Tuesday, October 26, 2010
গল্প- 'ঘোস্ট হাউজ অপারেশন' by আব্দুল্লাহ আল নোমান
গল্প- 'ঘোস্ট হাউজ অপারেশন' by আব্দুল্লাহ আল নোমান
আকমল আর টফি একসাথে বসে আছে। আকমল বলল, দেখ টফি, তুই যদি ফের আমাকে আক্কল বলেছিস তো…
টফি বলল, কী? ওই তালগাছের ভূতটার কাছে দিয়ে আসবি নাকি?
আকমল বলল, হ্যাঁ তাই করব। তবে এটা ঠিক যে তোদের পাশাপাশি আমিও ভয় পাই, তবে কম।
আমি এতক্ষণ চুপ করে ছিলাম। পরক্ষণে বলে উঠলাম, থামবি তোরা? আমাদের একটা বড় ধরনের সিদ্ধান্তে আসা উচিত।
টফি বলল, কী সেটা?
আমি বললাম, তাতো তোদের একা বলব না। তোদের বললে মানা করার এক ভাগ লজ্জাও তোরা করবি না। এর চেয়ে ভাল, কাল রাতে আমাদের সব বন্ধুকে আসতে বল। একত্রে সিদ্ধান্ত নিলে আমি নিশ্চিত হবো। এখন আমি চলে যাচ্ছি, তবে বলছি শোন, কাল তোর দুই বন্ধুকে আসতে বলবি।
টফি বলল, কখন আসতে বলব?
আমি বললাম, রাত ১১টায় এলেই চলবে।
কথামতো রাত ১১টায় ৫ জন একত্র হলাম।
বিচ্ছু আমাকে বলল, তুই আমাদের কী ব্যাপারে ডেকেছিস?
ভালো কথা বলেছিস। শোন, আমাদের গোরস্তানের পেছনে ভাঙা পুরনো বাড়িতে কিছু ঐতিহাসিক জিনিস আছে। আমাদের সেগুলো উদ্ধার করা উচিত। তবে সবাই মিলে এটা করতে হবে। দিনের বেলায় সবাই ভয় পায়, আর রাতে তো মানুষ ওই বাড়ির দিকে তাকাতেই পারে না।
রিভার বলল, ওরে বাপরে! আর বলিসনে। শুনে আমার গায়ের পশম খাড়া হয়ে যাচ্ছে। সেদিন দেখি কালো কালো ৪টি কুকুর আর ৪টি বিড়াল বসে আছে। তাদের ছায়া দেখতে পেলাম না। চোখের পলক পড়তেই দেখি সব উধাও।
টফি বলল, বলিস কিরে! তারপর আমাকে লক্ষ্য করে বলল, শুনেছিস কী বলল? যাবি নাকি?
আমি শুনে ভয় পেলাম না। আবার ভয় না পেয়েও থাকতে পারলাম না। বললাম, দুর, এসব ভূতটুত কিছু না। আমাদের দেখলে ভূত সব পালাবে। ওসব ভয় পাসনে।
আকমল বলল, আমার ভয় করছে রে! আমি মনে হয় যেতে পারব না।
আমি বিকট শব্দে ধমক দিয়ে উঠলাম, আক্কেল তুই যাবি না, তোর বাপ যাইবো। বল, যাবি কি না?
আকমল আমতা আমতা করে বলল, যাবো, যাবো, যাবো। তবে তোদের মাঝে থাকব ভাই।
আমি বললাম, তা থাকিস। আর একটি কথা বলতে চাই। আমি আমাদের ওই অভিযানের কর্তা হিসেবে টফিকে রাখতে চাই। কী বলিস টফি, পারবি না?
টফি খুশি হয়ে বলল, খুব পারব। রিভার ও বিচ্ছু, তোরা রাজি আছিস?
হ্যাঁ, রাজি আছি। সমস্বরে বলল দু’জন।
এই সময় আসরে উদয় হলেন আকমলের চাচা বীরবল। বললেন, তোরা এখানে কী করছিস? কোথাও যাবি-টাবি নাকি?
আমি বললাম, ইচ্ছা আছে। উদ্ধার করব কিছু প্রাচীন পুরাকীর্তি।
বীরবল বললেন, কোথায় রে? ওই গোরস্তানের পেছনের বাড়িটাতে নাকি?
আমি আবার বললাম, হ্যাঁ, ওখানেই। যুগে যুগে মানুষ যা পারেনি আজ আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তাই করব।
আমিই তো সেখানে যেতে ভয় পাই। আর তোরা যাবি! আমিও তোদের সাথে যেতে চাই। আগ্রহ নিয়ে বললেন চাচা।
টফি বলল, তাহলে বলুন কবে গেলে ভালো হয়।
পরশু শুক্রবার, ওইদিন গেলেই ভালো হয়।
আমি বললাম, রিভার, বিচ্ছু ও আকমলকে উদ্দেশ করে, ঠিক আছে তাই হবে। কী বলিস তোরা?
ওরা বলল, তাই ভালো।
আমরা অনেকটাই নিশ্চিত সেখানে ভূতটুত আছে। আমাদের এখন থেকেই প্রস্তুত হতে হবে।
বীরবল বললেন, তাহলে শোন, আমার সঙ্গে আগামীকাল সকালে সবাই বাজারে যাবি। সকাল ৭টায় বাজারে উপস্থিত থাকবি। কিছু সরঞ্জামাদি কিনব। উদ্ধারকাজ ও ভূতের সাথে যুদ্ধ করতে কিছু লাঠি, বল্লম, শাবল, কুঠার, তীর ও টর্চবাতি প্রয়োজন। ও হ্যাঁ, টফির বন্ধু জর্ডানকে সাহায্যকারী হিসেবে রাখতে চাই। ওকে ডাকবি। কাল কিছু কথা বলবো। সবাইকে সেখানে থাকতে হবে।
১১ তারিখ ৭টায় সবাই বাজারে উপস্থিত হলাম। কিন্তু জর্ডান এখনও আসেনি।
বীরবল টফিকে বললেন, তুই জর্ডানকে আসতে বলেছিলি?
টফি জবাব দেয়, বলেছিলাম তো, এক্ষুনি এসে যাবে।
আমি বললাম, ওইতো আসছে।
জর্ডান এলে বীরবল তাকে জিজ্ঞেস করেন, শুনেছিস তো সবকিছু টফির কাছ থেকে?
জর্ডান বলল, শুনেছি।
বীরবল আবার বললেন, তুই রাজি আছিস?
জর্ডান বললো, হ্যাঁ, রাজি আছি। থাকব না কেন, আমাদের বয়োজ্যেষ্ঠ বীরবল চাচা আছেন যেখানে।
একটু মুচকি হাসলেন যেন বীরবল চাচা।
বিচ্ছু বলল, তাহলে চলুন, সবকিছু কিনে নেয়া যাক।
বীরবল বললেন, চল আমার সাথে সবাই।
তিনি যেতে যেতে বললেন, শোন, আমাদের এই অভিযানে সবাইকে সাহসী থাকতে হবে। একজনের বিপদে অন্যকে সাহায্য করতে হবে। সবাই লাঠি নিয়ে প্রস্তুত থাকবি, মুহূর্তে ভূত হামলা করতে পারে।
সবকিছু কেনার পর দেখা গেল সকাই দু’টি করে লাঠি, একটি বল্লম, একটি কুঠার, একটি শাবল ও ২টি করে টর্চ পেলাম।
সবাই সবকিছু বুঝে পেলে বীরবল বললেন, কাল বিকেল ৫টায় তোরা সবাই আসবি ঐ বাড়িতে, সঙ্গে একটি করে ছুরি আনবি। আর হ্যাঁ, আমি এই অভিযানের নাম দিতে চাই ‘ঘোস্ট হাউজ অপারেশন’। তোরা একমত কিনা?
আমরা সবাই একবাক্যে বললাম, চমৎকার নাম! আমরা একমত।
রিভার বলল, ৫টায় কোথায় একত্র হবো?
বীরবল বললেন, ৫টায় আমরা বটতলা থেকে রওনা দেবো। তাই তোরা বটতলায় উপস্থিত থাকবি। আকমল, তুই কেরোসিন তেল নিয়ে আসবি।
আমি বললাম, তাহলে আমরা সবাই বারুদ নিয়ে আসবো।
সকলে বলে উঠলাম, হ্যাঁ হ্যাঁ, ঠিক।
বীরবল বললেন, যা, এখন তোরা বাসায় গিয়ে রেস্ট নে। অভিযানের জন্য প্রস্তুত হ।
সবাই যার যার বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিলাম।
১২ তারিখ বিকেল ৫টায় সবাই বটতলায় হাজির হলাম।
আমি বললাম, কিরে টফি, বীরবল চাচা যে এলেন না?
টফি বলল, আসার কথাতো। এক্ষুনি এসে যাবেন নিশ্চয়ই।
জর্ডান বলে উঠল, ওইতো আসছেন। সঙ্গে রিভার, বিচ্ছু ও আকমলও আসছে।
বীরবল এসেই সবার উদ্দেশে বললেন, তোরা প্রস্তুত?
টফি বলল, হ্যাঁ, আমরা সকাই প্রস্তুত।
হঠাৎ বিচ্ছু এক কাহিনী বলা শুরু করলো সেই বাড়ি নিয়ে : আমার একটা কাহিনী মনে পড়ে গেল রে। বলি, শোনÑ গতবার এক লোকের মৃত্যুর পর তাকে দাফনের জন্য সবাই সেই গোরস্থানে নিয়ে যায়। কবরে নামানোর পর হঠাৎ বিকট শব্দ হয় সেই ভাঙা বাড়িতে এবং ৮-১০টি কালো কুকুর সেই বাড়ি থেকে দৌড়ে আসে আর সবাইকে কামড়াতে শুরু করে। কেউ কেউ পালালো আবার কেউবা মারা পড়ল। যারা মারা পড়লো, তাদের আর কবর দেয়া হয়নি। তারা এখনও সেখানে পড়ে আছে। কারণ এই ঘটনার পর কেউ সেখানে যাবার কোনো সাহস খুঁজে পায়নি। এখন হয়তো তাদের সাদা কঙ্কাল দেখতে পাওয়া যাবে।
আমরা সবাই দূর থেকেই বাড়িটাকে স্পষ্ট দেখতে পেলাম। সকলেই রহস্যের আঁচও পেলাম। বাড়িটা ছিলো বিশাল শূন্যের মাঝে একটি ঠাঁই। আশপাশে কোনো ঘরবাড়ি নেই। বাড়ির ফাটলে বটবৃক্ষ ভালো করেই দেখা যাচ্ছে। অন্ধকার বাড়িতে মাঝে মাঝেই আলো জ্বলে উঠছে।
আমরা সবাই চুপচাপ এগুচ্ছি। ছোট জাতের গুইসাপ ও বড় বড় গিরগিটি দেখা যাচ্ছে পথে। একটি গুইসাপ বীরবলের পেছনে পেছনে আসছিলো। বীরবল তা লক্ষ করায় সাপটি অদ্ভুত শব্দ করতে করতে চলে গেলো।
বীরবল বলে উঠলেন, ওরে বাপরে! এখন থেকেই বুঝি আক্রমণ শুরু হলো। সকলে কুঠার নিয়ে প্রস্তুত থাকো। সামনে সাপ পেলেই হত্যা করবি।
আমি বললাম, কয়েকটা মেরেছি। কিন্তু এখনতো সাদা ব্যাঙ আসছে প্রচুর পরিমাণে।
টফি বলল, ঐ দেখ, কত বাদুড় আসছে।
আমরা চিৎকার দিয়ে লাঠি ঘুরাতে ঘুরাতে বাদুড় মারতে গেলাম। হঠাৎ আক্রমণে বিচ্ছু পড়ে গেল। বাদুড়ের আঁচড় লেগে কেটে গেছে ওর হাত। কুঁকড়ে উঠল ও। একসময় রক্তপড়া বন্ধ হলো। বাদুড়ের আক্রমণও বন্ধ হলো।
বাড়ি থেকে যখন আমরা ১০০ গজ মতো দূরে, তখন সন্ধ্যার অন্ধকার টের পেলাম।
আকমল বলল, সন্ধ্যা হয়ে গেছে। বাতি জ্বালিয়ে রাখ।
টফি বলল, ভূমিকম্প হচ্ছে। মাটি কাঁপছে। তোরা টের পাচ্ছিস?
সকলে বলে উঠলাম, কই, নাতো! আমরা টের পাচ্ছি না।
কিছুপর আমরা বাড়িতে প্রবেশ করলাম।
আমি বললাম, প্রচণ্ড ঝড় হচ্ছে। আমার শরীরে প্রচণ্ড বাতাস বয়ে যাচ্ছে।
সকলে অবাক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকাল, যেন বুঝতে চেষ্টা করছে আমি ঠিক করছি কি-না।
তারপর আমার বন্ধুরা বলল, আমরা তো টের পাচ্ছি না।
বীরবল বললেন, আমার বাতি নিভে যাচ্ছে। আমি বুঝি আর চলতে পারবো না।
সবাই এ সকল উপসর্গ দেখে হকচকিত হয়ে পড়লাম। অনেক পুরনো মূর্তি ও কঙ্কাল দেখতে পেলাম।
রিভার বলে উঠল, আমি একটু আগে একটা মূর্তি আনতে গেলাম। যেই মূর্তিটা ধরেছি ঠিক তখনই মূর্তির নিচ থেকে একটা সাপ আমাকে দংশন করতে এলো। ভাগ্যিস হাতে ছুরিটা ছিল। অবাক কাণ্ড! সাপটা মারার সাথে সাথে কাক হয়ে মাটিতে পড়ে গেল!! আর আমি দৌড়ে চলে এলাম।
সবাই লাঠি হাতে নিয়ে ছড়িয়ে পড়লাম বিভিন্ন স্থানে।
আমি একটি দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করলাম। প্রচণ্ড অন্ধকার স্যাঁতসেঁতে মাটি আর ভ্যাপসা গন্ধ। তেমন কোনো প্রাচীন মূর্তি না পেয়ে ফিরে আসছিলাম। হঠাৎ আমাদের সকলের বাতি নিভে গেলো।
একটা ধ্বনি আমার দিকে আসছে, আমি বুঝতে পারলাম। একটা বিশাল থাবায় ঝাঁকুনি খেয়ে আমি অজ্ঞান হয়ে পড়েও গেলাম।
জ্ঞান ফেরার পর আমি অনুভব করলাম আমাকে একটা শক্ত খোলসের ভেতর আটকে দেয়া হয়েছে আঠা দিয়ে। ভীষণ শক্ত। ছেঁড়া যায় না। তবুও চেষ্টা করলাম। আমি বাঁচার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছি। তাই ছুরি দিয়ে আঠা কেটে, কুঠার দিয়ে খোলস ভেঙে বেরিয়ে আসি। দেখি এক প্রকাণ্ড পাকা ঘরে মাথার খুলি ও কঙ্কাল ইত্যাদি পড়ে আছে। আমরা কে কোথায় আছি জানি না। শুধু জানি আমি বেঁচে আছি।
আমার চারপাশ দিয়ে অনেক বড় বড় সাপ চলাফেরা করছে। একটা সাপ মারায় এর পেট থেকে আরও অনেক বাচ্চা সাপ বেরোয়।
বাড়িটা এতই বড় ছিলো যেন কোথা থেকে শুরু কোথা শেষ তা কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। হঠাৎ দেখলাম টফি ও বীরবল একসাথে কাতরাচ্ছে।
আমি বললাম, কিরে, তোরা কই ছিলি? ওরা ৪ জন কই?
ওরা জবাব দেয়ার আগেই বিভিন্ন প্রকার শব্দ শুনে চুপ হয়ে গেলাম। হাসি-কান্না মিলিয়ে শব্দগুলো কাছে আসছিলো। আমরা ৩ জন লুকাতে গেলে দেখলাম জর্ডান, বিচ্ছু, রিভার ও আকমল একত্রে। জর্ডান, বিচ্ছু ও আকমলের হাত-পা কিছুই নেই। মাথার মগজ বেরিয়ে গেছে।
বীরবল আপন ভাতিজা আকমল ও ওদের এই অবস্থা দেখে কেঁদে উঠলেন। আমি বীরবল চাচাকে থামতে বললাম। দেখি রিভার বসে আমাদের দেখছে। ও যেন আকাশের চাঁদ খুঁজে পেল। আমরা নতুন উদ্যমে কাজ করব এখন। আমাদের বাঁচতে হবে। এই চিন্তা করে আমরা চারজন দৌড় শুরু করলাম।
কোনো কথা না বলে আমরা চারজন দৌড়াচ্ছি। এখন রাস্তাটা পরিষ্কার দেখতে পেলাম। জীবনের ভয়ে প্রাণপণে ছুটছি।
হঠাৎ কী যেন আমাদের ভয় বাড়িয়ে দিলো।
একটা বিশাল থাবা আমাদের পিছু নিলো। ছায়ায় দেখতে পেলাম মুখখানি বিশাল বড়। দীর্ঘ দাঁত আর নখ। শরীরে রক্ত। দেয়াল ভেঙে পড়ল আমাদের ওপর। ভাগ্যের জোরে আমি, টফি, রিভার ও বীরবল বেঁচে গেলাম। কিন্তু তখন পেছনে ফিরে তাকানোর এতটুকু সময়ও ছিলো না।
একটা কঙ্কালের পায়ে ধাক্কা খেয়ে আমি ও টফি পড়ে গেলাম। রিভার আমাদের দেখতে পেলো না। এদিকে রাক্ষসটি আসছে তার বিশাল থাবা নিয়ে।
আমার প্যান্ট নরম ছিলো। তাই প্যান্ট সামান্য ছিঁড়েই ছুট দিলাম বাইরে। কিন্তু বেচারা টফি আর ছুটে আসতে পারলো না। আমি তীর ছুড়লাম সেই রাক্ষসের দিকে, কাজ হলো না। এরপর ম্যাচ বের করে কেরোসিনের পটে আগুন দিয়ে বাড়ির দিকে ছুড়ে মারলাম এবং বাইরে প্রাণপণে বেরিয়ে আসি। আমি ভেবেছিলাম রাক্ষস টফিকে গিলে খেয়েছে কিন্তু যখন আগুন লাগিয়ে কেরোসিনের বোতল ছুড়ে মারি তখন বিস্ফোরণের সাথে রাক্ষসের মৃত্যুর চিৎকারসহ টফির সেই করুণ চিৎকার আমার হৃদয়কে ঝাঁকিয়ে তোলে। কিন্তু টফি এখনও বেঁচে আছে দেখে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম। ওকে নিয়ে দৌড় দিলাম। হঠাৎ স্মরণ হলো, রিভার! ও কোথায় গেলো?
বাইরে প্রচণ্ড ঝড় হচ্ছিল।
হঠাৎ রিভারকে দেখে মন আনন্দে ভরে উঠলো। একত্রে কোলাকুলি করলাম। বাড়িতে ফিরলাম। তখন রাত বাজে ৩টা ১৫ মিনিট।
ঘুম হয়নি রাতে। সকালে গ্রামবাসী এ বাড়ির দিকে রওনা হলো, দূরে দাঁড়িয়ে আমি আর রিভার দেখলাম। সেখানে হাজার হাজার কালো কাক পড়ে আছে।
আজ ১৮ তারিখ। ১২ তারিখের সেই ঘটনার পর আমার মন খুবই খারাপ। কোন খেলার মধ্য দিয়ে এই ভয়াবহ ঘটনাটা ঘটে গেলো। আমার বন্ধুরা সত্যিই প্রকৃত বন্ধুর মতো। এখন সবাই-ই কম-বেশি আহত। ওদের জন্য এখন মন খুবই খারাপ করছে। আশপাশে কোন লোকজন না দেখলেই কেঁদে ফেলি। মা ঠিকই বুঝতে পারেন। আমাকে দেখে মারও খুব কষ্ট হয়।
আজ ৫টা দিন কেটে গেলো। ওদের সাথে দেখাও করতে পারিনি। যাইহোক, আমরা এত কষ্ট করেও কিছুই উদ্ধার করতে পারিনি। পেরেছি শুধু সেই রাক্ষসকে ধ্বংস করতে আর জীবন বাঁচিয়ে আনতে।
আজ আমি গ্রামের মানুষজনকে এই কাহিনী পুনরায় জানাই। এ কথাও জানাই যে আমরা পুনরায সেই বাড়িতে যাব। এখন সেখানে কোনো ভয় নেই। কারণ সকল রাক্ষস মারা গেছে। এখন গেলে হয়তো সুদূর প্রাচীনকালের কিছু নিদর্শন পাওয়া যাবে। সকলে রাজি হলেন এবং ১৯ তারিখে সেখানে যাবো বলে সিদ্ধান্ত নিলাম।
১৯ তারিখ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১১টা ৫০ মিনিটে সকল গ্রামবাসী সেখানে হাজির হলাম এবং বাড়িতে প্রবেশ করলাম। মনে হলো বাড়িতে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। সবাই ছড়িয়ে ছিটিয়ে বাড়ির সবকিছু দেখতে লাগলাম। কিছু না পেয়ে সবাই হতাশ হলাম।
আবার ভালো করে খুঁজতে লাগলাম। কিন্তু কিছু না পেয়ে যখন সবাই ফিরছিলাম, হঠাৎ আমার পা একটা গর্তে আটকে গেল। সবাই আমাকে টেনে তুলল। এবং গর্তের দিকে তাকাল। আমিও দেখলাম।
সুড়ঙ্গ দেখা যাচ্ছে ভেতরটাতে। নতুন কিছু পাওয়ার আশায় আমার বুক ভরে উঠল। এক এক করে সবাই নামলো। আমার সঙ্গে আনা টর্চবাতি জ্বালিয়ে নিলাম।
ভেতরে ভীষণ গরম এবং স্যাঁতস্যাঁতে গন্ধ আর অন্ধকার। কিন্তু সঙ্গে টর্চ ছিল বলে আমরা হাঁটতে পারছি।
ভেতরে ঢুকতেই আমরা একটি চিঠি পেলাম। এতে লেখাÑ ‘এই সুড়ঙ্গের ভেতরে পুরনো কিছু জিনিস এবং মোহর রয়েছে। ৭ জন যুবক এর রহস্য উদঘাটনের উদ্দেশ্যে এই বাড়িতে আসবে। এবং লুকিয়ে থাকা সম্পদ উদ্ধার হবে।’
আমি উৎসাহের সাথে বলে উঠলাম, এ তো আমাদের সাথে মিলে গেল। চলুন আমরা কাজ শুরু করি।
ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অনেক সোনার মোহর খুঁজে পেলাম আমরা। মণিমুক্তা খুঁজে পেলাম। তারপর সবকিছু গ্রামে নিয়ে এলাম।
এক মুরুব্বি আমাকে উদ্দেশ করে বললেন, এখন তুমি এগুলো কী করতে চাও?
আমি অনেক ভেবেচিন্তে উত্তরে বললাম, এসব কিছু আমরা ঢাকায় জাদুঘরে প্রদান করব এবং প্রাপ্ত অর্থ গ্রামের উন্নয়নে কাজে লাগবো।
সবাই আমার কথা শুনে আমাকে বাহবা দিলেন।
আকমল বলল, হ্যাঁ তাই করব। তবে এটা ঠিক যে তোদের পাশাপাশি আমিও ভয় পাই, তবে কম।
আমি এতক্ষণ চুপ করে ছিলাম। পরক্ষণে বলে উঠলাম, থামবি তোরা? আমাদের একটা বড় ধরনের সিদ্ধান্তে আসা উচিত।
টফি বলল, কী সেটা?
আমি বললাম, তাতো তোদের একা বলব না। তোদের বললে মানা করার এক ভাগ লজ্জাও তোরা করবি না। এর চেয়ে ভাল, কাল রাতে আমাদের সব বন্ধুকে আসতে বল। একত্রে সিদ্ধান্ত নিলে আমি নিশ্চিত হবো। এখন আমি চলে যাচ্ছি, তবে বলছি শোন, কাল তোর দুই বন্ধুকে আসতে বলবি।
টফি বলল, কখন আসতে বলব?
আমি বললাম, রাত ১১টায় এলেই চলবে।
কথামতো রাত ১১টায় ৫ জন একত্র হলাম।
বিচ্ছু আমাকে বলল, তুই আমাদের কী ব্যাপারে ডেকেছিস?
ভালো কথা বলেছিস। শোন, আমাদের গোরস্তানের পেছনে ভাঙা পুরনো বাড়িতে কিছু ঐতিহাসিক জিনিস আছে। আমাদের সেগুলো উদ্ধার করা উচিত। তবে সবাই মিলে এটা করতে হবে। দিনের বেলায় সবাই ভয় পায়, আর রাতে তো মানুষ ওই বাড়ির দিকে তাকাতেই পারে না।
রিভার বলল, ওরে বাপরে! আর বলিসনে। শুনে আমার গায়ের পশম খাড়া হয়ে যাচ্ছে। সেদিন দেখি কালো কালো ৪টি কুকুর আর ৪টি বিড়াল বসে আছে। তাদের ছায়া দেখতে পেলাম না। চোখের পলক পড়তেই দেখি সব উধাও।
টফি বলল, বলিস কিরে! তারপর আমাকে লক্ষ্য করে বলল, শুনেছিস কী বলল? যাবি নাকি?
আমি শুনে ভয় পেলাম না। আবার ভয় না পেয়েও থাকতে পারলাম না। বললাম, দুর, এসব ভূতটুত কিছু না। আমাদের দেখলে ভূত সব পালাবে। ওসব ভয় পাসনে।
আকমল বলল, আমার ভয় করছে রে! আমি মনে হয় যেতে পারব না।
আমি বিকট শব্দে ধমক দিয়ে উঠলাম, আক্কেল তুই যাবি না, তোর বাপ যাইবো। বল, যাবি কি না?
আকমল আমতা আমতা করে বলল, যাবো, যাবো, যাবো। তবে তোদের মাঝে থাকব ভাই।
আমি বললাম, তা থাকিস। আর একটি কথা বলতে চাই। আমি আমাদের ওই অভিযানের কর্তা হিসেবে টফিকে রাখতে চাই। কী বলিস টফি, পারবি না?
টফি খুশি হয়ে বলল, খুব পারব। রিভার ও বিচ্ছু, তোরা রাজি আছিস?
হ্যাঁ, রাজি আছি। সমস্বরে বলল দু’জন।
এই সময় আসরে উদয় হলেন আকমলের চাচা বীরবল। বললেন, তোরা এখানে কী করছিস? কোথাও যাবি-টাবি নাকি?
আমি বললাম, ইচ্ছা আছে। উদ্ধার করব কিছু প্রাচীন পুরাকীর্তি।
বীরবল বললেন, কোথায় রে? ওই গোরস্তানের পেছনের বাড়িটাতে নাকি?
আমি আবার বললাম, হ্যাঁ, ওখানেই। যুগে যুগে মানুষ যা পারেনি আজ আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি তাই করব।
আমিই তো সেখানে যেতে ভয় পাই। আর তোরা যাবি! আমিও তোদের সাথে যেতে চাই। আগ্রহ নিয়ে বললেন চাচা।
টফি বলল, তাহলে বলুন কবে গেলে ভালো হয়।
পরশু শুক্রবার, ওইদিন গেলেই ভালো হয়।
আমি বললাম, রিভার, বিচ্ছু ও আকমলকে উদ্দেশ করে, ঠিক আছে তাই হবে। কী বলিস তোরা?
ওরা বলল, তাই ভালো।
আমরা অনেকটাই নিশ্চিত সেখানে ভূতটুত আছে। আমাদের এখন থেকেই প্রস্তুত হতে হবে।
বীরবল বললেন, তাহলে শোন, আমার সঙ্গে আগামীকাল সকালে সবাই বাজারে যাবি। সকাল ৭টায় বাজারে উপস্থিত থাকবি। কিছু সরঞ্জামাদি কিনব। উদ্ধারকাজ ও ভূতের সাথে যুদ্ধ করতে কিছু লাঠি, বল্লম, শাবল, কুঠার, তীর ও টর্চবাতি প্রয়োজন। ও হ্যাঁ, টফির বন্ধু জর্ডানকে সাহায্যকারী হিসেবে রাখতে চাই। ওকে ডাকবি। কাল কিছু কথা বলবো। সবাইকে সেখানে থাকতে হবে।
১১ তারিখ ৭টায় সবাই বাজারে উপস্থিত হলাম। কিন্তু জর্ডান এখনও আসেনি।
বীরবল টফিকে বললেন, তুই জর্ডানকে আসতে বলেছিলি?
টফি জবাব দেয়, বলেছিলাম তো, এক্ষুনি এসে যাবে।
আমি বললাম, ওইতো আসছে।
জর্ডান এলে বীরবল তাকে জিজ্ঞেস করেন, শুনেছিস তো সবকিছু টফির কাছ থেকে?
জর্ডান বলল, শুনেছি।
বীরবল আবার বললেন, তুই রাজি আছিস?
জর্ডান বললো, হ্যাঁ, রাজি আছি। থাকব না কেন, আমাদের বয়োজ্যেষ্ঠ বীরবল চাচা আছেন যেখানে।
একটু মুচকি হাসলেন যেন বীরবল চাচা।
বিচ্ছু বলল, তাহলে চলুন, সবকিছু কিনে নেয়া যাক।
বীরবল বললেন, চল আমার সাথে সবাই।
তিনি যেতে যেতে বললেন, শোন, আমাদের এই অভিযানে সবাইকে সাহসী থাকতে হবে। একজনের বিপদে অন্যকে সাহায্য করতে হবে। সবাই লাঠি নিয়ে প্রস্তুত থাকবি, মুহূর্তে ভূত হামলা করতে পারে।
সবকিছু কেনার পর দেখা গেল সকাই দু’টি করে লাঠি, একটি বল্লম, একটি কুঠার, একটি শাবল ও ২টি করে টর্চ পেলাম।
সবাই সবকিছু বুঝে পেলে বীরবল বললেন, কাল বিকেল ৫টায় তোরা সবাই আসবি ঐ বাড়িতে, সঙ্গে একটি করে ছুরি আনবি। আর হ্যাঁ, আমি এই অভিযানের নাম দিতে চাই ‘ঘোস্ট হাউজ অপারেশন’। তোরা একমত কিনা?
আমরা সবাই একবাক্যে বললাম, চমৎকার নাম! আমরা একমত।
রিভার বলল, ৫টায় কোথায় একত্র হবো?
বীরবল বললেন, ৫টায় আমরা বটতলা থেকে রওনা দেবো। তাই তোরা বটতলায় উপস্থিত থাকবি। আকমল, তুই কেরোসিন তেল নিয়ে আসবি।
আমি বললাম, তাহলে আমরা সবাই বারুদ নিয়ে আসবো।
সকলে বলে উঠলাম, হ্যাঁ হ্যাঁ, ঠিক।
বীরবল বললেন, যা, এখন তোরা বাসায় গিয়ে রেস্ট নে। অভিযানের জন্য প্রস্তুত হ।
সবাই যার যার বাড়ির উদ্দেশে রওনা দিলাম।
১২ তারিখ বিকেল ৫টায় সবাই বটতলায় হাজির হলাম।
আমি বললাম, কিরে টফি, বীরবল চাচা যে এলেন না?
টফি বলল, আসার কথাতো। এক্ষুনি এসে যাবেন নিশ্চয়ই।
জর্ডান বলে উঠল, ওইতো আসছেন। সঙ্গে রিভার, বিচ্ছু ও আকমলও আসছে।
বীরবল এসেই সবার উদ্দেশে বললেন, তোরা প্রস্তুত?
টফি বলল, হ্যাঁ, আমরা সকাই প্রস্তুত।
হঠাৎ বিচ্ছু এক কাহিনী বলা শুরু করলো সেই বাড়ি নিয়ে : আমার একটা কাহিনী মনে পড়ে গেল রে। বলি, শোনÑ গতবার এক লোকের মৃত্যুর পর তাকে দাফনের জন্য সবাই সেই গোরস্থানে নিয়ে যায়। কবরে নামানোর পর হঠাৎ বিকট শব্দ হয় সেই ভাঙা বাড়িতে এবং ৮-১০টি কালো কুকুর সেই বাড়ি থেকে দৌড়ে আসে আর সবাইকে কামড়াতে শুরু করে। কেউ কেউ পালালো আবার কেউবা মারা পড়ল। যারা মারা পড়লো, তাদের আর কবর দেয়া হয়নি। তারা এখনও সেখানে পড়ে আছে। কারণ এই ঘটনার পর কেউ সেখানে যাবার কোনো সাহস খুঁজে পায়নি। এখন হয়তো তাদের সাদা কঙ্কাল দেখতে পাওয়া যাবে।
আমরা সবাই দূর থেকেই বাড়িটাকে স্পষ্ট দেখতে পেলাম। সকলেই রহস্যের আঁচও পেলাম। বাড়িটা ছিলো বিশাল শূন্যের মাঝে একটি ঠাঁই। আশপাশে কোনো ঘরবাড়ি নেই। বাড়ির ফাটলে বটবৃক্ষ ভালো করেই দেখা যাচ্ছে। অন্ধকার বাড়িতে মাঝে মাঝেই আলো জ্বলে উঠছে।
আমরা সবাই চুপচাপ এগুচ্ছি। ছোট জাতের গুইসাপ ও বড় বড় গিরগিটি দেখা যাচ্ছে পথে। একটি গুইসাপ বীরবলের পেছনে পেছনে আসছিলো। বীরবল তা লক্ষ করায় সাপটি অদ্ভুত শব্দ করতে করতে চলে গেলো।
বীরবল বলে উঠলেন, ওরে বাপরে! এখন থেকেই বুঝি আক্রমণ শুরু হলো। সকলে কুঠার নিয়ে প্রস্তুত থাকো। সামনে সাপ পেলেই হত্যা করবি।
আমি বললাম, কয়েকটা মেরেছি। কিন্তু এখনতো সাদা ব্যাঙ আসছে প্রচুর পরিমাণে।
টফি বলল, ঐ দেখ, কত বাদুড় আসছে।
আমরা চিৎকার দিয়ে লাঠি ঘুরাতে ঘুরাতে বাদুড় মারতে গেলাম। হঠাৎ আক্রমণে বিচ্ছু পড়ে গেল। বাদুড়ের আঁচড় লেগে কেটে গেছে ওর হাত। কুঁকড়ে উঠল ও। একসময় রক্তপড়া বন্ধ হলো। বাদুড়ের আক্রমণও বন্ধ হলো।
বাড়ি থেকে যখন আমরা ১০০ গজ মতো দূরে, তখন সন্ধ্যার অন্ধকার টের পেলাম।
আকমল বলল, সন্ধ্যা হয়ে গেছে। বাতি জ্বালিয়ে রাখ।
টফি বলল, ভূমিকম্প হচ্ছে। মাটি কাঁপছে। তোরা টের পাচ্ছিস?
সকলে বলে উঠলাম, কই, নাতো! আমরা টের পাচ্ছি না।
কিছুপর আমরা বাড়িতে প্রবেশ করলাম।
আমি বললাম, প্রচণ্ড ঝড় হচ্ছে। আমার শরীরে প্রচণ্ড বাতাস বয়ে যাচ্ছে।
সকলে অবাক দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকাল, যেন বুঝতে চেষ্টা করছে আমি ঠিক করছি কি-না।
তারপর আমার বন্ধুরা বলল, আমরা তো টের পাচ্ছি না।
বীরবল বললেন, আমার বাতি নিভে যাচ্ছে। আমি বুঝি আর চলতে পারবো না।
সবাই এ সকল উপসর্গ দেখে হকচকিত হয়ে পড়লাম। অনেক পুরনো মূর্তি ও কঙ্কাল দেখতে পেলাম।
রিভার বলে উঠল, আমি একটু আগে একটা মূর্তি আনতে গেলাম। যেই মূর্তিটা ধরেছি ঠিক তখনই মূর্তির নিচ থেকে একটা সাপ আমাকে দংশন করতে এলো। ভাগ্যিস হাতে ছুরিটা ছিল। অবাক কাণ্ড! সাপটা মারার সাথে সাথে কাক হয়ে মাটিতে পড়ে গেল!! আর আমি দৌড়ে চলে এলাম।
সবাই লাঠি হাতে নিয়ে ছড়িয়ে পড়লাম বিভিন্ন স্থানে।
আমি একটি দরজা খুলে ভেতরে প্রবেশ করলাম। প্রচণ্ড অন্ধকার স্যাঁতসেঁতে মাটি আর ভ্যাপসা গন্ধ। তেমন কোনো প্রাচীন মূর্তি না পেয়ে ফিরে আসছিলাম। হঠাৎ আমাদের সকলের বাতি নিভে গেলো।
একটা ধ্বনি আমার দিকে আসছে, আমি বুঝতে পারলাম। একটা বিশাল থাবায় ঝাঁকুনি খেয়ে আমি অজ্ঞান হয়ে পড়েও গেলাম।
জ্ঞান ফেরার পর আমি অনুভব করলাম আমাকে একটা শক্ত খোলসের ভেতর আটকে দেয়া হয়েছে আঠা দিয়ে। ভীষণ শক্ত। ছেঁড়া যায় না। তবুও চেষ্টা করলাম। আমি বাঁচার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছি। তাই ছুরি দিয়ে আঠা কেটে, কুঠার দিয়ে খোলস ভেঙে বেরিয়ে আসি। দেখি এক প্রকাণ্ড পাকা ঘরে মাথার খুলি ও কঙ্কাল ইত্যাদি পড়ে আছে। আমরা কে কোথায় আছি জানি না। শুধু জানি আমি বেঁচে আছি।
আমার চারপাশ দিয়ে অনেক বড় বড় সাপ চলাফেরা করছে। একটা সাপ মারায় এর পেট থেকে আরও অনেক বাচ্চা সাপ বেরোয়।
বাড়িটা এতই বড় ছিলো যেন কোথা থেকে শুরু কোথা শেষ তা কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। হঠাৎ দেখলাম টফি ও বীরবল একসাথে কাতরাচ্ছে।
আমি বললাম, কিরে, তোরা কই ছিলি? ওরা ৪ জন কই?
ওরা জবাব দেয়ার আগেই বিভিন্ন প্রকার শব্দ শুনে চুপ হয়ে গেলাম। হাসি-কান্না মিলিয়ে শব্দগুলো কাছে আসছিলো। আমরা ৩ জন লুকাতে গেলে দেখলাম জর্ডান, বিচ্ছু, রিভার ও আকমল একত্রে। জর্ডান, বিচ্ছু ও আকমলের হাত-পা কিছুই নেই। মাথার মগজ বেরিয়ে গেছে।
বীরবল আপন ভাতিজা আকমল ও ওদের এই অবস্থা দেখে কেঁদে উঠলেন। আমি বীরবল চাচাকে থামতে বললাম। দেখি রিভার বসে আমাদের দেখছে। ও যেন আকাশের চাঁদ খুঁজে পেল। আমরা নতুন উদ্যমে কাজ করব এখন। আমাদের বাঁচতে হবে। এই চিন্তা করে আমরা চারজন দৌড় শুরু করলাম।
কোনো কথা না বলে আমরা চারজন দৌড়াচ্ছি। এখন রাস্তাটা পরিষ্কার দেখতে পেলাম। জীবনের ভয়ে প্রাণপণে ছুটছি।
হঠাৎ কী যেন আমাদের ভয় বাড়িয়ে দিলো।
একটা বিশাল থাবা আমাদের পিছু নিলো। ছায়ায় দেখতে পেলাম মুখখানি বিশাল বড়। দীর্ঘ দাঁত আর নখ। শরীরে রক্ত। দেয়াল ভেঙে পড়ল আমাদের ওপর। ভাগ্যের জোরে আমি, টফি, রিভার ও বীরবল বেঁচে গেলাম। কিন্তু তখন পেছনে ফিরে তাকানোর এতটুকু সময়ও ছিলো না।
একটা কঙ্কালের পায়ে ধাক্কা খেয়ে আমি ও টফি পড়ে গেলাম। রিভার আমাদের দেখতে পেলো না। এদিকে রাক্ষসটি আসছে তার বিশাল থাবা নিয়ে।
আমার প্যান্ট নরম ছিলো। তাই প্যান্ট সামান্য ছিঁড়েই ছুট দিলাম বাইরে। কিন্তু বেচারা টফি আর ছুটে আসতে পারলো না। আমি তীর ছুড়লাম সেই রাক্ষসের দিকে, কাজ হলো না। এরপর ম্যাচ বের করে কেরোসিনের পটে আগুন দিয়ে বাড়ির দিকে ছুড়ে মারলাম এবং বাইরে প্রাণপণে বেরিয়ে আসি। আমি ভেবেছিলাম রাক্ষস টফিকে গিলে খেয়েছে কিন্তু যখন আগুন লাগিয়ে কেরোসিনের বোতল ছুড়ে মারি তখন বিস্ফোরণের সাথে রাক্ষসের মৃত্যুর চিৎকারসহ টফির সেই করুণ চিৎকার আমার হৃদয়কে ঝাঁকিয়ে তোলে। কিন্তু টফি এখনও বেঁচে আছে দেখে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম। ওকে নিয়ে দৌড় দিলাম। হঠাৎ স্মরণ হলো, রিভার! ও কোথায় গেলো?
বাইরে প্রচণ্ড ঝড় হচ্ছিল।
হঠাৎ রিভারকে দেখে মন আনন্দে ভরে উঠলো। একত্রে কোলাকুলি করলাম। বাড়িতে ফিরলাম। তখন রাত বাজে ৩টা ১৫ মিনিট।
ঘুম হয়নি রাতে। সকালে গ্রামবাসী এ বাড়ির দিকে রওনা হলো, দূরে দাঁড়িয়ে আমি আর রিভার দেখলাম। সেখানে হাজার হাজার কালো কাক পড়ে আছে।
আজ ১৮ তারিখ। ১২ তারিখের সেই ঘটনার পর আমার মন খুবই খারাপ। কোন খেলার মধ্য দিয়ে এই ভয়াবহ ঘটনাটা ঘটে গেলো। আমার বন্ধুরা সত্যিই প্রকৃত বন্ধুর মতো। এখন সবাই-ই কম-বেশি আহত। ওদের জন্য এখন মন খুবই খারাপ করছে। আশপাশে কোন লোকজন না দেখলেই কেঁদে ফেলি। মা ঠিকই বুঝতে পারেন। আমাকে দেখে মারও খুব কষ্ট হয়।
আজ ৫টা দিন কেটে গেলো। ওদের সাথে দেখাও করতে পারিনি। যাইহোক, আমরা এত কষ্ট করেও কিছুই উদ্ধার করতে পারিনি। পেরেছি শুধু সেই রাক্ষসকে ধ্বংস করতে আর জীবন বাঁচিয়ে আনতে।
আজ আমি গ্রামের মানুষজনকে এই কাহিনী পুনরায় জানাই। এ কথাও জানাই যে আমরা পুনরায সেই বাড়িতে যাব। এখন সেখানে কোনো ভয় নেই। কারণ সকল রাক্ষস মারা গেছে। এখন গেলে হয়তো সুদূর প্রাচীনকালের কিছু নিদর্শন পাওয়া যাবে। সকলে রাজি হলেন এবং ১৯ তারিখে সেখানে যাবো বলে সিদ্ধান্ত নিলাম।
১৯ তারিখ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১১টা ৫০ মিনিটে সকল গ্রামবাসী সেখানে হাজির হলাম এবং বাড়িতে প্রবেশ করলাম। মনে হলো বাড়িতে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। সবাই ছড়িয়ে ছিটিয়ে বাড়ির সবকিছু দেখতে লাগলাম। কিছু না পেয়ে সবাই হতাশ হলাম।
আবার ভালো করে খুঁজতে লাগলাম। কিন্তু কিছু না পেয়ে যখন সবাই ফিরছিলাম, হঠাৎ আমার পা একটা গর্তে আটকে গেল। সবাই আমাকে টেনে তুলল। এবং গর্তের দিকে তাকাল। আমিও দেখলাম।
সুড়ঙ্গ দেখা যাচ্ছে ভেতরটাতে। নতুন কিছু পাওয়ার আশায় আমার বুক ভরে উঠল। এক এক করে সবাই নামলো। আমার সঙ্গে আনা টর্চবাতি জ্বালিয়ে নিলাম।
ভেতরে ভীষণ গরম এবং স্যাঁতস্যাঁতে গন্ধ আর অন্ধকার। কিন্তু সঙ্গে টর্চ ছিল বলে আমরা হাঁটতে পারছি।
ভেতরে ঢুকতেই আমরা একটি চিঠি পেলাম। এতে লেখাÑ ‘এই সুড়ঙ্গের ভেতরে পুরনো কিছু জিনিস এবং মোহর রয়েছে। ৭ জন যুবক এর রহস্য উদঘাটনের উদ্দেশ্যে এই বাড়িতে আসবে। এবং লুকিয়ে থাকা সম্পদ উদ্ধার হবে।’
আমি উৎসাহের সাথে বলে উঠলাম, এ তো আমাদের সাথে মিলে গেল। চলুন আমরা কাজ শুরু করি।
ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অনেক সোনার মোহর খুঁজে পেলাম আমরা। মণিমুক্তা খুঁজে পেলাম। তারপর সবকিছু গ্রামে নিয়ে এলাম।
এক মুরুব্বি আমাকে উদ্দেশ করে বললেন, এখন তুমি এগুলো কী করতে চাও?
আমি অনেক ভেবেচিন্তে উত্তরে বললাম, এসব কিছু আমরা ঢাকায় জাদুঘরে প্রদান করব এবং প্রাপ্ত অর্থ গ্রামের উন্নয়নে কাজে লাগবো।
সবাই আমার কথা শুনে আমাকে বাহবা দিলেন।
=============================
আলোচনা- 'মহানবীর (সা): আদর্শ জীবন' by অধ্যাপক মুহম্মদ মতিউর রহমান ভ্রমণ- 'মাধবপুর লেক ভ্রমণে' by খালেদ আহমদ শিমুল স্বাস্থ্য আলোচনা- 'সুস্থতার জন্য হাসি' by আবু হেনা আবিদ জাফর বিজ্ঞান আলোচনা- 'মহাকাশের পড়শিরা' by মো: সাইফুল ইসলাম বিজ্ঞান আলোচনা- 'পরিবেশবান্ধব হাইব্রিড কার' by সাকিব রায়হান বিজ্ঞান আলোচনা- 'হারিয়ে যাবে দানব গ্রহ!' by সাকিব রায়হান গল্প- 'ট্রেনের হুইসেল' by হামিদুল ইসলাম আলোচনা- 'জীবজগতে বেঁচে থাকার কৌশল' by আরিফ হাসান আলোচনা- 'মিনার : মুসলিম সভ্যতার অনন্য নিদর্শন' by শেখ মারুফ সৈকত আলোচনা- 'ভাষা নিয়ে যত কথা' by আবু জাফর মুহাম্মদ ওবায়েদুল্লাহ গল্প- 'বোকা জ্যাকের কাণ্ড' অনুবাদঃ জাফর তালুকদার স্মৃতি ও গল্প- 'চানমিয়ার হাতি দেখা' by ড. কাজী দীন মুহম্মদ ভ্রমণ- 'সাগরকন্যার তীরে' by এস এম ওমর ফারুক ইতিহাস- সংবাদপত্রে যেভাবে সংবাদ এলো by জে হুসাইন ভ্রমণ- 'আমার দেখা নরওয়ে' by অধ্যাপিকা চেমন আরা রহস্য গল্প- 'আসল খুনি' সৌজন্যে কিশোরকন্ঠ আলোচনা- 'নজরুল গবেষক শাহাবুদ্দীন আহমদ' by শরীফ আবদুল গোফরান
কিশোরকন্ঠ এর সৌজন্যে
লেখকঃ আব্দুল্লাহ আল নোমান
এই গল্প'টি পড়া হয়েছে...
লেখকঃ আব্দুল্লাহ আল নোমান
এই গল্প'টি পড়া হয়েছে...
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1441)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
October
(964)
-
▼
Oct 26
(27)
- প্লাটিনাম কার্ড নিয়ে এল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্...
- ইপিএস নিয়ে কারসাজি তদন্ত করবে এসইসি
- শেরাটনে সপ্তাহব্যাপী ব্রিটিশ খাদ্য উৎসব আজ শুরু
- বিরোধী শিয়ারা ৪০ আসনের ১৮টিতে জয় পেয়েছে
- মেক্সিকোতে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে বন্দুকধারীদের গুলিত...
- পাকিস্তানকে অন্তর্ভুক্ত করে আলোচনা করতে হবে
- মিয়ানমারে ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তরা প্রয়োজনীয় ত্রাণ ...
- যুক্তরাষ্ট্রে ইসলাম সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা দেওয়ার ক...
- বিহার বিধানসভার নির্বাচনে দ্বিতীয়দফায়ভোট গ্রহণ
- সরকার গঠন বাধাগ্রস্ত করতেই এ সময় এটি করেছে উইকিলিক...
- জনপ্রিয়তা উদ্ধারের চেষ্টা সারকোজির বিক্ষোভ থামার ই...
- টেস্টেও উইলিয়ামসন-বেনেট
- লিভারপুলে স্বস্তি আনলেন তোরেস
- আতশ কাচের নিচে রায়না
- অস্ট্রেলিয়ার বোলিং কোচ প্রসাদ?
- টেন্ডুলকারের ব্যাট
- রিয়ালের ছয়ে রোনালদোর চার
- ব্রাদার্সের বিদায়, ফাইনালে আবাহনী
- আবাহনী বনাম এভারটন?
- যৌথ বাহিনী প্রত্যাহারের দাবিতে কলকাতায় মমতার মিছিল
- কিশোর ফিচার- 'আকাশছোয়াঁ টাওয়ার ‘বুর্জ খলিফা’ by জ...
- গল্প- 'ঘোস্ট হাউজ অপারেশন' by আব্দুল্লাহ আল নোমান
- আলোচনা- 'মহানবীর (সা): আদর্শ জীবন' by অধ্যাপক মুহম...
- ভ্রমণ- 'মাধবপুর লেক ভ্রমণে' by খালেদ আহমদ শিমুল
- স্বাস্থ্য আলোচনা- 'সুস্থতার জন্য হাসি' by আবু হেনা...
- বিজ্ঞান আলোচনা- 'মহাকাশের পড়শিরা' by মো: সাইফুল ইসলাম
- বিজ্ঞান আলোচনা- 'পরিবেশবান্ধব হাইব্রিড কার' by সাক...
-
▼
Oct 26
(27)
-
▼
October
(964)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
মুসলিম
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment