Thursday, April 23, 2015
এখন সংলাপ কেন, আগাম নির্বাচন তো হবে না -সাক্ষাৎকারে : তোফায়েল আহমেদ by মিজানুর রহমান খান
এখন সংলাপ কেন, আগাম নির্বাচন তো হবে না -সাক্ষাৎকারে : তোফায়েল আহমেদ by মিজানুর রহমান খান
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক সচিব তোফায়েল আহমেদের
জন্ম ১৯৪৩ সালে ভোলায়। ১৯৬৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মৃত্তিকা
বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালে গঠিত গেরিলা
সংগঠন মুজিব বাহিনীর অন্যতম সংগঠক। ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি থেকে তিনি
বাণিজ্য মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬-২০০১ সালে তিনি বাণিজ্য ও
শিল্পমন্ত্রী ছিলেন। তখন ডব্লিউটিও-তে তিনি এলডিসি দেশগুলোর মুখপাত্র
ছিলেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মিজানুর রহমান খান
প্রথম আলো: সংলাপ প্রশ্নে কিছুটা তুলনা করা যাক। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চোখে ইরান এবং আওয়ামী লীগ ও ভারতের চোখে বিএনপি-জামায়াতের সম্পর্কের আলোকে যদি দেখা হয়, তাহলে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ সন্ত্রাসের দায়ে অভিযুক্ত তেহরানের সঙ্গে বারাক ওবামার সাম্প্রতিক শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে। ভারতও জানিয়েছে। আমরা পররাষ্ট্রনীতিতে এটা পারলে অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে পারব না কেন?
তোফায়েল আহমেদ: ইরান কোনো সন্ত্রাসী দেশ নয়।
প্রথম আলো: ২০১২ সালেও যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইরান আগের মতোই আল-কায়েদাকে সক্রিয় মদদ দেওয়াসহ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রয়ে গেছে। ২০০৭ সালে মার্কিন সিনেট ইরানি রেভল্যুশন গার্ডকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
তোফায়েল আহমেদ: কিন্তু ইরান একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র নয়। একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে তার নিজস্ব নীতি রয়েছে। সুতরাং, ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক বিষয় নিয়ে জেনেভাতে যে আলোচনা হয়েছে, সেটা আর বিএনপি ও জামায়াতের বিষয় এক নয়। এবং এক হতেও পারে না। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের কোনো দেশ কখনো সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংলাপ করে না। আইএস যখন দুজন জাপানি সাংবাদিককে জিম্মি করে শর্ত দিল, তখন জাপান তা মানেনি। এখানে জামায়াত একটি সন্ত্রাসী সংগঠন এবং তারা জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে জড়িত।
প্রথম আলো: কিন্তু তাকে আপনার সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে সরকারিভাবে ঘোষণাও করেননি।
তোফায়েল আহমেদ: হ্যাঁ করিনি। বিশেষ করে বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংলাপ তো অতীতে হয়েছে। কিন্তু আন্দোলনের নামে তারা যে নাশকতা করেছে এবং নিরীহ-নিরপরাধ মায়ের কোল খালি করেছে, নিষ্পাপ শিশুকে অগ্নিদগ্ধ করেছে, বাসের চালক ও সাধারণ মানুষকে যেভাবে পুড়িয়ে মেরেছে, সে কারণে তাদের সঙ্গে সংলাপের কোনো প্রশ্নই আসে না।
প্রথম আলো: ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার মতো অন্তত এক ডজন সন্ত্রাসী হামলার দায়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে অভিযুক্ত করেছিল। তারা বলেছে, ইরান তাদের বিমান ছিনতাই, দূতাবাস উড়িয়ে দেওয়া, আরও কত-কী করেছে। ওবামা শান্তিচুক্তি করতে গেলে ৪৭ জন সিনেটর বিরোধিতা করে চিঠি লিখে ইরানকে সতর্ক করেছে। তার পরও ওবামা থামেননি। বাংলাদেশও বলেছে, এটা কূটনীতি ও সংলাপের বিজয়। এখন বিশ্বব্যাংক বলেছে ২ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে। আমরা দেখছি দেড় শ লোক পেট্রলবোমায় নিহত হয়েছে। এখন আপনি এর পুরো দায় বিএনপিকে দিলেই আপনি এর দায়মুক্ত হতে পারেন?
তোফায়েল আহমেদ: কেন আমি দায়মুক্ত হব না। পুরো কাজটিই তো বিএনপির সৃষ্টি। দেশবাসী এটা জানে। যে দলটি বিশ্ব ইজতেমার সময় হরতাল-অবরোধ করে, বয়োবৃদ্ধদের কষ্ট দেয়, তাঁদের আসতে বাধা দেয়, যে দলের নেত্রী একুশে ফেব্রুয়ারি ও স্বাধীনতা দিবসে অবরোধ বজায় রেখে শহীদ মিনারবিমুখ থাকেন এবং নিজের ছেলের মৃত্যুর পরও হরতাল দিতে দ্বিধাহীন, সুতরাং তার দায় ক্ষমতাসীন দলের ওপর পড়বে কোন যুক্তিতে? ক্ষমতাসীন দল বরং সক্ষমতার সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে এই নাশকতা ও জঙ্গি তৎপরতাকে বানচাল করে দিয়েছে। যে কারণে এই মুহূর্তে দেশ স্বাভাবিক। বিশ্বব্যাংক যা-ই বলুক, বিএনপির এই তথাকথিত আন্দোলনে আমার অর্থনীতির কিছুটা ক্ষতি হয়েছে, তারা গ্রামের সঙ্গে শহরকে বিচ্ছিন্ন করে যে ব্যাপক ক্ষতি করতে চেয়েছিল, সেটা করতে ব্যর্থ হয়েছে।
প্রথম আলো: এত প্রাণহানি, মাত্র তিন মাসে জিডিপির ১ শতাংশ খেয়ে ফেলাকে ব্যাপক ক্ষতি মনে করেন না?
তোফায়েল আহমেদ: বিশ্বব্যাংকের এই তথ্যের সঙ্গে আমি একমত নই। কারণ, একটি শিল্পকারখানাও বন্ধ হয়নি। এমনকি বিএনপির নেতাদের মালিকানাধীন কারখানাগুলোও উৎপাদন দিয়েছে। যদি সরবরাহ চেইন বন্ধই হতো, তাহলে মার্চ মাসে রপ্তানির প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ হতো না। আমি রপ্তানিতে ৩৩ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার টার্গেট করেছি; এর হয়তো সামান্য ক্ষতি হতে পারে। আচ্ছা, এখন আপনি সংলাপের কথা বলছেন। বলুন তো যুক্তরাষ্ট্র কি আইএসের সঙ্গে সংলাপ করছে?
প্রথম আলো: আইএসের সঙ্গে বিএনপি তুলনীয় কি না? এরশাদবিরোধী আন্দোলনে ফকির সাহাবুদ্দিনের বাসার বৈঠক আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিই। সেখানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে ১৮০ ও ১২০টি আসন ভাগাভাগি হয়েছিল কি না? শেখ হাসিনা বিএনপিকে ১২০ আসন দেওয়ার চুক্তিতে সই করেন। এটা সত্যি কি না?
তোফায়েল আহমেদ: হ্যাঁ। জেনারেল মাজেদ উল হক, কর্নেল মোস্তাফিজ, ওবায়দুর রহমান, আবদুস সালাম এবং আমি, আবদুস সামাদ আজাদ, আমির হোসেন আমু, আবদুর রাজ্জাক আমরা আলাপ করে তিন ফর্দ চুক্তিনামা তৈরি করি। বেগম খালেদা জিয়া সই দেননি।
প্রথম আলো: তাহলে সে রকমের একটি দলকে আপনি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থেকে সরাতে চান, তা কতটা বাস্তবসম্মত?
তোফায়েল আহমেদ: এটা বাস্তবসম্মত নয় এবং আমি তাকে তো বের করতে চাই না। সে নিজেই বের হয়ে যাচ্ছে।
প্রথম আলো:১৯৮৬ সালের নির্বাচনে বিএনপি যায়নি বলে সে কি রাজনীতি থেকে বের হয়েছিল?
তোফায়েল আহমেদ: ১৯৮৬ আর ২০১৪ মেলে না।
প্রথম আলো: ১৯৮৬ সালে বেগম জিয়া কেন ওই আসন বণ্টন চুক্তিতে সই দেননি, সেই রহস্য ভেদ হয়েছে কি?
তোফায়েল আহমেদ: যত দূর জানি, তৎকালীন বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমানের বাসায় একটি বৈঠক হয়েছিল। এরশাদ অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছিলেন। একদিকে এরশাদের আপন লোকদের বেগম জিয়ার শুভানুধ্যায়ী বানানো হলো, তাঁকে নির্বাচনে না যেতে পরামর্শ দেওয়া হলো, যাতে ঐক্য না টেকে, বিভেদ হয় এবং খালেদা জিয়া সেই ফাঁদে পড়েছিলেন। তিনি সাভার বা উইং কমান্ডার হামিদুল্লাহর বাসাসহ বিভিন্ন স্থানে হয়তো লুকিয়েছিলেন। পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। বলা হয়েছিল, তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে, বাস্তবতা যদিও তা ছিল না। যেকোনো একটি অজ্ঞাত নির্দেশে সমঝোতার ভিত্তিতে তিনি নির্বাচন থেকে দূরে সরে যান। একই ঘটনা তিনি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি করতে চেয়েছিলেন। উনি মনে করেছিলেন, একটি তৃতীয় শক্তি ক্ষমতায় এলে ওনার সুবিধা হয়। তা না হলে পাঁচটি সিটিতে জয়লাভের পরে তাঁর নির্বাচন না করার কারণ ছিল না।
প্রথম আলো: প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে গেলে বিএনপিকে কী কী মন্ত্রিত্ব দেওয়া হতো?
তোফায়েল আহমেদ: স্বরাষ্ট্রসহ পাঁচটি দেওয়া হতো। প্রধানমন্ত্রী আমাদের সামনেই তা বলেছেন। নেত্রী প্রথম যখন প্রস্তাব দিলেন, খালেদা জিয়া আলটিমেটাম দিলেন। পুনরায় প্রস্তাব দেওয়ার পরে বললেন, দুদিনের মধ্যে তাঁর সঙ্গে সংলাপ করতে হবে। আর সেই দুদিনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী কিন্তু খালেদা জিয়াকে টেলিফোন করেছিলেন। আমি দ্বিধাহীন চিত্তে বলি, শেখ হাসিনা সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে এসব পরিচালনা করেছিলেন। হয়তো-বা সেদিন যদি টেলিফোন সংলাপের পরে বেগম খালেদা জিয়া গণভবনে আসতেন, তাহলে তিনি লাভবান হতেন। প্রধানমন্ত্রীর বড় গুণ, তিনি বঙ্গবন্ধুর মতোই নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেন। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া কারও সঙ্গে হয়তো সমঝোতা করেছিলেন যে তৃতীয় একটি শক্তি থাইল্যান্ডের মতো ক্ষমতা নেবে। আমরা নির্বাচন না করতে পারলে ওই তৃতীয় শক্তি ক্ষমতা নেবে। কিন্তু এখানে তিনি হেরে গেছেন।
প্রথম আলো: জিয়াউর রহমানকে বীর উত্তম ও সেনাবাহিনীর উপপ্রধান করা মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানের প্রতি বঙ্গবন্ধুর স্বীকৃতি। আজ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জিয়ার সততাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার ভিত্তি কী? যদিও পঁচাত্তরে জিয়ার ভূমিকা নিয়ে আমরাও প্রশ্ন তুলি।
তোফায়েল আহমেদ: খন্দকার মোশতাকও মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন, মন্ত্রী ছিলেন, তাঁর নেতৃত্বেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধু জিয়াকে বীর উত্তম উপাধি দেন, সেটা ঠিক আছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর খুনিরাই তো জিয়ার নাম উল্লেখ করেছে। আর পঁচাত্তরের পরে তিনি স্বাধীনতার মূল্যবোধ ধ্বংস করেছেন। সংবিধানে বিসমিল্লাহ বসিয়ে চার মূলনীতি বাতিল করেছেন। একাত্তরের জিয়া ও পঁচাত্তরের পরের জিয়াউর রহমান এক নন।
প্রথম আলো: আওয়ামী লীগের কেউ কেউ বলেছিলেন জামায়াত সঙ্গ ত্যাগ করলে সংলাপ হবে। আপনার কী মত?
তোফায়েল আহমেদ: সেটা যে বা যারা বলুক, আমার কোনো মন্তব্য নেই। কারণ, জামায়াত ত্যাগ করলেই বিএনপি গণতান্ত্রিক সংগঠন হবে, তা আমি মনে করি না।
প্রথম আলো: আপনি বলছেন ২০১৯ সালের ৫ জানুয়ারির ৯০ দিন আগে বিএনপির সঙ্গে সংলাপ হবে। এটা কীভাবে গণতন্ত্রসম্মত?
তোফায়েল আহমেদ: কেন হবে না। আপনি একজন সাংবাদিক। কোনো পক্ষ অবলম্বন করা উচিত নয়। টক শোতে কথা বলেন, সেটা ভিন্ন। আমি এখন সংলাপ করব কী কারণে? আগাম নির্বাচন দেব না। তাহলে কিসের সংলাপ? খালেদা জিয়ার সাত দফার প্রথম দফা তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সেটা সম্ভব নয়। এখন সংলাপ মানে চাপের কাছে নতি স্বীকার করা, সেটা হবে না। সংলাপ হবে নির্বাচনের জন্য।
প্রথম আলো: বিএনপি আমলে গ্রেপ্তারের পরে আপনাদের সঙ্গে যেমন আচরণ করেছিল, এখন তাদের সঙ্গে তার চেয়ে ভালো করছেন কি?
তোফায়েল আহমেদ: অবশ্যই। ২০০২ সালে বিমানবন্দরে আমাকে গ্রেপ্তার করে কাশিমপুর জেলে নেওয়া হয়। সেখানে ফাঁসির আসামি এরশাদ শিকদারের খাটবিহীন কনেডম সেলের মেঝেতে রাখা হয়েছিল। হাইকোর্টের আদেশের আগে আমাকে ডিভিশন দেওয়া হয়নি। অথচ এখন ভিন্ন চিত্র। বিএনপির সাবেক মন্ত্রী ও সাংসদদের আদালত লাগে না। স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাঁরা ডিভিশন পাচ্ছেন। আর জিয়ার আমলে ৩৩ মাস জেলে থাকতে আমার উপর দৈহিক নির্যাতন চলেছিল।
প্রথম আলো: আমাদের জানামতে কিছুদিন আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পিজির আউটডোরে ডাক্তার দেখাতে হয়েছে।
তোফায়েল আহমেদ: পিজির আউটডোর ও জেলখানা এক নয়, সেটা আমি জানিও না।
প্রথম আলো: সিটি নির্বাচনে বিএনপি যে ধরপাকড় ও হয়রানির আশঙ্কা করছে, তার কি একটা সুরাহা সম্ভব?
তোফায়েল আহমেদ: নির্বাচন কমিশন তো বলেই দিয়েছে যার নামে মামলা থাকবে, পুলিশ তো তাকে গ্রেপ্তার করতে পারে।
প্রথম আলো: সাবেক মন্ত্রী সালাউদ্দিনের নিখোঁজ হওয়াকে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত রাজনীতিকদের জন্য শুভ লক্ষণ নয় বলে মনে করেন। আপনি কীভাবে দেখেন?
তোফায়েল আহমেদ: এটা কারও জন্যই শুভ লক্ষণ নয়। প্রকৃত ঘটনা আমার জানা নেই। দেখলাম, মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, তিনি আছেন। পুলিশ চেষ্টা করছে।
প্রথম আলো: আপনি কি আশাবাদী যে তাঁকে পাওয়া যাবে।
তোফায়েল আহমেদ: এর বেশি আমি বলতে পারব না। তিনি ওয়েস্টিন হোটেলের হেলথ ক্লাবে যেতেন। আমিও মাঝেমধ্যে যেতাম। আমার সঙ্গে তাঁর দেখা হতো। জানাশোনা ছিল। আমরা তো অবশ্যই আশা করব, স্বাভাবিকভাবে তিনি ফিরে আসবেন।
প্রথম আলো: সিটি নির্বাচনে কোনো কোনো মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এক মন্ত্রী যেকোনো মূল্যে জিততে চাইছেন।
তোফায়েল আহমেদ: আমরা তো কেউ প্রচারণায় যাইনি, গণসংযোগ করি না। আপনি যাঁর নাম নেননি, সেই মাননীয় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তিনি ‘যেকোনো মূল্যে’ কথাটা কর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা দেন। কারচুপি নয়, প্রচারণায় কঠোর পরিশ্রমের অর্থে বলেছেন। একই কথা অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদও বলেছেন। ড. এমাজউদ্দীন যেকোনো মূল্যে বিজয় ছিনিয়ে আনার কথা বলেছেন। মোশাররফ তো আর বিজয় ছিনিয়ে আনতে চাননি। নির্বাচনই হলো না, অথচ এমাজউদ্দীন নির্বাচনে জিতে তার তিন মাসের মধ্যে সাধারণ নির্বাচনের কথাও বলছেন।
প্রথম আলো: গত ৬ বছরের উন্নয়নের এমন কি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে?
তোফায়েল আহমেদ: হরতাল-অবরোধ সত্ত্বেও যুগান্তকারী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এগিয়ে চলছে। গ্রামগুলো দ্রুত রূপান্তরিত হচ্ছে শহরে। ক্রমাগত প্রমাণিত হয়ে চলছে যে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা যেটা করতে চান, সেটা তিনি করে দেখাতে পারেন। তাঁর মধ্যে সন্দেহাতীত এক অসাধারণ দৃঢ়তা ও সংকল্প রয়েছে। পদ্মা সেতু, গভীর সমুদ্রবন্দর, তেল শোধনাগার, কনটেইনার টার্মিনাল, গ্যাস আমদানির জন্য এলএনজি ভাসমান টার্মিনাল, মাতারবাড়ীতে কয়লাভিত্তিক ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র ইত্যাদি সরকারের বৃহৎ অগ্রাধিকার প্রকল্প, আর এসব প্রকল্প যথাসময়ে সম্পন্ন হবেই।
বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবেই। এলডিসি টপকে আমরা পরিণত হব উন্নয়নশীল দেশে। মন্দায় আক্রান্ত বিশ্ব অবাক হয়ে দেখেছে বাংলাদেশের জিডিপি ৬ ভাগের বেশি, এবারেও তা বজায় থাকবে। গোল্ডম্যান স্যাক্স, জেপি মরগ্যান প্রভৃতি নামী সংস্থার পূর্বাভাসে বাংলাদেশ এক উজ্জ্বল সম্ভাবনার নাম। এমনকি বিশ্বব্যাংকও বলেছে, মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে তারা অংশীদার হতে প্রস্তুত। কিছু গম আমদানি লাগে; অন্যথায় আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, এমনকি আমাদের সুগন্ধি চাল রপ্তানি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তদুপরি এবারে তিন লাখ টন গম বেশি উৎপন্ন হয়েছে। তার মানে গম কেনাটাও বন্ধ হয়ে যাবে। ১৯৭২-৭৩ সালে আমাদের রপ্তানি ছিল ৩৪৮ মিলিয়ন ডলার, সেটা বেড়ে এখন ৩০ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। এ বছরে হবে ৩২ বিলিয়ন ডলার। ২০২১ সালে আমরা যখন ৫০ বছর পূর্তি করব, তখন আমাদের রপ্তানি হবে ৭০ বিলিয়নের বেশি, যার মধ্যে পোশাকেই থাকবে ৫০ বিলিয়ন ডলার। এটা লক্ষণীয় যে, পাকিস্তানের রপ্তানি কিন্তু ২৪ বিলিয়ন ডলার। পাকিস্তানের রিজার্ভ ১০ বিলিয়ন ডলারেরও কম। আমাদের তা থেকে দ্বিগুণেরও বেশি, ২৩ বিলিয়ন। পাকিস্তানের রেমিট্যান্স ১০ বিলিয়ন, আমাদের ১৫ বিলিয়ন। সামাজিক খাতের সব সূচকে পাকিস্তানের এবং কিছু ক্ষেত্রে ভারতের চেয়ে আমরা ওপরে। ২০০৯ সালে আমরা যখন ক্ষমতা নিলাম, তখন আমাদের মোট রপ্তানি ছিল ১৪ বিলিয়ন ডলার, সেটা এখন দ্বিগুণের বেশি। রেমিট্যান্স ছিল চার-পাঁচ বিলিয়ন ডলার, সেটা এখন বেড়ে তিন গুণ। রিজার্ভ ছিল পাঁচ-ছয় বিলিয়ন ডলার, সেটা এখন ২৩ বিলিয়ন ডলার। এই হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলের একটি চকিত উন্নয়ন চিত্র। তিনি এভাবেই দেশটাকে এগিয়ে নিচ্ছেন। বাংলাদেশের জন্য ২০১৪ সাল ছিল একটি ‘সোনালি বসন্ত’; বেগম খালেদা জিয়া যাকে বাধাগ্রস্ত করতে গিয়েও বিফল হয়েছেন।
আমি সম্প্রতি শেখ হাসিনাকে একটি বার্তা পাঠিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছিলাম। নেত্রী, কংগ্রাচুলেসন্স। তিনি দয়া করে তাতে সাড়া দেন। তবে বুঝতে না পেরে জানতে চান, কেন? আমি বললাম, দুটি কারণে। প্রথমত, আপনাকে অভিনন্দন এ কারণে যে অবশেষে আপনি বেগম খালেদা জিয়াকে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করেছেন। দ্বিতীয়ত, তাঁকে আপনি তাঁর কার্যালয় থেকে বাসভবনে পাঠাতে পেরেছেন। এটা আপনার বিজয়।
প্রথম আলো: আমরা আপাতত একটি দমবন্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পেয়েছি। কিন্তু তার স্থায়িত্ব কতটুকু?
তোফায়েল আহমেদ: শেখ হাসিনার কারণেই বঙ্গবন্ধু হত্যা ও যুদ্ধাপরাধের বিচার হলো। অন্য কেউ এটা করতে পারত না। বিশ্বের অনেক দেশ নিজেরা ফাঁসি দেয়, আমরা দিলে বিবৃতি দেয়। এই দ্বৈত নীতি শেখ হাসিনার মধ্যে নেই। বঙ্গবন্ধু চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিতেন। একবার নিলে ফাঁসির মঞ্চে যেতে হলেও পেছাতেন না, ঠিক সেই একই তেজস্বিতা প্রদর্শন করে চলছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আপনি যে স্থিতিশীলতা চাইছেন, সেটা আমার মনে হয় ২০১৯ পর্যন্তই টিকে যাবে। কারণ বেগম খালেদা জিয়া ও তাঁর লন্ডনপ্রবাসী পুত্র নিশ্চয় উপলব্ধি করেছেন যে এই তথাকথিত আন্দোলন করে শেখ হাসিনার যেমন পতন ঘটানো যাবে না, তেমনি তাঁর কাছ থেকে কিছু আদায়ও করা যাবে না। এই শিক্ষা তাঁরা লাভ করেছেন।
প্রথম আলো: তাহলে গণতন্ত্র বিসর্জন দিয়ে উন্নয়ন করাই আপনাদের নীতি?
তোফায়েল আহমেদ: আমরা বিশ্বায়ন ও উদারীকরণ যুগে বাস করি, অবশ্যই গণতন্ত্রকে সম্মান করি। আবার একই সঙ্গে লক্ষ্যে অটল থেকে বাংলাকে শস্য-শ্যামলা-সুজলা-সুফলা তথা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় রূপান্তর করব। আগে আপনি বিএনপিকে গণতান্ত্রিক দল হিসেবে আচরণ করতে বলুন। তখন এ ধরনের সব প্রশ্ন আসবে। শেষ কথা হলো এই যে,১৯৮১ সালে আমরা আওয়ামী লীগের পতাকা শেখ হাসিনার হাতে তুলে দিয়েছিলাম। সেই পতাকা হাতে তিনি আওয়ামী লীগকে সাজিয়েছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগেই তিনি ২০২১ রূপকল্প নির্দিষ্ট করেছিলেন, সেই গন্তব্যে তিনি পৌঁছাবেন বলেই আমার বিশ্বাস।
প্রথম আলো: তার মানে ২০১৯ সালের নির্বাচনেও আপনারা জিতবেন বলে আপনি এখনই আস্থা ব্যক্ত করছেন।
তোফায়েল আহমেদ: হ্যাঁ (হাসি) আপনি তো সাংঘাতিক সাংবাদিক!
প্রথম আলো: আপনাকে ধন্যবাদ।
তোফায়েল আহমেদ: ধন্যবাদ।
প্রথম আলো: সংলাপ প্রশ্নে কিছুটা তুলনা করা যাক। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চোখে ইরান এবং আওয়ামী লীগ ও ভারতের চোখে বিএনপি-জামায়াতের সম্পর্কের আলোকে যদি দেখা হয়, তাহলে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ সন্ত্রাসের দায়ে অভিযুক্ত তেহরানের সঙ্গে বারাক ওবামার সাম্প্রতিক শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে। ভারতও জানিয়েছে। আমরা পররাষ্ট্রনীতিতে এটা পারলে অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে পারব না কেন?
তোফায়েল আহমেদ: ইরান কোনো সন্ত্রাসী দেশ নয়।
প্রথম আলো: ২০১২ সালেও যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইরান আগের মতোই আল-কায়েদাকে সক্রিয় মদদ দেওয়াসহ রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক রয়ে গেছে। ২০০৭ সালে মার্কিন সিনেট ইরানি রেভল্যুশন গার্ডকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
তোফায়েল আহমেদ: কিন্তু ইরান একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র নয়। একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে তার নিজস্ব নীতি রয়েছে। সুতরাং, ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক বিষয় নিয়ে জেনেভাতে যে আলোচনা হয়েছে, সেটা আর বিএনপি ও জামায়াতের বিষয় এক নয়। এবং এক হতেও পারে না। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের কোনো দেশ কখনো সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংলাপ করে না। আইএস যখন দুজন জাপানি সাংবাদিককে জিম্মি করে শর্ত দিল, তখন জাপান তা মানেনি। এখানে জামায়াত একটি সন্ত্রাসী সংগঠন এবং তারা জঙ্গি তৎপরতার সঙ্গে জড়িত।
প্রথম আলো: কিন্তু তাকে আপনার সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে সরকারিভাবে ঘোষণাও করেননি।
তোফায়েল আহমেদ: হ্যাঁ করিনি। বিশেষ করে বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সংলাপ তো অতীতে হয়েছে। কিন্তু আন্দোলনের নামে তারা যে নাশকতা করেছে এবং নিরীহ-নিরপরাধ মায়ের কোল খালি করেছে, নিষ্পাপ শিশুকে অগ্নিদগ্ধ করেছে, বাসের চালক ও সাধারণ মানুষকে যেভাবে পুড়িয়ে মেরেছে, সে কারণে তাদের সঙ্গে সংলাপের কোনো প্রশ্নই আসে না।
প্রথম আলো: ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার মতো অন্তত এক ডজন সন্ত্রাসী হামলার দায়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে অভিযুক্ত করেছিল। তারা বলেছে, ইরান তাদের বিমান ছিনতাই, দূতাবাস উড়িয়ে দেওয়া, আরও কত-কী করেছে। ওবামা শান্তিচুক্তি করতে গেলে ৪৭ জন সিনেটর বিরোধিতা করে চিঠি লিখে ইরানকে সতর্ক করেছে। তার পরও ওবামা থামেননি। বাংলাদেশও বলেছে, এটা কূটনীতি ও সংলাপের বিজয়। এখন বিশ্বব্যাংক বলেছে ২ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে। আমরা দেখছি দেড় শ লোক পেট্রলবোমায় নিহত হয়েছে। এখন আপনি এর পুরো দায় বিএনপিকে দিলেই আপনি এর দায়মুক্ত হতে পারেন?
তোফায়েল আহমেদ: কেন আমি দায়মুক্ত হব না। পুরো কাজটিই তো বিএনপির সৃষ্টি। দেশবাসী এটা জানে। যে দলটি বিশ্ব ইজতেমার সময় হরতাল-অবরোধ করে, বয়োবৃদ্ধদের কষ্ট দেয়, তাঁদের আসতে বাধা দেয়, যে দলের নেত্রী একুশে ফেব্রুয়ারি ও স্বাধীনতা দিবসে অবরোধ বজায় রেখে শহীদ মিনারবিমুখ থাকেন এবং নিজের ছেলের মৃত্যুর পরও হরতাল দিতে দ্বিধাহীন, সুতরাং তার দায় ক্ষমতাসীন দলের ওপর পড়বে কোন যুক্তিতে? ক্ষমতাসীন দল বরং সক্ষমতার সঙ্গে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে এই নাশকতা ও জঙ্গি তৎপরতাকে বানচাল করে দিয়েছে। যে কারণে এই মুহূর্তে দেশ স্বাভাবিক। বিশ্বব্যাংক যা-ই বলুক, বিএনপির এই তথাকথিত আন্দোলনে আমার অর্থনীতির কিছুটা ক্ষতি হয়েছে, তারা গ্রামের সঙ্গে শহরকে বিচ্ছিন্ন করে যে ব্যাপক ক্ষতি করতে চেয়েছিল, সেটা করতে ব্যর্থ হয়েছে।
প্রথম আলো: এত প্রাণহানি, মাত্র তিন মাসে জিডিপির ১ শতাংশ খেয়ে ফেলাকে ব্যাপক ক্ষতি মনে করেন না?
তোফায়েল আহমেদ: বিশ্বব্যাংকের এই তথ্যের সঙ্গে আমি একমত নই। কারণ, একটি শিল্পকারখানাও বন্ধ হয়নি। এমনকি বিএনপির নেতাদের মালিকানাধীন কারখানাগুলোও উৎপাদন দিয়েছে। যদি সরবরাহ চেইন বন্ধই হতো, তাহলে মার্চ মাসে রপ্তানির প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ হতো না। আমি রপ্তানিতে ৩৩ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার টার্গেট করেছি; এর হয়তো সামান্য ক্ষতি হতে পারে। আচ্ছা, এখন আপনি সংলাপের কথা বলছেন। বলুন তো যুক্তরাষ্ট্র কি আইএসের সঙ্গে সংলাপ করছে?
প্রথম আলো: আইএসের সঙ্গে বিএনপি তুলনীয় কি না? এরশাদবিরোধী আন্দোলনে ফকির সাহাবুদ্দিনের বাসার বৈঠক আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিই। সেখানে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে ১৮০ ও ১২০টি আসন ভাগাভাগি হয়েছিল কি না? শেখ হাসিনা বিএনপিকে ১২০ আসন দেওয়ার চুক্তিতে সই করেন। এটা সত্যি কি না?
তোফায়েল আহমেদ: হ্যাঁ। জেনারেল মাজেদ উল হক, কর্নেল মোস্তাফিজ, ওবায়দুর রহমান, আবদুস সালাম এবং আমি, আবদুস সামাদ আজাদ, আমির হোসেন আমু, আবদুর রাজ্জাক আমরা আলাপ করে তিন ফর্দ চুক্তিনামা তৈরি করি। বেগম খালেদা জিয়া সই দেননি।
প্রথম আলো: তাহলে সে রকমের একটি দলকে আপনি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া থেকে সরাতে চান, তা কতটা বাস্তবসম্মত?
তোফায়েল আহমেদ: এটা বাস্তবসম্মত নয় এবং আমি তাকে তো বের করতে চাই না। সে নিজেই বের হয়ে যাচ্ছে।
প্রথম আলো:১৯৮৬ সালের নির্বাচনে বিএনপি যায়নি বলে সে কি রাজনীতি থেকে বের হয়েছিল?
তোফায়েল আহমেদ: ১৯৮৬ আর ২০১৪ মেলে না।
প্রথম আলো: ১৯৮৬ সালে বেগম জিয়া কেন ওই আসন বণ্টন চুক্তিতে সই দেননি, সেই রহস্য ভেদ হয়েছে কি?
তোফায়েল আহমেদ: যত দূর জানি, তৎকালীন বিএনপি সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমানের বাসায় একটি বৈঠক হয়েছিল। এরশাদ অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে মোকাবিলা করেছিলেন। একদিকে এরশাদের আপন লোকদের বেগম জিয়ার শুভানুধ্যায়ী বানানো হলো, তাঁকে নির্বাচনে না যেতে পরামর্শ দেওয়া হলো, যাতে ঐক্য না টেকে, বিভেদ হয় এবং খালেদা জিয়া সেই ফাঁদে পড়েছিলেন। তিনি সাভার বা উইং কমান্ডার হামিদুল্লাহর বাসাসহ বিভিন্ন স্থানে হয়তো লুকিয়েছিলেন। পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। বলা হয়েছিল, তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে, বাস্তবতা যদিও তা ছিল না। যেকোনো একটি অজ্ঞাত নির্দেশে সমঝোতার ভিত্তিতে তিনি নির্বাচন থেকে দূরে সরে যান। একই ঘটনা তিনি ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি করতে চেয়েছিলেন। উনি মনে করেছিলেন, একটি তৃতীয় শক্তি ক্ষমতায় এলে ওনার সুবিধা হয়। তা না হলে পাঁচটি সিটিতে জয়লাভের পরে তাঁর নির্বাচন না করার কারণ ছিল না।
প্রথম আলো: প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে গেলে বিএনপিকে কী কী মন্ত্রিত্ব দেওয়া হতো?
তোফায়েল আহমেদ: স্বরাষ্ট্রসহ পাঁচটি দেওয়া হতো। প্রধানমন্ত্রী আমাদের সামনেই তা বলেছেন। নেত্রী প্রথম যখন প্রস্তাব দিলেন, খালেদা জিয়া আলটিমেটাম দিলেন। পুনরায় প্রস্তাব দেওয়ার পরে বললেন, দুদিনের মধ্যে তাঁর সঙ্গে সংলাপ করতে হবে। আর সেই দুদিনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী কিন্তু খালেদা জিয়াকে টেলিফোন করেছিলেন। আমি দ্বিধাহীন চিত্তে বলি, শেখ হাসিনা সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে এসব পরিচালনা করেছিলেন। হয়তো-বা সেদিন যদি টেলিফোন সংলাপের পরে বেগম খালেদা জিয়া গণভবনে আসতেন, তাহলে তিনি লাভবান হতেন। প্রধানমন্ত্রীর বড় গুণ, তিনি বঙ্গবন্ধুর মতোই নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেন। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া কারও সঙ্গে হয়তো সমঝোতা করেছিলেন যে তৃতীয় একটি শক্তি থাইল্যান্ডের মতো ক্ষমতা নেবে। আমরা নির্বাচন না করতে পারলে ওই তৃতীয় শক্তি ক্ষমতা নেবে। কিন্তু এখানে তিনি হেরে গেছেন।
প্রথম আলো: জিয়াউর রহমানকে বীর উত্তম ও সেনাবাহিনীর উপপ্রধান করা মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অবদানের প্রতি বঙ্গবন্ধুর স্বীকৃতি। আজ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে জিয়ার সততাকে প্রশ্নবিদ্ধ করার ভিত্তি কী? যদিও পঁচাত্তরে জিয়ার ভূমিকা নিয়ে আমরাও প্রশ্ন তুলি।
তোফায়েল আহমেদ: খন্দকার মোশতাকও মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন, মন্ত্রী ছিলেন, তাঁর নেতৃত্বেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধু জিয়াকে বীর উত্তম উপাধি দেন, সেটা ঠিক আছে। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর খুনিরাই তো জিয়ার নাম উল্লেখ করেছে। আর পঁচাত্তরের পরে তিনি স্বাধীনতার মূল্যবোধ ধ্বংস করেছেন। সংবিধানে বিসমিল্লাহ বসিয়ে চার মূলনীতি বাতিল করেছেন। একাত্তরের জিয়া ও পঁচাত্তরের পরের জিয়াউর রহমান এক নন।
প্রথম আলো: আওয়ামী লীগের কেউ কেউ বলেছিলেন জামায়াত সঙ্গ ত্যাগ করলে সংলাপ হবে। আপনার কী মত?
তোফায়েল আহমেদ: সেটা যে বা যারা বলুক, আমার কোনো মন্তব্য নেই। কারণ, জামায়াত ত্যাগ করলেই বিএনপি গণতান্ত্রিক সংগঠন হবে, তা আমি মনে করি না।
প্রথম আলো: আপনি বলছেন ২০১৯ সালের ৫ জানুয়ারির ৯০ দিন আগে বিএনপির সঙ্গে সংলাপ হবে। এটা কীভাবে গণতন্ত্রসম্মত?
তোফায়েল আহমেদ: কেন হবে না। আপনি একজন সাংবাদিক। কোনো পক্ষ অবলম্বন করা উচিত নয়। টক শোতে কথা বলেন, সেটা ভিন্ন। আমি এখন সংলাপ করব কী কারণে? আগাম নির্বাচন দেব না। তাহলে কিসের সংলাপ? খালেদা জিয়ার সাত দফার প্রথম দফা তত্ত্বাবধায়ক সরকার, সেটা সম্ভব নয়। এখন সংলাপ মানে চাপের কাছে নতি স্বীকার করা, সেটা হবে না। সংলাপ হবে নির্বাচনের জন্য।
প্রথম আলো: বিএনপি আমলে গ্রেপ্তারের পরে আপনাদের সঙ্গে যেমন আচরণ করেছিল, এখন তাদের সঙ্গে তার চেয়ে ভালো করছেন কি?
তোফায়েল আহমেদ: অবশ্যই। ২০০২ সালে বিমানবন্দরে আমাকে গ্রেপ্তার করে কাশিমপুর জেলে নেওয়া হয়। সেখানে ফাঁসির আসামি এরশাদ শিকদারের খাটবিহীন কনেডম সেলের মেঝেতে রাখা হয়েছিল। হাইকোর্টের আদেশের আগে আমাকে ডিভিশন দেওয়া হয়নি। অথচ এখন ভিন্ন চিত্র। বিএনপির সাবেক মন্ত্রী ও সাংসদদের আদালত লাগে না। স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাঁরা ডিভিশন পাচ্ছেন। আর জিয়ার আমলে ৩৩ মাস জেলে থাকতে আমার উপর দৈহিক নির্যাতন চলেছিল।
প্রথম আলো: আমাদের জানামতে কিছুদিন আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে পিজির আউটডোরে ডাক্তার দেখাতে হয়েছে।
তোফায়েল আহমেদ: পিজির আউটডোর ও জেলখানা এক নয়, সেটা আমি জানিও না।
প্রথম আলো: সিটি নির্বাচনে বিএনপি যে ধরপাকড় ও হয়রানির আশঙ্কা করছে, তার কি একটা সুরাহা সম্ভব?
তোফায়েল আহমেদ: নির্বাচন কমিশন তো বলেই দিয়েছে যার নামে মামলা থাকবে, পুলিশ তো তাকে গ্রেপ্তার করতে পারে।
প্রথম আলো: সাবেক মন্ত্রী সালাউদ্দিনের নিখোঁজ হওয়াকে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত রাজনীতিকদের জন্য শুভ লক্ষণ নয় বলে মনে করেন। আপনি কীভাবে দেখেন?
তোফায়েল আহমেদ: এটা কারও জন্যই শুভ লক্ষণ নয়। প্রকৃত ঘটনা আমার জানা নেই। দেখলাম, মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, তিনি আছেন। পুলিশ চেষ্টা করছে।
প্রথম আলো: আপনি কি আশাবাদী যে তাঁকে পাওয়া যাবে।
তোফায়েল আহমেদ: এর বেশি আমি বলতে পারব না। তিনি ওয়েস্টিন হোটেলের হেলথ ক্লাবে যেতেন। আমিও মাঝেমধ্যে যেতাম। আমার সঙ্গে তাঁর দেখা হতো। জানাশোনা ছিল। আমরা তো অবশ্যই আশা করব, স্বাভাবিকভাবে তিনি ফিরে আসবেন।
প্রথম আলো: সিটি নির্বাচনে কোনো কোনো মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এক মন্ত্রী যেকোনো মূল্যে জিততে চাইছেন।
তোফায়েল আহমেদ: আমরা তো কেউ প্রচারণায় যাইনি, গণসংযোগ করি না। আপনি যাঁর নাম নেননি, সেই মাননীয় মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তিনি ‘যেকোনো মূল্যে’ কথাটা কর্মীদের কাছে ব্যাখ্যা দেন। কারচুপি নয়, প্রচারণায় কঠোর পরিশ্রমের অর্থে বলেছেন। একই কথা অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদও বলেছেন। ড. এমাজউদ্দীন যেকোনো মূল্যে বিজয় ছিনিয়ে আনার কথা বলেছেন। মোশাররফ তো আর বিজয় ছিনিয়ে আনতে চাননি। নির্বাচনই হলো না, অথচ এমাজউদ্দীন নির্বাচনে জিতে তার তিন মাসের মধ্যে সাধারণ নির্বাচনের কথাও বলছেন।
প্রথম আলো: গত ৬ বছরের উন্নয়নের এমন কি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে?
তোফায়েল আহমেদ: হরতাল-অবরোধ সত্ত্বেও যুগান্তকারী উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এগিয়ে চলছে। গ্রামগুলো দ্রুত রূপান্তরিত হচ্ছে শহরে। ক্রমাগত প্রমাণিত হয়ে চলছে যে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা যেটা করতে চান, সেটা তিনি করে দেখাতে পারেন। তাঁর মধ্যে সন্দেহাতীত এক অসাধারণ দৃঢ়তা ও সংকল্প রয়েছে। পদ্মা সেতু, গভীর সমুদ্রবন্দর, তেল শোধনাগার, কনটেইনার টার্মিনাল, গ্যাস আমদানির জন্য এলএনজি ভাসমান টার্মিনাল, মাতারবাড়ীতে কয়লাভিত্তিক ১৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র ইত্যাদি সরকারের বৃহৎ অগ্রাধিকার প্রকল্প, আর এসব প্রকল্প যথাসময়ে সম্পন্ন হবেই।
বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবেই। এলডিসি টপকে আমরা পরিণত হব উন্নয়নশীল দেশে। মন্দায় আক্রান্ত বিশ্ব অবাক হয়ে দেখেছে বাংলাদেশের জিডিপি ৬ ভাগের বেশি, এবারেও তা বজায় থাকবে। গোল্ডম্যান স্যাক্স, জেপি মরগ্যান প্রভৃতি নামী সংস্থার পূর্বাভাসে বাংলাদেশ এক উজ্জ্বল সম্ভাবনার নাম। এমনকি বিশ্বব্যাংকও বলেছে, মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হতে তারা অংশীদার হতে প্রস্তুত। কিছু গম আমদানি লাগে; অন্যথায় আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ, এমনকি আমাদের সুগন্ধি চাল রপ্তানি ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তদুপরি এবারে তিন লাখ টন গম বেশি উৎপন্ন হয়েছে। তার মানে গম কেনাটাও বন্ধ হয়ে যাবে। ১৯৭২-৭৩ সালে আমাদের রপ্তানি ছিল ৩৪৮ মিলিয়ন ডলার, সেটা বেড়ে এখন ৩০ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। এ বছরে হবে ৩২ বিলিয়ন ডলার। ২০২১ সালে আমরা যখন ৫০ বছর পূর্তি করব, তখন আমাদের রপ্তানি হবে ৭০ বিলিয়নের বেশি, যার মধ্যে পোশাকেই থাকবে ৫০ বিলিয়ন ডলার। এটা লক্ষণীয় যে, পাকিস্তানের রপ্তানি কিন্তু ২৪ বিলিয়ন ডলার। পাকিস্তানের রিজার্ভ ১০ বিলিয়ন ডলারেরও কম। আমাদের তা থেকে দ্বিগুণেরও বেশি, ২৩ বিলিয়ন। পাকিস্তানের রেমিট্যান্স ১০ বিলিয়ন, আমাদের ১৫ বিলিয়ন। সামাজিক খাতের সব সূচকে পাকিস্তানের এবং কিছু ক্ষেত্রে ভারতের চেয়ে আমরা ওপরে। ২০০৯ সালে আমরা যখন ক্ষমতা নিলাম, তখন আমাদের মোট রপ্তানি ছিল ১৪ বিলিয়ন ডলার, সেটা এখন দ্বিগুণের বেশি। রেমিট্যান্স ছিল চার-পাঁচ বিলিয়ন ডলার, সেটা এখন বেড়ে তিন গুণ। রিজার্ভ ছিল পাঁচ-ছয় বিলিয়ন ডলার, সেটা এখন ২৩ বিলিয়ন ডলার। এই হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলের একটি চকিত উন্নয়ন চিত্র। তিনি এভাবেই দেশটাকে এগিয়ে নিচ্ছেন। বাংলাদেশের জন্য ২০১৪ সাল ছিল একটি ‘সোনালি বসন্ত’; বেগম খালেদা জিয়া যাকে বাধাগ্রস্ত করতে গিয়েও বিফল হয়েছেন।
আমি সম্প্রতি শেখ হাসিনাকে একটি বার্তা পাঠিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছিলাম। নেত্রী, কংগ্রাচুলেসন্স। তিনি দয়া করে তাতে সাড়া দেন। তবে বুঝতে না পেরে জানতে চান, কেন? আমি বললাম, দুটি কারণে। প্রথমত, আপনাকে অভিনন্দন এ কারণে যে অবশেষে আপনি বেগম খালেদা জিয়াকে আদালতে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করেছেন। দ্বিতীয়ত, তাঁকে আপনি তাঁর কার্যালয় থেকে বাসভবনে পাঠাতে পেরেছেন। এটা আপনার বিজয়।
প্রথম আলো: আমরা আপাতত একটি দমবন্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পেয়েছি। কিন্তু তার স্থায়িত্ব কতটুকু?
তোফায়েল আহমেদ: শেখ হাসিনার কারণেই বঙ্গবন্ধু হত্যা ও যুদ্ধাপরাধের বিচার হলো। অন্য কেউ এটা করতে পারত না। বিশ্বের অনেক দেশ নিজেরা ফাঁসি দেয়, আমরা দিলে বিবৃতি দেয়। এই দ্বৈত নীতি শেখ হাসিনার মধ্যে নেই। বঙ্গবন্ধু চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিতেন। একবার নিলে ফাঁসির মঞ্চে যেতে হলেও পেছাতেন না, ঠিক সেই একই তেজস্বিতা প্রদর্শন করে চলছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আপনি যে স্থিতিশীলতা চাইছেন, সেটা আমার মনে হয় ২০১৯ পর্যন্তই টিকে যাবে। কারণ বেগম খালেদা জিয়া ও তাঁর লন্ডনপ্রবাসী পুত্র নিশ্চয় উপলব্ধি করেছেন যে এই তথাকথিত আন্দোলন করে শেখ হাসিনার যেমন পতন ঘটানো যাবে না, তেমনি তাঁর কাছ থেকে কিছু আদায়ও করা যাবে না। এই শিক্ষা তাঁরা লাভ করেছেন।
প্রথম আলো: তাহলে গণতন্ত্র বিসর্জন দিয়ে উন্নয়ন করাই আপনাদের নীতি?
তোফায়েল আহমেদ: আমরা বিশ্বায়ন ও উদারীকরণ যুগে বাস করি, অবশ্যই গণতন্ত্রকে সম্মান করি। আবার একই সঙ্গে লক্ষ্যে অটল থেকে বাংলাকে শস্য-শ্যামলা-সুজলা-সুফলা তথা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় রূপান্তর করব। আগে আপনি বিএনপিকে গণতান্ত্রিক দল হিসেবে আচরণ করতে বলুন। তখন এ ধরনের সব প্রশ্ন আসবে। শেষ কথা হলো এই যে,১৯৮১ সালে আমরা আওয়ামী লীগের পতাকা শেখ হাসিনার হাতে তুলে দিয়েছিলাম। সেই পতাকা হাতে তিনি আওয়ামী লীগকে সাজিয়েছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগেই তিনি ২০২১ রূপকল্প নির্দিষ্ট করেছিলেন, সেই গন্তব্যে তিনি পৌঁছাবেন বলেই আমার বিশ্বাস।
প্রথম আলো: তার মানে ২০১৯ সালের নির্বাচনেও আপনারা জিতবেন বলে আপনি এখনই আস্থা ব্যক্ত করছেন।
তোফায়েল আহমেদ: হ্যাঁ (হাসি) আপনি তো সাংঘাতিক সাংবাদিক!
প্রথম আলো: আপনাকে ধন্যবাদ।
তোফায়েল আহমেদ: ধন্যবাদ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
April
(816)
-
▼
Apr 23
(29)
- কোনো অবস্থাতেই পিছু হটব না: আফরোজা
- সন্ত্রাসমুক্ত ও উন্নত চট্টগ্রাম গড়তে মনজুরের ইশতেহার
- মেয়র পদ হারালেন লুৎফুর রহমান
- কিষাণ সমাবেশে কৃষকের আত্মহত্যা
- জঙ্গিরা আমাকে হত্যার পরিকল্পনা করছে -তসলিমা নাসরিন
- খালেদা জিয়ার ওপর আক্রমণ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া স...
- বিমান নাকি ট্রেন, ৬০৩ কি.মি. গতি তুলে বিশ্বরেকর্ড
- ‘মন্ত্রীরাও শিক্ষক নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িত’
- মিন্টুর যমুনা রিসোর্টের চুক্তি বাতিলের কার্যকারিতা...
- ‘গাড়িসংকট’, আজ প্রচারে যাচ্ছেন না খালেদা
- যেভাবে রসু সিরিয়াল কিলার by মির্জা জাকির
- জীবন দিলেও ভল্টের চাবি দেননি ওয়ালিউল্লাহ by আলাউদ্...
- খালেদা জিয়ার গাড়িতে ছাত্রলীগের হামলা
- দুর্ধর্ষ ব্যাংক ডাকাতি- বীভৎসতা থেকে রেহাই পায়নি ক...
- নির্দলীয় মোড়কে দলীয় নির্বাচন by রাহীদ এজাজ
- সহিংসতা থেকে প্রার্থীকে রক্ষা করতে যুক্তরাষ্ট্রের ...
- খালেদার প্রচারে অব্যাহত হামলা
- সরকার লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চায় না -আফরোজা আব্বাস
- সেনাবাহিনীর বিচারিক ক্ষমতা চাই -তাবিথ আউয়াল
- পছন্দের মানুষকে নির্বাচিত করুন -আনিসুল হক
- প্রমাণ করবো কাজের মানুষ
- রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি- শ্রমিকরা এখনও অধিকার বঞ্চি...
- পিস্তলের গুলিতে যুবলীগ নেতার আত্মহত্যা
- ‘মধু হই হই ভোট লই যায় ভোট গেলেগই হবর ন লয়’ by তা...
- ২১ বছরে লঞ্চডুবিতে প্রাণহানি সাত হাজার
- এখন সংলাপ কেন, আগাম নির্বাচন তো হবে না -সাক্ষাৎকা...
- প্রচারণায় খালেদা, আব্বাস-তাবিথকে সতর্ক করে ইসির চিঠি
- চট্টগ্রামে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ by কাজী সুমন ও মহ...
- নৃশংস হত্যাকাণ্ডে নিহতদের পরিবারে কান্না by আল আমিন
-
▼
Apr 23
(29)
-
▼
April
(816)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment