Friday, November 27, 2015
নির্বাচন : আমরা কি আবার হোঁচট খাবো? by সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল
নির্বাচন : আমরা কি আবার হোঁচট খাবো? by সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল
Friday, November 27, 2015
Anonymous
WikiOpinion,
আলোচনা,
উপ-সম্পাদকীয়,
নয়া দিগন্ত,
নির্বাচন,
মতামত,
রাজনীতি
![]() |
| সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল |
স্বাধীন
বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের মার্চ মাসে।
একেতো স্বাধীন দেশ, তার ওপর তখনকার বাংলার মানুষের মাথার তাজ জনাব শেখ
মুজিবুর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু। ৩০০ সংসদীয় আসনের
নির্বাচনে মোট ১৪টি দলের প্রার্থী ছিলেন এক হাজার ৮৯ জন। স্বতন্ত্র
প্রার্থী ১১৮ জন। মহিলা প্রার্থী ছিলেন ১৫ জন। ভোট প্রদানের হার ছিল ৫৫.৬১
শতাংশ। ফলাফল : আওয়ামী লীগের আসন ২৯২ যার মধ্যে সাতজন বিনা
প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত। স্বতন্ত্র জয়ী ছিলেন পাঁচজন; যার মধ্যে দুইজন
হলেন পার্বত্য চট্টগ্রামের। একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে একটি আসনের
নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল।
১৯৭৩ সালের সে নির্বাচনের ব্যাপারে তৎকালীন ন্যাপের সভাপতি অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ ভট্টাচার্য ৯ মার্চ এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন : কমপক্ষে ৭০টি আসনে ন্যাপ ও অন্যান্য বিরোধী দলের প্রার্থীদের বিজয় সুনিশ্চিত ছিল। সেই আসনসমূহে শাসক দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করত অস্ত্রের ঝনঝনানি-ভয়ভীতি-সন্ত্রাস প্রয়োগ-গুণ্ডাবাহিনী ব্যবহার-ভুয়া ভোট-পোলিং বুথ দখল-পোলিং এজেন্ট অপহরণ-বিদেশী সাহায্য সংস্থা- রেডক্রস-জাতিসঙ্ঘ সরকারি গাড়ির অপব্যবহার প্রভৃতি চরম অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপের মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে এবং বিরোধী দলের প্রার্থীদের জোরপূর্বক পরাজিত করেছে। জাতীয় সংসদ আসন ২৯৪ চট্টগ্রাম-১৪ এ সংবাদপত্র-বাংলাদেশ বেতার-বাংলাদেশ টলিভিশন-ভয়েস অব আমেরিকাসহ বিদেশী পত্রপত্রিকা ন্যাপপ্রার্থী মোস্তাক আহমেদ চৌধুরীকে বিজয়ী বলে ঘোষণা করা সত্ত্বেও তাকে পরাজিত করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠাকালীন নেতৃত্বের অন্যতম প্রবীণ রাজনীতিবিদ আবুল মনসুর আহমেদ লিখেছিলেন : ৩১৫ (সংরক্ষিত ১৫ মহিলা আসনসহ) সদস্যের পার্লামেন্ট-এ জনা পঁচিশেক অপজিশন মেম্বার থাকিলে সরকারি দলের কোনোই অসুবিধা হইতো না। আর এসব শুভ পরিণামের সমস্ত প্রশংসা পাইতেন শেখ মুজিব। কিন্তু দেশের দুর্ভাগ্য এই যে, শেখ মুজিব এই উদারতার পথে না গিয়া উল্টা পথ ধরিলেন। অনেক প্রবীণ ও দক্ষ পার্লামেন্টেরিয়ানকে পার্লামেন্টে ঢুকিতে না দিবার জন্য তিনি সর্বশক্তি নিয়োগ করিলেন।
আমি দেখিয়া খুবই আতঙ্কিত ও চিন্তাযুক্ত হইলাম যে, নির্বাচন চলাকালে আওয়ামী নেতৃত্ব অপজিশনের প্রতি যে মনোভাব অবলম্বন করিয়াছিলেনÑ সেটা সাময়িক অ-বিবেচনাপ্রসূত ভুল ছিল না। তারা যেন নীতি হিসেবেই এই পন্থা গ্রহণ করিয়াছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক এবং জাতীয় অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের মন্তব্য ছিল : ইতিহাসে শেখ সাহেবের স্টেটসম্যান হইবার একটা সুযোগ ছিল। তিনি সেইটা কাজে লাগাইবার পারলেন না।
মার্কিন কূটনীতিক উইলিয়াম বি. মাইলাম এর পর্যবেক্ষণ ছিলো ’৭৩-এর মার্চ মাসের নির্বাচন হলো “শেষ যাত্রার শুরু”। বিপুলভাবে নির্বাচনে জিতেছিলো আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের নেতারা ভোট নিয়ে ছেলেখেলা করেছে এবং জালিয়াতি থেকে নিজেদের নিবৃত্ত করতে পারেনি।
’৭৩-এর ৯ মার্চ জাসদ সাধারণ সম্পাদক আ স ম আব্দুর রব সংবাদ সম্মেলনে এক লিখিত বিবৃতিতে বলেনÑ বিরোধীদলের প্রার্থীদের পরাজিত হতে বাধ্য করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে জাসদ সভাপতি-মুক্তিযুদ্ধে ৯ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব:) এম এ জলিল বলেনÑ তার দলকে পোলিং এজেন্ট দিতে দেয়া হয়নি। জাল ভোট দেয়া হয়েছেÑ সন্ত্রাস সৃষ্টি করা হয়েছে এবং ফলাফল ঘোষণায় ব্যাপক কারচুপি করা হয়েছে। ১৯৭৫ এর আগস্ট-নভেম্বর পর্যন্ত বহু ঘটনা-দুর্ঘটনার পরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদার গণতান্ত্রিক মনোভাবের সুযোগে ‘বাকশাল’- পরিত্যাগ করে মরহুম শেখ মুজিবের অনুসারীদের বড় অংশ আওয়ামী লীগকে পুনরুজ্জীবিত করলেন। জেনারেল ওসমানীকে জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের বিপক্ষে প্রার্থী করে আওয়ামী জোট প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিলো। ফলাফল সকলেরই জানা। পরে অংশ নিলো ১৯৭৯ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। ৩৯ আসন নিয়ে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার আসন অলঙ্কৃত করলেন আওয়ামী লীগ নেতা জনাব আসাদুজ্জামান। তিন বছরের মাথায় নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান শাহাদতবরণ করেন। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী বিচারপতি আবদুস সাত্তারের বিপক্ষে আওয়ামী জোট প্রার্থী দিলো ড. কামাল হোসেনকে। বিজিত হলেন ড. কামাল হোসেন। দৃশ্যপটে এলেন বিশ্বনিন্দিত কূটনায়ক লে.জে. এরশাদ। এলো স্বৈরশাসন। বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জোটবদ্ধ এবং যুগপৎ আন্দোলন শুরু হলো। বহু প্রাণ ঝরে গেল রাজপথে।
রাতের কালো পর্দার আবরণে সমঝোতা করে আচমকা ১৯৮৬ সালে সংসদ নির্বাচনে অজস্র মানুষের প্রত্যাশাকে পদদলিত করে অংশ নিলো শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ। জনগণকে বোকা বানানোর এবং ধোঁকা খাওয়ানোর সেই নির্বাচন বৈধতা পেল না। সংসদ ভেঙে গেল দুই বছরের মাথায়। যদিও একটা একতরফা নির্বাচন করলেন এরশাদ সাহেব ১৯৮৮-এ। সেই সংসদ ভেঙে গেল জনতার তীব্র প্রতিবাদ-প্রতিরোধে। নতুন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের গণতন্ত্র এবং ভোটাধিকার প্রশ্নে যুগান্তকরী গণ প্রত্যাশিত সিদ্ধান্তে ‘নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ প্রতিষ্ঠিত হলো শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরপ্রক্রিয়া বিশ্বাসযোগ্য এবং অ-বিতর্কিত করতে। ১৯৯১-এ অনুষ্ঠিত সে নির্বাচনে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ পরিচালনাকারী দলের ক্যাপ্টেনসি পেলেন, হলেন সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।
ক্ষমতার পূর্ণ মেয়াদ পার করল তৎকালীন সরকার। অশান্তির আগুনে সারা দেশ জ্বালিয়ে- পুড়িয়ে আওয়ামী লীগ নেত্রী আন্দোলন করলেন। মেয়াদ শেষের পরবর্তী নির্বাচনে অংশগ্রহণে শর্ত জুড়ে দিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের। বারবার বললেন ‘বর্তমান সরকারের পদত্যাগ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ছাড়া কোনো নির্বাচন এদেশের জনগণ মেনে নেবে না।’ মেয়াদ শেষ হওয়ার ১১ মাস আগে জাতীয় সংসদ থেকে জাতীয় পার্টি-জামায়াত এবং আওয়ামী লীগ একযোগে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের দাবি বাস্তবায়নে সাংবিধানিক সংশোধনী পাস করার সংসদীয় প্রক্রিয়াকে অসম্ভব করে দিলো। বিএনপি সে সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল না বলে তত্ত্বাবধায়ক বিধানকে সাংবিধানিক রূপ দিতে অপরাগ হয়ে গেল। বাধ্য হয়ে ১৯৯৬ এর ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করল বিএনপি এবং নির্বাচন কমিশন। নবগঠিত ষষ্ঠ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই পাস হলো তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন বিল। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে নতুন নির্বাচন হলো একই বছর জুন মাসে। অংশ নিলো আওয়ামী লীগ এবং বিজয়ী হয়ে সরকার ও গঠন করল। ক্যাপ্টেনসি নিলেন শেখ হাসিনা। বিএনপি ১১৬ আসন পেল। বিরোধী দলের নেত্রী হলেন বিএনপি নেত্রী সদ্যবিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
১৯৯৬-২০০১ সরকার এবং সংসদীয় মেয়াদের পর সঙ্গত কারণে আবার নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি উঠল। বিএনপি তার মিত্রদের নিয়ে আন্দোলনে নামল। অনেক জুলুম-অত্যাচার-কারা ভোগের যন্ত্রণা এলো বিএনপির ভাগ্যে, যার মধ্যে সবচেয়ে নির্মম হিংস্রতা হলো ঢাকার মালিবাগ মোড়ে। ২০০১-এর ১৩ ফেব্রুয়ারি ড. ইকবাল এমপির কমান্ডে মালীবাগ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হলো সশস্ত্র আক্রমণের মাধ্যমে বৃষ্টির মতো গুলিবর্ষণে। বিএনপির শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিলে প্রকাশ্য দিবালোকে মির্জা আব্বাস নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। মিছিলে তার পাশে ছিলাম আমি, খায়রুল কবির খোকনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। পেছন দিক থেকে হঠাৎ অবিরাম গুলিবর্ষণে নিহত হলো যুবদল কর্মী জসিম ও একজন মহিলা নেত্রীসহ চারজন। আহত শতাধিক। যে আঘাতের স্পিøন্টার এখনো শরীরে বয়ে বেড়াচ্ছি আমি। মেরুদণ্ডের ৪ ও ৫ নম্বর হাড় দুই দিকে সরে গিয়েছিল। সাড়ে চার ঘণ্টা অপারেশনে কিছু স্পিøন্টার শরীর থেকে বের করা হলো এবং মেরুদণ্ডের হাড় যথাস্থানে প্রতিস্থাপিত হলো। বাকি ৪০টির বেশি ছোট ছোট গুলি মাথার পেছন থেকে কোমর হয়ে পা পর্যন্ত চিরস্থায়ী হয়ে রইল। আল্লাহর রহমতে চিরতরে পঙ্গু হওয়া থেকে বেঁচে গেছি। দুঃখ হলো শেষ পর্যন্তও তখনকার প্রধানমন্ত্রী বলেই চললেন, ‘যখন নির্বাচন দিলে আমরা জয়ী হতে পারবো তখনই দেবো।’ (প্রথম আলো ২৭ মে ১৯৯৯)। যদিও সরকারের মেয়াদ শেষে পুনরায় নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। ২০০১ এর ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলো। বিএনপি জোট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল। আওয়ামী লীগ প্রধান সংসদে বিরোধীদলীয় নেত্রী হলেন। সে নির্বাচনে বরিশাল-২ (বাবুগঞ্জ-উজিরপুর) আসন থেকে আমি নির্বাচিত হলাম ২য়বারের মতো। (মূলত ৩য়বার) প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন : আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, ওয়ার্কার্স পার্টি প্রার্থী রাশেদ খান মেনন, জাতীয় পার্টি (মঞ্জু) প্রার্থী গোলাম ফারুক অভি, জাতীয় পার্টি (এরশাদ) প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু এবং অন্যরা।
বিএনপি জোটের সরকার গঠনের পর পরই আওয়ামী লীগ ঘোষণা দিলো সংসদে শপথ নেবে না। পরে নিলো। ২০০১-০৬ মেয়াদের শেষ দিকে এসে আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রশ্নে বিচারপতি কে.এম. হাসানকে বিতর্কিত আখ্যায়িত করে আবারও সারা দেশে জ্বালাও-পোড়াও শুরু করলো। গান-পাউডার দিয়ে বাসে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা, লগি-বৈঠা দিয়ে ধীরেসুস্থে পিটিয়ে জীবন্ত মানুষ হত্যা করে লাশের ওপর নেচে নেচে উল্লাস প্রকাশের পশুত্ব দেখল দেশের মানুষ। শুরু হলো আবার আঁধারের অপ-রাজনীতির খেলা। বিএনপির দুধে-ঘিয়ে পরিপুষ্ট জেনারেল এরশাদÑ জেনারেল নাসিমের মতো একই পথে এগুলেন জেনারেল মইন-জেনারেল মাসুদ, ব্রিঃ জেনারেল আমিন গং। সহযাত্রী হলো ডঃ ফকরুদ্দীন এবং আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনা বললেন ‘এ সরকার আমাদের আন্দোলনের ফসল’। নির্বাচন হলো নাÑ জরুরি অবস্থা জারি হলো। এরপর বেগম জিয়া এবং শেখ হাসিনার কারাবাস। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের অনেক নেতা ও ব্যবসায়ীরা আটক হলেন। ছাত্র-আন্দোলন হলো।
দু’বছর পর ২০০৮ এর ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন হলো। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আওয়ামী লীগ জোট ক্ষমতায় এলো। ২ যুগব্যাপী আওয়ামী লীগের ধ্বংস প্রচেষ্টাকারীরা মন্ত্রী হলেনÑ এমপি হলেন। বিএনপি জোট সংসদে এবং রাজপথে জোর দাবি তুলল ‘নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার’-এর অধীনে একই ধারাবাহিকতায় মেয়াদ শেষে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। থোড়াই কেয়ার করে আওয়ামী লীগ এবং আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতি বাতিল করল সংসদে। ক্ষমতায় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভা এবং সংসদে এমপিরা নিজ নিজ পদে বহাল থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেসে-খেলে জিতলেন। ১৫৪ জন এর সৌভাগ্যবানদের নির্বাচন নামে কষ্টটা করতেই হলো না। কী আনন্দ ঘরে ঘরে। একই সময় প্রত্যেক এলাকায় দু’জন করে এমপি থাকল। প্রধানমন্ত্রী তার পদে বহাল থাকলেন। অন্তবর্তী একটি রূপরেখা বাস্তবায়ন করে সোনার পাথরবাটির মতো দেশ পরিচালিত হলো; বিএনপি জোট নির্বাচনে অংশ নিলো না। ক্ষমতায় পুনরায় কাঁঠালের আমসত্ত্ব তৈরি হলো। সে আমসত্ত্ব খাইয়ে স্থানীয় সরকার পরিষদের বিভিন্ন স্তরে নির্বাচন হলো। বিএনপি জোট অংশ নিয়ে বিশাল জয় পেল। দ্বিতীয় ধাপে ভীত হয়ে শাসক দল আবার ভোট ছিনতাই করল। হতাশ-বিতৃষ্ণ মানুষ পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর অনাস্থা প্রকাশ করতে শুরু করল। যেটার উল্টোপিঠে আরো জোরালো কারণ হচ্ছে সিটি করপোরেশন-উপজেলা-পৌরসভা-ইউনিয়ন পরিষদের সকল স্তরে বিএনপি জামায়াত এবং জোটের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নামে পরিকল্পিত মামলা দায়ের এবং এর দোহাই দিয়ে একের পর এক বরখাস্ত করা। সিটি করপোরেশনগুলোয় মেয়রদের মধ্যে একমাত্র বাকি রয়েছে হারাধনের একটি ছেলে বরিশালের কামাল। আর সচেতন বাংলাদেশীদের মনেতো আছেই শাসকদলের প্রধান শেখ হাসিনার অমিয় বাণীÑ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুধু একটি নিয়ম রক্ষার নির্বাচন। অচিরেই সব দলের অংশগ্রহণে পরবর্তী অংশীদারিত্বভিত্তিক জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু কোথায় দিগন্ত? আজ কোথাও কাউকে সহ্য করা হচ্ছে না। কথা বললেই নানামুখী হেনস্তা। বিদগ্ধ অরাজনৈতিক ব্যক্তি ড. ইউনূস, আব্দুল্লাহ আবু সায়িদ, ব্যারিস্টার রফিকুল হক, অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদসহ অনেক মানুষ অপমানিত পদে পদে। বিএনপির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানকে দণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর প্রকাশ্য ঘোষণা এবং আইনগত একতরফা প্রস্তুতি সম্পন্ন। এ দলের নেতাকর্মী প্রকারভেদে প্রায় ৫০ হাজার মামলায় পাঁচ লাখ আসামি। কারাগারে প্রায় ৩০ হাজার। সংখ্যা উভয় ক্ষেত্রে বর্তমানে প্রতিদিনই বাড়ছে। এ অবস্থায় ছা-পোষা নির্বাচন কমিশন দিয়ে শূন্য মাঠে গোল দেয়ার স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রস্তুতি জোর কদমে এগিয়ে চলছে। জামায়াতকে অযোগ্য করে স্ব-নামে নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করে দেয়া হয়েছে।
হায় আওয়ামী লীগ! ১৯৭০-এর নির্বাচনের আওয়ামী লীগ হারিয়ে গেছে ১৯৭৩-এ। ১৯৭৮-৭৯-৮১ তে ঠিকানা খুঁজে পেয়েছিল। আবার চোরাগলিতে হারিয়ে গেল ১৯৮৬তে, ফিরে এলো ১৯৯১-এ। নিজ ঠিকানায় থাকল ১৯৯৬, ২০০১-এ। ২০০৮-এ ঠিকানা মোটামুটি স্থায়ী হলো। আবার হোঁচট খেলো ২০১৪-এর ৫ জানুয়ারিতে। উদগ্রীব হয়েছে এখন ১৯৭৫-এর বাকশাল এ ঠিকানা স্থায়ী করতে। তফাৎ শুধু পুরনো ঠিকানার রি-মডেলিং। মিত্র নতুন চেহারার পুরনো মানুষেরা। কিন্তু প্রাচীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ কি ভুলে গেছে ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশের মানুষের অন্যতম মনের খোরাক হচ্ছে রাজনীতি? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা সংস্থা ‘পিউ রিসার্চ সেন্টার’-এর জরিপ অনুযায়ী বিশ্বের ৩৩টি দেশের মধ্যে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ প্রশ্নে বাংলাদেশের অবস্থান ১ নম্বরে। এখানে ৬৫ শতাংশ মানুষ উচ্চমাত্রায় রাজনীতি করে।
আমাদের রাজনীতিকে শাসক দলের মারমুখো তৎপরতায় সঙ্ঘাতমুখর অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। এ উচ্চমাত্রার প্ররোচনা এবং পৃষ্ঠপোষণকারী শাসক দল দেশের পরিস্থিতিকে আরো বিপজ্জনকের দিকে ঠেলে দিচ্ছে কি না সেটা ভাবার সময় কিন্তু হাতে বেশি নেই। নিকট এবং দূর-অতীতে সে অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের হয়েছে। এ জন্য সমঝোতা সহিষ্ণুতা বড় বেশি প্রয়োজন এখন। না হলে ১৯৭৩ তে জাতীয় নির্বাচনের পর মার্কিন কূটনীতিকের সেই পর্যবেক্ষণ : ৭৩-এর মার্চের নির্বাচন ছিল ‘শেষ যাত্রার শুরু’ বাস্তবায়ন হলে ৩০ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ সম্ভ্রম হারানো মা-বোনের জীবিত অভিশাপ এবং আত্মার অভিসম্পাত আমাদের বহন করতে হবে না তো? মনে রাখা দরকার, সব বিজয়ই কিন্তু গৌরবের নয়। মীরজাফরের বাহিনী যুদ্ধে পরোক্ষভাবে জয়লাভ করেছিল, সিংহাসনও পেয়েছিল। লেন্দুপ দর্জি স্বাধীন সিকিমের নির্বাচনে জয়লাভ করেছিল। কিন্তু পরিণতি সবারই জানা। আবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মহানায়ক উইনস্টন চার্চিল কিন্তু যুদ্ধ-পরবর্তী ব্রিটেনের নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারেননি। পেরেছিলেন গোটা বিশ্বের মানুষের মনজয় করতে।
লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য
১৯৭৩ সালের সে নির্বাচনের ব্যাপারে তৎকালীন ন্যাপের সভাপতি অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক পঙ্কজ ভট্টাচার্য ৯ মার্চ এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন : কমপক্ষে ৭০টি আসনে ন্যাপ ও অন্যান্য বিরোধী দলের প্রার্থীদের বিজয় সুনিশ্চিত ছিল। সেই আসনসমূহে শাসক দল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করত অস্ত্রের ঝনঝনানি-ভয়ভীতি-সন্ত্রাস প্রয়োগ-গুণ্ডাবাহিনী ব্যবহার-ভুয়া ভোট-পোলিং বুথ দখল-পোলিং এজেন্ট অপহরণ-বিদেশী সাহায্য সংস্থা- রেডক্রস-জাতিসঙ্ঘ সরকারি গাড়ির অপব্যবহার প্রভৃতি চরম অগণতান্ত্রিক কার্যকলাপের মাধ্যমে নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করেছে এবং বিরোধী দলের প্রার্থীদের জোরপূর্বক পরাজিত করেছে। জাতীয় সংসদ আসন ২৯৪ চট্টগ্রাম-১৪ এ সংবাদপত্র-বাংলাদেশ বেতার-বাংলাদেশ টলিভিশন-ভয়েস অব আমেরিকাসহ বিদেশী পত্রপত্রিকা ন্যাপপ্রার্থী মোস্তাক আহমেদ চৌধুরীকে বিজয়ী বলে ঘোষণা করা সত্ত্বেও তাকে পরাজিত করা হয়েছে।
আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠাকালীন নেতৃত্বের অন্যতম প্রবীণ রাজনীতিবিদ আবুল মনসুর আহমেদ লিখেছিলেন : ৩১৫ (সংরক্ষিত ১৫ মহিলা আসনসহ) সদস্যের পার্লামেন্ট-এ জনা পঁচিশেক অপজিশন মেম্বার থাকিলে সরকারি দলের কোনোই অসুবিধা হইতো না। আর এসব শুভ পরিণামের সমস্ত প্রশংসা পাইতেন শেখ মুজিব। কিন্তু দেশের দুর্ভাগ্য এই যে, শেখ মুজিব এই উদারতার পথে না গিয়া উল্টা পথ ধরিলেন। অনেক প্রবীণ ও দক্ষ পার্লামেন্টেরিয়ানকে পার্লামেন্টে ঢুকিতে না দিবার জন্য তিনি সর্বশক্তি নিয়োগ করিলেন।
আমি দেখিয়া খুবই আতঙ্কিত ও চিন্তাযুক্ত হইলাম যে, নির্বাচন চলাকালে আওয়ামী নেতৃত্ব অপজিশনের প্রতি যে মনোভাব অবলম্বন করিয়াছিলেনÑ সেটা সাময়িক অ-বিবেচনাপ্রসূত ভুল ছিল না। তারা যেন নীতি হিসেবেই এই পন্থা গ্রহণ করিয়াছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক এবং জাতীয় অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাকের মন্তব্য ছিল : ইতিহাসে শেখ সাহেবের স্টেটসম্যান হইবার একটা সুযোগ ছিল। তিনি সেইটা কাজে লাগাইবার পারলেন না।
মার্কিন কূটনীতিক উইলিয়াম বি. মাইলাম এর পর্যবেক্ষণ ছিলো ’৭৩-এর মার্চ মাসের নির্বাচন হলো “শেষ যাত্রার শুরু”। বিপুলভাবে নির্বাচনে জিতেছিলো আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগের নেতারা ভোট নিয়ে ছেলেখেলা করেছে এবং জালিয়াতি থেকে নিজেদের নিবৃত্ত করতে পারেনি।
’৭৩-এর ৯ মার্চ জাসদ সাধারণ সম্পাদক আ স ম আব্দুর রব সংবাদ সম্মেলনে এক লিখিত বিবৃতিতে বলেনÑ বিরোধীদলের প্রার্থীদের পরাজিত হতে বাধ্য করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে জাসদ সভাপতি-মুক্তিযুদ্ধে ৯ নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর (অব:) এম এ জলিল বলেনÑ তার দলকে পোলিং এজেন্ট দিতে দেয়া হয়নি। জাল ভোট দেয়া হয়েছেÑ সন্ত্রাস সৃষ্টি করা হয়েছে এবং ফলাফল ঘোষণায় ব্যাপক কারচুপি করা হয়েছে। ১৯৭৫ এর আগস্ট-নভেম্বর পর্যন্ত বহু ঘটনা-দুর্ঘটনার পরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদার গণতান্ত্রিক মনোভাবের সুযোগে ‘বাকশাল’- পরিত্যাগ করে মরহুম শেখ মুজিবের অনুসারীদের বড় অংশ আওয়ামী লীগকে পুনরুজ্জীবিত করলেন। জেনারেল ওসমানীকে জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের বিপক্ষে প্রার্থী করে আওয়ামী জোট প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিলো। ফলাফল সকলেরই জানা। পরে অংশ নিলো ১৯৭৯ এর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। ৩৯ আসন নিয়ে সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার আসন অলঙ্কৃত করলেন আওয়ামী লীগ নেতা জনাব আসাদুজ্জামান। তিন বছরের মাথায় নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং বিএনপি প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমান শাহাদতবরণ করেন। জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী বিচারপতি আবদুস সাত্তারের বিপক্ষে আওয়ামী জোট প্রার্থী দিলো ড. কামাল হোসেনকে। বিজিত হলেন ড. কামাল হোসেন। দৃশ্যপটে এলেন বিশ্বনিন্দিত কূটনায়ক লে.জে. এরশাদ। এলো স্বৈরশাসন। বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জোটবদ্ধ এবং যুগপৎ আন্দোলন শুরু হলো। বহু প্রাণ ঝরে গেল রাজপথে।
রাতের কালো পর্দার আবরণে সমঝোতা করে আচমকা ১৯৮৬ সালে সংসদ নির্বাচনে অজস্র মানুষের প্রত্যাশাকে পদদলিত করে অংশ নিলো শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ। জনগণকে বোকা বানানোর এবং ধোঁকা খাওয়ানোর সেই নির্বাচন বৈধতা পেল না। সংসদ ভেঙে গেল দুই বছরের মাথায়। যদিও একটা একতরফা নির্বাচন করলেন এরশাদ সাহেব ১৯৮৮-এ। সেই সংসদ ভেঙে গেল জনতার তীব্র প্রতিবাদ-প্রতিরোধে। নতুন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের গণতন্ত্র এবং ভোটাধিকার প্রশ্নে যুগান্তকরী গণ প্রত্যাশিত সিদ্ধান্তে ‘নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ প্রতিষ্ঠিত হলো শুধু নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরপ্রক্রিয়া বিশ্বাসযোগ্য এবং অ-বিতর্কিত করতে। ১৯৯১-এ অনুষ্ঠিত সে নির্বাচনে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ পরিচালনাকারী দলের ক্যাপ্টেনসি পেলেন, হলেন সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে প্রথম মুসলিম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।
ক্ষমতার পূর্ণ মেয়াদ পার করল তৎকালীন সরকার। অশান্তির আগুনে সারা দেশ জ্বালিয়ে- পুড়িয়ে আওয়ামী লীগ নেত্রী আন্দোলন করলেন। মেয়াদ শেষের পরবর্তী নির্বাচনে অংশগ্রহণে শর্ত জুড়ে দিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের। বারবার বললেন ‘বর্তমান সরকারের পদত্যাগ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ছাড়া কোনো নির্বাচন এদেশের জনগণ মেনে নেবে না।’ মেয়াদ শেষ হওয়ার ১১ মাস আগে জাতীয় সংসদ থেকে জাতীয় পার্টি-জামায়াত এবং আওয়ামী লীগ একযোগে পদত্যাগ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের দাবি বাস্তবায়নে সাংবিধানিক সংশোধনী পাস করার সংসদীয় প্রক্রিয়াকে অসম্ভব করে দিলো। বিএনপি সে সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিল না বলে তত্ত্বাবধায়ক বিধানকে সাংবিধানিক রূপ দিতে অপরাগ হয়ে গেল। বাধ্য হয়ে ১৯৯৬ এর ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি সংসদ নির্বাচনের ব্যবস্থা করল বিএনপি এবং নির্বাচন কমিশন। নবগঠিত ষষ্ঠ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই পাস হলো তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন বিল। মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে নতুন নির্বাচন হলো একই বছর জুন মাসে। অংশ নিলো আওয়ামী লীগ এবং বিজয়ী হয়ে সরকার ও গঠন করল। ক্যাপ্টেনসি নিলেন শেখ হাসিনা। বিএনপি ১১৬ আসন পেল। বিরোধী দলের নেত্রী হলেন বিএনপি নেত্রী সদ্যবিদায়ী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
১৯৯৬-২০০১ সরকার এবং সংসদীয় মেয়াদের পর সঙ্গত কারণে আবার নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি উঠল। বিএনপি তার মিত্রদের নিয়ে আন্দোলনে নামল। অনেক জুলুম-অত্যাচার-কারা ভোগের যন্ত্রণা এলো বিএনপির ভাগ্যে, যার মধ্যে সবচেয়ে নির্মম হিংস্রতা হলো ঢাকার মালিবাগ মোড়ে। ২০০১-এর ১৩ ফেব্রুয়ারি ড. ইকবাল এমপির কমান্ডে মালীবাগ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হলো সশস্ত্র আক্রমণের মাধ্যমে বৃষ্টির মতো গুলিবর্ষণে। বিএনপির শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ মিছিলে প্রকাশ্য দিবালোকে মির্জা আব্বাস নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। মিছিলে তার পাশে ছিলাম আমি, খায়রুল কবির খোকনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা। পেছন দিক থেকে হঠাৎ অবিরাম গুলিবর্ষণে নিহত হলো যুবদল কর্মী জসিম ও একজন মহিলা নেত্রীসহ চারজন। আহত শতাধিক। যে আঘাতের স্পিøন্টার এখনো শরীরে বয়ে বেড়াচ্ছি আমি। মেরুদণ্ডের ৪ ও ৫ নম্বর হাড় দুই দিকে সরে গিয়েছিল। সাড়ে চার ঘণ্টা অপারেশনে কিছু স্পিøন্টার শরীর থেকে বের করা হলো এবং মেরুদণ্ডের হাড় যথাস্থানে প্রতিস্থাপিত হলো। বাকি ৪০টির বেশি ছোট ছোট গুলি মাথার পেছন থেকে কোমর হয়ে পা পর্যন্ত চিরস্থায়ী হয়ে রইল। আল্লাহর রহমতে চিরতরে পঙ্গু হওয়া থেকে বেঁচে গেছি। দুঃখ হলো শেষ পর্যন্তও তখনকার প্রধানমন্ত্রী বলেই চললেন, ‘যখন নির্বাচন দিলে আমরা জয়ী হতে পারবো তখনই দেবো।’ (প্রথম আলো ২৭ মে ১৯৯৯)। যদিও সরকারের মেয়াদ শেষে পুনরায় নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। ২০০১ এর ২৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলো। বিএনপি জোট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল। আওয়ামী লীগ প্রধান সংসদে বিরোধীদলীয় নেত্রী হলেন। সে নির্বাচনে বরিশাল-২ (বাবুগঞ্জ-উজিরপুর) আসন থেকে আমি নির্বাচিত হলাম ২য়বারের মতো। (মূলত ৩য়বার) প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন : আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ, ওয়ার্কার্স পার্টি প্রার্থী রাশেদ খান মেনন, জাতীয় পার্টি (মঞ্জু) প্রার্থী গোলাম ফারুক অভি, জাতীয় পার্টি (এরশাদ) প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু এবং অন্যরা।
বিএনপি জোটের সরকার গঠনের পর পরই আওয়ামী লীগ ঘোষণা দিলো সংসদে শপথ নেবে না। পরে নিলো। ২০০১-০৬ মেয়াদের শেষ দিকে এসে আওয়ামী লীগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রশ্নে বিচারপতি কে.এম. হাসানকে বিতর্কিত আখ্যায়িত করে আবারও সারা দেশে জ্বালাও-পোড়াও শুরু করলো। গান-পাউডার দিয়ে বাসে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা, লগি-বৈঠা দিয়ে ধীরেসুস্থে পিটিয়ে জীবন্ত মানুষ হত্যা করে লাশের ওপর নেচে নেচে উল্লাস প্রকাশের পশুত্ব দেখল দেশের মানুষ। শুরু হলো আবার আঁধারের অপ-রাজনীতির খেলা। বিএনপির দুধে-ঘিয়ে পরিপুষ্ট জেনারেল এরশাদÑ জেনারেল নাসিমের মতো একই পথে এগুলেন জেনারেল মইন-জেনারেল মাসুদ, ব্রিঃ জেনারেল আমিন গং। সহযাত্রী হলো ডঃ ফকরুদ্দীন এবং আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনা বললেন ‘এ সরকার আমাদের আন্দোলনের ফসল’। নির্বাচন হলো নাÑ জরুরি অবস্থা জারি হলো। এরপর বেগম জিয়া এবং শেখ হাসিনার কারাবাস। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের অনেক নেতা ও ব্যবসায়ীরা আটক হলেন। ছাত্র-আন্দোলন হলো।
দু’বছর পর ২০০৮ এর ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন হলো। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আওয়ামী লীগ জোট ক্ষমতায় এলো। ২ যুগব্যাপী আওয়ামী লীগের ধ্বংস প্রচেষ্টাকারীরা মন্ত্রী হলেনÑ এমপি হলেন। বিএনপি জোট সংসদে এবং রাজপথে জোর দাবি তুলল ‘নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার’-এর অধীনে একই ধারাবাহিকতায় মেয়াদ শেষে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। থোড়াই কেয়ার করে আওয়ামী লীগ এবং আদালতের ঘাড়ে বন্দুক রেখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারপদ্ধতি বাতিল করল সংসদে। ক্ষমতায় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভা এবং সংসদে এমপিরা নিজ নিজ পদে বহাল থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেসে-খেলে জিতলেন। ১৫৪ জন এর সৌভাগ্যবানদের নির্বাচন নামে কষ্টটা করতেই হলো না। কী আনন্দ ঘরে ঘরে। একই সময় প্রত্যেক এলাকায় দু’জন করে এমপি থাকল। প্রধানমন্ত্রী তার পদে বহাল থাকলেন। অন্তবর্তী একটি রূপরেখা বাস্তবায়ন করে সোনার পাথরবাটির মতো দেশ পরিচালিত হলো; বিএনপি জোট নির্বাচনে অংশ নিলো না। ক্ষমতায় পুনরায় কাঁঠালের আমসত্ত্ব তৈরি হলো। সে আমসত্ত্ব খাইয়ে স্থানীয় সরকার পরিষদের বিভিন্ন স্তরে নির্বাচন হলো। বিএনপি জোট অংশ নিয়ে বিশাল জয় পেল। দ্বিতীয় ধাপে ভীত হয়ে শাসক দল আবার ভোট ছিনতাই করল। হতাশ-বিতৃষ্ণ মানুষ পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর অনাস্থা প্রকাশ করতে শুরু করল। যেটার উল্টোপিঠে আরো জোরালো কারণ হচ্ছে সিটি করপোরেশন-উপজেলা-পৌরসভা-ইউনিয়ন পরিষদের সকল স্তরে বিএনপি জামায়াত এবং জোটের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নামে পরিকল্পিত মামলা দায়ের এবং এর দোহাই দিয়ে একের পর এক বরখাস্ত করা। সিটি করপোরেশনগুলোয় মেয়রদের মধ্যে একমাত্র বাকি রয়েছে হারাধনের একটি ছেলে বরিশালের কামাল। আর সচেতন বাংলাদেশীদের মনেতো আছেই শাসকদলের প্রধান শেখ হাসিনার অমিয় বাণীÑ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুধু একটি নিয়ম রক্ষার নির্বাচন। অচিরেই সব দলের অংশগ্রহণে পরবর্তী অংশীদারিত্বভিত্তিক জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু কোথায় দিগন্ত? আজ কোথাও কাউকে সহ্য করা হচ্ছে না। কথা বললেই নানামুখী হেনস্তা। বিদগ্ধ অরাজনৈতিক ব্যক্তি ড. ইউনূস, আব্দুল্লাহ আবু সায়িদ, ব্যারিস্টার রফিকুল হক, অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদসহ অনেক মানুষ অপমানিত পদে পদে। বিএনপির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানকে দণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর প্রকাশ্য ঘোষণা এবং আইনগত একতরফা প্রস্তুতি সম্পন্ন। এ দলের নেতাকর্মী প্রকারভেদে প্রায় ৫০ হাজার মামলায় পাঁচ লাখ আসামি। কারাগারে প্রায় ৩০ হাজার। সংখ্যা উভয় ক্ষেত্রে বর্তমানে প্রতিদিনই বাড়ছে। এ অবস্থায় ছা-পোষা নির্বাচন কমিশন দিয়ে শূন্য মাঠে গোল দেয়ার স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রস্তুতি জোর কদমে এগিয়ে চলছে। জামায়াতকে অযোগ্য করে স্ব-নামে নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করে দেয়া হয়েছে।
হায় আওয়ামী লীগ! ১৯৭০-এর নির্বাচনের আওয়ামী লীগ হারিয়ে গেছে ১৯৭৩-এ। ১৯৭৮-৭৯-৮১ তে ঠিকানা খুঁজে পেয়েছিল। আবার চোরাগলিতে হারিয়ে গেল ১৯৮৬তে, ফিরে এলো ১৯৯১-এ। নিজ ঠিকানায় থাকল ১৯৯৬, ২০০১-এ। ২০০৮-এ ঠিকানা মোটামুটি স্থায়ী হলো। আবার হোঁচট খেলো ২০১৪-এর ৫ জানুয়ারিতে। উদগ্রীব হয়েছে এখন ১৯৭৫-এর বাকশাল এ ঠিকানা স্থায়ী করতে। তফাৎ শুধু পুরনো ঠিকানার রি-মডেলিং। মিত্র নতুন চেহারার পুরনো মানুষেরা। কিন্তু প্রাচীন রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ কি ভুলে গেছে ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশের মানুষের অন্যতম মনের খোরাক হচ্ছে রাজনীতি? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা সংস্থা ‘পিউ রিসার্চ সেন্টার’-এর জরিপ অনুযায়ী বিশ্বের ৩৩টি দেশের মধ্যে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ প্রশ্নে বাংলাদেশের অবস্থান ১ নম্বরে। এখানে ৬৫ শতাংশ মানুষ উচ্চমাত্রায় রাজনীতি করে।
আমাদের রাজনীতিকে শাসক দলের মারমুখো তৎপরতায় সঙ্ঘাতমুখর অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে। এ উচ্চমাত্রার প্ররোচনা এবং পৃষ্ঠপোষণকারী শাসক দল দেশের পরিস্থিতিকে আরো বিপজ্জনকের দিকে ঠেলে দিচ্ছে কি না সেটা ভাবার সময় কিন্তু হাতে বেশি নেই। নিকট এবং দূর-অতীতে সে অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের হয়েছে। এ জন্য সমঝোতা সহিষ্ণুতা বড় বেশি প্রয়োজন এখন। না হলে ১৯৭৩ তে জাতীয় নির্বাচনের পর মার্কিন কূটনীতিকের সেই পর্যবেক্ষণ : ৭৩-এর মার্চের নির্বাচন ছিল ‘শেষ যাত্রার শুরু’ বাস্তবায়ন হলে ৩০ লাখ শহীদ এবং দুই লাখ সম্ভ্রম হারানো মা-বোনের জীবিত অভিশাপ এবং আত্মার অভিসম্পাত আমাদের বহন করতে হবে না তো? মনে রাখা দরকার, সব বিজয়ই কিন্তু গৌরবের নয়। মীরজাফরের বাহিনী যুদ্ধে পরোক্ষভাবে জয়লাভ করেছিল, সিংহাসনও পেয়েছিল। লেন্দুপ দর্জি স্বাধীন সিকিমের নির্বাচনে জয়লাভ করেছিল। কিন্তু পরিণতি সবারই জানা। আবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মহানায়ক উইনস্টন চার্চিল কিন্তু যুদ্ধ-পরবর্তী ব্রিটেনের নির্বাচনে জয়লাভ করতে পারেননি। পেরেছিলেন গোটা বিশ্বের মানুষের মনজয় করতে।
লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1433)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
November
(600)
-
▼
Nov 27
(18)
- ৩ ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা
- অস্ট্রেলিয়ার সরকারি স্টাফদের পরিবারকে দেশে ফেরার প...
- সামরিকায়ন ও মুসলিমবিরোধী নীতি by বেন নর্টন
- ‘রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে চাই’ -এরশাদ
- দেশ ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে চলছে : সিরাজুল...
- বাতরোগের চিকিৎসায় সার্জারি by ডা. মিজানুর রহমান কল...
- নদী, জলাশয় বা পাড় ইজারা হয় না : জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন
- সহজ প্রেমের গল্প by নাসরীন জাহান
- মিডিয়ার স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে...
- নির্বাচন : আমরা কি আবার হোঁচট খাবো? by সৈয়দ মোয়াজ...
- পুতিনের কড়া সমালোচনায় এরদোগান
- সিরিয়ায় বিমান হামলার বিপক্ষে ব্রিটিশ লেবার দলের নেতা
- ধর্মীয় সম্প্রীতির কথা বললে গর্দান যায় তো যাক : মমতা
- সিসিকে ক্ষমতা ছাড়তেই হবে by ডেভিড হার্স্ট
- হত্যার বিচার চান না মিলনের মা
- ক্লাস শেষে ছাত্রদের সঙ্গে যৌনতা, ধৃত শিক্ষিকা
- ‘খাওন চাইলে খুন্তি গরম কইরা ছেঁকা দিত’
- ৪ ঘণ্টা বন্দি ছিলেন ওয়াসফিয়া
-
▼
Nov 27
(18)
-
▼
November
(600)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment