Saturday, October 16, 2010
গদ্যালোচনা- 'এল ডোর্যাডো সেরাফিনো!' by মীর ওয়ালীউজ্জামান
গদ্যালোচনা- 'এল ডোর্যাডো সেরাফিনো!' by মীর ওয়ালীউজ্জামান
অদিতির ঘুম ভাঙল সকালে। আড়মোড়া ভেঙে বিছানা ছাড়ল। জানলার কাচের ভেতর দিয়ে বাইরেটা দেখেই শরীর আর মনের শ্রান্তি এক নিমেষে মিলিয়ে গেল। ঘন বৃক্ষশোভিত চারপাশ। উঁচু উঁচু গাছ। আকাশে মেঘের ঘনঘটা। অরণ্যপ্রায় বৃক্ষরাজি গাঢ় সবুজ। কিচেনে ঢুকে দুধ গরম করল। টোস্ট, ডিমের ওমলেট আর পোচ, মাখন, মার্মালেড ট্রেতে সাজিয়ে নিয়ে ঋদ্ধর ঘরের দরজায় নক্ করল।
দরজা খুলে মাকে খাবারের ট্রে হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ঋদ্ধ হাসল। ইউ আর ইমপসিব্ল, মা। বেড়াতে এসেও সাতসকালে আমার খাবার নিয়ে তোমার ব্যস্ততার শেষ নেই! টেইক আ ব্রেইক, মা। উই আর ভেকেইশ্যনিং! হয়েছে, হয়েছে, আমাকে আর ব্রেইক দিতে হবে না। আয়, আগে খেয়েনি’। তারপর বেরোব। তেমন-তেমন হলে বৃষ্টি মাথায় নিয়েই—বলে অদিতি ছেলের হাতে দুধের গ্লাস ধরিয়ে দিল। পোচের হলুদ কুসুমে টোস্টের মুচমুচে কোণ ডুবিয়ে তুলে নিজেও কামড় বসাল। ক্যালগারি থেকে এই ভ্যাঙ্কুভার ওরা মা-ছেলেতে পালা করে গাড়ি চালিয়ে এসেছে। চাট্টিখানি পথ নয়। পোঁটলাপুঁটলি গুছিয়ে নিয়ে দু’দিনে ১২০০ কিলোমিটার পেরিয়ে এসে ফেরিতে ওঠা। ফেরিবোটের ব্যবস্থা অবশ্য খুবই ভাল ছিল। ভ্যাঙ্কুভার থেকে একেবারে ঘড়ির কাঁটায় কাঁটায় চলে স্ট্রেইট অব জর্জিয়া পার হয়ে এই সেরাফিনো পর্যন্ত আসে। আবার ফেরত যায়। ছয়তলা উঁচু একটা পুরোপুরি জাহাজের মতন ফেরি। একেবারে নিচের তলায় প্রায় শ’চারেক গাড়ি রাখার জায়গা। সবার ওপরে খোলা ডেক। ঋদ্ধ গাড়ি পার্ক করতে করতেই অদিতি বালিকার মত লাফিয়ে লাফিয়ে সিঁড়ি টপকে ওপরে উঠে গিয়েছিল। পরপর তিনটে তলায় যাত্রীরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসছে, কেউবা টিভি দেখছে, গিফট কর্ণারে ভিড় করছে কেউ। ওয়্যারলেস ইন্টারনেট কানেকশ্যন চাও? তাও রয়েছে। আরো রয়েছে বনেদি কফিশপ স্টারবাক আর রেস্তোরাঁ।

একটানা দু’দিন হাইওয়ের ড্রাইভিংয়ের পর ওই অগাধ কালচে-নীল জলের সমারোহ মাকে যেমন আরাম দিচ্ছিল, ছেলেকে তেমন নয়। ঋদ্ধ বারবার বলছিল, কখন যে এই সমুদ্রযাত্রা শেষ হবে, মা! অদিতি পুরো পথটুকু আরামসে খোলা ডেকে বসে কাটিয়ে দিল। ভরদুপুরেই আকাশে কালোমেঘের ঘনঘটা। দেড়ঘণ্টায় জর্জিয়া প্রণালী পার হয়ে উনায়িমোতে নামা হল। ছোট্ট শহর উনায়িমো থেকে ফের স্থলপথে যাত্রা শুরু। ওটাই ছিল ওদের জার্নির শেষ পর্যায়। দ্বীপের মাঝ বরাবর উত্তর থেকে দক্ষিণে টানা দুর্গম পর্বতমালা। সেরাফিনো পৌঁছনোর পথ ওই পাহাড়ের ধার কেটে কেটে তৈরি করা। মোট আড়াইশ’ কিলোমিটার পথের এক-তৃতীয়াংশে ৬৫টি ভয়ঙ্কর জটিলা-কুটিলা বাঁক। শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যাবার শর্টকাট বিকল্প রাস্তার কথা মনে করিয়ে দেয়। সেই সঙ্গে মনে পড়ে অদিতির—বিবাহোত্তর দিনগুলির স্বল্পস্থায়ী আনন্দ, স্বচ্ছতা ও লাগামছাড়া সুখের স্মৃতি।
অত্যন্ত সরু রাস্তায় অতি সাবধানে গাড়ি চালাতে চালাতে সে ঋজুর ভাবনা আপাতত জোর করে মনের ব্যাকইয়ার্ডে পাঠিয়ে দেয়। রাস্তার একধারে এবড়ো-খেবড়ো পাহাড়, অন্যপাশে অতলান্ত খাদ, গভীর লেইক। জিপিএস-এর দিকে পলক-পলক তাকিয়ে অদিতি মনোযোগ দিয়ে ড্রাইভ করছিল। প্রতিকূল পরিবেশে ঋদ্ধর গা গুলোয়। তাই বোট থেকে নেমেই অদিতি ওকে পেছনে আসনে শুইয়ে দিয়েছিল। পুরো পথ ছেলেটা ঘুমিয়ে এসেছে। ঋদ্ধর প্রজন্মের জাতকেরা কোনো কিছুতে আশ্চর্য বোধ করে না। লেইক, পাহাড়, জঙ্গল ও ছেলেবেলা থেকে বেশি-বেশি দেখেছে বলেই কিনা কে জানে, প্রকৃতি এখন নাকি ওকে আর তেমন টানে না। এই বয়সেই! অদিতি উৎকণ্ঠায় টান টান হয়ে অবশেষে শেষ বিকেলে গাড়ি নিয়ে প্যাসিফিক রিম নাশন্যাল হাইওয়েতে নামতে পারল। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে রিয়ার ভিউ মিররে দেখল, ঋদ্ধ উঠে বসেছে। প্রশস্ত রাস্তায় চলে দেখতে না দেখতেই সেরাফিনো এসে গেল।
আগেই ই-মেইল চালাচালি করে ঠিক করে রাখা গেস্ট-হাউসের দরজায় নক করতে মিসেস হাচিসন হাতে চাবি ধরিয়ে দিয়ে জানালেন, ঘরে সেরাফিনোর মানচিত্র ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া রয়েছে। বেড়ানো সেরে যাবার আগে যেন চাবিটা ওর ঘরের দরজায় ঝুলিয়ে রেখে যাই। ভাড়া উনি কার্ডে চার্জ করে নেবেন। অদিতির ক্রেডিট কার্ডের নম্বর আগেই দেয়া রয়েছে।
স্নান-টান সেরে মা-ছেলে বেরিয়ে পড়ল। প্যাসিফিক রিম ন্যাশন্যাল হাইওয়ে সেরাফিনোর মধ্য দিয়ে লম্বালম্বি এগিয়ে গিয়ে উত্তরে ডাউন-টাউনে শেষ। পথের দুধারে বাড়ি, রেজর্ট, গিফট শপ, আর্ট গ্যালারি, গ্রোউস্যরি, সি-ফুড রেস্তোরাঁ আর ট্যূর অপারেটরদের অফিস। ফাঁকে ফাঁকে ঘন জঙ্গলের উঁকিঝুঁকি। অদিতি খুব রিল্যাক্সড মেজাজে গাড়ি চালাচ্ছিল। কী যে ভাল লাগছে এখানে এসে। ডাইনে-বাঁয়ে রাস্তা চলে গেছে বিভিন্ন সৈকতে। ও হরি! এটা যে দ্বীপদেশ, তাই তো প্রায় ভুলে গেছলাম মা! ঋদ্ধর উচ্চারণে মুগ্ধ অদিতির সম্বিত ফিরল। কেন যেন ওর কেবলই মনে পড়ছিল রেলিক হান্টার্সের সেই পুরাতত্ত্ববিদ অধ্যাপকের মন্তব্য, যে মাঝে-মাঝেই দর্শকদের উৎকণ্ঠায় কণ্টকিত করার পর বলত: ইউ এইন্ট সীন নাথিন্ ইয়েট! সেরাফিনোর অন্দরমহল মনে হচ্ছে এখনো আড়ালে।
বছর কয়েক আগে বন্ধু অ্যালিস্যন অদিতিকে সেরাফিনোর গল্প শুনিয়েছিল। অ্যালিস্যনরা বেড়াতে ভালবাসে। জানিয়েছিল, কবে যেন ভ্যাঙ্কুভার ভ্রমণে গিয়ে ওরা প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে জঙ্গল-পাহাড়ের দ্বীপদেশ সেরাফিনোতে পৌঁছে গিয়েছিল। অবাক হয়ে দেখেছিল, মহাসাগরের ঢেউ অবিশ্রাম আছড়ে পড়ছে সাদা বালুভূমে, যেখানে কমলা রঙের স্টারফিশ আর অসংখ্য জেলিফিশ রোদ পোহায়। দিনে, রাতে অবিরাম বৃষ্টি পড়ছে। মিষ্টি কুয়াশার পাতলা চাদর জড়িয়ে হাজার বছর ধরে অটল দাঁড়িয়ে রয়েছে শীতের দেশের আশ্চর্য রেইনফরেস্ট। অগুণতি তিমি দক্ষিণের মেক্সিকো এলাকা থেকে পরিযান করে আলাস্কামুখো, ওই সেরাফিনো দ্বীপ ছুঁয়ে প্রায়। অদিতির সেই থেকে ভাবনা, একবার ওখানটায় যেতে হবে।
মা ও ছেলে সেরাফিনো যাচ্ছে শুনে লেক্সাস উচ্ছ্বসিত। ভ্যাঙ্কুভারের মেয়ে লেক্সি গ্র্যাজুয়েশ্যন করে পড়তে এসেছিল ক্যালগারিতে। বর্তমানে অদিতির সহকর্মী। ওর মা ট্রাইবাল, বাবা ক্যারিবিয়ান। সমুদ্রে ট্রলিং করেন বাবা, মা নার্স। লেক্সি শৈশব থেকে জলে, জঙ্গলে অবারিত বিচরণ করে বড় হয়েছে। সারারাত বৃষ্টি ঝরার ঝমঝম শব্দ শুনেছে। প্রকৃতির সঙ্গে ওর নিবিড় সখ্য। ক্যালগারিতে বাস করে ও নাকি সেটা নতুন করে উপলব্ধি করছে। কফি ও লাঞ্চ ব্রেইকে ওর সঙ্গে গল্প করতে অদিতির ভাল লাগে। অবসর ও সুযোগ পেলেই লেক্সি সাইকেল ট্রিপে আটলান্টিক ক্যানাডায় অথবা চাঁদের আলোয় হিমবাহ দেখতে উত্তরাপথে ছোটে। ও প্রকৃতিকে ছুঁয়ে, ছেনে উপভোগ করতে ভালবাসে। ওর বয়ফ্রেন্ড অ্যালেক্স ছবি তোলে। ওই চমৎকার জুড়ির সঙ্গে অসামান্য রূপসী ক্যানাডীয় প্রকৃতির যেন গভীর প্রণয়ের সম্পর্ক।
***
ঝিমুনির ঝোঁক কাটিয়ে অদিতি চোখ মেলে দেখল, ঋদ্ধর ছায়া দীর্ঘতর হয়ে ওকে প্রায় ঢেকে দিয়েছে। দ্রুত বেড়ে ওঠা ছেলেকে দেখতে দেখতে সে বলল, ওমা, রোদ উঠেছে কখন? সেরাফিনোর ইতিবৃত্ত জানা হল তোর? উঠে বসে ছেলেকে কোকের ক্যান এগিয়ে দিল। হ্যাঁ মা, জানো, এখানকার টাউন লাইব্রেরিটা আশ্চর্য রকম রিচ। এক ঘণ্টায় এখানকার যা-কিছু-জানার-শোনার-দেখার, একটু নাড়াচাড়া করে এলাম। কোকের ক্যান খুলতে খুলতে ঋদ্ধ বলল। তোমাকে কখন সেগুলো শোনাব, মা? অদিতি হেসে ছেলের মাথাভর্তি কোঁকড়া চুল ঘেঁটে দিল। অবিকল ঋজু চ্যাটার্জি। শুরু করুন, প্রফেসর চ্যাটার্জি। ছেলের চোখে চোখ রেখে অদিতি কপট গাম্ভীর্যের সঙ্গে বলে ওঠে, তুমি বলে যাও, বাবা। আমি আমার মতো জেনে-শুনে নিচ্ছি।
বালুতে কনুই গেঁড়ে কাত হয় ঋদ্ধ। গড়পড়তা ক্যানাডিয়ান জানে, ব্রিটিশ কলাম্বিয়া এদেশের সর্বপশ্চিমের স্টেইট, ছেলে বলতে শুরু করে। সেই এলাকারও বাইরে দক্ষিণ-পশ্চিমে হচ্ছে গিয়ে তোমার, থুড়ি আমাদের এই ভ্যাঙ্কুভার দ্বীপ। কাজেকর্মে লোকজন মেইনল্যান্ড থেকে ফেরিবোটে চড়ে এই আইল্যান্ডে আসে, যায়। আর, ইতোমধ্যে বুঝতে পেরে গেছ যে, মহাসাগরের একেবারে কোলে বসে আছে বলে ভ্যাঙ্কুভার আইল্যান্ডে শীত কম—সারাদেশের মধ্যে এখানে শীত সবচে’ কম! জানুয়ারিতে ক্যানাডার প্রায় সবটাই যখন হিমাঙ্কের ৩০ ডিগ্রির নিচে কাঁপতে থাকে, তখন এখানে হালকা শীত! হালকা… মানে কত ডিগ্রি সেলসিয়াস বল্? মায়ের প্রশ্ন শুনে ঋদ্ধ উৎসাহিত হয়ে উঠে বসে। বলে, এই তোমার গিয়ে ধর শূন্যের এধার-ওধারে হোভার করে আর কি। সারাদেশের মধ্যে এখানে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়। তাই এরকম গহীন বনের জয়জয়কার সবখানে। পর্যটনের আর্কষণ কিন্তু মেলাই রয়েছে। এই সেরাফিনো হচ্ছে পশ্চিমের শেষ বিন্দু। এখান থেকে প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে সরলরেখায় পশ্চিমে যেতে থাকলে জাপান পৌঁছে যাবে তুমি। আরেক ক্যান কোক বাস্কেট থেকে তুলে নিয়ে ঋদ্ধ তার সদ্য অর্জিত জ্ঞান রিকাউন্ট করতে থাকে, প্রায় হাজার পাঁচেক বছর যাবত আইল্যান্ডে ‘ফার্স্ট নেইশ্যন’-এর উপজাতিরা বসবাস করে আসছে—এদের মাঝে নু-সেরাফিন-নু উপজাতির মানুষ পশ্চিমদিকের এই সেরাফিনো, সিয়ারস আর মার্গস দ্বীপে। ক্যানাডার মূল ভূখ- থেকে বিছিন্ন থাকার কারণে আদিবাসীদের এক বিশিষ্ট সংস্কৃতি বহু বছর ধরে এখানে বিকাশ লাভ করেছে। ইউরোপীয়দের মাঝে স্প্যানিয়ার্ডরা প্রথমে সেরাফিনোতে এসে পৌঁছেছিল সেই ১৭৭৪ সালে। ক্যাপ্টেন ডন সেরাফিনোর নামে এই দ্বীপের নামকরণ হয়েছে। তাই নাকি রে, ঋদ্ধ? তুই তো সেরাফিনোর বিষয়ে একজন অথরিটি হয়ে গেছিস! অদিতির চোখেমুখে সত্যিকারের আগ্রহ আর জানার উদ্দীপনা লক্ষ্য করে ছেলে।

গোড়ায় এখানে অনেকদিন যাবত বসতি গড়ে ওঠেনি, মা। ঋদ্ধ গড়গড় করে বলে চলে। কারণ, এখানকার দুর্গম প্রকৃতি। ১৯৩২ সালে ভ্যাঙ্কুভার আইল্যান্ডের মিউনিসিপ্যাল ম্যাপে সেরাফিনোকে একটি গ্রাম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এখনো এটি জেলেদের গ্রাম। হাজার দেড়েক অধিবাসীর এই দ্বীপে বিশুদ্ধ প্রকৃতির টানে মানুষ বেড়াতে আসেন। স্থানীয় মানুষেরাই যাবতীয় দোকান, রেস্তোরাঁ, হোটেল ইত্যাদি চালায় তাদের মতো, সাদাসিধে পুরনো পরিবেশ বজায় রেখে। ঝাঁ চক্চকে ম্যাকডোনাল্ড, কেএফসি-র মতো বহুজাতিক ব্যবসাদার এখনো আসতে পারেনি।
এই দু’দিনে অদিতি যেটা বুঝতে পেরেছে, সেটা হল, সবকিছু মিলিয়ে সেরাফিনোর একটি স্বকীয়তা, বিশিষ্ট আত্মিক পরিচয় রয়েছে। বাইরের সজ্জায় প্রাচীনতার গন্ধ—দিদিমার সিন্দুকের ভেতর নাক ডোবালে ছেলেবেলায় অদিতি এই ন্যাপথলিনের পরিচিত পুরনো-পুরনো গন্ধটা পেত। বাড়িঘরের ভেতরে অবশ্য ব্যবস্থাদি অত্যাধুনিক, প্রয়োজনের সবই হাতের নাগালে! ওরা বিচেই খেয়ে নিল। বৃষ্টি নামল আবার। মা-ছেলেতে মিলে গাড়িতে উঠে সেরাফিনোর দক্ষিণে প্রায় ২৫ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে যে জাতীয় উদ্যান, সেদিকে চলল। পার্কের খাঁজে খাঁজে মেলাই ট্যূরিস্ট স্পট। ওরা প্রথমেই গেল ওই অঞ্চলের ‘ফার্স্ট নেইশ্যন’ অধিবাসীদের অতীত ও বর্তমান জীবনধারার প্রবাহ যেখানে বহমান, সেই পুকানিনিশ সেন্টারে। বোঝা যায়, পৃথিবীর আলো, হাওয়া, গাছ, প্রাণী আর প্রকৃতির যা কিছু সম্পদ, যা ওদের জীবনধারণে সহায়ক ভূমিকা রাখে, তার সবকিছুর কাছেই ওরা চিরঋণী। জীবনদর্শন সমুদ্র, জঙ্গল, পশু ও প্রকৃতিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে। ঈগল পাখি ওদের প্রেম, শ্রদ্ধা ও বন্ধুত্বের দীক্ষা দিয়েছে, ভালুকের কাছ থেকে ওরা পেয়েছে শক্তি, কালকে জয় করবার নিষ্ঠা ও একাগ্রতা পেয়েছে তিমির কাছ থেকে। সেই কোনকাল থেকে নু-সেরাফিন-নু মানুষেরা তিমি শিকার করে আসছে। এককালে তিমি শিকার-ই ছিল ওদের আর্থসামাজিক প্রধান কর্মকাণ্ড।
দুর্গমতার কারণে ওই এলাকায় চাষবাস বা পশুপালন সহজ ছিল না। পুরোপুরি প্রকৃতিনির্ভর ছিল আদিবাসীদের সংগ্রামী জীবনযাত্রা। কেবল জীবনধারণের প্রয়োজনেই ওরা শিকার করত। ওদের বিশ্বাস—জল, স্থল, আকাশ আর দিগন্ত—প্রকৃতির এই চার উপাদানের আত্মা বর্তমান। প্রথম তিনের সঙ্গে নিত্যদিন ওদের দেয়া-নেয়া চলেছে। দিগন্তের ওপারে অর্থাৎ পরপারের যে আত্মা—তাকে চোখে দেখা বা স্পর্শ করা সম্ভব না হলেও ওরা বিশ্বাস করে, এক সর্বশক্তিমান কোন না কোনভাবে জীবনকে ঠিকই নিয়ন্ত্রণ করে চলেছে অলক্ষ্যে।
‘রেইন ফরেস্ট’ বলতে মানুষ এশিয়া, আফ্রিকা বা দক্ষিণ আমেরিকার বৃষ্টি আর ভ্যাপসা গরমের অস্বস্তিতে ভরা ঘন বনের কথাই বোঝে। সেরাফিনোতে অদিতিরা টেম্পারেট রেইন ফরেস্টের দেখা পেল। বছরে প্রায় ৩২০ সেন্টিমিটারের মতো বৃষ্টি হওয়ার পরও ওখানকার তাপমাত্রা ৪-১২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। তাই সেখানে গাছপালা আর জীবজন্তুও ক্রান্তীয় এলাকার থেকে ভিন্নতর। হাজার বছরের পুরনো পাইন জাতীয় গাছের দেখা মেলে! রেইন ফরেস্টের সাইন দেখে মা ও ছেলে গুটিগুটি বনে ঢুকল।
***
আহা! সে কী সুন্দর, গহীন, গম্ভীর অরণ্যানী! পাক্র্স ক্যানাডা কর্তৃপক্ষ বনের ভেতর সুন্দর ‘ওয়াকওয়ে’ তৈরি করেছে। কাঠের পাটাতন ফেলে রেলিং দিয়ে ঘেরা সেই পথ বৃত্তাকারে বনের মধ্য দিয়ে ট্যূরিস্টদের ঘুরিয়ে নিয়ে আসে। অভ্রভেদী উচ্চতা নিয়ে রেড সেডার বৃক্ষেরা নিস্তব্ধ, আদিম বনস্থলীতে সারিবদ্ধভাবে প্রায় দাঁড়িয়ে রয়েছে—অটল, স্বরাট। গাছের মোটা মোটা লাল গুঁড়ি অনেক উঁচুতে উঠে গেছে। গুঁড়ির অসংখ্য ফাটলে সযত্নে সংসার পেতেছে মস্ আর ফার্নেরা। অনেক ক’জন মানুষ একসঙ্গে হাত ধরাধরি করে বেড় দিলে যদি ঐ সব মহীরুহের একটাকে ঘিরে ধরতে পারে! ঐ কালজয়ী বৃক্ষদের ধরতে পারা কি অতই সোজা? পৃথিবীর কোনো বিপর্যয় যেন ওদের ছুঁতে পারেনি হাজার বছর।
কী সেই রহস্য যা রেড সেডারকে ওরকম দীর্ঘজীবী করেছে আর ঋজু চ্যাটার্জিদের অমন ভঙ্গুর? অদিতি ভাবে।
ঐ মুহূর্তে সেখানে আর কোনো দর্শনার্থী ছিল না। এবারে মা ও ছেলে রেলিং-এর ফাঁক গলে বনের সবুজ বিছানায় নেমে গেল। ঋদ্ধর পকেট থেকে ভাঁজ করা একটা প্ল্যাস্টিক ব্যাগ বেরল। অদিতি ততক্ষণে একটু ফাঁকায় হাঁটু গেঁড়ে বসে বেশ কিছুটা নরম, ঝুরো মাটি দু’হাতের অঞ্জলিতে ধরেছে। ছেলে ব্যাগের মুখ খুলে ধরতে মা তাতে ঐ মাটি ভরতে লাগল। মাটি ভরা হলে আন্ডারগ্রোথের বুনো ঝোপঝাড় থেকে কিছু ফুল, ঘাস, লতাপাতা সংগ্রহ করা হল। ঐ মিশ্রিত নৈবেদ্য ওরা কয়েকটি গাছের গোড়ায় নিবেদন করল। যে কোনো পার্ক অথবা অভয়ারণ্যে গেলে অদিতি ও ঋদ্ধ এই রিচুয়্যল পালন করে।
ওয়াকওয়েতে উঠে পড়ে ওরা খুশিমনে এগোল। অনেকটা উঁচুতে দেখা গেল, গাছগুলো মাথার ওপরে ছাতার মতো ডালপালা ছড়িয়ে দিয়েছে। এক ছাতার গায়ে আরেক ছাতা যেন, ফাঁকে ফাঁকে প্রবেশ করছে অপরাহ্নের মিইয়ে যাওয়া আলো। সেই নরম রোদ্দুরের ছিটেফোঁটাও পৌঁছচ্ছে না গাছের তলদেশে। সারাদিন গাছের ছাতা বেয়ে টুপটাপ জল ঝরছে নিচে। সেই জল মিলেমিশে ধারারূপে বইছে ঐ প্রাচীন অরণ্যের মধ্য দিয়ে। চারধারে বহতা জলধারার কুলকুল ধ্বনি।

হঠাৎ বৃষ্টি নামল মুষলধারে। মাথার ওপরে বিটপী ছাতায় বারিপাতের শব্দ, কিন্তু ছিটেফোঁটার চেয়ে বেশি জল নিচে পৌঁছচ্ছে না। অন্ধকার নেমে এল ঝুপ করে। ঋদ্ধ চমকে উঠে তার ভিডিও ক্যামেরা গুটিয়ে ফেলল। গাছের নিচে বাঁধাকপির সাইজের মস্ত পাতাওয়ালা বুনো ঝোপে সাদা সাদা ফুলের কুঁড়ি ফুটল। সেই ফুলের তীব্র বুনো গন্ধে জেগে উঠল ট্রি ফ্রগের দঙ্গল। সেই ব্যাঙপ্রবরেরা দলে দলে হেঁড়ে গলার কোরাসে ডাক পাঠাতে লাগল ওদের দয়িতাদের লক্ষ্য করে। ওরকম কর্কশ ডাকে কেউ কি সাড়া দেয়? অদিতি স্থাণুপ্রায় দাঁড়িয়ে ভাবে। প্রাণিজগত রহস্যময় বটে! নেহাতই নিস্তব্ধ এক বনে হঠাৎ বৃষ্টি মুহূর্তে হট্টগোল বাঁধিয়ে দিল! অবাক বিস্ময়ে প্রকৃতি ও প্রেমের খেলা দেখতে দেখতে ওরা উপলব্ধি করে, বৃষ্টিতে দুজনেই ততক্ষণে ভিজে সারা। শীত করছে বেশ। ক্ষিদেও পাচ্ছে আবার। বিচের ধার ঘেঁষে অনেকগুলো সীফুড রেস্তোরাঁ। সহজেই অনেক কাজ মেলে। ইউনিভার্সিটির ছাত্রছাত্রীরা সেখানে কাজ করে টিউশ্যন ফিজ যোগাড় করে। সেরাফিনোতে এখন ট্যূরিস্ট মোটামুটি ভালই দেখা যাচ্ছে। সেপ্টেম্বরে ইউনিভার্সিটি খুললে ওরা যে যার মতোন ফিরে যাবে। লুজান নামের যে মেয়েটি ওদের খাবার সার্ভ করল, সে ভিক্টোরিয়াতে জুলজি নিয়ে পড়ছে। ওখান থেকে ভিক্টোরিয়া চার ঘণ্টার ড্রাইভ। এখানে রেস্তোরাঁ মালিকের বাড়ির বেইসম্যন্টে থাকে। উইকএন্ডে মাঝে মাঝে বাড়ি যায়। লুজান গত তিন বছর এভাবেই তার পড়াশোনার খরচ চালিয়ে যাচ্ছে। মিষ্টি হেসে জানালো, এখানকার বিশেষ আকর্ষণ স্টিম্ড ক্র্যাব। খেয়ে বুঝল ওরা—সত্যিই সে সুখাদ্য অতি টাটকা, স্বাদু ও নরম। সামনেই ক্র্যাব ডক। ঝড়জলের কারণে গত দু’দিন জেলেরা সমুদ্রে যাচ্ছে না। নইলে এসময়ে ওরা ডক জুড়ে জেলেদের আনাগোনা দেখতে পেত। ট্রলার ভর্তি করে সবাই স্যামন, হ্যালিবাট আর ট্রাউট নিয়ে আসে, লুজান বলল। এলাকায় মানুষজন কম হওয়ায় জল দুষণমুক্ত আর সমুদ্রে মাছের জন্য প্রচুর খাবার।

***
পরদিন প্রত্যূষে উঠে অদিতি, ঋদ্ধ বড় বিচটায় পৌঁছল। এই বিচের সাদা বালিতে ছড়িয়ে আছে শুকনো গাছের গুঁিড়, ছোটবড় পাহাড়ের মতো পাথরের চাঁই। লেক্সির কাছে শোনা কমলা স্টারফিশ, কালো মুসেল, দৈত্যাকার বেলুনের মতো সব সমুদ্র শৈবালের মেলা। সমুদ্রের তীর ধরে ওরা বহুদূর হেঁটে গেল। জল বেশ ঠাণ্ডা। স্নান করা বোধহয় এ যাত্রায় হয়ে উঠবে না। আকাশ আলোয় ভরিয়ে দিয়ে সূর্যদেব হেসে উঠলেন। দূরে পাহাড়, কাছেই সমুদ্র আর আলোর মেলামেশায় এক অপূর্ব ছবি আঁকা হয়ে গেল যেন। হাতের মুঠোয় এঁটে যাবে, এমনি ছোট্ট ছোট্ট পাখিরা রোদ পোহায়। ঋদ্ধ হঠাৎ দৌড়ে গিয়ে ওদের মাঝে ঢুকে পড়ল। ঝাঁকে ঝাঁকে পাখিরা অমনি ওকে ঘিরে যেন নেচে উঠল, ঘুরে ঘুরে উড়তে লাগল।
এমন ঝলমলে রোদ্দুরে আজ তিমি দেখতে গেলে কেমন হয়! অদিতি ভাবল। পর্যটকদের জন্য এখানে বড় আকর্ষণ এই মাঝসমুদ্র্রে গিয়ে তিমিদর্শন। ব্রেইকফাস্ট সেরে ওরা জনি’জ হোয়েলওয়াচ-এর দপ্তরে ঢুকে দু’টো টিকিট কিনল। আড়াই ঘণ্টার ভ্রমণ। বুকিং ক্লার্ক মেয়েটি জানালো, সমুদ্র যেহেতু অশান্ত, যাত্রীদের বেশ দুলুনি সহ্য করতে হতে পারে। অদিতি ঋদ্ধর পানে তাকাতে সে কাঁধ ঝাঁকিয়ে জানান দিল, কুছ পরোয়া নেহি, মা।
লোকে জানে, পরিযায়ী পাখিরা শীতে উষ্ণতার সন্ধানে দূর দূর দেশে উড়ে যায়। জানা ছিল না যে, তিমিরাও ঋতু বদলের সঙ্গে সঙ্গে দেশান্তরী হয়। প্রায় ২০,০০০ তিমি ছোট ছোট দলে প্রতি বছর প্রশান্ত মহাসাগরের তীর ঘেঁষে দক্ষিণের মেক্সিকো থেকে উত্তরে আলাস্কায় পরিযান করে থাকে। ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত চলে এই পরিযাত্রা। একটি পূর্ণবয়স্ক তিমি তার প্রায় ৩০টন ওজনের দেহ নিয়ে দিনে গড়ে প্রায় ৮০ কিলোমিটার অনায়াসে সাঁতরে এগোয়। এই পরিযান পথে ওরা উপকূলীয় জলস্রোত থেকে অসংখ্য ছোট ছোট জলজ জীব ধরে খায়। আলাস্কা অঞ্চলের সমুদ্র গরমকালে তিমিদের জন্য পুষ্টিকর খাবারে পরিপূর্ণ থাকে। আলাস্কায় শীত শুরুর প্রাক্কালে তিমিরা আবার দক্ষিণে ফিরে যায়।
ফেরিতে অদিতি, ঋদ্ধকে নিয়ে জনা পনেরো ট্যূরিস্ট উঠলে ফেরিচালক-কাম-গাইড জনসন জানিয়ে দিল, ফেরিচালনায় ওর তিরিশ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে, কাজেই ওর ওপরে উপস্থিত সবাই ভরসা রাখতে পারেন। বড় দলটি নিউ জার্সি থেকে সড়কপথে এসেছে। গত দু’দিন ওরা ঝোড়ো আবহাওয়ার কারণে এখানে অপেক্ষা করছিল। সেরাফিনোতে এসে হোয়েল দেখবে না তা কি হয়?
ফেরি ছেড়ে দিল। চলছে দুলে দুলে। যতদূর দৃষ্টি যায়, সমুদ্র উত্তাল। ঘোর কাল্চে নীল জলে সূর্যের আলো পড়ে, ঝলমল করছে। বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকলে চোখ ধাঁধিয়ে যায়। ঢেউয়ের দুলুনিতে অদিতির অস্বস্তি হতে লাগল। রোলিং কি একটু বেশিই হচ্ছে? ঋদ্ধর চোখমুখের অবস্থাও আশ্বস্ত হবার মতো নয়। ছেলে মায়ের কাঁধে মাথা রেখে চোখ বুঁজল। অদিতি প্রমাদ গুনল। সবে তো যাত্রা শুরু হল! ইষ্টনাম জপ করা ভিন্ন আর তো কোনো উপায় জানা নেই। উল্টোদিকে বসা ভদ্রমহিলা ওদের অস্বস্তি টের পেয়ে মুঠো মুঠো পেপারমিন্ট লজেন্জ হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, মুখের ভেতর রাখ দু’টো, ভাল লাগবে।
কিছুক্ষণের মধ্যে ওরা খানিকটা চাঙ্গাবোধ করতে লাগল। জনসন মাইকে তিমিদের পরিযানের খুঁটিনাটি বর্ণনা করে চলেছে। বেশির ভাগ তিমি এই সময় নাগাদ উত্তরে পৌঁছে গেলেও ওদের গোটা পঞ্চাশেক বছর বছর এই এলাকার সমুদ্রে থেকে যায়। কারণ এখানকার মৎস্যসম্পদের প্রার্চুয। সেরাফিনোর আশেপাশে হাম্পব্যাক তিমিদের দেখা যায়। এরকম নানা কথার মাঝে ফেরিতে হঠাৎ যেন সাড়া পড়ে যায়। সবাই বাঁ দিকে ঝুঁকে পড়ে। জনসনের কণ্ঠ আবার গমগম করে, সামনেই একদল হাম্পব্যাক। আমরা বেশি কাছে যাব না। ওরা বিরক্ত হতে পারে। অদিতিরা সামনে তাকিয়ে দেখল, কালচে বাদামি রং-এর হাম্পব্যাক তিমির মসৃণ পিঠ সাবম্যারিনের মতো ভেসে উঠছে। গোটা তিন-চারেক হবে। ওদের মাঝে একটি হঠাৎই তার মাথা উঁচিয়ে আকাশের দিকে কয়েক মিটার উপরে তীব্র বেগে জলের ফোয়ারা তৈরি করল। তারপর আরেকটা, তারও পর আরেকজন। নিকট সমুদ্রে যেন কোনো জাদুবলে এক সারি ফোয়ারা তৈরি হল। দীর্ঘক্ষণ শ্বাস ধরে রেখে তিমিরা এভাবেই নিঃশ্বাস ছাড়ে। কী বিশাল মহিমা! জনসন বলছে, ‘টার্ন, টার্ন, টার্ন প্লি-ই-ই-জ।’ যেন ওর অনুরোধ শুনতে পেয়েই একটি তিমি পুরোপুরি উল্টি খেয়ে ওর লেজ মেলে ধরল সদ্যফোটা ফুলের মতো। তারপরই পুরো দলটা জলের অতলে অদৃশ্য হল।
***
বিকেলে অদিতির মনে পড়ল লেক্সির কথা আবার। ‘সেরাফিনোর আর্ট গ্যালারি গুলোতে অবশ্যই একবার যেও—যদি ঐ জায়গার আত্মার খোঁজ পেতে ইচ্ছে হয়।’ টাউন সেন্টারে রাস্তার দু’ধারে অনেকগুলো আর্ট গ্যালারি। স্থানীয় শিল্পীদের নানারকম কাজ—কাঠখোদাই, কাচ গলিয়ে করা বিচিত্র শিল্পকর্ম দেখল ওরা। প্রকৃতির—বিশেষ করে, বৃষ্টির আশ্চর্য মেদুর রূপ মূর্ত সেসব কাজে। ঋদ্ধ মাকে ডাকল, ‘মা, এই ছবিটা দেখো!’ অদিতি এগিয়ে গেল সেদিকে। একটি বিশাল বৃক্ষ, যাকে আকাশ পরম মমতায় যেন কাছে টেনে নিতে চায়। সূর্যের স্নেহালোকে ধন্য সে মহীরূহ। মানুষের নাগালের অনেক, অনেক ওপরে গাছ আর আকাশের সে এক আর্শ্চয সেতুবন্ধন।
সামুদ্র্রিক মাছ, স্থানীয়দের প্রিয় খাবার, তিমিদেরও।
সেরাফিনোয় প্রকৃতি আজও আদি ও অকৃত্রিম রয়ে গেছে। এটা অবশ্য খুব সহজে ঘটেনি। ১৯৯৩ সালে ব্রিটিশ কলাম্বিয়া গভর্ণমেন্ট বেসরকারি কম্প্যানিদের এই এলাকায় গাছ কাটবার অনুমতি দিলে হাজার হাজার মানুষ তার প্রতিবাদে রাস্তায় নামে। খবর ছড়ালে তাতে গ্রীন পীস, মিডনাইট ল্যাম্প ইত্যাদি সংগঠনের অ্যাক্টিভিস্টেরা যোগ দেয়। ইউনেস্কো ২০০০ সালে সেরাফিনোকে ‘বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ’ অর্থাৎ সংরক্ষিত প্রকৃতি ও প্রাণবৈচিত্র্য এলাকা ঘোষণা করে।
সরকার ওই এলাকা ও ‘ফার্স্ট নেইশ্যন’-ভুক্ত অধিবাসীদের সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য ট্রাস্ট তৈরি করেছে, যার দেখাশোনার দায়িত্ব স্থানীয় অধিবাসীদেরই। এদের কেউ শিল্পী, কেউবা মাছধরা, কেউ দোকানকর্মী। এদের সম্মিলিত চেষ্টায় সেরাফিনো আজও থেকে গেছে ‘গড্স ওউন ল্যান্ড’। অপসৃয়মাণ টেম্পারেট রেইনফরেস্ট, তিমির দঙ্গল আর বিরল সামুদ্রিক সব প্রাণী—এখানকার সব সম্পদ যেন প্রকৃতি নিজের হাতে যত্ন করে সাজিয়ে রেখেছে। সেরাফিনো যেন এক জীবন্ত মিউজিয়াম। স্থানীয় মানুষ গর্ব করে তাই বলতে পারেন, ‘সেরাফিনো হচ্ছে বৃক্ষপ্রেমীদের শেষ তীর্থস্থান।’
কী সেই রহস্য যা রেড সেডারকে ওরকম দীর্ঘজীবী করেছে আর ঋজু চ্যাটার্জিদের অমন ভঙ্গুর? অদিতি ভাবে।
ঐ মুহূর্তে সেখানে আর কোনো দর্শনার্থী ছিল না। এবারে মা ও ছেলে রেলিং-এর ফাঁক গলে বনের সবুজ বিছানায় নেমে গেল। ঋদ্ধর পকেট থেকে ভাঁজ করা একটা প্ল্যাস্টিক ব্যাগ বেরল। অদিতি ততক্ষণে একটু ফাঁকায় হাঁটু গেঁড়ে বসে বেশ কিছুটা নরম, ঝুরো মাটি দু’হাতের অঞ্জলিতে ধরেছে। ছেলে ব্যাগের মুখ খুলে ধরতে মা তাতে ঐ মাটি ভরতে লাগল। মাটি ভরা হলে আন্ডারগ্রোথের বুনো ঝোপঝাড় থেকে কিছু ফুল, ঘাস, লতাপাতা সংগ্রহ করা হল। ঐ মিশ্রিত নৈবেদ্য ওরা কয়েকটি গাছের গোড়ায় নিবেদন করল। যে কোনো পার্ক অথবা অভয়ারণ্যে গেলে অদিতি ও ঋদ্ধ এই রিচুয়্যল পালন করে।
ওয়াকওয়েতে উঠে পড়ে ওরা খুশিমনে এগোল। অনেকটা উঁচুতে দেখা গেল, গাছগুলো মাথার ওপরে ছাতার মতো ডালপালা ছড়িয়ে দিয়েছে। এক ছাতার গায়ে আরেক ছাতা যেন, ফাঁকে ফাঁকে প্রবেশ করছে অপরাহ্নের মিইয়ে যাওয়া আলো। সেই নরম রোদ্দুরের ছিটেফোঁটাও পৌঁছচ্ছে না গাছের তলদেশে। সারাদিন গাছের ছাতা বেয়ে টুপটাপ জল ঝরছে নিচে। সেই জল মিলেমিশে ধারারূপে বইছে ঐ প্রাচীন অরণ্যের মধ্য দিয়ে। চারধারে বহতা জলধারার কুলকুল ধ্বনি।

নির্জন বনপথ
ঋদ্ধ রেলিং ধরে দাঁড়িয়ে ওপরে তাকাল। আলো-আঁধারি, অজানা রহস্যময়তায় ঘেরা ঐ আবহে ওর গা ছমছম করে উঠল হঠাৎ। অদিতি মন দিয়ে ছেলেকে লক্ষ্য করছিল। ঋদ্ধর শরীর কেঁপে উঠতে সে ছেলেকে পরম মমতায় জড়িয়ে ধরল। একই সঙ্গে ভয়, বিস্ময় আর পারস্পরিক নির্ভরতা খোঁজা—সে এক অপূর্ব অনুভূতি। দুর্লভ আত্মোপলদ্ধি।হঠাৎ বৃষ্টি নামল মুষলধারে। মাথার ওপরে বিটপী ছাতায় বারিপাতের শব্দ, কিন্তু ছিটেফোঁটার চেয়ে বেশি জল নিচে পৌঁছচ্ছে না। অন্ধকার নেমে এল ঝুপ করে। ঋদ্ধ চমকে উঠে তার ভিডিও ক্যামেরা গুটিয়ে ফেলল। গাছের নিচে বাঁধাকপির সাইজের মস্ত পাতাওয়ালা বুনো ঝোপে সাদা সাদা ফুলের কুঁড়ি ফুটল। সেই ফুলের তীব্র বুনো গন্ধে জেগে উঠল ট্রি ফ্রগের দঙ্গল। সেই ব্যাঙপ্রবরেরা দলে দলে হেঁড়ে গলার কোরাসে ডাক পাঠাতে লাগল ওদের দয়িতাদের লক্ষ্য করে। ওরকম কর্কশ ডাকে কেউ কি সাড়া দেয়? অদিতি স্থাণুপ্রায় দাঁড়িয়ে ভাবে। প্রাণিজগত রহস্যময় বটে! নেহাতই নিস্তব্ধ এক বনে হঠাৎ বৃষ্টি মুহূর্তে হট্টগোল বাঁধিয়ে দিল! অবাক বিস্ময়ে প্রকৃতি ও প্রেমের খেলা দেখতে দেখতে ওরা উপলব্ধি করে, বৃষ্টিতে দুজনেই ততক্ষণে ভিজে সারা। শীত করছে বেশ। ক্ষিদেও পাচ্ছে আবার। বিচের ধার ঘেঁষে অনেকগুলো সীফুড রেস্তোরাঁ। সহজেই অনেক কাজ মেলে। ইউনিভার্সিটির ছাত্রছাত্রীরা সেখানে কাজ করে টিউশ্যন ফিজ যোগাড় করে। সেরাফিনোতে এখন ট্যূরিস্ট মোটামুটি ভালই দেখা যাচ্ছে। সেপ্টেম্বরে ইউনিভার্সিটি খুললে ওরা যে যার মতোন ফিরে যাবে। লুজান নামের যে মেয়েটি ওদের খাবার সার্ভ করল, সে ভিক্টোরিয়াতে জুলজি নিয়ে পড়ছে। ওখান থেকে ভিক্টোরিয়া চার ঘণ্টার ড্রাইভ। এখানে রেস্তোরাঁ মালিকের বাড়ির বেইসম্যন্টে থাকে। উইকএন্ডে মাঝে মাঝে বাড়ি যায়। লুজান গত তিন বছর এভাবেই তার পড়াশোনার খরচ চালিয়ে যাচ্ছে। মিষ্টি হেসে জানালো, এখানকার বিশেষ আকর্ষণ স্টিম্ড ক্র্যাব। খেয়ে বুঝল ওরা—সত্যিই সে সুখাদ্য অতি টাটকা, স্বাদু ও নরম। সামনেই ক্র্যাব ডক। ঝড়জলের কারণে গত দু’দিন জেলেরা সমুদ্রে যাচ্ছে না। নইলে এসময়ে ওরা ডক জুড়ে জেলেদের আনাগোনা দেখতে পেত। ট্রলার ভর্তি করে সবাই স্যামন, হ্যালিবাট আর ট্রাউট নিয়ে আসে, লুজান বলল। এলাকায় মানুষজন কম হওয়ায় জল দুষণমুক্ত আর সমুদ্রে মাছের জন্য প্রচুর খাবার।

মহীরূহ
অদিতিরা রাস্তায় নামল আবার। ছেলেমেয়ের দল সার্ফিং বোর্ড নিয়ে বিচের দিকে যাচ্ছে। সন্ধ্যেবেলা পর্যন্ত ওরা সার্ফিং করবে। সেরাফিনোতে গোয়ার মতোই অনেক ক’টি বিচ। দুরন্ত প্রশান্ত মহাসাগরে সার্ফিং-য়ের মজাই আলাদা। পৃথিবী বিখ্যাত সব সার্ফারদের বাস এই সেরাফিনোতে। এছাড়া, দেশ বিদেশের নামী সার্ফাররাও সমুদ্রের নেশায় ওখানে ভিড় করে। দূর থেকে ওরা ঢেউয়ের মাথায় ক’জন মানুষকে নৃত্যপর বিন্দুর মতো দেখতে পায়। মনে মনে অদিতি ওদের সাহস ও শারীরিক দক্ষতার প্রশংসা না করে পারে না।***
পরদিন প্রত্যূষে উঠে অদিতি, ঋদ্ধ বড় বিচটায় পৌঁছল। এই বিচের সাদা বালিতে ছড়িয়ে আছে শুকনো গাছের গুঁিড়, ছোটবড় পাহাড়ের মতো পাথরের চাঁই। লেক্সির কাছে শোনা কমলা স্টারফিশ, কালো মুসেল, দৈত্যাকার বেলুনের মতো সব সমুদ্র শৈবালের মেলা। সমুদ্রের তীর ধরে ওরা বহুদূর হেঁটে গেল। জল বেশ ঠাণ্ডা। স্নান করা বোধহয় এ যাত্রায় হয়ে উঠবে না। আকাশ আলোয় ভরিয়ে দিয়ে সূর্যদেব হেসে উঠলেন। দূরে পাহাড়, কাছেই সমুদ্র আর আলোর মেলামেশায় এক অপূর্ব ছবি আঁকা হয়ে গেল যেন। হাতের মুঠোয় এঁটে যাবে, এমনি ছোট্ট ছোট্ট পাখিরা রোদ পোহায়। ঋদ্ধ হঠাৎ দৌড়ে গিয়ে ওদের মাঝে ঢুকে পড়ল। ঝাঁকে ঝাঁকে পাখিরা অমনি ওকে ঘিরে যেন নেচে উঠল, ঘুরে ঘুরে উড়তে লাগল।
এমন ঝলমলে রোদ্দুরে আজ তিমি দেখতে গেলে কেমন হয়! অদিতি ভাবল। পর্যটকদের জন্য এখানে বড় আকর্ষণ এই মাঝসমুদ্র্রে গিয়ে তিমিদর্শন। ব্রেইকফাস্ট সেরে ওরা জনি’জ হোয়েলওয়াচ-এর দপ্তরে ঢুকে দু’টো টিকিট কিনল। আড়াই ঘণ্টার ভ্রমণ। বুকিং ক্লার্ক মেয়েটি জানালো, সমুদ্র যেহেতু অশান্ত, যাত্রীদের বেশ দুলুনি সহ্য করতে হতে পারে। অদিতি ঋদ্ধর পানে তাকাতে সে কাঁধ ঝাঁকিয়ে জানান দিল, কুছ পরোয়া নেহি, মা।
লোকে জানে, পরিযায়ী পাখিরা শীতে উষ্ণতার সন্ধানে দূর দূর দেশে উড়ে যায়। জানা ছিল না যে, তিমিরাও ঋতু বদলের সঙ্গে সঙ্গে দেশান্তরী হয়। প্রায় ২০,০০০ তিমি ছোট ছোট দলে প্রতি বছর প্রশান্ত মহাসাগরের তীর ঘেঁষে দক্ষিণের মেক্সিকো থেকে উত্তরে আলাস্কায় পরিযান করে থাকে। ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত চলে এই পরিযাত্রা। একটি পূর্ণবয়স্ক তিমি তার প্রায় ৩০টন ওজনের দেহ নিয়ে দিনে গড়ে প্রায় ৮০ কিলোমিটার অনায়াসে সাঁতরে এগোয়। এই পরিযান পথে ওরা উপকূলীয় জলস্রোত থেকে অসংখ্য ছোট ছোট জলজ জীব ধরে খায়। আলাস্কা অঞ্চলের সমুদ্র গরমকালে তিমিদের জন্য পুষ্টিকর খাবারে পরিপূর্ণ থাকে। আলাস্কায় শীত শুরুর প্রাক্কালে তিমিরা আবার দক্ষিণে ফিরে যায়।
ফেরিতে অদিতি, ঋদ্ধকে নিয়ে জনা পনেরো ট্যূরিস্ট উঠলে ফেরিচালক-কাম-গাইড জনসন জানিয়ে দিল, ফেরিচালনায় ওর তিরিশ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে, কাজেই ওর ওপরে উপস্থিত সবাই ভরসা রাখতে পারেন। বড় দলটি নিউ জার্সি থেকে সড়কপথে এসেছে। গত দু’দিন ওরা ঝোড়ো আবহাওয়ার কারণে এখানে অপেক্ষা করছিল। সেরাফিনোতে এসে হোয়েল দেখবে না তা কি হয়?
ফেরি ছেড়ে দিল। চলছে দুলে দুলে। যতদূর দৃষ্টি যায়, সমুদ্র উত্তাল। ঘোর কাল্চে নীল জলে সূর্যের আলো পড়ে, ঝলমল করছে। বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকলে চোখ ধাঁধিয়ে যায়। ঢেউয়ের দুলুনিতে অদিতির অস্বস্তি হতে লাগল। রোলিং কি একটু বেশিই হচ্ছে? ঋদ্ধর চোখমুখের অবস্থাও আশ্বস্ত হবার মতো নয়। ছেলে মায়ের কাঁধে মাথা রেখে চোখ বুঁজল। অদিতি প্রমাদ গুনল। সবে তো যাত্রা শুরু হল! ইষ্টনাম জপ করা ভিন্ন আর তো কোনো উপায় জানা নেই। উল্টোদিকে বসা ভদ্রমহিলা ওদের অস্বস্তি টের পেয়ে মুঠো মুঠো পেপারমিন্ট লজেন্জ হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, মুখের ভেতর রাখ দু’টো, ভাল লাগবে।
কিছুক্ষণের মধ্যে ওরা খানিকটা চাঙ্গাবোধ করতে লাগল। জনসন মাইকে তিমিদের পরিযানের খুঁটিনাটি বর্ণনা করে চলেছে। বেশির ভাগ তিমি এই সময় নাগাদ উত্তরে পৌঁছে গেলেও ওদের গোটা পঞ্চাশেক বছর বছর এই এলাকার সমুদ্রে থেকে যায়। কারণ এখানকার মৎস্যসম্পদের প্রার্চুয। সেরাফিনোর আশেপাশে হাম্পব্যাক তিমিদের দেখা যায়। এরকম নানা কথার মাঝে ফেরিতে হঠাৎ যেন সাড়া পড়ে যায়। সবাই বাঁ দিকে ঝুঁকে পড়ে। জনসনের কণ্ঠ আবার গমগম করে, সামনেই একদল হাম্পব্যাক। আমরা বেশি কাছে যাব না। ওরা বিরক্ত হতে পারে। অদিতিরা সামনে তাকিয়ে দেখল, কালচে বাদামি রং-এর হাম্পব্যাক তিমির মসৃণ পিঠ সাবম্যারিনের মতো ভেসে উঠছে। গোটা তিন-চারেক হবে। ওদের মাঝে একটি হঠাৎই তার মাথা উঁচিয়ে আকাশের দিকে কয়েক মিটার উপরে তীব্র বেগে জলের ফোয়ারা তৈরি করল। তারপর আরেকটা, তারও পর আরেকজন। নিকট সমুদ্রে যেন কোনো জাদুবলে এক সারি ফোয়ারা তৈরি হল। দীর্ঘক্ষণ শ্বাস ধরে রেখে তিমিরা এভাবেই নিঃশ্বাস ছাড়ে। কী বিশাল মহিমা! জনসন বলছে, ‘টার্ন, টার্ন, টার্ন প্লি-ই-ই-জ।’ যেন ওর অনুরোধ শুনতে পেয়েই একটি তিমি পুরোপুরি উল্টি খেয়ে ওর লেজ মেলে ধরল সদ্যফোটা ফুলের মতো। তারপরই পুরো দলটা জলের অতলে অদৃশ্য হল।
***
বিকেলে অদিতির মনে পড়ল লেক্সির কথা আবার। ‘সেরাফিনোর আর্ট গ্যালারি গুলোতে অবশ্যই একবার যেও—যদি ঐ জায়গার আত্মার খোঁজ পেতে ইচ্ছে হয়।’ টাউন সেন্টারে রাস্তার দু’ধারে অনেকগুলো আর্ট গ্যালারি। স্থানীয় শিল্পীদের নানারকম কাজ—কাঠখোদাই, কাচ গলিয়ে করা বিচিত্র শিল্পকর্ম দেখল ওরা। প্রকৃতির—বিশেষ করে, বৃষ্টির আশ্চর্য মেদুর রূপ মূর্ত সেসব কাজে। ঋদ্ধ মাকে ডাকল, ‘মা, এই ছবিটা দেখো!’ অদিতি এগিয়ে গেল সেদিকে। একটি বিশাল বৃক্ষ, যাকে আকাশ পরম মমতায় যেন কাছে টেনে নিতে চায়। সূর্যের স্নেহালোকে ধন্য সে মহীরূহ। মানুষের নাগালের অনেক, অনেক ওপরে গাছ আর আকাশের সে এক আর্শ্চয সেতুবন্ধন।

সেরাফিনোয় প্রকৃতি আজও আদি ও অকৃত্রিম রয়ে গেছে। এটা অবশ্য খুব সহজে ঘটেনি। ১৯৯৩ সালে ব্রিটিশ কলাম্বিয়া গভর্ণমেন্ট বেসরকারি কম্প্যানিদের এই এলাকায় গাছ কাটবার অনুমতি দিলে হাজার হাজার মানুষ তার প্রতিবাদে রাস্তায় নামে। খবর ছড়ালে তাতে গ্রীন পীস, মিডনাইট ল্যাম্প ইত্যাদি সংগঠনের অ্যাক্টিভিস্টেরা যোগ দেয়। ইউনেস্কো ২০০০ সালে সেরাফিনোকে ‘বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ’ অর্থাৎ সংরক্ষিত প্রকৃতি ও প্রাণবৈচিত্র্য এলাকা ঘোষণা করে।
সরকার ওই এলাকা ও ‘ফার্স্ট নেইশ্যন’-ভুক্ত অধিবাসীদের সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য ট্রাস্ট তৈরি করেছে, যার দেখাশোনার দায়িত্ব স্থানীয় অধিবাসীদেরই। এদের কেউ শিল্পী, কেউবা মাছধরা, কেউ দোকানকর্মী। এদের সম্মিলিত চেষ্টায় সেরাফিনো আজও থেকে গেছে ‘গড্স ওউন ল্যান্ড’। অপসৃয়মাণ টেম্পারেট রেইনফরেস্ট, তিমির দঙ্গল আর বিরল সামুদ্রিক সব প্রাণী—এখানকার সব সম্পদ যেন প্রকৃতি নিজের হাতে যত্ন করে সাজিয়ে রেখেছে। সেরাফিনো যেন এক জীবন্ত মিউজিয়াম। স্থানীয় মানুষ গর্ব করে তাই বলতে পারেন, ‘সেরাফিনো হচ্ছে বৃক্ষপ্রেমীদের শেষ তীর্থস্থান।’
===========================
মীর ওয়ালীউজ্জামান
জন্ম
চৌগাছা, মাগুরা ১৯৪৯
m.waliuzzaman@gmail.com
১৯৬৯ সালে ইংরেজি দৈনিক দি পিপল-এ সাব এডিটর হিসেবে সাংবাদিকতার শুরু।
মার্চ ১৯৭১ পর্যন্ত বাংলা সাপ্তাহিক শতাব্দী সেতুতে কাজ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে এম.এ করার পর কিছুকাল মোমেনশাহী ক্যাডেট কলেজে ইংরেজি পড়ান। এরপর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন্ড অফিসার হিসেবে ১৯৮০ পর্যন্ত কাজ করেন। মাসিক গণস্বাস্থ্য সম্পাদনা করেন ১৯৮৩ পর্যন্ত। পরবর্তী সময়ে নানা আন্তর্জতিক ও দেশীয় উন্নয়ন সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর-এ কন্ট্রিবিউটিং এডিটর হিসেবে যুক্ত আছেন।
চৌগাছা, মাগুরা ১৯৪৯
m.waliuzzaman@gmail.com
১৯৬৯ সালে ইংরেজি দৈনিক দি পিপল-এ সাব এডিটর হিসেবে সাংবাদিকতার শুরু।
মার্চ ১৯৭১ পর্যন্ত বাংলা সাপ্তাহিক শতাব্দী সেতুতে কাজ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে এম.এ করার পর কিছুকাল মোমেনশাহী ক্যাডেট কলেজে ইংরেজি পড়ান। এরপর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন্ড অফিসার হিসেবে ১৯৮০ পর্যন্ত কাজ করেন। মাসিক গণস্বাস্থ্য সম্পাদনা করেন ১৯৮৩ পর্যন্ত। পরবর্তী সময়ে নানা আন্তর্জতিক ও দেশীয় উন্নয়ন সংস্থায় কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর-এ কন্ট্রিবিউটিং এডিটর হিসেবে যুক্ত আছেন।
======================
উপন্যাস- 'রৌরব' by লীসা গাজী »»» (পর্ব-এক) # (পর্ব-দুই) # (পর্ব-তিন) # (পর্ব-চার শেষ) গল্প- 'পান্নালালের বাস্তু' by সিউতি সবুর গল্প- 'গোপন কথাটি' by উম্মে মুসলিমা
bdnews24 এর সৌজন্যে
লেখকঃ মীর ওয়ালীউজ্জামান
এই গদ্যালোচনা'টি পড়া হয়েছে...
লেখকঃ মীর ওয়ালীউজ্জামান
এই গদ্যালোচনা'টি পড়া হয়েছে...
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1407)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
October
(964)
-
▼
Oct 16
(16)
- নবজাতক শিশুর যত্ন ও পরিচর্যা মুহাম্মদ আবদুল মুনিম...
- সপ্তাহের শেষ দিন মূল্যসূচক কমল
- যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা বিমা জালিয়াতির বড় ঘটনা ফাঁস
- বিশ্ব গণমাধ্যমে ভূয়সী প্রশংসা
- ওবামা ও পেলিন দূর সম্পর্কের ভাইবোন!
- খনিশ্রমিকদের আমন্ত্রণ জানাবে তাইওয়ান
- সৌভাগ্যের নম্বর ৩৩
- ৮ হাজার কোটি রুপির বাড়ি!
- পাকিস্তানে প্রধানমন্ত্রীকে ‘হত্যার পরিকল্পনা’ ব্যর্থ
- আবেগে উচ্ছ্বাসে চিলি
- গদ্যালোচনা- 'এল ডোর্যাডো সেরাফিনো!' by মীর ওয়ালীউ...
- উপন্যাস- 'রৌরব' (চার ও শেষ পর্ব) by লীসা গাজী
- উপন্যাস- 'রৌরব' (পর্ব-তিন) by লীসা গাজী
- উপন্যাস- 'রৌরব' (পর্ব-দুই) by লীসা গাজী
- উপন্যাস- 'রৌরব' (পর্ব-এক) by লীসা গাজী
- উপন্যাস- 'লালঘর' by ইচক দুয়েন্দে
-
▼
Oct 16
(16)
-
▼
October
(964)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment