Friday, September 15, 2023
গল্প- বোবা রাজহাঁস by দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
গল্প- বোবা রাজহাঁস by দেবনারায়ণ চক্রবর্তী

‘ইলিশ নিবেন গো মা – ইলিশ মাছ – পদ্মার ইলিশ – ’
মাছওয়ালা পাড়ায় হেঁকে বেড়াচ্ছে অনেকক্ষণ থেকে। বাড়ির সামনে দিয়ে হেঁকে গেল কয়েকবার। কার্তিকবাবু রাস্তার দিকের ঝুলবারান্দায়। বর্ষার ভিজে বাতাসে ইলিশের আমন্ত্রণ! তৃতীয়বার লোকটা আসতেই – চাকরির প্রবাস থেকে বউ গোলাপবালার কাছে ফেরার মতো অমোঘ আকর্ষণে মাছের ব্যাগ নিয়ে নিঃশব্দে পথে নেমে এসেছেন কার্তিকবাবু।
‘ওগো শুনছ, দেখে যাও একটা জিনিস, একটু বারান্দায় এসো – ’ যদিও কার্তিকবাবু ডাকলেই গোলাপবালা কিশোরী, কিন্তু বাস্তবে হাঁটুর মচমচানি ব্যথা নিয়ে আসতে সময় লাগে।
হাঁপানি, হার্টের অসুখ, চর্বির বরফ সরিয়ে পিত্তথলির পাথর নাকি বার করা যায়নি। এই সুইট সেভেনটি এইটেও মসৃণ ত্বক, কুচকুচে কালো মাথায় চুল, ভ্রু, আঁখিপল্লব। একটু যা পৃথুলা। তা নব্বই-পঁচানব্বই কী আর এমন ওজন। এখনো হাসলে মনে হয় যেন নতুন বউ। বুক ধড়ফড় করতে থাকে কার্তিক নস্করের।
বারান্দার রেলিংয়ে ভর দিয়ে ঝুঁকে দাঁড়িয়েছেন গোলাপবালা। রুপালি ইলিশে সকালের মিঠে রোদ্দুর পড়ে ছিটকে এসে জিভ ঝলসে দেয় যেন তাঁর। ইশারায় দাম জেনে নেন, বারোশো টাকা কেজি।
বউ জিভে ঠোঁট ভিজিয়ে সম্মতি জানিয়েছেন – কার্তিকবাবু নিচে বড় ছেলে, ওপরে ছোট ছেলের জানালায় চোখ বুলিয়ে নেন। মোটা পর্দা ঝুলছে, তবু ছেলের বউদের চোখে পড়ে যেতে পারে! অত জোরে গিন্নিকে ডাকা উচিত হয়নি। কিন্তু গোলাপবালার অনুমতি ছাড়া কার্তিকবাবু কোনো কাজ করতে পারেন না।
ছেলের বউরা অসহায় রাক্ষুসীর মতো জুলজুল চোখে গোলাপবালার সুখের সংসারের ওপর নজর রাখে সারাক্ষণ। নানা অছিলায় শাশুড়ির সঙ্গে ঝগড়া বাধিয়ে দেয়। বড় বউ তার পোষা বেড়ালের নাম রেখেছে গোলাপি। দুপুরে কলমিশাক ভাজা দিয়ে ভাত খেয়ে উচ্ছিষ্ট কলপাড়ে ঢেলে পোষা বেড়ালকে চিৎকার করে ডাকবে, গোলাপি মাছ খেয়ে যা!
ছেলেগুলো যেন রথের মেলার ঘাড়-নাড়া মাটির পুতুল। বউদের কিচ্ছুটি বলবে না। গোলাপবালাও ছাড়বার পাত্রী নন। সেদিন কী নিয়ে যেন বড় বউ শাশুড়ির মুখে মুখে কথা বলে যাচ্ছে। বড় ছেলে ব্রত তখন বাড়িতেই।
ব্রতর মার সব রাগ গিয়ে পড়ে ছেলের ওপর। বলেন, ব্রত তর রক্ত খামু একদিন দেখিস! বউরে, তুই কিচ্ছুটি বলিস না। আমারে সকল সুমায় অপমান করে!
কার্তিকবাবু ছুটে গিয়ে উত্তেজিত গোলাপবালাকে অনেক বুঝিয়ে ঘরে নিয়ে আসেন। উত্তেজনার বশে পড়ে গেলে আর দেখতে হতো না। নির্ঘাত হার্ট অ্যাটাক!
আজ সকালে ব্রত যখন বেরোচ্ছিল, কার্তিকবাবু তখন ছাদে পায়চারি করছিলেন। পরিষ্কার কানে এলো, বড় বউ ব্রতকে বলছে, টাকা তো কিছু দিয়ে গেলে না। রান্না কী করব?
ব্রত বলে, চাল তো আছে। কাল রাতে যে পুঁইশাক আনলাম, ওই দিয়ে আজকের দিনটা চালিয়ে নিও।
ছমাস ব্রতর কারখানা বন্ধ। পাড়ার ক্লাবে আটশো টাকায় রাতপাহারা দেয়। ভোরে ফেরে, একটু গড়িয়ে নিয়ে চা প্যাকেটবোঝাই দুটো ব্যাগ সাইকেলে চাপিয়ে দুপুর পর্যন্ত দোকানে দোকানে ফেরি করে –
আজ সাইকেল নিয়ে বেরোয়নি। কারখানা নাকি খুলছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হচ্ছে এখন। কবে থেকে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিতে পারবে খবর নিতে আজ কারখানায় গেল ব্রত।
পুঁইশাক। কানে যেতেই – ইলিশ মাছের মাথা দিয়ে পুঁইশাক, ইলিশের নানা পদ ছাড়াও ভাজা আর ইলিশ মাছের তেল দিয়ে একটা সবুজ কাঁচালংকা কামড়ে গরম ভাত, আহ্! জিভে জল এসে গিয়েছে কার্তিকবাবুর। সেই তখন থেকে একটা জ্যান্ত ইলিশ মাছ কার্তিক নস্করের পেটের মধ্যে যেন খলবল করছে। ব্রতর মা গোলাপবালার গর্ভ হলে যেমন –
সিঁড়ির মুখে ওপরে ছোট ছেলের বউ। হাতে তোয়ালে-সাবান। নিচে স্নান করতে নামছে। নিচের বাথরুম ভাড়াটে আর দুই ছেলের সংসারের জন্য। ওপরে কার্তিক-দম্পতির বাথরুমে অন্য কারো প্রবেশাধিকার নেই।
ছেলেবউদের সঙ্গে কথা নেই কার্তিকবাবুদের। সে-কথা যত না বলে ততই ভালো। নিজেরা সুখে-শান্তিতে থাকো তাহলেই হবে।
বড়বউ কাপড়ের ব্যবসা করে। বিশ-পঞ্চাশখানা কাপড় আড়তদারদের কাছ থেকে কিনে আনে। বাড়ি এসে পছন্দ করে কাপড় নিয়ে যায় পাড়ার লোক। কিস্তিতে টাকা শোধ করে। মেয়ের ক্লাস টেন, ছেলের ফাইভ।
ছোট ছেলের কারখানাও এখন টালমাটাল অবস্থায়। বন্ধ হয়ে যাবে। মাসে পনেরো দিন কাজ পায়। ছোট বউ কোনো বীমা কোম্পানির এজেন্সি নিয়েছে। ওর মেয়ের সিক্স, ছেলের ওয়ান।
ছেলেরা নিজেদের সংসার চালিয়ে নেয়। মাঝেমধ্যে যৎসামান্য সাহায্য করলেই চলে। বিদ্যুতের বিল, খাজনা-ট্যাক্স, সুইপার এমনকি ব্রত যে রাতপাহারার জন্য পাড়ার ক্লাব থেকে আটশো টাকা পায় সেখানেও কার্তিকবাবুর চাঁদা আছে। কেননা বাড়িটা তাঁর। দুছেলের জন্যই ওপর-নিচে একখানা করে ঘর আর বারান্দায় রান্নার জায়গা বরাদ্দ। নিচে রান্নাঘরসহ একখানা বড় ঘর ভাড়াটে না থাকলে তালা দেওয়া পড়ে থাকে।
‘অত চিল্লাও ক্যান, মরণ নাই তুমার!’
সোফার গদিতে শরীর ডুবিয়ে বসে আছেন গোলাপবালা। কার্তিকবাবুকে দেখেই হুংকার। হাতের কাছে চিরুনি পেয়ে সেটাই ছুড়ে মারেন সোয়ামির দিকে।
ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যান ব্রতর বাবা। বুঝতে পারেন না কী অন্যায় করেছেন। গোলাপবালার ক্ষরদৃষ্টির বাইরে যেতে পারেন না। আবেগভরা মোলায়েম গলায় বলেন, ‘কী আবার হইল। অত রাগ করো ক্যান? তুমারে না জিগাইয়া -’
রান্নাঘর থেকে রাঁধুনি ছুটে আসে। মাছ দেখে সেও খুব খুশি। বলে, ‘কত বড় ইলিশ ঠাকমা! কিন্তু বাবা কী ঠান্ডা! যেন মর্গের লাশ।’ ‘আস্তে কথা তুই বলতেই পারিস না, না? আর ঠাকমা আবার কী ডাক? মাসিমা বলতে পারিস। বউদি বললেই-বা দোষের কী আছে!’ দাঁত খিঁচিয়ে ওঠেন কার্তিকবাবু।
রাঁধুনি মুখে আঁচল চেপে হাসে।
‘বুলটি, এখানে মেঝেয় খবরের কাগজ বিছিয়ে কাট। পরে মুছে দিবি। ইলিশ মাছ কাটা দেখতে আমার খুব ভালো লাগে।’
খিক্খিক্ করে হাসেন গোলাপবালা। হাসতে হাসতে কাশি এসে যায়। ‘আহা অমন অস্থির হও ক্যান। শরীর খারাপ লাগতাছে?’
কার্তিকবাবু বউয়ের পিঠে হাত বুলিয়ে দেন, মৃদু মুষ্ঠাঘাত করেন পিঠে।
গোলাপবালার হাঁটুতে, কোমরে, ঘাড়ে সর্বত্রই ব্যথা। সোহাগের। তবু দেখ না দেখ, যে না সে-ই কুদৃষ্টি দেয়। সেদিনই যেমন, বিকেলে স্নান করে, পাটভাঙা হলুদ শাড়ি পরে, কপালে বড় সিঁদুরের টিপ – তখনই এসেছে বড়দার বড় মেয়ে। গল্প করতে করতে আচমকা জিজ্ঞেস করে, ‘কাকিমা আপনার বয়েস কত হইল?’
ফোঁস করে ওঠেন কার্তিকবাবু, ‘মাইয়ালোকের বয়েস জিগাইতে নাই সোনা! এমনিতেই শরীর ভালো না তুমার কাকিমার।’
ভাইঝি চলে গেলেই গোলাপবালার হাত টেনে নিয়ে মণিখচিত অঙ্গুরীশোভিত কনিষ্ঠায় মৃদু কামড় দিয়ে দেন কার্তিকবাবু। নজর লেগে থাকলে কেটে যাবে।
গরম তেলে ইলিশ পড়তে সারাবাড়িতে সুঘ্রাণ – বারান্দায় বড় খাঁচায় কোকিল-দম্পতিও চিৎকার করছে। কার্তিকবাবুর এক কলিগ বলেছিলেন, ‘কোকিল পুষলে সারাবছর বাড়িতে বসন্তকাল বিরাজ করে।’
কোকিলের খাঁচায় নাক ঠেকিয়ে আদরের সুরে কার্তিকবাবু বলেন, ‘আরে পাখি ছটফট করো ক্যান! জানি তো ইলিশের ঝোল দিয়া মাখা ভাত খাইতে তুমরা ভালোবাস -’
তখনই নিচতলা থেকে ব্রতর ছেলের কান্না ভেসে আসে। ইস্কুলে যাবে, পুঁইশাক চচ্চড়ি দিয়ে ভাত মেখে তাড়াতাড়ি খেতে গিয়ে শাকের মধ্যে লুকিয়ে থাকা কাঁচালংকা কামড়ে ফেলে চিৎকার করে কেঁদে উঠেছে। ব্রতর বউ আবার ছেলের পিঠে দুঘা বসিয়ে দেয়।
মুখগহ্বরে ঝাললংকা-মেশা বিষ অন্ন, দুচোখে জলের ধারা। ব্রতর বউ যেন বিশ্বরূপ দেখতে পায় ছেলের মুখগহ্বরে। ভয়ে চমকে উঠে তাড়াতাড়ি জলের গ্লাস ধরে ছেলের মুখে। বলে, ‘খা, জল খা। দেখে খেতে পারিস না! অতবড় ছেলে ক্লাস ফাইভে পড়িস!’
ইলিশের গন্ধ পেয়ে ওপরে ছুটে এসেছে কার্তিকবাবুর মেয়ে। বলে, ‘আজ একাদশী আর আজই ইলিশ মাছ কিনলা!’
‘একদিন একাদশী না করলে কিছু হয় না।’ খিঁচিয়ে ওঠেন গোলাপবালা। মেয়ের বিয়ে হয়েছিল। এক মাস পর জামাই বলে, ‘আপনার মেয়ে পাগল, লুকিয়ে বিয়ে দিয়েছেন!’
গোলাপ-দম্পতি জামাইয়ের মুখের ওপর বলতে পারেননি, সব মেয়েরই বিয়ের আগে একটু-আধটু মাথার দোষ থাকে। বিয়েটা হলে, সন্তান হলেই ঠিক হয়ে যায়। কপালও মেয়েটার খারাপ। এক মাস তো সংসার করেছে, সন্তান এসে যেতেই পারত। জামাইয়ের ব্যবসাপত্র ভালোই। বাবা-মা, ভাইবোনদের নিয়ে একান্নবর্তী সংসার। ওরা অনেক চেষ্টাও করেছিলেন মেয়েজামাইকে ও বাড়ির ঘেরাটোপ থেকে বার করে আনতে। প্রয়োজনে টাকা খরচ করতেও রাজি ছিলেন। কিন্তু জামাই বেঁকে বসল। দানসামগ্রীসহ মেয়েটাকে ফিরিয়ে দিয়ে গেল একদিন। আর কী মেজাজ হারামজাদার। কার্তিক নস্করের মতো রাশভারী মানুষ, মোটা অংকের পেনশনভোগী রাজকর্মচারী। তাঁর মুখের ওপর টক্টক্ করে কথা বলে জামাই! আইনি ছাড়াছাড়িটাও করিয়ে নিল তাড়াতাড়ি। আবার বিয়ে করেছিল সে; কিন্তু ভালোটা কী হলো তোর। ঘটনার দুবছরের মাথায় ক্যান্সার ধরা পড়ল।
সত্যিই মেয়েটা বোধহয় পাগল। এখনো স্বামীর স্মৃতি আঁকড়ে আছে। যতদিন মানুষটা বেঁচে ছিল শাঁখা-সিঁদুর পরেছে। মৃত্যুর খবর পেয়ে খুব কাঁদল কদিন। তারপর থেকে বিধবার মতো একাদশী, অম্বুবাচী – আরে সে তোর কদিনের স্বামী ছিল? দুদিনের পরিচয়! মেয়েকে সেসব কথা বোঝাবে কে। শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরত আসা আসবাবে সাজানো একটা ছোট ঘরে থাকে সে নিচে সিঁড়ির পাশে একটেরে। মেয়ের যত রাগ-অভিমান সব বাবা-মার ওপর।
তিনটে ব্যাংকের কাজ সেরে ফিরতে বেলা একটা বাজল কার্তিকবাবুর। ব্যাংক থেকে ফেরার সময় কানে গিয়েছিল, ব্রতর বউ অস্থিরভাবে হইচই করছে। ব্রতর প্রেসক্রিপশনের ফাইলটা কোথায় রেখেছে খুঁজে পাচ্ছে না – মেয়ে দেখেছে কি না। সে কেন কাজের জিনিস গুছিয়ে রাখেনি!
কারখানা থেকে ফেরার পথে ব্রত অসুস্থ হয়ে পড়েছে। খেয়াঘাটে বসিয়ে রেখে পথের মানুষ ফোন করেছিল। ব্রতর সঙ্গেও ওর বউয়ের কথা হয়েছে। ব্রতর কথা অস্পষ্ট জড়ানো, যেন দূরে কোথাও ছুটতে ছুটতে চলে যেতে যেতে কিছু বলে গেল। পথের মানুষ বলেছে, এখনই ভর্তি করতে হবে। অবস্থা ভালো না। খুব শ্বাসকষ্ট হচ্ছে! এসব কথা মেয়েকে বলছিল বড় বউ।
গোলাপবালা ব্যাংকের পাশবইগুলো দেখছিলেন। মুখে তৃপ্তির হাসি। দেখে খুব ভালো লাগছিল কার্তিকবাবুর। ছেলের অসুস্থ হয়ে পড়ার কথাটা বলতে ভুলেই গেলেন।
সত্যিই টাকা গচ্ছিত রাখলে টাকার গাছ ফল ফুল হয়!
প্রতিবেশীরা মাঝেমধ্যে বোঝায়, সব ছেলেদের নামে লিখে দিয়ে ঝামেলা মিটিয়ে দিন। কার্তিকবাবু শুধু হাসেন। বলেন, ‘খান পাঁচ-ছয় ক্যাশ সার্টিফিকেট আর এই পেনশনের কয়টা টাকা ছাড়া আমার আর কিছুই নাই। অবশ্য চাকরির শেষ বেতন যা পাইতাম, এখন সাতাশ-আটাশ বছর পর পেনশনেই পাই তার তিনগুণ। ছেলেদেরও কিছু কিছু সাহায্য করতে হয়। ওদের নামে সব টাকা নমিনি করা আছে। আমরা দুজন না মরলে তো আর ছেলেরা কিছু পাবে না।’
তবে তিনি খুব হিসেবি। মনে পড়ে, সে অনেকদিনের কথা –
অসুস্থ মেজদাকে দেখতে গিয়েছেন ফল নিয়ে। দেখে মনে হলো মেজদার বাঁচার আশা নেই। অফিসের ছুটি শেষ। উইদাউট পে চলছে। সংসারে খুব অভাব। মেজবউদির হাতে পঞ্চাশটা টাকা দিয়ে এসেছেন।
মেজদা সুস্থ হলে, খবর পেয়ে দেখতে এলেন, সঙ্গে লিস্ট। কোন কোন তারিখে মেজদাকে দেখতে এসে নগদ টাকা মেজবউদির হাতে কত দিয়েছেন সব মিলিয়ে। সে-টাকা তখনই শুধতে হবে!
কার্তিকবাবু বললেন, ‘ফলের দামটা না হয় ছেড়েই দিলাম।’
শেষে মেজবউদি তাঁর কানের দুল বিক্রি করে তখনই দেওরের ঋণ শোধ করে দিয়েছেন। চল্লিশ বছরে সেই টাকা এখন নিশ্চয়ই অনেক হয়েছে। এভাবে হিসাব করে চলেছেন বলেই না এখন কার্তিকবাবু চোখ বুজলেই দেখতে পান তাঁর চারদিকে টাকার গাছ!
দুপুরে রোজ ভাতঘুমে চোখজুড়ে আসে কার্তিকবাবুর। আজ খুব শীত লাগছে! এসি মেশিন কমিয়ে দিতে গিয়ে ধমক খেলেন গোলাপবালার কাছে। এত ঠান্ডা যেন হিমঘর!
দূরাগত কান্নার ক্ষীণ শব্দ ভেসে আসছে কোথা থেকে? কোকিলদুটোও খুব ছটফট করছে খাঁচার মধ্যে। বড় বউয়ের পোষা বেড়ালটা মাঝেমধ্যে হামলা করে কোকিলের খাঁচার ওপর। পাখিদুটো খাওয়ার মিথ্যে আশায়। কত মোটা তারের খাঁচা। অবুঝ বেড়াল তা বুঝবে কেন?
বউকে না জানিয়ে সন্তর্পণে বাইরে এলেন কার্তিকবাবু। ঘরের দরজা টেনে বন্ধ করে দিলেন।
নিচে ব্রতর ছেলেমেয়েরা কাঁদছে। ওদের পিসি বোঝাচ্ছে, ‘নবেন্দুকাকু তোর বাবাকে সঙ্গে নিয়ে এখনই ফিরে আসবে দেখিস। কাঁদিস না অমন করে!’
কার্তিকবাবু ইশারায় মেয়েকে ডাকেন, ‘ওর বড়দা কেমন আছে কোন খবর পাইছিস?’ মেয়ে ফিসফিসিয়ে বলে, ‘বড় বউদি ছন্দা মাসিরে ফোন করছিল। বড়দার অবস্থা ভালো না। আইসিইউতে রাখছে। তাও ভাগ্য ভালো রাস্তায় নবেন্দুদার লগে দেখা হইছে।’
নবেন্দু ব্রতর বন্ধু। ছেলেটা খুব গায়েপড়া। ঠেস দিয়ে দিয়ে কথা বলে আর অকারণে হাসে। কোকিলের খাঁচার সামনে কুহু-কুহু করে ডাকে। কার্তিকবাবুকে ভেঙায় বোধহয়। কী রান্নাবান্না হচ্ছে। শরীর কেমন আছে। সব খবর তার জানা চাই। সাংবাদিকদের মতো কার্তিকবাবুর পেছনে লেগে থাকে। খুব রাগ হয়। একদিন সহ্য করতে না পেরে কড়া করে দুকথা শুনিয়ে দিয়েছিলেন, ‘শোনো নবেন্দু, আমরা হচ্ছি রাজকর্মচারী। তুমাগো লগে আমাদের ওঠাবসা চলে না!’
মাথা নিচু করে আস্তে আস্তে নিচে নেমে গিয়েছে নবেন্দু।
নিচে গিয়ে সে কি হাসি! ওপর থেকে কার্তিকবাবুর কানে যায়, ব্রতর ছেলে বিহান জিজ্ঞেস করছে, ‘হাসছো কেন কাকু?’
‘রাক্ষসের মুখের সামনে আয়না ধরলেই রাক্ষস রেগে যায়!’ বলে আবার হো-হো হাসি।
রাক্ষসের মুখের সামনে আয়না ধরলে মানে কী? বোধগম্য হয়নি কার্তিক নস্করের।
সন্ধেবেলা ব্রতর মৃতদেহ বাড়ি ফিরল।
বড় বউ, ছোট বউ, ছেলেমেয়েদের আর্তকান্নায় ভারি হয়ে উঠেছে বাড়ির বাতাস। শুধু কার্তিকবাবু আর গোলাপবালার চোখে জল নেই।
যতবার কান্না ঠেলে উঠছে বুক নিংড়ে ততবারই ইলিশ মাছের ঢেকুর এসে কান্নার পথ আগলায়।
প্রতিবেশীরা অনেকে এসে ভিড় করেছে, সবারই চোখে জল। বলাবলি করছে, ছেলেটা খুবই কষ্ট পেয়ে মরল!
সবার সামনে একটু কাঁদা জরুরি বলে মনে হলো গোলাপ-দম্পতির। দুজনই আলাদা আলাদা এবং একা হয়ে চোখে জল আর গলায় কান্না আনার মহড়া দিয়ে দুজনই একসঙ্গে ছুটতে ছুটতে ওপর দিকে নেমে এসে ব্রতর মৃতদেহে হাত বুলিয়ে একটু কাঁদবে – বড় বউ ক্রুদ্ধ বাঘিনির মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে ওদের সরিয়ে দেয়। অসহায় আক্রোশে চিৎকার করে বলে, ‘না, না। আপনারা আমার স্বামীর গায়ে হাত দেবেন না।’ কার্তিকবাবু এখন ক্ষমতায় থাকলে, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীকে নির্দেশ দিতেন, লাঠিপেটা করে এই বিদ্রোহ দমন করতে!
তখন অনেক রাত। ঘর অন্ধকার। গোলাপ-দম্পতির ঘরের দরজা হাট করে খোলা। ঘুম আসছিল না ওদের। কার্তিকবাবু মাঝেমধ্যে ঘর থেকে বেরিয়ে খোলা ছাদে পায়চারি করছেন। চারদিকে থইথই জোছনায় তখনো ব্রত যেন হেঁটে বেড়াচ্ছে রাতপাহারায়। যদি হঠাৎ ফু-র-র করে ব্রতর বাঁশি বেজে ওঠে, সেই ভয়ে কার্তিকবাবু বেশিক্ষণ বাইরে ছাদে বেড়াতেও পারছেন না। ঘরে এসে বউয়ের পাশে শুয়ে পড়ছেন।
হঠাৎ ভয় পেয়ে চিৎকার করে ওঠেন গোলাপ-দম্পতি, ‘কে রে’!
দরজায় শুভ্র বসন পরা ব্রতর ছেলে সাড়া দেয়, ‘দাদু আমি বিহান।’
‘এত রাতে কী ব্যাপার?’ ধমকে ওঠেন কার্তিকবাবু।
‘নবেন্দুকাকু চলে যাওয়ার সময় বলে গিয়েছিল, তোর ঠাকুরদার সঙ্গে একবার দেখা করে আসিস। ঘুমিয়ে পড়েছিলাম তাই একটু দেরি হয়ে গেল।’
শিশু দেখে কোকিলরা ডানা ঝাপটায়। জোছনার আলগা আভায় বোঝা যাবে কেন, বিহানের গালে চোখের জলের দাগ। শুধু শিশুর হাসিকে সেলাম করে জোছনা। খাঁচার সামনে দাঁড়িয়ে হাসতে হাসতে কুহু-কুহু করে ডেকে ওঠে বিহান। কার্তিক-দম্পতি দুহাতে কান চেপে ধরেন।
পূর্বদিকে, পাঁচিলের ওপাশে চক্রবর্তীদের পুকুরপাড়ে ঝোপঝাড়ের মধ্যে কিসের যেন ঝটপটানির শব্দ। পরক্ষণেই কার্তিকবাবু দেখেন, বিহান ছুটে গিয়ে পাঁচিলের ওপর উঠে পড়ল। হাতে লাঠি। চিৎকার করছে, ‘ধর – ধর – ধর -’
‘ওরে বিহান, তুই ওইখানে, জলে পইড়া যাবি তো! রাইতবিরেতে কত রকমের বিষাক্ত প্রাণী -’
দাদুর বারণ ওর কানে গেলে তো! বিহান লাফিয়ে পড়ল পাঁচিলের ওপারে।
খানিক পরই দেখা গেল একটা রাজহাঁসকে কোলে নিয়ে এলো বিহান। পাঁচিল টপকে হাঁসটা বাড়ির মধ্যে ফেলে দিলো। ওপরে তাকিয়ে বলে, ‘এত রাতে তুমি ছাদে কী করছ? ঘুমাওনি? তোমাকে একদিন বলেছিলাম না দাদু, একটা রাজহাঁস বোবা কালাও মনে হয়। দলের তিনজন কখন বাড়ি চলে গিয়েছে। এটা বোধহয় ঘুমিয়ে পড়েছিল। অন্ধকারে পথ চিনে বাড়ি যেতে পারেনি। ঝটপটানির শব্দে ছুটে না এলে বনবিড়ালে একে খেয়ে নিত।’
রাজহাঁসটা যন্ত্রণায় ছটফট করছে, ওকে কোলে তুলে নিয়ে ঘরে চলে গেল বিহান।
হঠাৎ কী যে হলো কার্তিকবাবুর। মাথায় চক্কর দিয়ে উঠল – সারাশরীর কেঁপে হড়হড় করে বমি উঠে এলো। ইলিশ মাছের বিষবমি।
কার্তিকবাবু বমির মধ্যে মুখ গুঁজে পড়ে গেলেন।
বিহান কখন ছুটে এসেছে ওপরে। বলছে, ‘দাদু তোমার কাছে তুলো লাল ওষুধ আছে? রাজহাঁসটার পিঠে বনবিড়ালে কামড়ে দিয়েছে। খুব রক্ত পড়ছে!’ বিহানের কথা শুনতে পাচ্ছেন, কিন্তু কার্তিকবাবু কথাই বলতে পারছেন না। হাঁ করে নাতির মুখের দিকে তাকিয়ে আছেন। খুব কষ্ট হচ্ছে ওঁর বুকের ভেতরটায় –
মাছওয়ালা পাড়ায় হেঁকে বেড়াচ্ছে অনেকক্ষণ থেকে। বাড়ির সামনে দিয়ে হেঁকে গেল কয়েকবার। কার্তিকবাবু রাস্তার দিকের ঝুলবারান্দায়। বর্ষার ভিজে বাতাসে ইলিশের আমন্ত্রণ! তৃতীয়বার লোকটা আসতেই – চাকরির প্রবাস থেকে বউ গোলাপবালার কাছে ফেরার মতো অমোঘ আকর্ষণে মাছের ব্যাগ নিয়ে নিঃশব্দে পথে নেমে এসেছেন কার্তিকবাবু।
‘ওগো শুনছ, দেখে যাও একটা জিনিস, একটু বারান্দায় এসো – ’ যদিও কার্তিকবাবু ডাকলেই গোলাপবালা কিশোরী, কিন্তু বাস্তবে হাঁটুর মচমচানি ব্যথা নিয়ে আসতে সময় লাগে।
হাঁপানি, হার্টের অসুখ, চর্বির বরফ সরিয়ে পিত্তথলির পাথর নাকি বার করা যায়নি। এই সুইট সেভেনটি এইটেও মসৃণ ত্বক, কুচকুচে কালো মাথায় চুল, ভ্রু, আঁখিপল্লব। একটু যা পৃথুলা। তা নব্বই-পঁচানব্বই কী আর এমন ওজন। এখনো হাসলে মনে হয় যেন নতুন বউ। বুক ধড়ফড় করতে থাকে কার্তিক নস্করের।
বারান্দার রেলিংয়ে ভর দিয়ে ঝুঁকে দাঁড়িয়েছেন গোলাপবালা। রুপালি ইলিশে সকালের মিঠে রোদ্দুর পড়ে ছিটকে এসে জিভ ঝলসে দেয় যেন তাঁর। ইশারায় দাম জেনে নেন, বারোশো টাকা কেজি।
বউ জিভে ঠোঁট ভিজিয়ে সম্মতি জানিয়েছেন – কার্তিকবাবু নিচে বড় ছেলে, ওপরে ছোট ছেলের জানালায় চোখ বুলিয়ে নেন। মোটা পর্দা ঝুলছে, তবু ছেলের বউদের চোখে পড়ে যেতে পারে! অত জোরে গিন্নিকে ডাকা উচিত হয়নি। কিন্তু গোলাপবালার অনুমতি ছাড়া কার্তিকবাবু কোনো কাজ করতে পারেন না।
ছেলের বউরা অসহায় রাক্ষুসীর মতো জুলজুল চোখে গোলাপবালার সুখের সংসারের ওপর নজর রাখে সারাক্ষণ। নানা অছিলায় শাশুড়ির সঙ্গে ঝগড়া বাধিয়ে দেয়। বড় বউ তার পোষা বেড়ালের নাম রেখেছে গোলাপি। দুপুরে কলমিশাক ভাজা দিয়ে ভাত খেয়ে উচ্ছিষ্ট কলপাড়ে ঢেলে পোষা বেড়ালকে চিৎকার করে ডাকবে, গোলাপি মাছ খেয়ে যা!
ছেলেগুলো যেন রথের মেলার ঘাড়-নাড়া মাটির পুতুল। বউদের কিচ্ছুটি বলবে না। গোলাপবালাও ছাড়বার পাত্রী নন। সেদিন কী নিয়ে যেন বড় বউ শাশুড়ির মুখে মুখে কথা বলে যাচ্ছে। বড় ছেলে ব্রত তখন বাড়িতেই।
ব্রতর মার সব রাগ গিয়ে পড়ে ছেলের ওপর। বলেন, ব্রত তর রক্ত খামু একদিন দেখিস! বউরে, তুই কিচ্ছুটি বলিস না। আমারে সকল সুমায় অপমান করে!
কার্তিকবাবু ছুটে গিয়ে উত্তেজিত গোলাপবালাকে অনেক বুঝিয়ে ঘরে নিয়ে আসেন। উত্তেজনার বশে পড়ে গেলে আর দেখতে হতো না। নির্ঘাত হার্ট অ্যাটাক!
আজ সকালে ব্রত যখন বেরোচ্ছিল, কার্তিকবাবু তখন ছাদে পায়চারি করছিলেন। পরিষ্কার কানে এলো, বড় বউ ব্রতকে বলছে, টাকা তো কিছু দিয়ে গেলে না। রান্না কী করব?
ব্রত বলে, চাল তো আছে। কাল রাতে যে পুঁইশাক আনলাম, ওই দিয়ে আজকের দিনটা চালিয়ে নিও।
ছমাস ব্রতর কারখানা বন্ধ। পাড়ার ক্লাবে আটশো টাকায় রাতপাহারা দেয়। ভোরে ফেরে, একটু গড়িয়ে নিয়ে চা প্যাকেটবোঝাই দুটো ব্যাগ সাইকেলে চাপিয়ে দুপুর পর্যন্ত দোকানে দোকানে ফেরি করে –
আজ সাইকেল নিয়ে বেরোয়নি। কারখানা নাকি খুলছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হচ্ছে এখন। কবে থেকে শ্রমিকরা কাজে যোগ দিতে পারবে খবর নিতে আজ কারখানায় গেল ব্রত।
পুঁইশাক। কানে যেতেই – ইলিশ মাছের মাথা দিয়ে পুঁইশাক, ইলিশের নানা পদ ছাড়াও ভাজা আর ইলিশ মাছের তেল দিয়ে একটা সবুজ কাঁচালংকা কামড়ে গরম ভাত, আহ্! জিভে জল এসে গিয়েছে কার্তিকবাবুর। সেই তখন থেকে একটা জ্যান্ত ইলিশ মাছ কার্তিক নস্করের পেটের মধ্যে যেন খলবল করছে। ব্রতর মা গোলাপবালার গর্ভ হলে যেমন –
সিঁড়ির মুখে ওপরে ছোট ছেলের বউ। হাতে তোয়ালে-সাবান। নিচে স্নান করতে নামছে। নিচের বাথরুম ভাড়াটে আর দুই ছেলের সংসারের জন্য। ওপরে কার্তিক-দম্পতির বাথরুমে অন্য কারো প্রবেশাধিকার নেই।
ছেলেবউদের সঙ্গে কথা নেই কার্তিকবাবুদের। সে-কথা যত না বলে ততই ভালো। নিজেরা সুখে-শান্তিতে থাকো তাহলেই হবে।
বড়বউ কাপড়ের ব্যবসা করে। বিশ-পঞ্চাশখানা কাপড় আড়তদারদের কাছ থেকে কিনে আনে। বাড়ি এসে পছন্দ করে কাপড় নিয়ে যায় পাড়ার লোক। কিস্তিতে টাকা শোধ করে। মেয়ের ক্লাস টেন, ছেলের ফাইভ।
ছোট ছেলের কারখানাও এখন টালমাটাল অবস্থায়। বন্ধ হয়ে যাবে। মাসে পনেরো দিন কাজ পায়। ছোট বউ কোনো বীমা কোম্পানির এজেন্সি নিয়েছে। ওর মেয়ের সিক্স, ছেলের ওয়ান।
ছেলেরা নিজেদের সংসার চালিয়ে নেয়। মাঝেমধ্যে যৎসামান্য সাহায্য করলেই চলে। বিদ্যুতের বিল, খাজনা-ট্যাক্স, সুইপার এমনকি ব্রত যে রাতপাহারার জন্য পাড়ার ক্লাব থেকে আটশো টাকা পায় সেখানেও কার্তিকবাবুর চাঁদা আছে। কেননা বাড়িটা তাঁর। দুছেলের জন্যই ওপর-নিচে একখানা করে ঘর আর বারান্দায় রান্নার জায়গা বরাদ্দ। নিচে রান্নাঘরসহ একখানা বড় ঘর ভাড়াটে না থাকলে তালা দেওয়া পড়ে থাকে।
‘অত চিল্লাও ক্যান, মরণ নাই তুমার!’
সোফার গদিতে শরীর ডুবিয়ে বসে আছেন গোলাপবালা। কার্তিকবাবুকে দেখেই হুংকার। হাতের কাছে চিরুনি পেয়ে সেটাই ছুড়ে মারেন সোয়ামির দিকে।
ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যান ব্রতর বাবা। বুঝতে পারেন না কী অন্যায় করেছেন। গোলাপবালার ক্ষরদৃষ্টির বাইরে যেতে পারেন না। আবেগভরা মোলায়েম গলায় বলেন, ‘কী আবার হইল। অত রাগ করো ক্যান? তুমারে না জিগাইয়া -’
রান্নাঘর থেকে রাঁধুনি ছুটে আসে। মাছ দেখে সেও খুব খুশি। বলে, ‘কত বড় ইলিশ ঠাকমা! কিন্তু বাবা কী ঠান্ডা! যেন মর্গের লাশ।’ ‘আস্তে কথা তুই বলতেই পারিস না, না? আর ঠাকমা আবার কী ডাক? মাসিমা বলতে পারিস। বউদি বললেই-বা দোষের কী আছে!’ দাঁত খিঁচিয়ে ওঠেন কার্তিকবাবু।
রাঁধুনি মুখে আঁচল চেপে হাসে।
‘বুলটি, এখানে মেঝেয় খবরের কাগজ বিছিয়ে কাট। পরে মুছে দিবি। ইলিশ মাছ কাটা দেখতে আমার খুব ভালো লাগে।’
খিক্খিক্ করে হাসেন গোলাপবালা। হাসতে হাসতে কাশি এসে যায়। ‘আহা অমন অস্থির হও ক্যান। শরীর খারাপ লাগতাছে?’
কার্তিকবাবু বউয়ের পিঠে হাত বুলিয়ে দেন, মৃদু মুষ্ঠাঘাত করেন পিঠে।
গোলাপবালার হাঁটুতে, কোমরে, ঘাড়ে সর্বত্রই ব্যথা। সোহাগের। তবু দেখ না দেখ, যে না সে-ই কুদৃষ্টি দেয়। সেদিনই যেমন, বিকেলে স্নান করে, পাটভাঙা হলুদ শাড়ি পরে, কপালে বড় সিঁদুরের টিপ – তখনই এসেছে বড়দার বড় মেয়ে। গল্প করতে করতে আচমকা জিজ্ঞেস করে, ‘কাকিমা আপনার বয়েস কত হইল?’
ফোঁস করে ওঠেন কার্তিকবাবু, ‘মাইয়ালোকের বয়েস জিগাইতে নাই সোনা! এমনিতেই শরীর ভালো না তুমার কাকিমার।’
ভাইঝি চলে গেলেই গোলাপবালার হাত টেনে নিয়ে মণিখচিত অঙ্গুরীশোভিত কনিষ্ঠায় মৃদু কামড় দিয়ে দেন কার্তিকবাবু। নজর লেগে থাকলে কেটে যাবে।
গরম তেলে ইলিশ পড়তে সারাবাড়িতে সুঘ্রাণ – বারান্দায় বড় খাঁচায় কোকিল-দম্পতিও চিৎকার করছে। কার্তিকবাবুর এক কলিগ বলেছিলেন, ‘কোকিল পুষলে সারাবছর বাড়িতে বসন্তকাল বিরাজ করে।’
কোকিলের খাঁচায় নাক ঠেকিয়ে আদরের সুরে কার্তিকবাবু বলেন, ‘আরে পাখি ছটফট করো ক্যান! জানি তো ইলিশের ঝোল দিয়া মাখা ভাত খাইতে তুমরা ভালোবাস -’
তখনই নিচতলা থেকে ব্রতর ছেলের কান্না ভেসে আসে। ইস্কুলে যাবে, পুঁইশাক চচ্চড়ি দিয়ে ভাত মেখে তাড়াতাড়ি খেতে গিয়ে শাকের মধ্যে লুকিয়ে থাকা কাঁচালংকা কামড়ে ফেলে চিৎকার করে কেঁদে উঠেছে। ব্রতর বউ আবার ছেলের পিঠে দুঘা বসিয়ে দেয়।
মুখগহ্বরে ঝাললংকা-মেশা বিষ অন্ন, দুচোখে জলের ধারা। ব্রতর বউ যেন বিশ্বরূপ দেখতে পায় ছেলের মুখগহ্বরে। ভয়ে চমকে উঠে তাড়াতাড়ি জলের গ্লাস ধরে ছেলের মুখে। বলে, ‘খা, জল খা। দেখে খেতে পারিস না! অতবড় ছেলে ক্লাস ফাইভে পড়িস!’
ইলিশের গন্ধ পেয়ে ওপরে ছুটে এসেছে কার্তিকবাবুর মেয়ে। বলে, ‘আজ একাদশী আর আজই ইলিশ মাছ কিনলা!’
‘একদিন একাদশী না করলে কিছু হয় না।’ খিঁচিয়ে ওঠেন গোলাপবালা। মেয়ের বিয়ে হয়েছিল। এক মাস পর জামাই বলে, ‘আপনার মেয়ে পাগল, লুকিয়ে বিয়ে দিয়েছেন!’
গোলাপ-দম্পতি জামাইয়ের মুখের ওপর বলতে পারেননি, সব মেয়েরই বিয়ের আগে একটু-আধটু মাথার দোষ থাকে। বিয়েটা হলে, সন্তান হলেই ঠিক হয়ে যায়। কপালও মেয়েটার খারাপ। এক মাস তো সংসার করেছে, সন্তান এসে যেতেই পারত। জামাইয়ের ব্যবসাপত্র ভালোই। বাবা-মা, ভাইবোনদের নিয়ে একান্নবর্তী সংসার। ওরা অনেক চেষ্টাও করেছিলেন মেয়েজামাইকে ও বাড়ির ঘেরাটোপ থেকে বার করে আনতে। প্রয়োজনে টাকা খরচ করতেও রাজি ছিলেন। কিন্তু জামাই বেঁকে বসল। দানসামগ্রীসহ মেয়েটাকে ফিরিয়ে দিয়ে গেল একদিন। আর কী মেজাজ হারামজাদার। কার্তিক নস্করের মতো রাশভারী মানুষ, মোটা অংকের পেনশনভোগী রাজকর্মচারী। তাঁর মুখের ওপর টক্টক্ করে কথা বলে জামাই! আইনি ছাড়াছাড়িটাও করিয়ে নিল তাড়াতাড়ি। আবার বিয়ে করেছিল সে; কিন্তু ভালোটা কী হলো তোর। ঘটনার দুবছরের মাথায় ক্যান্সার ধরা পড়ল।
সত্যিই মেয়েটা বোধহয় পাগল। এখনো স্বামীর স্মৃতি আঁকড়ে আছে। যতদিন মানুষটা বেঁচে ছিল শাঁখা-সিঁদুর পরেছে। মৃত্যুর খবর পেয়ে খুব কাঁদল কদিন। তারপর থেকে বিধবার মতো একাদশী, অম্বুবাচী – আরে সে তোর কদিনের স্বামী ছিল? দুদিনের পরিচয়! মেয়েকে সেসব কথা বোঝাবে কে। শ্বশুরবাড়ি থেকে ফেরত আসা আসবাবে সাজানো একটা ছোট ঘরে থাকে সে নিচে সিঁড়ির পাশে একটেরে। মেয়ের যত রাগ-অভিমান সব বাবা-মার ওপর।
তিনটে ব্যাংকের কাজ সেরে ফিরতে বেলা একটা বাজল কার্তিকবাবুর। ব্যাংক থেকে ফেরার সময় কানে গিয়েছিল, ব্রতর বউ অস্থিরভাবে হইচই করছে। ব্রতর প্রেসক্রিপশনের ফাইলটা কোথায় রেখেছে খুঁজে পাচ্ছে না – মেয়ে দেখেছে কি না। সে কেন কাজের জিনিস গুছিয়ে রাখেনি!
কারখানা থেকে ফেরার পথে ব্রত অসুস্থ হয়ে পড়েছে। খেয়াঘাটে বসিয়ে রেখে পথের মানুষ ফোন করেছিল। ব্রতর সঙ্গেও ওর বউয়ের কথা হয়েছে। ব্রতর কথা অস্পষ্ট জড়ানো, যেন দূরে কোথাও ছুটতে ছুটতে চলে যেতে যেতে কিছু বলে গেল। পথের মানুষ বলেছে, এখনই ভর্তি করতে হবে। অবস্থা ভালো না। খুব শ্বাসকষ্ট হচ্ছে! এসব কথা মেয়েকে বলছিল বড় বউ।
গোলাপবালা ব্যাংকের পাশবইগুলো দেখছিলেন। মুখে তৃপ্তির হাসি। দেখে খুব ভালো লাগছিল কার্তিকবাবুর। ছেলের অসুস্থ হয়ে পড়ার কথাটা বলতে ভুলেই গেলেন।
সত্যিই টাকা গচ্ছিত রাখলে টাকার গাছ ফল ফুল হয়!
প্রতিবেশীরা মাঝেমধ্যে বোঝায়, সব ছেলেদের নামে লিখে দিয়ে ঝামেলা মিটিয়ে দিন। কার্তিকবাবু শুধু হাসেন। বলেন, ‘খান পাঁচ-ছয় ক্যাশ সার্টিফিকেট আর এই পেনশনের কয়টা টাকা ছাড়া আমার আর কিছুই নাই। অবশ্য চাকরির শেষ বেতন যা পাইতাম, এখন সাতাশ-আটাশ বছর পর পেনশনেই পাই তার তিনগুণ। ছেলেদেরও কিছু কিছু সাহায্য করতে হয়। ওদের নামে সব টাকা নমিনি করা আছে। আমরা দুজন না মরলে তো আর ছেলেরা কিছু পাবে না।’
তবে তিনি খুব হিসেবি। মনে পড়ে, সে অনেকদিনের কথা –
অসুস্থ মেজদাকে দেখতে গিয়েছেন ফল নিয়ে। দেখে মনে হলো মেজদার বাঁচার আশা নেই। অফিসের ছুটি শেষ। উইদাউট পে চলছে। সংসারে খুব অভাব। মেজবউদির হাতে পঞ্চাশটা টাকা দিয়ে এসেছেন।
মেজদা সুস্থ হলে, খবর পেয়ে দেখতে এলেন, সঙ্গে লিস্ট। কোন কোন তারিখে মেজদাকে দেখতে এসে নগদ টাকা মেজবউদির হাতে কত দিয়েছেন সব মিলিয়ে। সে-টাকা তখনই শুধতে হবে!
কার্তিকবাবু বললেন, ‘ফলের দামটা না হয় ছেড়েই দিলাম।’
শেষে মেজবউদি তাঁর কানের দুল বিক্রি করে তখনই দেওরের ঋণ শোধ করে দিয়েছেন। চল্লিশ বছরে সেই টাকা এখন নিশ্চয়ই অনেক হয়েছে। এভাবে হিসাব করে চলেছেন বলেই না এখন কার্তিকবাবু চোখ বুজলেই দেখতে পান তাঁর চারদিকে টাকার গাছ!
দুপুরে রোজ ভাতঘুমে চোখজুড়ে আসে কার্তিকবাবুর। আজ খুব শীত লাগছে! এসি মেশিন কমিয়ে দিতে গিয়ে ধমক খেলেন গোলাপবালার কাছে। এত ঠান্ডা যেন হিমঘর!
দূরাগত কান্নার ক্ষীণ শব্দ ভেসে আসছে কোথা থেকে? কোকিলদুটোও খুব ছটফট করছে খাঁচার মধ্যে। বড় বউয়ের পোষা বেড়ালটা মাঝেমধ্যে হামলা করে কোকিলের খাঁচার ওপর। পাখিদুটো খাওয়ার মিথ্যে আশায়। কত মোটা তারের খাঁচা। অবুঝ বেড়াল তা বুঝবে কেন?
বউকে না জানিয়ে সন্তর্পণে বাইরে এলেন কার্তিকবাবু। ঘরের দরজা টেনে বন্ধ করে দিলেন।
নিচে ব্রতর ছেলেমেয়েরা কাঁদছে। ওদের পিসি বোঝাচ্ছে, ‘নবেন্দুকাকু তোর বাবাকে সঙ্গে নিয়ে এখনই ফিরে আসবে দেখিস। কাঁদিস না অমন করে!’
কার্তিকবাবু ইশারায় মেয়েকে ডাকেন, ‘ওর বড়দা কেমন আছে কোন খবর পাইছিস?’ মেয়ে ফিসফিসিয়ে বলে, ‘বড় বউদি ছন্দা মাসিরে ফোন করছিল। বড়দার অবস্থা ভালো না। আইসিইউতে রাখছে। তাও ভাগ্য ভালো রাস্তায় নবেন্দুদার লগে দেখা হইছে।’
নবেন্দু ব্রতর বন্ধু। ছেলেটা খুব গায়েপড়া। ঠেস দিয়ে দিয়ে কথা বলে আর অকারণে হাসে। কোকিলের খাঁচার সামনে কুহু-কুহু করে ডাকে। কার্তিকবাবুকে ভেঙায় বোধহয়। কী রান্নাবান্না হচ্ছে। শরীর কেমন আছে। সব খবর তার জানা চাই। সাংবাদিকদের মতো কার্তিকবাবুর পেছনে লেগে থাকে। খুব রাগ হয়। একদিন সহ্য করতে না পেরে কড়া করে দুকথা শুনিয়ে দিয়েছিলেন, ‘শোনো নবেন্দু, আমরা হচ্ছি রাজকর্মচারী। তুমাগো লগে আমাদের ওঠাবসা চলে না!’
মাথা নিচু করে আস্তে আস্তে নিচে নেমে গিয়েছে নবেন্দু।
নিচে গিয়ে সে কি হাসি! ওপর থেকে কার্তিকবাবুর কানে যায়, ব্রতর ছেলে বিহান জিজ্ঞেস করছে, ‘হাসছো কেন কাকু?’
‘রাক্ষসের মুখের সামনে আয়না ধরলেই রাক্ষস রেগে যায়!’ বলে আবার হো-হো হাসি।
রাক্ষসের মুখের সামনে আয়না ধরলে মানে কী? বোধগম্য হয়নি কার্তিক নস্করের।
সন্ধেবেলা ব্রতর মৃতদেহ বাড়ি ফিরল।
বড় বউ, ছোট বউ, ছেলেমেয়েদের আর্তকান্নায় ভারি হয়ে উঠেছে বাড়ির বাতাস। শুধু কার্তিকবাবু আর গোলাপবালার চোখে জল নেই।
যতবার কান্না ঠেলে উঠছে বুক নিংড়ে ততবারই ইলিশ মাছের ঢেকুর এসে কান্নার পথ আগলায়।
প্রতিবেশীরা অনেকে এসে ভিড় করেছে, সবারই চোখে জল। বলাবলি করছে, ছেলেটা খুবই কষ্ট পেয়ে মরল!
সবার সামনে একটু কাঁদা জরুরি বলে মনে হলো গোলাপ-দম্পতির। দুজনই আলাদা আলাদা এবং একা হয়ে চোখে জল আর গলায় কান্না আনার মহড়া দিয়ে দুজনই একসঙ্গে ছুটতে ছুটতে ওপর দিকে নেমে এসে ব্রতর মৃতদেহে হাত বুলিয়ে একটু কাঁদবে – বড় বউ ক্রুদ্ধ বাঘিনির মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে ওদের সরিয়ে দেয়। অসহায় আক্রোশে চিৎকার করে বলে, ‘না, না। আপনারা আমার স্বামীর গায়ে হাত দেবেন না।’ কার্তিকবাবু এখন ক্ষমতায় থাকলে, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীকে নির্দেশ দিতেন, লাঠিপেটা করে এই বিদ্রোহ দমন করতে!
তখন অনেক রাত। ঘর অন্ধকার। গোলাপ-দম্পতির ঘরের দরজা হাট করে খোলা। ঘুম আসছিল না ওদের। কার্তিকবাবু মাঝেমধ্যে ঘর থেকে বেরিয়ে খোলা ছাদে পায়চারি করছেন। চারদিকে থইথই জোছনায় তখনো ব্রত যেন হেঁটে বেড়াচ্ছে রাতপাহারায়। যদি হঠাৎ ফু-র-র করে ব্রতর বাঁশি বেজে ওঠে, সেই ভয়ে কার্তিকবাবু বেশিক্ষণ বাইরে ছাদে বেড়াতেও পারছেন না। ঘরে এসে বউয়ের পাশে শুয়ে পড়ছেন।
হঠাৎ ভয় পেয়ে চিৎকার করে ওঠেন গোলাপ-দম্পতি, ‘কে রে’!
দরজায় শুভ্র বসন পরা ব্রতর ছেলে সাড়া দেয়, ‘দাদু আমি বিহান।’
‘এত রাতে কী ব্যাপার?’ ধমকে ওঠেন কার্তিকবাবু।
‘নবেন্দুকাকু চলে যাওয়ার সময় বলে গিয়েছিল, তোর ঠাকুরদার সঙ্গে একবার দেখা করে আসিস। ঘুমিয়ে পড়েছিলাম তাই একটু দেরি হয়ে গেল।’
শিশু দেখে কোকিলরা ডানা ঝাপটায়। জোছনার আলগা আভায় বোঝা যাবে কেন, বিহানের গালে চোখের জলের দাগ। শুধু শিশুর হাসিকে সেলাম করে জোছনা। খাঁচার সামনে দাঁড়িয়ে হাসতে হাসতে কুহু-কুহু করে ডেকে ওঠে বিহান। কার্তিক-দম্পতি দুহাতে কান চেপে ধরেন।
পূর্বদিকে, পাঁচিলের ওপাশে চক্রবর্তীদের পুকুরপাড়ে ঝোপঝাড়ের মধ্যে কিসের যেন ঝটপটানির শব্দ। পরক্ষণেই কার্তিকবাবু দেখেন, বিহান ছুটে গিয়ে পাঁচিলের ওপর উঠে পড়ল। হাতে লাঠি। চিৎকার করছে, ‘ধর – ধর – ধর -’
‘ওরে বিহান, তুই ওইখানে, জলে পইড়া যাবি তো! রাইতবিরেতে কত রকমের বিষাক্ত প্রাণী -’
দাদুর বারণ ওর কানে গেলে তো! বিহান লাফিয়ে পড়ল পাঁচিলের ওপারে।
খানিক পরই দেখা গেল একটা রাজহাঁসকে কোলে নিয়ে এলো বিহান। পাঁচিল টপকে হাঁসটা বাড়ির মধ্যে ফেলে দিলো। ওপরে তাকিয়ে বলে, ‘এত রাতে তুমি ছাদে কী করছ? ঘুমাওনি? তোমাকে একদিন বলেছিলাম না দাদু, একটা রাজহাঁস বোবা কালাও মনে হয়। দলের তিনজন কখন বাড়ি চলে গিয়েছে। এটা বোধহয় ঘুমিয়ে পড়েছিল। অন্ধকারে পথ চিনে বাড়ি যেতে পারেনি। ঝটপটানির শব্দে ছুটে না এলে বনবিড়ালে একে খেয়ে নিত।’
রাজহাঁসটা যন্ত্রণায় ছটফট করছে, ওকে কোলে তুলে নিয়ে ঘরে চলে গেল বিহান।
হঠাৎ কী যে হলো কার্তিকবাবুর। মাথায় চক্কর দিয়ে উঠল – সারাশরীর কেঁপে হড়হড় করে বমি উঠে এলো। ইলিশ মাছের বিষবমি।
কার্তিকবাবু বমির মধ্যে মুখ গুঁজে পড়ে গেলেন।
বিহান কখন ছুটে এসেছে ওপরে। বলছে, ‘দাদু তোমার কাছে তুলো লাল ওষুধ আছে? রাজহাঁসটার পিঠে বনবিড়ালে কামড়ে দিয়েছে। খুব রক্ত পড়ছে!’ বিহানের কথা শুনতে পাচ্ছেন, কিন্তু কার্তিকবাবু কথাই বলতে পারছেন না। হাঁ করে নাতির মুখের দিকে তাকিয়ে আছেন। খুব কষ্ট হচ্ছে ওঁর বুকের ভেতরটায় –
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1332)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment