Friday, January 22, 2016
বিলুপ্তির পথে এগোতে পারে ইইউ by মাসুম খলিলী
বিলুপ্তির পথে এগোতে পারে ইইউ by মাসুম খলিলী
Friday, January 22, 2016
Anonymous
অর্থনীতি,
আন্তর্জাতিক,
আলোচনা,
ইউরোপ,
উপ-সম্পাদকীয়,
নয়া দিগন্ত,
মতামত
২০১৬
সালকে অনেক বিশ্লেষকই দেখছেন পরিবর্তন ও অস্থিরতার বছর হিসেবে । এই
অস্থিরতা শুধু উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্যে সীমিত থাকছে না। এমনকি এটি শুধু এশিয়ায়
বা আফ্রিকাতেই ছড়াবে তা-ও নয়, এর বড় শিকার হতে পারে খোদ ইউরোপ। যাদের
বিরুদ্ধে সামরিক হস্তক্ষেপ ও গোয়েন্দা মদদ দেয়ার মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের
বিভিন্ন সরকারের পতন ঘটিয়ে অস্থিরতাকে উসকে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে তারাই এখন
সেই অস্থিরতার শিকারে পরিণত হচ্ছে।
ইউরোপের গত অর্ধশতাব্দীর সবচেয়ে বড় অর্জন কী? এই প্রশ্নের জবাব হবে, একটি অভিন্ন ইউরোপ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অগ্রযাত্রা। এই অগ্রযাত্রার দু’টি প্রধান ক্ষেত্র হলো শেনজেন চুক্তির মাধ্যমে এই অঞ্চলের নাগরিকদের মুক্ত চলাচল এবং পণ্যের অবাধ প্রবাহ সৃষ্টি। একই সাথে নিশ্চিত করা হয়েছে ইউরোপের এক দেশের নাগরিকদের অন্য দেশে যাওয়া বা থাকার অধিকার। এর বাইরে দ্বিতীয় লক্ষ্যটি ছিল একটি অভিন্ন মুদ্রাঞ্চল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পুরো অঞ্চলে ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক বিকাশ। এই দু’টি লক্ষ্য বা অর্জনই এখন হুমকির মুখে।
এখনো পর্যন্ত ইউরো জোনের বাইরে রয়েছে ইউরোপের প্রভাবশালী দেশ যুক্তরাজ্য। এখন দেশটি ইইউতে আর থাকবে কি না, তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে নাগরিকদের মধ্যে। ২০১৬ সালেই এ ব্যাপারে গণভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে। ‘ব্রেক্সিট’ অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বিদায় নেয়ার ব্যাপারে অনুষ্ঠেয় এই গণভোটে ব্রিটিশ জনমত ক্রমেই জাতীয়তাবাদীদের পক্ষে চলে যাচ্ছে। যদিও এখনো ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে থাকার পক্ষে বেশি মত রয়েছে মর্মে উল্লেখ করা হচ্ছে। তবে ভোটের সময় ঘনিয়ে আসার আগেই যেকোনো পরিবর্তন ঘটতে পারে। জেরেমি কোরবিনের নেতৃত্বে বিরোধী লেবার পার্টি এখন বেশি ঝুঁকছে ইউরো ত্যাগের দিকে। প্রধানমন্ত্রী ডেভিট ক্যামেরন নিজেই ইউরোতে সংস্কার আনার ব্যাপারে উচ্চকণ্ঠ। যদিও তার প্রস্তাবিত সংস্কারের ব্যাপারে ব্রিটেনের প্রতি সবচেয়ে বেশি সহানভূতিশীল জার্মানিও একমত হচ্ছে না। আবার ইইউ থেকে ব্রিটেন বের হয়ে গেলে এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে স্কটল্যান্ড যুক্তরাজ্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার একটি ঝুঁকিও রয়ে গেছে।
২০০৯ সালে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সঙ্কটের পর এই ফেডারেল ইউরোপ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের ব্যাপারে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠতে থাকে। সর্বশেষ সিরীয় শরণার্থীদের ইউরোপমুখী প্রবাহ শুরু হওয়ার পর সঙ্কট তীব্র হয়েছে। উত্তর ইউরোপ ও দক্ষিণ ইউরোপের মধ্যে মতের ব্যবধান এখন প্রবল হয়েছে। উত্তর মনে করছে দক্ষিণের অদক্ষতা ও অক্ষমতা তাদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্য দিকে, দক্ষিণের অভিযোগ উত্তরের বিরুদ্ধে তাদের বাজার একচেটিয়াভাবে দখল করা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার সময় অনুদারতা প্রদর্শন ও কঠিন সব শর্ত আরোপ করার। এই টানাপড়েন উত্তর দক্ষিণ নির্বিশেষে সব দেশে জাতীয়তাবাদী দলগুলোর সমর্থন বাড়িয়েছে, যাকে ইউরোপের সংহতির গোড়ায় আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর পথ ধরে ইইউ থেকে গ্রিসের বিদায় নেয়ার সম্ভাবনা একপর্যায়ে অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে। এই জোন ত্যাগ করতে পারে ফিনল্যান্ডের মতো দেশও। অন্য দিকে, এই উদ্যোগে নতুন যারা অংশীদার হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে তাদের দরজা যেমন সহজে খুলছে না, তেমনি এই জোটে যোগ দেয়ার ব্যাপারে কোনো কোনো দেশ নিজেরাও আগ্রহ হারাতে বসেছে।
অর্থনৈতিক বৈষম্য রয়েই গেছে
ইউরোপে ক্রমবর্ধমান অভিবাসন প্রবাহ ও ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় ঐক্যের প্রতি রাজনৈতিক সমর্থন কমে যাচ্ছে। জোটে যাওয়ার আগে থেকেই পশ্চিম ও পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর অর্থনৈতিক অবস্থায় ছিল ব্যাপক ব্যবধান। ইইউ গঠনের পর আশা করা হয়েছিল এই ব্যবধানে পরিবর্তন আসবে। কিন্তু ইউরোপীয় জোনের ২৮টি সদস্য দেশের মধ্যে ১৭টি দেশের জাতীয় আয় ইইউর গড় ২৭ হাজার ৪০০ ইউরোর চেয়ে কম। এর মধ্যে পূর্ব ইউরোপের কোনো দেশের আয়ই ইইউ’র গড়ের ওপরে নেই। ইতালি, গ্রিস, পর্তুগালসহ পশ্চিম ইউরোপের অনেক দেশের আয় নিম্নমুখী হয়ে পড়ছে। গোটা ইউরো জোনের ২৮টি দেশের মধ্যে ৫২ শতাংশের বেশি আয় হলো তিন দেশ- জার্মানি, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের। এর মধ্যে জার্মানি ছাড়া আর কোনো দেশই অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে পুরোপুরি বের হয়ে আসতে পারেনি।
২০০৫ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ১২ বছরের ইউরোপের অর্থনীতি পর্যালেচনা করে দেখা যায়, পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নে ২০০৪ সালের তুলনায় অর্থনীতির আকার বেড়েছে মাত্র ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। আর ইউরো জোনের ১২ বছরের ব্যবধানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৭ শতাংশ। ২০০৯ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোল্যান্ড ছাড়া একটি দেশও ধনাত্মক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারেনি। জোটের অনেক দেশ রয়েছে যেগুলোর অর্থনীতি বছরের পর বছর সঙ্কুচিত হচ্ছে। ইতালি, গ্রিস, স্পেন, পর্তুগাল ছাড়া বাকি দেশগুলো অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে কিছুটা বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। কিন্তু ইউরোপের বেশির ভাগ দেশ অর্থনীতির মৌলিক দুর্বলতা থেকে মুক্ত হতে পারছে না। এতে ফেডারেল ইউরোপ গঠনের ব্যাপারে হতাশা ছড়িয়ে পড়ছে।
শেনজেন চুক্তির আওতায় ইউরো জোনের দেশগুলো যে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের বিলোপ ঘটিয়েছে তার উল্টো পথে যাওয়ার দাবি উঠতে শুরু করেছে। ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস ও লুক্সেমবার্গ ১৯৮৫ সালে যখন শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষর করে, তখন তারা এমন এক ব্যবস্থার স্বপ্ন দেখেছিলেন যেন সব দেশের মানুষ ও পণ্য কোনো বাধা ছাড়া এক দেশ থেকে অন্য এক দেশে চলাচল করতে পারে। একের পর এক বাধা অতিক্রম করে এই স্বপ্নের অনেকখানি বাস্তবায়ন হয়েছে। ১৯৯৫ সালে শেনজেন চুক্তি বাস্তবায়নের পর এই চুক্তির স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ বিলোপ করা হয়েছে এবং ২৬ দেশের জন্য একটি সাধারণ ভিসা-নীতি তৈরি করা হয়েছে।
একটি ফেডারেল ইউরোপ সৃষ্টি ছিল শেনজেন চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে পৌঁছতে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ বিলোপ করে সদস্য দেশগুলো তাদের জাতীয় সার্বভৌমত্বের একটি মৌলিক উপাদান ইইউর কাছে সমর্পণ করে। এ জন্য স্বাক্ষরকারীদের পরস্পরের প্রতি আস্থা ছিল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এর মাধ্যমে শেনজেন অঞ্চলে প্রথম এন্ট্রি দেশের ওপর আগত বিদেশীদের পরিচয় এবং মালামাল চেক করার দায়িত্ব অর্পিত ছিল। কোনো ব্যক্তি একবার একটি শেনজেন দেশে প্রবেশ করলে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ ছাড়া ইউরোপের বেশির ভাগ দেশে অবাধে যেতে পারেন।
ঠাণ্ডা যুদ্ধের শেষে ১৯৯০-এর দশকে শেনজেন চুক্তি বাস্তবায়নকালে ইইউ সদস্যরা স্থায়ী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের প্রত্যাশায় অনেক সংবেদনশীল বিষয়ে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ছেড়ে দেয়। ইউরো জোনের সৃষ্টি সম্ভবত ছিল এই সময়ের সবচেয়ে প্রতিনিধিত্বশীল চুক্তি। কিন্তু এর পর থেকে ইউরোপে কয়েকটি বিষয়ে পরিবর্তন এসেছে আর সদস্য দেশগুলো আগে নেয়া অনেক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন শুরু করেছে।
গত ছয় বছর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সম্ভবত ইউরোপের অর্থনৈতিক সঙ্কট এবং তার বিভিন্ন উপজাত হিসেবে উগ্র জাতীয়তাবাদী দলগুলোর উত্থান। ইউরোপে শরণার্থী উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর ঘটনা সাম্প্রতিক কালের হলেও এর বিশেষ চাপ পড়ে গ্রিস এবং ইতালির মতো ইইউর সীমান্তবর্তী এবং ফ্রান্স এবং জার্মানির মতো অর্থনৈতিক শক্তিমান দেশগুলোর ওপর। শেনজেন চুক্তি এই প্রথমবারের মতো প্রশ্নবিদ্ধ না হলেও ক্রমবর্ধমান শরণার্থী সংখ্যা, শক্তিশালী জাতীয়তাবাদী দলের উত্থান ও ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সমন্বিত অবস্থা বড় ধরনের সঙ্কট সৃষ্টি করেছে। ইউরোপের নেতৃস্থানীয় সরকার নিজ নিজ দেশের রাজনৈতিক গ্রুপগুলো থেকে শেনজেন চুক্তির পুনর্গঠন এবং কিছু ক্ষেত্রে তা রদ করার দাবির মুখে পড়ছে।
উত্তর ইউরোপের দেশগুলো এখন সীমান্ত কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা এবং ইইউ অঞ্চলে পৌঁছানোর পর শরণার্থীদের ঠিকভাবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিতে ব্যর্থতার জন্য ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দেশগুলোর সমালোচনা করছে। এ কারণে এসব অভিবাসী আশ্রয়ের আবেদন করতে মহাদেশের অন্যত্র যেতে পারছে। ফ্রান্স এবং অস্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ ইতালি ছেড়ে আসতে আশ্রয়প্রার্থীদের সুযোগ দেয়া এমনকি উৎসাহিত করার জন্য রোমকে অভিযুক্ত করে ইতালির সাথে তাদের সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে। জুনের শেষ দিকে ফ্রান্স সংক্ষিপ্তভাবে সীমানা বন্ধও করে দেয়।
অন্য দিকে, দক্ষিণ ইউরোপের দেশগুলো সংহতি প্রকাশে ব্যর্থতার জন্য উত্তর ইউরোপের প্রতিবেশীদের সমালোচনা করে। ইতালি ও গ্রিস ভূমধ্যসাগরীয় শরণার্থীদের উদ্ধারে টহল জোরদার ও অভিবাসীদের আশ্রয় দিতে অধিক তহবিল দাবি করেছে। এরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিবাসন কোটা প্রবর্তনেরও দাবি করেছে। অথচ এ দাবি মধ্য ও পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলো প্রত্যাখ্যান করে স্বেচ্ছাসেবী ভিত্তিতে শরণার্থী বিতরণ করা উচিত বলে মত প্রকাশ করছে।
অভিবাসন সঙ্কট শেনজেনের সদস্যদের মধ্যে এবং শেনজেন অ-সদস্য প্রতিবেশীদের মধ্য বিরোধ সৃষ্টি করছে। সম্প্রতি অভিবাসীদের ফরাসি বন্দর থেকে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে চেষ্টার জন্য ফ্রান্সকে অভিযুক্ত করে যুক্তরাজ্য। তবে সার্বিয়ার সাথে হাঙ্গেরির সীমান্তে বেড়া নির্মাণ এবং সীমানা সামরিকীকরণের হুমকি দেয়া ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার সবচেয়ে দৃশ্যমান একটি উদাহরণ ছিল।
অভিবাসন বেড়ে যাওয়া এবং শেনজেনের ত্রুটি
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন দু’টি ওভারল্যাপিং সমস্যার মোকাবেলা করছে। এক দিকে ইইউকে একটি নতুন অভিবাসননীতি অবলন্বের জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে। ইইউ সদস্যদের মধ্যে অভিবাসন আইন সংস্কারের জন্য একাধিক বৈঠক হয়েছে। জার্মানি কয়েক মাস আগেও এ সংক্রান্ত ডাবলিন প্রবিধান পরিবর্তনে অনিচ্ছুক ছিল। সে দেশটিই এখন তাতে পরিবর্তন আনতে নেতৃত্ব দিচ্ছে। এই প্রক্রিয়া অনুযায়ী অভিবাসী প্রথম যে দেশে এসেছেন, সেখান থেকে আশ্রয় প্রার্থনার কার্যক্রম শুরু করতে হবে। জার্মানি নিজে এই বছরে আট লাখ শরণার্থী নেবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে, অথচ এর মধ্যে সেখানকার অভিবাসী আশ্রয়ীর ওপর আক্রমণের ঘটনা বাড়ছে।
বার্লিনের প্রস্তাব হলো নিরাপদ বিবেচিত দেশের একটি সাধারণ তালিকা করতে হবে যেসব দেশের নাগরিকদের ইউরোপীয় ইউনিয়নে আশ্রয় দেয়ার আবেদন মঞ্জুর করা হবে না। এ তালিকার মধ্যে আলবেনিয়া ও ম্যাসেডোনিয়ার মতো পশ্চিম বলকান অঞ্চলের দেশ অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যারা গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচতে আশ্রয়ের জন্য অনুরোধ জানানোর মতো গুরুতর মানবিক সঙ্কটের মুখোমুখি নয়। জার্মানির দ্বিতীয় প্রস্তাবটি হলো অভিবাসীদের চিহ্নিত করা, তাদের আবেদন প্রক্রিয়াকরণের জন্য অধিক তহবিল বরাদ্দ এবং গ্রিস ও ইতালিতে এ সংক্রান্ত কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা। সবশেষে, বার্লিন ইউরোপীয় ইউনিয়নজুড়ে সব দেশে অভিবাসীর আনুপাতিক বিতরণের প্রস্তাবকে এগিয়ে নিতে চায়।
জার্মানির উত্থাপিত প্রতিটি পয়েন্ট নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়। অভিবাসনের একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কারা যুক্তিগ্রাহ্য আশ্রয়প্রার্থী এবং কারা অর্থনৈতিক অভিবাসী তা চিহ্নিত করা হয়। ভূমধ্যসাগরীয় ইউরোপের বেশির ভাগ দেশের অর্থ ও জনবল সঙ্কটের জন্য অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়িত করা জটিল হয়ে দাঁড়ায়। উপরন্তু, ভূমধ্যসাগরীয় দেশগুলো শুধু মহাদেশজুড়ে অভিবাসীদের পুনর্বিতরণ করার সুস্পষ্ট ব্যবস্থা ছাড়াই জরুরি পরিস্থিতিতে তাদের সীমানায় অভিবাসন সেন্টার করেছে। মধ্য ও পূর্ব ইউরোপীয় বেশ কিছু দেশ অভিবাসীদের বাধ্যতামূলক কোটা প্রবর্তনে ইউরোপীয় কমিশনের সাম্প্রতিক পরিকল্পনার বিরোধিতা করছে। এই বিরোধিতার সহজে অবসান হবে বলেও মনে হচ্ছে না।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের দ্বিতীয় সমস্যা হলো, শেনজেন চুক্তি নিয়ে করণীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্তে আসা। এই চুক্তি অনুসারে অবৈধ অভিবাসীদের পক্ষে শেনজেন সদস্য দেশগুলোর মধ্যে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার সুযোগ রয়েছে। আর এতে কিছু নিরাপত্তা প্রশ্নও উত্থাপিত হচ্ছে। বেশ কিছু সদস্য দেশ ইউরোপে পৌঁছা হাজার হাজার অভিবাসীর মধ্যে কিছু সন্ত্রাসী থাকতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। ফ্রান্সের সন্ত্রাসী ঘটনার পর এই উদ্বেগ আরো জোরালোভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে। এ ঘটনার আক্রমণকারী ফ্রান্স থেকে বেলজিয়ামে চলে গেছে বলে উল্লেখ করা হচ্ছে। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা বিলোপ করার ফলে বস্তুত সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি শনাক্ত করার একটি স্তর বিদায় হয়ে গেছে।
কট্টর জাতীয়তাবাদী দলের উত্থানও শেনজেন চুক্তির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফিনল্যান্ডে একটি জাতীয়তাবাদী দল ইতোমধ্যে সরকারি জোটের সদস্য হয়েছে। ইউরো থেকে বের হয়ে যাওয়ার পক্ষের অভিবাসন-বিরোধী দল ডেনমার্ক, সুইডেন ও হাঙ্গেরির মতো দেশে প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে। ফ্রান্সে সব মতামত জরিপে উঠে আসছে ইউরো-বিরোধী ন্যাশনাল ফ্রন্ট ২০১৭ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দ্বিতীয় রাউন্ড পর্যন্ত চলে যেতে পারে। এই জাতীয়তাবাদী দলগুলোর সবাই বিশ্বাস করে, তাদের নিজ দেশের জাতীয় অভিবাসন আইন কঠোরতর করতে হবে এবং শেনজেন চুক্তি বিলুপ্ত না করলেও এতে বড় রকমের সংশোধনী আনতে হবে।
শেনজেন চুক্তির ভবিষ্যৎ
ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্ভবত শিগগিরই শেনজেন চুক্তি ছেড়ে যাবে না। সমালোচনা সত্ত্বেও চুক্তিটির কারণে ইউরোপজুড়ে পণ্য পরিবহনে খরচ কমে গেছে । আন্তর্জাতিক সীমানা পার করার জন্য ট্রাকের আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় না। সীমানা পার হতে পাসপোর্ট এবং ভিসার আর প্রয়োজন হয় না বলে এটি পর্যটক এবং সীমান্ত শহরে বসবাসকারী মানুষের উপকারে আসে। সবশেষে এই চুক্তি সরকারগুলোর সামনে অনেক অর্থ সাশ্রয়ের সুযোগ এনে দিয়েছে। তাদের আর ভূখণ্ডের সীমানা পাহারা দেয়ার প্রয়োজন হচ্ছে না।
এর পরও সম্ভবত দেশের সীমানা নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রবর্তন করার জন্য সংস্কার আনা হবে শেনজেন চুক্তির। শেনজেনে স্বাক্ষরকারী সদস্য দেশগুলো জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকির মতো অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে নিজেদের সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ সাময়িকভাবে পুনঃপ্রবর্তন করার ব্যাপারে একমত হতে পারে। এর প্রথম পদক্ষেপ ২০১৩ সালে নেয়া হয়েছিল; কিন্তু তখনকার সংস্কারের আওতায় ইউরোপীয় কমিশনের সাথে পরামর্শক্রমে সর্বাধিক ১০ দিনের জন্য সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রবর্তন করার ব্যবস্থা করা হয়। সেটাকে স্পষ্টভাবে সীমিত করা হয়েছিল অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা হুমকির ক্ষেত্রে, অভিবাসন ঠেকানোর কোনো বিষয় সেখানে ছিল না।
২০১৬ সালেই ইইউ সদস্য দেশগুলোকে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে আরো ক্ষমতা ও নিজস্ব সিদ্ধান্তের এখতিয়ার দেয়া হতে পারে। উত্তর ইউরোপে ইইউ দেশগুলো কার্যকরভাবে তাদের সীমানা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হলে তাদের সদস্যপদ স্থগিত রাখা অথবা তাদের ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমানার বাইরে ঠেলে দেয়া হতে পারে। এ সময় নতুন ইইউ সদস্য দেশগুলোর জন্য শেনজেন অঞ্চলে প্রবেশ কঠিন হতে পারে। রোমানিয়া ও বুলগেরিয়ার মতো দেশগুলো প্রায় এক দশক ধরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হলেও তারা এখনো শেনজেনে যোগদানের জন্য অপেক্ষা করছে। তাদের জোনে গ্রহণ করতে কিছু দেশ থেকে প্রতিবন্ধকতা আসতে পারে।
এমনকি শেনজেন চুক্তির একটি যথোপযুক্ত সংস্কার না হলে সদস্য দেশগুলো ট্রেন ও বাসস্টেশনে এবং বিমানবন্দরে পুলিশ নিয়ন্ত্রণ আরো ব্যাপকতর করতে পারে। বেশ কিছু দেশ আগে থেকেই, ট্রেন ও বাসে আকস্মিকভাবে পুলিশি নিয়ন্ত্রণ চালিয়ে যাচ্ছে । এটি সামনে আরো বাড়তে পারে। রক্ষণশীল দলগুলোর চাপে অনেক ইইউ দেশ বিশেষত উত্তর ইউরোপের দেশগুলো তাদের অভিবাসন আইন কঠোর করতে পারে, যাতে নতুনরা সহজে অভিবাসীদের ওয়েলফেয়ারের সুযোগ নিতে না পারে।
বলা যায়, শেনজেন চুক্তি দুর্বল হওয়ার অর্থ জনগণের অবাধ চলাচলের সুযোগও দুর্বল হয়ে পড়া, যেটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি মুখ্য অর্জন ছিল। চুক্তি করা এবং অবাধ চলাচলের সুযোগ দেয়ার নীতিমালা এক জিনিস নয়। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের অস্তিত্ব থাকুক বা না থাকুক যেকোনো ইইউ নাগরিকের সদস্য রাষ্ট্রে থাকা বা ট্রানজিট লাভের অধিকার রয়েছে; কিন্তু শেনজেন চুক্তির নকশা তৈরি করা হয়েছিল মানুষের অবাধ চলাচল জোরদার এবং সীমানা ছাড়া একটি মহাদেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে। বলার অপেক্ষা রাখে না, শেনজেন চুক্তির সম্ভাব্য সংস্কার এই মৌলিক নীতির ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। একবার যদি মৌলিক নীতি দুর্বল হয় তাহলে অন্যান্য অর্জন একইভাবে সঙ্কুচিত করার দরজা খুলে যাবে। এর মধ্যে ইউরোর পাশাপাশি আবার জাতীয় মুদ্রা চালুর দাবিও উঠেছে কোনো কোনো দেশে। তবে এখনকার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান হুমকি হলো জনগণের মুক্ত চলাচলের সুযোগ কমে যাওয়া। যার ফলে পণ্যের মুক্ত প্রবাহও দুর্বল হয়ে পড়বে, যার অনিবার্য পরিণতি হবে বর্তমান অবয়বে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবসান ঘটা। আর ফেডারেল ইউরোপ গড়ার স্বপ্নও এতে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যেতে পারে।
mrkmmb@gmail.com
ইউরোপের গত অর্ধশতাব্দীর সবচেয়ে বড় অর্জন কী? এই প্রশ্নের জবাব হবে, একটি অভিন্ন ইউরোপ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অগ্রযাত্রা। এই অগ্রযাত্রার দু’টি প্রধান ক্ষেত্র হলো শেনজেন চুক্তির মাধ্যমে এই অঞ্চলের নাগরিকদের মুক্ত চলাচল এবং পণ্যের অবাধ প্রবাহ সৃষ্টি। একই সাথে নিশ্চিত করা হয়েছে ইউরোপের এক দেশের নাগরিকদের অন্য দেশে যাওয়া বা থাকার অধিকার। এর বাইরে দ্বিতীয় লক্ষ্যটি ছিল একটি অভিন্ন মুদ্রাঞ্চল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে পুরো অঞ্চলে ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনৈতিক বিকাশ। এই দু’টি লক্ষ্য বা অর্জনই এখন হুমকির মুখে।
এখনো পর্যন্ত ইউরো জোনের বাইরে রয়েছে ইউরোপের প্রভাবশালী দেশ যুক্তরাজ্য। এখন দেশটি ইইউতে আর থাকবে কি না, তা নিয়ে বড় ধরনের প্রশ্ন সৃষ্টি হয়েছে নাগরিকদের মধ্যে। ২০১৬ সালেই এ ব্যাপারে গণভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে। ‘ব্রেক্সিট’ অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বিদায় নেয়ার ব্যাপারে অনুষ্ঠেয় এই গণভোটে ব্রিটিশ জনমত ক্রমেই জাতীয়তাবাদীদের পক্ষে চলে যাচ্ছে। যদিও এখনো ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে থাকার পক্ষে বেশি মত রয়েছে মর্মে উল্লেখ করা হচ্ছে। তবে ভোটের সময় ঘনিয়ে আসার আগেই যেকোনো পরিবর্তন ঘটতে পারে। জেরেমি কোরবিনের নেতৃত্বে বিরোধী লেবার পার্টি এখন বেশি ঝুঁকছে ইউরো ত্যাগের দিকে। প্রধানমন্ত্রী ডেভিট ক্যামেরন নিজেই ইউরোতে সংস্কার আনার ব্যাপারে উচ্চকণ্ঠ। যদিও তার প্রস্তাবিত সংস্কারের ব্যাপারে ব্রিটেনের প্রতি সবচেয়ে বেশি সহানভূতিশীল জার্মানিও একমত হচ্ছে না। আবার ইইউ থেকে ব্রিটেন বের হয়ে গেলে এর প্রতিক্রিয়া হিসেবে স্কটল্যান্ড যুক্তরাজ্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার একটি ঝুঁকিও রয়ে গেছে।
২০০৯ সালে ইউরোপীয় অর্থনৈতিক সঙ্কটের পর এই ফেডারেল ইউরোপ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগের ব্যাপারে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠতে থাকে। সর্বশেষ সিরীয় শরণার্থীদের ইউরোপমুখী প্রবাহ শুরু হওয়ার পর সঙ্কট তীব্র হয়েছে। উত্তর ইউরোপ ও দক্ষিণ ইউরোপের মধ্যে মতের ব্যবধান এখন প্রবল হয়েছে। উত্তর মনে করছে দক্ষিণের অদক্ষতা ও অক্ষমতা তাদের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অন্য দিকে, দক্ষিণের অভিযোগ উত্তরের বিরুদ্ধে তাদের বাজার একচেটিয়াভাবে দখল করা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার সময় অনুদারতা প্রদর্শন ও কঠিন সব শর্ত আরোপ করার। এই টানাপড়েন উত্তর দক্ষিণ নির্বিশেষে সব দেশে জাতীয়তাবাদী দলগুলোর সমর্থন বাড়িয়েছে, যাকে ইউরোপের সংহতির গোড়ায় আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর পথ ধরে ইইউ থেকে গ্রিসের বিদায় নেয়ার সম্ভাবনা একপর্যায়ে অনিবার্য হয়ে উঠতে পারে। এই জোন ত্যাগ করতে পারে ফিনল্যান্ডের মতো দেশও। অন্য দিকে, এই উদ্যোগে নতুন যারা অংশীদার হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে তাদের দরজা যেমন সহজে খুলছে না, তেমনি এই জোটে যোগ দেয়ার ব্যাপারে কোনো কোনো দেশ নিজেরাও আগ্রহ হারাতে বসেছে।
অর্থনৈতিক বৈষম্য রয়েই গেছে
ইউরোপে ক্রমবর্ধমান অভিবাসন প্রবাহ ও ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় ঐক্যের প্রতি রাজনৈতিক সমর্থন কমে যাচ্ছে। জোটে যাওয়ার আগে থেকেই পশ্চিম ও পূর্ব ইউরোপের দেশগুলোর অর্থনৈতিক অবস্থায় ছিল ব্যাপক ব্যবধান। ইইউ গঠনের পর আশা করা হয়েছিল এই ব্যবধানে পরিবর্তন আসবে। কিন্তু ইউরোপীয় জোনের ২৮টি সদস্য দেশের মধ্যে ১৭টি দেশের জাতীয় আয় ইইউর গড় ২৭ হাজার ৪০০ ইউরোর চেয়ে কম। এর মধ্যে পূর্ব ইউরোপের কোনো দেশের আয়ই ইইউ’র গড়ের ওপরে নেই। ইতালি, গ্রিস, পর্তুগালসহ পশ্চিম ইউরোপের অনেক দেশের আয় নিম্নমুখী হয়ে পড়ছে। গোটা ইউরো জোনের ২৮টি দেশের মধ্যে ৫২ শতাংশের বেশি আয় হলো তিন দেশ- জার্মানি, ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের। এর মধ্যে জার্মানি ছাড়া আর কোনো দেশই অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে পুরোপুরি বের হয়ে আসতে পারেনি।
২০০৫ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত ১২ বছরের ইউরোপের অর্থনীতি পর্যালেচনা করে দেখা যায়, পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নে ২০০৪ সালের তুলনায় অর্থনীতির আকার বেড়েছে মাত্র ৯ দশমিক ৭ শতাংশ। আর ইউরো জোনের ১২ বছরের ব্যবধানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ৭ শতাংশ। ২০০৯ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোল্যান্ড ছাড়া একটি দেশও ধনাত্মক প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারেনি। জোটের অনেক দেশ রয়েছে যেগুলোর অর্থনীতি বছরের পর বছর সঙ্কুচিত হচ্ছে। ইতালি, গ্রিস, স্পেন, পর্তুগাল ছাড়া বাকি দেশগুলো অর্থনৈতিক সঙ্কট থেকে কিছুটা বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। কিন্তু ইউরোপের বেশির ভাগ দেশ অর্থনীতির মৌলিক দুর্বলতা থেকে মুক্ত হতে পারছে না। এতে ফেডারেল ইউরোপ গঠনের ব্যাপারে হতাশা ছড়িয়ে পড়ছে।
শেনজেন চুক্তির আওতায় ইউরো জোনের দেশগুলো যে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের বিলোপ ঘটিয়েছে তার উল্টো পথে যাওয়ার দাবি উঠতে শুরু করেছে। ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস ও লুক্সেমবার্গ ১৯৮৫ সালে যখন শেনজেন চুক্তি স্বাক্ষর করে, তখন তারা এমন এক ব্যবস্থার স্বপ্ন দেখেছিলেন যেন সব দেশের মানুষ ও পণ্য কোনো বাধা ছাড়া এক দেশ থেকে অন্য এক দেশে চলাচল করতে পারে। একের পর এক বাধা অতিক্রম করে এই স্বপ্নের অনেকখানি বাস্তবায়ন হয়েছে। ১৯৯৫ সালে শেনজেন চুক্তি বাস্তবায়নের পর এই চুক্তির স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ বিলোপ করা হয়েছে এবং ২৬ দেশের জন্য একটি সাধারণ ভিসা-নীতি তৈরি করা হয়েছে।
একটি ফেডারেল ইউরোপ সৃষ্টি ছিল শেনজেন চুক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে পৌঁছতে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ বিলোপ করে সদস্য দেশগুলো তাদের জাতীয় সার্বভৌমত্বের একটি মৌলিক উপাদান ইইউর কাছে সমর্পণ করে। এ জন্য স্বাক্ষরকারীদের পরস্পরের প্রতি আস্থা ছিল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এর মাধ্যমে শেনজেন অঞ্চলে প্রথম এন্ট্রি দেশের ওপর আগত বিদেশীদের পরিচয় এবং মালামাল চেক করার দায়িত্ব অর্পিত ছিল। কোনো ব্যক্তি একবার একটি শেনজেন দেশে প্রবেশ করলে অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণ ছাড়া ইউরোপের বেশির ভাগ দেশে অবাধে যেতে পারেন।
ঠাণ্ডা যুদ্ধের শেষে ১৯৯০-এর দশকে শেনজেন চুক্তি বাস্তবায়নকালে ইইউ সদস্যরা স্থায়ী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের প্রত্যাশায় অনেক সংবেদনশীল বিষয়ে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ছেড়ে দেয়। ইউরো জোনের সৃষ্টি সম্ভবত ছিল এই সময়ের সবচেয়ে প্রতিনিধিত্বশীল চুক্তি। কিন্তু এর পর থেকে ইউরোপে কয়েকটি বিষয়ে পরিবর্তন এসেছে আর সদস্য দেশগুলো আগে নেয়া অনেক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন শুরু করেছে।
গত ছয় বছর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সম্ভবত ইউরোপের অর্থনৈতিক সঙ্কট এবং তার বিভিন্ন উপজাত হিসেবে উগ্র জাতীয়তাবাদী দলগুলোর উত্থান। ইউরোপে শরণার্থী উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর ঘটনা সাম্প্রতিক কালের হলেও এর বিশেষ চাপ পড়ে গ্রিস এবং ইতালির মতো ইইউর সীমান্তবর্তী এবং ফ্রান্স এবং জার্মানির মতো অর্থনৈতিক শক্তিমান দেশগুলোর ওপর। শেনজেন চুক্তি এই প্রথমবারের মতো প্রশ্নবিদ্ধ না হলেও ক্রমবর্ধমান শরণার্থী সংখ্যা, শক্তিশালী জাতীয়তাবাদী দলের উত্থান ও ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের সমন্বিত অবস্থা বড় ধরনের সঙ্কট সৃষ্টি করেছে। ইউরোপের নেতৃস্থানীয় সরকার নিজ নিজ দেশের রাজনৈতিক গ্রুপগুলো থেকে শেনজেন চুক্তির পুনর্গঠন এবং কিছু ক্ষেত্রে তা রদ করার দাবির মুখে পড়ছে।
উত্তর ইউরোপের দেশগুলো এখন সীমান্ত কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারা এবং ইইউ অঞ্চলে পৌঁছানোর পর শরণার্থীদের ঠিকভাবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিতে ব্যর্থতার জন্য ভূমধ্যসাগর তীরবর্তী দেশগুলোর সমালোচনা করছে। এ কারণে এসব অভিবাসী আশ্রয়ের আবেদন করতে মহাদেশের অন্যত্র যেতে পারছে। ফ্রান্স এবং অস্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ ইতালি ছেড়ে আসতে আশ্রয়প্রার্থীদের সুযোগ দেয়া এমনকি উৎসাহিত করার জন্য রোমকে অভিযুক্ত করে ইতালির সাথে তাদের সীমান্ত বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছে। জুনের শেষ দিকে ফ্রান্স সংক্ষিপ্তভাবে সীমানা বন্ধও করে দেয়।
অন্য দিকে, দক্ষিণ ইউরোপের দেশগুলো সংহতি প্রকাশে ব্যর্থতার জন্য উত্তর ইউরোপের প্রতিবেশীদের সমালোচনা করে। ইতালি ও গ্রিস ভূমধ্যসাগরীয় শরণার্থীদের উদ্ধারে টহল জোরদার ও অভিবাসীদের আশ্রয় দিতে অধিক তহবিল দাবি করেছে। এরা ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভিবাসন কোটা প্রবর্তনেরও দাবি করেছে। অথচ এ দাবি মধ্য ও পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলো প্রত্যাখ্যান করে স্বেচ্ছাসেবী ভিত্তিতে শরণার্থী বিতরণ করা উচিত বলে মত প্রকাশ করছে।
অভিবাসন সঙ্কট শেনজেনের সদস্যদের মধ্যে এবং শেনজেন অ-সদস্য প্রতিবেশীদের মধ্য বিরোধ সৃষ্টি করছে। সম্প্রতি অভিবাসীদের ফরাসি বন্দর থেকে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে চেষ্টার জন্য ফ্রান্সকে অভিযুক্ত করে যুক্তরাজ্য। তবে সার্বিয়ার সাথে হাঙ্গেরির সীমান্তে বেড়া নির্মাণ এবং সীমানা সামরিকীকরণের হুমকি দেয়া ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার সবচেয়ে দৃশ্যমান একটি উদাহরণ ছিল।
অভিবাসন বেড়ে যাওয়া এবং শেনজেনের ত্রুটি
ইউরোপীয় ইউনিয়ন এখন দু’টি ওভারল্যাপিং সমস্যার মোকাবেলা করছে। এক দিকে ইইউকে একটি নতুন অভিবাসননীতি অবলন্বের জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে। ইইউ সদস্যদের মধ্যে অভিবাসন আইন সংস্কারের জন্য একাধিক বৈঠক হয়েছে। জার্মানি কয়েক মাস আগেও এ সংক্রান্ত ডাবলিন প্রবিধান পরিবর্তনে অনিচ্ছুক ছিল। সে দেশটিই এখন তাতে পরিবর্তন আনতে নেতৃত্ব দিচ্ছে। এই প্রক্রিয়া অনুযায়ী অভিবাসী প্রথম যে দেশে এসেছেন, সেখান থেকে আশ্রয় প্রার্থনার কার্যক্রম শুরু করতে হবে। জার্মানি নিজে এই বছরে আট লাখ শরণার্থী নেবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে, অথচ এর মধ্যে সেখানকার অভিবাসী আশ্রয়ীর ওপর আক্রমণের ঘটনা বাড়ছে।
বার্লিনের প্রস্তাব হলো নিরাপদ বিবেচিত দেশের একটি সাধারণ তালিকা করতে হবে যেসব দেশের নাগরিকদের ইউরোপীয় ইউনিয়নে আশ্রয় দেয়ার আবেদন মঞ্জুর করা হবে না। এ তালিকার মধ্যে আলবেনিয়া ও ম্যাসেডোনিয়ার মতো পশ্চিম বলকান অঞ্চলের দেশ অন্তর্ভুক্ত করা হবে, যারা গৃহযুদ্ধ থেকে বাঁচতে আশ্রয়ের জন্য অনুরোধ জানানোর মতো গুরুতর মানবিক সঙ্কটের মুখোমুখি নয়। জার্মানির দ্বিতীয় প্রস্তাবটি হলো অভিবাসীদের চিহ্নিত করা, তাদের আবেদন প্রক্রিয়াকরণের জন্য অধিক তহবিল বরাদ্দ এবং গ্রিস ও ইতালিতে এ সংক্রান্ত কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা। সবশেষে, বার্লিন ইউরোপীয় ইউনিয়নজুড়ে সব দেশে অভিবাসীর আনুপাতিক বিতরণের প্রস্তাবকে এগিয়ে নিতে চায়।
জার্মানির উত্থাপিত প্রতিটি পয়েন্ট নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হয়। অভিবাসনের একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কারা যুক্তিগ্রাহ্য আশ্রয়প্রার্থী এবং কারা অর্থনৈতিক অভিবাসী তা চিহ্নিত করা হয়। ভূমধ্যসাগরীয় ইউরোপের বেশির ভাগ দেশের অর্থ ও জনবল সঙ্কটের জন্য অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়িত করা জটিল হয়ে দাঁড়ায়। উপরন্তু, ভূমধ্যসাগরীয় দেশগুলো শুধু মহাদেশজুড়ে অভিবাসীদের পুনর্বিতরণ করার সুস্পষ্ট ব্যবস্থা ছাড়াই জরুরি পরিস্থিতিতে তাদের সীমানায় অভিবাসন সেন্টার করেছে। মধ্য ও পূর্ব ইউরোপীয় বেশ কিছু দেশ অভিবাসীদের বাধ্যতামূলক কোটা প্রবর্তনে ইউরোপীয় কমিশনের সাম্প্রতিক পরিকল্পনার বিরোধিতা করছে। এই বিরোধিতার সহজে অবসান হবে বলেও মনে হচ্ছে না।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের দ্বিতীয় সমস্যা হলো, শেনজেন চুক্তি নিয়ে করণীয় সম্পর্কে সিদ্ধান্তে আসা। এই চুক্তি অনুসারে অবৈধ অভিবাসীদের পক্ষে শেনজেন সদস্য দেশগুলোর মধ্যে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার সুযোগ রয়েছে। আর এতে কিছু নিরাপত্তা প্রশ্নও উত্থাপিত হচ্ছে। বেশ কিছু সদস্য দেশ ইউরোপে পৌঁছা হাজার হাজার অভিবাসীর মধ্যে কিছু সন্ত্রাসী থাকতে পারে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। ফ্রান্সের সন্ত্রাসী ঘটনার পর এই উদ্বেগ আরো জোরালোভাবে প্রকাশ করা হচ্ছে। এ ঘটনার আক্রমণকারী ফ্রান্স থেকে বেলজিয়ামে চলে গেছে বলে উল্লেখ করা হচ্ছে। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা বিলোপ করার ফলে বস্তুত সম্ভাব্য নিরাপত্তা হুমকি শনাক্ত করার একটি স্তর বিদায় হয়ে গেছে।
কট্টর জাতীয়তাবাদী দলের উত্থানও শেনজেন চুক্তির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফিনল্যান্ডে একটি জাতীয়তাবাদী দল ইতোমধ্যে সরকারি জোটের সদস্য হয়েছে। ইউরো থেকে বের হয়ে যাওয়ার পক্ষের অভিবাসন-বিরোধী দল ডেনমার্ক, সুইডেন ও হাঙ্গেরির মতো দেশে প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে। ফ্রান্সে সব মতামত জরিপে উঠে আসছে ইউরো-বিরোধী ন্যাশনাল ফ্রন্ট ২০১৭ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দ্বিতীয় রাউন্ড পর্যন্ত চলে যেতে পারে। এই জাতীয়তাবাদী দলগুলোর সবাই বিশ্বাস করে, তাদের নিজ দেশের জাতীয় অভিবাসন আইন কঠোরতর করতে হবে এবং শেনজেন চুক্তি বিলুপ্ত না করলেও এতে বড় রকমের সংশোধনী আনতে হবে।
শেনজেন চুক্তির ভবিষ্যৎ
ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্ভবত শিগগিরই শেনজেন চুক্তি ছেড়ে যাবে না। সমালোচনা সত্ত্বেও চুক্তিটির কারণে ইউরোপজুড়ে পণ্য পরিবহনে খরচ কমে গেছে । আন্তর্জাতিক সীমানা পার করার জন্য ট্রাকের আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় না। সীমানা পার হতে পাসপোর্ট এবং ভিসার আর প্রয়োজন হয় না বলে এটি পর্যটক এবং সীমান্ত শহরে বসবাসকারী মানুষের উপকারে আসে। সবশেষে এই চুক্তি সরকারগুলোর সামনে অনেক অর্থ সাশ্রয়ের সুযোগ এনে দিয়েছে। তাদের আর ভূখণ্ডের সীমানা পাহারা দেয়ার প্রয়োজন হচ্ছে না।
এর পরও সম্ভবত দেশের সীমানা নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রবর্তন করার জন্য সংস্কার আনা হবে শেনজেন চুক্তির। শেনজেনে স্বাক্ষরকারী সদস্য দেশগুলো জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকির মতো অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতে নিজেদের সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ সাময়িকভাবে পুনঃপ্রবর্তন করার ব্যাপারে একমত হতে পারে। এর প্রথম পদক্ষেপ ২০১৩ সালে নেয়া হয়েছিল; কিন্তু তখনকার সংস্কারের আওতায় ইউরোপীয় কমিশনের সাথে পরামর্শক্রমে সর্বাধিক ১০ দিনের জন্য সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রবর্তন করার ব্যবস্থা করা হয়। সেটাকে স্পষ্টভাবে সীমিত করা হয়েছিল অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা হুমকির ক্ষেত্রে, অভিবাসন ঠেকানোর কোনো বিষয় সেখানে ছিল না।
২০১৬ সালেই ইইউ সদস্য দেশগুলোকে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণে আরো ক্ষমতা ও নিজস্ব সিদ্ধান্তের এখতিয়ার দেয়া হতে পারে। উত্তর ইউরোপে ইইউ দেশগুলো কার্যকরভাবে তাদের সীমানা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হলে তাদের সদস্যপদ স্থগিত রাখা অথবা তাদের ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমানার বাইরে ঠেলে দেয়া হতে পারে। এ সময় নতুন ইইউ সদস্য দেশগুলোর জন্য শেনজেন অঞ্চলে প্রবেশ কঠিন হতে পারে। রোমানিয়া ও বুলগেরিয়ার মতো দেশগুলো প্রায় এক দশক ধরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হলেও তারা এখনো শেনজেনে যোগদানের জন্য অপেক্ষা করছে। তাদের জোনে গ্রহণ করতে কিছু দেশ থেকে প্রতিবন্ধকতা আসতে পারে।
এমনকি শেনজেন চুক্তির একটি যথোপযুক্ত সংস্কার না হলে সদস্য দেশগুলো ট্রেন ও বাসস্টেশনে এবং বিমানবন্দরে পুলিশ নিয়ন্ত্রণ আরো ব্যাপকতর করতে পারে। বেশ কিছু দেশ আগে থেকেই, ট্রেন ও বাসে আকস্মিকভাবে পুলিশি নিয়ন্ত্রণ চালিয়ে যাচ্ছে । এটি সামনে আরো বাড়তে পারে। রক্ষণশীল দলগুলোর চাপে অনেক ইইউ দেশ বিশেষত উত্তর ইউরোপের দেশগুলো তাদের অভিবাসন আইন কঠোর করতে পারে, যাতে নতুনরা সহজে অভিবাসীদের ওয়েলফেয়ারের সুযোগ নিতে না পারে।
বলা যায়, শেনজেন চুক্তি দুর্বল হওয়ার অর্থ জনগণের অবাধ চলাচলের সুযোগও দুর্বল হয়ে পড়া, যেটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি মুখ্য অর্জন ছিল। চুক্তি করা এবং অবাধ চলাচলের সুযোগ দেয়ার নীতিমালা এক জিনিস নয়। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের অস্তিত্ব থাকুক বা না থাকুক যেকোনো ইইউ নাগরিকের সদস্য রাষ্ট্রে থাকা বা ট্রানজিট লাভের অধিকার রয়েছে; কিন্তু শেনজেন চুক্তির নকশা তৈরি করা হয়েছিল মানুষের অবাধ চলাচল জোরদার এবং সীমানা ছাড়া একটি মহাদেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে। বলার অপেক্ষা রাখে না, শেনজেন চুক্তির সম্ভাব্য সংস্কার এই মৌলিক নীতির ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলবে। একবার যদি মৌলিক নীতি দুর্বল হয় তাহলে অন্যান্য অর্জন একইভাবে সঙ্কুচিত করার দরজা খুলে যাবে। এর মধ্যে ইউরোর পাশাপাশি আবার জাতীয় মুদ্রা চালুর দাবিও উঠেছে কোনো কোনো দেশে। তবে এখনকার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান হুমকি হলো জনগণের মুক্ত চলাচলের সুযোগ কমে যাওয়া। যার ফলে পণ্যের মুক্ত প্রবাহও দুর্বল হয়ে পড়বে, যার অনিবার্য পরিণতি হবে বর্তমান অবয়বে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবসান ঘটা। আর ফেডারেল ইউরোপ গড়ার স্বপ্নও এতে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যেতে পারে।
mrkmmb@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
-
▼
2016
(3416)
-
▼
January
(576)
-
▼
Jan 22
(11)
- ব্যাংকঋণের সুদ ও সঞ্চয়পত্রের মুনাফা by আলী ইমাম মজ...
- শোক পালন, মাথা না নোয়াবার প্রত্যয়
- সুরেলা গানে মিলল নতুন প্রজাতির পাখি
- পুলিশি তল্লাশি এবং তদন্তের নির্মমতা by গোলাম মাওলা...
- পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় ভারতের প্রতিক্রিয়া
- ইন্টারনেট এখন মৌলিক চাহিদা
- আগাম নির্বাচন দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী -সাক্ষাৎকা...
- বিলুপ্তির পথে এগোতে পারে ইইউ by মাসুম খলিলী
- ‘আমার অনুতাপ নেই, কিন্তু লোকজন অদ্ভুত দৃষ্টিতে তাকায়’
- নারায়ণগঞ্জে ৫ খুন- আদালতে নৃশংস বর্ণনা ঘাতকের by ব...
- পার্বত্য চট্টগ্রামে গণমানববন্ধন! by ইলিরা দেওয়ান
-
▼
Jan 22
(11)
-
▼
January
(576)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment