কাতার দখলে সৌদি-আমিরাত পরিকল্পনা!

অবরোধ আরোপের সময় কাতার দখলের উদ্দেশ্য ছিল সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের। গত শুক্রবার এমন অভিযোগ করেছেন কাতারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন মোহাম্মদ আল আতিয়াহ। ওয়াশিংটন পোস্টকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে কাতারি মন্ত্রী বলেন, তাদের উপসাগরীয় ওই দুটি প্রতিবেশী দেশ কাতারকে অস্থিতিশীল করতে সব ধরনের চেষ্টা করেছে।
তবে তাদের উদ্দেশ্য ব্যর্থ করে দিয়েছে কাতার। আল আতিয়াহ বলেন, তাদের উদ্দেশ্য ছিল কাতারে সামরিক হস্তক্ষেপ। এখনো এ ধরনের কোনো হুমকি আছে কি না সে বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাকৃতিক সম্পদে পূর্ণ ছোট্ট দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, আমরা সে উদ্দেশ্য ব্যর্থ করে দিয়েছি। তবে সঙ্কটের শুরুতে তাদের এমন উদ্দেশ্যই ছিল। তারা উপজাতীয়দের উত্তেজিত করতে উসকানি দিয়েছে। মসজিদগুলোকে আমাদের সরকারের বিরুদ্ধে ব্যবহারের চেষ্টা করেছে। আমাদের নেতাদের সরিয়ে সেখানে কিছু পুতুল নেতাকে বসাতে চেয়েছিল ওই দুটি দেশ। কাতারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত হামলার যে ছক করেছিল তাতেই হিসাবে ভুল ছিল। গত বছরের ৫ জুন হঠাৎ করেই কাতারের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দেয় সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিসর। সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ এনে দেশটির সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন ও সব অবরোধও আরোপ করা হয়। সমুদ্র, স্থল ও আকাশপথে পণ্য আনা-নেয়া বন্ধ করে দেয়া হলে চরম সঙ্কটে পড়ে দেশটি। যদিও পরবর্তীতে ইরান ও তুরস্কের সহযোগিতায় সেই সঙ্কট ভালোভাবেই মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছে তারা।