Monday, October 14, 2013
বিশেষ সাক্ষাৎকার: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর- না, আমরা নির্বাচনে যাব না by মিজানুর রহমান খান
বিশেষ সাক্ষাৎকার: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর- না, আমরা নির্বাচনে যাব না by মিজানুর রহমান খান
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জন্ম ১৯৪৮ সালের ১ আগস্ট ঠাকুরগাঁওয়ে।
১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। এ
সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের (মেনন গ্রুপ) সভাপতি ছিলেন।
এরপর
ভাসানী ন্যাপে। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের পশ্চিম দিনাজপুর থেকে
সংগঠকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালে দিনাজপুর সরকারি কলেজে অর্থনীতিতে
শিক্ষকতা শুরু। ১৯৭৮ সালে প্রেষণে উপপ্রধানমন্ত্রী এস এ বারি এটির একান্ত
সচিব হন। ’৮২-এর মার্চে পুনরায় শিক্ষকতায় এবং পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়
থেকে ইস্তফা দিয়ে ১৯৮৯ সালে ঠাকুরগাঁও পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
বিএনপির টিকিটে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে সংসদ নির্বাচন করে অকৃতকার্য হন। ২০০১
সালে ঠাকুরগাঁও থেকে সংসদ সদস্য হয়ে তিনি কৃষি প্রতিমন্ত্রী ও বেসামরিক
বিমান প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম
মহাসচিব। ২০১১ সালের মার্চে খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর থেকে
তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। ৯ অক্টোবর মির্জা
ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাঁর উত্তরার বাসভবনে প্রথম আলোর মুখোমুখি হন।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মিজানুর রহমান খান। নির্বাচনকালীন সরকার পদ্ধতি নিয়ে
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও বিরোধী দল বিএনপির পাল্টাপাল্টি অবস্থানে দেশের
মানুষ উদ্বিগ্ন। সংকট নিরসনে বিভিন্ন মহল থেকে সংলাপের কথা বলা হচ্ছে।
চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
প্রথম আলো: আপনার বাড়ির নাম কুসুমিত অথচ আপনি কণ্টকিত রাজনীতির জাল বুনছেন। নির্বাচন ঠেকানোর ঘোষণায় দেশের মানুষ খুবই উদ্বিগ্ন।
মির্জা ফখরুল: কুসুম তো কণ্টকে আকীর্ণ থাকে। গোলাপের চারদিকে কাটা থাকে। আঘাত তখনই আসে যখন কুসুম উপড়ানোর চেষ্টা চলে। আমাদের চেয়ারপারসন যেটা বলেছেন, সেটা দুঃখের সঙ্গে একান্ত বাধ্য হয়েই বলেছেন। ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের পর থেকেই আমরা বলি এর ফল শুভ হবে না। বিগত কয়েক মাসে আমরা কঠোর কর্মসূচি দিইনি।
প্রথম আলো: এটা কতটা উদারতা আর কতটা অপারগতা তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। অনেকে বলেন বিএনপির আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেয়নি।
মির্জা ফখরুল: এটা আওয়ামী লীগ ও তার মিত্রদের ভ্রান্ত ধারণা। আমরা ইতিবাচক ও সহযোগিতার রাজনীতি করতে চেয়েছি। তদুপরি আমরা সংঘাত এড়াতে সচেষ্ট। প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে বলেছিলেন সংসদ বিলোপ করে দেওয়া হবে। ছোট মন্ত্রিসভা হবে। ইচ্ছা করলে বিরোধী দলের লোকও আসতে পারে। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচন করা হবে। কিন্তু দেখা গেছে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক নন। নিজের কথা নিজেই বদলাচ্ছেন।
প্রথম আলো: তার মানে এটা দিলে মানবেন?
মির্জা ফখরুল: আমাদের কথাই ছিল নির্দলীয় সরকারের যেকোনো প্রস্তাব এলে তা খতিয়ে দেখব, অনমনীয় থাকব না। আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে একটা পথ বেরিয়ে আসবে। এখনো আমাদের নেত্রী সে কথাই বলে চলেছেন।
প্রথম আলো: আপনার নেত্রী দুই মহাসচিবের বৈঠক চাইছেন। কিন্তু লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তো নেই। সেটা এই অর্থে যে আপনি কেন ভারপ্রাপ্তে ভারাক্রান্ত? বিএনপির একটি কোটারি গোষ্ঠী, বিশেষ করে যাঁরা তারেক রহমানের সমর্থক, তারাই কি এটা চাইছেন না।
মির্জা ফখরুল: এটা অপপ্রচার। সম্পূর্ণরূপে ভ্রান্ত ধারণা। দলের কাউন্সিল হয়নি বলেই এটা হয়তো এখনো পূর্ণাঙ্গ হয়নি। কিন্তু এটা তো সমস্যা নয়।
প্রথম আলো: দুই মহাসচিবের মধ্যে পর্দার আড়ালে কী কথা হয়েছিল?
মির্জা ফখরুল: আমি দেশে ছিলাম না। পত্রিকায় দেখেছি একটা আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। এর চেয়ে বেশি কিছু জানি না।
প্রথম আলো: কিন্তু বিষয়টি আপনার না জানার কথা নয়। উদ্যোগটা কাদের দিক থেকে ছিল।
মির্জা ফখরুল: সম্ভবত প্রাথমিক পর্যায়ে সরকারি দল থেকেই।
প্রথম আলো: ড. গওহর রিজভীর বাসভবনে এক বা দুই দফা বৈঠক কি সত্যি হয়েছিল?
মির্জা ফখরুল: আমি তেমনটাই শুনেছি।
প্রথম আলো: তাতে দুই মহাসচিবের বৈঠকের বিষয়টি প্রাধান্য পাচ্ছিল।
মির্জা ফখরুল: সম্ভবত।
প্রথম আলো: গত মে মাসে আপনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য যাওয়ার ফলে সেটা হয়নি। অন্য কেউ গিয়েছিলেন।
মির্জা ফখরুল: তাই শুনেছি। দেখুন, এ মুহূর্তে এ নিয়ে কোনো অনুমাননির্ভরতার সুযোগ নেই।
প্রথম আলো: আচ্ছা, ওই আলোচনা ভেঙে যাওয়ার জন্য শুধু আওয়ামী লীগই দায়ী?
মির্জা ফখরুল: সম্পূর্ণভাবে। আমরা যেকোনো স্থানে যেকোনো সময় আলোচনা চাই।
প্রথম আলো: সংগ্রাম কমিটি সহিংস নাকি অহিংস হবে?
মির্জা ফখরুল: অহিংস ও নিয়মতান্ত্রিক হবে।
প্রথম আলো: শেখ হাসিনাকে রেখে নির্বাচনে যাবেন না বলছেন। তাহলে কীভাবে সমঝোতা হবে। এটা কি এতটাই নির্দিষ্ট যে আপনি বলতে পারেন এটা পুরোপুরি সন্দেহাতীত সিদ্ধান্ত?
মির্জা ফখরুল : এটা একদম সন্দেহাতীত। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের কোনো সম্ভাবনাই থাকবে না, যদি কোনো আওয়ামী লীগার সরকারপ্রধান হন। আর তিনি তো আবার আওয়ামী লীগের সভানেত্রী।
প্রথম আলো: খালেদা জিয়া নির্দিষ্ট করে শুধু শেখ হাসিনার কথা বলেছেন। আপনি কি আরেকটু ব্যাপকতা দিয়ে আওয়ামী লীগের কেউ থাকতে পারবে না, এমনটাই বলছেন?
মির্জা ফখরুল : আমাদের নেত্রী বলেছেন আওয়ামী লীগের নেত্রী থাকবেন না এবং সরকারের চরিত্র হতে হবে দলনিরপেক্ষ।
প্রথম আলো: এর আগে আপনিই কিন্তু লন্ডনি প্রস্তাবের কথা বলেছিলেন। একটু আশাবাদী হচ্ছিলাম আওয়ামী লীগের কাউকে রেখেও একটা সর্বদলীয় সমাধান হতে পারে। আপনার বক্তব্য একটু স্ববিরোধী হয়ে গেল কি না?
মির্জা ফখরুল : না, হলো না। কারণ, সেই সময়টা তাঁরা পার করেছেন। এখন পর্যন্ত তাঁরা যে ভাষায় কথা বলছেন, তাতে আর সেই জায়গা থাকছে না। বরং এখন আমরা যা বলছি সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
প্রথম আলো: আপনাদের কথায় মনে হয় নির্দলীয় সরকার হলেই হবে না, নতুন নির্বাচন কমিশনও লাগবে। আরও কোনো শর্ত?
মির্জা ফখরুল : বর্তমান ইসি সক্ষম নয় মনে করি। শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েন করা উচিত।
প্রথম আলো: শোনা যাচ্ছে শো অব ফোর্স হিসেবে তারা সেনাকে থানা সদরে রাখবে। এর বাইরে পাঠাবে না।
মির্জা ফখরুল : আমরা এ বিষয়ে কিছু শুনিনি। সেনারা ভোটকেন্দ্রে কোনো দিনই ছিল না। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ছিল। আগে যেভাবে ছিল সেভাবেই থাকতে হবে।
প্রথম আলো: নতুন ধারার রাজনীতির কথা আগেও শুনেছি। কিন্তু প্রতিহিংসার রাজনীতি বিএনপি করেছে।
মির্জা ফখরুল : আপনি দৃষ্টান্ত দেখান—
প্রথম আলো: জন্মদিনে কেক কাটা এর অন্যতম। এতে উষ্মা প্রকাশ করে মওদুদ আহমদও লিখেছেন।
মির্জা ফখরুল : মওদুদ আহমদের বই দিয়ে বিএনপির রাজনীতিকে বোঝা যাবে না। একটি দলে বিভিন্ন ধরনের লোক থাকবেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের চিন্তা করবেন। কেক কাটা নিয়ে একটি অযথা ইস্যু সৃষ্টি করা হয়। এর কোনো প্রভাব আছে বলেই আমি মনে করি না। কেক কাটায় দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। এটা সহনশীলতার বিষয়। রাজনৈতিক সহনশীলতাই মুখ্য। আমাকে আপনার রাজনৈতিক চিন্তার প্রতি সহনশীল থাকতে হবে। এখন যেটা হচ্ছে, তা ব্যক্তিগত আক্রোশ। আমার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে আমি আবর্জনার ট্রাকে আগুন দিয়েছি। এটা পুরোপুরি ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক মামলা দেওয়া হোক। সেটা গ্রহণযোগ্য।
প্রথম আলো: ঠিক এই ধরনের মামলা আপনারাও করেছেন। ফের ক্ষমতায় গিয়েও করবেন না, সে লক্ষ্যে জনমনে আস্থা সৃষ্টিতে বা কোনো গুণগত পরিবর্তন আনতে বিএনপিকে সৎ মনে হয় না। জনগণ আপনাদের দিকে সম্ভবত সেভাবে তাকাতে পারে না।
মির্জা ফখরুল : আপনার ধারণা ভ্রান্তিপ্রসূত। বিএনপির দিকে যদি নাই তাকানো যেত তাহলে বিগত পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হতো না। অনেকে বলেন, এটা হচ্ছে নেগেটিভ ভোট।
প্রথম আলো: অনেকে নয়, বলুন এটাই বড় সত্য। গত পাঁচ বছরে বিএনপি কী করেছে? সংসদে না গেলে সরকার পড়ে না, তাহলে সংসদে যেতে তাকে কে না করেছে। আর সরকারের প্রতি অনাস্থা মানুষ কীভাবে জানাবে? পথ রেখেছেন কোন? পারলে ‘না’ ভোটের ব্যবস্থা করুন। এখানে তো আপনাদের ঐক্য আছে।
মির্জা ফখরুল : আমরা যাঁরা শিক্ষিত মানুষ বা এলিট শ্রেণী, তাঁরা মনে হয় বাংলাদেশের জনগণের নাড়ির স্পন্দন ধরতে পারি না। এর ফলে দুই রকমের চিন্তা আসে। একটা হচ্ছে ভালো কাজ কী হওয়া উচিত। তা হয়তো আমিও মানি। সাধারণ মানুষের ভেতরে আরেকটি চিন্তা কাজ করে। তারই প্রতিফলন ঘটে বিভিন্ন নির্বাচনে। সাধারণ মানুষ সাধারণভাবে কোনো ভুল করতে পারে না। এখানে মানুষ তুলনা করে। বিএনপির আমলে কেমন ছিলাম, এখন আমরা কেমন আছি। এই তুলনা করেই ভোটটা দেয়। ১০ টাকা চালের কেজি খাওয়ানোর কথা বলে এখন ৪০ টাকা চলছে। কুইক রেন্টালে বিরাট খরচা হলো। অথচ লোডশেডিং কমছে না। মানুষ নতুন বাড়িঘর করলে আর বিদ্যুৎ পাচ্ছে না। পদ্মা সেতুর মতো দুর্নীতি বিএনপি আমলে হয়েছিল কি না, সেটা মানুষ চিন্তা করছে।
প্রথম আলো: আপনার হয়তো যুক্তি আছে। কিন্তু একটি বিষয় এখনো অপ্রমাণিত। নির্দলীয় সরকারের যে বড়াইটা আমরা করি, সেটা কিন্তু কোনো দলকে টানা দুবার জিতিয়ে দেয়নি। বিরোধী দলের কাছেই ক্ষমতা হস্তান্তর এর কৃতিত্ব।
মির্জা ফখরুল : এটা কিছুটা নেতিবাচক চিন্তাপ্রসূত এবং সরলীকরণ। বিষয়টা ভিন্ন জায়গায়। সরকারি দলই থাকে চালকের আসনে। তাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হয় গণতন্ত্রকে তারা কোথায় নিয়ে যাবে। সাইবার অ্যাক্টের সংশোধন হলো। এখন আপনি বলুন এটা কীভাবে মুক্তচিন্তাকে সাহায্য করবে?
প্রথম আলো: পরিহাসটা সেখানেই, ২০০৬ সালে এই আইনের ৫৭ ধারায় যে উদ্ভট কালাকানুন আপনারা পাস করেছিলেন, ক্ষমতাসীনেরা তা বাতিল না করে আরও খারাপ করেছে। আপনাদের তো সে কারণেই এক পাল্লায় মাপি।
মির্জা ফখরুল : আজ যদি আওয়ামী লীগ সেটা পরিবর্তন করত তাহলে সেটাই হতো ইতিবাচক। কোনো আইনেই আজ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ কোনো ইতিবাচক দিক নিয়ে আসেনি। যেমন বিশেষ ক্ষমতা আইন।
প্রথম আলো: একদম ঠিক বলেছেন। আপনারা বাতিল করেননি। বিচার বিভাগ পৃথক্করণ আপনারা দেননি। বাহাত্তরের রাষ্ট্র গঠন ত্রুটি না শুধরিয়ে আপনারা একসঙ্গে চলছেন—
মির্জা ফখরুল : এ বিষয়গুলো শুরু করতে হবে। আমরা বিরোধী দল থেকে ইতিবাচক দিকে নিয়ে যেতে চেয়েছি। তাই বলছি, আমরা সরকার গঠন করতে পারলে সব বিষয়কে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখার চেষ্টা করব।
প্রথম আলো: ১৫ আগস্টে কেক কাটা না হয় ব্যক্তিগত, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাকে কী বলবেন। এই জঘন্য অপরাধের বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে তদন্ত ও বিচার-প্রক্রিয়া চালু করতে আপনারা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছিলেন।
মির্জা ফখরুল : এর পরের পরিস্থিতি সম্পর্কে আমাকে বলতে দিন। এবার তিনটি অভিযোগপত্র পরিবর্তন করা হলো। নতুন আইও নিয়োগ করা হলো।
প্রথম আলো: আপনি বিএনপির ব্যর্থতা ব্যাখ্যা করুন। আপনি কিন্তু আওয়ামী লীগের সমালোচনায় গেলেন।
মির্জা ফখরুল : স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের লোক এসেছিল। তারা তদন্তের চেষ্টা করেছে। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী কোনো সহযোগিতা দেননি। সে সময়ে আমরা তাদের সহযোগিতা পেতে বিভিন্ন রকম চেষ্টা চালিয়েছি, সেটা পাইনি। যাঁরা এর দায়িত্বে ছিলেন, সে ক্ষেত্রে তাঁরা কিছু কিছু ভুল করে থাকতে পারেন। তাঁদের হয়তো বিচ্যুতি ঘটেছে।
প্রথম আলো: সে জন্য আপনাদের কোনো অনুশোচনা নেই। আওয়ামী লীগের কাছে কোনো ক্ষমা প্রার্থনা নেই। যদি নতুন ধারা বলতে শুভ কিছু বোঝাতে চান, তাহলে এটা বাদ দিয়ে হবে না। সমঝোতার এই পথে আসতে হবে।
মির্জা ফখরুল : সেই সমঝোতা বা রিকন্সিলিয়েশন তখনই হবে, যখন আপনি আমাকে দায়ী করবেন না। আপনি আমাদের দলের নেতাকে (তারেক রহমান) সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে তৃতীয় দফায় দেওয়া অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত করছেন। আমাদের ভুলত্রুটি শুধরানোর সুযোগটা সৃষ্টি করবে সরকার। আমি স্বীকার করছি আমাদের কিছু ভুল ছিল। সেই ভুলগুলোকে বর্তমান সরকার দূর করা তো দূরে থাক, তাকে পুঁজি করে বিরোধী দলকে কী করে নির্মূল করা যায়, সেই কাজ তারা করছে। এ ব্যাপারে আপনাদের খুব বেশি সমালোচনা আমরা কিন্তু দেখি না।
প্রথম আলো: সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন চালানো ও জঙ্গিদের মদদ দেওয়ার সঙ্গে আপনাদের যেসব মন্ত্রী অভিযুক্ত ছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে বিএনপি কোনো শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বলে আজও জানা যায় না। তাহলে বিএনপিকে কেন দেশি-বিদেশিরা এই প্রশ্নে ভরসা করবে?
মির্জা ফখরুল : অবশ্যই করবে। কারণ, এক হাজারের বেশি জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জঙ্গিবাদকে আমরা কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেব না, সেই মনোভাব থেকেই তা করা হয়েছে। জঙ্গিবাদে আমরা বিশ্বাস করি না। জঙ্গিবাদ পুরোপুরি নির্মূল করতে হবে। কিছু লোক বিএনপিকে ভুলভাবে চিত্রিত করেছে, সেটা জামায়াতের সঙ্গে জোট থাকার কারণে করেছে। কিন্তু সেটা ন্যায্য নয়। বিএনপি সেই দল, যারা গণতন্ত্র ও বহুদলীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করেছে। সংসদীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছে।
প্রথম আলো: আপনার যুক্তি আংশিক সত্য। কিন্তু এও সত্য যে এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক চরম কেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থার নাগপাশ থেকে আমরা মুক্তি পাইনি। এক ব্যক্তির হাতে দল, মন্ত্রিসভা, সংসদ ও বিচার বিভাগের সর্বময় ক্ষমতা কুক্ষিগত হয়েছে। দুই দলের মধ্যে এসব নিয়ে কোনো কাজিয়া নেই।
মির্জা ফখরুল : অবশ্যই কাজিয়া আছে। আপনার সঙ্গে এ বিষয়ে একদম একমত নই।
প্রথম আলো: কিন্তু এটাই ধ্রুব সত্য যে চতুর্থ সংশোধনীতে বিচার বিভাগের যে স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল, তা সামরিক ফরমানে ফেরত আসেনি। বরং জিয়ার দুটি ডিক্রি শেখ হাসিনা এবারে নতুন করে পাস করলেন। বলুন এটা সত্য নয়?
মির্জা ফখরুল : আপনি বাকশালের নিন্দা করছেন না। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তনকে প্রশংসা করছেন না। ভালো দিকগুলোর প্রশংসা না করলে অন্যগুলো কাজ করবে না। সামনের দিকে আরও এগোতে পারব না। আপনাকে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ইউরোপ-ইংল্যান্ডে এক দিনে গণতন্ত্র আসেনি। ২৫০-৩০০ বছর লেগেছে। আমাদের একটা ভঙ্গুর ও অনিখুঁত গণতন্ত্র। কিন্তু তা অত্যন্ত প্রাণবন্ত, গতিময় ও ক্রিয়াশীল। সমগ্র বাংলাদেশি সমাজে একটি গণতান্ত্রিক চাহিদা আছে। একটা আকুতি আছে। তবে সব সময় সরকারি দলকেই সঠিক ভূমিকায় নেতৃত্ব দিতে হবে।
প্রথম আলো: তারেক রহমান কেন নির্বাসিত? স্বাস্থ্যগত কারণ যদি বলেন তাহলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার কী হাল আপনারা করেছেন? বিদেশের মাটিতে রাজনীতি কেন? এত কিছুর পরও তিনি কেন অপরিহার্য?
মির্জা ফখরুল : বিশ্বের বহু দেশের নেতারা বিদেশে থেকে-
মির্জা ফখরুল: কুসুম তো কণ্টকে আকীর্ণ থাকে। গোলাপের চারদিকে কাটা থাকে। আঘাত তখনই আসে যখন কুসুম উপড়ানোর চেষ্টা চলে। আমাদের চেয়ারপারসন যেটা বলেছেন, সেটা দুঃখের সঙ্গে একান্ত বাধ্য হয়েই বলেছেন। ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের পর থেকেই আমরা বলি এর ফল শুভ হবে না। বিগত কয়েক মাসে আমরা কঠোর কর্মসূচি দিইনি।
প্রথম আলো: এটা কতটা উদারতা আর কতটা অপারগতা তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। অনেকে বলেন বিএনপির আন্দোলনে জনগণ সাড়া দেয়নি।
মির্জা ফখরুল: এটা আওয়ামী লীগ ও তার মিত্রদের ভ্রান্ত ধারণা। আমরা ইতিবাচক ও সহযোগিতার রাজনীতি করতে চেয়েছি। তদুপরি আমরা সংঘাত এড়াতে সচেষ্ট। প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে বলেছিলেন সংসদ বিলোপ করে দেওয়া হবে। ছোট মন্ত্রিসভা হবে। ইচ্ছা করলে বিরোধী দলের লোকও আসতে পারে। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচন করা হবে। কিন্তু দেখা গেছে প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক নন। নিজের কথা নিজেই বদলাচ্ছেন।
প্রথম আলো: তার মানে এটা দিলে মানবেন?
মির্জা ফখরুল: আমাদের কথাই ছিল নির্দলীয় সরকারের যেকোনো প্রস্তাব এলে তা খতিয়ে দেখব, অনমনীয় থাকব না। আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে একটা পথ বেরিয়ে আসবে। এখনো আমাদের নেত্রী সে কথাই বলে চলেছেন।
প্রথম আলো: আপনার নেত্রী দুই মহাসচিবের বৈঠক চাইছেন। কিন্তু লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তো নেই। সেটা এই অর্থে যে আপনি কেন ভারপ্রাপ্তে ভারাক্রান্ত? বিএনপির একটি কোটারি গোষ্ঠী, বিশেষ করে যাঁরা তারেক রহমানের সমর্থক, তারাই কি এটা চাইছেন না।
মির্জা ফখরুল: এটা অপপ্রচার। সম্পূর্ণরূপে ভ্রান্ত ধারণা। দলের কাউন্সিল হয়নি বলেই এটা হয়তো এখনো পূর্ণাঙ্গ হয়নি। কিন্তু এটা তো সমস্যা নয়।
প্রথম আলো: দুই মহাসচিবের মধ্যে পর্দার আড়ালে কী কথা হয়েছিল?
মির্জা ফখরুল: আমি দেশে ছিলাম না। পত্রিকায় দেখেছি একটা আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। এর চেয়ে বেশি কিছু জানি না।
প্রথম আলো: কিন্তু বিষয়টি আপনার না জানার কথা নয়। উদ্যোগটা কাদের দিক থেকে ছিল।
মির্জা ফখরুল: সম্ভবত প্রাথমিক পর্যায়ে সরকারি দল থেকেই।
প্রথম আলো: ড. গওহর রিজভীর বাসভবনে এক বা দুই দফা বৈঠক কি সত্যি হয়েছিল?
মির্জা ফখরুল: আমি তেমনটাই শুনেছি।
প্রথম আলো: তাতে দুই মহাসচিবের বৈঠকের বিষয়টি প্রাধান্য পাচ্ছিল।
মির্জা ফখরুল: সম্ভবত।
প্রথম আলো: গত মে মাসে আপনি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য যাওয়ার ফলে সেটা হয়নি। অন্য কেউ গিয়েছিলেন।
মির্জা ফখরুল: তাই শুনেছি। দেখুন, এ মুহূর্তে এ নিয়ে কোনো অনুমাননির্ভরতার সুযোগ নেই।
প্রথম আলো: আচ্ছা, ওই আলোচনা ভেঙে যাওয়ার জন্য শুধু আওয়ামী লীগই দায়ী?
মির্জা ফখরুল: সম্পূর্ণভাবে। আমরা যেকোনো স্থানে যেকোনো সময় আলোচনা চাই।
প্রথম আলো: সংগ্রাম কমিটি সহিংস নাকি অহিংস হবে?
মির্জা ফখরুল: অহিংস ও নিয়মতান্ত্রিক হবে।
প্রথম আলো: শেখ হাসিনাকে রেখে নির্বাচনে যাবেন না বলছেন। তাহলে কীভাবে সমঝোতা হবে। এটা কি এতটাই নির্দিষ্ট যে আপনি বলতে পারেন এটা পুরোপুরি সন্দেহাতীত সিদ্ধান্ত?
মির্জা ফখরুল : এটা একদম সন্দেহাতীত। নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের কোনো সম্ভাবনাই থাকবে না, যদি কোনো আওয়ামী লীগার সরকারপ্রধান হন। আর তিনি তো আবার আওয়ামী লীগের সভানেত্রী।
প্রথম আলো: খালেদা জিয়া নির্দিষ্ট করে শুধু শেখ হাসিনার কথা বলেছেন। আপনি কি আরেকটু ব্যাপকতা দিয়ে আওয়ামী লীগের কেউ থাকতে পারবে না, এমনটাই বলছেন?
মির্জা ফখরুল : আমাদের নেত্রী বলেছেন আওয়ামী লীগের নেত্রী থাকবেন না এবং সরকারের চরিত্র হতে হবে দলনিরপেক্ষ।
প্রথম আলো: এর আগে আপনিই কিন্তু লন্ডনি প্রস্তাবের কথা বলেছিলেন। একটু আশাবাদী হচ্ছিলাম আওয়ামী লীগের কাউকে রেখেও একটা সর্বদলীয় সমাধান হতে পারে। আপনার বক্তব্য একটু স্ববিরোধী হয়ে গেল কি না?
মির্জা ফখরুল : না, হলো না। কারণ, সেই সময়টা তাঁরা পার করেছেন। এখন পর্যন্ত তাঁরা যে ভাষায় কথা বলছেন, তাতে আর সেই জায়গা থাকছে না। বরং এখন আমরা যা বলছি সেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
প্রথম আলো: আপনাদের কথায় মনে হয় নির্দলীয় সরকার হলেই হবে না, নতুন নির্বাচন কমিশনও লাগবে। আরও কোনো শর্ত?
মির্জা ফখরুল : বর্তমান ইসি সক্ষম নয় মনে করি। শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য সেনাবাহিনী মোতায়েন করা উচিত।
প্রথম আলো: শোনা যাচ্ছে শো অব ফোর্স হিসেবে তারা সেনাকে থানা সদরে রাখবে। এর বাইরে পাঠাবে না।
মির্জা ফখরুল : আমরা এ বিষয়ে কিছু শুনিনি। সেনারা ভোটকেন্দ্রে কোনো দিনই ছিল না। স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ছিল। আগে যেভাবে ছিল সেভাবেই থাকতে হবে।
প্রথম আলো: নতুন ধারার রাজনীতির কথা আগেও শুনেছি। কিন্তু প্রতিহিংসার রাজনীতি বিএনপি করেছে।
মির্জা ফখরুল : আপনি দৃষ্টান্ত দেখান—
প্রথম আলো: জন্মদিনে কেক কাটা এর অন্যতম। এতে উষ্মা প্রকাশ করে মওদুদ আহমদও লিখেছেন।
মির্জা ফখরুল : মওদুদ আহমদের বই দিয়ে বিএনপির রাজনীতিকে বোঝা যাবে না। একটি দলে বিভিন্ন ধরনের লোক থাকবেন, তাঁরা বিভিন্ন ধরনের চিন্তা করবেন। কেক কাটা নিয়ে একটি অযথা ইস্যু সৃষ্টি করা হয়। এর কোনো প্রভাব আছে বলেই আমি মনে করি না। কেক কাটায় দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হয় না। এটা সহনশীলতার বিষয়। রাজনৈতিক সহনশীলতাই মুখ্য। আমাকে আপনার রাজনৈতিক চিন্তার প্রতি সহনশীল থাকতে হবে। এখন যেটা হচ্ছে, তা ব্যক্তিগত আক্রোশ। আমার বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়েছে আমি আবর্জনার ট্রাকে আগুন দিয়েছি। এটা পুরোপুরি ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে করা হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক মামলা দেওয়া হোক। সেটা গ্রহণযোগ্য।
প্রথম আলো: ঠিক এই ধরনের মামলা আপনারাও করেছেন। ফের ক্ষমতায় গিয়েও করবেন না, সে লক্ষ্যে জনমনে আস্থা সৃষ্টিতে বা কোনো গুণগত পরিবর্তন আনতে বিএনপিকে সৎ মনে হয় না। জনগণ আপনাদের দিকে সম্ভবত সেভাবে তাকাতে পারে না।
মির্জা ফখরুল : আপনার ধারণা ভ্রান্তিপ্রসূত। বিএনপির দিকে যদি নাই তাকানো যেত তাহলে বিগত পাঁচটি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হতো না। অনেকে বলেন, এটা হচ্ছে নেগেটিভ ভোট।
প্রথম আলো: অনেকে নয়, বলুন এটাই বড় সত্য। গত পাঁচ বছরে বিএনপি কী করেছে? সংসদে না গেলে সরকার পড়ে না, তাহলে সংসদে যেতে তাকে কে না করেছে। আর সরকারের প্রতি অনাস্থা মানুষ কীভাবে জানাবে? পথ রেখেছেন কোন? পারলে ‘না’ ভোটের ব্যবস্থা করুন। এখানে তো আপনাদের ঐক্য আছে।
মির্জা ফখরুল : আমরা যাঁরা শিক্ষিত মানুষ বা এলিট শ্রেণী, তাঁরা মনে হয় বাংলাদেশের জনগণের নাড়ির স্পন্দন ধরতে পারি না। এর ফলে দুই রকমের চিন্তা আসে। একটা হচ্ছে ভালো কাজ কী হওয়া উচিত। তা হয়তো আমিও মানি। সাধারণ মানুষের ভেতরে আরেকটি চিন্তা কাজ করে। তারই প্রতিফলন ঘটে বিভিন্ন নির্বাচনে। সাধারণ মানুষ সাধারণভাবে কোনো ভুল করতে পারে না। এখানে মানুষ তুলনা করে। বিএনপির আমলে কেমন ছিলাম, এখন আমরা কেমন আছি। এই তুলনা করেই ভোটটা দেয়। ১০ টাকা চালের কেজি খাওয়ানোর কথা বলে এখন ৪০ টাকা চলছে। কুইক রেন্টালে বিরাট খরচা হলো। অথচ লোডশেডিং কমছে না। মানুষ নতুন বাড়িঘর করলে আর বিদ্যুৎ পাচ্ছে না। পদ্মা সেতুর মতো দুর্নীতি বিএনপি আমলে হয়েছিল কি না, সেটা মানুষ চিন্তা করছে।
প্রথম আলো: আপনার হয়তো যুক্তি আছে। কিন্তু একটি বিষয় এখনো অপ্রমাণিত। নির্দলীয় সরকারের যে বড়াইটা আমরা করি, সেটা কিন্তু কোনো দলকে টানা দুবার জিতিয়ে দেয়নি। বিরোধী দলের কাছেই ক্ষমতা হস্তান্তর এর কৃতিত্ব।
মির্জা ফখরুল : এটা কিছুটা নেতিবাচক চিন্তাপ্রসূত এবং সরলীকরণ। বিষয়টা ভিন্ন জায়গায়। সরকারি দলই থাকে চালকের আসনে। তাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হয় গণতন্ত্রকে তারা কোথায় নিয়ে যাবে। সাইবার অ্যাক্টের সংশোধন হলো। এখন আপনি বলুন এটা কীভাবে মুক্তচিন্তাকে সাহায্য করবে?
প্রথম আলো: পরিহাসটা সেখানেই, ২০০৬ সালে এই আইনের ৫৭ ধারায় যে উদ্ভট কালাকানুন আপনারা পাস করেছিলেন, ক্ষমতাসীনেরা তা বাতিল না করে আরও খারাপ করেছে। আপনাদের তো সে কারণেই এক পাল্লায় মাপি।
মির্জা ফখরুল : আজ যদি আওয়ামী লীগ সেটা পরিবর্তন করত তাহলে সেটাই হতো ইতিবাচক। কোনো আইনেই আজ পর্যন্ত আওয়ামী লীগ কোনো ইতিবাচক দিক নিয়ে আসেনি। যেমন বিশেষ ক্ষমতা আইন।
প্রথম আলো: একদম ঠিক বলেছেন। আপনারা বাতিল করেননি। বিচার বিভাগ পৃথক্করণ আপনারা দেননি। বাহাত্তরের রাষ্ট্র গঠন ত্রুটি না শুধরিয়ে আপনারা একসঙ্গে চলছেন—
মির্জা ফখরুল : এ বিষয়গুলো শুরু করতে হবে। আমরা বিরোধী দল থেকে ইতিবাচক দিকে নিয়ে যেতে চেয়েছি। তাই বলছি, আমরা সরকার গঠন করতে পারলে সব বিষয়কে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে দেখার চেষ্টা করব।
প্রথম আলো: ১৫ আগস্টে কেক কাটা না হয় ব্যক্তিগত, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাকে কী বলবেন। এই জঘন্য অপরাধের বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে তদন্ত ও বিচার-প্রক্রিয়া চালু করতে আপনারা সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছিলেন।
মির্জা ফখরুল : এর পরের পরিস্থিতি সম্পর্কে আমাকে বলতে দিন। এবার তিনটি অভিযোগপত্র পরিবর্তন করা হলো। নতুন আইও নিয়োগ করা হলো।
প্রথম আলো: আপনি বিএনপির ব্যর্থতা ব্যাখ্যা করুন। আপনি কিন্তু আওয়ামী লীগের সমালোচনায় গেলেন।
মির্জা ফখরুল : স্কটল্যান্ড ইয়ার্ডের লোক এসেছিল। তারা তদন্তের চেষ্টা করেছে। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী কোনো সহযোগিতা দেননি। সে সময়ে আমরা তাদের সহযোগিতা পেতে বিভিন্ন রকম চেষ্টা চালিয়েছি, সেটা পাইনি। যাঁরা এর দায়িত্বে ছিলেন, সে ক্ষেত্রে তাঁরা কিছু কিছু ভুল করে থাকতে পারেন। তাঁদের হয়তো বিচ্যুতি ঘটেছে।
প্রথম আলো: সে জন্য আপনাদের কোনো অনুশোচনা নেই। আওয়ামী লীগের কাছে কোনো ক্ষমা প্রার্থনা নেই। যদি নতুন ধারা বলতে শুভ কিছু বোঝাতে চান, তাহলে এটা বাদ দিয়ে হবে না। সমঝোতার এই পথে আসতে হবে।
মির্জা ফখরুল : সেই সমঝোতা বা রিকন্সিলিয়েশন তখনই হবে, যখন আপনি আমাকে দায়ী করবেন না। আপনি আমাদের দলের নেতাকে (তারেক রহমান) সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে তৃতীয় দফায় দেওয়া অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত করছেন। আমাদের ভুলত্রুটি শুধরানোর সুযোগটা সৃষ্টি করবে সরকার। আমি স্বীকার করছি আমাদের কিছু ভুল ছিল। সেই ভুলগুলোকে বর্তমান সরকার দূর করা তো দূরে থাক, তাকে পুঁজি করে বিরোধী দলকে কী করে নির্মূল করা যায়, সেই কাজ তারা করছে। এ ব্যাপারে আপনাদের খুব বেশি সমালোচনা আমরা কিন্তু দেখি না।
প্রথম আলো: সংখ্যালঘুদের ওপর নিপীড়ন চালানো ও জঙ্গিদের মদদ দেওয়ার সঙ্গে আপনাদের যেসব মন্ত্রী অভিযুক্ত ছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে বিএনপি কোনো শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বলে আজও জানা যায় না। তাহলে বিএনপিকে কেন দেশি-বিদেশিরা এই প্রশ্নে ভরসা করবে?
মির্জা ফখরুল : অবশ্যই করবে। কারণ, এক হাজারের বেশি জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জঙ্গিবাদকে আমরা কোনোভাবেই প্রশ্রয় দেব না, সেই মনোভাব থেকেই তা করা হয়েছে। জঙ্গিবাদে আমরা বিশ্বাস করি না। জঙ্গিবাদ পুরোপুরি নির্মূল করতে হবে। কিছু লোক বিএনপিকে ভুলভাবে চিত্রিত করেছে, সেটা জামায়াতের সঙ্গে জোট থাকার কারণে করেছে। কিন্তু সেটা ন্যায্য নয়। বিএনপি সেই দল, যারা গণতন্ত্র ও বহুদলীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করেছে। সংসদীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে এনেছে।
প্রথম আলো: আপনার যুক্তি আংশিক সত্য। কিন্তু এও সত্য যে এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক চরম কেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থার নাগপাশ থেকে আমরা মুক্তি পাইনি। এক ব্যক্তির হাতে দল, মন্ত্রিসভা, সংসদ ও বিচার বিভাগের সর্বময় ক্ষমতা কুক্ষিগত হয়েছে। দুই দলের মধ্যে এসব নিয়ে কোনো কাজিয়া নেই।
মির্জা ফখরুল : অবশ্যই কাজিয়া আছে। আপনার সঙ্গে এ বিষয়ে একদম একমত নই।
প্রথম আলো: কিন্তু এটাই ধ্রুব সত্য যে চতুর্থ সংশোধনীতে বিচার বিভাগের যে স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল, তা সামরিক ফরমানে ফেরত আসেনি। বরং জিয়ার দুটি ডিক্রি শেখ হাসিনা এবারে নতুন করে পাস করলেন। বলুন এটা সত্য নয়?
মির্জা ফখরুল : আপনি বাকশালের নিন্দা করছেন না। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তনকে প্রশংসা করছেন না। ভালো দিকগুলোর প্রশংসা না করলে অন্যগুলো কাজ করবে না। সামনের দিকে আরও এগোতে পারব না। আপনাকে অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে হবে। ইউরোপ-ইংল্যান্ডে এক দিনে গণতন্ত্র আসেনি। ২৫০-৩০০ বছর লেগেছে। আমাদের একটা ভঙ্গুর ও অনিখুঁত গণতন্ত্র। কিন্তু তা অত্যন্ত প্রাণবন্ত, গতিময় ও ক্রিয়াশীল। সমগ্র বাংলাদেশি সমাজে একটি গণতান্ত্রিক চাহিদা আছে। একটা আকুতি আছে। তবে সব সময় সরকারি দলকেই সঠিক ভূমিকায় নেতৃত্ব দিতে হবে।
প্রথম আলো: তারেক রহমান কেন নির্বাসিত? স্বাস্থ্যগত কারণ যদি বলেন তাহলে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার কী হাল আপনারা করেছেন? বিদেশের মাটিতে রাজনীতি কেন? এত কিছুর পরও তিনি কেন অপরিহার্য?
মির্জা ফখরুল : বিশ্বের বহু দেশের নেতারা বিদেশে থেকে-
প্রথম আলো: আপনার এই বহু দেশ মানে ভালো উদাহরণের দেশ নয়, যাকে বলে তৃতীয় বিশ্বের—
মির্জা ফখরুল: আমাকে বলতে দিন, না দিলে
তো হবে না। আপনি তো মুক্তচিন্তার মানুষ, আমাকে সুযোগ দিতে হবে। তৃতীয়
বিশ্বের দেশে এটা হয়, কারণ সেখানে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হতে হয়। থাই
প্রধানমন্ত্রী থাকসিনকে দেশের বাইরে থাকতে হয়েছে। বেনজির ভুট্টোকে বাইরে
থাকতে হয়েছে। নেতাজি সুভাষ বসুকেও দেশ ছাড়তে হয়েছে। তারেক রহমানের
স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো ন্যায়সংগত কারণ নেই। তিনি সত্যিই অসুস্থ।
এক-এগারোর পর তাঁর ওপর যে নির্যাতন চলেছে, তাতে তাঁর শরীরের যথেষ্ট ক্ষতি
হয়েছে। তিনি আমাদের সিনিয়র নেতা। তিনি তাঁর উন্নয়ন ভাবনা বিদেশে বসে বলতেই
পারেন। এর সমালোচনা করার কোনো কারণ আছে বলে আমার মনে হয় না। জয় যখন দেশে
এলেন, তখন তিনি ফুলের তোড়া পাঠিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। দুর্ভাগ্যবশত
গণমাধ্যমের একটি অংশ এ বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখে না। শুধু নেতিবাচক
দিকগুলো নিয়ে কথা বলা হয়।
প্রথম আলো: তারেক রহমানের নেতৃত্ব
প্রশ্নে আপনাকে অনেক সময় উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়। একজন বর্ষীয়ান ও
অভিজ্ঞ রাজনীতিক হিসেবে আপনি যা বলেন, তিনি কি এর যোগ্য? অনেকে এটাকে
সুনজরে দেখেন না, এমনকি তোষামোদি ভাবেন।
মির্জা ফখরুল: আমি যা বলি তা সততার
সঙ্গেই বলি। তারেক রহমানের নেতৃত্বের সেই যোগ্যতা আছে। তাঁর প্রতি আমার এবং
আমাদের দলের গভীর আস্থা আছে। আমি কৃষক দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকার সময়ে
কৃষি ও কৃষকের প্রতি তাঁর অনুরাগ দেখেছি। এখন এ বিষয়ে তিনি আরও অভিজ্ঞ ও
চিন্তাশীল হয়ে উঠেছেন।
প্রথম আলো: ’৯৬ সালে আওয়ামী লীগ নির্বাচন ঠেকাতে পারেনি, বিএনপি কেন পারবে?
মির্জা ফখরুল: এটা একটা আন্দোলনের প্রক্রিয়া। এই দাবিতে বাংলাদেশের সব মানুষ এবার একমত।
প্রথম আলো: সাম্প্রতিক প্রবণতা হচ্ছে দুই
নেত্রী সরাসরি পরস্পরকে সম্বোধন করে বক্তব্য রাখছেন। একজন এক-এগারো স্মরণ
করিয়ে দিচ্ছেন। অন্যজন ভরসা দিচ্ছেন। সুতোহীন সমঝোতা?
মির্জা ফখরুল: কীভাবে আপনাদের এমন ধারণার
মূল্যায়ন করব জানি না। শুধু বলব, আপনাদের অসাধারণ ক্ষমতা আছে এ রকমের
চিন্তাভাবনা করার। এ ধরনের কোনো বিষয় নয়। দুই নেত্রীকে এক করারও কোনো কারণ
দেখি না। দুজনের ভিন্ন চিন্তা, কার্যপ্রণালিও আলাদা।
প্রথম আলো: বিএনপির কোনো সাবেক মন্ত্রী,
বিশেষ করে খালেদা জিয়ার পরিবারের কারও চূড়ান্ত বিচার তারা করেনি। পারলে
তথ্য দিন, কতজন চূড়ান্তভাবে দোষী সাব্যস্ত হয়ে দুর্নীতির দায়ে জেল খাটছেন।
ওই একই ভরসা আসলে আপনারা আওয়ামী লীগকে দিচ্ছেন!
মির্জা ফখরুল: তার প্রয়োজন নেই। আমি প্রমাণ দিচ্ছি। তাদের মামলাগুলো তারা সব প্রত্যাহার করেছে। আমাদের কোনো মামলা তারা প্রত্যাহার করেনি।
প্রথম আলো: আপনি প্রমাণ করতে পারেননি। আপনি যেটা প্রমাণ করেছেন সেটা হলো আপনাকে হয়রানি করার উপায় তারা খোলা রেখেছে। এটাই খেলা।
মির্জা ফখরুল: না, এটাই আসল পয়েন্ট। তারা
আমাদের হয়রানি করতে চায়, বিপদে ফেলতে চায়। এক-এগারো সরকার তারেক রহমানকে
গ্রেনেড মামলায় অভিযুক্ত করেনি। আওয়ামী লীগ করেছে। সুতরাং আপনার এই
পর্যবেক্ষণ সঠিক নয়।
প্রথম আলো: মির্জা ফখরুল সাহেবকে জেলে
পুরেছি। মিথ্যা মামলা দিয়েছি। হয়রানি করেছি। কিন্তু দুর্নীতির দায়ে কাউকে
দোষী সাব্যস্ত করিনি। ফিরতিটাও সেভাবে হবে।
মির্জা ফখরুল: এ বিষয়গুলোকে আপনারা
যেভাবে দেখেন, আমরা যাঁরা রাজনীতি করি, সেভাবে দেখি না। আমরা যখন কেবল
রাজনীতি করার কারণে জেলে যাই, তখন এভাবে ভাবতে পারি না। ইলিয়াস আলীর সন্তান
প্রতিদিন এখনো দরজার কাছে গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। কখন বাবা ফিরবে। এটাই
বাস্তবতা। এই রাজনীতি থেকে কি বেরিয়ে আসার কোনো পথ নেই?
প্রথম আলো: ন্যূনতম ঐক্যের ভিত্তি কী হতে পারে?
মির্জা ফখরুল: একটাই, সেটা সহনশীলতা।
কাউকে জঙ্গিবাদী বানাব না বা অমুক দেশের পক্ষে-বিপক্ষে কাজ করছেন বলব না।
আমি সহনশীল হব আপনার মতাদর্শের প্রতি। মুক্তচিন্তা ও সহনশীলতাকে বিকশিত হতে
দিন। এবার আওয়ামী লীগের প্রচণ্ড সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু তারা চালকের আসনে
বসতে পারেনি। তাদের প্রতিহিংসা বাদ দিতে হবে।
প্রথম আলো: শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগেরও অন্য কাউকে রেখে আপনারা তাহলে আপস করবেন না। নির্বাচনে যাবেন না।
মির্জা ফখরুল: না, আমরা নির্বাচনে যাব না।
প্রথম আলো: আর সংসদের ভেতরে বা বাইরে
বিএনপি আমাদের বলবেও না যে তারা সংবিধানের কী ধরনের সংশোধন চায়? কীভাবে
নির্দলীয় সরকার হবে, তার কোনো নির্দিষ্ট রূপরেখাও নয়?
মির্জা ফখরুল: না, সেটা নয়। সরকার যদি আমাদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হয়, তাহলেই আমরা সেটা বিবেচনা করব। তার আগে নয়। কারণ, তা হবে অর্থহীন।
------------------------
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির নির্বাচন ও আন্দোলনগত জোট
নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রশ্নে বিএনপির
রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েও বিতর্ক আছে। প্রথম আলোকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জামায়াতের রাজনীতি,
যুদ্ধাপরাধের বিচারসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকারটির দ্বিতীয় ও
শেষ কিস্তি...
প্রথম আলো: এর আগে আপনারা দুই জামায়াতিকে মন্ত্রী করেছিলেন, এবার কতজনকে করবেন? হেফাজতকেও কি মন্ত্রিত্ব দেবেন?
মির্জা ফখরুল: রাজনীতিকদের পক্ষে আগাম অনুমাননির্ভর উত্তর দেওয়া কঠিন। ২০০১ সালে জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনী জোট ছিল। এখনকার ১৮-দলীয় মোর্চা মূলত আন্দোলনের জোট।
প্রথম আলো: নির্বাচনগত জোট, আন্দোলনগত জোট, ’৯১-এ কি সরকারগত জোট ছিল?
মির্জা ফখরুল: ১৯৯১-এ তাদের নিয়ে সরকার করিনি। আপনি ভুল বলছেন।
প্রথম আলো: জামায়াতের সমর্থনেই আপনারা সরকার করেছিলেন। একে ছাড়া আপনাদের চলে না।
মির্জা ফখরুল: সমর্থন তো আরও অনেকেই পেয়েছে। তাদের সমর্থনে আওয়ামী লীগ আমাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। রাজনীতির ক্ষেত্রে বিভিন্ন মেরুকরণ ঘটে। হেফাজত রাজনৈতিক দল নয়। তাদের সঙ্গে জোটের প্রশ্নই নেই। অন্য কিছু ইসলামি দলের সঙ্গে বিভিন্ন সময় জোট হয়েছে। এর আগে আওয়ামী লীগও তা করেছে। তারা চুক্তি পর্যন্ত করেছিল। তবে এ ধরনের জোট ভারতে, পাশ্চাত্য ও ইউরোপে আপনি দেখবেন।
প্রথম আলো: একটি যুদ্ধাপরাধী সংগঠনের সঙ্গে আপনারা কৌশলগত ঐক্য করেই চলবেন, নাকি একে ঠেকাতে একটি নীতিগত অবস্থান নেবেন?
মির্জা ফখরুল: এর সাদামাটা উত্তর দেওয়া সহজ নয়। প্রধানমন্ত্রী নিজেই যুক্তরাষ্ট্রে এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, আমি একটি রাজনৈতিক দল হয়ে আরেকটি রাজনৈতিক দলকে কীভাবে নিষিদ্ধ করব? একাত্তরের ভূমিকায় তারা আছে কি না। আজকের জামায়াতে যুদ্ধাপরাধীরাই আছেন, নাকি অন্যরাও আছেন। তাদের সঙ্গে যখন আমাদের ঐক্য হবে, তখন তা শুধুই মতাদর্শগত হবে, সে ধারণা তো ঠিক নয়। হাসিনা-এরশাদ বা দিলীপ বড়ুয়ার সাম্যবাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কি আদর্শগত ঐক্য চলে? ভারতেও দেখবেন কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে মুসলিম লিগের জোট হচ্ছে।
মির্জা ফখরুল: রাজনীতিকদের পক্ষে আগাম অনুমাননির্ভর উত্তর দেওয়া কঠিন। ২০০১ সালে জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনী জোট ছিল। এখনকার ১৮-দলীয় মোর্চা মূলত আন্দোলনের জোট।
প্রথম আলো: নির্বাচনগত জোট, আন্দোলনগত জোট, ’৯১-এ কি সরকারগত জোট ছিল?
মির্জা ফখরুল: ১৯৯১-এ তাদের নিয়ে সরকার করিনি। আপনি ভুল বলছেন।
প্রথম আলো: জামায়াতের সমর্থনেই আপনারা সরকার করেছিলেন। একে ছাড়া আপনাদের চলে না।
মির্জা ফখরুল: সমর্থন তো আরও অনেকেই পেয়েছে। তাদের সমর্থনে আওয়ামী লীগ আমাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে। রাজনীতির ক্ষেত্রে বিভিন্ন মেরুকরণ ঘটে। হেফাজত রাজনৈতিক দল নয়। তাদের সঙ্গে জোটের প্রশ্নই নেই। অন্য কিছু ইসলামি দলের সঙ্গে বিভিন্ন সময় জোট হয়েছে। এর আগে আওয়ামী লীগও তা করেছে। তারা চুক্তি পর্যন্ত করেছিল। তবে এ ধরনের জোট ভারতে, পাশ্চাত্য ও ইউরোপে আপনি দেখবেন।
প্রথম আলো: একটি যুদ্ধাপরাধী সংগঠনের সঙ্গে আপনারা কৌশলগত ঐক্য করেই চলবেন, নাকি একে ঠেকাতে একটি নীতিগত অবস্থান নেবেন?
মির্জা ফখরুল: এর সাদামাটা উত্তর দেওয়া সহজ নয়। প্রধানমন্ত্রী নিজেই যুক্তরাষ্ট্রে এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, আমি একটি রাজনৈতিক দল হয়ে আরেকটি রাজনৈতিক দলকে কীভাবে নিষিদ্ধ করব? একাত্তরের ভূমিকায় তারা আছে কি না। আজকের জামায়াতে যুদ্ধাপরাধীরাই আছেন, নাকি অন্যরাও আছেন। তাদের সঙ্গে যখন আমাদের ঐক্য হবে, তখন তা শুধুই মতাদর্শগত হবে, সে ধারণা তো ঠিক নয়। হাসিনা-এরশাদ বা দিলীপ বড়ুয়ার সাম্যবাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগের কি আদর্শগত ঐক্য চলে? ভারতেও দেখবেন কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে মুসলিম লিগের জোট হচ্ছে।
প্রথম আলো: জেনারেল এরশাদের সঙ্গে জোট গঠনের সম্ভাবনা কতটুকু?
মির্জা ফখরুল: যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। আন্দোলনে তাদের শামিল হতে বলছি। এখানে পার্থক্যটা বুঝতে হবে। আমরা কেবল আন্দোলনের কথা বলছি।
প্রথম আলো: খালেদা-এরশাদ বৈঠক আসন্ন?
মির্জা ফখরুল: এটা তো এখন বলা সম্ভব নয়। যখন বাস্তবে রূপ নেবে তখন জানবেন।
প্রথম আলো: দুই দলের মধ্যে শাসনগত তফাত দেখি না।
মির্জা ফখরুল: আমরা যারা উদারনৈতিক
সংসদীয় গণতান্ত্রিক দল, তাদের মধ্যে আপনি যথেষ্ট মতাদর্শগত তফাত পাবেন না।
যেটা থাকে নীতিনির্ধারণী বিষয়। কংগ্রেস ও বিজেপি তাদের নিজ নিজ ইশতেহার
নিয়েই রাজনীতি করছে।
প্রথম আলো: তবে বিএনপি নেতৃত্বের হাল এখন এমনই যে দলটির চেহারা যেন জামায়াতি জঙ্গিত্ব ঢেকে ফেলেছে।
মির্জা ফখরুল: এখানে বোধ হয় আপনার
মন্তব্য একটু একপেশে হয়ে যাবে। কারণ, জামায়াত যে জঙ্গিত্ব দেখিয়েছে তা তার
কর্মসূচিতে দেখিয়েছে। ১৮ দলের কর্মসূচিতে ওই ধরনের কোনো জঙ্গিত্ব দেখানো
হয়নি।
প্রথম আলো: বিএনপি জামায়াতি সহিংসতার নিন্দা করতে ব্যর্থ হয়েছে।
মির্জা ফখরুল: আমরা ইচ্ছা করেই নিন্দা
করিনি। দেখতে হবে জামায়াত কখন ওই পথে গেছে। যখন জামায়াতের অধিকারগুলোকে
আপনি খর্ব করেছেন, তাকে অফিসে যেতে দেননি, অফিসে তালা দিয়েছেন, সভা-মিছিল
করতে দেননি। জামায়াতের কথা বাদ দিন। বিএনপির অফিসের সামনে থেকে প্রতিদিন
লোক ধরে নিয়ে যাচ্ছে। বিএনপির মিছিলের ওপর গুলি চলেছে। এটা কোন ধরনের
গণতন্ত্র?
প্রথম আলো: এর পরও হয়তো বলা যায় বিএনপি ঠিক জামায়াতের পথে যায়নি।
মির্জা ফখরুল: জামায়াতের সঙ্গে যদি
বিএনপিকে সব সময় তুলনা করেন তাহলে কিন্তু ভুল করা হবে। বিএনপির গঠন ও
জামায়াতের গঠন এক নয়। জামায়াতের মতাদর্শগত অবস্থানের সঙ্গেও বিএনপির মিল
নেই। আমরা একটি উদারনৈতিক রাজনৈতিক দল। আমরা কোনো বিপ্লবী দলও নই।
প্রথম আলো: যুদ্ধাপরাধী সংগঠন হিসেবে জামায়াতের বিচার হওয়া উচিত কি না?
মির্জা ফখরুল: যে জামায়াত একাত্তর সালে
যখন স্বাধীনতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, যারা করেছে আপনি সেটাকে বলতে পারেন।
কিন্তু সেই জামায়াত আর এই জামায়াত তো এক নয়। জামায়াতকে আপনি এ দেশে রাজনীতি
করতে দিয়েছেন। তাহলে তার রাজনৈতিক অধিকারগুলো সমর্থন করবেন না? তাহলে তো
জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে দিতে হবে।
প্রথম আলো: জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা তাহলে আপনি সমর্থন করেন?
মির্জা ফখরুল: না, এটা সমর্থন করার
প্রশ্ন নয়। সরকার যদি মনে করে এখানে জামায়াতের রাজনীতি করার প্রয়োজন নেই,
তাহলে নিষিদ্ধ করে দিক, তারা কেন করছে না? কারণ, এটা গণতন্ত্রের মৌলিকত্বের
পরিপন্থী।
প্রথম আলো: জামায়াতের অন্যদের বাদ দিয়ে
সেই বুদ্ধিজীবী ঘাতক বাহিনীর প্রধানকেই তো মন্ত্রী করেছেন। তাহলে সেই
জামায়াত ও এই জামায়াতের যুক্তি দিয়ে লাভ কী? আপনার অবস্থান স্ববিরোধী নয়
কি?
মির্জা ফখরুল: আপনি রাজনীতি করলে
বাস্তবতা মেনে রাজনীতি করতে হবে। রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় আপনাকে আসতে হবে।
তারা একটি নিবন্ধিত দল। জামায়াতের সংসদে ধারাবাহিক প্রতিনিধিত্ব রয়েছে।
আওয়ামী লীগ তাদের নিয়ে রাজনীতি করেছে। সব রাজনীতিকই তাদের পক্ষে বা বিপক্ষ
নিয়ে রাজনীতি করেছেন। জামায়াত বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন একটি বাস্তবতা। তাই
তাদের সঙ্গে রাজনীতি করাটাকে একেবারেই নেতিবাচক দেখাটাকে আমি যুক্তিসংগত
মনি করি না। রাশেদ খান মেনন ও হাসানুল হক ইনু, নিজামী ও মুজাহিদকে নিয়ে
রাজনীতি করেছেন। শেখ হাসিনা করেছেন। সেসবের অনেক ছবি আছে। আমরা সবাই সেই
বাস্তবতা মেনে নিয়ে রাজনীতি করছি। আমি বিষয়টিকে সেভাবে দেখতে চাই।
গণতন্ত্রকে বিভিন্ন ধরনের মতবাদের মধ্য দিয়ে চলতে হবে।
প্রথম আলো: তাহলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
এগিয়ে নেওয়াসংক্রান্ত বিএনপির বক্তব্য শুধুই কথার কথা। কোনো আদর্শগত বিষয়
বলে কিছু থাকবে না? এটা এমনই একটা ফেলনা বিষয়?
মির্জা ফখরুল: এতটা আবেগপ্রবণ হয়ে
কিন্তু বিষয়গুলো বিচার করা যাবে না। রাজনীতি ক্রূর, একটি কঠিন বাস্তবতা। আর
আমরা যদি এখন সারাক্ষণই এই ইস্যু নিয়ে থাকি, তাহলে তো কাজের কাজ কিছু করা
যাবে না। অতীত-ক্লিষ্টতা থেকে আমরা বেরিয়ে আসতে পারি।
প্রথম আলো: শাহবাগের পরেও এ কথা?
মির্জা ফখরুল: সাধারণ মানুষের মধ্যে
শাহবাগ তেমন প্রভাব ফেলেনি, এটাই বাস্তবতা। আপনি আজকের ভিয়েতনামের দিকে
তাকান। নয় বছর ধরে ভিয়েতনামে যুদ্ধ করেছে আমেরিকা। কিন্তু আজ সেখানে
আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ চলছে না। বরং আমেরিকাকে সঙ্গে নিয়ে তারা দেশকে
এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। আজ দারিদ্র্য ও অনুন্নয়নকে অগ্রাধিকারের
জায়গায় রাখতে হবে। কিন্তু অতীতকাতর থাকলে এই বিষয় অগ্রাধিকার পাবে না।
মনোযোগের বাইরে চলে যাবে। শুধু তাত্ত্বিক হলে চলবে না, আপনাকে বাস্তবসম্মত
হতে হবে। গান্ধীজিকে যারা হত্যা করেছিল, তাদের দল কিন্তু অনেক সময় ভারতে
সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে। তার মানে কি এই যে তারা কেউ ভারতের
পক্ষে নয়, বিপক্ষে?
প্রথম আলো: যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বিএনপির ওয়াদা তাহলে বাস্তবতা নয়?
মির্জা ফখরুল: আমরা কিন্তু অস্বীকার করি না যে ওই সময় যাঁরা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছেন, তাঁদের বিচার আমরা করব না।
প্রথম আলো: নিজামীরা না হলে তাঁরা কারা?
মির্জা ফখরুল: তাঁরা যাঁরাই হোক,
ন্যায়বিচার করা হবে। কারণ, সবারই ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার আছে। আজকে যে
তরুণ জামায়াত করছে, তাকে কি আপনি যুদ্ধাপরাধী বলবেন?
প্রথম আলো: নিশ্চয় না। কিন্তু এটা কি
বলা সম্ভব এখন যাঁদের ফাঁসির রায় হয়েছে, তাঁরা কি মার্জনা পাবেন? কারণ,
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই দলই ফাঁসির আসামিকে খালাস দিতে সিদ্ধহস্ত।
মির্জা ফখরুল: এ কথা আমাদের ওপর চাপিয়ে
দিচ্ছেন কেন? এ কথা তো আমরা কখনোই বলিনি। আমরা সব সময় বলেছি, যারা মানবতার
বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে, তাদের বিচার আমরা চাই। কোনটা চাই? ন্যায়বিচার চাই।
রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক নয়। যে প্রক্রিয়ায় বিচার করা হচ্ছে, যা নিয়ে বিদেশেও
প্রশ্ন উঠেছে, আমরা সেই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছি। অনেক নিম্নমানের
বিচার হচ্ছে।
প্রথম আলো: বিএনপি ক্ষমতায় থাকতে বিচ্ছিন্নতায় মদদ বা ১০ ট্রাক অস্ত্রের মতো ঘটনায় ভারতের নিরাপত্তা-উদ্বেগ ছিল। এবার?
মির্জা ফখরুল: ভারতের বিরুদ্ধে কখনোই
বিএনপির কোনো বিদ্বেষ ছিল না। উত্তর-পূর্ব ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদ কিংবা ১০
ট্রাক অস্ত্রের যে কথা বললেন, তার সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। হতে
পারে অন্যের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক আছে। কিন্তু বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই।
আমরা সমস্যার কথা বলেছি। তিস্তা নদীর পানি চেয়েছি। টিপাইমুখ বাঁধ হলে ভয়ের
কথা বলেছি। ট্রানজিট দিলে কী পাব, সেটা বলেছি। তবে প্রতিদিন সীমান্তে লোক
মরবে, আমরা কিছু বলব না, সেটা কিন্তু হতে পারে না। পারস্পরিক সমস্যার
সমাধান করা দরকার।
প্রথম আলো: আপনাকে ধন্যবাদ।
মির্জা ফখরুল: ধন্যবাদ।

About: dpordp
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1381)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
October
(362)
-
▼
Oct 14
(26)
- সময়চিত্র- জরিপ এবং আগামী নির্বাচন by আসিফ নজরুল
- বিশেষ সাক্ষাৎকার: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর- না, আ...
- নির্বাচন- ‘উন্নয়নে’ ভোট মেলে না by এ কে এম জাকারিয়া
- ভেজালের জালে বন্দি জীবন by মোঃ মাহমুদুর রহমান
- গল্প- তিতলি আর একা নয় by আখতার হুসেন
- ফয়সালা একটা হবেই by বদিউর রহমান
- জোর করে ক্ষমতায় থাকার ফল ভালো হয় না by মোহাম্মদ বে...
- হজ- আরাফাতের ময়দানে অবস্থানই হজ by ড. মুহাম্মদ আবদ...
- সমঝোতা প্রতিষ্ঠার জন্য সব পক্ষকে আন্তরিক হতে হবে b...
- বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক- কলকাতা নেই কলকাতায় by আবদুল...
- মধ্যপ্রাচ্য- আরব জাগরণ ও ‘যৌন জিহাদ’ by কামাল গাবালা
- দুর্গোৎসব- নবপত্রিকায় কলাগাছ by কান্তা রায় রিমি
- বিশাল থেকে বিশালতর হচ্ছে হজের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ...
- রাজধানীতে বেপরোয়া চাঁদাবাজী by যুবায়ের আলম
- মাথার ছায়া, হাতের লাঠি by কাজল ঘোষ
- ট্যানারি ব্যবসায়ীদের আশা পশু কোরবানি রেকর্ড ছাড়াবে...
- মৃত্যুকূপ চৌগাছা by নূর ইসলাম
- আইসম্যানের বংশধর
- আইটেম গানে নগ্ন হয়ে পুনম
- তফসিল ঘোষণা পর্যন্ত সংসদ চলতে পারে
- ফ্যাশন শোতে খোলামেলা পল্লবী
- লাব্বায়েক আল্লাহুম্মা লাব্বায়েক by মোহাম্মদ আবুল হ...
- লাব্বায়েক ধ্বনিতে মুখরিত আরাফাত by মো. আল আমীন
- ঈদে ঘরে ফেরা- ঈদ সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড...
- ৫ নম্বর ক্যাটাগরির হারিকেন পাইলিন
- বাংলানিউজ এর বিশেষ সম্পাদকীয়- একগুঁয়েমি নয়, সমঝোত...
-
▼
Oct 14
(26)
-
▼
October
(362)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment