অন্য কারণ খুঁজে পাচ্ছেন মাসুদুল

কয়েক দিন আগে ১০০ মিটার স্প্রিন্টের ট্রায়ালে ১০.৭৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে প্রথম হয়েছেন মাসুদুল করিম। গত মাসে জার্মানির বার্লিন বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপেও গিয়েছিলেন। কিন্তু আগামী মাসে চীনে অনুষ্ঠেয় এশিয়ান ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড প্রতিযোগিতায় যেতে পারছেন না দেশের দ্রুততম মানব। তাঁকে বাদ দিয়ে চীনে পাঠানো হচ্ছে হাইজাম্পের সজীব হোসেন, লংজাম্পের ফিরোজ সরকার, হার্ডলসের আসাদুজ্জামান, ১০০ মিটার স্প্রিন্টের শামসুন্নাহার চুমকি ও সুমিতা রানীকে।
মাসুদুলের অভিযোগ, ‘আমি ১০০ মিটারে দেশসেরা হওয়ার পরও আমাকে ফেডারেশন চীনে পাঠাচ্ছে না। কোচ নিয়ে আন্দোলনের কারণেই আমাকে এভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। অথচ জার্মানি থেকে ফেরার পরপরই ফেডারেশনের সহসভাপতি আলী ইমাম আমাকে কথা দিয়েছিলেন চীনে একজনকে পাঠানো হলেও আমিই যাব।’ শুধু মাসুদুলই অবশ্য নন, ৪০০ মিটারের জাতীয় চ্যাম্পিয়ন আজহারুল ইসলাম ও ইসরাত জাহান ইভাকেও চীন সফর থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
মাসুদুলের অভিযোগ মানছেন না ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, ‘আমরা সবাইকে ঘুরিয়ে-ফিরিয়েই বিদেশে পাঠাতে চাই। তবে এখানে পারফরম্যান্সটাই মুখ্য। সর্বশেষ ট্রায়ালে মাসুদুল খুব বেশি ভালো করতে পারেনি। এটা একটা বিষয়। এ ছাড়া আসন্ন এসএ গেমসের জন্য ক্যাম্পের সবাই যাতে ভালো প্রস্তুতি নিতে পারে সে জন্যও এমন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। আর যদি আন্দোলনের জন্যই ওকে বাদ দিতাম তাহলে তো বার্লিনেই যেতে পারত না সে। আমরা চাইলে বিদেশ-যাত্রার এক সপ্তাহ আগেই সফরের জন্য নির্বাচিত তালিকা থেকে কাউকে বাদ দিতে পারি।’