Wednesday, October 30, 2013
সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি by আল আমীন চৌধুরী
সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি by আল আমীন চৌধুরী

স্বাধীনতার
প্রায় ৪১ বছর এবং সামরিক শাসন অবসানের ২৩ বছর পর আজও নির্বাচন ঘিরে সহিংস
হরতাল, সশস্ত্র সংঘর্ষ ও ব্যাপক জানমালের ক্ষতিপূর্ণ নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি
যেমন চিন্তার অতীত, তেমনি নির্বাচন আদৌ হবে কি-না, হলে অবাধ ও সুষ্ঠু এবং
সব দলের অংশগ্রহণে হবে কি, কোন সরকারের অধীনে হবে- এমনতর মৌলিক প্রশ্ন বড়
হয়ে দেখা দেবে, তা ভাবতে অবাক লাগে। বস্তুত এটা তো চাকার পুনঃআবিষ্কার নয়।
বিলেতের সংসদীয় গণতন্ত্রের যে আদলে আমাদের শাসনব্যবস্থা গড়ে উঠেছে এবং
উন্নত বিশ্বে ও মালয়েশিয়া, ভারতসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল গণতান্ত্রিক দেশে
যেভাবে নির্বাচন ও শাসনভার হস্তান্তর হয়ে থাকে- সেখানে এসব মৌলিক প্রশ্নের
কিংবা এহেন নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি উদ্ভবের প্রশ্নই ওঠে না। এখানেও সেরূপ
ব্যবস্থা চালু ছিল। কিন্তু সামরিক শাসনামলে এবং পরে আমাদের তিক্ত অভিজ্ঞতার
কারণে অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের
ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। ধারণা ছিল, বার তিনেক এ ব্যবস্থা চললে
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ভিত মজবুত হবে। তারপর নির্বাচিত অন্তর্বর্তী সরকারের
অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থায় ফিরে যাওয়া যাবে। তবে আমাদের
অননুকরণীয় সৃজনশীলতা ও ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কারণে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা
দারুণভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হয় এবং পরে সেনাসমর্থিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের
অধীনে বিগত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
এরই মধ্যে সুপ্রিমকোর্টের খসড়া রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে সংবিধানসম্মত নয় মর্মে রায় দেয়া হয়। তবে সংসদ ইচ্ছা করলে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে দু’বার ওই ব্যবস্থার অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা যেতে পারে বলে নির্দেশনাও রাখা হয়। কিন্তু সংসদ সে মর্মে কোনো আইন পাস করেনি এবং ওই ব্যবস্থা সংবিধানেও রাখা হয়নি। এসব ইতিবৃত্ত প্রায় সবারই জানা। এখন সরকার পক্ষ বলছে, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অধীনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে আর বিরোধী দল বলছে, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হতে হবে। এ বিবাদ-বিরোধ নিয়েই হরতাল ও নৈরাজ্যকর অবস্থা। এমন পরিস্থিতিতে আলোচনা-সভা ও টকশোর বিজ্ঞ ব্যক্তিত্ববর্গ, রাজনীতির পণ্ডিত কিংবা জনমত বিশেষজ্ঞরা অহর্নিশি নানা মতামত ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। কেউ বলেছেন, বিরোধীদলীয় নেত্রীর কাছে প্রধানমন্ত্রীর একটি টেলিফোন করতে কতক্ষণ সময় লাগে?
প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকার গঠনের জন্য বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের নাম চেয়েছেন এবং সেই কাক্সিক্ষত টেলিফোনটি করেছেন। বিরোধী দলও ইতিমধ্যে তাদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি সংসদে উত্থাপন করেছে। জাতিসংঘ মহাসচিব, মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ অনেক দেশের প্রতিনিধিরাও সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ নিরসনের পরামর্শ দিচ্ছেন। কেউ কেউ সালিশদার হতেও রাজি আছেন মর্মে জানা গেছে। তবে দুই নেত্রীর ফোন আলাপে বা চলমান কর্মকাণ্ড বিচারে মনে হয় না যে তারা ‘সালিশ মানি তবে তালগাছটা আমার’ এ অবস্থানের বাইরে যাবেন। সে কথায় পরে আসব। তার আগে আমার বেশ কিছু প্রশ্ন আছে।
প্রথম প্রশ্ন হল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যাপারে। রাজনীতি, টকশো ব্যক্তিত্ব, সুশীল সমাজ বা অন্যরা যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলেন কিংবা যে তত্ত্বাবধায়কের ব্যাপারে সংবাদপত্রসহ কয়েকটি জরিপ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান জরিপ করে বলেছে যে, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী ওই সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন চায়, তারা কি ত্রয়োদশ সংশোধনীতে সংবিধানে সন্নিবেশিত এবং ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার কথা বলছেন, নাকি সংশোধিত কোনো তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার কথা বলছেন? সংশোধিত হলে কোন কোন স্থানে কী কী সংশোধনী আনার প্রস্তাব হয়েছে, তা কি সবিস্তারে বর্ণনা করা হয়েছে? উল্লেখ্য, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন বা ওই সরকার কীভাবে গঠিত হবে, সংবিধানে তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ আছে এবং ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সেভাবে গঠিত সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় (যদিও পরাজিত দল ফলাফলের ব্যাপারে আপত্তি করেছে) বলেই জনগণ সেরূপ সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। আমার বিশ্বাস, পত্রিকা বা অন্যান্য জরিপ পরিচালনাকারী জনগণের কাছে পরিচিত এবং পূর্ব-পরীক্ষিত সেই তত্ত্বাবধায়কের ধারণার ওপরই জনমত যাচাই করেছেন। এখানে আরও উল্লেখ্য, বিরোধী দল সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পুনঃস্থাপন চায় না। বিশেষ করে সে বিধান অনুযায়ী সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তারা মেনে নেবে না বলে বহু আগেই ঘোষণা দিয়েছে। তাছাড়া তাদের সর্বশেষ প্রস্তাবেও ওই সরকারপ্রধান হিসেবে সর্বজন শ্রদ্ধেয় সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একজন নিরপেক্ষ বিশিষ্ট নাগরিকের কথা বলা হয়েছে। অনুরূপ প্রস্তাব রাজনীতিক, গণমাধ্যম, বিশেষজ্ঞ ও স্বনামধন্য অনেক ব্যক্তির কাছ থেকেও এসেছে। এরূপ একজন ব্যক্তি ১৯৯৫ সালে কমনওয়েলথের সেক্রেটারি জেনারেল চিফ এমেকা আনিয়াওকু বা পরে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী কমনওয়েলথের সেক্রেটারি জেনারেলের বিশেষ দূত স্যার নিনিয়ান স্টিফেন বহু চেষ্টা করেও খুঁজে পাননি। ঠিক তেমনি ২০০৬ সালে বিএনপির মহাসচিব মান্নান ভূঁইয়া ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিলের মধ্যে দীর্ঘ সংলাপের সময়ও সর্বজন শ্রদ্ধেয়, সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একজন নিরপেক্ষ বিশিষ্ট নাগরিকের সাক্ষাৎ মেলেনি। মেলার কথাও নয়। দুই দল ও নেতৃত্বের মধ্যে যে চরম অবিশ্বাস ও আস্থার অভাব রয়েছে তাতে একপক্ষ রাজি হলে অন্যপক্ষ তাকে প্রতিপক্ষের লোক মনে করবে। প্রকৃতপক্ষে আলোচ্য ব্যক্তি যত শ্রদ্ধেয় ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিই হোন না কেন, দুই পক্ষের প্রত্যেকেই তাদের প্রতি অনুগত বা তাদের পক্ষ সমর্থনকারীকেই শুধু মেনে নিতে রাজি, অন্য কাউকে নয়। বিদ্যমান অবস্থায় একমাত্র বিধাতার পক্ষেই মনে হয় সে ভূমিকা পালন করা সম্ভব। সে ক্ষেত্রেও নির্বাচনের পর পরাজিত দল সূক্ষ্ম কারচুপি হয়েছে বা আমাদের বিজয় ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে- এরূপ অভিযোগ যে উত্থাপন করবে না, তা হলফ করে বলা যাবে না। কেউ কেউ সার্চ কমিটির মাধ্যমে সরকারপ্রধান মনোনয়নের প্রস্তাব দিয়েছেন। কারা সে কমিটির সদস্য হবেন? কেইবা তাদের নিয়োগ দেবে? সেসব প্রশ্ন ছাড়াও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে, সেই কমিটির সুপারিশকৃত প্রার্থীকে দুই দল কি সমর্থন দেবে? সম্ভাব্য উত্তর : না। তাই কার্যকর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকারে প্রস্তাব করতে হলে এ ধরনের উন্মুক্ত প্রস্তাবের পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব অধিকতর যুক্তিসঙ্গত।
আমার দ্বিতীয় দফার প্রশ্নগুলো হচ্ছে সুপ্রিমকোর্টের খসড়া রায়ের নির্দেশনামূলক পরামর্শ অনুযায়ী আরও দু’বার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তাব সম্পর্কে। অনেক বিশেষজ্ঞ ও পণ্ডিত ব্যক্তির সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ও বাসদসহ আরও দু’-একটি দল ওই প্রস্তাব দিয়েছে। এখানে তাদের কাছে প্রথম প্রশ্ন : তারা কি সত্যিই মনে করেন, আগামী দু’বারের পর বর্তমান সংবিধানের আলোকে ক্ষমতাসীন দলের অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান করার মতো গণতান্ত্রিক ভিত রচিত হবে এবং সব দল সে নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবে?
১৯৯১ সালে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দিনের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনসহ মোট চারটি নির্বাচন নির্দলীয় অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হওয়ার পরও যেখানে একটি শক্তিশালী নির্বাচনী কাঠামো গড়ে ওঠেনি, স্বাধীন ও প্রকৃত ক্ষমতাবান নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়নি, রাজনৈতিক দল ও জোটগুলো নিজেদের মধ্যে যেমন আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারেনি তেমনি নির্বাচন কমিশনের ওপরও আস্থা স্থাপন করতে পারেনি, সেখানে আগামী দু’বার অনুরূপ সরকারের অধীনে নির্বাচন হলেই অন্য কোনোরূপ মৌল পরিবর্তন ছাড়াই অবস্থা বদলে যাবে- তেমনটি বিশ্বাস করার কোনো কারণ দেখি না। ওই প্রস্তাব বাস্তবায়নের সম্ভাব্য চিত্রটি একবার চিন্তা করে দেখুন। ১৯৯০ পরবর্তী নির্বাচনগুলোর ফলাফলে দেখা যায়, ক্ষমতাসীন দল পরপর দু’বার ক্ষমতায় আসতে পারেনি। সে অনুযায়ী যে দুটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠানের প্রস্তাব করা হয়েছে তার প্রথমটিতে অর্থাৎ আগামী নির্বাচনে বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের জায়গায় বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট জয়লাভ করে সরকার গঠন করবে। আর দ্বিতীয়বারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোট ক্ষমতায় যাবে এবং এরপর থেকে ক্ষমতাসীন দল বা জোটের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। তখন আওয়ামী লীগের দলীয় সরকারের অধীনে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো বিনা আপত্তিতে নির্বাচন মেনে নেবে- এরকম বিশ্বাস করা দুষ্কর। প্রতিটি দলের কার্যক্রম, আচার-আচরণ, মনমানসিকতার আমূল পরিবর্তন করে গণতান্ত্রিক চর্চা, পরস্পরের প্রতি আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি, সবাই মিলে স্বাধীন নির্বাচন কমিশন, বিচার বিভাগ এবং নিরপেক্ষ ও ন্যায়নিষ্ঠ প্রশাসন গড়ে তুললেই কেবল অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং শাসনভার হস্তান্তর করা সম্ভব হবে। এর জন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা ও দৃঢ় সংকল্প। কিন্তু বিরাজমান অবস্থায় সে লক্ষণ কোনো দল বা জোটের মধ্যেই দেখা যায় না। তাছাড়া চার চারটি নির্বাচনে এমনকি সেনাসমর্থিত দু’বছর মেয়াদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কঠিন অভিজ্ঞতার পরও যখন আমাদের দলীয় রাজনীতির কৃষ্টি বদলায়নি, আরও দু’বারের বিতর্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন যে দেশকে দৃঢ় গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করাবে এবং সব দলকে নির্বাচিত অন্তর্বর্তীকালীন দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন অকুণ্ঠচিত্তে গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত করবে, সে ভরসা কোনোক্রমেই করা যায় না। এখানে ১৯৪৭ সালে উপমহাদেশ বিভাগের পর পাকিস্তান ও ভারতের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক ধারা বিকাশের উদাহরণ একান্ত প্রাসঙ্গিক মনে করি। পাকিস্তান নিজেকে শিশুরাষ্ট্র হিসেবে গণ্য ও ঘোষণা করে প্রথম ৯ বছর পর্যন্ত জাতীয় সাধারণ নির্বাচন যেমন দেয়নি, তেমনি একটি শাসনতন্ত্র বা সংবিধানও রচনা করেনি পাছে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের টানাপোড়েনে শিশুরাষ্ট্রটি সবল ও পুষ্ট হতে বাধাপ্রাপ্ত হয়। তারপর যাও একটি সংবিধান রচিত হল, নানা অজুহাতে তার বাস্তবায়ন ও নির্বাচন অনুষ্ঠান স্থগিত করে সামরিক শাসন জারি করা হল। এরপর গণতন্ত্র বা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকারের মতো ন্যায্য দাবিগুলো শিশুরাষ্ট্রের দোহাই দিয়ে নাকচ করা হল। শেষ পর্যন্ত ২৩ বছরেও যখন দুর্বল শিশুটি সাবালক হল না, তখন গণতন্ত্র ও ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হল এবং সেই শিশুরাষ্ট্রটির মৃত্যু হল। অন্যদিকে ভারত প্রথমেই সংবিধান রচনায় এবং গণতন্ত্রের প্রথায় জাতীয় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যাপৃত হল এবং অল্প সময়ের মধ্যেই একটি সবল ও কার্যকর গণতান্ত্রিক দেশে পরিণত হল। নতুন রাষ্ট্রের দুর্বল গণতান্ত্রিক ভিতের দোহাই দিয়ে তারা নির্বাচিত দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান থেকে বিরত থাকেনি। আসলে গণতন্ত্রে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা নিরসনে চাই আরও বেশি গণতন্ত্র- রাষ্ট্র কাঠামোয়, সরকারে, দলে ও প্রশাসনিক স্তরে। তার সঙ্গে চাই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থার পরিবেশ এবং জাতির বৃহত্তর স্বার্থে ঐকমত্য।
আমার দ্বিতীয় প্রশ্নটি হচ্ছে রাজনীতিবেত্তা, সুশীল সমাজ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পণ্ডিত ও বিশ্লেষক এবং প্রগতিবাদী রাজনীতিকদের কাছে। প্রতিবার যখন নির্বাচন ঘনিয়ে আসে, ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর সঙ্গে বিরোধী দলের ক্ষমতার লড়াই চরম সহিংসতায় রূপ নিয়ে বিপর্যয়কর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে, তখন তারা স্থায়ী কোনো সমাধানের ব্যবস্থার কথা না বলে আপাত প্রশমনের ব্যবস্থা হিসেবে কেন সেবারের মতো একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে কোনোমতে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুপারিশ করে থাকেন? এতে প্রতিবারই একই অচলাবস্থার সৃষ্টি হবে। প্রতিবারই সেই দুই বিবদমান দলকে সংলাপে বসতে আহ্বান করা হবে। দুই নেতাকে ফোনালাপ করতে অনুরোধ করা হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে অভিমান ভাঙানোর চেষ্টা হবে। এরই মধ্যে গত তিন দিনের হরতালের মতো বা তার আগেরবারের মতো হালি হালি মানুষ মরবে, শত শত আহত হবে, কোটি কাটি টাকার সম্পদ নষ্ট হবে, অগণিত মানুষ আয় হারাবে, শান্তি হারাবে। আর তাতেও কাজ না হলে তৃতীয় কোনো অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এ অচলাবস্থার অবসান হবে। এ দুষ্ট চক্র থেকে মুক্তির উপায় বোধ করি রাজনীতিকদেরই বের করতে হবে। সে লক্ষ্যে আমার মনে হয়, সার্চ কমিটির মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের পরিবর্তে অনুরূপ কোনো সর্বসম্মত ব্যবস্থায় শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠন, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ও নিরপেক্ষ প্রশাসন গড়ে তোলার দিকেই তাদের সর্বাÍক চেষ্টা চালানো সমীচীন হবে।
বড় বড় দল ও জোটগুলোর পালাক্রমে ক্ষমতায় থাকার সময় সব ধরনের বাজিকরি (বিচারপতি হাবিবুর রহমানের ভাষায়) কর্মকাণ্ড দেখার পরও বলছি, প্রধানমন্ত্রীর সর্বদলীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব সব রাজনৈতিক দলের পক্ষে বিবেচনার দাবি রাখে। ওই প্রস্তাবের আলোকে আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকারের অধীনে আবার সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একটি স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ আছে। উন্নত ও উন্নয়নশীল অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো এবার থেকেই শুরু হতে পারে সে ব্যবস্থা। এতে নির্বাচনে মানুষের উৎসাহ বাড়বে, উৎকণ্ঠা নয়। রাজনীতিকরাও জনসমর্থন আদায়ে বেশি সময় ব্যয় করতে পারবেন, জনদুর্ভোগ বাড়াতে নয়।
আল আমীন চৌধুরী : কলাম লেখক ও সাবেক সচিব
এরই মধ্যে সুপ্রিমকোর্টের খসড়া রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে সংবিধানসম্মত নয় মর্মে রায় দেয়া হয়। তবে সংসদ ইচ্ছা করলে আইন প্রণয়নের মাধ্যমে দু’বার ওই ব্যবস্থার অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা যেতে পারে বলে নির্দেশনাও রাখা হয়। কিন্তু সংসদ সে মর্মে কোনো আইন পাস করেনি এবং ওই ব্যবস্থা সংবিধানেও রাখা হয়নি। এসব ইতিবৃত্ত প্রায় সবারই জানা। এখন সরকার পক্ষ বলছে, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর অধীনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে আর বিরোধী দল বলছে, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই নির্বাচন হতে হবে। এ বিবাদ-বিরোধ নিয়েই হরতাল ও নৈরাজ্যকর অবস্থা। এমন পরিস্থিতিতে আলোচনা-সভা ও টকশোর বিজ্ঞ ব্যক্তিত্ববর্গ, রাজনীতির পণ্ডিত কিংবা জনমত বিশেষজ্ঞরা অহর্নিশি নানা মতামত ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। কেউ বলেছেন, বিরোধীদলীয় নেত্রীর কাছে প্রধানমন্ত্রীর একটি টেলিফোন করতে কতক্ষণ সময় লাগে?
প্রধানমন্ত্রী এরই মধ্যে নির্বাচনকালীন সর্বদলীয় সরকার গঠনের জন্য বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের নাম চেয়েছেন এবং সেই কাক্সিক্ষত টেলিফোনটি করেছেন। বিরোধী দলও ইতিমধ্যে তাদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি সংসদে উত্থাপন করেছে। জাতিসংঘ মহাসচিব, মার্কিন রাষ্ট্রদূতসহ অনেক দেশের প্রতিনিধিরাও সংলাপের মাধ্যমে বিরোধ নিরসনের পরামর্শ দিচ্ছেন। কেউ কেউ সালিশদার হতেও রাজি আছেন মর্মে জানা গেছে। তবে দুই নেত্রীর ফোন আলাপে বা চলমান কর্মকাণ্ড বিচারে মনে হয় না যে তারা ‘সালিশ মানি তবে তালগাছটা আমার’ এ অবস্থানের বাইরে যাবেন। সে কথায় পরে আসব। তার আগে আমার বেশ কিছু প্রশ্ন আছে।
প্রথম প্রশ্ন হল তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যাপারে। রাজনীতি, টকশো ব্যক্তিত্ব, সুশীল সমাজ বা অন্যরা যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলেন কিংবা যে তত্ত্বাবধায়কের ব্যাপারে সংবাদপত্রসহ কয়েকটি জরিপ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান জরিপ করে বলেছে যে, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী ওই সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন চায়, তারা কি ত্রয়োদশ সংশোধনীতে সংবিধানে সন্নিবেশিত এবং ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার কথা বলছেন, নাকি সংশোধিত কোনো তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার কথা বলছেন? সংশোধিত হলে কোন কোন স্থানে কী কী সংশোধনী আনার প্রস্তাব হয়েছে, তা কি সবিস্তারে বর্ণনা করা হয়েছে? উল্লেখ্য, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান কে হবেন বা ওই সরকার কীভাবে গঠিত হবে, সংবিধানে তা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ আছে এবং ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে সেভাবে গঠিত সরকারের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় (যদিও পরাজিত দল ফলাফলের ব্যাপারে আপত্তি করেছে) বলেই জনগণ সেরূপ সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। আমার বিশ্বাস, পত্রিকা বা অন্যান্য জরিপ পরিচালনাকারী জনগণের কাছে পরিচিত এবং পূর্ব-পরীক্ষিত সেই তত্ত্বাবধায়কের ধারণার ওপরই জনমত যাচাই করেছেন। এখানে আরও উল্লেখ্য, বিরোধী দল সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার পুনঃস্থাপন চায় না। বিশেষ করে সে বিধান অনুযায়ী সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তারা মেনে নেবে না বলে বহু আগেই ঘোষণা দিয়েছে। তাছাড়া তাদের সর্বশেষ প্রস্তাবেও ওই সরকারপ্রধান হিসেবে সর্বজন শ্রদ্ধেয় সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একজন নিরপেক্ষ বিশিষ্ট নাগরিকের কথা বলা হয়েছে। অনুরূপ প্রস্তাব রাজনীতিক, গণমাধ্যম, বিশেষজ্ঞ ও স্বনামধন্য অনেক ব্যক্তির কাছ থেকেও এসেছে। এরূপ একজন ব্যক্তি ১৯৯৫ সালে কমনওয়েলথের সেক্রেটারি জেনারেল চিফ এমেকা আনিয়াওকু বা পরে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী কমনওয়েলথের সেক্রেটারি জেনারেলের বিশেষ দূত স্যার নিনিয়ান স্টিফেন বহু চেষ্টা করেও খুঁজে পাননি। ঠিক তেমনি ২০০৬ সালে বিএনপির মহাসচিব মান্নান ভূঁইয়া ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল জলিলের মধ্যে দীর্ঘ সংলাপের সময়ও সর্বজন শ্রদ্ধেয়, সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একজন নিরপেক্ষ বিশিষ্ট নাগরিকের সাক্ষাৎ মেলেনি। মেলার কথাও নয়। দুই দল ও নেতৃত্বের মধ্যে যে চরম অবিশ্বাস ও আস্থার অভাব রয়েছে তাতে একপক্ষ রাজি হলে অন্যপক্ষ তাকে প্রতিপক্ষের লোক মনে করবে। প্রকৃতপক্ষে আলোচ্য ব্যক্তি যত শ্রদ্ধেয় ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিই হোন না কেন, দুই পক্ষের প্রত্যেকেই তাদের প্রতি অনুগত বা তাদের পক্ষ সমর্থনকারীকেই শুধু মেনে নিতে রাজি, অন্য কাউকে নয়। বিদ্যমান অবস্থায় একমাত্র বিধাতার পক্ষেই মনে হয় সে ভূমিকা পালন করা সম্ভব। সে ক্ষেত্রেও নির্বাচনের পর পরাজিত দল সূক্ষ্ম কারচুপি হয়েছে বা আমাদের বিজয় ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে- এরূপ অভিযোগ যে উত্থাপন করবে না, তা হলফ করে বলা যাবে না। কেউ কেউ সার্চ কমিটির মাধ্যমে সরকারপ্রধান মনোনয়নের প্রস্তাব দিয়েছেন। কারা সে কমিটির সদস্য হবেন? কেইবা তাদের নিয়োগ দেবে? সেসব প্রশ্ন ছাড়াও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে, সেই কমিটির সুপারিশকৃত প্রার্থীকে দুই দল কি সমর্থন দেবে? সম্ভাব্য উত্তর : না। তাই কার্যকর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকারে প্রস্তাব করতে হলে এ ধরনের উন্মুক্ত প্রস্তাবের পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব অধিকতর যুক্তিসঙ্গত।
আমার দ্বিতীয় দফার প্রশ্নগুলো হচ্ছে সুপ্রিমকোর্টের খসড়া রায়ের নির্দেশনামূলক পরামর্শ অনুযায়ী আরও দু’বার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তাব সম্পর্কে। অনেক বিশেষজ্ঞ ও পণ্ডিত ব্যক্তির সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ও বাসদসহ আরও দু’-একটি দল ওই প্রস্তাব দিয়েছে। এখানে তাদের কাছে প্রথম প্রশ্ন : তারা কি সত্যিই মনে করেন, আগামী দু’বারের পর বর্তমান সংবিধানের আলোকে ক্ষমতাসীন দলের অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান করার মতো গণতান্ত্রিক ভিত রচিত হবে এবং সব দল সে নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেবে?
১৯৯১ সালে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দিনের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনসহ মোট চারটি নির্বাচন নির্দলীয় অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হওয়ার পরও যেখানে একটি শক্তিশালী নির্বাচনী কাঠামো গড়ে ওঠেনি, স্বাধীন ও প্রকৃত ক্ষমতাবান নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়নি, রাজনৈতিক দল ও জোটগুলো নিজেদের মধ্যে যেমন আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারেনি তেমনি নির্বাচন কমিশনের ওপরও আস্থা স্থাপন করতে পারেনি, সেখানে আগামী দু’বার অনুরূপ সরকারের অধীনে নির্বাচন হলেই অন্য কোনোরূপ মৌল পরিবর্তন ছাড়াই অবস্থা বদলে যাবে- তেমনটি বিশ্বাস করার কোনো কারণ দেখি না। ওই প্রস্তাব বাস্তবায়নের সম্ভাব্য চিত্রটি একবার চিন্তা করে দেখুন। ১৯৯০ পরবর্তী নির্বাচনগুলোর ফলাফলে দেখা যায়, ক্ষমতাসীন দল পরপর দু’বার ক্ষমতায় আসতে পারেনি। সে অনুযায়ী যে দুটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠানের প্রস্তাব করা হয়েছে তার প্রথমটিতে অর্থাৎ আগামী নির্বাচনে বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের জায়গায় বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট জয়লাভ করে সরকার গঠন করবে। আর দ্বিতীয়বারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোট ক্ষমতায় যাবে এবং এরপর থেকে ক্ষমতাসীন দল বা জোটের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। তখন আওয়ামী লীগের দলীয় সরকারের অধীনে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো বিনা আপত্তিতে নির্বাচন মেনে নেবে- এরকম বিশ্বাস করা দুষ্কর। প্রতিটি দলের কার্যক্রম, আচার-আচরণ, মনমানসিকতার আমূল পরিবর্তন করে গণতান্ত্রিক চর্চা, পরস্পরের প্রতি আস্থার পরিবেশ সৃষ্টি, সবাই মিলে স্বাধীন নির্বাচন কমিশন, বিচার বিভাগ এবং নিরপেক্ষ ও ন্যায়নিষ্ঠ প্রশাসন গড়ে তুললেই কেবল অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং শাসনভার হস্তান্তর করা সম্ভব হবে। এর জন্য সবচেয়ে বড় প্রয়োজন রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা ও দৃঢ় সংকল্প। কিন্তু বিরাজমান অবস্থায় সে লক্ষণ কোনো দল বা জোটের মধ্যেই দেখা যায় না। তাছাড়া চার চারটি নির্বাচনে এমনকি সেনাসমর্থিত দু’বছর মেয়াদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কঠিন অভিজ্ঞতার পরও যখন আমাদের দলীয় রাজনীতির কৃষ্টি বদলায়নি, আরও দু’বারের বিতর্কিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন যে দেশকে দৃঢ় গণতান্ত্রিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করাবে এবং সব দলকে নির্বাচিত অন্তর্বর্তীকালীন দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন অকুণ্ঠচিত্তে গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত করবে, সে ভরসা কোনোক্রমেই করা যায় না। এখানে ১৯৪৭ সালে উপমহাদেশ বিভাগের পর পাকিস্তান ও ভারতের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক ধারা বিকাশের উদাহরণ একান্ত প্রাসঙ্গিক মনে করি। পাকিস্তান নিজেকে শিশুরাষ্ট্র হিসেবে গণ্য ও ঘোষণা করে প্রথম ৯ বছর পর্যন্ত জাতীয় সাধারণ নির্বাচন যেমন দেয়নি, তেমনি একটি শাসনতন্ত্র বা সংবিধানও রচনা করেনি পাছে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের টানাপোড়েনে শিশুরাষ্ট্রটি সবল ও পুষ্ট হতে বাধাপ্রাপ্ত হয়। তারপর যাও একটি সংবিধান রচিত হল, নানা অজুহাতে তার বাস্তবায়ন ও নির্বাচন অনুষ্ঠান স্থগিত করে সামরিক শাসন জারি করা হল। এরপর গণতন্ত্র বা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকারের মতো ন্যায্য দাবিগুলো শিশুরাষ্ট্রের দোহাই দিয়ে নাকচ করা হল। শেষ পর্যন্ত ২৩ বছরেও যখন দুর্বল শিশুটি সাবালক হল না, তখন গণতন্ত্র ও ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য এক রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হল এবং সেই শিশুরাষ্ট্রটির মৃত্যু হল। অন্যদিকে ভারত প্রথমেই সংবিধান রচনায় এবং গণতন্ত্রের প্রথায় জাতীয় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে ব্যাপৃত হল এবং অল্প সময়ের মধ্যেই একটি সবল ও কার্যকর গণতান্ত্রিক দেশে পরিণত হল। নতুন রাষ্ট্রের দুর্বল গণতান্ত্রিক ভিতের দোহাই দিয়ে তারা নির্বাচিত দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান থেকে বিরত থাকেনি। আসলে গণতন্ত্রে কোনো সমস্যা দেখা দিলে তা নিরসনে চাই আরও বেশি গণতন্ত্র- রাষ্ট্র কাঠামোয়, সরকারে, দলে ও প্রশাসনিক স্তরে। তার সঙ্গে চাই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আস্থার পরিবেশ এবং জাতির বৃহত্তর স্বার্থে ঐকমত্য।
আমার দ্বিতীয় প্রশ্নটি হচ্ছে রাজনীতিবেত্তা, সুশীল সমাজ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পণ্ডিত ও বিশ্লেষক এবং প্রগতিবাদী রাজনীতিকদের কাছে। প্রতিবার যখন নির্বাচন ঘনিয়ে আসে, ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর সঙ্গে বিরোধী দলের ক্ষমতার লড়াই চরম সহিংসতায় রূপ নিয়ে বিপর্যয়কর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে, তখন তারা স্থায়ী কোনো সমাধানের ব্যবস্থার কথা না বলে আপাত প্রশমনের ব্যবস্থা হিসেবে কেন সেবারের মতো একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করে কোনোমতে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের সুপারিশ করে থাকেন? এতে প্রতিবারই একই অচলাবস্থার সৃষ্টি হবে। প্রতিবারই সেই দুই বিবদমান দলকে সংলাপে বসতে আহ্বান করা হবে। দুই নেতাকে ফোনালাপ করতে অনুরোধ করা হবে। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে অভিমান ভাঙানোর চেষ্টা হবে। এরই মধ্যে গত তিন দিনের হরতালের মতো বা তার আগেরবারের মতো হালি হালি মানুষ মরবে, শত শত আহত হবে, কোটি কাটি টাকার সম্পদ নষ্ট হবে, অগণিত মানুষ আয় হারাবে, শান্তি হারাবে। আর তাতেও কাজ না হলে তৃতীয় কোনো অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এ অচলাবস্থার অবসান হবে। এ দুষ্ট চক্র থেকে মুক্তির উপায় বোধ করি রাজনীতিকদেরই বের করতে হবে। সে লক্ষ্যে আমার মনে হয়, সার্চ কমিটির মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগের পরিবর্তে অনুরূপ কোনো সর্বসম্মত ব্যবস্থায় শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠন, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ও নিরপেক্ষ প্রশাসন গড়ে তোলার দিকেই তাদের সর্বাÍক চেষ্টা চালানো সমীচীন হবে।
বড় বড় দল ও জোটগুলোর পালাক্রমে ক্ষমতায় থাকার সময় সব ধরনের বাজিকরি (বিচারপতি হাবিবুর রহমানের ভাষায়) কর্মকাণ্ড দেখার পরও বলছি, প্রধানমন্ত্রীর সর্বদলীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব সব রাজনৈতিক দলের পক্ষে বিবেচনার দাবি রাখে। ওই প্রস্তাবের আলোকে আলোচনার মাধ্যমে ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকারের অধীনে আবার সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একটি স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলার সুযোগ আছে। উন্নত ও উন্নয়নশীল অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশের মতো এবার থেকেই শুরু হতে পারে সে ব্যবস্থা। এতে নির্বাচনে মানুষের উৎসাহ বাড়বে, উৎকণ্ঠা নয়। রাজনীতিকরাও জনসমর্থন আদায়ে বেশি সময় ব্যয় করতে পারবেন, জনদুর্ভোগ বাড়াতে নয়।
আল আমীন চৌধুরী : কলাম লেখক ও সাবেক সচিব
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1332)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
October
(362)
-
▼
Oct 30
(9)
- ছোট মন নিয়ে গণতন্ত্র চর্চা করা যায় না
- যে ফোনালাপটি না হলেই ভালো হতো
- ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ বাতিল হোক
- রাজনীতির দাসত্বে বাংলাদেশের মানুষ by একেএম শাহনাওয়াজ
- তিন উদ্দিনের পদধ্বনি! by অরবিন্দ রায়
- সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলা জর...
- কুতুবদিয়ায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ২৩
- রোমের নাগরিকত্ব পেলেন সুচি
- প্রথম পোলিশ প্রধানমন্ত্রী তাদেউসজ চলে গেলেন
-
▼
Oct 30
(9)
-
▼
October
(362)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
দুর্নীতি
শিশু
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
মালয়েশিয়া
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
স্বাস্থ্য
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
জ্যোতির্বিজ্ঞান
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
শিল্প ও সাহিত্য
সংবিধান ও রাষ্ট্র
বগুড়া
মিয়ানমার
ঢাকা
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
গবেষণা
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
জীবনযাপন
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
মেহেদী হাসান
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
ইয়েমেন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
Exclusive
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
উচ্চশিক্ষা
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
বিজ্ঞান
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
জনস্বাস্থ্য
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
ফরিদপুর
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লাতিন আমেরিকা
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মহাকাশচারী
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
জোহরান মামদানি
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
ইহুদি
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
স্পেন
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
বিশ্বকাপ ফুটবল
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment