Wednesday, October 20, 2010
কিশোর উপন্যাস- জোলা পালোয়ান by আতা সরকার
কিশোর উপন্যাস- জোলা পালোয়ান by আতা সরকার

তার পরও তো দু’জনের পেটের খোরাক জোগাড় করতে হয়। তাই জোলা কালে-ভদ্রে কখনো কখনো কাজ কর্মে যায়। কাজের মধ্যে কাজ হলো মাছ ধরার জাল হাটে হাটে বিক্রি করা। জালটা অবশ্য জোলা বোনে না। জাল বোনার কাজ ছমিরনকেই করতে হয়। ডাল ভাত রান্না, ঘর-গেরস্থালির কাজ কোন কিছুই বাদ নেই।
বশিরের
মেজাজ খুবই কড়া। এর এদিকে-ওদিকে হলে ছমিরনের কপালে জোটে পিটুনি। ছমিরন জাল
বোনে। রাতে সে জাল কেটে দিয়ে যায় ইঁদুর। এ দোষটাও যেন ছমিরনের। বশিরের
হাতে তাকে নাজেহাল হতে হয়!
ইঁদুরের ওৎপাত দিন দিন বেড়েই চলেছে। বশির এজন্য ছমিরনকে পেটালেও সে মনে মনে চটে থাকে ইঁদুরের ওপরই। এক রাতে সে বর্শা হাতে দাঁড়িয়ে থাকে জালের পাশে। চুপচাপ। অন্ধকারে তার চোখ জ্বলজ্বল করে। কান দুটো খাড়া, ইঁদুরের শব্দ শোনার আশায়।
ইঁদুরের ওৎপাত দিন দিন বেড়েই চলেছে। বশির এজন্য ছমিরনকে পেটালেও সে মনে মনে চটে থাকে ইঁদুরের ওপরই। এক রাতে সে বর্শা হাতে দাঁড়িয়ে থাকে জালের পাশে। চুপচাপ। অন্ধকারে তার চোখ জ্বলজ্বল করে। কান দুটো খাড়া, ইঁদুরের শব্দ শোনার আশায়।
রাত
দুপুরে আওয়াজ শোনা যায় কিচকিচ। একটু পরেই কুচুর কুচুর। মানে ইঁদুর তার ছোট
ছোট তীক্ষè দাঁত দিয়ে জাল কাটা শুরু করেছে। শব্দ লক্ষ্য করে বর্শা উঁচিয়ে
পা পা এগিয়ে আসে বশির। বর্শা দিয়ে অনুমানে ঠেসে ধরে ঈঁদুরকে। প্রবল কিচকিচ
আওয়াজ ওঠে। এরপর সব নীরব। বশির ম্যাচবাতি ঠুকে কুপি জ্বালাল। কাঁপা কাঁপা
আলোয় দেখতে পেল, বর্শায় ফলায় রক্তাক্ত দেহে মরে আছে একটা ইঁদুর। মরা ইঁদুর
দেখেই বশিরের বুক গর্বে ফুলে উঠল। ঘরের ভেতরেই সে উঁচিয়ে ধরল বর্শা।
প্রচণ্ড শব্দে হুঙ্কার দিয়ে উঠল।
ছমিরন
ঘুমিয়ে ছিল। বশিরের হুঙ্কারে সে ধড়ফড় করে বিছানার ওপর উঠে বসল। অবাক হয়ে
সে তাকাল বশিরের দিকে। ঠিক কী ঘটেছে, সে বুঝতে পারছে না।
বশির
বুকে চাপড় দিয়ে বলল : এখানে এসে দেখ, আমি কী কাণ্ড করেছি। অন্ধকারের মধ্যে
এক কোপে ইঁদুর মেরেছি। হাঃ হোঃ হাঃ। আমি আজ বীর পালোয়ান হয়ে গিয়েছি। তোকে
বলে রাখলাম, আজ থেকে আমি আর তোর বোনা জাল হাট-বাজারে বিক্রি করতে নিয়ে যাব
না। আমি পালোয়ান, পালোয়ানগিরিই করব।
এরপর
সে এক গ্লাস পানি খেয়ে ঘুমুতে গেল। পরের দিন ভোর সকালেই সে উঠে পড়ল।
ছমিরনকে তাগাদা দিয়ে বলল, এখনি তাড়াতাড়ি ভাত রেঁধে দাও। ভাত খেয়েই হাটে
যাব। ছমিরন বলল, আজ হাটে কেন? আজ তো জাল বুনি নাই। একটা জাল ছিল। তাও তো
কাল রাতে ঈঁদুর খানিকটা কেটেছে। বশির গর্বের সাথে বলল : ঐ ইঁদুরটাকে তো
আমিই মেরেছি। ছমিরন ঠোঁট বাঁকা করে বলল : হ্যাঁ ইঁদুর মেরেছ। তাই বলে
ইঁদুর খাওয়া জাল তো জোড়া লাগেনি।
বশির
বলল : তোর জালের কারবার কে করছে? ঐ জোলাগিরিতে আমি নাই। আমি পালোয়ানগিরি
করে রোজগার করব। ছমিরন গজ গজ করতে করতে রান্নাঘরে গিয়ে ঢুকল। বশির
খাওয়া-দাওয়ার পাট চুকিয়ে কাঁধে তুলে নিল বর্শা। সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে হাটে
চলে এল। হাটে যার সাথেই দেখা হয়, সেই তার বর্শার দিকে তাকায়। জিজ্ঞেস করে
কিগো বশির, ব্যাপারটা কী? বর্শা দিয়ে কী হবে?
এ
ধরনের প্রশ্নের জন্যই অপেক্ষা করছিল বশির। বুক ফুলিয়ে গর্বের সাথে জবাব
দেয়, সে কথা আপনারা বুঝি শোনেননি? এখনো তাহলে খবরটা পান নাই?
লোকজনের কৌতূহল বাড়ে, কী খবর?
বশির
বলে আর বলবেন না। কাল রাতে এই বর্শা দিয়ে একটা ইঁদুর একেবারে গেঁথে
ফেলেছি। তাও আবার অন্ধকারের মধ্যে। এখন দেখতে পাচ্ছি আমার হাত খুব পাকা।
নিশানাও খুব ভাল। সে জন্য ঠিক করেছি। এখন থেকে পালোয়ানগিরি করতে যাব, জাল
বিক্রি-বাটার কাজ আর করব না।
বর্শা
কাঁধে নিয়ে বশির পুরো হাট কয়েক বার চক্কর দেয় আর লোকদেরকে তার ইঁদুর বধের
কাহিনী জানায়। হাটশুদ্ধো লোকজন তার কীর্তিকথা শুনে আর কাণ্ড কারখানা দেখে
হাসাহাসি করে।
হাট ভেঙে যাওয়ার পর সবার শেষে যে লোকটি হাট থেকে বেরিয়ে আসে, সে হলো বশির। বর্শা কাঁধে সে ঘরে ফিরে আসে।
পরদিন
ঘুম থেকে উঠেই সে ছমিরনকে হুকুম করে : শিগগির ভাত রান্না কর। আমি খেয়ে
দেয়ে বেরুব। আজ যাব বিদেশে। চাকরি-বাকরি খুঁজব। তোর অই জোলাগিরির কাজ নয়।
এবার চাকরি করব পালোয়ানের। আমার নাম বশির পালোয়ান। দেশে দেশে আমার নাম
ঘুরবে-ফিরবে।
ছমিরন
মুখ ভেঙ্চে বলল : হ্যাঁ, খুব নাম-ইঁদুর মারা পালোয়ান। ছমিরনের টিপ্পনি সে
গায়েই মাখল না। বলল, অনেক দূরে যাব। রাস্তায় ক্ষুধা লাগতে পারে। চাল ভেজে
কয়েকটা লাড়– বানিয়ে দিবি। রাস্তায় ঐ লাড়– খেয়ে থাকব।
ছমিরন মুখ ঝামটা দিয়ে বলল : রাস্তায় এমন কোন ইয়ার দোস্ত জুটবে না যে ইঁদুর-মারা পালোয়ানকে খাওয়াতে পারে!
ক্ষেপে গেল বশির। রাগত কণ্ঠে বলল, আমার রাগ তুলিস না, তাহলে বিদেশ যাওয়ার বেলাতেও তোকে পিটিয়ে যাব। আমি যা বললাম, তাই কর।
ছমিরনেরও
মেজাজ খারাপ। বশিরের হাতে হরদম মার খেয়ে খেয়ে সে এমনতেই তিরিক্ষি হয়ে আছে।
তার ওপর বশিরের হুমকিতে তার আরো রাগ হলো। যতই রাগ হোক, তার পরও সে
রান্নাঘরে ঢুকল। বশিরের জন্য ভাত-তরিকারি রাঁধল। তারপর খোলা কড়াইয়ে চাল
ভাজতে বসল। চাল ভাজতে ভাজতেই তার মাথায় শয়তানি বুদ্ধিটা খেলে। সে মনে মনে
ভাবে : জীবনে স্বামীর সোহাগ কাকে বলে কিছুই বুঝলাম না। ওটা মরলেই কী আর
থাকলেই কী! এই তো এখন যাচ্ছে বিদেশে। কবে ফিরবে, আর ফিরবেই কী না, তার কোন
ঠিক ঠিকানা নেই। বিদেশে বিভূঁইয়ে আরেকটা বিয়ে করবে কি না তাই বা কে বলতে
পারে। এখানে আমি কিভাবে থাকব তার কোন চিন্তা ওর মাথায় নেই। ওটা মরলেই আমি
বাঁচতাম। এটা ভাবতে ভাবতেই তার মনে পড়ল, বশিরের অকারণে অসহ্য পেটানোর কথা।
সঙ্গে সঙ্গে সে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল। লাড়– বানাতে বানাতে তার সাথে বিষ
মিশিয়ে দিল।
পরদিন
খুব ভোরে বশির ঘুম থেকে জেগে ওঠে। অত সকালেই গোসল-টোসল সেরে নেয়। ধোপ
দুরস্ত কাপড় পরে মাথায় বাঁধে পাগড়ি। ছমিরন তখন রান্নাঘরে ভাত-তরকারি গরম
করছে। এর পরও অকারণে ধমকে উঠল বশির, তাড়াতাড়ি করতে পারিস না। আমি যাব অনেক
দূর। পালোয়ানগিরি কি যে- সে ব্যাপার নাকি!
ছমিরনও মুখ ঝামটা দিয়ে বলল : ভাত-তরকারি সব রান্না হয়ে আছে। খেয়ে দেয়ে বিদায় হও।
বশির ধমকের সুরে বলল : রাস্তায় খাওয়ার জন্য আমার লাড়– কোথায়? সেটা তো এখনো বানাসনি।
ছমিরন
বলল : সব বানিয়ে তোমার ঐ গামছার পোঁটলায় বেঁধে রেখেছি। রাস্তায় প্রাণ ভরে
খেয়ো। খেয়ো কিন্তু আর ঘরমুখো হয়ো না। বশির বলল, এই বেরুচ্ছি। ঘরে যখন
ফিরব, তখন তোর এই কথার জবাব দেব। পিঠটা শক্ত করে রাখিস। কয়টা লাঠি যে তোর
পিঠে ভাঙব, তার হিসাব নেই।
ছমিরন মনে মনে বলল, আগে ফিরে আসই না।
বশির
তড়িঘড়ি করে খাবার খেয়ে নিল। খাওয়া-দাওয়ার পর সে এক কাঁধে লাড়– বাঁধা গামছা
ঝুলিয়ে নিল। আরেক কাঁধে তুলে নিল বর্শা। সে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে এল রাস্তায়।
যাত্রা শুরু করল অজানা পথ ধরে। যেতে যেতে অনেক পথ পাড়ি দিল। কত মাঠ পেরুল।
কত ঘাট ডিঙ্গাল। কত পথ পেছনে ফেলে এল।
এক
অজানা গাঁয়ের রাস্তা ধরে হাঁটছিল বশির। এ সময়ই তার সামনে দিয়ে রাস্তার
এপাশ থেকে ওপাশে ছুটে গেল একটা গোসাপ। দেখেই থমকে দাঁড়াল বশির। তার চোখ
দুটো চকচক করে উঠল। বর্শা ধরা হাতটাও করে উঠল নিশপিশ। গোসাপটা যেদিকে ছুটে
গেল, সেদিকে সে পা বাড়াল। তার শিকারের নেশা পেয়েছে। সে কাঁধ থেকে বর্শা
নামিয়ে বাগিয়ে ধরেছে। শিকারির মত পা ফেলে ফেলে রাস্তা পেরুলো গোসাপের দিকে
এগিয়ে যেতে শুরু করল। গোসাপটিও তখন শিকার ধরার আশায় থমকে দাঁড়িয়েছে। তার
সামনে একটা ফড়িং উড়ছেÑ তার লক্ষ্য সেদিকে। এ সময়ই সে টের পায় তার পেছন থেকে
একজন লোক সন্তর্পণে এগিয়ে আসছে তাকেই শিকার করবে বলে। সে ফড়িং ধরার আশা
ছাড়ান দেয়। সে দ্রুত বেগে ছুটতে থাকে সামনের মাঠের দিকে। তার পিছু পিছু
বর্শা হাতে ছুটতে থাকে বশিরও। গোসাপ উপায় না দেখে মাঠের ভেতর একটা গর্তের
মধ্যে ঢুকে পড়ে। এতেও রক্ষা নেই। গর্তের পাশে এসে বশির দাঁড়াল। বর্শা দিয়ে
গর্তের চারপাশে খুঁড়তে লাগল। গর্তের ফাঁকে গোসাপের পিঠ দেখা যাচ্ছে।
কালবিলম্ব না করে বশির গোসাপের পিঠ লক্ষ করে বর্শা চালায়। ।
বর্শাটি
যখন গর্ত থেকে টেনে বের করে। তখন দেখা যায় বর্শার আগায় গোসাপ গেঁথে রয়েছে।
বর্শার ডগায় গোসাপটিকে দেখতে পেয়ে বশিরে বুক গর্বে ফুলে গেল। আরো একটি
শিকার হলো তার। পালোয়ানগিরির ব্যবস্থা এবার নিশ্চয়ই পাকা পোক্ত হবে।
বর্শাবিদ্ধ গোসাপ কাঁধে নিয়ে শিকার সে পথ হাঁটতে শুরু করল। এ অবস্থায় তাকে
দেখতে পেয়ে লোকজন হাসাহাসি করে।
রাস্তার
মধ্যে কেউ কেউ তাকে জিজ্ঞেস করল, আপনি গোসাপের চামড়ার ব্যবসা করেন নাকি?
বশির অবাক হয়ে জবাব দিল : গোসাপের চামড়ার ব্যবসা করব কেন? আমি হলাম একজান
বীর পালোয়ান। জীব-জন্তু শিকার করে বেড়াই। আপনারা সবাই বশির পালোয়ানের নাম
শুনেছেন নিশ্চয়ই। আমিই হলাম সেই বশির পালোয়ান।
লোকজন অবাক হয়ে বলে, বশির পালোয়ানে নামে কোন পালোয়ান আছে নাকি? কই, কোনদিন তো এমন নাম শুনি নাই!
বশির
বুক ফুলিয়ে বলল: না শুনে থাকলে এখন শুনবেন। শিকারে আমার হাত কী রকম তা তো
আপনারা নিজেদের চোখেই দেখতে পারলেন। কাল রাতেও এই বর্শার এক কোপে একটা
ইঁদুর শিকার করেছিলাম, তাও আবার অন্ধকার রাতে। বশিরের কথা শুনে লোকজন মজা
পায়। তাদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে। তারা বশিরকে লক্ষ্য করে টিটকারি দেয়। এরপর
চলে যায়। কোন কিছুতেই ঘাবড়ায় না বশির। সে হাঁটতে থাকে একই ভঙ্গিতে। পরপর
দুটো শিকার করেছে সে। গর্বে তার বুক টগবগ করতে থাকে। কাঁধের ওপর বর্শা। বুক
টান করে সে পথ হাঁটতে থাকে।
তখন
চৈত্র মাস। খা খা রোদ। হাঁটতে হাঁটতে ঘেমে-নেয়ে ওঠে বশির। পানির তেষ্টাও
পায় ভীষণ। আর এদিকে পেট জুড়ে চনমনিয়ে ওঠে ক্ষুধা। এ সময়ই সে দেখতে পায়
রাস্তার পাশে একটা বিশাল পুকুর। পুকুরের পাড়ে ইয়া বড় একটা বটগাছ। সে এসে
বটগাছের ছায়ায় বসে। গাছের ছায়া ও বাতাসে তার শরীরটা জুড়িয়ে যায়। ওখানেই বসে
বসে বিশ্রাম নেয় অনেকক্ষণ। ঠাণ্ডা বাতাসে এক সময় চোখ জুড়ে ঘুমই নামে।
ঘুম
ভাঙলে ক্ষুধাটা আবার টের পায়। মনে মনে ভাবল, এবার বৌয়ের বানানো লাড়– খাওয়া
যাবে। সে গামছার পোঁটলাটা খুলে লাড়– বের করে। গামছার ওপর রেখেই সে পুকুরে
হাতমুখ ধুতে যায়। গায়ে গতরে একটু পানি লাগিয়ে শরীরটাকে আরো ঠাণ্ডা করে
তারপর লাড়– খাবে, এই তার ইচ্ছা।
পুকুরের শান বাঁধানো ঘাট। দেখলেই দেহ মন জুড়িয়ে যায়। সে ঘাটের হাঁটু পানিতে নেমে এল।
এদিকে
একটা হাতিও ওই বটগাছের নিচে এসে হাজির। কার হাতি, কোত্থেকে এসেছে কে জানে!
বটগাছের নিচে এটা ওটা শুঁকতে শুঁকতে তার শুঁড় গিয়ে পড়ল লাড়–র ওপর। কোন এক
আকর্ষণে সে সব ক’টা লাড়– পটাপট মুখে চালান করে দিল। তারপর থেকেই হাতি
স্থির। নিশ্চল দাঁড়িয়ে রইল।
বশির
প্রাণ ভরে হাত মুখ ধুয়ে পুকুরের পাড় থেকে উঠে এল। বটগাচের নিচে বসে সে
লাড়– খাবে। তারপর যাবে নতুন কোন শিকারে। গুনগুনিয়ে সে গান ভাজতে লাগল।
পুকুরপাড়ে
বটগাছের তলায় এসেই তার চোখে চড়কগাছ। ঠিক সে যেখানে শুয়েছিল। সেখানে চুপচাপ
দাঁড়িয়ে রয়েছে একটা হাতি। তা হাতি দাঁড়িয়ে থাক, এর ব্যবস্থা পড়ে হবে।
কিন্তু গাছের গোড়ায় গামছার ওপর সে যে লাড়–গুলো রেখেছিল, তার একটিও নেই।
নিশ্চয়ই সব গিয়েছে হাতির পেটে।
বশিরের
খুব রাগ হলো। তার চোখ-মুখ লাল হয়ে উঠল। এত রাগ যে তার কোন হুঁশ-জ্ঞান রইল
না। সে হাতিকে ভীষণ জোরে একটা ঘুষি মারল। হাতি দাঁড়িয়ে রইল তেমনি। নড়েও না
চড়েও না। এতে বশিরের রাগ আরো বেড়ে গেল। তখন সে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে হাতিকে
সজোরে ধাক্কা মারল। এবার কাজ হলো। হাতি ধাক্কা খেয়ে একদিকে কাত হয়ে পড়ে
গেল। এ সময় বশিরের খেয়াল হলো : আরে! হাতিটা মরেই গেল নাকি! কার না কার
হাতি, মরেই গেল!
বশির
খুব খেয়াল করে দেখল, হাতিটা সত্যি সত্যি মরে গিয়েছে। সে অবাক হয়ে ভাবতে
লাগল, আরে। এটা কী কাণ্ড! আমার হাতের এক ঠেলাতেই একটা আস্ত হাতি মরে যেতে
পারে!
পুকুরটা
ছিল রাজার। পুকুরের কাছেই রাজার বাড়ি। রাজা রাজবাড়ি থেকে লক্ষ্য করছিলেন
পুকুর পাড়ের কাণ্ড কারখানা। তিনি সব ঘটনা দেখে তলব করলেন কোতোয়ালকে।
কোতোয়াল
এলে রাজা বললেন : পুকুর পাড়ে বটগাছের নিচে খেয়াল কর। এখনি ওখানে যাবে।
দেখে আসবে, ব্যাপারটা কী ঘটেছে। আমি লক্ষ্য করলাম, ঐ লোকটা আমার হাতিটাকে
একটা ধাক্কা দিল। অমনি হাতি কাত হয়ে পড়ে গেল। মরেই গিয়েছে বোধ হয়। আমার মনে
হয়। লোকটা নিশ্চয়ই একজন বীর পুরুষ হবে। তুমি গিয়ে দেখ, ব্যাপারটা কী?
কোতোয়াল
তার দলবল নিয়ে অমনি চলে এল পুকুরপাড়ে বটগাছের তলায়। সেখানে বসে আছে একটা
লোক। তার হাতে বর্শা! আর রাজার হাতিটা এক পাশে কাত হয়ে পড়ে রয়েছে।
শ্বাস-প্রশ্বাস চলে না মরেই গিয়েছে।
কোতোয়াল বশিরকে বলল: তোমার এত সাহস! তুমি রাজার হাতি মেরেছ। এখন বুঝবে মজা। তুমি কত বড় বীর হয়েছ, দেখা যাবে। চল রাজার কাছে।
বশির
ভয় পেল না একটুও। বলল, আমি বীর হয়েছি না তো কী হয়েছি, সে কথা তো কাউকে
বলতে যাইনি। ঠিক আছে, চলুন রাজার কাছে। আমার যে সর্বনাশ করেছে, এর বিচার
আমি তার কাছেই চাইব।
কোতোয়াল আর তার দলবল বশিরকে ধরে রাজার কাছে নিয়ে এল।
কোতোয়াল পুকুর পাড়ের বটগাছ তলার ঘটনা জানিয়ে বলল : মহারাজ, হাতিটা মরেই গিয়েছে। এই লোকটাই হাতিটাকে মেরেছে।
রাজা
বশিরকে বললেন: এ বিষয়ে তোমার কি কিছু বলার আছে? বশির মনে মনে একটু ভয়ই
পেল। তবুও সাহস ধরে রেখে বলল : মহারাজ, ওটা যদি আপনার হাতি হয়, তাহলে আপনার
কাছেই নালিশ জানাই। আপনার হাতি আমার সর্বনাশ করেছে। আমার বহু টাকার মাল
ছিল। বটগাছের গোড়ায় রেখে আমি যখন পুকুরে নেমে হাত-মুখ ধুচ্ছিলাম, তখন আপনার
ঐ হাতিটাই আমার সব মাল খেয়ে ফেলেছে। আমি পালোয়ান মানুষ। আমার এত টাকার
এতগুলো মাল খেয়ে ফেলায় আমার খুব রাগ হয়েছিল। এ জন্যই আমি হাতিটাকে আর কিছু
করি নাই। কেবল মাত্র একটা ঠ্যালা মেরেছি। এটা কি কেউ কখনো ভাবতে পেরেছে।
মানুষের এক ঠ্যালাতেই একটা হাতি মরে যেতে পারে। সে যে এভাবে পড়ে মরেই যাবে,
তা আমিও ভাবতে পারি নাই।
রাজা
বললেন : আমার হাতি তোমার জিনিসপত্র যা কিছু খেয়েছে, তা আমি পাব কোথায়?
তুমিও আমার লাখ টাকা লাখ টাকা দামের হাতি মেরে ফেলেছ। আমি সেটারও বিচার
করতে চাই না। আমি তোমাকে হাতি মারার অপরাধ থেকে মুক্তি দিলাম। এর বিচার আমি
আর করলাম না। আমার মনে হয় তুমি একজন বীর পালোয়ান। তুমি যদি আমার এখানে
চাকরি করতে রাজি হও তাহলে পঞ্চাশ টাকা মাস-মাইনেতে আমি তোমাকে রাখতে পারি।
বশির মহাখুশি। সে একবাক্যে রাজি। রাজবাড়িতে তার চাকরি হয়ে গেল।
বশির পালোয়ানের স্থান হয় রাজদরবারে। রাজা তাকে পালোয়ানের পোশাক বানিয়ে দিলেন।
বশিরের
পদমর্যাদা হলো পালোয়ানের। পঞ্চম টাকা তার মাস-মাইনে। পুরো রাজ্যে একজনই
পালোয়ান। পালোয়ান বটে, তবে তার কোন কাজ কর্ম নেই। সে রাজপ্রাসাদেই খায়-দায়।
দুপুরে রাতে নাক ডেকে ঘুমায়। আর সকালে কিংবা বিকেলে প্রতিদিনের যে কোন এক
বেলায় পালোয়ানি পোশাক গায়ে দিয়ে বাজারটা ঘুরে আসে। তখন তার কাঁধে থাকে
ইঁদুর মারা গোসাপ-মারা বর্শাটা। রাজ্যজুড়ে প্রায় প্রতিটি লোক বশিরের মুখ
থেকে শুনেছে অন্ধকার রাতে তার ইঁদুর মারার কথা। খোলা মাঠের গর্তে লুকানো
গোসাপ হত্যার কথা আর সর্বশেষ রাজার পুকুর পাড়ে বটগাছের তলায় রাজহাতি বধের
কথা Ñ মাত্র এক ধাক্কায় হাতির মৃত্যু। হাতি বধের কাহিনী কেউ বিশ্বাস করেছে।
কেউ করেনি। কেউ কেউ টিপ্পনি কেটে বলে, জোলার হাস্যকর কাণ্ডকারখানা দেখে
হাতি হার্টফেল করেছে। কেউ বিশ্বাস করুক আর না করুক রাজবাড়িতে তার পালোয়ান
হিসেবে চাকরিটা তো হয়েছে। এখন চান্স পেয়ে বেতনটা বাড়িয়ে নিতে পারলেই হয়।
সুযোগ এসেই গেল। বশির সেদিন পালোয়ানের পোশাক পরে রাজদরবারে বসেছিল। রাজা
বিচারকার্য করছিলেন। এ সময় একদল প্রজা রাজার সাথে দেখা করতে চাইল, তাদের
নাকি সমূহ বিপদ। খুব কান্না-কাটি করছে। রাজা আবার কান্নাকাটি একদম সহ্য
করতে পারেন না। তার মনটা তুলোর মত নরম।
রাজার
অনুমতি পেয়ে প্রজাদের একটা দল দরবারে ঢুকল। তারা এসেই রাজার পায়ের ওপর
হুমড়ি খেয়ে পড়ল। রাজা যতই বলেন, ছাড় ছাড়, পা দুটো ছাড়Ñ ওরা ততই পা জড়িয়ে
ধরে। রাজা আদরমাখা ধমকের স্বরে বললেন: হয়েছেটা কী? না বললে বুঝব কেমন করে?
সমস্যা থাকলে মিটাবই বা কিভাবে।
প্রজারা সমস্বরে ইনিয়ে বিনিয়ে বলল: রাক্ষসরা আমাদের গ্রামের মানুষ খেয়েছে।
ওদেরকে
অনেক জেরা করে জানা গেল, রাজার রাজ্যে নতুন এক রাক্ষসের উৎপাত শুরু হয়েছে।
সে আজ এ গ্রামে রয়েছে তো কাল ঐ গ্রামে হানা দিয়েছে। এভাবে গ্রামে গ্রামে
ঘুরে ঘুরে মানুষ মারছে। মানুষ ধরে ধরে খাচ্ছেও। এখনও কোন শহরে বা রাজধানীতে
সে হানা দেয়নি। এ জন্যই খবরটা রাজা- অমাত্যদের কারো কর্ণগোচর হয়নি।
রাক্ষসের জ্বালাতনের খবর কেউ বিশ্বাস করল, অনেকেই করল না। রাজা বিশ্বাস
করবেন কি করবেন না। তাও বুঝে উঠতে পারলেন না। এ সময়ই দরবারে হুড়মুড় করে
ঢুকে পড়ল রানীর খাস বাঁদী, হাঁফাতে হাঁফাতে বলল: এই মাত্র রাজপ্রাসাদে একটা
রাক্ষস ঢুকেছিলÑ খোদ রানীমহলে। দু’জন পাহারাদারকে মেরে ঢুকেছে সে। সরাসরি
রানীর ঘরে হানা দিয়েছে। রানীর গায়েই হাত দিতে ধরেছিল। রানীর হাতে ছুরি দেখে
রানীর এক বাঁদীকে ধরে নিয়ে গিয়েছে।
খবররটা শুনেই রাজা ও দরবারের সবাই নড়েচড়ে বসলেন। রাজা দরবারের পাহারা জোরদার করতে বললেন।
খানিক
বাদেই রাজধানীর আশপাশ শহর থেকেও গণ্যমান্য প্রতিনিধিদল এল হুড়মুড়িয়ে।
তাদেরও এক কথা, কোথা থেকে এক রাক্ষস এসে জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে।
সবার
কাছ থেকে বিবরণ শুনে মনে হয়, রাক্ষস একটাই। তবে বাতাসের চাইতেও দ্রুত তার
গতি। সে লহমায় এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় চলে যেতে পারে। প্রচণ্ড তার
ক্ষুধা। দিনে তিন-চারটে মানুষ, এক-দুটো গরু-ছাগল না হলে তার ক্ষিধে মেটে
না।
দরবারে
হুলস্থুল পড়ে গেল। রাজার কপালে ভাঁজ পড়ল। তিনি সমস্যার সমাধানের জন্য
চারজন বিশ্বস্ত দরবারিকে নিয়ে গোপন সভা করলেন। কিন্তু এ থেকে রক্ষা পাওয়ার
কোন পথ দেখাতে পারল না। রাক্ষসকে দমন করার জন্য কোতোয়ালকে নির্দেশ দিতে সে
থরথর করে কাঁপতে শুরু করল। যেন তার একশ দশ ডিগ্রি ম্যালেরিয়া জ্বর হয়েছে।
শেষ
পর্যন্ত রাজা অনেক ভাবনা-চিন্তার পর ঘোষণা দিলেন : রাক্ষসকে যে বধ করতে
পারবে তাকে রাজকন্যার সাথে বিয়ে দেব আর আমার রাজ্যের অর্ধেক লিখে দেব।
দরবারে
গুঞ্জরণ শুরু হলো। কিন্তু সাহস করে কেউ এগিয়ে এল না। সবার মুখে এক কথা:
রাক্ষসের হাতে জানটাই যদি যায়। রাজন্যাকে বিয়ে করে কী হবে। আর কিই বা হবে
অর্ধেক রাজ্য দিয়ে। রাজদরবারের ভাব-গতিক দেখে রাজা যখন হতাশ হয়ে পড়ছেন,
তখনি উঠে দাঁড়াল বশির জোলা। পালোয়ানের মত বুক ফুলিয়ে বলল: মহারাজ, আমাকে
হুকুম দিল আমি চেষ্টা করে দেখতাম রাক্ষসটাকে মারা যায় কি না।
রাজা
বললেন: তুমি চেষ্টা করলে ভালোই হয়। আমি যে প্রতিজ্ঞা করেছি, হ্যাঁ, তা
ঠিকই থাকবেÑ রাক্ষস যে মারতে পারবে তার সাথে আমার মেয়ে রাজকন্যাকে বিয়ে দেব
আর রাজ্যের অর্ধেক লিখে দেব।
বশির
মনে মনে ভাবল : এটা একটা মস্ত বড় সুযোগ। রাক্ষসটাকে মারতে পারলে
রাজকন্যাকে বিয়ে করতে পারব আবার অর্ধেক রাজত্বও পেয়ে যাব। একবার চেষ্টা করে
দেখলে মন্দ হয় না। হাতিটা যেভাবে মরেছে। আল্লাহই ভালো জানেন কিভাবে মরেছে,
রাক্ষসটাও ঐভাবে মরে গেলে কাজ হবে।
বশিরের সাহস দেখে কেউ কেউ বাহবা দিল, কেউ কেউ তাকে আহমক বলল। অনেকেই বাঁকা ঠোঁটে হাসল।
রাজবাড়ির
কাছেই রাস্তার এক পাশে বিশাল বকুল ফুলের গাছ। বশির এক সন্ধ্যায় বকুল গাছের
আগায় উঠে একটা ডালের সাথে নিজেকে শক্ত করে বাঁধল। এক হাতে তার অতি প্রিয়
বর্শাটা ধরে বসে রইল।
অনেক
রাত। চারদিকে নিঝুম। বশির পালোয়ানের চোখে ঘুম আসতে থাকে। চোখ টেনে ধরেও সে
ঘুম আটকাতে পারে না। ঠিক এ সময়ই সে থপ থপ আওয়াজ পায়। যেন একটা পাহাড় এগিয়ে
আসছে। তার ঘুম ছুটে যায়। উত্তেজনায় ভয়ে সে অপেক্ষা করতে থাকে।
একটা
বিশাল ছায়া এসে দাঁড়ায় বকুল গাছের তলায়। বশির ভালো মত তাকিয়ে বুঝতে পারে,
এটাই রাক্ষস। রাক্ষসটা মানুষের গন্ধ পাচ্ছে। সে চারদিকে তাকিয়ে মানুষ
খোঁজে। উপরের দিকে তাকাতেই সে বশিরকে দেখতে পয়। লোভে তার মুখ হা হয়ে যায়।
লালা পড়তে থাকে। হাত বাড়ায়। মানুষটার নাগাল পায় না সে। গাছের ওঠার চেষ্টা
করে। গাছেও উঠতে পারে না। কয়েকবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। তখন মুখ হা করে সে
আস্ত গাছ ধরে ঝাঁকাতে শুরু করে যেন ঝড় উঠেছে, এমন প্রবল বেগে বুকুল গাছ
নড়তে শুরু করে। বিপদ গনে বশির। এমন ঝাঁকুনিতে বাঁধন খুলে তার নিচে পড়ার ভয়
পেয়ে বসে। আর নিচে পড়লে রাক্ষুসের হা-করা মুখের মধ্য দিয়ে একেবারে পেটে
চালান হয়ে যাবে।
ভয়ে
বশিরের হাত-পা পুরো শরীর কাঁপতে থাকে। সে এমন কাঁপন কাঁপতে থাকে যে এর
চোটে হাতে ধরা বর্শাটা হাত থেকে ফসকে যায়। সেটা শাঁ শাঁ করে নিচে ছুটে আসে।
আর পড়বি তো পড় সরাসরি রাক্ষসের মুখে, গলা বেয়ে চালান হয়ে যায় পেটের ভেতর।
সেখানে নাড়ি ভুঁড়িতে গিয়ে বর্শাটা বিঁধে।
রাক্ষসের
গাছ ছেড়ে দিয়ে নিজের পেট ধরে। মরণ চিৎকারে চারপাশ কাঁপিয়ে তোলে। মুখে উঠে
আসে রক্ত। অতবড় শরীরটা ধপাস করে মাটিতে পড়ে যায়। এমন শব্দ হয় যেন ভূমিকম্পে
সব ভেঙে পড়ছে। সে হাত-পা তড়পাতে থাকে। তারপর এক সময় স্থির হয়ে যায়।
রাক্ষসের
আর কোন সাড়া-শব্দ না পেয়ে বশিরের কাঁপুনি থামে। এদিকে রাতের অন্ধকার কেটে
গিয়ে ভোরের আলো ফুটছে। বশির নিজের বাঁধন খুলে গাছ থেকে ধীরে ধীর নেমে আসে।
রাক্ষসের গায়ে ধাক্কা দিয়ে টের পায় ওটা মরে গিয়েছে। এবার বশির সাহস ফিরে
পায়। বুক টান করে সে বজ্রনিনাদ কণ্ঠে হায়দরি হাঁক হাঁকে : খবরদার!
হুঁশিয়ার!
তার বজ্রনির্ঘোষ চিৎকারে রাজবাড়ি ও আশপাশের শহরের ঘরে ঘরে মানুষের ঘুম ভাঙ্গে। সবাই হইচই করতে করতে ছুটে আসে বুকল তলায়।
সবাই দেখে, রাক্ষস গাছের তলায় মরে পড়ে আছে, তার চারপাশে বশির পালোয়ান লাফাচ্ছে তার হাঁক দিচ্ছে। হাঁক ছাড়া আর কোন কথা নেই।
খবর
শুনে রাজাও তার পাত্র-মিত্রদের নিয়ে ছুটে এলেন। রাক্ষসকে মৃত অবস্থায় পড়ে
থাকতে দেখে তিনি বেজায় খুশি। রাজ্যের ওপর থেকে একটা বিপদ কেটে গেল। ভাগ্যিস
তিনি তাঁর দরবারে বশির পালোয়ানের মতো বীরকে স্থান দিয়েছিলেন। এদিকে লোকজন
বলাবলি করছে : বশির পালোয়ানের মত বীর আমাদের রাজ্যে তো নেই-ই। এই জগতেও
নেই।
তাদের কথার সাথে রাজা একমত হলেন। ঐ দিনই তিনি বশির পালোয়ানের নামে অর্ধেক রাজত্ব লিখে দিলেন। রাজকন্যার সাথে বিয়েও হলো ধুমধাম করে।
রাজার
জামাই হয়ে বশির পালোয়ানের দিন কাটে আনন্দে। আবার ঐদিকে সে অর্ধেক
রাজত্বেরও রাজা। এভাবে দিন যায়, মাস যায়। বছরের পর বছরও যেতে থাকে। এর
মধ্যে রাজা বুড়ো হয়েছেন। তাঁর পাত্র-মিত্রদেরও বয়স বেড়েছে। সেই পুরনো
সেনাপতিই রাজ্য রক্ষা করছে। কিন্তু বয়সের ভারে তারও অবস্থা সঙ্গিন। অবশ্য
এতে কোন অসুবিধা ছিল না এতদিন। রাজা শান্তিপ্রিয়। প্রতিবেশী রাজ্যগুলোর
সাথে রয়েছে তাঁর সদ্ভাব। এ জন্য সেভাবে সেনাবাহিনী গড়ে ওঠেনি। যে বাহিনী
রয়েছে, তার সৈন্যরাও অনেক পুরনো। বুড়ো হয়ে পড়ছে।
এর
মধ্যেই প্রতিবেশী এক দেশে নতুন রাজা হন এক ডাকাত সর্দার। তার প্রচণ্ড লোভ।
আশপাশের রাজ্যগুলোতে সে হানা দিতে শুরু করল। লুটপাট করে নিজের ধন ভাণ্ডার
বাড়াতে লাগল।
একদিন
রাত নিঝুমে এ রাজ্যও আক্রমণ করে বসল। শুরু হয়ে গেল যুদ্ধ। সেনাপতি এসে পড়ল
রাজার পায়ে : মহারাজ, এখন কী উপায়? আমি নিজেও বুড়ো হয়ে পড়েছি, আমার
সৈন্যরাও বুড়ো। কেউ যে যুদ্ধে যেতে চায় না। রাজার কপালে বহুদিন পর আবার
ভাঁজ পড়ল। তিনি তাঁর পাত্র-মিত্রদের গোপন সভায় জিজ্ঞেস করলেন : এখন উপায়?
বিনা যুদ্ধে রাজ্য দিয়ে দেব কি ডাকাত সর্দারের হাতে?
সেনাপতি বলল: যুদ্ধে এর মধ্যেই আমাদের বহু সৈন্য প্রাণ হারিয়েছে। এখন পালানো ছাড়া আমাদের আর কোন পথ নেই।
উজির
ভেবে চিন্তে বলল: একবার চেষ্টা করে দেখলে হয় না। মহারাজ, আপনার জামাই বশির
জোলা মস্ত বড় পালোয়ান। এক ধাক্কায় সে আপনার হাতি মেরেছে। একাই এক রাক্ষসকে
মেরে আমাদেরকে রক্ষা করেছে। ডাকাত সর্দারের হাত থেকে কি সে আমাদেরকে রক্ষা
করতে পারবে না?
রাজা একটু আশার আলো দেখতে পেলেন। তুবও একটু সন্দেহ রইল, জামাই তার এত বড় ঝুঁকি নেবে কি?
রাজা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে শেষ পর্যন্ত বশিরকে গিয়েই ধরলেন : বাবা, এই শেষবারের মতো তোমাকে একবার যুদ্ধে যেতে হয় যে!
বশির
ডাকাত সর্দারের বাড়াবাড়ির কথা আগেই শুনেছে। এই আশঙ্কাটাই তার হচ্ছিল। সে
এখন আর পালোয়ানগিরি করতে চায় না, সাহসও অনেকখানি হারিয়ে ফেলেছে। সে তো এখন
অর্ধেক রাজা। রাজত্ব করতেই তার কাছে ভাল লাগে। এখন যুদ্ধ করতে গিয়ে শুধু
শুধুই জানটা হারাবে। কিন্তু উপায়ও নেই। বশির পালোয়ান হিসেবে তার নাম-ডাক
হয়ে গিয়েছে। চারপাশে তার খ্যাতি। এ খ্যাতি রাখতে গিয়েই তাকে যুদ্ধে যাওয়ার
সাহস দেখাতে হবে।
বশির
মনে মনে ভাবল, যুদ্ধে গেলে আমার তো জীবন শেষ হবেই। তাহলে জীবনের শেষ
খাবারটা খেয়েই যেতে হবে। আমার প্রিয় যে যে খাবার গুলো রয়েছে, সেগুলো তাহলে
যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগেই খেয়ে নিতে হবে যাতে মৃত্যুকালে আমার জিহ্বার কোন
আফসোস না থাকে। সে তার শ্বশুর বাবাকে বলল: মহারাজ, আপনি যখন হুকুম করেছেন,
তখন আমি যুদ্ধে যাবই। তবে তার আগে আমার একটা সাধ রয়েছে। আমাকে ঘি-ভাত প্রাণ
ভরে খাওয়র অনুমতি দিন।
রাজা
দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন: তোমার মনের আশা পূরণ কর। রাজার হুকুমে রাজবাড়ির
রান্নাঘর থেকে হাঁড়ি হাঁড়ি ঘি-ভাত এল। এর সাথে এল মুখরোচক নতুন নতুন খাবার।
বশির পেট ভরে খেল। খেতে খেতে পেট ভরে গেল হয়ে গেল। ঢোলের মতো। বশির আর নড়তে চড়তে পারে না।
বশির ঐ অবস্থাতেই বলল: আমাকে একটা ঘোড়ায় তুলে শক্ত করে বেঁধে দিন, যাতে আমি ঘোড়ার পিঠ থেকে পড়ে না যাই।
বশিরের
পরামর্শ মতো সবাই মিলে তাকে ঘোড়ার পিঠে উঠিয়ে দিয়ে বেঁধে দিল। বশির তার
হাতে একটা ছোড়া নিল। তারপর ঘোড়াটাকে ছুটিয়ে নিল সামনে। শত্রু শিবিরের দিকে।
ছোরার খোঁচা খেয়ে ঘোড়া তীর বেগে ছুটতে লাগ। যেন উড়ে চলছে।
এ
যুদ্ধের কিছু দিন আগেই ভূূমিকম্প হয়েছিল। বশিরের ঘোড়া যে পথ ধরে ছুটছিল,
তার দু’পাশে ছিল বড় বড় গাছ। ভূমিকম্পে এ গাছগুলোর গোড়া শেকড়-বাকড় নড়বড়ে হয়ে
গিয়েছিল। এখন ঘোড়ার দাপটে পথের মাটি কেঁপে কেঁপে উঠছিল। আর এতে ঘোড়ার
ছোটার পেছনে পেছনে গাছগুলো শেকড় উপড়ে ধপাধপ পড়ে যাচ্ছিল।
ডাকাত
সর্দারের সৈন্য শিবিরে হইচই রর উঠে গেল। তারাও বশির পালোয়ানের নাম ও
কীর্তি কাহিনী শুনেছিল। এখন সে নিজে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আসছে। তাকে
দেখার জন্য সবাই শিবির থেকে বেরিয়ে এসেছিল। তারা বশির পালোয়ানকে পিঠে নিয়ে
ছুটন্ত ঘোড়াকে দেখতে পেল। আর দেখতে পেল, ঘোড়ার চলার দাফটে ধাপধপ করে একেকটা
বড় বড় গাছ মাটিতে পড়ে যাচ্ছে। যার ঘোড়ার এত দাপট, তার দাপট না জানি কত!
ডাকাত সর্দারের সৈন্যদলে আতঙ্ক তৈরি হয়। তারা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করতে
লাগল : আজ আমাদের নির্ঘাত মৃত্যু হবে। এই পালোয়ান এলে আজ আমরা দলে দলে মারা
যাব।
ডাকাত
দলের সৈন্যরা সবাই পেছনের রাস্তায় পালাতে শুরু করল। এদিকে বশিরের দম আটকে
যাচ্ছিল। ঐ অবস্থাতেই সে দেখতে পেল, শত্র“পক্ষের সৈন্যরা পালাচ্ছে। এ দৃশ্য
দেখে তার দুর্বল শরীরে শক্তি এসে গেল। সে শত্র“ শিবিরে গিয়ে যখন উপস্থিত
হলো, তখন সেখানে তাকে বাধা দেয়ার জন্য কেউ উপস্থিত নেই। সে তার বাঁধন খুলে
ঘোড়া থেকে নামল। কোন রকমে তাদের রাজ্যের পতাকা সেখানে পুঁতে দিন।
বিজয়ীর
বেশে সে ফিরে এল। রাজা পরম সমাদরে তাকে জড়িয়ে ধরলেন। বললেন: বাবা, আমি
বুড়ো হয়েছি। আমার রাজত্বটাও তোমাকেই দিলাম। পুরো রাজ্যের রাজা এখন থেকে
তুমিই।
যথারীতি বশির পালোয়ানের রাজা হিসেবে অভিষেক হলো। সে হলো বিশাল রাজ্যের রাজা।
একদিন
সে তার রাজকন্যা স্ত্রীকে বলল: তোমার আরেকটা বোন রয়েছে। ছমিরন তার নাম। সে
আমার পয়লা স্ত্রী। জীবনে অনেক কষ্ট করেছে। আমার হাতে শুধু শুধু পিটুনি
খেয়েছে। সব শুনে রাজকন্যা বলল: আমার বোন দূর অজগাঁয়ে থাকবে কেন? তাকেও
এখানে নিয়ে আসুন। আমরা দু’বোন এক সাথে থাকব।
বশির অনেক জিনিসপত্র, লোক লস্কর নিয়ে ছমিরনকে আনতে তার গাঁয়ে চলল।
ছমিরন
তখন ঘরের ভেতর একলা-একলা ভাত রাঁধছিল। এ সময়ই তার পেছনে এসে দাঁড়াল বশির
একা। তার লোকজনকে সে বাইরে রেখে এসেছে। বশিরকে দেখে ছমিরন ভূত দেখার মতো
চমকে উঠল। আমতা আমতা করে বলল: তুমি এখনো বেঁচে আছ? মরো নাই? বশির বলল: তোকে
না মেরে আমি মরব নাকি। ভিন গাঁয়ে আমি ঘর বানিয়েছি। নতুন একটা বিয়েও করেছি।
এখন তোকে নিতে এসেছি।
ছমিরন প্রবলভাবে মাথা নেড়ে বলল : না না, আমি এখান থেকে কোথাও যাব না। তোমার হাতে আর পিটুনি খাব না।
বশির
গভীর দরদের সাথে বলল : আগে অভাব ছিল। খাওয়া-দাওয়ার কষ্ট ছিল। তাই
মেজাজ-মর্জি ভালো ছিল না। তোকে পিটিয়ে নিজের মনের অশান্তি মেটাতাম। এখন
আমার অবস্থা ভালো। খাওয়া-পরা-থাকার কোনো চিন্তা নেই। তাই মনে সুখ। তোকে আর
কখনোই পেটাব না।
বশিরের
অনেক অনুরোধে অবশেষে ছমিরন তার সাথে যেতে রাজি হলো। সেজেগুজে ঘর থেকে
বেরিয়ে আসতেই সে অবাক! এত লোক-লস্কর, পাইক-বরকন্দাজ। সবাই বশিরকে দেখে
কুর্নিশ করছে আর তাকে মহারাজ বলে সম্বোধন করছে। ছমিরনকেও বলছে ‘রানীমা’।
ছমিরনকে নেয়ার জন্য একটা পালকিও এসেছে। সে গিয়ে উঠলো পালকিতে। আর ঘোড়ায়
বশির।
বশির পালোয়ান তার বৌকে নিয়ে চলল তার নিজের রাজ্যে।
[বরিশাল ও রংপুরের লোককাহিনী অবলম্বনে]
==================================
কিশোরকন্ঠ এর সৌজন্যে
লেখকঃ আতা সরকার
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1412)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
October
(964)
-
▼
Oct 20
(42)
- কিশোর উপন্যাস- সূর্যোদয়ের দিনে by জুবাইদা গুলশান আরা
- কিশোর উপন্যাস- জোলা পালোয়ান by আতা সরকার
- কিশোর উপন্যাস- 'আমাদের টম কে জানো' by আবদুল হাই শি...
- মানসভ্রমণ- 'বেলবটম, পা ইত্যাদি' by আফজাল হোসেন
- স্মরণ- 'আবদুল মান্নান সৈয়দ এক প্রসন্ন কল্লোল' by শ...
- পল্লীভ্রমণ: 'দ্বীপ মনপুরার টানে' by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- তিনটি কবিতা by ওমর শামস
- কবিতাত্রয়ী by টোকন ঠাকুর ও কামরুজ্জামান কামু
- কবিতা- 'নিরাকারের মুখ' by সৈয়দ তারিক
- ছয়টি কবিতা' by গোলাম কিবরিয়া পিনু
- পুলিশ ও মিডিয়া by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- জুমকন্যার কাছে by মৃত্যুঞ্জয় রায়
- সহস্রাব্দের উন্নয়ন ধুমধাম ধামাকা by মুহাম্মদ হাবিব...
- আর্কটিকের জ্বালানি-সম্পদকেন্দ্রিক দ্বন্দ্ব by ড. প...
- লবণচাষিদের সমস্যা
- ডিসিসি নির্বাচন
- হামলার স্থান পরিদর্শনে আপত্তি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের
- দেশে তৈরি চালকবিহীন বিমানের পরীক্ষা চালিয়েছে ভারত
- মানব অস্তিত্ব রক্ষায় প্রাণী-উদ্ভিদের বিলুপ্তি ঠেকা...
- পাকিস্তানে আরামে আছেন লাদেন
- মেগির আঘাতে ফিলিপাইনের উপকূল লন্ডভন্ড
- অনেক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে
- ইরাক যুদ্ধের গোপন দলিল প্রকাশ করছে উইকিলিকস
- প্রজ্ঞাপন প্রত্যাহার মামলার শুনানি মুলতবি
- আগস্টে মূল্যস্ফীতির হার কিছুটা বেড়েছে
- বিদ্যুৎ নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতার দায় ৫০ বছর পর্যন্ত বহ...
- আর্থিক বাজারে ঋণমান আবশ্যক করার সুপারিশ
- পপুলার লাইফ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের শেয়ার লেনদেন ...
- তিনটি প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ ঘোষণা
- স্যামির হাতে গেইলের মশাল
- ওয়ানডে শুরু ২৩ অক্টোবর
- ছোট পর্দায়
- ‘লয়েড’ ওয়ার্নার
- যে কাউকেই আমরা হারাতে পারি
- বেদনার রাতে প্রতিশোধেরও আগুন
- ম্যানইউ ছেড়ে রিয়ালে রুনি
- তিন ‘ভাই’য়ের ড্র
- বিসিবিতে সিরিজ জয়ের উৎসব
- পাকিস্তান দলে যুক্ত হলেন শাহজাইব ও রিয়াজ
- আইসিসির র্যাঙ্কিং নিয়ে হাসির প্রশ্ন
- কবিতা- 'স্বর্ণজল্লাদ' by পিয়াস মজিদ
- কয়েক'টি কবিতা- by শামসেত তাবরেজী ও আলতাফ হোসেন
-
▼
Oct 20
(42)
-
▼
October
(964)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment