Monday, May 11, 2015
কার্টুন এক তামাশা by নাজমা মোস্তফা
কার্টুন এক তামাশা by নাজমা মোস্তফা
ফ্রান্সের
প্যারিসে নবী মুহাম্মাদ সা:কে নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে কার্টুন এঁকে যে
হাস্যকর তামাশার সূত্রপাত হয় তা অনেক দূর গড়ায়। শুধু এটিই নয়, প্রায় বেশ
কয়েক বছর থেকে এসব হচ্ছে। ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে মুসলিমবিরোধী মুভি
‘ইনোসেন্স অব মুসলিমস’ মুসলিম বিশ্বে বেদনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তখন একটি
কলাম লিখেছিলাম ‘ইনোসেন্স অব মুসলিমস : এক উদভ্রান্ত পাগলা ঢিলের নাম’।
প্রায়ই এসব হয় এবং হচ্ছে, ডেনিশ কার্টুন সাম্প্রতিক কার্টুন, এসব নিয়ে
নাস্তিকদের সাইটে সারা বছরই কলমের মল্লযুদ্ধ লেগে আছে ইসলামিস্টদের সাথে।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কখনো মুসলিমরা বিরোধীকে আঘাত করছেন, কখনো বা তারা নিজেরাও
নিহত হচ্ছেন। কথা হচ্ছে ফার্স্টবয়কে লাস্টবয়রা সব সময়ই ঘৃণা করে এবং করবে।
এতে ক্ষিপ্ত না হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে যুক্তির মাধ্যমে জবাব দেয়াই উত্তম বলে
মনে করি। কারণ যার কাছে যুক্তি সে জিতবেই, তার হারার কোনোই সম্ভাবনা নেই।
ফ্রান্সের কার্টুনিস্ট চার্লি হেবদো তার ম্যাগাজিনে একগুচ্ছ কার্টুন এঁকে
সারা বিশ্বে বেশ বড় রকমের নাড়া দিতে সক্ষম হয়। এ রোগ ২০১১, ১২, ১৫ ক্রমেই
এসব হচ্ছে একের পর এক, গোটা বিশ্বে দেখছে। সাম্প্রতিক সময়ে ২ জানুয়ারির
২০১৫-তে দেখা যায় দু’জন লোক সশস্ত্র সাজে সজ্জিত হয়ে এক নাগাড়ে ওই
কার্টুনিস্টসহ তার সাথের আরো ১২ জন মানুষকে প্রকাশ্য ময়দানে গুলি করে বসে।
প্রথমে ১১ জন মারা যায় এবং সেখানে আরো ১১ জন আহত হয়। ঠিক ওই সময় সেখানে
একজন ফ্রেন্স মুসলিম পুলিশও ওই বিতণ্ডাতে চার্লি হেবদোর পক্ষে নিরাপত্তা
দিতে গিয়ে খুন হয়। মিডিয়া সমান গলাতে প্রচার করছে এসব করেছে মুসলিম
টেররিস্ট জঙ্গিরা।
ও দিকে ১১ জানুয়ারিতে ৪০টি দেশে হর্তাকর্তাসহ এর প্রতিবাদে জড়ো হন প্যারিসের সব মিলে প্রায় ৩.৭ মিলিয়ন মানুষ। সে দিন তাদের সবার হাতের পতাকাতে একটি মেসেজই ছিল ‘জে স্যুট চার্লি’ এর অর্থ হচ্ছে ‘আমি চার্লি।’ এর এক মাস পর ১১ ফেব্রুয়ারিতে নর্থ ক্যারোলিনার ইউনিভার্সিটি টাউন অব চ্যাপেল হিলে তিনজন মুসলিম নিহত হয় যাদের মাঝে এক দম্পতি স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজন, তৃতীয়জন ওই মেয়েটির বোন এক সাথে একজন সন্ত্রাসীর হাতে মারা যায়। এর ধারাবাহিকতায় ৪৬ বছরের স্টিফেন হিক্সকে আক্রমণকারী হিসেবে পুলিশ আটক করে। এসব ঘটনার পর আমার মনে ওই কার্টুন দেখার বিষয়ে কিছু উৎসাহ সৃষ্টি হয় যার পরিপ্রেক্ষিতে আমি ওগুলো খুঁজতে থাকি। যদিও ফ্রেন্স ভাষা না জানাতে তাদের প্রতিটি কথার অর্থ আমি বুঝতে পারিনি, তবে কিছু ধারণা পাই কিছু কার্টুনের আকার ইঙ্গিত দেখে। দু-একটি ছবি দেখার পর আমার এসব দেখার উৎসাহ কমে আসে। কারণ সেই পুরনো একই খেলা কত আর শোনা যায় বা দেখা যায়, জনম জনম থেকে সেই এক সাপের নাচন খেলা, ওসব দেখতে কি আর মন চায়? মনে হলো মিডিয়া, চার্লি ও অন্য কার্টুনিস্টরা যা করছে, এসব কত যে বড় রকমের হাস্যস্পদ কাজ তারা করছে, সেটি তারা নিজেরাও চিন্তা করতে পারছে না। এটা অনেকটা মিথ্যার সাথে যুদ্ধ করার মতো, ছায়ার সাথে যুদ্ধ করার মতো ব্যাপার। ইতিহাসে প্রমাণ পাওয়া যায় কিছু মানুষ নবী ঈসা আ:কে বাস্টার্ড গালি দিয়ে চরম প্রশান্তি অর্জন করেছে। তখনকার ইহুদি রাব্বিরা তাকে শূলে চড়ায়, তাদের দাবি অনুযায়ী তাকে ক্রুশে চড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। ওই ঘটনার আলোকে মানুষটিকে টিটকারি মশকরা করার কোনো কমতি তারা রাখেনি। থুথু ছিটিয়েছে, মাথায় কাঁটার মালা পরিয়েছে, বাস্টার্ড বলে গালি দিয়েছে, একই আদর্শের দিশা ধরে ভিন্ন আরেকদল যখন নবী মুহাম্মাদ সা:কে একজন যুদ্ধবাজ, নারী নির্যাতনকারী বা নারীলোভী হিসেবে উপস্থাপন করে চরম তৃপ্তি পেতে চায়। যখন একজন সম্মানিতকে কোনোভাবেই অবদমিত অপমানিত করার সুযোগ থাকে না, তখন অসুস্থ জনতা মনের সান্ত্বনার জন্য এসব অপবাদকে মুখরোচক হিসেবে গ্রহণ করে, আর ওতেই সান্ত্বনা পেতে চায়। বস্তুত এসব করে তারা নিজের অন্তরের হিংসার ক্ষতের ওপর প্রলেপ লেপে দিতে চায়।
ধর্ম এক চরম মিথ্যাচার, এ বিতণ্ডার কোনো সুযোগ নেই। এর প্রধান প্রমাণ হচ্ছে এক ধর্মের সাথে অন্য ধর্মের একাত্মতা। ইহুদি, খ্রিষ্টান আর ইসলাম, ধর্মের যোগসূত্রে বাঁধা এরা তিন। সোজা করে তাকালেই দেখা যায় এরা সবাই এক ঘরের মানুষ, মূলত এরা এক আলোর দিশারি। এমনো দেখা গেছে, যারা যৌবনে ধর্ম মানেনি তারা প্রৌঢ় হলেই ধর্মের ঘাড়ে ভর করে দাঁড়াতে চেয়েছে। কিন্তু যখন গায়ে শক্তি থেকেছে তখনই শক্তির বাহাদুরিতে ধর্মকে অবজ্ঞা করেছে বহু বেশি, হয়েছে নাস্তিক। ধর্মের এ বিতণ্ডা দেখে নাস্তিকতায় সান্ত্বনা খুঁজেছে অনেকে, এ হচ্ছে বোকামির ধর্মদর্শন। দেখা যায়, ইসলামকে প্রতিপক্ষ জেনে সেই সপ্তম শতাব্দী থেকে চলছে এসব লড়াই। আজ এত দিন পরও সেটি শেষ না হয়ে বরং যেন দিনে দিনে মহীরুহ হয়ে উঠছে। তাই মহীরুহের অবস্থানকে স্পষ্ট করার দায়িত্ব ছিল আমাদের প্রতিটি ধর্মধারীর। যারা এর পেছনে রসদ জুগিয়ে চলেছে, তাদের সযতœ তদারকিতে এটি বেড়েই চলেছে। আর যাদের দায়িত্ব ছিল এসব জটিলকে খোলাসা করার তারা দিনে দিনে ধর্মের মূল গবেষণা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বরং উল্টো বিরোধীকে রসদ জুগিয়ে গেছে। এ রকম বহু উদাহরণ চার পাশে ছড়ানো আছে। এ শতকের শুরুতে ৯/১১-এ ঘটে ভিন্ন রকম যুদ্ধের সূচনাপর্ব। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বুশ একে ‘ক্রুসেড’ বলে ডাক দিলেও প্রতিবাদ উঠলে তাকে ‘সরি’ বলতে হয়েছে। কিন্তু প্রথমে সময়ক্ষ্যাপন না করে তিনি ক্রুসেডের ডাক দেন। সভ্যতার যে সঙ্কটের আশঙ্কা করেছে সচেতনেরা, তারা ওটি নির্মূল করতে আজ নতুন করে ভাবছে কিভাবে প্রত্যেকের ই-মেইল ইন্টারনেট চেক করবে। এতে মানুষের প্রাইভেসির মাত্রাটি একদম শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে, সন্দেহ নেই। তারপরও কি যুদ্ধকে সামাল দেয়া যাবে বলে মনে হয়, যদি না এসব মিথ্যা ক্যারিক্যাচার বন্ধ হয়?
বিগত শতকে হিটলার (অনেকের ধারণা মতে ৬০ লাখ) ইহুদি নিধন করে সহজ একটি সমাধান করতে চান। এতে কত দূর যে সমাধান হয়েছে তা ইতিহাসই সাক্ষী। বরং এক হিটলারের বদলে গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে ইহুদিরাই পরবর্তী বিশে^র হিটলার হয়ে নতুন জন্মে ফিলিস্তিনের কলিজাতে কামড় দিয়ে চলেছে। যদিও ফিলিস্তিনিরা এর জন্য মোটেও দায়ী নয়, জার্মান হিটলারের দায় তাদের ঘাড়ে চাপার কথা নয়, কিন্তু অবিবেচকের মতো বিশ^ মোড়লরা এ ব্যাপারে চরম অনাচার করে বিধাতার দরগাহে খুব বড়দাগেই আজকের দণ্ডধারী আসামি। বড় কর্তারা যারা শুরু থেকেই এর পেছনে তেল জুুগিয়েছে তাদের ঘাড়েই এর দায় বর্তায়। সেখানে দেখা যায় নিরপরাধ প্যালেস্টিনিয়ানদের শিশু, মেয়ে, মহিলা, পুরুষ কারো মুক্তি মেলেনি ওই সব দানবস্বরূপ পরবর্তী ইহুদিদের অত্যাচার থেকে। তাদের স্বগৃহ থেকে বের করে নিয়ে সর্বস্ব লুণ্ঠন করে পথে বসিয়েছে, এমন অনাচার নেই যা তারা করেনি। জাতিসঙ্ঘ নির্ধারিত স্কুলেও হামলে পড়তে তাদের বাধেনি। বাড়ির মূল কর্তাকে বের করে নিয়ে পুরো বিশ্ব থেকে ছন্নছাড়া ইহুদিদের ধরে ধরে এনে নতুন বসতি গড়ে তোলে। যেন এ রকম, আমাদের পূর্বপুরুষেরা আরবে বাস করতেন, এর পর আমরা পুরো বিশে^ ছড়িয়ে পড়লেও কৌশলবাজরা ধরে ধরে আমাদের এনে ফের আরব ভূমিতে বসিয়ে দেয়, আর মূল আরববাসীকে তাদের পূর্বপুরুষের ভিটাবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে দেয়। বিবেকের কাছে এটি যেমন একটি অনাচার হবে, ইহুদিদের ইসরাইলে বসিয়ে দেয়া ওই রকমই একটি বড় অনাচারের উৎকৃষ্ট নমুনা মাত্র। নবী ঈসা এসেছিলেন একজন আঞ্চলিক নবী হয়ে, বাইবেলের হিসাবেও ইহুদিদের হারানো গোত্রের সন্ধানকর্তা হিসেবে এসেছিলেন। তিনি ছিলেন আঞ্চলিক নবী। মূসা নবীর অনুসারীরা এভাবে ক্রমে সারা বিশ্বে এখানে ওখানে ছড়িয়ে পড়ে। তাই বাইবেল বলে, ‘তিনি (জিসাস ক্রাইস্ট) উত্তরে বলেন, ‘ইসরাইল কুলের হারানো মেষ ছাড়া আর কারো নিকট আমি প্রেরিত হই নাই’ (বাইবেল, ম্যাথ্যু ১৫:২৪ আয়াত)। দেখা যায় যে মূসার অনুসারী ইহুদিদের খুঁজে দেখার কাজে তিনি এসেছিলেন, তারাই তাকে এর মধ্যেই শূলে চড়ায়। এরা বিভ্রান্ত হয়েছিল বলেই পরবর্তী নবী ঈসাকে আসতে হয় এবং এর পরবর্তী ঈসার অনুসারীরাও বিভ্রান্ত হয়েছিল বলে তারও পরবর্তীকে আসতে হয়, আর তিনি হচ্ছেন শেষ নবী মুহাম্মাদ (সা:)। তার হতেই ধর্ম পূর্ণতা লাভ করে। পরিপূর্ণ সিলেবাস আসার পর আর কারো আসার প্রয়োজন নেই। এবার এর মধ্যে কোনো জটিলতা ধরা থাকলে কুরআনের প্রথম বাণী ‘পড়’ কথার অনুসরণে ধর্মধারী জনগণকেই প্রয়োজনে গবেষণা করে সঠিকের চর্চা করতে হবে। বিদায় হজের বাণীতে ছিল মিথ্যা ‘চিরতরে দূরীভূত হয়েছে’।
প্রায় দুই হাজার বছর পরের ইতিহাসে সারা বিশ্ব থেকে ইহুদিদের ধরে এনে প্যালেস্টাইনে ঠাঁই দেয়। সাম্প্রতিক সময়ে ব্রিটিশ এমপি মি. ডেভিড ওয়ার্ড ইসরাইলি প্রাইম মিনিস্টারের বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওই প্যারিস সংহতিতে ২০১৫ সালের জানুয়ারির ১১ তারিখে। এবং তিনি শুধু প্রতিবাদই করেননি তার প্ল্যাকার্ডের বাণী ছিল ‘জে স্যুট প্যালেস্টাইন’ ‘আমি প্যালেস্টাইনি’ ছিল তার প্রতিবাদের স্লোগান। গাজার হামলার প্রতিবাদে তিনি বলেন, ‘আমি যদি তখন গাজাতে থাকতাম, আমি ইসরাইলের প্রতি রকেট নিক্ষেপ করতাম’। ৬০ বছরেরও বেশি সময় থেকে প্যালেস্টাইনিরা এ মার খেয়ে যাচ্ছে। যদিও বিশ্বের সুজনদের মেধাবীদের শরীরের ওপর বিবেক নামের মস্তিষ্কটি আজো সচল আছে এবং ছিল। যে ধর্ম দিয়ে বিরুদ্ধবাদীরা ইসলামের জনতাকে পাগল ঠাওর করতে চাচ্ছেন মুক্তির রাস্তা খুঁজতে এমন জটিল সময়ে সে গ্রন্থ থেকে কিছু বাণী আনছি। সে গ্রন্থে পাওয়া যায় খ্রিষ্টানরাই মুসলিমের সবচেয়ে কাছের স্বজন। আর ইসলামের শুরু থেকেই এর সর্বনাশ ও ধ্বংস সাধনে ইহুদিরা ওতোপ্রতোভাবে জড়িত থাকার ইতিহাস পাওয়া যায় সর্বত্র। নবী মুহাম্মাদকে হত্যা করার ষড়যন্ত্রের সাথে তারা বারবার জড়িত থেকেছে। এসব আচরণের কিছু দাগ-চিহ্নও পবিত্র গ্রন্থ কুরআনে পাওয়া যায়। এতে ইহুদিদের কপটতা ও খ্রিষ্টানের সহজতা ধরা পড়ে (সূরা মায়দাহ এর ৮২ আয়াত)। অতীতে ইহুদিরাই নবী ঈসাকে অর্থাৎ জিসাসকে নিয়ে মশকরা করেছেন আর আজকে তারা দুই দলই (ইহুদি ও খ্রিষ্টান) নবী মুহাম্মাদকে নিয়ে মশকরা করছে, আর নাস্তিক্য ধারার কারণে এসব বেড়ে চলেছে। যদিও ধর্মের একত্ব যেখানে লক্ষ করা যায়, সেখানে এসব হওয়ার কথা ছিল না।
(কুরআনে সূরা নিসার ৫ ও ৬ আয়াতে) দেখা যায় আল্লাহর নির্দেশ এসেছে কিভাবে সংশ্লিষ্টরা একজন সাধারণ মুসলিম অনাথের প্রতি যত্নবান হবেন। সেখানে বলা হয় তাদের যত্ন নিতে হবে যত দিন না তারা বিবাহযোগ্যা হয়ে ওঠে, তত দিন তাদের দেখভাল করতে হবে, তাদের সহায় সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। তাড়াহুড়ো করে তা নষ্ট করা যাবে না। অতঃপর তাদের সম্পত্তি তাদের বুঝিয়ে দিতে হবে। সবার শেষে সাবধানবাণী হিসেবে বলা হয় হিসাবরক্ষক হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। ইসলামের এ রকম একটি নির্দেশের পর কেমন করে নবী মুহাম্মাদ (সা:) একজন ছয় বছর বা ৯ বছরের মেয়েকে বিয়ে করতে পারেন বলে যা চৌদ্দশত বছর পরও বিরোধীর জ্বালা হয়ে জ্বলছে। ধারাবাহিকভাবে সমাজে এ নিয়ে বিতণ্ডা সৃষ্টি করা হচ্ছে। সবার ওপর আবু বকর ছিলেন বিবি আয়েশার বাবা, বাবার কষ্টের চেয়েও আজকের বিরোধীর কষ্ট যেন বহুগুণ বেশি। তিনি এমন একজন বিচক্ষণ সাহাবা (নবীর সহচর) যাকে নবীর পরই খলিফার মর্যাদা দেয়া হয়। এতে কি এসব স্পষ্ট হয় না, এসবই বিরুদ্ধবাদীদের অপপ্রচার ছাড়া আর কিছু নয়? সবচেয়ে বড় কথা নবী মুহাম্মাদ ২৫ থেকে ৫০ বছর পর্যন্ত এক স্ত্রী বিবি খাদিজা ছাড়া আর কারো পাণি গ্রহণ করেননি। ওই সময় তার ঘরে চার চারজন মেয়ে ফাতেমা, কুলসুম, রোকেয়া, জয়নব এদের রক্ষণাবেক্ষণের জন্যও একজন বুদ্ধিমতি যোগ্য অভিভাবকের সংবাদ নিয়ে খাওলাহ নামের এক মহিলা বিবি আয়েশার নাম উচ্চারণ করে বিয়ের পয়গাম নিয়ে আসেন, তখন নবীর ৫৫ বছরে ওই বিয়ে হয়। এসব ক্ষেত্রে যে বা যারা আরবি ভাষা জানেন তারা ভালো করেই জানেন ‘বিকর’ শব্দটি কখনোই কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক(?) শিশুর জন্য বা ৯ বছরের শিশুর জন্য ব্যবহার হয় না। এটি একমাত্র তার জন্যই ব্যবহার হয়েছে যে এরই মধ্যে বিবাহযোগ্যা (তাইয়্যিবা) হয়ে উঠেছে। আমি দেখেছি অনেক মুসলমানও বিষয়টি ভালো করে জানেন না। অনেকে সহি হাদিসের দোহাই দিয়ে এ রকম কুরআনবিরোধী মিথ্যার প্রচার করে ধর্মের বারোটা বাজিয়ে চলেছেন, যার ইন্ধনে পুরো বিশে^ লঙ্কাকাণ্ড চলছে। সহি হাদিসের বড় শর্ত হচ্ছে তা কুরআনবিরোধী হতে পারবে না। কোনো হাদিস কুরআনবিরোধী হলে, তা বাতিল বলে গণ্য হবে, এটি হাদিসের প্রধান শর্ত। সারা বিশ^ই আজ বিবি আয়েশার মা বাবা সেজে যুদ্ধের মাঠে নেমেছে। বিবি আয়েশা আজ তাদের হাতের গিনিপিগ। আর বিরোধীরা মহা উৎসাহে এসবের উপর নটনৃত্য চালিয়ে যাচ্ছে। কার্টুন রচিত হচ্ছে এসব ভুলের ওপরই রঙ্গমেলা চলছে, কলমের কালিতে কার্টুনের আঁকিবুকিতে ওটিই ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।
দেখা যায় বেশির ভাগ কার্টুনের ক্যারিকেচার হচ্ছে বহুবিবাহ, বিবি আয়েশার বিয়ে, যুদ্ধবাজ ধর্ম এসব নিয়ে বিতণ্ডা। আমরা সবাই জানি বাইবেলে বহু বিবাহ একটি সাধারণ ঘটনা। নবী ইব্রাহিমের দুই সন্তান ইসমাইল ও ইসহাক দুই মায়ের দুই সন্তান। তাই বলে ওই সব নিয়ে ইসলামে কোনো বিতণ্ডা করতে দেখা যায় না বা কোনো বিতণ্ডা বাধে না। ইসলামের বক্তব্যও এক বিয়েতেই টিকে, সূরা নিসার ৩ আয়াতে শর্ত হচ্ছে একাধিক স্ত্রী থাকলে সবার সাথে সমতা রাখতে হবে ও সেটি জটিল। তোমরা একাধিকের সাথে সমতা রাখতে পারবে না (৪:১২৯) তা হলে একজনকেই এবং এটিই বেশি সঙ্গত’ (সূরা নিসার ৩ আয়াত)। ইসলামের শক্তি প্রবল বলেই হয়তো মিথ্যা গল্প জুড়ে কুরআন, মুহাম্মাদ ও ইসলাম নিয়ে মশকরা করার লোকের বিধর্মী বা নাস্তিকের কোনো কমতি নেই এ পৃথিবীতে, কোনো যুগেই এদের কমতি হয়নি। বেশির ভাগ বিতণ্ডাকারীদের কথা হচ্ছে বিবি আয়েশার বিয়ে হয়েছে ছয় বছর বয়সে আর ঘরে তোলা হয়েছে ৯ বছর বয়সে। গোটা বিশ্বে এ রকম অনেক কর্ম অপকর্ম আছে যার কোনো অভাব নেই কিন্তু ইসলামকে নিয়ে এ ক্যারিকেচার যেন কিয়ামত পর্যন্তই চলবে। সে দিন যখন কার্টুন খুঁজতে থাকি তখন দু’টি আঁকিবুকি আমার কাছে স্পষ্ট হয় একটি চাকাওয়ালা বাহনে দেখা যায় নবী মুহাম্মাদ (সা:) ও ছয় বছরের শিশু আয়েশা বসে আছেন এবং ছবিতে টেগ লাগানো আছে যে মুহাম্মাদ ও তার কনে আয়েশা এ রকম কিছু একটা। অন্য একটি ছবিতে এক মুসলিম সম্ভবত নবী স্বয়ং কুরআন হাতে দাঁড়িয়ে আর দূর থেকে সেখানে শেলের মতো কিছু এসে কুরআনকে বিদ্ধ করছে। যেন কুরআনের সাথে যুদ্ধ চলছে, অস্ত্রের যুদ্ধ। আজ থেকে প্রায় বারো-তেরো বছর আগে ইন্টারনেটে নাস্তিকের সাথে যুদ্ধ করতে যেয়ে এর জবাবে ১৬টি পয়েন্টের ভিত্তিতে যুক্তি খুঁজে পাই যেখানে প্রমাণিত হয় যে, বিবি আয়েশার বিয়ে মোটেও ৬ বা ৯ বছরে হয়নি, বরং বিয়েটি হয় ১৯ বছর বয়সে তার বহুবিধ প্রমাণ পাওয়া যায়। কিভাবে মিথ্যার সাথে আজ চৌদ্দ শতাব্দী পরও তারা যুদ্ধ করে চলেছে, যেন ছায়ার সাথে যুদ্ধ করছে। ওখান থেকে শুধু কুরআনের যুক্তিটুকুই যথেষ্ট মনে করে আনছি, কারণ এটি আল্লাহর বাণী। ‘আর এতিমদের পরীক্ষা করে দেখবে যে পর্যন্ত না তারা বিবাহ বয়সে পৌঁছে যায়, তারপর যদি তাদের মধ্যে বিচারবুদ্ধি দেখতে পাও তবে তাদের সম্পত্তি তাদের হস্তার্পণ করবে, আর তা মাত্রাতিরিক্তভাবে ও তাড়াহুড়া করে খেয়ে ফেলো না পাছে তারা বড় হয়ে যাবে (এই আশঙ্কায়) আর যে অবস্থায় পড়বে সে যেন বিরত থাকে, আর যে গরিব সে ন্যায়সঙ্গতভাবে খায়। তারপর যখন তোমরা তাদের সম্পত্তি তাদের ফিরিয়ে দাও তখন তাদের সামনে সাক্ষী ডাকো। আর হিসাবরক্ষকরূপে আল্লাহ যথেষ্ট’ (সূরা নিসার ৬ আয়াত)।
বাকি অনেক হাদিস ও ঐতিহাসিক যুক্তিতেও এসব বানোয়াট কথা টিকে না। এবন হেশাম, হালবি, এয়াবা প্রভৃতিতে পাওয়া যায় বিবি আয়েশা (রা:) সমরক্ষেত্রে উপস্থিত থেকে সৈনিকদের সেবা শুশ্রুষা করেন। বিবি আয়েশা বদর যুদ্ধের ময়দানে সেবা শুশ্রুষা করেন। ইতিহাসে বা হাদিসে পাওয়া যায় প্রত্যক্ষ যুদ্ধের ময়দানে অংশ নেয়ার একটি বয়স নির্ধারিত আছে ১৫ বছরের নিচে কেউ যুদ্ধে যোগ দিতে পারত না। এমতাবস্থায় তিনি ৬ বছরের বা ৯ বছরের হলে কেমন করে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করবেন। এ রকম কোনো যুক্তিতেই এসব টিকে না যে বিবি আয়েশার বয়স ৬ বা ৯ ছিল। সূক্ষ্মভাবে প্রতিটি কার্টুনের নষ্টামির স্পষ্ট জবাব দেয়া সম্ভব। তা না করে মিছামিছি খণ্ডযুদ্ধ করার কোনো মানে নেই। কারণ তা হলে ওতে অসহিষ্ণুতার উদাহরণ সৃষ্টি হয়। মুসলমানকে ধৈর্যধারণ করতে শক্ত করেই বলা হয়েছে। বিনিময়ে তাদের জন্য অফুরান পাওনা জমা আছে। সবার ওপর মানুষকে কুরআনে বলা হয় আশরাফুল মাখলুকাত। মানে মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। আর এই শ্রেষ্ঠ জীবের স্বীকৃতিস্বরূপ মাথাটি তার প্রতিটি সুকর্মের প্রকৃত জোগানদাতা। তাই কাউকে নিয়ে মশকারা করার আগে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার আগে দরকার তার মূল ইতিহাসকে জানার। ঘটনার মূল গোড়াতে না পৌঁছে শুধু ডালপালা নিয়ে নাড়াচাড়া করলে ডাল ভেঙে হাত পা ভাঙার সমূহ সম্ভাবনাকে এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। তারা ইহকালে কোনো দিনও সফল হতে পারবে না। ধৈর্য ও সবরের আয়াতটি হচ্ছে : ‘তারাই শ্রেষ্ঠ যারা ঈমান এনেছে, সৎকাজ করছে ও পরস্পরকে সততা অবলম্বনে উপদেশ দিচ্ছে এবং পরস্পরকে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিচ্ছে’ (সূরা আল আসরের ৩ আয়াত)। ধৈর্যের মাধ্যমে জটিলকে মোকাবেলা করার আহ্বান জানিয়ে এখানেই শেষ করছি।
লেখক : প্রবাসী, গ্রন্থকার
ও দিকে ১১ জানুয়ারিতে ৪০টি দেশে হর্তাকর্তাসহ এর প্রতিবাদে জড়ো হন প্যারিসের সব মিলে প্রায় ৩.৭ মিলিয়ন মানুষ। সে দিন তাদের সবার হাতের পতাকাতে একটি মেসেজই ছিল ‘জে স্যুট চার্লি’ এর অর্থ হচ্ছে ‘আমি চার্লি।’ এর এক মাস পর ১১ ফেব্রুয়ারিতে নর্থ ক্যারোলিনার ইউনিভার্সিটি টাউন অব চ্যাপেল হিলে তিনজন মুসলিম নিহত হয় যাদের মাঝে এক দম্পতি স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজন, তৃতীয়জন ওই মেয়েটির বোন এক সাথে একজন সন্ত্রাসীর হাতে মারা যায়। এর ধারাবাহিকতায় ৪৬ বছরের স্টিফেন হিক্সকে আক্রমণকারী হিসেবে পুলিশ আটক করে। এসব ঘটনার পর আমার মনে ওই কার্টুন দেখার বিষয়ে কিছু উৎসাহ সৃষ্টি হয় যার পরিপ্রেক্ষিতে আমি ওগুলো খুঁজতে থাকি। যদিও ফ্রেন্স ভাষা না জানাতে তাদের প্রতিটি কথার অর্থ আমি বুঝতে পারিনি, তবে কিছু ধারণা পাই কিছু কার্টুনের আকার ইঙ্গিত দেখে। দু-একটি ছবি দেখার পর আমার এসব দেখার উৎসাহ কমে আসে। কারণ সেই পুরনো একই খেলা কত আর শোনা যায় বা দেখা যায়, জনম জনম থেকে সেই এক সাপের নাচন খেলা, ওসব দেখতে কি আর মন চায়? মনে হলো মিডিয়া, চার্লি ও অন্য কার্টুনিস্টরা যা করছে, এসব কত যে বড় রকমের হাস্যস্পদ কাজ তারা করছে, সেটি তারা নিজেরাও চিন্তা করতে পারছে না। এটা অনেকটা মিথ্যার সাথে যুদ্ধ করার মতো, ছায়ার সাথে যুদ্ধ করার মতো ব্যাপার। ইতিহাসে প্রমাণ পাওয়া যায় কিছু মানুষ নবী ঈসা আ:কে বাস্টার্ড গালি দিয়ে চরম প্রশান্তি অর্জন করেছে। তখনকার ইহুদি রাব্বিরা তাকে শূলে চড়ায়, তাদের দাবি অনুযায়ী তাকে ক্রুশে চড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে। ওই ঘটনার আলোকে মানুষটিকে টিটকারি মশকরা করার কোনো কমতি তারা রাখেনি। থুথু ছিটিয়েছে, মাথায় কাঁটার মালা পরিয়েছে, বাস্টার্ড বলে গালি দিয়েছে, একই আদর্শের দিশা ধরে ভিন্ন আরেকদল যখন নবী মুহাম্মাদ সা:কে একজন যুদ্ধবাজ, নারী নির্যাতনকারী বা নারীলোভী হিসেবে উপস্থাপন করে চরম তৃপ্তি পেতে চায়। যখন একজন সম্মানিতকে কোনোভাবেই অবদমিত অপমানিত করার সুযোগ থাকে না, তখন অসুস্থ জনতা মনের সান্ত্বনার জন্য এসব অপবাদকে মুখরোচক হিসেবে গ্রহণ করে, আর ওতেই সান্ত্বনা পেতে চায়। বস্তুত এসব করে তারা নিজের অন্তরের হিংসার ক্ষতের ওপর প্রলেপ লেপে দিতে চায়।
ধর্ম এক চরম মিথ্যাচার, এ বিতণ্ডার কোনো সুযোগ নেই। এর প্রধান প্রমাণ হচ্ছে এক ধর্মের সাথে অন্য ধর্মের একাত্মতা। ইহুদি, খ্রিষ্টান আর ইসলাম, ধর্মের যোগসূত্রে বাঁধা এরা তিন। সোজা করে তাকালেই দেখা যায় এরা সবাই এক ঘরের মানুষ, মূলত এরা এক আলোর দিশারি। এমনো দেখা গেছে, যারা যৌবনে ধর্ম মানেনি তারা প্রৌঢ় হলেই ধর্মের ঘাড়ে ভর করে দাঁড়াতে চেয়েছে। কিন্তু যখন গায়ে শক্তি থেকেছে তখনই শক্তির বাহাদুরিতে ধর্মকে অবজ্ঞা করেছে বহু বেশি, হয়েছে নাস্তিক। ধর্মের এ বিতণ্ডা দেখে নাস্তিকতায় সান্ত্বনা খুঁজেছে অনেকে, এ হচ্ছে বোকামির ধর্মদর্শন। দেখা যায়, ইসলামকে প্রতিপক্ষ জেনে সেই সপ্তম শতাব্দী থেকে চলছে এসব লড়াই। আজ এত দিন পরও সেটি শেষ না হয়ে বরং যেন দিনে দিনে মহীরুহ হয়ে উঠছে। তাই মহীরুহের অবস্থানকে স্পষ্ট করার দায়িত্ব ছিল আমাদের প্রতিটি ধর্মধারীর। যারা এর পেছনে রসদ জুগিয়ে চলেছে, তাদের সযতœ তদারকিতে এটি বেড়েই চলেছে। আর যাদের দায়িত্ব ছিল এসব জটিলকে খোলাসা করার তারা দিনে দিনে ধর্মের মূল গবেষণা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বরং উল্টো বিরোধীকে রসদ জুগিয়ে গেছে। এ রকম বহু উদাহরণ চার পাশে ছড়ানো আছে। এ শতকের শুরুতে ৯/১১-এ ঘটে ভিন্ন রকম যুদ্ধের সূচনাপর্ব। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বুশ একে ‘ক্রুসেড’ বলে ডাক দিলেও প্রতিবাদ উঠলে তাকে ‘সরি’ বলতে হয়েছে। কিন্তু প্রথমে সময়ক্ষ্যাপন না করে তিনি ক্রুসেডের ডাক দেন। সভ্যতার যে সঙ্কটের আশঙ্কা করেছে সচেতনেরা, তারা ওটি নির্মূল করতে আজ নতুন করে ভাবছে কিভাবে প্রত্যেকের ই-মেইল ইন্টারনেট চেক করবে। এতে মানুষের প্রাইভেসির মাত্রাটি একদম শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে, সন্দেহ নেই। তারপরও কি যুদ্ধকে সামাল দেয়া যাবে বলে মনে হয়, যদি না এসব মিথ্যা ক্যারিক্যাচার বন্ধ হয়?
বিগত শতকে হিটলার (অনেকের ধারণা মতে ৬০ লাখ) ইহুদি নিধন করে সহজ একটি সমাধান করতে চান। এতে কত দূর যে সমাধান হয়েছে তা ইতিহাসই সাক্ষী। বরং এক হিটলারের বদলে গোষ্ঠীবদ্ধ হয়ে ইহুদিরাই পরবর্তী বিশে^র হিটলার হয়ে নতুন জন্মে ফিলিস্তিনের কলিজাতে কামড় দিয়ে চলেছে। যদিও ফিলিস্তিনিরা এর জন্য মোটেও দায়ী নয়, জার্মান হিটলারের দায় তাদের ঘাড়ে চাপার কথা নয়, কিন্তু অবিবেচকের মতো বিশ^ মোড়লরা এ ব্যাপারে চরম অনাচার করে বিধাতার দরগাহে খুব বড়দাগেই আজকের দণ্ডধারী আসামি। বড় কর্তারা যারা শুরু থেকেই এর পেছনে তেল জুুগিয়েছে তাদের ঘাড়েই এর দায় বর্তায়। সেখানে দেখা যায় নিরপরাধ প্যালেস্টিনিয়ানদের শিশু, মেয়ে, মহিলা, পুরুষ কারো মুক্তি মেলেনি ওই সব দানবস্বরূপ পরবর্তী ইহুদিদের অত্যাচার থেকে। তাদের স্বগৃহ থেকে বের করে নিয়ে সর্বস্ব লুণ্ঠন করে পথে বসিয়েছে, এমন অনাচার নেই যা তারা করেনি। জাতিসঙ্ঘ নির্ধারিত স্কুলেও হামলে পড়তে তাদের বাধেনি। বাড়ির মূল কর্তাকে বের করে নিয়ে পুরো বিশ্ব থেকে ছন্নছাড়া ইহুদিদের ধরে ধরে এনে নতুন বসতি গড়ে তোলে। যেন এ রকম, আমাদের পূর্বপুরুষেরা আরবে বাস করতেন, এর পর আমরা পুরো বিশে^ ছড়িয়ে পড়লেও কৌশলবাজরা ধরে ধরে আমাদের এনে ফের আরব ভূমিতে বসিয়ে দেয়, আর মূল আরববাসীকে তাদের পূর্বপুরুষের ভিটাবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে দেয়। বিবেকের কাছে এটি যেমন একটি অনাচার হবে, ইহুদিদের ইসরাইলে বসিয়ে দেয়া ওই রকমই একটি বড় অনাচারের উৎকৃষ্ট নমুনা মাত্র। নবী ঈসা এসেছিলেন একজন আঞ্চলিক নবী হয়ে, বাইবেলের হিসাবেও ইহুদিদের হারানো গোত্রের সন্ধানকর্তা হিসেবে এসেছিলেন। তিনি ছিলেন আঞ্চলিক নবী। মূসা নবীর অনুসারীরা এভাবে ক্রমে সারা বিশ্বে এখানে ওখানে ছড়িয়ে পড়ে। তাই বাইবেল বলে, ‘তিনি (জিসাস ক্রাইস্ট) উত্তরে বলেন, ‘ইসরাইল কুলের হারানো মেষ ছাড়া আর কারো নিকট আমি প্রেরিত হই নাই’ (বাইবেল, ম্যাথ্যু ১৫:২৪ আয়াত)। দেখা যায় যে মূসার অনুসারী ইহুদিদের খুঁজে দেখার কাজে তিনি এসেছিলেন, তারাই তাকে এর মধ্যেই শূলে চড়ায়। এরা বিভ্রান্ত হয়েছিল বলেই পরবর্তী নবী ঈসাকে আসতে হয় এবং এর পরবর্তী ঈসার অনুসারীরাও বিভ্রান্ত হয়েছিল বলে তারও পরবর্তীকে আসতে হয়, আর তিনি হচ্ছেন শেষ নবী মুহাম্মাদ (সা:)। তার হতেই ধর্ম পূর্ণতা লাভ করে। পরিপূর্ণ সিলেবাস আসার পর আর কারো আসার প্রয়োজন নেই। এবার এর মধ্যে কোনো জটিলতা ধরা থাকলে কুরআনের প্রথম বাণী ‘পড়’ কথার অনুসরণে ধর্মধারী জনগণকেই প্রয়োজনে গবেষণা করে সঠিকের চর্চা করতে হবে। বিদায় হজের বাণীতে ছিল মিথ্যা ‘চিরতরে দূরীভূত হয়েছে’।
প্রায় দুই হাজার বছর পরের ইতিহাসে সারা বিশ্ব থেকে ইহুদিদের ধরে এনে প্যালেস্টাইনে ঠাঁই দেয়। সাম্প্রতিক সময়ে ব্রিটিশ এমপি মি. ডেভিড ওয়ার্ড ইসরাইলি প্রাইম মিনিস্টারের বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওই প্যারিস সংহতিতে ২০১৫ সালের জানুয়ারির ১১ তারিখে। এবং তিনি শুধু প্রতিবাদই করেননি তার প্ল্যাকার্ডের বাণী ছিল ‘জে স্যুট প্যালেস্টাইন’ ‘আমি প্যালেস্টাইনি’ ছিল তার প্রতিবাদের স্লোগান। গাজার হামলার প্রতিবাদে তিনি বলেন, ‘আমি যদি তখন গাজাতে থাকতাম, আমি ইসরাইলের প্রতি রকেট নিক্ষেপ করতাম’। ৬০ বছরেরও বেশি সময় থেকে প্যালেস্টাইনিরা এ মার খেয়ে যাচ্ছে। যদিও বিশ্বের সুজনদের মেধাবীদের শরীরের ওপর বিবেক নামের মস্তিষ্কটি আজো সচল আছে এবং ছিল। যে ধর্ম দিয়ে বিরুদ্ধবাদীরা ইসলামের জনতাকে পাগল ঠাওর করতে চাচ্ছেন মুক্তির রাস্তা খুঁজতে এমন জটিল সময়ে সে গ্রন্থ থেকে কিছু বাণী আনছি। সে গ্রন্থে পাওয়া যায় খ্রিষ্টানরাই মুসলিমের সবচেয়ে কাছের স্বজন। আর ইসলামের শুরু থেকেই এর সর্বনাশ ও ধ্বংস সাধনে ইহুদিরা ওতোপ্রতোভাবে জড়িত থাকার ইতিহাস পাওয়া যায় সর্বত্র। নবী মুহাম্মাদকে হত্যা করার ষড়যন্ত্রের সাথে তারা বারবার জড়িত থেকেছে। এসব আচরণের কিছু দাগ-চিহ্নও পবিত্র গ্রন্থ কুরআনে পাওয়া যায়। এতে ইহুদিদের কপটতা ও খ্রিষ্টানের সহজতা ধরা পড়ে (সূরা মায়দাহ এর ৮২ আয়াত)। অতীতে ইহুদিরাই নবী ঈসাকে অর্থাৎ জিসাসকে নিয়ে মশকরা করেছেন আর আজকে তারা দুই দলই (ইহুদি ও খ্রিষ্টান) নবী মুহাম্মাদকে নিয়ে মশকরা করছে, আর নাস্তিক্য ধারার কারণে এসব বেড়ে চলেছে। যদিও ধর্মের একত্ব যেখানে লক্ষ করা যায়, সেখানে এসব হওয়ার কথা ছিল না।
(কুরআনে সূরা নিসার ৫ ও ৬ আয়াতে) দেখা যায় আল্লাহর নির্দেশ এসেছে কিভাবে সংশ্লিষ্টরা একজন সাধারণ মুসলিম অনাথের প্রতি যত্নবান হবেন। সেখানে বলা হয় তাদের যত্ন নিতে হবে যত দিন না তারা বিবাহযোগ্যা হয়ে ওঠে, তত দিন তাদের দেখভাল করতে হবে, তাদের সহায় সম্পত্তির রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। তাড়াহুড়ো করে তা নষ্ট করা যাবে না। অতঃপর তাদের সম্পত্তি তাদের বুঝিয়ে দিতে হবে। সবার শেষে সাবধানবাণী হিসেবে বলা হয় হিসাবরক্ষক হিসেবে আল্লাহই যথেষ্ট। ইসলামের এ রকম একটি নির্দেশের পর কেমন করে নবী মুহাম্মাদ (সা:) একজন ছয় বছর বা ৯ বছরের মেয়েকে বিয়ে করতে পারেন বলে যা চৌদ্দশত বছর পরও বিরোধীর জ্বালা হয়ে জ্বলছে। ধারাবাহিকভাবে সমাজে এ নিয়ে বিতণ্ডা সৃষ্টি করা হচ্ছে। সবার ওপর আবু বকর ছিলেন বিবি আয়েশার বাবা, বাবার কষ্টের চেয়েও আজকের বিরোধীর কষ্ট যেন বহুগুণ বেশি। তিনি এমন একজন বিচক্ষণ সাহাবা (নবীর সহচর) যাকে নবীর পরই খলিফার মর্যাদা দেয়া হয়। এতে কি এসব স্পষ্ট হয় না, এসবই বিরুদ্ধবাদীদের অপপ্রচার ছাড়া আর কিছু নয়? সবচেয়ে বড় কথা নবী মুহাম্মাদ ২৫ থেকে ৫০ বছর পর্যন্ত এক স্ত্রী বিবি খাদিজা ছাড়া আর কারো পাণি গ্রহণ করেননি। ওই সময় তার ঘরে চার চারজন মেয়ে ফাতেমা, কুলসুম, রোকেয়া, জয়নব এদের রক্ষণাবেক্ষণের জন্যও একজন বুদ্ধিমতি যোগ্য অভিভাবকের সংবাদ নিয়ে খাওলাহ নামের এক মহিলা বিবি আয়েশার নাম উচ্চারণ করে বিয়ের পয়গাম নিয়ে আসেন, তখন নবীর ৫৫ বছরে ওই বিয়ে হয়। এসব ক্ষেত্রে যে বা যারা আরবি ভাষা জানেন তারা ভালো করেই জানেন ‘বিকর’ শব্দটি কখনোই কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক(?) শিশুর জন্য বা ৯ বছরের শিশুর জন্য ব্যবহার হয় না। এটি একমাত্র তার জন্যই ব্যবহার হয়েছে যে এরই মধ্যে বিবাহযোগ্যা (তাইয়্যিবা) হয়ে উঠেছে। আমি দেখেছি অনেক মুসলমানও বিষয়টি ভালো করে জানেন না। অনেকে সহি হাদিসের দোহাই দিয়ে এ রকম কুরআনবিরোধী মিথ্যার প্রচার করে ধর্মের বারোটা বাজিয়ে চলেছেন, যার ইন্ধনে পুরো বিশে^ লঙ্কাকাণ্ড চলছে। সহি হাদিসের বড় শর্ত হচ্ছে তা কুরআনবিরোধী হতে পারবে না। কোনো হাদিস কুরআনবিরোধী হলে, তা বাতিল বলে গণ্য হবে, এটি হাদিসের প্রধান শর্ত। সারা বিশ^ই আজ বিবি আয়েশার মা বাবা সেজে যুদ্ধের মাঠে নেমেছে। বিবি আয়েশা আজ তাদের হাতের গিনিপিগ। আর বিরোধীরা মহা উৎসাহে এসবের উপর নটনৃত্য চালিয়ে যাচ্ছে। কার্টুন রচিত হচ্ছে এসব ভুলের ওপরই রঙ্গমেলা চলছে, কলমের কালিতে কার্টুনের আঁকিবুকিতে ওটিই ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।
দেখা যায় বেশির ভাগ কার্টুনের ক্যারিকেচার হচ্ছে বহুবিবাহ, বিবি আয়েশার বিয়ে, যুদ্ধবাজ ধর্ম এসব নিয়ে বিতণ্ডা। আমরা সবাই জানি বাইবেলে বহু বিবাহ একটি সাধারণ ঘটনা। নবী ইব্রাহিমের দুই সন্তান ইসমাইল ও ইসহাক দুই মায়ের দুই সন্তান। তাই বলে ওই সব নিয়ে ইসলামে কোনো বিতণ্ডা করতে দেখা যায় না বা কোনো বিতণ্ডা বাধে না। ইসলামের বক্তব্যও এক বিয়েতেই টিকে, সূরা নিসার ৩ আয়াতে শর্ত হচ্ছে একাধিক স্ত্রী থাকলে সবার সাথে সমতা রাখতে হবে ও সেটি জটিল। তোমরা একাধিকের সাথে সমতা রাখতে পারবে না (৪:১২৯) তা হলে একজনকেই এবং এটিই বেশি সঙ্গত’ (সূরা নিসার ৩ আয়াত)। ইসলামের শক্তি প্রবল বলেই হয়তো মিথ্যা গল্প জুড়ে কুরআন, মুহাম্মাদ ও ইসলাম নিয়ে মশকরা করার লোকের বিধর্মী বা নাস্তিকের কোনো কমতি নেই এ পৃথিবীতে, কোনো যুগেই এদের কমতি হয়নি। বেশির ভাগ বিতণ্ডাকারীদের কথা হচ্ছে বিবি আয়েশার বিয়ে হয়েছে ছয় বছর বয়সে আর ঘরে তোলা হয়েছে ৯ বছর বয়সে। গোটা বিশ্বে এ রকম অনেক কর্ম অপকর্ম আছে যার কোনো অভাব নেই কিন্তু ইসলামকে নিয়ে এ ক্যারিকেচার যেন কিয়ামত পর্যন্তই চলবে। সে দিন যখন কার্টুন খুঁজতে থাকি তখন দু’টি আঁকিবুকি আমার কাছে স্পষ্ট হয় একটি চাকাওয়ালা বাহনে দেখা যায় নবী মুহাম্মাদ (সা:) ও ছয় বছরের শিশু আয়েশা বসে আছেন এবং ছবিতে টেগ লাগানো আছে যে মুহাম্মাদ ও তার কনে আয়েশা এ রকম কিছু একটা। অন্য একটি ছবিতে এক মুসলিম সম্ভবত নবী স্বয়ং কুরআন হাতে দাঁড়িয়ে আর দূর থেকে সেখানে শেলের মতো কিছু এসে কুরআনকে বিদ্ধ করছে। যেন কুরআনের সাথে যুদ্ধ চলছে, অস্ত্রের যুদ্ধ। আজ থেকে প্রায় বারো-তেরো বছর আগে ইন্টারনেটে নাস্তিকের সাথে যুদ্ধ করতে যেয়ে এর জবাবে ১৬টি পয়েন্টের ভিত্তিতে যুক্তি খুঁজে পাই যেখানে প্রমাণিত হয় যে, বিবি আয়েশার বিয়ে মোটেও ৬ বা ৯ বছরে হয়নি, বরং বিয়েটি হয় ১৯ বছর বয়সে তার বহুবিধ প্রমাণ পাওয়া যায়। কিভাবে মিথ্যার সাথে আজ চৌদ্দ শতাব্দী পরও তারা যুদ্ধ করে চলেছে, যেন ছায়ার সাথে যুদ্ধ করছে। ওখান থেকে শুধু কুরআনের যুক্তিটুকুই যথেষ্ট মনে করে আনছি, কারণ এটি আল্লাহর বাণী। ‘আর এতিমদের পরীক্ষা করে দেখবে যে পর্যন্ত না তারা বিবাহ বয়সে পৌঁছে যায়, তারপর যদি তাদের মধ্যে বিচারবুদ্ধি দেখতে পাও তবে তাদের সম্পত্তি তাদের হস্তার্পণ করবে, আর তা মাত্রাতিরিক্তভাবে ও তাড়াহুড়া করে খেয়ে ফেলো না পাছে তারা বড় হয়ে যাবে (এই আশঙ্কায়) আর যে অবস্থায় পড়বে সে যেন বিরত থাকে, আর যে গরিব সে ন্যায়সঙ্গতভাবে খায়। তারপর যখন তোমরা তাদের সম্পত্তি তাদের ফিরিয়ে দাও তখন তাদের সামনে সাক্ষী ডাকো। আর হিসাবরক্ষকরূপে আল্লাহ যথেষ্ট’ (সূরা নিসার ৬ আয়াত)।
বাকি অনেক হাদিস ও ঐতিহাসিক যুক্তিতেও এসব বানোয়াট কথা টিকে না। এবন হেশাম, হালবি, এয়াবা প্রভৃতিতে পাওয়া যায় বিবি আয়েশা (রা:) সমরক্ষেত্রে উপস্থিত থেকে সৈনিকদের সেবা শুশ্রুষা করেন। বিবি আয়েশা বদর যুদ্ধের ময়দানে সেবা শুশ্রুষা করেন। ইতিহাসে বা হাদিসে পাওয়া যায় প্রত্যক্ষ যুদ্ধের ময়দানে অংশ নেয়ার একটি বয়স নির্ধারিত আছে ১৫ বছরের নিচে কেউ যুদ্ধে যোগ দিতে পারত না। এমতাবস্থায় তিনি ৬ বছরের বা ৯ বছরের হলে কেমন করে বদর যুদ্ধে অংশগ্রহণ করবেন। এ রকম কোনো যুক্তিতেই এসব টিকে না যে বিবি আয়েশার বয়স ৬ বা ৯ ছিল। সূক্ষ্মভাবে প্রতিটি কার্টুনের নষ্টামির স্পষ্ট জবাব দেয়া সম্ভব। তা না করে মিছামিছি খণ্ডযুদ্ধ করার কোনো মানে নেই। কারণ তা হলে ওতে অসহিষ্ণুতার উদাহরণ সৃষ্টি হয়। মুসলমানকে ধৈর্যধারণ করতে শক্ত করেই বলা হয়েছে। বিনিময়ে তাদের জন্য অফুরান পাওনা জমা আছে। সবার ওপর মানুষকে কুরআনে বলা হয় আশরাফুল মাখলুকাত। মানে মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব। আর এই শ্রেষ্ঠ জীবের স্বীকৃতিস্বরূপ মাথাটি তার প্রতিটি সুকর্মের প্রকৃত জোগানদাতা। তাই কাউকে নিয়ে মশকারা করার আগে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার আগে দরকার তার মূল ইতিহাসকে জানার। ঘটনার মূল গোড়াতে না পৌঁছে শুধু ডালপালা নিয়ে নাড়াচাড়া করলে ডাল ভেঙে হাত পা ভাঙার সমূহ সম্ভাবনাকে এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। তারা ইহকালে কোনো দিনও সফল হতে পারবে না। ধৈর্য ও সবরের আয়াতটি হচ্ছে : ‘তারাই শ্রেষ্ঠ যারা ঈমান এনেছে, সৎকাজ করছে ও পরস্পরকে সততা অবলম্বনে উপদেশ দিচ্ছে এবং পরস্পরকে ধৈর্য ধরার পরামর্শ দিচ্ছে’ (সূরা আল আসরের ৩ আয়াত)। ধৈর্যের মাধ্যমে জটিলকে মোকাবেলা করার আহ্বান জানিয়ে এখানেই শেষ করছি।
লেখক : প্রবাসী, গ্রন্থকার
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1404)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
May
(1015)
-
▼
May 11
(19)
- প্রতিবাদ দমনে লাঠিপেটা
- মানবপাচার রোধে বেড়েছে ‘হঠাৎ তৎপরতা’
- কার্টুন এক তামাশা by নাজমা মোস্তফা
- এ কেমন বর্বরতা!
- আওয়ামী লীগ ও বিএনপি কোন পথে by আব্দুল কাইয়ুম
- বিএসএফের গুলিতে হতাহত, গ্রামে গ্রামে চাপা কান্না
- রাষ্ট্রের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হলো by এম সাখাওয়াত হোসেন
- সরকারি কলেজে শিক্ষক সংকট বেসরকারিতে কম যোগ্যতা by ...
- গৃহবধূকে গাছে বেঁধে নির্যাতন দায়ীদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্...
- আওয়ামী লীগ কার্যালয় রেখে বাকি সব উচ্ছেদ, যেখানে আই...
- পুলিশি অ্যাকশন
- যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক ভূমিকম্প!
- পরিত্যক্ত দুই ভবন ভাড়া দিচ্ছে মাস্তানরা by মতিন আব...
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস
- ভারসাম্যহীন প্রশাসন
- রাশিয়ায় বৃহত্তম সেনা কুচকাওয়াজ
- দেশে পরিযায়ী পাখি বাড়ছে by ফারজানা হালিম
- মানুষের পকেট কেটে মুনাফা by অরুণ কর্মকার
- ফসলের খেতে হঠাৎ ঘর by ইকবাল গফুর
-
▼
May 11
(19)
-
▼
May
(1015)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ইরান
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
কালবেলা
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
স্বাস্থ্য
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
মসজিদ
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
জনস্বাস্থ্য
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জোহরান মামদানি
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment