Friday, March 6, 2015
মহান আল্লাহ ভালোই করেছেন এখনো করবেন আশা করি by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক
মহান আল্লাহ ভালোই করেছেন এখনো করবেন আশা করি by সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক
ক্যাডেট কলেজে যাওয়া
আমি ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে পড়ালেখার জন্য প্রবেশ করেছিলাম ৭ জুলাই ১৯৬২ সালে। আমার জীবনপথের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হলো এই ১৯৬২ সাল। এক দিকে ভাগ্যবিধাতা কর্তৃক লিখে রাখা নিয়তি, অপর দিকে তাঁরই সৃষ্টি মানুষজন কর্তৃক চেষ্টা। আমার বিনীত মূল্যায়নে উভয়ের সম্মিলিত ফল ছিল ক্যাডেট কলেজে প্রবেশ করা। ওই বছর সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান থেকে আমরা ৪৭ জন কিশোর কলেজে প্রবেশে করেছিলাম। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, এর মধ্য থেকে আমিসহ তিনজনই চট্টগ্রাম বন্দর হাইস্কুল তথা চিটাগং পোর্ট ট্রাস্ট হাইস্কুলের ছাত্র ছিলাম। ১৯৬১ সালের ডিসেম্বরে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং ১৯৬২ সালের জানুয়ারিতে আমরা নিজ নিজ শ্রেণীতে পদোন্নতি পেয়ে লেখাপড়া শুরু করেছিলাম। অতঃপর ক্যাডেট কলেজে ভর্তির জন্য আবেদনপত্র জমা দিয়েছি, লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছি, মৌখিক পরীক্ষা বা ভাইভায় অংশগ্রহণ করেছি, ডাক্তারের সামনে উপস্থিত হয়ে মেডিক্যাল পরীক্ষা দিয়েছি অতঃপর নির্বাচিত হয়ে ক্যাডেট কলেজে প্রবেশ করে সপ্তম শ্রেণীতে নতুন করে পড়া শুরু করেছি। আমি অষ্টম শ্রেণীতে পড়ারত অবস্থা থেকে সপ্তম শ্রেণীতে যাই। ফলে সমসাময়িক বন্ধুদের থেকে আমি এক বছর পিছিয়ে পড়েছিলাম। অর্থাৎ, বন্দর হাইস্কুলে যারা আমার কাসফ্রেন্ড ছিল, তারা ১৯৬৫ সালে এসএসসি দেয়, অপরপে আমি এসএসসি দিই ১৯৬৬ সালে। বন্দর হাইস্কুলের কাসফ্রেন্ডরা ইন্টার বা উচ্চমাধ্যমিক পাস করে ১৯৬৭ সালে, অপরপে আমি এইচএসসি পাস করি ১৯৬৮ সালে। এক বছরের তি কোনো দিক দিয়ে কি পূরণ হয়েছে? সংপ্তি উত্তর। আমি মনে করি মহান আল্লাহ তায়ালা পুষিয়ে দিয়েছেন। এইচএসসি পরীক্ষায় আমি কুমিল্লা বোর্ডে মানবিক বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করি।
অন্য তিন বন্ধুর গল্প
পোর্ট ট্রাস্ট থেকে আমরা চারজন ফৌজদারহাটে গিয়েছিলাম। পোর্ট ট্রাস্ট হাইস্কুলের ছাত্র নয়, কিন্তু পোর্ট ট্রাস্ট প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র এবং আমাদের কাসফ্রেন্ড ছিল এমন একজনও পরীক্ষা দিয়ে পাস করে ফৌজদারহাটে গিয়েছিল। তার নাম খন্দকার রফিকুল আলম। পঞ্চম শ্রেণীর পর পোর্ট ট্রাস্ট হাইস্কুলে প্রবেশ না করে, রফিক চট্টগ্রাম কলেজিয়েট হাইস্কুলে ভর্তি হয়েছিল এবং অষ্টম শ্রেণীতে পড়ারত অবস্থায় ছিল। অতএব আমি, পানাউল্লাহ ও রফিক ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলাম ছোটকাল থেকেই; লুৎফুল বারী বন্ধু হয় কলেজে যাওয়ার পর। অন্য যে তিনজনের কথা বলছিলাম তাদের মধ্যে, বন্দর হাইস্কুলের নবম শ্রেণীতে পড়ারত অবস্থা থেকে ফৌজদারহাটের সপ্তম শ্রেণীতে গিয়েছিল গোলাম মোহাম্মদ পানাউল্লাহ এবং সপ্তম শ্রেণীতে পড়ারত অবস্থা থেকে ফৌজদারহাটেরও সপ্তম শ্রেণীতে গিয়েছিল লুৎফুল বারী ভূইয়া। লুৎফুল বারী ভূইয়া বিজ্ঞান বিভাগে এবং যৌথ সব বিভাগে কুমিল্লা বোর্ডে প্রথম স্থান অধিকার করে। যদি বন্দর হাইস্কুলে পড়তেই থাকতাম, তাহলে আমি বা লুৎফুল বারী কি বোর্ডে প্রথম স্থান অধিকার করতে পারতাম? হয়তো বা না। আমি যেন প্রথম স্থান অধিকার করতে পারি, সম্ভবত তার জন্যই মহান আল্লাহ তায়ালা যিনি আমার ভাগ্যবিধাতা, তিনি আমাকে এক বছর তি দিয়ে ফৌজদারহাটে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছিলেন। রফিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জিয়োলজিতে মাস্টার্স করে, কিছু বছর পর বিদেশ থেকে পিএইচডি করে ২০-২৫ বছর যাবৎ আমেরিকাতে আছে। লুৎফুল বারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিজিকসে মাস্টার্স করে লন্ডন ইম্পেরিয়াল কলেজ অব সায়েন্স থেকে পিএইচডি করে, ২৫-৩০ বছর যাবৎ মধ্য আমেরিকার পুয়েরটোরিকো বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক। পানাউল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকা বিজ্ঞানে মাস্টার্স করে, ম্যানিলা থেকে পিএইচডি করে গাজীপুরে ইরি (ইন্টারন্যাশনাল রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউট)-এ ২০-২৫ বছর ছিল, পরে একটি এনজিওতে চলে যায়। আর আমিও অনেক চড়াই-উৎরাই পার হয়ে এ জায়গায় এসেছি। যেহেতু মিলিটারি একাডেমি থেকে বিএ পাস করার সুযোগ পাইনি তাই ১৯৭৪-এ বিএ পাস করি প্রাইভেট ক্যান্ডিডেট হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। উচ্চশিক্ষার অদম্য আগ্রহে ২০০৪-এ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ইন ডিফেন্স স্টাডিজ পাস করি প্রথম শ্রেণীতে। ছয় বছর আগে পিএইচডি প্রোগ্রামে নাম লিখিয়েছিলাম, সময়ের অভাবে ও ব্যস্ততার কারণে পিছিয়ে পড়েছি। আমরা ওই চার বন্ধু সবার জন্যই মহান আল্লাহ তায়ালা দয়াবান ছিলেন বলে আমার মূল্যায়ন।
জীবনের বৈচিত্র্য
সাধারণত প্রতিটি মানুষের েেত্রই জীবনের অভিজ্ঞতা বিচিত্র হয়। বিচিত্র শব্দটির বিকল্প হিসেবে বহুমাত্রিকও বলা যেতে পারে। আমি কয়েকটি উদাহরণ দিয়ে আলাপ করব। প্রথম উদাহরণ পঞ্চম শ্রেণীর পরীক্ষা। দ্বিতীয় উদাহরণ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের লেখাপড়া। তৃতীয় উদাহরণ পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে অসময়ে প্রবেশ করা। চতুর্থ উদাহরণ সেনাবাহিনীর মধ্যমেয়াদি উচ্চ প্রশিণ স্টাফ কলেজ সম্পন্ন করা এবং পঞ্চম ও শেষ উদাহরণ রাজনীতিতে প্রবেশ করা। ক্যাডেট কলেজে গিয়েছিলাম ১৯৬২ সালে। তার আগের ঘটনাটি না বললেই নয়।
পঞ্চম শ্রেণীর পরীক্ষা
হাটহাজারী থানার উত্তর বুড়িশ্চর গ্রামের রশিদিয়া ফ্রি প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র ছিলাম। পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি একসময় চট্টগ্রাম বন্দর উত্তর আবাসিক এলাকায় আব্বা পরিবার নিয়ে উঠেছিলেন। অতএব আমার বিদ্যালয় বদলাতে বাধ্য। আবাসিক এলাকার ভেতরেই ছিল বন্দর প্রাথমিক বিদ্যালয় নম্বর এক। ওখানে কাস থ্রিতে প্রবেশ করলাম। ছাত্র হিসেবে ছিলাম দুর্বল। দুর্বলতার মূল কারণ বিজ্ঞান ও অঙ্ক। প্রাইমারি স্কুলে বিজ্ঞান গৌণ ছিল, অঙ্ক মুখ্য ছিল। কাস ফাইভে ওঠা পর্যন্ত দুর্বলই ছিলাম। কাস ফাইভে পড়ার সময় অর্থাৎ ১৯৫৯ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের দিকে পঞ্চম শ্রেণীর বৃত্তি পরীক্ষার জন্য ছাত্র বাছাই হয়েছিল। ৫০-এর অধিক ছাত্রছাত্রী থেকে মেধাবী বা ভালো ২০ জনকে নেয়া হয়েছিল। স্কুলই তাদের কোচিং করালো, তারা পরীক্ষা দিলো, সবাই বৃত্তি পেল এবং নিয়ম মোতাবেক অটোমেটিক্যালি ষষ্ঠ শ্রেণীতে প্রমোশন পেল। আমরা বাকি ৩০-৪০ জন যারা দুর্বল ছিলাম তারা বার্ষিক পরীক্ষা দিতে বাধ্য। ওই অমেধাবী দুর্বলদের মধ্যে বার্ষিক পরীক্ষায় আমি প্রথম স্থান অধিকার করলাম। বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ সভায় পুরস্কার পেলাম। স্যার বললেন, ‘তুই হলি গাধাদের মধ্যে উত্তম গাধা।’ ওই উত্তম গাধা ইবরাহিমই ষষ্ঠ শ্রেণীতে প্রথম হলো, সপ্তম শ্রেণীতেও প্রথম হলো, ক্যাডেট কলেজে ঢোকারও সুযোগ পেল। কারণ, পঞ্চম শ্রেণীতে প্রথম হওয়ায় একটি অদম্য প্রেরণা সৃষ্টি হয়েছিল। কাসফ্রেন্ডরাও প্রচণ্ড সহযোগিতা করেছিল যেন আমি আমার অবস্থান বজায় রাখতে পারি। বৃত্তি পাইনি সত্য, কিন্তু মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন অন্য দিক দিয়ে পুষিয়ে দিয়েছিলেন।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান
জুন ১৯৬৮ সালে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের মেয়াদ শেষ। ক্যাডেট কলেজের ১৫-২০ জন বন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলাম ১৯৬৮-এর জুলাই-আগস্টে। প্রকৌশলীরা থেকে গেল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুরা হয় অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে গেল, নয়তো পাকিস্তান সেনা ও বিমানবাহিনীতে চলে গেল। যারা সেনাবাহিনীতে গেল তারা ১৯৬৮-এর নভেম্বর-ডিসেম্বরে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি কাকুলে যোগদান করল ৪৩তম পিএমএ লং কোর্সের ক্যাডেট হিসেবে। দু-একজন ’৬৯-এর মে-জুনে একই কাকুলে যোগদান করল, ৪৪তম পিএমএ লং কোর্সের ক্যাডেট হিসেবে। একজন আরো পাঁচ মাস পর যোগদান করল ৪৫তম পিএমএ লং কোর্সের ক্যাডেট হিসেবে। মাঝখানে জানুয়ারি ১৯৬৯-এ মোখলেস গিয়েছিল ১৯তম ওয়ার কোর্সে এবং মার্চের শেষে আব্দুল্লাহ গিয়েছিল ২০তম ওয়ার কোর্সে। দেখতে দেখতে ১৫-১৬ মাস পর আমি একদম একা। ১৯৬৯-এর গণ-আন্দোলন চলছিল। অনেকের সাথে তথা হাজার হাজার ছাত্রদের মধ্যে আমরাও মিটিং-মিছিলে থাকতাম; যেমন কিনা হ্যামিলনের বংশীবাদকের পেছনে শিশুরা ছিল। একপর্যায়ে লেখাপড়া থেকে মন উঠে গেল। সিদ্ধান্ত নিলাম, সবচেয়ে আগে যেই ব্যাচ বা কোর্সে সবার আগে সুযোগ পাবো সেটাতে যোগ দেবো। ক্যাডেট কলেজের ছাত্র হওয়ায় লিখিত পরীক্ষা মওকুফ ছিল। প্রাথমিক মৌখিক পরীক্ষার জন্য রুমের এক দরজা দিয়ে ঢুকে আরেক দরজা দিয়ে বের হয়ে গেলাম। বসতেও পারলাম না। পরীক তৎকালীন ব্রিগেডিয়ার জর্জ কায়েরনেন্ডার বললেন, ‘তুমি ব্রাউনের ছেলে, অতএব পাস।’ অর্থাৎ ক্যাডেট কলেজের প্রথম প্রিন্সিপাল লেফটেনেন্ট কর্নেল উইলিয়াম মরিস ব্রাউনের ছাত্র হিসেবে আমি নিঃসন্দেহে যোগ্য। আইএসএসবিতে গেলাম। জনৈক কর্নেল আফ্রিদি ছিলেন সভাপতি। নিবেই না। তার মত হচ্ছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো ছাত্ররা সেনাবাহিনীতে যেতে চায় রাজনীতি করার জন্য। দীর্ঘ পরীক্ষার পর, তিনি সম্মত হলেন আমাকে সেনাবাহিনীতে নিতে। ৯ জানুয়ারি ১৯৭০ তারিখে কাকুল পৌঁছেছিলাম, ২৪তম ওয়ার কোর্সের ক্যাডেট হিসেবে। ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭০ তারিখে আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ হলো এবং ৬ সেপ্টেম্বর তারিখে কমিশন পেলাম। ৯ মাসের প্রশিণে, সার্বণিক বিভিন্ন পর্যায়ের ও বিভিন্ন আঙ্গিকের সর্বপ্রকার মূল্যায়নে, আমি ১৭২ জন তরুণের মধ্যে সর্বোত্তম ক্যাডেট বিবেচিত হয়ে প্রথম পুরস্কার পেলাম। প্রথম হওয়ার সুবাদে চাকরির প্রথম দিন থেকেই একটা সুনামের আবহ সৃষ্টি হলো। প্রথম হওয়ার সুবাদে নিজের পছন্দের জায়গায় প্রথম চাকরি শুরু করার আনুষ্ঠানিক সুযোগ পেলাম। আমি, তৎকালীন ঢাকা মহানগরের আনুমানিক ২০-২১ মাইল উত্তরে অবস্থিত ইতিহাসখ্যাত ভাওয়াল রাজাদের রাজধানী জয়দেবপুর রাজবাড়িতে অবস্থিত (বর্তমান গাজীপুর জেলা সদর) দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করি। সাত মাস পর, মুক্তিযুদ্ধে যোগদানের প্রশস্ত কিন্তু কঠিন পথে কদম রাখি সবার সাথে। যদিও মিলিটারি একাডেমিতে দেরিতে গিয়েছিলাম, যদিও বন্ধুবান্ধব থেকে চাকরির শুরুতেই পিছিয়ে পড়েছিলাম, তারপরও মহান আল্লাহ তায়ালা বিরাট একটি উপহার দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধে যোগদানের সুযোগ দিয়ে।
সেনাবাহিনীর স্টাফ কোর্স
পৃথিবীর প্রত্যেক সেনাবাহিনীতেই অফিসারদের প্রশিণের জন্য বিভিন্ন প্রকারের প্রশিণ মডিউল বা কোর্স থাকে। কিছু করতে হয় প্রথম তিন-চার বছরের মধ্যেই। কিছু করতে হয় আট থেকে ১২-১৩ বছরের মধ্যেই। কিছু করতে হয় ১৬ থেকে ২০ বছরের মধ্যেই। কিছু করতে হয় ২০ বছরের ওপরে চাকরি হলে। যেহেতু বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নতুন ছিল, অনেক কষ্ট ও পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে গঠিত হচ্ছিল তাই, ৭০ বা ৮০’র দশকের অফিসারদের গুরুত্বপূর্ণ প্রশিণগুলোর সুযোগ পেতে বিলম্ব হয়েছিল। ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর স্টাফ কলেজের অবস্থান ছিল লন্ডন মহানগরী থেকে আনুমানিক ৪০ মাইল দেিণ, সাররে কাউন্টিতে অবস্থিত ক্যাম্বারলি নামের ুদ্র থেকেও ুদ্র শহরে। ক্যাম্বারলির আদলে গড়ে উঠেছিল ভারত ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর স্টাফ কলেজগুলো। ভারতীয় সেনাবাহিনীর স্টাফ কলেজের অবস্থান হচ্ছে দণি ভারতের ওয়েলিংটন নামের ুদ্রাতিুদ্র শহরে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী স্টাফ কলেজের অবস্থান হচ্ছে প্রাচীন কোয়েটা সেনানিবাসে। স্বাধীন বাংলাদেশে একটি ব্রিটিশ টিমের সহযোগিতায় স্টাফ কলেজ স্থাপিত হয়েছিল ঢাকা মহানগরের উত্তর অংশে মিরপুর সেনানিবাসে, ১৯৭৭-এর শেষাংশে। ১৯৮০ সালে লেফটেনেন্ট কর্নেল ইবরাহিম প্রথমবার পরীক্ষার আবেদন জমা দিলাম। পরীক্ষার দুই মাস আগে লেফটেনেন্ট কর্নেল দিদারুল আলম বীর প্রতীকের নেতৃত্বে একটি ব্যর্থ অভ্যুত্থান হয়েছিল। আমার ব্যাটালিয়ন বা সপ্তম বেঙ্গলের কাছেই। অন্য সব অধিনায়কের মতো, আমারও জীবন কঠিন হয়ে গেল; অফিসে ঘুমাই, অফিসে থাকি দিবারাত্র তিন মাস। পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারছি না দেখে, আবেদনপত্র প্রত্যাহার করলাম। ১৯৮১ সালে দ্বিতীয়বার পরীক্ষার আবেদন জমা দিলাম। ৩০ মে সেনাবিদ্রোহ হলো চট্টগ্রামে। অভিযুক্ত অফিসারদের কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে বিচার হবে। সেনাবাহিনীর আইন মোতাবেক অভিযুক্তরা একজন করে বন্ধু পাবেন (অর্থাৎ উকিল)। ২৯ জন অভিযুক্তের জন্য মোট তিনজন বন্ধু বা ডিফেন্ডিং অফিসার নিযুক্ত হলাম। আমি কনিষ্ঠতম। পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি বাক্সবন্দী করে বাসার স্টোর রুমে রেখে দিলাম। পরীক্ষার ২০ দিন আগে ব্যস্ততা থেকে মুক্ত হলাম। প্রস্তুতি নেই দেখে আবেদনপত্র প্রত্যাহার করলাম। এটা দ্বিতীয়বারের মতো। ১৯৮২ সালে আবার বা তৃতীয়বারের মতো আবেদন করলাম। ২৪ মার্চ তারিখে এরশাদ সাহেব সামরিক শাসন জারি করলেন। পয়লা এপ্রিল থেকে এক উৎকট ঝামেলায় আমাকে নিমজ্জিত করলেন। ব্রিগেডিয়ার বদরুজ্জামানের নেতৃত্বে গঠিত হলো মার্শাল ল ভিজিলেন্স টিম। চার সদস্যের আমি একজন। সকাল ৭টায় বাসা থেকে বের হই, রাত ৯-১০টায় ফিরি। এখন পেছনের দিকে তাকিয়ে দেখি, সময়ের একটি মহা অপচয় ছিল সেটা। প্রস্তুতি নিতে পারছিলাম না। আবার প্রত্যাহারের আবেদন করলাম। অর্থাৎ তৃতীয়বারের মতো স্টাফ কলেজ ভর্তি পরীক্ষা না দেয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন করছি। তখনকার আমলের সিজিএস মেজর জেনারেল নুরুদ্দীন খান আন্তরিকভাবেই শুভাকাক্সী ছিলেন। আমার প্রত্যাহার আবেদন না মঞ্জুর হলো। জেনারেল নুরুদ্দীন আমাকে বাধ্য করলেন ১৫ দিনের জন্য কঠোরভাবে প্রস্তুতি নিতে। তিনিই জানালেন, মালয়েশিয়া থেকে একটা স্কলারশিপ ইতোমধ্যে এসে গেছে এবং ইংল্যান্ড থেকে একটা স্কলারশিপ আসতেই পারে এ বছর। তুমি পরীক্ষা দাও। তিন-চার বছর পরপর ইংল্যান্ড থেকে এ রকম একটা স্কলারশিপ আসত। আমি ইনিয়ে-বিনিয়ে নিবেদন করেছিলাম যে, যেহেতু প্রস্তুতি কম সেহেতু ফলাফল খারাপ হলে লজ্জা হবে ও সুনামের তি হবে। নুরুদ্দীন সাহেবের শুভেচ্ছা-স্পর্শিত চাপে বাধ্য হয়ে পরীক্ষা দিলাম। লিখিত পরীক্ষায় খুব ভালো করলাম। প্রথম তিনজনকে ডাকা হলো। একজনকে ইংল্যান্ডে পাঠানো হবে, আরেকজনকে মালয়েশিয়া পাঠানো হবে। দীর্ঘ এবং কঠিন মৌখিক পরীক্ষার পর ইংল্যান্ডে যাওয়ার জন্য মনোনীত হলাম। ১৮ অক্টোবর ১৯৮২ থেকে ২৩ নভেম্বর ১৯৮২, ইংল্যান্ডের ‘ দ্য রয়েল স্টাফ কলেজ ক্যাম্বারলি’-এ লেখাপড়া করলাম। মোট ছাত্র ১৮০ জন ছিলাম। যার মধ্যে ৪৪ জন ছিলাম বিদেশী। ১৯৮০ ও ১৯৮১ এই দুই বছর আবেদন প্রত্যাহার করার পর, মন খারাপ ছিল। ১৮৮২ তেও মন খারাপ ছিল। অনিচ্ছা সত্ত্বেও পরীক্ষা দিয়েছি। মহান আল্লাহ তায়ালা যোগ্যতা অর্জনের পথ ও সম্মানপ্রাপ্তির পথ প্রশস্ত করে দিয়েছিলেন।
রাজনীতিতে প্রবেশ এবং কলাম লেখা প্রসঙ্গ
ওপরের চারটি উদাহরণের বর্ণনা বলতে গেলে আত্মজীবনীরই অংশ। মালয়েশিয়ার বিখ্যাত মাহাথির মুহাম্মদ ১৯৪৯ সালে ইংল্যান্ড যেতে চেয়েছিলেন বৃত্তি নিয়ে আইন পড়ার জন্য। কর্তৃপ তাকে বৃত্তি দিয়েছিল সিঙ্গাপুরে ডাক্তারি পড়ার জন্য। ডাক্তারি পড়তে গিয়ে তিনি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। ৫৯ বছর বয়সে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। আমি ১৯৪৯ সালে মাত্র জন্মগ্রহণ করেছি। ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে আমার বয়স ৫৮ বছর তিন মাসের সময় আমি বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির পতাকাতলে রাজনীতির কর্মী হিসেবে নাম লেখাই। রাজনৈতিক দলের নীতিবাক্য হচ্ছেÑ ‘পরিবর্তনের জন্য রাজনীতি’ তথা ইংরেজি পরিভাষায় পলিটিকস ফর চেঞ্জ। গত প্রায় তিন বছর প্রতি সপ্তাহে একটি করে কলাম লিখছি নয়া দিগন্তের জন্য। প্রথমে মঙ্গলবারে বের হতো, পাঁচ মাস ধরে বুধবারে বের হয়। আজ থেকে নিয়ে বিগত পাঁচ মাস রাজনীতি নিয়েই বেশি লিখেছি। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির জন্মের পেছনে কী প্রোপট ছিল, কল্যাণ পার্টির প্রেরণা, দর্শন, ল্য কী ইত্যাদি নিয়ে লিখেছি। তরুণ সম্প্রদায় এবং সৎ ও মেধাবী ব্যক্তিরা যেন রাজনীতিতে আগ্রহী হন, সে সম্পর্কে লিখেছি। জাতীয়তাবাদী ঘরানার রাজনীতির ব্যাখ্যা তথা যুগপৎ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের চেতনার মিশ্রিত প্রকাশ ঘটিয়েছি আমার কলামগুলোতে। বিশাল বাংলাদেশের বিশাল রাজনৈতিক অঙ্গনে ছোট ছোট রাজনৈতিক দলের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে কলাম লিখেছি। সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতি তুলে দেয়া এবং গণভোটের বিধান বাদ দেয়া প্রসঙ্গে লিখেছি। সাধারণ মানুষের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে লিখেছি। আমার জন্মস্থান চট্টগ্রাম বা হাটহাজারী জনগণের চিন্তাকে সাধারণ মানদণ্ড মনে করে মানুষের কথা লিখেছি। গত তিন বছর পাঁচ মাস খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জোটবদ্ধ আছি, যদিও জোটের আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা দিবস ১৮ এপ্রিল ২০১২। রাজনীতির অঙ্গন এই মুহূর্তে এতই জটিল, এতই বিতর্কিত, এতই আক্রান্ত যে; আমি যথেষ্টভাবে এর ব্যাখ্যা করতে পারিনি এবং পারব কি না তা-ও সন্দেহ। অনেক সময় মনে হয়, এত কষ্ট করে কলাম লিখেই বা কী হবে? কিন্তু নিয়ত পরিষ্কার থাকলে মহান আল্লাহ তায়ালা সাহায্য করবেন বলে একটা বিশ্বাস আছে। অন্ততপে এইটুকু দৃঢ়বিশ্বাস আছে যে, আমি যা চাই তা পেতেও পারি অথবা না-ও পেতে পারি। কিন্তু যেই সিদ্ধান্তই মহান আল্লাহ তায়ালা দেন, সেটা আমার মঙ্গলের জন্যই দেবেন। আমার আজকের কলাম শেষ করতে চাই ছোট একটি প্রবাদবাক্যের ুদ্র ব্যাখ্যা দিয়ে।
প্রকাশিত সংবাদ থেকে, অপ্রকাশিতের সংখ্যা বেশি
কোনো একজন মহান ব্যক্তি কোনো এক অতীতে বলেছিলেন ইংরেজি ভাষায়Ñ ‘দেয়ার আর মোর নিউজ, দ্যান আর রিপোর্টেড ইন দি নিউজ পেপারস।’ একবিংশ শতাব্দীতে বললে হয়তো বলতেনÑ ‘দেয়ার আর মোর নিউজ, দ্যান আর রিপোর্টেড ইন দি নিউজ পেপারস অর ইন দি অনলাইন পোর্টালস অর ইন দি টেলিভিশন চ্যানেলস।’ আসলেই বারো-তেরোটা পত্রিকায় চোখ বুলিয়ে, কুড়ি-বাইশটা চ্যানেলের মধ্যে অন্তত দু-চারটির সংবাদ শুনে এবং অনলাইনের সংবাদ ফেসবুকে দেখে তৃপ্তি মেটাতে পারি না। আমার কাণ্ডজ্ঞানই বলে, সব কথা বলা হয়নি তাই আমি সব কথা জানতে পারছি না। কথার ফাঁক থাকলে বিশ্বাসের ফাঁক থেকে যায়। বিশ্বাসের ফাঁক থাকলে সহযোগিতা পূর্ণ হয় না। সহযোগিতা না থাকলে সমস্যার সমাধান দুষ্কর। সমস্যার সমাধান না হলে আমরা অন্ধকারের দিকেই হাঁটব।
লেখক : চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
www.generalibrahim.com
আমি ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে পড়ালেখার জন্য প্রবেশ করেছিলাম ৭ জুলাই ১৯৬২ সালে। আমার জীবনপথের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হলো এই ১৯৬২ সাল। এক দিকে ভাগ্যবিধাতা কর্তৃক লিখে রাখা নিয়তি, অপর দিকে তাঁরই সৃষ্টি মানুষজন কর্তৃক চেষ্টা। আমার বিনীত মূল্যায়নে উভয়ের সম্মিলিত ফল ছিল ক্যাডেট কলেজে প্রবেশ করা। ওই বছর সমগ্র পূর্ব পাকিস্তান থেকে আমরা ৪৭ জন কিশোর কলেজে প্রবেশে করেছিলাম। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য যে, এর মধ্য থেকে আমিসহ তিনজনই চট্টগ্রাম বন্দর হাইস্কুল তথা চিটাগং পোর্ট ট্রাস্ট হাইস্কুলের ছাত্র ছিলাম। ১৯৬১ সালের ডিসেম্বরে বার্ষিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং ১৯৬২ সালের জানুয়ারিতে আমরা নিজ নিজ শ্রেণীতে পদোন্নতি পেয়ে লেখাপড়া শুরু করেছিলাম। অতঃপর ক্যাডেট কলেজে ভর্তির জন্য আবেদনপত্র জমা দিয়েছি, লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছি, মৌখিক পরীক্ষা বা ভাইভায় অংশগ্রহণ করেছি, ডাক্তারের সামনে উপস্থিত হয়ে মেডিক্যাল পরীক্ষা দিয়েছি অতঃপর নির্বাচিত হয়ে ক্যাডেট কলেজে প্রবেশ করে সপ্তম শ্রেণীতে নতুন করে পড়া শুরু করেছি। আমি অষ্টম শ্রেণীতে পড়ারত অবস্থা থেকে সপ্তম শ্রেণীতে যাই। ফলে সমসাময়িক বন্ধুদের থেকে আমি এক বছর পিছিয়ে পড়েছিলাম। অর্থাৎ, বন্দর হাইস্কুলে যারা আমার কাসফ্রেন্ড ছিল, তারা ১৯৬৫ সালে এসএসসি দেয়, অপরপে আমি এসএসসি দিই ১৯৬৬ সালে। বন্দর হাইস্কুলের কাসফ্রেন্ডরা ইন্টার বা উচ্চমাধ্যমিক পাস করে ১৯৬৭ সালে, অপরপে আমি এইচএসসি পাস করি ১৯৬৮ সালে। এক বছরের তি কোনো দিক দিয়ে কি পূরণ হয়েছে? সংপ্তি উত্তর। আমি মনে করি মহান আল্লাহ তায়ালা পুষিয়ে দিয়েছেন। এইচএসসি পরীক্ষায় আমি কুমিল্লা বোর্ডে মানবিক বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করি।
অন্য তিন বন্ধুর গল্প
পোর্ট ট্রাস্ট থেকে আমরা চারজন ফৌজদারহাটে গিয়েছিলাম। পোর্ট ট্রাস্ট হাইস্কুলের ছাত্র নয়, কিন্তু পোর্ট ট্রাস্ট প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র এবং আমাদের কাসফ্রেন্ড ছিল এমন একজনও পরীক্ষা দিয়ে পাস করে ফৌজদারহাটে গিয়েছিল। তার নাম খন্দকার রফিকুল আলম। পঞ্চম শ্রেণীর পর পোর্ট ট্রাস্ট হাইস্কুলে প্রবেশ না করে, রফিক চট্টগ্রাম কলেজিয়েট হাইস্কুলে ভর্তি হয়েছিল এবং অষ্টম শ্রেণীতে পড়ারত অবস্থায় ছিল। অতএব আমি, পানাউল্লাহ ও রফিক ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলাম ছোটকাল থেকেই; লুৎফুল বারী বন্ধু হয় কলেজে যাওয়ার পর। অন্য যে তিনজনের কথা বলছিলাম তাদের মধ্যে, বন্দর হাইস্কুলের নবম শ্রেণীতে পড়ারত অবস্থা থেকে ফৌজদারহাটের সপ্তম শ্রেণীতে গিয়েছিল গোলাম মোহাম্মদ পানাউল্লাহ এবং সপ্তম শ্রেণীতে পড়ারত অবস্থা থেকে ফৌজদারহাটেরও সপ্তম শ্রেণীতে গিয়েছিল লুৎফুল বারী ভূইয়া। লুৎফুল বারী ভূইয়া বিজ্ঞান বিভাগে এবং যৌথ সব বিভাগে কুমিল্লা বোর্ডে প্রথম স্থান অধিকার করে। যদি বন্দর হাইস্কুলে পড়তেই থাকতাম, তাহলে আমি বা লুৎফুল বারী কি বোর্ডে প্রথম স্থান অধিকার করতে পারতাম? হয়তো বা না। আমি যেন প্রথম স্থান অধিকার করতে পারি, সম্ভবত তার জন্যই মহান আল্লাহ তায়ালা যিনি আমার ভাগ্যবিধাতা, তিনি আমাকে এক বছর তি দিয়ে ফৌজদারহাটে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছিলেন। রফিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জিয়োলজিতে মাস্টার্স করে, কিছু বছর পর বিদেশ থেকে পিএইচডি করে ২০-২৫ বছর যাবৎ আমেরিকাতে আছে। লুৎফুল বারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিজিকসে মাস্টার্স করে লন্ডন ইম্পেরিয়াল কলেজ অব সায়েন্স থেকে পিএইচডি করে, ২৫-৩০ বছর যাবৎ মধ্য আমেরিকার পুয়েরটোরিকো বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক। পানাউল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকা বিজ্ঞানে মাস্টার্স করে, ম্যানিলা থেকে পিএইচডি করে গাজীপুরে ইরি (ইন্টারন্যাশনাল রাইস রিসার্চ ইনস্টিটিউট)-এ ২০-২৫ বছর ছিল, পরে একটি এনজিওতে চলে যায়। আর আমিও অনেক চড়াই-উৎরাই পার হয়ে এ জায়গায় এসেছি। যেহেতু মিলিটারি একাডেমি থেকে বিএ পাস করার সুযোগ পাইনি তাই ১৯৭৪-এ বিএ পাস করি প্রাইভেট ক্যান্ডিডেট হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। উচ্চশিক্ষার অদম্য আগ্রহে ২০০৪-এ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ইন ডিফেন্স স্টাডিজ পাস করি প্রথম শ্রেণীতে। ছয় বছর আগে পিএইচডি প্রোগ্রামে নাম লিখিয়েছিলাম, সময়ের অভাবে ও ব্যস্ততার কারণে পিছিয়ে পড়েছি। আমরা ওই চার বন্ধু সবার জন্যই মহান আল্লাহ তায়ালা দয়াবান ছিলেন বলে আমার মূল্যায়ন।
জীবনের বৈচিত্র্য
সাধারণত প্রতিটি মানুষের েেত্রই জীবনের অভিজ্ঞতা বিচিত্র হয়। বিচিত্র শব্দটির বিকল্প হিসেবে বহুমাত্রিকও বলা যেতে পারে। আমি কয়েকটি উদাহরণ দিয়ে আলাপ করব। প্রথম উদাহরণ পঞ্চম শ্রেণীর পরীক্ষা। দ্বিতীয় উদাহরণ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের লেখাপড়া। তৃতীয় উদাহরণ পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে অসময়ে প্রবেশ করা। চতুর্থ উদাহরণ সেনাবাহিনীর মধ্যমেয়াদি উচ্চ প্রশিণ স্টাফ কলেজ সম্পন্ন করা এবং পঞ্চম ও শেষ উদাহরণ রাজনীতিতে প্রবেশ করা। ক্যাডেট কলেজে গিয়েছিলাম ১৯৬২ সালে। তার আগের ঘটনাটি না বললেই নয়।
পঞ্চম শ্রেণীর পরীক্ষা
হাটহাজারী থানার উত্তর বুড়িশ্চর গ্রামের রশিদিয়া ফ্রি প্রাইমারি স্কুলের ছাত্র ছিলাম। পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি একসময় চট্টগ্রাম বন্দর উত্তর আবাসিক এলাকায় আব্বা পরিবার নিয়ে উঠেছিলেন। অতএব আমার বিদ্যালয় বদলাতে বাধ্য। আবাসিক এলাকার ভেতরেই ছিল বন্দর প্রাথমিক বিদ্যালয় নম্বর এক। ওখানে কাস থ্রিতে প্রবেশ করলাম। ছাত্র হিসেবে ছিলাম দুর্বল। দুর্বলতার মূল কারণ বিজ্ঞান ও অঙ্ক। প্রাইমারি স্কুলে বিজ্ঞান গৌণ ছিল, অঙ্ক মুখ্য ছিল। কাস ফাইভে ওঠা পর্যন্ত দুর্বলই ছিলাম। কাস ফাইভে পড়ার সময় অর্থাৎ ১৯৫৯ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের দিকে পঞ্চম শ্রেণীর বৃত্তি পরীক্ষার জন্য ছাত্র বাছাই হয়েছিল। ৫০-এর অধিক ছাত্রছাত্রী থেকে মেধাবী বা ভালো ২০ জনকে নেয়া হয়েছিল। স্কুলই তাদের কোচিং করালো, তারা পরীক্ষা দিলো, সবাই বৃত্তি পেল এবং নিয়ম মোতাবেক অটোমেটিক্যালি ষষ্ঠ শ্রেণীতে প্রমোশন পেল। আমরা বাকি ৩০-৪০ জন যারা দুর্বল ছিলাম তারা বার্ষিক পরীক্ষা দিতে বাধ্য। ওই অমেধাবী দুর্বলদের মধ্যে বার্ষিক পরীক্ষায় আমি প্রথম স্থান অধিকার করলাম। বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ সভায় পুরস্কার পেলাম। স্যার বললেন, ‘তুই হলি গাধাদের মধ্যে উত্তম গাধা।’ ওই উত্তম গাধা ইবরাহিমই ষষ্ঠ শ্রেণীতে প্রথম হলো, সপ্তম শ্রেণীতেও প্রথম হলো, ক্যাডেট কলেজে ঢোকারও সুযোগ পেল। কারণ, পঞ্চম শ্রেণীতে প্রথম হওয়ায় একটি অদম্য প্রেরণা সৃষ্টি হয়েছিল। কাসফ্রেন্ডরাও প্রচণ্ড সহযোগিতা করেছিল যেন আমি আমার অবস্থান বজায় রাখতে পারি। বৃত্তি পাইনি সত্য, কিন্তু মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন অন্য দিক দিয়ে পুষিয়ে দিয়েছিলেন।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগদান
জুন ১৯৬৮ সালে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের মেয়াদ শেষ। ক্যাডেট কলেজের ১৫-২০ জন বন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলাম ১৯৬৮-এর জুলাই-আগস্টে। প্রকৌশলীরা থেকে গেল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুরা হয় অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে গেল, নয়তো পাকিস্তান সেনা ও বিমানবাহিনীতে চলে গেল। যারা সেনাবাহিনীতে গেল তারা ১৯৬৮-এর নভেম্বর-ডিসেম্বরে পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমি কাকুলে যোগদান করল ৪৩তম পিএমএ লং কোর্সের ক্যাডেট হিসেবে। দু-একজন ’৬৯-এর মে-জুনে একই কাকুলে যোগদান করল, ৪৪তম পিএমএ লং কোর্সের ক্যাডেট হিসেবে। একজন আরো পাঁচ মাস পর যোগদান করল ৪৫তম পিএমএ লং কোর্সের ক্যাডেট হিসেবে। মাঝখানে জানুয়ারি ১৯৬৯-এ মোখলেস গিয়েছিল ১৯তম ওয়ার কোর্সে এবং মার্চের শেষে আব্দুল্লাহ গিয়েছিল ২০তম ওয়ার কোর্সে। দেখতে দেখতে ১৫-১৬ মাস পর আমি একদম একা। ১৯৬৯-এর গণ-আন্দোলন চলছিল। অনেকের সাথে তথা হাজার হাজার ছাত্রদের মধ্যে আমরাও মিটিং-মিছিলে থাকতাম; যেমন কিনা হ্যামিলনের বংশীবাদকের পেছনে শিশুরা ছিল। একপর্যায়ে লেখাপড়া থেকে মন উঠে গেল। সিদ্ধান্ত নিলাম, সবচেয়ে আগে যেই ব্যাচ বা কোর্সে সবার আগে সুযোগ পাবো সেটাতে যোগ দেবো। ক্যাডেট কলেজের ছাত্র হওয়ায় লিখিত পরীক্ষা মওকুফ ছিল। প্রাথমিক মৌখিক পরীক্ষার জন্য রুমের এক দরজা দিয়ে ঢুকে আরেক দরজা দিয়ে বের হয়ে গেলাম। বসতেও পারলাম না। পরীক তৎকালীন ব্রিগেডিয়ার জর্জ কায়েরনেন্ডার বললেন, ‘তুমি ব্রাউনের ছেলে, অতএব পাস।’ অর্থাৎ ক্যাডেট কলেজের প্রথম প্রিন্সিপাল লেফটেনেন্ট কর্নেল উইলিয়াম মরিস ব্রাউনের ছাত্র হিসেবে আমি নিঃসন্দেহে যোগ্য। আইএসএসবিতে গেলাম। জনৈক কর্নেল আফ্রিদি ছিলেন সভাপতি। নিবেই না। তার মত হচ্ছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভালো ছাত্ররা সেনাবাহিনীতে যেতে চায় রাজনীতি করার জন্য। দীর্ঘ পরীক্ষার পর, তিনি সম্মত হলেন আমাকে সেনাবাহিনীতে নিতে। ৯ জানুয়ারি ১৯৭০ তারিখে কাকুল পৌঁছেছিলাম, ২৪তম ওয়ার কোর্সের ক্যাডেট হিসেবে। ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭০ তারিখে আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ হলো এবং ৬ সেপ্টেম্বর তারিখে কমিশন পেলাম। ৯ মাসের প্রশিণে, সার্বণিক বিভিন্ন পর্যায়ের ও বিভিন্ন আঙ্গিকের সর্বপ্রকার মূল্যায়নে, আমি ১৭২ জন তরুণের মধ্যে সর্বোত্তম ক্যাডেট বিবেচিত হয়ে প্রথম পুরস্কার পেলাম। প্রথম হওয়ার সুবাদে চাকরির প্রথম দিন থেকেই একটা সুনামের আবহ সৃষ্টি হলো। প্রথম হওয়ার সুবাদে নিজের পছন্দের জায়গায় প্রথম চাকরি শুরু করার আনুষ্ঠানিক সুযোগ পেলাম। আমি, তৎকালীন ঢাকা মহানগরের আনুমানিক ২০-২১ মাইল উত্তরে অবস্থিত ইতিহাসখ্যাত ভাওয়াল রাজাদের রাজধানী জয়দেবপুর রাজবাড়িতে অবস্থিত (বর্তমান গাজীপুর জেলা সদর) দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করি। সাত মাস পর, মুক্তিযুদ্ধে যোগদানের প্রশস্ত কিন্তু কঠিন পথে কদম রাখি সবার সাথে। যদিও মিলিটারি একাডেমিতে দেরিতে গিয়েছিলাম, যদিও বন্ধুবান্ধব থেকে চাকরির শুরুতেই পিছিয়ে পড়েছিলাম, তারপরও মহান আল্লাহ তায়ালা বিরাট একটি উপহার দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধে যোগদানের সুযোগ দিয়ে।
সেনাবাহিনীর স্টাফ কোর্স
পৃথিবীর প্রত্যেক সেনাবাহিনীতেই অফিসারদের প্রশিণের জন্য বিভিন্ন প্রকারের প্রশিণ মডিউল বা কোর্স থাকে। কিছু করতে হয় প্রথম তিন-চার বছরের মধ্যেই। কিছু করতে হয় আট থেকে ১২-১৩ বছরের মধ্যেই। কিছু করতে হয় ১৬ থেকে ২০ বছরের মধ্যেই। কিছু করতে হয় ২০ বছরের ওপরে চাকরি হলে। যেহেতু বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নতুন ছিল, অনেক কষ্ট ও পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে গঠিত হচ্ছিল তাই, ৭০ বা ৮০’র দশকের অফিসারদের গুরুত্বপূর্ণ প্রশিণগুলোর সুযোগ পেতে বিলম্ব হয়েছিল। ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর স্টাফ কলেজের অবস্থান ছিল লন্ডন মহানগরী থেকে আনুমানিক ৪০ মাইল দেিণ, সাররে কাউন্টিতে অবস্থিত ক্যাম্বারলি নামের ুদ্র থেকেও ুদ্র শহরে। ক্যাম্বারলির আদলে গড়ে উঠেছিল ভারত ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর স্টাফ কলেজগুলো। ভারতীয় সেনাবাহিনীর স্টাফ কলেজের অবস্থান হচ্ছে দণি ভারতের ওয়েলিংটন নামের ুদ্রাতিুদ্র শহরে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী স্টাফ কলেজের অবস্থান হচ্ছে প্রাচীন কোয়েটা সেনানিবাসে। স্বাধীন বাংলাদেশে একটি ব্রিটিশ টিমের সহযোগিতায় স্টাফ কলেজ স্থাপিত হয়েছিল ঢাকা মহানগরের উত্তর অংশে মিরপুর সেনানিবাসে, ১৯৭৭-এর শেষাংশে। ১৯৮০ সালে লেফটেনেন্ট কর্নেল ইবরাহিম প্রথমবার পরীক্ষার আবেদন জমা দিলাম। পরীক্ষার দুই মাস আগে লেফটেনেন্ট কর্নেল দিদারুল আলম বীর প্রতীকের নেতৃত্বে একটি ব্যর্থ অভ্যুত্থান হয়েছিল। আমার ব্যাটালিয়ন বা সপ্তম বেঙ্গলের কাছেই। অন্য সব অধিনায়কের মতো, আমারও জীবন কঠিন হয়ে গেল; অফিসে ঘুমাই, অফিসে থাকি দিবারাত্র তিন মাস। পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে পারছি না দেখে, আবেদনপত্র প্রত্যাহার করলাম। ১৯৮১ সালে দ্বিতীয়বার পরীক্ষার আবেদন জমা দিলাম। ৩০ মে সেনাবিদ্রোহ হলো চট্টগ্রামে। অভিযুক্ত অফিসারদের কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে বিচার হবে। সেনাবাহিনীর আইন মোতাবেক অভিযুক্তরা একজন করে বন্ধু পাবেন (অর্থাৎ উকিল)। ২৯ জন অভিযুক্তের জন্য মোট তিনজন বন্ধু বা ডিফেন্ডিং অফিসার নিযুক্ত হলাম। আমি কনিষ্ঠতম। পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি বাক্সবন্দী করে বাসার স্টোর রুমে রেখে দিলাম। পরীক্ষার ২০ দিন আগে ব্যস্ততা থেকে মুক্ত হলাম। প্রস্তুতি নেই দেখে আবেদনপত্র প্রত্যাহার করলাম। এটা দ্বিতীয়বারের মতো। ১৯৮২ সালে আবার বা তৃতীয়বারের মতো আবেদন করলাম। ২৪ মার্চ তারিখে এরশাদ সাহেব সামরিক শাসন জারি করলেন। পয়লা এপ্রিল থেকে এক উৎকট ঝামেলায় আমাকে নিমজ্জিত করলেন। ব্রিগেডিয়ার বদরুজ্জামানের নেতৃত্বে গঠিত হলো মার্শাল ল ভিজিলেন্স টিম। চার সদস্যের আমি একজন। সকাল ৭টায় বাসা থেকে বের হই, রাত ৯-১০টায় ফিরি। এখন পেছনের দিকে তাকিয়ে দেখি, সময়ের একটি মহা অপচয় ছিল সেটা। প্রস্তুতি নিতে পারছিলাম না। আবার প্রত্যাহারের আবেদন করলাম। অর্থাৎ তৃতীয়বারের মতো স্টাফ কলেজ ভর্তি পরীক্ষা না দেয়ার জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন করছি। তখনকার আমলের সিজিএস মেজর জেনারেল নুরুদ্দীন খান আন্তরিকভাবেই শুভাকাক্সী ছিলেন। আমার প্রত্যাহার আবেদন না মঞ্জুর হলো। জেনারেল নুরুদ্দীন আমাকে বাধ্য করলেন ১৫ দিনের জন্য কঠোরভাবে প্রস্তুতি নিতে। তিনিই জানালেন, মালয়েশিয়া থেকে একটা স্কলারশিপ ইতোমধ্যে এসে গেছে এবং ইংল্যান্ড থেকে একটা স্কলারশিপ আসতেই পারে এ বছর। তুমি পরীক্ষা দাও। তিন-চার বছর পরপর ইংল্যান্ড থেকে এ রকম একটা স্কলারশিপ আসত। আমি ইনিয়ে-বিনিয়ে নিবেদন করেছিলাম যে, যেহেতু প্রস্তুতি কম সেহেতু ফলাফল খারাপ হলে লজ্জা হবে ও সুনামের তি হবে। নুরুদ্দীন সাহেবের শুভেচ্ছা-স্পর্শিত চাপে বাধ্য হয়ে পরীক্ষা দিলাম। লিখিত পরীক্ষায় খুব ভালো করলাম। প্রথম তিনজনকে ডাকা হলো। একজনকে ইংল্যান্ডে পাঠানো হবে, আরেকজনকে মালয়েশিয়া পাঠানো হবে। দীর্ঘ এবং কঠিন মৌখিক পরীক্ষার পর ইংল্যান্ডে যাওয়ার জন্য মনোনীত হলাম। ১৮ অক্টোবর ১৯৮২ থেকে ২৩ নভেম্বর ১৯৮২, ইংল্যান্ডের ‘ দ্য রয়েল স্টাফ কলেজ ক্যাম্বারলি’-এ লেখাপড়া করলাম। মোট ছাত্র ১৮০ জন ছিলাম। যার মধ্যে ৪৪ জন ছিলাম বিদেশী। ১৯৮০ ও ১৯৮১ এই দুই বছর আবেদন প্রত্যাহার করার পর, মন খারাপ ছিল। ১৮৮২ তেও মন খারাপ ছিল। অনিচ্ছা সত্ত্বেও পরীক্ষা দিয়েছি। মহান আল্লাহ তায়ালা যোগ্যতা অর্জনের পথ ও সম্মানপ্রাপ্তির পথ প্রশস্ত করে দিয়েছিলেন।
রাজনীতিতে প্রবেশ এবং কলাম লেখা প্রসঙ্গ
ওপরের চারটি উদাহরণের বর্ণনা বলতে গেলে আত্মজীবনীরই অংশ। মালয়েশিয়ার বিখ্যাত মাহাথির মুহাম্মদ ১৯৪৯ সালে ইংল্যান্ড যেতে চেয়েছিলেন বৃত্তি নিয়ে আইন পড়ার জন্য। কর্তৃপ তাকে বৃত্তি দিয়েছিল সিঙ্গাপুরে ডাক্তারি পড়ার জন্য। ডাক্তারি পড়তে গিয়ে তিনি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। ৫৯ বছর বয়সে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। আমি ১৯৪৯ সালে মাত্র জন্মগ্রহণ করেছি। ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে আমার বয়স ৫৮ বছর তিন মাসের সময় আমি বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির পতাকাতলে রাজনীতির কর্মী হিসেবে নাম লেখাই। রাজনৈতিক দলের নীতিবাক্য হচ্ছেÑ ‘পরিবর্তনের জন্য রাজনীতি’ তথা ইংরেজি পরিভাষায় পলিটিকস ফর চেঞ্জ। গত প্রায় তিন বছর প্রতি সপ্তাহে একটি করে কলাম লিখছি নয়া দিগন্তের জন্য। প্রথমে মঙ্গলবারে বের হতো, পাঁচ মাস ধরে বুধবারে বের হয়। আজ থেকে নিয়ে বিগত পাঁচ মাস রাজনীতি নিয়েই বেশি লিখেছি। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির জন্মের পেছনে কী প্রোপট ছিল, কল্যাণ পার্টির প্রেরণা, দর্শন, ল্য কী ইত্যাদি নিয়ে লিখেছি। তরুণ সম্প্রদায় এবং সৎ ও মেধাবী ব্যক্তিরা যেন রাজনীতিতে আগ্রহী হন, সে সম্পর্কে লিখেছি। জাতীয়তাবাদী ঘরানার রাজনীতির ব্যাখ্যা তথা যুগপৎ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের চেতনার মিশ্রিত প্রকাশ ঘটিয়েছি আমার কলামগুলোতে। বিশাল বাংলাদেশের বিশাল রাজনৈতিক অঙ্গনে ছোট ছোট রাজনৈতিক দলের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে কলাম লিখেছি। সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতি তুলে দেয়া এবং গণভোটের বিধান বাদ দেয়া প্রসঙ্গে লিখেছি। সাধারণ মানুষের চাওয়া-পাওয়া নিয়ে লিখেছি। আমার জন্মস্থান চট্টগ্রাম বা হাটহাজারী জনগণের চিন্তাকে সাধারণ মানদণ্ড মনে করে মানুষের কথা লিখেছি। গত তিন বছর পাঁচ মাস খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জোটবদ্ধ আছি, যদিও জোটের আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা দিবস ১৮ এপ্রিল ২০১২। রাজনীতির অঙ্গন এই মুহূর্তে এতই জটিল, এতই বিতর্কিত, এতই আক্রান্ত যে; আমি যথেষ্টভাবে এর ব্যাখ্যা করতে পারিনি এবং পারব কি না তা-ও সন্দেহ। অনেক সময় মনে হয়, এত কষ্ট করে কলাম লিখেই বা কী হবে? কিন্তু নিয়ত পরিষ্কার থাকলে মহান আল্লাহ তায়ালা সাহায্য করবেন বলে একটা বিশ্বাস আছে। অন্ততপে এইটুকু দৃঢ়বিশ্বাস আছে যে, আমি যা চাই তা পেতেও পারি অথবা না-ও পেতে পারি। কিন্তু যেই সিদ্ধান্তই মহান আল্লাহ তায়ালা দেন, সেটা আমার মঙ্গলের জন্যই দেবেন। আমার আজকের কলাম শেষ করতে চাই ছোট একটি প্রবাদবাক্যের ুদ্র ব্যাখ্যা দিয়ে।
প্রকাশিত সংবাদ থেকে, অপ্রকাশিতের সংখ্যা বেশি
কোনো একজন মহান ব্যক্তি কোনো এক অতীতে বলেছিলেন ইংরেজি ভাষায়Ñ ‘দেয়ার আর মোর নিউজ, দ্যান আর রিপোর্টেড ইন দি নিউজ পেপারস।’ একবিংশ শতাব্দীতে বললে হয়তো বলতেনÑ ‘দেয়ার আর মোর নিউজ, দ্যান আর রিপোর্টেড ইন দি নিউজ পেপারস অর ইন দি অনলাইন পোর্টালস অর ইন দি টেলিভিশন চ্যানেলস।’ আসলেই বারো-তেরোটা পত্রিকায় চোখ বুলিয়ে, কুড়ি-বাইশটা চ্যানেলের মধ্যে অন্তত দু-চারটির সংবাদ শুনে এবং অনলাইনের সংবাদ ফেসবুকে দেখে তৃপ্তি মেটাতে পারি না। আমার কাণ্ডজ্ঞানই বলে, সব কথা বলা হয়নি তাই আমি সব কথা জানতে পারছি না। কথার ফাঁক থাকলে বিশ্বাসের ফাঁক থেকে যায়। বিশ্বাসের ফাঁক থাকলে সহযোগিতা পূর্ণ হয় না। সহযোগিতা না থাকলে সমস্যার সমাধান দুষ্কর। সমস্যার সমাধান না হলে আমরা অন্ধকারের দিকেই হাঁটব।
লেখক : চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি
www.generalibrahim.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
BNM Special
BNM Archive
- ► 2026 (1653)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
March
(1092)
-
▼
Mar 06
(29)
- পুলিশের রাজনৈতিক ব্যবহার বন্ধ করতে হবে by এ কে এম ...
- সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য -১৬৭ by ড. একেএম শাহনাওয়াজ
- নেতানিয়াহুর বক্তব্যে ইরান সম্পর্কে নতুন কিছু নেই
- সংস্কার কাজে অবহেলা : যাত্রী দুর্ভোগ চরমে by আজহা...
- বাংলাদেশে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁ...
- বাংলাদেশে সহিংসতা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার ঝুঁ...
- ভারতের রাজ্যসভা টিভির টক শোতে বাংলাদেশ- সমস্যা সমা...
- বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ৬০ নেতাকর্মী
- ‘টিপুকে ঢাকা থেকে ধরে নিয়ে আগৈলঝাড়ায় হত্যা করা হয়’
- সর্বত্র রক্তক্ষরণ by কাফি কামাল ও সিরাজুস সালেকিন
- মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও সুশীল সমাজ আক্রান্ত
- বাংলাদেশে শেষের খেলা শুরু -দ্যা ইকোনমিস্ট
- হত্যার মাধ্যমে বাকস্বাধীনতা রোধ করা যাবে না -দ্য ন...
- সীমান্তে হত্যা ও দ্বিপক্ষীয় সমস্যা by আলী ইমাম মজু...
- ট্রাম্প ‘প্রতারক’: রমনি
- ‘এখন কী করে চলব’ -হাটহাজারীতে পেট্রলবোমায় দগ্ধ দু...
- খাদে পড়তেই যাচ্ছে বাংলাদেশ! by মাসুম খলিলী
- নিরপেক্ষ নির্বাচনে ভয় কিসের? by আখতারুজ্জামান সজল
- জয়ের সাথে অর্জন অনেক by মাসউদুর রহমান
- এরশাদ এখন কী করবেন? by আবদুর রহমান
- ‘শক্তির শাসন’ এবং বিচারবহির্ভূত হত্যা by ড. আবদুল ...
- একুশের চেতনায় আসুক সুস্থ রাজনৈতিক চৈতন্য by ড. মাহ...
- শহীদ মিনারই প্রেরণার উৎস by কেয়া চৌধুরী
- গণহত্যার বিচারে বাংলাদেশ ও বিশ্বসমাজের একতা by মফি...
- টিলা কেটে সাবাড় by উজ্জ্বল মেহেদী
- মহান আল্লাহ ভালোই করেছেন এখনো করবেন আশা করি by সৈয়...
- ওবামা-নেতানিয়াহুর দোস্তিতে ছেদ
- আলী আকবরের দ্বিতীয় জীবন
- আপনার পিসির অচল ডিভাইস খুঁজে বের করবেন যেভাবে by র...
-
▼
Mar 06
(29)
-
▼
March
(1092)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
যুক্তরাষ্ট্র
দেশে দেশে
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ইসরায়েল
ফুটবল খেলা
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
মুসলিম
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সাক্ষাৎকার
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইউরোপ
ইতিহাস
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
পশ্চিমবঙ্গ
আলোকিত চট্টগ্রাম
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
মাদক
সন্ত্রাস
আফ্রিকা
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
সংখ্যালঘু
ছুটির দিনে
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
সৈয়দ আবুল মকসুদ
তুরস্ক
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
আফগানিস্তান
গোল্লাছুট
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
দুর্ঘটনা
অপহরণ
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
হিন্দু
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
স্বাস্থ্য
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
জ্যোতির্বিজ্ঞান
সড়ক দুর্ঘটনা
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
কক্সবাজার
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
জাপান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
লেবানন
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
জীবনযাপন
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
যশোর
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
চিকিৎসা
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
কলকাতা
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
ব্রাজিল
Exclusive
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
ইয়েমেন
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
তুহিন ওয়াদুদ
উত্তর কোরিয়া
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
কুষ্টিয়া
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
জনস্বাস্থ্য
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
প্রযুক্তি
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
কাতার
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
শিশির মোড়ল
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
লাতিন আমেরিকা
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
আরব আমিরাত বা দুবাই
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
Fantastic
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
ইসলাম
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
জোহরান মামদানি
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইহুদি
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
স্পেন
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
গণমাধ্যম
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কলম্বিয়া
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
চিঠিপত্র
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
হংকং
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কুয়েত
চুক্তি
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
ওমান
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শেরপুর
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
রাজবাড়ী
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment