Monday, November 18, 2013
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশ আমোদ-আনন্দ ও বেদনার কিছু স্মৃতি by মহিউদ্দিন আহমদ
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশ আমোদ-আনন্দ ও বেদনার কিছু স্মৃতি by মহিউদ্দিন আহমদ

গত
১৮ অক্টোবর শুক্রবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ চেম্বারে ‘Women, peace
and securit’ বিষয়টির ওপর আলোচনা আমি শুনতে থাকি, জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য
রাষ্ট্রের জন্য নির্ধারিত আসনগুলোর একটিতে বসে। আমার পাশে আরও দুই
বাংলাদেশী কূটনীতিবিদ- জাতিসংঘের জেনেভা অফিসে আমাদের স্থায়ী প্রতিনিধি
রাষ্ট্রদূত হান্নান এবং নিউইয়র্কে আমাদের স্থায়ী মিশনের উপস্থায়ী
প্রতিনিধি- ডেপুটি পারমান্যান্ট রিপ্রেজেনটেটিভ (ডিপিআর) মুস্তাফিজ।
নিউইয়র্কে আমাদের স্থায়ী প্রতিনিধি ড. আবদুল মোমেন এখানে আমাদের সঙ্গে
এসেছিলেন ঠিকই, কিন্তু পাশের অন্য এক কামরায় অন্য একটি মিটিংয়ে চলে
গিয়েছেন। বছরের এই সময়টাতে নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদর দফতরে একই সময় কয়েক ডজন
সভা চলতে থাকে কখনও কখনও।
ড. মোমেন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বর্তমান মহাজোট সরকারের প্রায় শুরু থেকেই জাতিসংঘে আমাদের স্থায়ী প্রতিনিধি। ছিলেন বোস্টনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাসিনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা সেই আশির দশকের মাঝামাঝি থেকেই। বোস্টনে থাকাকালেও বলতে গেলে, সার্বক্ষণিক ‘একটিভিস্ট’ ছিলেন। সেই এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড মেরে হত্যাচেষ্টা, কিবরিয়া হত্যাসহ বাংলাদেশের সবগুলো জাতীয় ইস্যুতে তিনি সংশ্লিষ্ট থেকেছেন গভীরভাবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী জনগোষ্ঠী এবং মার্কিনিদের মধ্যে মূলত গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় জনমত এবং সমর্থন সৃষ্টিতে সচেষ্ট থেকেছেন তিনি। শেখ হাসিনা ২০০৯-এর ৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর ড. মোমেনকে যখন ডাকলেন, ড. মোমেন প্রধানমন্ত্রীর সেই আহ্বানে সাড়া দিতে বাধ্য হলেন, যেমন বাধ্য থাকেন যে কোন দেশপ্রেমিক নাগরিক।
জাতিসংঘে তার প্রায় এই সাড়ে চার বছর অবস্থানকালে, তার নেতৃত্বে আমাদের নিউইয়র্কে মিশনের বেশ কতগুলো সাফল্য আছে। এই সিরিজের সর্বশেষ সাফল্য হল, গত ৩০ অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ভোটাভুটিতে বাংলাদেশ ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১৮১টি ভোট পেয়ে ‘ইকোসক’,Ñ ইকোনমিক অ্যান্ড সোস্যাল কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। বাংলাদেশের চেয়ে কয়েক ভোট বেশি পেয়েছে চীন; ৫৪ সদস্যবিশিষ্ট এই ইকোসকের সদস্য পদ তিন বছরের জন্য, টার্ম শুরু হবে আগামী ১ জানুয়ারিতে।
বলতেই হবে এসব সাফল্যের পেছনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির আগ্রহ-উৎসাহ এবং নির্দেশনা অবশ্যই প্রবল ভূমিকা রেখেছে।
রাষ্ট্রদূত হান্নান জেনেভা থেকে নিউইয়র্ক এসেছেন সরকারি কাজে। তার স্ত্রী সেলিনা এখন আমাদের মৎস্য ও পশুপালন মন্ত্রণালয়ের সচিব। আমাদের বর্তমান পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক এবং হান্নান দম্পতি একই ব্যাচের কর্মকর্তা। সেলিনার অভিযোগ, হান্নান জেনেভাতে বছরের কোনো কোনো সময় এত ব্যস্ত থাকে যে তার সঙ্গে কথা বলতে হলে সেলিনাকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করতে হয়। ফরেন সেক্রেটারি শহীদুল হককে জেনেভা থেকে ডেকে এনে ফরেন সেক্রেটারি করা হয়েছে বছরের শুরুতে। আইএমও ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব মাইগ্রেশন দীর্ঘদিন কাজ করেছে শহীদ, প্রথমে ঢাকায় তারপর ব্যাংককে, তারপর জেনেভাতে, সদর দফতরে। ইরাক, লিবিয়া, এমন সব দেশে যুদ্ধের সময় আমাদের হাজার হাজার বাংলাদেশীকে দেশে ফিরিয়ে আনতে এই সংস্থাটি বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল। এখানে শহীদুল হকের প্রশংসনীয় ভূমিকাও ছিল। মুস্তাফিজ নিউইয়র্ক যাওয়ার আগে কলকাতায় আমাদের ডেপুটি হাইকমিশনার ছিল, ডেপুটি হাইকমিশন হলেও এটি আমাদের বৃহত্তম মিশন। কাজের প্রচণ্ড চাপ এখানে।
আর আমি? ২৩ বছর আগে আমিও এখানে উপস্থায়ী প্রতিনিধি ছিলাম। বিচারপতি সাহাবউদ্দিন আহমেদের সরকার আমাকে এখানে পাঠিয়েছিল; কিন্তু টিকতে পারিনি বেশি দিন, ১০ মাসের মাথায় আমাকে ঢাকায় ডেকে পাঠানো হয়। টেনেটুনে দেড় বছর ছিলাম। আমার বিরুদ্ধে গুরুতর ‘অভিযোগ’, নিউইয়র্ক মিশনে আমার অফিসে আমি প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দীন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার একটি ছবি রেখেছিলাম। ছবিটি ছিল বঙ্গভবনের, ১৯৯৩-এর ৬ ডিসেম্বরের, সাহাবুদ্দীন সাহেব অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেয়ার পর তিনজন একই ফ্রেমে, অসাধারণ একটি ছবি, দুই নেত্রী মাথায় ঘোমটা দিচ্ছিলেন। কয়েকশ’ টাকা দিয়ে একটি প্রদর্শনী থেকে ছবিটি কিনে পরে আরও কয়েকশ’ টাকা দিয়ে সিলভার ফ্রেমে ছবিটি বাঁধাই করে নিয়ে গিয়েছিলাম। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ছিল জিয়াউল হক জিয়া, খালেদা জিয়ার তখনকার এক ‘মিলিট্যান্ট’ সংসদ সদস্য।
১৯৯১-তে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে একজন সদস্য হিসেবে যোগ দিতে গিয়েছিল সেই বছর সদস্য হিসেবে আরও গিয়েছিল নাসিরউদ্দিন পিন্টুও। তখন ছাত্রনেতা এবং বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় সদ্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সন্ত্রাসী। এই দুই ব্যক্তি একজনও একদিনের জন্যও জাতিসংঘ ভবনে যাননি, তবে দৈনন্দিন ভাতা ঠিকই নিয়েছেন।
‘অভিযোগ’ আরও গুরুতর রূপ নিল যখন এই জিয়াউল হক জিয়া প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কাছে অভিযোগ করেন, নিউইয়র্কে আমার অফিসে আমি বঙ্গবন্ধুর ছবি টাঙিয়েছি। জিয়াউল হক জিয়ার অভিযোগকে বাতাস দিতে থাকল নিউইয়র্কের ইনকিলাব নামে পরিচিত বাংলা সাপ্তাহিক ঠিকানা এবং তার মালিক এমএম শাহীন। পরে কুলাউড়া থেকে বিএনপির সংসদ সদস্য এবং আরও পরে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত। জিয়াউল হক জিয়াও বহিষ্কৃত, ওখানকার বিএনপি নেতা নাজিমুদ্দীন আলমের সঙ্গে প্রায়ই সংঘর্ষে লিপ্ত। দুজনই ফেরদৌস কোরেশীর দলে যোগ দিয়েছিল, এখন আবার তওবা পড়ে ফিরে আসতে চেষ্টা করছে। তবে এমএম শাহীনের জন্য প্রবল হুমকি- মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি সভাপতি এবং মরহুম সাইফুর রহমান পুত্র নাসের রহমান এবং লক্ষ্মীপুরে জিয়াউল হক জিয়াকে বিএনপিতে ঢুকতে দেবে না নাজিমুদ্দীন আলম। দুজনই সন্ত্রাসী চরিত্রের, এই দৈনিক যুগান্তর পত্রিকাতেই ২০০৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর শাহীনের ওপর প্রথম পৃষ্ঠায় একটি খবর ছিল- ‘সংসদে শাহীনের অভব্য আচরণ।’
দুই.
প্রায় ২২ বছর পর আমার নিউইয়র্ক আসা, সরকারি প্রতিনিধি দলের একজন সদস্য হিসেবে।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে চলমান বিতর্ক আমি দেখি এবং শুনি। পেছনের দুটো পর্দায় দেখতে পাই নাভি পিল্লাইকেও জেনেভা থেকে তাকে ভিডিওর মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়েছে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাভি পিল্লাই দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিক, একজন বিচারপতি ছিলেন ওই দেশের; এখন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার। জেনেভাতে তার অফিস।
নিরাপত্তা পরিষদের বিবেচ্য বিষয়টি গরম কিছু নয়। তাই আমি ভাবতে থাকি, ১৯৭১-এর ডিসেম্বরে আমাদের বাংলাদেশ ইস্যুতে কত সব গরম গরম বক্তৃতা, উত্তেজনা, তৎপরতা। ভারতীয় সামরিক বাহিনী বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যে বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট থেকে এগিয়ে আসছে- আকাশে বাতাসে যুদ্ধ। একই সময় নিউইয়র্কের এই ৩৮ তলা জাতিসংঘ ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে সিকিউরিটি কাউন্সিল চেম্বারেও চলছে অন্য রকমের এক প্রচণ্ড যুদ্ধ- কূটনৈতিক যুদ্ধ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন চাইছে যুদ্ধবিরতি। ভারতকে সম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে তখন সমর্থন করছে সোভিয়েত ইউনিয়ন। যুদ্ধবিরতি হলে আমাদের মুক্তিযুদ্ধটাও তখন থেমে যায়। আমরা তা কিছুতেই তা হতে দিতে পারি না। হতে দিতে পারে না ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পূর্ব ইউরোপের তখনকার সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো। আমাদের ব্যাপারে নিরাপত্তা পরিষদে আক্রমণ প্রতি-আক্রমণ যত না ভারত পাকিস্তানের মধ্যে, তার চেয়ে অনেক বেশি চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে। চীন প্রবলভাবে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করছে, আর প্রবলভাবে সমর্থন দিচ্ছে সোভিয়েত ইউনিয়ন। আমাদের সমর্থনে সোভিয়েত ইউনিয়ন তখন মাত্র ১০ দিনের মধ্যে তিন-তিনটি ভেটো দেয় যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের বিরুদ্ধে। ভারত এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তখন পাল্টা প্রস্তাব দিচ্ছে, শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার নেতৃত্বে ১৯৭০-এর নির্বাচনে বিজয়ী আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের কথাও থাকতে হবে নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত প্রস্তাবে। কিন্তু এমন কিছু একেবারেই মানছিল না পাকিস্তান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানের কারাগার থেকে ছেড়ে দিয়ে তার হাতেই ক্ষমতা হস্তান্তর, ইয়াহিয়া খান এবং তার অন্যসব জেনারেল জন্য ছিল চরম অবমাননাকর।
সুতরাং ১৯৭১-এর ৪ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপিত প্রস্তাবে প্রথম সোভিয়েত ভেটো, পর দিন ৫ ডিসেম্বর আবার সোভিয়েত ভেটো। এবার প্রস্তাব উত্থাপনকারী ছিল আর্জেন্টিনা, বেলজিয়াম, বুরুন্ডি, ইতালি, জাপান, নিকারাগুয়া, সিয়েরালিওন এবং সোমালিয়া। সোভিয়েত ইউনিয়নের তৃতীয় ভেটোটি দেয়া হয় ১৩ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উত্থাপিত আরেকটি প্রস্তাবে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে, এই সোভিয়েত ভেটোগুলোই আমাদের স্বাধীনতা, আমাদের বিজয়কে নিশ্চিত করেছিল তখন। নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস করাতে ব্যর্থ পাকিস্তানপ্রেমিক দেশগুলো, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং আরব দেশগুলো তখন ছুটে গেছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে। ১৩১টি সদস্য রাষ্ট্র তখন জাতিসংঘের এবং এই ১৩১টি সদস্য রাষ্ট্রের ১০৪টিই যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব সমর্থন করে প্রথমবার। যুদ্ধবিরতি এবং ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের পক্ষে বিপুল জনসমর্থন জাতিসংঘে। কিন্তু সৌভাগ্য আমাদের, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত প্রস্তাব মানাটা বাধ্যতামূলক নয়, যেমন বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত প্রস্তাব। চলমান সিরিয়া সংকটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অন্যান্য পশ্চিমা ইউরোপীয় দেশ, সৌদি আরব, কাতার এবং তুরস্ক সিরিয়াকে গুঁড়িয়ে দিতে পারছে না; কারণ নিরাপত্তা পরিষদে এমন কোনো প্রস্তাব পাস হবে না। চীন এবং রাশিয়া সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আফগানিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলমান যুদ্ধে সিকিউরিটি কাউন্সিলে গৃহীত প্রস্তাবে কেউ ভেটো দেয়নি। কিন্তু ইরাকে যে আক্রমণ চালিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার পশ্চিমা দোস্তরা, সেখানে কোনো প্রস্তাব নেই নিরাপত্তা পরিষদের। তাই এটি একটি অবৈধ যুদ্ধ ছিল। তবে বাস্তব কথা হল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এমন সব প্রস্তাবের তোয়াক্কা করে না সব সময়। তাদের শক্তি আছে, দুনিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এই দেশটি যা ইচ্ছা, বলতে গেলে, তাই করতে পারে। এখন তো আর সোভিয়েত ইউনিয়ন নেই যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করবে। তাই এই জামানায় প্রায় উন্নয়নশীল দেশগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেজাজ-মর্জি বুঝে কাজ করে চলে। এই দেশটিকে চ্যালেঞ্জ করলে বিপদে পড়তে হতে পারে।
তিন.
নিরাপত্তা পরিষদের এসব বিতর্কে পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থান জোরদার করতে জুলফিকার আলী ভুট্টোকে নিউইয়র্কে পাঠানো হয়। কিন্তু ’৭১-এর ডিসেম্বরের ১৪ তারিখে নিরাপত্তা পরিষদে একটি বক্তৃতা দিয়ে তার হাতে যে কাগজগুলো ছিল, সেগুলো টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে তিনি ঝড়ের বেগে পরিষদ চেম্বার থেকে বেরিয়ে আসেন। বক্তৃতায় তিনি এই নিরাপত্তা পরিষদকে ‘দি ফ্যাশন হাউস হয়ার দি আগলিনেস অব দি ওয়ার্ল্ড ইজ ড্রেসড আপ ইন প্রেটি ওয়ার্ডস’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তবে তখন জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আগা শাহী পরে পাকিস্তানের ফরেন সেক্রেটারি, তার এক সহকর্মী পেশাদার কূটনীতিবিদ রাষ্ট্রদূত ইকবাল আখুন্দকে (ড. কামাল হোসেনের স্ত্রী ড. হামিদা হোসেনের বড় ভাই) বলেছিলেন, ‘আই অ্যাম সিউর হি হ্যাড রিহার্সড ইট অল ইন ফ্রন্ট অব অ্যা মিরর বিফোর কামিং টু দি মিটিং’। ইউটিউবে আগ্রহীরা ভুট্টোর এমন অমার্জনীয় আচরণ এখনও দেখতে পাবেন।
জাতিসংঘেও পাকিস্তানের এমন বিপর্যয় এবং পরাজয়ের পর ভুট্টো নিউইয়র্কে তার হোটেলে একটি লাঞ্চ দিয়েছিলেন পাকিস্তানের পক্ষে যেসব দেশ সমর্থন জানিয়েছিল, তাদের ধন্যবাদ জানাতে। এই লাঞ্চে পাকিস্তান প্রতিনিধি দলের এক বাঙালি সদস্য জুলমত আলী খান পাকিস্তানের এমন পরাজয়ে কেঁদে ফেলেছিলেন, লিখেছিলেন লাঞ্চে উপস্থিত ইকবাল আখন্দ তার মেমোয়ার্স অর অ্যা বাইস্ট্যান্ডার, অ্যা লাইফ ইন ডিপ্লোম্যাসি বইটিতে। বেগম খালেদা জিয়া তার প্রধানমন্ত্রিত্বের প্রথম টার্মে এই জুলমত আলী খানকে প্রথমে ভুটান এবং পরে থাইল্যান্ডে রাষ্ট্রদূত করেছিলেন।
আর যে চীন এমন প্রবলভাবে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করল, সেই চীন এখন জামায়াত ও জাতীয়তাবাদীদের ‘পরীক্ষিত বন্ধু’!!।
জাতিসংঘের এই নিরাপত্তা পরিষদের ১৫টি সদস্যের মধ্যে ৫টি দেশ- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়া স্থায়ী সদস্য, তাদের কোনো নির্বাচনে খাড়া হতে হয় না, ১৯৪৬-এ জাতিসংঘের জন্ম থেকেই তারা স্থায়ী সদস্য, ভেটো ক্ষমতার অধিকারী। মানে, এই ৫টি দেশের যে কোনো একটিও যদি আপত্তি তোলে সেই প্রস্তাব পাস হবে না, যেমন হয়নি ৭১ আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইস্যুতে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর রাশিয়া এখন উত্তরাধিকারী হিসেবে স্থায়ী সদস্য। তবে সোভিয়েত ইউনিয়নের সেই দাপট বা ক্ষমতা কোনোটাই রশিয়ার নেই।
চার.
বাংলাদেশ ইতিমধ্যে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট এই গুরুত্বপূর্ণ পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে দুইবার, দুই বছর মেয়াদি অস্থায়ী সদস্য হিসেবে; প্রথমবার ৭৯ ও ৮০, বছর দুটির জন্য। আবার নির্বাচিত হয় বাংলাদেশ, শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রিত্বের প্রথম টার্মে, ২০০০ ও ২০০১ বছর দুটির জন্য। বাংলাদেশ আবার প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে ২০১৬ ও ২০১৭ বছর দুটির জন্যও। আমাদের ঘোষণার পর জাপানও প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে আমাদের প্রতিযোগী হিসেবে। গত ১৮ অক্টোবর খুব আমোদজনক একটি ঘটনা ঘটেছে জাতিসংঘের এই নিরাপত্তা পরিষদের নির্বাচনে। সৌদি আরব এই প্রথমবারের মতো নিরাপত্তা পরিষদে সদস্য নির্বাচিত হল, ১ জানুয়ারিতে আসন গ্রহণ করার কথা। নির্বাচিত হওয়ার পর নিউইয়র্কে সৌদি মিশনে যখন উৎসব চলছে, তখন রাজধানী রিয়াদ থেকে ঘোষণা এলো, তারা এই আসন গ্রহণ করবে না। সিরিয়া এবং ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শক্ত ব্যবস্থা নেয়নি বলে প্রতিবাদে এই বর্জন। সৌদিরা শেষ পর্যন্ত কি করে তা জানা যাবে আরও কয়েক দিন পর। জাতিসংঘে বছরের পর বছর কূটনৈতিক তৎপরতা, তারপর নির্বাচন, তারপর সাফল্য। সৌদি আরবের মতো সাফল্য এবং বর্জনের এমন কোনো অতীত উদাহরণ জাতিসংঘে নেই। সৌদি আরব জাতিসংঘ সচিবালয়কে তাদের এই বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারিভাবে এখনও জানায়নি। নিউইয়র্কে কোনো কোনো কূটনীতিবিদকে বলতে শুনেছি মার্কিনিরা এবং ৭৭ জাতি গ্র“প যদি একটু সাধাসাধি করে, তাহলে ‘তাহারা খাইবে’।
মহিউদ্দিন আহমদ : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সচিব
ড. মোমেন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বর্তমান মহাজোট সরকারের প্রায় শুরু থেকেই জাতিসংঘে আমাদের স্থায়ী প্রতিনিধি। ছিলেন বোস্টনের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাসিনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা সেই আশির দশকের মাঝামাঝি থেকেই। বোস্টনে থাকাকালেও বলতে গেলে, সার্বক্ষণিক ‘একটিভিস্ট’ ছিলেন। সেই এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড মেরে হত্যাচেষ্টা, কিবরিয়া হত্যাসহ বাংলাদেশের সবগুলো জাতীয় ইস্যুতে তিনি সংশ্লিষ্ট থেকেছেন গভীরভাবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী জনগোষ্ঠী এবং মার্কিনিদের মধ্যে মূলত গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় জনমত এবং সমর্থন সৃষ্টিতে সচেষ্ট থেকেছেন তিনি। শেখ হাসিনা ২০০৯-এর ৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর ড. মোমেনকে যখন ডাকলেন, ড. মোমেন প্রধানমন্ত্রীর সেই আহ্বানে সাড়া দিতে বাধ্য হলেন, যেমন বাধ্য থাকেন যে কোন দেশপ্রেমিক নাগরিক।
জাতিসংঘে তার প্রায় এই সাড়ে চার বছর অবস্থানকালে, তার নেতৃত্বে আমাদের নিউইয়র্কে মিশনের বেশ কতগুলো সাফল্য আছে। এই সিরিজের সর্বশেষ সাফল্য হল, গত ৩০ অক্টোবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ভোটাভুটিতে বাংলাদেশ ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১৮১টি ভোট পেয়ে ‘ইকোসক’,Ñ ইকোনমিক অ্যান্ড সোস্যাল কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে। বাংলাদেশের চেয়ে কয়েক ভোট বেশি পেয়েছে চীন; ৫৪ সদস্যবিশিষ্ট এই ইকোসকের সদস্য পদ তিন বছরের জন্য, টার্ম শুরু হবে আগামী ১ জানুয়ারিতে।
বলতেই হবে এসব সাফল্যের পেছনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির আগ্রহ-উৎসাহ এবং নির্দেশনা অবশ্যই প্রবল ভূমিকা রেখেছে।
রাষ্ট্রদূত হান্নান জেনেভা থেকে নিউইয়র্ক এসেছেন সরকারি কাজে। তার স্ত্রী সেলিনা এখন আমাদের মৎস্য ও পশুপালন মন্ত্রণালয়ের সচিব। আমাদের বর্তমান পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক এবং হান্নান দম্পতি একই ব্যাচের কর্মকর্তা। সেলিনার অভিযোগ, হান্নান জেনেভাতে বছরের কোনো কোনো সময় এত ব্যস্ত থাকে যে তার সঙ্গে কথা বলতে হলে সেলিনাকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করতে হয়। ফরেন সেক্রেটারি শহীদুল হককে জেনেভা থেকে ডেকে এনে ফরেন সেক্রেটারি করা হয়েছে বছরের শুরুতে। আইএমও ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন অব মাইগ্রেশন দীর্ঘদিন কাজ করেছে শহীদ, প্রথমে ঢাকায় তারপর ব্যাংককে, তারপর জেনেভাতে, সদর দফতরে। ইরাক, লিবিয়া, এমন সব দেশে যুদ্ধের সময় আমাদের হাজার হাজার বাংলাদেশীকে দেশে ফিরিয়ে আনতে এই সংস্থাটি বিশেষ ভূমিকা রেখেছিল। এখানে শহীদুল হকের প্রশংসনীয় ভূমিকাও ছিল। মুস্তাফিজ নিউইয়র্ক যাওয়ার আগে কলকাতায় আমাদের ডেপুটি হাইকমিশনার ছিল, ডেপুটি হাইকমিশন হলেও এটি আমাদের বৃহত্তম মিশন। কাজের প্রচণ্ড চাপ এখানে।
আর আমি? ২৩ বছর আগে আমিও এখানে উপস্থায়ী প্রতিনিধি ছিলাম। বিচারপতি সাহাবউদ্দিন আহমেদের সরকার আমাকে এখানে পাঠিয়েছিল; কিন্তু টিকতে পারিনি বেশি দিন, ১০ মাসের মাথায় আমাকে ঢাকায় ডেকে পাঠানো হয়। টেনেটুনে দেড় বছর ছিলাম। আমার বিরুদ্ধে গুরুতর ‘অভিযোগ’, নিউইয়র্ক মিশনে আমার অফিসে আমি প্রেসিডেন্ট সাহাবুদ্দীন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এবং বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার একটি ছবি রেখেছিলাম। ছবিটি ছিল বঙ্গভবনের, ১৯৯৩-এর ৬ ডিসেম্বরের, সাহাবুদ্দীন সাহেব অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেয়ার পর তিনজন একই ফ্রেমে, অসাধারণ একটি ছবি, দুই নেত্রী মাথায় ঘোমটা দিচ্ছিলেন। কয়েকশ’ টাকা দিয়ে একটি প্রদর্শনী থেকে ছবিটি কিনে পরে আরও কয়েকশ’ টাকা দিয়ে সিলভার ফ্রেমে ছবিটি বাঁধাই করে নিয়ে গিয়েছিলাম। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ছিল জিয়াউল হক জিয়া, খালেদা জিয়ার তখনকার এক ‘মিলিট্যান্ট’ সংসদ সদস্য।
১৯৯১-তে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে একজন সদস্য হিসেবে যোগ দিতে গিয়েছিল সেই বছর সদস্য হিসেবে আরও গিয়েছিল নাসিরউদ্দিন পিন্টুও। তখন ছাত্রনেতা এবং বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় সদ্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সন্ত্রাসী। এই দুই ব্যক্তি একজনও একদিনের জন্যও জাতিসংঘ ভবনে যাননি, তবে দৈনন্দিন ভাতা ঠিকই নিয়েছেন।
‘অভিযোগ’ আরও গুরুতর রূপ নিল যখন এই জিয়াউল হক জিয়া প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কাছে অভিযোগ করেন, নিউইয়র্কে আমার অফিসে আমি বঙ্গবন্ধুর ছবি টাঙিয়েছি। জিয়াউল হক জিয়ার অভিযোগকে বাতাস দিতে থাকল নিউইয়র্কের ইনকিলাব নামে পরিচিত বাংলা সাপ্তাহিক ঠিকানা এবং তার মালিক এমএম শাহীন। পরে কুলাউড়া থেকে বিএনপির সংসদ সদস্য এবং আরও পরে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত। জিয়াউল হক জিয়াও বহিষ্কৃত, ওখানকার বিএনপি নেতা নাজিমুদ্দীন আলমের সঙ্গে প্রায়ই সংঘর্ষে লিপ্ত। দুজনই ফেরদৌস কোরেশীর দলে যোগ দিয়েছিল, এখন আবার তওবা পড়ে ফিরে আসতে চেষ্টা করছে। তবে এমএম শাহীনের জন্য প্রবল হুমকি- মৌলভীবাজার জেলা বিএনপি সভাপতি এবং মরহুম সাইফুর রহমান পুত্র নাসের রহমান এবং লক্ষ্মীপুরে জিয়াউল হক জিয়াকে বিএনপিতে ঢুকতে দেবে না নাজিমুদ্দীন আলম। দুজনই সন্ত্রাসী চরিত্রের, এই দৈনিক যুগান্তর পত্রিকাতেই ২০০৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর শাহীনের ওপর প্রথম পৃষ্ঠায় একটি খবর ছিল- ‘সংসদে শাহীনের অভব্য আচরণ।’
দুই.
প্রায় ২২ বছর পর আমার নিউইয়র্ক আসা, সরকারি প্রতিনিধি দলের একজন সদস্য হিসেবে।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে চলমান বিতর্ক আমি দেখি এবং শুনি। পেছনের দুটো পর্দায় দেখতে পাই নাভি পিল্লাইকেও জেনেভা থেকে তাকে ভিডিওর মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়েছে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাভি পিল্লাই দক্ষিণ আফ্রিকার নাগরিক, একজন বিচারপতি ছিলেন ওই দেশের; এখন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার। জেনেভাতে তার অফিস।
নিরাপত্তা পরিষদের বিবেচ্য বিষয়টি গরম কিছু নয়। তাই আমি ভাবতে থাকি, ১৯৭১-এর ডিসেম্বরে আমাদের বাংলাদেশ ইস্যুতে কত সব গরম গরম বক্তৃতা, উত্তেজনা, তৎপরতা। ভারতীয় সামরিক বাহিনী বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যে বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট থেকে এগিয়ে আসছে- আকাশে বাতাসে যুদ্ধ। একই সময় নিউইয়র্কের এই ৩৮ তলা জাতিসংঘ ভবনের গ্রাউন্ড ফ্লোরে সিকিউরিটি কাউন্সিল চেম্বারেও চলছে অন্য রকমের এক প্রচণ্ড যুদ্ধ- কূটনৈতিক যুদ্ধ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন চাইছে যুদ্ধবিরতি। ভারতকে সম্পূর্ণ শক্তি দিয়ে তখন সমর্থন করছে সোভিয়েত ইউনিয়ন। যুদ্ধবিরতি হলে আমাদের মুক্তিযুদ্ধটাও তখন থেমে যায়। আমরা তা কিছুতেই তা হতে দিতে পারি না। হতে দিতে পারে না ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং পূর্ব ইউরোপের তখনকার সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো। আমাদের ব্যাপারে নিরাপত্তা পরিষদে আক্রমণ প্রতি-আক্রমণ যত না ভারত পাকিস্তানের মধ্যে, তার চেয়ে অনেক বেশি চীন ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে। চীন প্রবলভাবে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করছে, আর প্রবলভাবে সমর্থন দিচ্ছে সোভিয়েত ইউনিয়ন। আমাদের সমর্থনে সোভিয়েত ইউনিয়ন তখন মাত্র ১০ দিনের মধ্যে তিন-তিনটি ভেটো দেয় যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের বিরুদ্ধে। ভারত এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তখন পাল্টা প্রস্তাব দিচ্ছে, শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার নেতৃত্বে ১৯৭০-এর নির্বাচনে বিজয়ী আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের কথাও থাকতে হবে নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত প্রস্তাবে। কিন্তু এমন কিছু একেবারেই মানছিল না পাকিস্তান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পাকিস্তানের কারাগার থেকে ছেড়ে দিয়ে তার হাতেই ক্ষমতা হস্তান্তর, ইয়াহিয়া খান এবং তার অন্যসব জেনারেল জন্য ছিল চরম অবমাননাকর।
সুতরাং ১৯৭১-এর ৪ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপিত প্রস্তাবে প্রথম সোভিয়েত ভেটো, পর দিন ৫ ডিসেম্বর আবার সোভিয়েত ভেটো। এবার প্রস্তাব উত্থাপনকারী ছিল আর্জেন্টিনা, বেলজিয়াম, বুরুন্ডি, ইতালি, জাপান, নিকারাগুয়া, সিয়েরালিওন এবং সোমালিয়া। সোভিয়েত ইউনিয়নের তৃতীয় ভেটোটি দেয়া হয় ১৩ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উত্থাপিত আরেকটি প্রস্তাবে।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমাদের অবশ্যই মনে রাখতে হবে, এই সোভিয়েত ভেটোগুলোই আমাদের স্বাধীনতা, আমাদের বিজয়কে নিশ্চিত করেছিল তখন। নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস করাতে ব্যর্থ পাকিস্তানপ্রেমিক দেশগুলো, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং আরব দেশগুলো তখন ছুটে গেছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে। ১৩১টি সদস্য রাষ্ট্র তখন জাতিসংঘের এবং এই ১৩১টি সদস্য রাষ্ট্রের ১০৪টিই যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব সমর্থন করে প্রথমবার। যুদ্ধবিরতি এবং ভারতীয় সেনা প্রত্যাহারের পক্ষে বিপুল জনসমর্থন জাতিসংঘে। কিন্তু সৌভাগ্য আমাদের, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত প্রস্তাব মানাটা বাধ্যতামূলক নয়, যেমন বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত প্রস্তাব। চলমান সিরিয়া সংকটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অন্যান্য পশ্চিমা ইউরোপীয় দেশ, সৌদি আরব, কাতার এবং তুরস্ক সিরিয়াকে গুঁড়িয়ে দিতে পারছে না; কারণ নিরাপত্তা পরিষদে এমন কোনো প্রস্তাব পাস হবে না। চীন এবং রাশিয়া সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। আফগানিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলমান যুদ্ধে সিকিউরিটি কাউন্সিলে গৃহীত প্রস্তাবে কেউ ভেটো দেয়নি। কিন্তু ইরাকে যে আক্রমণ চালিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং তার পশ্চিমা দোস্তরা, সেখানে কোনো প্রস্তাব নেই নিরাপত্তা পরিষদের। তাই এটি একটি অবৈধ যুদ্ধ ছিল। তবে বাস্তব কথা হল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এমন সব প্রস্তাবের তোয়াক্কা করে না সব সময়। তাদের শক্তি আছে, দুনিয়ার উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এই দেশটি যা ইচ্ছা, বলতে গেলে, তাই করতে পারে। এখন তো আর সোভিয়েত ইউনিয়ন নেই যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করবে। তাই এই জামানায় প্রায় উন্নয়নশীল দেশগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেজাজ-মর্জি বুঝে কাজ করে চলে। এই দেশটিকে চ্যালেঞ্জ করলে বিপদে পড়তে হতে পারে।
তিন.
নিরাপত্তা পরিষদের এসব বিতর্কে পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থান জোরদার করতে জুলফিকার আলী ভুট্টোকে নিউইয়র্কে পাঠানো হয়। কিন্তু ’৭১-এর ডিসেম্বরের ১৪ তারিখে নিরাপত্তা পরিষদে একটি বক্তৃতা দিয়ে তার হাতে যে কাগজগুলো ছিল, সেগুলো টুকরো টুকরো করে ছিঁড়ে তিনি ঝড়ের বেগে পরিষদ চেম্বার থেকে বেরিয়ে আসেন। বক্তৃতায় তিনি এই নিরাপত্তা পরিষদকে ‘দি ফ্যাশন হাউস হয়ার দি আগলিনেস অব দি ওয়ার্ল্ড ইজ ড্রেসড আপ ইন প্রেটি ওয়ার্ডস’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তবে তখন জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আগা শাহী পরে পাকিস্তানের ফরেন সেক্রেটারি, তার এক সহকর্মী পেশাদার কূটনীতিবিদ রাষ্ট্রদূত ইকবাল আখুন্দকে (ড. কামাল হোসেনের স্ত্রী ড. হামিদা হোসেনের বড় ভাই) বলেছিলেন, ‘আই অ্যাম সিউর হি হ্যাড রিহার্সড ইট অল ইন ফ্রন্ট অব অ্যা মিরর বিফোর কামিং টু দি মিটিং’। ইউটিউবে আগ্রহীরা ভুট্টোর এমন অমার্জনীয় আচরণ এখনও দেখতে পাবেন।
জাতিসংঘেও পাকিস্তানের এমন বিপর্যয় এবং পরাজয়ের পর ভুট্টো নিউইয়র্কে তার হোটেলে একটি লাঞ্চ দিয়েছিলেন পাকিস্তানের পক্ষে যেসব দেশ সমর্থন জানিয়েছিল, তাদের ধন্যবাদ জানাতে। এই লাঞ্চে পাকিস্তান প্রতিনিধি দলের এক বাঙালি সদস্য জুলমত আলী খান পাকিস্তানের এমন পরাজয়ে কেঁদে ফেলেছিলেন, লিখেছিলেন লাঞ্চে উপস্থিত ইকবাল আখন্দ তার মেমোয়ার্স অর অ্যা বাইস্ট্যান্ডার, অ্যা লাইফ ইন ডিপ্লোম্যাসি বইটিতে। বেগম খালেদা জিয়া তার প্রধানমন্ত্রিত্বের প্রথম টার্মে এই জুলমত আলী খানকে প্রথমে ভুটান এবং পরে থাইল্যান্ডে রাষ্ট্রদূত করেছিলেন।
আর যে চীন এমন প্রবলভাবে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করল, সেই চীন এখন জামায়াত ও জাতীয়তাবাদীদের ‘পরীক্ষিত বন্ধু’!!।
জাতিসংঘের এই নিরাপত্তা পরিষদের ১৫টি সদস্যের মধ্যে ৫টি দেশ- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, চীন ও রাশিয়া স্থায়ী সদস্য, তাদের কোনো নির্বাচনে খাড়া হতে হয় না, ১৯৪৬-এ জাতিসংঘের জন্ম থেকেই তারা স্থায়ী সদস্য, ভেটো ক্ষমতার অধিকারী। মানে, এই ৫টি দেশের যে কোনো একটিও যদি আপত্তি তোলে সেই প্রস্তাব পাস হবে না, যেমন হয়নি ৭১ আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইস্যুতে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর রাশিয়া এখন উত্তরাধিকারী হিসেবে স্থায়ী সদস্য। তবে সোভিয়েত ইউনিয়নের সেই দাপট বা ক্ষমতা কোনোটাই রশিয়ার নেই।
চার.
বাংলাদেশ ইতিমধ্যে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট এই গুরুত্বপূর্ণ পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে দুইবার, দুই বছর মেয়াদি অস্থায়ী সদস্য হিসেবে; প্রথমবার ৭৯ ও ৮০, বছর দুটির জন্য। আবার নির্বাচিত হয় বাংলাদেশ, শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রিত্বের প্রথম টার্মে, ২০০০ ও ২০০১ বছর দুটির জন্য। বাংলাদেশ আবার প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে ২০১৬ ও ২০১৭ বছর দুটির জন্যও। আমাদের ঘোষণার পর জাপানও প্রার্থিতা ঘোষণা করেছে আমাদের প্রতিযোগী হিসেবে। গত ১৮ অক্টোবর খুব আমোদজনক একটি ঘটনা ঘটেছে জাতিসংঘের এই নিরাপত্তা পরিষদের নির্বাচনে। সৌদি আরব এই প্রথমবারের মতো নিরাপত্তা পরিষদে সদস্য নির্বাচিত হল, ১ জানুয়ারিতে আসন গ্রহণ করার কথা। নির্বাচিত হওয়ার পর নিউইয়র্কে সৌদি মিশনে যখন উৎসব চলছে, তখন রাজধানী রিয়াদ থেকে ঘোষণা এলো, তারা এই আসন গ্রহণ করবে না। সিরিয়া এবং ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শক্ত ব্যবস্থা নেয়নি বলে প্রতিবাদে এই বর্জন। সৌদিরা শেষ পর্যন্ত কি করে তা জানা যাবে আরও কয়েক দিন পর। জাতিসংঘে বছরের পর বছর কূটনৈতিক তৎপরতা, তারপর নির্বাচন, তারপর সাফল্য। সৌদি আরবের মতো সাফল্য এবং বর্জনের এমন কোনো অতীত উদাহরণ জাতিসংঘে নেই। সৌদি আরব জাতিসংঘ সচিবালয়কে তাদের এই বর্জনের সিদ্ধান্ত সরকারিভাবে এখনও জানায়নি। নিউইয়র্কে কোনো কোনো কূটনীতিবিদকে বলতে শুনেছি মার্কিনিরা এবং ৭৭ জাতি গ্র“প যদি একটু সাধাসাধি করে, তাহলে ‘তাহারা খাইবে’।
মহিউদ্দিন আহমদ : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবসরপ্রাপ্ত সচিব
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
November
(403)
-
▼
Nov 18
(15)
- রাজনৈতিক মারেফাত এই নেই এই আছে by বেগম জাহান আরা
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশ আমোদ-আনন্দ ও ব...
- নির্বাচনী ট্র্যাপে আমলাদের কাছে ধরাশায়ী দুদক by আল...
- বিএনপির একটি দাবি মানলেই কি সন্ত্রাস বন্ধ হবে? by ...
- হরতালের আগুন: মারা গেলেন অগ্নিদগ্ধ আরও দুজন- পুড়ে...
- নির্বাচন- আমরা কেন ভোট দেব? by শাকিলা নাছরিন
- অর্থনীতি- সমৃদ্ধি সূচকে পথ হারায়নি বাংলাদেশ by ফা...
- বিশেষ সাক্ষাৎকার: তারিক আলি- নতুন রাজনীতি ছাড়া পর...
- বাংলাদেশ কোন পথে-১- ভঙ্গুর গণতন্ত্র থেকে কর্তৃত্বব...
- বিএনপিকে সর্বদলীয় সরকারে আহ্বান এরশাদের
- সমৃদ্ধি সূচকে পথ হারায়নি বাংলাদেশ
- আমরা কেন ভোট দেব?
- সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ
- ছেলে-মেয়েতে বন্ধুত্ব by ইরা ডি. কস্তা
- ফিলিপিন্সে খাবার নেই অর্থ মূল্যহীন!
-
▼
Nov 18
(15)
-
▼
November
(403)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment