আশকোনায় নিহত 'জঙ্গি' জুয়েলের বাড়ি ফরিদপুরে

ঢাকা আশকোনায় নিহত 'জঙ্গি' জুয়েল রানার বাড়ি ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার মানিকদা ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামে। শুক্রবার বিকালে ঢাকার আশকোনায় আত্মঘাতী জঙ্গি হামলায় নিহত হয় জুয়েল রানা। সে ফরিদপুরের ভাঙ্গার আদুমপুর গ্রামের আলমগীর হোসেন ও মা জহুরা পারভীনের পুত্র। তিন ভাইয়ের মধ্যে জুয়েল রানা সবার বড় । বাবা আলমগীর একজন গাড়ি চালক। এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনরা জানায়, জুয়েল রানা ওরফে আলিফ প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দেয়ার পর প্রায় ১০ বছর পুর্বে জুয়েল রানা ঢাকা দোহারের জয়পাড়া এলাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করেন। সে দোহার জয়পাড়া এলাকায় ডেন্টাল চিকিৎক হিসাবে একটি চেম্বার দিয়েছিলেন। আশকোনার ঘটনায় তার পরিচয় প্রকাশের পর শনিবার ও রোববার জুয়েলের গ্রামের বাড়িতে এলাকাবাসী ভিড় জমাতে দেখা যায়। বাবা ও মায়ের দাবি, জুয়েলের সঙ্গে তাদের কোনো যোগাযোগ ছিল না।
সে বাড়িতে আসতো না। এদিকে জুয়েলের চাচা শেখ মুরাদ জানান, শুক্রবার রাতে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে তাদের জুয়েলের বাবা-মাসহ পরিবারের ৮ সদস্যকে ধরে নিয়ে যায়। পরদিন শনিবার তাদের বাড়িতে ফেরত দিয়ে যায় পুলিশ। তিনি জানান, জুয়েলের ব্যাপারে পুলিশ যেসব তথ্য তাদের কাছে জানতে চেয়েছে সব সত্য আইনশৃংখলা বাহিনীকে তারা বলেছে। ভাঙ্গা থানার এসআই মজিবর জানান, আমি রোববার বেলা ২টার সময়ে নিহত জঙ্গি জুয়েল রানার বাড়ি আদমপুর গ্রামে যাই। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখতে পাই বাড়িতে কোনো লোকজন নাই। তাদের সব ঘর তালাবদ্ধ । তবে পরিচয় সঠিক আছে।