Monday, June 26, 2017
ঈদ স্মৃতির রকমফের by নূরে আলম সিদ্দিকী
ঈদ স্মৃতির রকমফের by নূরে আলম সিদ্দিকী

আমাদের
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম সর্বাধিক প্রসিদ্ধি ও জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন
তাঁর ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটির মাধ্যমে। ‘মানুষ’ কবিতাটির মধ্যেও লোভী মোল্লাদের
প্রতি তাঁর প্রচণ্ড প্রতিবাদ শুধু তাঁর চির উদ্বেলিত হৃদয়ের সমুদ্রের
উর্মিমালায় উচ্ছ্বসিত ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নয়, তার অনাবিল অনবদ্য স্নিগ্ধ
মর্মস্পর্শী মানবতার প্রতি অদম্য ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।
তাঁর অসংখ্য কালজয়ী প্রেমের বন্দনাকে বাংলা সাহিত্যের সকল কবি এমনকি রবীন্দ্রনাথও বিমুগ্ধ চিত্তে প্রশংসা করেছেন। প্রেমের আকুতিকে অনবদ্য ভাষায় প্রতিভাত করার আত্মতৃপ্তিতেই তিনি নিঃসংকোচে বলতে পেরেছিলেন, “আমি চিরতরে দূরে চলে যাব, তবু আমারে দিব না ভুলিতে”।
আমি এখানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের উপর নিবন্ধের সূচনা করছি না। বরং তার অনেক অনবদ্য ও অতুলনীয় মর্মস্পর্শী পঙ্ক্তির মধ্যে মুসলিম সম্প্রদায়ের নানা ভিন্ন ভিন্ন মতের হৃদয়কে স্পর্শ করে যায়, এমন একটি উদ্ধৃতি প্রদান করার জন্যই এই উপক্রমণিকা।
ধর্মীয় কূপমণ্ডুকতার বিরুদ্ধে আঘাত, প্রত্যাঘাত, বিদ্রূপ, বিক্ষোভ, অযাচিত এবং অসংগত সমালোচনার নির্মম ও নিষ্ঠুর শিকার মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে তার ছোট্ট একটি পঙ্ক্তি সকলের মনে এমন অনুভূতি ও আকুতি সৃষ্টি করে যে, গান ও কাব্যের জগতে এটি অনন্যসাধারণ ও বিরল। আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা সকল মুসলমানের হৃদয়কে উচ্ছ্বসিত করে উচ্চকিত করে “রমজানের ওই রোজার শেষে এল খুশির ঈদ”। পশ্চিম দিগন্তের বুক চিরে রমজানের শেষে সোনার থালার একটি কণার মতো যখন ঈদের চাঁদের সামান্য আভাও দেখা যায়, তখন সবার মনই গুনগুন করে গেয়ে ওঠে; যা তুলনাবিহীন। শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলেরই হৃদয়ে নিজের জ্ঞাতে অজ্ঞাতে পঙ্ক্তিটি মুর্ছিত হতে থাকে আপন মহিমায়।
ঈদের কথা বলতে হলে এতটুকু উপক্রমণিকা কোনোভাবেই এড়ানো যায় না। বিস্তীর্ণ জ্ঞানের পরিধি থাকলে অনেক ভাষা হতে বিশেষ করে ফারসি ভাষার পঙ্ক্তির উদ্ধৃতি দিতে পারতাম।
প্রতিটি মানুষের মতো আমারও জীবনে শৈশব থেকে শুরু করে জীবন সায়াহ্ন পর্যন্ত ৭৩/৭৪টি শুধু রোজার ঈদ এসেছে। একইভাবে কোরবানিরও। আমি বিস্ময়াভিভূত হয়ে উপলদ্ধি করি, বয়সের তারতম্যে ঈদ বা কোরবানির আনন্দে কোনো মারাত্মক ব্যতিক্রম বা ব্যত্যয় আমি অন্তত অনুভব করি না (মুক্তিযুদ্ধকালীন একটি ব্যতিক্রম বাদে)। জীবনের প্রতিটি ঈদ ও কোরবানি আমার জীবনকে আনন্দিত করেছে, উদ্বেলিত করেছে, উচ্ছ্বসিত করেছে। এমনকি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য একটা মমত্ববোধ ও ভালোবাসার উন্মেষ ঘটিয়েছে। এই জীবন সায়াহ্নে সুদূর অতীত আমার শৈশবের দিকে যদি তাকাই, সেখানেও আনন্দের অজস্র ও অফুরন্ত স্মৃতি এখনও আমাকে রোমাঞ্চিত করে, বিমোহিত করে, বিমুগ্ধ করে। সচ্ছল ও সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মের সুবাদে কোনো ঈদেই আমাকে কোনো না পাওয়ার বেদনায় হৃদয়কে এতটুকু ভারাক্রান্ত করেনি। অনেক আত্মীয়-স্বজন। তাদের কাছ থেকে জামা-কাপড়, জুতা, খেলনাসহ অফুরন্ত উপহার পেয়েছি। যতই উপহার পেতাম, সেগুলোকে আমার বিছানায় সাজিয়ে রাখতাম। আমার মা মুচকি হেসে বলতেন, উপহারেই বিছানা ভরিয়ে ফেললে শোবে কোথায়? বাবাও খুব খুশি হতেন আমার উচ্ছ্বাস অনুধাবন করে। বলতেন, ওর উপহারগুলো বিছানাতেই ঘুমাক, ও না হয় আমাদের বিছানায় ঘুমাবে।
কিন্তু মজার কথা হলো, উপহারগুলো তো পরতে হবে! নামাজের কিছু আগে ছাড়া ঈদের কাপড় মা পরতে দিতেন না। তারপরে যখন যেটা পরার অবাধ স্বাধীনতা। মনে হতো একেকটা মিনিট যেন একেকটা ঘণ্টা। ঈদের দিন অনেক ভোরেই ঘুম ভেঙে যেত। তখনও বাড়ির চারপাশে বিভিন্ন পাখির কলরব শুরু হতো না। সেই বয়সেও বুঝতাম, প্রভাত হতে এখনও বাকি। কিন্তু কী করবো? ঘুম তো আসে না ! আবেগ-উচ্ছ্বাসে ভরা মন সুনিবিড় আকাঙ্ক্ষায় অপেক্ষা করতো- সূর্য উঠুক। তখন থেকেই না শুরু হবে ঈদের জামাতের প্রস্তুতি নেয়া। সচ্ছল ও সম্ভ্রান্ত ঘরের সন্তান হিসেবে সুগন্ধী সাবান থেকে শুরু করে বিলাসী উপকরণের কোনো অভাব ছিল না। কিন্তু এই বয়সে এসেও অস্বীকার করবো না, আমার শৈশবের ঈদ বন্ধুদের সঙ্গে কোলাকুলি, নামাজ আদায়, অস্থির চিত্তে অপেক্ষা করা কখন খুৎবা ও মোনাজাত শেষ হবে। পূর্ণ স্বাধীনতায় বয়োজ্যেষ্ঠদের সালাম ও বন্ধুদের সঙ্গে কোলাকুলি করবো। আমার শৈশবের বন্ধুরা প্রায় সকলেই আমাদের বাসায় আসতো। আমার স্নেহশীলা মমতাময়ী মা নিজের সন্তানের মতোই সকলকেই ঈদের জন্য নিজ হাতে তৈরি করা সকল ধরনের মিষ্টান্ন সকলকেই খেতে দিতেন। এবং মজার বিষয় হলো, বন্ধুদের যাদের বাসায় যা কিছুই মিষ্টান্ন হোক না কেন, আমার মায়ের হাতে তৈরি মিষ্টান্ন না খেলে যেন তাদের ঈদ সম্পূর্ণই হতো না। অন্যদিকে বন্ধুদের কেউ একজন অনুপস্থিত থাকলে মায়ের চোখ এড়াতো না। তার কথা আমাকে বারবার জিজ্ঞেস করতেন। বন্ধুদের নিয়ে খাচ্ছি, খেলছি, দৌড়াদৌড়ি করছি; এরমধ্যে অনুপস্থিত বন্ধুদের ব্যাপারে বারবার প্রশ্ন করায় বিরক্তই লাগতো। মা তো মা-ই।
নতুন কাপড় বা ঈদের অন্যান্য প্রসাধনী মাও অফুরন্ত পেতেন। কিন্তু সেগুলো ব্যবহারের সুযোগ আসতো কম। আপ্যায়নের মাধ্যমে তিনি যে অবর্ণনীয় আনন্দলাভ করতেন, তার চোখ-মুখ খুশিতে জ্বলজ্বল করতো, তা আজও আমার স্মৃতিতে ভাসে। আমি আবারও বলি, সকলের মা-ই মা। কিন্তু আমার মাকে সবসময়ই আমার মনে হতো- তিনি অনন্যা, তিনি অসাধারণ। এই বিশাল জগত জুড়ে আমার মা এমন একজন স্নেহশীলা আবেগাপ্লুত জননী, যার কোন তুলনা নাই। ঈদের দিনে যে বিরাট ধকল, তাতে তার কোন ক্লান্তি কখনোই আমার চোখে পড়ে নাই।
আমাদের পরিবারটি ঠিক যৌথ না হলেও কার্যত আমার চাচাতো ফুফাতো খালাতো ভাই-বোনরা আমার মায়ের খুব কোল-নেওটা ছিল। সন্তান-সম্পর্কিত প্রায় সকলেই মাকে কেউ মা, কেউ আম্মা, কেউ মা-জান বলে ডাকতো। যদিও আমরা দুই সহোদর (এক ভাই, এক বোন) ভাইবোন ছিলাম। আমার মেজো খালা বা চাচী (আব্বা ও চাচা আপন দুই ভাই আম্মা ও খালা আপন দুই বোনের সাথে বিবাহ সম্পর্ক স্থাপিত হয়। আমি শতভাগ নিশ্চিত এটা পারিবারিক প্রস্তাবনায় সংঘটিত হয়েছিল।) মা’কে সকলেই যখন মা বলে ডাকতো, তিনি খুবই ক্ষুব্ধ হয়ে যেতেন। ক্রুদ্ধ হয়ে মাকে ভর্ৎসনা করে বলতেন, তুই কি নিঃসন্তান, বাঁজা? এত রুদ্রমূর্তিতে তীব্র বকাবকি করতেন যে, মা চুপসে যেতেন, ভয়ও পেতেন। কিন্তু নিতান্ত নির্বিকার ও নিশ্চুপ থাকতেন। আমাদের ওই সমস্ত আত্মীয়রা এমনিতে কেউ না কেউ আমাদের বাসায় অনুষ্ঠান ছাড়াই খেতেন। মায়ের হাতের রান্না না খেলে তারা নিতান্তই অতৃপ্ত থাকতেন বলে আমি তাদের মুখেই শুনেছি। এতে আমার অনাগ্রহ ছিল না, কারণ একসঙ্গে বসে বেশ ক’জন মিলে খেতে এমনিতেই ভালো লাগে। পুকুরের রুইমাছের মাথাটি বা বিশেষ পছন্দনীয় মাছটি মা কখনোই আমার পাতে তুলে দেননি। কিন্তু সৌভাগ্য আমার! যার পাতেই তুলে দিতেন, তিনিই ওটা আমাকে দিয়ে দিতেন এবং বাবা ও মা কেউ তাতে আর আপত্তি তুলতেন না। যৌথ পরিবার না হলেও ঈদ ছাড়াও দৈনন্দিন খাওয়াটা অনেকটা যৌথ পরিবেশেই হতো। সাংসারিক সচ্ছলতার কারণে এটা বোধহয় সকলকেই শান্তি, স্বস্তি ও আনন্দ দিতো। এই নিত্য-নৈমিত্তিক স্বাভাবিকতার মধ্যে ঈদের ব্যাপারটা যে আমাদের বাসাই মোটামুটি কেন্দ্রবিন্দু ছিল, এটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। মাতৃকূল অর্থাৎ আমার খালা-মামারা আমাদের বসতি থেকে অনেক দূরে থাকতেন। তাই ঈদের দিনে চাচাতো ভাই-বোনদের সমাগমই বাসাটাকেমুখর করে রাখতো। অবশ্য কখনো কখনো খালাতে মামাতো ভাইবোনরাও ঈদ করতে আমাদের এখানে আসতো। সেই সাবলীল এবং অকৃত্রিম আনন্দঘন পরিবেশের ঈদ আমাকে আজও রোমাঞ্চিত করে, বিমোহিত করে, বিমুগ্ধ করে। শৈশব, কৈশোর পেরিয়ে যৌবনের সোপানে যখন পা রাখলাম, পড়াশোনার জন্য আমাকে ঢাকায় চলে আসতে হলো। কিন্তু ঈদের সময় ঢাকায় থাকা আমার জন্য ছিল শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যাবার মতো অবস্থা। কখনোই তা করিনি। ঈদে বাড়ি যেতেই হতো। ৫০ দশকের ৫৮/৫৯ সাল থেকে প্রায় স্বাধীনতা পর্যন্ত আমাদের ওখানে (ঝিনাইদহ থেকে ঢাকায় আসার) রাস্তা সুগম ছিল না। অথচ ঝিনাইদহ থেকে কোলকাতায় মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টায় যাওয়া যেতো। ৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের আগে ভিসা পাসপোর্টেরও বালাই ছিল না। ঢাকা থেকে ঝিনাইদহ যেতে হলে ফুলবাড়িয়া স্টেশন থেকে প্রায় ২৩/২৪ ঘণ্টায় চুয়াডাঙ্গা হয়ে যেতে হতো। আমার জীবনের অন্যতম শখ বা বিলাসিতা ট্রেন বা প্লেনের উচ্চতর শ্রেণিতে ভ্রমণ করা। তাই টিফিনের খরচ বাঁচিয়ে হলেও আগে থেকেই ট্রেনের প্রথম শ্রেণির টিকেট কেটে রাখতাম। বলতে সংকোচ নেই, কোনভাবেই প্রথম শ্রেণির দরজাও ঈদের সময় আটকে রাখা যেত না। অসংখ্য যাত্রী প্রথম শ্রেণিতে দরজা খুলে ঢুকে যেত। পুলিশও যেন নির্বিকার থাকতো। তবে এটুকু সৌজন্যবোধ থাকতো যে টিকেট কাটা যাত্রীদের তারা বসার সুযোগ দিতো। আর বাকি পুরো কামরাটি একদম যাত্রীতে ঠাসা, তিলধারণের ঠাঁইও থাকতো না। যাত্রাপথে বাহাদুরাবাদ-সিরাজগঞ্জে ফেরি পারাপার; একটি অদ্ভুত সুন্দর বিলাসবহুল ফেরি। যখন ফেরিতে উঠতাম, তখন সমস্ত অন্তরটা আনন্দে, উচ্ছ্বলতায় ভরে যেত। ওখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে সাধারণ যাত্রীরা ঢুকতেই পারতো না। সিরাজগঞ্জ থেকে ঈশ্বরদী হয়ে চুয়াডাঙ্গায় গিয়ে আমাদের নামতে হতো। চুয়াডাঙ্গায় নামতাম রাত ৯টা/১০টার দিকে। অনেক সময় ঝিনাইদহগামী শেষ বাসটি ছেড়ে দিতো। চুয়াডাঙ্গা স্টেশনে উচ্চশ্রেণির যাত্রীদের বিশ্রামাগারটি ছিল সুসজ্জিত ও মার্জিত। শোয়ার জন্য কোন খাট না থাকলেও কাঠ ও বেতের তৈরি অতি উচ্চমানের ইজি চেয়ার এতই সুন্দর ছিল যে, ঘুমাতে কোনো অসুবিধা হতো না। আমি দু’-একবার সকালের প্রথম বাসটি ধরতে পারিনি। এটি উল্লেখ করলাম এই কারণে যে, আব্বা এসে অপেক্ষা করতেন ঝিনাইদহের বাসস্টপেজে। প্রতি ঘণ্টায় চুয়াডাঙ্গা থেকে ঝিনাইদহে বাস যেতো। এখন ভাবতে ভীষণ কষ্ট লাগে, ওই এক ঘণ্টা আব্বা কী উৎকণ্ঠার মধ্যে কাটাতেন। আবার এটি ভাবতে ভালো লাগে যে, ভাগ্যিস, তখন মোবাইল ফোন ছিল না! থাকলে মায়ের কী দশাটাই না হতো!
কলেজে থাকা অবস্থা থেকে শুরু করে ’৬৯ সাল পর্যন্ত আমার বেশ কয়েকটি ঈদ কেটেছে কারাগারের অভ্যন্তরে। ৬৬-এর পর থেকে রাজবন্দী হিসেবেই জেল খেটেছি। আমার একটি ঈদের কথা মনে পড়ে। তখন আমি হাজতী। মামলায় জামিন না দিয়ে ওই কয়দিন আমাকে জেল খাটিয়ে একটা বিদ্বেষপ্রসূত আনন্দ (স্যাডিজম) পেতেন ম্যাজিস্ট্রেটদের কেউ কেউ। এ ব্যাপারে ঘাগু ছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট মরহুম আফসার উদ্দিন। আল্লাহ্ তাকে বেহেশ্ত নসীব করুন। এটা অপ্রাসঙ্গিক কি না জানি না, আমাদের যেকোনো মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে এসে দাঁড়াতেন তখনকার দিনে প্রথিতযশা ব্যারিস্টার ও এডভোকেটগণ। সর্বজনাব আতাউর রহমান খান (প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী), জহিরউদ্দিন (প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী), সালাম খান, শাহ্ আজিজুর রহমানসহ অনেকেই। তখন হাইকোর্টে যারা আইনজীবী হিসেবে শুধু প্রসিদ্ধই নন, আইন ব্যবসাও যাদের রমরমা। তারাও একটা অনবদ্য আকর্ষণে এসে ম্যাজিস্ট্রেটের বারান্দায় ভিড় জমাতেন। আমার অনুভূতি আজও শিহরিত হয়, রাজনীতির সেই রোমাঞ্চিত ত্যাগের মহিমায় ভরপুর দিনগুলি কি আবার কখনো অবক্ষয়ের অতলান্তে অবলুপ্ত ক্ষয়িষ্ণু সমাজব্যবস্থায় মৌলিক অধিকার-বিবর্জিত একনায়কতান্ত্রিকতায় আচ্ছাদিত এই বাংলাদেশে ফিরে আসবে?
সেবার হাজতী হিসেবে কারাগারে গেলেও আমাকে জেল হাসপাতালে রাখা হয়। যারা নিরাপত্তা বন্দি নন, অথচ রাজনৈতিক কর্মী, তাদের জন্য এ ব্যবস্থাটি আকাশছোঁয়া পরিতৃপ্তির। যতদূর মনে পড়ে, জেলের অভ্যন্তরে হাসপাতাল চত্বরেই ঈদের জামাত হতো। সেটিও একটি অদ্ভুত অনুভূতির ঈদ। সেই ঈদে মুজিব ভাই কারারুদ্ধ ছিলেন না। কিছু শক্তিশালী সমাজতান্ত্রিক ব্যক্তিত্ব, যাদের সকলেই নন-মুসলিম, তারা ভালো কাপড়- চোপড় পরে কারা অভ্যন্তরে ঈদ চত্বরে আসতেন সবার সঙ্গে মেলামেশার উদগ্র আকাঙ্ক্ষায়। আমার বন্ধু বদিউজ্জামান ঈদের জন্য পায়জামা-পাঞ্জাবী রেখে গিয়েছিল। ঘাটতি, কমতি, বেদনা, ক্লান্তি কোনোকিছুই বোধ করিনি। আর খাওয়া-দাওয়া? আব্বা টিফিন ক্যারিয়ার ভর্তি করে জেলখানার গেটে খাবার নিয়ে আসতেন। ডেপুটি জেলারের রুমে তার সঙ্গে কী হাজতী, কী রাজবন্দী- সকল অবস্থাতেই দেখা করার সুযোগ পেতাম। আওয়ামী লীগের জন্ম থেকেই আমার বাবা প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম। মুজিব ভাইও তাঁকে সম্মান করতেন। মুজিব ভাইয়ের কারাগারের রোজনামচা বইয়ে এ ইঙ্গিত রয়েছে। আমার কিছু অন্তরঙ্গ বন্ধু, তারাও কিছু না কিছু নিয়ে দেখা করতে আসতো। ঈদের দিনে জেল কর্তৃপক্ষও অনেকটা ঢিলেঢালা থাকতো। এখানে ওখানে যাতায়াত অবারিত না হলেও নিয়মকানুন অনেকটা শিথিল ছিল। ঈদের নামাজের শেষে সবারই সবার সঙ্গে কোলাকুলি করার উদগ্র আকাঙ্ক্ষা পরিলক্ষিত হতো। এটা একটা বিচিত্র ধরনের অনুভূতি ও আবেগতাড়িত নিষ্কলুষ আনন্দ। ৬৬ সালে ৬ দফা প্রদানের পর জুনে কারারুদ্ধ হই রাজবন্দী হিসেবে। তখন রাজনীতিকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডেপুটি জেলার তোফাজ্জল হোসেন সাহেব। ভদ্রলোকের বাড়ি রাজশাহীতে। তিনি খুব কুশলী ও বুদ্ধিমান ছিলেন। চাকরি রক্ষার সমস্ত শর্ত পালন করেও তিনি রাজবন্দীদের সঙ্গে একটা সখ্য বজায় রাখতেন। মুজিব ভাইকেও ভীষণ শ্রদ্ধা ও সম্মান করতেন। এবং শুধু তাঁর কেন, তখনকার জেল কর্তৃপক্ষের প্রধান পরিদর্শক থেকে শুরু করে কারাগারের সকল কর্মকর্তারই বদ্ধমূল ধারণা ছিল যে, মুজিব ভাই পাকিস্তানের ক্ষমতায় আসবেনই। ৬ দফা প্রদানের পর বঙ্গবন্ধু কারাগারের যে কক্ষটিতে অবস্থান করতেন, তখন কক্ষটির নাম ছিল ‘দেওয়ানী’। কারা অভ্যন্তরে অনেকগুলো ঈদ ও কোরবানিতে আমি অংশগ্রহণের সুযোগ পাই। ঈদের দিনে অন্যান্য জায়গায় অবরুদ্ধ রাজবন্দীরা অতি উৎসাহ-উদ্দীপনা, হৃদয়ের উচ্ছ্বাস ও উদ্বেলতা নিয়ে ঈদের জামাতে আসতেন। তাদের উদ্দেশ্য ও অভিপ্রায় থাকতো, শুধুই কোলাকুলি নয়, মুজিব ভাইয়ের সঙ্গে রাজনৈতিক শলা-পরামর্শ ও তাঁর সিদ্ধান্ত সরাসরি জানা। আমি মুজিব ভাইয়ের অতি সন্নিকটে থাকতাম বলে এই শলাপরামর্শে তেমন কোন আগ্রহ বোধ করতাম না। কিন্তু অন্যান্য সেল ও ওয়ার্ডে থাকা রাজবন্দীদের সঙ্গে কোলাকুলি, কথাবার্তা ও মেলামেশায় যে কী অদ্ভুত আনন্দ পেতাম, তা বর্ণনা করার ভাষা আমার নেই। প্রথিতযশা লেখক হলে হয়তো পারতাম। কারাগারের অভ্যন্তরের ঈদের একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল, রাজবন্দীদের তরফ থেকে সকল সাধারণ কয়েদিদের জন্য বিশেষ খাদ্য পরিবেশন করা হতো। বলতে বাধা নেই, জেল কর্তৃপক্ষের এখানে একটা অকৃত্রিম সহযোগিতা ও সাহায্য থাকতো। রাজবন্দীদের তত্ত্বাবধানে প্রস্তুত করা খাবার সাধারণ হাজতী ও কয়েদিদের যার যার ওয়ার্ডে ও সেলে পাঠিয়ে দেয়া হতো। কয়েদি ও হাজতীরা ঈদে ও কোরবানিতে এই সুস্বাদু খাবার খুবই পরিতৃপ্তির সঙ্গে খেতো এবং তারা প্রতিটি রাজবন্দীকেই বয়স, রাজনৈতিক পরিচয়, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ভীষণভাবে বিনম্র চিত্তে শ্রদ্ধা করতো। ভাবীও ঈদের দিনে প্রচুর খাবার পাঠাতেন। মানিক ভাইয়ের তরফ থেকেও ঈদের দিন জেলখানায় খাবার আসতো। আমার বাবাসহ অনেক রাজবন্দীর পরিবারবর্গের কাছ থেকেও প্রচুর খাবার আসতো। রাজবন্দীদের যিনি প্রতিনিধি ছিলেন, বাইরে থেকে আগত খাদ্যসামগ্রী রাজবন্দীদের বিভিন্ন সেলে ফালতু, পাহারা ও মেটদের জন্য পাঠিয়ে দিতেন। ডিআইজি, জেল সুপার, জেলার, ডেপুটি জেলারসহ কারাগারের প্রায় সকলেই হয় ঈদের জামাতে নতুবা বিভিন্ন স্থানে মুজিব ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করা অনেকটা অবধারিত ছিল। জেলখানার একটি ঈদ আমার জন্য বেদনাদায়ক, মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ছিল। কারণ তার দুই-তিনমাস আগে আমি কারারুদ্ধ অবস্থায় আমার মায়ের মৃত্যু ঘটে এবং কোনভাবেই মৃত্যুশয্যায় শায়িত মাকে দেখার বা পরে মৃত মাকে দাফন করার জন্য শত চেষ্টা সত্ত্বেও আমাকে কোন পেরোল দেয়া হয়নি। সম্ভবত ওই ঈদের জামাতে আমি যাইনি। শৈশব, কৈশোর ও যৌবনে আমার মমতাময়ী মা’কে ঘিরে বিজড়িত স্মৃতি আমার হৃদয়কে প্রচণ্ডভাবে ভারাক্রান্ত করে। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে আরেকটি ঈদে আমি নামাজ তো পড়ি-ই নাই (আল্লাহ্ আমার গুনাহ মাফ করুন), বরং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে আমি একটি প্রচণ্ড উত্তেজক বক্তৃতা করে বলেছিলাম- ঈদের চাঁদ, তুমি আকাশের বক্ষ বিদীর্ণ করে বাংলাদেশে উদিত হয়ো না। আমার ধর্ষিতা বোনের বুক নিংড়ানো আর্তনাদ তোমাকে ধিক্কার দেবে, সন্তান হারানো মায়ের বুকফাঁটা আর্তনাদ তুমি সহ্য করতে পারবে না। কোথায় দাঁড়াবে ঈদের জামাত? বাংলার মাটির সর্বত্রই তো রক্তের ছোপ ছোপ দাগ। এখানে খুশির জামাত দাঁড়ানোর কোনো অবকাশ নাই। আমার আবেগ, আমার উচ্ছ্বাস, আমার ক্ষোভ, আমার ক্রোধ আমাকে এতখানি আচ্ছন্ন করে যে, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ভাষণে আমি তরুণ প্রজন্মকে ঈদের জামাতে অংশ না নেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলাম (আবার আমি মহান আল্লাহ্র কাছে ক্ষমা চাইছি)।
আজ আমি জীবন সায়াহ্নে উপনীত। আমার একমাত্র গুণের দিক থেকে বিবেচনা করলে আমি আজ পঞ্চম প্রজন্মের সিঁড়িতে। আমার নিজের দৌহিত্র-দৌহিত্রী রয়েছে। এবারের ঈদে আমাকে সালামী দেওয়ার মতো কেউ নাই। বরং সালাম করলে প্রায় সকলকেই আমার সালামী দিতে হবে। এটাও ভিন্ন ধরনের আনন্দ; বিচিত্র ধরনের আস্বাদন। আমার দৌহিত্রী-দৌহিত্র সকলেই ঈদের জন্য নানারকমের সাজগোজের সামগ্রী ক্রয়ে এবং উপহার পেতে আহ্লাদিত এবং ব্যস্ত। এই বৃদ্ধ বয়সেও নিজের জন্য ঈদের জামা-কাপড় কিনতে আমারও আগ্রহের ঘাটতি নাই। পৃথিবীর যেখানেই সুন্দর পাঞ্জাবির কাপড় অথবা পাঞ্জাবি পাওয়া যায়, সবসময়ের মতো এবারও সংগ্রহের চেষ্টায় আছি।
মৌলিক অধিকার-বিবর্জিত বাংলাদেশ একটা সংকটকাল অতিক্রম করছে। আমি বিশ্বাস করি, রমজানের সম্মানের খাতিরেই সমুদ্র উপকূলে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাতের ভয়াবহতা থেকে মহান আল্লাহ্ আমাদের রক্ষা করেছেন। যে জঙ্গি-সন্ত্রাস ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম, সেই আতঙ্কও এবার ঈদের জামাতকে ঘিরে সমগ্র মানুষের। আল্লাহ্র কাছে আমার আকুল ফরিয়াদ, হারাম এই জঙ্গি-সন্ত্রাস থেকে আল্লাহ্ বাংলাদেশসহ পৃথিবীর সকল ঈদের নামাজ আদায়কারীদের রক্ষা করবেন। আমার আরও ফরিয়াদ, বিপথগামী বিভ্রান্ত ও বিপর্যস্ত মানসিকতার যুবক, যারা বিভ্রান্তির শিকার হয়ে মানুষ হত্যা করে একটা পৈশাচিক আনন্দ ও অনৈতিক পরিতৃপ্তি লাভের ঘনঘোর অমানিশার মধ্যে নিমজ্জিত, আল্লাহ্ তাদেরকে হেদায়েত করুন। তারা আমাদের দীনের পূর্ণতা আনয়নকারী খাতেমুন্নবীর জীবনাদর্শ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুক। এই নিবন্ধে আমি আরেকটি প্রাসঙ্গিক কথা উল্লেখ করতে চাই। জঙ্গি-সন্ত্রাস ইসলামে হারাম এটা সর্বজনবিদিত। কিন্তু এই প্রসঙ্গে জোরালো প্রতিবাদ করার ততখানি সাহস না দেখিয়ে যারা মিনমিন করে কথা বলেন, জানি না তারা জঙ্গি সন্ত্রাসীদের ব্যক্তিগত জিঘাংসায় আতঙ্কিত কি না। তারা প্রায়শই জঙ্গি-সন্ত্রাসের সাথে মৌলবাদ শব্দটি সংযুক্ত করে দেন। এটা ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত যাই হোক, এই সংযুক্তি বিরাট বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। মৌলবাদের অর্থ হচ্ছে- যেকোনো জিনিসের মৌল বা মূল আদর্শকে অবিকৃত ধারায় অনুসরণ করা। তাই মৌলবাদী বললে শুধু ইসলাম নয়, যেকোন ধর্মানুরাগীর মূল বিশ্বাসের প্রতি কটাক্ষ করা হয়। এটা অনভিপ্রেত, অনাকাঙ্ক্ষিত এবং পরিত্যাজ্য। এখানে অবশ্যই উল্লেখযোগ্য যে, জেহাদে কাফেরের হাত থেকে অস্ত্র পড়ে গেলে নিরস্ত্র অবস্থায় তার উপর অস্ত্রাঘাত করা মহানবী সম্পূর্ণ নিষেধ করেছেন। এই জীবনমুখী, মানবতাবাদী মূল্যবোধ ইসলামের মূল ও মৌলিক নির্দেশ। এই নির্দেশ অনুসরণ করলে এবং প্রতিটি পরিবার থেকে এটি অনুসরণের সৎ ও শাশ্বত তাগিদ থাকলে পৃথিবীজোড়া জঙ্গি ও সন্ত্রাস থেমে যেত। ঈদকে সামনে রেখে আমি পুনরুল্লেখ করতে চাই- আল-কায়েদা, তালেবান, আইএস-এর মতো জঙ্গি সংগঠনগুলো ক্ষেত্রবিশেষে আমেরিকার সৃষ্টি এবং ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এখন এদের পৃষ্ঠপোষক। অথচ দায়ভার বহন করতে হচ্ছে মুসলমানদের। মোসাদ বিভিন্ন কৌশলে মুসলিম তরুণদের বিভ্রান্ত করে একটা অনৈতিক কূপমণ্ডুকতায় তাদের মগজ ধোলাই করে নিরীহ মানুষের মৃত্যু ঘটাচ্ছে এবং ইসলামের নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তাছাড়া মুসলমানরাই অনেক ক্ষেত্রে তাদের আক্রমণের শিকার হচ্ছে। এদের হাত থেকে মসজিদ ও ঈদের জামাতও নিরাপদ নয়। সত্যিকার ইসলামিক চিন্তার অনুসারীর দ্বারা মসজিদ ও ঈদের জামাত কখনোই আক্রমণের শিকার হতে পারে না। পৃথিবীর কোনো মানুষ, বিশেষ করে মুসলমানরা তাদের এই বর্বরোচিত ইসলাম-বিরোধী কর্মকাণ্ডে উদ্বিগ্ন থাকতো না।
মহান আল্লাহ্ রক্ষা করেছেন, না হলে গতবছর শোলাকিয়ার ঈদের জামাতে ওদের আক্রমণটি সংঘটিত হতে পারলে যে বীভৎসতার সৃষ্টি হতো, তা ভাবলে শিউরে উঠতে হয়। অন্যদিকে পৃথিবীর বিশাল পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি কী নিদারুণভাবে বিকৃত হতো- সেটি সহজেই অনুমেয়। সকল মুসলমানের প্রতি আমার বিনম্র অনুরোধ, আসুন এবারের ঈদে আমরা পরম করুণাময় আল্লাহ্র কাছে ফরিয়াদ তুলে ধরি- রমজানের সম্মানে ঈদুল ফিতরের জামাতগুলো নিরাপদ রাখার স্বার্থে ওইসব ভ্রান্ত ও ইসলামের চেতনা-বিচ্যুত সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মুসলিম উম্মাহ্কে রক্ষা করুন। ঈদ সকল মুসলমানের জন্য আনন্দ, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা বয়ে আনুক। আমীন। সুম্মা আমীন ॥
সূত্র- মানবজমিন ঈদ আনন্দ ২০১৭
তাঁর অসংখ্য কালজয়ী প্রেমের বন্দনাকে বাংলা সাহিত্যের সকল কবি এমনকি রবীন্দ্রনাথও বিমুগ্ধ চিত্তে প্রশংসা করেছেন। প্রেমের আকুতিকে অনবদ্য ভাষায় প্রতিভাত করার আত্মতৃপ্তিতেই তিনি নিঃসংকোচে বলতে পেরেছিলেন, “আমি চিরতরে দূরে চলে যাব, তবু আমারে দিব না ভুলিতে”।
আমি এখানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের উপর নিবন্ধের সূচনা করছি না। বরং তার অনেক অনবদ্য ও অতুলনীয় মর্মস্পর্শী পঙ্ক্তির মধ্যে মুসলিম সম্প্রদায়ের নানা ভিন্ন ভিন্ন মতের হৃদয়কে স্পর্শ করে যায়, এমন একটি উদ্ধৃতি প্রদান করার জন্যই এই উপক্রমণিকা।
ধর্মীয় কূপমণ্ডুকতার বিরুদ্ধে আঘাত, প্রত্যাঘাত, বিদ্রূপ, বিক্ষোভ, অযাচিত এবং অসংগত সমালোচনার নির্মম ও নিষ্ঠুর শিকার মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে তার ছোট্ট একটি পঙ্ক্তি সকলের মনে এমন অনুভূতি ও আকুতি সৃষ্টি করে যে, গান ও কাব্যের জগতে এটি অনন্যসাধারণ ও বিরল। আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা সকল মুসলমানের হৃদয়কে উচ্ছ্বসিত করে উচ্চকিত করে “রমজানের ওই রোজার শেষে এল খুশির ঈদ”। পশ্চিম দিগন্তের বুক চিরে রমজানের শেষে সোনার থালার একটি কণার মতো যখন ঈদের চাঁদের সামান্য আভাও দেখা যায়, তখন সবার মনই গুনগুন করে গেয়ে ওঠে; যা তুলনাবিহীন। শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলেরই হৃদয়ে নিজের জ্ঞাতে অজ্ঞাতে পঙ্ক্তিটি মুর্ছিত হতে থাকে আপন মহিমায়।
ঈদের কথা বলতে হলে এতটুকু উপক্রমণিকা কোনোভাবেই এড়ানো যায় না। বিস্তীর্ণ জ্ঞানের পরিধি থাকলে অনেক ভাষা হতে বিশেষ করে ফারসি ভাষার পঙ্ক্তির উদ্ধৃতি দিতে পারতাম।
প্রতিটি মানুষের মতো আমারও জীবনে শৈশব থেকে শুরু করে জীবন সায়াহ্ন পর্যন্ত ৭৩/৭৪টি শুধু রোজার ঈদ এসেছে। একইভাবে কোরবানিরও। আমি বিস্ময়াভিভূত হয়ে উপলদ্ধি করি, বয়সের তারতম্যে ঈদ বা কোরবানির আনন্দে কোনো মারাত্মক ব্যতিক্রম বা ব্যত্যয় আমি অন্তত অনুভব করি না (মুক্তিযুদ্ধকালীন একটি ব্যতিক্রম বাদে)। জীবনের প্রতিটি ঈদ ও কোরবানি আমার জীবনকে আনন্দিত করেছে, উদ্বেলিত করেছে, উচ্ছ্বসিত করেছে। এমনকি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য একটা মমত্ববোধ ও ভালোবাসার উন্মেষ ঘটিয়েছে। এই জীবন সায়াহ্নে সুদূর অতীত আমার শৈশবের দিকে যদি তাকাই, সেখানেও আনন্দের অজস্র ও অফুরন্ত স্মৃতি এখনও আমাকে রোমাঞ্চিত করে, বিমোহিত করে, বিমুগ্ধ করে। সচ্ছল ও সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মের সুবাদে কোনো ঈদেই আমাকে কোনো না পাওয়ার বেদনায় হৃদয়কে এতটুকু ভারাক্রান্ত করেনি। অনেক আত্মীয়-স্বজন। তাদের কাছ থেকে জামা-কাপড়, জুতা, খেলনাসহ অফুরন্ত উপহার পেয়েছি। যতই উপহার পেতাম, সেগুলোকে আমার বিছানায় সাজিয়ে রাখতাম। আমার মা মুচকি হেসে বলতেন, উপহারেই বিছানা ভরিয়ে ফেললে শোবে কোথায়? বাবাও খুব খুশি হতেন আমার উচ্ছ্বাস অনুধাবন করে। বলতেন, ওর উপহারগুলো বিছানাতেই ঘুমাক, ও না হয় আমাদের বিছানায় ঘুমাবে।
কিন্তু মজার কথা হলো, উপহারগুলো তো পরতে হবে! নামাজের কিছু আগে ছাড়া ঈদের কাপড় মা পরতে দিতেন না। তারপরে যখন যেটা পরার অবাধ স্বাধীনতা। মনে হতো একেকটা মিনিট যেন একেকটা ঘণ্টা। ঈদের দিন অনেক ভোরেই ঘুম ভেঙে যেত। তখনও বাড়ির চারপাশে বিভিন্ন পাখির কলরব শুরু হতো না। সেই বয়সেও বুঝতাম, প্রভাত হতে এখনও বাকি। কিন্তু কী করবো? ঘুম তো আসে না ! আবেগ-উচ্ছ্বাসে ভরা মন সুনিবিড় আকাঙ্ক্ষায় অপেক্ষা করতো- সূর্য উঠুক। তখন থেকেই না শুরু হবে ঈদের জামাতের প্রস্তুতি নেয়া। সচ্ছল ও সম্ভ্রান্ত ঘরের সন্তান হিসেবে সুগন্ধী সাবান থেকে শুরু করে বিলাসী উপকরণের কোনো অভাব ছিল না। কিন্তু এই বয়সে এসেও অস্বীকার করবো না, আমার শৈশবের ঈদ বন্ধুদের সঙ্গে কোলাকুলি, নামাজ আদায়, অস্থির চিত্তে অপেক্ষা করা কখন খুৎবা ও মোনাজাত শেষ হবে। পূর্ণ স্বাধীনতায় বয়োজ্যেষ্ঠদের সালাম ও বন্ধুদের সঙ্গে কোলাকুলি করবো। আমার শৈশবের বন্ধুরা প্রায় সকলেই আমাদের বাসায় আসতো। আমার স্নেহশীলা মমতাময়ী মা নিজের সন্তানের মতোই সকলকেই ঈদের জন্য নিজ হাতে তৈরি করা সকল ধরনের মিষ্টান্ন সকলকেই খেতে দিতেন। এবং মজার বিষয় হলো, বন্ধুদের যাদের বাসায় যা কিছুই মিষ্টান্ন হোক না কেন, আমার মায়ের হাতে তৈরি মিষ্টান্ন না খেলে যেন তাদের ঈদ সম্পূর্ণই হতো না। অন্যদিকে বন্ধুদের কেউ একজন অনুপস্থিত থাকলে মায়ের চোখ এড়াতো না। তার কথা আমাকে বারবার জিজ্ঞেস করতেন। বন্ধুদের নিয়ে খাচ্ছি, খেলছি, দৌড়াদৌড়ি করছি; এরমধ্যে অনুপস্থিত বন্ধুদের ব্যাপারে বারবার প্রশ্ন করায় বিরক্তই লাগতো। মা তো মা-ই।
নতুন কাপড় বা ঈদের অন্যান্য প্রসাধনী মাও অফুরন্ত পেতেন। কিন্তু সেগুলো ব্যবহারের সুযোগ আসতো কম। আপ্যায়নের মাধ্যমে তিনি যে অবর্ণনীয় আনন্দলাভ করতেন, তার চোখ-মুখ খুশিতে জ্বলজ্বল করতো, তা আজও আমার স্মৃতিতে ভাসে। আমি আবারও বলি, সকলের মা-ই মা। কিন্তু আমার মাকে সবসময়ই আমার মনে হতো- তিনি অনন্যা, তিনি অসাধারণ। এই বিশাল জগত জুড়ে আমার মা এমন একজন স্নেহশীলা আবেগাপ্লুত জননী, যার কোন তুলনা নাই। ঈদের দিনে যে বিরাট ধকল, তাতে তার কোন ক্লান্তি কখনোই আমার চোখে পড়ে নাই।
আমাদের পরিবারটি ঠিক যৌথ না হলেও কার্যত আমার চাচাতো ফুফাতো খালাতো ভাই-বোনরা আমার মায়ের খুব কোল-নেওটা ছিল। সন্তান-সম্পর্কিত প্রায় সকলেই মাকে কেউ মা, কেউ আম্মা, কেউ মা-জান বলে ডাকতো। যদিও আমরা দুই সহোদর (এক ভাই, এক বোন) ভাইবোন ছিলাম। আমার মেজো খালা বা চাচী (আব্বা ও চাচা আপন দুই ভাই আম্মা ও খালা আপন দুই বোনের সাথে বিবাহ সম্পর্ক স্থাপিত হয়। আমি শতভাগ নিশ্চিত এটা পারিবারিক প্রস্তাবনায় সংঘটিত হয়েছিল।) মা’কে সকলেই যখন মা বলে ডাকতো, তিনি খুবই ক্ষুব্ধ হয়ে যেতেন। ক্রুদ্ধ হয়ে মাকে ভর্ৎসনা করে বলতেন, তুই কি নিঃসন্তান, বাঁজা? এত রুদ্রমূর্তিতে তীব্র বকাবকি করতেন যে, মা চুপসে যেতেন, ভয়ও পেতেন। কিন্তু নিতান্ত নির্বিকার ও নিশ্চুপ থাকতেন। আমাদের ওই সমস্ত আত্মীয়রা এমনিতে কেউ না কেউ আমাদের বাসায় অনুষ্ঠান ছাড়াই খেতেন। মায়ের হাতের রান্না না খেলে তারা নিতান্তই অতৃপ্ত থাকতেন বলে আমি তাদের মুখেই শুনেছি। এতে আমার অনাগ্রহ ছিল না, কারণ একসঙ্গে বসে বেশ ক’জন মিলে খেতে এমনিতেই ভালো লাগে। পুকুরের রুইমাছের মাথাটি বা বিশেষ পছন্দনীয় মাছটি মা কখনোই আমার পাতে তুলে দেননি। কিন্তু সৌভাগ্য আমার! যার পাতেই তুলে দিতেন, তিনিই ওটা আমাকে দিয়ে দিতেন এবং বাবা ও মা কেউ তাতে আর আপত্তি তুলতেন না। যৌথ পরিবার না হলেও ঈদ ছাড়াও দৈনন্দিন খাওয়াটা অনেকটা যৌথ পরিবেশেই হতো। সাংসারিক সচ্ছলতার কারণে এটা বোধহয় সকলকেই শান্তি, স্বস্তি ও আনন্দ দিতো। এই নিত্য-নৈমিত্তিক স্বাভাবিকতার মধ্যে ঈদের ব্যাপারটা যে আমাদের বাসাই মোটামুটি কেন্দ্রবিন্দু ছিল, এটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। মাতৃকূল অর্থাৎ আমার খালা-মামারা আমাদের বসতি থেকে অনেক দূরে থাকতেন। তাই ঈদের দিনে চাচাতো ভাই-বোনদের সমাগমই বাসাটাকেমুখর করে রাখতো। অবশ্য কখনো কখনো খালাতে মামাতো ভাইবোনরাও ঈদ করতে আমাদের এখানে আসতো। সেই সাবলীল এবং অকৃত্রিম আনন্দঘন পরিবেশের ঈদ আমাকে আজও রোমাঞ্চিত করে, বিমোহিত করে, বিমুগ্ধ করে। শৈশব, কৈশোর পেরিয়ে যৌবনের সোপানে যখন পা রাখলাম, পড়াশোনার জন্য আমাকে ঢাকায় চলে আসতে হলো। কিন্তু ঈদের সময় ঢাকায় থাকা আমার জন্য ছিল শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যাবার মতো অবস্থা। কখনোই তা করিনি। ঈদে বাড়ি যেতেই হতো। ৫০ দশকের ৫৮/৫৯ সাল থেকে প্রায় স্বাধীনতা পর্যন্ত আমাদের ওখানে (ঝিনাইদহ থেকে ঢাকায় আসার) রাস্তা সুগম ছিল না। অথচ ঝিনাইদহ থেকে কোলকাতায় মাত্র সাড়ে তিন ঘণ্টায় যাওয়া যেতো। ৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের আগে ভিসা পাসপোর্টেরও বালাই ছিল না। ঢাকা থেকে ঝিনাইদহ যেতে হলে ফুলবাড়িয়া স্টেশন থেকে প্রায় ২৩/২৪ ঘণ্টায় চুয়াডাঙ্গা হয়ে যেতে হতো। আমার জীবনের অন্যতম শখ বা বিলাসিতা ট্রেন বা প্লেনের উচ্চতর শ্রেণিতে ভ্রমণ করা। তাই টিফিনের খরচ বাঁচিয়ে হলেও আগে থেকেই ট্রেনের প্রথম শ্রেণির টিকেট কেটে রাখতাম। বলতে সংকোচ নেই, কোনভাবেই প্রথম শ্রেণির দরজাও ঈদের সময় আটকে রাখা যেত না। অসংখ্য যাত্রী প্রথম শ্রেণিতে দরজা খুলে ঢুকে যেত। পুলিশও যেন নির্বিকার থাকতো। তবে এটুকু সৌজন্যবোধ থাকতো যে টিকেট কাটা যাত্রীদের তারা বসার সুযোগ দিতো। আর বাকি পুরো কামরাটি একদম যাত্রীতে ঠাসা, তিলধারণের ঠাঁইও থাকতো না। যাত্রাপথে বাহাদুরাবাদ-সিরাজগঞ্জে ফেরি পারাপার; একটি অদ্ভুত সুন্দর বিলাসবহুল ফেরি। যখন ফেরিতে উঠতাম, তখন সমস্ত অন্তরটা আনন্দে, উচ্ছ্বলতায় ভরে যেত। ওখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে সাধারণ যাত্রীরা ঢুকতেই পারতো না। সিরাজগঞ্জ থেকে ঈশ্বরদী হয়ে চুয়াডাঙ্গায় গিয়ে আমাদের নামতে হতো। চুয়াডাঙ্গায় নামতাম রাত ৯টা/১০টার দিকে। অনেক সময় ঝিনাইদহগামী শেষ বাসটি ছেড়ে দিতো। চুয়াডাঙ্গা স্টেশনে উচ্চশ্রেণির যাত্রীদের বিশ্রামাগারটি ছিল সুসজ্জিত ও মার্জিত। শোয়ার জন্য কোন খাট না থাকলেও কাঠ ও বেতের তৈরি অতি উচ্চমানের ইজি চেয়ার এতই সুন্দর ছিল যে, ঘুমাতে কোনো অসুবিধা হতো না। আমি দু’-একবার সকালের প্রথম বাসটি ধরতে পারিনি। এটি উল্লেখ করলাম এই কারণে যে, আব্বা এসে অপেক্ষা করতেন ঝিনাইদহের বাসস্টপেজে। প্রতি ঘণ্টায় চুয়াডাঙ্গা থেকে ঝিনাইদহে বাস যেতো। এখন ভাবতে ভীষণ কষ্ট লাগে, ওই এক ঘণ্টা আব্বা কী উৎকণ্ঠার মধ্যে কাটাতেন। আবার এটি ভাবতে ভালো লাগে যে, ভাগ্যিস, তখন মোবাইল ফোন ছিল না! থাকলে মায়ের কী দশাটাই না হতো!
কলেজে থাকা অবস্থা থেকে শুরু করে ’৬৯ সাল পর্যন্ত আমার বেশ কয়েকটি ঈদ কেটেছে কারাগারের অভ্যন্তরে। ৬৬-এর পর থেকে রাজবন্দী হিসেবেই জেল খেটেছি। আমার একটি ঈদের কথা মনে পড়ে। তখন আমি হাজতী। মামলায় জামিন না দিয়ে ওই কয়দিন আমাকে জেল খাটিয়ে একটা বিদ্বেষপ্রসূত আনন্দ (স্যাডিজম) পেতেন ম্যাজিস্ট্রেটদের কেউ কেউ। এ ব্যাপারে ঘাগু ছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট মরহুম আফসার উদ্দিন। আল্লাহ্ তাকে বেহেশ্ত নসীব করুন। এটা অপ্রাসঙ্গিক কি না জানি না, আমাদের যেকোনো মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে এসে দাঁড়াতেন তখনকার দিনে প্রথিতযশা ব্যারিস্টার ও এডভোকেটগণ। সর্বজনাব আতাউর রহমান খান (প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী), জহিরউদ্দিন (প্রাক্তন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী), সালাম খান, শাহ্ আজিজুর রহমানসহ অনেকেই। তখন হাইকোর্টে যারা আইনজীবী হিসেবে শুধু প্রসিদ্ধই নন, আইন ব্যবসাও যাদের রমরমা। তারাও একটা অনবদ্য আকর্ষণে এসে ম্যাজিস্ট্রেটের বারান্দায় ভিড় জমাতেন। আমার অনুভূতি আজও শিহরিত হয়, রাজনীতির সেই রোমাঞ্চিত ত্যাগের মহিমায় ভরপুর দিনগুলি কি আবার কখনো অবক্ষয়ের অতলান্তে অবলুপ্ত ক্ষয়িষ্ণু সমাজব্যবস্থায় মৌলিক অধিকার-বিবর্জিত একনায়কতান্ত্রিকতায় আচ্ছাদিত এই বাংলাদেশে ফিরে আসবে?
সেবার হাজতী হিসেবে কারাগারে গেলেও আমাকে জেল হাসপাতালে রাখা হয়। যারা নিরাপত্তা বন্দি নন, অথচ রাজনৈতিক কর্মী, তাদের জন্য এ ব্যবস্থাটি আকাশছোঁয়া পরিতৃপ্তির। যতদূর মনে পড়ে, জেলের অভ্যন্তরে হাসপাতাল চত্বরেই ঈদের জামাত হতো। সেটিও একটি অদ্ভুত অনুভূতির ঈদ। সেই ঈদে মুজিব ভাই কারারুদ্ধ ছিলেন না। কিছু শক্তিশালী সমাজতান্ত্রিক ব্যক্তিত্ব, যাদের সকলেই নন-মুসলিম, তারা ভালো কাপড়- চোপড় পরে কারা অভ্যন্তরে ঈদ চত্বরে আসতেন সবার সঙ্গে মেলামেশার উদগ্র আকাঙ্ক্ষায়। আমার বন্ধু বদিউজ্জামান ঈদের জন্য পায়জামা-পাঞ্জাবী রেখে গিয়েছিল। ঘাটতি, কমতি, বেদনা, ক্লান্তি কোনোকিছুই বোধ করিনি। আর খাওয়া-দাওয়া? আব্বা টিফিন ক্যারিয়ার ভর্তি করে জেলখানার গেটে খাবার নিয়ে আসতেন। ডেপুটি জেলারের রুমে তার সঙ্গে কী হাজতী, কী রাজবন্দী- সকল অবস্থাতেই দেখা করার সুযোগ পেতাম। আওয়ামী লীগের জন্ম থেকেই আমার বাবা প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম। মুজিব ভাইও তাঁকে সম্মান করতেন। মুজিব ভাইয়ের কারাগারের রোজনামচা বইয়ে এ ইঙ্গিত রয়েছে। আমার কিছু অন্তরঙ্গ বন্ধু, তারাও কিছু না কিছু নিয়ে দেখা করতে আসতো। ঈদের দিনে জেল কর্তৃপক্ষও অনেকটা ঢিলেঢালা থাকতো। এখানে ওখানে যাতায়াত অবারিত না হলেও নিয়মকানুন অনেকটা শিথিল ছিল। ঈদের নামাজের শেষে সবারই সবার সঙ্গে কোলাকুলি করার উদগ্র আকাঙ্ক্ষা পরিলক্ষিত হতো। এটা একটা বিচিত্র ধরনের অনুভূতি ও আবেগতাড়িত নিষ্কলুষ আনন্দ। ৬৬ সালে ৬ দফা প্রদানের পর জুনে কারারুদ্ধ হই রাজবন্দী হিসেবে। তখন রাজনীতিকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডেপুটি জেলার তোফাজ্জল হোসেন সাহেব। ভদ্রলোকের বাড়ি রাজশাহীতে। তিনি খুব কুশলী ও বুদ্ধিমান ছিলেন। চাকরি রক্ষার সমস্ত শর্ত পালন করেও তিনি রাজবন্দীদের সঙ্গে একটা সখ্য বজায় রাখতেন। মুজিব ভাইকেও ভীষণ শ্রদ্ধা ও সম্মান করতেন। এবং শুধু তাঁর কেন, তখনকার জেল কর্তৃপক্ষের প্রধান পরিদর্শক থেকে শুরু করে কারাগারের সকল কর্মকর্তারই বদ্ধমূল ধারণা ছিল যে, মুজিব ভাই পাকিস্তানের ক্ষমতায় আসবেনই। ৬ দফা প্রদানের পর বঙ্গবন্ধু কারাগারের যে কক্ষটিতে অবস্থান করতেন, তখন কক্ষটির নাম ছিল ‘দেওয়ানী’। কারা অভ্যন্তরে অনেকগুলো ঈদ ও কোরবানিতে আমি অংশগ্রহণের সুযোগ পাই। ঈদের দিনে অন্যান্য জায়গায় অবরুদ্ধ রাজবন্দীরা অতি উৎসাহ-উদ্দীপনা, হৃদয়ের উচ্ছ্বাস ও উদ্বেলতা নিয়ে ঈদের জামাতে আসতেন। তাদের উদ্দেশ্য ও অভিপ্রায় থাকতো, শুধুই কোলাকুলি নয়, মুজিব ভাইয়ের সঙ্গে রাজনৈতিক শলা-পরামর্শ ও তাঁর সিদ্ধান্ত সরাসরি জানা। আমি মুজিব ভাইয়ের অতি সন্নিকটে থাকতাম বলে এই শলাপরামর্শে তেমন কোন আগ্রহ বোধ করতাম না। কিন্তু অন্যান্য সেল ও ওয়ার্ডে থাকা রাজবন্দীদের সঙ্গে কোলাকুলি, কথাবার্তা ও মেলামেশায় যে কী অদ্ভুত আনন্দ পেতাম, তা বর্ণনা করার ভাষা আমার নেই। প্রথিতযশা লেখক হলে হয়তো পারতাম। কারাগারের অভ্যন্তরের ঈদের একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল, রাজবন্দীদের তরফ থেকে সকল সাধারণ কয়েদিদের জন্য বিশেষ খাদ্য পরিবেশন করা হতো। বলতে বাধা নেই, জেল কর্তৃপক্ষের এখানে একটা অকৃত্রিম সহযোগিতা ও সাহায্য থাকতো। রাজবন্দীদের তত্ত্বাবধানে প্রস্তুত করা খাবার সাধারণ হাজতী ও কয়েদিদের যার যার ওয়ার্ডে ও সেলে পাঠিয়ে দেয়া হতো। কয়েদি ও হাজতীরা ঈদে ও কোরবানিতে এই সুস্বাদু খাবার খুবই পরিতৃপ্তির সঙ্গে খেতো এবং তারা প্রতিটি রাজবন্দীকেই বয়স, রাজনৈতিক পরিচয়, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ভীষণভাবে বিনম্র চিত্তে শ্রদ্ধা করতো। ভাবীও ঈদের দিনে প্রচুর খাবার পাঠাতেন। মানিক ভাইয়ের তরফ থেকেও ঈদের দিন জেলখানায় খাবার আসতো। আমার বাবাসহ অনেক রাজবন্দীর পরিবারবর্গের কাছ থেকেও প্রচুর খাবার আসতো। রাজবন্দীদের যিনি প্রতিনিধি ছিলেন, বাইরে থেকে আগত খাদ্যসামগ্রী রাজবন্দীদের বিভিন্ন সেলে ফালতু, পাহারা ও মেটদের জন্য পাঠিয়ে দিতেন। ডিআইজি, জেল সুপার, জেলার, ডেপুটি জেলারসহ কারাগারের প্রায় সকলেই হয় ঈদের জামাতে নতুবা বিভিন্ন স্থানে মুজিব ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করা অনেকটা অবধারিত ছিল। জেলখানার একটি ঈদ আমার জন্য বেদনাদায়ক, মর্মান্তিক ও হৃদয়বিদারক ছিল। কারণ তার দুই-তিনমাস আগে আমি কারারুদ্ধ অবস্থায় আমার মায়ের মৃত্যু ঘটে এবং কোনভাবেই মৃত্যুশয্যায় শায়িত মাকে দেখার বা পরে মৃত মাকে দাফন করার জন্য শত চেষ্টা সত্ত্বেও আমাকে কোন পেরোল দেয়া হয়নি। সম্ভবত ওই ঈদের জামাতে আমি যাইনি। শৈশব, কৈশোর ও যৌবনে আমার মমতাময়ী মা’কে ঘিরে বিজড়িত স্মৃতি আমার হৃদয়কে প্রচণ্ডভাবে ভারাক্রান্ত করে। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে আরেকটি ঈদে আমি নামাজ তো পড়ি-ই নাই (আল্লাহ্ আমার গুনাহ মাফ করুন), বরং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে আমি একটি প্রচণ্ড উত্তেজক বক্তৃতা করে বলেছিলাম- ঈদের চাঁদ, তুমি আকাশের বক্ষ বিদীর্ণ করে বাংলাদেশে উদিত হয়ো না। আমার ধর্ষিতা বোনের বুক নিংড়ানো আর্তনাদ তোমাকে ধিক্কার দেবে, সন্তান হারানো মায়ের বুকফাঁটা আর্তনাদ তুমি সহ্য করতে পারবে না। কোথায় দাঁড়াবে ঈদের জামাত? বাংলার মাটির সর্বত্রই তো রক্তের ছোপ ছোপ দাগ। এখানে খুশির জামাত দাঁড়ানোর কোনো অবকাশ নাই। আমার আবেগ, আমার উচ্ছ্বাস, আমার ক্ষোভ, আমার ক্রোধ আমাকে এতখানি আচ্ছন্ন করে যে, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে ভাষণে আমি তরুণ প্রজন্মকে ঈদের জামাতে অংশ না নেয়ার আহ্বান জানিয়েছিলাম (আবার আমি মহান আল্লাহ্র কাছে ক্ষমা চাইছি)।
আজ আমি জীবন সায়াহ্নে উপনীত। আমার একমাত্র গুণের দিক থেকে বিবেচনা করলে আমি আজ পঞ্চম প্রজন্মের সিঁড়িতে। আমার নিজের দৌহিত্র-দৌহিত্রী রয়েছে। এবারের ঈদে আমাকে সালামী দেওয়ার মতো কেউ নাই। বরং সালাম করলে প্রায় সকলকেই আমার সালামী দিতে হবে। এটাও ভিন্ন ধরনের আনন্দ; বিচিত্র ধরনের আস্বাদন। আমার দৌহিত্রী-দৌহিত্র সকলেই ঈদের জন্য নানারকমের সাজগোজের সামগ্রী ক্রয়ে এবং উপহার পেতে আহ্লাদিত এবং ব্যস্ত। এই বৃদ্ধ বয়সেও নিজের জন্য ঈদের জামা-কাপড় কিনতে আমারও আগ্রহের ঘাটতি নাই। পৃথিবীর যেখানেই সুন্দর পাঞ্জাবির কাপড় অথবা পাঞ্জাবি পাওয়া যায়, সবসময়ের মতো এবারও সংগ্রহের চেষ্টায় আছি।
মৌলিক অধিকার-বিবর্জিত বাংলাদেশ একটা সংকটকাল অতিক্রম করছে। আমি বিশ্বাস করি, রমজানের সম্মানের খাতিরেই সমুদ্র উপকূলে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’র আঘাতের ভয়াবহতা থেকে মহান আল্লাহ্ আমাদের রক্ষা করেছেন। যে জঙ্গি-সন্ত্রাস ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম, সেই আতঙ্কও এবার ঈদের জামাতকে ঘিরে সমগ্র মানুষের। আল্লাহ্র কাছে আমার আকুল ফরিয়াদ, হারাম এই জঙ্গি-সন্ত্রাস থেকে আল্লাহ্ বাংলাদেশসহ পৃথিবীর সকল ঈদের নামাজ আদায়কারীদের রক্ষা করবেন। আমার আরও ফরিয়াদ, বিপথগামী বিভ্রান্ত ও বিপর্যস্ত মানসিকতার যুবক, যারা বিভ্রান্তির শিকার হয়ে মানুষ হত্যা করে একটা পৈশাচিক আনন্দ ও অনৈতিক পরিতৃপ্তি লাভের ঘনঘোর অমানিশার মধ্যে নিমজ্জিত, আল্লাহ্ তাদেরকে হেদায়েত করুন। তারা আমাদের দীনের পূর্ণতা আনয়নকারী খাতেমুন্নবীর জীবনাদর্শ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করুক। এই নিবন্ধে আমি আরেকটি প্রাসঙ্গিক কথা উল্লেখ করতে চাই। জঙ্গি-সন্ত্রাস ইসলামে হারাম এটা সর্বজনবিদিত। কিন্তু এই প্রসঙ্গে জোরালো প্রতিবাদ করার ততখানি সাহস না দেখিয়ে যারা মিনমিন করে কথা বলেন, জানি না তারা জঙ্গি সন্ত্রাসীদের ব্যক্তিগত জিঘাংসায় আতঙ্কিত কি না। তারা প্রায়শই জঙ্গি-সন্ত্রাসের সাথে মৌলবাদ শব্দটি সংযুক্ত করে দেন। এটা ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত যাই হোক, এই সংযুক্তি বিরাট বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। মৌলবাদের অর্থ হচ্ছে- যেকোনো জিনিসের মৌল বা মূল আদর্শকে অবিকৃত ধারায় অনুসরণ করা। তাই মৌলবাদী বললে শুধু ইসলাম নয়, যেকোন ধর্মানুরাগীর মূল বিশ্বাসের প্রতি কটাক্ষ করা হয়। এটা অনভিপ্রেত, অনাকাঙ্ক্ষিত এবং পরিত্যাজ্য। এখানে অবশ্যই উল্লেখযোগ্য যে, জেহাদে কাফেরের হাত থেকে অস্ত্র পড়ে গেলে নিরস্ত্র অবস্থায় তার উপর অস্ত্রাঘাত করা মহানবী সম্পূর্ণ নিষেধ করেছেন। এই জীবনমুখী, মানবতাবাদী মূল্যবোধ ইসলামের মূল ও মৌলিক নির্দেশ। এই নির্দেশ অনুসরণ করলে এবং প্রতিটি পরিবার থেকে এটি অনুসরণের সৎ ও শাশ্বত তাগিদ থাকলে পৃথিবীজোড়া জঙ্গি ও সন্ত্রাস থেমে যেত। ঈদকে সামনে রেখে আমি পুনরুল্লেখ করতে চাই- আল-কায়েদা, তালেবান, আইএস-এর মতো জঙ্গি সংগঠনগুলো ক্ষেত্রবিশেষে আমেরিকার সৃষ্টি এবং ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এখন এদের পৃষ্ঠপোষক। অথচ দায়ভার বহন করতে হচ্ছে মুসলমানদের। মোসাদ বিভিন্ন কৌশলে মুসলিম তরুণদের বিভ্রান্ত করে একটা অনৈতিক কূপমণ্ডুকতায় তাদের মগজ ধোলাই করে নিরীহ মানুষের মৃত্যু ঘটাচ্ছে এবং ইসলামের নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। তাছাড়া মুসলমানরাই অনেক ক্ষেত্রে তাদের আক্রমণের শিকার হচ্ছে। এদের হাত থেকে মসজিদ ও ঈদের জামাতও নিরাপদ নয়। সত্যিকার ইসলামিক চিন্তার অনুসারীর দ্বারা মসজিদ ও ঈদের জামাত কখনোই আক্রমণের শিকার হতে পারে না। পৃথিবীর কোনো মানুষ, বিশেষ করে মুসলমানরা তাদের এই বর্বরোচিত ইসলাম-বিরোধী কর্মকাণ্ডে উদ্বিগ্ন থাকতো না।
মহান আল্লাহ্ রক্ষা করেছেন, না হলে গতবছর শোলাকিয়ার ঈদের জামাতে ওদের আক্রমণটি সংঘটিত হতে পারলে যে বীভৎসতার সৃষ্টি হতো, তা ভাবলে শিউরে উঠতে হয়। অন্যদিকে পৃথিবীর বিশাল পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি কী নিদারুণভাবে বিকৃত হতো- সেটি সহজেই অনুমেয়। সকল মুসলমানের প্রতি আমার বিনম্র অনুরোধ, আসুন এবারের ঈদে আমরা পরম করুণাময় আল্লাহ্র কাছে ফরিয়াদ তুলে ধরি- রমজানের সম্মানে ঈদুল ফিতরের জামাতগুলো নিরাপদ রাখার স্বার্থে ওইসব ভ্রান্ত ও ইসলামের চেতনা-বিচ্যুত সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মুসলিম উম্মাহ্কে রক্ষা করুন। ঈদ সকল মুসলমানের জন্য আনন্দ, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বার্তা বয়ে আনুক। আমীন। সুম্মা আমীন ॥
সূত্র- মানবজমিন ঈদ আনন্দ ২০১৭
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1456)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
-
▼
2017
(8870)
-
▼
June
(1181)
-
▼
Jun 26
(14)
- 'প্রেম না করলে বলিউডে কাজ পাওয়া যায় না'
- ইরান হামলা চালালে সৌদি সরকার টেলিফোন করারও সময় পাব...
- ম্যাজিক দুনিয়ার কিংবদন্তি by মোশাররফ রুমী
- ইনস্টাগ্রামে ঝড় তুললেন সঞ্জয়ের স্ত্রী মান্যতা
- ‘আজও সেই ঘটনার কথা মনে হলে লজ্জায় লাল হয়ে যাই’
- মুসলমানেরা ইসরাইলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে বাধ্য: সর্ব...
- কাশ্মিরে ঈদের নামাজকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা বাহিনী...
- কাশ্মিরে গেরিলারা রণকৌশল পরিবর্তন করছে: স্থায়ী ঘাঁ...
- ঈদ স্মৃতির রকমফের by নূরে আলম সিদ্দিকী
- অসম প্রেম by ফারহান ইশরাক রাফি
- শাকিব-অপুর যেভাবে কেটেছে বিয়ের ৯ বছর by কামরুজ্জাম...
- সাগরদাঁড়ি থেকে ভার্সাই by পার্থপ্রতিম মজুমদার
- বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সাবমেরিন ডিটেক্টর আবিষ্কা...
- সৌদি শর্তে ক্ষুব্ধ তুরস্ক
-
▼
Jun 26
(14)
-
▼
June
(1181)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
কালবেলা
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সংখ্যালঘু
সৈয়দ আবুল মকসুদ
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
হিন্দু
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
স্বাস্থ্য
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
জ্যোতির্বিজ্ঞান
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
জীবনযাপন
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
তথ্য প্রযুক্তি
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
Exclusive
আশরাফুল ইসলাম
ইয়েমেন
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
জনস্বাস্থ্য
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
জোহরান মামদানি
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
ইহুদি
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment