Monday, December 7, 2015
রুশ-তুরস্ক উত্তেজনায় আরেক পারমাণবিক বিশ্বযুদ্ধ আসন্ন? by মাসুম খলিলী
রুশ-তুরস্ক উত্তেজনায় আরেক পারমাণবিক বিশ্বযুদ্ধ আসন্ন? by মাসুম খলিলী
Monday, December 07, 2015
Anonymous
আলোচনা,
উপ-সম্পাদকীয়,
তুরস্ক,
নয়া দিগন্ত,
মতামত,
রাশিয়া,
সিরিয়া
সিরিয়ায়
রাশিয়ার সামরিক অভিযানের জের ধরে তুরস্কের আকাশসীমা লঙ্ঘন এবং তুর্কি
আঘাতে রুশ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে পারমাণবিক
যুদ্ধের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। ইতোমধ্যে রুশ শীর্ষ রাজনীতিবিদ ঝিরিনস্কি
পারমাণবিক বোমা ফেলে ইস্তাম্বুলের ৯০ লাখ মানুষ হত্যার আহ্বান জানিয়েছেন
প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতি। ভ্লাদিমির ঝিরিনভস্কি বলেছেন, একটি
পারমাণবিক আক্রমণ খুব সহজেই ইস্তাম্বুুল ধ্বংস করে দিতে পারে। ইস্তাম্বুল
প্রণালীতে শুধু একটি পরমাণু বোমা ফেলে দিলে তাতে ১০ থেকে ১৫ মিটার পর্যন্ত
সুনামি হয়ে ইস্তাম্বুলের ৯০ লাখ মানুষকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে। ঝিরিনভস্কি
রাশিয়ার এক নম্বর শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তুরস্ককে। রাশিয়ার শীর্ষ
নিরাপত্তা বিশ্লেষক পাভেল ফেলজেনহাউয়ার তুরস্কের রুশ জঙ্গিবিমান ভূপাতিত
করার ঘটনায় পারমাণবিক যুদ্ধ সৃষ্টির আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে বলেছেন,
গতানুগতিক যুদ্ধে রাশিয়া ন্যাটোর সাথে পেরে উঠবে না। ফলে মস্কোর জন্য
পারমাণবিক যুদ্ধ শুরুর কোনো বিকল্প থাকবে না। তুরস্ক ন্যাটোর পঞ্চম ধারা
দ্বারা সমর্থন পাওয়া সত্ত্বেও খুব সম্ভবত রাশিয়া যুদ্ধবিমান ধ্বংসের ঘটনায়
একটি পারমাণবিক যুদ্ধ শুরু করবে। ফেলজেনহাউয়ার মন্তব্যটি এ রকম- ‘সম্ভবত
একটা যুদ্ধ হবে। অন্য কথায়, রাশিয়ান বোমারু বিমান রক্ষার জন্য রুশ বিমান
যখন তুর্কি বিমানে আঘাত করবে তখন সঙ্ঘাত আরো বিস্তৃত হবে। এটা সমুদ্রে
রাশিয়ান এবং তুর্কি নৌবহরের মধ্যে সঙ্ঘাত সৃষ্টি করতে পারে।’
পারমাণবিক যুদ্ধের ভয়াবহতা ও বিভীষিকা কী হতে পারে এ বিষয়ে কারো অজানা থাকার কথা নয়। কিন্তু এরপরও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে এমন এক অচলাবস্থার দিকে এগিয়ে নেয়া হচ্ছে, যার পরিণতি যেন হতে চলেছে পারমাণবিক সঙ্ঘাত। তুরস্ক ও রাশিয়ার মধ্যকার যুদ্ধ বা সঙ্ঘাত সেই জার ও উসমানিয়া শাসন আমলে বারবার দেখা গেলেও এখন প্রেক্ষিত সম্পূর্ণ ভিন্ন। তুরস্ক এখন আর পরাশক্তি নয়। কিন্তু তুরস্ক সোভিয়েত ইউনিয়নবিরোধী সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য দেশ। ন্যাটো চুক্তির পাঁচ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুসারে এই নিরাপত্তা জোটের একটি সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে অন্য সব দেশ আক্রান্ত হয়েছে বলে গণ্য করা হবে। এ ধারা অনুসারে নাইন-ইলেভেনের পর আফগানিস্তানে তালেবান সরকারের পতন ঘটাতে ন্যাটোর সব মিত্র দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ায়। চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়ার যেকোনো আক্রমণে দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক সদস্য দেশ তুরস্কের পাশে থাকার কথা ন্যাটোর। ইতোমধ্যে রুশ জঙ্গিবিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় ন্যাটো আনুষ্ঠানিকভাবে রুশ বিমানের তুর্কি আকাশসীমা লঙ্ঘনের স্বীকৃতি দিয়ে বলেছে, ন্যাটোর সদস্য দেশটির নিজ আকাশসীমার নিরাপত্তা রক্ষার অধিকার রয়েছে।
পারমাণবিক যুদ্ধের ভয়াবহতা ও বিভীষিকা কী হতে পারে এ বিষয়ে কারো অজানা থাকার কথা নয়। কিন্তু এরপরও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিকে এমন এক অচলাবস্থার দিকে এগিয়ে নেয়া হচ্ছে, যার পরিণতি যেন হতে চলেছে পারমাণবিক সঙ্ঘাত। তুরস্ক ও রাশিয়ার মধ্যকার যুদ্ধ বা সঙ্ঘাত সেই জার ও উসমানিয়া শাসন আমলে বারবার দেখা গেলেও এখন প্রেক্ষিত সম্পূর্ণ ভিন্ন। তুরস্ক এখন আর পরাশক্তি নয়। কিন্তু তুরস্ক সোভিয়েত ইউনিয়নবিরোধী সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য দেশ। ন্যাটো চুক্তির পাঁচ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুসারে এই নিরাপত্তা জোটের একটি সদস্য দেশ আক্রান্ত হলে অন্য সব দেশ আক্রান্ত হয়েছে বলে গণ্য করা হবে। এ ধারা অনুসারে নাইন-ইলেভেনের পর আফগানিস্তানে তালেবান সরকারের পতন ঘটাতে ন্যাটোর সব মিত্র দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়ায়। চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়ার যেকোনো আক্রমণে দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক সদস্য দেশ তুরস্কের পাশে থাকার কথা ন্যাটোর। ইতোমধ্যে রুশ জঙ্গিবিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় ন্যাটো আনুষ্ঠানিকভাবে রুশ বিমানের তুর্কি আকাশসীমা লঙ্ঘনের স্বীকৃতি দিয়ে বলেছে, ন্যাটোর সদস্য দেশটির নিজ আকাশসীমার নিরাপত্তা রক্ষার অধিকার রয়েছে।
কৌশলগত টানাপড়েন
রাশিয়ার সাথে প্রতিবেশী তুরস্কের সম্পর্ক গত দেড় দশকে ক্রমেই ঘনিষ্ঠ থেকে ঘনিষ্ঠতর হয়েছে। আঙ্কারা রাশিয়ান গ্যাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা। রুশ পর্যটকদের একটি বড় সংখ্যা প্রতি বছর তুরস্ক ভ্রমণ করে। এ দুই দেশের এক দেশের নাগরিকদের অন্য দেশ ভ্রমণের জন্য ভিসার প্রয়োজন হয় না। দুই দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের অঙ্কও ক্রমেই বাড়ছিল। এ অবস্থার মধ্যে টানাপড়েন সৃষ্টি হয় সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদবিরোধী বিদ্রোহকে কেন্দ্র করে। রাশিয়ার একমাত্র উষ্ণ পানির নৌঘাঁটির অবস্থান সিরিয়ার লাতাকিয়ায়। সোভিয়েত আমল থেকেই রুশ নিরাপত্তা ও প্রভাব বিস্তারের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে এটি বিবেচিত হয়ে আসছিল। বাশারের পতন ঘটলে এ ঘাঁটির স্থায়িত্ব হুমকির মধ্যে পড়তে পারে। ফলে যখনই বাশার আল আসাদের পতন ঘটার মতো অবস্থা দেখা দিয়েছে, তখন রাশিয়া বর্ধিত সামরিক সহায়তা দিয়েছে দামেশককে।
সর্বশেষ বাশারবিরোধী আন নুসরা ফ্রন্ট রাজধানী দামেস্কের চার পাশে চলে এলে বাশার প্রশাসনের টিকে থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। ইরানের আল কুদস বিশেষ বাহিনী ও হিজবুল্লাহর প্রত্যক্ষ যুদ্ধে অংশগ্রহণের পরও দামেস্কে আসাদের পতন ঘটার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়। অন্য দিকে, আমেরিকান নেতৃত্বাধীন আইএসবিরোধী কোয়ালিশনের হাঁকডাক যতই শোনা যাক না কেন, আইসিসের শক্তি ক্রমেই বিস্তৃত হতে থাকে। এ পরিস্থিতিতে রাশিয়া সিরিয়ায় তার ঘাঁটি ও অন্যান্য স্বার্থ রক্ষার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে প্রত্যক্ষভাবে।
সিরিয়ায় রাশিয়ার সর্বাত্মক সামরিক হস্তক্ষেপ যে তুরস্কের সাথে সম্পর্কে একটি বৈরী পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে তা হিসাব-নিকাশের বাইরে থাকার কথা নয়। কিন্তু রাশিয়া ক্রিমিয়া দখল ও ইউক্রেনের প্রক্সি যুদ্ধে রুশ বংশোদ্ভূূত সংখ্যাগুরু অঞ্চলে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার পর যে অর্থনৈতিক অবরোধের মুখে পড়ে, তা থেকে উত্তরণে আগ্রাসী ভূমিকা নেয়ার হয়তোবা প্রয়োজন দেখা দেয়।
ইউক্রেনের পরিবর্তে সিরিয়াকে প্রক্সিযুদ্ধের জন্য বেছে নেয়ার মধ্যে অবশ্য কৌশলগত বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে রাশিয়ার। প্রথমত এই সঙ্ঘাতে আঞ্চলিক শক্তি ইরানের সর্বাত্মক সমর্থন লাভ করবে মস্কো। দ্বিতীয়ত তুরস্ক ন্যাটোভুক্ত দেশ হলেও আঙ্কারার কিছু ভারসাম্যমূলক স্বাধীন নীতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অনেক দেশের পছন্দ নয়। ক্রিমিয়া দখলের পর রাশিয়ার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধের অংশ হতে তুরস্ক অস্বীকৃতি জানায়। ফলে তুরস্ককে ন্যাটো মিত্ররা সমর্থন দিলেও এই সমর্থন নিরঙ্কুশ হবে না। বিশেষত ফ্রান্স প্যারিসে হামলার আগে ও পরে মধ্যপ্রাচ্যে সার্বিকভাবে ইসলামিক শক্তির প্রতি বৈরী মনোভাবের পরিচয় দেয়। তৃতীয়ত তুরস্কের একেপির উত্থানকে ইউরোপের অনেক দেশই উৎকণ্ঠার সাথে দেখছে। ইকোনমিস্টসহ প্রভাবশালী বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম এরদোগান শাসনকে তুর্কি সালতানাতের নব্য সংস্করণ হিসেবে চিহ্নিত করতে চেয়েছে। তুরস্কের সাথে সঙ্ঘাতে জড়ালেও ইউরোপ আঙ্কারার পক্ষে সেভাবে নাও জড়াতে পারে। চতুর্থত বসফরাস প্রণালীতে রুশ জাহাজের আনাগোনার জন্য উন্মুক্ত রাখা মস্কোর স্বার্থের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আইএস ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার এই অঞ্চলে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে পারলে আঙ্কারা বসফরাস বন্ধ করার বিষয়টি সহজে ভাববে না।
সঙ্ঘাতে দুই দেশের অর্থনৈতিক ঝুঁকি
তুরস্কের সাথে সঙ্ঘাতে নেমে রাশিয়াও কম ঝুঁকি নেয়নি। রাশিয়ার ওপর যেমন তুরস্কের অর্থনীতির বিকাশ খানিকটা নির্ভর করে, তেমনিভাবে রাশিয়ার জ্বালানির বাজার বেশ খানিকটা তুরস্কনির্ভর। গ্যাস পাইপলাইন ও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বেশ কিছু বিনিয়োগ প্রকল্প রয়েছে দুই দেশের। ইতোমধ্যে এসব প্রকল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। রাশিয়াও সিরিয়ার যুদ্ধ অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানে নেই। এককভাবে ইরান রাশিয়ার অবস্থানকে ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারবে না।
রাশিয়া তুরস্কের সাথে সম্পর্কচ্ছেদের ব্যাপারে নানা পদক্ষেপের কথা বললেও একাধিক কারণে দুই দেশের মধ্যে এই সম্পর্কচ্ছেদ বেশ বিরূপ হয়ে উঠতে পারে। প্রথমত, বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে রাশিয়ার বন্ধুর সংখ্যা একেবারে সীমিত। দেশটির সীমিত কয়েকটি মিত্র দেশের মধ্যে একটি ছিল তুরস্ক। ইউক্রেন ইস্যুতে ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশের অর্থনৈতিক অবরোধে তুরস্ক অংশ নেয়নি। দেশটি ২০২০ সালের মধ্যে রাশিয়ার সাথে বাণিজ্য তিন গুণ করে ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করেছে। বর্তমান উত্তেজনা দুই দেশের এই সম্পর্কে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। রাশিয়া তুরস্ক থেকে খাদ্য ও কৃষিপণ্য আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপের কথা বলেছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ সংস্থা বলেছে, তারা তুরস্কের কাপড় ফার্নিচার শোধন সামগ্রীর গুণগত মান নিয়ে উদ্বিগ্ন।
দ্বিতীয়ত কৌশলগত জ্বালানি সংযোগ দুই দেশের সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। মাত্র এক বছর আগে দুই দেশ কৌশলগত একাধিক জ্বালানি চুক্তি সম্পাদন করেছে। রাশিয়ান গ্যাস তুরস্কে নিয়ে গিয়ে সেখান থেকে ইউরোপে নেয়ার জন্য একটি নতুন পাইপলাইন প্রকল্প ‘টার্কিশ স্ট্রিম প্রজেক্ট’-এর মধ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ পাইপলাইন দিয়ে ইউক্রেনের ওপর দিয়ে যে সাউথ স্ট্রিম প্রজেক্ট রয়েছে, তার বিকল্প হিসেবে রাশিয়ান গ্যাস ইউরোপে নেয়ার পরিকল্পনা ছিল। জার্মানির পরে তুরস্ক রাশিয়ার বড় গ্যাস ক্রেতা। রাশিয়া একই সাথে তুরস্কের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রও নির্মাণ করছে। গত এপ্রিলে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে এবং আগামী ২০২০ সালে এটি শেষ হওয়ার কথা। ২২ বিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্পে রাশিয়ার অর্থায়ন, নির্মাণ এবং এরপর পরিচালনা করার কথা। এই উভয় প্রকল্পই এখন অবরোধের মধ্যে রয়েছে বলে রুশ অর্থমন্ত্রী অ্যালেক্সি উলিয়াকায়েভ উল্লেখ করেছেন।
তৃতীয়ত তুরস্কের জন্য রাশিয়ান পর্যটকপ্রবাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৪ সালে ৪৫ লাখ রুশ পর্যটক তুরস্কে গেছে। সরকারি ডেটা অনুযায়ী তুরস্কের মোট পর্যটকের ১২ শতাংশ হলো রাশিয়ান। তুরস্ক ভ্রমণকারীদের মধ্যে জার্মানির পরেই রাশিয়ানদের স্থান। পুতিন রুশদের তুরস্কে না যাওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। রাশিয়ান টুরিজম এজেন্সিগুলোকে তুরস্কে ভ্রমণের প্যাকেজ বিক্রি না করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। শারম আল শেখের বিমান দুর্ঘটনার পর মিসরে রাশিয়ান পর্যটক যাত্রা বন্ধ হওয়ার ফলে তুরস্কে ব্যাপক হারে রাশিয়ান পর্যটক ভ্রমণ শুরু হয়েছিল। এখন আর সে চিত্র নেই।
চতুর্র্থত রাশিয়া ও তুরস্ক- দুই দেশই এখন বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে পড়েছে। এ সময় সঙ্কট উত্তরণের জন্য প্রয়োজন ছিল একে অন্যের সহযোগিতা বাড়ানো। তেলের দাম কমে যাওয়া এবং পশ্চিমা অবরোধের কারণে রাশিয়ান জিডিপি ৩.৮ শতাংশ সঙ্কুচিত হয়েছে। আর ২০১৬ সালে আরো ০.৬ শতাংশ সঙ্কুচিত হবে বলে প্রক্ষেপণ করা হয়েছে। তুরস্কের অর্থনীতির অবস্থাও ভালো নয়। তুরস্কের এবারের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩.১ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে ৩.৮ শতাংশ হবে বলে উল্লেখ করা হচ্ছে। এটি ২০১০ ও ২০১১ এর ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধির তুলনায় বেশ কম। ডলারের বিপরীতে তুর্কি লিরার মূল্য এর মধ্যে ২০ ভাগ কমে গেছে। এটি তুরস্কের ১২৫ বিলিয়ন ডলার বিদেশী ঋণের দায়কে স্থানীয় মুদ্রায় অনেক বাড়িয়ে দেবে।
রাশিয়ার মিত্র জোগাড়ের চেষ্টা?
একাধিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক ন্যাটোর সাথে রাশিয়ার আসন্ন যুদ্ধের আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেছেন। মস্কো ইতোমধ্যে ন্যাটো ও এর মিত্রশক্তির মোকাবেলা করতে পারমাণবিক স্থাপনা বিন্যাসের কাজ শুরু করেছে বলেও উল্লেখ করা হচ্ছে। একই সাথে দেশটি অন্য পারমাণবিক শক্তিগুলোর সাথে বিশেষ বন্ধন তৈরিরও চেষ্টা করছে। চীনের পাশাপাশি পাকিস্তানের সাথে সামরিক সম্পর্ক জোরদার করতে মস্কো একটি ব্যাপকভিত্তিক সামরিক সহায়তা চুক্তি করেছে ইসলামাবাদের সাথে। গত সপ্তাহে মস্কো ও ইসলামাবাদের এই সামরিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের পর রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোয়াইগো বলেছেন, বিশ্ব সম্প্রদায় এখন পাকিস্তানের সঙ্গে ব্যবসা করতে চায়। প্রাথমিকভাবে ভারত রাশিয়ার বলয় থেকে ক্রমেই আমেরিকামুখী হওয়ার প্রতিক্রিয়া হিসেবে এটি ঘটছে বলে উল্লেখ করা হলেও এর সাথে বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির যোগসূত্র থাকতে পারে। ইতোমধ্যে ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় রাশিয়া সামরিক সরবরাহে পিছিয়ে পড়েছে। অচিরেই এটি যে শূন্যের কাছাকাছি চলে আসবে তা এক প্রকার নিশ্চিতভাবে বলা যায়।
রাশিয়া, চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি ত্রিভুজ পরাশক্তি অক্ষের উত্থান ঘটার ব্যাপারে বিশ্ব মিডিয়ায় নিয়মিত রিপোর্ট প্রকাশ হচ্ছে। ইতোমধ্যে এ ধরনের পরাশক্তি অক্ষের গঠনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। ব্লুমবার্গ পত্রিকা ইতার-তাসকে উদ্ধৃত করে বলেছে, রাশিয়া ও পাকিস্তান ইতোমধ্যেই সন্ত্রাসবাদবিরোধী সহযোগিতার অংশ হিসেবে আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা আনতে বন্দরে সামরিক জাহাজ আনাগোনা বৃদ্ধি করেছে। রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের গত সপ্তাহে বৈঠককালে দুই দেশের মধ্যে ৫৪ কোটি ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যকে আরো বাড়ানোর ব্যাপারে ঐকমত্য হয়। বেইজিং ও মস্কো উভয়ে তাদের স্বার্থের প্রতি ওয়াশিংটনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে। বিশ্বব্যাপী আমেরিকান আধিপত্য বন্ধ করার স্বার্থে তাদের অভিন্ন অবস্থান গ্রহণ বলে মনে করা হচ্ছে। অন্য দিকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পাকিস্তানের উল্লেখযোগ্য কোনো মতবিরোধ দেখা যায় না। তবে ভারতের সাথে ওয়াশিংটনের কৌশলগত সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা এবং নিজস্ব অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য চীনা এবং রাশিয়ান প্রভাববলয়কে পাকিস্তান এখন নিরাপদ মনে করছে। আর সিরিয়া থেকে ইরাক ইরান আফগানিস্তান হয়ে পাকিস্তান পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় মিত্রবলয় তৈরির প্রতি দৃষ্টি রয়েছে ক্রেমলিনের।
নতুন উত্তেজনায় বহুমুখী প্রভাব?
রাশিয়ার জঙ্গিবিমান গুলি করে ধ্বংস করার ঘটনার পর তুরস্কের সাথে সম্পর্কে যে নতুন উত্তেজনা দেখা দিয়েছে, তার সুদূরপ্রসারী প্রভাব অনলগর্ভ মধ্যপ্রাচ্যের বহুমুখী সঙ্ঘাতে নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে সিরীয় সঙ্কটের রাজনৈতিক সমাধানের যে কিছুটা সম্ভাবনা দেখা গিয়েছিল, সেটিও অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। রাশিয়ার জঙ্গিবিমান ভূপাতিত করার ঘটনাকে পুতিন যে কতটা মারাত্মকভাবে নিয়েছেন, তা স্পষ্ট হয় তার প্রতিক্রিয়া দেখানোকে সামনে রাখলে। এটাকে কেন্দ্র করে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যাভরভের আঙ্কারা সফর বাতিল ঘোষণা করা হয় শুরুতে। রুশ বিমান ভূপাতিত করার ঘটনাকে পিঠে ছুরিকাঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছেন পুতিন। একই সাথে তুরস্কের সাথে সব ধরনের সম্পর্ককে নতুন করে মূল্যায়ন করার ঘোষণাও দিয়েছেন। তিনি এমন কথাও বলেছেন, তুরস্কের বর্তমান নেতৃত্বের ইসলামীকরণের চেষ্টা তার জন্য বিরক্তিকর। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত হয় তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগানের পক্ষ থেকে। তিনি ৯৯ শতাংশ মুসলিমের দেশে ইসলামীকরণের অভিযোগকে ঔদ্ধত্য হিসেবে বর্ণনা করেন। সিরিয়ার যে প্রেসিডেন্ট তিন লাখ ৮০ হাজার মানুষের হত্যার জন্য দায়ী, তার পক্ষ সমর্থনকে সন্ত্রাসের সহযোগিতা হিসেবে মূল্যায়ন করেন।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান রাশিয়া সফর করার দুই দিনের মাথায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সিরিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ করে বসেন। এই হস্তক্ষেপের বিষয় এরদোগানের সাথে আলোচনায় এসেছিল বলে মনে হয়নি এ ঘটনায় তুরস্কের প্রতিক্রিয়া দেখে। সিরিয়ায় সামরিক হামলার পর রুশ জঙ্গিবিমান একাধিকবার তুর্কি আকাশসীমা লঙ্ঘন করে। এসব ঘটনার কোনো কোনোটি অনিচ্ছাকৃত মনে হলেও কিছু ঘটনা আঙ্কারাকে বার্তা দেয়ার জন্য বলে মনে হয়েছে। তুরস্ক বলেছে, সর্বশেষ দফা আকাশসীমা লঙ্ঘনের পর তুর্কি বিমান থেকে পাঁচ মিনিট ধরে ১০ বার সতর্কবাণী উচ্চারণ করার পর রুশ বিমানে গুলি করা হয়েছে। মস্কোর বক্তব্য হলো রুশ বিমানটি আদৌ তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশ করেনি। পরে বিমানটির গতি পথের এক মানচিত্রে দেখা যায় বিমানটি স্বল্পসময়ের জন্য তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল। তবে গুলি বা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে এটি ধ্বংস হওয়ার পর সিরিয়ার ভূ-সীমায় এটি পতিত হয়েছে।
সিরিয়া ১৫১৬ সাল থেকে ছিল তুর্কি খেলাফতের অধীনে, উসমানিয়া সাম্রাজ্য ভেঙে যাওয়ার আগে পর্যন্ত সেভাবেই ছিল। ‘তুর্কম্যান’ বিদ্রোহীদের ওপর বোমা বর্ষণ করার সময় যে রুশ সু-২৪ বিমানটি ভূপাতিত করা হয়েছে, তারা জাতিগতভাবে তুর্কি। ১৯২১ সালের চুক্তির আলোকে সীমান্ত আরোপ করার সময় এই তুর্কিরা তুরস্ক সীমান্তের বাইরে পড়ে যায়। দীর্ঘ দিন আগে কেটে বাদ দেয়া হলেও সাবেক সাম্রাজ্যগুলো তাদের অদ্ভুত মানসিক কারণে এখনো মনে করে, ওইসব এলাকায় হস্তক্ষেপ করার তাদের বিশেষ অধিকার রয়েছে। পুতিন বলছেন, তিনি তুর্কমেন পর্বতমালায় ইসলামিক স্টেটের ওপর বোমা ফেলছে, যদিও সেখানে বা তার কাছাকাছি কোনো এলাকাতেও ইসলামিক স্টেট বাহিনীর কোনো উপস্থিতির রেকর্ড নেই। তারা হলো আসাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেয়া তুরস্ক সমর্থিত মধ্যপন্থী বিদ্রোহী।
এরদোগানের লক্ষ্যগুলোর একটি ক্রেমলিনের কাছেও পরিচিত। এটি হলো রাশিয়ার সাথে অভিন্ন কৌশল গ্রহণে সমঝোতায় আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও অন্যান্য দেশকে বেশ জোরালোভাবে দেখানো যে, তুরস্কের স্বার্থ পুরোপুরি বিবেচনায় না নেয়া হলে সিরিয়ায় কোনো সমাধানই ফলপ্রসূ হবে না। তুর্কি স্বার্থগুলোর মধ্যে রয়েছে, আসাদের সাথে সমাঝোতা হলে যাতে তুর্কম্যানই হোক আর আরবই হোক, কোনো সুন্নি শক্তিকে ধ্বংস করা না হয়। রাশিয়ার জন্য সঠিক কাজ হতে পারে এটা স্বীকার করে নেয়া যে, সে তুর্কি স্পর্শকাতরতাকে দেশটি যথাযথভাবে মূল্যায়ন করেনি। পুতিনের অনেক বৈরী প্রতিবেশী যেমন রয়েছে তেমন আছে সাবেক মিত্রও। কিন্তু আরো অগ্রসর হওয়ার প্রলোভনও রয়েছে তার সামনে। আবার হয়তো এরদোগানের হিসাবেও ভুল রয়েছে। অথবা রয়েছে ক্ষমতাধরদের কাছে তার অজ্ঞাত কোনো বাধ্যবাধকতা। এটি অনস্বীকার্য যে, পুতিন ইউক্রেনে যতটা দুর্বল, এরদোগান সিরিয়ায় তার চেয়েও বেশি দুর্বল।
বর্তমানে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে রাশিয়া অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করতে যাচ্ছে, উত্তর সিরিয়ায় বিমানবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা মোতায়েন করতে যাচ্ছে, তুর্কমেন পর্বতমালায় বোমাবর্ষণ দ্বিগুণ করতে যাচ্ছে। এ অবস্থায় এরদোগানের করণীয় নানা কারণে ঝুঁকিপূর্ণ। রাশিয়ার সাথে এরদোগানের অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে অনেক পশ্চিমা মিত্র ভালোভাবে নেয়নি। এ জন্য এরদোগানকে নানাভাবে চাপে রাখতে চেয়েছে তারা। জুনের নির্বাচনে তার বিপর্যয়কর ফলাফল এবং সিরিয়ায় রাশিয়ান হস্তক্ষেপকে গোপনে অনুমোদন করার যে অভিযোগ আমেরিকার ব্যাপারে উঠছে, সেটি সঠিক হলে এরদোগানকে রাশিয়ার মুখোমুখি করে রাখার একটি প্রচেষ্টা অন্তরালে সক্রিয় থাকতে পারে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য পরিণামদর্শী নীতি দুই দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যা এখনো সেভাবে দেখা যাচ্ছে না। তা না হলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধপরিস্থতি আরো ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। যার জের ধরে যে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা বলা হচ্ছে সেটিও অসম্ভব নয়।
mrkmmb@gmail.com
রাশিয়ার সাথে প্রতিবেশী তুরস্কের সম্পর্ক গত দেড় দশকে ক্রমেই ঘনিষ্ঠ থেকে ঘনিষ্ঠতর হয়েছে। আঙ্কারা রাশিয়ান গ্যাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রেতা। রুশ পর্যটকদের একটি বড় সংখ্যা প্রতি বছর তুরস্ক ভ্রমণ করে। এ দুই দেশের এক দেশের নাগরিকদের অন্য দেশ ভ্রমণের জন্য ভিসার প্রয়োজন হয় না। দুই দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের অঙ্কও ক্রমেই বাড়ছিল। এ অবস্থার মধ্যে টানাপড়েন সৃষ্টি হয় সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদবিরোধী বিদ্রোহকে কেন্দ্র করে। রাশিয়ার একমাত্র উষ্ণ পানির নৌঘাঁটির অবস্থান সিরিয়ার লাতাকিয়ায়। সোভিয়েত আমল থেকেই রুশ নিরাপত্তা ও প্রভাব বিস্তারের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে এটি বিবেচিত হয়ে আসছিল। বাশারের পতন ঘটলে এ ঘাঁটির স্থায়িত্ব হুমকির মধ্যে পড়তে পারে। ফলে যখনই বাশার আল আসাদের পতন ঘটার মতো অবস্থা দেখা দিয়েছে, তখন রাশিয়া বর্ধিত সামরিক সহায়তা দিয়েছে দামেশককে।
সর্বশেষ বাশারবিরোধী আন নুসরা ফ্রন্ট রাজধানী দামেস্কের চার পাশে চলে এলে বাশার প্রশাসনের টিকে থাকা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। ইরানের আল কুদস বিশেষ বাহিনী ও হিজবুল্লাহর প্রত্যক্ষ যুদ্ধে অংশগ্রহণের পরও দামেস্কে আসাদের পতন ঘটার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়। অন্য দিকে, আমেরিকান নেতৃত্বাধীন আইএসবিরোধী কোয়ালিশনের হাঁকডাক যতই শোনা যাক না কেন, আইসিসের শক্তি ক্রমেই বিস্তৃত হতে থাকে। এ পরিস্থিতিতে রাশিয়া সিরিয়ায় তার ঘাঁটি ও অন্যান্য স্বার্থ রক্ষার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে প্রত্যক্ষভাবে।
সিরিয়ায় রাশিয়ার সর্বাত্মক সামরিক হস্তক্ষেপ যে তুরস্কের সাথে সম্পর্কে একটি বৈরী পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে তা হিসাব-নিকাশের বাইরে থাকার কথা নয়। কিন্তু রাশিয়া ক্রিমিয়া দখল ও ইউক্রেনের প্রক্সি যুদ্ধে রুশ বংশোদ্ভূূত সংখ্যাগুরু অঞ্চলে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার পর যে অর্থনৈতিক অবরোধের মুখে পড়ে, তা থেকে উত্তরণে আগ্রাসী ভূমিকা নেয়ার হয়তোবা প্রয়োজন দেখা দেয়।
ইউক্রেনের পরিবর্তে সিরিয়াকে প্রক্সিযুদ্ধের জন্য বেছে নেয়ার মধ্যে অবশ্য কৌশলগত বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে রাশিয়ার। প্রথমত এই সঙ্ঘাতে আঞ্চলিক শক্তি ইরানের সর্বাত্মক সমর্থন লাভ করবে মস্কো। দ্বিতীয়ত তুরস্ক ন্যাটোভুক্ত দেশ হলেও আঙ্কারার কিছু ভারসাম্যমূলক স্বাধীন নীতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অনেক দেশের পছন্দ নয়। ক্রিমিয়া দখলের পর রাশিয়ার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক অবরোধের অংশ হতে তুরস্ক অস্বীকৃতি জানায়। ফলে তুরস্ককে ন্যাটো মিত্ররা সমর্থন দিলেও এই সমর্থন নিরঙ্কুশ হবে না। বিশেষত ফ্রান্স প্যারিসে হামলার আগে ও পরে মধ্যপ্রাচ্যে সার্বিকভাবে ইসলামিক শক্তির প্রতি বৈরী মনোভাবের পরিচয় দেয়। তৃতীয়ত তুরস্কের একেপির উত্থানকে ইউরোপের অনেক দেশই উৎকণ্ঠার সাথে দেখছে। ইকোনমিস্টসহ প্রভাবশালী বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম এরদোগান শাসনকে তুর্কি সালতানাতের নব্য সংস্করণ হিসেবে চিহ্নিত করতে চেয়েছে। তুরস্কের সাথে সঙ্ঘাতে জড়ালেও ইউরোপ আঙ্কারার পক্ষে সেভাবে নাও জড়াতে পারে। চতুর্থত বসফরাস প্রণালীতে রুশ জাহাজের আনাগোনার জন্য উন্মুক্ত রাখা মস্কোর স্বার্থের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আইএস ইস্যুকে কেন্দ্র করে রাশিয়ার এই অঞ্চলে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে পারলে আঙ্কারা বসফরাস বন্ধ করার বিষয়টি সহজে ভাববে না।
সঙ্ঘাতে দুই দেশের অর্থনৈতিক ঝুঁকি
তুরস্কের সাথে সঙ্ঘাতে নেমে রাশিয়াও কম ঝুঁকি নেয়নি। রাশিয়ার ওপর যেমন তুরস্কের অর্থনীতির বিকাশ খানিকটা নির্ভর করে, তেমনিভাবে রাশিয়ার জ্বালানির বাজার বেশ খানিকটা তুরস্কনির্ভর। গ্যাস পাইপলাইন ও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বেশ কিছু বিনিয়োগ প্রকল্প রয়েছে দুই দেশের। ইতোমধ্যে এসব প্রকল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। রাশিয়াও সিরিয়ার যুদ্ধ অব্যাহতভাবে চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানে নেই। এককভাবে ইরান রাশিয়ার অবস্থানকে ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারবে না।
রাশিয়া তুরস্কের সাথে সম্পর্কচ্ছেদের ব্যাপারে নানা পদক্ষেপের কথা বললেও একাধিক কারণে দুই দেশের মধ্যে এই সম্পর্কচ্ছেদ বেশ বিরূপ হয়ে উঠতে পারে। প্রথমত, বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে রাশিয়ার বন্ধুর সংখ্যা একেবারে সীমিত। দেশটির সীমিত কয়েকটি মিত্র দেশের মধ্যে একটি ছিল তুরস্ক। ইউক্রেন ইস্যুতে ইউরোপ, যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য পশ্চিমা দেশের অর্থনৈতিক অবরোধে তুরস্ক অংশ নেয়নি। দেশটি ২০২০ সালের মধ্যে রাশিয়ার সাথে বাণিজ্য তিন গুণ করে ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করেছে। বর্তমান উত্তেজনা দুই দেশের এই সম্পর্কে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। রাশিয়া তুরস্ক থেকে খাদ্য ও কৃষিপণ্য আমদানিতে কড়াকড়ি আরোপের কথা বলেছে। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ সংস্থা বলেছে, তারা তুরস্কের কাপড় ফার্নিচার শোধন সামগ্রীর গুণগত মান নিয়ে উদ্বিগ্ন।
দ্বিতীয়ত কৌশলগত জ্বালানি সংযোগ দুই দেশের সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। মাত্র এক বছর আগে দুই দেশ কৌশলগত একাধিক জ্বালানি চুক্তি সম্পাদন করেছে। রাশিয়ান গ্যাস তুরস্কে নিয়ে গিয়ে সেখান থেকে ইউরোপে নেয়ার জন্য একটি নতুন পাইপলাইন প্রকল্প ‘টার্কিশ স্ট্রিম প্রজেক্ট’-এর মধ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ পাইপলাইন দিয়ে ইউক্রেনের ওপর দিয়ে যে সাউথ স্ট্রিম প্রজেক্ট রয়েছে, তার বিকল্প হিসেবে রাশিয়ান গ্যাস ইউরোপে নেয়ার পরিকল্পনা ছিল। জার্মানির পরে তুরস্ক রাশিয়ার বড় গ্যাস ক্রেতা। রাশিয়া একই সাথে তুরস্কের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রও নির্মাণ করছে। গত এপ্রিলে এর নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে এবং আগামী ২০২০ সালে এটি শেষ হওয়ার কথা। ২২ বিলিয়ন ডলারের এই প্রকল্পে রাশিয়ার অর্থায়ন, নির্মাণ এবং এরপর পরিচালনা করার কথা। এই উভয় প্রকল্পই এখন অবরোধের মধ্যে রয়েছে বলে রুশ অর্থমন্ত্রী অ্যালেক্সি উলিয়াকায়েভ উল্লেখ করেছেন।
তৃতীয়ত তুরস্কের জন্য রাশিয়ান পর্যটকপ্রবাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৪ সালে ৪৫ লাখ রুশ পর্যটক তুরস্কে গেছে। সরকারি ডেটা অনুযায়ী তুরস্কের মোট পর্যটকের ১২ শতাংশ হলো রাশিয়ান। তুরস্ক ভ্রমণকারীদের মধ্যে জার্মানির পরেই রাশিয়ানদের স্থান। পুতিন রুশদের তুরস্কে না যাওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। রাশিয়ান টুরিজম এজেন্সিগুলোকে তুরস্কে ভ্রমণের প্যাকেজ বিক্রি না করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। শারম আল শেখের বিমান দুর্ঘটনার পর মিসরে রাশিয়ান পর্যটক যাত্রা বন্ধ হওয়ার ফলে তুরস্কে ব্যাপক হারে রাশিয়ান পর্যটক ভ্রমণ শুরু হয়েছিল। এখন আর সে চিত্র নেই।
চতুর্র্থত রাশিয়া ও তুরস্ক- দুই দেশই এখন বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে পড়েছে। এ সময় সঙ্কট উত্তরণের জন্য প্রয়োজন ছিল একে অন্যের সহযোগিতা বাড়ানো। তেলের দাম কমে যাওয়া এবং পশ্চিমা অবরোধের কারণে রাশিয়ান জিডিপি ৩.৮ শতাংশ সঙ্কুচিত হয়েছে। আর ২০১৬ সালে আরো ০.৬ শতাংশ সঙ্কুচিত হবে বলে প্রক্ষেপণ করা হয়েছে। তুরস্কের অর্থনীতির অবস্থাও ভালো নয়। তুরস্কের এবারের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৩.১ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে ৩.৮ শতাংশ হবে বলে উল্লেখ করা হচ্ছে। এটি ২০১০ ও ২০১১ এর ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধির তুলনায় বেশ কম। ডলারের বিপরীতে তুর্কি লিরার মূল্য এর মধ্যে ২০ ভাগ কমে গেছে। এটি তুরস্কের ১২৫ বিলিয়ন ডলার বিদেশী ঋণের দায়কে স্থানীয় মুদ্রায় অনেক বাড়িয়ে দেবে।
রাশিয়ার মিত্র জোগাড়ের চেষ্টা?
একাধিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক ন্যাটোর সাথে রাশিয়ার আসন্ন যুদ্ধের আশঙ্কার কথা ব্যক্ত করেছেন। মস্কো ইতোমধ্যে ন্যাটো ও এর মিত্রশক্তির মোকাবেলা করতে পারমাণবিক স্থাপনা বিন্যাসের কাজ শুরু করেছে বলেও উল্লেখ করা হচ্ছে। একই সাথে দেশটি অন্য পারমাণবিক শক্তিগুলোর সাথে বিশেষ বন্ধন তৈরিরও চেষ্টা করছে। চীনের পাশাপাশি পাকিস্তানের সাথে সামরিক সম্পর্ক জোরদার করতে মস্কো একটি ব্যাপকভিত্তিক সামরিক সহায়তা চুক্তি করেছে ইসলামাবাদের সাথে। গত সপ্তাহে মস্কো ও ইসলামাবাদের এই সামরিক সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষরের পর রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোয়াইগো বলেছেন, বিশ্ব সম্প্রদায় এখন পাকিস্তানের সঙ্গে ব্যবসা করতে চায়। প্রাথমিকভাবে ভারত রাশিয়ার বলয় থেকে ক্রমেই আমেরিকামুখী হওয়ার প্রতিক্রিয়া হিসেবে এটি ঘটছে বলে উল্লেখ করা হলেও এর সাথে বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির যোগসূত্র থাকতে পারে। ইতোমধ্যে ভারতে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় রাশিয়া সামরিক সরবরাহে পিছিয়ে পড়েছে। অচিরেই এটি যে শূন্যের কাছাকাছি চলে আসবে তা এক প্রকার নিশ্চিতভাবে বলা যায়।
রাশিয়া, চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি ত্রিভুজ পরাশক্তি অক্ষের উত্থান ঘটার ব্যাপারে বিশ্ব মিডিয়ায় নিয়মিত রিপোর্ট প্রকাশ হচ্ছে। ইতোমধ্যে এ ধরনের পরাশক্তি অক্ষের গঠনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। ব্লুমবার্গ পত্রিকা ইতার-তাসকে উদ্ধৃত করে বলেছে, রাশিয়া ও পাকিস্তান ইতোমধ্যেই সন্ত্রাসবাদবিরোধী সহযোগিতার অংশ হিসেবে আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা আনতে বন্দরে সামরিক জাহাজ আনাগোনা বৃদ্ধি করেছে। রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের গত সপ্তাহে বৈঠককালে দুই দেশের মধ্যে ৫৪ কোটি ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যকে আরো বাড়ানোর ব্যাপারে ঐকমত্য হয়। বেইজিং ও মস্কো উভয়ে তাদের স্বার্থের প্রতি ওয়াশিংটনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে। বিশ্বব্যাপী আমেরিকান আধিপত্য বন্ধ করার স্বার্থে তাদের অভিন্ন অবস্থান গ্রহণ বলে মনে করা হচ্ছে। অন্য দিকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পাকিস্তানের উল্লেখযোগ্য কোনো মতবিরোধ দেখা যায় না। তবে ভারতের সাথে ওয়াশিংটনের কৌশলগত সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা এবং নিজস্ব অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য চীনা এবং রাশিয়ান প্রভাববলয়কে পাকিস্তান এখন নিরাপদ মনে করছে। আর সিরিয়া থেকে ইরাক ইরান আফগানিস্তান হয়ে পাকিস্তান পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় মিত্রবলয় তৈরির প্রতি দৃষ্টি রয়েছে ক্রেমলিনের।
নতুন উত্তেজনায় বহুমুখী প্রভাব?
রাশিয়ার জঙ্গিবিমান গুলি করে ধ্বংস করার ঘটনার পর তুরস্কের সাথে সম্পর্কে যে নতুন উত্তেজনা দেখা দিয়েছে, তার সুদূরপ্রসারী প্রভাব অনলগর্ভ মধ্যপ্রাচ্যের বহুমুখী সঙ্ঘাতে নতুন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে সিরীয় সঙ্কটের রাজনৈতিক সমাধানের যে কিছুটা সম্ভাবনা দেখা গিয়েছিল, সেটিও অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। রাশিয়ার জঙ্গিবিমান ভূপাতিত করার ঘটনাকে পুতিন যে কতটা মারাত্মকভাবে নিয়েছেন, তা স্পষ্ট হয় তার প্রতিক্রিয়া দেখানোকে সামনে রাখলে। এটাকে কেন্দ্র করে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যাভরভের আঙ্কারা সফর বাতিল ঘোষণা করা হয় শুরুতে। রুশ বিমান ভূপাতিত করার ঘটনাকে পিঠে ছুরিকাঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছেন পুতিন। একই সাথে তুরস্কের সাথে সব ধরনের সম্পর্ককে নতুন করে মূল্যায়ন করার ঘোষণাও দিয়েছেন। তিনি এমন কথাও বলেছেন, তুরস্কের বর্তমান নেতৃত্বের ইসলামীকরণের চেষ্টা তার জন্য বিরক্তিকর। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত হয় তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগানের পক্ষ থেকে। তিনি ৯৯ শতাংশ মুসলিমের দেশে ইসলামীকরণের অভিযোগকে ঔদ্ধত্য হিসেবে বর্ণনা করেন। সিরিয়ার যে প্রেসিডেন্ট তিন লাখ ৮০ হাজার মানুষের হত্যার জন্য দায়ী, তার পক্ষ সমর্থনকে সন্ত্রাসের সহযোগিতা হিসেবে মূল্যায়ন করেন।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান রাশিয়া সফর করার দুই দিনের মাথায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সিরিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ করে বসেন। এই হস্তক্ষেপের বিষয় এরদোগানের সাথে আলোচনায় এসেছিল বলে মনে হয়নি এ ঘটনায় তুরস্কের প্রতিক্রিয়া দেখে। সিরিয়ায় সামরিক হামলার পর রুশ জঙ্গিবিমান একাধিকবার তুর্কি আকাশসীমা লঙ্ঘন করে। এসব ঘটনার কোনো কোনোটি অনিচ্ছাকৃত মনে হলেও কিছু ঘটনা আঙ্কারাকে বার্তা দেয়ার জন্য বলে মনে হয়েছে। তুরস্ক বলেছে, সর্বশেষ দফা আকাশসীমা লঙ্ঘনের পর তুর্কি বিমান থেকে পাঁচ মিনিট ধরে ১০ বার সতর্কবাণী উচ্চারণ করার পর রুশ বিমানে গুলি করা হয়েছে। মস্কোর বক্তব্য হলো রুশ বিমানটি আদৌ তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশ করেনি। পরে বিমানটির গতি পথের এক মানচিত্রে দেখা যায় বিমানটি স্বল্পসময়ের জন্য তুরস্কের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল। তবে গুলি বা ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে এটি ধ্বংস হওয়ার পর সিরিয়ার ভূ-সীমায় এটি পতিত হয়েছে।
সিরিয়া ১৫১৬ সাল থেকে ছিল তুর্কি খেলাফতের অধীনে, উসমানিয়া সাম্রাজ্য ভেঙে যাওয়ার আগে পর্যন্ত সেভাবেই ছিল। ‘তুর্কম্যান’ বিদ্রোহীদের ওপর বোমা বর্ষণ করার সময় যে রুশ সু-২৪ বিমানটি ভূপাতিত করা হয়েছে, তারা জাতিগতভাবে তুর্কি। ১৯২১ সালের চুক্তির আলোকে সীমান্ত আরোপ করার সময় এই তুর্কিরা তুরস্ক সীমান্তের বাইরে পড়ে যায়। দীর্ঘ দিন আগে কেটে বাদ দেয়া হলেও সাবেক সাম্রাজ্যগুলো তাদের অদ্ভুত মানসিক কারণে এখনো মনে করে, ওইসব এলাকায় হস্তক্ষেপ করার তাদের বিশেষ অধিকার রয়েছে। পুতিন বলছেন, তিনি তুর্কমেন পর্বতমালায় ইসলামিক স্টেটের ওপর বোমা ফেলছে, যদিও সেখানে বা তার কাছাকাছি কোনো এলাকাতেও ইসলামিক স্টেট বাহিনীর কোনো উপস্থিতির রেকর্ড নেই। তারা হলো আসাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেয়া তুরস্ক সমর্থিত মধ্যপন্থী বিদ্রোহী।
এরদোগানের লক্ষ্যগুলোর একটি ক্রেমলিনের কাছেও পরিচিত। এটি হলো রাশিয়ার সাথে অভিন্ন কৌশল গ্রহণে সমঝোতায় আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও অন্যান্য দেশকে বেশ জোরালোভাবে দেখানো যে, তুরস্কের স্বার্থ পুরোপুরি বিবেচনায় না নেয়া হলে সিরিয়ায় কোনো সমাধানই ফলপ্রসূ হবে না। তুর্কি স্বার্থগুলোর মধ্যে রয়েছে, আসাদের সাথে সমাঝোতা হলে যাতে তুর্কম্যানই হোক আর আরবই হোক, কোনো সুন্নি শক্তিকে ধ্বংস করা না হয়। রাশিয়ার জন্য সঠিক কাজ হতে পারে এটা স্বীকার করে নেয়া যে, সে তুর্কি স্পর্শকাতরতাকে দেশটি যথাযথভাবে মূল্যায়ন করেনি। পুতিনের অনেক বৈরী প্রতিবেশী যেমন রয়েছে তেমন আছে সাবেক মিত্রও। কিন্তু আরো অগ্রসর হওয়ার প্রলোভনও রয়েছে তার সামনে। আবার হয়তো এরদোগানের হিসাবেও ভুল রয়েছে। অথবা রয়েছে ক্ষমতাধরদের কাছে তার অজ্ঞাত কোনো বাধ্যবাধকতা। এটি অনস্বীকার্য যে, পুতিন ইউক্রেনে যতটা দুর্বল, এরদোগান সিরিয়ায় তার চেয়েও বেশি দুর্বল।
বর্তমানে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে রাশিয়া অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করতে যাচ্ছে, উত্তর সিরিয়ায় বিমানবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা মোতায়েন করতে যাচ্ছে, তুর্কমেন পর্বতমালায় বোমাবর্ষণ দ্বিগুণ করতে যাচ্ছে। এ অবস্থায় এরদোগানের করণীয় নানা কারণে ঝুঁকিপূর্ণ। রাশিয়ার সাথে এরদোগানের অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে অনেক পশ্চিমা মিত্র ভালোভাবে নেয়নি। এ জন্য এরদোগানকে নানাভাবে চাপে রাখতে চেয়েছে তারা। জুনের নির্বাচনে তার বিপর্যয়কর ফলাফল এবং সিরিয়ায় রাশিয়ান হস্তক্ষেপকে গোপনে অনুমোদন করার যে অভিযোগ আমেরিকার ব্যাপারে উঠছে, সেটি সঠিক হলে এরদোগানকে রাশিয়ার মুখোমুখি করে রাখার একটি প্রচেষ্টা অন্তরালে সক্রিয় থাকতে পারে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য পরিণামদর্শী নীতি দুই দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যা এখনো সেভাবে দেখা যাচ্ছে না। তা না হলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধপরিস্থতি আরো ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। যার জের ধরে যে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা বলা হচ্ছে সেটিও অসম্ভব নয়।
mrkmmb@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
December
(688)
-
▼
Dec 07
(29)
- চিকিৎসার ব্যয়ে বছরে সর্বস্বান্ত ৬৪ লাখ মানুষ
- সাক্ষী সুরক্ষা আইন করতে হাইকোর্টের নির্দেশ by কুন...
- কেয়ামতের ঘণ্টা বাজতে তিন মিনিট বাকি!
- নতুন বছরেই কংগ্রেসের সভাপতি হচ্ছেন রাহুল
- রুশ-তুরস্ক উত্তেজনায় আরেক পারমাণবিক বিশ্বযুদ্ধ আসন...
- এটা সীমানাবিহীন পৃথিবীর ব্যাপার by রবার্ট ফিস্ক
- সংসদীয় ব্যবস্থায় ফিরে আসাই সাফল্য -তোফায়েল আহমেদ ...
- শহীদ নূর হোসেন ভাইয়ের চাওয়া পূরণ হলো না by শাহান...
- রাজনীতির ধারা বদলায়নি - রাশেদ খান মেনন by মিজানুর ...
- অপরিণত শিশুর জন্মহার বাড়ছে by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
- গণতন্ত্রের আন্দোলনে বিজয়ী দুই নেত্রী
- 'ঘুমিয়ে পড়লেই আমার স্বপ্ন সত্যি হয়ে যায়'
- রাশিয়া-তুরস্ক উত্তেজনা: পুতিন কতটা খেপেছেন? by মশি...
- জলবায়ু নীতিতে বাস্তববাদিতা by অলিভার জেনডেন
- ঘোরাঘুরি নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য by এ কে এম জাকারিয়া
- দেশের মানুষের জীবন রক্ষার চেষ্টা করার জন্য আমি ক্ষ...
- যুদ্ধাপরাধীর শাস্তি ও গণমাধ্যমের রুচিবৈকল্য by শিশ...
- খালাস চেয়ে যা বললেন ঐশী
- বেপরোয়া অজ্ঞান পার্টি- ৬ দিনে আক্রান্ত ৩০
- ‘সুইপার’ থাকবে না কাষ্টঘরেও by চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
- একেবারে নগ্ন ম্যাডোনা
- টেন্ডারবাজি বন্ধ করতে চাইলে লাশ পড়বে -ডিসিকে উপজেল...
- সিরিয়ায় যুক্তরাজ্যের হামলা অবৈধ: বাশার
- গণতন্ত্রের মুখ কখন দেখব জানি না: এরশাদ
- ৩০০ বছর আগে ডুবে যাওয়া জাহাজের সন্ধান
- পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি পর্যালোচনা করা ...
- যেমন করে ইন্দ্রানির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়েন অভি...
- প্রার্থী সঙ্কটে লজ্জিত এরশাদ!
- ‘নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার চ্যালেঞ্জের মুখে’
-
▼
Dec 07
(29)
-
▼
December
(688)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment