Saturday, September 7, 2013
বাংলাদেশের রাজনীতি ও জাতিসংঘ by ফরহাদ মজহার
বাংলাদেশের রাজনীতি ও জাতিসংঘ by ফরহাদ মজহার

প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা রাজনীতির ফুটবল খালেদা জিয়ার পায়ের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। এবার
বিরোধী নেত্রীর খেলার পালা। কিন্তু বল তিনি ধরতে পারেননি, কিংবা তার কাছে
আসেনি, সেটা ফিরতি পদাঘাতে চালান হয়ে গেছে জাতিসংঘে। এই বল ফিরে আসার
সম্ভাবনা খুব কম, সেটা বিরোধী নেত্রীর নির্দেশে হয়েছে, নাকি তিনি অন্য কারও
খেলার ঘুঁটি হয়েছেন, সেটা বাইরে থেকে আমাদের জানার উপায় নেই। বিএনপির
ভবিষ্যৎ বিএনপিই নির্ধারণ করবে, সে ব্যাপারে বলার কিছু নেই। কিন্তু
বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বাংলাদেশীদেরই নির্ধারণ করতে হবে, তার জন্য পরিস্থিতি
আসলে কী দাঁড়াচ্ছে তা বিবেচনার জন্য এ লেখা। কিভাবে শেখ হাসিনা বল চালান
করলেন? সেটা তো তিনি বহু আগেই করেছেন। তিনি বারবার পরিষ্কার করে বলছেন,
নির্বাচন হবে সংবিধান অনুযায়ী। বিএনপি তার কথা সিরিয়াসলি নেয়নি। আসলে শেখ
হাসিনার দিক থেকে এটা ছিল বিরোধী দলের প্রতি চ্যালেঞ্জ। বলা হল, বিএনপির
যদি হিম্মত থাকে তাহলে আন্দোলন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আদায় করুক। তিনি
নিজেও খালেদা জিয়ার আমলে আন্দোলন করেই আদায় করেছিলেন। আর আন্দোলন করতে
নামলে জেল-জরিমানা, গুলি, টিয়ারগ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড আর
পিস্তল-কাঁটাবন্দুক-চাপাতি সজ্জিত ছাত্রলীগ ক্যাডাররা আছে। বিএনপি যে
চ্যালেঞ্জ বোঝেনি তা নয়, তারা রাস্তা ছেড়ে ঘরে ঢুকে গেছে। জিত হয়েছে শেখ
হাসিনার। খালেদা জিয়াকে বোঝানো হয়েছে, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই।
একটা সমঝোতা হবেই। আর নির্বাচন হলে তো বিএনপিই জিতবে। অতএব চিন্তার কী আছে।
ইজ্জত বাঁচিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা যায় এমন একটা আপস ফর্মুলা কূটনৈতিক
মহলই বের করে দেবে। বিএনপি রাস্তা থেকে ঘরে এবং ঘর থেকে ঢাকার কূটনৈতিক
মহলে এবং এখন জাতিসংঘের বান কি মুনের কাছে ধরনা দিচ্ছে। এ মাসের মাঝামাঝি
জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন। সেখানে সরকারি প্রতিনিধি তো থাকবেই, তারপরও
বিরোধী দলের পক্ষ থেকে দু’জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করার কথা। এই সুযোগে
জাতিসংঘ চাইবে বাংলাদেশকে সংঘাত-সংকুল দেশ হিসেবে প্রমাণ করা, যে দেশ নিজের
সমস্যা নিজে সমাধান করতে পারে না; শুধু নিজের অস্তিত্বের জন্য বাংলাদেশ
বিপন্ন নয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্যও বাংলাদেশ হুমকি হয়ে
দাঁড়িয়েছে। ঢাকার কূটনৈতিক মহল ও জাতিসংঘ এই সিদ্ধান্তই এখন
আন্তর্জাতিকভাবে প্রচার করবে। হুশিয়ার না থাকলে জাতিসংঘে দেনদরবার এমন
জায়গায় গিয়ে ঠেকতে পারে যাতে বাংলাদেশ যতটুকু সার্বভৌমত্ব আছে তাও হারিয়ে
জাতিসংঘের অধীনস্থতা মানতে বাধ্য হয়। স্বাধীনতা বিসর্জন দিয়ে পরাশক্তির
পরাধীনতা মেনে নেয়। আর, জাতিসংঘ যদি রাজি থাকে, পরাশক্তির শাসন নিজ দেশের
সেনাবাহিনী দিয়েও কায়েম হতে পারে। আশা করি রাজনৈতিক দলগুলো আমাদের সে
জায়গায় নেবে না। কিন্তু ভরসা রাখতে পারছি না। বাংলাদেশের জনগণ যদি দ্রুত
সচেতন না হয়ে ওঠে, তাহলে বিপদ খুব দ্রুতবেগেই ধেয়ে আসবে।
বিপদই বটে। কোনো মীমাংসার আলো ছাড়া নির্বাচন কমিশনও সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছে। সংসদ আগে ভেঙে গেলে ভেঙে যাওয়ার দিন থেকে পরের ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার কথা। কিন্তু নির্বাচন কমিশন জানে, শেখ হাসিনা সংসদ ভেঙে দেয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করবেন না, তিনি পূর্ণ মেয়াদেই ক্ষমতায় থাকবেন। শেখ হাসিনা কোনো অবস্থাতেই ছাড় দেবেন না। নির্বাচন কমিশন সেভাবেই অনেক আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে আসছে। তবে সংবাদপত্রের খবর হিসেবে তা চাউর হয়েছে সম্প্রতি। আর, ইতিমধ্যে শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন, সংবিধান অনুযায়ী ২৭ অক্টোবর থেকে ২৪ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হবে। বোঝা যাচ্ছে, শেখ হাসিনার কথা অনুযায়ী যা হওয়ার হয়েছে, তার কথা অনুযায়ী যা হওয়ার নির্বাচনেও তাই হবে। নির্বাচন করতে চাইলে বিরোধী দলকে এখন প্রধানমন্ত্রীর ছক মেনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে, অথবা আন্দোলনে যেতে হবে। কিন্তু বিএনপি আন্দোলনে যাবে না, যদি যেত এতদিনে পরিস্থিতি ভিন্ন হতো। আন্দোলনে যাবে না বলে বিএনপি জাতিসংঘে গেছে। প্রথম আলো তিন কলামে সেপ্টেম্বরের ৪ তারিখে ঠিকই লিখেছে, ‘বিএনপির দৃষ্টি এখন জাতিসংঘের দিকে’। তারা বলছে, ‘সর্বোচ্চ ছাড় দিয়ে হলেও সরকারের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিতে চায়।’ এটা বিশ্বাস না করার কোনো কারণ নেই। আওয়ামী লীগ কোনো ছাড় না দিলেও বিএনপির মধ্যে একটি বড় অংশ বসে আছে যারা খালেদা জিয়াকে ত্যাগ করে হলেও নির্বাচনে যেতে চাইবে। তখন ঢাকার কূটনৈতিক মহল ও জাতিসংঘ বলবে, আমরা ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করব। করবেনও, যাতে শেখ হাসিনা জিতে আসেন এবং বিরোধী দল এখনকার চেয়ে কিছু বেশি আসন সংসদে পেলেও পেতে পারে। এ রকম একটি সম্ভাবনা মাথায় রেখে খালেদা জিয়া কী সিদ্ধান্ত নেবেন সেটা এ মুহূর্তে বোঝা মুশকিল। তবে এক-এগারোর সেনা সমর্থিত সরকারের অধীন নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তার ভুলে যাওয়ার কথা নয়। তিনি এখন জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ক্ষমতায় আসার যে চেষ্টা করছেন, সেটা তার জন্য বুমেরাং হতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের জন্যও।
কিন্তু বিএনপি একটি নির্বাচনী দল। শেখ হাসিনা কোনো আপস না করলে নির্বাচনে যাওয়া বিরোধী দলের জন্য অমর্যাদাকর। অন্যদিকে আন্দোলন করে শেখ হাসিনার কাছ থেকে দাবি আদায় করার শক্তি বিএনপির নেই। সেটা চাইলে ইসলামপন্থীদের সঙ্গে আঁতাত আরও আদর্শগত জায়গায় নিয়ে যেতে হবে। কিভাবে সেটা বিএনপির রাজনীতি বিসর্জন না দিয়ে করা সম্ভব, বিএনপি তা জানে না। ফলে বিএনপি ইসলামপন্থীদের কাছ থেকে দূরে থাকাই উত্তম বলে গণ্য করছে। এতে হেফাজতের উত্থানে ভীত ঢাকার কূটনৈতিক মহলকে বিএনপি কিছুটা আশ্বস্ত করতে পারবে। বিএনপি ধরে নিয়েছে ইসলামপন্থীরা তাদেরই ভোট দেবে। সেটা অসম্ভব নয়। যে কারণে বিএনপি ভাবছে, যে কোনোভাবে চূড়ান্ত ছাড় দিয়ে হলেও একটা সমঝোতা হোক। যেন বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে।
শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখেই বিএনপি নির্বাচনে যেতে পারে
কোনো সংঘাত ও সংঘর্ষ ছাড়া বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থা অটুট রেখে নির্বাচন হোক- এটা সুশীলদেরও রাজনীতি। কূটনৈতিক তৎপরতা ও জাতিসংঘের উদ্যোগের সঙ্গে বাংলাদেশে সুশীল সমাজ নামে যারা পরিচিত, তারা যুক্ত থাকবে এটা আন্দাজ করা যায়। কূটনৈতিক মহলের সঙ্গে গলা মিলিয়ে তারাও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চান, যেন কোন হৈ-হাঙ্গামা না হয় বিশেষত জামায়াতি, হেফাজতি, ইসলামপন্থী কিংবা কোনো ‘অশুভ’ শক্তি তাদের সাজানো বাগান যেন নাস্তানাবুদ করে না দেয়।
সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে মীমাংসার নানান ছক ও ফর্মুলা পেশ করা হচ্ছে। প্রতিভাবান প্রত্যেকেই নিজ নিজ প্রতিভা প্রমাণের প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। মন্দ না। শেখ হাসিনা বলে দিয়েছেন, তিনি একচুলও নড়ছেন না। এ পরিস্থিতিতে সুশীল সমাজের কাজ হচ্ছে বিএনপিকে যেভাবেই হোক শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের ছকের মধ্যে ধরে রাখা। নির্বাচন না হলে সংঘাত ও রক্তপাতের আশংকা অমূলক নয়, শাহদীন মালিক তার কলাম ‘ইদানীং রাজনীতি’তে তার উৎকণ্ঠা ব্যক্ত করেছেন সিরিয়ার বর্তমান গৃহযুদ্ধের অবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্ভাব্য পরিণতির কথা ভেবে। বলেছেন, ‘রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে ঢাকা থেকে দামেস্কের দূরত্ব হয়তো অনেক বেশি। আমার কাছে অনেক কম। আর সময় তার থেকেও কম।’ তিনি শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী রেখে নতুন নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রস্তাবও দিয়েছেন। সংবিধান অনুযায়ী প্রতি নয়জন নির্বাচিত মন্ত্রীর জন্য একজন অনির্বাচিত ব্যক্তি মন্ত্রী হতে পারেন। এই বিধানটির সুবিধা শাহদীন মালিক নিতে চান। সেটা হবে এ রকম যে, আঠারো জনের নির্বাচিত মন্ত্রিসভার সঙ্গে দু’জন অনির্বাচিত মন্ত্রী থাকবেন। তাদের হাতে থাকবে স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। নির্বাহী ক্ষমতার দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়। আর সেই দু’জন হবেন বিএনপিরও আস্থাভাজন। এই দুই মন্ত্রীকে দলীয় মন্ত্রিসভার নাগালের বাইরে রাখা হবে আর সংসদ ভেঙে দেয়া হবে। তাহলে ‘জোড়াতালির অথচ মোটামুটি গ্রহণযোগ্য’ একটা ব্যবস্থা দাঁড় করানো যায়, সে প্রস্তাব তিনি পেশ করেছেন। (দেখুন ‘নির্বাচন নিয়ে জটিলতা কি বাড়ল?’ ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩)। তাই বলছিলাম, নানান ফর্মুলা পেশের চেষ্টা এখনও চলছে। বাকি আল্লাহ ভরসা।
প্রবীণ সাংবাদিক দুই নেত্রীর ‘চুলোচুলি’তে খুবই শরমিন্দা হয়েছেন। আসলেই। কিন্তু তার ভয়, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করে ফেলতে পারেন। এমনকি পঞ্চদশ সংশোধনীর বিধান অনুযায়ী পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতা গ্রহণ না করা পর্যন্ত ক্ষমতায় থেকেও যেতে পারেন। ‘বেগতিক’ দেখলে শেখ হাসিনা সংবিধানে নতুন সংযোজিত এ ধারার ‘কৌশলী’ ব্যবহার করতে পারেন। এবিএম মূসা এতে সঙ্গত কারণেই উদ্বিগ্ন। আর এটা যে সম্ভব, আইনবিদ শাহদীন মালিক তার লেখায় ধরিয়েও দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সংবিধানে জাতীয় সংসদের মেয়াদের কথা আছে, কিন্তু সরকারের মেয়াদ নিয়ে কোথাও কিছু বলা নেই। অর্থাৎ সংসদ ভেঙে দিলেও শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকতে পারবেন। সেটা তিনি আসলেই পারবেন কি-না সেটা রাজনৈতিক প্রশ্ন, সাংবিধানিক নয়। অর্থাৎ তার ক্ষমতায় থাকাটা অসাংবিধানিক হবে না। তবে সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে প্রবীণ ও অভিজ্ঞ সাংবাদিক এবিএম মূসার সরল প্রস্তাব হচ্ছে, শেখ হাসিনা যদি পঞ্চদশ সংশোধনী আনতে পারেন, তাহলে ‘ষোড়শ’ সংশোধনী আনতে পারবেন না কেন? নিশ্চয়ই পারবেন, কিন্তু তিনি তো একচুলও নড়বেন না। মুশকিল তো আসলেই এখানে। (দেখুন ‘পঞ্চদশ হলে ষোড়শ নয় কেন?’ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৩)।
বাংলাদেশের বর্তমান সংকট সুশীল সমাজ কিভাবে দেখে, সেটা বোঝার জন্য সাংবাদিক মিজানুর রহমান খানের ‘বিএনপির বিকল্প ও মির্জার সঙ্গে এক ঘণ্টা’ লেখাটি খুবই কাজের হতে পারে। লেখাটি পড়ে আমি খুবই আনন্দবোধ করেছি। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটের কারণ সম্পর্কে মিজানের বিশ্লেষণ হচ্ছে ‘পারস্পরিক শ্রদ্ধা’র সমস্যা। শেখ হাসিনা খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা করেন না, খালেদা জিয়াও মুজিব কন্যাকে ইজ্জত করেন না। অতএব আমরা এখন যে সংকট দেখছি সেই সংকট সৃষ্টি হতোই। ‘আমরা দীর্ঘদিন থেকে বলে আসছি যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বিলুপ্ত না করলেও চলমান রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হতো,’ পঞ্চদশ সংশোধনী শুধু বাড়তি ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর কারণ প্রধান দুই দল এখনও পর্যন্ত পারস্পরিক ন্যূনতম শ্রদ্ধা দেখানোর জায়গা থেকে দূরে সরে আছে। তারা পরস্পরকে ইজ্জত করলেই এখনকার রাজনৈতিক সংকটের সমাধান হয়ে যায়। জনাব খান মনে করিয়ে দিয়েছেন, প্রথম আলো একথা ‘দীর্ঘদিন ধরে’ বলে আসছে। এবিএম মূসা ও শাহদীন মালিকের বক্তব্য তাদের ব্যক্তিগত। কিন্তু মিজানুর রহমান খান প্রথম আলোর নিজস্ব সাংবাদিক। তিনি তাদের নীতির জায়গা থেকেই লিখে থাকেন। তার বক্তব্যকে এ কারণেই আমি গুরুত্ব দিচ্ছি। গুরুত্ব দেয়া উচিতও বটে।
জনাব খানের প্রায় লেখাতেই বিএনপির বিরুদ্ধে নিন্দা ও বিষোদগার থাকে। এক্ষেত্রে প্রথম আলোর প্রধান অভিযোগ হচ্ছে বিএনপির সঙ্গে জামায়াত ও ইসলামপন্থীদের সম্পর্ক। বিএনপি সাম্প্রদায়িক, মৌলবাদী ও ইসলামী জঙ্গিবাদের প্রশ্রয়দাতা ইত্যাদি। প্রথম আলোর নীতি-নির্ধারণী জায়গা গোঁড়া আওয়ামী লীগ ও দিল্লির আঞ্চলিক রাজনীতির সমর্থকদের দখলে। এই প্রথম খেয়াল করলাম বিএনপিকে আওয়ামী লীগের নেতানেত্রীদের ‘জঙ্গিবাদের কারখানা’, ‘দুর্নীতি, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ’ লালন করা পার্টি ইত্যাদি গালির জন্য আপত্তি করা হচ্ছে। হঠাৎ প্রথম আলোর হুঁশ হয়েছে সরকারি দলের এই গালাগালি হচ্ছে, ‘একটি অকার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার আÍঘাতী প্রবণতা।’ অথচ এ মহৎ কাজটি প্রথম আলো দীর্ঘদিন ধরেই নিয়মিত করে আসছে। লেখাটির গুরুত্ব এদিক থেকেও। বিএনপির প্রতি অতিরিক্ত দরদটা সহজেই চোখে পড়ার মতো। ‘কথাটা পরিষ্কার করা উচিত যে, যখন যখন দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নাগরিকের সমর্থিত বিরোধী দলকে পাইকারিভাবে অভিযুক্ত করা হবে, তখন জাতি হিসেবে আমরা খাটো হব।’ এ সুবুদ্ধির উদয়ে আমোদিত হওয়া উচিত। এরপরই অবশ্য বলা হয়েছে, পাইকারিভাবে অভিযুক্ত করার অপরাধ বিএনপিও করেছে। কিভাবে? ভারতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্কের কুৎসা রটিয়েছে বিএনপি। ভারতের প্রতি আওয়ামী লীগের নীতির সমালোচনা করা যাবে না। সেটা কিন্তু ‘কুৎসা’।
কিন্তু বিএনপির প্রতি সুশীল রাজনীতির মূল প্রস্তাব অন্যত্র। সেটা পরিষ্কারভাবেই বলা হয়েছে, ‘বিএনপির উচিত শেখ হাসিনার অধীনেও নির্বাচনে যাওয়ার বিকল্প খুলে রাখা।’ বিএনপি বা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কী করবেন সেটা আমরা জানি না, কিন্তু বিএনপি সুশীল সমাজের হাত ধরার দরকারে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যেতে পারে। সে সম্ভাবনা পুরো মাত্রাই বর্তমান। মির্জা জনাব খানকে এই ধারণাই দিয়েছেন যে, বিদ্যমান ‘সংবিধানের মধ্যে নির্দলীয় সরকার পেলেও তাদের চলে’। এ ইঙ্গিতও দেয়া হয়েছে যে, গওহর রিজভী ও শমসের মবিন খানের গোপন মিটিং আবার সচল করলে বাংলাদেশের বর্তমান সংকটের সমাধান হয়ে যাবে। বেশ।
বর্তমান নির্বাচনী সংকটের পরিস্থিতিতে সুশীল সমাজ ও নির্বাচনী রাজনীতির সম্ভাব্য পরিণতি কী হতে পারে, সে সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারণা আমরা পেলাম। শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যেতে পারে বিএনপি, এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। এই সুযোগে গণমানুষের রাজনীতি আর সুশীল রাজনীতির মধ্যে মোটা দাগের পার্থক্য সম্পর্কে দু’-একটি কথা বলে শেষ করি।
গণমানুষের রাজনীতি বনাম সুশীল রাজনীতি সুশীল বা ভদ্রলোকের সমাজ আর তাদের রাজনীতি শ্রেণী ও মতাদর্শের দিক থেকে পর্যালোচনা করা দরকার। এ কাজটি হয়নি। কিছু চেনা গণমাধ্যম, বেসরকারি সংস্থা ও ব্যক্তির সমালোচনার সস্তা রাজনীতি আমরা পরিহার করতে চাই। কারণ বিদ্যমান আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার পর্যালোচনা ছাড়া ব্যক্তি নিন্দা ও বিমূর্তভাবে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে কোনো রণনৈতিক ও রণকৌশলগত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে পারে না। আপাতত বলে রাখা যায়, ইংরেজিতে যাকে নিউ লিবারেলিজম বলা হয়, তারই বাংলাদেশীয় সংস্করণ হিসেবে আমরা সুশীলতাকে ব্যাখ্যা করতে পারি। লিবারেলরা গণতন্ত্রের কথা বলে, ব্যক্তির অধিকার, মানবতা ইত্যাদি মধুর সব কথাই তারা বলে, কিন্তু গণতন্ত্র বা গণমানুষের রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম করতে হলে বিদ্যমান গণবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে পাল্টা গণশক্তির বা জনগণের বলপ্রয়োগের প্রয়োজন হতে পারে, সেটা তারা স্বীকার করে না। অর্থাৎ গণবিরোধী রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য গণতান্ত্রিক বিপ্লবের বিকল্প নেই এটা তারা মানে না; তারা দাবি করে, তাদের বেঁধে দেয়া নিয়ম মেনে, জনগণের অধিকার হরণকারী দুশমনদের তৈরি সাংবিধানিক বা আইনি ব্যবস্থার মধ্যে দেন-দরবার করে নাগরিক ও মানবিক অধিকার আদায় করা সম্ভব। সোজা কথায়, বিদ্যমান গণবিরোধী রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম রেখে, ওর খাপের মধ্যে বন্দি থেকেই নাগরিক ও মানবিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা যায়। এর চেয়ে অবাস্তব, অনৈতিহাসিক আর মিথ্যাচার আর কী হতে পারে। সুশীল রাজনীতির সঙ্গে গণমানুষের এক নম্বর বিরোধ এখানে।
দ্বিতীয় স্তরের বিরোধ আদর্শিক বা দার্শনিক। এ স্তরের বিরোধ সবচেয়ে প্রকট ধর্মের প্রশ্নে। সুশীল সমাজের রাজনীতির মূল কথা হচ্ছে, ধর্ম ব্যক্তিগত ব্যাপার। ধর্ম সম্পর্কে সুশীল সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পাশ্চাত্য ইতিহাস ও চিন্তার দ্বারা অন্ধ। ফলে অধিকাংশ সময় তাদের ধর্মের বিরোধিতা ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ বা ঘৃণায় পর্যবসিত হয়। ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের সঙ্গে ধর্মের যে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক বা দার্শনিক মোকাবেলার প্রয়োজন রয়েছে, সুশীল রাজনীতি তা মনে করে না। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধের এ কালে এই মোকাবেলা কঠিন হয়ে পড়েছে। সুশীল রাজনীতি পরাশক্তির সূত্র মেনে মনে করে, ইসলামপন্থীদের নির্দয়ভাবে দমন করাই বাংলাদেশকে ‘সুশীল’ সমাজ ও রাষ্ট্রে পরিণত করার একমাত্র পথ। অথচ গণমানুষের রাজনীতির কাছে ধর্ম আপদ হতে পারে না, বরং সম্পদ। সাম্রাজ্যবাদ এবং বিদ্যমান ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থার রূপান্তরের ক্ষেত্রে ধর্ম কী ভূমিকা গ্রহণ করে, তার দ্বারাই ধর্মের রাজনৈতিক ভূমিকার বিচার হতে পারে। ধর্ম মাত্রই পশ্চাৎপদ ও প্রতিক্রিয়াশীল- এই অবস্থানের পক্ষে কোনো শক্ত দার্শনিক যুক্তি নেই। কারণ তা নির্ভর করছে কিভাবে মানুষ ধর্ম বা ধর্মতত্ত্বের ব্যাখা করে তার ওপর।
শুধু ধর্ম নয়, এ স্তরের বিরোধ আরও গভীরে। সুশীল সমাজের ‘গণতন্ত্র’ ব্যক্তিকে মহিমান্বিত করে, ফলে তা অচিরেই ব্যক্তিতান্ত্রিকতা বা ব্যক্তিপূজায় পর্যবসিত হয়। সমাজের মধ্যে কিংবা সমাজের জন্য ব্যক্তি নয়, বরং সমাজের স্বার্থ বলি দিতে হয় ব্যক্তির স্বার্থে। ব্যক্তিই সার্বভৌম ও একমাত্র সত্য হয়ে ওঠে। সুশীল সমাজে ব্যক্তির স্বেচ্ছাচারকে ব্যক্তিস্বাধীনতা হিসেবে প্রশ্রয় দেয়া হয়। ফলে শুধু সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয় তা নয়, ব্যক্তির বিকাশও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। অন্যদিকে আবার সমাজ বা সমষ্টির বিমূর্ত স্বার্থের কথা বলে ব্যক্তির ওপর জোর খাটালে সেই সমাজও টেকে না। ব্যক্তির নিজের বিকাশ ও আত্মোপলব্ধির মধ্য দিয়ে তাকে উপলব্ধি করতে হয় যে মানুষ সমাজের মধ্যেই বাস করে, সমাজের বাইরে নয়। এ উপলব্ধি হলেই ব্যক্তি বুঝতে পারে, সমাজ বা সমষ্টির স্বার্থের মধ্যেই তার নিজের স্বার্থ নিহিত। এই উপলব্ধি ছাড়া ব্যক্তি সামাজিক হয়ে ওঠে না, কিংবা সমাজও ব্যক্তির স্বাধীনতা, অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়। এতে সমাজের সঙ্গে ব্যক্তির ভারসাম্য নষ্ট হয়। গণশক্তি ব্যক্তির অঙ্গীকার, শক্তি ও অনেকের সঙ্গে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই গণশক্তি হয়ে ওঠে। শুরু থেকেই ব্যক্তি ও সমষ্টির সম্পর্ক চর্চার মধ্য দিয়ে গণশক্তির বিকাশ ঘটে, নইলে নয়। ব্যক্তির ইচ্ছা ও অভিপ্রায় গণশক্তির ভিত্তি। কিন্তু এই রাজনৈতিক কর্তাশক্তি জনগণের সামষ্টিক শক্তি দিয়েই পরিগঠিত হয়। এখানেই গণশক্তির রাজনীতির সঙ্গে সুশীল রাজনীতির মৌলিক আদর্শিক বা দার্শনিক ফারাক। বাংলাদেশের জনগণের মুক্তির পথ হচ্ছে গণশক্তির বিকাশের পথ, বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা নয়। তাকে বদলে দেয়া, তার রূপান্তর ঘটিয়ে গণশক্তিকে রাষ্ট্রশক্তিতে রূপান্তরই এখনকার কাজ।
সুশীল সমাজের রাজনীতি আওয়ামী লীগকে মাঝেমধ্যে সমালোচনা করে, কিন্তু মোটা দাগে এ রাজনীতি আওয়ামীপন্থী। তারপরও আওয়ামী লীগ ও তার অধীনে জোটভুক্ত দলগুলোর তারা সমালোচনা করে, যেন সুশীলতার মানদণ্ডের বাইরে তারা চলে না যায়। তারা চায় বিএনপিও ইসলামপন্থীদের ছেড়ে দিক, ‘সুশীল’ হয়ে উঠুক এবং তাদের সমর্থনে একটা প্রতিযোগিতামূলক সুশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলুক। বলা বাহুল্য, সুশীল রাজনীতি আÍপরিচয়ের দিক থেকে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বৃত্তের মধ্যেই বাস করে। যদিও জাতীয়তাবাদী উগ্রতায় ব্যথিত হয়ে তারা পাহাড় ও সমতলের আদিবাসী বা ক্ষুদ্র জাতিসত্তার পক্ষে নির্বিচার ওকালতি করে, কিন্তু তাদের সমস্যার সমাধান করে না। পাহাড়িদের সমস্যা জমি এবং তাদের নাগরিক ও মানবিক অধিকার রক্ষার জন্য রাষ্ট্রের নিঃশর্ত পক্ষাবলম্বন। কিন্তু যে রাষ্ট্র তার কোনো নাগরিকেরই অধিকার রক্ষা করে না, বরং হরণ করে সে রাষ্ট্র কিভাবে ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও তাদের অন্তর্গত বাংলাদেশের নাগরিকদের রক্ষা করবে? বাংলাদেশে গণমানুষের রাজনীতির বিকাশের অর্থ হচ্ছে পাহাড় ও সমতলের আদিবাসীদের বাংলাদেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সঙ্গে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কায়েমের লড়াইয়ে শামিল করে নেয়া। বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থার মধ্যে সমতল বা পাহাড়ের ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সমস্যার কোনো সমাধান নেই।
আর্থ-সামাজিক দিক থেকে সুশীল সমাজ আর গণমানুষের পার্থক্য হচ্ছে প্রকট শ্রেণীভেদ। সুশীল সমাজ মূলত ধনী ও মধ্যবিত্ত শ্রেণী দিয়ে পরিগঠিত। পুঁজিতান্ত্রিক গোলকায়ন ও বিদ্যমান অবাধ বাজারব্যবস্থার তারা সুবিধাভোগী। এর বিপরীতে রয়েছে নিুবিত্ত মানুষ, শ্রমিক, কৃষক ও খেটে খাওয়া জনগণ। যারা এ ব্যবস্থায় শোষিত ও নির্যাতিত। সুশীল সমাজের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও মতাদর্শিকভাবে তারা দুর্বল। সাধারণত সমাজ ও ইতিহাস সচেতন বিপ্লবী রাজনৈতিক কর্মীরা জনগণকে সংগঠিত করে, শত্র“-মিত্র চেনায় এবং বর্তমানের রাজনৈতিক কর্তব্য বুঝিয়ে দেয়। সমাজ একটা বুদ্ধিবৃত্তিক স্তরে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে বিপ্লবী রাজনৈতিক কর্তাসত্তার আবির্ভাবও অনিশ্চিত হয়ে ওঠে। ফলে গণমানুষের রাজনীতির বিকাশ অসম্ভব হয়ে পড়ে এবং জাতীয় রাজনীতিতে সুশীল ছকে ঘুরপাক খেতে থাকে।
এ পরিস্থিতিতে সুশীল রাজনীতির ছক থেকে বেরিয়ে আসা সহজ কাজ নয়। সুশীল রাজনীতির মোকাবেলা করতে হলে আমাদের গভীরভাবে ভাবতে হবে গণমানুষের রাজনীতির মতাদর্শিক বয়ান কী হবে? যে বয়ানের মধ্যে অবশ্যই ধর্মের ভূমিকা থাকবে। একই সঙ্গে মানবেতিহাসে ইউরোপীয় অর্জনকেও অস্বীকার করার প্রয়োজন পড়বে না। এ সত্য এখন স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের জনগণের কাছে ইসলাম গত কয়েক দশকে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যেভাবে হাজির হয়েছে, তাকে আর উপেক্ষা করার জো নেই।
আগেই বলেছি সুশীল সমাজের রাজনীতির বিরুদ্ধে গণমানুষের রাজনীতির বয়ান দুর্বল। কিন্তু নিপীড়িত, নির্যাতিত মজলুম জনগণ ইসলামের ঝাণ্ডা নিয়ে হাজির হলে তাতে আতংকিত হওয়ার কিছু নেই। ইসলামের যে বয়ান নিয়ে জনগণ সুশীল রাজনীতির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে, তার দুর্বলতার জন্য সমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক অক্ষমতা দায়ী, জনগণ নয়। কিন্তু জনগণ যখন তাদের সংঘবদ্ধ শক্তির কিছু নমুনা দেখায়, সুশীল সমাজ তাতে আতংকিত হয়ে ওঠে।
গণমানুষের রাজনীতি যারা করেন ও করবেন, তাদের কাজ হচ্ছে নির্ভয়ে কান পাতা ও সাধারণ মানুষের কথা সাধারণ মানুষের ভাষায় ও বয়ানে শোনা এবং বোঝার ক্ষমতা অর্জন করা। একে আক্ষরিকভাবে বুঝলে চলবে না। গণমানুষের ঐতিহাসিক ইচ্ছা, আকাক্সক্ষা ও সংকল্প বোঝা এবং ঠিক নিশানা দেখিয়ে দেয়ার ওপর নির্ভর করছে আমরা আগামী দিনে কোন দিকে যাব।
আমি সব সময়ই আশাবাদী। কারণ আমি সাধারণ মানুষের শক্তি ও ক্ষমতার ওপর নির্ভর করি। বিশেষত যখন জানি, সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের ক্ষমতা সাধারণ মানুষের অসাধারণ। রাষ্ট্রব্যবস্থার রূপান্তর আর যাই হোক ডিনার পার্টি হবে না, এটা নিশ্চিত।
গণশক্তির জয় হোক।
বিপদই বটে। কোনো মীমাংসার আলো ছাড়া নির্বাচন কমিশনও সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছে। সংসদ আগে ভেঙে গেলে ভেঙে যাওয়ার দিন থেকে পরের ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার কথা। কিন্তু নির্বাচন কমিশন জানে, শেখ হাসিনা সংসদ ভেঙে দেয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করবেন না, তিনি পূর্ণ মেয়াদেই ক্ষমতায় থাকবেন। শেখ হাসিনা কোনো অবস্থাতেই ছাড় দেবেন না। নির্বাচন কমিশন সেভাবেই অনেক আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে আসছে। তবে সংবাদপত্রের খবর হিসেবে তা চাউর হয়েছে সম্প্রতি। আর, ইতিমধ্যে শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন, সংবিধান অনুযায়ী ২৭ অক্টোবর থেকে ২৪ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হবে। বোঝা যাচ্ছে, শেখ হাসিনার কথা অনুযায়ী যা হওয়ার হয়েছে, তার কথা অনুযায়ী যা হওয়ার নির্বাচনেও তাই হবে। নির্বাচন করতে চাইলে বিরোধী দলকে এখন প্রধানমন্ত্রীর ছক মেনে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে, অথবা আন্দোলনে যেতে হবে। কিন্তু বিএনপি আন্দোলনে যাবে না, যদি যেত এতদিনে পরিস্থিতি ভিন্ন হতো। আন্দোলনে যাবে না বলে বিএনপি জাতিসংঘে গেছে। প্রথম আলো তিন কলামে সেপ্টেম্বরের ৪ তারিখে ঠিকই লিখেছে, ‘বিএনপির দৃষ্টি এখন জাতিসংঘের দিকে’। তারা বলছে, ‘সর্বোচ্চ ছাড় দিয়ে হলেও সরকারের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ নিতে চায়।’ এটা বিশ্বাস না করার কোনো কারণ নেই। আওয়ামী লীগ কোনো ছাড় না দিলেও বিএনপির মধ্যে একটি বড় অংশ বসে আছে যারা খালেদা জিয়াকে ত্যাগ করে হলেও নির্বাচনে যেতে চাইবে। তখন ঢাকার কূটনৈতিক মহল ও জাতিসংঘ বলবে, আমরা ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করব। করবেনও, যাতে শেখ হাসিনা জিতে আসেন এবং বিরোধী দল এখনকার চেয়ে কিছু বেশি আসন সংসদে পেলেও পেতে পারে। এ রকম একটি সম্ভাবনা মাথায় রেখে খালেদা জিয়া কী সিদ্ধান্ত নেবেন সেটা এ মুহূর্তে বোঝা মুশকিল। তবে এক-এগারোর সেনা সমর্থিত সরকারের অধীন নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তার ভুলে যাওয়ার কথা নয়। তিনি এখন জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ক্ষমতায় আসার যে চেষ্টা করছেন, সেটা তার জন্য বুমেরাং হতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের জন্যও।
কিন্তু বিএনপি একটি নির্বাচনী দল। শেখ হাসিনা কোনো আপস না করলে নির্বাচনে যাওয়া বিরোধী দলের জন্য অমর্যাদাকর। অন্যদিকে আন্দোলন করে শেখ হাসিনার কাছ থেকে দাবি আদায় করার শক্তি বিএনপির নেই। সেটা চাইলে ইসলামপন্থীদের সঙ্গে আঁতাত আরও আদর্শগত জায়গায় নিয়ে যেতে হবে। কিভাবে সেটা বিএনপির রাজনীতি বিসর্জন না দিয়ে করা সম্ভব, বিএনপি তা জানে না। ফলে বিএনপি ইসলামপন্থীদের কাছ থেকে দূরে থাকাই উত্তম বলে গণ্য করছে। এতে হেফাজতের উত্থানে ভীত ঢাকার কূটনৈতিক মহলকে বিএনপি কিছুটা আশ্বস্ত করতে পারবে। বিএনপি ধরে নিয়েছে ইসলামপন্থীরা তাদেরই ভোট দেবে। সেটা অসম্ভব নয়। যে কারণে বিএনপি ভাবছে, যে কোনোভাবে চূড়ান্ত ছাড় দিয়ে হলেও একটা সমঝোতা হোক। যেন বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারে।
শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রেখেই বিএনপি নির্বাচনে যেতে পারে
কোনো সংঘাত ও সংঘর্ষ ছাড়া বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থা অটুট রেখে নির্বাচন হোক- এটা সুশীলদেরও রাজনীতি। কূটনৈতিক তৎপরতা ও জাতিসংঘের উদ্যোগের সঙ্গে বাংলাদেশে সুশীল সমাজ নামে যারা পরিচিত, তারা যুক্ত থাকবে এটা আন্দাজ করা যায়। কূটনৈতিক মহলের সঙ্গে গলা মিলিয়ে তারাও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চান, যেন কোন হৈ-হাঙ্গামা না হয় বিশেষত জামায়াতি, হেফাজতি, ইসলামপন্থী কিংবা কোনো ‘অশুভ’ শক্তি তাদের সাজানো বাগান যেন নাস্তানাবুদ করে না দেয়।
সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে মীমাংসার নানান ছক ও ফর্মুলা পেশ করা হচ্ছে। প্রতিভাবান প্রত্যেকেই নিজ নিজ প্রতিভা প্রমাণের প্রতিযোগিতায় নেমেছেন। মন্দ না। শেখ হাসিনা বলে দিয়েছেন, তিনি একচুলও নড়ছেন না। এ পরিস্থিতিতে সুশীল সমাজের কাজ হচ্ছে বিএনপিকে যেভাবেই হোক শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের ছকের মধ্যে ধরে রাখা। নির্বাচন না হলে সংঘাত ও রক্তপাতের আশংকা অমূলক নয়, শাহদীন মালিক তার কলাম ‘ইদানীং রাজনীতি’তে তার উৎকণ্ঠা ব্যক্ত করেছেন সিরিয়ার বর্তমান গৃহযুদ্ধের অবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্ভাব্য পরিণতির কথা ভেবে। বলেছেন, ‘রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাছে ঢাকা থেকে দামেস্কের দূরত্ব হয়তো অনেক বেশি। আমার কাছে অনেক কম। আর সময় তার থেকেও কম।’ তিনি শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী রেখে নতুন নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রস্তাবও দিয়েছেন। সংবিধান অনুযায়ী প্রতি নয়জন নির্বাচিত মন্ত্রীর জন্য একজন অনির্বাচিত ব্যক্তি মন্ত্রী হতে পারেন। এই বিধানটির সুবিধা শাহদীন মালিক নিতে চান। সেটা হবে এ রকম যে, আঠারো জনের নির্বাচিত মন্ত্রিসভার সঙ্গে দু’জন অনির্বাচিত মন্ত্রী থাকবেন। তাদের হাতে থাকবে স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। নির্বাহী ক্ষমতার দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়। আর সেই দু’জন হবেন বিএনপিরও আস্থাভাজন। এই দুই মন্ত্রীকে দলীয় মন্ত্রিসভার নাগালের বাইরে রাখা হবে আর সংসদ ভেঙে দেয়া হবে। তাহলে ‘জোড়াতালির অথচ মোটামুটি গ্রহণযোগ্য’ একটা ব্যবস্থা দাঁড় করানো যায়, সে প্রস্তাব তিনি পেশ করেছেন। (দেখুন ‘নির্বাচন নিয়ে জটিলতা কি বাড়ল?’ ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩)। তাই বলছিলাম, নানান ফর্মুলা পেশের চেষ্টা এখনও চলছে। বাকি আল্লাহ ভরসা।
প্রবীণ সাংবাদিক দুই নেত্রীর ‘চুলোচুলি’তে খুবই শরমিন্দা হয়েছেন। আসলেই। কিন্তু তার ভয়, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থেকে নির্বাচন করে ফেলতে পারেন। এমনকি পঞ্চদশ সংশোধনীর বিধান অনুযায়ী পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতা গ্রহণ না করা পর্যন্ত ক্ষমতায় থেকেও যেতে পারেন। ‘বেগতিক’ দেখলে শেখ হাসিনা সংবিধানে নতুন সংযোজিত এ ধারার ‘কৌশলী’ ব্যবহার করতে পারেন। এবিএম মূসা এতে সঙ্গত কারণেই উদ্বিগ্ন। আর এটা যে সম্ভব, আইনবিদ শাহদীন মালিক তার লেখায় ধরিয়েও দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সংবিধানে জাতীয় সংসদের মেয়াদের কথা আছে, কিন্তু সরকারের মেয়াদ নিয়ে কোথাও কিছু বলা নেই। অর্থাৎ সংসদ ভেঙে দিলেও শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকতে পারবেন। সেটা তিনি আসলেই পারবেন কি-না সেটা রাজনৈতিক প্রশ্ন, সাংবিধানিক নয়। অর্থাৎ তার ক্ষমতায় থাকাটা অসাংবিধানিক হবে না। তবে সংকট সমাধানের ক্ষেত্রে প্রবীণ ও অভিজ্ঞ সাংবাদিক এবিএম মূসার সরল প্রস্তাব হচ্ছে, শেখ হাসিনা যদি পঞ্চদশ সংশোধনী আনতে পারেন, তাহলে ‘ষোড়শ’ সংশোধনী আনতে পারবেন না কেন? নিশ্চয়ই পারবেন, কিন্তু তিনি তো একচুলও নড়বেন না। মুশকিল তো আসলেই এখানে। (দেখুন ‘পঞ্চদশ হলে ষোড়শ নয় কেন?’ ১ সেপ্টেম্বর ২০১৩)।
বাংলাদেশের বর্তমান সংকট সুশীল সমাজ কিভাবে দেখে, সেটা বোঝার জন্য সাংবাদিক মিজানুর রহমান খানের ‘বিএনপির বিকল্প ও মির্জার সঙ্গে এক ঘণ্টা’ লেখাটি খুবই কাজের হতে পারে। লেখাটি পড়ে আমি খুবই আনন্দবোধ করেছি। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকটের কারণ সম্পর্কে মিজানের বিশ্লেষণ হচ্ছে ‘পারস্পরিক শ্রদ্ধা’র সমস্যা। শেখ হাসিনা খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা করেন না, খালেদা জিয়াও মুজিব কন্যাকে ইজ্জত করেন না। অতএব আমরা এখন যে সংকট দেখছি সেই সংকট সৃষ্টি হতোই। ‘আমরা দীর্ঘদিন থেকে বলে আসছি যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বিলুপ্ত না করলেও চলমান রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হতো,’ পঞ্চদশ সংশোধনী শুধু বাড়তি ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর কারণ প্রধান দুই দল এখনও পর্যন্ত পারস্পরিক ন্যূনতম শ্রদ্ধা দেখানোর জায়গা থেকে দূরে সরে আছে। তারা পরস্পরকে ইজ্জত করলেই এখনকার রাজনৈতিক সংকটের সমাধান হয়ে যায়। জনাব খান মনে করিয়ে দিয়েছেন, প্রথম আলো একথা ‘দীর্ঘদিন ধরে’ বলে আসছে। এবিএম মূসা ও শাহদীন মালিকের বক্তব্য তাদের ব্যক্তিগত। কিন্তু মিজানুর রহমান খান প্রথম আলোর নিজস্ব সাংবাদিক। তিনি তাদের নীতির জায়গা থেকেই লিখে থাকেন। তার বক্তব্যকে এ কারণেই আমি গুরুত্ব দিচ্ছি। গুরুত্ব দেয়া উচিতও বটে।
জনাব খানের প্রায় লেখাতেই বিএনপির বিরুদ্ধে নিন্দা ও বিষোদগার থাকে। এক্ষেত্রে প্রথম আলোর প্রধান অভিযোগ হচ্ছে বিএনপির সঙ্গে জামায়াত ও ইসলামপন্থীদের সম্পর্ক। বিএনপি সাম্প্রদায়িক, মৌলবাদী ও ইসলামী জঙ্গিবাদের প্রশ্রয়দাতা ইত্যাদি। প্রথম আলোর নীতি-নির্ধারণী জায়গা গোঁড়া আওয়ামী লীগ ও দিল্লির আঞ্চলিক রাজনীতির সমর্থকদের দখলে। এই প্রথম খেয়াল করলাম বিএনপিকে আওয়ামী লীগের নেতানেত্রীদের ‘জঙ্গিবাদের কারখানা’, ‘দুর্নীতি, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ’ লালন করা পার্টি ইত্যাদি গালির জন্য আপত্তি করা হচ্ছে। হঠাৎ প্রথম আলোর হুঁশ হয়েছে সরকারি দলের এই গালাগালি হচ্ছে, ‘একটি অকার্যকর রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে পরিচয় করিয়ে দেয়ার আÍঘাতী প্রবণতা।’ অথচ এ মহৎ কাজটি প্রথম আলো দীর্ঘদিন ধরেই নিয়মিত করে আসছে। লেখাটির গুরুত্ব এদিক থেকেও। বিএনপির প্রতি অতিরিক্ত দরদটা সহজেই চোখে পড়ার মতো। ‘কথাটা পরিষ্কার করা উচিত যে, যখন যখন দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নাগরিকের সমর্থিত বিরোধী দলকে পাইকারিভাবে অভিযুক্ত করা হবে, তখন জাতি হিসেবে আমরা খাটো হব।’ এ সুবুদ্ধির উদয়ে আমোদিত হওয়া উচিত। এরপরই অবশ্য বলা হয়েছে, পাইকারিভাবে অভিযুক্ত করার অপরাধ বিএনপিও করেছে। কিভাবে? ভারতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্কের কুৎসা রটিয়েছে বিএনপি। ভারতের প্রতি আওয়ামী লীগের নীতির সমালোচনা করা যাবে না। সেটা কিন্তু ‘কুৎসা’।
কিন্তু বিএনপির প্রতি সুশীল রাজনীতির মূল প্রস্তাব অন্যত্র। সেটা পরিষ্কারভাবেই বলা হয়েছে, ‘বিএনপির উচিত শেখ হাসিনার অধীনেও নির্বাচনে যাওয়ার বিকল্প খুলে রাখা।’ বিএনপি বা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর কী করবেন সেটা আমরা জানি না, কিন্তু বিএনপি সুশীল সমাজের হাত ধরার দরকারে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যেতে পারে। সে সম্ভাবনা পুরো মাত্রাই বর্তমান। মির্জা জনাব খানকে এই ধারণাই দিয়েছেন যে, বিদ্যমান ‘সংবিধানের মধ্যে নির্দলীয় সরকার পেলেও তাদের চলে’। এ ইঙ্গিতও দেয়া হয়েছে যে, গওহর রিজভী ও শমসের মবিন খানের গোপন মিটিং আবার সচল করলে বাংলাদেশের বর্তমান সংকটের সমাধান হয়ে যাবে। বেশ।
বর্তমান নির্বাচনী সংকটের পরিস্থিতিতে সুশীল সমাজ ও নির্বাচনী রাজনীতির সম্ভাব্য পরিণতি কী হতে পারে, সে সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারণা আমরা পেলাম। শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যেতে পারে বিএনপি, এতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। এই সুযোগে গণমানুষের রাজনীতি আর সুশীল রাজনীতির মধ্যে মোটা দাগের পার্থক্য সম্পর্কে দু’-একটি কথা বলে শেষ করি।
গণমানুষের রাজনীতি বনাম সুশীল রাজনীতি সুশীল বা ভদ্রলোকের সমাজ আর তাদের রাজনীতি শ্রেণী ও মতাদর্শের দিক থেকে পর্যালোচনা করা দরকার। এ কাজটি হয়নি। কিছু চেনা গণমাধ্যম, বেসরকারি সংস্থা ও ব্যক্তির সমালোচনার সস্তা রাজনীতি আমরা পরিহার করতে চাই। কারণ বিদ্যমান আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার পর্যালোচনা ছাড়া ব্যক্তি নিন্দা ও বিমূর্তভাবে প্রতিষ্ঠান বিরোধিতা গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে কোনো রণনৈতিক ও রণকৌশলগত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে পারে না। আপাতত বলে রাখা যায়, ইংরেজিতে যাকে নিউ লিবারেলিজম বলা হয়, তারই বাংলাদেশীয় সংস্করণ হিসেবে আমরা সুশীলতাকে ব্যাখ্যা করতে পারি। লিবারেলরা গণতন্ত্রের কথা বলে, ব্যক্তির অধিকার, মানবতা ইত্যাদি মধুর সব কথাই তারা বলে, কিন্তু গণতন্ত্র বা গণমানুষের রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম করতে হলে বিদ্যমান গণবিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে পাল্টা গণশক্তির বা জনগণের বলপ্রয়োগের প্রয়োজন হতে পারে, সেটা তারা স্বীকার করে না। অর্থাৎ গণবিরোধী রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের জন্য গণতান্ত্রিক বিপ্লবের বিকল্প নেই এটা তারা মানে না; তারা দাবি করে, তাদের বেঁধে দেয়া নিয়ম মেনে, জনগণের অধিকার হরণকারী দুশমনদের তৈরি সাংবিধানিক বা আইনি ব্যবস্থার মধ্যে দেন-দরবার করে নাগরিক ও মানবিক অধিকার আদায় করা সম্ভব। সোজা কথায়, বিদ্যমান গণবিরোধী রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম রেখে, ওর খাপের মধ্যে বন্দি থেকেই নাগরিক ও মানবিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা যায়। এর চেয়ে অবাস্তব, অনৈতিহাসিক আর মিথ্যাচার আর কী হতে পারে। সুশীল রাজনীতির সঙ্গে গণমানুষের এক নম্বর বিরোধ এখানে।
দ্বিতীয় স্তরের বিরোধ আদর্শিক বা দার্শনিক। এ স্তরের বিরোধ সবচেয়ে প্রকট ধর্মের প্রশ্নে। সুশীল সমাজের রাজনীতির মূল কথা হচ্ছে, ধর্ম ব্যক্তিগত ব্যাপার। ধর্ম সম্পর্কে সুশীল সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি পাশ্চাত্য ইতিহাস ও চিন্তার দ্বারা অন্ধ। ফলে অধিকাংশ সময় তাদের ধর্মের বিরোধিতা ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ বা ঘৃণায় পর্যবসিত হয়। ধৈর্য ও অধ্যবসায়ের সঙ্গে ধর্মের যে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক বা দার্শনিক মোকাবেলার প্রয়োজন রয়েছে, সুশীল রাজনীতি তা মনে করে না। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অনন্ত যুদ্ধের এ কালে এই মোকাবেলা কঠিন হয়ে পড়েছে। সুশীল রাজনীতি পরাশক্তির সূত্র মেনে মনে করে, ইসলামপন্থীদের নির্দয়ভাবে দমন করাই বাংলাদেশকে ‘সুশীল’ সমাজ ও রাষ্ট্রে পরিণত করার একমাত্র পথ। অথচ গণমানুষের রাজনীতির কাছে ধর্ম আপদ হতে পারে না, বরং সম্পদ। সাম্রাজ্যবাদ এবং বিদ্যমান ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থার রূপান্তরের ক্ষেত্রে ধর্ম কী ভূমিকা গ্রহণ করে, তার দ্বারাই ধর্মের রাজনৈতিক ভূমিকার বিচার হতে পারে। ধর্ম মাত্রই পশ্চাৎপদ ও প্রতিক্রিয়াশীল- এই অবস্থানের পক্ষে কোনো শক্ত দার্শনিক যুক্তি নেই। কারণ তা নির্ভর করছে কিভাবে মানুষ ধর্ম বা ধর্মতত্ত্বের ব্যাখা করে তার ওপর।
শুধু ধর্ম নয়, এ স্তরের বিরোধ আরও গভীরে। সুশীল সমাজের ‘গণতন্ত্র’ ব্যক্তিকে মহিমান্বিত করে, ফলে তা অচিরেই ব্যক্তিতান্ত্রিকতা বা ব্যক্তিপূজায় পর্যবসিত হয়। সমাজের মধ্যে কিংবা সমাজের জন্য ব্যক্তি নয়, বরং সমাজের স্বার্থ বলি দিতে হয় ব্যক্তির স্বার্থে। ব্যক্তিই সার্বভৌম ও একমাত্র সত্য হয়ে ওঠে। সুশীল সমাজে ব্যক্তির স্বেচ্ছাচারকে ব্যক্তিস্বাধীনতা হিসেবে প্রশ্রয় দেয়া হয়। ফলে শুধু সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয় তা নয়, ব্যক্তির বিকাশও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। অন্যদিকে আবার সমাজ বা সমষ্টির বিমূর্ত স্বার্থের কথা বলে ব্যক্তির ওপর জোর খাটালে সেই সমাজও টেকে না। ব্যক্তির নিজের বিকাশ ও আত্মোপলব্ধির মধ্য দিয়ে তাকে উপলব্ধি করতে হয় যে মানুষ সমাজের মধ্যেই বাস করে, সমাজের বাইরে নয়। এ উপলব্ধি হলেই ব্যক্তি বুঝতে পারে, সমাজ বা সমষ্টির স্বার্থের মধ্যেই তার নিজের স্বার্থ নিহিত। এই উপলব্ধি ছাড়া ব্যক্তি সামাজিক হয়ে ওঠে না, কিংবা সমাজও ব্যক্তির স্বাধীনতা, অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়। এতে সমাজের সঙ্গে ব্যক্তির ভারসাম্য নষ্ট হয়। গণশক্তি ব্যক্তির অঙ্গীকার, শক্তি ও অনেকের সঙ্গে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়েই গণশক্তি হয়ে ওঠে। শুরু থেকেই ব্যক্তি ও সমষ্টির সম্পর্ক চর্চার মধ্য দিয়ে গণশক্তির বিকাশ ঘটে, নইলে নয়। ব্যক্তির ইচ্ছা ও অভিপ্রায় গণশক্তির ভিত্তি। কিন্তু এই রাজনৈতিক কর্তাশক্তি জনগণের সামষ্টিক শক্তি দিয়েই পরিগঠিত হয়। এখানেই গণশক্তির রাজনীতির সঙ্গে সুশীল রাজনীতির মৌলিক আদর্শিক বা দার্শনিক ফারাক। বাংলাদেশের জনগণের মুক্তির পথ হচ্ছে গণশক্তির বিকাশের পথ, বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা নয়। তাকে বদলে দেয়া, তার রূপান্তর ঘটিয়ে গণশক্তিকে রাষ্ট্রশক্তিতে রূপান্তরই এখনকার কাজ।
সুশীল সমাজের রাজনীতি আওয়ামী লীগকে মাঝেমধ্যে সমালোচনা করে, কিন্তু মোটা দাগে এ রাজনীতি আওয়ামীপন্থী। তারপরও আওয়ামী লীগ ও তার অধীনে জোটভুক্ত দলগুলোর তারা সমালোচনা করে, যেন সুশীলতার মানদণ্ডের বাইরে তারা চলে না যায়। তারা চায় বিএনপিও ইসলামপন্থীদের ছেড়ে দিক, ‘সুশীল’ হয়ে উঠুক এবং তাদের সমর্থনে একটা প্রতিযোগিতামূলক সুশীল রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলুক। বলা বাহুল্য, সুশীল রাজনীতি আÍপরিচয়ের দিক থেকে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বৃত্তের মধ্যেই বাস করে। যদিও জাতীয়তাবাদী উগ্রতায় ব্যথিত হয়ে তারা পাহাড় ও সমতলের আদিবাসী বা ক্ষুদ্র জাতিসত্তার পক্ষে নির্বিচার ওকালতি করে, কিন্তু তাদের সমস্যার সমাধান করে না। পাহাড়িদের সমস্যা জমি এবং তাদের নাগরিক ও মানবিক অধিকার রক্ষার জন্য রাষ্ট্রের নিঃশর্ত পক্ষাবলম্বন। কিন্তু যে রাষ্ট্র তার কোনো নাগরিকেরই অধিকার রক্ষা করে না, বরং হরণ করে সে রাষ্ট্র কিভাবে ক্ষুদ্র জাতিসত্তা ও তাদের অন্তর্গত বাংলাদেশের নাগরিকদের রক্ষা করবে? বাংলাদেশে গণমানুষের রাজনীতির বিকাশের অর্থ হচ্ছে পাহাড় ও সমতলের আদিবাসীদের বাংলাদেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সঙ্গে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র কায়েমের লড়াইয়ে শামিল করে নেয়া। বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থার মধ্যে সমতল বা পাহাড়ের ক্ষুদ্র জাতিসত্তার সমস্যার কোনো সমাধান নেই।
আর্থ-সামাজিক দিক থেকে সুশীল সমাজ আর গণমানুষের পার্থক্য হচ্ছে প্রকট শ্রেণীভেদ। সুশীল সমাজ মূলত ধনী ও মধ্যবিত্ত শ্রেণী দিয়ে পরিগঠিত। পুঁজিতান্ত্রিক গোলকায়ন ও বিদ্যমান অবাধ বাজারব্যবস্থার তারা সুবিধাভোগী। এর বিপরীতে রয়েছে নিুবিত্ত মানুষ, শ্রমিক, কৃষক ও খেটে খাওয়া জনগণ। যারা এ ব্যবস্থায় শোষিত ও নির্যাতিত। সুশীল সমাজের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও মতাদর্শিকভাবে তারা দুর্বল। সাধারণত সমাজ ও ইতিহাস সচেতন বিপ্লবী রাজনৈতিক কর্মীরা জনগণকে সংগঠিত করে, শত্র“-মিত্র চেনায় এবং বর্তমানের রাজনৈতিক কর্তব্য বুঝিয়ে দেয়। সমাজ একটা বুদ্ধিবৃত্তিক স্তরে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে বিপ্লবী রাজনৈতিক কর্তাসত্তার আবির্ভাবও অনিশ্চিত হয়ে ওঠে। ফলে গণমানুষের রাজনীতির বিকাশ অসম্ভব হয়ে পড়ে এবং জাতীয় রাজনীতিতে সুশীল ছকে ঘুরপাক খেতে থাকে।
এ পরিস্থিতিতে সুশীল রাজনীতির ছক থেকে বেরিয়ে আসা সহজ কাজ নয়। সুশীল রাজনীতির মোকাবেলা করতে হলে আমাদের গভীরভাবে ভাবতে হবে গণমানুষের রাজনীতির মতাদর্শিক বয়ান কী হবে? যে বয়ানের মধ্যে অবশ্যই ধর্মের ভূমিকা থাকবে। একই সঙ্গে মানবেতিহাসে ইউরোপীয় অর্জনকেও অস্বীকার করার প্রয়োজন পড়বে না। এ সত্য এখন স্পষ্ট যে, বাংলাদেশের জনগণের কাছে ইসলাম গত কয়েক দশকে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যেভাবে হাজির হয়েছে, তাকে আর উপেক্ষা করার জো নেই।
আগেই বলেছি সুশীল সমাজের রাজনীতির বিরুদ্ধে গণমানুষের রাজনীতির বয়ান দুর্বল। কিন্তু নিপীড়িত, নির্যাতিত মজলুম জনগণ ইসলামের ঝাণ্ডা নিয়ে হাজির হলে তাতে আতংকিত হওয়ার কিছু নেই। ইসলামের যে বয়ান নিয়ে জনগণ সুশীল রাজনীতির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে, তার দুর্বলতার জন্য সমাজের বুদ্ধিবৃত্তিক অক্ষমতা দায়ী, জনগণ নয়। কিন্তু জনগণ যখন তাদের সংঘবদ্ধ শক্তির কিছু নমুনা দেখায়, সুশীল সমাজ তাতে আতংকিত হয়ে ওঠে।
গণমানুষের রাজনীতি যারা করেন ও করবেন, তাদের কাজ হচ্ছে নির্ভয়ে কান পাতা ও সাধারণ মানুষের কথা সাধারণ মানুষের ভাষায় ও বয়ানে শোনা এবং বোঝার ক্ষমতা অর্জন করা। একে আক্ষরিকভাবে বুঝলে চলবে না। গণমানুষের ঐতিহাসিক ইচ্ছা, আকাক্সক্ষা ও সংকল্প বোঝা এবং ঠিক নিশানা দেখিয়ে দেয়ার ওপর নির্ভর করছে আমরা আগামী দিনে কোন দিকে যাব।
আমি সব সময়ই আশাবাদী। কারণ আমি সাধারণ মানুষের শক্তি ও ক্ষমতার ওপর নির্ভর করি। বিশেষত যখন জানি, সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের ক্ষমতা সাধারণ মানুষের অসাধারণ। রাষ্ট্রব্যবস্থার রূপান্তর আর যাই হোক ডিনার পার্টি হবে না, এটা নিশ্চিত।
গণশক্তির জয় হোক।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
September
(255)
-
▼
Sep 07
(17)
- তথ্যপ্রযুক্তি দেশে কতটা অবদান রাখছে by লোকমান হাকিম
- রাজনৈতিক দাবা খেলায় আন্তর্জাতিক ক্রীড়াচক্র by মুহা...
- বাংলাদেশের রাজনীতি ও জাতিসংঘ by ফরহাদ মজহার
- ‘বিচারের নামে হেরা তামাশা করলো’
- সাকার রায়ের জন্য বিশেষ আগ্রহ by মেহেদী হাসান পিয়াস
- সুমি কেন আসামি? by মবিনুল ইসলাম
- স্কুল শিক্ষক পান্নার পর এবার সরকারী মহিলা কলেজের এ...
- তারকাদের আলোচিত সেক্স স্ক্যান্ডাল
- সহবাসের পর
- সেক্সের উত্তম স্থান ট্যাক্সি ক্যাব!
- ফের নগ্ন হবে কিম
- যৌন পরীক্ষায় পাশ
- সুসময়ে দীপিকা
- সুবিচারে রাষ্ট্রকেই পদক্ষেপ নিতে হবে
- প্রাণে বাঁচলেন মিসরের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- প্রধানমন্ত্রিত্ব নয় চাই মুখ্যমন্ত্রীত্ব : মোদি
- হাসনাতকে মি. ওয়ান্ডারফুল ডাকতেন ডায়ানা
-
▼
Sep 07
(17)
-
▼
September
(255)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment