অস্ট্রেলিয়াকে আবার শীর্ষে নিতে চান চ্যাপেল

দুই টেস্টের সিরিজের দুই ম্যাচেই হার। র‌্যাঙ্কিং চালুর পর টেস্টে এক নম্বর আসনটি যারা প্রায় পৈতৃক সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেছিল, সেই অস্ট্রেলিয়া এখন পঞ্চম স্থানে! ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার এমন খারাপ সময় কমই গেছে। তবে দলের এই ক্রমাবনমনকালেও আশার গান শোনাচ্ছেন গ্রেগ চ্যাপেল।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার নতুন নির্বাচক বলছেন, তাঁদের লক্ষ্যই দল হিসেবে সুসংগঠিত হওয়া, যাতে আবার তাঁরা বিশ্বক্রিকেটের শীর্ষ দলের আসনটা ফিরে পেতে পারে। দলের এই লক্ষ্যের সঙ্গে অ্যাশেজকে জুড়ে দিয়ে গ্রেগ বললেন, ‘অ্যাশেজ বড় সিরিজ, ঠিক আছে, কিন্তু ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কৌশলগত লক্ষ্য হলো, তিন ঘরানার ক্রিকেটেরই শীর্ষে ওঠা।’
টেস্ট সিরিজ জিতে ভারত এক নম্বরে তাদের অবস্থান সংহত করেছে আরও। ২০০৩ সালের পর এই প্রথম অস্ট্রেলিয়া নেমে গেছে পাঁচে। ওয়ানডে ক্রিকেটে যদিও তারা এক নম্বরেই। তবে টি-টোয়েন্টিতে তাদের যে অবস্থা, তাতে র‌্যাঙ্কিং চালু থাকলে এখানেও তাদের অবস্থানটা হতো নিচের দিকেই। অস্ট্রেলিয়ার কেন এই দশা?
কারণ হিসেবে অনেকেই টেনে আনছেন ‘বুড়ো’দের নিয়ে গড়া দলটির ব্যাটিং লাইনআপকে। ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে অস্ট্রেলিয়া দলে ৩৫ পেরোনো ব্যাটসম্যান ছিলেন তিনজন—পন্টিং, ক্যাটিচ ও মাইক হাসি। দলটিতে অপেক্ষাকৃত তরুণ যে তিন সদস্য, সেই মার্কাস নর্থের বয়স ৩১ বছর, মাইকেল ক্লার্ক, শেন ওয়াটসনের ২৯!
চ্যাপেলও ব্যাপারটি উপলব্ধি করতে পারছেন এবং এখানেই একটা কিছু করার প্রয়োজনীয়তা বোধ করছেন।