Wednesday, October 20, 2010
কিশোর উপন্যাস- 'আমাদের টম কে জানো' by আবদুল হাই শিকদার
কিশোর উপন্যাস- 'আমাদের টম কে জানো' by আবদুল হাই শিকদার
এক.
এশার ফোন। ‘বাপা, তাড়াতাড়ি বাসায় আস।’
রওশন সাহেব বললেন, ‘ব্যাপার কী?’
‘সমস্যা।’
‘কী সমস্যা?’
‘গভীর সমস্যা।’
‘খুলে বল।’
‘আহ বাপা, খুব বিপদ। ক্রসফায়ার সমস্যা। বাসায় আস, তারপর সব শুনবে।’
রওশন সাহেবের অন্য কোথাও যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মেয়ের ফোন পেয়ে ঘরেই ফিরলেন।
দুই.
সারা বাড়ি অন্ধকার। আরও অন্ধকার মুখ করে গাড়ি-বারান্দায় চুপচাপ বসে আছে অভি আর এশা। এশার পাশে মারজান। মারজানের পাশে হৃদিতা। প্রসন্নী, নাফিসা, সুমাইয়া। অভির পাশে শামী। শামীর পাশে নাইম। তারপর ফাহিম, পিয়াস ও রাকিন। রীতিমত গোলটেবিল বৈঠক। পরিস্থিতি গুরুতরই তাহলে। রওশন সাহেবকে দেখে হাঁফ ছাড়ে সবাই। বারজন এক সাথে বলে ওঠে, ‘বাঁচলাম’!
সমস্যার মূলে একটা কুকুরছানা। অভি এশাদের হারম্যান মেইনার স্কুলের গেটের দক্ষিণ পাশে কিছুটা বাগান বাগান জায়গা আছে। মূল সড়ক আর কলেজের মাঝখানে। সেখানে ফুটপাথ ঘেঁষে কুই কুই করে কাঁদছিলো ছানাটি। গাড়ির হর্ন শুনলে কিংবা কাউকে দেখলেই ভয় পেয়ে দৌড়ে ঢুকে যাচ্ছিল ঝোপে। আবার একটু সাহস করে বেরিয়ে আসছিলো। কখনও ফুটপাথে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কাঁদে। স্কুল ছুটির পর গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে ছানাটি চোখে পড়ে অভির। সাদার মধ্যে হলুদ ডোরাকাটা দাগ। বাঘের কাছাকাছি প্রায়। অন্য কুকুর ছানার চাইতে বেশ আলাদা। দেখতে মিষ্টি।
বেশ কিছুক্ষণ বিষয়টা ফলো করে অভি। বুঝতে পারে মাকে হারিয়েছে সে। এখন ভয় পেয়ে গেছে। অন্য কুকুরের ভয়। গাড়ি চাপা পড়ার ভয়। কারোর ওপর নির্ভর করতে না পারার ভয়। নির্ভর করার মতো কাউকে না পাওয়ার ভয়। সব মিলিয়ে এক ধরনের অসহায়তায় ধুকপুক করছে।
টিফিন বক্স থেকে একটা কেক বের করে অভি। তু তু করে ডাকে। প্রথমে দেখতে পায়নি। তারপর হয়তো ইঙ্গিতটা বুঝতে পারে। দূর থেকে লোলুপ চোখে এগিয়ে আসে ছানাটি। কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকে অভির দিকে। অভিকে বোঝার চেষ্টা করে। অভি আবার তু তু করে খাবার দেখায়। এবার দ্বিধা বা সন্দেহ দূর হয় ছানাটির। অভির হাত থেকেই ছোট ছোট কামড়ে খেতে থাকে কেক। খাওয়া হয়ে যায়। কৃতজ্ঞতায় অভির হাতের আঙুল চাটতে থাকে। আর ছোট্ট লেজটি একটু একটু নাড়ে।
অভি বলে, ‘হ্যারে টোকাই তুই কি যাবি আমার সাথে’?
ছানাটি কিছু বলে না। খালি লেজ নাড়ে।
এর মধ্যে এশা চলে আসে। গাড়িও চলে আসে।
এশা বলে, ‘ভাইয়া, তুই কোথায় পেলি ওকে? ভারি সুন্দর তো’।
অভি বললো, ‘পেলাম তো এখানে। মা হারা। খুব ক্ষুধার্ত ছিল। এখন কী করি বলতো?’
এভাবে এক মিনিট। তারপর ঝট করে কুকুর ছানাটিকে কোলে তুলে নেয় অভি। চলে আসে বাড়িতে।
প্রথমে অভি আর এশা ভেবেছিল কিছুদিন লুকিয়ে রাখবে গ্যারাজে। কিন্তু ড্রাইভার সেকেন্দার ঘণ্টাখানিকের মধ্যে সব ফাঁস করে দেয়। এমনি ফোঁস করে ওঠেন মা।
‘কি পথের কুকুর কোলে করে এনেছ বাড়িতে? আমার গাড়িতে চড়িয়ে! ছি ছি ছি …!’
এক্ষুনি দূর কর এ আপদ।’
মা হাঁকলেন, ‘কাঞ্চন!’
কাঞ্চনের সাথে সাথে এলো জাকির। জাকিরের পেছনে জমিলা বু।
মা বললেন, ‘এই কুত্তার বাচ্চাটাকে রাস্তায় ফেলে দিয়ে আয়। আর অভি আর এশাকে ডেটল গোলা পানিতে চুবিয়ে রাখ।’
অভি বললো, ‘মা প্লিজ। একটা কথা শোন।’
মা বললেন, ‘না, কোন কথা নয়। পথের কুকুর বাসায় থাকবে এ হতে পারে না। সবাই জলাতঙ্ক রোগে মরবো নাকি?’
এশা বললো, ‘মামণি তুমি কিন্তু খুব অন্যায় করছো।’
‘কিসের অন্যায়?’
‘একটা অসহায় কুকুর ছানা, রাস্তায় পড়ে পড়ে কাঁদছিলো।’
‘কাঁদছিলো বেশ করছিলো। তাই বলে বাসায় নিয়ে আসতে হবে। তাও আবার কোলে করে ! ছি ছি ছি!’
মা দড়াম করে দরোজা বন্ধ করে দিলেন। দুই ভাইবোন গালে হাত দিয়ে বসে রইল গাড়ি-বারান্দায়। কুকুর ছানা তো এত সব হাঙ্গামা বোঝে না। সে কতক্ষণ অভির গাল চাটে। কতক্ষণ এশার ওড়নার প্রান্ত নিয়ে খেলা করে। আবার বাগানে প্রজাপতি দেখে লাফিয়ে লাফিয়ে ছোটে সেটার পেছনে।
অভি আর এশা তাদের সব বন্ধুকে খবর দিল। যে যেখানে আছিস ছুটে যায় । বিপদে পড়েছি।
মা চাচ্ছেন কুকুরমুক্ত বাড়ি।
আমরা চাচ্ছি কুকুরযুক্ত বাড়ি।
বন্ধুরা সমস্যার কূলকিনারা করতে হিমশিম খাচ্ছে।
তোদের আব্বুকে খবর দে। তার আগে গোলটেবিলের সিদ্ধান্ত কুকুরটার একটা নাম ঠিক করা দরকার। বারবার কুকুরছানা কুকুরছানা শুনতে ভাল লাগছে না। আর আজকের এই বৈঠকেরও একটা শিরোনাম চাই।
অনেক ভেবেচিন্তে বৈঠকের শিরোনাম রাখা হলো ‘টম’ রক্ষা আন্দোলন : আজকের করণীয়’।
হৃদিতা বললো, ‘ওর নাম জ্যাক।’
নাফিসা বললো, ‘না, জ্যাক নয় ও জন।’
শামী বললো, ‘ওর নাম রাখ পথকলি।’
মারজান তো হেসেই খুন।
‘না ওর নাম রাখ বাঘা। বাঘা মিয়া।’
প্রসন্নী বললো, ‘কী যে বল, কুকুরের নাম বাঘা হয় কী করে? ওর নাম রাখো ওয়েস্ট লাইফ।’
রাকিন বললো ওয়েস্ট লাইফ! ধ্যাস!’
সুমাইয়া, পিয়াস, পিয়াল একসাথে রে রে করে উঠলো, ‘এত সুন্দর একটা কুকুর ছানার এ রকম পচা নাম হতে পারে না। সবাই, তাহলে….’
এশা বললো, তাহলে ওর নাম হতে পারে ‘টম’। রাজশাহীর ‘টম টম’ থেকে একটা ‘টম’।
আর আঙ্কেল টমস কেবিন থেকে ও ধার নেয়া হবে।’
শামী বললো, ‘কুকুরের নাম টম না, ওর নাম রাখ ‘টং’। ও যেন সব সময় রেগে টং হয়ে থাকে।’
মারজান বললো, ‘তাহলে তুমি হবে ওর হিজ মাস্টার্স ভয়েজ।’
আরও বহু গবেষণা হলো। আলাপ হলো।
ভোট হলো। ‘টম’ জিতে গেল।
তিন.
আজ। চমৎকার রান্না।’
বুলার মুখে কোন কথা নেই।
রওশন সাহেব বললেন, ‘যাই বলো বুলা…।’
মুখের কথা কেড়ে নিয়ে বুলা বললেন, ‘দ্যাখো। আমি তোমাকে সাফ সাফ বলে দিচ্ছি। আমার বাসায় আমি পথের কুকুর অ্যালাও করবো না।’
এক সঙ্গে গলায় ভাত আটকে যায় অভি ও এশার। সাহায্য চাওয়া চোখে দু’জন তাকায় রওশন সাহেবের দিকে।
রওশন সাহেব বললেন, ‘ভালো কথা। ঠিকই তো। পথের কুকুর বাসায় থাকবে তা কি হয়। বিলাতি টিলাতি হলে তাও কথা ছিল। একেবারে নেড়ি কুকুরের বাচ্চা।’
হাল ছেড়ে দেয় অভি ও এশা। ডাইনিং টেবিলের চারদিকে নামে পিনপতন নীরবতা। কেবল খাওয়ার শব্দ। হঠাৎ খাওয়া বন্ধ করে রওশন সাহেব বলেন, ‘তবে কুকুরের কিন্তু অনেক প্রতিশব্দ আছে। জানো?’
এশা চাপা গলায় বললো, ‘বাপা…’
রওশন সাহেব বললেন, ‘সারমেয়, শ্বা, কুক্কুর, শুন, শুনি, বৃকারী, কালেয়ক, ভষণ, ভষক, শয়ালু শব্দগুলো কিন্তু কুকুরকেই বোঝায়’।
বুলা বললেন, ‘সে তো বুঝলাম, কিন্তু এ আপদ কি তুমি গ্যারাজে রাখতে বলেছ?’
রওশন সাহেব বললেন, ‘হ্যাঁ, না, তা হয়তো বলেছি। কিন্তু বলার পেছনে আছে একটা ইতিহাস। আছে ঐতিহ্য। মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা, সে ইতিহাস সৃষ্টি করে। কিন্তু ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে না। এই ভুলের যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় সেই জন্য কুকুরের গ্যারাজবাসের সিদ্ধান্ত।’
বুলা বললেন, ‘দ্যাখ চ্যান্স পেলেই তুমি এই যে জ্ঞান দান করÑ এ কিন্তু আমার অসহ্য। গা জ্বলে যায়।’
রওশন সাহেব বললেন, ‘মানে তা ঠিক নয়। এ হলো ইতিহাস। সত্যিকারের ইতিহাস’।
বুলা বললেন, ‘রাখো তোমার ইতিহাস।’
রওশন সাহেব গলা কেশে বললেন, ‘শোনাই না। একটু মন দাও। বন্য প্রাণীর মধ্যে যে প্রাণী সেই মধ্যপ্রস্তর যুগে মানুষের কাছে এসেছিল, মানুষকে ভালোবেসেছিল সে কিন্তু কুকুর। অন্য কোন প্রাণী নয়। ব্যাপকভাবে মানুষ কুকুর প্রতিবেশী, বন্ধু হয়ে ওঠার আক্ষরিক বয়সও ১৪০০০ বছরের কম নয়। এই যে চৌদ্দ হাজার বছরÑ সেই থেকেই এরা পরস্পরকে সাহায্য করে এসেছে। কুরআন শরীফে আসহাবে কাহাফের যে কাহিনী, সেখানেও কিন্তু গুহাবাসীদের সাথে ঘুমিয়ে আছে অত্যন্ত প্রভুভক্ত সাহসী একটি কুকুর। বলা হয়, এদের ঘুম পৃথিবীর ধ্বংসের দিন ভাঙবে।
‘মহাভারত’ একটা বিখ্যাত মহাকাব্য। এই মহাকাব্যের অন্যতম নায়ক যুধিষ্ঠির। দেবরাজ ইন্দ্র এসে বললেন, রথ প্রস্তুত। এতে চড়ে আপনি এখন স্বর্গে চলে যান।’
যুধিষ্ঠির তার কুকুরটিকে নিয়ে রথে উঠতে গেলেন।
ইন্দ্র বললেন, ‘না, না, কুকুর তো স্বর্গে যেতে পারবে না
যুধিষ্ঠির বললো, ‘প্রিয় কুকুর ছাড়া আমিও যাচ্ছি না।’
অগত্যা কুকুরসহ যুধিষ্ঠিরকে রথে চাপাতে বাধ্য হলেন ইন্দ্র।’
বুলা বললো,‘ এই সব কাহিনী আমাকে শোনানোর অর্থ কী?’
‘অর্থ এমন কিছু নয়। শুধু এই কথাগুলি বলা যে, কুকুর খুব প্রভুভক্ত প্রাণী। কোনক্রমেই প্রভুর বিরুদ্ধে কোন কাজ তাকে দিয়ে করানো সম্ভব নয়। কুকুর অতি সহজে পোষ মানে। এদের মধ্যে কোন পাপচিন্তা নেই। গৃহপালিত কুকুর সবসময় সাহস, বল, বুদ্ধিবৃত্তি নিয়ে প্রভুর উপকার করে। একটি কুকুর একটি দারোয়ানের কাজ করে। এরা অনেক খেতে পারে। কিন্তু সামান্য কিছু পেলেই খুশি হয়। কুকুরের ঘ্রাণ শক্তি খুব তীব্র। দৌড়েও এদের দক্ষতা অনেক। এরা প্রভুর জন্য শিকার ধরে দেয়। শিকার করে দেয়।’
অভি ঘাড় নিচু করে খেতে খেতেই বললো, ‘বাপা তুমি লাইকার কথা শুনেছো?’
এশা বললো, ‘এ তো আমিই জানি। লাইকা হলো পৃথিবীর একমাত্র কুকুর যে রকেটে চড়ে মহাকাশ ভ্রমণ করেছে এটি ছিল একটি রুশ কুকুর ।’
অভি বললো, ‘ভেরি গুড।’
রওশন সাহেব বললেন, ‘কুকুরের আরও গুণের কথা বলি। কুকুর সিসমোগ্রাফের আগেই ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দিতে পারে।’
অভি বললো, ‘আমার স্যার বলেছেন কুকুর নাকি ভূতদের দেখতে পায়?’
‘ঠিক দেখতে পায় কি না জানি না। তবে ধারণা করা হয় কুকুর অতনু বা অশরীরীদের উপস্থিতি টের পায়। এরকম একটি গল্প আছে আর্চিবল্ড বাটলেজ এর লেখা ‘ক্রাইম মিস্ট্রি অ্যান্ড ডিটেকশন’ বইয়ে। অতএব…’
এশা বললো, ‘মামনি ওকে প্রতিদিন শ্যাম্পু করে গোসল করানোর দায়িত্ব আমার’।
অভি বললো, ‘ওকে বাইরে নিয়ে টয়লেট করানোর অভ্যাস করার ভার আমার’।
রওশন সাহেব বললো, ‘আর পশু হাসপাতাল থেকে জলাতঙ্কের ইনজেকশন দিয়ে আনার কাজটি করছি আমি। এতএব……’
এশা বললো, ‘মামণি, আমার সত্যিই সোনা’
অভি বললো, ‘অতএব….’
তিনজনে জোড় হাতে বুলার দিকে তাকিয়ে।
বুলার মন তবু গলে না, ‘যা খুশি কর। তবে ওটাকে আমি ঘরে ঢুকতে দিচ্ছি না।’
তিনজন একসঙ্গে ‘হিপ হিপ হুররে……’
বুলা ধমকে ওঠেন, ‘অনেক হয়েছে। এবার টেবিল ছাড়’।
গ্যারেজ থেকে টমের ছোট হঙ্কার শোনা গেল, ‘ঘেউ ঘেউ ঘেউ’।
চার.
এশা আর অভি স্কুলে গিয়ে অবাক! স্কুলে সবার মুখে মুখে টমের কাহিনী। টিফিন আওয়ারে হৃদিতা বললো, ‘হ্যারে, তোর আম্মুর মাথা ঠাণ্ডা হয়েছে?’
মারজান বললো, ‘যা ভয় পেয়েছিলাম!’
শামী বললো, ‘অভির ফোন পেয়ে ভেবেছিলাম না জানি কী হয়েছে। গিয়ে দেখি কুকুরকাণ্ড! তা যাই বলিস, তোর আম্মুর রণরঙ্গিনী ভাবসাব দেখে ভাবছিলাম পালাই।’
রাকিন বললো, ‘কিন্তু আমার বেশ মজাই লাগছিলো।’
নাইম বললো, ‘তা তো লাগবেই। জন্মদিনে তোকে যে একটা কী কলম উপহার দিয়েছিল নাÑ সেই জন্য।’
রাকিন বললো, ‘মোটেই না।’
এশা বললো, ‘এর মধ্যে এক কাণ্ড। মামণির তো সকালে ওঠার অভ্যাস। তারপর বাগানে কিছুক্ষণ পায়চারি করেন। আজও করছিলেন। টম যে কখন মামণির পেছনে পেছনে হাঁটছিলো টেরই পাননি। তারপর মামণি থামলে পায়ের ওপর গিয়ে বসে, গায়ের সাথে গা লাগিয়েছে। আর যায় কোথায়? চিৎকার চেঁচামেচি। আমার শাড়ি নষ্ট হলো! ওজু নষ্ট হলো! ইত্যাদি ইত্যাদি। লাফিয়ে চলে আসে বারান্দায়। টমও এক লাফে বারান্দায়। মামণি ঢুকেছে ঘরে। টমও দৌড়ে ঢুকে পড়েছে ঘরে। মামণি যেদিকে যেদিকে যায় টমও সেদিকে সেদিকে যায়। যা হাউ কাউ।’
হাসির হররা ছড়িয়ে পড়ে ডাইনিং স্পেস থেকে টানা বারান্দায়।
নাইম বললো, ‘যাই বলিস তোর মামণি একটা জিনিস।’
অঙ্ক স্যার ক্লাসে ঢুকেই, ‘ক্লাসে এতো হাসাহাসি হচ্ছে কেন?’
সুমাইয়া বললো, ‘স্যার এশারা একটা কুকুর ছানা কুড়িয়ে পেয়েছে। তাই নিয়ে ওদের বাসায় যা গণ্ডগোল!’
স্যার বললেন, গণ্ডগোলের কী আছে? ভালো তো, ওটাকে এখন ট্রেনিং দিয়ে নাও।’
মারজান বললো, ‘স্যার কুকুর আপনি পছন্দ করেন?’
‘পছন্দ করবো না কেন? তবে আদিখ্যেতা ভালো লাগে না।’
প্রসন্নী বললো, ‘স্যার কুকুর নিয়ে ভালো একটা গেম পাওয়া যায় ‘ডেড টু রাইড।’ আপনি কি দেখেছেন?’
স্যার বললেন, ওসব গেম টেম আমি দেখিনি। তবে কুকুর কী করে মানুষের পোষ মানলো, বন্ধু হলো, তার একটা গল্প আছে মনিপুরের নাগা উপজাতির মধ্যে। সেটা জানি।’
নাফিসা বললো, ‘স্যার গল্পটা বলুন না!’
‘অংকের ক্লাসে কুকুরের গল্প!’
সবাই সমস্বরে বললো, ‘বলুন না স্যার।’
স্যার চক ডাস্টার টেবিলে রেখে চেয়ারে বসলেন, ‘ঠিক আছে শোনো। এটা কিন্তু নিছক একটা গল্প। সে কবেকার কথা কে জানে। গহিন বনের ধারে একটা স্ত্রী কুকুর তার ছোট ছোট দু’টি বাচ্ছা নিয়ে বাস করতো। বাচ্চা দুটো যখন কেবল একটু বড় হয়েছে, সেই সময় একটা পাগলা হরিণ একদিন ওদের মাকে শিং দিয়ে গুতিয়ে মেরে ফেলে। বাচ্চা দু’টি এতে খুব ব্যথা পেল। এখন কে তাদের খাওয়াবে? কে দেখবে? তারা মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলো, এই অন্যায়ের শোধ তারা নেবে। কিন্তু কি ভাবে? তারা তো ছোট। ঘুরতে ঘুরতে তারা একদিন এক শক্তিশালী হাতির কাছে গেল। সব খুলে বললো। হাতি হরিণটিকে শাস্তি দিতে রাজি হলো। খুশি হয়ে দুই বাচ্চা কুকুর ‘ঘেউ ঘেউ’ করে ডেকে উঠলো। কিন্তু হাতি এতে বিরক্ত হলো। কারণ এই আওয়াজ শুনে যে কোন সময় বাঘ কিংবা সিংহ চলে আসতে পারে। তাহলে সবার জীবনই বিপন্ন হবে। হাতি রাগ করে ছোট কুকুর দু’টিকে তাড়িয়ে দিল।
খুব মন খারাপ করে দুই ভাই গেল এবার এক বাঘের কাছে। মাতৃ হত্যার প্রতিশোধ নিতে বাঘের সাহায্য চাইল। সব শুনে বাঘ ধীর স্থিরভাবে সম্মতি জানালো। মা হারা দুই কুকুর ছানা এবারও খুশি হয়ে ঘেউ ঘেউ করে ডেকে উঠলো। তাদের ঘেউ ঘেউ শুনে বাঘ গেল ভয় পেয়ে। সে ভাবলো, ‘সেরেছে, এরা দেখি আমাকে বিপদে ফেলে দেবে। এই ডাকাডাকি শুনে যে কোন মুহূর্তে মানুষ চলে আসতে পারে। এলেই বিপদ। মানুষ তাকে মেরে ফেলতে পারে। অনেক ভেবে টেবে বাঘ বললো, ‘এ কাজ আমি পারবো না। তোমরা এখন চলে যেতে পার।’
মনের দুঃখে দু’ভাই চিরদিনের জন্য বন ত্যাগ করে এক গ্রামে চলে এল। গ্রামের বাইরে এক প্রাচীন বটগাছের তলায় বসে বসে কাঁদতে লাগলো দু’ভাই। সেসময় সেখান দিয়ে যাচ্ছিলেন একজন মানুষ। তার খুব মায়া হলো। সে কুকুরছানা দুটিকে বাড়ি নিয়ে এলো। আদর করে খাবার দিল। ক্ষুধার্ত ছানা দু’টি বহুদিন পর পেট পুরে খেল।
তারপর মানুষটি জানতে চাইলো, তারা কাঁদছিলো কেন?
ছানা দু’টি তাদের সকল কাহিনী মানুষটিকে বললো। মানুষটি সব শুনে অত্যন্ত সহানুভূতির সাথে বললো, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সাহায্য করবো। এই খুনের প্রতিশোধ নেব। কুকুর ছানা দু’টির সাথে কোনদিন কেউ এত ভালো ব্যবহার করেনি। ফলে খুশি হয়ে ঘেউ ঘেউ করে কৃতজ্ঞতা জানালো। ছানা দু’টি আরও একটু বড় হলো। তারা সারা বাড়ি ঘুরে বেড়ায়। রাত জেগে মানুষটির বাড়ি পাহারা দেয়। অস্বাভাবিক কোন কিছু দেখলেই চিৎকার শুরু করে। শিয়ালদের তাড়িয়ে মানুষটির মুরগি রক্ষা করে। মানুষটি কখনও কোন খাবার দিলে পা চেটে, লেজ নেড়ে ধন্যবাদ জানায়। এতে ওদের প্রতি মানুষটি আরও খুশি হলো। ধীরে ধীরে কুকুর ছানা দু’টি বড় হলো। হলো আরও সাহসী। আরও বিনয়ী। তারা মানুষের সমাজে বসবাসে অভ্যস্ত হয়ে উঠলো।
দিন যায় মাস যায়। কুকুর দু’টি কিন্তু তাদের প্রতিজ্ঞার কথা ভোলেনি। তারা আবার একদিন মানুষটিকে সে কথা মনে করিয়ে দিল।
মানুষটি বললো, ‘তাইতো, অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে। চল বনে যাই। পাগল হরিণটিকে খুঁজে বের করি।’
একদিন কুকুর দু’টিকে নিয়ে মানুষটি বনে গেল শিকারে। বনের এদিকে ওদিকে অনেক ঘুরাঘুরি করে অবশেষে কুকুর দু’টি সেই হরিণটাকে খুঁজে পেল। মানুষটি বল্লম হাতে নিয়ে ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে রইল। আর কুকুর দু’টি তীর বেগে হরিণটিকে তাড়া করলো। কুকুর দু’টির তাড়া খেয়ে হরিণটি ওই ঝোপের কাছ দিয়ে ছুটে পালাচ্ছিল। সেই সময় মানুষটি তার হাতের বল্লম ছুড়ে হরিণটিকে মেরে ফেললো।
কুকুর দু’টি এই ঘটনায় লেজ নেড়ে নেড়ে মানুষটিকে কৃতজ্ঞতা জানালো। এরপর মানুষের সাথে কুকুরের বন্ধুত্ব আরও বেড়ে গেল। কুকুর দু’টি মানুষের সঙ্গে বসবাস করতে রাজি হয়ে গেল। তারা আর বনে ফিরে গেল না।’
সেই থেকে কুকুররা মানুষের সাথে থাকে। মানুষ তাদের আদর করে। বিনিময়ে মানুষের অনেক উপকার করে কুকুর।’
স্যার বললেন, ‘আমার গল্প শেষ।’
এর মধ্যেই ঢং ঢং। ক্লাস শেষের ঘণ্টা বাজালো।
পাঁচ.
নিউইর্য়ক থেকে রওশন সাহেবের ফোন পেয়ে মহাখুশি এশা, ‘বাপা তুমি ভালো আছো তো?’
‘হ্যাঁ। খুব ভালো আছি। এই কিছুক্ষণ আগে এসে পৌঁছুলাম।’
‘তোমার সেমিনার কখন?’
‘আগামীকাল। তা তোরা ভালো তো সবাই?’
‘হ্যাঁ বাপা।’
‘অভি কোথায়?’
‘ভাইয়া গেছে শামী ভাইয়াদের বাসায়। শামী ভাইয়ার জন্মদিন তো তাই। আজ রাতে ওখানেই থাকবে।’
‘তাহলে দেখা যাচ্ছে অভি বড় হয়ে গেছে। এখন একা একা বাইরে থাকতে পারে।’
‘আচ্ছা বাপা তোমার সেমিনার কী নিয়ে?’
‘এটা আমার একলার সেমিনার নয়। এটা হলো সব দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে। এর প্রধান লক্ষ্য হলো কী করে আমরা আমাদের এই পৃথিবীকে আরও সুন্দর করতে পারি-তাই নিয়ে।
এটা মূলত পরিবেশ বিষয়ক একটা বিশ্ব সেমিনার।’
‘আচ্ছ বাপা, তুমি কি স্ট্যাচু অব লিবার্টি দেখতে যাবে?’
‘হ্যাঁ, যাব।’
‘তাহলে আমার জন্য অনেক ভিউকার্ড নিয়ে আসবে। আর তোমার ছবি চাই স্ট্যাচু অব লিবার্টির সাথে।’
‘মঞ্জুর। তা মামণি কোথায়?’
‘মামণিকে দিচ্ছি। তার আগে শোন কুকুর নিয়ে অনেক মজার মজার ছবি আছে ওদেশে। মুভি। বুঝেছ! তাই বলে আর ‘স্কুবিডু’ নয়। নিয়ে এস টমের জন্য।’
‘তা টম কী করছে?’
‘টম যা পাজি হয়েছে বাপা তুমি জানো না। কাল কি করেছে শোন। স্কুলে যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছি। আমার স্কুল সু-এর এক পাটি পায়ে দিয়েছি। অন্য পাটি মুখে নিয়ে টম হাওয়া। আমি কিছুতেই ধরতে পারি না। শেষে কাঞ্চন ভাই ওকে ধরেছে। কিন্তু সু যে কামড়ে ধরেছে। কিছুতেই ছাড়বে না। কি করি বলো তো!
তারপর আমার একটা মিমির খাওয়ার লোভ দেখিয়ে সু পেলাম। ভ্যাগ্যিস মামণি কাছে ছিল না! থাকলে ঘরে ঢোকার শাস্তি পেত নির্ঘাত।
‘তাহলে তো বেশ পাজি হয়েছে!’
‘খালি পাজি নয়। পাপাঝা! পাজির পা ঝাড়া। ভাইয়ার পড়ার টেবিল সবসময় এলোমেলো করে দেয়। ক্রিকেটের বল নিয়ে খামাখা ছুটাছুটি করে। পেছন থেকে প্যান্ট কামড়ে ধরে।
আচ্ছা বাপা পাখিদের সাথে ওর কি কোন আড়ি আছে?’
‘কেন বল তো?’
‘ওর জন্য বাগানে একটা কাক পর্যন্ত বসতে পারে না। সারাক্ষণ দাবড়ে নিয়ে বেড়ায়। আচ্ছা বাপা, তুমি কি টমের ঘেউ ঘেউ শুনতে পাচ্ছ?’
হো হো করে হাসলেন রওশন সাহেব, ‘হ্যাঁ শুনতে পাচ্ছি। তা টম কি তোমার ঘরে?’
‘ঘরেই তো। কিন্তু টম খুব জ্বালাচ্ছে। মামণি একটু আড়াল হলেই ও ঘরে ঢুকে আমার বই খাতা যা পায় তাই নিয়ে পালায়।’
এ সময় বুলা ঘরে ঢুকলো, ‘কার সাথে কথা বলছো?’
‘বাপার সাথে।’
‘দাও, আমাকে দাও।’
ছয়.
সাধারণত গাড়ির একটা হর্ন পেলেই গেট খুলে দেয় কাঞ্চন ভাই। কিন্তু তিন বার হর্ন দেয়ার পরও গেট খুললো না। সেকান্দার গাড়ি থেকে নেমে গেট খুললো। এশা একটু অবাক হলো। গাড়ি থেকে নামার আগেই প্রতিদিন দৌড়ে কাছে এসে ঘেউ ঘেউ শুরু করে দেয় টম। পেছনের দুই পায়ের ওপর ভর দিয়ে এশার হাত ছুঁতে চায়। ছুটাছুটি করে। লেজ দুলিয়ে, কান দু’টি একটু নাড়িয়ে কোলে উঠতে চায়। আজ টমও নেই। ব্যাপার কী?
এ সময় জমিলাবুর দেখা পাওয়া যায়, ‘আপা গো সর্বনাশ অইচে!’
ছ্যাৎ করে ওঠে এশার বুক। তারপর হড়বড় করে জমিলাবু যা জানালো, তার সারাংশ হলো, প্রতিদিনের মতো যে যার কাজ করছিলো। টম খেলছিল বাগানে। এ সময় পাড়ার একটা ডানপিটে ছেলে দেয়াল টপকে ঢুকে পড়ে বাগানে। আর যায় কোথায়! টম তার খেলা ফেলে তেড়ে যায় ছেলেটার দিকে। শুরু করে ঘেউ ঘেউ চিৎকার। বিষয়টা চোখে পড়ে কাঞ্চনের। কিন্তু কাছে যাওয়ার আগেই টমকে জোর করে ধরে দেয়াল টপকে হাওয়া হয়ে যায় ছেলেটি। কাঞ্চনের হাঁকডাকে ছুটে আসে জাকির। জমিলাবু। মা মণি। টমকে চুরি করে নিয়ে গেছে একটা বখাটে ছেলে। মামণি ভয়ানক রেগে গেলেন। এখন সেই টমকে উদ্ধারের জন্য ছুটে গেছে কাঞ্চন, জাকির। এমনকি মামণিও। তাও প্রায় ঘণ্টাখানেক হলো। তারপর আর কেউ ফিরে আসেনি।
মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে এশার। এশার প্রথমেই মনে হলো অভি ভাইয়ার কথা। কিন্তু ভাইয়া তো মৌচাকে স্কাউট জাম্বুরিতে গেছে। ফিরে আসতে আরও একদিন। এখন উপায়? গাড়ি-বারান্দায় গুম হয়ে বসে রইল এশা। হঠাৎ পুরো বাড়িটা শূন্য মনে হলো এশার। মনে হলো, ওর সব শেষ হয়ে গেছে। সব কিছু ফাঁকা ফাঁকা লাগতে শুরু করে।
বিদ্যুৎ ঝলকের মতো ওর মাথায় এলো এসপি মামার কথা।
অমনি ছুট টেলিফোনের কাছে।
‘মামা তুমি কোথায়?’
‘কেন’
‘মামা, তুমি তাড়াতাড়ি চলে আস। আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে?’
টেলিফোনের ওপার থেকে আঁৎকে ওঠেন মামা, ‘কী, কী হয়েছে!’
‘মামা, আমাদের টমকে চুরি করে নিয়ে গেছে পাড়ার একটা দুষ্টু ছেলে। তুমি তাড়াতাড়ি আস।’
‘টমটা কে?’
‘মামা আমাদের টমকে তুমি জানো না?’
‘না তো!’
‘মামা টম আমার জান। আমার কুকুর ছানা।’
‘ও তাই বল।’ মামা দম নেন।
‘মামা তুমি তাড়াতাড়ি আস। রাগে দুঃখে আমার কান্না পাচ্ছে।’
‘ঠিক আছে আসছি।’
টেলিফোন ছেড়ে আবার গাড়ি বারান্দায় চলে আসে এশা। গুম হয়ে বসে থাকে। মনে মনে বলে টমকে না পেলে আমি খাব না। স্কুলে যাব না। কথাও বলবো না। এভাবে কতক্ষণ কে জানে! হঠাৎ গেটের দিকে শোরগোল শুনে ঘোর কাটে এশার। দেখে পাড়ার লোকজন কথা বলতে বলতে তাদের বাসার দিকে এগিয়ে আসছে। একটা ছেলেকে কান ধরে টেনে আনছে কাঞ্চন ভাই। আর মা মনির কোলে টম। লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়ায় এশা।
মামণি কাছে এসে বললেন, ‘দেখ এই বদ ছোকড়াটা আমাদের টমের কী দশা করেছে। ওকে না খাইয়ে রেখেছে। নোংরা করে ফেলেছে।’
টম মা মনির কোল থেকে এশার দিকে তাকিয়ে ‘ঘেউ ঘেউ’ করে ওঠে।
খুশিতে ভেউ ভেউ করে কেঁদে ফেলে এশা।
এশার ফোন। ‘বাপা, তাড়াতাড়ি বাসায় আস।’
রওশন সাহেব বললেন, ‘ব্যাপার কী?’
‘সমস্যা।’
‘কী সমস্যা?’
‘গভীর সমস্যা।’
‘খুলে বল।’
‘আহ বাপা, খুব বিপদ। ক্রসফায়ার সমস্যা। বাসায় আস, তারপর সব শুনবে।’
রওশন সাহেবের অন্য কোথাও যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মেয়ের ফোন পেয়ে ঘরেই ফিরলেন।
দুই.
সারা বাড়ি অন্ধকার। আরও অন্ধকার মুখ করে গাড়ি-বারান্দায় চুপচাপ বসে আছে অভি আর এশা। এশার পাশে মারজান। মারজানের পাশে হৃদিতা। প্রসন্নী, নাফিসা, সুমাইয়া। অভির পাশে শামী। শামীর পাশে নাইম। তারপর ফাহিম, পিয়াস ও রাকিন। রীতিমত গোলটেবিল বৈঠক। পরিস্থিতি গুরুতরই তাহলে। রওশন সাহেবকে দেখে হাঁফ ছাড়ে সবাই। বারজন এক সাথে বলে ওঠে, ‘বাঁচলাম’!
সমস্যার মূলে একটা কুকুরছানা। অভি এশাদের হারম্যান মেইনার স্কুলের গেটের দক্ষিণ পাশে কিছুটা বাগান বাগান জায়গা আছে। মূল সড়ক আর কলেজের মাঝখানে। সেখানে ফুটপাথ ঘেঁষে কুই কুই করে কাঁদছিলো ছানাটি। গাড়ির হর্ন শুনলে কিংবা কাউকে দেখলেই ভয় পেয়ে দৌড়ে ঢুকে যাচ্ছিল ঝোপে। আবার একটু সাহস করে বেরিয়ে আসছিলো। কখনও ফুটপাথে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কাঁদে। স্কুল ছুটির পর গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে ছানাটি চোখে পড়ে অভির। সাদার মধ্যে হলুদ ডোরাকাটা দাগ। বাঘের কাছাকাছি প্রায়। অন্য কুকুর ছানার চাইতে বেশ আলাদা। দেখতে মিষ্টি।
বেশ কিছুক্ষণ বিষয়টা ফলো করে অভি। বুঝতে পারে মাকে হারিয়েছে সে। এখন ভয় পেয়ে গেছে। অন্য কুকুরের ভয়। গাড়ি চাপা পড়ার ভয়। কারোর ওপর নির্ভর করতে না পারার ভয়। নির্ভর করার মতো কাউকে না পাওয়ার ভয়। সব মিলিয়ে এক ধরনের অসহায়তায় ধুকপুক করছে।
টিফিন বক্স থেকে একটা কেক বের করে অভি। তু তু করে ডাকে। প্রথমে দেখতে পায়নি। তারপর হয়তো ইঙ্গিতটা বুঝতে পারে। দূর থেকে লোলুপ চোখে এগিয়ে আসে ছানাটি। কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকে অভির দিকে। অভিকে বোঝার চেষ্টা করে। অভি আবার তু তু করে খাবার দেখায়। এবার দ্বিধা বা সন্দেহ দূর হয় ছানাটির। অভির হাত থেকেই ছোট ছোট কামড়ে খেতে থাকে কেক। খাওয়া হয়ে যায়। কৃতজ্ঞতায় অভির হাতের আঙুল চাটতে থাকে। আর ছোট্ট লেজটি একটু একটু নাড়ে।
অভি বলে, ‘হ্যারে টোকাই তুই কি যাবি আমার সাথে’?
ছানাটি কিছু বলে না। খালি লেজ নাড়ে।
এর মধ্যে এশা চলে আসে। গাড়িও চলে আসে।
এশা বলে, ‘ভাইয়া, তুই কোথায় পেলি ওকে? ভারি সুন্দর তো’।
অভি বললো, ‘পেলাম তো এখানে। মা হারা। খুব ক্ষুধার্ত ছিল। এখন কী করি বলতো?’
এভাবে এক মিনিট। তারপর ঝট করে কুকুর ছানাটিকে কোলে তুলে নেয় অভি। চলে আসে বাড়িতে।
প্রথমে অভি আর এশা ভেবেছিল কিছুদিন লুকিয়ে রাখবে গ্যারাজে। কিন্তু ড্রাইভার সেকেন্দার ঘণ্টাখানিকের মধ্যে সব ফাঁস করে দেয়। এমনি ফোঁস করে ওঠেন মা।
‘কি পথের কুকুর কোলে করে এনেছ বাড়িতে? আমার গাড়িতে চড়িয়ে! ছি ছি ছি …!’
এক্ষুনি দূর কর এ আপদ।’
মা হাঁকলেন, ‘কাঞ্চন!’
কাঞ্চনের সাথে সাথে এলো জাকির। জাকিরের পেছনে জমিলা বু।
মা বললেন, ‘এই কুত্তার বাচ্চাটাকে রাস্তায় ফেলে দিয়ে আয়। আর অভি আর এশাকে ডেটল গোলা পানিতে চুবিয়ে রাখ।’
অভি বললো, ‘মা প্লিজ। একটা কথা শোন।’
মা বললেন, ‘না, কোন কথা নয়। পথের কুকুর বাসায় থাকবে এ হতে পারে না। সবাই জলাতঙ্ক রোগে মরবো নাকি?’
এশা বললো, ‘মামণি তুমি কিন্তু খুব অন্যায় করছো।’
‘কিসের অন্যায়?’
‘একটা অসহায় কুকুর ছানা, রাস্তায় পড়ে পড়ে কাঁদছিলো।’
‘কাঁদছিলো বেশ করছিলো। তাই বলে বাসায় নিয়ে আসতে হবে। তাও আবার কোলে করে ! ছি ছি ছি!’
মা দড়াম করে দরোজা বন্ধ করে দিলেন। দুই ভাইবোন গালে হাত দিয়ে বসে রইল গাড়ি-বারান্দায়। কুকুর ছানা তো এত সব হাঙ্গামা বোঝে না। সে কতক্ষণ অভির গাল চাটে। কতক্ষণ এশার ওড়নার প্রান্ত নিয়ে খেলা করে। আবার বাগানে প্রজাপতি দেখে লাফিয়ে লাফিয়ে ছোটে সেটার পেছনে।
অভি আর এশা তাদের সব বন্ধুকে খবর দিল। যে যেখানে আছিস ছুটে যায় । বিপদে পড়েছি।
মা চাচ্ছেন কুকুরমুক্ত বাড়ি।
আমরা চাচ্ছি কুকুরযুক্ত বাড়ি।
বন্ধুরা সমস্যার কূলকিনারা করতে হিমশিম খাচ্ছে।
তোদের আব্বুকে খবর দে। তার আগে গোলটেবিলের সিদ্ধান্ত কুকুরটার একটা নাম ঠিক করা দরকার। বারবার কুকুরছানা কুকুরছানা শুনতে ভাল লাগছে না। আর আজকের এই বৈঠকেরও একটা শিরোনাম চাই।
অনেক ভেবেচিন্তে বৈঠকের শিরোনাম রাখা হলো ‘টম’ রক্ষা আন্দোলন : আজকের করণীয়’।
হৃদিতা বললো, ‘ওর নাম জ্যাক।’
নাফিসা বললো, ‘না, জ্যাক নয় ও জন।’
শামী বললো, ‘ওর নাম রাখ পথকলি।’
মারজান তো হেসেই খুন।
‘না ওর নাম রাখ বাঘা। বাঘা মিয়া।’
প্রসন্নী বললো, ‘কী যে বল, কুকুরের নাম বাঘা হয় কী করে? ওর নাম রাখো ওয়েস্ট লাইফ।’
রাকিন বললো ওয়েস্ট লাইফ! ধ্যাস!’
সুমাইয়া, পিয়াস, পিয়াল একসাথে রে রে করে উঠলো, ‘এত সুন্দর একটা কুকুর ছানার এ রকম পচা নাম হতে পারে না। সবাই, তাহলে….’
এশা বললো, তাহলে ওর নাম হতে পারে ‘টম’। রাজশাহীর ‘টম টম’ থেকে একটা ‘টম’।
আর আঙ্কেল টমস কেবিন থেকে ও ধার নেয়া হবে।’
শামী বললো, ‘কুকুরের নাম টম না, ওর নাম রাখ ‘টং’। ও যেন সব সময় রেগে টং হয়ে থাকে।’
মারজান বললো, ‘তাহলে তুমি হবে ওর হিজ মাস্টার্স ভয়েজ।’
আরও বহু গবেষণা হলো। আলাপ হলো।
ভোট হলো। ‘টম’ জিতে গেল।
তিন.
আজ। চমৎকার রান্না।’
বুলার মুখে কোন কথা নেই।
রওশন সাহেব বললেন, ‘যাই বলো বুলা…।’
মুখের কথা কেড়ে নিয়ে বুলা বললেন, ‘দ্যাখো। আমি তোমাকে সাফ সাফ বলে দিচ্ছি। আমার বাসায় আমি পথের কুকুর অ্যালাও করবো না।’
এক সঙ্গে গলায় ভাত আটকে যায় অভি ও এশার। সাহায্য চাওয়া চোখে দু’জন তাকায় রওশন সাহেবের দিকে।
রওশন সাহেব বললেন, ‘ভালো কথা। ঠিকই তো। পথের কুকুর বাসায় থাকবে তা কি হয়। বিলাতি টিলাতি হলে তাও কথা ছিল। একেবারে নেড়ি কুকুরের বাচ্চা।’
হাল ছেড়ে দেয় অভি ও এশা। ডাইনিং টেবিলের চারদিকে নামে পিনপতন নীরবতা। কেবল খাওয়ার শব্দ। হঠাৎ খাওয়া বন্ধ করে রওশন সাহেব বলেন, ‘তবে কুকুরের কিন্তু অনেক প্রতিশব্দ আছে। জানো?’
এশা চাপা গলায় বললো, ‘বাপা…’
রওশন সাহেব বললেন, ‘সারমেয়, শ্বা, কুক্কুর, শুন, শুনি, বৃকারী, কালেয়ক, ভষণ, ভষক, শয়ালু শব্দগুলো কিন্তু কুকুরকেই বোঝায়’।
বুলা বললেন, ‘সে তো বুঝলাম, কিন্তু এ আপদ কি তুমি গ্যারাজে রাখতে বলেছ?’
রওশন সাহেব বললেন, ‘হ্যাঁ, না, তা হয়তো বলেছি। কিন্তু বলার পেছনে আছে একটা ইতিহাস। আছে ঐতিহ্য। মানুষের সবচেয়ে বড় সমস্যা, সে ইতিহাস সৃষ্টি করে। কিন্তু ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে না। এই ভুলের যাতে পুনরাবৃত্তি না হয় সেই জন্য কুকুরের গ্যারাজবাসের সিদ্ধান্ত।’
বুলা বললেন, ‘দ্যাখ চ্যান্স পেলেই তুমি এই যে জ্ঞান দান করÑ এ কিন্তু আমার অসহ্য। গা জ্বলে যায়।’
রওশন সাহেব বললেন, ‘মানে তা ঠিক নয়। এ হলো ইতিহাস। সত্যিকারের ইতিহাস’।
বুলা বললেন, ‘রাখো তোমার ইতিহাস।’
রওশন সাহেব গলা কেশে বললেন, ‘শোনাই না। একটু মন দাও। বন্য প্রাণীর মধ্যে যে প্রাণী সেই মধ্যপ্রস্তর যুগে মানুষের কাছে এসেছিল, মানুষকে ভালোবেসেছিল সে কিন্তু কুকুর। অন্য কোন প্রাণী নয়। ব্যাপকভাবে মানুষ কুকুর প্রতিবেশী, বন্ধু হয়ে ওঠার আক্ষরিক বয়সও ১৪০০০ বছরের কম নয়। এই যে চৌদ্দ হাজার বছরÑ সেই থেকেই এরা পরস্পরকে সাহায্য করে এসেছে। কুরআন শরীফে আসহাবে কাহাফের যে কাহিনী, সেখানেও কিন্তু গুহাবাসীদের সাথে ঘুমিয়ে আছে অত্যন্ত প্রভুভক্ত সাহসী একটি কুকুর। বলা হয়, এদের ঘুম পৃথিবীর ধ্বংসের দিন ভাঙবে।
‘মহাভারত’ একটা বিখ্যাত মহাকাব্য। এই মহাকাব্যের অন্যতম নায়ক যুধিষ্ঠির। দেবরাজ ইন্দ্র এসে বললেন, রথ প্রস্তুত। এতে চড়ে আপনি এখন স্বর্গে চলে যান।’
যুধিষ্ঠির তার কুকুরটিকে নিয়ে রথে উঠতে গেলেন।
ইন্দ্র বললেন, ‘না, না, কুকুর তো স্বর্গে যেতে পারবে না
যুধিষ্ঠির বললো, ‘প্রিয় কুকুর ছাড়া আমিও যাচ্ছি না।’
অগত্যা কুকুরসহ যুধিষ্ঠিরকে রথে চাপাতে বাধ্য হলেন ইন্দ্র।’
বুলা বললো,‘ এই সব কাহিনী আমাকে শোনানোর অর্থ কী?’
‘অর্থ এমন কিছু নয়। শুধু এই কথাগুলি বলা যে, কুকুর খুব প্রভুভক্ত প্রাণী। কোনক্রমেই প্রভুর বিরুদ্ধে কোন কাজ তাকে দিয়ে করানো সম্ভব নয়। কুকুর অতি সহজে পোষ মানে। এদের মধ্যে কোন পাপচিন্তা নেই। গৃহপালিত কুকুর সবসময় সাহস, বল, বুদ্ধিবৃত্তি নিয়ে প্রভুর উপকার করে। একটি কুকুর একটি দারোয়ানের কাজ করে। এরা অনেক খেতে পারে। কিন্তু সামান্য কিছু পেলেই খুশি হয়। কুকুরের ঘ্রাণ শক্তি খুব তীব্র। দৌড়েও এদের দক্ষতা অনেক। এরা প্রভুর জন্য শিকার ধরে দেয়। শিকার করে দেয়।’
অভি ঘাড় নিচু করে খেতে খেতেই বললো, ‘বাপা তুমি লাইকার কথা শুনেছো?’
এশা বললো, ‘এ তো আমিই জানি। লাইকা হলো পৃথিবীর একমাত্র কুকুর যে রকেটে চড়ে মহাকাশ ভ্রমণ করেছে এটি ছিল একটি রুশ কুকুর ।’
অভি বললো, ‘ভেরি গুড।’
রওশন সাহেব বললেন, ‘কুকুরের আরও গুণের কথা বলি। কুকুর সিসমোগ্রাফের আগেই ভূমিকম্পের পূর্বাভাস দিতে পারে।’
অভি বললো, ‘আমার স্যার বলেছেন কুকুর নাকি ভূতদের দেখতে পায়?’
‘ঠিক দেখতে পায় কি না জানি না। তবে ধারণা করা হয় কুকুর অতনু বা অশরীরীদের উপস্থিতি টের পায়। এরকম একটি গল্প আছে আর্চিবল্ড বাটলেজ এর লেখা ‘ক্রাইম মিস্ট্রি অ্যান্ড ডিটেকশন’ বইয়ে। অতএব…’
এশা বললো, ‘মামনি ওকে প্রতিদিন শ্যাম্পু করে গোসল করানোর দায়িত্ব আমার’।
অভি বললো, ‘ওকে বাইরে নিয়ে টয়লেট করানোর অভ্যাস করার ভার আমার’।
রওশন সাহেব বললো, ‘আর পশু হাসপাতাল থেকে জলাতঙ্কের ইনজেকশন দিয়ে আনার কাজটি করছি আমি। এতএব……’
এশা বললো, ‘মামণি, আমার সত্যিই সোনা’
অভি বললো, ‘অতএব….’
তিনজনে জোড় হাতে বুলার দিকে তাকিয়ে।
বুলার মন তবু গলে না, ‘যা খুশি কর। তবে ওটাকে আমি ঘরে ঢুকতে দিচ্ছি না।’
তিনজন একসঙ্গে ‘হিপ হিপ হুররে……’
বুলা ধমকে ওঠেন, ‘অনেক হয়েছে। এবার টেবিল ছাড়’।
গ্যারেজ থেকে টমের ছোট হঙ্কার শোনা গেল, ‘ঘেউ ঘেউ ঘেউ’।
চার.
এশা আর অভি স্কুলে গিয়ে অবাক! স্কুলে সবার মুখে মুখে টমের কাহিনী। টিফিন আওয়ারে হৃদিতা বললো, ‘হ্যারে, তোর আম্মুর মাথা ঠাণ্ডা হয়েছে?’
মারজান বললো, ‘যা ভয় পেয়েছিলাম!’
শামী বললো, ‘অভির ফোন পেয়ে ভেবেছিলাম না জানি কী হয়েছে। গিয়ে দেখি কুকুরকাণ্ড! তা যাই বলিস, তোর আম্মুর রণরঙ্গিনী ভাবসাব দেখে ভাবছিলাম পালাই।’
রাকিন বললো, ‘কিন্তু আমার বেশ মজাই লাগছিলো।’
নাইম বললো, ‘তা তো লাগবেই। জন্মদিনে তোকে যে একটা কী কলম উপহার দিয়েছিল নাÑ সেই জন্য।’
রাকিন বললো, ‘মোটেই না।’
এশা বললো, ‘এর মধ্যে এক কাণ্ড। মামণির তো সকালে ওঠার অভ্যাস। তারপর বাগানে কিছুক্ষণ পায়চারি করেন। আজও করছিলেন। টম যে কখন মামণির পেছনে পেছনে হাঁটছিলো টেরই পাননি। তারপর মামণি থামলে পায়ের ওপর গিয়ে বসে, গায়ের সাথে গা লাগিয়েছে। আর যায় কোথায়? চিৎকার চেঁচামেচি। আমার শাড়ি নষ্ট হলো! ওজু নষ্ট হলো! ইত্যাদি ইত্যাদি। লাফিয়ে চলে আসে বারান্দায়। টমও এক লাফে বারান্দায়। মামণি ঢুকেছে ঘরে। টমও দৌড়ে ঢুকে পড়েছে ঘরে। মামণি যেদিকে যেদিকে যায় টমও সেদিকে সেদিকে যায়। যা হাউ কাউ।’
হাসির হররা ছড়িয়ে পড়ে ডাইনিং স্পেস থেকে টানা বারান্দায়।
নাইম বললো, ‘যাই বলিস তোর মামণি একটা জিনিস।’
অঙ্ক স্যার ক্লাসে ঢুকেই, ‘ক্লাসে এতো হাসাহাসি হচ্ছে কেন?’
সুমাইয়া বললো, ‘স্যার এশারা একটা কুকুর ছানা কুড়িয়ে পেয়েছে। তাই নিয়ে ওদের বাসায় যা গণ্ডগোল!’
স্যার বললেন, গণ্ডগোলের কী আছে? ভালো তো, ওটাকে এখন ট্রেনিং দিয়ে নাও।’
মারজান বললো, ‘স্যার কুকুর আপনি পছন্দ করেন?’
‘পছন্দ করবো না কেন? তবে আদিখ্যেতা ভালো লাগে না।’
প্রসন্নী বললো, ‘স্যার কুকুর নিয়ে ভালো একটা গেম পাওয়া যায় ‘ডেড টু রাইড।’ আপনি কি দেখেছেন?’
স্যার বললেন, ওসব গেম টেম আমি দেখিনি। তবে কুকুর কী করে মানুষের পোষ মানলো, বন্ধু হলো, তার একটা গল্প আছে মনিপুরের নাগা উপজাতির মধ্যে। সেটা জানি।’
নাফিসা বললো, ‘স্যার গল্পটা বলুন না!’
‘অংকের ক্লাসে কুকুরের গল্প!’
সবাই সমস্বরে বললো, ‘বলুন না স্যার।’
স্যার চক ডাস্টার টেবিলে রেখে চেয়ারে বসলেন, ‘ঠিক আছে শোনো। এটা কিন্তু নিছক একটা গল্প। সে কবেকার কথা কে জানে। গহিন বনের ধারে একটা স্ত্রী কুকুর তার ছোট ছোট দু’টি বাচ্ছা নিয়ে বাস করতো। বাচ্চা দুটো যখন কেবল একটু বড় হয়েছে, সেই সময় একটা পাগলা হরিণ একদিন ওদের মাকে শিং দিয়ে গুতিয়ে মেরে ফেলে। বাচ্চা দু’টি এতে খুব ব্যথা পেল। এখন কে তাদের খাওয়াবে? কে দেখবে? তারা মনে মনে প্রতিজ্ঞা করলো, এই অন্যায়ের শোধ তারা নেবে। কিন্তু কি ভাবে? তারা তো ছোট। ঘুরতে ঘুরতে তারা একদিন এক শক্তিশালী হাতির কাছে গেল। সব খুলে বললো। হাতি হরিণটিকে শাস্তি দিতে রাজি হলো। খুশি হয়ে দুই বাচ্চা কুকুর ‘ঘেউ ঘেউ’ করে ডেকে উঠলো। কিন্তু হাতি এতে বিরক্ত হলো। কারণ এই আওয়াজ শুনে যে কোন সময় বাঘ কিংবা সিংহ চলে আসতে পারে। তাহলে সবার জীবনই বিপন্ন হবে। হাতি রাগ করে ছোট কুকুর দু’টিকে তাড়িয়ে দিল।
খুব মন খারাপ করে দুই ভাই গেল এবার এক বাঘের কাছে। মাতৃ হত্যার প্রতিশোধ নিতে বাঘের সাহায্য চাইল। সব শুনে বাঘ ধীর স্থিরভাবে সম্মতি জানালো। মা হারা দুই কুকুর ছানা এবারও খুশি হয়ে ঘেউ ঘেউ করে ডেকে উঠলো। তাদের ঘেউ ঘেউ শুনে বাঘ গেল ভয় পেয়ে। সে ভাবলো, ‘সেরেছে, এরা দেখি আমাকে বিপদে ফেলে দেবে। এই ডাকাডাকি শুনে যে কোন মুহূর্তে মানুষ চলে আসতে পারে। এলেই বিপদ। মানুষ তাকে মেরে ফেলতে পারে। অনেক ভেবে টেবে বাঘ বললো, ‘এ কাজ আমি পারবো না। তোমরা এখন চলে যেতে পার।’
মনের দুঃখে দু’ভাই চিরদিনের জন্য বন ত্যাগ করে এক গ্রামে চলে এল। গ্রামের বাইরে এক প্রাচীন বটগাছের তলায় বসে বসে কাঁদতে লাগলো দু’ভাই। সেসময় সেখান দিয়ে যাচ্ছিলেন একজন মানুষ। তার খুব মায়া হলো। সে কুকুরছানা দুটিকে বাড়ি নিয়ে এলো। আদর করে খাবার দিল। ক্ষুধার্ত ছানা দু’টি বহুদিন পর পেট পুরে খেল।
তারপর মানুষটি জানতে চাইলো, তারা কাঁদছিলো কেন?
ছানা দু’টি তাদের সকল কাহিনী মানুষটিকে বললো। মানুষটি সব শুনে অত্যন্ত সহানুভূতির সাথে বললো, নিশ্চয়ই আমি তোমাদের সাহায্য করবো। এই খুনের প্রতিশোধ নেব। কুকুর ছানা দু’টির সাথে কোনদিন কেউ এত ভালো ব্যবহার করেনি। ফলে খুশি হয়ে ঘেউ ঘেউ করে কৃতজ্ঞতা জানালো। ছানা দু’টি আরও একটু বড় হলো। তারা সারা বাড়ি ঘুরে বেড়ায়। রাত জেগে মানুষটির বাড়ি পাহারা দেয়। অস্বাভাবিক কোন কিছু দেখলেই চিৎকার শুরু করে। শিয়ালদের তাড়িয়ে মানুষটির মুরগি রক্ষা করে। মানুষটি কখনও কোন খাবার দিলে পা চেটে, লেজ নেড়ে ধন্যবাদ জানায়। এতে ওদের প্রতি মানুষটি আরও খুশি হলো। ধীরে ধীরে কুকুর ছানা দু’টি বড় হলো। হলো আরও সাহসী। আরও বিনয়ী। তারা মানুষের সমাজে বসবাসে অভ্যস্ত হয়ে উঠলো।
দিন যায় মাস যায়। কুকুর দু’টি কিন্তু তাদের প্রতিজ্ঞার কথা ভোলেনি। তারা আবার একদিন মানুষটিকে সে কথা মনে করিয়ে দিল।
মানুষটি বললো, ‘তাইতো, অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে। চল বনে যাই। পাগল হরিণটিকে খুঁজে বের করি।’
একদিন কুকুর দু’টিকে নিয়ে মানুষটি বনে গেল শিকারে। বনের এদিকে ওদিকে অনেক ঘুরাঘুরি করে অবশেষে কুকুর দু’টি সেই হরিণটাকে খুঁজে পেল। মানুষটি বল্লম হাতে নিয়ে ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে রইল। আর কুকুর দু’টি তীর বেগে হরিণটিকে তাড়া করলো। কুকুর দু’টির তাড়া খেয়ে হরিণটি ওই ঝোপের কাছ দিয়ে ছুটে পালাচ্ছিল। সেই সময় মানুষটি তার হাতের বল্লম ছুড়ে হরিণটিকে মেরে ফেললো।
কুকুর দু’টি এই ঘটনায় লেজ নেড়ে নেড়ে মানুষটিকে কৃতজ্ঞতা জানালো। এরপর মানুষের সাথে কুকুরের বন্ধুত্ব আরও বেড়ে গেল। কুকুর দু’টি মানুষের সঙ্গে বসবাস করতে রাজি হয়ে গেল। তারা আর বনে ফিরে গেল না।’
সেই থেকে কুকুররা মানুষের সাথে থাকে। মানুষ তাদের আদর করে। বিনিময়ে মানুষের অনেক উপকার করে কুকুর।’
স্যার বললেন, ‘আমার গল্প শেষ।’
এর মধ্যেই ঢং ঢং। ক্লাস শেষের ঘণ্টা বাজালো।
পাঁচ.
নিউইর্য়ক থেকে রওশন সাহেবের ফোন পেয়ে মহাখুশি এশা, ‘বাপা তুমি ভালো আছো তো?’
‘হ্যাঁ। খুব ভালো আছি। এই কিছুক্ষণ আগে এসে পৌঁছুলাম।’
‘তোমার সেমিনার কখন?’
‘আগামীকাল। তা তোরা ভালো তো সবাই?’
‘হ্যাঁ বাপা।’
‘অভি কোথায়?’
‘ভাইয়া গেছে শামী ভাইয়াদের বাসায়। শামী ভাইয়ার জন্মদিন তো তাই। আজ রাতে ওখানেই থাকবে।’
‘তাহলে দেখা যাচ্ছে অভি বড় হয়ে গেছে। এখন একা একা বাইরে থাকতে পারে।’
‘আচ্ছা বাপা তোমার সেমিনার কী নিয়ে?’
‘এটা আমার একলার সেমিনার নয়। এটা হলো সব দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে। এর প্রধান লক্ষ্য হলো কী করে আমরা আমাদের এই পৃথিবীকে আরও সুন্দর করতে পারি-তাই নিয়ে।
এটা মূলত পরিবেশ বিষয়ক একটা বিশ্ব সেমিনার।’
‘আচ্ছ বাপা, তুমি কি স্ট্যাচু অব লিবার্টি দেখতে যাবে?’
‘হ্যাঁ, যাব।’
‘তাহলে আমার জন্য অনেক ভিউকার্ড নিয়ে আসবে। আর তোমার ছবি চাই স্ট্যাচু অব লিবার্টির সাথে।’
‘মঞ্জুর। তা মামণি কোথায়?’
‘মামণিকে দিচ্ছি। তার আগে শোন কুকুর নিয়ে অনেক মজার মজার ছবি আছে ওদেশে। মুভি। বুঝেছ! তাই বলে আর ‘স্কুবিডু’ নয়। নিয়ে এস টমের জন্য।’
‘তা টম কী করছে?’
‘টম যা পাজি হয়েছে বাপা তুমি জানো না। কাল কি করেছে শোন। স্কুলে যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছি। আমার স্কুল সু-এর এক পাটি পায়ে দিয়েছি। অন্য পাটি মুখে নিয়ে টম হাওয়া। আমি কিছুতেই ধরতে পারি না। শেষে কাঞ্চন ভাই ওকে ধরেছে। কিন্তু সু যে কামড়ে ধরেছে। কিছুতেই ছাড়বে না। কি করি বলো তো!
তারপর আমার একটা মিমির খাওয়ার লোভ দেখিয়ে সু পেলাম। ভ্যাগ্যিস মামণি কাছে ছিল না! থাকলে ঘরে ঢোকার শাস্তি পেত নির্ঘাত।
‘তাহলে তো বেশ পাজি হয়েছে!’
‘খালি পাজি নয়। পাপাঝা! পাজির পা ঝাড়া। ভাইয়ার পড়ার টেবিল সবসময় এলোমেলো করে দেয়। ক্রিকেটের বল নিয়ে খামাখা ছুটাছুটি করে। পেছন থেকে প্যান্ট কামড়ে ধরে।
আচ্ছা বাপা পাখিদের সাথে ওর কি কোন আড়ি আছে?’
‘কেন বল তো?’
‘ওর জন্য বাগানে একটা কাক পর্যন্ত বসতে পারে না। সারাক্ষণ দাবড়ে নিয়ে বেড়ায়। আচ্ছা বাপা, তুমি কি টমের ঘেউ ঘেউ শুনতে পাচ্ছ?’
হো হো করে হাসলেন রওশন সাহেব, ‘হ্যাঁ শুনতে পাচ্ছি। তা টম কি তোমার ঘরে?’
‘ঘরেই তো। কিন্তু টম খুব জ্বালাচ্ছে। মামণি একটু আড়াল হলেই ও ঘরে ঢুকে আমার বই খাতা যা পায় তাই নিয়ে পালায়।’
এ সময় বুলা ঘরে ঢুকলো, ‘কার সাথে কথা বলছো?’
‘বাপার সাথে।’
‘দাও, আমাকে দাও।’
ছয়.
সাধারণত গাড়ির একটা হর্ন পেলেই গেট খুলে দেয় কাঞ্চন ভাই। কিন্তু তিন বার হর্ন দেয়ার পরও গেট খুললো না। সেকান্দার গাড়ি থেকে নেমে গেট খুললো। এশা একটু অবাক হলো। গাড়ি থেকে নামার আগেই প্রতিদিন দৌড়ে কাছে এসে ঘেউ ঘেউ শুরু করে দেয় টম। পেছনের দুই পায়ের ওপর ভর দিয়ে এশার হাত ছুঁতে চায়। ছুটাছুটি করে। লেজ দুলিয়ে, কান দু’টি একটু নাড়িয়ে কোলে উঠতে চায়। আজ টমও নেই। ব্যাপার কী?
এ সময় জমিলাবুর দেখা পাওয়া যায়, ‘আপা গো সর্বনাশ অইচে!’
ছ্যাৎ করে ওঠে এশার বুক। তারপর হড়বড় করে জমিলাবু যা জানালো, তার সারাংশ হলো, প্রতিদিনের মতো যে যার কাজ করছিলো। টম খেলছিল বাগানে। এ সময় পাড়ার একটা ডানপিটে ছেলে দেয়াল টপকে ঢুকে পড়ে বাগানে। আর যায় কোথায়! টম তার খেলা ফেলে তেড়ে যায় ছেলেটার দিকে। শুরু করে ঘেউ ঘেউ চিৎকার। বিষয়টা চোখে পড়ে কাঞ্চনের। কিন্তু কাছে যাওয়ার আগেই টমকে জোর করে ধরে দেয়াল টপকে হাওয়া হয়ে যায় ছেলেটি। কাঞ্চনের হাঁকডাকে ছুটে আসে জাকির। জমিলাবু। মা মণি। টমকে চুরি করে নিয়ে গেছে একটা বখাটে ছেলে। মামণি ভয়ানক রেগে গেলেন। এখন সেই টমকে উদ্ধারের জন্য ছুটে গেছে কাঞ্চন, জাকির। এমনকি মামণিও। তাও প্রায় ঘণ্টাখানেক হলো। তারপর আর কেউ ফিরে আসেনি।
মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়ে এশার। এশার প্রথমেই মনে হলো অভি ভাইয়ার কথা। কিন্তু ভাইয়া তো মৌচাকে স্কাউট জাম্বুরিতে গেছে। ফিরে আসতে আরও একদিন। এখন উপায়? গাড়ি-বারান্দায় গুম হয়ে বসে রইল এশা। হঠাৎ পুরো বাড়িটা শূন্য মনে হলো এশার। মনে হলো, ওর সব শেষ হয়ে গেছে। সব কিছু ফাঁকা ফাঁকা লাগতে শুরু করে।
বিদ্যুৎ ঝলকের মতো ওর মাথায় এলো এসপি মামার কথা।
অমনি ছুট টেলিফোনের কাছে।
‘মামা তুমি কোথায়?’
‘কেন’
‘মামা, তুমি তাড়াতাড়ি চলে আস। আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে?’
টেলিফোনের ওপার থেকে আঁৎকে ওঠেন মামা, ‘কী, কী হয়েছে!’
‘মামা, আমাদের টমকে চুরি করে নিয়ে গেছে পাড়ার একটা দুষ্টু ছেলে। তুমি তাড়াতাড়ি আস।’
‘টমটা কে?’
‘মামা আমাদের টমকে তুমি জানো না?’
‘না তো!’
‘মামা টম আমার জান। আমার কুকুর ছানা।’
‘ও তাই বল।’ মামা দম নেন।
‘মামা তুমি তাড়াতাড়ি আস। রাগে দুঃখে আমার কান্না পাচ্ছে।’
‘ঠিক আছে আসছি।’
টেলিফোন ছেড়ে আবার গাড়ি বারান্দায় চলে আসে এশা। গুম হয়ে বসে থাকে। মনে মনে বলে টমকে না পেলে আমি খাব না। স্কুলে যাব না। কথাও বলবো না। এভাবে কতক্ষণ কে জানে! হঠাৎ গেটের দিকে শোরগোল শুনে ঘোর কাটে এশার। দেখে পাড়ার লোকজন কথা বলতে বলতে তাদের বাসার দিকে এগিয়ে আসছে। একটা ছেলেকে কান ধরে টেনে আনছে কাঞ্চন ভাই। আর মা মনির কোলে টম। লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়ায় এশা।
মামণি কাছে এসে বললেন, ‘দেখ এই বদ ছোকড়াটা আমাদের টমের কী দশা করেছে। ওকে না খাইয়ে রেখেছে। নোংরা করে ফেলেছে।’
টম মা মনির কোল থেকে এশার দিকে তাকিয়ে ‘ঘেউ ঘেউ’ করে ওঠে।
খুশিতে ভেউ ভেউ করে কেঁদে ফেলে এশা।
============================
মানসভ্রমণ- 'বেলবটম, পা ইত্যাদি' by আফজাল হোসেন স্মরণ- 'আবদুল মান্নান সৈয়দ এক প্রসন্ন কল্লোল' পল্লীভ্রমণ: 'দ্বীপ মনপুরার টানে' by মৃত্যুঞ্জয় রায় তিনটি কবিতা by ওমর শামস কবিতাত্রয়ী by টোকন ঠাকুর ও কামরুজ্জামান কামু কবিতা- 'নিরাকারের মুখ' by সৈয়দ তারিক ছয়টি কবিতা' by গোলাম কিবরিয়া পিনু কবিতা- 'স্বর্ণজল্লাদ' by পিয়াস মজিদ কয়েক'টি কবিতা- by শামসেত তাবরেজী ও আলতাফ হোসেন গদ্য কবিতা- 'ব্রহ্মাণ্ডের ইসকুল' by শামীম রেজা কবিতা- 'সেরগেই এসেনিন বলছে' by আবদুল মান্নান সৈয়দ কবিতা-মোহাম্মদ রফিক এর কপিলা থেকে ও অঙ্গীকার প্রবন্ধ- 'রবীন্দ্রজন্মের দেড়শ বছর “একজন তৃতীয় সারি প্রবন্ধ- 'নজরুলের কবিতা: ভাবনা-বেদনা' by আবদুল মান্নান সৈয়দ প্রবন্ধ- 'কবিতা, মানবজাতির মাতৃভাষা' by মাসুদ খান আহমদ ছফার অগ্রন্থিত রচনা কর্ণফুলীর ধারে গল্প- 'পান্নালালের বাস্তু' by সিউতি সবুর গল্পিকা- 'সেল প্রেম' by আবদুশ শাকুর উপন্যাস- 'রৌরব' by লীসা গাজী »»» (পর্ব-এক) # (পর্ব-দুই) # (পর্ব-তিন) # (পর্ব-চার শেষ)
কিশোরকন্ঠ এর সৌজন্যে
লেখকঃ আবদুল হাই শিকদার
এই উপন্যাস'টি পড়া হয়েছে...
লেখকঃ আবদুল হাই শিকদার
এই উপন্যাস'টি পড়া হয়েছে...
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
October
(964)
-
▼
Oct 20
(42)
- কিশোর উপন্যাস- সূর্যোদয়ের দিনে by জুবাইদা গুলশান আরা
- কিশোর উপন্যাস- জোলা পালোয়ান by আতা সরকার
- কিশোর উপন্যাস- 'আমাদের টম কে জানো' by আবদুল হাই শি...
- মানসভ্রমণ- 'বেলবটম, পা ইত্যাদি' by আফজাল হোসেন
- স্মরণ- 'আবদুল মান্নান সৈয়দ এক প্রসন্ন কল্লোল' by শ...
- পল্লীভ্রমণ: 'দ্বীপ মনপুরার টানে' by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- তিনটি কবিতা by ওমর শামস
- কবিতাত্রয়ী by টোকন ঠাকুর ও কামরুজ্জামান কামু
- কবিতা- 'নিরাকারের মুখ' by সৈয়দ তারিক
- ছয়টি কবিতা' by গোলাম কিবরিয়া পিনু
- পুলিশ ও মিডিয়া by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- জুমকন্যার কাছে by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- সহস্রাব্দের উন্নয়ন ধুমধাম ধামাকা by মুহাম্মদ হাবিব...
- আর্কটিকের জ্বালানি-সম্পদকেন্দ্রিক দ্বন্দ্ব by ড. প...
- লবণচাষিদের সমস্যা
- ডিসিসি নির্বাচন
- হামলার স্থান পরিদর্শনে আপত্তি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের
- দেশে তৈরি চালকবিহীন বিমানের পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত
- মানব অস্তিত্ব রক্ষায় প্রাণী-উদ্ভিদের বিলুপ্তি ঠেকা...
- পাকিস্তানে আরামে আছেন লাদেন
- মেগির আঘাতে ফিলিপাইনের উপকূল লন্ডভন্ড
- অনেক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে
- ইরাক যুদ্ধের গোপন দলিল প্রকাশ করছে উইকিলিকস
- প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার মামলার শুনানি মুলতবি
- আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা বেড়েছে
- বিদ্যুৎ নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতার দায় ৫০ বছর পর্যন্ত বহ...
- আর্থিক বাজারে ঋণমান আবশ্যক করার সুপারিশ
- পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন ...
- তিনটি প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ ঘোষণা
- স্যামির হাতে গেইলের মশাল
- ওয়ানডে শুরু ২৩ অক্টোবর
- ছোট পর্দায়
- ‘লয়েড’ ওয়ার্নার
- যে কাউকেই আমরা হারাতে পারি
- বেদনার রাতে প্রতিশোধেরও আগুন
- ম্যানইউ ছেড়ে রিয়ালে রুনি
- তিন ‘ভাই’য়ের ড্র
- বিসিবিতে সিরিজ জয়ের উৎসব
- পাকিস্তান দলে যুক্ত হলেন শাহজাইব ও রিয়াজ
- আইসিসির র্যাঙ্কিং নিয়ে হাসির প্রশ্ন
- কবিতা- 'স্বর্ণজল্লাদ' by পিয়াস মজিদ
- কয়েক'টি কবিতা- by শামসেত তাবরেজী ও আলতাফ হোসেন
-
▼
Oct 20
(42)
-
▼
October
(964)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment