Friday, March 13, 2015
প্রতিশোধস্পৃহারও কি কোনো সীমা থাকতে নেই? by সিরাজুর রহমান
প্রতিশোধস্পৃহারও কি কোনো সীমা থাকতে নেই? by সিরাজুর রহমান
সময়টা
১৯৬৯ সালের আগস্ট মাস। হঠাৎ করে বাজেট পরিস্থিতি অনুকূল হওয়ায় বিবিসি
আমাকে ভারত ও পাকিস্তানের রাজনীতির প্রেক্ষাপটে দৃষ্টিপাতমূলক এক প্রস্থ
অনুষ্ঠান নির্মাণের অনুমতি দেয়। তখন ভারত-পাকিস্তান সম্পর্ক স্বাভাবিক ছিল
না। ভারতের ভিসা পাওয়া যায়নি বলে প্রথমে পশ্চিম পাকিস্তানে জ্যেষ্ঠ
রাজনীতিকদের কয়েকটি সাক্ষাৎকার নিয়ে পূর্ব পাকিস্তানে যাই। তত দিনে আগস্ট
গড়িয়ে সেপ্টেম্বর হয়ে গেছে। অন্তত কারো কারো জন্য পটভূমিকার বিশ্লেষণ
প্রয়োজন। এর আগেই ফিল্ডমার্শাল আইয়ুব খানের পাকিস্তান সরকার আগরতলা
ষড়যন্ত্র মামলায় শেখ মুজিবুর রহমানকে বিচারে চড়িয়েছে। কিন্তু পূর্ব
পাকিস্তানের প্রতিবাদ আন্দোলন যে ১৯৬৯-এ পাকিস্তানব্যাপী গণ-আন্দোলনে
রূপান্তরিত হবে, সেটা তারা ভাবতে পারেনি। বলদর্পী আইয়ুব খান তার ‘ডিকেড অব
ডেভেলপমেন্টের’ ভণিতা ছেড়ে ক্ষমতা প্রধান সেনাপতি জেনারেল ইয়াহিয়া খানের
হাতে তুলে দেন। দেশজুড়ে বলাবলি হচ্ছিল যে, ইয়াহিয়া খান অন্তত পূর্ব
পাকিস্তানে নির্বাচন দিতে বাধ্য হবেন।
মুজিব ভাই আমাকে ভোরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর রোডের বাড়িতে যেতে বলেছিলেন। বলেছিলেন, ভাবী আমাকে নাশতা খেতে দেবেন। সাক্ষাৎকার রেকর্ড করার পর মাংসের ঝুরিভাজা আর পরোটার নাশতা খেতে খেতে আমরা গল্প করছিলাম। অনিবার্যভাবেই আলোচনার বিষয়বস্তু নির্বাচনের প্রসঙ্গে এসে পড়ে। আমি বললাম, তার জনপ্রিয়তা যেমন সর্বজনীন, তাতে পূর্ব পাকিস্তানে কে বিজয়ী হবেন, বলার অপেক্ষা রাখে না। মুজিব ভাই বললেন, জানিরে, পূর্ব পাকিস্তানে লোকে আমাকে ভোট দেবে, কিন্তু দেশের বাইরে কে আমাকে চেনে? বললাম, সেটা বড় সমস্যা নয়। লন্ডন সারা বিশ্বের মিডিয়া ক্যাপিটাল। আপনি লন্ডনে আসুন, বিশ্বমিডিয়ার সাথে আপনার পরিচয় করিয়ে দেবো।
কয়েক দিন পরই মুজিব ভাই ফোন করলেন। বললেন, নভেম্বর মাসে তিনি লন্ডনে আসবেন স্থির করেছেন। আমি এবং কয়েকজন পূর্ব পাকিস্তানি উচ্চশিক্ষার্থী মিলে বিশ্বমিডিয়ার সাথে তার ৪১টি সাক্ষাৎকারের ব্যবস্থা করতে পেরেছিলাম। প্রায়ই তাকে বলতাম, মিডিয়ার সাথে তিনি মন খুলে কথা বললে তার বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে। দেশে ফিরে গিয়ে তিনি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে চিঠিও লিখেছিলেন। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হতে বিশ্বমিডিয়াকে শেখ মুজিবুর রহমানের পরিচয় দিতে আমাদের খুব একটা সমস্যায় পড়তে হয়নি।
স্বপ্ন ও স্বাধীনতা
স্বাধীনতা সম্বন্ধে আমাদের স্বপ্ন দুর্ভাগ্যবশত সঠিক হয়নি। পুরনো কাসুন্দি ঘেঁটে লাভ নেই। গণতন্ত্রের হত্যা এবং বাকশাল নামে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার জের ধরে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট একটা নিবিড় আঁধারে ডুবে গেল বাংলাদেশ। মুজিবের দুই মেয়ে হাসিনা ও রেহানা পশ্চিম জার্মানিতে ছিলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দুই বোনকে দিল্লিতে এনে রাজনৈতিক আশ্রয় দেন। তাদের তত্ত্বাবধানের ভার দেয়া হয় ভারতের বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থা র-কে। দিল্লির সুশীলসমাজের সাথে তাদের যোগাযোগের সুযোগ বড় বেশি ছিল না।
এ দিকে, পরপর কয়েকটি রক্তঝরা সামরিক অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর জেনারেল জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের কার্যকর ক্ষমতা হাতে পান। বহু প্রমাণ আছে যে, গোড়ার মুহূর্ত থেকেই তিনি হারানো স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সঙ্কল্প নিয়েছিলেন। হাসিনা ও রেহানাকে দেশে ফিরিয়ে আনার কূটনৈতিক উদ্যোগ তিনি কিছু দিনের মধ্যেই নিয়েছিলেন। শেষে তিনি পঞ্চম সংশোধনী মোতাবেক সংবিধানে নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগসহ সব রাজনৈতিক দল পুনরুজ্জীবিত করার পর আওয়ামী লীগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাককে দিল্লি পাঠিয়ে দুই বোনকে দেশে ফিরিয়ে আনেন। পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগের এই দুই নেতার দিল্লি সফরের কথা শেখ হাসিনা অস্বীকার করেছেন। কিন্তু তার স্বামী, পরলোকগত পরমাণুবিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ মিয়া তার স্মৃতিকথায় সে সময় দিল্লিতে ড. হোসেন ও আবদুর রাজ্জাকের শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করেছেন। সমস্যা এখানেই। নেতানেত্রীদের কেউ কেউ বাংলাদেশের ইতিহাসের অর্ধেক অস্বীকার করেন। অন্য অর্ধেককে বাঁকা চোখে দেখেন। দেশে ফেরার পর সদ্য বৈধঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতারা শেখ হাসিনাকে দলনেত্রী নির্বাচিত করতে বিলম্ব করেননি। পরের বছর আওয়ামী লীগ থেকেই বিবিসিতে আমাকে জানানো হয় যে, নেত্রী শেখ হাসিনা লন্ডন সফরে আসবেন। স্থির করে ফেললাম, শেখ হাসিনাকে তার পিতার মতো বিশ্বমিডিয়ার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার চেষ্টা করব। প্রথমেই আমি তার সম্মানে বিবিসির বুশ হাউজের কেন্দ্রীয় বার্তাকক্ষে এক চা-চক্রের আয়োজন করেছিলাম। উদ্দেশ্য ছিল, আওয়ামী লীগ নেত্রী বিবিসির সিনিয়র সাংবাদিকদের সাথে মনখোলা মতামত বিনিময় করবেন।
বুশ হাউজে হাসিনার সম্মানে চা-চক্র
শেখ হাসিনা প্রায় দুই ডজন সহচর নিয়ে বুশ হাউজে হাজির হলে আমরা হতাশ হয়েছিলাম। সহকর্মী জন রেনার ও আমি স্থির করলাম যে, আমরা দু’জন নেত্রীকে অন্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন করে স্টুডিওতে নিয়ে যাবো এবং সেখানে সব বিষয়ে তার মতামত জানার চেষ্টা করব। প্রথমেই শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার নেবেন জন রেনার। আলোচনার সূত্রপাত তিনি করেছিলেন ইংরেজিতে এভাবে : শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী নির্বাচিত হওয়ায় আপনাকে অভিনন্দন। দলনেত্রী হয়ে আপনার ভালো লাগছে?
শেখ হাসিনা : (ইংরেজিতে) না, মোটেও ভালো লাগছে না। আমি রাজনীতি ভালোবাসি না, রাজনীতিকে ঘৃণা করি।
জন রেনার : (বিস্মিত হয়ে) তাহলে আপনি কেন রাজনীতিতে এলেন? কেন দলনেত্রী হতে গেলেন আপনি?
শেখ হাসিনা : (ক্রুদ্ধ, ইংরেজিতে) ওরা আমার বাবাকে খুন করেছে, আমার মাকে খুন করেছে, আমার ভাইদের খুন করেছে, তাদের জন্য কেউ এক ফোঁটা চোখের পানি ফেলেনি। আমি তার প্রতিশোধ নেবো। প্রতিশোধ নেবো বলেই রাজনীতিতে এসেছি।
চোখে চোখে জনের অনুমতি নিয়ে স্টুডিও ম্যানেজারকে রেকর্ডিং বন্ধ করতে বলি। তারপর বাংলায় নেত্রীকে বললাম, আপনি দলনেত্রী হয়েছেন, আমরা আশা করব, প্রধানমন্ত্রী হবেন আপনি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেশের প্রত্যাশা অনেক। শুধু প্রতিশোধ নিতেই মানুষ কেন ভোট দিয়ে আপনাকে প্রধানমন্ত্রী করবে? তাদের সবার বাবা-মা তো খুন হয়নি! শেখ হাসিনা জবাব দেননি। কিন্তু আমার বুঝতে অসুবিধা হচ্ছিল না যে, এরপর আমার কোনো কথায় তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন না।
প্রতিটি কাজের পেছনে প্রতিশোধস্পৃহা
সে মুহূর্ত থেকে আওয়ামী লীগের সব কথা ও কাজে প্রতিশোধস্পৃহার লক্ষণ খুবই প্রকট। দুই বোন দিল্লি থেকে ঢাকা এসেছিলেন ১৯৮১ সালের ১৭ মে। তার ১৩ দিনের মাথায় অত্যন্ত জটিল একটা সামরিক ষড়যন্ত্রে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। চট্টগ্রাম জেলার এক মাঠের মধ্যে যেভাবে তার লাশ লুকিয়ে ফেলা হয়েছিল ধারণা করা স্বাভাবিক যে, তার পরিচয় বরাবরের জন্য গুম করে ফেলাটাই ছিল উদ্দেশ্য।
সে বছরের ২৯ ডিসেম্বর ঢাকায় শহীদ জননী জাহানারা ইমামের বোন-ভগ্নিপতি শামসুন্নাহার ও আবদুল আজিজের জ্যেষ্ঠ কন্যা শিরীনের সাথে আমার পুত্র সাইফুর রহমানের বিয়ে। বিবিসি আমাকে যাওয়ার অনুমতি দেবে না জানতাম। অগত্যা আমাকে বাদ দিয়েই বরযাত্রীরা ঢাকায় চলে গেলেন। কিন্তু অপূর্ব সুযোগ এসে গেল হঠাৎ। সেনাপ্রধান লে. জেনারেল এরশাদ সদ্য নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের সাথে বিরোধ বাধিয়ে তুললেন জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠনের দাবি তুলে। আমাকে অবিলম্বে ঢাকা যাওয়ার অনুমতি দেয়া হলো। স্থির হলো, আমার সহকর্মী রিচার্ড অপেনহাইমারও কয়েক দিনের মধ্যেই আমার সাথে যোগ দেবেন।
রিচার্ড আর আমি রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারের সাক্ষাৎকার নেই। বঙ্গভবনের প্রেস রুমে ১৯৮২ সালের ১৫ জানুয়ারি। সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতির প্রেস উপদেষ্টা দাউদ খান মজলিস আর তার সামরিক উপদেষ্টা জেনারেল সাদিকুর রহমান চৌধুরী। শেরাটন হোটেলে নিজের কামরায় গিয়ে সবে বসেছি। টেলিফোন বাজল। একটা অপরিচিত ভারী গলা জানতে চাইল ভিআইপি (রাষ্ট্রপতি) তার সাক্ষাৎকারে আমাকে কী বলেছেন।
রাষ্ট্রপতির সাথে আমাদের কথাবার্তা এতই স্পষ্ট ছিল যে, কোনো কিছু গোপন করার প্রয়োজন বোধ করিনি। বললাম, রাষ্ট্রপতি বলেছেন মাত্র অল্প দিন আগে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছে, সংবিধানের প্রয়োজন মিটেছে। লোকটি জিজ্ঞেস করলেন প্রেসিডেন্ট তো আপনাকে আরো বলেছেন যে, সেনাপ্রধানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ গঠনের দাবি তার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
আমি বললাম, হ্যাঁ, সে কথা তিনি আমাকে বলেছেন, কিন্তু আপনি জানলেন কী করে? হেসে বললাম, বঙ্গভবনের কার্পেটের কান আছে বলে তো শুনিনি। কলার টেলিফোনে বললেন, আপনি এই টেলিফোনের কাছেই থাকুন। আপনাকে আরেকটা ভিআইপি ইন্টারভিউ নিতে হবে। সারা দিন অপেক্ষা করার পর সন্ধ্যায় নতুন বেয়াই-বেয়ানের বাড়িতে খেতে গেছি। হোটেলে টেলিফোন নম্বর রেখে গিয়েছিলাম। কিছুক্ষণ পর পরিচিত এক ব্যক্তি এলেন সেখানে। প্রস্তাবিত ভিআইপির প্রতিনিধি হয়ে এসেছেন বলে দাবি করলেন। আমার স্ত্রীর সহপাঠী ছিলেন, লন্ডনে আমাদের বাড়িতে বেড়াতেও এসেছিলেন। আরো পরিচয় দিলেন তিনি। তিনি সেনাপ্রধান জেনারেল এরশাদের ভগ্নিপতি। সেনাপ্রধান স্থির করেছেন, তার প্রকাশ্য বিবৃতি দেয়ার সময় হয়নি। ভগ্নিপতিকে পূর্ণ ব্রিফিং দিয়ে তিনি তার বক্তব্য আমাকে বুঝিয়ে বলতে পাঠিয়েছেন।
ভগ্নিপতি যা বললেন, তাতে রীতিমতো স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম। সেনাপ্রধান বলে পাঠিয়েছেন একটা জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠনের ব্যাপারে তিনি আপসবিমুখ; রাষ্ট্রপতি ও ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্তের ওপর এ কাউন্সিলের ভেটো ক্ষমতা থাকতে হবে। তার দাবি মেনে নেয়া না হলে তিনি রাষ্ট্রক্ষমতা স্বহস্তে তুলে নিতে বাধ্য হবেন। আমার জন্য বিশেষ সমস্যা ছিল, তার বক্তব্য অবশ্যই বিবিসি থেকে প্রচারের অনুরোধ জানিয়েছেন ভিআইপি। অনেক ভেবেচিন্তে পরের দিন ভোরের ফ্লাইটে কলকাতা চলে যাই। ঢাকার পরিবর্তে কলকাতা থেকে এই স্পর্শকাতর প্রতিবেদন পাঠানো বেশি নিরাপদ বোধ করেছিলাম।
ঢাকপেটানো সামরিক অভ্যুত্থান
পরের ইতিহাস সবারই জানা। দুই মাস পর ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সামরিক অভ্যুত্থান করে ক্ষমতা গ্রহণ করেন। বিএনপির নতুন অনভিজ্ঞ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অবিলম্বে সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে সংগ্রাম ঘোষণা করলেও দেশের প্রাচীনতম ও অধিকতর শক্তিশালী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ সামরিক স্বৈরতন্ত্রকে স্বাগত জ্ঞাপন করেছিল। আওয়ামী লীগের নেত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, এরশাদের ক্ষমতা গ্রহণে তিনি অখুশি হননি। আওয়ামী লীগের পত্রিকা দৈনিক বাংলার বাণী প্রথম সম্পাদকীয় নিবন্ধে সামরিক সরকারের সাফল্য কামনা করে।
এ কথা কমবেশি সবারই স্বীকার করে যে, সামরিক স্বৈরতন্ত্র গেড়ে বসতে পারে গণতন্ত্রের শেকড় উপড়ে ফেলে। স্বৈরতন্ত্র আর গণতন্ত্র কখনোই একসাথে টিকে থাকতে পারে না। আর স্বৈরতন্ত্র যত বেশি দিন বজায় থাকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা ততই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এরশাদের অভ্যুত্থানে গণতন্ত্রের যে ক্ষতি হবে, রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা যে অনেক পিছিয়ে যাবে, সে সম্পর্কে আওয়ামী লীগ নেতাদের কোনো সন্দেহ ছিল না। তা সত্ত্বেও সভানেত্রীসহ আওয়ামী লীগ এরশাদের স্বৈরতন্ত্রকে স্বাগত করেছিল। ওয়াকিবহাল মহলের অভিমত, মূলত আওয়ামী লীগের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থনেই এরশাদের সামরিক স্বৈরতন্ত্র প্রায় নয় বছর স্থায়ী হতে পেরেছিল। এর একটিমাত্র ব্যাখ্যাই সম্ভব। রাষ্ট্রের এবং গণতন্ত্রের ক্ষতি হবে জেনেও প্রতিশোধস্পৃহা থেকে আওয়ামী লীগ এরশাদের স্বৈরাচারী শাসনে ইন্ধন জুগিয়েছিল।
ছাত্রজনতার ঐক্যবদ্ধ দাবিতে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত বিএনপি ও খালেদা জিয়ার সাথে একযোগে স্বৈরতন্ত্র উচ্ছেদের আন্দোলনে যোগ দিতে বাধ্য হয়। এরশাদের পতন ঘটে। প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দৃষ্টান্তমূলক নির্বাচনের আয়োজন করেছিলেন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আরো একটা অপূর্ব সুযোগ এসেছিল। এমনকি সে নির্বাচনে শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও অনেকেই বাস্তব মনে করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের দুই দিন আগে ১৯৯১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে টেলিভিশনে তার ৪৫ মিনিট স্থায়ী বক্তৃতায় অর্থহীন বিষোদগার প্রচারের পর সারা বিশ্বের পর্যবেক্ষকেরা বিস্ময়ে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন।
সম্ভাবনার অঙ্কুরেই বিনাশ
আসলে কী বলেছিলেন শেখ হাসিনার সে রাতের টেলিভাষণে? বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার যে সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল, সে সম্ভাবনাই সেদিন নস্যাৎ হয়ে যায়। এর পুনরাবৃত্তি আরো অনেকবার ঘটেছে। এখন আমরা জানি, ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনটা ছিল একটা দেশী-বিদেশী-সামরিক-মিডিয়া আঁতাতের ফসল। যা-ই হোক, সে নির্বাচনে শেখ হাসিনা বিরাট জয় পেয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। কিন্তু তাতে তার নিজের কিংবা দেশের কী লাভ হলো? সংসদের ফোরে দাঁড়িয়ে বেগম জিয়া ও জিয়াপরিবারের বিরুদ্ধে গালিগালাজের কোনো প্রয়োজন ছিল কি? তাতে ব্যক্তি, রাজনীতিক, এমনকি মুজিবকন্যা হিসেবেও তার সামান্যতম মর্যাদা বৃদ্ধি ঘটেছে কি? এর বদলে তখন থেকেই যদি তিনি সুশাসন ও জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার দিকে মনোযোগ দিতেন তাহলে এত দিনে জাতীয় পর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে যেতে পারত, জাতি সম্ভবত ভোট দিয়েই তাকে প্রধানমন্ত্রী করে রাখতে চাইত। কিন্তু সেটা কি তাদের কাম্য ছিল? আমার সন্দেহ হয়। প্রায়ই মনে হয়- ক্ষমতা, দেশ শাসন, এমনকি রাজনীতিক হিসেবে দেশের ও বিশ্বের সম্মান ও মর্যাদা আওয়ামী লীগের কাম্য নয়।
এরশাদের সামরিক স্বৈরতন্ত্রকে স্বাগত জানিয়ে সেই যে শুরু করেছিলেন, সেই যে ভূতটাকে তিনি বোতল থেকে বের করে দিয়েছিলেন, তার হাত থেকে পরিত্রাণের কোনো উপায় আজো তিনি খুঁজে পাননি। তার দল ও সরকারের কাজের মধ্যেই কোথায় যেন জাতিকে শাস্তি দেয়ার, প্রতিশোধ নেয়ার একটা বাসনা প্রচ্ছন্ন থাকে।
যে হাত খেতে দেয় সে হাত কামড়ানো
ভাগ্যহত বাংলাদেশও মাঝে মাঝে সৌভাগ্যের মুখোমুখি হয়েছিল। একটা বঞ্চিত ও নির্যাতিত জাতি সংগ্রাম করে স্বাধীন হয়েছে, শত প্রতিকূলতা জয় করেও জাতি-সমাজে মাথা তুলে দাঁড়াতে চেয়েছে। সারা বিশ্বের মানুষ শ্রদ্ধার সাথে সে প্রয়াস দেখেছে। সাহায্য, বাণিজ্য ইত্যাদি নিয়ে তারা এগিয়ে এসেছে। পৃথিবীর আর কোনো দেশ বাংলাদেশের মতো এত ঋণ, অনুদান, বাণিজ্যিক সুবিধা পেয়েছে বলে আমার জানা নেই। কিন্তু তাতে চূড়ান্ত লাভ আমাদের কী হয়েছে? পদ্মায় সেতু তৈরির মূলধন সংগ্রহ করতে আমাদের অসুবিধা হয়নি। বিশ্বব্যাংক এবং অন্যান্য দাতা দেশ ও সংস্থা খুবই সহজ শর্তে আমাদের ঋণ দানের প্রস্তাব দিয়েছিল। আমরা যুক্তরাষ্ট্র আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৮ দেশে শুল্কমুক্ত তৈরী পোশাক রফতানির বাজার পেয়েছিলাম। সে সুযোগ নষ্ট না করলে পোশাক রফতানির ব্যাপারে আমরা এত দিনে বিশ্বের সেরা দেশে পরিণত হতে পারতাম। কিন্তু সেসব সুযোগ আমরা হেলায় নষ্ট করেছি। পোশাক রফতানির জিএসপি সুবিধা আমরা হারিয়েছি ক্রেতাদেশগুলোর সাথে অহেতুক বিবাদ ও বিতর্ক করে। আমদানিকারক দেশগুলো এ শিল্পের উন্নতির যেসব প্রস্তাব করেছিল, তাতে কার ক্ষতি হতো? সরকারের? কারখানা মালিকদের? পোশাক শ্রমিকদের? কিংবা বাংলাদেশের? এখন যে এ শিল্প ধ্বংস হতে বসেছে, এ বাজার যে আমাদের হাতছাড়া হতে চলেছে, তাতে লাভবান হচ্ছে কে? আমাদের সাফল্যে যারা ঈর্ষাতুর ছিল তারা। পদ্মা সেতুর ব্যাপারে বিশ্বব্যাংকের ন্যায্য কিছু অভিযোগ ছিল। সেগুলো সম্বন্ধে তদন্তে সরকারের অমন প্রবল আপত্তির কারণ কী? অথচ সে জন্য আমরা যা হারিয়েছি তার তুলনা হয় না। সেই কবে পদ্মা সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু হয়ে যেতে পারত। এখন সরকার বলছে বটে যে, নিজেদের সম্পদ থেকে তারা সেতু তৈরি করবে। কিন্তু তাতে মোট ব্যয় যে কত গুণ বেড়ে যাবে, হিসাব করে দেখেছেন কেউ? প্রায়ই শুনছি সেতুর কাজ শুরু ‘হচ্ছে, হলো’ বলে। সর্বশেষ, পত্রিকায় পড়লাম সেতুর জন্য দুই ষাঁড়, দুই পাঁঠা আর দুই মোরগ ‘উৎসর্গ‘ (বলি) দেয়া হয়েছে, ‘কোরবানি’ দেয়ার কথা কেউ বলছেন না। আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য আর ধর্মীয় সংস্কৃতিও এখন আমরা ভুলতে বসেছি।
জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব, মার্কিন প্রেসিডেন্ট, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউরোপীয় পার্লামেন্ট, চীন-জাপানসহ বহু দেশের সরকার-প্রধান কিংবা পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বাংলাদেশে এসেছেন এক হাতে সাহায্যের ডালি আর অন্য হাতে বাংলাদেশে শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব নিয়ে। তাদের কথা আমরা শুনিনি। প্রত্যেককে আমরা অপমান করেছি। অবশিষ্ট ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু দিল্লিও এখন গণভবনের ওপর নাখোশ মনে হচ্ছে। ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরটিও নিশ্চয়তামূলক নয়।
স্বাধীনতা বিসর্জন দিয়ে প্রতিশোধ?
কিছু দিন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ছিলাম। বাংলাদেশের দৈনন্দিন ঘটনাবলির সাথে যোগাযোগ রাখা সম্ভব ছিল না। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে এসে শুনি- মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠছে, দুই বাংলা এক হয়নি কেন? কী অদ্ভুত আর বিস্ময়কর প্রশ্ন? সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে কেন? চাঁদকে কেন আমরা রাতের আকাশেই ভালো দেখি? কারণ কী? কারণ এই যে সুদূর অতীতে কিছু প্রাকৃতিক কার্যকারণ ঘটেছিল। দুই বাংলা এক হয়নি কেন? এসব প্রশ্নও উঠেছিল অতীতে; ১৯৪৬-৪৭ সালে। মীমাংসা তখনই হয়ে গেছে। দুই বাংলা এবং ভারতবর্ষ অভিন্ন থাকার সুযোগ উপমহাদেশের মানুষকে দেয়া হয়েছিল। সে সুযোগের তারা সদ্ব্যবহার করেনি বলেই দেশ ভাগ হয়েছে এবং সে সঙ্গে বহু আনুষঙ্গিক ঘটনা। সে প্রশ্ন এখন কেন? যে যার দেশ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকলেই তো সমাধান হয়ে যায়? পশ্চিমবঙ্গ তো ভারতেই আছে, কিন্তু অবশিষ্ট ভারত কি পশ্চিমবঙ্গকে অথবা পশ্চিমবঙ্গ কি অবশিষ্ট ভারতকে নিয়ে সন্তুষ্ট? উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতবোন নামে পরিচিত রাজ্যগুলোও পশ্চিমবঙ্গ অথবা অবশিষ্ট ভারতের সঙ্গে সদ্ভাবে আছে কি? তাহলে অর্ধশতাব্দী ধরে কেন তারা স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করছে? দুই বাংলা এক থাকলে যে মমতা ব্যানার্জি আর শেখ হাসিনা পরম সৌহার্দ্যরে সঙ্গে সে রাজ্য শাসন করতেন, তারই বা নিশ্চয়তা কী?
বাংলাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ১৬-১৭ জন কূটনীতিকের উদ্যোগের খবর পেলাম হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে। কিছুটা আশাবাদীও হয়েছিলাম হয়তো। তাদের প্রস্তাবে গ্রহণযোগ্য কিছু দিক ছিল। জাতিসঙ্ঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো গত বছর যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন তাতেও গ্রহণযোগ্য দিক ছিল। অনুসন্ধান করা হলে এসব প্রস্তাবের মধ্য থেকে সমাধান অবশ্যই পাওয়া যেত। ঢাকা থেকে এক বন্ধু ফোনে বলছিলেন, দেশের মানুষ কিছুটা আশাবাদী কূটনীতিকদের প্রস্তাব নিয়ে। এর পরেই কিন্তু মুখ খুললেন শেখ হাসিনা।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তিনি ঘোষণা দিলেন, বাংলাদেশের মাটিতে খালেদা জিয়ার স্থান হবে না। কেন হবে না? বাংলাদেশ কি এতই ছোট দেশ? নাকি বিশেষ কোনো নেতা-নেত্রী বা দল বাংলাদেশের মালিক?
প্রধানমন্ত্রী কি ভয় করছিলেন যে কূটনীতিকদের চেষ্টা সফল হলে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে না? সে জন্যই কি আরেক প্যাঁচ মোচড় দেয়া হলো? ৩৫ বছর ধরে প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা হচ্ছে। কী লাভ হয়েছে তাতে? দেশের অগ্রগতি হচ্ছে না। হাজারে হাজারে মানুষ খুন হয়েছে। খুন কে করেছে, জিজ্ঞেস করে লাভ নেই। সরকার ও আওয়ামী লীগ এক কথায় বলবে, খালেদা জিয়া ও বিএনপি। সকাল-সন্ধ্যা খালেদা জিয়াকে খুনি না বললে পেটের ভাত হজম হয় না।
দেশ-বিদেশের মানুষ জানে অন্য কথা। ‘ক্রসফায়ার’ আর ‘বন্দুকযুদ্ধ’ কথাগুলো এখন কদর্য ও নিষ্ঠুর রসিকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের গুম-খুনগুলো কারা ঘটাচ্ছে, সবাই জানে। ব্রিটিশ সরকার এখনো ইলিয়াস আলীর মুক্তির জন্য এ সরকারের ওপর চাপ দিয়ে যাচ্ছে।
ক্ষমতালাভের গোড়ার দিকে জামায়াতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে সরকার বিদেশীদের ‘ইমপ্রেস’ করার চেষ্টা করেছিল; দাবি করেছিল যে, তারা বাংলাদেশ থেকে আলকায়েদা ও ইসলামি সন্ত্রাস দূর করার চেষ্টা করছে সুতরাং সবার উচিত তাদের সমর্থন দেয়া। অভিজিৎ হত্যা নিয়ে নতুন চাল চেলেছেন তারা। বিদেশীদের তারা বলতে চাইছেন, বাংলাদেশে নতুন করে ইসলামি সন্ত্রাস দেখা দিয়েছে। আওয়ামী লীগ গদিতে না থাকলে সে সন্ত্রাস দূর হবে না।
ইরাকের আইএস বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়বে। কিন্তু কোনো দেশের কোনো সরকার এ প্রচারণার ফাঁদে পা দিচ্ছে বলে মনে হয় না। পুলিশ যেখানে হাজির ছিল সেখানে কী করে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারল, সে ব্যাখ্যাই সবাই চায়। অভিজিতের বাবা বলেছেন, ফারাবীকে গ্রেফতার করে কী লাভ হলো, সে তো সে চারুকলাতেই ছিল না।
আমরা জানি ১৯৮১ সালে যে প্রতিশোধস্পৃহাকে বাংলাদেশের আকাশে বাতাসে ছেড়ে দেয়া হয়েছে, দেশের লোকসান এবং বিভিন্ন খুনের জন্য সেটাই দায়ী। কিন্তু সেই স্পৃহার কি সীমা-পরিসীমা থাকতে নেই?
লন্ডন, ০৯.০৩.১৫
serajurrahman34@gmail.com
মুজিব ভাই আমাকে ভোরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর রোডের বাড়িতে যেতে বলেছিলেন। বলেছিলেন, ভাবী আমাকে নাশতা খেতে দেবেন। সাক্ষাৎকার রেকর্ড করার পর মাংসের ঝুরিভাজা আর পরোটার নাশতা খেতে খেতে আমরা গল্প করছিলাম। অনিবার্যভাবেই আলোচনার বিষয়বস্তু নির্বাচনের প্রসঙ্গে এসে পড়ে। আমি বললাম, তার জনপ্রিয়তা যেমন সর্বজনীন, তাতে পূর্ব পাকিস্তানে কে বিজয়ী হবেন, বলার অপেক্ষা রাখে না। মুজিব ভাই বললেন, জানিরে, পূর্ব পাকিস্তানে লোকে আমাকে ভোট দেবে, কিন্তু দেশের বাইরে কে আমাকে চেনে? বললাম, সেটা বড় সমস্যা নয়। লন্ডন সারা বিশ্বের মিডিয়া ক্যাপিটাল। আপনি লন্ডনে আসুন, বিশ্বমিডিয়ার সাথে আপনার পরিচয় করিয়ে দেবো।
কয়েক দিন পরই মুজিব ভাই ফোন করলেন। বললেন, নভেম্বর মাসে তিনি লন্ডনে আসবেন স্থির করেছেন। আমি এবং কয়েকজন পূর্ব পাকিস্তানি উচ্চশিক্ষার্থী মিলে বিশ্বমিডিয়ার সাথে তার ৪১টি সাক্ষাৎকারের ব্যবস্থা করতে পেরেছিলাম। প্রায়ই তাকে বলতাম, মিডিয়ার সাথে তিনি মন খুলে কথা বললে তার বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে। দেশে ফিরে গিয়ে তিনি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে চিঠিও লিখেছিলেন। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হতে বিশ্বমিডিয়াকে শেখ মুজিবুর রহমানের পরিচয় দিতে আমাদের খুব একটা সমস্যায় পড়তে হয়নি।
স্বপ্ন ও স্বাধীনতা
স্বাধীনতা সম্বন্ধে আমাদের স্বপ্ন দুর্ভাগ্যবশত সঠিক হয়নি। পুরনো কাসুন্দি ঘেঁটে লাভ নেই। গণতন্ত্রের হত্যা এবং বাকশাল নামে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার জের ধরে পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট একটা নিবিড় আঁধারে ডুবে গেল বাংলাদেশ। মুজিবের দুই মেয়ে হাসিনা ও রেহানা পশ্চিম জার্মানিতে ছিলেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী দুই বোনকে দিল্লিতে এনে রাজনৈতিক আশ্রয় দেন। তাদের তত্ত্বাবধানের ভার দেয়া হয় ভারতের বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থা র-কে। দিল্লির সুশীলসমাজের সাথে তাদের যোগাযোগের সুযোগ বড় বেশি ছিল না।
এ দিকে, পরপর কয়েকটি রক্তঝরা সামরিক অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর জেনারেল জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের কার্যকর ক্ষমতা হাতে পান। বহু প্রমাণ আছে যে, গোড়ার মুহূর্ত থেকেই তিনি হারানো স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সঙ্কল্প নিয়েছিলেন। হাসিনা ও রেহানাকে দেশে ফিরিয়ে আনার কূটনৈতিক উদ্যোগ তিনি কিছু দিনের মধ্যেই নিয়েছিলেন। শেষে তিনি পঞ্চম সংশোধনী মোতাবেক সংবিধানে নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগসহ সব রাজনৈতিক দল পুনরুজ্জীবিত করার পর আওয়ামী লীগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. কামাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাককে দিল্লি পাঠিয়ে দুই বোনকে দেশে ফিরিয়ে আনেন। পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগের এই দুই নেতার দিল্লি সফরের কথা শেখ হাসিনা অস্বীকার করেছেন। কিন্তু তার স্বামী, পরলোকগত পরমাণুবিজ্ঞানী ড. মোহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ মিয়া তার স্মৃতিকথায় সে সময় দিল্লিতে ড. হোসেন ও আবদুর রাজ্জাকের শেখ হাসিনার সাথে সাক্ষাতের কথা উল্লেখ করেছেন। সমস্যা এখানেই। নেতানেত্রীদের কেউ কেউ বাংলাদেশের ইতিহাসের অর্ধেক অস্বীকার করেন। অন্য অর্ধেককে বাঁকা চোখে দেখেন। দেশে ফেরার পর সদ্য বৈধঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতারা শেখ হাসিনাকে দলনেত্রী নির্বাচিত করতে বিলম্ব করেননি। পরের বছর আওয়ামী লীগ থেকেই বিবিসিতে আমাকে জানানো হয় যে, নেত্রী শেখ হাসিনা লন্ডন সফরে আসবেন। স্থির করে ফেললাম, শেখ হাসিনাকে তার পিতার মতো বিশ্বমিডিয়ার সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার চেষ্টা করব। প্রথমেই আমি তার সম্মানে বিবিসির বুশ হাউজের কেন্দ্রীয় বার্তাকক্ষে এক চা-চক্রের আয়োজন করেছিলাম। উদ্দেশ্য ছিল, আওয়ামী লীগ নেত্রী বিবিসির সিনিয়র সাংবাদিকদের সাথে মনখোলা মতামত বিনিময় করবেন।
বুশ হাউজে হাসিনার সম্মানে চা-চক্র
শেখ হাসিনা প্রায় দুই ডজন সহচর নিয়ে বুশ হাউজে হাজির হলে আমরা হতাশ হয়েছিলাম। সহকর্মী জন রেনার ও আমি স্থির করলাম যে, আমরা দু’জন নেত্রীকে অন্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন করে স্টুডিওতে নিয়ে যাবো এবং সেখানে সব বিষয়ে তার মতামত জানার চেষ্টা করব। প্রথমেই শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার নেবেন জন রেনার। আলোচনার সূত্রপাত তিনি করেছিলেন ইংরেজিতে এভাবে : শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী নির্বাচিত হওয়ায় আপনাকে অভিনন্দন। দলনেত্রী হয়ে আপনার ভালো লাগছে?
শেখ হাসিনা : (ইংরেজিতে) না, মোটেও ভালো লাগছে না। আমি রাজনীতি ভালোবাসি না, রাজনীতিকে ঘৃণা করি।
জন রেনার : (বিস্মিত হয়ে) তাহলে আপনি কেন রাজনীতিতে এলেন? কেন দলনেত্রী হতে গেলেন আপনি?
শেখ হাসিনা : (ক্রুদ্ধ, ইংরেজিতে) ওরা আমার বাবাকে খুন করেছে, আমার মাকে খুন করেছে, আমার ভাইদের খুন করেছে, তাদের জন্য কেউ এক ফোঁটা চোখের পানি ফেলেনি। আমি তার প্রতিশোধ নেবো। প্রতিশোধ নেবো বলেই রাজনীতিতে এসেছি।
চোখে চোখে জনের অনুমতি নিয়ে স্টুডিও ম্যানেজারকে রেকর্ডিং বন্ধ করতে বলি। তারপর বাংলায় নেত্রীকে বললাম, আপনি দলনেত্রী হয়েছেন, আমরা আশা করব, প্রধানমন্ত্রী হবেন আপনি। প্রধানমন্ত্রীর কাছে দেশের প্রত্যাশা অনেক। শুধু প্রতিশোধ নিতেই মানুষ কেন ভোট দিয়ে আপনাকে প্রধানমন্ত্রী করবে? তাদের সবার বাবা-মা তো খুন হয়নি! শেখ হাসিনা জবাব দেননি। কিন্তু আমার বুঝতে অসুবিধা হচ্ছিল না যে, এরপর আমার কোনো কথায় তিনি বিশ্বাস করতে পারছেন না।
প্রতিটি কাজের পেছনে প্রতিশোধস্পৃহা
সে মুহূর্ত থেকে আওয়ামী লীগের সব কথা ও কাজে প্রতিশোধস্পৃহার লক্ষণ খুবই প্রকট। দুই বোন দিল্লি থেকে ঢাকা এসেছিলেন ১৯৮১ সালের ১৭ মে। তার ১৩ দিনের মাথায় অত্যন্ত জটিল একটা সামরিক ষড়যন্ত্রে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। চট্টগ্রাম জেলার এক মাঠের মধ্যে যেভাবে তার লাশ লুকিয়ে ফেলা হয়েছিল ধারণা করা স্বাভাবিক যে, তার পরিচয় বরাবরের জন্য গুম করে ফেলাটাই ছিল উদ্দেশ্য।
সে বছরের ২৯ ডিসেম্বর ঢাকায় শহীদ জননী জাহানারা ইমামের বোন-ভগ্নিপতি শামসুন্নাহার ও আবদুল আজিজের জ্যেষ্ঠ কন্যা শিরীনের সাথে আমার পুত্র সাইফুর রহমানের বিয়ে। বিবিসি আমাকে যাওয়ার অনুমতি দেবে না জানতাম। অগত্যা আমাকে বাদ দিয়েই বরযাত্রীরা ঢাকায় চলে গেলেন। কিন্তু অপূর্ব সুযোগ এসে গেল হঠাৎ। সেনাপ্রধান লে. জেনারেল এরশাদ সদ্য নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের সাথে বিরোধ বাধিয়ে তুললেন জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠনের দাবি তুলে। আমাকে অবিলম্বে ঢাকা যাওয়ার অনুমতি দেয়া হলো। স্থির হলো, আমার সহকর্মী রিচার্ড অপেনহাইমারও কয়েক দিনের মধ্যেই আমার সাথে যোগ দেবেন।
রিচার্ড আর আমি রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তারের সাক্ষাৎকার নেই। বঙ্গভবনের প্রেস রুমে ১৯৮২ সালের ১৫ জানুয়ারি। সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপতির প্রেস উপদেষ্টা দাউদ খান মজলিস আর তার সামরিক উপদেষ্টা জেনারেল সাদিকুর রহমান চৌধুরী। শেরাটন হোটেলে নিজের কামরায় গিয়ে সবে বসেছি। টেলিফোন বাজল। একটা অপরিচিত ভারী গলা জানতে চাইল ভিআইপি (রাষ্ট্রপতি) তার সাক্ষাৎকারে আমাকে কী বলেছেন।
রাষ্ট্রপতির সাথে আমাদের কথাবার্তা এতই স্পষ্ট ছিল যে, কোনো কিছু গোপন করার প্রয়োজন বোধ করিনি। বললাম, রাষ্ট্রপতি বলেছেন মাত্র অল্প দিন আগে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছে, সংবিধানের প্রয়োজন মিটেছে। লোকটি জিজ্ঞেস করলেন প্রেসিডেন্ট তো আপনাকে আরো বলেছেন যে, সেনাপ্রধানের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ গঠনের দাবি তার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
আমি বললাম, হ্যাঁ, সে কথা তিনি আমাকে বলেছেন, কিন্তু আপনি জানলেন কী করে? হেসে বললাম, বঙ্গভবনের কার্পেটের কান আছে বলে তো শুনিনি। কলার টেলিফোনে বললেন, আপনি এই টেলিফোনের কাছেই থাকুন। আপনাকে আরেকটা ভিআইপি ইন্টারভিউ নিতে হবে। সারা দিন অপেক্ষা করার পর সন্ধ্যায় নতুন বেয়াই-বেয়ানের বাড়িতে খেতে গেছি। হোটেলে টেলিফোন নম্বর রেখে গিয়েছিলাম। কিছুক্ষণ পর পরিচিত এক ব্যক্তি এলেন সেখানে। প্রস্তাবিত ভিআইপির প্রতিনিধি হয়ে এসেছেন বলে দাবি করলেন। আমার স্ত্রীর সহপাঠী ছিলেন, লন্ডনে আমাদের বাড়িতে বেড়াতেও এসেছিলেন। আরো পরিচয় দিলেন তিনি। তিনি সেনাপ্রধান জেনারেল এরশাদের ভগ্নিপতি। সেনাপ্রধান স্থির করেছেন, তার প্রকাশ্য বিবৃতি দেয়ার সময় হয়নি। ভগ্নিপতিকে পূর্ণ ব্রিফিং দিয়ে তিনি তার বক্তব্য আমাকে বুঝিয়ে বলতে পাঠিয়েছেন।
ভগ্নিপতি যা বললেন, তাতে রীতিমতো স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম। সেনাপ্রধান বলে পাঠিয়েছেন একটা জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল গঠনের ব্যাপারে তিনি আপসবিমুখ; রাষ্ট্রপতি ও ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্তের ওপর এ কাউন্সিলের ভেটো ক্ষমতা থাকতে হবে। তার দাবি মেনে নেয়া না হলে তিনি রাষ্ট্রক্ষমতা স্বহস্তে তুলে নিতে বাধ্য হবেন। আমার জন্য বিশেষ সমস্যা ছিল, তার বক্তব্য অবশ্যই বিবিসি থেকে প্রচারের অনুরোধ জানিয়েছেন ভিআইপি। অনেক ভেবেচিন্তে পরের দিন ভোরের ফ্লাইটে কলকাতা চলে যাই। ঢাকার পরিবর্তে কলকাতা থেকে এই স্পর্শকাতর প্রতিবেদন পাঠানো বেশি নিরাপদ বোধ করেছিলাম।
ঢাকপেটানো সামরিক অভ্যুত্থান
পরের ইতিহাস সবারই জানা। দুই মাস পর ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সামরিক অভ্যুত্থান করে ক্ষমতা গ্রহণ করেন। বিএনপির নতুন অনভিজ্ঞ নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া অবিলম্বে সেনা অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে সংগ্রাম ঘোষণা করলেও দেশের প্রাচীনতম ও অধিকতর শক্তিশালী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ সামরিক স্বৈরতন্ত্রকে স্বাগত জ্ঞাপন করেছিল। আওয়ামী লীগের নেত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, এরশাদের ক্ষমতা গ্রহণে তিনি অখুশি হননি। আওয়ামী লীগের পত্রিকা দৈনিক বাংলার বাণী প্রথম সম্পাদকীয় নিবন্ধে সামরিক সরকারের সাফল্য কামনা করে।
এ কথা কমবেশি সবারই স্বীকার করে যে, সামরিক স্বৈরতন্ত্র গেড়ে বসতে পারে গণতন্ত্রের শেকড় উপড়ে ফেলে। স্বৈরতন্ত্র আর গণতন্ত্র কখনোই একসাথে টিকে থাকতে পারে না। আর স্বৈরতন্ত্র যত বেশি দিন বজায় থাকে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা ততই কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। এরশাদের অভ্যুত্থানে গণতন্ত্রের যে ক্ষতি হবে, রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা যে অনেক পিছিয়ে যাবে, সে সম্পর্কে আওয়ামী লীগ নেতাদের কোনো সন্দেহ ছিল না। তা সত্ত্বেও সভানেত্রীসহ আওয়ামী লীগ এরশাদের স্বৈরতন্ত্রকে স্বাগত করেছিল। ওয়াকিবহাল মহলের অভিমত, মূলত আওয়ামী লীগের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থনেই এরশাদের সামরিক স্বৈরতন্ত্র প্রায় নয় বছর স্থায়ী হতে পেরেছিল। এর একটিমাত্র ব্যাখ্যাই সম্ভব। রাষ্ট্রের এবং গণতন্ত্রের ক্ষতি হবে জেনেও প্রতিশোধস্পৃহা থেকে আওয়ামী লীগ এরশাদের স্বৈরাচারী শাসনে ইন্ধন জুগিয়েছিল।
ছাত্রজনতার ঐক্যবদ্ধ দাবিতে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ শেষ পর্যন্ত বিএনপি ও খালেদা জিয়ার সাথে একযোগে স্বৈরতন্ত্র উচ্ছেদের আন্দোলনে যোগ দিতে বাধ্য হয়। এরশাদের পতন ঘটে। প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দৃষ্টান্তমূলক নির্বাচনের আয়োজন করেছিলেন। বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আরো একটা অপূর্ব সুযোগ এসেছিল। এমনকি সে নির্বাচনে শেখ হাসিনার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনাও অনেকেই বাস্তব মনে করেছিলেন। কিন্তু নির্বাচনের দুই দিন আগে ১৯৯১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে টেলিভিশনে তার ৪৫ মিনিট স্থায়ী বক্তৃতায় অর্থহীন বিষোদগার প্রচারের পর সারা বিশ্বের পর্যবেক্ষকেরা বিস্ময়ে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলেন।
সম্ভাবনার অঙ্কুরেই বিনাশ
আসলে কী বলেছিলেন শেখ হাসিনার সে রাতের টেলিভাষণে? বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার যে সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল, সে সম্ভাবনাই সেদিন নস্যাৎ হয়ে যায়। এর পুনরাবৃত্তি আরো অনেকবার ঘটেছে। এখন আমরা জানি, ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনটা ছিল একটা দেশী-বিদেশী-সামরিক-মিডিয়া আঁতাতের ফসল। যা-ই হোক, সে নির্বাচনে শেখ হাসিনা বিরাট জয় পেয়েছিলেন, প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। কিন্তু তাতে তার নিজের কিংবা দেশের কী লাভ হলো? সংসদের ফোরে দাঁড়িয়ে বেগম জিয়া ও জিয়াপরিবারের বিরুদ্ধে গালিগালাজের কোনো প্রয়োজন ছিল কি? তাতে ব্যক্তি, রাজনীতিক, এমনকি মুজিবকন্যা হিসেবেও তার সামান্যতম মর্যাদা বৃদ্ধি ঘটেছে কি? এর বদলে তখন থেকেই যদি তিনি সুশাসন ও জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার দিকে মনোযোগ দিতেন তাহলে এত দিনে জাতীয় পর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে যেতে পারত, জাতি সম্ভবত ভোট দিয়েই তাকে প্রধানমন্ত্রী করে রাখতে চাইত। কিন্তু সেটা কি তাদের কাম্য ছিল? আমার সন্দেহ হয়। প্রায়ই মনে হয়- ক্ষমতা, দেশ শাসন, এমনকি রাজনীতিক হিসেবে দেশের ও বিশ্বের সম্মান ও মর্যাদা আওয়ামী লীগের কাম্য নয়।
এরশাদের সামরিক স্বৈরতন্ত্রকে স্বাগত জানিয়ে সেই যে শুরু করেছিলেন, সেই যে ভূতটাকে তিনি বোতল থেকে বের করে দিয়েছিলেন, তার হাত থেকে পরিত্রাণের কোনো উপায় আজো তিনি খুঁজে পাননি। তার দল ও সরকারের কাজের মধ্যেই কোথায় যেন জাতিকে শাস্তি দেয়ার, প্রতিশোধ নেয়ার একটা বাসনা প্রচ্ছন্ন থাকে।
যে হাত খেতে দেয় সে হাত কামড়ানো
ভাগ্যহত বাংলাদেশও মাঝে মাঝে সৌভাগ্যের মুখোমুখি হয়েছিল। একটা বঞ্চিত ও নির্যাতিত জাতি সংগ্রাম করে স্বাধীন হয়েছে, শত প্রতিকূলতা জয় করেও জাতি-সমাজে মাথা তুলে দাঁড়াতে চেয়েছে। সারা বিশ্বের মানুষ শ্রদ্ধার সাথে সে প্রয়াস দেখেছে। সাহায্য, বাণিজ্য ইত্যাদি নিয়ে তারা এগিয়ে এসেছে। পৃথিবীর আর কোনো দেশ বাংলাদেশের মতো এত ঋণ, অনুদান, বাণিজ্যিক সুবিধা পেয়েছে বলে আমার জানা নেই। কিন্তু তাতে চূড়ান্ত লাভ আমাদের কী হয়েছে? পদ্মায় সেতু তৈরির মূলধন সংগ্রহ করতে আমাদের অসুবিধা হয়নি। বিশ্বব্যাংক এবং অন্যান্য দাতা দেশ ও সংস্থা খুবই সহজ শর্তে আমাদের ঋণ দানের প্রস্তাব দিয়েছিল। আমরা যুক্তরাষ্ট্র আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৮ দেশে শুল্কমুক্ত তৈরী পোশাক রফতানির বাজার পেয়েছিলাম। সে সুযোগ নষ্ট না করলে পোশাক রফতানির ব্যাপারে আমরা এত দিনে বিশ্বের সেরা দেশে পরিণত হতে পারতাম। কিন্তু সেসব সুযোগ আমরা হেলায় নষ্ট করেছি। পোশাক রফতানির জিএসপি সুবিধা আমরা হারিয়েছি ক্রেতাদেশগুলোর সাথে অহেতুক বিবাদ ও বিতর্ক করে। আমদানিকারক দেশগুলো এ শিল্পের উন্নতির যেসব প্রস্তাব করেছিল, তাতে কার ক্ষতি হতো? সরকারের? কারখানা মালিকদের? পোশাক শ্রমিকদের? কিংবা বাংলাদেশের? এখন যে এ শিল্প ধ্বংস হতে বসেছে, এ বাজার যে আমাদের হাতছাড়া হতে চলেছে, তাতে লাভবান হচ্ছে কে? আমাদের সাফল্যে যারা ঈর্ষাতুর ছিল তারা। পদ্মা সেতুর ব্যাপারে বিশ্বব্যাংকের ন্যায্য কিছু অভিযোগ ছিল। সেগুলো সম্বন্ধে তদন্তে সরকারের অমন প্রবল আপত্তির কারণ কী? অথচ সে জন্য আমরা যা হারিয়েছি তার তুলনা হয় না। সেই কবে পদ্মা সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু হয়ে যেতে পারত। এখন সরকার বলছে বটে যে, নিজেদের সম্পদ থেকে তারা সেতু তৈরি করবে। কিন্তু তাতে মোট ব্যয় যে কত গুণ বেড়ে যাবে, হিসাব করে দেখেছেন কেউ? প্রায়ই শুনছি সেতুর কাজ শুরু ‘হচ্ছে, হলো’ বলে। সর্বশেষ, পত্রিকায় পড়লাম সেতুর জন্য দুই ষাঁড়, দুই পাঁঠা আর দুই মোরগ ‘উৎসর্গ‘ (বলি) দেয়া হয়েছে, ‘কোরবানি’ দেয়ার কথা কেউ বলছেন না। আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য আর ধর্মীয় সংস্কৃতিও এখন আমরা ভুলতে বসেছি।
জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব, মার্কিন প্রেসিডেন্ট, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউরোপীয় পার্লামেন্ট, চীন-জাপানসহ বহু দেশের সরকার-প্রধান কিংবা পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বাংলাদেশে এসেছেন এক হাতে সাহায্যের ডালি আর অন্য হাতে বাংলাদেশে শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব নিয়ে। তাদের কথা আমরা শুনিনি। প্রত্যেককে আমরা অপমান করেছি। অবশিষ্ট ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু দিল্লিও এখন গণভবনের ওপর নাখোশ মনে হচ্ছে। ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরটিও নিশ্চয়তামূলক নয়।
স্বাধীনতা বিসর্জন দিয়ে প্রতিশোধ?
কিছু দিন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ছিলাম। বাংলাদেশের দৈনন্দিন ঘটনাবলির সাথে যোগাযোগ রাখা সম্ভব ছিল না। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে এসে শুনি- মিডিয়ায় প্রশ্ন উঠছে, দুই বাংলা এক হয়নি কেন? কী অদ্ভুত আর বিস্ময়কর প্রশ্ন? সূর্য পূর্ব দিকে ওঠে কেন? চাঁদকে কেন আমরা রাতের আকাশেই ভালো দেখি? কারণ কী? কারণ এই যে সুদূর অতীতে কিছু প্রাকৃতিক কার্যকারণ ঘটেছিল। দুই বাংলা এক হয়নি কেন? এসব প্রশ্নও উঠেছিল অতীতে; ১৯৪৬-৪৭ সালে। মীমাংসা তখনই হয়ে গেছে। দুই বাংলা এবং ভারতবর্ষ অভিন্ন থাকার সুযোগ উপমহাদেশের মানুষকে দেয়া হয়েছিল। সে সুযোগের তারা সদ্ব্যবহার করেনি বলেই দেশ ভাগ হয়েছে এবং সে সঙ্গে বহু আনুষঙ্গিক ঘটনা। সে প্রশ্ন এখন কেন? যে যার দেশ নিয়ে সন্তুষ্ট থাকলেই তো সমাধান হয়ে যায়? পশ্চিমবঙ্গ তো ভারতেই আছে, কিন্তু অবশিষ্ট ভারত কি পশ্চিমবঙ্গকে অথবা পশ্চিমবঙ্গ কি অবশিষ্ট ভারতকে নিয়ে সন্তুষ্ট? উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতবোন নামে পরিচিত রাজ্যগুলোও পশ্চিমবঙ্গ অথবা অবশিষ্ট ভারতের সঙ্গে সদ্ভাবে আছে কি? তাহলে অর্ধশতাব্দী ধরে কেন তারা স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করছে? দুই বাংলা এক থাকলে যে মমতা ব্যানার্জি আর শেখ হাসিনা পরম সৌহার্দ্যরে সঙ্গে সে রাজ্য শাসন করতেন, তারই বা নিশ্চয়তা কী?
বাংলাদেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য ১৬-১৭ জন কূটনীতিকের উদ্যোগের খবর পেলাম হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে। কিছুটা আশাবাদীও হয়েছিলাম হয়তো। তাদের প্রস্তাবে গ্রহণযোগ্য কিছু দিক ছিল। জাতিসঙ্ঘ মহাসচিবের বিশেষ প্রতিনিধি অস্কার ফার্নান্দেজ তারানকো গত বছর যে প্রস্তাব দিয়েছিলেন তাতেও গ্রহণযোগ্য দিক ছিল। অনুসন্ধান করা হলে এসব প্রস্তাবের মধ্য থেকে সমাধান অবশ্যই পাওয়া যেত। ঢাকা থেকে এক বন্ধু ফোনে বলছিলেন, দেশের মানুষ কিছুটা আশাবাদী কূটনীতিকদের প্রস্তাব নিয়ে। এর পরেই কিন্তু মুখ খুললেন শেখ হাসিনা।
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে তিনি ঘোষণা দিলেন, বাংলাদেশের মাটিতে খালেদা জিয়ার স্থান হবে না। কেন হবে না? বাংলাদেশ কি এতই ছোট দেশ? নাকি বিশেষ কোনো নেতা-নেত্রী বা দল বাংলাদেশের মালিক?
প্রধানমন্ত্রী কি ভয় করছিলেন যে কূটনীতিকদের চেষ্টা সফল হলে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হবে না? সে জন্যই কি আরেক প্যাঁচ মোচড় দেয়া হলো? ৩৫ বছর ধরে প্রতিশোধ নেয়ার চেষ্টা হচ্ছে। কী লাভ হয়েছে তাতে? দেশের অগ্রগতি হচ্ছে না। হাজারে হাজারে মানুষ খুন হয়েছে। খুন কে করেছে, জিজ্ঞেস করে লাভ নেই। সরকার ও আওয়ামী লীগ এক কথায় বলবে, খালেদা জিয়া ও বিএনপি। সকাল-সন্ধ্যা খালেদা জিয়াকে খুনি না বললে পেটের ভাত হজম হয় না।
দেশ-বিদেশের মানুষ জানে অন্য কথা। ‘ক্রসফায়ার’ আর ‘বন্দুকযুদ্ধ’ কথাগুলো এখন কদর্য ও নিষ্ঠুর রসিকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের গুম-খুনগুলো কারা ঘটাচ্ছে, সবাই জানে। ব্রিটিশ সরকার এখনো ইলিয়াস আলীর মুক্তির জন্য এ সরকারের ওপর চাপ দিয়ে যাচ্ছে।
ক্ষমতালাভের গোড়ার দিকে জামায়াতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে সরকার বিদেশীদের ‘ইমপ্রেস’ করার চেষ্টা করেছিল; দাবি করেছিল যে, তারা বাংলাদেশ থেকে আলকায়েদা ও ইসলামি সন্ত্রাস দূর করার চেষ্টা করছে সুতরাং সবার উচিত তাদের সমর্থন দেয়া। অভিজিৎ হত্যা নিয়ে নতুন চাল চেলেছেন তারা। বিদেশীদের তারা বলতে চাইছেন, বাংলাদেশে নতুন করে ইসলামি সন্ত্রাস দেখা দিয়েছে। আওয়ামী লীগ গদিতে না থাকলে সে সন্ত্রাস দূর হবে না।
ইরাকের আইএস বাংলাদেশেও ছড়িয়ে পড়বে। কিন্তু কোনো দেশের কোনো সরকার এ প্রচারণার ফাঁদে পা দিচ্ছে বলে মনে হয় না। পুলিশ যেখানে হাজির ছিল সেখানে কী করে এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারল, সে ব্যাখ্যাই সবাই চায়। অভিজিতের বাবা বলেছেন, ফারাবীকে গ্রেফতার করে কী লাভ হলো, সে তো সে চারুকলাতেই ছিল না।
আমরা জানি ১৯৮১ সালে যে প্রতিশোধস্পৃহাকে বাংলাদেশের আকাশে বাতাসে ছেড়ে দেয়া হয়েছে, দেশের লোকসান এবং বিভিন্ন খুনের জন্য সেটাই দায়ী। কিন্তু সেই স্পৃহার কি সীমা-পরিসীমা থাকতে নেই?
লন্ডন, ০৯.০৩.১৫
serajurrahman34@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1338)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
March
(1092)
-
▼
Mar 13
(30)
- ‘পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল করে নির্বাচনের ব্যবস্থা করলে...
- লন্ডনে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তাবে রাজি জুলিয়ান অ্যাসঞ্জ
- মংলায় উদ্ধারকাজ শেষ
- সেরা পাঁচে মাহমুদউল্লাহ
- তাঁর বদলে যাওয়ার গল্প by রানা আব্বাস
- নিউজিল্যান্ডকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল বাংলাদেশ
- এখন দরকার একটি দৃঢ়প্রত্যয়- ‘নেভার এগেইন’ by মিনার ...
- লোহালিয়া-বাউফল-দশমিনা সড়ক, পাঁচ কিলোমিটার অংশ খ...
- বাবা হত্যায় পুতিন রাজনৈতিকভাবে দোষী
- প্রতিশোধস্পৃহারও কি কোনো সীমা থাকতে নেই? by সিরাজু...
- বাবার ‘কারাগারে’ মাদকাসক্ত ছেলে
- পুলিশের আবদার! by সোহরাব হাসান
- কালক্ষেপণের খেসারত- প্রকল্প বাস্তবায়নে দক্ষতা বাড়া...
- ঈশান কোণে মেঘ, উত্তর-পূর্বে অস্থিরতা by মাসুম খলিলী
- প্রথমবারের মতো প্রকাশিত হলো ওসামা বিন লাদেনের দুর্...
- পুলিশকে দায়মুক্তি না দিতে অ্যামনেস্টির আহ্বান
- মার্শাল আর্ট কন্যা আকলিমা by আব্দুল কুদ্দুস
- দুই পক্ষই অনড় : কাজে আসছে না উদ্যোগ by ইমরান আলম
- ‘যে কোন নিখোঁজ নাগরিককে খুঁজে বের করা রাষ্ট্রের দা...
- রক্ষণাত্মক কৌশলে সরকার by আবদুল্লাহ আল মামুন
- সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য -১৭৫ by ড. একেএম শাহনাওয়াজ
- র্যাবের সাবেক ৩ কর্মকর্তাকে পুলিশের খাতির by রাজু...
- একাকিত্ব আয়ু কমায়
- ছাত্রলীগ-যুবলীগের টেন্ডার লড়াই
- বিনা মূল্যে কারা পাচ্ছেন উইন্ডোজ?
- ইইউ’র দূতদের বৈঠকে সঙ্কট উত্তরণের তাগিদ
- নানা সমীকরণে জামায়াত by আহমেদ জামাল
- অর্থনীতির বেশিরভাগ সূচক নেতিবাচক by দেলোয়ার হুসেন,...
- ঝুঁকিপূর্ণ ঘরে প্রথম পাঠ- খাগড়াছড়ির ১৩৫৮টি পাড়া...
- লন্ডন ’৭১: মুক্তিযুদ্ধের কূটনৈতিক ফ্রন্ট by মহিউদ্...
-
▼
Mar 13
(30)
-
▼
March
(1092)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট

No comments:
Post a Comment