Sunday, March 31, 2013
বাংলানিউজকে ড. কামাল হোসেনঃ দুই দল ও নেত্রী থেকে দৃষ্টি সরাতে হবে
বাংলানিউজকে ড. কামাল হোসেনঃ দুই দল ও নেত্রী থেকে দৃষ্টি সরাতে হবে
অর্থবহ পরিবর্তনের জন্য ‘দুই দল, দুই দল’ বলা বন্ধ করতে হবে। দুই দলকে দিয়ে
কিছু হবে না। জনগণকেই ক্ষমতার মালিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দুই দল ও
নেত্রী থেকে দৃষ্টি সরিয়ে এনে দিনবদল ঘটাতে হবে। এই পরিবর্তন আনতে হলে
তরুণদের মূল ভূমিকায় আসতে হবে।
রাজনীতির হালও ধরতে হবে তরুণদেরই।

বাংলাদেশের চলমান রাজনীতি, রাজনৈতিক সংকট এবং এই সংকট থেকে উত্তরণের উপায় সম্পর্কে এসব কথা বলেছেন বাংলাদেশের সংবিধানের প্রণেতা ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনজীবী ড. কামাল হোসেন।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বেইলি রোডে তার বাসভবনে ড. কামাল হোসেন বাংলানিউজকে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দেন। সাক্ষাৎকারে তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনীতি, রাজনৈতিক সংকট, যুদ্ধাপরাধের বিচার, শাহবাগ তরুণদের গণজাগরণ এবং দেশভাগের পর থেকে বাংলাদেশের রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত এবং অর্জন তুলে ধরেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলানিউজের চিফ অব করেসপন্ডেন্টস আহমেদ রাজু, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট আদিত্য আরাফাত, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট সেরাজুল ইসলাম সিরাজ ও মাজেদুল নয়ন।
ড.
কামাল হোসেন: বাংলাদেশের সংবিধানের প্রণেতা হিসেবেই তাঁর অধিক পরিচিতি।
দেশের রাজনীতিতে তিনি সবসময়ই সোচ্চার। জন্ম ১৯৩৭ সালের ২০ এপ্রিল। ১৯৫৭
সালে তিনি ইউনিভার্সিটি অব অক্সফোর্ড থেকে জুরিসপ্রুডেন্সে স্নাতক (সম্মান)
এবং ১৯৫৮ সালে ব্যাচেলর অব সিভিল ল ডিগ্রি লাভ করেন। লিংকনস ইনে
বার-অ্যাট-ল অর্জনের পর আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ে পিএইচডি করেন ১৯৬৪ সালে।
১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে
দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালে আইনমন্ত্রী এবং ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ড. কামাল হোসেন জাতিসংঘের
স্পেশাল র্যাপোর্টারের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক
কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি গণফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
ড. কামাল হোসেন বলেন, বড় দুই দলকে দিয়ে কিছু হবে না। তাদের উদ্দেশ্য ক্ষমতায় গিয়ে কীভাবে জনগণের সম্পদ লুটপাট করা যায়। একদল পদ্মাসেতু, শেয়ারমার্কেট, হলমার্ক কেলেংকারী এবং দলীয় ক্যাডারদের মাধ্যমে টেন্ডারবাজি করে দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে। অন্য দল হাওয়া ভবন বানিয়ে সব কিছু বিসর্জন দিয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা দুই দলের কাছে জিম্মি না। দেশে ১৬ বা ১৭ কোটি মানুষ। ৯ কোটি ভোটার। এই দলগুলোর সদস্য কত হবে? কয়েক লাখ হবে। তাহলে কেন আমরা ভাবি দেশকে এদের কাছে ইজারা দিয়েছি। ইজারা মানে—হয় ইনি রাজত্ব করবেন, না হয় উনি রাজত্ব করবেন। তারা তো গণতান্ত্রিক শাসন করছে না।”
গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যে আগামী নির্বাচনে নতুন এক প্ল্যাটফর্মের কথা বলেছেন ড. কামাল হোসেন। নতুন প্ল্যাটফর্মে দেশকে নতুন ভাবে গড়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। জনগণকেই ক্ষমতার মালিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে দুই বড় রাজনৈতিক দল ও নেত্রী থেকে দৃষ্টি অন্য দিকে সরিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন ড. কামাল হোসেন।
গণজাগরণ মঞ্চকে খালেদা জিয়া নাস্তিকদের সমাবেশ বলায় যে সমালোচনা হয়েছে সে ব্যাপারে তিনি বলেন, “বিএনপিকে আমরা এত গুরুত্ব দিচ্ছি কেন? ২০০৮ সালে জনগণ তাদের বিচার করেছে। ওদের নিয়ে কথা বলায় মনে হচ্ছে--আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। ফরগেট অ্যাবাউট বিএনপি, এটি ডাস্টবিনে যাওয়া একটি পার্টি। জনগণ তাদের ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছে। ওদের নিয়ে এত কথা এবং কলাম কেন লেখা হবে।”

তিনি বলেন, “বিএনপি কি করলো, না করলো তা নিয়ে আমাদের কথা বলারও দরকার নেই। আমি বলছি, আমাদের রাজনীতি, দিনবদলের রাজনীতির কথা। এ জন্যেই কি আমরা ভোট দিয়েছিলাম। লেট আস টক অ্যাবাউট দ্যাট।”
দেশব্যাপী জামায়াত-শিবির যে তাণ্ডব চালাচ্ছে এব্যাপারে সরকারকেও দোষারোপ করেন ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, “সরকারি দলই জামায়াত-শিবিরকে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালাতে সুযোগ করে দিয়েছে। বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসে সরকার অনেক অন্যায় অভিযোগকে প্রশ্রয় দিয়েছে। এখন জনগণকেই এ বিষয়ে সোচ্চার হতে হবে। জনগণ সোচ্চার হচ্ছে না, কারণ সাংসদরা সোচ্চার নয়। সাংসদদের নীরবতার জন্যেই জামায়াত-শিবির এ সুযোগটা পাচ্ছে। এই অবস্থায় সাংসদদের সক্রিয় হতে হবে। যে দল ২৬৭টি আসন পেয়ে সংসদে যায়, সে দলের সাংসদরা নীরব থাকে কেন? আমি তাদের নীরবতার কথা বলছি। তাদের নীরতার কারণেই দেশে আজ এই অবস্থা চলছে।”
“আমি বলতে চাই ২৬৭ আসনের কথা। আমি নিজেও ভোট দিয়েছি। ক্যাম্পেইন করেছি। বৃষ্টির মধ্যে পদযাত্রা করেছি। আইনের লড়াই করে ভোটার লিস্ট বাতিল করে আমি নতুন ভোটার বানিয়েছি। যেখানে এক কোটি ৪০ লাখ ভুয়া ভোটার ছিল, তা ভোট বাতিল হলো। আমরা অবদান রেখেছি এ পরিবর্তন আনার জন্যে। তাই আমরা চাই জনগণের হাতে ক্ষমতা দিতে।”
ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকান ড. কামাল হোসেন। “যে রাজনীতি আমরা করেছি ৫০-এর দশকে। ৫২-এর ভাষা আন্দোলনে, ৬০-এর দশকে মার্শাল ল বিরোধী আন্দোলনে। আইয়ুবকে বিদায় দিয়েছি। তারপর ৬৯, ইয়াহিয়াকে ৭০-এর ভোটে বিদায় দিয়েছি। তারা ঝাপিয়ে পড়েছিল সামরিক শক্তি নিয়ে। আমরা লড়াই করেছি। আমাদের মধ্যে যাদের প্রশিক্ষণ ছিল না, তারা প্রশিক্ষণ নিয়েছি। ট্রেনিং নিয়ে যুদ্ধ করে ১৬ ডিসেম্বর এনেছি। সেই দেশে এ রাজনীতি কেন হবে?”
তিনি বলেন, “কাদেরকে লড়াই করতে হয়েছে? জনগণকে। তারপরও অনেক মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে। নূর হোসেন উল্লেখযোগ্য। তাদেরকে স্মরণ করা উচিৎ।”
গণতন্ত্র রক্ষায় গণমাধ্যমকে ভূমিকা রাখার কথা বলেন ড. কামাল। তিনি বলেন, “পত্রিকাগুলো খালেদা খালেদা করছে। যদিও তিনি (খালেদা) বাজে কথা বলছেন, তারপরও তো তিনি (খালেদা) পাবলিসিটি পাচ্ছে।”

তিনি বলেন, “উনাদের কথা যত আমরা কম বলি তত ভালো, উনারা কোথায় কি বলছেন, রাস্তাঘাট খুলছেন। খালেদা কি করছেন, আমি বলি খালেদার সবচেয়ে বড় পিআরও হলো হাসিনা। এসবের মধ্যে আমি নাই।”
“অনেকেই শুধু দুই নেত্রীর কথা বলেন। কিন্তু আমার মুখে আমি এদের নাম নিই না। আমি আমার আবেগের কথা বলছি। আমার মুখে এই দুই নেত্রীর নাম শুনবেন না। কার নাম শুনবেন? আমি একজন নাগরিক। আপনি একজন নাগরিক। আমরা ক্ষমতার মালিক। আমরা মালিক হয়ে কেন তাদের এই সিংহাসনে বসাচ্ছি। মনে হয়, আমরা যেন সব প্রজা। এই জমিদার থেকে মুক্ত হলে, আরেক জমিদারের প্রজা হতে হবে। নাগরিক হওয়ায় যেন আমাদের ক্ষমতাও নেই, শক্তিও নই। আমাদের এ শক্তি ক্ষয় হলো কেন? গণতন্ত্র থাকলে আমরা ৯ কোটি ভোটার অসহায় কেন?”
ড. কামাল বলেন, “১৪ দল করেছি গত নির্বাচনের সময়। তখন বগুড়াতে গেলে আওয়ামী লীগের থানা সভাপতিরা আমাকে বলেছেন, কামাল ভাই, আমরা ঠিক করেছি মান্না ভাইকে নমিনেশন দেওয়ার। তিনি দুই বার ডাকসুর প্রেসিডেন্ট ছিলেন। শিক্ষিত, আপনারা মিডিয়াতেও দেখছেন। কিন্তু ওকে কেন আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিল না! এমন একজনকে দিল, যার মান্নার পাশে দাঁড়ানোর মতো কোনো অবস্থানই নেই। কেন দেওয়া হলো! এই হলো আমাদের রাজনীতি”, ক্ষোভ প্রকাশ করেন ড. কামাল হোসেন।
তিনি বলেন, “আমরা যারা ক্ষমতার মালিক, আমাদের ক্ষমতা নিয়ে ব্যবসা হবে। আর আমরা কিন্ত, এ ব্যাপারটিকে মূল ইস্যু করি না। আজকে মূল ইস্যু কি? খালেদা কী বলেছে, হাসিনা কী বলছে? এটিই এখন মূল ইস্যু। আসরে এটি তো মূল ইস্যু না। আসল ইস্যু হচ্ছে আট মাসের মধ্যে আমাদের একটা নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে আমরা দিনবদল চাই। যারা দিনবদল করতে ব্যর্থ হয়েছে--তারা মনে করছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি। বাহ! বাহ! আমরা সবাই বীরশ্রেষ্ঠ! আমাদের ভোট দিয়ে যান। আমার ভয় এ কারণেই।”
রাজনীতি করতে গিয়ে নিজের মূল্যায়ন সর্ম্পকে পরিষ্কার জবাব দিয়েছেন ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘‘নিজের মূল্যায়ন হবে, এজন্য আমি রাজনীতি করি না। কখনও ভাবিওনি। জনগণ আমাকে ভালোবাসেন। তরুণরা আমাকে ভালোবাসেন। তরুণরা আমাকে সময় দিচ্ছেন, এই তো আপনারা সময় দিচ্ছেন। এটাই আমার মূল্যায়ন। আমি ১৫ আগস্টের পর থেকে একদিনও এমপি থাকিনি। মন্ত্রীও থাকিনি। এ নিয়ে আমি বিন্দুমাত্র দুঃখ করি না। ওই ধরনের মূল্যায়ন আমার হয়নি। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর যারা পাইকারিভাবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ফাঁসির আসামিকে ক্ষমা করতে বাধ্য হয়েছেন, অযোগ্য লোককে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে নিয়োগ করতে বাধ্য হয়েছেন। আমি সে চেয়ারে গেলে কী করতাম!”

“রাজনীতির পচন ধরেছে। এখন পচানোর প্রতিযোগিতা চলছে। আমাদের রাজনীতি হচ্ছে—৭২’র সংবিধান, যা গণতন্ত্রের কথা বলে।”
ক্ষমতার প্রতি রাজনৈতিক নেতাদের লোভ নিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে যা আমরা পেয়েছি, এত লোক শহীদ হয়েছেন, মূল নেতারা আমাদের জীবন দিয়েছেন। তাজউদ্দিন কেন জীবন দিয়েছেন! তাকে বলা হয়েছে, আপনি প্রধানমন্ত্রী হয়ে যান। তিনি ধিক্কার দিয়েছেন। আর এখন, প্রধানমন্ত্রীর হওয়ার জন্যে সব কিছু বিসর্জন দেওয়া হচ্ছে। খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইয়েস উনিও সবকিছু বিসর্জন দিয়েছেন, হাওয়া ভবনকে প্রশ্রয় দিয়েছেন।”
রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করা বিষয়ে তিনি বলেন, “আমাদের প্রত্যেক নির্বাচিত সরকার কথা দিয়ে কথা রাখে না। আমাদের রাজনীতি এরশাদ পচিয়েছে। এর আগে যারা ছিল তারা পচিয়েছে। এ পচন থেকে ক্ষমতাসীন সরকারও মুক্ত হতে পারছে না। এক পচন থেকে মুক্ত হতে যাদের নির্বাচিত করছি, তারা আরো পচাচ্ছেন। পচাতে পচাতে এখন চলছে পচানোর প্রতিযোগিতা।” তাই পচানোর রাজনীতি থেকে দেশকে মুক্ত করতে তিনি তরণদের আহবান জানিয়েছেন।
ড. কামাল হোসেন পচনশীল রাজনীতি থেকে মুক্ত করতে--তরুণদের এগিয়ে আসার কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “সকল আন্দোলনে তরুণ সমাজকে মুখ্য ভূমিকা রাখতে হবে। ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬ দফা, ১১ দফা, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তরুণরাই মূল ভূমিকা রেখেছেন।”
ছাত্ররাই এসব আন্দোলনে দিক-নির্দেশনা দিয়েছে। তিনি বলেন, শাহবাগ গণজাগরণে আমি আবারও আশার আলো দেখছি। আমরা চাই না, পচা রাজনীতি দিয়ে তরুণদের এই শক্তিকে নষ্ট করা হোক।”
রাজনৈতিক অঙ্গনে নেতৃত্বের বয়স নিয়ে কথা বলেছেন ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যত তরুণ আছে, তাদের বয়স ৪০’র নিচে, ৩৫’র নিচে। তারাই তো সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে এখন। তাই তারাই পারে জাতিকে পচনের রাজনীতি থেকে উদ্ধার করতে।
তিনি বলেন, “আমরা কেন শুধু হাসিনা-খালেদার দিকে দৃষ্টি দিয়ে রাখব? পত্রপত্রিকা শুধু তাদের দিকেই দৃষ্টি দিয়ে রাখে। দুই দলের রাহু থেকে আমরা মুক্ত হবো না, যদি মানুষ নিজের দিকে তাকিয়ে না দেখে। আমি ক্ষমতার মালিক, আমি যোগ্য লোককে সাংসদ বানাতে চাই, এটা কি অন্যায় কথা হবে। নিজের কথা ভাবতে হবে। এখন মানুষকে ভাবতে হবে--আমি যাকে ভোট দিচ্ছি, সেকি আমার কথা ভাবছে।”
ড. কামাল হোসেন বলেন, “যখনই গণজোয়ার সৃষ্টি হয়, তখন সে সুযোগটা রাজনৈতিক দলগুলো গ্রহণ করে। এই দলগুলোতে কয়জন লোক আছে। তাদের সংখ্যা কতিপয়। তাদের সংখ্যা এক পার্সেন্টও না। কিন্তু তারাই সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে। আমরা ৯৯ পার্সেন্ট, যারা জনগণ। তাদের সবচেয়ে বড় হচ্ছে তরুণ।”
তিনি বলেন, “এখন আমাদের ৪৫ থেকে ৫০ বছর বয়সী লোকদের মধ্যে দৃষ্টি আকর্ষণ করা দরকার। এখন অনেকে মান্নার (তার বয়স ৬০) নাম বলছেন। আমরা যদি তার ক্যারিয়ার দেখি, তার বক্তব্য দেখি। তিনি দু্ইবার ঢাকসুর ভিপি ছিলেন। হি ইজ আ গুড লিডার। নতুন নেতৃত্ব সম্পর্কে তিনি বলেন, যখন ওবামা প্রেসিডেন্ট হন তখন তাঁর বয়স ছিল ৪৭ বছর। ডেভিড ক্যামেরনের ছিল ৫০ এর কম যখন তিনি ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হন। বঙ্গবন্ধু যখন প্রথম শিল্পমন্ত্রী হন তখন তাঁর বয়স ছিল ৩৪ বছর। ৫৪ বছর বয়সে তিনি রাষ্ট্রপতি হলেন। ৩৪ বছর বয়সে আমাকে করলেন আইনমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু যখন নিহত হলেন, তখন তার বয়স ৫৫। এরই মধ্যে তিনি জাতির পিতা হলেন, দেশকে স্বাধীন করলেন। তাজউদ্দিন আহমদ স্বাধীনতা যুদ্ধে পুরো নেতৃত্ব দিয়ে অর্থমন্ত্রী হলেন, তখন তার বয়স ছিল ৫৪ বছর। এখন আমাদের দৃষ্টি সেখানে দেওয়া দরকার।”
“আমরা যে সমাজের কথা বলেছি, যে গণতন্ত্র এনেছি, সেটা তো এই গণতন্ত্র না।” গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শহীদ নূর হোসেনের আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করেন ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, “কি অসাধারণ ছিল তার স্পিরিট। বুকে-পিঠে ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ লিখে মিছিল করেছিল। আমি যদি হাসিনা-খালেদার নামটা না নিয়ে নূর হোসেনকে নিয়ে প্রতিদিন একটা লেখা লিখি, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সেটি হবে আরও মঙ্গলজনক। আমরা নূর হোসেন চত্বর করেছি, কিন্তু তাকে ভুলে গেছি। নূর হোসেন যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আমরা কি সেই গণতন্ত্র পেয়েছি?”
বড় দলগুলোর রাজনৈতিক চর্চা সম্পর্কে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘‘গ্রামে গেলে দেখা যাবে, যারা ক্ষমতায় আসে, কীভাবে আসে। বড় দল কীভাবে রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা গণতান্ত্রিক রাজনীতি করেছিলাম। তৃণমূল থেকে বঙ্গবন্ধুর কাছে যেসব মানুষ আসত, তিনি তাদের মূল্য দিতেন। এমনও দেখেছি--কোন সিনিয়র নেতা বা বড় ব্যবসায়ী এসেছেন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে। তারা বসে থাকতেন। বঙ্গবন্ধু দেখতেন ইউনিয়ন থেকে কে এসেছে। তিনি কোলাকুলি করতেন। পাশে বসাতেন, বসতেন, শুনতেন তাদের কথা। তাদের সঙ্গে মিটিং-এর পর আমাদের বলতেন, ‘এলাকাটি ঘুরে আস। মানুষের কি প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। আমরা যে কথা বলেছি, মানুষ কীভাবে তা গ্রহণ করছে। কোন মানুষ? পায়ে হেঁটে যারা এসেছে।’”
তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধু তো জনগণ থেকে হয়েছে। শেখ মুজিবুর রহমান তো তার বাবার দোহাই দিয়ে বঙ্গবন্ধু হননি। তাজউদ্দিনও কারো পরিচয়ে হননি। এখন দেখছি মনোনয়ন প্রার্থীদের পোস্টারে বঙ্গবন্ধুর ছবি ছোট হতে শুরু করেছে। তাঁর মেয়ের ছবি বড় হয়ে উঠছে। কারণ তিনি মনোনয়ন দিচ্ছেন। আবার মনোনয়ন দিচ্ছেন টাকার বিনিময়ে। এসব কথা বলতে হবে। তা না হলে জনগণ আরো ক্ষমতাহীন হয়ে যাবে।”
ছাত্ররাজনীতির অতীত সম্পর্কে তিনি বলেন, তখনকার ছাত্র সমাজের কাজ ছিল মানুষ কি বলছে, সেটাই বলা। সিরাজুল আলম খানের মতো যারা ছিল, তারা মানুষের কথা বলতো। টেন্ডারের কথা বলতো না। এখন যারা বলছে টাকার কথা, গাড়ির কথা তাদেরকে আমাদের ঘৃণা করা উচিৎ।”

রাজনীতিতে পালাবদল ও পরিবর্তনের ব্যাপারে তিনি বলেন, “জনগণের উচিত এখন রাজনীতিতে নতুনধারা আনা ও পরিবর্তন ঘটানো। প্রত্যেক এলাকার জনগণের পক্ষ থেকে আগে দাবি আসা উচিত--আমরা সুষ্ঠু-অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। আমরা পূর্বে দেখেছি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন। সেটি আমরা আমরা চাই না। ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি যে নির্বাচন হতে যাচ্ছিল সেটি আমরা চাই না।”
তাহলে কেমন নির্বাচন চাই, প্রশ্ন রাখেন ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, আসল কথা--জনগণের কথাগুলো হেডলাইনে আসুক। জনগণের মধ্যে আত্মবিশ্বাস আনতে হবে। ৫২, ৭১ থেকে আত্মবিশ্বাস আনতে হবে।”
আগামী নির্বাচনে নতুন প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগ নিচ্ছেন ড. কামাল হোসেন। আগামী নির্বাচনেই প্ল্যাটফর্ম দাঁড়াবে বলে জানান তিনি। নতুন এ প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে তিনি বলেন, “নেত্রী দু’জনেই ভাবছেন ক্ষমতায় কি ভাবে যাওয়া যায়। জনগণ তাদেরকে কীভাবে ক্ষমতায় আনবেন, সেটি নিয়ে তারা কিছুই ভাবছেন না। আমরা ভাবছি। খুব শিগগিরই আমরা মহাসমাবেশের উদ্যোগ নিচ্ছি। সেখানে এ কথাগুলোই বলবো। জনগণকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে, তারা কাকে ভোট দেবেন। আগেই ভাবতে হবে—যাকে ভোট দেবো, সে নির্বাচিত হলে আমার কি লাভ হবে।”
তিনি বলেন, সমাবেশে আমার প্রথম কথা হবে--জনগণই সকল শক্তি সেটি প্রতিষ্ঠা করা। মুক্তিযুদ্ধের রাজনীতি হচ্ছে জনগণকে কথা বলতে দেওয়া। নতুন প্লাটফর্মের ব্যাপারে তিনি বলেন, “এখনো আট মাস আছে, সত্যি আমরা পরিবর্তন চাই। তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে আমার একাত্মতা আছে। বড় নেত্রীরা তো কোন কথা শুনে না।”
দুই দলের সমঝোতার সমালোচনা করে তিনি বলেন “রাজনৈতিক দলগুলোতে রয়েছে অগণতান্ত্রিক মানসিকতা। ক্ষমতায় গেলে তারা অন্ধ ও স্বৈরাচার হয়ে যায়। এ কারণেই জনগণ এরশাদকে সরিয়েছে। খালেদাকে সরিয়েছে। দেশের মানুষ ধর্ম ব্যবসার নামে রাজনীতি দেখতে চায় না। তাই জনগণ জামায়াতকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করেছে।”
রাজনৈতিক অঙ্গনে তৃতীয় শক্তির কথা শোনা যাচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ড. কামাল হোসেন বলেন, “তৃতীয় শক্তি বলে কিছু নেই, যা আছে সেটি হলো জনগণ। সংবিধানে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শক্তি কিছু লেখা নেই। লেখা আছে জনগনই ক্ষমতার মালিক।” দুই শক্তির মাঝে তৃতীয় শক্তিই হচ্ছে জনগণ। জনগণই ক্ষমতা বদলায়, ক্ষমতায় বসায়।
উল্লেখ্য, গেল বছর ২১ অক্টোবর রাজধানীর একটি হোটেলে রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে ছিলেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ড. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। রাজনীতিতে নতুনধারা সৃষ্টি করতেই তারা এই ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন।
(সাক্ষাৎকারের শেষাংশ পড়ুন রোববার)

বাংলাদেশের চলমান রাজনীতি, রাজনৈতিক সংকট এবং এই সংকট থেকে উত্তরণের উপায় সম্পর্কে এসব কথা বলেছেন বাংলাদেশের সংবিধানের প্রণেতা ও আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আইনজীবী ড. কামাল হোসেন।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর বেইলি রোডে তার বাসভবনে ড. কামাল হোসেন বাংলানিউজকে দীর্ঘ সাক্ষাৎকার দেন। সাক্ষাৎকারে তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনীতি, রাজনৈতিক সংকট, যুদ্ধাপরাধের বিচার, শাহবাগ তরুণদের গণজাগরণ এবং দেশভাগের পর থেকে বাংলাদেশের রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত এবং অর্জন তুলে ধরেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলানিউজের চিফ অব করেসপন্ডেন্টস আহমেদ রাজু, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট আদিত্য আরাফাত, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট সেরাজুল ইসলাম সিরাজ ও মাজেদুল নয়ন।
ড. কামাল হোসেন বলেন, বড় দুই দলকে দিয়ে কিছু হবে না। তাদের উদ্দেশ্য ক্ষমতায় গিয়ে কীভাবে জনগণের সম্পদ লুটপাট করা যায়। একদল পদ্মাসেতু, শেয়ারমার্কেট, হলমার্ক কেলেংকারী এবং দলীয় ক্যাডারদের মাধ্যমে টেন্ডারবাজি করে দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে। অন্য দল হাওয়া ভবন বানিয়ে সব কিছু বিসর্জন দিয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা দুই দলের কাছে জিম্মি না। দেশে ১৬ বা ১৭ কোটি মানুষ। ৯ কোটি ভোটার। এই দলগুলোর সদস্য কত হবে? কয়েক লাখ হবে। তাহলে কেন আমরা ভাবি দেশকে এদের কাছে ইজারা দিয়েছি। ইজারা মানে—হয় ইনি রাজত্ব করবেন, না হয় উনি রাজত্ব করবেন। তারা তো গণতান্ত্রিক শাসন করছে না।”
গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যে আগামী নির্বাচনে নতুন এক প্ল্যাটফর্মের কথা বলেছেন ড. কামাল হোসেন। নতুন প্ল্যাটফর্মে দেশকে নতুন ভাবে গড়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। জনগণকেই ক্ষমতার মালিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে দুই বড় রাজনৈতিক দল ও নেত্রী থেকে দৃষ্টি অন্য দিকে সরিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন ড. কামাল হোসেন।
গণজাগরণ মঞ্চকে খালেদা জিয়া নাস্তিকদের সমাবেশ বলায় যে সমালোচনা হয়েছে সে ব্যাপারে তিনি বলেন, “বিএনপিকে আমরা এত গুরুত্ব দিচ্ছি কেন? ২০০৮ সালে জনগণ তাদের বিচার করেছে। ওদের নিয়ে কথা বলায় মনে হচ্ছে--আমরা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। ফরগেট অ্যাবাউট বিএনপি, এটি ডাস্টবিনে যাওয়া একটি পার্টি। জনগণ তাদের ডাস্টবিনে ফেলে দিয়েছে। ওদের নিয়ে এত কথা এবং কলাম কেন লেখা হবে।”
তিনি বলেন, “বিএনপি কি করলো, না করলো তা নিয়ে আমাদের কথা বলারও দরকার নেই। আমি বলছি, আমাদের রাজনীতি, দিনবদলের রাজনীতির কথা। এ জন্যেই কি আমরা ভোট দিয়েছিলাম। লেট আস টক অ্যাবাউট দ্যাট।”
দেশব্যাপী জামায়াত-শিবির যে তাণ্ডব চালাচ্ছে এব্যাপারে সরকারকেও দোষারোপ করেন ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, “সরকারি দলই জামায়াত-শিবিরকে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালাতে সুযোগ করে দিয়েছে। বড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসে সরকার অনেক অন্যায় অভিযোগকে প্রশ্রয় দিয়েছে। এখন জনগণকেই এ বিষয়ে সোচ্চার হতে হবে। জনগণ সোচ্চার হচ্ছে না, কারণ সাংসদরা সোচ্চার নয়। সাংসদদের নীরবতার জন্যেই জামায়াত-শিবির এ সুযোগটা পাচ্ছে। এই অবস্থায় সাংসদদের সক্রিয় হতে হবে। যে দল ২৬৭টি আসন পেয়ে সংসদে যায়, সে দলের সাংসদরা নীরব থাকে কেন? আমি তাদের নীরবতার কথা বলছি। তাদের নীরতার কারণেই দেশে আজ এই অবস্থা চলছে।”
“আমি বলতে চাই ২৬৭ আসনের কথা। আমি নিজেও ভোট দিয়েছি। ক্যাম্পেইন করেছি। বৃষ্টির মধ্যে পদযাত্রা করেছি। আইনের লড়াই করে ভোটার লিস্ট বাতিল করে আমি নতুন ভোটার বানিয়েছি। যেখানে এক কোটি ৪০ লাখ ভুয়া ভোটার ছিল, তা ভোট বাতিল হলো। আমরা অবদান রেখেছি এ পরিবর্তন আনার জন্যে। তাই আমরা চাই জনগণের হাতে ক্ষমতা দিতে।”
ইতিহাসের দিকে ফিরে তাকান ড. কামাল হোসেন। “যে রাজনীতি আমরা করেছি ৫০-এর দশকে। ৫২-এর ভাষা আন্দোলনে, ৬০-এর দশকে মার্শাল ল বিরোধী আন্দোলনে। আইয়ুবকে বিদায় দিয়েছি। তারপর ৬৯, ইয়াহিয়াকে ৭০-এর ভোটে বিদায় দিয়েছি। তারা ঝাপিয়ে পড়েছিল সামরিক শক্তি নিয়ে। আমরা লড়াই করেছি। আমাদের মধ্যে যাদের প্রশিক্ষণ ছিল না, তারা প্রশিক্ষণ নিয়েছি। ট্রেনিং নিয়ে যুদ্ধ করে ১৬ ডিসেম্বর এনেছি। সেই দেশে এ রাজনীতি কেন হবে?”
তিনি বলেন, “কাদেরকে লড়াই করতে হয়েছে? জনগণকে। তারপরও অনেক মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে। নূর হোসেন উল্লেখযোগ্য। তাদেরকে স্মরণ করা উচিৎ।”
গণতন্ত্র রক্ষায় গণমাধ্যমকে ভূমিকা রাখার কথা বলেন ড. কামাল। তিনি বলেন, “পত্রিকাগুলো খালেদা খালেদা করছে। যদিও তিনি (খালেদা) বাজে কথা বলছেন, তারপরও তো তিনি (খালেদা) পাবলিসিটি পাচ্ছে।”
তিনি বলেন, “উনাদের কথা যত আমরা কম বলি তত ভালো, উনারা কোথায় কি বলছেন, রাস্তাঘাট খুলছেন। খালেদা কি করছেন, আমি বলি খালেদার সবচেয়ে বড় পিআরও হলো হাসিনা। এসবের মধ্যে আমি নাই।”
“অনেকেই শুধু দুই নেত্রীর কথা বলেন। কিন্তু আমার মুখে আমি এদের নাম নিই না। আমি আমার আবেগের কথা বলছি। আমার মুখে এই দুই নেত্রীর নাম শুনবেন না। কার নাম শুনবেন? আমি একজন নাগরিক। আপনি একজন নাগরিক। আমরা ক্ষমতার মালিক। আমরা মালিক হয়ে কেন তাদের এই সিংহাসনে বসাচ্ছি। মনে হয়, আমরা যেন সব প্রজা। এই জমিদার থেকে মুক্ত হলে, আরেক জমিদারের প্রজা হতে হবে। নাগরিক হওয়ায় যেন আমাদের ক্ষমতাও নেই, শক্তিও নই। আমাদের এ শক্তি ক্ষয় হলো কেন? গণতন্ত্র থাকলে আমরা ৯ কোটি ভোটার অসহায় কেন?”
ড. কামাল বলেন, “১৪ দল করেছি গত নির্বাচনের সময়। তখন বগুড়াতে গেলে আওয়ামী লীগের থানা সভাপতিরা আমাকে বলেছেন, কামাল ভাই, আমরা ঠিক করেছি মান্না ভাইকে নমিনেশন দেওয়ার। তিনি দুই বার ডাকসুর প্রেসিডেন্ট ছিলেন। শিক্ষিত, আপনারা মিডিয়াতেও দেখছেন। কিন্তু ওকে কেন আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিল না! এমন একজনকে দিল, যার মান্নার পাশে দাঁড়ানোর মতো কোনো অবস্থানই নেই। কেন দেওয়া হলো! এই হলো আমাদের রাজনীতি”, ক্ষোভ প্রকাশ করেন ড. কামাল হোসেন।
তিনি বলেন, “আমরা যারা ক্ষমতার মালিক, আমাদের ক্ষমতা নিয়ে ব্যবসা হবে। আর আমরা কিন্ত, এ ব্যাপারটিকে মূল ইস্যু করি না। আজকে মূল ইস্যু কি? খালেদা কী বলেছে, হাসিনা কী বলছে? এটিই এখন মূল ইস্যু। আসরে এটি তো মূল ইস্যু না। আসল ইস্যু হচ্ছে আট মাসের মধ্যে আমাদের একটা নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এর মধ্যে আমরা দিনবদল চাই। যারা দিনবদল করতে ব্যর্থ হয়েছে--তারা মনে করছে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি। বাহ! বাহ! আমরা সবাই বীরশ্রেষ্ঠ! আমাদের ভোট দিয়ে যান। আমার ভয় এ কারণেই।”
রাজনীতি করতে গিয়ে নিজের মূল্যায়ন সর্ম্পকে পরিষ্কার জবাব দিয়েছেন ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, ‘‘নিজের মূল্যায়ন হবে, এজন্য আমি রাজনীতি করি না। কখনও ভাবিওনি। জনগণ আমাকে ভালোবাসেন। তরুণরা আমাকে ভালোবাসেন। তরুণরা আমাকে সময় দিচ্ছেন, এই তো আপনারা সময় দিচ্ছেন। এটাই আমার মূল্যায়ন। আমি ১৫ আগস্টের পর থেকে একদিনও এমপি থাকিনি। মন্ত্রীও থাকিনি। এ নিয়ে আমি বিন্দুমাত্র দুঃখ করি না। ওই ধরনের মূল্যায়ন আমার হয়নি। রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর যারা পাইকারিভাবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ফাঁসির আসামিকে ক্ষমা করতে বাধ্য হয়েছেন, অযোগ্য লোককে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে নিয়োগ করতে বাধ্য হয়েছেন। আমি সে চেয়ারে গেলে কী করতাম!”
“রাজনীতির পচন ধরেছে। এখন পচানোর প্রতিযোগিতা চলছে। আমাদের রাজনীতি হচ্ছে—৭২’র সংবিধান, যা গণতন্ত্রের কথা বলে।”
ক্ষমতার প্রতি রাজনৈতিক নেতাদের লোভ নিয়ে তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে যা আমরা পেয়েছি, এত লোক শহীদ হয়েছেন, মূল নেতারা আমাদের জীবন দিয়েছেন। তাজউদ্দিন কেন জীবন দিয়েছেন! তাকে বলা হয়েছে, আপনি প্রধানমন্ত্রী হয়ে যান। তিনি ধিক্কার দিয়েছেন। আর এখন, প্রধানমন্ত্রীর হওয়ার জন্যে সব কিছু বিসর্জন দেওয়া হচ্ছে। খালেদা জিয়ার প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইয়েস উনিও সবকিছু বিসর্জন দিয়েছেন, হাওয়া ভবনকে প্রশ্রয় দিয়েছেন।”
রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করা বিষয়ে তিনি বলেন, “আমাদের প্রত্যেক নির্বাচিত সরকার কথা দিয়ে কথা রাখে না। আমাদের রাজনীতি এরশাদ পচিয়েছে। এর আগে যারা ছিল তারা পচিয়েছে। এ পচন থেকে ক্ষমতাসীন সরকারও মুক্ত হতে পারছে না। এক পচন থেকে মুক্ত হতে যাদের নির্বাচিত করছি, তারা আরো পচাচ্ছেন। পচাতে পচাতে এখন চলছে পচানোর প্রতিযোগিতা।” তাই পচানোর রাজনীতি থেকে দেশকে মুক্ত করতে তিনি তরণদের আহবান জানিয়েছেন।
ড. কামাল হোসেন পচনশীল রাজনীতি থেকে মুক্ত করতে--তরুণদের এগিয়ে আসার কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “সকল আন্দোলনে তরুণ সমাজকে মুখ্য ভূমিকা রাখতে হবে। ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬ দফা, ১১ দফা, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তরুণরাই মূল ভূমিকা রেখেছেন।”
ছাত্ররাই এসব আন্দোলনে দিক-নির্দেশনা দিয়েছে। তিনি বলেন, শাহবাগ গণজাগরণে আমি আবারও আশার আলো দেখছি। আমরা চাই না, পচা রাজনীতি দিয়ে তরুণদের এই শক্তিকে নষ্ট করা হোক।”
রাজনৈতিক অঙ্গনে নেতৃত্বের বয়স নিয়ে কথা বলেছেন ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে যত তরুণ আছে, তাদের বয়স ৪০’র নিচে, ৩৫’র নিচে। তারাই তো সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে এখন। তাই তারাই পারে জাতিকে পচনের রাজনীতি থেকে উদ্ধার করতে।
তিনি বলেন, “আমরা কেন শুধু হাসিনা-খালেদার দিকে দৃষ্টি দিয়ে রাখব? পত্রপত্রিকা শুধু তাদের দিকেই দৃষ্টি দিয়ে রাখে। দুই দলের রাহু থেকে আমরা মুক্ত হবো না, যদি মানুষ নিজের দিকে তাকিয়ে না দেখে। আমি ক্ষমতার মালিক, আমি যোগ্য লোককে সাংসদ বানাতে চাই, এটা কি অন্যায় কথা হবে। নিজের কথা ভাবতে হবে। এখন মানুষকে ভাবতে হবে--আমি যাকে ভোট দিচ্ছি, সেকি আমার কথা ভাবছে।”
ড. কামাল হোসেন বলেন, “যখনই গণজোয়ার সৃষ্টি হয়, তখন সে সুযোগটা রাজনৈতিক দলগুলো গ্রহণ করে। এই দলগুলোতে কয়জন লোক আছে। তাদের সংখ্যা কতিপয়। তাদের সংখ্যা এক পার্সেন্টও না। কিন্তু তারাই সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছে। আমরা ৯৯ পার্সেন্ট, যারা জনগণ। তাদের সবচেয়ে বড় হচ্ছে তরুণ।”
তিনি বলেন, “এখন আমাদের ৪৫ থেকে ৫০ বছর বয়সী লোকদের মধ্যে দৃষ্টি আকর্ষণ করা দরকার। এখন অনেকে মান্নার (তার বয়স ৬০) নাম বলছেন। আমরা যদি তার ক্যারিয়ার দেখি, তার বক্তব্য দেখি। তিনি দু্ইবার ঢাকসুর ভিপি ছিলেন। হি ইজ আ গুড লিডার। নতুন নেতৃত্ব সম্পর্কে তিনি বলেন, যখন ওবামা প্রেসিডেন্ট হন তখন তাঁর বয়স ছিল ৪৭ বছর। ডেভিড ক্যামেরনের ছিল ৫০ এর কম যখন তিনি ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী হন। বঙ্গবন্ধু যখন প্রথম শিল্পমন্ত্রী হন তখন তাঁর বয়স ছিল ৩৪ বছর। ৫৪ বছর বয়সে তিনি রাষ্ট্রপতি হলেন। ৩৪ বছর বয়সে আমাকে করলেন আইনমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু যখন নিহত হলেন, তখন তার বয়স ৫৫। এরই মধ্যে তিনি জাতির পিতা হলেন, দেশকে স্বাধীন করলেন। তাজউদ্দিন আহমদ স্বাধীনতা যুদ্ধে পুরো নেতৃত্ব দিয়ে অর্থমন্ত্রী হলেন, তখন তার বয়স ছিল ৫৪ বছর। এখন আমাদের দৃষ্টি সেখানে দেওয়া দরকার।”
“আমরা যে সমাজের কথা বলেছি, যে গণতন্ত্র এনেছি, সেটা তো এই গণতন্ত্র না।” গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শহীদ নূর হোসেনের আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করেন ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, “কি অসাধারণ ছিল তার স্পিরিট। বুকে-পিঠে ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ লিখে মিছিল করেছিল। আমি যদি হাসিনা-খালেদার নামটা না নিয়ে নূর হোসেনকে নিয়ে প্রতিদিন একটা লেখা লিখি, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সেটি হবে আরও মঙ্গলজনক। আমরা নূর হোসেন চত্বর করেছি, কিন্তু তাকে ভুলে গেছি। নূর হোসেন যে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, আমরা কি সেই গণতন্ত্র পেয়েছি?”
বড় দলগুলোর রাজনৈতিক চর্চা সম্পর্কে ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘‘গ্রামে গেলে দেখা যাবে, যারা ক্ষমতায় আসে, কীভাবে আসে। বড় দল কীভাবে রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমরা গণতান্ত্রিক রাজনীতি করেছিলাম। তৃণমূল থেকে বঙ্গবন্ধুর কাছে যেসব মানুষ আসত, তিনি তাদের মূল্য দিতেন। এমনও দেখেছি--কোন সিনিয়র নেতা বা বড় ব্যবসায়ী এসেছেন বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে। তারা বসে থাকতেন। বঙ্গবন্ধু দেখতেন ইউনিয়ন থেকে কে এসেছে। তিনি কোলাকুলি করতেন। পাশে বসাতেন, বসতেন, শুনতেন তাদের কথা। তাদের সঙ্গে মিটিং-এর পর আমাদের বলতেন, ‘এলাকাটি ঘুরে আস। মানুষের কি প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। আমরা যে কথা বলেছি, মানুষ কীভাবে তা গ্রহণ করছে। কোন মানুষ? পায়ে হেঁটে যারা এসেছে।’”
তিনি বলেন, “বঙ্গবন্ধু তো জনগণ থেকে হয়েছে। শেখ মুজিবুর রহমান তো তার বাবার দোহাই দিয়ে বঙ্গবন্ধু হননি। তাজউদ্দিনও কারো পরিচয়ে হননি। এখন দেখছি মনোনয়ন প্রার্থীদের পোস্টারে বঙ্গবন্ধুর ছবি ছোট হতে শুরু করেছে। তাঁর মেয়ের ছবি বড় হয়ে উঠছে। কারণ তিনি মনোনয়ন দিচ্ছেন। আবার মনোনয়ন দিচ্ছেন টাকার বিনিময়ে। এসব কথা বলতে হবে। তা না হলে জনগণ আরো ক্ষমতাহীন হয়ে যাবে।”
ছাত্ররাজনীতির অতীত সম্পর্কে তিনি বলেন, তখনকার ছাত্র সমাজের কাজ ছিল মানুষ কি বলছে, সেটাই বলা। সিরাজুল আলম খানের মতো যারা ছিল, তারা মানুষের কথা বলতো। টেন্ডারের কথা বলতো না। এখন যারা বলছে টাকার কথা, গাড়ির কথা তাদেরকে আমাদের ঘৃণা করা উচিৎ।”
রাজনীতিতে পালাবদল ও পরিবর্তনের ব্যাপারে তিনি বলেন, “জনগণের উচিত এখন রাজনীতিতে নতুনধারা আনা ও পরিবর্তন ঘটানো। প্রত্যেক এলাকার জনগণের পক্ষ থেকে আগে দাবি আসা উচিত--আমরা সুষ্ঠু-অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। আমরা পূর্বে দেখেছি দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন। সেটি আমরা আমরা চাই না। ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি যে নির্বাচন হতে যাচ্ছিল সেটি আমরা চাই না।”
তাহলে কেমন নির্বাচন চাই, প্রশ্ন রাখেন ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, আসল কথা--জনগণের কথাগুলো হেডলাইনে আসুক। জনগণের মধ্যে আত্মবিশ্বাস আনতে হবে। ৫২, ৭১ থেকে আত্মবিশ্বাস আনতে হবে।”
আগামী নির্বাচনে নতুন প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগ নিচ্ছেন ড. কামাল হোসেন। আগামী নির্বাচনেই প্ল্যাটফর্ম দাঁড়াবে বলে জানান তিনি। নতুন এ প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে তিনি বলেন, “নেত্রী দু’জনেই ভাবছেন ক্ষমতায় কি ভাবে যাওয়া যায়। জনগণ তাদেরকে কীভাবে ক্ষমতায় আনবেন, সেটি নিয়ে তারা কিছুই ভাবছেন না। আমরা ভাবছি। খুব শিগগিরই আমরা মহাসমাবেশের উদ্যোগ নিচ্ছি। সেখানে এ কথাগুলোই বলবো। জনগণকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে, তারা কাকে ভোট দেবেন। আগেই ভাবতে হবে—যাকে ভোট দেবো, সে নির্বাচিত হলে আমার কি লাভ হবে।”
তিনি বলেন, সমাবেশে আমার প্রথম কথা হবে--জনগণই সকল শক্তি সেটি প্রতিষ্ঠা করা। মুক্তিযুদ্ধের রাজনীতি হচ্ছে জনগণকে কথা বলতে দেওয়া। নতুন প্লাটফর্মের ব্যাপারে তিনি বলেন, “এখনো আট মাস আছে, সত্যি আমরা পরিবর্তন চাই। তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে আমার একাত্মতা আছে। বড় নেত্রীরা তো কোন কথা শুনে না।”
দুই দলের সমঝোতার সমালোচনা করে তিনি বলেন “রাজনৈতিক দলগুলোতে রয়েছে অগণতান্ত্রিক মানসিকতা। ক্ষমতায় গেলে তারা অন্ধ ও স্বৈরাচার হয়ে যায়। এ কারণেই জনগণ এরশাদকে সরিয়েছে। খালেদাকে সরিয়েছে। দেশের মানুষ ধর্ম ব্যবসার নামে রাজনীতি দেখতে চায় না। তাই জনগণ জামায়াতকে আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ করেছে।”
রাজনৈতিক অঙ্গনে তৃতীয় শক্তির কথা শোনা যাচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ড. কামাল হোসেন বলেন, “তৃতীয় শক্তি বলে কিছু নেই, যা আছে সেটি হলো জনগণ। সংবিধানে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শক্তি কিছু লেখা নেই। লেখা আছে জনগনই ক্ষমতার মালিক।” দুই শক্তির মাঝে তৃতীয় শক্তিই হচ্ছে জনগণ। জনগণই ক্ষমতা বদলায়, ক্ষমতায় বসায়।
উল্লেখ্য, গেল বছর ২১ অক্টোবর রাজধানীর একটি হোটেলে রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে ছিলেন গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ড. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। রাজনীতিতে নতুনধারা সৃষ্টি করতেই তারা এই ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন।
(সাক্ষাৎকারের শেষাংশ পড়ুন রোববার)
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
March
(183)
-
▼
Mar 31
(10)
- ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের বিরুদ্ধে কর্মসূচির দরকার ন...
- নতুনরূপে আবার পর্দায় রত্না by কামরুজ্জামান মিলু
- গণস্বাক্ষর জমা নিয়ে স্পিকারের আশ্বাস, ৬ এপ্রিল মহা...
- লুট দুর্নীতি! লুট দুর্নীতি!! লুট দুর্নীতি!!! by লা...
- বাংলানিউজকে ড. কামাল হোসেনঃ দুই দল ও নেত্রী থেকে দ...
- তামাক ভরছে শিশুরা, আইনের বালাই নেই আকিজ কারখানায় b...
- ঢাকায় আসছে ট্রাকভর্তি ‘বিষ’র চালান! by ইশতিয়াক হুসাইন
- গণস্বাক্ষর জমা দিতে ইমরানের নেতৃত্বে ৩ জন সংসদে
- কাদের মোল্লার মামলার শুনানিতে ছয় বিচারপতির বেঞ্চ
- তিন জেলায় হরতাল চলছে, টিয়ারশেল
-
▼
Mar 31
(10)
-
▼
March
(183)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment