুদ্ধে প্রেস কাউন্সিলে মামলা (নং ৫/২০০৭) করেন। প্রেস কাউন্সিলের পাঁচ সদস্যের জুডিশিয়াল কমিটি (বিচারপতি আবু সাঈদ আহাম্মদ, প্রফেসর ড. মাহবুব উল্লাহ, আলমগীর মহিউদ্দিন, ফজলুল করিম ও আব্বাস উদ্দিন আফসারীকে নিয়ে গঠিত) ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর পত্রিকার সম্পাদককে দোষী সাব্যস্ত করেন। কমিটির রায়, ‘খবরের পাতা পত্রিকার সম্পাদককে মিথ্যা ও কুরুচিপূর্ণ সংবাদ প্রচারের কারণে তিরস্কার, ভর্ত্সনা ও সতর্ক করা হলো।’ এই রায় হুবহু সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় ছাপানোর নির্দেশ ছিল। এবং তা তামিল হয়েছিল বলে পত্রিকাটির সম্পাদক আমাকে টেলিফোনে নিশ্চিত করেন।
বাংলাদেশের একটি বিজ্ঞাপনবিধি দরকার। দরকার এ বিষয়ে একটি স্বনিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান। বিজ্ঞাপনশিল্প-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আশু বিবেচনায় নিতে পারেন যে নিজেরা নিজেদের তদারক না করলে তাঁরা অন্যের নিয়ন্ত্রণের কবলে পড়তে পারেন।
মিজানুর রহমান খান: সাংবাদিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
November
(551)
-
▼
Nov 04
(37)
- বিশ্বভারতীতে দুর্নীতির পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
- যুক্তরাষ্ট্রে এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে ছয়টি লাশ উদ্ধার
- পাকিস্তানে বালিকা বিদ্যালয় উড়িয়ে দিয়েছে জঙ্গিরা
- তালেবানের বোমায় নাকাল ন্যাটোর সেনারা
- বদলে দেওয়া সহজ নয়, বললেন ওবামা
- আফগানিস্তানে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন আবদুল্লাহ ...
- পাকিস্তানকে সতর্ক করলেন চিদাম্বরম
- ইরাক যুদ্ধ নিয়ে বুশের দুঃখ প্রকাশ
- অস্ট্রেলিয়ার তেলক্ষেত্রে আগুন
- বার্লিন প্রাচীর পতনের ২০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান শুরু ...
- বার্লিন প্রাচীর এখন লসএঞ্জেলেসে
- ফিলিপাইনে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ -টাইফুন মিরিনায়ে
- উত্তর কোরিয়াকে নিয়ে ওয়াশিংটন ও সিউলের আপত্কালীন পর...
- শ্রীলঙ্কার জেনারেলকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে মার্কিন কর্ত...
- পানির উপস্থিতি বিশ্লেষণে নতুন উপগ্রহ
- রাওয়ালপিন্ডিতে সেনা সদর দপ্তরের কাছে বোমায় নিহত ২৪
- তৈরি পোশাকের জাপানি বাজার ধরার সুযোগ আছে বাংলাদেশে...
- দুই বোনের আরেকটি ফাইনাল
- স্কোয়াশের ‘বাদলা’কে ঢাকা ক্লাবের স্বীকৃতি
- সব পক্ষের পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ চাই -শ্রমিক-অসন্...
- বার্সার ড্র, রিয়াল ফিরল জয়ে
- মণিপুরি রাসমেলা -উত্সব by আকমল হোসেন নিপু
- নাসির ভাইকে খুব মনে পড়ে -স্মরণ by পান্না বালা
- নিউজিল্যান্ড ও বার্কিনা ফাসোর চমক -অনূর্ধ্ব-১৭ বিশ...
- দুই গঞ্জের লড়াইয়ে নায়ক জনসন
- সংবিধান কমিশন যে কারণে জরুরি -সরকারের মেয়াদ by এ ক...
- প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের পাঁচ গোলে পরাজয় -অনূর্ধ্ব-...
- আবাহনী-মোহামেডানের জয়
- বাংলাদেশের সাফ প্রস্তুতিতে নানা জট
- আইনের শাসন থাকলে ‘ক্রসফায়ার’-এর দরকার হতো না -টে ল...
- মানহানিকর বিজ্ঞাপন ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট -সরল গরল b...
- সরকারি প্রকল্প কেন যথাযথভাবে শেষ হয় না -ঢাকার বৃত্...
- সব পক্ষের পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ চাই -শ্রমিক-অসন্...
- প্রতিবন্ধীদের শিক্ষা
- অর্থনৈতিক উন্নয়নে পর্যটনশিল্প
- পুলিশি পাহারায় দরপত্র জমা -দ্রুত অনলাইনে জমা দেওয়া...
- জেলহত্যা দিবস -ন্যায্য বিচার ছাড়া কলঙ্কমোচন ঘটবে না
-
▼
Nov 04
(37)
-
▼
November
(551)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment