Thursday, September 10, 2009
প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ আকবর আলি খান ভারতে সরকার ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের স্বার্থ
প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ আকবর আলি খান ভারতে সরকার ও ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের স্বার্থ
তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার ও জনগণ অভিন্ন। বাস্তব জীবনে অনেক ক্ষেত্রেই গণতান্ত্রিক সরকার সংখ্যাগুরুর সরকার। জর্জ বার্নার্ডশ ঠাট্টা করে লিখেছেন, ‘A government that robs Peter to pay Paul can always depend on the support of Peter.’ (যে সরকার পিটারের টাকা লুট করে পলকে দেয়, সে পিটারের সমর্থনের ওপর সব সময়ই নির্ভর করে)। যে তথ্য বার্নার্ডশ উহ্য রেখেছেন তা হলো বেচারা পিটারদের জন্য এমন অবস্থা সৃষ্টি করা হয় যে তাদের সরকারকে সমর্থন করা ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। টিপাইমুখ বাঁধের ক্ষেত্রে পল হলেন সমতলবাসী সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী। আর পিটার হলো বাঁধের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পাহাড়ি অঞ্চলের প্রান্তজনেরা। পল আর পিটারদের স্বার্থ ভিন্ন। পলদের স্বার্থ রক্ষা করে সরকার। তাই সরকারের দৃষ্টিকোণ থেকে লাভ-লোকসান দেখাটা যথেষ্ট নয়। পল ও পিটার উভয়ের স্বার্থই দেখতে হবে। ভারত সরকারের স্বার্থের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের স্বার্থও এ নিবন্ধে পরীক্ষা করা হবে।
ভারত সরকারের বক্তব্য হলো, টিপাইমুখ বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও জলবিদ্যুত্ উত্পাদনের জন্য একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। যদিও দীর্ঘদিন ধরে বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য বর্ষাকালে জল জমিয়ে রাখার কথা বলা হয়েছে, তবু টিপাইমুখের মুখ্য লক্ষ্য জলবিদ্যুত্, বন্যা নিয়ন্ত্রণ নয়। এর কারণ হলো জলবিদ্যুতের আর্থিক মুনাফা বন্যা নিয়ন্ত্রণের ফিরতির বা লাভের চেয়ে অনেক বেশি।
ভারতে দ্রুত জলবিদ্যুত্ উত্পাদন বৃদ্ধি নিঃসন্দেহে অত্যন্ত জরুরি। ২০০৪ সালে ভারতে মাথাপিছু বিদ্যুত্ ব্যবহূত হয় ৪৫৭ কিলোওয়াট-ঘণ্টা, চীনে মাথাপিছু ১৫৮৫ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুত্ ব্যবহূত হয়। চীনে মাথাপিছু বিদ্যুত্ ব্যবহার ভারতের তুলনায় প্রায় সাড়ে তিন গুণ বেশি। কাজেই ভারতকে শিল্পায়নে চীনের কাছাকাছি যেতে হলে বিদ্যুত্ উত্পাদন নাটকীয় হারে বাড়াতে হবে। নিম্ন পর্যায়ে বিদ্যুত্ ব্যবহার সত্ত্বেও ২০০৬-০৭ সালে ভারতে মোট বিদ্যুত্ সরবরাহে ৯ দশমিক ৬ শতাংশ ঘাটতি ছিল। এই অবস্থায় ১৫০০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুত্ উত্পাদনের প্রকল্প ভারতের জন্য বিধাতার আশীর্বাদ।
টিপাইমুখ প্রকল্পে প্রতি মেগাওয়াটে বিদ্যুতের বিনিয়োগ ব্যয় হবে ৪ দশমিক ৬৫ কোটি রুপি। অথচ চেন্নাইয়ে একটি ১০০০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুত্ কেন্দ্রে মেগাওয়াট-প্রতি খরচ হচ্ছে ছয় কোটি রুপি। অন্যদিকে জলবিদ্যুত্ কেন্দ্রে জ্বালানি খরচ শূন্য এবং পরিচালনা ও মেরামত ব্যয় খুবই নগণ্য। একটি সংবাদ প্রতিবেদন থেকে দেখা যাচ্ছে যে ত্রিপুরা রাজ্যে ১০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন জলবিদ্যুত্ কেন্দ্রের বার্ষিক খরচ হয় তিন কোটি টাকা আর আয় হয় ২১ কোটি টাকা। এই হারে টিপাইমুখের আয় হলে টিপাইমুখ থেকে বছরে কমপক্ষে দুই হাজার ৭০০ কোটি ভারতীয় রুপি আয় হবে। উপরন্তু ভারতের বিদ্যুতের সিংহভাগ আসে কয়লা থেকে। এতে পরিবেশদূষণের সমস্যা রয়েছে। জলবিদ্যুতে এ সমস্যা নেই। পৃথিবীর যেকোনো দেশে এ ধরনের প্রকল্প সরকারের অকুণ্ঠ সমর্থন লাভ করবে। স্বভাবতই এ ধরনের আকর্ষণীয় প্রকল্পের বিষয়ে বাংলাদেশের আপত্তি অথবা ভারতের ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের আপত্তি ভারত সরকার শুনবে না। আসলে ঘটেছেও তা-ই।
এ প্রকল্পের বিপক্ষে উপদ্রুত উত্তর-পূর্ব ভারতে বিশেষ করে মণিপুর রাজ্যে প্রচণ্ড আপত্তি রয়েছে। এই আপত্তির কারণ চারটি। প্রথমত, প্রস্তাবিত বাঁধটি নিরাপদ নয়। দ্বিতীয়ত, প্রকল্প অঞ্চলে আদিবাসীদের চিরাচরিত জীবনযাত্রার জন্য এটি একটি বড় হুমকি। তৃতীয়ত, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এ ধরনের প্রকল্প ইতিমধ্যে ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। চতুর্থত, প্রস্তাবিত বাঁধ পরিবেশগত বিপর্যয় সৃষ্টি করবে।
টিপাইমুখ ভূতাত্ত্বিক দিক থেকে একটি অতি স্পর্শকাতর এলাকা। এখানে সতত চলছে মহাদেশীয় ভূতাত্ত্বিক প্লেটের সংঘাত এবং ভূমির অধোগমন (বা নিচের দিকে বসে যাওয়া)। এ প্রকল্পের উদ্যোক্তারাও এ সমস্যা স্বীকার করেন। এ প্রকল্পের উদ্যোক্তাদের প্রণীত পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন দলিলে এ প্রক্রিয়াকে নিম্নরূপে বর্ণনা করা হয়েছে: Subduction process between Indian Plate and Shan-Teanagserim Block along Indo-Burma Mobile Belt has made this area tectonically very active. In addition, continent-continent collision of (1) NE Projection of India shield with Himalayan Thrust Front and (2) Eastern Mishimi Block and thrust implicated Indo-Burmese Block have added to this subduction process (P XII). (ভারত-ব্রহ্ম পরিপ্লব বলয়ের সমান্তরালে ভারতীয় ভূতাত্ত্বিক প্লেট এবং শান-টেনাসেরিম ব্লকের মধ্যে অবস্থিত অঞ্চলে অধোগমন প্রক্রিয়া ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত সক্রিয় রেখেছে। উপরন্তু মহাদেশ প্লেটের সঙ্গে মহাদেশ প্লেটের মধ্যে ১. হিমালয়ের ঘাত-প্রতিঘাতের সম্মুখ ভাগসহ ভারতীয় ভূখণ্ডের উত্তর-পূর্ব অভিক্ষেপ ২. পূর্ব মিশিমি ব্লক এবং ভারত-ব্রহ্ম ব্লকের ঘাত-প্রতিঘাত অধোগমন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে)।
এই ভূতাত্ত্বিক পরিবেশে ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বেশি। উদ্যোক্তাদের হিসাবে এখানে রিখটার স্কেলে ৭-এর বড় ভূমিকম্প ১৬টি হয়েছে। এর মধ্যে দুটি হচ্ছে অত্যন্ত বড়, রিখটার স্কেলে এদের পরিমাপ ৮ দশমিক ৫-এর বেশি এবং এ দুটি ভূমিকম্প বিশ্বের সর্ববৃহত্ ভূমিকম্পের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত (পৃষ্ঠা-১১২)। উদ্যোক্তারা নিজেরাই স্বীকার করেছেন যে টিপাইমুখে ভূমিকম্পের অভিঘাত ভারতের অতি বিতর্কিত তেহরি বাঁধ এলাকা থেকে বেশি। তেহরি বাঁধে সর্বোচ্চ গড় ত্বরণ (Peak Mean Acceleration) অনুমান করা হয়েছে ০.২২ম। টিপাইমুখ বাঁধে এই মাত্রা ০.২৩ম থেকে ০.৩৫ম অনুমান করা হয়েছে। এই হিসাবও কম হতে পারে এ বিবেচনায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ করার কথা বলা হয়েছে। ভারত সরকারের বক্তব্য হলো যে ভূমিকম্পের জন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে ভয়ের কারণ নেই। কিন্তু নিরাপদ বাঁধের ডিজাইন সম্পর্কে মতবিরোধ রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে যে তেহরি বাঁধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গড় ত্বরণ (PMA) ০.৭০ম বলে অনেকে মত প্রকাশ করছেন। সে ক্ষেত্রে টিপাইমুখের প্রস্তাবিত ডিজাইন নিরাপত্তার জন্য অনেক কম। তাই এ প্রস্তাবিত বাঁধ নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগের শেষ নেই। বাঁধের প্রস্তাবিত উচ্চতার ফলে এ উদ্বেগ আরও বেড়ে গেছে।
দ্বিতীয়ত, ৬৭টি গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার আদিবাসী এ বাঁধের ফলে প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ৬৭টি ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামের মধ্যে ১৬টি সম্পূর্ণ তলিয়ে যাবে। এখানে বাস করে নাগাদের জেলিয়ানগ্রং (Zelian grong) উপজাতির লোকেরা। এদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিলেও এদের চিরাচরিত জীবনযাত্রা ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না। বরাক নদীর স্থানীয় নাম আহু। এ নদী ও টিপাইমুখ অঞ্চলে রয়েছে তাদের অনেক পবিত্র স্থান। বাঁধের জলে তলিয়ে যাবে আহু জলপ্রপাত, যাকে ঘিরে শত শতাব্দী ধরে আদিবাসীদের রূপকথা ও ধর্ম বিশ্বাস গড়ে উঠেছে, হারিয়ে যাবে আহু জলপ্রপাতের ওপর পাঁচটি হ্রদ, যেখানে তাদের জাতীয় বীর যদুনংয়ের মায়াবি তরবারি লুকিয়ে আছে। এখানকার আদিবাসীরা ক্ষতিপূরণ চায় না, বিদ্যুত্ চায় না; চায় তাদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে। তাদের দাবি, বরাকে প্রবাহের ওপর সব প্রতিবন্ধকতা দূর করা হোক।
তৃতীয়ত, ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে ইতিমধ্যে দুটি জলবিদ্যুত্ কেন্দ্র ব্যর্থ হয়েছে অথচ এ প্রকল্প দুটি স্থানীয় আদিবাসীদের অপূরণীয় ক্ষতি করেছে। একটি হলো ত্রিপুরায় গোমতী নদীতে ডুম্বুর বাঁধ। ৩০ মিটার উঁচু এই বাঁধ ১০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুত্ উত্পাদনের জন্য ১৯৭৬ সালে চালু করা হয়। এতে ৪৬ দশমিক ৩৪ বর্গকিলোমিটার ভূমি পানির নিচে তলিয়ে যায়। সরকারি হিসাবে জমির মালিকানার রেকর্ড অনুসারে দুই হাজার ৫৫৮টি পরিবার বা প্রায় ১৫ হাজার লোক উদ্বাস্তু হয়েছে। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা হবে আট থেকে ১০ হাজার আর মোট ক্ষতিগ্রস্ত লোকের সংখ্যা হবে ৬০ থেকে ৭০ হাজার আদিবাসী। বাঁধে ক্ষতিগ্রস্ত অধিকাংশ পরিবার জমির দলিল না থাকায় কোনো ক্ষতিপূরণ পায়নি। তাই সরকারি হিসাবে এরা অন্তর্ভুক্ত নয়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা বাধ্য হয়ে বনাঞ্চলে জুম চাষ করে ও গাছ কাটার ব্যবসায় লিপ্ত হয়। এতে গোমতী অববাহিকায় পরিবেশগত বিপর্যয় শুরু হয়। গাছ কেটে ফেলায় পাহাড়গুলোর আচ্ছাদন উঠে যায়। ফলে অনেক বেশি পলি আসতে থাকে। পলি জমে ৩০ বছরের মধ্যে গোমতীর ওপর বাঁধ অকার্যকর হয়ে গেছে। বাঁধ তৈরির সময় অনুমান করা হয়েছিল বছরে শূন্য দশমিক ৩৬২ মিলিমিটার পলি বাঁধে জমবে। প্রকৃতপক্ষে বছরে ৯ দশমিক ৯৪ মিলিমিটার পলি জমে। যে পরিমাণ পলি জমবে বলে অনুমান করা হয়েছিল তার চেয়ে ২৭ গুণ বেশি হারে পলি জমেছে। কোনো মতে ব্যয়বহুল ড্রেজিং করে চালু রাখার চেষ্টা চললেও প্রকল্পটি প্রকৃতপক্ষে অকার্যকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই দাবি উঠেছে, এ বাঁধ খুলে দেওয়ার জন্য এবং আদিবাসীদের তাদের জমি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। বাঁধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত আদিবাসীরা এখন বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছে। ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদনের জন্য এত বড় খেসারত কোনো দেশ এখন পর্যন্ত দেয়নি।
দ্বিতীয় ব্যর্থ প্রকল্প মণিপুরে অবস্থিত। এটি ইথাই বাঁধ বা লোকটাক প্রকল্প নামে পরিচিত। ১১৫ কোটি রুপি ব্যয়ে ১৯৮৩ সালে ১০৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এ জলবিদ্যুত্ প্রকল্প চালু করা হয়। ইতিমধ্যে পলি জমে বিদ্যুত্ কেন্দ্রের জলাধারের কার্যকারিতা হ্রাস পেয়েছে। জলাধারের পানি দূষিত হয়ে পড়েছে। কচুরিপানা ও বিভিন্ন আগাছার প্রসার জলকে দূষিত করেছে ও প্রবাহ বিঘ্নিত করেছে। দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি এমফিল থিসিসের হিসাব অনুসারে লোকটাক প্রকল্প এলাকায় গত দুই দশকে পরিবারগুলোর আয় প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছে। বাঁধ এলাকায় পরিবেশসংকটের ফলে প্রতিদিন উদ্বাস্তুর পরিমাণ বাড়ছে। জলাধারে মাছের পরিমাণ কমে গেছে। মণিপুরবাসীর দাবি, তাই লোকটাক প্রকল্প বন্ধ করা হোক। মণিপুরে জলবিদ্যুত্ কেন্দ্র ব্যর্থতার ফলে নতুন জলবিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপনে জনগণের কোনো আগ্রহ নেই। কোনো নির্বাচিত সরকার মণিপুর রাজ্যে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের অনুমোদন দেয়নি। রাষ্ট্রপতির শাসনকালে মণিপুরে যখন কোনো নির্বাচিত সরকার ছিল না, তখন এ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
চতুর্থত, বাঁধ ও জলবিদ্যুত্ কেন্দ্রগুলো ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মণিপুরে নাগা মহিলা ইউনিয়নের সম্পাদিকা আরাম পামে (Aram Pamei) এক খোলাচিঠিতে সুন্দরভাবে লিখেছেন, “Manipur also falls in one of the genetic hot spots of the world where rare bio-diversity resources are found. The project will submerge the exotic and rare flora and fauna and rich gene pools” (‘মণিপুর রাজ্য জীববৈচিত্র্যের দিক থেকে পৃথিবীর সর্বাধিক সম্ভাবনাময় অঞ্চলে অবস্থিত। এখানে দুর্লভ জীববৈচিত্র্যের সম্পদ রয়েছে। প্রকল্পে তলিয়ে যাবে বিচিত্র, অচেনা ও দুর্লভ উদ্ভিদকুল ও প্রাণিকুল ও সমৃদ্ধ জিনের সম্পদভাণ্ডার।’) ইতিমধ্যে লোকটাক প্রকল্পে পাঁচ প্রজাতির মাছ লুপ্ত হয়ে গেছে।
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার স্থানীয় জনগণের বিরোধিতা সত্ত্বেও অর্থনৈতিক কারণে টিপাইমুখ জলবিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণ করতে চায়। স্থানীয় জনগণকে সন্তুষ্ট করার জন্য ভারত সরকার ইতিমধ্যে কয়েকটি ব্যবস্থা নিয়েছে। প্রথমত, কেন্দ্রটি নির্মাণের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের মালিকানাধীন North Eastern Electric Power Company (NEEPCO) থেকে মণিপুর সরকারের মালিকানাধীন National Hydro Electric Power Company-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এতে জলবিদ্যুত্ কেন্দ্রের মুনাফার একটি বড় হিস্সা মণিপুর পাবে। দ্বিতীয়ত, জলবিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাতে প্রতিটি পরিবারকে ১০০ ইউনিট বিদ্যুত্ ১০ বছর পর্যন্ত বিনামূল্যে দেওয়া হবে। বিদ্যুত্ উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠান উত্পাদিত বিদ্যুতের আয়ের মোট এক শতাংশ ও রাজ্য সরকার সমপরিমাণ অর্থ ক্ষতিগ্রস্তদের উন্নয়নের জন্য ব্যয় করবে। তৃতীয়ত, জলবিদ্যুত্ প্রকল্পগুলোর পরিবেশের ওপর প্রভাব মূল্যায়ন করে বিভিন্ন শর্ত আরোপ করা হয়েছে।
ভারত সরকারের সব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও টিপাইমুখ বাঁধ সম্পর্কে সরকার ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে মতানৈক্য নিরসন সম্ভব হয়নি। ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী হওয়ার ফলে সংক্ষুব্ধ মণিপুরের বাসিন্দারা সর্বভারতীয় রাজনীতিতে কোনো দাগ কাটতে পারেনি। তবু তারা হরতাল, মিছিল, সভা ও আবেদন-নিবেদন করে তাদের বক্তব্য পেশ করে চলছে। আধুনিক ভারতের স্থপতি পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু বাঁধকে আধুনিক ভারতের মন্দির বলে আখ্যায়িত করেছেন। তাঁর বক্তব্য অর্থনৈতিক দিক থেকে অনেকটা সঠিক। তবে তিনি লক্ষ করেননি যে এ মন্দিরের সোপনগুলো সংখ্যালঘু আদিবাসীদের শোনিতে রঞ্জিত ও অশ্রুতে সিক্ত। প্রতিকারহীন শক্তের অপরাধ শুধু ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। টিপাইমুখে বৃহত্ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশের মতো প্রতিবেশী দেশেও প্রান্তজনের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে।
আগামীকাল: টিপাইমুখ বাঁধ ও বাংলাদেশের স্বার্থ
আকবর আলি খান: গবেষক। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা। অর্থ, বন ও পরিবেশ ও মন্ত্রিপরিষদের সাবেক সচিব। এ ছাড়া পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
ভারত সরকারের বক্তব্য হলো, টিপাইমুখ বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও জলবিদ্যুত্ উত্পাদনের জন্য একটি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। যদিও দীর্ঘদিন ধরে বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য বর্ষাকালে জল জমিয়ে রাখার কথা বলা হয়েছে, তবু টিপাইমুখের মুখ্য লক্ষ্য জলবিদ্যুত্, বন্যা নিয়ন্ত্রণ নয়। এর কারণ হলো জলবিদ্যুতের আর্থিক মুনাফা বন্যা নিয়ন্ত্রণের ফিরতির বা লাভের চেয়ে অনেক বেশি।
ভারতে দ্রুত জলবিদ্যুত্ উত্পাদন বৃদ্ধি নিঃসন্দেহে অত্যন্ত জরুরি। ২০০৪ সালে ভারতে মাথাপিছু বিদ্যুত্ ব্যবহূত হয় ৪৫৭ কিলোওয়াট-ঘণ্টা, চীনে মাথাপিছু ১৫৮৫ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুত্ ব্যবহূত হয়। চীনে মাথাপিছু বিদ্যুত্ ব্যবহার ভারতের তুলনায় প্রায় সাড়ে তিন গুণ বেশি। কাজেই ভারতকে শিল্পায়নে চীনের কাছাকাছি যেতে হলে বিদ্যুত্ উত্পাদন নাটকীয় হারে বাড়াতে হবে। নিম্ন পর্যায়ে বিদ্যুত্ ব্যবহার সত্ত্বেও ২০০৬-০৭ সালে ভারতে মোট বিদ্যুত্ সরবরাহে ৯ দশমিক ৬ শতাংশ ঘাটতি ছিল। এই অবস্থায় ১৫০০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুত্ উত্পাদনের প্রকল্প ভারতের জন্য বিধাতার আশীর্বাদ।
টিপাইমুখ প্রকল্পে প্রতি মেগাওয়াটে বিদ্যুতের বিনিয়োগ ব্যয় হবে ৪ দশমিক ৬৫ কোটি রুপি। অথচ চেন্নাইয়ে একটি ১০০০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুত্ কেন্দ্রে মেগাওয়াট-প্রতি খরচ হচ্ছে ছয় কোটি রুপি। অন্যদিকে জলবিদ্যুত্ কেন্দ্রে জ্বালানি খরচ শূন্য এবং পরিচালনা ও মেরামত ব্যয় খুবই নগণ্য। একটি সংবাদ প্রতিবেদন থেকে দেখা যাচ্ছে যে ত্রিপুরা রাজ্যে ১০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন জলবিদ্যুত্ কেন্দ্রের বার্ষিক খরচ হয় তিন কোটি টাকা আর আয় হয় ২১ কোটি টাকা। এই হারে টিপাইমুখের আয় হলে টিপাইমুখ থেকে বছরে কমপক্ষে দুই হাজার ৭০০ কোটি ভারতীয় রুপি আয় হবে। উপরন্তু ভারতের বিদ্যুতের সিংহভাগ আসে কয়লা থেকে। এতে পরিবেশদূষণের সমস্যা রয়েছে। জলবিদ্যুতে এ সমস্যা নেই। পৃথিবীর যেকোনো দেশে এ ধরনের প্রকল্প সরকারের অকুণ্ঠ সমর্থন লাভ করবে। স্বভাবতই এ ধরনের আকর্ষণীয় প্রকল্পের বিষয়ে বাংলাদেশের আপত্তি অথবা ভারতের ক্ষতিগ্রস্ত লোকদের আপত্তি ভারত সরকার শুনবে না। আসলে ঘটেছেও তা-ই।
এ প্রকল্পের বিপক্ষে উপদ্রুত উত্তর-পূর্ব ভারতে বিশেষ করে মণিপুর রাজ্যে প্রচণ্ড আপত্তি রয়েছে। এই আপত্তির কারণ চারটি। প্রথমত, প্রস্তাবিত বাঁধটি নিরাপদ নয়। দ্বিতীয়ত, প্রকল্প অঞ্চলে আদিবাসীদের চিরাচরিত জীবনযাত্রার জন্য এটি একটি বড় হুমকি। তৃতীয়ত, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এ ধরনের প্রকল্প ইতিমধ্যে ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। চতুর্থত, প্রস্তাবিত বাঁধ পরিবেশগত বিপর্যয় সৃষ্টি করবে।
টিপাইমুখ ভূতাত্ত্বিক দিক থেকে একটি অতি স্পর্শকাতর এলাকা। এখানে সতত চলছে মহাদেশীয় ভূতাত্ত্বিক প্লেটের সংঘাত এবং ভূমির অধোগমন (বা নিচের দিকে বসে যাওয়া)। এ প্রকল্পের উদ্যোক্তারাও এ সমস্যা স্বীকার করেন। এ প্রকল্পের উদ্যোক্তাদের প্রণীত পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন দলিলে এ প্রক্রিয়াকে নিম্নরূপে বর্ণনা করা হয়েছে: Subduction process between Indian Plate and Shan-Teanagserim Block along Indo-Burma Mobile Belt has made this area tectonically very active. In addition, continent-continent collision of (1) NE Projection of India shield with Himalayan Thrust Front and (2) Eastern Mishimi Block and thrust implicated Indo-Burmese Block have added to this subduction process (P XII). (ভারত-ব্রহ্ম পরিপ্লব বলয়ের সমান্তরালে ভারতীয় ভূতাত্ত্বিক প্লেট এবং শান-টেনাসেরিম ব্লকের মধ্যে অবস্থিত অঞ্চলে অধোগমন প্রক্রিয়া ভূতাত্ত্বিক প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত সক্রিয় রেখেছে। উপরন্তু মহাদেশ প্লেটের সঙ্গে মহাদেশ প্লেটের মধ্যে ১. হিমালয়ের ঘাত-প্রতিঘাতের সম্মুখ ভাগসহ ভারতীয় ভূখণ্ডের উত্তর-পূর্ব অভিক্ষেপ ২. পূর্ব মিশিমি ব্লক এবং ভারত-ব্রহ্ম ব্লকের ঘাত-প্রতিঘাত অধোগমন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে)।
এই ভূতাত্ত্বিক পরিবেশে ভূমিকম্পের সম্ভাবনা বেশি। উদ্যোক্তাদের হিসাবে এখানে রিখটার স্কেলে ৭-এর বড় ভূমিকম্প ১৬টি হয়েছে। এর মধ্যে দুটি হচ্ছে অত্যন্ত বড়, রিখটার স্কেলে এদের পরিমাপ ৮ দশমিক ৫-এর বেশি এবং এ দুটি ভূমিকম্প বিশ্বের সর্ববৃহত্ ভূমিকম্পের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত (পৃষ্ঠা-১১২)। উদ্যোক্তারা নিজেরাই স্বীকার করেছেন যে টিপাইমুখে ভূমিকম্পের অভিঘাত ভারতের অতি বিতর্কিত তেহরি বাঁধ এলাকা থেকে বেশি। তেহরি বাঁধে সর্বোচ্চ গড় ত্বরণ (Peak Mean Acceleration) অনুমান করা হয়েছে ০.২২ম। টিপাইমুখ বাঁধে এই মাত্রা ০.২৩ম থেকে ০.৩৫ম অনুমান করা হয়েছে। এই হিসাবও কম হতে পারে এ বিবেচনায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ করার কথা বলা হয়েছে। ভারত সরকারের বক্তব্য হলো যে ভূমিকম্পের জন্য সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হলে ভয়ের কারণ নেই। কিন্তু নিরাপদ বাঁধের ডিজাইন সম্পর্কে মতবিরোধ রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ বলা যেতে পারে যে তেহরি বাঁধের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গড় ত্বরণ (PMA) ০.৭০ম বলে অনেকে মত প্রকাশ করছেন। সে ক্ষেত্রে টিপাইমুখের প্রস্তাবিত ডিজাইন নিরাপত্তার জন্য অনেক কম। তাই এ প্রস্তাবিত বাঁধ নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগের শেষ নেই। বাঁধের প্রস্তাবিত উচ্চতার ফলে এ উদ্বেগ আরও বেড়ে গেছে।
দ্বিতীয়ত, ৬৭টি গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার আদিবাসী এ বাঁধের ফলে প্রত্যক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ৬৭টি ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামের মধ্যে ১৬টি সম্পূর্ণ তলিয়ে যাবে। এখানে বাস করে নাগাদের জেলিয়ানগ্রং (Zelian grong) উপজাতির লোকেরা। এদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিলেও এদের চিরাচরিত জীবনযাত্রা ফিরিয়ে দেওয়া যাবে না। বরাক নদীর স্থানীয় নাম আহু। এ নদী ও টিপাইমুখ অঞ্চলে রয়েছে তাদের অনেক পবিত্র স্থান। বাঁধের জলে তলিয়ে যাবে আহু জলপ্রপাত, যাকে ঘিরে শত শতাব্দী ধরে আদিবাসীদের রূপকথা ও ধর্ম বিশ্বাস গড়ে উঠেছে, হারিয়ে যাবে আহু জলপ্রপাতের ওপর পাঁচটি হ্রদ, যেখানে তাদের জাতীয় বীর যদুনংয়ের মায়াবি তরবারি লুকিয়ে আছে। এখানকার আদিবাসীরা ক্ষতিপূরণ চায় না, বিদ্যুত্ চায় না; চায় তাদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে। তাদের দাবি, বরাকে প্রবাহের ওপর সব প্রতিবন্ধকতা দূর করা হোক।
তৃতীয়ত, ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে ইতিমধ্যে দুটি জলবিদ্যুত্ কেন্দ্র ব্যর্থ হয়েছে অথচ এ প্রকল্প দুটি স্থানীয় আদিবাসীদের অপূরণীয় ক্ষতি করেছে। একটি হলো ত্রিপুরায় গোমতী নদীতে ডুম্বুর বাঁধ। ৩০ মিটার উঁচু এই বাঁধ ১০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুত্ উত্পাদনের জন্য ১৯৭৬ সালে চালু করা হয়। এতে ৪৬ দশমিক ৩৪ বর্গকিলোমিটার ভূমি পানির নিচে তলিয়ে যায়। সরকারি হিসাবে জমির মালিকানার রেকর্ড অনুসারে দুই হাজার ৫৫৮টি পরিবার বা প্রায় ১৫ হাজার লোক উদ্বাস্তু হয়েছে। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সংখ্যা হবে আট থেকে ১০ হাজার আর মোট ক্ষতিগ্রস্ত লোকের সংখ্যা হবে ৬০ থেকে ৭০ হাজার আদিবাসী। বাঁধে ক্ষতিগ্রস্ত অধিকাংশ পরিবার জমির দলিল না থাকায় কোনো ক্ষতিপূরণ পায়নি। তাই সরকারি হিসাবে এরা অন্তর্ভুক্ত নয়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা বাধ্য হয়ে বনাঞ্চলে জুম চাষ করে ও গাছ কাটার ব্যবসায় লিপ্ত হয়। এতে গোমতী অববাহিকায় পরিবেশগত বিপর্যয় শুরু হয়। গাছ কেটে ফেলায় পাহাড়গুলোর আচ্ছাদন উঠে যায়। ফলে অনেক বেশি পলি আসতে থাকে। পলি জমে ৩০ বছরের মধ্যে গোমতীর ওপর বাঁধ অকার্যকর হয়ে গেছে। বাঁধ তৈরির সময় অনুমান করা হয়েছিল বছরে শূন্য দশমিক ৩৬২ মিলিমিটার পলি বাঁধে জমবে। প্রকৃতপক্ষে বছরে ৯ দশমিক ৯৪ মিলিমিটার পলি জমে। যে পরিমাণ পলি জমবে বলে অনুমান করা হয়েছিল তার চেয়ে ২৭ গুণ বেশি হারে পলি জমেছে। কোনো মতে ব্যয়বহুল ড্রেজিং করে চালু রাখার চেষ্টা চললেও প্রকল্পটি প্রকৃতপক্ষে অকার্যকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই দাবি উঠেছে, এ বাঁধ খুলে দেওয়ার জন্য এবং আদিবাসীদের তাদের জমি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। বাঁধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত আদিবাসীরা এখন বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছে। ১০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদনের জন্য এত বড় খেসারত কোনো দেশ এখন পর্যন্ত দেয়নি।
দ্বিতীয় ব্যর্থ প্রকল্প মণিপুরে অবস্থিত। এটি ইথাই বাঁধ বা লোকটাক প্রকল্প নামে পরিচিত। ১১৫ কোটি রুপি ব্যয়ে ১৯৮৩ সালে ১০৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এ জলবিদ্যুত্ প্রকল্প চালু করা হয়। ইতিমধ্যে পলি জমে বিদ্যুত্ কেন্দ্রের জলাধারের কার্যকারিতা হ্রাস পেয়েছে। জলাধারের পানি দূষিত হয়ে পড়েছে। কচুরিপানা ও বিভিন্ন আগাছার প্রসার জলকে দূষিত করেছে ও প্রবাহ বিঘ্নিত করেছে। দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি এমফিল থিসিসের হিসাব অনুসারে লোকটাক প্রকল্প এলাকায় গত দুই দশকে পরিবারগুলোর আয় প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছে। বাঁধ এলাকায় পরিবেশসংকটের ফলে প্রতিদিন উদ্বাস্তুর পরিমাণ বাড়ছে। জলাধারে মাছের পরিমাণ কমে গেছে। মণিপুরবাসীর দাবি, তাই লোকটাক প্রকল্প বন্ধ করা হোক। মণিপুরে জলবিদ্যুত্ কেন্দ্র ব্যর্থতার ফলে নতুন জলবিদ্যুত্ কেন্দ্র স্থাপনে জনগণের কোনো আগ্রহ নেই। কোনো নির্বাচিত সরকার মণিপুর রাজ্যে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের অনুমোদন দেয়নি। রাষ্ট্রপতির শাসনকালে মণিপুরে যখন কোনো নির্বাচিত সরকার ছিল না, তখন এ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।
চতুর্থত, বাঁধ ও জলবিদ্যুত্ কেন্দ্রগুলো ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। মণিপুরে নাগা মহিলা ইউনিয়নের সম্পাদিকা আরাম পামে (Aram Pamei) এক খোলাচিঠিতে সুন্দরভাবে লিখেছেন, “Manipur also falls in one of the genetic hot spots of the world where rare bio-diversity resources are found. The project will submerge the exotic and rare flora and fauna and rich gene pools” (‘মণিপুর রাজ্য জীববৈচিত্র্যের দিক থেকে পৃথিবীর সর্বাধিক সম্ভাবনাময় অঞ্চলে অবস্থিত। এখানে দুর্লভ জীববৈচিত্র্যের সম্পদ রয়েছে। প্রকল্পে তলিয়ে যাবে বিচিত্র, অচেনা ও দুর্লভ উদ্ভিদকুল ও প্রাণিকুল ও সমৃদ্ধ জিনের সম্পদভাণ্ডার।’) ইতিমধ্যে লোকটাক প্রকল্পে পাঁচ প্রজাতির মাছ লুপ্ত হয়ে গেছে।
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার স্থানীয় জনগণের বিরোধিতা সত্ত্বেও অর্থনৈতিক কারণে টিপাইমুখ জলবিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণ করতে চায়। স্থানীয় জনগণকে সন্তুষ্ট করার জন্য ভারত সরকার ইতিমধ্যে কয়েকটি ব্যবস্থা নিয়েছে। প্রথমত, কেন্দ্রটি নির্মাণের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের মালিকানাধীন North Eastern Electric Power Company (NEEPCO) থেকে মণিপুর সরকারের মালিকানাধীন National Hydro Electric Power Company-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এতে জলবিদ্যুত্ কেন্দ্রের মুনাফার একটি বড় হিস্সা মণিপুর পাবে। দ্বিতীয়ত, জলবিদ্যুত্ কেন্দ্র নির্মাণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাতে প্রতিটি পরিবারকে ১০০ ইউনিট বিদ্যুত্ ১০ বছর পর্যন্ত বিনামূল্যে দেওয়া হবে। বিদ্যুত্ উত্পাদনকারী প্রতিষ্ঠান উত্পাদিত বিদ্যুতের আয়ের মোট এক শতাংশ ও রাজ্য সরকার সমপরিমাণ অর্থ ক্ষতিগ্রস্তদের উন্নয়নের জন্য ব্যয় করবে। তৃতীয়ত, জলবিদ্যুত্ প্রকল্পগুলোর পরিবেশের ওপর প্রভাব মূল্যায়ন করে বিভিন্ন শর্ত আরোপ করা হয়েছে।
ভারত সরকারের সব প্রচেষ্টা সত্ত্বেও টিপাইমুখ বাঁধ সম্পর্কে সরকার ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে মতানৈক্য নিরসন সম্ভব হয়নি। ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী হওয়ার ফলে সংক্ষুব্ধ মণিপুরের বাসিন্দারা সর্বভারতীয় রাজনীতিতে কোনো দাগ কাটতে পারেনি। তবু তারা হরতাল, মিছিল, সভা ও আবেদন-নিবেদন করে তাদের বক্তব্য পেশ করে চলছে। আধুনিক ভারতের স্থপতি পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু বাঁধকে আধুনিক ভারতের মন্দির বলে আখ্যায়িত করেছেন। তাঁর বক্তব্য অর্থনৈতিক দিক থেকে অনেকটা সঠিক। তবে তিনি লক্ষ করেননি যে এ মন্দিরের সোপনগুলো সংখ্যালঘু আদিবাসীদের শোনিতে রঞ্জিত ও অশ্রুতে সিক্ত। প্রতিকারহীন শক্তের অপরাধ শুধু ভারতের প্রত্যন্ত অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। টিপাইমুখে বৃহত্ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশের মতো প্রতিবেশী দেশেও প্রান্তজনের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়েছে।
আগামীকাল: টিপাইমুখ বাঁধ ও বাংলাদেশের স্বার্থ
আকবর আলি খান: গবেষক। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা। অর্থ, বন ও পরিবেশ ও মন্ত্রিপরিষদের সাবেক সচিব। এ ছাড়া পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও ভারপ্রাপ্ত সচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1388)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
September
(494)
-
▼
Sep 10
(22)
- প্রস্তাবিত টিপাইমুখ বাঁধ আকবর আলি খান ভারতে সরকার ...
- অরণ্যে রোদন আনিসুল হক কত দূর বদলাল দিন
- দুর্নীতির নতুন রকম ‘চালবাজি’ ব্যবসায়ীদের ‘হক’ বনাম...
- জনশক্তি রপ্তানি নতুন বাজার ও দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে ন...
- পোশাক শ্রমিক সংগঠনের ঘোষণা ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প...
- আইবিএর এমবিএ ভর্তি পরীক্ষা ২০ নভেম্বর
- ঈদে বিআইডব্লিউটিএর অতিরিক্ত লঞ্চ সার্ভিস
- চট্টগ্রামে পোশাক শ্রমিক এসিডদগ্ধ হওয়ার ঘটনায় এসিড ...
- বরিশাল মেডিকেল সোয়াইন ফ্লু চিকিত্সায় পর্যাপ্ত প্রস...
- ট্রেনের অগ্রিম টিকিট প্রথম দিনে বেশির ভাগ টিকিটই ...
- মহাকাশ স্টেশনে শব্দ-গন্ধের অভিজ্ঞতায় অভিভূত নভোচারীরা
- ভারতে অনুপ্রবেশের অভিযোগ অস্বীকার চীন সরকারের
- আফগানিস্তান নিয়ে জার্মানি ও ব্রিটেনের সম্মেলনের ডাক
- ইরানের ‘অনস্বীকার্য’ পরমাণু অধিকার নিয়ে আলোচনা নয়...
- ইরানে দৈনিক ২০ হাজার ব্যারেল তেল রপ্তানি করবে ভেনে...
- বাসমতী চালের ভাত খেতে চান কাসাব
- তাইওয়ানের প্রধানমন্ত্রী লিউ পদত্যাগ করেছেন
- আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপে চান কাকাও
- আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ছাড়লেন পন্টিং
- ক্লাইস্টার্সকে ডাকছে ইতিহাস
- ব্রাজিলের সঙ্গী হলো ঘানা
- মোহামেডানের হয়ে গেলেন তামিম
-
▼
Sep 10
(22)
-
▼
September
(494)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment