Friday, February 27, 2015
ইয়েমেন-লিবিয়ার অস্থিরতা by মাসুমুর রহমান খলিলী
ইয়েমেন-লিবিয়ার অস্থিরতা by মাসুমুর রহমান খলিলী
মধ্যপ্রাচ্যে
সঙ্ঘাত, হানাহানি ও অস্থিরতায় নতুন মাত্রা প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে। একই সাথে
বিশ্বের উত্তপ্ত এই অঞ্চলে নতুন মেরুকরণের লক্ষণও ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে।
দীর্ঘকালের রণক্ষেত্র সিরিয়ার পাশাপাশি যুদ্ধের নতুন ক্ষেত্র হিসেবে ব্যাপক
রক্তক্ষয়ের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে লিবিয়া ও ইয়েমেনে। সিরীয় পরিস্থিতিও নতুন
দিকে মোড় নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় প্রকাশ্যে
এখানকার সমস্যার সমাধান নিয়ে নানা দৌড়ঝাঁপ করলেও এর কার্যকর সমাধান চাইছে
কি না, সেটি নিয়ে দেখা দেয় নানা সংশয়। এখন সঙ্ঘাত-সহিংসতা এক দেশ থেকে আরেক
দেশে বিস্তৃত হচ্ছে। শান্তি প্রতিষ্ঠার নিকট কোনো সম্ভাবনাই যেন দেখা
যাচ্ছে না। আরব বসন্তের ঢেউ লাগার পর থেকে ইয়েমেনে শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক
অস্থিরতা। অব্যাহত আন্দোলনের মুখে দেশটির দীর্ঘ সময়ের শাসক আলী আব্দুল্লাহ
সালেহ শর্তসাপেক্ষে ক্ষমতা ছাড়েন যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের
মধ্যস্থতায়। সালেহ সরে দাঁড়ানোর পর ক্ষমতায় আসেন তার ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দ
রাব্বো মনসুর হাদি। প্রেসিডেন্ট মনসুর সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনে নিজের
কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টার পাশাপাশি একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরু
করার প্রয়াস নেন। তবে অন্য ক’টি আরব দেশের মতোই তার এই প্রচেষ্টা নানা
কারণে বাধাগ্রস্ত হয়।
প্রশাসন ও রাজনীতির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় প্রেসিডেন্ট মনসুর হাদি নিজ দলের একটি অংশ এবং ইসলামপন্থী আল ইসলাহের সহযোগিতা পান। কিন্তু তার বিপক্ষে অবস্থান নেয় সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ সালেহ, তার ছেলে ও পদচ্যুত রিপাবলিকান কমান্ডার আহমদ আলী সালেহ ও শিয়া হুতি বিদ্রোহীরা। এই হুতিরা সালেহর বিরুদ্ধে আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। মিসরে সেনা-অভ্যুত্থানে প্রেসিডেন্ট মুরসি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর মিসর-আমিরাত-সৌদি আরবের প্রভাবশালী একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে মুসলিম ব্রাদারহুড ও মধ্যপন্থী ইসলামিস্টদের উৎখাতের প্রচেষ্টা শুরু করার পর ইয়েমেনে তাদের লক্ষ্যবস্তু হয় আল ইসলাহ পার্টি। আল ইসলাহের বিরুদ্ধে হুতি ও আলী আব্দুল্লাহ সালেহর অনুগতদের আঁতাত করার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত এক গোপন প্রয়াস নেয়। এর পাশাপাশি প্রশাসন থেকে আল ইসলাহ সমর্থকদের বের করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে হাদি প্রশাসনের ওপর। এই উদ্যোগের ফলে সালেহ অনুগামী ও হুতিদের মধ্যে পূর্বশত্রুতার অবসান ঘটে এক ধরনের ঐক্য তৈরি হয়। অন্য দিকে আল ইসলাহের সাথে দূরত্ব এবং প্রশাসন ও দলের মধ্যে সালেহ অনুগতদের বিরোধিতায় হাদির সরকার দুর্বল হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে শিয়া হুতি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানায় অগ্রাভিযান শুরু করে। সালেহ অনুগতদের গোপন সমর্থনের কারণে মনসুর হাদির পক্ষে কোনো বাধা তৈরি করা সম্ভব হয়নি। আল ইসলাহ পার্টিও হুতিদের অগ্রাভিযান প্রতিরোধে কার্যকর কোনো বাধা তৈরি করেনি।
এতে শেষ পর্যন্ত মনসুর হাদি ও তার মন্ত্রিসভা চাপের মুখে নিজেদের দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দেয়। হুতিদের পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় রাজধানী সানায়। তারা একটি বিকল্প প্রশাসন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে। দক্ষিণের চারটি সুন্নিপ্রধান প্রদেশ হুতিদের কর্তৃত্ব মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। তারা পৃথক প্রশাসনিক কাঠামো তৈরির উদ্যোগ না নিলেও প্রেসিডেন্ট হাদি সানা থেকে পালিয়ে গিয়ে দক্ষিণের এডেন পৌঁছে নিজেকে পুনরায় প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এর আগে তার দেয়া পদত্যাগপত্র তিনি তুলে নেন। এর পর থেকে ইয়েমেনে কার্যত দু’টি রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের সূত্রপাত ঘটল। একটিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হলো প্রেসিডেন্ট হাদির নেতৃত্বে সুন্নি গোষ্ঠীর। আরেকটির নিয়ন্ত্রণে থাকল মূলত শিয়া হুতিরা।
এভাবে ইরানের প্রচ্ছন্ন সমর্থনে সৌদি আরবের সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ দেশ ইয়েমেনের উত্তরাংশে শিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয়। ঠিক এ সময়টিতে সৌদি বাদশাহ আব্দুল্লাহ পরলোক গমন করেন। নতুন বাদশা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মধ্যপ্রাচ্যে ইসলামিস্টদের প্রতি নমনীয় মনোভাবের সালমান বিন আব্দুল আজিজ। কট্টর পাশ্চাত্যপন্থী উপদেষ্টাদের প্রভাবে বাদশাহ আব্দুল্লাহ তার শাসনের শেষ দিকে মুসলিম ব্রাদারহুড ও মধ্যপন্থী ইসলামিস্টদের বিরুদ্ধে নেয়া পদক্ষেপে নিজ দেশে বৈরী জনমতের মুখে পড়েন। মুসলিম জনগণের মধ্যেও সৌদিনীতি নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। বিশেষত মিসরে নির্মম গণহত্যা ও হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজায় ইসরাইলি নির্মমতায় অনেকখানি সরব-নীরব সমর্থন দেয়ায় আরব জনমত সৌদিনীতির বিপক্ষে চলে যায়। অন্য দিকে এর ফলে সৌদি সীমান্তবর্তী ইরাক-সিরীয় ভূখণ্ডে প্রতিষ্ঠিত ‘ইসলামি রাষ্ট্র’ (আইএস) নিজেদের সংহত করার সুযোগ পায়। এমনকি একপর্যায়ে সৌদি সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়ে বৈরিতাকে প্রকাশ্য যুদ্ধে রূপ দিতে চেষ্টা করে আইএস। এভাবে ইয়েমেন-ইরাক দুই সীমান্তে বৈরী শক্তি হুমকি হয়ে দাঁড়ানোয় বাদশাহ সালমান তার পূর্ববর্তী সরকারের নীতি পর্যালোচনা করে নতুন কৌশল ঠিক করেন।
নতুন কৌশলের অংশ হিসেবে মধ্যপন্থী ইসলামিস্ট ও মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতি বৈরী মনোভাবের অবসান ঘটানোর উদ্যোগ নেন নতুন বাদশাহ। ক্ষমতায় আসার পরপরই ইসলামিস্টদের প্রতি বিদ্বেষী হিসেবে চিহ্নিত অনেককে গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে উদার মনোভাবের ইসলামিস্টদের সেখানে বসান তিনি। এরপর সৌদি প্রবীণ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদ আল ফয়সাল সংবাদপত্রে সাক্ষাৎকার দিয়ে ব্রাদারহুডের প্রতি তার সরকারের নতুন ও নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ ঘটান। ব্রাদারহুডকে সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকাভুক্ত করার পর দলটির সাথে যুক্ত যাদের জেলে নেয়া হয়েছিল তাদের অনেককে মুক্তি দেয়া হয়। শিথিল করা হয় তাদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার। সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকা থেকে ব্রাদারহুডকে বাদ দেয়া হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে। ড. ইউসুফ কারজাবির নেতৃত্বাধীন যে আন্তর্জাতিক ইসলামিক স্কলার্স ফোরামকে আরব আমিরাত সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছিল, সেই সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেলকে মক্কায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ইসলামিস্টদের প্রতি নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গির সর্বশেষ প্রকাশ ঘটে মক্কায় সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগ বা রাবেতায়ে আল আলম আল ইসলামির এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে। মক্কায় অনুষ্ঠিত এই বৈশ্বিক সম্মেলনে বাদশাহ সালমানের বক্তব্য উপস্থাপন করেন মক্কার গভর্নর ও বাদশাহর উপদেষ্টা খালেদ আল ফয়সাল।
সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ের ওপর আয়োজিত এ ধরনের সম্মেলনে সাধারণত বিভিন্ন দেশের ইসলামি থিঙ্কট্যাঙ্ক প্রতিনিধি ও স্কলারদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। এবার সম্মেলনে মধ্যপন্থী ইসলামি দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়। যাদের মধ্যে পাকিস্তান জামায়াতের আমির সিরাজুল হক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের ইসলামি দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ রয়েছেন।
বাদশাহ আব্দুল্লাহর আমলে আইএস আলকায়েদার মতো কট্টরপন্থীদের সাথে ব্রাদারহুডের মতো মধ্যপন্থীদের একই কাতারে ফেলে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করা হয়। একই সাথে ইরানের সাথে সমঝোতার মাধ্যমে সৌদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা নেয়া হয়। ইরানের সাথে সমঝোতার সে চেষ্টা তো সফল হয়নি, বরং তুরস্ক ও কাতারের মতো মধ্যপন্থী ইসলামিস্টদের সমর্থনকারী দেশের সাথেও তৈরি হয় দূরত্ব। উগ্র সেকুলারিস্টদের পাশে পেতে নমনীয় ইসলামিস্টদের শত্রুশিবিরে ঠেলে দেয়া হয়। সৌদি আরবের এই নীতির পরিবর্তনের যেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল তা আরো স্পষ্ট হয় রাবেতার এই বিশ্ব সম্মেলনে।
এই নীতি পরিবর্তনের সাথে ইয়েমেন পরিস্থিতির রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র। প্রেসিডেন্ট হাদি এডেনে পৌঁছে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণার প্রতি পূর্ণ সমর্থন রয়েছে রিয়াদের। এই সময়েই জাতিসঙ্ঘ হুতিদের ক্ষমতা গ্রহণ ও তাদের সাথে পদচ্যুত প্রেসিডেন্ট আলি আবদুল্লাহ সালেহর আঁতাতের ওপর একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। এই রিপোর্টে প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ৬০ বিলিয়ন ডলারের মতো অবৈধ সম্পদ সালেহ অর্জন করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়, যার একটি অংশ তিনি হুতিদের সানা দখলের সময় ব্যয় করেছেন। তিনি ইয়েমেনের পরবর্তী নির্বাচনে ছেলে আহমদ আলী সালেহকে প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী করতে চান বলেও খবর বেরিয়েছে। এসব বিষয় দেশটিকে আরো সঙ্ঘাতের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
সৌদিনীতির পরিবর্তন হতে সাধারণভাবে বেশ সময় নেয়। নতুন বাদশাহ দায়িত্ব গ্রহণের পর অপেক্ষাকৃত দ্রুত নীতি পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। মিসরের সিসি সরকারের প্রতি রিয়াদের সমর্থন প্রত্যাহার হয়ে যাবে, এমনটি পর্যবেক্ষকেরা আশা করেন না। তবে সিসি সরকারের প্রতি যে অর্থনৈতিক সহায়তা সৌদি আরব দিয়ে যাচ্ছিল, তাতে টান পড়তে শুরু করেছে। এ অবস্থায় উপসাগরীয় দেশগুলোর আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভের জন্য ২১ কপটিক খ্রিষ্টানের শিরশ্ছেদ কাহিনী এবং এর জের ধরে লিবিয়ায় বিমান হামলার ঘটনাটি ঘটায় কায়রো।
নতুন পরিস্থিতিতে লিবিয়ার অবস্থা ক্রমেই জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। এখন রাজধানী ত্রিপলি ও অন্যতম বৃহৎ শহর মিসরাতাসহ দেশটির একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে নিউ জেনারেল ন্যাশনাল কংগ্রেস ও তার মিত্ররা। জেনারেল ন্যাশনাল কংগ্রেস (জিএনসি) ২০১২ সালে নির্বাচন প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়। এ নির্বাচনে সেকুলারিস্ট-লিবারেলিস্টরা বেশি আসন লাভ করে। পরে জিএনসি প্রভাবিত লিবিয়ান সুপ্রিম কোর্ট ২০১২ সালের সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে পুরনো সংসদকে বৈধ ও কার্যকর ঘোষণা করে। অন্য দিকে দেশটির সীমান্ত নগরী তবরুকে যে সরকার রয়েছে তার সমর্থকেরা তবরুকসহ দেশের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। সুপ্রিম কোর্টের বাতিল ঘোষণাকে তবরুকের সরকার প্রত্যাখ্যান করে তাদের সরকার ও সংসদকে বৈধ বলে দাবি করে। এ সরকারের সমর্থনে রয়েছে মিসরের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট জেনারেল সিসির ঘনিষ্ঠ বন্ধু জেনারেল খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন বাহিনী। এ সরকারকে বিশ্বের বেশির ভাগ দেশ বৈধ সরকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
লিবিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বেনগাজির কিছু অংশের ওপর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে কট্টরপন্থী ইসলামিস্ট আনসার আল শরিয়ার। বেনগাজি ও এর আশপাশের বিভিন্ন এলাকা নিয়ন্ত্রণের জন্য খলিফা হাফতারের বাহিনী ও আনসার আল শরিয়ার মধ্যে নিয়মিত যুদ্ধ হয়। এর আগে শুরা কাউন্সিল অব বেনগাজির বিপ্লবীরা বেনগাজি ও ডেরনার নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরে লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি বেনগাজির কিছু অংশ দখল করে। অন্য দিকে ডেরনা নোফালিয়া ও সিরতের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড লেভ্যান্ড (আইসিল)। আইসিলের ২১ জন মিসরীয় কপটিক খ্রিষ্টান অপহরণ এবং পরে এসংক্রান্ত একটি ভিডিও প্রকাশের পর মিসরীয় বিমানবাহিনী সেখানে হামলা চালায়। যদিও ভিডিওটিতে যেভাবে তাদের শিরশ্ছেদ করা হয় বলে দেখানো হয়, তাতে এটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। সিসির কড়া সমর্থক আমিরাত পুলিশের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন, ভিডিওটি দেখে মনে হয় হলিউডের উচ্চ প্রযুক্তি সহায়তায় তৈরি করা কোনো সিনেমা দেখছি।
আইএস নিজেকে সংহত করতে যুদ্ধকে বিস্তৃত করতে চায় নানাভাবে। ঠিক একইভাবে সিসি ও তার সরকার আন্তর্জাতিকভাবে যে গ্রহণযোগ্যতার সঙ্কটে পড়েছে তা থেকে উদ্ধার পেতে কথিত সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে যুক্ত হতে চায়। এ ক্ষেত্রে লিবীয় তেলের প্রতি যে তার লোলুপ দৃষ্টি রয়েছে, সে সংশয় থাকায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উৎসাহ দেখতে পায়নি সিসি। বিশেষত সিসির কথোপকথনের যে রেকর্ড প্রকাশ হয়েছে তাতে তার পক্ষে নিজের মিশনকে এগিয়ে নেয়া দুষ্কর হয়ে পড়ছে।
জাতিসঙ্ঘ লিবিয়ার বিবধমান প্রধান দুই পক্ষের মধ্যে যে সমঝোতার আলোচনা করছে তার সাফল্য চায় না সিসি। দেশটি নিজের অভ্যন্তরীণ গ্রহণযোগ্যতার সঙ্কট কাটাতে লিবিয়ায় আইসিল-বিরোধী যুদ্ধে আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভের আশায় লিবিয়ায় তাৎক্ষণিক হামলা চালায় বলে ধারণা করা হয়। সিসি সরকার আশা করেছিল, আইএসের লিবীয় শাখার ২১ কপটিক খ্রিষ্টান হত্যার প্রতিশোধ নিতে যে বিমান হামলা চালানো হয়েছে, তার প্রতি সমর্থন দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই নির্মম সেনাকর্মকর্তার পেছনে দাঁড়িয়ে যাবে। বাস্তবে সেটি ঘটেনি। আরব লিগ এই হামলার বিরোধিতা না করলেও সেভাবে উৎসাহও দেখায়নি। জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ সিসির এই কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানায়। তবরুক সরকারের সমর্থনে তিনি একটি আরব সেনাবাহিনী গঠনের যে প্রস্তাব দিয়েছেন তার সাথে একমত হতে পারেনি অন্য অনেক দেশ। আলজেরিয়ার মতো দেশ এর বিরোধিতা করেছে। মিসরের অভ্যন্তরীণ জনমতও আইএসের সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে দেশটির বিপর্যস্ত জনগণের ওপর আরো দুর্দশা ডেকে আনতে চাইছে না। আমিরাতের এ ব্যাপারে বাড়তি আগ্রহ থাকলেও সৌদি আরবের এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো উদ্যোগ বা উৎসাহ দেখা যায় না।
ইয়েমেন বা লিবিয়া- কোনো দেশের সঙ্কটের আশু সমাধান হওয়ার আশা করা যায় না, বরং সেখানকার পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তোলা হতে পারে। এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশেরই সমস্যার সমাধান করতে চাইছে বলে মনে হয় না। সিরিয়ার সঙ্কটকে জটিল করে তুলে সেখানে আইএস রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। রহস্যজনক উদ্যোগে এই রাষ্ট্র গঠন হওয়ার পর ইসলামের কথা বলে এটি এমন সব কর্মকাণ্ড ও সঙ্ঘাতে জড়িয়ে পড়ছে, যার মাধ্যমে ইসলাম ও মুসলিমবিরোধী আন্তর্জাতিক প্রচারাভিযান চালানোতে এসবকে কাজে লাগানো হচ্ছে। প্রকাশ্যে যতই বিরোধিতা করা হোক না কেন, মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্ঘাতকে ছড়িয়ে দিতে আইএসকে কোনো অজ্ঞাত উৎস থেকে যে শক্তি জোগানো হচ্ছে, সেই সন্দেহ এখন আর থাকছে না। শিয়া ও সুন্নি শক্তির মধ্যে দ্বন্দ্ব লাগিয়ে ইয়েমেনকে আবার দ্বিধাবিভক্তির দিকে ঠেলে দিয়ে সৌদি আরবের জন্য নিরাপত্তা সঙ্কট তৈরি করা এবং লিবিয়াকে বহু শক্তির রণক্ষেত্রে পরিণত করার মাধ্যমে ইসরাইলের ‘ইনোন পরিকল্পনা’ বাস্তবায়নের ইঙ্গিতই মিলছে। যার মূল কথা হলো প্রতিবেশী আরব দেশগুলোতে এমনভাবে বিভক্তি ও সঙ্ঘাত লাগিয়ে রাখতে হবে, যাতে এসব দেশ নিরাপত্তার জন্য ইসরাইলের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। আর ইহুদিদের এ দেশটি হয় দাপটশালী আঞ্চলিক পরাশক্তি ও বিশ্ব পরিস্থিতির অন্যতম নিয়ন্ত্রক।
প্রশাসন ও রাজনীতির ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় প্রেসিডেন্ট মনসুর হাদি নিজ দলের একটি অংশ এবং ইসলামপন্থী আল ইসলাহের সহযোগিতা পান। কিন্তু তার বিপক্ষে অবস্থান নেয় সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দুল্লাহ সালেহ, তার ছেলে ও পদচ্যুত রিপাবলিকান কমান্ডার আহমদ আলী সালেহ ও শিয়া হুতি বিদ্রোহীরা। এই হুতিরা সালেহর বিরুদ্ধে আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। মিসরে সেনা-অভ্যুত্থানে প্রেসিডেন্ট মুরসি ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর মিসর-আমিরাত-সৌদি আরবের প্রভাবশালী একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে মুসলিম ব্রাদারহুড ও মধ্যপন্থী ইসলামিস্টদের উৎখাতের প্রচেষ্টা শুরু করার পর ইয়েমেনে তাদের লক্ষ্যবস্তু হয় আল ইসলাহ পার্টি। আল ইসলাহের বিরুদ্ধে হুতি ও আলী আব্দুল্লাহ সালেহর অনুগতদের আঁতাত করার জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত এক গোপন প্রয়াস নেয়। এর পাশাপাশি প্রশাসন থেকে আল ইসলাহ সমর্থকদের বের করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে হাদি প্রশাসনের ওপর। এই উদ্যোগের ফলে সালেহ অনুগামী ও হুতিদের মধ্যে পূর্বশত্রুতার অবসান ঘটে এক ধরনের ঐক্য তৈরি হয়। অন্য দিকে আল ইসলাহের সাথে দূরত্ব এবং প্রশাসন ও দলের মধ্যে সালেহ অনুগতদের বিরোধিতায় হাদির সরকার দুর্বল হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে শিয়া হুতি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানায় অগ্রাভিযান শুরু করে। সালেহ অনুগতদের গোপন সমর্থনের কারণে মনসুর হাদির পক্ষে কোনো বাধা তৈরি করা সম্ভব হয়নি। আল ইসলাহ পার্টিও হুতিদের অগ্রাভিযান প্রতিরোধে কার্যকর কোনো বাধা তৈরি করেনি।
এতে শেষ পর্যন্ত মনসুর হাদি ও তার মন্ত্রিসভা চাপের মুখে নিজেদের দায়িত্ব থেকে ইস্তফা দেয়। হুতিদের পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় রাজধানী সানায়। তারা একটি বিকল্প প্রশাসন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে। দক্ষিণের চারটি সুন্নিপ্রধান প্রদেশ হুতিদের কর্তৃত্ব মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানায়। তারা পৃথক প্রশাসনিক কাঠামো তৈরির উদ্যোগ না নিলেও প্রেসিডেন্ট হাদি সানা থেকে পালিয়ে গিয়ে দক্ষিণের এডেন পৌঁছে নিজেকে পুনরায় প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এর আগে তার দেয়া পদত্যাগপত্র তিনি তুলে নেন। এর পর থেকে ইয়েমেনে কার্যত দু’টি রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের সূত্রপাত ঘটল। একটিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হলো প্রেসিডেন্ট হাদির নেতৃত্বে সুন্নি গোষ্ঠীর। আরেকটির নিয়ন্ত্রণে থাকল মূলত শিয়া হুতিরা।
এভাবে ইরানের প্রচ্ছন্ন সমর্থনে সৌদি আরবের সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ দেশ ইয়েমেনের উত্তরাংশে শিয়া নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা হয়। ঠিক এ সময়টিতে সৌদি বাদশাহ আব্দুল্লাহ পরলোক গমন করেন। নতুন বাদশা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মধ্যপ্রাচ্যে ইসলামিস্টদের প্রতি নমনীয় মনোভাবের সালমান বিন আব্দুল আজিজ। কট্টর পাশ্চাত্যপন্থী উপদেষ্টাদের প্রভাবে বাদশাহ আব্দুল্লাহ তার শাসনের শেষ দিকে মুসলিম ব্রাদারহুড ও মধ্যপন্থী ইসলামিস্টদের বিরুদ্ধে নেয়া পদক্ষেপে নিজ দেশে বৈরী জনমতের মুখে পড়েন। মুসলিম জনগণের মধ্যেও সৌদিনীতি নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। বিশেষত মিসরে নির্মম গণহত্যা ও হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজায় ইসরাইলি নির্মমতায় অনেকখানি সরব-নীরব সমর্থন দেয়ায় আরব জনমত সৌদিনীতির বিপক্ষে চলে যায়। অন্য দিকে এর ফলে সৌদি সীমান্তবর্তী ইরাক-সিরীয় ভূখণ্ডে প্রতিষ্ঠিত ‘ইসলামি রাষ্ট্র’ (আইএস) নিজেদের সংহত করার সুযোগ পায়। এমনকি একপর্যায়ে সৌদি সীমান্ত রক্ষায় নিয়োজিত বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়ে বৈরিতাকে প্রকাশ্য যুদ্ধে রূপ দিতে চেষ্টা করে আইএস। এভাবে ইয়েমেন-ইরাক দুই সীমান্তে বৈরী শক্তি হুমকি হয়ে দাঁড়ানোয় বাদশাহ সালমান তার পূর্ববর্তী সরকারের নীতি পর্যালোচনা করে নতুন কৌশল ঠিক করেন।
নতুন কৌশলের অংশ হিসেবে মধ্যপন্থী ইসলামিস্ট ও মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রতি বৈরী মনোভাবের অবসান ঘটানোর উদ্যোগ নেন নতুন বাদশাহ। ক্ষমতায় আসার পরপরই ইসলামিস্টদের প্রতি বিদ্বেষী হিসেবে চিহ্নিত অনেককে গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরিয়ে দিয়ে উদার মনোভাবের ইসলামিস্টদের সেখানে বসান তিনি। এরপর সৌদি প্রবীণ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৌদ আল ফয়সাল সংবাদপত্রে সাক্ষাৎকার দিয়ে ব্রাদারহুডের প্রতি তার সরকারের নতুন ও নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ ঘটান। ব্রাদারহুডকে সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকাভুক্ত করার পর দলটির সাথে যুক্ত যাদের জেলে নেয়া হয়েছিল তাদের অনেককে মুক্তি দেয়া হয়। শিথিল করা হয় তাদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার। সন্ত্রাসী সংগঠনের তালিকা থেকে ব্রাদারহুডকে বাদ দেয়া হতে পারে বলেও শোনা যাচ্ছে। ড. ইউসুফ কারজাবির নেতৃত্বাধীন যে আন্তর্জাতিক ইসলামিক স্কলার্স ফোরামকে আরব আমিরাত সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছিল, সেই সংগঠনের সেক্রেটারি জেনারেলকে মক্কায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ইসলামিস্টদের প্রতি নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গির সর্বশেষ প্রকাশ ঘটে মক্কায় সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগ বা রাবেতায়ে আল আলম আল ইসলামির এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে। মক্কায় অনুষ্ঠিত এই বৈশ্বিক সম্মেলনে বাদশাহ সালমানের বক্তব্য উপস্থাপন করেন মক্কার গভর্নর ও বাদশাহর উপদেষ্টা খালেদ আল ফয়সাল।
সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ের ওপর আয়োজিত এ ধরনের সম্মেলনে সাধারণত বিভিন্ন দেশের ইসলামি থিঙ্কট্যাঙ্ক প্রতিনিধি ও স্কলারদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। এবার সম্মেলনে মধ্যপন্থী ইসলামি দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়। যাদের মধ্যে পাকিস্তান জামায়াতের আমির সিরাজুল হক, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাক এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের ইসলামি দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ রয়েছেন।
বাদশাহ আব্দুল্লাহর আমলে আইএস আলকায়েদার মতো কট্টরপন্থীদের সাথে ব্রাদারহুডের মতো মধ্যপন্থীদের একই কাতারে ফেলে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করা হয়। একই সাথে ইরানের সাথে সমঝোতার মাধ্যমে সৌদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার চেষ্টা নেয়া হয়। ইরানের সাথে সমঝোতার সে চেষ্টা তো সফল হয়নি, বরং তুরস্ক ও কাতারের মতো মধ্যপন্থী ইসলামিস্টদের সমর্থনকারী দেশের সাথেও তৈরি হয় দূরত্ব। উগ্র সেকুলারিস্টদের পাশে পেতে নমনীয় ইসলামিস্টদের শত্রুশিবিরে ঠেলে দেয়া হয়। সৌদি আরবের এই নীতির পরিবর্তনের যেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছিল তা আরো স্পষ্ট হয় রাবেতার এই বিশ্ব সম্মেলনে।
এই নীতি পরিবর্তনের সাথে ইয়েমেন পরিস্থিতির রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ যোগসূত্র। প্রেসিডেন্ট হাদি এডেনে পৌঁছে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণার প্রতি পূর্ণ সমর্থন রয়েছে রিয়াদের। এই সময়েই জাতিসঙ্ঘ হুতিদের ক্ষমতা গ্রহণ ও তাদের সাথে পদচ্যুত প্রেসিডেন্ট আলি আবদুল্লাহ সালেহর আঁতাতের ওপর একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। এই রিপোর্টে প্রেসিডেন্ট থাকাকালে ৬০ বিলিয়ন ডলারের মতো অবৈধ সম্পদ সালেহ অর্জন করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়, যার একটি অংশ তিনি হুতিদের সানা দখলের সময় ব্যয় করেছেন। তিনি ইয়েমেনের পরবর্তী নির্বাচনে ছেলে আহমদ আলী সালেহকে প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী করতে চান বলেও খবর বেরিয়েছে। এসব বিষয় দেশটিকে আরো সঙ্ঘাতের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
সৌদিনীতির পরিবর্তন হতে সাধারণভাবে বেশ সময় নেয়। নতুন বাদশাহ দায়িত্ব গ্রহণের পর অপেক্ষাকৃত দ্রুত নীতি পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। মিসরের সিসি সরকারের প্রতি রিয়াদের সমর্থন প্রত্যাহার হয়ে যাবে, এমনটি পর্যবেক্ষকেরা আশা করেন না। তবে সিসি সরকারের প্রতি যে অর্থনৈতিক সহায়তা সৌদি আরব দিয়ে যাচ্ছিল, তাতে টান পড়তে শুরু করেছে। এ অবস্থায় উপসাগরীয় দেশগুলোর আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভের জন্য ২১ কপটিক খ্রিষ্টানের শিরশ্ছেদ কাহিনী এবং এর জের ধরে লিবিয়ায় বিমান হামলার ঘটনাটি ঘটায় কায়রো।
নতুন পরিস্থিতিতে লিবিয়ার অবস্থা ক্রমেই জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। এখন রাজধানী ত্রিপলি ও অন্যতম বৃহৎ শহর মিসরাতাসহ দেশটির একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে নিউ জেনারেল ন্যাশনাল কংগ্রেস ও তার মিত্ররা। জেনারেল ন্যাশনাল কংগ্রেস (জিএনসি) ২০১২ সালে নির্বাচন প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়। এ নির্বাচনে সেকুলারিস্ট-লিবারেলিস্টরা বেশি আসন লাভ করে। পরে জিএনসি প্রভাবিত লিবিয়ান সুপ্রিম কোর্ট ২০১২ সালের সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে পুরনো সংসদকে বৈধ ও কার্যকর ঘোষণা করে। অন্য দিকে দেশটির সীমান্ত নগরী তবরুকে যে সরকার রয়েছে তার সমর্থকেরা তবরুকসহ দেশের একটি বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করে। সুপ্রিম কোর্টের বাতিল ঘোষণাকে তবরুকের সরকার প্রত্যাখ্যান করে তাদের সরকার ও সংসদকে বৈধ বলে দাবি করে। এ সরকারের সমর্থনে রয়েছে মিসরের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট জেনারেল সিসির ঘনিষ্ঠ বন্ধু জেনারেল খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন বাহিনী। এ সরকারকে বিশ্বের বেশির ভাগ দেশ বৈধ সরকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
লিবিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর বেনগাজির কিছু অংশের ওপর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে কট্টরপন্থী ইসলামিস্ট আনসার আল শরিয়ার। বেনগাজি ও এর আশপাশের বিভিন্ন এলাকা নিয়ন্ত্রণের জন্য খলিফা হাফতারের বাহিনী ও আনসার আল শরিয়ার মধ্যে নিয়মিত যুদ্ধ হয়। এর আগে শুরা কাউন্সিল অব বেনগাজির বিপ্লবীরা বেনগাজি ও ডেরনার নিয়ন্ত্রণ নেয়। পরে লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি বেনগাজির কিছু অংশ দখল করে। অন্য দিকে ডেরনা নোফালিয়া ও সিরতের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড লেভ্যান্ড (আইসিল)। আইসিলের ২১ জন মিসরীয় কপটিক খ্রিষ্টান অপহরণ এবং পরে এসংক্রান্ত একটি ভিডিও প্রকাশের পর মিসরীয় বিমানবাহিনী সেখানে হামলা চালায়। যদিও ভিডিওটিতে যেভাবে তাদের শিরশ্ছেদ করা হয় বলে দেখানো হয়, তাতে এটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। সিসির কড়া সমর্থক আমিরাত পুলিশের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন, ভিডিওটি দেখে মনে হয় হলিউডের উচ্চ প্রযুক্তি সহায়তায় তৈরি করা কোনো সিনেমা দেখছি।
আইএস নিজেকে সংহত করতে যুদ্ধকে বিস্তৃত করতে চায় নানাভাবে। ঠিক একইভাবে সিসি ও তার সরকার আন্তর্জাতিকভাবে যে গ্রহণযোগ্যতার সঙ্কটে পড়েছে তা থেকে উদ্ধার পেতে কথিত সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ে যুক্ত হতে চায়। এ ক্ষেত্রে লিবীয় তেলের প্রতি যে তার লোলুপ দৃষ্টি রয়েছে, সে সংশয় থাকায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উৎসাহ দেখতে পায়নি সিসি। বিশেষত সিসির কথোপকথনের যে রেকর্ড প্রকাশ হয়েছে তাতে তার পক্ষে নিজের মিশনকে এগিয়ে নেয়া দুষ্কর হয়ে পড়ছে।
জাতিসঙ্ঘ লিবিয়ার বিবধমান প্রধান দুই পক্ষের মধ্যে যে সমঝোতার আলোচনা করছে তার সাফল্য চায় না সিসি। দেশটি নিজের অভ্যন্তরীণ গ্রহণযোগ্যতার সঙ্কট কাটাতে লিবিয়ায় আইসিল-বিরোধী যুদ্ধে আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভের আশায় লিবিয়ায় তাৎক্ষণিক হামলা চালায় বলে ধারণা করা হয়। সিসি সরকার আশা করেছিল, আইএসের লিবীয় শাখার ২১ কপটিক খ্রিষ্টান হত্যার প্রতিশোধ নিতে যে বিমান হামলা চালানো হয়েছে, তার প্রতি সমর্থন দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই নির্মম সেনাকর্মকর্তার পেছনে দাঁড়িয়ে যাবে। বাস্তবে সেটি ঘটেনি। আরব লিগ এই হামলার বিরোধিতা না করলেও সেভাবে উৎসাহও দেখায়নি। জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ সিসির এই কর্মকাণ্ডে কোনো ধরনের সমর্থন দিতে অস্বীকৃতি জানায়। তবরুক সরকারের সমর্থনে তিনি একটি আরব সেনাবাহিনী গঠনের যে প্রস্তাব দিয়েছেন তার সাথে একমত হতে পারেনি অন্য অনেক দেশ। আলজেরিয়ার মতো দেশ এর বিরোধিতা করেছে। মিসরের অভ্যন্তরীণ জনমতও আইএসের সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে দেশটির বিপর্যস্ত জনগণের ওপর আরো দুর্দশা ডেকে আনতে চাইছে না। আমিরাতের এ ব্যাপারে বাড়তি আগ্রহ থাকলেও সৌদি আরবের এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কোনো উদ্যোগ বা উৎসাহ দেখা যায় না।
ইয়েমেন বা লিবিয়া- কোনো দেশের সঙ্কটের আশু সমাধান হওয়ার আশা করা যায় না, বরং সেখানকার পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তোলা হতে পারে। এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশেরই সমস্যার সমাধান করতে চাইছে বলে মনে হয় না। সিরিয়ার সঙ্কটকে জটিল করে তুলে সেখানে আইএস রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। রহস্যজনক উদ্যোগে এই রাষ্ট্র গঠন হওয়ার পর ইসলামের কথা বলে এটি এমন সব কর্মকাণ্ড ও সঙ্ঘাতে জড়িয়ে পড়ছে, যার মাধ্যমে ইসলাম ও মুসলিমবিরোধী আন্তর্জাতিক প্রচারাভিযান চালানোতে এসবকে কাজে লাগানো হচ্ছে। প্রকাশ্যে যতই বিরোধিতা করা হোক না কেন, মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্ঘাতকে ছড়িয়ে দিতে আইএসকে কোনো অজ্ঞাত উৎস থেকে যে শক্তি জোগানো হচ্ছে, সেই সন্দেহ এখন আর থাকছে না। শিয়া ও সুন্নি শক্তির মধ্যে দ্বন্দ্ব লাগিয়ে ইয়েমেনকে আবার দ্বিধাবিভক্তির দিকে ঠেলে দিয়ে সৌদি আরবের জন্য নিরাপত্তা সঙ্কট তৈরি করা এবং লিবিয়াকে বহু শক্তির রণক্ষেত্রে পরিণত করার মাধ্যমে ইসরাইলের ‘ইনোন পরিকল্পনা’ বাস্তবায়নের ইঙ্গিতই মিলছে। যার মূল কথা হলো প্রতিবেশী আরব দেশগুলোতে এমনভাবে বিভক্তি ও সঙ্ঘাত লাগিয়ে রাখতে হবে, যাতে এসব দেশ নিরাপত্তার জন্য ইসরাইলের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। আর ইহুদিদের এ দেশটি হয় দাপটশালী আঞ্চলিক পরাশক্তি ও বিশ্ব পরিস্থিতির অন্যতম নিয়ন্ত্রক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
February
(1363)
-
▼
Feb 27
(37)
- বান কি মুনের চিঠির জবাব দিয়েছেন খালেদা জিয়া
- বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে পর্যটন জাহাজ চালাতে চায় ভার...
- রাজনৈতিক অচলাবস্থায় উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র
- হুমায়ুন আজাদের পর অভিজিৎ রায়
- সমাধানের পথ সরকারকেই বের করতে হবে -ড. ইমতিয়াজ আহমেদ
- অভিজিৎ হত্যার দায় সরকারকে নিতে হবে
- ‘দেশদ্রোহিতার অভিযোগ পরোয়া করি না’ -ড. কামাল হোসেন
- পাঠকের মনে প্রভাব ফেলবে
- পিটার মের হারিয়ে যাওয়া যৌবনে ফিরে আসা by মেজবাহ উদদীন
- সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য -১৫৩ by ড. একেএম শাহনাওয়াজ
- ড. কামাল ও মাহ্ফুজ আনামকে গ্রেপ্তার দাবি -ফেসবুকে ...
- রাষ্ট্র ও ভাষা by সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
- প্রথম বই প্রকাশের গল্প by হাসান আজিজুল হক
- জোর করে ক্ষমতায় থাকতে চায় কেন? by এরশাদ মজুমদার
- বিদেশি সমর্থন আদায়ের প্রতিযোগিতা by কামাল আহমেদ
- এশীয় নেতাদের রাজনৈতিক গ্রেপ্তার-কারাভোগ
- পার্বত্য চট্টগ্রাম- এমন আমলারা দেশকে কোথায় নিতে চ...
- ইয়েমেন-লিবিয়ার অস্থিরতা by মাসুমুর রহমান খলিলী
- খালেদার কার্যালয়ের সামনে থেকে আটক সেই তরুণ
- কাউন্ট ডাউন ও মান্নার গ্রেফতার by মাসুদ মজুমদার
- ব্লগার অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে হত্যা, স্ত্রী গুরুতর আহত
- জ্বালানি হিসেবে কয়লা অমর নয় by রাজা জয়রমন
- বিএনপি সমর্থিত ৪ সিটি মেয়র বরখাস্ত হচ্ছেন
- উলামায়ে হক সমীপে by হামিদ মীর
- মুলা নাকি মানুষের পা!
- মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সম্পদ : আগ্রাসন বনাম বিশ্বশ...
- তিস্তা আর নেই তিস্তায় by শেখ রোকন
- রাজনৈতিক কৌশলে মারাত্মক ভুল by মো. আবদুর রশীদ
- রাজনীতিবিদদের রাতের আধারে তুলে নেয়া কাম্য নয় -২০ ঘ...
- আর্সেনিকমুক্তি- ধারাবাহিকতার বিকল্প নেই
- ১৯টি ইটভাটায় কাঠ পোড়ানো চলছেই
- ৪৫০ কোটি টাকার বাঁধ হুমকিতে by বরুণ রায়
- মানবাধিকার দমনের কালো অধ্যায় -অ্যামনেস্টির প্রতিবেদন
- গণমাধ্যম স্মরণকালের সবচেয়ে স্বাধীন- তথ্য মন্ত্রণালয়
- সড়কের পাশে পাঠদান
- প্রচারমাধ্যমের অধিকারে হস্তক্ষেপ -সম্পাদক পরিষদের ...
- ফরিদপুরে নদীর মোহনা থেকে মাটি উত্তোলন
-
▼
Feb 27
(37)
-
▼
February
(1363)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment