Tuesday, February 27, 2018
নিজের স্বার্থেই পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া উচিত: আসমা জাহাঙ্গীর
নিজের স্বার্থেই পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া উচিত: আসমা জাহাঙ্গীর

মতিউর
রহমান : ঢাকায় নিযুক্ত একজন পাকিস্তানি কূটনীতিক ইরফান রাজা একাত্তরের
মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে সম্প্রতি আপত্তিকর মন্তব্য করার পর এ ব্যাপারে আপনি
প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বিবৃতি দেওয়ায় আপনাকে ধন্যবাদ।
আসমা জাহাঙ্গীর : আমার কিন্তু মনে হয় না এ কারণে আমাকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত। আমি মনে করি, এটা হলো বিবেকের তাড়না। আমি যে এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে পেরেছি, সে জন্য নিজেকে যথেষ্ট সৌভাগ্যবান মনে হয়। আসলে চরম বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে হিসাব-নিকাশ করে ব্যাপক পরিসরে সংঘটিত যেকোনো ধরনের হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধেই ধিক্কার জানানো উচিত। শুধু দক্ষিণ এশিয়া নয়, গোটা বিশ্বের সব মানুষেরই উচিত এসব হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করা।
মতিউর রহমান : আমাদের মনে আছে, কয়েক মাস আগে হামুদুর রহমান কমিশন রিপোর্ট পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর আপনি সুদৃঢ় অবস্থান নিয়ে ’৭১ সালে বাংলাদেশে গণহত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচার দাবি করেছিলেন।
আসমা জাহাঙ্গীর : আমি যা ভাবি সেটাই তো আমি বলব। অতীত ইতিহাসের প্রামাণ্য স্মৃতি আমি ধারণ করছি। ’৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর তৎপরতা সম্পর্কে সে সময় পশ্চিম পাকিস্তানে যে প্রতিক্রিয়া হয়েছিল, সেটা আমি প্রত্যক্ষ করেছি। প্রচার-প্রোপাগান্ডায় প্রভাবিত হয়ে মানুষ কী করে তার নিজের সৃষ্ট মিথ্যাচারই পরে বিশ্বাস করে ফেলে সেটা ভেবে আমি মাঝে মাঝে বিস্মিত হই। একাত্তর ছিল ইতিহাসের তেমনই এক লগ্ন। আমি দেখেছি, পশ্চিম পাকিস্তানের লোকেরা তখন সত্যি সত্যি বিশ্বাস করতে থাকে যে, তারা জনগণের ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষাকে দমন করতে পারবে। জনগণের চাওয়া-পাওয়া নয়, যুদ্ধটাই তখন তাদের কাছে মুখ্য হয়ে উঠেছিল। সুতরাং আমি মনে করি, সে সময়টাতে যে অল্প কজন লোক সত্য কথা বলছিলেন, তাদের জন্য হামুদুর রহমান কমিশন রিপোর্ট একটা বড় অবলম্বন। সত্য কথা বলার খেসারত দিতে এই লোকগুলোকে জেলে যেতে হয়েছিল, সইতে হয়েছিল চরম ভোগান্তি। সত্য কথা বলায় এই লোকগুলো পশ্চিম পাকিস্তানিদের কাছে হয়েছিলেন ‘বেইমান’। হামুদুর রহমান কমিশন রিপোর্ট মারফত পাকিস্তানবাসী জানতে পেরেছে, সে সময় এই লোকগুলো কেবল সত্য কথাই বলেননি, কী ঘটতে চলেছে সে ব্যাপারে দূরদৃষ্টিও তাদের ছিল। সর্বনাশা কাজে বিশ্বাসী যারা তারা নয়, বরং ওই সত্য কথা বলা লোকগুলোই ছিলেন প্রকৃত নেতা।
মতিউর রহমান : অর্থাৎ, আপনি বলতে চান রিপোর্ট ছাপা হওয়ার আগেও পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতন ও গণহত্যার বিরুদ্ধে পাকিস্তানে প্রতিবাদ উঠেছিল?
আসমা জাহাঙ্গীর : নিশ্চয়ই। স্মরণ করে দেখুন, সেই মহৎ ব্যক্তি মাজহার আলী খান জেলে গিয়েছিলেন। সাংবাদিক আই এ রহমানকে জেলে ঢোকানো হয়েছিল। একই ঘটনা ঘটেছে নকীব হোসেনের ক্ষেত্রেও। আমার বাবা তখন আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। তাকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। কাজেই এ বিষয়টা নিয়ে আমি যা বলেছি তা নিজের মতো করে চিন্তা করেই বলেছি। আমি আমার বাবাকে বলেছি, আপনি ঠিক কাজটাই করেছিলেন। আপনার কাছে যা সত্য ও ন্যায় বলে মনে হয়েছে, অত্যন্ত কঠিন সময়েও তা আপনি জোর গলায় বলেছেন। আর, আপনার এই ন্যায়পরায়ণতার উত্তরাধিকার আপনি রেখে গেছেন আমার জন্য। আমার বাবা বেঁচে নেই।
মতিউর রহমান : আমরা জানতে পেরেছি যে, পাকিস্তানের বিভিন্ন পত্রপত্রিকা, আপনার মতো ব্যক্তিত্ব ও মানবাধিকার সংগঠন ’৭১ সালে সংঘটিত পাক বাহিনীর অপরাধের জন্য ক্ষমা চাওয়ার দাবি করছে। এটা আমাদের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক। একাত্তরের ভূমিকার জন্য পাকিস্তানি সরকার ক্ষমা চাক, এই দাবিতে আমাদের দেশেও আন্দোলন চলছে।
আসমা জাহাঙ্গীর : আমি এ বিষয়ে আমার অবস্থান আরও স্পষ্ট করার জন্য বলতে চাই, আপনাদের কথা চিন্তা করে পাকিস্তানি সরকারের ক্ষমা চাওয়া উচিত সে কথা আমরা বলছি না। ক্ষমা চাওয়া উচিত আমাদের নিজেদের স্বার্থেই। আমরা যাতে আমাদের নিজেদের মতো করে থাকতে পারি সে জন্যই ক্ষমা চাইতে হবে। আর বাংলাদেশের জনগণ, বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও যুদ্ধাহত নারী-পুরুষ এবং তাদের পরিবারবর্গের কথা চিন্তা করে আমাদের দাবি হচ্ছে, এই অপরাধ যারা করেছে তাদের অবশ্যই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। অতীত কলঙ্কের এই ভার আমাদের নিজেদের মতো করে থাকতে দিচ্ছে না, এ থেকে আমাদের মুক্ত হওয়া দরকার। আর সে কারণেই ক্ষমা চাওয়ার ব্যাপারে আমাদের কাছে পাকিস্তান সরকারের বাধ্যবাধকতা।
মতিউর রহমান : এই বিষয়গুলোর ব্যাপারে পাকিস্তানের জনগণ ও প্রচারমাধ্যমের মনোভাব কেমন?
আসমা জাহাঙ্গীর : ঠিক এ মুহূর্তে পাকিস্তান এক ছোটখাটো সংকটকাল অতিক্রম করছে। তাই জনমনে গভীর হতাশা। কাজেই পাকিস্তানে এগুলো আদৌ কোনো ইস্যু নয়। অবশ্য পাকিস্তানে দুটো চরমপন্থী ধারা রয়েছে, যার অনুসারীরা বাস করছে পাশাপাশি। আর আমি এতে সন্তুষ্ট যে, একটি ধারার অনুসারীরা আমাদের মতোই মানবাধিকার সংক্রান্ত নীতিমালা অনুসরণ করে যাবে। পাশাপাশি পাকিস্তানে আরেকটি গোষ্ঠী রয়েছে, যারা মনে করে ক্ষমা চাওয়াটা মোটেও জরুরি নয়। ক্ষমা চাওয়ার ব্যাপারে যারা কথা বলে তারা এই দ্বিতীয় গোষ্ঠীর কাছে হয়ে যায় বেইমান। কাজেই পাকিস্তানে এখন এই দুটো শক্তিই সক্রিয় রয়েছে এবং বাদবাকিরা নীরব দর্শক মাত্র।
মতিউর রহমান : এবার রাজনীতি প্রসঙ্গে আসা যাক। জেনারেল মোশাররফ ক্ষমতায় আসার পর পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছু বলুন?
আসমা জাহাঙ্গীর : গণতন্ত্রের পটপরিবর্তন পাকিস্তানের অনেক ক্ষতি করেছে। কেননা, আমাদের এখন কোনো দিকনির্দেশনা নেই। আর আপনি যখন কোনো পদ্ধতির ব্যত্যয় ঘটাবেন তখন আসলে আপনি সেটির পূর্বাবস্থায় না আসাটাই নিশ্চিত করছেন মাত্র, তা ওই পদ্ধতি যতই নড়বড়ে হোক না কেন। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে ঠিক এ ঘটনাই ঘটেছে। আমরা পরিত্রাণ পাওয়ার কোনো পথ দেখছি না। রেহাই পাওয়ার পথ খঁুজছি। আমরা সব সময় বিশ্বাস করেছি, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সূচনা আমাদের করতে হবে নির্বাচন পদ্ধতির মাধ্যমে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, এটা স্রেফ ক্ষুদ্র একটা পদক্ষেপ মাত্র। আমরা এই ক্ষুদ্র পদক্ষেপ নিয়েছিলাম একটি শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর ছত্রচ্ছায়ায়। এখন ওই একটি মাত্র ধাপও উপড়ে ফেলা হয়েছে।
কাজেই এখন আমরা কোথা থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু করব, সেটা একটা বড় প্রশ্ন। আপনি জানেন, কোনো আত্মমর্যাদাশীল সমাজই রাজনৈতিক দল ও জনগণের প্রতিনিধিত্ব ছাড়া টিকে থাকতে পারে না।
আমরা এ কথা ভেবেও উদ্বিগ্ন যে, যথাযথভাবে দেশ শাসন করার দক্ষতা সামরিক বাহিনীর নেই, যা কিনা এ মুহূর্তে অতীব প্রয়োজন। এটা স্নায়ুযুদ্ধের সময় নয় যে, সামরিক সরকারগুলোকে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা দেওয়া হবে। আগে জনমনে এমন একটা ধারণা ছিল, সামরিক সরকার মানেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নির্বিঘ্ন থাকা এবং সেই সঙ্গে দেশের সমৃদ্ধি। কিন্তু এবার সামরিক শাসনের সময় তেমনটা হচ্ছে না বলে লোকে দেখছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ, অর্থনৈতিকভাবেও আমরা ভোগান্তির শিকার। এই প্রথমবারের মতো লোকজন সামরিক সরকারের সঙ্গে দারিদ্র্যের সম্পর্ক খঁুজতে শুরু করেছে। ব্যাপারটা অবশ্য দূর-ভবিষ্যতে পাকিস্তানের জন্যই মঙ্গলজনক হবে। কিন্তু স্বল্প মেয়াদের কথা চিন্তা করলে বলা যায়, আমাদের খুবই নড়বড়ে ও হতাশাজনক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করতে হতে পারে। এরপর হয়তোবা আমরা এমন একটা প্ল্যাটফর্মে দাঁড়াতে পারব, যেখানে আমরা আমাদের লক্ষ্যের ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারব।
মতিউর রহমান : এসবের জন্য তো আপনি রাজনীতিবিদ অর্থাৎ জনগণ-নির্বাচিত পরপর দুটো সরকারকে দায়ী করবেন? তারা সামান্যতম গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে অথবা জনগণের মঙ্গল সাধন করতে ব্যর্থ হয়েছেন?
আসমা জাহাঙ্গীর : আমি কাউকে আলাদাভাবে দায়ী করছি না। আমি আমাদের নিজেদেরই দায়ী করছি, কেননা আমরাই এত কিছু হতে দিয়েছি। ভেবে দেখুন, আমাদের দেশে কোনো অনন্য ব্যক্তিত্বসম্পন্ন রাজনীতিবিদ নেই। কিন্তু যে দেশ তার ইতিহাসের অর্ধেকের বেশি সময় ধরে সামরিক শাসনের অধীনে রয়েছে সেখানে এই পরিস্থিতির মধ্য থেকে কীভাবে প্রজ্ঞাবান নেতৃত্ব বেরিয়ে আসবে? দক্ষিণ আফ্রিকায় একজন নেলসন ম্যান্ডেলা রয়েছেন। কিন্তু ম্যান্ডেলারা তো প্রতিদিন জন্মান না। দক্ষিণ আফ্রিকার মতো সৌভাগ্য আমাদের নেই। তবে আপনি যদি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের রাজনীতিবিদদের সঙ্গেই আমাদের রাজনীতিকদের তুলনা করেন, তাহলে দেখবেন পাকিস্তানি রাজনীতিকেরা অন্যদের চেয়ে ভালোও নন, আবার খারাপও নন।
যা হোক, একটা বিষয় কিন্তু বেশ মজার। আমাদের দেশে এমন একটা প্রচারণা আছে যে, সব রাজনীতিকই দুর্নীতিগ্রস্ত। কিন্তু পাকিস্তানের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখবেন, প্রথম দিককার কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অভিযোগ নেই। লিয়াকত আলী খান, শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মোহাম্মদ আলী (বগুড়া), চৌধুরী মোহাম্মদ আলী, আই আই চন্দ্রীগড়, ফিরোজ খান নুন- এদের কারও বিরুদ্ধেই টাকা-পয়সা সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ নেই। তাহলে দুর্নীতির সূত্রপাত কখন থেকে হলো? সেনাবাহিনীই দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। অসাধু কাজ-কারবার শুরু করেছিল সেনাবাহিনীই। আর নওয়াজ শরিফ যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়েই থাকেন, তা তিনি শিখেছেন তার মুরব্বিদের কাছ থেকে। কাজেই সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত লোক হচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জেনারেলরা। হ্যাঁ, দুর্নীতিপরায়ণ কিছুসংখ্যক রাজনীতিবিদও রয়েছে। কিন্তু হাবিব জালিসও একজন রাজনীতিক ছিলেন। ৪ ফুট বাই ৬ ফুট একটা ঘরে তিনি মারা গিয়েছিলেন। এমনকি আমার বাবাও একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন, যিনি মৃত্যুর আগে স্রেফ একটা বাড়ি ছাড়া আর কিছুই রেখে যাননি। অথচ তার জন্ম হয়েছিল আরও অবস্থাসম্পন্ন পরিবারে। আই এ রহমানও রাজনীতিতে আছেন। তিনি খুব সাদাসিধে জীবনযাপন করেন। তিনি আমার জানা সবচেয়ে সৎ মানুষ। কাজেই লোকে তাহলে দুর্নীতির কথা বলার সময় কোন রাজনীতিকদের কথা বলে? তারা গুটিকয়েক দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিকের কথা বলে। এরা দুর্নীতিপরায়ণ সেটা অস্বীকার করার জো নেই। কিন্তু সবাইকে এক কাতারে দাঁড় করানো যায় না।
দ্বিতীয়ত, পাকিস্তানে কোনো বেসামরিক সরকারই ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। সবচেয়ে বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় ছিলেন জুলফিকার আলী ভুট্টো। আর এর মূল্য তিনি দিয়েছেন ফাঁসিতে ঝুলে। অর্থাৎ আমরা কখনোই সত্যিকার বেসামরিক সরকার পাইনি। আমরা এমন কিছু লোক পেয়েছিলাম, যারা দেশ শাসন করেছেন সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাবাধীনে।
মতিউর রহমান : পাকিস্তানে ক্ষমতায় আবার আসীন রয়েছে সেনাবাহিনী এবং আরও কিছু সময় তারা দেশ শাসন করবে বলে বোঝা যাচ্ছে। আমরাও একসময় পাকিস্তানের অংশ ছিলাম, অনুরূপ অভিজ্ঞতা আমাদেরও আছে। আমাদেরও সামরিক সরকার ছিল। যদিও এখন আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছি। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক দুরবস্থা, বেকারত্ব, নারী নির্যাতন - এসব আমরাও মোকাবিলা করছি। আসলে পরিত্রাণ পাওয়ার পথ কোথায়? পাকিস্তানে যা হচ্ছে তা থেকে বাংলাদেশ কী অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে?
আসমা জাহাঙ্গীর : আমার তো ইচ্ছে করে আমাদের দেশে ভালো কিছুর চর্চা হোক এবং তা আমরা আপনাদের দেশেও সঞ্চার করতে পারি। কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা তো অন্যরকম।
আমি লক্ষ করেছি, কার্যকরী স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার সহায়তা ছাড়া কোনো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াই টিকে থাকতে পারে না। বাংলাদেশের জন্য সত্যি যা প্রয়োজন, তা হলো বেশি বেশি গণতন্ত্র, কম কম নয়। এমন একটা সময় আসবে, যখন মানুষ সংঘাতের রাজনীতি বা মেরুকরণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়বে। তখন একটা তৃতীয় শক্তির উত্থান ঘটবে। কিন্তু জনগণকে ধৈর্য ধরতে হবে। কারণ এটা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য প্রক্রিয়া। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা সহজ কিন্তু তা টিকিয়ে রাখা কঠিন।
মতিউর রহমান : এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে আমাদের মেলা সময় লাগছে। ক্ষমতার শীর্ষে আমরা কাদের দেখছি তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি সেখানে ভালো লোকদের না পাই তাহলে গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখা কঠিন।
আসমা জাহাঙ্গীর : হ্যাঁ, ভালো লোক কাজটা সহজতর করতে পারে। খারাপ, অদক্ষ, অকার্যকর, দুর্নীতিপরায়ণ লোক সমাজে বড় ধরনের হতাশা ডেকে আনতে পারে। আর এখানেই যত গন্ডগোলের সূত্রপাত। আমি আপনাদের সমস্যা অনুধাবন করি। এখানে গণতন্ত্রের ভিত দুর্বল। গণতন্ত্র খুব শক্তভাবে শেকড় গাড়তে পারছে না। এমন নয় যে, জনগণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে ইচ্ছুক নয়। এই ব্যর্থতার জন্য মূলত দায়ী রাজনীতিকদের মধ্যে ব্যক্তিত্বের দ্বন্দ্ব।
আমরা বুঝতে পেরেছি এবং আমি মনে করি, আমাদের নেতৃবৃন্দও ইতিমধ্যে বুঝতে পেরেছেন যে, রাজনীতিতে প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান প্রদর্শন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
মতিউর রহমান : সহনশীলতাও খুব জরুরি।
আসমা জাহাঙ্গীর : হ্যাঁ, সহনশীলতা। আসলে আমি মনে করি, নব্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলও উল্লেখযোগ্য। তারাও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে পারে। আর সরকার যদি তাদের সঙ্গে মানিয়ে না চলে, তাহলে পরে দেখা যাবে সরকার তার নিজের স্বার্থের বিরুদ্ধেই কাজ করছে। কারণ জনগণ ব্যাপারটা বেশি দিন সহ্য করতে পারবে না।
মতিউর রহমান : পাকিস্তানে জে. মোশাররফ কীভাবে ক্ষমতা সংগঠিত করতে যাচ্ছেন? তিনি কীভাবে তার রাজনৈতিক ভিত তৈরি করছেন? তিনি কি কোনো নতুন দল গঠন করবেন? এ ব্যাপারে আপনার কোনো ধারণা আছে?
আসমা জাহাঙ্গীর : আমি শুধু বিষয়টা বিশ্লেষণ করতে পারি। অবশ্য আমার সঙ্গে সরকারের কোনো সম্বন্ধ নেই। তাদের কার্যকলাপের মাধ্যমেই কেবল বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। এই সামরিক সরকার তার পূর্বপুরুষদের পথই অনুসরণ করছে। তারা কোনো রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন করবে। রাজনৈতিক তৎপরতা নিষিদ্ধ থাকায় এই নির্বাচন হবে নিয়ন্ত্রিত। সামরিক বাহিনী তাদের ক্ষমতা সংগঠিত করবে ধাপে ধাপে। তারা সেনা সদর সুদৃঢ় করার জন্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন মুখ, নতুন নেতৃত্ব পাবে। আর এভাবেই তারা ধাপে ধাপে প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ক্ষমতা সংগঠিত করবে। এই পদ্ধতি অন্য সামরিক সরকারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভালো কাজ দিতে পারে। কিন্তু এ যাত্রা তা কাজে আসবে কি না সে ব্যাপারে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। কারণ, এবার তারা সংবিধান পরিবর্তন করার পরিকল্পনা করছে। জাতীয় প্রতিরক্ষা কমিটি গঠনের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে রাজনীতিতে নিয়ে আসা হচ্ছে। আপনার যদি সেনাবাহিনী আর অস্ত্র থাকে তাহলে তাদের কাজে লাগিয়ে আপনি যেকোনো কিছু করতে পারেন। কিন্তু সামরিক সরকার অবশ্যই নাগরিক সমাজ তথা জনগণের সহযোগিতা পাবে না। জনগণ শুধু তীব্র অসন্তোষ নিয়ে কী ঘটছে তা দেখছে।
মতিউর রহমান : পত্রপত্রিকায় আমরা পড়েছি, পাকিস্তানের সব রাজনৈতিক দল একজোট হচ্ছে। তাদের আন্দোলন গড়ে তোলার কোনো সম্ভাবনা আছে বলে আপনি মনে করেন?
আসমা জাহাঙ্গীর : আমি মনে করি এটা ইতিবাচক ঘটনা। কেননা, তারা অন্তত একসুরে কণ্ঠ মিলিয়ে বলছে, আমরা কখনোই সেনাবাহিনীকে ক্ষমতায় ডেকে আনব না, যেমনটা হয়েছে অতীতে। দ্বিতীয়ত, আমরা এই ঐক্যজোটের ওপর এ ব্যাপারে জনমতের চাপ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা করছি যে, তাদের এবার অবশ্যই একটা আচরণবিধি মেনে চলতে হবে। তাদের ন্যূনতম একটা এজেন্ডায় একমত হতে হবে, যাতে যদি তারা কখনো ক্ষমতায় ফিরে আসে, তখন যেন আমাদের অতীতের মতো বাধা-বিঘ্ন না পেরোতে হয়। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কয়েকজনকে নিয়ে আমরা একটা বৈঠকের আয়োজন করতে যাচ্ছি, যেখানে কয়েকটি বিষয় উত্থাপন করা হবে। পাকিস্তানের রাজনীতিতে পরিবর্তনের সূচনা করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এই উত্থাপিত বিষয়গুলো গ্রহণ করার জন্য ঐকজোটের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হবে।
মতিউর রহমান : শেষ প্রশ্ন। দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক তাত্ত্বিক মার্কিন লেখক স্টিফেন কোহেনের একটি লেখা পড়েছি। তাতে তিনি বলেছেন, পাকিস্তানের রাজনৈতিক সমস্যার একটা সমাধান আছে। তা হলো, সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক রাজনৈতিক দলের মধ্যে এক ধরনের কোয়ালিশন বা সমঝোতা। আপনি কি এই ধারণার সঙ্গে একমত পোষণ করেন?
আসমা জাহাঙ্গীর : আমার মনে হয়, কোহেন সাহেবের উচিত তার নিজ দেশের সরকারকেই এমন পরামর্শ দেওয়া। বিশুদ্ধ গণতন্ত্র যে শুধু আমেরিকাতেই থাকবে, পাকিস্তানে থাকবে না, সেটা তো হয় না। গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করা আমেরিকানদের কাছে যেমন কাঙ্ক্ষিত, আমাদের কাছেও সমান কাঙ্ক্ষিত।
মতিউর রহমান : বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য কিছু বলবেন?
আসমা জাহাঙ্গীর : আমার কাছে জাতি বা জাতীয়তা মুখ্য বিষয় নয়, আমার কাছে জনগণই মুখ্য। আমরা পাকিস্তানিরা খুব অসহিষ্ণু হয়ে পড়েছিলাম বলেই পূর্ব পাকিস্তান হারিয়েছিলাম। পূর্ব পাকিস্তান থেকে তখন আমাদের দিকে ধর্মনিরপেক্ষতার হাওয়া বইছিল এবং আমাদের বন্ধ জানালা একটু একটু করে খুলে যাচ্ছিল, তাতে আমরা কিছু মানুষ প্রাণভরে নিশ্বাস নিচ্ছিলাম। কিন্তু তারা সেটা বন্ধ করে দিল। আমি এ কথাই বলব।
মতিউর রহমান: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আসমা জাহাঙ্গীর: আপনাকেও ধন্যবাদ।
আসমা জাহাঙ্গীর : আমার কিন্তু মনে হয় না এ কারণে আমাকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত। আমি মনে করি, এটা হলো বিবেকের তাড়না। আমি যে এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে পেরেছি, সে জন্য নিজেকে যথেষ্ট সৌভাগ্যবান মনে হয়। আসলে চরম বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে হিসাব-নিকাশ করে ব্যাপক পরিসরে সংঘটিত যেকোনো ধরনের হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধেই ধিক্কার জানানো উচিত। শুধু দক্ষিণ এশিয়া নয়, গোটা বিশ্বের সব মানুষেরই উচিত এসব হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ করা।
মতিউর রহমান : আমাদের মনে আছে, কয়েক মাস আগে হামুদুর রহমান কমিশন রিপোর্ট পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর আপনি সুদৃঢ় অবস্থান নিয়ে ’৭১ সালে বাংলাদেশে গণহত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচার দাবি করেছিলেন।
আসমা জাহাঙ্গীর : আমি যা ভাবি সেটাই তো আমি বলব। অতীত ইতিহাসের প্রামাণ্য স্মৃতি আমি ধারণ করছি। ’৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর তৎপরতা সম্পর্কে সে সময় পশ্চিম পাকিস্তানে যে প্রতিক্রিয়া হয়েছিল, সেটা আমি প্রত্যক্ষ করেছি। প্রচার-প্রোপাগান্ডায় প্রভাবিত হয়ে মানুষ কী করে তার নিজের সৃষ্ট মিথ্যাচারই পরে বিশ্বাস করে ফেলে সেটা ভেবে আমি মাঝে মাঝে বিস্মিত হই। একাত্তর ছিল ইতিহাসের তেমনই এক লগ্ন। আমি দেখেছি, পশ্চিম পাকিস্তানের লোকেরা তখন সত্যি সত্যি বিশ্বাস করতে থাকে যে, তারা জনগণের ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষাকে দমন করতে পারবে। জনগণের চাওয়া-পাওয়া নয়, যুদ্ধটাই তখন তাদের কাছে মুখ্য হয়ে উঠেছিল। সুতরাং আমি মনে করি, সে সময়টাতে যে অল্প কজন লোক সত্য কথা বলছিলেন, তাদের জন্য হামুদুর রহমান কমিশন রিপোর্ট একটা বড় অবলম্বন। সত্য কথা বলার খেসারত দিতে এই লোকগুলোকে জেলে যেতে হয়েছিল, সইতে হয়েছিল চরম ভোগান্তি। সত্য কথা বলায় এই লোকগুলো পশ্চিম পাকিস্তানিদের কাছে হয়েছিলেন ‘বেইমান’। হামুদুর রহমান কমিশন রিপোর্ট মারফত পাকিস্তানবাসী জানতে পেরেছে, সে সময় এই লোকগুলো কেবল সত্য কথাই বলেননি, কী ঘটতে চলেছে সে ব্যাপারে দূরদৃষ্টিও তাদের ছিল। সর্বনাশা কাজে বিশ্বাসী যারা তারা নয়, বরং ওই সত্য কথা বলা লোকগুলোই ছিলেন প্রকৃত নেতা।
মতিউর রহমান : অর্থাৎ, আপনি বলতে চান রিপোর্ট ছাপা হওয়ার আগেও পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতন ও গণহত্যার বিরুদ্ধে পাকিস্তানে প্রতিবাদ উঠেছিল?
আসমা জাহাঙ্গীর : নিশ্চয়ই। স্মরণ করে দেখুন, সেই মহৎ ব্যক্তি মাজহার আলী খান জেলে গিয়েছিলেন। সাংবাদিক আই এ রহমানকে জেলে ঢোকানো হয়েছিল। একই ঘটনা ঘটেছে নকীব হোসেনের ক্ষেত্রেও। আমার বাবা তখন আওয়ামী লীগের নেতা ছিলেন। তাকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। কাজেই এ বিষয়টা নিয়ে আমি যা বলেছি তা নিজের মতো করে চিন্তা করেই বলেছি। আমি আমার বাবাকে বলেছি, আপনি ঠিক কাজটাই করেছিলেন। আপনার কাছে যা সত্য ও ন্যায় বলে মনে হয়েছে, অত্যন্ত কঠিন সময়েও তা আপনি জোর গলায় বলেছেন। আর, আপনার এই ন্যায়পরায়ণতার উত্তরাধিকার আপনি রেখে গেছেন আমার জন্য। আমার বাবা বেঁচে নেই।
মতিউর রহমান : আমরা জানতে পেরেছি যে, পাকিস্তানের বিভিন্ন পত্রপত্রিকা, আপনার মতো ব্যক্তিত্ব ও মানবাধিকার সংগঠন ’৭১ সালে সংঘটিত পাক বাহিনীর অপরাধের জন্য ক্ষমা চাওয়ার দাবি করছে। এটা আমাদের জন্য উৎসাহব্যঞ্জক। একাত্তরের ভূমিকার জন্য পাকিস্তানি সরকার ক্ষমা চাক, এই দাবিতে আমাদের দেশেও আন্দোলন চলছে।
আসমা জাহাঙ্গীর : আমি এ বিষয়ে আমার অবস্থান আরও স্পষ্ট করার জন্য বলতে চাই, আপনাদের কথা চিন্তা করে পাকিস্তানি সরকারের ক্ষমা চাওয়া উচিত সে কথা আমরা বলছি না। ক্ষমা চাওয়া উচিত আমাদের নিজেদের স্বার্থেই। আমরা যাতে আমাদের নিজেদের মতো করে থাকতে পারি সে জন্যই ক্ষমা চাইতে হবে। আর বাংলাদেশের জনগণ, বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও যুদ্ধাহত নারী-পুরুষ এবং তাদের পরিবারবর্গের কথা চিন্তা করে আমাদের দাবি হচ্ছে, এই অপরাধ যারা করেছে তাদের অবশ্যই বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। অতীত কলঙ্কের এই ভার আমাদের নিজেদের মতো করে থাকতে দিচ্ছে না, এ থেকে আমাদের মুক্ত হওয়া দরকার। আর সে কারণেই ক্ষমা চাওয়ার ব্যাপারে আমাদের কাছে পাকিস্তান সরকারের বাধ্যবাধকতা।
মতিউর রহমান : এই বিষয়গুলোর ব্যাপারে পাকিস্তানের জনগণ ও প্রচারমাধ্যমের মনোভাব কেমন?
আসমা জাহাঙ্গীর : ঠিক এ মুহূর্তে পাকিস্তান এক ছোটখাটো সংকটকাল অতিক্রম করছে। তাই জনমনে গভীর হতাশা। কাজেই পাকিস্তানে এগুলো আদৌ কোনো ইস্যু নয়। অবশ্য পাকিস্তানে দুটো চরমপন্থী ধারা রয়েছে, যার অনুসারীরা বাস করছে পাশাপাশি। আর আমি এতে সন্তুষ্ট যে, একটি ধারার অনুসারীরা আমাদের মতোই মানবাধিকার সংক্রান্ত নীতিমালা অনুসরণ করে যাবে। পাশাপাশি পাকিস্তানে আরেকটি গোষ্ঠী রয়েছে, যারা মনে করে ক্ষমা চাওয়াটা মোটেও জরুরি নয়। ক্ষমা চাওয়ার ব্যাপারে যারা কথা বলে তারা এই দ্বিতীয় গোষ্ঠীর কাছে হয়ে যায় বেইমান। কাজেই পাকিস্তানে এখন এই দুটো শক্তিই সক্রিয় রয়েছে এবং বাদবাকিরা নীরব দর্শক মাত্র।
মতিউর রহমান : এবার রাজনীতি প্রসঙ্গে আসা যাক। জেনারেল মোশাররফ ক্ষমতায় আসার পর পাকিস্তানের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে কিছু বলুন?
আসমা জাহাঙ্গীর : গণতন্ত্রের পটপরিবর্তন পাকিস্তানের অনেক ক্ষতি করেছে। কেননা, আমাদের এখন কোনো দিকনির্দেশনা নেই। আর আপনি যখন কোনো পদ্ধতির ব্যত্যয় ঘটাবেন তখন আসলে আপনি সেটির পূর্বাবস্থায় না আসাটাই নিশ্চিত করছেন মাত্র, তা ওই পদ্ধতি যতই নড়বড়ে হোক না কেন। পাকিস্তানের ক্ষেত্রে ঠিক এ ঘটনাই ঘটেছে। আমরা পরিত্রাণ পাওয়ার কোনো পথ দেখছি না। রেহাই পাওয়ার পথ খঁুজছি। আমরা সব সময় বিশ্বাস করেছি, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সূচনা আমাদের করতে হবে নির্বাচন পদ্ধতির মাধ্যমে। কিন্তু এখানেই শেষ নয়, এটা স্রেফ ক্ষুদ্র একটা পদক্ষেপ মাত্র। আমরা এই ক্ষুদ্র পদক্ষেপ নিয়েছিলাম একটি শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর ছত্রচ্ছায়ায়। এখন ওই একটি মাত্র ধাপও উপড়ে ফেলা হয়েছে।
কাজেই এখন আমরা কোথা থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু করব, সেটা একটা বড় প্রশ্ন। আপনি জানেন, কোনো আত্মমর্যাদাশীল সমাজই রাজনৈতিক দল ও জনগণের প্রতিনিধিত্ব ছাড়া টিকে থাকতে পারে না।
আমরা এ কথা ভেবেও উদ্বিগ্ন যে, যথাযথভাবে দেশ শাসন করার দক্ষতা সামরিক বাহিনীর নেই, যা কিনা এ মুহূর্তে অতীব প্রয়োজন। এটা স্নায়ুযুদ্ধের সময় নয় যে, সামরিক সরকারগুলোকে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা দেওয়া হবে। আগে জনমনে এমন একটা ধারণা ছিল, সামরিক সরকার মানেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নির্বিঘ্ন থাকা এবং সেই সঙ্গে দেশের সমৃদ্ধি। কিন্তু এবার সামরিক শাসনের সময় তেমনটা হচ্ছে না বলে লোকে দেখছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খারাপ, অর্থনৈতিকভাবেও আমরা ভোগান্তির শিকার। এই প্রথমবারের মতো লোকজন সামরিক সরকারের সঙ্গে দারিদ্র্যের সম্পর্ক খঁুজতে শুরু করেছে। ব্যাপারটা অবশ্য দূর-ভবিষ্যতে পাকিস্তানের জন্যই মঙ্গলজনক হবে। কিন্তু স্বল্প মেয়াদের কথা চিন্তা করলে বলা যায়, আমাদের খুবই নড়বড়ে ও হতাশাজনক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করতে হতে পারে। এরপর হয়তোবা আমরা এমন একটা প্ল্যাটফর্মে দাঁড়াতে পারব, যেখানে আমরা আমাদের লক্ষ্যের ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারব।
মতিউর রহমান : এসবের জন্য তো আপনি রাজনীতিবিদ অর্থাৎ জনগণ-নির্বাচিত পরপর দুটো সরকারকে দায়ী করবেন? তারা সামান্যতম গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে অথবা জনগণের মঙ্গল সাধন করতে ব্যর্থ হয়েছেন?
আসমা জাহাঙ্গীর : আমি কাউকে আলাদাভাবে দায়ী করছি না। আমি আমাদের নিজেদেরই দায়ী করছি, কেননা আমরাই এত কিছু হতে দিয়েছি। ভেবে দেখুন, আমাদের দেশে কোনো অনন্য ব্যক্তিত্বসম্পন্ন রাজনীতিবিদ নেই। কিন্তু যে দেশ তার ইতিহাসের অর্ধেকের বেশি সময় ধরে সামরিক শাসনের অধীনে রয়েছে সেখানে এই পরিস্থিতির মধ্য থেকে কীভাবে প্রজ্ঞাবান নেতৃত্ব বেরিয়ে আসবে? দক্ষিণ আফ্রিকায় একজন নেলসন ম্যান্ডেলা রয়েছেন। কিন্তু ম্যান্ডেলারা তো প্রতিদিন জন্মান না। দক্ষিণ আফ্রিকার মতো সৌভাগ্য আমাদের নেই। তবে আপনি যদি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের রাজনীতিবিদদের সঙ্গেই আমাদের রাজনীতিকদের তুলনা করেন, তাহলে দেখবেন পাকিস্তানি রাজনীতিকেরা অন্যদের চেয়ে ভালোও নন, আবার খারাপও নন।
যা হোক, একটা বিষয় কিন্তু বেশ মজার। আমাদের দেশে এমন একটা প্রচারণা আছে যে, সব রাজনীতিকই দুর্নীতিগ্রস্ত। কিন্তু পাকিস্তানের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখবেন, প্রথম দিককার কোনো রাষ্ট্রপ্রধানের বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অভিযোগ নেই। লিয়াকত আলী খান, শহীদ সোহরাওয়ার্দী, মোহাম্মদ আলী (বগুড়া), চৌধুরী মোহাম্মদ আলী, আই আই চন্দ্রীগড়, ফিরোজ খান নুন- এদের কারও বিরুদ্ধেই টাকা-পয়সা সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ নেই। তাহলে দুর্নীতির সূত্রপাত কখন থেকে হলো? সেনাবাহিনীই দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। অসাধু কাজ-কারবার শুরু করেছিল সেনাবাহিনীই। আর নওয়াজ শরিফ যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়েই থাকেন, তা তিনি শিখেছেন তার মুরব্বিদের কাছ থেকে। কাজেই সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত লোক হচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জেনারেলরা। হ্যাঁ, দুর্নীতিপরায়ণ কিছুসংখ্যক রাজনীতিবিদও রয়েছে। কিন্তু হাবিব জালিসও একজন রাজনীতিক ছিলেন। ৪ ফুট বাই ৬ ফুট একটা ঘরে তিনি মারা গিয়েছিলেন। এমনকি আমার বাবাও একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন, যিনি মৃত্যুর আগে স্রেফ একটা বাড়ি ছাড়া আর কিছুই রেখে যাননি। অথচ তার জন্ম হয়েছিল আরও অবস্থাসম্পন্ন পরিবারে। আই এ রহমানও রাজনীতিতে আছেন। তিনি খুব সাদাসিধে জীবনযাপন করেন। তিনি আমার জানা সবচেয়ে সৎ মানুষ। কাজেই লোকে তাহলে দুর্নীতির কথা বলার সময় কোন রাজনীতিকদের কথা বলে? তারা গুটিকয়েক দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিকের কথা বলে। এরা দুর্নীতিপরায়ণ সেটা অস্বীকার করার জো নেই। কিন্তু সবাইকে এক কাতারে দাঁড় করানো যায় না।
দ্বিতীয়ত, পাকিস্তানে কোনো বেসামরিক সরকারই ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। সবচেয়ে বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় ছিলেন জুলফিকার আলী ভুট্টো। আর এর মূল্য তিনি দিয়েছেন ফাঁসিতে ঝুলে। অর্থাৎ আমরা কখনোই সত্যিকার বেসামরিক সরকার পাইনি। আমরা এমন কিছু লোক পেয়েছিলাম, যারা দেশ শাসন করেছেন সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাবাধীনে।
মতিউর রহমান : পাকিস্তানে ক্ষমতায় আবার আসীন রয়েছে সেনাবাহিনী এবং আরও কিছু সময় তারা দেশ শাসন করবে বলে বোঝা যাচ্ছে। আমরাও একসময় পাকিস্তানের অংশ ছিলাম, অনুরূপ অভিজ্ঞতা আমাদেরও আছে। আমাদেরও সামরিক সরকার ছিল। যদিও এখন আমরা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছি। কিন্তু রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক দুরবস্থা, বেকারত্ব, নারী নির্যাতন - এসব আমরাও মোকাবিলা করছি। আসলে পরিত্রাণ পাওয়ার পথ কোথায়? পাকিস্তানে যা হচ্ছে তা থেকে বাংলাদেশ কী অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে?
আসমা জাহাঙ্গীর : আমার তো ইচ্ছে করে আমাদের দেশে ভালো কিছুর চর্চা হোক এবং তা আমরা আপনাদের দেশেও সঞ্চার করতে পারি। কিন্তু বাস্তব অভিজ্ঞতা তো অন্যরকম।
আমি লক্ষ করেছি, কার্যকরী স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার সহায়তা ছাড়া কোনো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াই টিকে থাকতে পারে না। বাংলাদেশের জন্য সত্যি যা প্রয়োজন, তা হলো বেশি বেশি গণতন্ত্র, কম কম নয়। এমন একটা সময় আসবে, যখন মানুষ সংঘাতের রাজনীতি বা মেরুকরণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়বে। তখন একটা তৃতীয় শক্তির উত্থান ঘটবে। কিন্তু জনগণকে ধৈর্য ধরতে হবে। কারণ এটা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য প্রক্রিয়া। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা সহজ কিন্তু তা টিকিয়ে রাখা কঠিন।
মতিউর রহমান : এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে আমাদের মেলা সময় লাগছে। ক্ষমতার শীর্ষে আমরা কাদের দেখছি তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমরা যদি সেখানে ভালো লোকদের না পাই তাহলে গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখা কঠিন।
আসমা জাহাঙ্গীর : হ্যাঁ, ভালো লোক কাজটা সহজতর করতে পারে। খারাপ, অদক্ষ, অকার্যকর, দুর্নীতিপরায়ণ লোক সমাজে বড় ধরনের হতাশা ডেকে আনতে পারে। আর এখানেই যত গন্ডগোলের সূত্রপাত। আমি আপনাদের সমস্যা অনুধাবন করি। এখানে গণতন্ত্রের ভিত দুর্বল। গণতন্ত্র খুব শক্তভাবে শেকড় গাড়তে পারছে না। এমন নয় যে, জনগণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে ইচ্ছুক নয়। এই ব্যর্থতার জন্য মূলত দায়ী রাজনীতিকদের মধ্যে ব্যক্তিত্বের দ্বন্দ্ব।
আমরা বুঝতে পেরেছি এবং আমি মনে করি, আমাদের নেতৃবৃন্দও ইতিমধ্যে বুঝতে পেরেছেন যে, রাজনীতিতে প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান প্রদর্শন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
মতিউর রহমান : সহনশীলতাও খুব জরুরি।
আসমা জাহাঙ্গীর : হ্যাঁ, সহনশীলতা। আসলে আমি মনে করি, নব্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলও উল্লেখযোগ্য। তারাও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে পারে। আর সরকার যদি তাদের সঙ্গে মানিয়ে না চলে, তাহলে পরে দেখা যাবে সরকার তার নিজের স্বার্থের বিরুদ্ধেই কাজ করছে। কারণ জনগণ ব্যাপারটা বেশি দিন সহ্য করতে পারবে না।
মতিউর রহমান : পাকিস্তানে জে. মোশাররফ কীভাবে ক্ষমতা সংগঠিত করতে যাচ্ছেন? তিনি কীভাবে তার রাজনৈতিক ভিত তৈরি করছেন? তিনি কি কোনো নতুন দল গঠন করবেন? এ ব্যাপারে আপনার কোনো ধারণা আছে?
আসমা জাহাঙ্গীর : আমি শুধু বিষয়টা বিশ্লেষণ করতে পারি। অবশ্য আমার সঙ্গে সরকারের কোনো সম্বন্ধ নেই। তাদের কার্যকলাপের মাধ্যমেই কেবল বিশ্লেষণ করা যেতে পারে। এই সামরিক সরকার তার পূর্বপুরুষদের পথই অনুসরণ করছে। তারা কোনো রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচন করবে। রাজনৈতিক তৎপরতা নিষিদ্ধ থাকায় এই নির্বাচন হবে নিয়ন্ত্রিত। সামরিক বাহিনী তাদের ক্ষমতা সংগঠিত করবে ধাপে ধাপে। তারা সেনা সদর সুদৃঢ় করার জন্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন মুখ, নতুন নেতৃত্ব পাবে। আর এভাবেই তারা ধাপে ধাপে প্রাদেশিক ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে ক্ষমতা সংগঠিত করবে। এই পদ্ধতি অন্য সামরিক সরকারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ভালো কাজ দিতে পারে। কিন্তু এ যাত্রা তা কাজে আসবে কি না সে ব্যাপারে আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে। কারণ, এবার তারা সংবিধান পরিবর্তন করার পরিকল্পনা করছে। জাতীয় প্রতিরক্ষা কমিটি গঠনের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে রাজনীতিতে নিয়ে আসা হচ্ছে। আপনার যদি সেনাবাহিনী আর অস্ত্র থাকে তাহলে তাদের কাজে লাগিয়ে আপনি যেকোনো কিছু করতে পারেন। কিন্তু সামরিক সরকার অবশ্যই নাগরিক সমাজ তথা জনগণের সহযোগিতা পাবে না। জনগণ শুধু তীব্র অসন্তোষ নিয়ে কী ঘটছে তা দেখছে।
মতিউর রহমান : পত্রপত্রিকায় আমরা পড়েছি, পাকিস্তানের সব রাজনৈতিক দল একজোট হচ্ছে। তাদের আন্দোলন গড়ে তোলার কোনো সম্ভাবনা আছে বলে আপনি মনে করেন?
আসমা জাহাঙ্গীর : আমি মনে করি এটা ইতিবাচক ঘটনা। কেননা, তারা অন্তত একসুরে কণ্ঠ মিলিয়ে বলছে, আমরা কখনোই সেনাবাহিনীকে ক্ষমতায় ডেকে আনব না, যেমনটা হয়েছে অতীতে। দ্বিতীয়ত, আমরা এই ঐক্যজোটের ওপর এ ব্যাপারে জনমতের চাপ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা করছি যে, তাদের এবার অবশ্যই একটা আচরণবিধি মেনে চলতে হবে। তাদের ন্যূনতম একটা এজেন্ডায় একমত হতে হবে, যাতে যদি তারা কখনো ক্ষমতায় ফিরে আসে, তখন যেন আমাদের অতীতের মতো বাধা-বিঘ্ন না পেরোতে হয়। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কয়েকজনকে নিয়ে আমরা একটা বৈঠকের আয়োজন করতে যাচ্ছি, যেখানে কয়েকটি বিষয় উত্থাপন করা হবে। পাকিস্তানের রাজনীতিতে পরিবর্তনের সূচনা করে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এই উত্থাপিত বিষয়গুলো গ্রহণ করার জন্য ঐকজোটের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হবে।
মতিউর রহমান : শেষ প্রশ্ন। দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক তাত্ত্বিক মার্কিন লেখক স্টিফেন কোহেনের একটি লেখা পড়েছি। তাতে তিনি বলেছেন, পাকিস্তানের রাজনৈতিক সমস্যার একটা সমাধান আছে। তা হলো, সামরিক বাহিনী ও বেসামরিক রাজনৈতিক দলের মধ্যে এক ধরনের কোয়ালিশন বা সমঝোতা। আপনি কি এই ধারণার সঙ্গে একমত পোষণ করেন?
আসমা জাহাঙ্গীর : আমার মনে হয়, কোহেন সাহেবের উচিত তার নিজ দেশের সরকারকেই এমন পরামর্শ দেওয়া। বিশুদ্ধ গণতন্ত্র যে শুধু আমেরিকাতেই থাকবে, পাকিস্তানে থাকবে না, সেটা তো হয় না। গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করা আমেরিকানদের কাছে যেমন কাঙ্ক্ষিত, আমাদের কাছেও সমান কাঙ্ক্ষিত।
মতিউর রহমান : বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য কিছু বলবেন?
আসমা জাহাঙ্গীর : আমার কাছে জাতি বা জাতীয়তা মুখ্য বিষয় নয়, আমার কাছে জনগণই মুখ্য। আমরা পাকিস্তানিরা খুব অসহিষ্ণু হয়ে পড়েছিলাম বলেই পূর্ব পাকিস্তান হারিয়েছিলাম। পূর্ব পাকিস্তান থেকে তখন আমাদের দিকে ধর্মনিরপেক্ষতার হাওয়া বইছিল এবং আমাদের বন্ধ জানালা একটু একটু করে খুলে যাচ্ছিল, তাতে আমরা কিছু মানুষ প্রাণভরে নিশ্বাস নিচ্ছিলাম। কিন্তু তারা সেটা বন্ধ করে দিল। আমি এ কথাই বলব।
মতিউর রহমান: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আসমা জাহাঙ্গীর: আপনাকেও ধন্যবাদ।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
February
(1210)
-
▼
Feb 27
(51)
- সিরিয়ায় সরকারি বাহিনীর হামলা অব্যাহত: বিষাক্ত গ্যা...
- অসমতা
- ধর্ষক এবার ইজিবাইকের চালক
- একা হওয়া যাবে না? by রোকেয়া রহমান
- ইহলোকোত্তর পদক-পুরস্কার by সৈয়দ আবুল মকসুদ
- ট্রাম্পিজম ও গণতন্ত্রের গোধূলি by মারুফ মল্লিক
- বাড়ছে চালের দাম
- পরামর্শকের পকেটেই ৬৭ কোটি!
- এ কথা বন্ধুত্বের নমুনা নয় by ড. মাহবুব উল্লাহ্
- ব্রিটেনের ইরানবিরোধী প্রস্তাবে ভেটো দিল রাশিয়া
- ধুলার সাথে বসবাস by সুমনা শারমিন
- জাতিসংঘে ইরানের বিরুদ্ধে প্রস্তাবে রাশিয়ার ভেটো
- সৌদিতে এক রাতেই এত বদল!
- কাতারে নতুন প্রজন্মকে বাংলা শেখাবে কে? by তামীম রা...
- ঠান্ডায় কাঁপছে ইউরোপ
- নতুন আইনে আশার আলো
- ডাক্তার দেখতে অস্বীকার, পরে মারা গেল শিশুটি
- পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কারাগার গাজা
- সাত ব্যাংকে মূলধন ঘাটতি সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা: অর...
- পথে প্রান্তরে জাবির একঝাঁক তরুণ গবেষক
- ৩৫ বছর পর মাকে ফিরে পেল ২ ভাই
- প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ওজন কমান
- ইসবগুলের ভুসি কেন খাবেন by শহীদ মনসুর আলী
- শিশুর অ্যাজমা চিকিৎসা নিয়ে বিভ্রান্ত
- ভারতে সেনাদের পেছনে টাকার শ্রাদ্ধ কেন?
- টয়লেট পেপার নিয়ে হুলুস্থুল
- ‘ব্যানানা’ সুপারহিরো!
- মিশেল ওবামার আত্মজীবনী আসছে ১৩ নভেম্বর
- মাত্র তিনজন এই ভাষায় কথা বলেন!
- করবিনের বক্তব্যে আরও চাপে থেরেসা
- ‘ঘরে বসে রাজনীতি হয় না, তা কাদেরকে কীভাবে শেখাবো’
- মূলধন ঘাটতিতে সাত ব্যাংক
- পুঁজিবাজারে দরপতন চলছেই
- সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বনাম গণতন্ত্র by গাই ভেরহোফস...
- মালদ্বীপের সংকটে কার ছায়া by কামাল আহমেদ
- ধর্মনিরপেক্ষতা ও ‘পদ্মাবত’ বিতর্ক by এম সাখাওয়াত হ...
- নিজের স্বার্থেই পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া উচিত: আসমা...
- কোটায় পিষ্ট মেধা by মুসা বিন মোহাম্মদ
- বিনিয়োগ খরায় বিপর্যস্ত অর্থনীতি
- মোহসীনিয়া মাদরাসা যেভাবে হলো কবি নজরুল কলেজ by মেহ...
- জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি চীনা রাষ্ট্রদূত
- দেড় কোটি মানুষকে বের করে দিচ্ছে আসাম
- সৌদি সামরিক বাহিনীর প্রধানদের বরখাস্ত
- ‘আমরা বেদখল হয়ে আছি’
- সৌদি সামরিক বাহিনীতে নারী : আরেকটি বড় পরিবর্তন?
- পিটিয়ে হত্যার সময় সেলফি
- ভারতের সেনাপ্রধানের মুসলিমবিদ্বেষ by গৌতম দাস
- রক্তে ভেজা পিলখানা by ইকতেদার আহমেদ
- কোটা ব্যবস্থা ও সংবিধান লঙ্ঘন by মুহাম্মদ ওয়াছিয়ার...
- দেশে সুশাসনের অভাব রয়েছে - দুদক চেয়ারম্যান
- সহসাই রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরার ইঙ্গিত নেই -এপির রিপোর্ট
-
▼
Feb 27
(51)
-
▼
February
(1210)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment