Wednesday, June 26, 2013
গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা by এমাজউদ্দীন আহমদ
গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা by এমাজউদ্দীন আহমদ
এক.
উপমহাদেশের এ অঞ্চলে গণতান্ত্রিক আদর্শ বরাবর ছিল প্রেরণার উৎস। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বরাবরই জনগণের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য। এ জন্য জনগণ সংগ্রাম করেছে। রক্তাক্ত সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জন করেছে লক্ষ্য।
উপমহাদেশের এ অঞ্চলে গণতান্ত্রিক আদর্শ বরাবর ছিল প্রেরণার উৎস। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বরাবরই জনগণের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য। এ জন্য জনগণ সংগ্রাম করেছে। রক্তাক্ত সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জন করেছে লক্ষ্য।
ব্রিটিশ-ভারতে বাঙালিরাই ছিল
গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ফ্রন্ট লাইনে। উনিশ শতকের শেষ ভাগ থেকে শুরু করে বিশ
শতকের দ্বিতীয় দশক পর্যন্ত সর্বভারতীয় পর্যায়ে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন এক
অর্থে ছিল বাঙালিদের গণতান্ত্রিক আন্দোলন। দ্বিতীয় দশকের পরই এ আন্দোলনের
নেতৃত্ব যায় বাংলার বাইরে।
১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব পূর্ব বাংলার জনগণের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে তার গণতান্ত্রিক সুরের জন্য। এ প্রস্তাবের মর্মবাণী একদিকে যেমন জাতীয় নিয়ন্ত্রণের অধিকার, অন্যদিকে তেমনি গণতন্ত্রের সার্বিক স্বীকৃতি। লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে ভারত বিভক্ত হয়। সৃষ্টি হয় পাকিস্তানের। পাকিস্তানের সৃষ্টিলগ্ন থেকেই পূর্ব বাংলায় গণতন্ত্রের বিকাশ এবং তার সার্থক প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ রাজনৈতিক মহলের গুরুত্বপূর্ণ দাবিতে রূপান্তরিত হয়। ১৯৪৭ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত পূর্ব বাংলায় যেসব আন্দোলন গণমনে উন্মাদনা সৃষ্টি করে, সেগুলোর প্রতিটির মূল প্রোথিত ছিল গণতান্ত্রিক চেতনায়।
মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে গঠিত বিরোধী দলগুলোর যে মোর্চা গঠিত হয় ১৯৫৪ সালে, সেই যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা কর্মসূচির সাতটি দফাই (৫, ৭, ১১, ১৪, ১৫, ২০, ২১) ছিল পূর্ব বাংলায় সংসদীয় গণতন্ত্রের সুষ্ঠু কার্যকারিতা সম্পর্কিত। যষ্ঠ দশকে আওয়ামী লীগের ছয় দফার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে বাঙালিদের জাতীয় আন্দোলনে রূপ লাভ করে। ছয় দফা কর্মসূচির প্রথম দফা ছিল এ দেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের রূপরেখাসম্পর্কিত। লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সদস্যদের সমন্বয়ে জাতীয় সংসদের প্রাধান্য এবং জাতীয় সংসদের কাছে দায়ী মন্ত্রিপরিষদ ছিল এর মূল বক্তব্য। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের ফলকে প্রত্যাখ্যান একাত্তরের স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রত্যক্ষ কারণ। স্বাধীনতাসংগ্রামের অগি্নঝরা দিনগুলোয় গণতন্ত্রের প্রতি আকর্ষণ জাতির প্রাণশক্তিকে সঞ্জীবিত রাখে। স্বাধীনতাযুদ্ধে এক রক্তের নদী সাঁতার দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা তুলে আনেন স্বাধীনতার লাল গোলাপ।
রক্তাক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে যা আশা করা হয়েছিল তাই হলো। নতুন রাষ্ট্রের সূচনালগ্নেই জনগণ লাভ করে গণতান্ত্রিক সংবিধান। ১৯৭২-এর সাময়িক সংবিধান আদেশে (Provisional Constitution Order 1972) বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয় সংসদীয় গণতন্ত্র। সংসদের কাছে দায়ী মন্ত্রিপরিষদ হলো রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু। ১৯৭২-এর সংবিধানে সে ধারা অব্যাহত রইল। ১৯৭২-এর সংবিধানের মূল সুর সংসদীয় গণতন্ত্র। প্রাপ্ত বয়স্কদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ এবং জাতীয় সংসদের কাছে দায়ী মন্ত্রিপরিষদ এ সংবিধানের মৌল বক্তব্য। মনে হয়েছে, এ জাতির এত দিনের প্রত্যাশা পূর্ণ হলো। কিন্তু এ অবস্থা বেশি দিন টেকেনি। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে সে কাঙ্ক্ষিত ব্যবস্থা এক পা দুই পা করে কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হলো। ১৯৭৫-এর ২৫ জানুয়ারি সংসদীয় ব্যবস্থার পরিবর্তে প্রবর্তিত হয় রাষ্ট্রপতিক সরকারের নামে 'রাষ্ট্রপতিক কর্তৃত্ববাদ' (Presidential Leviathan)। বহুদলীয় ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে সৃষ্টি করা হয় একদলীয় ব্যবস্থা। বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রথম অধ্যায়টির সমাপ্তি এভাবে ঘটে।
দীর্ঘ ১৬ বছর পর বাংলাদেশে আবার শুরু হয়েছে সংসদীয় গণতন্ত্রের জয়যাত্রা। ৯ বছর পর বাংলাদেশে স্বৈরাচারের পতন ঘটে, ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ সালে। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে, নিরপেক্ষ সরকারের তত্ত্বাবধানে ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। নির্বাচিত জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধন আইন, ৬ আগস্ট ১৯৯১, অভূতপূর্ব সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশে আবারও প্রবর্তিত হলো সংসদীয় গণতন্ত্র। এ অঞ্চলে গণতন্ত্র কি শুধু রাজনৈতিক আদর্শ? গণতন্ত্র বিকাশের জন্য কেমন পরিবেশের প্রয়োজন? গণতান্ত্রিক সরকার হলো দায়িত্বশীল সরকার। সরকারের দায়িত্বশীলতা কিভাবে সুনিশ্চিত হবে? এ সংক্ষিপ্ত নিবন্ধে এসব প্রশ্নের পর্যালোচনা করা হয়েছে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত আকারে।
দুই.
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মৌল অঙ্গীকার
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এ দেশি নয়। এটি বিদেশি। মানব সভ্যতায় পাশ্চাত্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান গণতন্ত্র। পাশ্চাত্যেই এর সূচনা হয়। পাশ্চাত্যেই এর সার্থক বিকাশ ঘটেছে। অবশ্য এ ব্যবস্থা এখন শুধু পাশ্চাত্যেই সীমিত নয়। এখন সর্বজনীন ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে গণতন্ত্র। তাই এর লক্ষ্য, কাঠামো, অঙ্গীকার বিশ্লেষণ ক্ষেত্রে আমাদের বারবার ফিরে যেতে হবে তার সূতিকাগারে, তার জন্মস্থানে।
পাশ্চাত্যে উদারনৈতিক গণতন্ত্র (Liberal Democracy) কার্যকর রয়েছে দুটি মৌল অঙ্গীকারের ভিত্তিতে :
১. সরকার যে কর্তৃত্ব প্রয়োগ করে তা ন্যাসী কর্তৃত্ব (Trust) এক আমানতস্বরূপ। সমাজ কর্তৃক অনুমোদিত পন্থায় এবং সমাজের পক্ষে সরকার এ কর্তৃত্ব প্রয়োগ করে। এ ক্ষেত্রে সরকার যদি ব্যর্থ হয় অথবা সমাজ যদি মনে করে অনুমোদিত পন্থায় সরকার কর্তৃত্ব প্রয়োগ করেনি অথবা করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাহলে স্বেচ্ছায় সরকার পদত্যাগ করে। স্বেচ্ছায় অন্য রাজনৈতিক দলের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়। গণতন্ত্রে সরকার পরিবর্তনে বলপ্রয়োগ বা সন্ত্রাসের কোনো স্থান নেই। বিধি-বিধানের কাঠামোয় শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য।
অন্য কথায়, রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রকৃতি, রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রয়োগ পদ্ধতি, কর্তৃত্ব প্রয়োগকারীর বৈশিষ্ট্য, কর্তৃত্ব প্রয়োগে ব্যর্থতার রূপ এবং ব্যর্থ হলে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পর্কে গণতান্ত্রিক সমাজে রয়েছে ঐকমত্য। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ ঐকমত্যের পরিচয় মেলে প্রথায় বা কনভেনশনে। কোথাও বা তা বিধিবদ্ধ রয়েছে সংবিধানে। সব ক্ষেত্রে অবশ্য এ ঐকমত্য সর্বজনবিদিত। রাজনৈতিক ব্যবস্থার সর্বত্র থাকে ঐকমত্যের সুস্পষ্ট ছাপ।
২. গণতন্ত্রের প্রকৃত শাসন হলো আইনের শাসন। কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের শাসন নয়। এ ক্ষেত্রে আইনের প্রাধান্যই মূলকথা। আইন প্রণয়ন, আইনের পরিবর্তন বা সংশোধন সম্পন্ন হয় জনপ্রতিনিধি কর্তৃক, সংসদে। প্রণীত আইন মেনে চলা সবার জন্য বাধ্যতামূলক। মন্দ হলেও তা মেনে চলতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত তার পরিবর্তন বা সংশোধন সম্পন্ন না হয়। অন্য কথায়, সমাজে সব কিছুর নিয়ামক আইন। সমাজে সব শ্রেণী এবং গ্রুপের স্বার্থ সংরক্ষণ করে আইন। পুরস্কার বা বঞ্চনা, পদোন্নতি বা পদচ্যুতি, লাভ বা লোকসান সব কিছু নির্ধারণ করে আইন, তা তিনি যত উঁচু পদে অধিষ্ঠিত থাকুন না কেন। মোটকথা, গণতান্ত্রিক সমাজে শাসন হলো আইনের শাসন। কোনো ব্যক্তি বিক্ষুব্ধ হলে তিনি আইনের আশ্রয় লাভ করতে পারেন। এর প্রতিবিধানে অগ্রসর হতে পারেন। কোনো কিছু পেতে হলে গণতান্ত্রিক সমাজে কেউ ব্যক্তির দিকে তাকায় না। তাকায় আইনের দিকে।
দুটি মৌল অঙ্গীকার ছাড়াও অন্য দুটি কারণে পাশ্চাত্যে উদারনৈতিক গণতন্ত্র সার্থক হয়ে উঠেছে। ১. গণতান্ত্রিক সমাজ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে জারিত। সামাজিক পরিবেশে যুক্তির জোর স্বীকৃত। জোরের যুক্তি গণতন্ত্রে অচল। ব্যক্তিগত বুদ্ধির বলে অগ্রসর হয় ব্যক্তি, কিন্তু সামাজিক অগ্রগতির জন্য প্রয়োজন হয় সমষ্টিগত প্রজ্ঞা। সমষ্টিগত প্রজ্ঞায় কোনো দলের নেই একচেটিয়া অধিকার। রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সাফল্যের জন্যও নেই কোনো দলের একক কৃতিত্ব। সার্বিক প্রচেষ্টায় গণতন্ত্র সার্থক হয়। ২. গণতান্ত্রিক সমাজে সামাজিক উপত্যকা মোটামুটি সমতল। পীড়নমূলক স্তর বিন্যাসে সমাজজীবন অতিষ্ঠ নয়। সমাজে এক ধরনের সাম্য সবার চোখে পড়ে। তার ফলে একজন অন্যকে শ্রদ্ধা করে, অন্যের মতকে শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করে, যদিও তার মত ভিন্ন। একজন অন্যের কাজকে সম্মানের দৃষ্টিতে দেখে। অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা এমনভাবে বিন্যস্ত যে সমাজের সব শ্রেণী বা গ্রুপ জীবনের সর্বনিম্ন প্রয়োজন সম্পর্কে নিশ্চিত। ধনী-নির্ধন বা বড়-ছোটর মধ্যে ব্যবধান রয়েছে বটে, কিন্তু জীবনযাত্রার নূ্যনতম প্রয়োজন সম্পর্কে জনগোষ্ঠীর বৃহত্তর অংশ নিশ্চিত হয়েছে। গণতান্ত্রিক সমাজে কাউকে মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হতে হয় না।
সরকারের দায়িত্বশীলতা
গণতন্ত্রের মৌল অঙ্গীকার থেকেই উদ্ভূত সরকারের দায়িত্বশীলতা। ন্যস্ত কর্তৃত্ব সরকার প্রয়োগ করবে বিধি-বিধানের কাঠামোয়, আলোচনা-পর্যালোচনার পর, মুক্ত আলোয় এবং সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা মূলত দলীয় ব্যবস্থা। সর্বাধিকসংখ্যক জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নীতি এবং কর্মসূচি বাছাইয়ের জন্য অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচন। নির্বাচনে বিভিন্ন দল তাদের নীতি এবং কর্মসূচির পসরা নিয়ে উপস্থিত হয় জনগণের সামনে। নির্বাচনে যেমন বাছাই করা হয় ব্যক্তি এবং ব্যক্তির সমন্বয়ে দল, তেমনি বাছাই করা হয় নীতি ও কর্মসূচি। সংখ্যাগরিষ্ঠ দল এবং তার নীতি ও কর্মসূচি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অর্জন করে জাতীয় চরিত্র। লাভ করে ন্যস্ত রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রয়োগের অধিকার।
অধিকার একটি সামাজিক প্রত্যয়। সমাজজীবনে তা প্রযোজ্য এবং সমাজে দাবির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে তাই হয় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব বিভিন্ন রূপে নানা প্রক্রিয়ায় প্রকাশিত। রাজনৈতিক, আর্থিক, প্রশাসনিক ও নৈতিক কর্তব্যের আকারে সরকারের দায়িত্ব প্রাণ পায়।
রাজনৈতিক দায়িত্ব
রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রয়োগে সংসদীয় সরকারের পন্থা সুনির্দিষ্ট, সংবিধান কর্তৃক সুনিয়ন্ত্রিত। নির্বাহী কর্তৃত্ব ন্যস্ত। মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা সরকারের নীতি ও কর্মসূচির জন্য ব্যক্তিগত এবং যৌথভাবে দায়ী থাকে সংসদের কাছে ও চূড়ান্ত পর্যায়ে জনগণের কাছে। সংসদীয় ব্যবস্থায় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু সংসদ। নীতি নির্ধারিত হয় সংসদে। নির্বাহী কর্তৃত্বের ভিত্তিভূমি সংসদই। মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা তাই দলের নীতি ও কর্মসূচির কাঠামোয় সংসদের কাছে দায়ী থেকে কর্তৃত্ব প্রয়োগ করেন। সংসদের অব্যাহত আস্থাই মন্ত্রিপরিষদের প্রাণশক্তি।
সরকারের রাজনৈতিক দায়িত্বশীলতার দুটি উল্লেখযোগ্য দিক রয়েছে। ১. সংসদীয় ব্যবস্থায় সংসদই রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র। সরকারের প্রধান দায়িত্ব তাই রাজনীতিকে সংসদীয় কার্যক্রমে পুরোপুরি ধারণ করা। জাতীয় পর্যায়ে নীতি নির্ধারণ, সৃজনশীল বিশ্লেষণ, আলোচনা-পর্যালোচনা-সমালোচনার মূল প্রবাহকে সংসদে সীমিত রাখা। জাতীয় শক্তির দুর্বার ধারার মূলস্রোতকে সংসদে আবদ্ধ রাখা। সংসদে সব সমস্যার সমাধান হয় না বটে, সব বিষয়ে দিকনির্দেশনা কিন্তু আসতে হবে সংসদ থেকেই। সংসদীয় ব্যবস্থায় রাজনীতি এক অর্থে সংসদে বন্দি। রাজপথে তা আর নেমে আসে না। মিছিলে মিছিলে রাজপথ প্রকম্পিত হয় না। হরতাল-ধর্মঘটে অফিস-আদালত হয় না প্রাণহীন। সন্ত্রাসের কবলে পড়ে না জনজীবন। সরকারের দায়িত্বশীলতা ও কৃতিত্বের অন্যতম মানদণ্ড হলো জাতীয় রাজনীতিকে সংসদ কক্ষে নিয়ন্ত্রণ করার দক্ষতা।
শুধু ক্ষমতাসীন দলের পক্ষে অবশ্য এটি সম্ভব নয়। তাই সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের সার্বিক রূপের প্রকাশ ঘটে সরকারি ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে। সরকারি দলের থাকে মন্ত্রিপরিষদ বা কেবিনেট। বিরোধী দলের থাকে ছায়া কেবিনেট। একটি কায়া বটে, অন্যটি ছায়া। দুটি মিলে সরকারের সামগ্রিক রূপ। সরকারি দলের নেতা সংসদের নেতা। তেমনি বিরোধী দলের নেতারও রয়েছে সাংবিধানিক মর্যাদা। তিনিও একজন মন্ত্রীর পদমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি। সরকারি ব্যয়ে তাঁরও আবাসিক এবং অন্যান্য সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়।
সংসদীয় ব্যবস্থায় বিরোধী দল বিকল্প সরকার। ক্ষমতাসীন দল ব্যর্থ হলে সে শূন্যস্থান পূরণ করে বিরোধী দল। তাই সংসদীয় ব্যবস্থায় রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রয়োগের যে দায়িত্ব তার একটা বড় অংশ বিরোধী দলের। রাজনীতি যেন রাজপথে না যায় তার সিংহভাগ দায়িত্ব বিরোধী দলের। রাজনীতি একবার রাজপথে নামলে সংসদীয় ব্যবস্থা অন্তঃসারশূন্য হয়ে ওঠে।
২. সংসদীয় ব্যবস্থা যেহেতু দলীয় ব্যবস্থা, তাই কর্তৃত্ব প্রয়োগের সময় ক্ষমতাসীন দলকে মনে রাখতে হবে- এ ক্ষমতা সীমিত এবং সাময়িক। সংসদীয় ব্যবস্থার সূতিকাগার হিসেবে চিহ্নিত ব্রিটেনে হিসাব করে দেখা গেছে, কেবিনেটের গড় আয় সাড়ে তিন বছরের কিছু কম। মেয়াদ পূর্ণ করলেও নির্বাচনে কেবিনেটের সাফল্য-ব্যর্থতা, কৃতিত্ব-অদক্ষতা জনগণের বিচারের জন্য উন্মুক্ত হয়। নির্বাচনে যে নীতি ও কর্মসূচি আজকে জনগণকে আকর্ষণ করল না, আগামীকাল হয়তো তা-ই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে। তাই সংসদীয় ব্যবস্থায় ক্ষমতাসীন এবং বিরোধী দল ক্ষমতালাভের পথকে সুগম করে তোলে। তাই বিরোধী দলের সমালোচনাকে 'জনস্বার্থবিরোধী' অথবা 'ধ্বংসাত্মক' বলার অধিকার সরকারের নেই। দেশপ্রেম ও জনসেবার একচেটিয়া অধিকার সমাজ কোনো দলকে দেয়নি। তবে সমালোচনার ধরন, ভাষা ও ভাব সম্পর্কে সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে সহমত প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। সমালোচনার উত্তাপে জনজীবন যেন জ্বলেপুড়ে নিঃশেষ না হয়, বিরোধিতার প্রবল স্রোতে রাজনৈতিক শুচিতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ যেন ভেসে না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
সংসদীয় সরকার প্রধানত আলোচনা-পর্যালোচনার সরকার। জাতীয় পর্যায়ে সব নীতি সম্পর্কে সংসদে অনুষ্ঠিত হতে হবে চুলচেরা বিশ্লেষণ, আলোচনায় সবাইকে একমত হতে হবে, এমন কথা নয়। রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা, বৈদেশিক সম্পর্ক এবং জাতীয় স্বার্থ, আইনশৃঙ্খলা সংরক্ষণসম্পর্কিত বিষয় ছাড়া প্রায় প্রতিটি সামাজিক সমস্যায় থাকে ভিন্ন মত। এ জন্যই রাজনীতি এবং রাজনৈতিক কার্যকলাপ। ৬ আগস্টে গৃহীত দ্বাদশ সংশোধন আইন সংসদে যে পরিবেশে গৃহীত হয়, তা ব্যতিক্রমধর্মী। সব বিষয়ে থাকবে ভিন্ন মত, বিভিন্ন মতাদর্শ। তাই সিদ্ধান্তের জন্য সংসদীয় ব্যবস্থায় সংখ্যাগরিষ্ঠের মতই মুখ্য। এ বিষয়ে ক্ষমতাসীন দল যতটুকু অবহিত থাকবে, সংখ্যালঘুর অনুধাবন করতে হবে তার চেয়ে অনেক বেশি। বিরোধিতার চ্যালেঞ্জের মুখে সংখ্যাগুরুর এ অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়া দায়িত্বহীনতার নামান্তর।
তবে সংখ্যাগরিষ্ঠের এও লক্ষ্য থাকবে, সমস্যাটির সব দিকের আলোচনা যেন সম্পূর্ণ হয়। বিষয়টি যেন জনকল্যাণের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হয়। তা ছাড়া সংসদকে এড়িয়ে জাতীয় স্বার্থে অপরিহার্য না হলে কোনো অধ্যাদেশ প্রণয়নও দায়িত্বহীনতার নামান্তর।
দায়িত্বশীলতার অন্যতম প্রধান সূত্র জনগণের প্রতি দায়িত্ব পালন। এর যেমন বর্তমান আছে, তেমনি রয়েছে ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও দৃষ্টিভঙ্গি। নির্বাচনব্যবস্থার উৎকর্ষের ফলে মন্ত্রিপরিষদ আজ জনগণের প্রত্যক্ষ প্রতিনিধি। তাই সংসদের প্রতি যেমন সরকার দায়িত্বশীল, তেমনি দায়িত্বশীল জনগণের প্রতিও। ব্রিটিশ ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে স্যার উইলিয়াম অ্যানসন (Sir William Anson) বলেন, 'গত ১০০ বছরে কেবিনেটের উৎপত্তি এবং রাজার ক্ষমতার বিলুপ্তির প্রক্রিয়ায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। প্রথমে তা রাজা-রানির কাছ থেকে আসে কমন্স সভায়। এখন কমন্স সভা থেকে নেমে এসেছে ভোটদাতা পর্যায়ে।' ফলে সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের দায়িত্বশীলতার অভিব্যক্তি দেখা যায় ত্রিবিধ প্রক্রিয়ায় : ক. সরকার জনগণের দ্বারা অনুমোদিত। খ. সরকারের কর্মসূচি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত। গ. কেবিনেট সংসদের কাছে যতটুকু দায়ী, ঠিক ততটুকু দায়ী জনগণের কাছে।
বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে জনগণের কাছে সরকারের দায়িত্বশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু জনগণের জন্য নয়, সংসদীয় ব্যবস্থার স্থায়িত্বের জন্যও। এসব দেশে গণতন্ত্রের শুরু অনেক। গণতন্ত্রের পথ বড় বন্ধুর।
লেখক : সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব পূর্ব বাংলার জনগণের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে তার গণতান্ত্রিক সুরের জন্য। এ প্রস্তাবের মর্মবাণী একদিকে যেমন জাতীয় নিয়ন্ত্রণের অধিকার, অন্যদিকে তেমনি গণতন্ত্রের সার্বিক স্বীকৃতি। লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে ভারত বিভক্ত হয়। সৃষ্টি হয় পাকিস্তানের। পাকিস্তানের সৃষ্টিলগ্ন থেকেই পূর্ব বাংলায় গণতন্ত্রের বিকাশ এবং তার সার্থক প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ রাজনৈতিক মহলের গুরুত্বপূর্ণ দাবিতে রূপান্তরিত হয়। ১৯৪৭ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত পূর্ব বাংলায় যেসব আন্দোলন গণমনে উন্মাদনা সৃষ্টি করে, সেগুলোর প্রতিটির মূল প্রোথিত ছিল গণতান্ত্রিক চেতনায়।
মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে গঠিত বিরোধী দলগুলোর যে মোর্চা গঠিত হয় ১৯৫৪ সালে, সেই যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা কর্মসূচির সাতটি দফাই (৫, ৭, ১১, ১৪, ১৫, ২০, ২১) ছিল পূর্ব বাংলায় সংসদীয় গণতন্ত্রের সুষ্ঠু কার্যকারিতা সম্পর্কিত। যষ্ঠ দশকে আওয়ামী লীগের ছয় দফার আন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে বাঙালিদের জাতীয় আন্দোলনে রূপ লাভ করে। ছয় দফা কর্মসূচির প্রথম দফা ছিল এ দেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের রূপরেখাসম্পর্কিত। লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সদস্যদের সমন্বয়ে জাতীয় সংসদের প্রাধান্য এবং জাতীয় সংসদের কাছে দায়ী মন্ত্রিপরিষদ ছিল এর মূল বক্তব্য। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের ফলকে প্রত্যাখ্যান একাত্তরের স্বাধীনতাযুদ্ধের প্রত্যক্ষ কারণ। স্বাধীনতাসংগ্রামের অগি্নঝরা দিনগুলোয় গণতন্ত্রের প্রতি আকর্ষণ জাতির প্রাণশক্তিকে সঞ্জীবিত রাখে। স্বাধীনতাযুদ্ধে এক রক্তের নদী সাঁতার দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা তুলে আনেন স্বাধীনতার লাল গোলাপ।
রক্তাক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে যা আশা করা হয়েছিল তাই হলো। নতুন রাষ্ট্রের সূচনালগ্নেই জনগণ লাভ করে গণতান্ত্রিক সংবিধান। ১৯৭২-এর সাময়িক সংবিধান আদেশে (Provisional Constitution Order 1972) বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয় সংসদীয় গণতন্ত্র। সংসদের কাছে দায়ী মন্ত্রিপরিষদ হলো রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু। ১৯৭২-এর সংবিধানে সে ধারা অব্যাহত রইল। ১৯৭২-এর সংবিধানের মূল সুর সংসদীয় গণতন্ত্র। প্রাপ্ত বয়স্কদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত জাতীয় সংসদ এবং জাতীয় সংসদের কাছে দায়ী মন্ত্রিপরিষদ এ সংবিধানের মৌল বক্তব্য। মনে হয়েছে, এ জাতির এত দিনের প্রত্যাশা পূর্ণ হলো। কিন্তু এ অবস্থা বেশি দিন টেকেনি। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে সে কাঙ্ক্ষিত ব্যবস্থা এক পা দুই পা করে কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হলো। ১৯৭৫-এর ২৫ জানুয়ারি সংসদীয় ব্যবস্থার পরিবর্তে প্রবর্তিত হয় রাষ্ট্রপতিক সরকারের নামে 'রাষ্ট্রপতিক কর্তৃত্ববাদ' (Presidential Leviathan)। বহুদলীয় ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে সৃষ্টি করা হয় একদলীয় ব্যবস্থা। বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রথম অধ্যায়টির সমাপ্তি এভাবে ঘটে।
দীর্ঘ ১৬ বছর পর বাংলাদেশে আবার শুরু হয়েছে সংসদীয় গণতন্ত্রের জয়যাত্রা। ৯ বছর পর বাংলাদেশে স্বৈরাচারের পতন ঘটে, ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ সালে। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে, নিরপেক্ষ সরকারের তত্ত্বাবধানে ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন। নির্বাচিত জাতীয় সংসদে গৃহীত হয় বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধন আইন, ৬ আগস্ট ১৯৯১, অভূতপূর্ব সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলাদেশে আবারও প্রবর্তিত হলো সংসদীয় গণতন্ত্র। এ অঞ্চলে গণতন্ত্র কি শুধু রাজনৈতিক আদর্শ? গণতন্ত্র বিকাশের জন্য কেমন পরিবেশের প্রয়োজন? গণতান্ত্রিক সরকার হলো দায়িত্বশীল সরকার। সরকারের দায়িত্বশীলতা কিভাবে সুনিশ্চিত হবে? এ সংক্ষিপ্ত নিবন্ধে এসব প্রশ্নের পর্যালোচনা করা হয়েছে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত আকারে।
দুই.
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মৌল অঙ্গীকার
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এ দেশি নয়। এটি বিদেশি। মানব সভ্যতায় পাশ্চাত্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান গণতন্ত্র। পাশ্চাত্যেই এর সূচনা হয়। পাশ্চাত্যেই এর সার্থক বিকাশ ঘটেছে। অবশ্য এ ব্যবস্থা এখন শুধু পাশ্চাত্যেই সীমিত নয়। এখন সর্বজনীন ব্যবস্থায় রূপান্তরিত হয়েছে গণতন্ত্র। তাই এর লক্ষ্য, কাঠামো, অঙ্গীকার বিশ্লেষণ ক্ষেত্রে আমাদের বারবার ফিরে যেতে হবে তার সূতিকাগারে, তার জন্মস্থানে।
পাশ্চাত্যে উদারনৈতিক গণতন্ত্র (Liberal Democracy) কার্যকর রয়েছে দুটি মৌল অঙ্গীকারের ভিত্তিতে :
১. সরকার যে কর্তৃত্ব প্রয়োগ করে তা ন্যাসী কর্তৃত্ব (Trust) এক আমানতস্বরূপ। সমাজ কর্তৃক অনুমোদিত পন্থায় এবং সমাজের পক্ষে সরকার এ কর্তৃত্ব প্রয়োগ করে। এ ক্ষেত্রে সরকার যদি ব্যর্থ হয় অথবা সমাজ যদি মনে করে অনুমোদিত পন্থায় সরকার কর্তৃত্ব প্রয়োগ করেনি অথবা করতে ব্যর্থ হয়েছে, তাহলে স্বেচ্ছায় সরকার পদত্যাগ করে। স্বেচ্ছায় অন্য রাজনৈতিক দলের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়। গণতন্ত্রে সরকার পরিবর্তনে বলপ্রয়োগ বা সন্ত্রাসের কোনো স্থান নেই। বিধি-বিধানের কাঠামোয় শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রধান বৈশিষ্ট্য।
অন্য কথায়, রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রকৃতি, রাজনৈতিক কর্তৃত্বের প্রয়োগ পদ্ধতি, কর্তৃত্ব প্রয়োগকারীর বৈশিষ্ট্য, কর্তৃত্ব প্রয়োগে ব্যর্থতার রূপ এবং ব্যর্থ হলে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পর্কে গণতান্ত্রিক সমাজে রয়েছে ঐকমত্য। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ ঐকমত্যের পরিচয় মেলে প্রথায় বা কনভেনশনে। কোথাও বা তা বিধিবদ্ধ রয়েছে সংবিধানে। সব ক্ষেত্রে অবশ্য এ ঐকমত্য সর্বজনবিদিত। রাজনৈতিক ব্যবস্থার সর্বত্র থাকে ঐকমত্যের সুস্পষ্ট ছাপ।
২. গণতন্ত্রের প্রকৃত শাসন হলো আইনের শাসন। কোনো ব্যক্তি বা সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানের শাসন নয়। এ ক্ষেত্রে আইনের প্রাধান্যই মূলকথা। আইন প্রণয়ন, আইনের পরিবর্তন বা সংশোধন সম্পন্ন হয় জনপ্রতিনিধি কর্তৃক, সংসদে। প্রণীত আইন মেনে চলা সবার জন্য বাধ্যতামূলক। মন্দ হলেও তা মেনে চলতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত তার পরিবর্তন বা সংশোধন সম্পন্ন না হয়। অন্য কথায়, সমাজে সব কিছুর নিয়ামক আইন। সমাজে সব শ্রেণী এবং গ্রুপের স্বার্থ সংরক্ষণ করে আইন। পুরস্কার বা বঞ্চনা, পদোন্নতি বা পদচ্যুতি, লাভ বা লোকসান সব কিছু নির্ধারণ করে আইন, তা তিনি যত উঁচু পদে অধিষ্ঠিত থাকুন না কেন। মোটকথা, গণতান্ত্রিক সমাজে শাসন হলো আইনের শাসন। কোনো ব্যক্তি বিক্ষুব্ধ হলে তিনি আইনের আশ্রয় লাভ করতে পারেন। এর প্রতিবিধানে অগ্রসর হতে পারেন। কোনো কিছু পেতে হলে গণতান্ত্রিক সমাজে কেউ ব্যক্তির দিকে তাকায় না। তাকায় আইনের দিকে।
দুটি মৌল অঙ্গীকার ছাড়াও অন্য দুটি কারণে পাশ্চাত্যে উদারনৈতিক গণতন্ত্র সার্থক হয়ে উঠেছে। ১. গণতান্ত্রিক সমাজ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে জারিত। সামাজিক পরিবেশে যুক্তির জোর স্বীকৃত। জোরের যুক্তি গণতন্ত্রে অচল। ব্যক্তিগত বুদ্ধির বলে অগ্রসর হয় ব্যক্তি, কিন্তু সামাজিক অগ্রগতির জন্য প্রয়োজন হয় সমষ্টিগত প্রজ্ঞা। সমষ্টিগত প্রজ্ঞায় কোনো দলের নেই একচেটিয়া অধিকার। রাজনৈতিক ব্যবস্থায় সাফল্যের জন্যও নেই কোনো দলের একক কৃতিত্ব। সার্বিক প্রচেষ্টায় গণতন্ত্র সার্থক হয়। ২. গণতান্ত্রিক সমাজে সামাজিক উপত্যকা মোটামুটি সমতল। পীড়নমূলক স্তর বিন্যাসে সমাজজীবন অতিষ্ঠ নয়। সমাজে এক ধরনের সাম্য সবার চোখে পড়ে। তার ফলে একজন অন্যকে শ্রদ্ধা করে, অন্যের মতকে শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করে, যদিও তার মত ভিন্ন। একজন অন্যের কাজকে সম্মানের দৃষ্টিতে দেখে। অর্থনৈতিক সুযোগ-সুবিধা এমনভাবে বিন্যস্ত যে সমাজের সব শ্রেণী বা গ্রুপ জীবনের সর্বনিম্ন প্রয়োজন সম্পর্কে নিশ্চিত। ধনী-নির্ধন বা বড়-ছোটর মধ্যে ব্যবধান রয়েছে বটে, কিন্তু জীবনযাত্রার নূ্যনতম প্রয়োজন সম্পর্কে জনগোষ্ঠীর বৃহত্তর অংশ নিশ্চিত হয়েছে। গণতান্ত্রিক সমাজে কাউকে মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হতে হয় না।
সরকারের দায়িত্বশীলতা
গণতন্ত্রের মৌল অঙ্গীকার থেকেই উদ্ভূত সরকারের দায়িত্বশীলতা। ন্যস্ত কর্তৃত্ব সরকার প্রয়োগ করবে বিধি-বিধানের কাঠামোয়, আলোচনা-পর্যালোচনার পর, মুক্ত আলোয় এবং সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা মূলত দলীয় ব্যবস্থা। সর্বাধিকসংখ্যক জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নীতি এবং কর্মসূচি বাছাইয়ের জন্য অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচন। নির্বাচনে বিভিন্ন দল তাদের নীতি এবং কর্মসূচির পসরা নিয়ে উপস্থিত হয় জনগণের সামনে। নির্বাচনে যেমন বাছাই করা হয় ব্যক্তি এবং ব্যক্তির সমন্বয়ে দল, তেমনি বাছাই করা হয় নীতি ও কর্মসূচি। সংখ্যাগরিষ্ঠ দল এবং তার নীতি ও কর্মসূচি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অর্জন করে জাতীয় চরিত্র। লাভ করে ন্যস্ত রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রয়োগের অধিকার।
অধিকার একটি সামাজিক প্রত্যয়। সমাজজীবনে তা প্রযোজ্য এবং সমাজে দাবির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে তাই হয় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব বিভিন্ন রূপে নানা প্রক্রিয়ায় প্রকাশিত। রাজনৈতিক, আর্থিক, প্রশাসনিক ও নৈতিক কর্তব্যের আকারে সরকারের দায়িত্ব প্রাণ পায়।
রাজনৈতিক দায়িত্ব
রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রয়োগে সংসদীয় সরকারের পন্থা সুনির্দিষ্ট, সংবিধান কর্তৃক সুনিয়ন্ত্রিত। নির্বাহী কর্তৃত্ব ন্যস্ত। মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা সরকারের নীতি ও কর্মসূচির জন্য ব্যক্তিগত এবং যৌথভাবে দায়ী থাকে সংসদের কাছে ও চূড়ান্ত পর্যায়ে জনগণের কাছে। সংসদীয় ব্যবস্থায় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু সংসদ। নীতি নির্ধারিত হয় সংসদে। নির্বাহী কর্তৃত্বের ভিত্তিভূমি সংসদই। মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা তাই দলের নীতি ও কর্মসূচির কাঠামোয় সংসদের কাছে দায়ী থেকে কর্তৃত্ব প্রয়োগ করেন। সংসদের অব্যাহত আস্থাই মন্ত্রিপরিষদের প্রাণশক্তি।
সরকারের রাজনৈতিক দায়িত্বশীলতার দুটি উল্লেখযোগ্য দিক রয়েছে। ১. সংসদীয় ব্যবস্থায় সংসদই রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র। সরকারের প্রধান দায়িত্ব তাই রাজনীতিকে সংসদীয় কার্যক্রমে পুরোপুরি ধারণ করা। জাতীয় পর্যায়ে নীতি নির্ধারণ, সৃজনশীল বিশ্লেষণ, আলোচনা-পর্যালোচনা-সমালোচনার মূল প্রবাহকে সংসদে সীমিত রাখা। জাতীয় শক্তির দুর্বার ধারার মূলস্রোতকে সংসদে আবদ্ধ রাখা। সংসদে সব সমস্যার সমাধান হয় না বটে, সব বিষয়ে দিকনির্দেশনা কিন্তু আসতে হবে সংসদ থেকেই। সংসদীয় ব্যবস্থায় রাজনীতি এক অর্থে সংসদে বন্দি। রাজপথে তা আর নেমে আসে না। মিছিলে মিছিলে রাজপথ প্রকম্পিত হয় না। হরতাল-ধর্মঘটে অফিস-আদালত হয় না প্রাণহীন। সন্ত্রাসের কবলে পড়ে না জনজীবন। সরকারের দায়িত্বশীলতা ও কৃতিত্বের অন্যতম মানদণ্ড হলো জাতীয় রাজনীতিকে সংসদ কক্ষে নিয়ন্ত্রণ করার দক্ষতা।
শুধু ক্ষমতাসীন দলের পক্ষে অবশ্য এটি সম্ভব নয়। তাই সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের সার্বিক রূপের প্রকাশ ঘটে সরকারি ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে। সরকারি দলের থাকে মন্ত্রিপরিষদ বা কেবিনেট। বিরোধী দলের থাকে ছায়া কেবিনেট। একটি কায়া বটে, অন্যটি ছায়া। দুটি মিলে সরকারের সামগ্রিক রূপ। সরকারি দলের নেতা সংসদের নেতা। তেমনি বিরোধী দলের নেতারও রয়েছে সাংবিধানিক মর্যাদা। তিনিও একজন মন্ত্রীর পদমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি। সরকারি ব্যয়ে তাঁরও আবাসিক এবং অন্যান্য সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়।
সংসদীয় ব্যবস্থায় বিরোধী দল বিকল্প সরকার। ক্ষমতাসীন দল ব্যর্থ হলে সে শূন্যস্থান পূরণ করে বিরোধী দল। তাই সংসদীয় ব্যবস্থায় রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রয়োগের যে দায়িত্ব তার একটা বড় অংশ বিরোধী দলের। রাজনীতি যেন রাজপথে না যায় তার সিংহভাগ দায়িত্ব বিরোধী দলের। রাজনীতি একবার রাজপথে নামলে সংসদীয় ব্যবস্থা অন্তঃসারশূন্য হয়ে ওঠে।
২. সংসদীয় ব্যবস্থা যেহেতু দলীয় ব্যবস্থা, তাই কর্তৃত্ব প্রয়োগের সময় ক্ষমতাসীন দলকে মনে রাখতে হবে- এ ক্ষমতা সীমিত এবং সাময়িক। সংসদীয় ব্যবস্থার সূতিকাগার হিসেবে চিহ্নিত ব্রিটেনে হিসাব করে দেখা গেছে, কেবিনেটের গড় আয় সাড়ে তিন বছরের কিছু কম। মেয়াদ পূর্ণ করলেও নির্বাচনে কেবিনেটের সাফল্য-ব্যর্থতা, কৃতিত্ব-অদক্ষতা জনগণের বিচারের জন্য উন্মুক্ত হয়। নির্বাচনে যে নীতি ও কর্মসূচি আজকে জনগণকে আকর্ষণ করল না, আগামীকাল হয়তো তা-ই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবে। তাই সংসদীয় ব্যবস্থায় ক্ষমতাসীন এবং বিরোধী দল ক্ষমতালাভের পথকে সুগম করে তোলে। তাই বিরোধী দলের সমালোচনাকে 'জনস্বার্থবিরোধী' অথবা 'ধ্বংসাত্মক' বলার অধিকার সরকারের নেই। দেশপ্রেম ও জনসেবার একচেটিয়া অধিকার সমাজ কোনো দলকে দেয়নি। তবে সমালোচনার ধরন, ভাষা ও ভাব সম্পর্কে সব রাজনৈতিক দলের মধ্যে সহমত প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। সমালোচনার উত্তাপে জনজীবন যেন জ্বলেপুড়ে নিঃশেষ না হয়, বিরোধিতার প্রবল স্রোতে রাজনৈতিক শুচিতা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ যেন ভেসে না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
সংসদীয় সরকার প্রধানত আলোচনা-পর্যালোচনার সরকার। জাতীয় পর্যায়ে সব নীতি সম্পর্কে সংসদে অনুষ্ঠিত হতে হবে চুলচেরা বিশ্লেষণ, আলোচনায় সবাইকে একমত হতে হবে, এমন কথা নয়। রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তা, বৈদেশিক সম্পর্ক এবং জাতীয় স্বার্থ, আইনশৃঙ্খলা সংরক্ষণসম্পর্কিত বিষয় ছাড়া প্রায় প্রতিটি সামাজিক সমস্যায় থাকে ভিন্ন মত। এ জন্যই রাজনীতি এবং রাজনৈতিক কার্যকলাপ। ৬ আগস্টে গৃহীত দ্বাদশ সংশোধন আইন সংসদে যে পরিবেশে গৃহীত হয়, তা ব্যতিক্রমধর্মী। সব বিষয়ে থাকবে ভিন্ন মত, বিভিন্ন মতাদর্শ। তাই সিদ্ধান্তের জন্য সংসদীয় ব্যবস্থায় সংখ্যাগরিষ্ঠের মতই মুখ্য। এ বিষয়ে ক্ষমতাসীন দল যতটুকু অবহিত থাকবে, সংখ্যালঘুর অনুধাবন করতে হবে তার চেয়ে অনেক বেশি। বিরোধিতার চ্যালেঞ্জের মুখে সংখ্যাগুরুর এ অধিকার ক্ষুণ্ন হওয়া দায়িত্বহীনতার নামান্তর।
তবে সংখ্যাগরিষ্ঠের এও লক্ষ্য থাকবে, সমস্যাটির সব দিকের আলোচনা যেন সম্পূর্ণ হয়। বিষয়টি যেন জনকল্যাণের মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হয়। তা ছাড়া সংসদকে এড়িয়ে জাতীয় স্বার্থে অপরিহার্য না হলে কোনো অধ্যাদেশ প্রণয়নও দায়িত্বহীনতার নামান্তর।
দায়িত্বশীলতার অন্যতম প্রধান সূত্র জনগণের প্রতি দায়িত্ব পালন। এর যেমন বর্তমান আছে, তেমনি রয়েছে ভবিষ্যৎ সম্পর্কেও দৃষ্টিভঙ্গি। নির্বাচনব্যবস্থার উৎকর্ষের ফলে মন্ত্রিপরিষদ আজ জনগণের প্রত্যক্ষ প্রতিনিধি। তাই সংসদের প্রতি যেমন সরকার দায়িত্বশীল, তেমনি দায়িত্বশীল জনগণের প্রতিও। ব্রিটিশ ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে স্যার উইলিয়াম অ্যানসন (Sir William Anson) বলেন, 'গত ১০০ বছরে কেবিনেটের উৎপত্তি এবং রাজার ক্ষমতার বিলুপ্তির প্রক্রিয়ায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। প্রথমে তা রাজা-রানির কাছ থেকে আসে কমন্স সভায়। এখন কমন্স সভা থেকে নেমে এসেছে ভোটদাতা পর্যায়ে।' ফলে সংসদীয় ব্যবস্থায় সরকারের দায়িত্বশীলতার অভিব্যক্তি দেখা যায় ত্রিবিধ প্রক্রিয়ায় : ক. সরকার জনগণের দ্বারা অনুমোদিত। খ. সরকারের কর্মসূচি জনগণের দ্বারা নির্বাচিত। গ. কেবিনেট সংসদের কাছে যতটুকু দায়ী, ঠিক ততটুকু দায়ী জনগণের কাছে।
বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোতে জনগণের কাছে সরকারের দায়িত্বশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু জনগণের জন্য নয়, সংসদীয় ব্যবস্থার স্থায়িত্বের জন্যও। এসব দেশে গণতন্ত্রের শুরু অনেক। গণতন্ত্রের পথ বড় বন্ধুর।
লেখক : সাবেক উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1424)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
June
(1507)
-
▼
Jun 26
(49)
- কাবুলে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ ও সিআইএ দপ্তরেহামলা
- ছেলের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করলেন কাতারের আমির
- বাবার নীতিই বহাল রাখবেন তামিম?
- এডওয়ার্ড স্নোডেন রাশিয়ায় ঢোকেননি: লাভরভ
- অদৃশ্য যাত্রী স্নোডেন
- আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবস মাদকের নেশা থেকে দূরে ...
- সবার দৃষ্টি এখন গাজীপুরের দিকে স্থানীয় নেতাদের থেক...
- মধ্যস্থতার’ প্রস্তাব আইন ও নৈতিকতাবিরোধী লিমন নির্...
- গোলটেবিল বৈঠক সন্ত্রাসবিরোধী আইন ও নাগরিক অধিকার
- মিডিয়া ভাবনা সংসদ ও স্থানীয় নির্বাচন এক নয় by মু...
- নর্থ সাউথে আগুন নেভানোর কোনো ব্যবস্থাই নেই
- ঢাকায় ফিরেছেন খালেদা জিয়া-দেশে ভয়াবহ দুঃশাসন চলছে
- গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন-জাহাঙ্গীর ও জাপা আজ...
- নিবন্ধিত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-অবশেষে বেতন পা...
- সংসদে অশালীন বক্তব্য চায় না কোনো দলই
- সন্তান পালন ওর কাজ ওকেই করতে দিন by নাইর ইকবাল
- শিশু দেখভাল ছয় মাস পরে কী খাওয়াবেন? by ফারহানা ম...
- স্টাইল কোঁকড়া চুলের ছেলেটি by রয়া মুনতাসীর
- নারীমঞ্চ তাঁরা আনসার কর্মকর্তা by মাসুদ রানা
- ক্ষমতায়ন- লিন্ডা কুরেটনসেরা সফটওয়্যার প্রকৌশলীদের ...
- টেন্ডারবাজি নিয়ে সংঘর্ষ গুলিতে শিশুসহ নিহত ২
- তিন লীগের দাপটে অস্থির চট্টগ্রাম by এস এম রানা
- কাতারের নতুন আমির তামিম
- স্বর্ণখনিতে ধস নিহত ৩৭
- স্নোডেন কোথায়?রাশিয়ার দাবি, স্নোডেন মস্কোতে ঢোকেননি
- কাশ্মীর সফরে মনমোহন-সোনিয়া-জঙ্গি হামলায় আট সেনা নিহত
- নিরাপত্তা বাহিনী সংকট-অনিশ্চয়তার মুখে পঞ্চায়েত ভোট
- 'মোশাররফের রাষ্ট্রদ্রোহের বিচার হবে'
- কুনুতে বিশেষ বৈঠক
- ক্যাঙ্গারু বুনছেন গিলার্ড!
- ভারতে বন্যা-ভূমিধস-কেদারনাথে নিহতদের গণদাহ হবে
- বারলুসকোনির সাত বছর কারাদণ্ড-অপ্রাপ্তবয়স্ক যৌনকর্...
- কাবুলে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে তালেবানের হামলা-কারজাই...
- ম্যান্ডেলার অবস্থা সংকটাপন্ন
- সংসদের ভাষা-জনপ্রতিনিধিদের কাছে শালীনতাই কাম্য
- হায় টেন্ডার, হায় রাজনীতি-খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস...
- দৈনন্দিন বিজ্ঞান-সর্বপ্রথম ৩ডি ডিজিটাল মস্তিষ্ক!
- ভালো থাকুন-ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা
- না খেয়ে কত দিন বাঁচা সম্ভব? by এ বি এম আব্দুল্লাহ
- গাজীপুর সিটি নির্বাচন: স্ত্রী ও আইনজীবীর টাকায় নি...
- ম্যান্ডেলার অবস্থা সংকটাপন্ন
- চট্টগ্রামে দরপত্রের নিয়ন্ত্রক ছাত্রলীগ ও যুবলীগ by...
- খুনোখুনিতে সাড়ে চার বছরে নিহত ১৫ টাকার পেছনে ছুটছে...
- ব্যক্তিত্ব-সালভাদর আলেন্দে
- পবিত্র কোরআনের আলো-শরিয়তের বিধান বাতিল হলে কোনো 'হ...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার : মুনীরা খানরাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ...
- স্নোডেনকে ধরতে যুক্তরাষ্ট্রের হুড়াহুড়ি-অনলাইন থেকে
- কোথায় যেন কলকাঠি নড়ছে by জয়া ফারহানা
- গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতা by এমাজউদ্দীন আহমদ
-
▼
Jun 26
(49)
-
▼
June
(1507)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
Exclusive
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment