Sunday, March 17, 2019
নির্বিচার গ্রেপ্তার, সেন্সরশিপ নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্য হয়নি -মার্কিন মানবাধিকার রিপোর্টে বাংলাদেশ পরিস্থিতি
নির্বিচার গ্রেপ্তার, সেন্সরশিপ নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্য হয়নি -মার্কিন মানবাধিকার রিপোর্টে বাংলাদেশ পরিস্থিতি

আইনবহির্ভূত
বা খেয়ালখুশিমতো হত্যাকাণ্ড ঘটে বাংলাদেশে। এখানে জোরপূর্বক গুম করা হয়।
করা হয় নির্যাতনও। সরকার বা সরকারের পক্ষে খেয়ালখুশিমতো বা বেআইনিভাবে
নাগরিকদের আটক রাখা হয়। জেলখানাতেও কঠোর বা জীবনের প্রতি হুমকি এমন পরিবেশ
বিরাজমান। আছেন রাজনৈতিক বন্দি। বাংলাদেশে খেয়ালখুশিমতো বা বেআইনিভাবে
মানুষের গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ করা হয়। আরোপ করা হয় সেন্সরশিপ।
বন্ধ করে দেয়া হয় ওয়েবসাইট। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও জনসভা করার স্বাধীনতার অধিকারেও রয়েছে অযাচিত হস্তক্ষেপ। আছে বেসরকারি সংগঠন এনজিও বিষয়ক অতিমাত্রায় বিধিনিষেধমূলক কঠোর আইন। আছে তাদের কার্যক্রমে বিধিনিষেধ।
আন্দোলনের স্বাধীনতায় আছে উল্লেখযোগ্য বিধিনিষেধ। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণেও আছে বিধিনিষেধ, যেখানে নির্বাচনগুলো কোনোভাবেই খাঁটি, অবাধ ও সুষ্ঠু নয়। আছে দুর্নীতি। আছে মানবপাচার। সমকামী নারী, সমকামী পুরুষ, উভকামী, হিজড়া সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে রয়েছে সহিংসতা। এখানে সমলিঙ্গে যৌনতা অপরাধ। নিরপেক্ষ ট্রেড ইউনিয়ন, শ্রমিকদের অধিকারে আছে বিধিনিষেধ। এ ছাড়া শিশু শ্রমের সবচেয়ে বাজে ফর্মটির ব্যবহার করা হয় বাংলাদেশে।
২০১৮ সালে ঘটে যাওয়া বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত বার্ষিক মানবাধিকার রিপোর্টে এসব কথা বলেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সারাবিশ্বের মানবাধিকার রিপোর্ট-২০১৮ প্রকাশ করেন বুধবার। সেখানে বাংলাদেশ চ্যাপ্টারটি ৫০ পৃষ্ঠার। এতে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে অনিয়ম, হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, খেয়ালখুশিমতো গ্রেপ্তার ও সহিংসতার কথা তুলে ধরা হয়। বলা হয়, এসব কারণে বিরোধীদলীয় প্রার্থীদের প্রচারণা কঠিন হয়ে উঠেছিল। তাদের সমর্থকরা সভা করতে পারেন নি, কোনো র্যালি করতে পারেন নি। অবাধে প্রচারণা চালাতে পারেন নি। নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা নানা অনিয়মের পরও ব্যাপকভাবে দায়মুক্তি পেয়েছেন বলে ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়।
নির্বাচন ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ: ২০১৮ সালের শেষে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, ওই নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য বলে বিবেচিত হয়নি। এতে বাছবিচারহীনভাবে ব্যালট বাক্স ভর্তি, বিরোধীদলীয় নির্বাচনী এজেন্ট ও ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ নানা অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামী লীগ ও নির্বাচনী মিত্র দলগুলো ৮০ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়ে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসনে জয় পেয়েছে। যেখানে বিএনপি ও এর মিত্র দলগুলো পেয়েছে মাত্র সাতটি আসন। এর আগে, নির্বাচনী প্রচারণার সময় হয়রানি, ভীতিপ্রদর্শন, নির্বিচারে গ্রেপ্তার ও সহিংসতার বিশ্বাসযোগ্য রিপোর্ট রয়েছে। এতে বিরোধী প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের জন্য সভা-সমাবেশ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। বেসরকারি সংস্থা ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুসারে, নির্বাচনের আগের মাসগুলোতে বিএনপি ও অন্য বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধে ১২৩৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। আর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনা ২১১টি।
বাংলাদেশের সরকার সঠিক সময়ে আনফ্রেলের পর্যবেক্ষকদের পরিচয়পত্র ও ভিসা প্রদান করেনি। এ বিষয়ে আনফ্রেল গত ২৩শে ডিসেম্বর একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। এতে সংস্থাটি অভিযোগ করেছে, তারা বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ৩২টি আবেদনপত্র জমা দিয়েছিল। কিন্তু ২১শে ডিসেম্বর সরকার মাত্র ১৩ জনকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেয়। নির্বাচন কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব করার কারণে আনফ্রেল ২২শে ডিসেম্বর তাদের পর্যবেক্ষণ মিশন বাতিল করতে বাধ্য হয়। একই বছরে খুলনা, গাজীপুর, বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেটে সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই নির্বাচনগুলোতেও বিরোধী নেতা-কর্মীদের ওপর একই ধরনের হয়রানি, গ্রেপ্তার, ভীতিপ্রদর্শন ও সহিংসতা চালানোর বিশ্বাসযোগ্য রিপোর্ট রয়েছে। এমনকি নির্বাচনের দিনেও ভোট কারচুপি, জালিয়াতি ও নানা অনিয়ম ঘটেছে। ৫টি সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ৪টিতেই জয় পেয়েছে। শুধু সিলেটে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির কাছে হেরেছে।
বিরোধীদলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ আনার জন্য আওয়ামী লীগ সরকার আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে উস্কে দিয়েছে। বিএনপি নেতা খালেদা জিয়াকে গত ৮ই ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির অভিযোগে সাজা দিয়ে জেলে পাঠানো হয়। ওই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল ২০০৮ সালে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে। এ ছাড়া, গত কয়েক বছরে সরকার তার বিরুদ্ধে আরো দু’ডজনেরও বেশি মামলা দায়ের করেছে। ফলে খালেদা জিয়া জামিনের সুবিধাও ভোগ করতে পারছেন না। শুধু তাই না, সংসদ নির্বাচনের আগের মাসগুলোতে প্রায় ৪ লাখ ৩৫ হাজার বিএনপি কর্মীকে অপরাধ মামলায় জড়ানো হয়েছে। এদের মধ্যে অনেককে আটকও করা হয়েছে। মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের দাবি, এগুলোর অনেক অভিযোগই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। গত কয়েক বছরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে ৮৬টি অপরাধ মামলা দেয়া হয়েছে। এগুলোর এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। মির্জা ফখরুল বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি পোড়ানো ও বোমা নিক্ষেপের অভিযোগও রয়েছে।
অন্য সরকার-বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধেও একই ধরনের মামলা দেয়া হয়েছে। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার ব্যাপক হয়রানির কারণে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা তাদের সংবিধান স্বীকৃত বাক-স্বাধীনতা ও সমাবেশের অধিকার চর্চা করতে পারছে না। সরকার রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করেছে। কিন্তু দলটির নেতাকর্মীদের সংবিধান স্বীকৃত বাক-স্বাধীনতা ও সমাবেশের মৌলিক অধিকার অব্যাহতভাবে লঙ্ঘন করা হচ্ছে। সরকারের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি না হওয়ার জন্য গণমাধ্যমগুলোও সেল্ফ সেন্সরশিপের চর্চা করছে।
সরকারের দুর্নীতি ও স্বচ্ছতার অভাব: বাংলাদেশের আইনে দুর্নীতির দায়ে শাস্তির বিধান রয়েছে। কিন্তু সরকার ওই আইনের কার্যকর প্রয়োগ করছে না। ফলে সরকারি কর্মকর্তারা অব্যাহতভাবে দুর্নীতি করছে। এতে তাদেরকে দায়মুক্তিও দেয়া হচ্ছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ২০১৮ সালের জরিপ অনুসারে, সরকারের ১৮টি বিভাগের মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত। দুর্নীতির দিক দিয়ে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট বিভাগ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। এ ছাড়া অন্য দুর্নীতিগ্রস্ত বিভাগগুলো হলো- বিচার বিভাগ, ভূমি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, স্থানীয় সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলো, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ও কর এবং শুল্ক বিভাগ।
গত বছরের ২০শে আগস্ট সরকারি কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তারে দুর্নীতি দমন কমিশনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে একটি আইন পাস করে মন্ত্রিসভা। সুশাসন ও স্বচ্ছতার জন্য আন্দোলনকারীরা ওই আইনের সমালোচনায় সোচ্চার হয়েছেন। তারা বলছেন, দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুরক্ষা দিতে ও দুদকের স্বাধীনতা খর্ব করার জন্য ওই আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।
এদিকে, অনেক ক্ষেত্রে সরকারের সমালোচনা করার কারণে ব্যবসায়ী, সংবাদপত্রের মালিক, বিরোধীদলীয় কর্মী ও সুশীল সমাজের বিরুদ্ধে দুদককে দিয়ে তদন্ত করানো বা তদন্তের ভয় দেখানো হচ্ছে। রাজনৈতিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য ২০১৭ সালে সুপ্রিম কোর্ট দুদককে তিরস্কার করে। যা হোক, সরকার কমিউনিটি পুলিশিং প্রোগ্রাম ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশ বিভাগে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি লাঘবের উদ্যোগ নিয়েছে।
শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতা: বছরজুড়ে বিএনপিকে কোনো মিছিল ও সমাবেশ করতে দেয়নি সরকার। ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গত বছরের মার্চ মাসের ১১, ১৯ ও ২৯ তারিখে বিএনপির সমাবেশ করার আবেদন বাতিল করা হয়েছে। কারণ হিসেবে নিরাপত্তাজনিত কারণ উল্লেখ করা হয়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান রাজনৈতিক দলগুলো প্রায়ই সমাবেশের জন্য ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু বিএনপিকে তখন অন্য স্থানে সমাবেশ করতে বাধ্য করা হয়।
বিএনপি জানিয়েছে, ১লা সেপ্টেম্বর মৌখিকভাবে তাদেরকে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। একইসঙ্গে ১০ই সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে তারা মানববন্ধন করেছিল। এই দুই কর্মসূচিতে দলটির শত শত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপি। অপরদিকে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনগুলো বছরজুড়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ তাদের পছন্দমত সকল স্থানে সমাবেশ করেছে।
১৫ই সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তিনি সকল দলকে সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি দিতে ডিএমপি কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন। এরপর ২৯শে সেপ্টেম্বর ডিএমপি ২২টি শর্তের মধ্যে থেকে বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়।
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড: ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার দিয়েছে বাংলাদেশের সংবিধান। তা সত্ত্বেও সরকার অথবা তার এজেন্টরা খেয়ালখুশিমতো অথবা বেআইনিভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে বহু রিপোর্ট পাওয়া গেছে। ২০১৮ সালে সারা বছরই আইনপ্রয়োগকারীরা ঘেরাও অভিযান চালিয়েছে। প্রথমত তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এটা শুরু করে। তবে কিছু ঘেরাও, গ্রেপ্তার ও অন্যান্য আইনপ্রয়োগ বিষয়ক অপারেশনের সময় সন্দেহজনক অনেক মৃত্যু হয়েছে। এসব মৃত্যু হয়েছে বন্দুকযুদ্ধে এমনটা দাবি করে আইনপ্রয়োগকারীরা। এসব হত্যাকে র্যাব অথবা পুলিশের অন্য ইউনিটের সঙ্গে অপরাধী গ্যাংদের ‘ক্রসফায়ারে মুত্যু’, ‘গান ফাইট’ অথবা ‘এনকাউন্টারে মৃত্যু’ বলে উল্লেখ করে তারা। মিডিয়াও অনেক সময় এসব হত্যাকে বৈধতা দেয় পুলিশি ভাষায়।
মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন ও মিডিয়াগুলো এসব হত্যার অনেকগুলোকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বলে বর্ণনা করে।
ওই রিপোর্টে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার গত বছর মে মাসে দেশে মাদক সমস্যা মোকাবিলার জন্য মাদকবিরোধী পদক্ষেপ নেয়। এতে অন্য বছরের তুলনায় গত বছর দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বেড়ে যায়। স্থানীয় মিডিয়ার রিপোর্টে বলা হয়েছে, এ অভিযানে প্রায় ২৩০ জন মাদকের ডিলারকে হত্যা করা হয়েছে। গত বছর মে মাস থেকে শুরু হয়ে জুন পর্যন্ত এই অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৭০০০ মানুষকে। বিচারবহির্ভূত এসব হত্যাকাণ্ড ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠনগুলো ও নাগরিক সমাজ। তারা দাবি করেছে, ভিকটিমদের অনেকে ছিলেন নিরপরাধ। তাদের দাবি, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি করার জন্য সরকার মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে।
গুম: মানবাধিকার বিষয়ক গ্রুপগুলো ও মিডিয়ার রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে চলমান গুম ও অপহরণের তথ্য। এসব গুম বা অপহরণের বেশির ভাগই ঘটিয়েছে নিরাপত্তা রক্ষাকারী সার্ভিসগুলো। এমন সব কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ বা তদন্তে সীমিত উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গুমের অভিযোগের পর নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা কিছু ব্যক্তিকে অভিযোগ ছাড়াই মুক্তি দিয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তার করেছে। কাউকে পাওয়া গেছে মৃত অবস্থায়। আবার অনেকে আছেন যাদেরকে আর কখনোই পাওয়া যায় নি। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জোরপূর্বক গুম করা হয়েছে ৫৮ জনকে। অধিকার বলেছে, জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত জোরপূর্বক গুম করা হয়েছে ৮৩ জনকে। বিরোধী দলীয় সাবেক তিন নেতা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে অভিযুক্ত হন। তাদের ছেলেদের ২০১৬ সালে নিরাপত্তা হেফাজতে নেয় কর্তৃপক্ষ।
তাদেরকে কখনোই আনুষ্ঠানিকভাবে অপরাধের কারণে আটক বা অভিযুক্ত দেখানো হয় নি আনুষ্ঠানিকভাবে। সাত মাস পরে কর্তৃপক্ষ মুক্তি দেয় হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে। কিন্তু মীর আহমেদ বিন কাসিম ও আমান আজমি ২০১৮ সালের শেষ পর্যন্তও ছিলেন নিখোঁজ। ইউএন ওয়ার্কিং গ্রুপ অন এনফোর্সড ডিজঅ্যাপেয়ারেন্সেস বাংলাদেশ সরকারের কাছে অনুমতি চায় এ দেশ সফর করতে। কিন্তু সরকার তাদের সেই আবেদনে কোনো সাড়া দেয় নি।
এমন অবস্থায় বার বার জোরপূর্বক গুমের ঘটনা প্রত্যাখ্যান করতে থাকেন সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা। তারা উল্টো দাবি করেন, ভিকটিমরা নিজের স্বার্থে আত্মগোপন করে আছেন। ২০১৭ সালে বিচার বিভাগীয় এক তদন্তে বলা হয়, জোরপূর্বক গুম করা হয়েছে। এ জন্য গুম হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে নির্দেশ দেয়া হয়। ২০১৮ সাল জুড়েই এসব গুমের তদন্ত আইন অব্যাহত রাখা হয়েছিল বলে জানায় আইনপ্রয়োগকারীরা।
নিরাপদ সড়কের দাবিতে ঢাকায় আন্দোলন চলছিল। এ আন্দোলন নিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে ৫ই আগস্ট গ্রেপ্তার করা হয় ফটোসাংবাদিক ড. শহিদুল আলমকে। তাকে পরের দিন ৬ই আগস্ট আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় দেখা যায় তিনি কারো সহায়তা ছাড়া হাঁটতে সক্ষম হচ্ছেন না। দেখেই বোঝা যায় তিনি আহত হয়েছেন বা তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তিনি বক্তব্য দেন। এতে শহিদুল আলম অভিযোগ করেন যে, আটক করার প্রথম রাতে তার চোখ বেঁধে ফেলা হয়েছিল। মাথার ওপর ভারি কিছু রাখা হয়েছিল।
তার মুখে আঘাত করা হয়েছিল। আইনগতভাবে একটি সরকারি হাসপাতালে তার মেডিকেল পরীক্ষার রিপোর্ট জমা দেয়ার একদিন পরে ৯ই আগস্ট আদালতে জমা দেয়া হয় ওই রিপোর্ট। তাতে বলা হয়, শহিদুল আলম ‘শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ’ আছেন বলে মনে হয়। শহিদুল আলমের স্ত্রী রেহনুমা আহমেদ ২২শে আগস্ট একটি বিবৃতি দেন। এতে তিনি তার স্বামীকে হাসপাতালে স্থানান্তরের দাবি জানান। তিনি জেলখানায় শহিদুল আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে শহিদুল আলম তাকে বলেন, তিনি শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন দাঁতে ব্যথা ও দৃষ্টিশক্তির জটিলতায় ভুগছিলেন। আটকের আগে তার এসব সমস্যা ছিল না। অবশেষে ২০শে নভেম্বর শহিদুল আলমকে জামিনে মুক্তি দেয়া হয়।
ওই রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে ভূমিকা থাকার কারণে ৫ই সেপ্টেম্বর ঢাকার ডিবি কর্মকর্তারা বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীকে তাদের বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে। কর্তৃপক্ষ কিছু শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দিয়েছে। একজন বিচারকের সামনে তোলার আগে ১২ জন শিক্ষার্থীকে রাখা হয় নিরাপত্তা হেফাজতে। কিন্তু প্রাথমিকভাবে এসব গ্রেপ্তারের কথা অস্বীকার করে ডিবি। তাদের এমন গ্রেপ্তার ও তাদেরকে গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে ব্যর্থতার জন্য ব্যাপক সমালোচনা করেছেন মানবকাধিকার বিষয়ক কর্মীরা। ১১ই সেপ্টেম্বর ডেইলি স্টার পত্রিকা একটি তালিকা প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, তালিকায় থাকা বিরোধী দল বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশ ভুয়া ফৌজদারি অভিযোগ করেছে। এর মধ্যে নাম ছিল হাসপাতালের বিছানায় শয্যাশায়ী ৮২ বছর বয়সী একজন ব্যক্তির। ঘটনার সময় তিনি ছিলেন বিদেশে। এ ছাড়া ওই তালিকায় এমন এক ব্যক্তির নাম ছিল, যিনি মারা গেছেন অপরাধের প্রায় দুই বছর আগে। নেতা ও কর্মীদের বিরুদ্ধে ১০৪৬টি মিথ্যা মামলার আংশিক তালিকা প্রধানমন্ত্রীর অফিসে জমা দেয় বিএনপি।
রাজনৈতিক বন্দি:
২০১৮ সালে বাংলাদেশে রাজনৈতিক বন্দিত্ব ও আটকের ঘটনা ঘটেছে। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে বিরোধী দলীয় সদস্যদের অনেক সময় গ্রেপ্তার ও বিচার করা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তার হুমকির জবাবে অনেক মিথ্যা অভিযোগেও এমনটা করা হয়েছে। সারা বছরে খেয়ালখুশি মতো গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিরোধী দল বিএনপির কয়েক হাজার সদস্যকে।
৮ই ফেব্রুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। ২০০৮ সালে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে প্রথমে এ বিষয়ে মামলা করা হয়েছিল। এ অভিযোগকে সমর্থন করতে তথ্যপ্রমাণের যে ঘাটতি রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক ও দেশের ভিতরকার আইনি বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন। তারা বলেছেন, এটা হলো নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে বিরোধীদলীয় এই নেতাকে সরিয়ে রাখার জন্য একটি রাজনৈতিক পটভূমি। তার জামিন পাওয়ার আবেদনে আদালত ধীর গতিতে অগ্রসর হয়েছে।
একই পরিস্থিতিতে একজন অভিযুক্ত সাধারণত তাৎক্ষণিক জামিন পেয়ে থাকেন। কিন্তু খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি প্রায় এক মাসের মতো স্থগিত রাখা হয়েছিল। হাইকোর্ট ১২ই মার্চ তাকে জামিন দেন। কিন্তু বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিলেট ডিভিশন সেই আদেশে অবিলম্বে দুই মাসের জন্য স্টে অর্ডার দেন। অভিযোগ গঠনের প্রায় তিন মাস পরে জামিনের আদেশ নিশ্চিত হওয়ার পর সরকার অন্যান্য মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র বলছে, খালেদা জিয়ার শাস্তি প্রক্রিয়ার আট দিনে বিএনপির ১৭৮৬ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিএনপির একজন মুখপাত্র হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে বলেছেন, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীর সদস্য ও কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত নন এমন কয়েক হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাদের এই দাবি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা যায় নি।
প্রেস ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা
বাংলাদেশের সংবিধান গণমাধ্যমসহ সবার মত প্রকাশের স্বাধীনতা দিয়েছে। কিন্তু সরকার সেই অধিকারের প্রতি সম্মান দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা উল্লেখযোগ্যভাবে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। হয়রানি ও প্রতিশোধের ভয়ে সরকারের সমালোচনার ক্ষেত্রে কিছু সাংবাদিক সেলফ-সেন্সরশিপ প্রয়োগ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মানবাধিকার রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, সংবিধানের সমলোচনাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। রাষ্ট্রদ্রোহের শাস্তি তিন বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আইন ঘৃণামূলক বক্তব্যকে সীমাবদ্ধ করেছে। তবে এটা পরিষ্কারভাবে সংজ্ঞায়িত করে নি, কোনো রকম বক্তব্যকে ঘৃণামূলক বক্তব্য বলা হবে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে, বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিরুদ্ধে, আইনশৃঙ্খলা, আদর্শের বিরুদ্ধে, আদালত অবমাননা, মানহানিকর অথবা উস্কানিমূলক বক্তব্যকে সীমাবদ্ধ করতে পারে সরকার। সাংবিধানিক পরিষদের যেকোনো সমালোচনাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে ফরেন ডোনেশন অ্যাক্টে। ২০০৬ সালের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ব্যবহার করা হয়েছে বিরোধী দলীয় ব্যক্তি ও নাগরিক সমাজের বিচারে।
ওই রিপোর্টে সেলফ সেন্সরশিপ ও বিধিনিষেধের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, আর্থিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বিজ্ঞাপন বন্ধ করে দিয়ে মিডিয়ার ওপর প্রভাব বিস্তার করেছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। এমন অভিযোগ করেছেন নিরপেক্ষ সাংবাদিকরা। তারা আরো বলেছেন, এক্ষেত্রে বেসরকারি কোম্পানিগুলোকেও একই উদ্দেশ্যে বিজ্ঞাপন দেয়ার ওপর চাপ প্রয়োগ করেছে ওইসব গোয়েন্দা সংস্থা। আরএসএফ অভিযোগ করেছে, সাংবাদিক ও মিডিয়া আউটলেটের বিরুদ্ধে ‘মহামারী আকারে সহিংসতা’ বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে সেলফ সেন্সরশিপ। আর যারা এ জন্য দায়ী তারা ভোগ করছে দায়মুক্তি। সাধারণত বেসরকারি সংবাদপত্রগুলো বিভিন্ন রকম দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশের স্বাধীনতা ভোগ করে। কিন্তু সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক মেরূকরণ ও সেলফ সেন্সরশিপ একটি সমস্যা রয়েই গেছে।
জাতীয় সংসদ সেপ্টেম্বর মাসে পাস করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। দাবি করা হয়, সাইবার অপরাধ দমনের জন্য এটা করা হয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতাকে গলা টিপে ধরতে ও মুক্ত মত প্রকাশকে অপরাধ হিসেবে দেখানোর জন্য এই আইন করা হয়েছে বলে এর নিন্দা জানায় মানবাধিকার বিষয়ক গ্রুপগুলো, সাংবাদিকরা, মিডিয়া আউটলেটগুলো ও রাজনৈতিক বিরোধী দলগুলো। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরুদ্ধে, জাতীয় সঙ্গীতের বিরুদ্ধে অথবা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা ছড়ানোর শাস্তি এই আইনে রাখা হয়েছে ১০ বছর পর্যন্ত জেল। তবে এ আইন দিয়ে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সীমিত করার সমালোচনা করেছে মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠনগুলো।
যেসব মিডিয়া সরকারের সমালোচনা করে অথবা বিরোধী দলের কর্মকাণ্ড ও বিবৃতি করে সম্প্রচার তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলতক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। আগস্টে ছাত্রদের নিরাপদ সদকের দাবির আন্দোলনের সময় সরকার ওই আন্দোলনকে সীমিত করতে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেয়। টেলিভিশন স্টেশনগুলো রিপোর্ট করেছে যে, রাজপথে ছাত্র আন্দোলনের রিপোর্ট সম্প্রচার না করতে তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তারা। কিছু সাংবাদিক ও মানবাধিকার বিষয়ক এনজিওগুলোর মতো, নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিশোধ নেয়ার আতঙ্কে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মামলায় জড়ানোর ভয়ে সাংবাদিকরা সেলফ সেন্সরশিপে লিপ্ত। যদিও সরকারের সমালোচনা সাধারণ বিষয়, তথাপি সরকারের হয়রানির ভয়ে মিডিয়ার অনেকে আতঙ্কিত।
বন্ধ করে দেয়া হয় ওয়েবসাইট। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও জনসভা করার স্বাধীনতার অধিকারেও রয়েছে অযাচিত হস্তক্ষেপ। আছে বেসরকারি সংগঠন এনজিও বিষয়ক অতিমাত্রায় বিধিনিষেধমূলক কঠোর আইন। আছে তাদের কার্যক্রমে বিধিনিষেধ।
আন্দোলনের স্বাধীনতায় আছে উল্লেখযোগ্য বিধিনিষেধ। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণেও আছে বিধিনিষেধ, যেখানে নির্বাচনগুলো কোনোভাবেই খাঁটি, অবাধ ও সুষ্ঠু নয়। আছে দুর্নীতি। আছে মানবপাচার। সমকামী নারী, সমকামী পুরুষ, উভকামী, হিজড়া সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে রয়েছে সহিংসতা। এখানে সমলিঙ্গে যৌনতা অপরাধ। নিরপেক্ষ ট্রেড ইউনিয়ন, শ্রমিকদের অধিকারে আছে বিধিনিষেধ। এ ছাড়া শিশু শ্রমের সবচেয়ে বাজে ফর্মটির ব্যবহার করা হয় বাংলাদেশে।
২০১৮ সালে ঘটে যাওয়া বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে প্রকাশিত বার্ষিক মানবাধিকার রিপোর্টে এসব কথা বলেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও সারাবিশ্বের মানবাধিকার রিপোর্ট-২০১৮ প্রকাশ করেন বুধবার। সেখানে বাংলাদেশ চ্যাপ্টারটি ৫০ পৃষ্ঠার। এতে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনে অনিয়ম, হয়রানি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, খেয়ালখুশিমতো গ্রেপ্তার ও সহিংসতার কথা তুলে ধরা হয়। বলা হয়, এসব কারণে বিরোধীদলীয় প্রার্থীদের প্রচারণা কঠিন হয়ে উঠেছিল। তাদের সমর্থকরা সভা করতে পারেন নি, কোনো র্যালি করতে পারেন নি। অবাধে প্রচারণা চালাতে পারেন নি। নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা নানা অনিয়মের পরও ব্যাপকভাবে দায়মুক্তি পেয়েছেন বলে ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়।
নির্বাচন ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ: ২০১৮ সালের শেষে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, ওই নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য বলে বিবেচিত হয়নি। এতে বাছবিচারহীনভাবে ব্যালট বাক্স ভর্তি, বিরোধীদলীয় নির্বাচনী এজেন্ট ও ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ নানা অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামী লীগ ও নির্বাচনী মিত্র দলগুলো ৮০ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়ে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসনে জয় পেয়েছে। যেখানে বিএনপি ও এর মিত্র দলগুলো পেয়েছে মাত্র সাতটি আসন। এর আগে, নির্বাচনী প্রচারণার সময় হয়রানি, ভীতিপ্রদর্শন, নির্বিচারে গ্রেপ্তার ও সহিংসতার বিশ্বাসযোগ্য রিপোর্ট রয়েছে। এতে বিরোধী প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের জন্য সভা-সমাবেশ ও নির্বাচনী প্রচারণা চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। বেসরকারি সংস্থা ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের তথ্য অনুসারে, নির্বাচনের আগের মাসগুলোতে বিএনপি ও অন্য বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধে ১২৩৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। আর আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনা ২১১টি।
বাংলাদেশের সরকার সঠিক সময়ে আনফ্রেলের পর্যবেক্ষকদের পরিচয়পত্র ও ভিসা প্রদান করেনি। এ বিষয়ে আনফ্রেল গত ২৩শে ডিসেম্বর একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। এতে সংস্থাটি অভিযোগ করেছে, তারা বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য ৩২টি আবেদনপত্র জমা দিয়েছিল। কিন্তু ২১শে ডিসেম্বর সরকার মাত্র ১৩ জনকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেয়। নির্বাচন কমিশন, স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব করার কারণে আনফ্রেল ২২শে ডিসেম্বর তাদের পর্যবেক্ষণ মিশন বাতিল করতে বাধ্য হয়। একই বছরে খুলনা, গাজীপুর, বরিশাল, রাজশাহী ও সিলেটে সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই নির্বাচনগুলোতেও বিরোধী নেতা-কর্মীদের ওপর একই ধরনের হয়রানি, গ্রেপ্তার, ভীতিপ্রদর্শন ও সহিংসতা চালানোর বিশ্বাসযোগ্য রিপোর্ট রয়েছে। এমনকি নির্বাচনের দিনেও ভোট কারচুপি, জালিয়াতি ও নানা অনিয়ম ঘটেছে। ৫টি সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ৪টিতেই জয় পেয়েছে। শুধু সিলেটে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির কাছে হেরেছে।
বিরোধীদলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ আনার জন্য আওয়ামী লীগ সরকার আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে উস্কে দিয়েছে। বিএনপি নেতা খালেদা জিয়াকে গত ৮ই ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির অভিযোগে সাজা দিয়ে জেলে পাঠানো হয়। ওই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল ২০০৮ সালে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে। এ ছাড়া, গত কয়েক বছরে সরকার তার বিরুদ্ধে আরো দু’ডজনেরও বেশি মামলা দায়ের করেছে। ফলে খালেদা জিয়া জামিনের সুবিধাও ভোগ করতে পারছেন না। শুধু তাই না, সংসদ নির্বাচনের আগের মাসগুলোতে প্রায় ৪ লাখ ৩৫ হাজার বিএনপি কর্মীকে অপরাধ মামলায় জড়ানো হয়েছে। এদের মধ্যে অনেককে আটকও করা হয়েছে। মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের দাবি, এগুলোর অনেক অভিযোগই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। গত কয়েক বছরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে ৮৬টি অপরাধ মামলা দেয়া হয়েছে। এগুলোর এখনো নিষ্পত্তি হয়নি। মির্জা ফখরুল বর্তমানে জামিনে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি পোড়ানো ও বোমা নিক্ষেপের অভিযোগও রয়েছে।
অন্য সরকার-বিরোধী দলগুলোর বিরুদ্ধেও একই ধরনের মামলা দেয়া হয়েছে। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার ব্যাপক হয়রানির কারণে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা তাদের সংবিধান স্বীকৃত বাক-স্বাধীনতা ও সমাবেশের অধিকার চর্চা করতে পারছে না। সরকার রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতের নিবন্ধন বাতিল করেছে। কিন্তু দলটির নেতাকর্মীদের সংবিধান স্বীকৃত বাক-স্বাধীনতা ও সমাবেশের মৌলিক অধিকার অব্যাহতভাবে লঙ্ঘন করা হচ্ছে। সরকারের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার মুখোমুখি না হওয়ার জন্য গণমাধ্যমগুলোও সেল্ফ সেন্সরশিপের চর্চা করছে।
সরকারের দুর্নীতি ও স্বচ্ছতার অভাব: বাংলাদেশের আইনে দুর্নীতির দায়ে শাস্তির বিধান রয়েছে। কিন্তু সরকার ওই আইনের কার্যকর প্রয়োগ করছে না। ফলে সরকারি কর্মকর্তারা অব্যাহতভাবে দুর্নীতি করছে। এতে তাদেরকে দায়মুক্তিও দেয়া হচ্ছে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) ২০১৮ সালের জরিপ অনুসারে, সরকারের ১৮টি বিভাগের মধ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত। দুর্নীতির দিক দিয়ে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট বিভাগ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। এ ছাড়া অন্য দুর্নীতিগ্রস্ত বিভাগগুলো হলো- বিচার বিভাগ, ভূমি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, বিদ্যুৎ, গ্যাস, স্থানীয় সরকারের প্রতিষ্ঠানগুলো, ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি ও কর এবং শুল্ক বিভাগ।
গত বছরের ২০শে আগস্ট সরকারি কর্মকর্তাদের গ্রেপ্তারে দুর্নীতি দমন কমিশনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে একটি আইন পাস করে মন্ত্রিসভা। সুশাসন ও স্বচ্ছতার জন্য আন্দোলনকারীরা ওই আইনের সমালোচনায় সোচ্চার হয়েছেন। তারা বলছেন, দুর্নীতিগ্রস্ত সরকারি কর্মকর্তাদের সুরক্ষা দিতে ও দুদকের স্বাধীনতা খর্ব করার জন্য ওই আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।
এদিকে, অনেক ক্ষেত্রে সরকারের সমালোচনা করার কারণে ব্যবসায়ী, সংবাদপত্রের মালিক, বিরোধীদলীয় কর্মী ও সুশীল সমাজের বিরুদ্ধে দুদককে দিয়ে তদন্ত করানো বা তদন্তের ভয় দেখানো হচ্ছে। রাজনৈতিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এমন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য ২০১৭ সালে সুপ্রিম কোর্ট দুদককে তিরস্কার করে। যা হোক, সরকার কমিউনিটি পুলিশিং প্রোগ্রাম ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পুলিশ বিভাগে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি লাঘবের উদ্যোগ নিয়েছে।
শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতা: বছরজুড়ে বিএনপিকে কোনো মিছিল ও সমাবেশ করতে দেয়নি সরকার। ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গত বছরের মার্চ মাসের ১১, ১৯ ও ২৯ তারিখে বিএনপির সমাবেশ করার আবেদন বাতিল করা হয়েছে। কারণ হিসেবে নিরাপত্তাজনিত কারণ উল্লেখ করা হয়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান রাজনৈতিক দলগুলো প্রায়ই সমাবেশের জন্য ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু বিএনপিকে তখন অন্য স্থানে সমাবেশ করতে বাধ্য করা হয়।
বিএনপি জানিয়েছে, ১লা সেপ্টেম্বর মৌখিকভাবে তাদেরকে সমাবেশের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। একইসঙ্গে ১০ই সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে তারা মানববন্ধন করেছিল। এই দুই কর্মসূচিতে দলটির শত শত নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএনপি। অপরদিকে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনগুলো বছরজুড়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ তাদের পছন্দমত সকল স্থানে সমাবেশ করেছে।
১৫ই সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, তিনি সকল দলকে সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি দিতে ডিএমপি কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন। এরপর ২৯শে সেপ্টেম্বর ডিএমপি ২২টি শর্তের মধ্যে থেকে বিএনপিকে সোহরাওয়ার্দীতে সমাবেশ করার অনুমতি দেয়।
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড: ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, জীবন ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকার দিয়েছে বাংলাদেশের সংবিধান। তা সত্ত্বেও সরকার অথবা তার এজেন্টরা খেয়ালখুশিমতো অথবা বেআইনিভাবে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে বহু রিপোর্ট পাওয়া গেছে। ২০১৮ সালে সারা বছরই আইনপ্রয়োগকারীরা ঘেরাও অভিযান চালিয়েছে। প্রথমত তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে এটা শুরু করে। তবে কিছু ঘেরাও, গ্রেপ্তার ও অন্যান্য আইনপ্রয়োগ বিষয়ক অপারেশনের সময় সন্দেহজনক অনেক মৃত্যু হয়েছে। এসব মৃত্যু হয়েছে বন্দুকযুদ্ধে এমনটা দাবি করে আইনপ্রয়োগকারীরা। এসব হত্যাকে র্যাব অথবা পুলিশের অন্য ইউনিটের সঙ্গে অপরাধী গ্যাংদের ‘ক্রসফায়ারে মুত্যু’, ‘গান ফাইট’ অথবা ‘এনকাউন্টারে মৃত্যু’ বলে উল্লেখ করে তারা। মিডিয়াও অনেক সময় এসব হত্যাকে বৈধতা দেয় পুলিশি ভাষায়।
মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন ও মিডিয়াগুলো এসব হত্যার অনেকগুলোকে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বলে বর্ণনা করে।
ওই রিপোর্টে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার গত বছর মে মাসে দেশে মাদক সমস্যা মোকাবিলার জন্য মাদকবিরোধী পদক্ষেপ নেয়। এতে অন্য বছরের তুলনায় গত বছর দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বেড়ে যায়। স্থানীয় মিডিয়ার রিপোর্টে বলা হয়েছে, এ অভিযানে প্রায় ২৩০ জন মাদকের ডিলারকে হত্যা করা হয়েছে। গত বছর মে মাস থেকে শুরু হয়ে জুন পর্যন্ত এই অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৭০০০ মানুষকে। বিচারবহির্ভূত এসব হত্যাকাণ্ড ও গ্রেপ্তারের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠনগুলো ও নাগরিক সমাজ। তারা দাবি করেছে, ভিকটিমদের অনেকে ছিলেন নিরপরাধ। তাদের দাবি, জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি করার জন্য সরকার মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়েছে।
গুম: মানবাধিকার বিষয়ক গ্রুপগুলো ও মিডিয়ার রিপোর্টে প্রকাশ পেয়েছে চলমান গুম ও অপহরণের তথ্য। এসব গুম বা অপহরণের বেশির ভাগই ঘটিয়েছে নিরাপত্তা রক্ষাকারী সার্ভিসগুলো। এমন সব কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ বা তদন্তে সীমিত উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। গুমের অভিযোগের পর নিরাপত্তা রক্ষাকারীরা কিছু ব্যক্তিকে অভিযোগ ছাড়াই মুক্তি দিয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তার করেছে। কাউকে পাওয়া গেছে মৃত অবস্থায়। আবার অনেকে আছেন যাদেরকে আর কখনোই পাওয়া যায় নি। জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জোরপূর্বক গুম করা হয়েছে ৫৮ জনকে। অধিকার বলেছে, জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত জোরপূর্বক গুম করা হয়েছে ৮৩ জনকে। বিরোধী দলীয় সাবেক তিন নেতা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে অভিযুক্ত হন। তাদের ছেলেদের ২০১৬ সালে নিরাপত্তা হেফাজতে নেয় কর্তৃপক্ষ।
তাদেরকে কখনোই আনুষ্ঠানিকভাবে অপরাধের কারণে আটক বা অভিযুক্ত দেখানো হয় নি আনুষ্ঠানিকভাবে। সাত মাস পরে কর্তৃপক্ষ মুক্তি দেয় হুম্মাম কাদের চৌধুরীকে। কিন্তু মীর আহমেদ বিন কাসিম ও আমান আজমি ২০১৮ সালের শেষ পর্যন্তও ছিলেন নিখোঁজ। ইউএন ওয়ার্কিং গ্রুপ অন এনফোর্সড ডিজঅ্যাপেয়ারেন্সেস বাংলাদেশ সরকারের কাছে অনুমতি চায় এ দেশ সফর করতে। কিন্তু সরকার তাদের সেই আবেদনে কোনো সাড়া দেয় নি।
এমন অবস্থায় বার বার জোরপূর্বক গুমের ঘটনা প্রত্যাখ্যান করতে থাকেন সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা। তারা উল্টো দাবি করেন, ভিকটিমরা নিজের স্বার্থে আত্মগোপন করে আছেন। ২০১৭ সালে বিচার বিভাগীয় এক তদন্তে বলা হয়, জোরপূর্বক গুম করা হয়েছে। এ জন্য গুম হওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে নির্দেশ দেয়া হয়। ২০১৮ সাল জুড়েই এসব গুমের তদন্ত আইন অব্যাহত রাখা হয়েছিল বলে জানায় আইনপ্রয়োগকারীরা।
নিরাপদ সড়কের দাবিতে ঢাকায় আন্দোলন চলছিল। এ আন্দোলন নিয়ে উস্কানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে ৫ই আগস্ট গ্রেপ্তার করা হয় ফটোসাংবাদিক ড. শহিদুল আলমকে। তাকে পরের দিন ৬ই আগস্ট আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় দেখা যায় তিনি কারো সহায়তা ছাড়া হাঁটতে সক্ষম হচ্ছেন না। দেখেই বোঝা যায় তিনি আহত হয়েছেন বা তার ওপর নির্যাতন চালানো হয়েছে। চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তিনি বক্তব্য দেন। এতে শহিদুল আলম অভিযোগ করেন যে, আটক করার প্রথম রাতে তার চোখ বেঁধে ফেলা হয়েছিল। মাথার ওপর ভারি কিছু রাখা হয়েছিল।
তার মুখে আঘাত করা হয়েছিল। আইনগতভাবে একটি সরকারি হাসপাতালে তার মেডিকেল পরীক্ষার রিপোর্ট জমা দেয়ার একদিন পরে ৯ই আগস্ট আদালতে জমা দেয়া হয় ওই রিপোর্ট। তাতে বলা হয়, শহিদুল আলম ‘শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ’ আছেন বলে মনে হয়। শহিদুল আলমের স্ত্রী রেহনুমা আহমেদ ২২শে আগস্ট একটি বিবৃতি দেন। এতে তিনি তার স্বামীকে হাসপাতালে স্থানান্তরের দাবি জানান। তিনি জেলখানায় শহিদুল আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেখানে শহিদুল আলম তাকে বলেন, তিনি শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন দাঁতে ব্যথা ও দৃষ্টিশক্তির জটিলতায় ভুগছিলেন। আটকের আগে তার এসব সমস্যা ছিল না। অবশেষে ২০শে নভেম্বর শহিদুল আলমকে জামিনে মুক্তি দেয়া হয়।
ওই রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে ভূমিকা থাকার কারণে ৫ই সেপ্টেম্বর ঢাকার ডিবি কর্মকর্তারা বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীকে তাদের বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে। কর্তৃপক্ষ কিছু শিক্ষার্থীকে ছেড়ে দিয়েছে। একজন বিচারকের সামনে তোলার আগে ১২ জন শিক্ষার্থীকে রাখা হয় নিরাপত্তা হেফাজতে। কিন্তু প্রাথমিকভাবে এসব গ্রেপ্তারের কথা অস্বীকার করে ডিবি। তাদের এমন গ্রেপ্তার ও তাদেরকে গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আদালতে হাজির করতে ব্যর্থতার জন্য ব্যাপক সমালোচনা করেছেন মানবকাধিকার বিষয়ক কর্মীরা। ১১ই সেপ্টেম্বর ডেইলি স্টার পত্রিকা একটি তালিকা প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, তালিকায় থাকা বিরোধী দল বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশ ভুয়া ফৌজদারি অভিযোগ করেছে। এর মধ্যে নাম ছিল হাসপাতালের বিছানায় শয্যাশায়ী ৮২ বছর বয়সী একজন ব্যক্তির। ঘটনার সময় তিনি ছিলেন বিদেশে। এ ছাড়া ওই তালিকায় এমন এক ব্যক্তির নাম ছিল, যিনি মারা গেছেন অপরাধের প্রায় দুই বছর আগে। নেতা ও কর্মীদের বিরুদ্ধে ১০৪৬টি মিথ্যা মামলার আংশিক তালিকা প্রধানমন্ত্রীর অফিসে জমা দেয় বিএনপি।
রাজনৈতিক বন্দি:
২০১৮ সালে বাংলাদেশে রাজনৈতিক বন্দিত্ব ও আটকের ঘটনা ঘটেছে। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে বিরোধী দলীয় সদস্যদের অনেক সময় গ্রেপ্তার ও বিচার করা হয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তার হুমকির জবাবে অনেক মিথ্যা অভিযোগেও এমনটা করা হয়েছে। সারা বছরে খেয়ালখুশি মতো গ্রেপ্তার করা হয়েছে বিরোধী দল বিএনপির কয়েক হাজার সদস্যকে।
৮ই ফেব্রুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। ২০০৮ সালে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে প্রথমে এ বিষয়ে মামলা করা হয়েছিল। এ অভিযোগকে সমর্থন করতে তথ্যপ্রমাণের যে ঘাটতি রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক ও দেশের ভিতরকার আইনি বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন। তারা বলেছেন, এটা হলো নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে বিরোধীদলীয় এই নেতাকে সরিয়ে রাখার জন্য একটি রাজনৈতিক পটভূমি। তার জামিন পাওয়ার আবেদনে আদালত ধীর গতিতে অগ্রসর হয়েছে।
একই পরিস্থিতিতে একজন অভিযুক্ত সাধারণত তাৎক্ষণিক জামিন পেয়ে থাকেন। কিন্তু খালেদা জিয়ার জামিন শুনানি প্রায় এক মাসের মতো স্থগিত রাখা হয়েছিল। হাইকোর্ট ১২ই মার্চ তাকে জামিন দেন। কিন্তু বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিলেট ডিভিশন সেই আদেশে অবিলম্বে দুই মাসের জন্য স্টে অর্ডার দেন। অভিযোগ গঠনের প্রায় তিন মাস পরে জামিনের আদেশ নিশ্চিত হওয়ার পর সরকার অন্যান্য মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র বলছে, খালেদা জিয়ার শাস্তি প্রক্রিয়ার আট দিনে বিএনপির ১৭৮৬ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিএনপির একজন মুখপাত্র হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে বলেছেন, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীর সদস্য ও কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত নন এমন কয়েক হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাদের এই দাবি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা যায় নি।
প্রেস ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা
বাংলাদেশের সংবিধান গণমাধ্যমসহ সবার মত প্রকাশের স্বাধীনতা দিয়েছে। কিন্তু সরকার সেই অধিকারের প্রতি সম্মান দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। মত প্রকাশের স্বাধীনতা উল্লেখযোগ্যভাবে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। হয়রানি ও প্রতিশোধের ভয়ে সরকারের সমালোচনার ক্ষেত্রে কিছু সাংবাদিক সেলফ-সেন্সরশিপ প্রয়োগ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মানবাধিকার রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, সংবিধানের সমলোচনাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসাবে গণ্য করা হয়েছে। রাষ্ট্রদ্রোহের শাস্তি তিন বছর থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। আইন ঘৃণামূলক বক্তব্যকে সীমাবদ্ধ করেছে। তবে এটা পরিষ্কারভাবে সংজ্ঞায়িত করে নি, কোনো রকম বক্তব্যকে ঘৃণামূলক বক্তব্য বলা হবে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে, বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিরুদ্ধে, আইনশৃঙ্খলা, আদর্শের বিরুদ্ধে, আদালত অবমাননা, মানহানিকর অথবা উস্কানিমূলক বক্তব্যকে সীমাবদ্ধ করতে পারে সরকার। সাংবিধানিক পরিষদের যেকোনো সমালোচনাকে অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে ফরেন ডোনেশন অ্যাক্টে। ২০০৬ সালের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ব্যবহার করা হয়েছে বিরোধী দলীয় ব্যক্তি ও নাগরিক সমাজের বিচারে।
ওই রিপোর্টে সেলফ সেন্সরশিপ ও বিধিনিষেধের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, আর্থিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি বিজ্ঞাপন বন্ধ করে দিয়ে মিডিয়ার ওপর প্রভাব বিস্তার করেছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। এমন অভিযোগ করেছেন নিরপেক্ষ সাংবাদিকরা। তারা আরো বলেছেন, এক্ষেত্রে বেসরকারি কোম্পানিগুলোকেও একই উদ্দেশ্যে বিজ্ঞাপন দেয়ার ওপর চাপ প্রয়োগ করেছে ওইসব গোয়েন্দা সংস্থা। আরএসএফ অভিযোগ করেছে, সাংবাদিক ও মিডিয়া আউটলেটের বিরুদ্ধে ‘মহামারী আকারে সহিংসতা’ বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে সেলফ সেন্সরশিপ। আর যারা এ জন্য দায়ী তারা ভোগ করছে দায়মুক্তি। সাধারণত বেসরকারি সংবাদপত্রগুলো বিভিন্ন রকম দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশের স্বাধীনতা ভোগ করে। কিন্তু সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক মেরূকরণ ও সেলফ সেন্সরশিপ একটি সমস্যা রয়েই গেছে।
জাতীয় সংসদ সেপ্টেম্বর মাসে পাস করে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন। দাবি করা হয়, সাইবার অপরাধ দমনের জন্য এটা করা হয়েছে। কিন্তু স্বাধীনতাকে গলা টিপে ধরতে ও মুক্ত মত প্রকাশকে অপরাধ হিসেবে দেখানোর জন্য এই আইন করা হয়েছে বলে এর নিন্দা জানায় মানবাধিকার বিষয়ক গ্রুপগুলো, সাংবাদিকরা, মিডিয়া আউটলেটগুলো ও রাজনৈতিক বিরোধী দলগুলো। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিরুদ্ধে, জাতীয় সঙ্গীতের বিরুদ্ধে অথবা জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা ছড়ানোর শাস্তি এই আইনে রাখা হয়েছে ১০ বছর পর্যন্ত জেল। তবে এ আইন দিয়ে মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে সীমিত করার সমালোচনা করেছে মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠনগুলো।
যেসব মিডিয়া সরকারের সমালোচনা করে অথবা বিরোধী দলের কর্মকাণ্ড ও বিবৃতি করে সম্প্রচার তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলতক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। আগস্টে ছাত্রদের নিরাপদ সদকের দাবির আন্দোলনের সময় সরকার ওই আন্দোলনকে সীমিত করতে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেয়। টেলিভিশন স্টেশনগুলো রিপোর্ট করেছে যে, রাজপথে ছাত্র আন্দোলনের রিপোর্ট সম্প্রচার না করতে তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন সরকারি কর্মকর্তারা। কিছু সাংবাদিক ও মানবাধিকার বিষয়ক এনজিওগুলোর মতো, নিরাপত্তা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিশোধ নেয়ার আতঙ্কে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মামলায় জড়ানোর ভয়ে সাংবাদিকরা সেলফ সেন্সরশিপে লিপ্ত। যদিও সরকারের সমালোচনা সাধারণ বিষয়, তথাপি সরকারের হয়রানির ভয়ে মিডিয়ার অনেকে আতঙ্কিত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
March
(458)
-
▼
Mar 17
(13)
- ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে হামলায় আহতদের বাঁচাতে প্রাণান...
- নিউজিল্যান্ডে জাকারিয়ার লাশ শনাক্ত, নিহতের সংখ্যা ...
- সেজদা দিয়ে অমুসলিম ফুটবলারের অভিনব প্রতিবাদ
- ক্রাইস্টচার্চের ঘটনায় নিহত ও নিখোঁজ যারা
- গুলিবিদ্ধ ৪ বছরের শিশু জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে
- স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল সিলেটের হোসনে আরার...
- নিহতের সংখ্যা ৫০, প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন, আ...
- অযোধ্যা বিতর্ক: মধ্যস্থতায় মিটবে? by অর্ণব সান্যাল
- নির্বিচার গ্রেপ্তার, সেন্সরশিপ নির্বাচন বিশ্বাসযোগ...
- মুক্ত ফুটপাতে স্বস্তির পথচলা
- ক্রাইস্টচার্চ হামলা: জীবন বাজি রাখা হিরো নাইম রশিদ
- হামলার দশ মিনিট আগেই প্রধানমন্ত্রীকে মেনিফেস্টো পা...
- বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মদিন আজ
-
▼
Mar 17
(13)
-
▼
March
(458)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment